পরীক্ষা আর্কাইভ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

পরীক্ষানতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাসতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন৪৭
সিলেবাস
বিষয় - কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি টপিক - কম্পিউটার ১. ডাটাবেজ সিস্টেম ও এর উপাদান, ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। ২. কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপদ ব্যবহার, সাইবার অপরাধ ও এর প্রতিকার ইত্যাদি। ৩. কম্পিউটার নেটওয়ার্ক [ল্যান, ম্যান, ওয়াই-ফাই, ওয়াইম্যাক্স] ও ইন্টারনেটের ধারণা ও বিবর্তন। ৪. ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW), নিত্য প্রয়োজনীয় কম্পিউটিং প্রযুক্তি: ই-মেইল, ফ্যাক্স ইত্যাদি; ৫. দৈনন্দিন জীবনে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার। উৎস: অষ্টম, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]। ----------------------------- [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৭ প্রশ্ন

.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটির ভিত্তিমূল কোন তত্ত্ব?
  1. কানেকটিভিটি তত্ত্ব
  2. সিমুলেশন তত্ত্ব
  3. তথ্য প্রক্রিয়াকরণ তত্ত্ব
  4. সংবেদনশীল অভিযোজন তত্ত্ব
ব্যাখ্যা

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটির (Virtual Reality) ভিত্তিমূল সিমুলেশন তত্ত্ব (Simulation Theory)। এই তত্ত্ব অনুসারে, ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো একটি কৃত্রিম বা নকল পরিবেশ যা কম্পিউটার বা সফটওয়্যারের মাধ্যমে বাস্তবের অনুরূপ অভিজ্ঞতা তৈরি করে। অর্থাৎ ব্যবহারকারী তার ইন্দ্রিয়ের মাধ্যমে বাস্তব মনে হলেও এটি আসলে একটি ডিজিটাল বা সিমুলেটেড জগত। সিমুলেশন তত্ত্ব ব্যাখ্যা করে কিভাবে প্রযুক্তি ব্যবহার করে কল্পিত পরিবেশে মানুষকে সম্পূর্ণরূপে নিযুক্ত করা যায়, যেখানে দৃষ্টি, শব্দ, স্পর্শ এবং অন্যান্য ইন্দ্রিয়ের মাধ্যমে বাস্তব অভিজ্ঞতার অনুভূতি পাওয়া যায়। ভার্চুয়াল রিয়েলিটি শিক্ষা, চিকিৎসা, বিনোদন ও গবেষণায় এই তত্ত্বের ব্যবহার নিশ্চিত করে। তাই এটি VR-এর মূল তত্ত্ব।

- উত্তর: খ) সিমুলেশন তত্ত্ব।

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সমন্বয়ে কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা বা পরিবেশের বাস্তবভিত্তিক বা ত্রিমাত্রিক চিত্রভিত্তিক রূপায়ণকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলা হয়।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয় কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্যোগকারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত।
- কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃত্রিম পরিবেশকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়, যা ব্যবহারকারীর কাছে সত্য ও বাস্তব মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রি-মাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
ইন্টারনেটের জনক হচ্ছেন - 
  1. রে টমলিনসন
  2. স্যামুয়েল হার্স্ট
  3. মার্টিন কুপার
  4. ভিনটন জি কার্ফ
ব্যাখ্যা

• ইন্টারনেটের জনক হিসেবে পরিচিত ভিনটন জি কার্ফ (Vinton G. Cerf)। তিনি ও রবার্ট খান মিলে ইন্টারনেট প্রটোকল সুইট (TCP/IP) তৈরি করেন, যা কম্পিউটার নেটওয়ার্কগুলিকে সংযুক্ত করার জন্য ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। এটি একটি স্ট্যান্ডার্ড প্রোটোকল যা বিভিন্ন ধরণের নেটওয়ার্ককে একে অপরের সঙ্গে সংযোগ করতে সাহায্য করে। ভিনটন কার্ফের কাজের মাধ্যমে তথ্য দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্যভাবে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে প্রেরণ করা সম্ভব হয়। তাই তাকে “ইন্টারনেটের জনক” বলা হয়।
- অন্যদের মতো রে টমলিনসন ইমেইল প্রবর্তন করেছেন, মার্টিন কুপার মোবাইল ফোন আবিষ্কার করেছেন, এবং স্যামুয়েল হার্স্ট কম্পিউটার বিজ্ঞানীদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন, কিন্তু ইন্টারনেটের মূল ভিত্তি স্থাপন করেছেন কার্ফ।


• বাংলাদেশে ইন্টারনেটের ব্যবহার:
- ১৯৯০ সাল থেকেই বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেটের ব্যবহার দ্রুত ছড়িয়ে পড়লেও বাংলাদেশ অনেক পরে এ মহাযাত্রায় যোগ দেয়।
- ১৯৯৩ সালে প্রথম সরকারিভাবে ইন্টারনেট ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৯৫ সালে অফলাইন ই-মেইলের মাধ্যমে প্রথম এদেশে সীমিত আকারে ইন্টারনেটের ব্যবহার শুরু হয়। 
- বাংলাদেশে ইন্টারনেট সবার জন্য উন্মুক্ত হয় ১৯৯৬ সালে। 
- ১৯৯৬ সালে দেশে প্রথম ইন্টারনেটের জন্য ভিস্যাট (Very Small Aperture Terminal - VSAT) স্থাপন করা হয় এবং আই.এস.এন নামক একটি ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার বা আই.এস.পি (Internet Service Provider - ISP)-এর মাধ্যমে অনলাইন ইন্টারনেট সংযোগের বিস্তৃতি ঘটতে শুরু করে। 
- ইন্টারনেটের জনক হিসাবে পরিচিত মার্কিন নাগরিক ভিনটন জি কার্ফ। 
- ১৯৬৯ সালে ইন্টারনেট জন্ম হয়। 
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া।

.
ডাটাবেজে ডাটা সাজানোর পদ্ধতিকে বলে -
  1. Sorting
  2. Connecting
  3. Networking
  4. Compiling
ব্যাখ্যা

• ডাটাবেজে ডাটা সাজানোর পদ্ধতিকে Sorting বলা হয়। যখন ডাটাবেজে অনেক তথ্য থাকে, তখন সেগুলোকে নির্দিষ্ট ক্রমে সাজানো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। Sorting-এর মাধ্যমে ডাটাকে বড় থেকে ছোট বা ছোট থেকে বড়, অক্ষর অনুযায়ী বা তারিখ অনুযায়ী সহজভাবে বিন্যস্ত করা যায়। এটি তথ্য খুঁজে বের করা, রিপোর্ট তৈরি করা এবং বিশ্লেষণ করার ক্ষেত্রে সময় এবং শ্রম কমায়। উদাহরণস্বরূপ, একটি ছাত্রদের তালিকা যদি নাম অনুসারে সাজানো হয়, তাহলে নির্দিষ্ট একজন ছাত্রকে দ্রুত খুঁজে পাওয়া যায়। Sorting ছাড়া ডাটাবেজ অগোছালো থাকে এবং কার্যকরভাবে ব্যবহার করা কঠিন হয়ে যায়। তাই ডাটাবেজে ডাটা সাজানোর পদ্ধতি Sorting.

• ডাটাবেজ সর্টিং:
- ডাটা টেবিল তৈরি করে তাতে অনেক ডাটা এন্ট্রি করে ডাটাবেজ তৈরি করা হয়।
- ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি করার সময় সাধারণত ধারাবাহিকতা মানা হয় না। 
- কম্পিউটার ব্যবস্থাপনা বিভিন্ন ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এ্যাকসেস) এর সাহায্যে লক্ষ লক্ষ ভাটার ডাটাবেজ তৈরি করে সর্ট বা ইনডেক্স নির্দেশ দিয়ে এক বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে রেকর্ডসমূহকে সর্ট বা ইনডেক্স করা যায়।

• রেকর্ডসমূহকে দু'ভাবে সর্ট করা যায়। যেমন:
১। Ascending (উচ্চ ক্রমানুসারে)- ছোট থেকে বড় আকারে,
২। Descending (নিম্ন ক্রমানুসারে)- বড় থেকে ছোট আকারে।

সূত্র: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতির উদাহরণ হচ্ছে - 
  1. স্বাক্ষর শনাক্তকরণ 
  2. টাইপিং গতি যাচাইকরণ
  3. কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ
  4. হাতের রেখা শনাক্তকরণ
ব্যাখ্যা

• শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতির উদাহরণ হচ্ছে - হাতের রেখা শনাক্তকরণ। 

• বায়োমেট্রিক্স:
- মানুষের দৈহিক গঠন বা আচরণগত বৈশিষ্ট্য পরিমাপের ভিত্তিতে কোনো ব্যক্তিকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করার জন্য ব্যবহৃত প্রযুক্তিকে বায়োমেট্রিক্স বলে।
- একজন মানুষের সাথে অন্য মানুষের আচরণ বা গাঠনিক বৈশিষ্ট্য একরকম হয়না।
- বৈশিষ্ট্যের ভিন্নতার বায়োমেট্রিক্সের প্রকারভেদ দুই রকম। যথা:

১। শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
-  আঙ্গুলের ছাপ শনাক্তকরণ,
- হাতের রেখা শনাক্তকরণ,
- আইরিশ শনাক্তকরণ,
- মুখমন্ডলের অবয়ব শনাক্তকরণ,
- ডিএনএ পর্যবেক্ষণ (DNA test)।

২। আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- কিবোর্ড টাইপিং গতি যাচাইকরণ, 
- হাতে করা স্বাক্ষর যাচাইকরণ, 
- কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

.
কোন উদ্ভাবনী প্রযুক্তিগত উদ্যোগে ইলন মাস্ক জড়িত?
  1. Infosys
  2. Alibaba 
  3. Neuralink 
  4. Blue Origin
ব্যাখ্যা

• ইলন মাস্কের সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত উদ্ভাবনী প্রযুক্তিগত উদ্যোগ হলো Neuralink. ইলন মাস্ক প্রতিষ্ঠিত এই কোম্পানি মূলত মানুষের মস্তিষ্ক এবং কম্পিউটারের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের দিকে কাজ করে। Neuralink উদ্ভাবনী প্রযুক্তি ব্যবহার করে মস্তিষ্কে ক্ষুদ্র ইলেকট্রোড ইমপ্ল্যান্ট করার মাধ্যমে মানুষের স্নায়ুতন্ত্রের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ এবং নিয়ন্ত্রণ সম্ভব করছে। এর লক্ষ্য হলো বিভিন্ন স্নায়ুবিক রোগ যেমন প্যারালাইসিস বা আলঝেইমার চিকিৎসায় সাহায্য করা এবং ভবিষ্যতে মানব-বুদ্ধিমত্তাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে সংযুক্ত করা। অন্যদিকে Infosys, Alibaba বা Blue Origin মাস্কের সঙ্গে সরাসরি জড়িত নয়; তারা আলাদা প্রযুক্তি বা ব্যবসায়িক ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত। তাই মাস্কের উদ্ভাবনী উদ্যোগ হিসেবে Neuralink চিহ্নিত করা যায়।

• ইলন মাস্ক:
- ইলন মাস্ক একজন আমেরিকান উদ্যোক্তা।
- তাঁর জন্ম দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেটোরিয়াতে।
- তিনি যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিদ্যা আর অর্থনীতিতে পড়ালেখা করেন।
- তিনি বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও)।
- টেসলা ছাড়াও রকেট কোম্পানি স্পেসএক্স ও নিউরালিংকের প্রধান হিসেবে রয়েছেন ইলন মাস্ক।
- ইলন মাস্ক ২০১৫ সালে অলাভজনক সংস্থা ওপেনএআই প্রতিষ্ঠা করেন।
- ২০১৬ সালে তিনি নিউরালিংক এবং বোরিং কোম্পানি প্রতিষ্ঠান করেন।

• Neuralink:
- Brain-computer interface technology - Neuralink উদ্ভাবিত এমন
একটি প্রযুক্তি তৈরি করছে যা মানুষের মস্তিষ্কের সঙ্গে সরাসরি কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিভাইসের সংযোগ স্থাপন করবে।
- এর মাধ্যমে, মস্তিষ্কের চিন্তা বা সংকেত সরাসরি কম্পিউটারে পাঠানো সম্ভব হবে, যা বিভিন্ন ধরণের চিকিৎসা, নতুন প্রযুক্তি বা উন্নত মানবিক সক্ষমতা তৈরি করতে সহায়ক হতে পারে।
- Neuralink মূলত মস্তিষ্ক-কম্পিউটার ইন্টারফেস প্রযুক্তি তৈরি করার জন্য কাজ করছে, যা মানুষের মস্তিষ্ক এবং প্রযুক্তির মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করবে।

অপশন আলোচনা:
- Blue Origin: এটি হলো জেফ বেজোসের (Jeff Bezos) প্রতিষ্ঠিত একটি মহাকাশ গবেষণা এবং মহাকাশ ফ্লাইট কোম্পানি।
- Alibaba: এটি চীনের একটি বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি, যার প্রতিষ্ঠাতা হলেন জ্যাক মা (Jack Ma)।
- Infosys: এটি ভারতের একটি বহুজাতিক তথ্য প্রযুক্তি পরিষেবা কোম্পানি, যার সহ-প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে এন. আর. নারায়ণ মূর্তি (N. R. Narayana Murthy) অন্যতম।

উৎস: ব্রিটানিকা।

.
IoT ব্যবস্থায় সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ কোনটি?
  1. অ্যাপ ডিজাইন
  2. নেটওয়ার্কের স্পিড
  3. হার্ডওয়্যারের রঙ
  4. সিকিউরিটি ও প্রাইভেসি
ব্যাখ্যা

