পরীক্ষা আর্কাইভ

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived

পরীক্ষা৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়42 minutes
মোট প্রশ্ন৪০
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১২ পার্ট – ১: বাংলা ব্যাকরণ টপিকসমূহ: ১. শব্দপ্রকরণ (সমাস; উপসর্গ ও অনুসর্গ) ২. পদ-প্রকরণ (পদ ও এর শ্রেণিবিভাগ) ৩. বাক্য প্রকরণ (বাক্য ও বাক্যের প্রকারভেদ; বাক্য ও উক্তির পরিবর্তন; কারক ও বিভক্তি; বাচ্য ও বাচ্যের পরিবর্তন।) পার্ট – ২: ভূগোল (বাংলাদেশ ও বিশ্ব), পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা টপিকসমূহ: ১) বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক পরিবেশ পরিবর্তন: আবহাওয়া ও জলবায়ু নিয়ামকসমূহের সেক্টরভিত্তিক (যেমন অভিবাসন, কৃষি, শিল্প, মৎস্য ইত্যাদি) স্থানীয়, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রভাব। ২) প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ব্যবস্থাপনা: দুর্যোগের ধরন, প্রকৃতি ও ব্যবস্থাপনা। পার্ট-৩: মানসিক দক্ষতা টপিকসমূহ: ১. স্থানাঙ্ক সমস্যা (Space Relation): ২. সংখ্যাগত দক্ষতা (Numerical Ability)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৪০ প্রশ্ন

.
শিক্ষক বললেন, “চাঁদ পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে।” - বাক্যের পরোক্ষ উক্তি কোনটি?
  1. শিক্ষক বললেন যে, চাঁদ পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে।
  2. শিক্ষক বললেন যে, চাঁদ পৃথিবীকে প্রতিবার প্রদক্ষিণ করে।
  3. শিক্ষক বলল যে, চাঁদ পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করিয়া চলে।
  4. শিক্ষক বলল যে, চাঁদ পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করিয়া চলে না।
সঠিক উত্তর:
শিক্ষক বললেন যে, চাঁদ পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিক্ষক বললেন যে, চাঁদ পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে।
ব্যাখ্যা
• প্রত্যক্ষ উক্তিতে চিরন্তন সত্যের উদ্ধৃতি থাকলে পরোক্ষ উক্তিতে ক্রিয়ার কালের কোনো পরিবর্তন হয় না।
যেমন:
প্রত্যক্ষ উক্তি: শিক্ষক বললেন, “চাঁদ পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে।”
পরোক্ষ উক্তি: শিক্ষক বললেন যে, চাঁদ পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে।

আবার,
• প্রত্যক্ষ উক্তিকে পরোক্ষ উক্তিতে পরিবর্তন করার সময়ে কালবাচক ও স্থানবাচক শব্দের পরিবর্তন হয়।
যেমন:
প্রত্যক্ষ উক্তি: লোকটি বললেন, “আমি আগামীকাল এখানে আবার আসব ।”
পরোক্ষ উক্তি: লোকটি বললেন যে, তিনি পরদিন সেখানে আবার যাবেন।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি ( সংস্করণ- ২০২১)।
.
নিচের কোনটি অভিব্যাপক আধারাধিকরণের উদাহরণ?
  1. নদীতে পানি আছে।
  2. আকাশে চাঁদ উঠেছে।
  3. পুকুরে মাছ আছে।
  4. বনে বাঘ আছে।
সঠিক উত্তর:
নদীতে পানি আছে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নদীতে পানি আছে।
ব্যাখ্যা
অভিব্যাপক:
- উদ্দিষ্ট বস্তু যদি সমগ্র আধার ব্যাপ্ত করে বিরাজমান থাকে,তবে তাকে অভিব্যাপক আধারাধিকরণ বলে।
যেমন-
- তিলে তৈল আছে। (তিলের সারা অংশব্যাপী)।
- নদীতে পানি আছে। (নদীর সমস্ত অংশ ব্যাপ্ত করে)।

অন্যদিকে,
ঐকদেশিক:
- বিশাল স্থানের যে কোনো এক অংশে ক্রিয়া সংঘটিত হলে তাকে ঐকদেশিক আধারাধিকরণ বলে।
যেমন-
- পুকুরে মাছ আছে।
- বনে বাঘ আছে।
- আকাশে চাঁদ উঠেছে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
কোনটি দ্বিগু সমাস?
  1. দশগজি
  2. ত্রিপদী
  3. সেতার
  4. চৌচালা
সঠিক উত্তর:
ত্রিপদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রিপদী
ব্যাখ্যা
দ্বিগু সমাস:
- সমাহার (সমষ্টি) বা মিলন অর্থে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের যে সমাস হয়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে।
- দ্বিগু সমাসে সমাসনিষ্পন্ন পদটি বিশেষ্য পদ হয়।
 যেমন:
- তিন কালের সমাহার = ত্রিকাল,
- চৌরাস্তার সমাহার = চৌরাস্তা,
- তিন মাথার সমাহার = তেমাথা,
- শত অব্দের সমাহার = শতাব্দী,
- পঞ্চবটের সমাহার = পঞ্চবটী,
- ত্রি (তিন) পদের সমাহার = ত্রিপদী ইত্যাদি।

অন্যদিকে:
- দশগজি, চৌচালা, এবং সেতার সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি সমাস।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
‘যাবতীয় দ্বন্দ্ব নিজেরা নিজেরা মিটমাট করে’- বাক্যে ‘নিজেরা নিজেরা’ কোন ধরনের সর্বনাম?
  1. সাপেক্ষ সর্বনাম
  2. অনির্দিষ্ট সর্বনাম
  3. পারস্পরিক সর্বনাম
  4. আত্মবাচক সর্বনাম
সঠিক উত্তর:
পারস্পরিক সর্বনাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারস্পরিক সর্বনাম
ব্যাখ্যা
পারস্পরিক সর্বনাম:
- দুই পক্ষের সহযােগিতা বা নির্ভরতা বােঝাতে পারস্পরিক সর্বনাম ব্যবহৃত হয়।
যেমন –
- পরস্পর, নিজেরা নিজেরা (যাবতীয় দ্বন্দ্ব নিজেরা নিজেরা মিটমাট করে) ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
সাপেক্ষ সর্বনাম:
- পরস্পর নির্ভরশীল দুটি সর্বনামকে সাপেক্ষ সর্বনাম বলে।
যেমন:
- যারা-তারা, যে-সে, যেমন-তেমন (যেমন কর্ম তেমন ফল) ইত্যাদি।

অনির্দিষ্ট সর্বনাম:
- অনির্দিষ্ট বা পরিচয়হীন কিছু বােঝাতে যে সর্বনাম ব্যবহৃত হয়, তাকে অনির্দিষ্ট সর্বনাম বলে।
যেমন -
- কেউ, কোথাও, কিছু, একজন (একজন এসে খবরটা দেয়) ইত্যাদি।

