পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
বিষয় - বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিক - বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা [আইন, শাসন ও বিচার বিভাগসমূহ, আইন প্রণয়ন, নীতি নির্ধারণ, জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা কাঠামো, প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস ও সংস্কার।] উৎস: পৌরনীতি ও সমাজবিজ্ঞান বিষয়ক বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া ও যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কয়টি রাজনৈতিক দল অংশ নেয়?
  1. ৪৪টি
  2. ৪১টি
  3. ৩৩টি
  4. ২৮টি
সঠিক উত্তর:
২৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮টি
ব্যাখ্যা
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৮টি রাজনৈতিক দল অংশ নেয়।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন:

- দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন ⎯ প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।
- নির্বাচনের জন্য ৬৬ জন রিটার্নিং অফিসার ও ৫৯২ জন সহকারি রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ দেয়া হয়।
- ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয় - ৭ জানুয়ারি, ২০২৪ তারিখে।
- নির্বাচনে প্রাথমিকভাবে ২৯৮টি আসনের মধ্যে ২২৩টি আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা বিজয়ী হয়।
- প্রধান বিরোধী দল হিসেবে জাতীয় পার্টি জিতেছে ১১টি আসনে।
- পরবর্তীতে ২টি আসনের উপনির্বাচনেও আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থীরা জয়লাভ করে।

• বিশেষ তথ্য:
- ২৮টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়।
- দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ টানা চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করেছে।
- টানা চতুর্থবারসহ পঞ্চমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন ⎯ বঙ্গবন্ধুকন্যা ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ নির্বাচিত ২৯৮ জন সংসদ সদস্য শপথ নেন ⎯ ১০ জানুয়ারি, ২০২৪।
- নতুন এমপিদের শপথ বাক্য পাঠ করান ⎯ বর্তমান স্পিকার শিরীন শারমীন চৌধুরী।

উৎস: i) বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
         ii) বাংলাদেশ টেলিভিশন ওয়েবসাইট।
         ii) ১১ জানুয়ারি, ২০২৪, কালের কন্ঠ।
.
বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতির বাসভবন-এর নাম কী?
  1. বঙ্গভবন
  2. গণভবন
  3. রাষ্ট্রপতি ভবন
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বঙ্গভবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গভবন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতির বাসভবন-এর নাম বঙ্গভবন।

বঙ্গভবন:

- ‘বঙ্গভবন’ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ও বাসভবন।
- জাতির মর্যাদা ও গৌরবের প্রতীক ‘বঙ্গভবন।
- ব্রিটিশ শাসনামলে ১৯০৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর পূর্ববঙ্গ ও আসাম নামে নতুন প্রদেশ সৃষ্টি হলে নবসৃষ্ট প্রদেশের লেফটেন্যান্ট গভর্নরের কার্যালয় ও বাসভবনের প্রয়োজনে বঙ্গভবনের যাত্রা।
- তখন এর নাম ছিল ‘গভর্নমেন্ট হাউজ’।
- ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্ম হলে নতুন ‘গভর্নর’-এর দপ্তর ও বাসস্থান নির্বাচিত হয় ব্রিটিশ আমলের গভর্নমেন্ট হাউজ।
- রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ এবং মন্ত্রিপরিষদের অন্যান্য সদস্যগণ ১৯৭১ সালের ২৩ ডিসেম্বর গভর্নর হাউজে মন্ত্রিপরিষদের সভা করেন।
- ঐ সভায় গভর্নর হাউজকে ‘বঙ্গভবন’ নামে অভিহিত করা হয়।

উল্লেখ্য,
রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের বিভাগ ২টি। যথা:
i) জন বিভাগ,
ii) আপন বিভাগ।
- রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব ও রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিবের নেতৃত্বে এ বিভাগ দু’টি পরিচালিত হয়।

অন্যদিকে,
- গণভবন হলো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন।

উৎস: রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ওয়েবসাইট।
.
'আইন প্রণয়ন' কোন বিভাগের দায়িত্ব?
  1. আইন বিভাগ
  2. শাসন বিভাগ
  3. বিচার বিভাগ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আইন বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন বিভাগ
ব্যাখ্যা

আইন  বিভাগের কার্যাবলী:
-  আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত কাজ;
- সংবিধান রচনা ও সংশোধন;
- প্রশাসনিক কাজ;
- শাসন বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ;
- বিচার সংক্রান্ত কাজ;
- অর্থ সংক্রান্ত কাজ;
- নির্বাচন সংক্রান্ত কাজ;
- জনমত গঠন;
-  অনুসন্ধানমূলক কাজ;