• IoT (ইন্টারনেট অব থিংস) ব্যবস্থায় সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হলো সিকিউরিটি ও প্রাইভেসি। কারণ এই ধরনের সিস্টেমে অসংখ্য ডিভাইস একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে এবং ব্যক্তিগত তথ্য, সেন্সর ডেটা ও সংবেদনশীল তথ্য আদান-প্রদান হয়। যদি নিরাপত্তা ব্যবস্থা দুর্বল হয়, তবে হ্যাকাররা সহজেই ডেটা চুরি, ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ বা সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করতে পারে। প্রাইভেসি সুরক্ষা না থাকলে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হতে পারে, যা বড় ধরনের আর্থিক ও সামাজিক ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই IoT সিস্টেম ডিজাইন করার সময় নেটওয়ার্ক স্পিড বা অ্যাপ ডিজাইন কম গুরুত্বপূর্ণ হলেও সিকিউরিটি ও প্রাইভেসি সবসময় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পায়।
 
 ইন্টারনেট অফ থিংস (Internal of things - IoT):
- ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT) হলো পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত এমন একটি সনাক্তকারী কম্পিউটিং ডিভাইস, যা একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মানুষের সাথে মানুষের বা মানুষের সাথে কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করতে সাহায্য করে।
- একাধিক প্রযুক্তি যেমন মেশিন লার্নিং, কমোডিটি সেন্সর, এমবেডেড সিস্টেম এবং রিয়েল-টাইম অ্যানালিটিকস, একত্রিত করার কারণে ইন্টারনেট অফ থিংস বাস্তবায়িত হয়েছে।

IoT ডিভাইসের বৈশিষ্ট্য:
- কম শক্তি ব্যবহার করে কাজ করে, 
- ছোট আকারের কম্পিউটার চিপ ব্যবহার করে, 
- নির্দিষ্ট কাজের জন্য প্রোগ্রাম করা হয়, 
- সেন্সর, একচুয়েটর এবং ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত থাকে। 

উৎস:
১। Computer Applications in Business, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। আইবিএম ওয়েবসাইট।

.
SQL-এর পূর্ণরূপ কোনটি? 
  1. Structured Query Language
  2. Systematic Question Logic
  3. Simple Query List
  4. Standard Question Language
ব্যাখ্যা

• SQL-এর পূর্ণরূপ হলো Structured Query Language। এটি একটি বিশেষ ধরনের প্রোগ্রামিং ভাষা যা ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডেটা সংরক্ষণ, পরিবর্তন এবং পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয়। SQL ব্যবহার করে ব্যবহারকারীরা ডেটা কোয়েরি করতে, নতুন টেবিল তৈরি করতে, বিদ্যমান টেবিলের তথ্য আপডেট বা মুছে ফেলতে পারেন। এটি একটি স্ট্যান্ডার্ড ভাষা, যা প্রায় সব রিলেশনাল ডেটাবেস যেমন MySQL, PostgreSQL, Oracle ইত্যাদিতে প্রযোজ্য। SQL-এর মাধ্যমে ডেটা হ্যান্ডলিং করা সহজ এবং কার্যকর হয়, কারণ এটি মানব-বোধগম্য সিনট্যাক্সে লেখা হয় এবং জটিল ডেটা অপারেশনও সহজভাবে সম্পন্ন করা যায়। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) Structured Query Language.

• SQL Query:
- SQL এর পুরো অর্থ হচ্ছে Structured Query Language।
- এটি একটি অনন্য শক্তিশালী ডাটা মেনিপুলেশন ও ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ।
- রিলেশনাল ডাটাবেজ অ্যাকসেস করার জন্য SQL হচ্ছে একটি হাতিয়ার।
- অতীতে SQL কেবল মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হতো।
- বর্তমানে ডেস্কটপ কম্পিউটারেও রিলেশনাল ডাটাবেজ প্লাটফর্ম ব্যবহৃত হওয়ার ফলে SQL ব্যবহার শুরু হগুলো এক বা একাধিক ডাটাবেজ, টেবিল, কলাম ইনডেক্স ইত্যাদিতে প্রয়োগ করা যায়।
- অধিকাংশ SQL স্টেটমেন্টই ফলাফল হিসেবে এক সেট রেকর্ড প্রদান করে।
- ১৯৭৪ সালে IBM (International Business Machine) এর Research Center SQL তৈরি করা হয়েছে।

• SQL ফিচার সুবিধা:
- SQL ইংরেজি ভাষার কাছাকাছি একটি কোয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ। এতে SELECT, INSERT, DELETE এ রকম শব্দ দ্বারা কমান্ড সেট তৈরি করা হয়েছে।
- SQL একটি non-procedural ল্যাঙ্গুয়েজ। যে তথ্যাবলি দরকার কেবল তা বলে দিলেই হয়, কীভাবে কোয়েরি করা যাবে তা বলার দরকার হয় না।
- SQL একই সময়ে এক একটি রেকর্ডকে প্রসেস না করে বরং এক সেট রেকর্ড প্রসেস করে।
- SQL বিভিন্ন শ্রেণির ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে। যেমন- ডাটাবেজ এডমিনিস্ট্রেটর, প্রোগ্রামার, ম্যানেজমেন্ট বা বিভিন্ন এ্যান্ড ইউজারগণ।

• SQL বিভিন্ন শ্রেণির কার্যসম্পাদনের জন্য ব্যবহার করা যায়।যেমন-
- ডাটা কোয়েরি করা।
- ডাটা সন্নিবেশ, আপডেট বা মুছে ফেলা।
- ডাটাবেজ অবজেক্ট তৈরি, সংশোধন বা মুছে ফেলা।
- ডাটাবেজ অবজেক্ট অ্যাকসেস নিয়ন্ত্রণ।
- ডাটাবেজ Consistency-এর নিশ্চয়তা প্রদান।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।

.
ওয়াই-ফাই সাধারণত __________ ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে। 
  1. 4 থেকে 6.2 GHz 
  2. 2 থেকে 10 GHz
  3. 1 থেকে 2.4 GHz
  4. 2.4 থেকে 5 GHz
ব্যাখ্যা

• ওয়াই-ফাই সাধারণত ২.৪ থেকে ৫ গিগাহার্জ (GHz) ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে। এটি দুইটি প্রধান ব্যান্ড ব্যবহার করে: ২.৪ GHz এবং ৫ GHz। ২.৪ GHz ব্যান্ড বেশি দূরত্বে সিগন্যাল পৌঁছাতে সক্ষম, কিন্তু এতে ব্যস্ততার কারণে গতি কম হতে পারে। অন্যদিকে ৫ GHz ব্যান্ডে দ্রুত ডেটা ট্রান্সফার সম্ভব, তবে এর সীমিত কভারেজ থাকে। আধুনিক ওয়াই-ফাই রাউটার ও ডিভাইসগুলো সাধারণত দুটো ব্যান্ড সমর্থন করে, যা ব্যবহারকারীদের দ্রুত এবং স্থিতিশীল ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করে। তাই, ঘরে বা অফিসে ওয়াই-ফাই ব্যবহারের সময় এই ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সঠিক উত্তর: ঘ) ২.৪ থেকে ৫ GHz

• Wi-fi: 
- Wi-fi এর পূর্ণরূপ হলো Wireless Fidelity.
- Wi-fi হলো একটি জনপ্রিয় তারবিহীন প্রযুক্তি যা উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগসমূহ সরবরাহ করে থাকে রেডিও ওয়েভ ব্যবহাররের মাধ্যমে।
- ওয়াই-ফাই সাধারণত 2.4 থেকে 5 GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি Wi-fi Alliance এর একটি ট্রেডমার্ক এবং IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহারকারী পণ্যসমূহের একটি ব্র্যান্ড নাম।
- ভিক্টর ভিক হেরেসকে ওয়াই-ফাই এর জনক বলা হয়। 
- ওয়াই-ফাই এর ডাটা ট্রান্সমিশনে এ হাফ ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহৃত হয়। 
- কাভারেজ ঘরের ভিতর ৩৩ মিটার এবং বাইরে প্রায় ১০০ মিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
 
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি , প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
শক্তিশালী ঝড়-তুফান ও বজ্রসহ আবহাওয়ার কারণে সাধারণত কোন বিষয়টি দেখা যায়?
  1. ট্রানসিয়েন্ট
  2. নয়েজ
  3. ব্ল্যাক আউট
  4. ব্রাউন আউট
ব্যাখ্যা

• শক্তিশালী ঝড়-তুফান এবং বজ্রসহ আবহাওয়ার সময় সাধারণত ব্ল্যাক আউট দেখা যায়। ঝড় এবং বজ্রপাত বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহের লাইনে প্রভাব ফেলে, যার ফলে বিদ্যুৎ সংযোগে হঠাৎ সমস্যা সৃষ্টি হয়। এর ফলে বৈদ্যুতিক গ্রিডে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটে এবং বিদ্যুৎ সম্পূর্ণভাবে চলে যায়। এই পরিস্থিতিকে ব্ল্যাক আউট বলা হয়। অন্যদিকে, ট্রানসিয়েন্ট হলো ছোট সময়ের বৈদ্যুতিক অস্থায়ী উত্তেজনা, নয়েজ হলো সিগন্যালে অপ্রয়োজনীয় গোলমাল, আর ব্রাউন আউট হলো ভোল্টেজের হ্রাস যা আলো বা যন্ত্রপাতি আংশিকভাবে কাজ করতে বাধা দেয়। তাই ঝড়-তুফানের সময় সবচেয়ে সাধারণ ঘটনা হলো ব্ল্যাক আউট।

• বিদ্যুৎ সরবরাহ সমস্যা:
- বিদ্যুতের অনিয়মিত সরবরাহ একটি সাধারণ ব্যাপার।
- বিদ্যুৎ পাওয়ার লাইনে সাধারণত চার ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। যথা-

১. ব্রাউন আউট:
- পরিকল্পিত বা অপরিকল্পিত কোনো কারণে সরবরাহ লাইনে বিদ্যুতের ভোল্টেজ কমে যাওয়াকে ব্রাউন আউট বলা হয়।
- সাধারণত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ চাহিদা মেটানোর অক্ষমতার কারণে এ ঘটনা ঘটে।
- এক্ষেত্রে কম্পিউটার বন্ধ রাখা উচিত।

২. ব্ল্যাক আউট:
- হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যাওয়াকে ব্লাক আউট বলে।
- সাধারণত প্রচণ্ড ঝড়, তুফান, বজ্রপাত প্রভৃতি কারণে ব্লাক আউট হতে পারে।
- ব্লাক আউটের কারণে কম্পিউটারের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।
- তাই ঝড়, তুফান ও বজ্রপাতের সময় কম্পিউটার বন্ধ রাখা উচিত।

৩. ট্রানসিয়েন্ট:
- বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন সৃষ্ট ভোল্টেজ বা কারেন্টের অপেক্ষাকৃত বড় ধরনের স্পাইককে ট্রানসিয়েন্ট বলা হয়।
- অনেক ট্রানসিয়েন্ট পাওয়ার সাপ্লাই দ্বারা বাধাপ্রাপ্ত হয়ে নিঃশ্বেষ হয় কিন্তু অনেক ট্রানসিয়েন্ট এ বাধা অতিক্রম করে কম্পিউটারের ভেতরের অনেক বর্তনীসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ নষ্ট করে দিতে পারে।

৪. নয়েজ:
- সাধারণত প্রিন্টারের শব্দ, স্পিকারের উচ্চমাত্রার শব্দ, পাওয়ার সাপ্লাই, কুলিং ফ্যান ইত্যাদি থেকে নয়েজ সৃষ্টি হয়ে থাকে।
- প্রিন্টার, ডিস্ক ড্রাইভ, স্পিকার ইত্যাদির নয়েজকে শাব্দিক নয়েজ এবং পাওয়ার সাপ্লাই, কুলিং ফ্যান ইত্যাদির নয়েজকে সিস্টেম নয়েজ বলা হয়।
- এ ধরনের নয়েজ কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়‍্যারের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০.
এম্বেডেড সিস্টেম থেকে আমরা মূলত কোন সুবিধা পাই?
  1. নির্দিষ্ট কাজের জন্য সর্বোত্তমভাবে সাজানো
  2. উচ্চ মানের গ্রাফিক্স পারফরম্যান্স
  3. অসীম কম্পিউটিং ক্ষমতা
  4. একাধিক অপারেটিং সিস্টেম চালাতে পারে
ব্যাখ্যা

• এম্বেডেড সিস্টেম মূলত একটি নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ডিজাইন করা থাকে। এর প্রধান সুবিধা হলো এটি নির্দিষ্ট কাজের জন্য সর্বোত্তমভাবে সাজানো থাকে, যার ফলে দ্রুততা, নির্ভরযোগ্যতা এবং শক্তি ব্যবহার কম থাকে। যেমন, মাইক্রোওয়েভ, অটোমোবাইল ইলেকট্রনিক্স বা হোম অ্যাপ্লায়েন্সে এম্বেডেড সিস্টেম ব্যবহার করা হয় যাতে নির্দিষ্ট ফাংশন নিখুঁতভাবে সম্পন্ন হয়। এম্বেডেড সিস্টেম সাধারণত উচ্চ মানের গ্রাফিক্স বা অসীম কম্পিউটিং ক্ষমতা প্রদানের জন্য নয় এবং এটি একাধিক অপারেটিং সিস্টেম একসাথে চালাতে পারে না। তাই এর মূল সুবিধা হলো নির্দিষ্ট কাজের জন্য অপ্টিমাইজেশন এবং কার্যকারিতা।

উত্তর: ক) নির্দিষ্ট কাজের জন্য সর্বোত্তমভাবে সাজানো।

• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- LED লাইটে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয় না। 

​উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

১১.
LLM-ভিত্তিক ডিপ লার্নিংয়ে সাধারণত কোন GPU লাইব্রেরিটি  ব্যবহার করা হয়?
  1. Pandas
  2. Matplotlib
  3. NumPy
  4. TensorFlow
ব্যাখ্যা

• LLM-ভিত্তিক ডিপ লার্নিং বা বড় ভাষার মডেল তৈরিতে সাধারণত TensorFlow লাইব্রেরিই ব্যবহার করা হয়। TensorFlow হলো একটি ওপেন সোর্স ডিপ লার্নিং ফ্রেমওয়ার্ক যা বিশেষভাবে নিউরাল নেটওয়ার্ক তৈরির জন্য ডিজাইন করা। এটি GPU এবং TPU-কে কাজে লাগিয়ে বড় ডেটাসেট দ্রুত প্রসেস করতে সক্ষম। অন্যদিকে, Pandas মূলত ডেটা ম্যানিপুলেশন এবং বিশ্লেষণের জন্য ব্যবহৃত হয়, Matplotlib হলো ডেটা ভিজ্যুয়ালাইজেশনের জন্য এবং NumPy হলো সংখ্যাতাত্ত্বিক গণনার জন্য। যদিও LLM তৈরিতে NumPy বা Pandas সাহায্য করতে পারে ডেটা প্রি-প্রসেসিং বা ম্যাথ অপারেশনে, সরাসরি নিউরাল নেটওয়ার্ক ট্রেনিং-এর জন্য TensorFlow সবচেয়ে উপযুক্ত এবং সাধারণভাবে ব্যবহৃত লাইব্রেরি। তাই GPU সমর্থিত ডিপ লার্নিংয়ের ক্ষেত্রে TensorFlow প্রধান পছন্দ।

অপশন আলোচনা :
- NumPy - এটি শুধুমাত্র numerical computation-এর জন্য লাইব্রেরি, মূলত CPU-based এবং ডিপ লার্নিং ফ্রেমওয়ার্ক নয়। 
- Matplotlib - এটি ডেটা ভিজুয়ালাইজেশন লাইব্রেরি, ডিপ লার্নিং বা GPU-এর সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। 
- Pandas - এটি ডেটা ম্যানিপুলেশন ও বিশ্লেষণের লাইব্রেরি, ডিপ লার্নিং ফ্রেমওয়ার্ক নয়। 
 
• LLM চালানোর জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ:
- LLM (Large Language Model) চালানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল Graphics Card (GPU). 