আত্মবাচক সর্বনাম:
- কর্তা নিজেই কোনাে কাজ করেছে, এ ভাবটি জোর দিয়ে বােঝানাের জন্য এ ধরনের সর্বনাম ব্যবহার করা হয়।
যেমন:
- নিজে (সে নিজে অঙ্কটা করছে), স্বয়ং ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ- ২০২১ )।
.
কোনটি কর্তাবাচ্য নয়?
  1. শরতে শিউলি ফোটে।
  2. কোথা থেকে আসা হলো।
  3. ঝরণা ছবি আঁকে।
  4. আমি আগামীকাল বাড়ি ফিরব।
সঠিক উত্তর:
কোথা থেকে আসা হলো।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোথা থেকে আসা হলো।
ব্যাখ্যা
• কর্তাবাচ্য নয় -  কোথা থেকে আসা হলো। 

কর্তাবাচ্য:

- যে বাক্যের ক্রিয়া কর্তাকে অনুসরণ করে, তাকে কর্তাবাচ্য বলে।
- এক্ষেত্রে ক্রিয়ার রূপটি কর্তার পক্ষ অনুযায়ী হয়।
যেমন:
- আমি আগামীকাল বাড়ি ফিরব।
- শরতে শিউলি ফোটে।
- ঝরণা ছবি আঁকে।

অন্যদিকে, 
ভাববাচ্য:
- যে বাক্যের ক্রিয়া বিশেষ্য বাক্যের ক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে, তাকে ভাববাচ্য বলে।
যেমন:
- কোথা থেকে আসা হলো।
- একটু বাইরে বেড়িয়ে আসা যাক।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
'শশব্যস্ত' - শব্দটি কোন সমাস?
  1. তৎপুরুষ
  2. দ্বন্দ্ব
  3. বহুব্রীহি
  4. কর্মধারয়
সঠিক উত্তর:
কর্মধারয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্মধারয়
ব্যাখ্যা
উপমান কর্মধারয় সমাস:
- যার সঙ্গে তুলনা করা হয়, তা উপমান।
- কিছু কর্মধারয় সমাসে উপমানের সঙ্গে গুণবাচক শব্দের সমাস হয়।
- এগুলােকে উপমান কর্মধারয় বলে।
- এই সমাসে পরপদ সাধারণত বিশেষণ হয়।

যেমন: 
- কাজলের মতাে কালাে = কাজলকালাে।
- শশের মতাে ব্যস্ত = শশব্যস্ত।

অন্যদিকে, 
বহুব্রীহি সমাস:
- যে সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কোনােটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কিছু বােঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
যেমন:
- বউ ভাত পরিবেশন করে যে অনুষ্ঠানে = বউভাত,
- লাঠিতে লাঠিতে যে যুদ্ধ = লাঠালাঠি ইত্যাদি।

দ্বন্দ্ব সমাস:
- যে সমাসে সমস্যমান পদ্গুলোর প্রতিটিতেই অর্থ প্রাধান্য থাকে তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে।
 যেমন: 
- ভাইবোন,
- তাল-তমাল ইত্যাদি।

তৎপুরুষ সমাস:
- সমাস্যমান পদের বিভক্তি ও সন্নিহিত অনুসর্গ লোপ পেয়ে যে সমাস হয়, তার নাম তৎপুরুষ সমাস।
- এই সমাসে পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম (২০২২ সংস্করণ)।
.
জানুয়ারি মাসের বাংলাদেশের গড় তাপমাত্রা কত ডিগ্রি সে.?
  1. ২০.৩ ডিগ্রি সে.
  2. ১৭.৭ ডিগ্রি সে.
  3. ১৮.৩ ডিগ্রি সে.
  4. ১৬.৬ ডিগ্রি সে.
সঠিক উত্তর:
১৭.৭ ডিগ্রি সে.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭.৭ ডিগ্রি সে.
ব্যাখ্যা
⇒ শীতকাল: প্রতি বছর নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত বাংলাদেশে শীতকাল।
- এ সময় সূর্য দক্ষিণ গোলার্ধে থাকায় বাংলাদেশে এর রশ্মি তির্যকভাবে পড়ে এবং উত্তাপের পরিমাণ যথেষ্ট কমে যায়।
- শীতকালীন সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পরিমাণ যথাক্রমে ২৯ ডিগ্রি সে. ও ১১ ডিগ্রি সে.।
• জানুয়ারি মাস বাংলাদেশের শীতলতম মাস। এ মাসের গড় তাপমাত্রা ১৭.৭ ডিগ্রি সে.
-  এ সময়ে দক্ষিণে সমুদ্র উপকূল থেকে উত্তর দিকে তাপমাত্রা ক্রমশ কম হয়ে থাকে।
- সমতাপ রেখাগুলো অনেকটা সোজা হয়ে পূর্ব-পশ্চিমে অবস্থান করে।

তাছাড়াও
• জানুয়ারি মাসের গড় তাপমাত্রা চট্টগ্রামে প্রায় ২০ ডিগ্রি,
- দিনাজপুরে ১৬.৬ ডিগ্রি সে.।
- তবে কোনো কোনো সময় উত্তরাঞ্চলে তাপমাত্রা আরও কম হয়ে থাকে।
• বাংলাদেশের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ২০৩ সেন্টিমিটার এবং গড় তাপমাত্রা ২৬ ডিগ্রী সেলসিয়াস।
- তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বৃষ্টিপাত এবং তাপমাত্রায় কিছুটা পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে।
• বাংলাদেশ ষড়ঋতুর দেশ হিসেবে পরিচিত।
- তবে তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত এবং বায়ুপ্রবাহের উপর ভিত্তি করে তিনটি বিশেষ বৈশিষ্ট্যপূর্ণ ঋতু দেখা যায়।
- এগুলো হলো - গ্রীষ্মকাল, বষার্কাল এবং শীতকাল। 
• বাংলাদেশের বার্ষিক গড় তাপমাত্রা ২৬.০১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
- সবচেয়ে উষ্ণতম মাস এপ্রিলের গড় তাপমাত্রা ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সবচেয়ে শীতল তম মাস জানুয়ারির গড় তাপমাত্রা ১৭.৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

তথ্যসূত্র: মাধ্যমিক ভূগোল এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
.
অয়ন বায়ু কোন ধরনের বায়ু?
  1. মৌসুমী বায়ু
  2. মেরু বায়ু
  3. নিয়ত বায়ু
  4. স্থলবায়ু
সঠিক উত্তর:
নিয়ত বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিয়ত বায়ু
ব্যাখ্যা
নিয়ত বায়ু:
- পৃথিবীর চাপ বলয়গুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে যে বায়ু সারাবছর একইদিকে প্রবাহিত হয় তাকে নিয়ত বায়ু বলে।
- নিয়ত বায়ু তিন প্রকার।যথা: পশ্চিমা বায়ু, অয়ন বায়ু , মেরু বায়ু।

উল্লেখ্য
⇒ নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয় থেকে উষ্ণ ও হালকা বায়ু উপরে উঠে গেলে ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে যে শীতল ও ভারী বায়ু নিরক্ষীয় অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয় তা অয়ন বায়ু নামে পরিচিত।
- প্রাচীনকালে বাণিজ্য জাহাজসমূহ এই বায়ু অনুসরণ করে চলাচল করতো বিধায় এই বায়ুকে বাণিজ্য বায়ুও বলা হয়।
- অয়ন বায়ু এক প্রকার নিয়ত বায়ু যা সারাবছর একই দিকে প্রবাহিত হয়
⇒ অয়ন বায়ু বা বাণিজ্য বায়ু প্রবাহিত হয় ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে।

তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী।
.
ঘূর্ণিঝড় সম্পর্কিত নিচের কোন তথ্যটি সঠিক নয়?
  1. স্থান অনুসারে ঘূর্ণিঝড়ের বিভিন্ন নামকরণ হয়।
  2. ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রমুখী ও ঊর্ধ্বমুখী বায়ুরূপে পরিচিত।
  3. বাংলাদেশে আশ্বিন-কার্তিক এবং চৈত্র-বৈশাখ মাসে এ ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়।
  4. ঘূর্ণিঝড় একটি দীর্ঘস্থায়ী প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
সঠিক উত্তর:
ঘূর্ণিঝড় একটি দীর্ঘস্থায়ী প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘূর্ণিঝড় একটি দীর্ঘস্থায়ী প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
ব্যাখ্যা
ঘূর্ণিঝড় (Cyclone):
- প্রচন্ড শক্তিশালী এবং মারাত্মক ধ্বংসকারী বাংলাদেশে সংঘটিত প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে ঘূর্ণিঝড় উল্লেখযোগ্য।
 • স্থান অনুসারে ঘূর্ণিঝড়ের বিভিন্ন নামকরণ হয়। 
 • ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রমুখী ও ঊর্ধ্বমুখী বায়ুরূপে পরিচিত।এর কেন্দ্রস্থলে নিম্নচাপ এবং চারপাশে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 
 •  বাংলাদেশে আশ্বিন-কার্তিক এবং চৈত্র-বৈশাখ মাসে এ ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়।
- বর্ষাকালে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর কারণে ঘূর্ণিঝড় হয় এবং একই ধরনের প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। 
- বাংলাদেশের দক্ষিণে ফানেল আকৃতির কারণে এ দেশে অধিকসংখ্যক ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়।
 • ঘূর্ণিঝড় একটি সাময়িক প্রাকৃতিক দুর্যোগ।

উল্লেখ্য
 গত তিন দশকে বাংলাদেশের পূর্বাংশে বেশি ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়েছে। 
- বিশেষ করে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, টেকনাফ, সন্দ্বীপ, হাতিয়া, কুতুবদিয়া, উরিরচর, চর জব্বার, চর আলেকজান্ডার প্রভৃতি স্থানে। 
- বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে সংঘটিত কয়েকটি ঘূর্ণিঝড়ের সময়কাল, নাম ও মৃত মানুষের সংখ্যা নিম্নের সারণিতে দেখানো হলো।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১০.
জলবায়ুর কোন নিয়ামকটির প্রভাবে বাংলাদেশের দিনাজপুরের চেয়ে ভারতের শিলং-এর তাপমাত্রা তুলনামুলক শীতল?
  1. মৃত্তিকার গঠন
  2. সমুদ্র থেকে দূরত্ব
  3. উচ্চতা
  4. সমুদ্রস্রোত
সঠিক উত্তর:
উচ্চতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উচ্চতা
ব্যাখ্যা
উচ্চতা (Altitude):
- সমুদ্র সমতল থেকে যতই উপরে ওঠা যায়, উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বায়ুমন্ডলীয় তাপমাত্রা ততই হ্রাস পায়।
- সাধারণত প্রতি ১,০০০ মিটার উচ্চতায় প্রায় ৬° সেলসিয়াস তাপমাত্রা হ্রাস পায়।
- এ উচ্চতার পার্থক্যের কারণে দুই জায়গা একই অক্ষাংশে অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও একটি অপরটির চেয়ে ভিন্ন জলবায়ু সম্পন্ন হয়।
- যেমন- দিনাজপুর ও শিলং একই অক্ষাংশে অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও শুধু উচ্চতার তারতম্যের জন্য এদের জলবায়ু ভিন্ন রকম। উচ্চতা বেশি হওয়াতে শিলং-এ দিনাজপুরের চেয়ে তাপমাত্রা কম হয়।

উল্লেখ্য
⇒ জলবায়ুর নিয়ামক (Factors of Climate)
- পৃথিবীর সব অঞ্চলের জলবায়ু একই রকম নয়। এর কোনো অঞ্চল উষ্ণ এবং কোনো অঞ্চল শীতল।
- আবার কোনো স্থান বৃষ্টিবহুল এবং কোনো স্থান বৃষ্টিহীন।
- কিছু ভৌগোলিক বিষয়ের পার্থক্যের কারণে স্থানভেদে জলবায়ুর এরকম পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়।
- এই বিষয়গুলোকে জলবায়ুর নিয়ামক বলে।
- কিছু জলবায়ুর নিয়ামকের নাম হল-
- অক্ষাংশ (Latitude),
- উচ্চতা (Altitude),
- সমুদ্র থেকে দূরত্ব (Distance from the sea),
- বায়ুপ্রবাহ (Wind movement),
- সমুদ্রস্রোত (Ocean currents),
- পর্বতের অবস্থান (Location of the mountains),
- ভূমির ঢাল (Slope of the land),
- মৃত্তিকার গঠন (Composition of the soil),
- বনভূমির অবস্থান (Location of the forest) ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১১.
"ক" তার বাবার সঙ্গে সিলেট জয়ন্তিয়া পাহাড় দেখতে গেল। দূর থেকে দেখল পাহাড়ের প্রতিবাত ঢালে বৃষ্টি হচ্ছে কিন্তু অনুবাত ঢালে বৃষ্টি হচ্ছে না। "ক" কোন ধরনের বৃষ্টিপাত দেখেছিল?
  1. পরিচলন বৃষ্টিপাত
  2. সংঘর্ষ বৃষ্টি
  3. শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি
  4. ঘূর্ণিবাত বৃষ্টি
সঠিক উত্তর:
শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি
ব্যাখ্যা
শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি (Orographic Rain):
- জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু স্থলভাগের উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় যদি গমনপথে কোনো উঁচু পর্বতশ্রেণিতে বাধা পায় তাহলে ঐ বায়ু উপরের দিকে উঠে যায়। তখন জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু ক্রমশ প্রসারিত হয় এবং পর্বতের উঁচু অংশে শীতল ও ঘনীভূত হয়ে পর্বতের প্রতিবাত ঢালে (Windward slope) বৃষ্টিপাত ঘটায়। এরূপ বৃষ্টিপাতকে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি বলে।

⇒ ""ক" তার বাবার সঙ্গে সিলেট জয়ন্তিয়া পাহাড় দেখতে গেল। দূর থেকে দেখল পাহাড়ের  প্রতিবাত ঢালে  বৃষ্টি হচ্ছে কিন্তু অনুবাত ঢালে বৃষ্টি হচ্ছে না।  "ক" শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি দেখেছিল। 