অন্যদিকে,
বিচার বিভাগের বিভিন্ন কাজ:
- আইনের ব্যাখ্যা প্রদান;
- শাসন সংক্রান্ত;
- পরামর্শ দান;
- তদন্ত কার্য;
- ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা;
-  নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ;




- সহজ কথায় আইন বিভাগ সরকারের চাহিদা ও প্রয়োজন অনুযায়ী আইন প্রণয়ন করে, শাসন বিভাগ সেই আইন বাস্তবায়ন করে এবং বিচার বিভাগ প্রণীত আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রের সকল বিচারকার্য সম্পন্ন ও আইনের ব্যাখ্যা প্রদান করে।

উৎস: পৌরনীতি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।[লিঙ্ক]

.
বাংলাদেশের সর্বশেষ সিটি কর্পোরেশন কোনটি?
  1. কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন
  2. গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন
  3. ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন
  4. রংপুর সিটি কর্পোরেশন
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সর্বশেষ সিটি কর্পোরেশন ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন।

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন
:
- ময়মনসিংহ শহর প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮১১ সালে।
- ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন গঠিত হয় ২০১৮ সালের ২ এপ্রিল।
- এটি বাংলাদেশের সর্বশেষ সিটি কর্পোরেশন।
- এর আয়তন ৯১ দশমিক ৩১৫ বর্গ কি.মি.।

অন্যদিকে -
- ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন গঠিত হয় ১৯৮৩ সালের ২৪ আগস্ট।
- ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন গঠিত হয় ১৯৮৩ সালের ২৪ আগস্ট।
- চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন গঠিত হয় ১৯৮২ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর।
- খুলনা সিটি কর্পোরেশন গঠিত হয় ১৯৮৪ সালের ১০ ডিসেম্বর।
- রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন গঠিত হয় ১৯৮৭ সালের ১৩ আগস্ট।
- সিলেট সিটি কর্পোরেশন গঠিত হয় ২০০১ সালের ৯ এপ্রিল।
- বরিশাল সিটি কর্পোরেশন গঠিত হয় ২০০২ সালের ২৫ জুলাই।
- কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন গঠিত হয় ২০১১ সালের ১০ জুলাই।
- নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন গঠিত হয় ১৮৭৬ সালের ৮ সেপ্টেম্বর।
- রংপুর সিটি কর্পোরেশন গঠিত হয় ২০১২ সালের ২৮ জুন।
- গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন গঠিত হয় ২০১৩ সালের ৭ জানুয়ারি।

উল্লেখ্য,
- আয়তনের দিক থেকে সবচেয়ে বড় সিটি কর্পোরেশন গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন।
- আয়তনে দেশের ক্ষুদ্রতম সিটি কর্পোরেশন সিলেট।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
ঢাকা পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয় -
  1. ১৮৬২ সালে
  2. ১৮৬৪ সালে
  3. ১৯৮২ সালে
  4. ১৯৮৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৬৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৬৪ সালে
ব্যাখ্যা
ঢাকা পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৬৪ সালে।

ঢাকা পৌরসভা:

- বুড়িগঙ্গা নদীতীরে অবস্থিত প্রায় সাতশত বছরের প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী বন্দর নগরী ঢাকা।
- মোঘল সমাট্র জাহাঙ্গীরের আমলে ১৬০৮ সালে ঢাকায় রাজধানী স্থাপিত হলে বিশ্বব্যাপী এ নগরীর মর্যাদা ও গুরুত্ব বেড়ে যায়।
- ১৮৪০ সালে ‘ঢাকা কমিটি’ নামে একটি কমিটি গঠন করেন।
- ১৮৬৪ সালের ১লা আগষ্ট ঢাকা পৌরসভা স্থাপিত হয়।
- ‘ঢাকা মিউনিসিপ্যাল ইমপ্রুভমেন্ট অ্যাক্ট’ বলে আগস্ট মাসে গঠন করা হয় ‘ঢাকা মিউনিসিপ্যাল কমিটি’।
- ১৮৬৪ সালের পূর্ব পর্যন্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পদাধিকার বলে মিউনিসিপ্যালিটির সভাপতি ছিলেন।
- ১৯৭৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ঢাকা নগরীকে ৫০টি ওয়ার্ডে বিভক্ত করে নির্বাচনের মাধ্যমে ঢাকা পৌরসভা গঠন করা হয়।
- ১৯৭৭ সালের ৩১ অক্টোবর কমিশনারদের মাধমে ঢাকা পৌরসভার প্রথম নির্বাচিত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন ব্যারিস্টার আবুল হাসনাত।
- ১৯৯০ সালে ঢাকা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের নাম পরিবর্তন করে ঢাকা সিটি করপোরেশন নামকরণ করা হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
বাংলাদেশে প্রথম ওষুধনীতি ঘোষিত হয় -
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭৮ সালে
  3. ১৯৮২ সালে
  4. ১৯৮৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮২ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রথম ওষুধনীতি ঘোষিত হয় ১৯৮২ সালে।