• Graphics Card (GPU):
- GPU বিশাল পরিমাণ ডেটা সমান্তরালভাবে প্রসেস করতে পারে।  
- LLM মডেলগুলোর প্রশিক্ষণ ও কার্যকরভাবে চালানোর জন্য হাজার হাজার কোর বিশিষ্ট GPU ব্যবহৃত হয়।  
- CPU এর তুলনায় GPU অনেক দ্রুতগতিতে ম্যাট্রিক্স ও টেনসর অপারেশন করতে সক্ষম।  
- LLM ট্রেনিং ও ইনফারেন্স—দুটোর ক্ষেত্রেই GPU অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে।  
- বর্তমান সময়ে NVIDIA A100, H100 এর মতো GPU LLM এর জন্য সবচেয়ে ব্যবহৃত।  
- GPU এর ক্ষমতা যত বেশি হবে, তত দ্রুত ও কার্যকরভাবে LLM চালানো সম্ভব হবে।  

সূত্র: 
- NVIDIA [link]

১২.
অনলাইন প্ল্যাটফর্মে কাউকে হুমকি দেওয়ার বিষয়টিকে কী বলে?
  1. Cyberstalking
  2. Piracy
  3. Phishing
  4. Spamming
ব্যাখ্যা

• অনলাইন প্ল্যাটফর্মে কাউকে হুমকি দেওয়ার বিষয়টিকে Cyberstalking বলা হয়। Cyberstalking হলো ইন্টারনেট বা ডিজিটাল মাধ্যমে কোনো ব্যক্তিকে বারবার হুমকি, ভীতিপ্রদর্শন বা কুপ্রভাব সৃষ্টি করার কার্যক্রম। এটি শুধুমাত্র হুমকির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং কেউ কারো ব্যক্তিগত তথ্য অনুসন্ধান, নজরদারি বা অপ্রীতিকর বার্তা পাঠানোর মাধ্যমে মানসিক চাপ সৃষ্টি করতেও পারে। Cyberstalking সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, ইমেল, মেসেজিং অ্যাপ্লিকেশন বা অনলাইন ফোরামের মাধ্যমে সংঘটিত হতে পারে। এটি অপরাধের শ্রেণীতে পড়ে এবং ভুক্তভোগীর মানসিক শান্তি ও নিরাপত্তাকে প্রভাবিত করে। তাই অনলাইন হুমকি কোনোভাবেই উপেক্ষা করা উচিত নয়।

- উত্তর: ক) Cyberstalking.

• সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।

• উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো:
- হ্যাকিং,
- স্প্যামিং,
- সাইবার থেফ্ট,
- সাইবার বুলি,
- স্ফুফিং,
- ফিশিং,
- ভিশিং,
- স্নিকিং,
- প্লেজিয়ারিজম,
- Cyberstalking,
- DDoS Attacks, প্রভৃতি

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৩.
নিচের কোনটি প্রাইমারি কী?
  1. বয়স
  2. ঠিকানা
  3. নাম
  4. রোল নম্বর
ব্যাখ্যা

• প্রাইমারি কী (Primary Key) হলো একটি ডাটাবেস টেবিলের সেই ফিল্ড বা কলাম যা প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে শনাক্ত করতে সাহায্য করে। এটি কোনো রেকর্ডের জন্য ইউনিক এবং কখনো খালি (NULL) থাকতে পারে না। প্রশ্নে দেওয়া বিকল্পগুলির মধ্যে বয়স, ঠিকানা, এবং নাম এক বা একাধিক রেকর্ডের জন্য পুনরাবৃত্তি হতে পারে, তাই এগুলো প্রাইমারি কী হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব নয়। অন্যদিকে রোল নম্বর প্রতিটি শিক্ষার্থী বা রেকর্ডের জন্য আলাদা হয় এবং পুনরাবৃত্তি হয় না। তাই এটি একেবারে অনন্যভাবে প্রতিটি রেকর্ডকে চিহ্নিত করতে পারে। সুতরাং, প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে প্রাইমারি কী হলো রোল নম্বর।
 
 • কী (Key) ফিল্ড:
- সাধারণত কোনো একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ডের সাহায্যে ডাটাবেজ থেকে রেকর্ড অনুসন্ধান করা, দুই বা ততোধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা, ডাটাবেজের রেকর্ড শনাক্ত করা ইত্যাদি কাজ করা যায়।

• কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হতে পারে, যথা:
১. প্রাইমারি কী (Primary Key),
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key),
৩. ফরেন কী (Foreign Key).

• প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোনো একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে (Unique) শনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- কোনো ফাইলে সাধারণত এক বা একাধিক ফিল্ড থাকে।
- এই ফিল্ডগুলোর মধ্যে- একটি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর একটিই থাকে।
- কোনো ফাইলে যে সকল ফিল্ডের ডাটাগুলো অদ্বিতীয় হয় সে সকল ফিল্ডই প্রাইমারি কী হওয়ার যোগ্য।

• কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- কোন ডেটাবেজ ফাইলে সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী অনুপস্থিত থাকলে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী হিসেবে ব্যবহার করা হয়, এই ধরনের কী ফিল্ডকে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।

• ফরেন কী:
- রিলেশন টেবিলের ক্ষেত্রে কোনো একটি টেবিলের প্রাইমারি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী কে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কীর সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

উৎস:
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪.
ইমেইল ডাউনলোড করতে সার্ভার কতৃর্ক কোন প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়?
  1. TCP
  2. POP
  3. HTTP
  4. SMTP
ব্যাখ্যা

• ইমেইল ডাউনলোড করতে সাধারণত POP (Post Office Protocol) ব্যবহার করা হয়। POP একটি ক্লায়েন্ট-সার্ভার প্রোটোকল যা ইমেইল সার্ভার থেকে ব্যবহারকারীর ইমেইল ক্লায়েন্টে মেইল ডাউনলোড করতে ব্যবহৃত হয়। যখন ব্যবহারকারী তার মেইল ক্লায়েন্ট খুলে সার্ভারের সাথে সংযোগ স্থাপন করে, POP সার্ভার থেকে নতুন ইমেইলগুলো নিয়ে আসে এবং স্থানীয় কম্পিউটারে সংরক্ষণ করে। এতে ইমেইল পড়া এবং অফলাইনেও ব্যবহার করা সহজ হয়। অন্যদিকে TCP হল যোগাযোগের প্রোটোকল, HTTP ওয়েব পেজ অ্যাক্সেসের জন্য এবং SMTP ইমেইল পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, তাই ইমেইল ডাউনলোডের ক্ষেত্রে মূলত POP প্রোটোকলই ব্যবহৃত হয়।

- উত্তর: খ) POP.

• ই-মেইল:
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়।
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।
- abc@def.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
- ই-মেইল সার্ভারে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• POP:
- POP এর পূর্ণরূপ হল Post Office Protocol.
- ব্যবহারকারী যে সকল মেইল গ্রহণ করে বা তার কাছে আসে সেগুলোকে অন্তর্মুখী বা ইনকামিং মেইল বলা হয়।
- মেইল সার্ভার থেকে ইনকামিং মেইল গ্রহণ করার জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রোটোকল POP3.

• SMTP:
- SMTP এর পূর্ণরূপ হল Simple Mail Transfer Protocol.
- মেল সার্ভার এবং অন্যান্য বার্তা স্থানান্তর এজেন্ট মেল বার্তা পাঠাতে এবং গ্রহণ করতে SMTP ব্যবহার করে।

• IMAP:
- IMAP এর পূর্ণরূপ হল Internet Message Access Protocol.
- IMAP প্রটোকল ব্যবহার করে মেইল বক্সে শুধু প্রবেশ করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি।
২. মাইক্রোসফট।

১৫.
ই-মেইল প্রেরণের জন্য কোন প্রোটোকল ব্যবহৃত হয়?
  1. POP3
  2. TCP/IP
  3. IMAP
  4. SMTP
ব্যাখ্যা

• ই-মেইল প্রেরণের জন্য সাধারণত SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) ব্যবহার করা হয়। এটি একটি নেটওয়ার্ক প্রোটোকল যা ই-মেইল সার্ভার থেকে অন্য সার্ভারে বা ব্যবহারকারীর মেইল ক্লায়েন্টে ই-মেইল পাঠানোর জন্য দায়ী। অন্যদিকে, POP3 (Post Office Protocol 3) এবং IMAP (Internet Message Access Protocol) মূলত ই-মেইল গ্রহণের জন্য ব্যবহৃত হয়। POP3 ব্যবহারকারীকে মেইল সার্ভার থেকে মেইল ডাউনলোড করতে সাহায্য করে এবং স্থানীয় কম্পিউটারে সংরক্ষণ করে, যেখানে IMAP ব্যবহারকারীকে মেইল সার্ভারে রেখে বিভিন্ন ডিভাইস থেকে মেইল অ্যাক্সেস করার সুযোগ দেয়। TCP/IP হলো ইন্টারনেট যোগাযোগের মূল প্রোটোকল, কিন্তু সরাসরি ই-মেইল প্রেরণের জন্য নয়। তাই ই-মেইল প্রেরণের প্রোটোকল হিসেবে সঠিক উত্তর হলো SMTP.

• ইমেইল সংক্রান্ত প্রোটোকলসমূহ:
- ইমেইল সার্ভারে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• SMTP:
- SMTP এর পূর্ণরূপ হলো Simple Mail Transfer Protocol.
- যে সকল মেইল বাইরে পাঠানো হয় সেগুলো কেউ বহির্মুখী বা আউটগোয়িং মেইল বলা হয়।
- আউটগোয়িং মেইল পাঠানোর জন্য এই প্রটোকল ব্যবহার করা হয়।
- SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করে ই-মেইল ক্লায়েন্ট থেকে আউটগোয়িং সার্ভারে এবং পরবর্তীতে সেই সার্ভার থেকে প্রাপকের সার্ভারে ই-মেইল পাঠানো হয়।
- SMTP প্রোটোকল পোর্ট 25 এর মাধ্যমে সংযোগ করা হয়।

• অন্যান্য অপশনসমূহ:
- IMAP:
- এটি এমন একটি প্রোটোকল যা ই-মেইল সার্ভারে থাকা অবস্থাতেই ই-মেইল দেখতে ও পরিচালনা করতে সহায়তা করে। এটি একই অ্যাকাউন্ট একাধিক ডিভাইসে ব্যবহারের জন্য সুবিধাজনক।

- TCP/IP:
- কোনো একক প্রোটোকল নয়, বরং প্রোটোকলের একটি সেট যা ইন্টারনেটের মূল কাঠামো তৈরি করে। এটি ডেটা আদান-প্রদানকে সহজ করে, তবে এটি সরাসরি ই-মেইল পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয় না।

- POP3:
- একটি প্রোটোকল যা ই-মেইল সার্ভার থেকে বার্তা ডাউনলোড করে ডিভাইসে সংরক্ষণ করে। একবার ডাউনলোড হয়ে গেলে এটি সাধারণত সার্ভার থেকে বার্তাটি মুছে ফেলে।

উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

১৬.
URL-এ ব্যবহৃত https-এর ‘s’ কী নির্দেশনা দেয়?
  1. Structure
  2. Secure
  3. Service
  4. Standard
ব্যাখ্যা

• URL-এ ব্যবহৃত HTTPS-এর ‘S’ নির্দেশ করে Secure, অর্থাৎ নিরাপদ। এটি HTTP (HyperText Transfer Protocol)-এর একটি নিরাপদ সংস্করণ, যা ইন্টারনেটে ডেটা আদান-প্রদানের সময় তথ্যকে এনক্রিপ্ট করে সংরক্ষণ করে। HTTPS ব্যবহার করলে ওয়েবসাইটের সার্ভার এবং ব্যবহারকারীর ব্রাউজারের মধ্যে পাঠানো তথ্য তৃতীয় পক্ষ দ্বারা সহজে পড়া বা পরিবর্তন করা যায় না। এটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ যখন আমরা অনলাইনে ব্যাংকিং, শপিং বা ব্যক্তিগত তথ্য পাঠাই। তাই HTTPS থাকলে ব্যবহারকারী ওয়েবসাইটের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা পান এবং তথ্য চুরি বা হ্যাক হওয়ার ঝুঁকি কমে।

সঠিক উত্তর: খ) Secure.

