পরীক্ষা আর্কাইভ

ইউনিয়ন সমাজকর্মী প্রস্তুতি [Archived]

পরীক্ষাইউনিয়ন সমাজকর্মী প্রস্তুতি [Archived]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৩১ সাধারণ জ্ঞান: পরীক্ষা - ৯ টপিক: সাধারণ বিজ্ঞান (পদার্থ, রসায়ন ও জীব বিজ্ঞানের মৌলিক বিষয়াবলি)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ইউনিয়ন সমাজকর্মী প্রস্তুতি [Archived]

ইউনিয়ন সমাজকর্মী প্রস্তুতি [Archived] · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
তরল পদার্থের প্রসারণ দ্বারা কী বুঝানো হয়? 
  1. ক্ষেত্র প্রসারণ
  2. দৈর্ঘ্য প্রসারণ
  3. তলীয় প্রসারণ
  4. আয়তন প্রসারণ
ব্যাখ্যা
তরল পদার্থের প্রসারণ: 
- তাপ প্রয়োগে কঠিন পদার্থের মতো তরল পদার্থেরও প্রসারণ ঘটে। 
- কঠিন পদার্থের সুনির্দিষ্ট আকার থাকায় এর বিভিন্ন প্রসারণ স্পষ্টভাবে প্রতিভাত হয়। এর দৈর্ঘ্য, ক্ষেত্রফল এবং আয়তনের প্রসারণ সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা সহজ হয়। 
- কিন্তু তরল পদার্থের নির্দিষ্ট আয়তন থাকলেও আকার বা দৈর্ঘ্য নেই। 
- যে পাত্রে রাখা হয় সেই পাত্রের আকার ধারণ করে। 
- তাপের প্রভাবে তরল পদার্থের আয়তনের পরিবর্তনই কেবল প্রতীয়মান হয়। 
- তাই তরল পদার্থের প্রসারণ বলতে এর আয়তনের প্রসারণকেই বুঝায়। 
- পরীক্ষা করে দেখা গেছে, একই পরিমাণ তাপ প্রয়োগে সম আয়তনের কঠিন পদার্থের তুলনায় তরল পদার্থের আয়তনের প্রসারণ বেশি হয়। 
- আবার একই পরিমাণ তাপে বিভিন্ন প্রকার তরলের প্রসারণের পরিমাণও সমান হয় না। 
- তাপে পদার্থের প্রসারণ পর্যবেক্ষণের জন্য ঐ পদার্থকে তাপ দিতে হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
১ ওয়াট-ঘন্টা = কত? 
  1. ৩৬ জুল
  2. ৩৬০০ জুল
  3. ৩৬০ জুল
  4. ৩৬০০০ জুল
ব্যাখ্যা
ওয়াট-ঘন্টা: 
- এক ওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন কোনো যন্ত্র এক ঘণ্টা ব্যাপী কাজ করলে যে শক্তি ব্যয়িত হয় তাকে এক ওয়াট-ঘণ্টা বলে। 
এক ওয়াট-ঘণ্টা = এক ওয়াট × এক ঘন্টা 
= এক ওয়াট × 3600 সেকেন্ড 
= 3600 (এক ওয়াট × এক সেকেন্ড) 
= 3600 জুল। 
এক ওয়াট-ঘণ্টা = 3600 জুল। 

তড়িৎ ক্ষমতা হতে তড়িৎ শক্তি: 
- এক সেকেন্ডে এক জুল কাজ করার ক্ষমতাকে এক ওয়াট বলে। 
অর্থাৎ, এক ওয়াট = এক জুল/এক সেকেন্ড 
বা, এক জুল = এক ওয়াট × এক সেকেন্ড 
সুতরাং, শক্তি = ক্ষমতা x সময়। 
- যদি এক ওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন কোনো যন্ত্র এক সেকেন্ড ব্যাপী কাজ করে তবে যে শক্তি ব্যয়িত হয় তাকে এক জুল বলে। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
আইনস্টাইন বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের স্বীকার্য দুটি কত সালে প্রদান করেন? 
  1. ১৯০০ সালে
  2. ১৯০৫ সালে
  3. ১৯০৩ সালে
  4. ১৯০৮ সালে
ব্যাখ্যা
বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব: 
- বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব মূলত স্থির জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর সাপেক্ষে সমবেগে গতিশীল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর কোনো ঘটনা বা কোনো ভৌত রাশির পরিমাপ সংক্রান্ত আলোচনা। 
- ভর, সময়, দৈর্ঘ্য, বেগ ও শক্তির আপেক্ষিকতা ইত্যাদি বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত। 

বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের স্বীকার্য: 
- আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব দুটি মৌলিক স্বীকার্যের উপর প্রতিষ্ঠিত। 
- ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের এই দুইটি স্বীকার্য প্রদান করেন। 
যথা- 
প্রথম স্বীকার্য: 
- স্থির বা গতিশীল সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোতে পদার্থবিজ্ঞানের মৌলিক সূত্রসমূহ অপরিবর্তিত থাকে। 

দ্বিতীয় স্বীকার্য: 
- শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর পর্যবেক্ষকের জন্য একই এবং তা আলোর উৎস বা পর্যবেক্ষকের গতির উপর নির্ভরশীল নয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
এক্স-রে হচ্ছে মূলত - 
  1. উচ্চ শক্তির ইলেকট্রন প্রবাহ
  2. উচ্চ শক্তির প্রোটন প্রবাহ
  3. উচ্চ শক্তির নিউট্রন প্রবাহ
  4. উচ্চ শক্তির পজিট্রন প্রবাহ
ব্যাখ্যা
এক্স-রে: 
- দ্রুতগতি সম্পন্ন  ইলেকট্রন কোন ধাতুতে আঘাত করলে তা থেকে উচ্চভেদন ক্ষমতা সম্পন্ন যে বিকিরণ উৎপন্ন হয়, তাকে X-Ray বলে। 
- সুতরাং এক্স-রে হচ্ছে মুলত উচ্চ শক্তির ইলেকট্রন প্রবাহ। 
- ১৮৯৫ সালে রন্টজেন এই রশ্মি আবিষ্কার করেন। 
- এক্স-রে বা রঞ্জন রশ্মি চিকিৎসা বিজ্ঞানে ব্যবহার করা হয়। 
যেমন- 
• এক্স-রশ্মির সাহায্যে ফটোগ্রাফিক প্লেটে হাত, পা বা দেহের হাড়ের ছবি পাওয়া যায়। এজন্য শল্য চিকিৎসায় এক্স-রশ্মি অপরিহার্য। 
• এক্স-রশ্মির জীবন্ত কোষকে ধ্বংস করার ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে ক্যান্সার, টিউমার প্রভৃতি রোগের চিকিৎসায় এই রশ্মি ব্যবহৃত হয়। একে এক্স-রে থেরাপি বলে। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।