উল্লেখ্য,
- বৃষ্টিপাতের শ্রেণিবিভাগ:
চারটি উপায়ে জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু ঊর্ধ্বে উত্থিত হয়ে বৃষ্টিপাত ঘটায় বলে একে চারটি শ্রেণীতে বিভক্ত করা যায়।
যথা -
১. পরিচলন বৃষ্টিপাত (Convectional Rain)
২. শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি (Orographic Rain)
৩. ঘূর্ণিবাত বৃষ্টি (Cyclonic Rain)
৪. সংঘর্ষ বৃষ্টি (Frontal Rain)

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১২.
বন্যা পূর্ব ব্যবস্থাপনা নিচের কোনটি?
  1. বিশুদ্ধ পানি ও খাদ্য সংরক্ষণ
  2. স্বল্প সময়ে উৎপাদন যোগ্য ফসল চাষ
  3. পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বা ফিটকিরি ব্যবহার করা
  4. বাসযোগ্য বসতবাটি পুনঃনির্মাণ করা
সঠিক উত্তর:
বিশুদ্ধ পানি ও খাদ্য সংরক্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশুদ্ধ পানি ও খাদ্য সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা
⇒ বন্যা পূর্ব ব্যবস্থাপনা (Pre- Flood Management): 
ক. বনায়ন (Forestation): বিশেষ করে বন্যা প্রবণ এলাকায় বাড়ির চারপাশে কড়ই গাছসহ অন্যান্য গাছ লাগানো যেতে পারে।
খ. বসত বাটি (Settlement): বন্যা প্রবণ এলাকায় ঘরের মেঝে উঁচু করা, সম্ভব হলে ইট সিমেন্ট এর পাকা ঘর নির্মাণ করা যেতে পারে। 
গ. বিশুদ্ধ পানি ও খাদ্য (Pure Water and Food): বন্যার পানিতে টিউবওয়েল যাতে না ডুবে এমন স্থানে টিউবওয়েল স্থাপন করা উচিত। বন্যার সময় বাড়িতে মুড়ি, চিড়া, গুড় প্রভৃতি শুকনো খাবার মজুদ রাখতে হবে। নিরাপদ স্থানে ফসলের বীজ সংরক্ষণ করতে হবে।
ঘ. সম্পদ (Property): গবাদি পশু, মূল্যবান সম্পদ বন্যার পূর্বে মূল্যবান স্থানে সরিয়ে রাখতে হবে।
ঙ. আশ্রয়কেন্দ্র (Shelter): বন্যার সময় আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করতে হবে। তবে এই ক্ষেত্রে শিশু, বৃদ্ধ, গর্ভবর্তী মহিলা এবং মেয়েদের বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।

অন্যদিকে,
⇒ বন্যাকালীন ব্যবস্থাপনা (During Flood Management): 
ক. আশ্রয় (Shelter): বন্যার সময় নিকটস্থ উঁচু স্থান, বাঁধে অথবা আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিতে হবে। 
খ. বিশুদ্ধ পানি (Pure Water): পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বা ফিটকিরি বা ফুটিয়ে অথবা টিউবওয়েলের পানি পান করতে হবে।
গ. সুরক্ষা (Safety): কার্বলিক এসিড মিশ্রিত সাবান টুকরা ঘরের চারকোণে রাখলে সাপ ঢুকবে না।
ঘ. ত্রাণ (Relief): সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে ত্রাণসামগ্রী যা পাওয়া যায় তা দিয়ে অভাব মিটাতে হবে এবং ত্রাণ প্রদানকারীদের সহায়তা প্রদান করতে হবে।

⇒ বন্যা পরবর্তী ব্যবস্থাপনা (Post Flood Management): বন্যা পরবর্তী ব্যবস্থাপনাসমূহ নিম্নরূপ:
ক. বন্যার পরপরই পানি বাহিত বিভিন্ন প্রকার রোগ যেমন টাইফয়েড, ডায়রিয়া দেখা দিতে পারে তাই প্রতিষেধক হিসেবে টিকা দেওয়া যেতে পারে।
খ. বন্যার পানি সরে যাওয়ার সাথে সাথে নিজের বসতবাটিতে ফিরে যেতে হবে এবং পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে বাসযোগ্য করতে হবে বা পূনঃনির্মাণ করা যাবে।
গ. স্বল্প সময়ে উৎপাদন যোগ্য ফসল চাষ, বাড়িতে শাক সবজি ফলানো, পুকুর ডোবায় মাছ সংগ্রহ অর্থাৎ জীবিকার ব্যবস্থা করতে হবে।
 
সূত্র: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
অক্ষাংশ হিসেবে "গর্জনশীল চল্লিশা" অবস্থান কোনটি?
  1. ৪০ ডিগ্রি দক্ষিণ থেকে ৪৭ ডিগ্রি দক্ষিণ অক্ষাংশ
  2. ৪০ ডিগ্রি উত্তর থেকে ৪৭ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ
  3. ৪১ ডিগ্রি দক্ষিণ থেকে ৫০ ডিগ্রি দক্ষিণ অক্ষাংশ
  4. ৪৮ ডিগ্রি দক্ষিণ থেকে ৫০ ডিগ্রি দক্ষিণ অক্ষাংশ
সঠিক উত্তর:
৪০ ডিগ্রি দক্ষিণ থেকে ৪৭ ডিগ্রি দক্ষিণ অক্ষাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০ ডিগ্রি দক্ষিণ থেকে ৪৭ ডিগ্রি দক্ষিণ অক্ষাংশ
ব্যাখ্যা
⇒ পশ্চিমা বায়ু:
- কর্কটীয় ও মকরীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে অয়ন বায়ু ব্যতীত আরও দুটি বায়ুপ্রবাহ মেরুবৃত্ত নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয়। উত্তর গোলার্ধে এটি দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে প্রবাহিত হয়। এ বায়ুপ্রবাহকে পশ্চিমা বায়ু বলে।
⇒ উত্তর গোলার্ধে স্থলভাগের পরিমাণ অধিক বলে স্থানীয় কারণে পশ্চিমা বায়ুর সাময়িক বিরতি ঘটে। কিন্তু দক্ষিণ গোলার্ধে জলভাগের পরিমাণ বেশি বলে পশ্চিমা বায়ু প্রবলবেগে এ অঞ্চলে প্রবাহিত হয়। এজন্য এই বায়ুপ্রবাহকে প্রবল পশ্চিমা বায়ু (Brave west winds) বলে।
- ৪০° থেকে ৪৭° দক্ষিণ অক্ষাংশ পর্যন্ত পশ্চিমা বায়ুর গতিবেগ সর্বাপেক্ষা বেশি। এ অঞ্চলকে গর্জনশীল চল্লিশা (Roaring forties) বলে।

সূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণী।
১৪.
সাইক্লোনের সময় নদীবন্দরের ক্ষেত্রে কয়টি মহাবিপদ সংকেত ব্যবহৃত হয়?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৪টি
  4. ১০টি
সঠিক উত্তর:
১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১টি
ব্যাখ্যা
সতর্কতা সংকেত:
- ঝড়ের সময় আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া সমুদ্রবন্দরের ক্ষেত্রে ১০টি এবং নদীবন্দরের ক্ষেত্রে ৪টি সংকেত নির্ধারিত আছে। এই সংকেতগুলো সমুদ্রবন্দর ও নদীবন্দরের ক্ষেত্রে ভিন্ন বার্তা বহন করে।
• ১ নম্বর নৌ সতর্কতা সংকেত: বন্দর এলাকা ক্ষণস্থায়ী ঝোড়ো আবহাওয়ার কবলে নিপতিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার গতিবেগের কালবৈশাখীর ক্ষেত্রেও এই সংকেত প্রদর্শিত হয়। এই সংকেত আবহাওয়ার চলতি অবস্থার ওপর সতর্ক নজর রাখারও তাগিদ দেয়।
• ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত: বন্দর এলাকায় নিম্নচাপের সমতুল্য তীব্রতার একটি ঝড়, যার গতিবেগ ঘণ্টায় অনূর্ধ্ব ৬১ কিলোমিটার বা একটি কালবৈশাখী, যার বাতাসের গতিবেগ ৬১ কিলোমিটার বা তদূর্ধ্ব। নৌযান এদের যেকোনোটির কবলে নিপতিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ৬৫ ফুট বা তার কম দৈর্ঘ্যবিশিষ্ট নৌযানকে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে হবে।
• ৩ নম্বর নৌ বিপৎসংকেত: বন্দর এলাকা ঝড়ে কবলিত। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ একটানা ৬২-৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত গতিবেগের একটি সামুদ্রিক ঝড় শিগগিরই বন্দর এলাকায় আঘাত হানতে পারে। সব নৌযানকে অবিলম্বে নিরাপদ আশ্রয় গ্রহণ করতে হবে।
• ৪ নম্বর নৌ মহাবিপদ সংকেত: বন্দর এলাকা একটি প্রচণ্ড বা সর্বোচ্চ তীব্রতার সামুদ্রিক ঝড়ে কবলিত এবং শিগগিরই বন্দর এলাকায় আঘাত হানবে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার বা তদূর্ধ্ব। সব ধরনের নৌযানকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে হবে।
- ১ এবং ২ নম্বর সংকেত কালবৈশাখী এবং বর্ষাকালীন ঝড়ো হাওয়ার জন্য প্রযোজ্য। ৩ এবং ৪ নং সংকেত সমুদ্রবন্দরকেন্দ্রিক বড় ঝড় এবং ঘূর্ণিঝড় এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
• তাই নৌ বন্দরের জন্য ৪টি সতর্কতা সংকেত থাকলেও সাইক্লোন জনিত পূর্বাভাসের জন্য প্রযোজ্য সতর্কতা সংকেত ২টি এবং  মহাবিপদ সংকেত ১টি।

সূত্র: খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রনালয় এর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ব্যুরো কর্তৃক প্রকাশিত ''ঘূর্ণিঝড় ও আবহাওয়ার নতুন সতর্ক সংকেত এবং গণদুর্যোগ বার্তা''।
১৫.
'দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী' প্রণয়ন করা হয় কত সালে?
  1. ২০১৫ সালে
  2. ২০১৯ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০২০ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৯ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা:
⇒ বাংলাদেশ সরকারের 'দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী' প্রণয়ন করা হয় - ২০১৯ সাল। 

উল্লেখ্য
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা: বাংলাদেশে প্রায়শই ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, খরা, নদীভাঙন, শৈত্যপ্রবাহ ও বজ্রপাতসহ বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের মোকাবেলা করতে হয়।
- বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে দুর্যোগের তীব্রতাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই বাংলাদেশের জাতীয় নীতি, পরিকল্পনা, এবং বিভিন্ন কর্মসুচি প্রণয়নে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাকে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে।

অন্যদিকে
- বাংলাদেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় রয়েছে-
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন ২০১২,
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা ২০১৫, 
- জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা ২০২১-২৫,
- জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা - ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০।

উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৬.
গ্রীষ্মকালের শুরুতে নাতিশীতোষ্ণ মন্ডলে কোন ধরনের বৃষ্টিপাত হয়?
  1. পরিচলন বৃষ্টিপাত
  2. শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত
  3. গুড়ি গুড়ি বৃষ্টিপাত
  4. মুষলধারে বৃষ্টিপাত
সঠিক উত্তর:
পরিচলন বৃষ্টিপাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিচলন বৃষ্টিপাত
ব্যাখ্যা
পরিচলন বৃষ্টিপাত:
• নাতিশীতোষ্ণ মন্ডলে গ্রীষ্মকালের শুরুতে পরিচলন বৃষ্টি হয়ে থাকে। এ সময়ে এই অঞ্চলের ভূপৃষ্ঠ যথেষ্ট উত্তপ্ত হলেও উপরের বায়ুমণ্ডল বেশ শীতল থাকে। ফলে ভূপৃষ্ঠের জলাশয়গুলো থেকে পানি বাষ্পে পরিণত হয়ে সোজা উপরে উঠে যায় এবং শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে পরিচলন বৃষ্টিরূপে পতিত হয়।

উল্লেখ্য
 - ভূ-পৃষ্ঠের বায়ু উষ্ণ হলে প্রচুর জলীয়বাষ্প সম্পন্ন হালকা বায়ু উপরে উঠে যায়। এ সময়ে শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে ঐ জলীয়বাষ্প প্রথমে মেঘ ও পরে বৃষ্টিতে পরিণত হয়ে সোজা নিচে নেমে আসে। এই বৃষ্টিপাতকে বলা হয় পরিচলন বৃষ্টি।
- পরিচলন বৃষ্টিতে বায়ুর তাপ হ্রাস পেয়ে যখন অতিরিক্ত জলীয়বাষ্প ঘনীভূত হয় তখন এই ধরনের বৃষ্টিপাত ঘটায়। নিরক্ষীয় নিম্নচাপ এলাকায় পরিচলন বৃষ্টিপাত বেশি হয় কারণ এই সব এলাকার উর্ধ্বগামী বায়ুতে প্রচুর জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু থাকে।
-  নিরক্ষীয় এলাকায় স্থলভাগের থেকে জলভাগের বিস্তৃতি বেশি এবং এখানে লম্বভাবে সূর্যকিরণ পতিত হয়। এই অঞ্চলে হালকা জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু থাকে।
- হালকা জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু যখন শীতল বায়ুর সংস্পর্শে আসে তখন এই রকম পরিচলন বৃষ্টিপাত ঘটায়। নিরক্ষীয় অঞ্চলে প্রায় সারাবছরই সন্ধ্যা ও বিকালে এইরূপ বৃষ্টি হয়।  

অন্যদিকে,
⇒ বৃষ্টিপাতের শ্রেণিবিভাগ:
চারটি উপায়ে জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু ঊর্ধ্বে উত্থিত হয়ে বৃষ্টিপাত ঘটায় বলে একে চারটি শ্রেণীতে বিভক্ত করা যায়।
যথা -
১. পরিচলন বৃষ্টিপাত (Convectional Rain)
২. শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি (Orographic Rain)
৩. ঘূর্ণিবাত বৃষ্টি (Cyclonic Rain)
৪. সংঘর্ষ বৃষ্টি (Frontal Rain)