• HTTPS:
- https এর পূর্ণরূপ হলো Hypertext Transfer Protocol Secure.
- HTTPS হলো একটি প্রোটোকল যা ব্যবহারকারীর ওয়েব ব্রাউজার এবং একটি ওয়েবসাইটের মধ্যে যোগাযোগ এবং ডেটা স্থানান্তর সুরক্ষিত করে।
- HTTPS Protocol-টি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে।
- https, http-এর চেয়ে অধিকতর নিরাপদ।
- সাধারণত প্রায় সব ওয়েব অ্যাড্রেসই শুরু হয় http:// দিয়ে।
- তাই ওয়েব অ্যাড্রেসে এ অংশটি লিখা হয় না। www অংশ দিয়েই শুরু করা হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান 
২. ব্রিটানিকা।

১৭.
নিচের কোনটি সাইবার ক্রাইমের অংশ নয়?
  1. অ্যাডওয়্যার
  2. স্নিকিং
  3. স্প্যামিং
  4. ফিশিং
ব্যাখ্যা

• সাইবার ক্রাইম বলতে বোঝায় এমন অপরাধ যা কম্পিউটার, ইন্টারনেট বা ডিজিটাল যন্ত্রের মাধ্যমে সংঘটিত হয়। এর মধ্যে তথ্য চুরি, অনলাইন জালিয়াতি, ফিশিং, ম্যালওয়্যার ছড়ানো এবং স্প্যামিং-এর মতো কর্মকাণ্ড অন্তর্ভুক্ত। প্রশ্নে চারটি অপশন দেওয়া হয়েছে: অ্যাডওয়্যার, স্নিকিং, স্প্যামিং এবং ফিশিং। এর মধ্যে অ্যাডওয়্যার হলো একটি সফটওয়্যার যা ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়াই বিজ্ঞাপন দেখায় বা ট্র্যাকিং তথ্য সংগ্রহ করে। যদিও এটি বিরক্তিকর, এটি সরাসরি অপরাধ হিসেবে গণ্য হয় না এবং সাইবার ক্রাইমের অংশ নয়।
- অন্যদিকে স্নিকিং, স্প্যামিং ও ফিশিং সবই ব্যবহারকারীকে ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে করা হয়, তাই সেগুলি সাইবার ক্রাইমের অংশ।

• সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।

• উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো:
- হ্যাকিং,
- স্প্যামিং,
- সাইবার থেফ্ট,
- সাইবার বুলি,
- স্ফুফিং,
- ফিশিং (Phishing),
- ভিশিং,
- স্নিকিং,
- প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism),
- Cyberstalking,
- DDoS Attacks প্রভৃতি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৮.
কোন টপোলজিতে কম্পিউটার ডেটা পাঠানো বা গ্রহণ করতে ব্যর্থ হলে পুরো নেটওয়ার্ক বন্ধ হয়ে যায়?
  1. স্টার টপোলজি
  2. বাস টপোলজি
  3. ট্রি টপোলজি
  4. রিং টপোলজি
ব্যাখ্যা

• যে টপোলজিতে একটি কম্পিউটার ডেটা পাঠানো বা গ্রহণ করতে ব্যর্থ হলে পুরো নেটওয়ার্কই বন্ধ হয়ে যায় তা হলো রিং টপোলজি। রিং টপোলজিতে প্রতিটি ডিভাইস ঠিক পরবর্তী ডিভাইসের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে এবং ডেটা একটি নির্দিষ্ট দিক বরাবর পাঠানো হয়। অর্থাৎ, ডেটা এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ধাপে ধাপে পৌঁছায়। যদি কোনো কম্পিউটার বা সংযোগে সমস্যা হয়, তাহলে পুরো রিং ব্যাহত হয়ে যায় এবং ডেটা পরিবহন থেমে যায়। অন্যদিকে, স্টার বা বাস টপোলজিতে একক ডিভাইসের ব্যর্থতা পুরো নেটওয়ার্ককে প্রভাবিত করে না। তাই রিং টপোলজিতে নেটওয়ার্কের নির্ভরশীলতা সবচেয়ে বেশি।

• রিং টপোলজি:
- রিং টপোলজি বা রিং সংগঠনে নেটওয়ার্কের সংগঠন হচ্ছে বৃত্তাকার।
- এ ধরনের নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার তার দুই দিকের দুইটি কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।
- কোন কম্পিউটার থেকে প্রেরিত তথ্য প্রতিটি কম্পিউটার পরীক্ষা করে দেখে;
- এবং ডাটা তার উদ্দেশ্যে প্রেরিত না হলে পরবর্তী কম্পিউটারে পাঠিয়ে দেয়।
- ডাটা গ্রহণ না করা পর্যন্ত এভাবে বৃত্তাকারে ঘুরতে থাকে।
- এভাবে তথ্যের একমূখী প্রবাহ বৃত্তাকারে হয়ে থাকে।
- এই নেটওয়ার্কের আওতায় কোন কম্পিউটার ডাটা প্রেরণ বা গ্রহণে অপারগ হলে নেটওয়ার্ক অচল হয়ে পরে।
- এই সংগঠনের আর একটি বড় অসুবিধা হল নেটওয়ার্ক যত বড় হয় তথ্য প্রবাহের গতি তত কম হয়।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা এস এস সি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৯.
WWW কোন দেশের বৈজ্ঞানিক গবেষণাগারে প্রথম উদ্ভাবিত হয়?
  1. ডেনমার্ক
  2. যুক্তরাজ্য
  3. সুইজারল্যান্ড
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

• ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) হল এমন একটি প্রযুক্তি যা ইন্টারনেটের উপর তথ্য ভাগাভাগি করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি মূলত সুইজারল্যান্ডে বিজ্ঞানী টিম বার্নার্স-লি (Tim Berners-Lee) উদ্ভাবন করেছিলেন। ১৯৯০ সালের দিকে তিনি সার্নে (CERN) কাজ করার সময় এই সিস্টেমটি তৈরি করেন। WWW ব্যবহার করে ওয়েব পেজ তৈরি করা, তথ্য অনুসন্ধান করা এবং বিশ্বব্যাপী তথ্য বিনিময় করা সহজ হয়ে যায়। তার উদ্ভাবনের ফলে ইন্টারনেট কেবল ডেটা আদান-প্রদানের মাধ্যম নয়, বরং শিক্ষামূলক, বাণিজ্যিক ও বিনোদনমূলক অনেক কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। তাই WWW প্রযুক্তি সুইজারল্যান্ডের বৈজ্ঞানিক গবেষণাগারে প্রথম উদ্ভাবিত হয়। 

• WWW: 
- WWW এর পূর্ণরূপ হলো World Wide Web. 
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব(WWW) হলো সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম। 
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়। 
- টিম বার্নাস লি ১৯৮৯ সালে সুইজারাল্যান্ডের জেনেভায় WWW তৈরি করেন।
- টিম বার্নাস লি'কে WWW এর জনক বলা হয়।  
- ECRN (The European Center for Nuclear Research) -এ ১৯৮৯ সালে WWW এর সূচনা হয়। 
-  WWW এর বহুল প্রচলন শুরু হয় ১৯৯৩ সালে।
 
উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, www foundation.

২০.
হ্যাকারদের মধ্যে যারা আইনভঙ্গ করে, তাদের কী নামে ডাকা হয়?
  1. ক্রেকার
  2. স্পাইওয়্যার
  3. স্প্যামার
  4. রাশার
ব্যাখ্যা

• হ্যাকারদের মধ্যে যারা আইন ভঙ্গ করে এবং অবৈধভাবে কম্পিউটার সিস্টেমে প্রবেশ করে ক্ষতি করে, তাদের ক্রেকার বলা হয়। ক্রেকাররা সাধারণত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেঙে তথ্য চুরি, সিস্টেম নষ্ট করা, বা অর্থনৈতিক ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে কাজ করে। তারা হ্যাকারদের সেই অংশ, যারা প্রযুক্তিগত দক্ষতা ব্যবহার করে বেআইনি কার্যকলাপে জড়িত থাকে। স্পাইওয়্যার হলো ক্ষতিকর সফটওয়্যার, স্প্যামার অবাঞ্ছিত বার্তা পাঠায়, আর রাশার শব্দটি এ ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
- তাই আইন ভঙ্গকারী হ্যাকারদের সঠিক নাম ক্রেকার।

• হ্যাকিং:
- হ্যাকিং হলো অননুমোদিত প্রবেশ এবং অনৈতিক কার্যকলাপ, যা অন্যের কম্পিউটার বা ওয়েবসাইটে ঢুকে তথ্যের ক্ষতি করে।
- অর্থাৎ, অবৈধভাবে বা অনুমতি ছাড়া কোনো কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে কম্পিউটার ব্যবহার করা, তথ্য নষ্ট করা, তথ্য চুরি করা, তথ্যের বিকৃতি ঘটানো অথবা অন্যের কম্পিউটারকে বিশেষ পদ্ধতিতে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে নেওয়াকে কম্পিউটার হ্যাকিং বলা হয়।
- যারা এই হ্যাকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে, তাদেরকে হ্যাকার (Hacker) বলা হয়।
- হ্যাকারদের সমস্ত কার্যকলাপকে হ্যাকিং বলা হয়।
- হ্যাকিং বৈধ এবং অবৈধ উভয় ধরনের হতে পারে।
- অবৈধভাবে যারা হ্যাকিং করে, তাদেরকে ক্রেকার (Cracker) বলা হয়।
- হ্যাকাররা সাধারণত বিশেষ ধরনের সফ্টওয়্যার ব্যবহার করে নেটওয়ার্কযুক্ত বিভিন্ন কম্পিউটারে আক্রমণ করে।
- এই বিশেষ ধরনের সফটওয়্যারকে স্পাইওয়্যার বলা হয়।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২১.
Many to Many টাইপের রিলেশন তৈরি করতে কোন উপকরণ বা কৌশল ব্যবহৃত হয়?
  1. ইমেজ ফরম্যাট
  2. জাংশন টেবিল
  3. পাসওয়ার্ড ফাইল
  4. এক্সটেনশন ফাইল
ব্যাখ্যা

• Many-to-many রিলেশন তৈরি করতে জাংশন টেবিল ব্যবহার করা হয়। ডাটাবেসে যখন একাধিক রেকর্ড একাধিক রেকর্ডের সাথে সম্পর্কযুক্ত হয়, তখন সরাসরি সম্পর্ক তৈরি করা সম্ভব হয় না। তাই দুইটি টেবিলের প্রাইমারি কী নিয়ে একটি আলাদা মধ্যবর্তী টেবিল তৈরি করা হয়, যেটিকে জাংশন বা ব্রিজ টেবিল বলা হয়। এই টেবিল প্রতিটি সম্পর্ককে আলাদা রো হিসেবে সংরক্ষণ করে এবং ডাটার পুনরাবৃত্তি কমায়। ইমেজ ফরম্যাট, পাসওয়ার্ড ফাইল বা এক্সটেনশন ফাইলের সাথে এই সম্পর্কের কোনো যোগ নেই।
- তাই many-to-many রিলেশন তৈরির সঠিক উপায় হলো জাংশন টেবিল।

• ডাটাবেজ রিলেশন:
বিচ্ছিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়। যে সকল ডাটাবেজের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হবে তাতে অন্তত একটি কমন ফিল্ড থাকতে হবে। এ কমন ফিল্ডের উপর ভিত্তি করেই রিলেশন প্রতিষ্ঠিত হবে।

• রিলেশনের প্রকারভেদ:
- One to One রিলেশন,
- One to Many রিলেশন,
- Many to One রিলেশন,
- Many to Many রিলেশন।

• One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।

• One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।

• Many to One রিলেশন:
- এই রিলেশন হচ্ছে One to Many রিলেশনের বিপরীত।
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়। 

• Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।

সূত্র: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২২.
এআই প্রধানত কোন ক্ষেত্রে বেশি প্রয়োগ করা হচ্ছে?
  1. নতুন কর্মক্ষেত্র সৃষ্টিতে
  2. মানুষের বিকল্প হিসাবে বিপদজ্জনক কাজে
  3. প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে
  4. জটিল ও রিপিটিটিভ কাজে
ব্যাখ্যা

• এআই বর্তমানে প্রধানত জটিল ও বারবার করা লাগে এমন (রিপিটিটিভ) কাজে বেশি প্রয়োগ করা হচ্ছে, কারণ এসব কাজে মানুষের ভুলের সম্ভাবনা কমাতে এবং উৎপাদনশীলতা বাড়াতে এআই অত্যন্ত কার্যকর। বিপুল তথ্য বিশ্লেষণ, স্বয়ংক্রিয় ডেটা প্রক্রিয়াকরণ, গ্রাহকসেবা চ্যাটবট, উৎপাদন লাইনে রোবট- এসব ক্ষেত্রে এআই দ্রুত, নির্ভুল ও অবিচ্ছিন্নভাবে কাজ করতে পারে। যদিও বিপদজ্জনক কাজ, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও নতুন কর্মক্ষেত্র তৈরিতেও এআইয়ের ব্যবহার বাড়ছে, কিন্তু পরিসংখ্যানগতভাবে সবচেয়ে বেশি প্রয়োগ হচ্ছে সেই সব কাজে যেগুলো পুনরাবৃত্তিমূলক, সময়সাপেক্ষ এবং মানুষের পক্ষে ধারাবাহিকভাবে একই মান বজায় রাখা কঠিন।

• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা(AI):
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলে।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।

• AI এর বৈশিষ্ট্য:
- কোন বিষয় সম্পর্কে ধারণা গ্রহণ।
- সমস্যার কারণ নির্ণয়পূর্বক সমাধানের পথ নির্দেশ।
- সিদ্ধান্ত গ্রহণ ক্ষমতা।
- সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা।
- ভুল, অপ্রাসঙ্গিক এবং অসম্পূর্ণ তথ্য-উপাত্ত পরিচালনা।
- ভাষা বুঝার ক্ষমতা।
- অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগাবার মত সক্ষমতা।
- জটিল অবস্থা অনুধাবন ও পরিচালনার ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৩.
RISC এর পূর্ণরূপ হচ্ছে -
  1. Read Instruction Set Command
  2. Rapid Instruction System Control
  3. Reduced Instruction Set Computing 
  4. Random Instruction Set Computing
ব্যাখ্যা

• RISC-এর পূর্ণরূপ হলো Reduced Instruction Set Computing (গ)। RISC হলো এক ধরনের প্রসেসর নকশা যেখানে সীমিত ও সরল নির্দেশনার সেট ব্যবহার করা হয়, যাতে প্রতিটি নির্দেশনা খুব দ্রুত সম্পন্ন করা যায়। জটিল নির্দেশনার পরিবর্তে সহজ নির্দেশনার ব্যবহার প্রসেসরের কার্যক্ষমতা বাড়ায় এবং কম বিদ্যুৎ ব্যবহার নিশ্চিত করে। এর ফলে RISC ভিত্তিক প্রসেসরগুলো মোবাইল, এম্বেডেড সিস্টেম ও আধুনিক ডিভাইসে বেশি ব্যবহৃত হয়। ছোট নির্দেশনা সেট থাকার কারণে হার্ডওয়্যার ডিজাইনও তুলনামূলক সহজ হয়, যা খরচ কমাতে সাহায্য করে। মোটের ওপর, RISC দ্রুত, কার্যকর ও সহজ নকশার প্রসেসর আর্কিটেকচার হিসেবে পরিচিত।
 
 • RISC (Reduced Instruction Set Computer):
- RISC হলো এমন এক মাইক্রোপ্রসেসর আর্কিটেকচার যা simplicity এবং গতির ওপর জোর দেয়। এর মূল ধারণা হলো, কম এবং সরল ইনস্ট্রাকশন সেট ব্যবহার করে প্রোগ্রামের কার্যসম্পাদনকে দ্রুততর করা।
- RISC প্রসেসরগুলো দ্রুত এবং দক্ষ, কারণ এগুলো কমপ্লেক্স ইনস্ট্রাকশনকে ছোট ছোট সহজ ইনস্ট্রাকশনে ভেঙে কার্যকর করে।
- আধুনিক মোবাইল প্রসেসরগুলো (যেমন ARM architecture) মূলত RISC ভিত্তিক।
- RISC আর্কিটেকচার কম শক্তি খরচ করে, দ্রুত কাজ সম্পন্ন করতে পারে এবং ব্যাটারি-চালিত ডিভাইসের (যেমন স্মার্টফোন, ট্যাবলেট) জন্য আদর্শ।

উৎস:
- Encyclopedia Britannica.