ঔষধ শিল্প:

- দেশে প্রথম ওষুধনীতি ঘোষিত হয় ১৯৮২ সালে।
- ১৯৮২ সালের নীতিতে দেশি ওষুধশিল্পের বিকাশে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল।
- এই নীতির কারণে দেশে সহজ প্রযুক্তির ওষুধ আসা শুরু হয়।
- তালিকা করে দেড় হাজারের বেশি ওষুধ দেশে নিষিদ্ধ করা হয়।
- বলা হয়েছিল, যেসব ওষুধ দেশি কোম্পানিগুলো তৈরি করতে পারে সেসব ওষুধ আমদানি করা যাবে না।
- এগুলো ছিল ওষুধশিল্প পর্যায়ক্রমে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার পেছনের কারণ।
- বাংলাদেশের জাতীয় ওষুধনীতির জনক হিসেবে পরিচিত ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।
- বাংলাদেশ ওষুধ উৎপাদনে প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণ।
- সর্বশেষ ২০১৬ সালে সংস্কার করে নতুন ওষুধনীতি করা হয়। 

এছাড়াও,
- বর্তমানে দেশে ২১৩ ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান আছে।
- এ শিল্পে বার্ষিক গড় প্রবৃদ্ধি ১২ শতাংশ।
- বাংলাদেশ থেকে বর্তমানে প্রায় ১৫০ দেশে ওষুধ সরবরাহ করা হয়।
- এ খাত থেকে গত অর্থবছরে ১৭ কোটি ৫৪ লাখ ২০ হাজার ডলার আয় হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৩ সালে প্রয়োজনীয় ওষুধ আমদানি করার জন্য ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের অধীনে একটি সেল গঠন করা হয়েছিল।
- সরকার ১৯৭৪ সালে ঔষধ প্রশাসন পরিদপ্তর গঠন করে।
- ১৯৮২ সালে ঔষধ নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে ক্ষতিকর ও অপ্রয়োজনীয় ঔষধ বাজারজাতকরণ বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং স্বাস্থ্যসেবার প্রতিটি পর্যায়ে প্রয়োজনীয় ঔষধ সরবরাহ বৃদ্ধি করা হয়।
- ১৯৮২ সালের ওষুধনীতিতে ১৫০টি ওষুধকে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়।
- বাংলাদেশ থেকে ওষুধ রপ্তানি শুরু হয় ১৯৮৫ সালে।

উৎস: i) এপ্রিল ২৭, ২০২৪, দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।
       ii) ১৬ জুন ২০২১, প্রথম আলো।
.
'ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ' বাতিল করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৯৬ সালে
  2. ২০০০ সালে
  3. ২০০৬ সালে
  4. ২০১০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৬ সালে
ব্যাখ্যা
'ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ' বাতিল করা হয় ১৯৯৬ সালে।

ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ:

- ‘ইনডেমনিটি’ শব্দের অর্থ হচ্ছে শাস্তি এড়ানোর ব্যবস্থা।
- ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ হলো সেই অধ্যাদেশ, যে অধ্যাদেশের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের শাস্তি এড়ানোর ব্যবস্থা করা হয়েছিল।
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আইনি ব্যবস্থা থেকে শাস্তি এড়ানোর জন্য বাংলাদেশে ‘ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ’ অধ্যাদেশ প্রণয়ন করা হয়েছিল, যা দেশের ইতিহাসে ডার্কেস্ট ল’ বা সবচেয়ে কালো আইন নামে পরিচিত।
- ১৯৭৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোশতাক আহমেদ এ ইনডেমনিটি বা দায়মুক্তি অধ্যাদেশ জারি করেন।
- বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পরে খন্দকার মোশতাক হন দেশের রাষ্ট্রপতি।
- বঙ্গবন্ধুর খুনি ও তাদের দোসররা নির্বাচিত রাষ্ট্রপ্রধানের হত্যাকে আইনসিদ্ধ করতে চেয়েছিল।
- তাই তখন খুনিদের ‘প্রয়োজনে’ জারি করা হয় ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ।
- খন্দকার মোশতাক আহমেদ কর্তৃক ১৯৭৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর একটি অধ্যাদেশের আকারে এ আইনটি প্রণীত হয়; যা ১৯৭৫ সালের অধ্যাদেশ নম্বর ৫০ নামে অভিহিত ছিল।
- ১৯৭৯ সালে সংসদ কর্তৃক ওই ইনডেমনিটি অনুমোদন করা হয়।
- ১৯৭৯ সালের ৯ জুলাই সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর পর সংশোধিত আইনে এ আইনটি সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- ফলে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া একেবারে বন্ধ হয়ে যায়।