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
নিচের কোনটি মানবসৃষ্ট বন্যার কারণ?
  1. উজানে প্রচুর বৃষ্টি
  2. নদীর গভীরতা কম
  3. নদী অববাহিকায় ব্যাপক বৃক্ষ কর্তন
  4. হিমালয়ের বরফগলা পানিপ্রবাহ
সঠিক উত্তর:
নদী অববাহিকায় ব্যাপক বৃক্ষ কর্তন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নদী অববাহিকায় ব্যাপক বৃক্ষ কর্তন
ব্যাখ্যা
বন্যার কারণ (Causes of Flood):
•  মানবসৃষ্ট কারণ
(i) নদী অববাহিকায় ব্যাপক বৃক্ষ কর্তন। 
(ii) গঙ্গা নদীর উপর নির্মিত ফারাক্কা বাঁধ। 
(iii) অন্যান্য নদীতে নির্মিত বাঁধের প্রভাব।
(iv) অপরিকল্পিত নগরায়ণ।

অন্যদিকে
• প্রাকৃতিক কারণ
(i) উজানে 
প্রচুর বৃষ্টি।
(ii) ভৌগোলিক অবস্থান।
(iii) মৌসুমি জলবায়ুর প্রভাব।
(iv) নদীর গভীরতা কম।
(v) হিমালয়ের বরফগলা পানিপ্রবাহ। 
(vi) বঙ্গোপসাগরের তীব্র জোয়ার-ভাটা।
(vii) ভূমিকম্প।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১৮.
বৃষ্টিপাতকে কয় শ্রেণিতে ভাগ করা যায়?
  1. ২ শ্রেণিতে
  2. ৩ শ্রেণিতে
  3. ৪ শ্রেণিতে
  4. ৫ শ্রেণিতে
সঠিক উত্তর:
৪ শ্রেণিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ শ্রেণিতে
ব্যাখ্যা
বৃষ্টিপাতের শ্রেণিবিভাগ:
- চারটি উপায়ে জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু ঊর্ধ্বে উত্থিত হয়ে বৃষ্টিপাত ঘটায় বলে একে চারটি শ্রেণীতে বিভক্ত করা যায়।
যথা -
১. পরিচলন বৃষ্টিপাত (Convectional Rain)
২. শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি (Orographic Rain)
৩. ঘূর্ণিবাত বৃষ্টি (Cyclonic Rain)
৪. সংঘর্ষ বৃষ্টি (Frontal Rain)

উল্লেখ্য,
১) পরিচলন বৃষ্টি (Convectional Rain): দিনের বেলায় সূর্যের কিরণে পানি বাষ্পে পরিণত হয়ে সোজা উপরে উঠে যায় এবং শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে ঐ জলীয়বাষ্প প্রথমে মেঘ ও পরে বৃষ্টিতে নিনান হয়ে সোজাসুজি নিচে নেমে আসে। এরূপ বৃষ্টিপাতকে পরিচলন বৃষ্টি বলে।

(২) শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি (Orographic Rain): জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু স্থলভাগের উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় যদি গমনপথে কোনো উঁচু পর্বতশ্রেণিতে বাধা পায় তাহলে ঐ বায়ু উপরের দিকে উঠে যায়। তখন জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু ক্রমশ প্রসারিত হয় এবং পর্বতের উঁচু অংশে শীতল ও ঘনীভূত হয়ে পর্বতের প্রতিবাত ঢালে (Windward slope) বৃষ্টিপাত ঘটায়। এরূপ বৃষ্টিপাতকে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি বলে।

(৩) বায়ুপ্রাচীরজনিত বৃষ্টি (Frontal Rain): শীতল ও উষ্ণ বায়ু মুখোমুখি উপস্থিত হলে উষ্ণ বায়ু এবং শীতল বায়ু একে অপরের সঙ্গে মিশে না গিয়ে তাদের মধ্যবর্তী এলাকায় অদৃশ্য বায়ুপ্রাচীরের (Front) সৃষ্টি করে। বায়ুপ্রাচীর সংলগ্ন এলাকায় শীতল বায়ুর সংস্পর্শে উষ্ণ বায়ুর তাপমাত্রা হ্রাস পায় ফলে শিশিরাঙ্কের সৃষ্টি হয়। ফলে উভয় বায়ুর সংযোগস্থলে বৃষ্টিপাত ঘটে, একে বায়ুপ্রাচীরজনিত বৃষ্টি বলে। এ প্রকার বৃষ্টিপাত সাধারণত নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে দেখা যায়।

(৪) ঘূর্ণি বৃষ্টি (Cyclonic Rain): কোনো অঞ্চলে বায়ুমন্ডলে নিম্নচাপ কেন্দ্রের সৃষ্টি হলে জলভাগের উপর থেকে জলীয়বাষ্পপূর্ণ উষ্ণ এবং স্থলভাগের উপর থেকে শুষ্ক শীতল বায়ু ঐ একই নিম্নচাপ কেন্দ্রের দিকে অনুভূমিকভাবে ছুটে আসে। শীতল বায়ু ভারী বলে উষ্ণ বায়ু শীতল বায়ুর উপর ধীরে ধীরে উঠতে থাকে। জলভাগের উপর থেকে আসা উষ্ণ বায়ুতে প্রচুর জলীয়বাষ্প থাকে। ঐ বায়ু শীতল বায়ুর উপরে উঠলে তার ভিতরে জলীয়বাষ্প ঘনীভূত হয়ে বৃষ্টিপাত ঘটায়। এরূপ বৃষ্টিপাতকে ঘূর্ণি বৃষ্টি বলে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১৯.
অনাবৃষ্টি বা খরার প্রভাব কোনটি?
  1. অগ্নিকাণ্ডের উপদ্রব বেড়ে যায়।
  2. পরিবেশ রুক্ষ হয়ে ওঠে।
  3. উপদ্রুত অঞ্চলে পানির অভাব দেখা দেয়।
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
অনাবৃষ্টি বা খরার প্রভাব (Rainless or Impact of drought):
• আমাদের দেশে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে খরার প্রভাবে কৃষিজ ফসলের উৎপাদন কমে যায়।
• খাদ্যদ্রব্যের অভাব হওয়ায় দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়।
• উপদ্রুত অঞ্চলে পানির অভাব দেখা দেয়।
• প্রবল উত্তাপে বিভিন্ন ধরনের অসুখের প্রাদুর্ভাব ঘটে।
• পরিবেশ রুক্ষ হয়ে ওঠে।
•  অগ্নিকাণ্ডের উপদ্রব বেড়ে যায়।

উল্লেখ্য,
⇒ খরা (Drought):
দীর্ঘ সময় বৃষ্টি না হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে যে অবস্থা তাকে খরা বলে। অনেকদিন বৃষ্টিহীন অবস্থা থাকলে অথবা অপর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হলে মাটির আর্দ্রতা কমে যায়। সেই সঙ্গে মাটি তার স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য বা কোমলতা হারিয়ে রুক্ষরূপ গ্রহণ করে খরায় পরিণত হয়।