২৪.
ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায়কে কী বলে? 
  1. TCP/IP
  2. ALPHANET
  3. EXTRANET
  4. ARPANET
ব্যাখ্যা

• ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায় বা ভিত্তি হিসেবে যে নেটওয়ার্ককে ধরা হয় তা হলো ARPANET। এটি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের অধীনে গড়ে ওঠা একটি গবেষণাধর্মী নেটওয়ার্ক, যার উদ্দেশ্য ছিল তথ্য আদান–প্রদানকে নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন করা। পরবর্তীতে এই নেটওয়ার্কেই TCP/IP প্রোটোকল ব্যবহার শুরু হয় এবং ধীরে ধীরে এটি বিশ্বব্যাপী নেটওয়ার্কে রূপ নেয়, যা আজকের ইন্টারনেটের ভিত্তি তৈরি করে। সুতরাং, ইন্টারনেটের সূচনা এবং এর প্রাথমিক পরীক্ষামূলক কাঠামো হিসেবে ARPANET–ই স্বীকৃত।
 
 • ARPANET:
- ARPANET এর পূর্ণরূপ হলো ‘Advanced Research Projects Agency Network’ 
- ১৯৬৯ সালের ARPANET ছিলো ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায়।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১৯৬৯ সালে ARPANET এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালে TCP/IP উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।
 
উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, ব্রিটানিকা।

২৫.
নেটওয়ার্কের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ধোঁকা দিয়ে অনৈতিকভাবে সুবিধা নেওয়ার জন্য কোন প্রোগ্রাম মিথ্যা তথ্য ব্যবহার করে, তাকে কী বলা হয়?
  1. Spoofing
  2. Pamming
  3. Sneaking
  4. Phishing
ব্যাখ্যা

• নেটওয়ার্কের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ধোঁকা দিয়ে অনৈতিকভাবে সুবিধা নেওয়ার জন্য যে প্রোগ্রাম মিথ্যা বা ভুয়া তথ্য ব্যবহার করে, তাকে Spoofing বলা হয়। Spoofing-এ আক্রমণকারী নিজেকে বৈধ ব্যবহারকারী বা সিস্টেম হিসেবে পরিচয় দেয়, যেমন ভুয়া IP ঠিকানা, ইমেইল ঠিকানা বা MAC ঠিকানা ব্যবহার করে। এর ফলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রকৃত উৎসকে চিনতে পারে না এবং আক্রমণকারী সহজেই ডেটা চুরি, সিস্টেমে প্রবেশ বা যোগাযোগ বাধাগ্রস্ত করতে পারে। এই ধরনের আক্রমণ নেটওয়ার্কের বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করে এবং বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ ঘটাতে সহায়তা করে। তাই প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো Spoofing (ক)।

স্ফুফিং (Spoofing): 
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্ফুফিং আক্রমণ হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা কোন একটি প্রোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে। 

ফিশিং (Phishing): 
- ই-মেইল বা টেক্সট ম্যাসেজ পাঠানোর মাধ্যমে লগ ইন বা অ্যাক্সেস ডেটা চুরি করার প্রক্রিয়াটিকে ফিশিং বলে।
- ই-কমার্স বা ই-ব্যাংকিং সাইটগুলোতে অ্যাক্সেস বা ডেটা চুরি ফিশারদের প্রধান লক্ষ্য থাকে।
 
স্প্যামিং (Spamming):
- যখন কোন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি কোন নির্দিষ্ট একটি ই-মেইল অ্যাড্রেসে অসংখ্য মেইল প্রেরণের মাধ্যমে মেমোরি দখল করে, এই পদ্ধতিকে স্প্যামিং বলে। 
 স্নিকিং (Sneaking): 
- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুতবপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্নিকিং বলে। 
 
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২৬.
কোন সফটওয়্যারটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্টের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. Brave
  2. Safari 
  3. Mozilla Firefox
  4. Microsoft Access
ব্যাখ্যা

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্টের জন্য ব্যবহৃত সফটওয়্যার হলো Microsoft Access। এটি একটি জনপ্রিয় ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, যা ডেটা সংরক্ষণ, সংগঠিত করা, অনুসন্ধান এবং বিশ্লেষণের জন্য ব্যবহৃত হয়। Microsoft Access গ্রাফিক্যাল ইন্টারফেস এবং সহজ টুলসের মাধ্যমে টেবিল, কোয়েরি, ফর্ম ও রিপোর্ট তৈরি করতে সাহায্য করে, ফলে ব্যবহারকারীরা প্রযুক্তিগত জ্ঞান ছাড়াই ডাটাবেজ পরিচালনা করতে পারে। অন্যদিকে Brave, Safari এবং Mozilla Firefox ব্রাউজার, যা শুধুমাত্র ওয়েব ব্রাউজিংয়ের কাজ করে এবং ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্টে ব্যবহৃত হয় না। তাই সঠিক উত্তর হলো Microsoft Access.

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।
- ১৯৭০ সালে হেনরি এফ কড রিলেশনাল ডেটাবেজ মডেলটির ধারণা উপস্থাপনা করেন।
- হেনরি এফ কড কে রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রবর্তক বলা হয়।
- কয়েকটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার হলো- Oracle, MySQL, Microsoft Access ইত্যাদি।

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়।
- ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়।
- অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়।
- সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়।
- সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়।
- সহজে নানা ফরমেটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়।
- প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে লেবেল তৈরি করা যায় এবং ছাপানো যায়।
- এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
- বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়। আকর্ষণীয় ডাটা এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
- অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়।
- সহজে এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়‍্যার/প্রোগ্রাম তৈরি করা যায়।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- Safari, Brave এবং Mozilla Firefox হলো ওয়েব ব্রাউজার।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২৭.
ফায়ারওয়াল কী উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়?
  1. গেমিং সফটওয়্যার
  2. এডিটিং সফটওয়্যার
  3. ডাটাবেজ সফটওয়্যার
  4. নেটওয়ার্ক সুরক্ষা ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা

• ফায়ারওয়াল মূলত নেটওয়ার্ক সুরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি কম্পিউটার বা নেটওয়ার্কে আসা–যাওয়া ডেটা পর্যবেক্ষণ করে এবং অবাঞ্ছিত বা ক্ষতিকর অ্যাক্সেস বন্ধ করে। ফায়ারওয়াল ব্যবহারকারীর নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী ঠিক করে কোন ডেটা প্রবেশ করতে পারবে ও কোনটি ব্লক হবে। ফলে হ্যাকার, ভাইরাস, ম্যালওয়্যার বা অননুমোদিত ব্যবহারকারীর আক্রমণ থেকে নেটওয়ার্ককে সুরক্ষিত রাখা যায়। তাই গেমিং, এডিটিং বা ডাটাবেজ সফটওয়্যারের সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই; এর মূল উদ্দেশ্য হলো নিরাপদ যোগাযোগ নিশ্চিত করা।
- সঠিক উত্তর: ঘ) নেটওয়ার্ক সুরক্ষা ব্যবস্থা।


• ফায়ারওয়াল:
- ফায়ারওয়াল হলো নেটওয়ার্ক সংযোগ পর্যবেক্ষণকারী একটি নিরাপত্তা সিস্টেম।
- এটি নেটওয়ার্ক সংযোগ অনুমতি দেয় বা ব্লক করে নির্দিষ্ট নীতিমালার ভিত্তিতে।
- ব্যক্তিগত ও সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
- অবাঞ্চিত ব্যবহারকারীর হাত হতে সিস্টেম রক্ষা করা বা সাইবার আক্রমণ এড়াতে ফায়ারওয়াল ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়ালকে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন একটি সিস্টেম হিসেবে গণ্য করা হয় যার সাহায্যে ব্যবহারকারীকে সংরক্ষিত কোন নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার অনুমতি প্রদান করা কিংবা বাধা প্রদান করা হয়।
- ফায়ারওয়াল প্রটেক্টেড সিস্টেমে সাধারণত নেটওয়ার্কের ভিতর থেকে বাহিরের সবকিছু ব্যবহার করা যায়, তবে অন্য কোন অবাঞ্চিত ব্যবহারকারী এই নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে পারে না। শুধুমাত্র বৈধ ব্যবহারকারীগণ এটি ব্যবহার করতে পারেন।

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

২৮.
TCP/IP - এর পূর্ণরূপ হচ্ছে -
  1. Transfer Control Program / Internal Protocol
  2. Transmission Control Protocol / Internet Protocol 
  3. Transmission Control Program / Internet Process
  4. Transfer Control Protocol / Internal Process
ব্যাখ্যা

• TCP/IP এর পূর্ণরূপ হলো Transmission Control Protocol / Internet Protocol. এটি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত একটি মৌলিক প্রোটোকল। TCP অংশটি ডেটা ট্রান্সমিশনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করে, অর্থাৎ ডেটা সঠিকভাবে এবং সম্পূর্ণভাবে গন্তব্যে পৌঁছেছে কিনা তা যাচাই করে। IP অংশটি ডেটার ঠিকানা এবং রাউটিং-এর দায়িত্বে থাকে, যাতে ডেটা সঠিক যন্ত্রে পৌঁছাতে পারে। সংক্ষেপে, TCP/IP হলো ইন্টারনেট যোগাযোগের ভিত্তি, যা ডেটা প্যাকেট আকারে প্রেরণ করে, ঠিকানার মাধ্যমে সঠিক গন্তব্যে পৌঁছায় এবং প্রয়োজনে পুনঃপ্রেরণ নিশ্চিত করে। তাই এটি আধুনিক নেটওয়ার্কিং-এর একটি অপরিহার্য প্রোটোকল।
 
 • TCP/IP:
- TCP/IP প্রোটোকলটি ইন্টারনেট সংযোগের ক্ষেত্রে সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়।
- ইন্টারনেটের সকল কম্পিউটার কমান্ড এবং ডাটা আদান-প্রদানের TCP/IP প্রোটোকল ব্যবহার করে।
- ইন্টারনেটে যেকোনো কম্পিউটার আরেকটি কম্পিউটারে সাথে সহজেই সংযোজিত হতে পারে।
- একটি কম্পিউটার প্রথমে লোকাল বা স্থানীয় নেটওয়ার্কের সাথে সংযোজিত হয়, অতঃপর ইন্টারনেট ব্যাকবোনের মাধ্যমে সারা বিশ্বের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে সক্ষম হয়।
- ইন্টারনেটের সকল কম্পিউটারেরই একটি IP Address থাকে এবং প্রায় সকলের একটি ঠিকানা থাকে, যা ডোমেইন নেম সিস্টেম ব্যবহার করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৯.
IPv6 অ্যাড্রেস সাধারণত কোন ধরনের ফরম্যাটে লেখা হয়?
  1. বাইনারি
  2. ডেসিমেল
  3. অক্টাল
  4. হেক্সাডেসিমেল
ব্যাখ্যা

• IPv6 অ্যাড্রেস সাধারণত হেক্সাডেসিমেল (hexadecimal) ফরম্যাটে লেখা হয়। এটি ১২৮-বিটের একটি ঠিকানা যা ১৬-বিট করে মোট আটটি ব্লকে ভাগ করা হয়। প্রতিটি ব্লককে চারটি হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা ব্যবহার করে প্রকাশ করা হয়, যা ০ থেকে ৯ এবং A থেকে F পর্যন্ত হতে পারে। ব্লকগুলোর মধ্যে কলোন “:” চিহ্ন দিয়ে আলাদা করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, একটি IPv6 ঠিকানা হতে পারে 2001:0db8:85a3:0000:0000:8a2e:0370:7334। হেক্সাডেসিমেল ফরম্যাট ব্যবহার করার মূল সুবিধা হলো, এটি বড় বাইনারি ঠিকানাকে ছোট এবং পড়তে সহজ আকারে উপস্থাপন করে। তাই IPv6-এর জন্য সঠিক উত্তর হলো ঘ) হেক্সাডেসিমেল।