উল্লেখ্য,
- পরবর্তী সময়ে ১৯৯৬ সালের ১২ নভেম্বর সপ্তম জাতীয় সংসদে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে কুখ্যাত ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ নামক ইতিহাসের কালো আইনটি বাতিল করা হয়।
- এর ফলে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচারের পথ সুগম হয় এবং ২০১০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে হাইকোর্ট কর্তৃক সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
         ii) ১২ নভেম্বর ২০২১, যুগান্তর।
.
বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ স্বাধীন হয় -
  1. ১ নভেম্বর ২০০৭
  2. ১ সেপ্টেম্বর ২০০৭
  3. ১ আগস্ট ২০০৭
  4. ১ ডিসেম্বর ২০০৭
সঠিক উত্তর:
১ নভেম্বর ২০০৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ নভেম্বর ২০০৭
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ স্বাধীন হয়: ১ নভেম্বর ২০০৭ সালে।

বিচার বিভাগ:

- রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গের মধ্যে বিচার বিভাগ অন্যতম।
- নাগরিকের অধিকার রক্ষা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার জন্য বাংলাদেশের বিচার বিভাগ শেষ আশ্রয় হিসেবে কাজ করে।
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগ মূলত দুই ভাগে বিভক্ত।
• উচ্চতর বিচার বিভাগ (সুপ্রিম কোর্ট)।
• অধস্তন বিচার বিভাগ (নিম্ন আদালতসমূহ)।
- সুপ্রিম কোর্ট দেশের সর্বোচ্চ আদালত হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগ ও আপীল বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
- সুপ্রিম কোর্ট প্রধান বিচারপতি ও প্রত্যেক বিভাগের বিচারপতিদের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৪ নং ধারা অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদেরকে নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পাদন করে থাকেন।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ষষ্ট বিভাগে বিচার বিভাগের কাঠামো, মর্যাদা এবং কার্যাবলি সম্পর্কিত বিধান লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ স্বাধীন হয়: ১ নভেম্বর ২০০৭ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২২ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগসমূহ থেকে বিচারবিভাগের পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে।
- বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি ছিলেন বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম।

উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
        iii) সুপ্রিমকোর্ট ওয়েবসাইট।
.
বাংলাদেশ তথ্য অধিকার আইন পাশ হয় -
  1. ২৯ মার্চ, ২০০৬
  2. ২৯ মার্চ, ২০০৭
  3. ২৯ মার্চ, ২০০৮
  4. ২৯ মার্চ, ২০০৯
সঠিক উত্তর:
২৯ মার্চ, ২০০৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯ মার্চ, ২০০৯
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ তথ্য অধিকার আইন পাশ হয় ২৯ মার্চ, ২০০৯ তারিখে।

বাংলাদেশ তথ্য অধিকার আইন:

- ২৯ মার্চ, ২০০৯ বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ কর্তৃক তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ পাশ হয়।
- ৫ এপ্রিল, ২০০৯ এই আইনটি মহামান্য রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ করে।
- ৬ এপ্রিল, ২০০৯ আইনটি বাংলাদেশ গেজেটে প্রকাশিত হয়।
- আইনটি ধারা ৮, ২৪ এবং ২৫ ব্যতিত অন্যান্য ধারা ২০ অক্টোবর, ২০০৮ তারিখে কার্যকর এবং ৮, ২৪ এবং ২৫ ধারা ১লা জুলাই, ২০০৯ তারিখ থেকে কার্যকর হয়।
- তথ্য অধিকার আইন অনুসারে, তথ্য অধিকার মানুষের মৌলিক অধিকার।

উৎস: বাংলাদেশ গেজেট ও বাংলাদেশ তথ্য অধিকার আইন : ২০০৯।