⇒ বৃষ্টিহীন ও খরাযুক্ত পরিবেশ মানুষ ও জীবজগতের স্বাভাবিক কাজকর্মের বিঘ্ন সৃষ্টি করে। বনজ সম্পদ বৃদ্ধি তথা অধিক বৃক্ষরোপণ করে এবং ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার কমিয়ে এ ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগকে কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। 

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২০.
নিচের কোনটি ভূমিকম্পের কারণ নয়?
  1. ভিত্তিশিলা চ্যুতি বা ফাটল বরাবর আকস্মিক ভূআলোড়ন হলে ভূমিকম্প হয়।
  2. আগ্নেয়গিরির লাভা প্রচন্ড শক্তিতে ভূঅভ্যন্তর থেকে বের হয়ে আসার সময়ও ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয়।
  3. ভূ-আলোড়নের ফলে ভূত্বকের কোনো স্থানে শিলা ধসে পড়লে বা শিলাচ্যুতি ঘটলে ভূমিকম্প হয়।
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটি নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্পের কারণ:
⇒  ভূমিকম্পের কারণ অনুসন্ধানকালে বিজ্ঞানীরা লক্ষ করেন পৃথিবীর বিশেষ কিছু এলাকায় ভূকম্পন বেশি হয়। এ সমস্ত এলাকায় নবীন পর্বতমালা অবস্থিত। পৃথিবীর ব্যবচ্ছেদে দেখা যায় যে ভূ-ত্বক ৮টি বড় বড় টুকরা এবং ৬টি আঞ্চলিক টুকরা দ্বারা বিভক্ত। এগুলো টেকটনিক প্লেট নামে পরিচিত।
- ভূ-পৃষ্ঠে যেসব কারণে ভূমিকম্প হয়ে থাকে তার মধ্যে অন্যতম হলো এই প্লেটগুলোর বিভিন্ন রকমের স্থানান্তর বা বিচ্যুতি।

এছাড়াও অন্য যেসব কারণে ভূমিকম্প হয়:
• ভিত্তিশিলা চ্যুতি বা ফাটল বরাবর আকস্মিক ভূআলোড়ন হলে ভূমিকম্প হয়।
• আগ্নেয়গিরির লাভা প্রচন্ড শক্তিতে ভূঅভ্যন্তর থেকে বের হয়ে আসার সময়ও ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয়।
• ভূত্বক তাপ বিকিরণ করে সংকুচিত হলে ভূ-নিম্নস্থ শিলাস্তরে ভারের সামঞ্জস্য রক্ষার্থে ফাটল ও ভাঁজের সৃষ্টির ফলে ভূকম্পন অনুভূত হয়।
• ভূ-আলোড়নের ফলে ভূত্বকের কোনো স্থানে শিলা ধসে পড়লে বা শিলাচ্যুতি ঘটলে ভূমিকম্প হয়।
• এছাড়াও পাশাপাশি অবস্থানরত দুটি প্লেটের একটি অপরটির সীমানা বরাবর তলদেশে ঢুকে পড়ে অথবা অনুভূমিকভাবে আগে-পিছে সরে যায়। এ ধরনের সংঘাতপূর্ণ পরিবেশে ভূমিকম্প সংঘটিত হয়।

⇒  উল্লেখিত প্রশ্নে চাওয়া হয়েভহে "নিচের কোনটি ভূমিকম্পের কারণ নয়?" এখানে 'ক' 'খ' 'গ' অপশনে তিনটাই ভূমিকম্পের কারণ দেওয়া আছে তাই সঠিক উত্তর 'ঘ'  "কোনটি নয়" হবে। 

তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
২১.
বন্যা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থায় সহজ প্রকৌশলগত ব্যবস্থাপনা নয় কোনটি?
  1. দেশের সর্বত্র বনায়ন সৃষ্টি করা।
  2. বন্যার পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন সাধন।
  3. শহর বেষ্টনীমূলক বাঁধ দেয়া।
  4. নদীর দু'তীরে বেড়িবাঁধ দিয়ে নদীর পানি উপচে পড়া বন্ধ করা।
সঠিক উত্তর:
বন্যার পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন সাধন।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বন্যার পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন সাধন।
ব্যাখ্যা
বন্যা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (Flood Control Measures):

⇒ সহজ প্রকৌশলগত ব্যবস্থাপনা (Easy engineering management)
(১) নদীর দু'তীরে বেড়িবাঁধ দিয়ে নদীর পানি উপচেপড়া বন্ধ করা।
(২) দেশের সর্বত্র বনায়ন সৃষ্টি করা।
(৩) রাস্তাঘাট নির্মাণের ক্ষেত্রে পরিকল্পিত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখা।
(৪) বন্যা প্রবল অঞ্চলে সর্বোচ্চ বন্যা লেভেলের উপরে 'আশ্রয়কেন্দ্র' প্রতিষ্ঠা করা।
(৫) শহর বেষ্টনীমূলক বাঁধ দেওয়া।

অন্যদিকে 
⇒ সাধারণ ব্যবস্থাপনা (General management)
(১) সহজে স্থানান্তরযোগ্য বসতি তৈরি করা।
(২) নদীর দু'তীরে ঘন জঙ্গল সৃষ্টি করা।
(৩) নদী-শাসন ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করা।
(৪) বন্যার পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন সাধন।
(৫) পুকুর, নালা, বিল প্রভৃতি খনন করা এবং সেচের পানি সংরক্ষণ করা।
(৬) প্রতি বছর বন্যা মোকাবেলার জন্য সরকারিভাবে স্থায়ী প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তোলা।

এছাড়াও
⇒ শ্রমসাধ্য ও ব্যয়বহুল প্রকৌশল ব্যবস্থাপনা (Labour intensive and expensive engineering management)
(১) ড্রেজারের মাধ্যমে নদীর তলদেশ খনন করে পানির পরিবহন ক্ষমতা বৃদ্ধি করা।
(২) সন্নিহিত স্থানে জলাধার নির্মাণের মাধ্যমে পানিপ্রবাহকে সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণ করা।
(৩) ভারত থেকে আসা পানিকে বাঁধের সাহায্যে নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন করা।
(৪) সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকার পানির অনুপ্রবেশ বন্ধ করা
(৫) নদী তীরকে স্থায়ী সুদৃঢ় কাঠামোর সাহায্যে সংরক্ষণ করা।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২২.
হিমশৈল কোথায় থাকে?
  1. উত্তর আটলান্টিক সমুদ্রস্রোতে
  2. শীতল সমুদ্রস্রোতে
  3. উষ্ণ সমুদ্রস্রোতে
  4. সমুদ্রের তলদেশে
সঠিক উত্তর:
শীতল সমুদ্রস্রোতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শীতল সমুদ্রস্রোতে
ব্যাখ্যা
হিমশৈল:
⇒ শীতল সমুদ্র স্রোতে ভেসে আসা বিশাল বরফ খন্ড হল হিমশৈল। 
- শীতল সমুদ্রস্রোতের সঙ্গে যেসব হিমশৈল (Iceberg) ভেসে আসে সেগুলোর কারণে জাহাজ চলাচলে বাধার সৃষ্টি হয়।
- অনেক সময় হিমশৈলের সঙ্গে ধাক্কা লেগে জাহাজডুবির ঘটনা ঘটে।
- যেমন- যুক্তরাজ্যের বিখ্যাত টাইটানিক জাহাজ ১৯১২ সালে প্রথম যাত্রাতেই হিমশৈলের সঙ্গে ধাক্কা লেগে সমুদ্রে ডুবে গিয়েছিল।