আইপি:
-  আইপি হলো প্রতিটি কম্পিউটারের জন্যে ব্যবহৃত স্বতন্ত্র আইডেন্টিটি।
- ‘IP’ এর পূর্ণরূপ হলো ‘Internet Protocol’.
- (1st Octet) (2nd Octet) (3rd Octet) (4th Octet) চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত হয়আইপি অ্যাড্রেস I
- IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
- IPv4 এই অ্যাড্রেস হলাে 4 × ৪ বা 32 বিটের। যার 232 বা 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
- IPv6 হলো ইন্টারনেট প্রটোকলের ৬ষ্ঠ ভার্সন। 
- IPv4 এর সংখ্যা অপ্রতুল হয়ে যায় তা সমাধানের জন্যে IPv6 ভার্সন চালু করা হয়। 
- IPv6 অ্যান্ড্রেস ১২৮ বিটে হয়। অর্থাৎ আইপি অ্যাড্রেসের এই ভার্সনে ৮টি ভাগ থাকে এবং প্রতিভাগ 16 bit এর হয়ে থাকে।
- এক্ষেত্রে ১২৮ বিটের সাহায্যে ২১২৮ সংখ্যক ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
- IPV6 এর অ্যাড্রেস সাধারণত Hexadecimal ফরম্যাট এ লিখা হয়। 
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩০.
কোন হ্যাকাররা সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে আর্থিক বা তথ্যগত ক্ষতি করে?
  1. ডার্ক হ্যাট হ্যাকার
  2. ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার
  3. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার
  4. গ্রে হ্যাট হ্যাকার
ব্যাখ্যা

• যে হ্যাকাররা সিস্টেমে বেআইনিভাবে অনুপ্রবেশ করে এবং ব্যক্তিগত, আর্থিক বা সংবেদনশীল তথ্য চুরি বা ক্ষতি করে, তাদের বলা হয় ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার। তারা সাধারণত তাদের নিজের স্বার্থে বা মুনাফার উদ্দেশ্যে এই ধরনের কাজ করে। ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকাররা কম্পিউটার সিস্টেমের নিরাপত্তার ফাঁকফোকর খুঁজে বের করে এবং তা ভেঙে ঢুকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি, ম্যালওয়্যার ছড়ানো বা অর্থনৈতিক ক্ষতি ঘটাতে পারে। তারা কোন ধরনের অনুমতি ছাড়া কাজ করে, ফলে আইনগত দৃষ্টিকোণ থেকে তাদের কাজ অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। তাই সাইবার নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকারদের অত্যন্ত বিপজ্জনক হিসেবে দেখা হয়।

• হ্যাকিং (Hacking):
প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়।

• বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়। যথা-
ক. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার:
- সাধারণত এরা ডেটা বা সিস্টেমের ক্ষতি করে না, তবে কাজের ক্ষেত্রে ভীষণ দক্ষ হয়।

খ. ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার:
- বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।

গ. গ্রে হ্যাট হ্যাকার:
- এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোর ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৩১.
এনটিটির অন্তর্গত প্রত্যেকটি ফিল্ডকে কী নামে চিহ্নিত করা হয়?
  1. ভ্যালু
  2. এনটিটি সেট
  3. ফরেন কী
  4. এট্রিবিউট
ব্যাখ্যা

• এনটিটির (Entity) অন্তর্গত প্রত্যেকটি ফিল্ডকে সাধারণত এট্রিবিউট (Attribute) নামে চিহ্নিত করা হয়। একটি এনটিটি হলো বাস্তব বিশ্বের কোনো বিষয়, যেমন একজন ছাত্র বা একটি বই, যা ডাটাবেসে আলাদাভাবে সংরক্ষিত থাকে। এই এনটিটির প্রতিটি ফিচার বা বৈশিষ্ট্য, যেমন ছাত্রের নাম, বয়স, ঠিকানা বা বইয়ের শিরোনাম, লেখক, প্রকাশন সাল, এগুলোকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করতে এট্রিবিউট ব্যবহার করা হয়। অন্য অপশনগুলো - যেমন ভ্যালু হলো কোনো এট্রিবিউটের নির্দিষ্ট মান, ফরেন কী হলো সম্পর্কিত টেবিলের মূল কী, আর এনটিটি সেট হলো একই ধরনের একাধিক এনটিটির সমষ্টি। সুতরাং, এনটিটির ফিল্ডকে চিহ্নিত করার জন্য সঠিক উত্তর হলো এট্রিবিউট।

• এট্রিবিউট:
- প্রত্যেকটি বৈশিষ্ট্য বা গুণ যখন কোন এনটিটিকে বর্ণনা করে তখন তাকে এট্রিবিউট বলে। 

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
• ফরেন কী:
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী-কে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কীর সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন।

• এনটিটি সেট:
- একই জাতীয় এনটিটিকে এনটিটি সেট বলা হয়।
- একটি ডাটাবেজকে এনটিটি সেট বলা যেতে পারে।

• ভ্যালু:
- প্রত্যেকটি এট্রিবিউট এর যে মান থাকে তাকে বলা হয় ভ্যালু।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩২.
‘ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব’-এর উদ্ভাবক কে?
  1. মার্ক জাকারবার্গ
  2. স্টিভ জবস
  3. জেমস মনরো
  4. টিম বার্নার্স লি
ব্যাখ্যা

• ‘ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব’ বা ওয়েবের উদ্ভাবক হলেন টিম বার্নার্স-লি। তিনি ১৯৮৯ সালে সিভিল সার্ভিস ইন্টারন্যাশনাল এ কাজ করার সময় এই ধারণা দেন, যা পরবর্তীতে ইন্টারনেটে তথ্য ভাগ করার একটি বিপ্লব সৃষ্টি করে। ওয়েবের মাধ্যমে টেক্সট, ছবি, ভিডিওসহ বিভিন্ন ধরনের তথ্য সহজে অ্যাক্সেস করা যায় এবং ব্যবহারকারীরা একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত হতে পারেন। টিম বার্নার্স-লি একটি প্রোটোকল এবং ভাষা (HTTP ও HTML) তৈরি করেন, যা ওয়েবের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। তার উদ্ভাবনের ফলে বিশ্বব্যাপী তথ্যের আদান-প্রদান দ্রুত এবং সহজতর হয়েছে, এবং এটি শিক্ষার, ব্যবসার ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটিয়েছে।
- তাই সঠিক উত্তর হলো: ঘ) টিম বার্নার্স লি।


• ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব:
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web) কে সংক্ষেপে WWW বা ওয়েব নামেও অভিহিত করা হয়ে থাকে।
- সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত এটি একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এর মাধ্যমে হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডকুমেন্ট তৈরি ও সম্পাদনা কর যায়।
- টিম বার্নাস লি WWW- এর জনক নামে পরিচিত।
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- এসব ওয়েব সার্ভার ইন্টারনেট ইউজারদের যেকোন ধরনের তথ্য সরবরাহ করতে সক্ষম।
- এটি হতে পারে প্রচলিত টেক্সট ফাইল, ছবি, শব্দ বা অন্য কোন ফর্মেটের ডাটা।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৩.
SWIFT বলতে কী বোঝায়?
  1. ক্রিপ্টোকারেন্সি নেটওয়ার্ক
  2. আর্থিক লেনদেন নেটওয়ার্ক
  3. মোবাইল পেমেন্ট অ্যাপ
  4. আন্তর্জাতিক শেয়ার বাজার
ব্যাখ্যা

• SWIFT হলো একটি আন্তর্জাতিক আর্থিক লেনদেন নেটওয়ার্ক। এটি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে নিরাপদভাবে অর্থ পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয়। SWIFT-এর পূর্ণরূপ হলো Society for Worldwide Interbank Financial Telecommunication। এটি কোনো ব্যাংকের টাকা সরাসরি রাখে না, বরং ব্যাংকগুলোর মধ্যে মানক বার্তা বিনিময় করে অর্থ স্থানান্তরকে সহজ ও দ্রুত করে। SWIFT ব্যবহার করে এক দেশের ব্যাংক থেকে অন্য দেশের ব্যাংকে টাকা পাঠানো যায় নিরাপদ ও নির্ভুলভাবে। এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও আর্থিক লেনদেনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মাধ্যম।
- তাই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো (খ) আর্থিক লেনদেন নেটওয়ার্ক।


SWIFT Code:
- SWIFT (Society for Worldwide Interbank Financial Telecommunication) হলো বেলজিয়ামে ভিত্তিক একটি আন্তঃব্যাংক আর্থিক লেনদেন নেটওয়ার্ক।
- সুইফট - এর মাধ্যমে ব্যাংক লেনদেনের পরিচয় বা শনাক্তকরণ করা হয়।
- SWIFT - এর প্রধান কাজ হলো একটি বিশ্বব্যাপী মেসেজিং নেটওয়ার্ক সরবরাহ করা, যা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিরাপদে টাকা স্থানান্তর ও অন্যান্য তথ্য আদান-প্রদান করতে সাহায্য করে।
- এই শনাক্তকরণ মূলত সংকেতলিপি বা কোডের মাধ্যমে করা হয়।
- লেনদেনের বার্তা (wire) এই সুইফট কোড ব্যবহার করে আদান-প্রদান করা হয়।
- বিশ্বের ২০০-এর বেশি দেশে প্রায় ১১ হাজার ব্যাংক SWIFT ব্যবহার করে।
- সুইফট আন্তর্জাতিকভাবে অন্তত ৩ হাজার আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কোড পরিচালনা করে।
- বাংলাদেশের প্রায় সব ব্যাংক আন্তর্জাতিক লেনদেনে SWIFT - এর সেবা ব্যবহার করে।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

৩৪.
কোন সংস্থা আন্তর্জাতিকভাবে ডোমেইন নাম এবং আইপি ঠিকানা নিয়ন্ত্রণে রাখে?
  1. Google
  2. WWW
  3. W3C
  4. ICANN
ব্যাখ্যা

• আন্তর্জাতিকভাবে ডোমেইন নাম এবং আইপি ঠিকানা নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব পালন করে ICANN. ICANN-এর পূর্ণরূপ হলো Internet Corporation for Assigned Names and Numbers, যা একটি অ-লাভজনক প্রতিষ্ঠান। এটি ইন্টারনেটের কাঠামো এবং ঠিকানাগুলোর মান বজায় রাখে, যাতে পৃথক দেশ ও কোম্পানি নির্বিঘ্নে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারে। ICANN ডোমেইন নাম সিস্টেম (DNS) এবং IP ঠিকানার বরাদ্দ নিয়ন্ত্রণ করে, ফলে ইন্টারনেটের ঠিকানা দ্বন্দ্বমুক্ত থাকে। Google, WWW বা W3C ইন্টারনেট সংক্রান্ত অন্যান্য কার্যক্রম পরিচালনা করলেও, ডোমেইন এবং IP ঠিকানা বরাদ্দের আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রণ ICANN-এর হাতে। ICANN-এর কাজের মাধ্যমে ইন্টারনেটের গ্লোবাল সংযোগ ও স্থায়িত্ব নিশ্চিত হয়।
 
 • ICANN:
- ICANN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Internet Corporation for Assigned Names and Numbers.
- এই প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বের সকল আইপি অ্যাড্রেস ও ডোমেইন নেইম নিয়ন্ত্রণ করে।
- এর একটি অলাভজনক অনুবিভাগ হলো- Internet Assigned Numbers Authority (IANA).
- IANA ডোমেইন নেইম রেজিস্ট্রেশনের অনুমোদন দিয়ে থাকে।
- সকল ডোমেইন নেইমকে ICANN একটি ডেটাবেজ ফাইলে সংরক্ষণ করে থাকে।
- প্রচলিত কয়েকটি জনপ্রিয় জেনেরিক ডোমেইন হলো- com, net, edu, gov, int, mil, org.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩৫.
কোনটি সাইবার ক্রাইম নয়?
  1. Debugging
  2. Trojan Horse
  3. Denial of Service (DoS) Attack
  4. Data diddling
ব্যাখ্যা

• চারটি অপশনের মধ্যে Debugging সাইবার ক্রাইম নয়।
- Debugging হলো সফটওয়্যার বা প্রোগ্রামের মধ্যে থাকা ত্রুটি খুঁজে বের করা এবং তা ঠিক করার প্রক্রিয়া। এটি সাধারণত নিরাপদ এবং বৈধ একটি কার্যক্রম। অন্যদিকে, Trojan Horse হলো একটি ম্যালওয়্যার যা ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়াই সিস্টেমে প্রবেশ করে ক্ষতি করে। Denial of Service (DoS) Attack হলো সার্ভার বা নেটওয়ার্ককে অকার্যকর করার জন্য করা একটি সাইবার আক্রমণ। আর Data diddling হলো ডেটা চুরি বা পরিবর্তনের মাধ্যমে ক্ষতি করা। তাই Debugging স্বাভাবিকভাবে সাইবার ক্রাইমের আওতায় পড়ে না।

• সাইবার অপরাধ:
বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
- প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।

- Data diddling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।)
- Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
- Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠায়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।

- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস:
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩৬.
WiMAX এর জন্য কোন IEEE স্ট্যান্ডার্ড প্রযোজ্য?
  1. 802.15
  2. 802.16
  3. 802.11
  4. 802.8
ব্যাখ্যা

• WiMAX (Worldwide Interoperability for Microwave Access) একটি ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড প্রযুক্তি যা দীর্ঘ দূরত্বে ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করতে সক্ষম। WiMAX মূলত IEEE-এর 802.16 স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী কাজ করে। এই স্ট্যান্ডার্ডটি ডিজাইন করা হয়েছে উচ্চ গতির ডেটা ট্রান্সমিশন এবং ব্রডব্যান্ড ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কের জন্য, যা শহর বা গ্রামীণ এলাকায় ইন্টারনেট সুবিধা নিশ্চিত করতে পারে। 802.16 স্ট্যান্ডার্ডের মাধ্যমে WiMAX ব্যবহারকারীরা হ্যান্ডফ্রি, মোবাইল এবং ফিক্সড সংযোগে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস পেতে পারে। অন্য IEEE স্ট্যান্ডার্ড যেমন 802.11 ওয়াই-ফাই এর জন্য, 802.15 ব্লুটুথের জন্য এবং 802.8 তেমন কোনো প্রাসঙ্গিক ব্রডব্যান্ড প্রযুক্তির জন্য নয়।
- সুতরাং WiMAX-এর জন্য সঠিক স্ট্যান্ডার্ড হলো 802.16


• ওয়াইম্যাক্স (WiMAX):
- WiMAX-এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access.
- এটি এমন এক যোগাযোগ প্রযুক্তি যা বিস্তৃত ভৌগোলিক অঞ্চলে দ্রুতগতির তারবিহীন ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে। 
- এর কভারেজ এরিয়া প্রায় ৫০ কি.মি. পর্যন্ত হয়ে থাকে। 
- স্পীড প্রায় 1000 Mbps পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- WiMAX এর Frequency প্রায় 2-66 GHz পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- WiMAX এর IEEE standard হচ্ছে IEEE 802.16
 
অন্যদিকে, 
- Wifi এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.11
- Bluetooth এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.15
 
 উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৩৭.
IRC-এর সম্পূর্ণ রূপ কী?
  1. Interconnected Real-time Chat
  2. Integrated Remote Connection
  3. Internet Relay Chart
  4. Internet Relay Chat
ব্যাখ্যা

• IRC-এর সম্পূর্ণ রূপ হলো Internet Relay Chat. এটি একটি প্রটোকল যা ব্যবহারকারীদের ইন্টারনেটের মাধ্যমে রিয়েল-টাইমে বার্তা আদান-প্রদান করতে দেয়। IRC মূলত চ্যাট রুম বা চ্যানেলের মাধ্যমে বহু ব্যবহারকারীকে একই সাথে যোগাযোগের সুযোগ দেয়। এটি ১৯৮০-এর দশকে তৈরি হয়েছিল এবং তখন থেকেই এটি অনলাইন কমিউনিটি, গ্রুপ আলোচনা এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ব্যবহারকারীরা IRC সার্ভারের সাথে সংযোগ স্থাপন করে চ্যাটে অংশ নিতে পারে এবং প্রাইভেট মেসেজও পাঠাতে পারে। এটি সরল অথচ কার্যকর একটি যোগাযোগ ব্যবস্থা হিসেবে পরিচিত।
- সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ঘ) Internet Relay Chat.


• ইন্টারনেট রিলে চ্যার্ট:
- IRC এর পূর্ণরূপ Internet Relay Chat.
- ইন্টারনেট রিলে চ্যার্ট হচ্ছে রিয়েল টাইমে, অর্থাৎ প্রকৃত সময়ে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে যোগাযোগের একটি জনপ্রিয় মাধ্যম বা পদ্ধতি।
- রিয়েল টাইম যোগাযোগ বলতে বোঝায় ঘটমান বর্তমানে অন্য ব্যবহারকারীর সাথে যোগাযোগ।
- ই-মেইলের মতো চ্যাটে অপেক্ষা করতে হয় না।
- ই-মেইলের ক্ষেত্রে ম্যসেজ পাঠানো এবং সেই ম্যসেজটি অন্য কেউ পাওয়া এবং তার উত্তর দেওয়ার মধ্যে বেশ কিছু সময় অপেক্ষা করতে হয়।
- IRC কে প্রায়ই ইন্টারনেটের 'CB রেডিও' হিসেবে অ্যাখায়িত করা হয়, কারণ এটা কয়েকজন বা অনেককে কোনো আলোচনায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়।
- IRC একটি মাল্টি-ইউজার সিস্টেম, যেখানে চ্যানেলে অংশগ্রহণ করে প্রকাশ্য বা গোপনে কথা বলতে পারে, চ্যানেল হচ্ছে একটি আলোচনার গ্রুপ, যেখানে চ্যাট ব্যবহারকারীরা কোনো বিষয়ে আলোচনা বা অংশগ্রহণ আহ্বান করতে পারে।
- এ ধরনের সিস্টেমে একজন ব্যবহারকারী ম্যসেজ টাইপ করে IRC চ্যানেলে পাঠিয়ে দেয়, ফলে চ্যানেলে অংশগ্রহণকারীরা ঐ ম্যসেজটি পড়তে বা উত্তর দিতে বা এগিয়ে যেতে পারে অথবা তাদের নিজেদের ম্যসেজ লিখতে পারে।
- অন্যদিকে চ্যাটরুম ওয়েবসাইটের আরেকটি জনপ্রিয় সংযোজন।
- ব্যবহারকারীরা বিশেষ কোনো চ্যাট সফটওয়্যার ইনস্টল না করে বা না চালিয়ে ওয়েব ব্রাউজারের মাধ্যমে সরাসরি কোনো চ্যাট সেশনে অংশগ্রহন করতে পারে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৮.
DML-এর কমান্ড হিসেবে কোনটি গণ্য হয় না?
  1. Rename statement
  2. Insert statement
  3. Delete statement
  4. Update statement
ব্যাখ্যা

• DML বা Data Manipulation Language হলো SQL-এর সেই অংশ যা ডেটাবেসে থাকা ডেটা পরিবর্তন, যোগ বা মুছে ফেলার জন্য ব্যবহৃত হয়। DML-এর প্রধান কমান্ডগুলোর মধ্যে Insert, Update এবং Delete অন্তর্ভুক্ত, যা যথাক্রমে নতুন রেকর্ড যোগ করা, বিদ্যমান রেকর্ড পরিবর্তন করা এবং রেকর্ড মুছে ফেলার কাজ করে। অন্যদিকে, Rename স্টেটমেন্ট ডেটাবেস অবজেক্ট যেমন টেবিল বা কলামের নাম পরিবর্তনের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ডেটা ম্যানিপুলেশনের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয় বরং ডেটাবেস অবজেক্ট মডিফিকেশনের অংশ।
- সুতরাং, DML-এর কমান্ড হিসেবে Rename statement গণ্য হয় না, কারণ এটি DDL (Data Definition Language)-এর অংশ।

• ডাটাবেজ ভাষা:
- যে ভাষার দ্বারা ডাটাবেজ সিস্টেমে ডাটাবেজ তৈরি, কুয়েরি, ডাটা মডিফিকেশন করা হয় তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।
- ডাটাবেজ ভাষা দুই ধরনের। যথা:

১। ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে।
- এ বর্ণনাগুলো লেখার জন্য এক ধরনের বিশেষ ভাষা ব্যবহার করা হয়, যাকে ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ বলা হয়।
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডাটা সংরক্ষণ ও ডাটা এ্যাকসেস করার জন্য ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়।

• ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল:
- Create statement
- Drop statement
- Alter statement
- Rename statement

২। ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- যে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজ টেবিলে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।

• ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল:
- Insert statement
- Delete statement
- Update statement

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৯.
ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্কের ব্যবহার ক্ষেত্র কী?
  1. WAN
  2. PAN
  3. LAN
  4. MAN
ব্যাখ্যা

• ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক হল এমন একটি নেটওয়ার্ক আর্কিটেকচার যেখানে একটি বা একাধিক সার্ভার centralizedভাবে তথ্য এবং পরিষেবা প্রদান করে, আর ক্লায়েন্টরা সেই সার্ভার থেকে তথ্য গ্রহণ করে। LAN (Local Area Network) সাধারণত একটি ছোট জায়গায়, যেমন অফিস বা স্কুলে ব্যবহৃত হয়। এখানে ক্লায়েন্ট-সার্ভার মডেল ব্যবহার করে ফাইল শেয়ারিং, প্রিন্টার শেয়ারিং এবং ডেটাবেস অ্যাক্সেস করা যায়। WAN (Wide Area Network) মূলত বড় দূরত্বে সংযোগের জন্য, কিন্তু ক্লায়েন্ট-সার্ভার ব্যবহারের ক্ষেত্রে LAN বেশি কার্যকর। PAN (Personal Area Network) ব্যক্তিগত ডিভাইস সংযোগের জন্য, MAN (Metropolitan Area Network) শহরব্যাপী সংযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়। সুতরাং ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্কের প্রধান ব্যবহার ক্ষেত্র হলো LAN.

• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Local Area Network-LAN):
- সাধারণত 1km বা তার কম জায়গার মধ্যে কিছু কম্পিউটার বা অন্য কোনো পেরিফেরাল ডিভাইস সংযুক্ত করে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয় তাকে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN) বলে।
- এটি সাধারণত স্কুল-কলেজ ক্যাম্পাসে, বড় অফিস বিল্ডিংয়ে অথবা কোন ব্যয়বহুল পেরিফেরাল ডিভাইসকে অনেক ব্যবহারকারী যাতে ব্যবহার করতে পারে সেজন্য ব্যবহার করা হয়।
- ট্রান্সমিশন মিডিয়া হিসেবে সাধারণত কো-এ্যাক্সিয়াল ক্যাবল, ইউটিপি ক্যাবল বা অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল ব্যবহার করা হয়।
- তারবিহীন বা ওয়্যারলেস (LAN) প্রযুক্তির সাহায্যে ল্যান তৈরি করা হলে তাকে WLAN বা ওয়্যারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে
- আধুনিক তারবিহীন ল্যান IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ডের ভিত্তিতে নির্মিত এবং ওয়াই-ফাই ব্র্যান্ডের নামে বাণিজ্যিকভাবে বাবহৃত হয়।
 
• নেটওয়ার্কের নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ধরনের উপর ভিত্তি করে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ককে প্রধানত দুইভাগে ভাগ করা যায়। যথে-
১. ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক এবং
২. পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪০.
URL-এ ‘https://’ কোন তথ্য প্রকাশ করে?
  1. একটি প্রোটোকল যা সুরক্ষিত যোগাযোগ নিশ্চিত করে
  2. সার্চ ফলাফল দেখানোর করার জন্য এটি ব্যবহৃত
  3. ওয়েবসাইটের জন্য একটি ডোমেইন নাম
  4. সার্ভারে একটি নির্দিষ্ট ফাইলের পথ
ব্যাখ্যা

• URL-এ ‘https://’ হলো একটি প্রোটোকল যা ওয়েব ব্রাউজার এবং সার্ভারের মধ্যে তথ্য বিনিময় করার সময় সুরক্ষিত সংযোগ নিশ্চিত করে। এটি “HyperText Transfer Protocol Secure” এর সংক্ষিপ্ত রূপ। সাধারণ “http://” প্রোটোকলের মতো এটি ওয়েব পেজ লোড করার জন্য ব্যবহৃত হলেও, “https://” ডেটা এনক্রিপশন ব্যবহার করে, যার ফলে ব্যবহারকারীর তথ্য যেমন পাসওয়ার্ড, ক্রেডিট কার্ডের তথ্য বা ব্যক্তিগত ডেটা তৃতীয় পক্ষ দ্বারা পড়া বা পরিবর্তন করা যায় না। এটি অনলাইন ব্যাংকিং, ই-কমার্স, এবং যেকোনো সংবেদনশীল তথ্য লেনদেনে অপরিহার্য।
- তাই URL-এ ‘https://’ মানে হলো একটি সুরক্ষিত যোগাযোগের প্রোটোকল। সঠিক উত্তর: ক)।

URL:
- URL এর পূর্ণরূপ হলাে Uniform Resource Locator.
- ওয়েবসাইট বা পেইজের অ্যাড্রেসকে URL বলা হয়।
- পৃথিবীতে এক নামে একটিমাত্র ওয়েবসাইট থাকে।
- কোন ওয়েব পেজকে প্রদর্শন করতে ওয়েব ব্রাউজারে এর ঠিকানা নির্দিষ্ট করে দিতে হয়।
- URL হচ্ছে ওয়েবসাইটের একক বা Unique ঠিকানা।

• https://www.abcd.com/home প্রদত্ত URL টির -
- https হচ্ছে প্রোটোকল,
- www.abcd.com হচ্ছে ওয়েব সার্ভারের নাম (ডোমেইন নেম),
- home হচ্ছে ডিরেক্টরি নাম (পাথ)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (মাহবুবুর রহমান)।

৪১.
কোনটি ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের অন্তর্গত নয়?
  1. MsOutlook
  2. PostgreSQL
  3. MongoDB
  4. Cubrid
ব্যাখ্যা

• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS) হলো সফটওয়্যার যা ডেটা সংরক্ষণ, পরিচালনা এবং পুনরুদ্ধারের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ডেটার নিরাপত্তা, সংহতি ও একাধিক ব্যবহারকারীর জন্য সমন্বয় নিশ্চিত করে। প্রদত্ত চারটি বিকল্পের মধ্যে PostgreSQL, MongoDB এবং Cubrid স্পষ্টভাবে DBMS-এর উদাহরণ। PostgreSQL একটি রিলেশনাল DBMS, MongoDB একটি নন-রিলেশনাল বা NoSQL DBMS, আর Cubridও একটি রিলেশনাল DBMS।
- অন্যদিকে, Microsoft Outlook (MsOutlook) মূলত একটি ইমেইল ক্লায়েন্ট এবং ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার, যা ডেটাবেজ পরিচালনার জন্য তৈরি নয়।

- তাই MsOutlook DBMS-এর অন্তর্ভুক্ত নয়।

• DBMS:
- DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা  করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়।
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।
 
• কয়েকটি জনপ্রিয় ওপেন সোর্স DBMS হলো:
- Altibase
- PostgreSQL
- Maria DB
- MongoDB
- Cassandra
- SQLite
- Cubrid
 
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. মাইক্রসফটের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৪২.
পেমেন্ট গেটওয়ে-তে SSL কী হিসেবে ভূমিকা রাখে?
  1. অর্ডার ম্যানেজমেন্ট
  2. পণ্য প্রদর্শন
  3. পেমেন্ট প্রসেসিং
  4. ডেটা এনক্রিপশন
ব্যাখ্যা

• পেমেন্ট গেটওয়ে-তে SSL-এর মূল ভূমিকা ডেটা এনক্রিপশন নিশ্চিত করা। যখন একজন ব্যবহারকারী অনলাইনে ক্রেডিট কার্ড বা ব্যাঙ্ক তথ্য প্রদান করে, তখন সেই সংবেদনশীল তথ্য ইন্টারনেটে পাঠানো হয়। SSL (Secure Sockets Layer) প্রযুক্তি এই তথ্যকে এনক্রিপ্ট করে অর্থাৎ তা এমনভাবে রূপান্তরিত করে যে কোনো তৃতীয় পক্ষ সহজে তা পড়তে বা চুরি করতে পারে না। এটি ব্যবহারকারীর এবং পেমেন্ট গেটওয়ের মধ্যে নিরাপদ সংযোগ গড়ে তোলে, অনলাইনে লেনদেনকে সুরক্ষিত করে। তাই পেমেন্ট গেটওয়ে-তে SSL সরাসরি ডেটা এনক্রিপশন-এর কাজে ব্যবহৃত হয়, অর্ডার ম্যানেজমেন্ট, পণ্য প্রদর্শন বা পেমেন্ট প্রসেসিং-এর সাথে নয়।

সঠিক উত্তর: ঘ) ডেটা এনক্রিপশন।

SSL Certificate:
- SSL এর পূর্ণরূপ Secure Sockets Layer.
- SSL Certificate হলো একটি ডিজিটাল সার্টিফিকেট যা একটি ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
- SSL একটি নিরাপত্তা প্রোটোকল যা একটি ওয়েব সার্ভার এবং একটি ওয়েব ব্রাউজারের মধ্যে একটি এনক্রিপ্ট করা লিংক তৈরি করে।
- এটি অনলাইন লেনদেন সুরক্ষিত করার ক্ষেত্রে এবং গ্রাহকের তথ্য গোপন ও সুরক্ষিত রাখতে কোম্পানি এবং সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইটে ব্যবহৃত হয়।

ই-কমার্সে SSL এর ভূমিকা:
- ক্রেডিট কার্ড তথ্য, পাসওয়ার্ড এবং পার্সোনাল ডাটা এনক্রিপ্ট করে।
- অনলাইন পেমেন্ট ট্রান্সাকশন সুরক্ষিত রাখে।
- গ্রাহকদের বিশ্বাস অর্জনের জন্য SSL সার্টিফিকেট থাকা গুরুত্বপূর্ণ।
- SSL সাইটগুলিকে Google বেশি অগ্রাধিকার দেয়, ফলে SEO উন্নত হয়।

উৎস: Kaspersky website.

৪৩.
DDL-এর সম্পূর্ণ রূপ কী?
  1. Data Development Language
  2. Data Definition Language
  3. Data Distribution Language
  4. Data Description Language
ব্যাখ্যা

• DDL-এর সম্পূর্ণ রূপ হলো Data Definition Language। এটি একটি বিশেষ ধরণের SQL ভাষা যা ডাটাবেসের কাঠামো বা স্ট্রাকচার তৈরি, পরিবর্তন এবং মুছে ফেলার জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণস্বরূপ, নতুন টেবিল তৈরি করতে CREATE TABLE, বিদ্যমান টেবিল পরিবর্তন করতে ALTER TABLE, এবং টেবিল মুছে ফেলার জন্য DROP TABLE কমান্ড ব্যবহার করা হয়। DDL ডাটাবেসের স্কিমা বা কাঠামো সংজ্ঞায়িত করে, কিন্তু ডাটার উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে না। এটি ডাটাবেস ডিজাইন এবং রক্ষণাবেক্ষণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা ডেভেলপার এবং ডাটাবেস প্রশাসকদের জন্য অপরিহার্য। তাই DDL ডাটাবেস ম্যানেজমেন্টের মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত।

• ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ:
- যে ল্যাঙ্গুয়েেজের মাধ্যমে ডাটাবেজ সিস্টেমে ডাটাবেজ তৈরি, কুয়েরি ও ডাটা মডিফিকেশন করা হয় থাকে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
- ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ ২ ধরনের -

১. Data Definition Language (DDL):
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে তথ্য সংরক্ষণ ও তথ্য অ্যাক্সেস করার জন্য DDL ব্যবহার করা হয়।

২. Data Manipulation Language (DML):
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে তথ্য যোগ (ইনসার্ট), মুছে ফেলা (ডিলিট), আপডেট এবং পরিবর্তন (মডিফাই) করার জন্য DML ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৪.
কোন নেটওয়ার্ক টপোলজিতে কেন্দ্রীয় হাব থাকে?
  1. স্টার টপোলজি
  2. ট্রি টপোলজি
  3. রিং টপোলজি
  4. বাস টপোলজি
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর: ক) স্টার টপোলজি। 

স্টার টপোলজিতে একটি কেন্দ্রীয় হাব বা সুইচ থাকে, যার মাধ্যমে সকল ডিভাইস বা নোড সংযুক্ত থাকে। প্রতিটি কম্পিউটার বা ডিভাইস সরাসরি কেন্দ্রীয় হাবের সঙ্গে যুক্ত থাকে, ফলে যোগাযোগ হাবের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। যদি কোনো নোডে সমস্যা হয়, তা পুরো নেটওয়ার্ককে প্রভাবিত করে না, কারণ প্রতিটি সংযোগ আলাদাভাবে হাবের সঙ্গে যুক্ত থাকে। হাবের ব্যর্থতা হলে পুরো নেটওয়ার্ক বন্ধ হয়ে যায়। স্টার টপোলজির সুবিধা হলো সমস্যার নির্ণয় সহজ, দ্রুত ডেটা ট্রান্সফার সম্ভব এবং নেটওয়ার্কে নতুন ডিভাইস সংযোজন সহজ। এটি ছোট ও মাঝারি আকারের নেটওয়ার্কের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয়।

• স্টার টপোলজি:
- স্টার টপোলজি বা স্টার সংগঠনে কম্পিউটারসমূহ একটি কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।
- এটি হাব ডিভাইস ব্যবহৃত হয়।
- এ সংগঠনে নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলো সরাসরি নিজেদের মধ্যে তথ্য বা ডাটা আদান প্রদান করতে পারে না।
- প্রতিটি কম্পিউটারই কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে সংকেত পাঠাতে পারে।
- কেন্দ্রীয় কম্পিউটারটি এক্ষেত্রে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে।
- কেন্দ্রীয় কম্পিউটারটিতে সমস্যা দেখা দিলে সমস্ত নেটওয়ার্কটি অচল হয়ে যায়।
- কিন্তু অন্য কোন কম্পিউটার বিকল হলে নেটওয়ার্কের কাজ শুধুমাত্র ঐ কম্পিউটারেই ব্যহত হয়।
- নেটওয়ার্কের অন্য অংশে কাজের কোন রকম অসুবিধা হয় না।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা এস এস সি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৫.
একটি শহরে ব্যাংকের শাখাগুলোর মধ্যে তথ্যের আদান-প্রদানের জন্য কোন নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা ব্যবহৃত হয়?
  1. LAN
  2. WAN
  3. MAN
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

• শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করা ব্যাংকের শাখাগুলোর মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সাধারণত MAN (Metropolitan Area Network) ব্যবহৃত হয়। MAN হলো একটি নেটওয়ার্ক যা একটি শহর বা নগর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত থাকে এবং একাধিক ভবন বা প্রতিষ্ঠানকে সংযুক্ত করতে সক্ষম। এটি LAN এর চেয়ে বড় এবং WAN এর চেয়ে ছোট, এবং শহরের মধ্যে দ্রুত ও নিরাপদ ডেটা ট্রান্সফার নিশ্চিত করে। ব্যাংকিং সিস্টেমে লেনদেন, হিসাব সংরক্ষণ, ফান্ড ট্রান্সফার ইত্যাদি কাজের জন্য MAN ব্যবহার করলে শাখাগুলোর মধ্যে তথ্য বিনিময় সহজ ও নির্ভরযোগ্য হয়। ফলে, শহরের সীমার মধ্যে অবস্থান করা সব শাখা সমন্বিতভাবে কাজ করতে পারে।

• মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক(MAN):
- এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Metropoliton Area Network.
- একটি শহরে বিভিন্ন স্থানের কম্পিউটারের মধ্যে যে সংযোগ তাকে MAN বলে।
- এই ধরনের নেটওয়ার্কের জন্য মিডিয়া হিসাবে টেলিফোন লাইন, মডেম ও আনুসঙ্গিক যন্ত্রপাতির প্রয়োজন হয়।
- ব্যাংক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা শিল্প প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন শাখা অফিসের মধ্যে যোগাযোগ এর জন্য এই ধরনের নেটওয়ার্ক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- ১০ কিলোমিটারের মধ্যে এই নেটওয়ার্ক ভাল কাজ করে।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৬.
প্লেজিয়ারিজম বলতে কী বোঝানো হয়?
  1. নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা
  2. অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া
  3. ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা
  4. বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠায়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা
ব্যাখ্যা

• প্লেজিয়ারিজম বলতে বোঝায় অন্যের লেখা, চিন্তাভাবনা, বা কোনো সৃজনশীল কাজ অনুমতি ছাড়া চুরি করে নিজের নামে প্রকাশ করা। এটি শুধু কপি-পেস্ট করা নয়, বরং কারও লেখা থেকে ভাব, শব্দ, বা তথ্য এমনভাবে নেওয়া যা মূল লেখকের স্বীকৃতি ছাড়াই ব্যবহার করা হয়, সেটাকেও প্লেজিয়ারিজম বলা হয়। শিক্ষার্থী, গবেষক বা লেখক যেকোনো ক্ষেত্রে এটি অসদাচরণের একটি উদাহরণ হিসেবে গণ্য হয়। অন্যের লেখা নিজের বলে উপস্থাপন করা নৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে ভুল এবং আইনগত জটিলতাও সৃষ্টি করতে পারে। তাই লেখক বা সৃজনশীল কাজের মূল স্বত্বাধিকারীকে যথাযথভাবে স্বীকৃতি দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

- উত্তর: খ) অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া।

• সাইবার অপরাধ:
- বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
- প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।

- Data diddling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।)
- Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
- Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠায়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।

- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস:
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪৭.
ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সাধারণত কোন ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়?
  1. টেলিকমিউনিকেশন
  2. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
  3. ব্যাংকিং
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা

• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS) হলো এমন একটি সফটওয়্যার যা বড় পরিমাণে তথ্য সংরক্ষণ, পরিচালনা এবং সহজে অনুসন্ধান করতে সাহায্য করে। এটি শুধুমাত্র তথ্য সংরক্ষণই নয়, তথ্যের নিরাপত্তা, অভিগম্যতা এবং সামঞ্জস্য বজায় রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। টেলিকমিউনিকেশন ক্ষেত্রে গ্রাহকের তথ্য, কল লগ এবং বিলিং ব্যবস্থাপনা করতে DBMS ব্যবহার করা হয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীর রেকর্ড, উপস্থিতি, ফলাফল ও কোর্স তথ্য সংরক্ষণে এটি অপরিহার্য। ব্যাংকিং ক্ষেত্রে গ্রাহকের হিসাব, লেনদেন ও ঋণ সম্পর্কিত তথ্য সুরক্ষিতভাবে পরিচালনার জন্য DBMS অপরিহার্য। সুতরাং, উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রেই DBMS প্রয়োগ করা হয়।

উত্তর: ঘ) উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে। 

• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ:
- বর্তমানে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে DBMS ব্যবহৃত হচ্ছে।
- এর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ক্ষেত্র হচ্ছে-

১. তথ্য ব্যবস্থাপনা:
- ব্যাপক তথ্য নিয়ে কাজ করতে হয় এমন সব সরকারি প্রতিষ্ঠান যেমন- নির্বাচন কমিশন, পরিসংখ্যান ব্যুরো, শিক্ষা ব্যুরো, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, পর্যটন কর্পোরেশন, কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন প্রভৃতি প্রতিষ্ঠানসমূহে।

২. ব্যাংকিং:
- ব্যাংকিং সেক্টরের সব ধরনের কার্যক্রম যেমন- ব্যাংকিং লেনদেন, গ্রাহকের বিবরণ, ব্যালেন্স, একাউন্ট স্টেটমেন্ট, ঋণ সংক্রান্ত হিসাব-নিকাশ, ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট কার্ড প্রভৃতি কাজে।

৩. বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান:
- বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে যেমন- বড় শপিং মলে প্রডাক্ট মজুদ, বিক্রয় এবং গ্রাহকদের তথ্য সংরক্ষণ ও বিল তৈরিকরণে, অনলাইন শপিং সার্ভিসে।

৪. এয়ারলাইন্স:
- বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত টার্মিনালের সাথে টেলিফোন ও অন্যান্য নেটওয়ার্ক ব্যবস্থার মাধ্যমে বিমানের রিজার্ভেশন ও সিডিউল তৈরিতে।

৫. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান:
- স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের বিবিধ তথ্য যেমন রেজিস্ট্রেশন্স, ও কালেকশন, ভর্তি ফরম পূরণ, রুটিন, পরীক্ষার ফলাফলের গ্রেডিং প্রভৃতি কাজে।

৬. টেলিকমিউনিকেশন:
- টেলিফোন কলের রেকর্ড, মাসিক বিল, প্রি-প্রেইড কলিং গ্রাহকের হিসাব, গ্রাহকের তথ্যাবলি সংরক্ষণে DBMS এর ব্যাপক প্রয়োগ রয়েছে।

৭. তথ্য ব্যবস্থাপনা:
- বিভিন্ন অর্থলগ্নীকারক ও ব্যবস্থাপনা যেমন-হোল্ডিং, ক্রয়-বিক্রয়, স্টক, শেয়ার বা বার্ষিক আর্থিক বিশ্লেষণ প্রভৃতি কাজে।

৮. উৎপাদন:
- বিভিন্ন কলকারখানায় উৎপাদন, মজুদ পরিমাণ, চাহিদা, অর্ডার প্রভৃতি হিসাব বিশ্লেষণে।

৯. মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা:
- কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যক্তিগত নথিপত্র, বেতন-ভাতাদি, ওভারটাইম, আয়কর, বোনাস প্রভৃতি হিসাব প্রক্রিয়াকরণ ও সংরক্ষণে।

১০. ওয়েববেজড সার্ভিস:
- ওয়েব ব্যবহারকারীদের ফিডব্যাক নেয়া, উত্তর দেয়া এবং রিসোর্স শেয়ারিং করা।

১১. স্বাস্থ্য সেবায়:
- বড় বড় হাসপাতাল বা ক্লিনিকে রোগীদের তথ্য সংরক্ষণ, ডায়াগনসিস রিপোর্ট, অনলাইন স্বাস্থ্য সেবায়, বায়োমেডিক্যাল গবেষণায়।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।