উল্লেখ্য
⇒ শীতল সমুদ্রস্রোত অপেক্ষা উষ্ণ সমুদ্রস্রোতে জাহাজ ও নৌচলাচলের সুবিধা বেশি।
- উত্তর আটলান্টিক সমুদ্রস্রোতের অনুকূলে পৃথিবীর মধ্যে সর্বাধিক জাহাজ যাতায়াত করে।
- শীতল স্রোতের গতিপথে তীব্র শীত ও হিমশৈলের জন্য জাহাজ চলাচলের অসুবিধা দেখা যায়। 

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২৩.
শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাতে কোন ঢালে বৃষ্টিপাত ঘটে?
  1. Leeward slope
  2. Windward slope
  3. Rain-shadow region
  4. A & B both
সঠিক উত্তর:
Windward slope
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Windward slope
ব্যাখ্যা
শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি (Orographic Rain):
- জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু স্থলভাগের উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় যদি গমনপথে কোনো উঁচু পর্বতশ্রেণিতে বাধা পায় তাহলে ঐ বায়ু উপরের দিকে উঠে যায়। তখন জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু ক্রমশ প্রসারিত হয় এবং পর্বতের উঁচু অংশে শীতল ও ঘনীভূত হয়ে পর্বতের প্রতিবাত ঢালে (Windward slope) বৃষ্টিপাত ঘটায়। এরূপ বৃষ্টিপাতকে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি বলে।

উল্লেখ্য
⇒ পর্বত অতিক্রম করে ঐ বায়ু যখন পর্বতের অপর পার্শ্বে অর্থাৎ অনুবাত ঢালে (Leeward slope) এসে পৌঁছায় তখন জলীয়বাষ্প কমে যায়। এছাড়া নিচে নামার ফলে ঐ বায়ু উষ্ণ ও আরও শুষ্ক হয়। এ দুটো কারণে এখানে বৃষ্টি বিশেষ হয় না। এরূপ প্রায় বৃষ্টিহীন স্থানকে বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল (Rain-shadow region) বলে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২৪.
জলীয় বাষ্পপূর্ণ বায়ু কোনো এলাকার উপর দিয়ে প্রবাহিত হলে সে এলাকায় _______।
  1. প্রচন্ড শীত অনুভূত হয়
  2. প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়
  3. চরমভাবাপন্ন জলবায়ুর থাকে
  4. মহাদেশীয় জলবায়ুর বিরাজ করে
সঠিক উত্তর:
প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়
ব্যাখ্যা
বায়ুপ্রবাহ (Wind movement):
- বায়ুপ্রবাহ কোনো এলাকার জলবায়ুর উপরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু কোনো এলাকার উপর দিয়ে প্রবাহিত হলে সে এলাকায় প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
- যেমন- বাংলাদেশে বর্ষাকালে প্রচুর জলীয়বাষ্পপূর্ণ মৌসুমি বায়ু প্রবাহিত হওয়ায় প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। আবার শীতকালে বাংলাদেশের উপর দিয়ে শুষ্ক মহাদেশীয় বায়ু প্রবাহিত হওয়ার কারণে বৃষ্টিপাত হয় না বললেই চলে।
 
উল্লেখ্য
⇒ জলবায়ুর নিয়ামক (Factors of Climate)
- পৃথিবীর সব অঞ্চলের জলবায়ু একই রকম নয়। এর কোনো অঞ্চল উষ্ণ এবং কোনো অঞ্চল শীতল।
- আবার কোনো স্থান বৃষ্টিবহুল এবং কোনো স্থান বৃষ্টিহীন।
- কিছু ভৌগোলিক বিষয়ের পার্থক্যের কারণে স্থানভেদে জলবায়ুর এরকম পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়।
- এই বিষয়গুলোকে জলবায়ুর নিয়ামক বলে।
- কিছু জলবায়ুর নিয়ামকের নাম হল-
- অক্ষাংশ (Latitude),
- উচ্চতা (Altitude),
- সমুদ্র থেকে দূরত্ব (Distance from the sea),
- বায়ুপ্রবাহ (Wind movement),
- সমুদ্রস্রোত (Ocean currents),
- পর্বতের অবস্থান (Location of the mountains),
- ভূমির ঢাল (Slope of the land),
- মৃত্তিকার গঠন (Composition of the soil),
- বনভূমির অবস্থান (Location of the forest) ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২৫.
প্রশ্নবোধক স্থানে কোন বর্ণ বসবে?
W, T, P, M, I, ?
  1. F
  2. E
  3. G
  4. D
সঠিক উত্তর:
F
উত্তর
সঠিক উত্তর:
F
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানে কোন বর্ণ বসবে?
W, T, P, M, I, ?

সমাধান:

W = 23, T = 20, P = 16, M = 13, I = 9, ?
এখানে,
23 - 20 = 3
20 - 16 = 4
16 - 13 = 3
13 - 9 = 4
প্রথমে পার্থক্য 3 তারপর পার্থক্য 4 এভাবে পুনরাবৃত্তি ঘটে বর্ণগুলো পিছনে যায়।

∴ প্রশ্নবোধক স্থানের বর্ণটি হবে 9 - 3 = 6 তম অবস্থানের বর্ণ। অর্থাৎ, F.
২৬.
প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যা বসবে?
  1. 192
  2. 24
  3. 25
  4. 75
সঠিক উত্তর:
25
উত্তর
সঠিক উত্তর:
25
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যা বসবে?

সমাধান:
বন্ধনীর বাহিরের প্রতিটি অংকের যোগফল হলো বন্ধনীর ভিতরের সংখ্যাটি। যেমন:
1 + 9 + 6 + 3 + 2 + 4 = 25

∴ 3 + 2 + 9 + 1 + 3 + 7 = 25
২৭.
১৮, ১০, ৬, ৪, ......... ধারাটির পরবর্তী সংখ্যা কত?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১৮, ১০, ৬, ৪, ......... ধারাটির পরবর্তী সংখ্যা কত?

সমাধান:
১৮ - ১০ = ৮ = ২
১০ - ৬ = ৪ = ২
৬ - ৪ = ২ = ২

∴ পরের সংখ্যা হবে = ৪ - ২ = ৪ - ১ = ৩
২৮.
নিচের সংখ্যা সিরিজের প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?
৩, ৫, ৯, ১১, ১৫, ১৭, ২১, ২৩, ?
  1. ২৬
  2. ২৯
  3. ২৭
  4. ৩০
সঠিক উত্তর:
২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের সংখ্যা সিরিজের প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?
৩, ৫, ৯, ১১, ১৫, ১৭, ২১, ২৩, ?

সমাধান:
নিচের সংখ্যা সিরিজের প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?
৩, ৫, ৯, ১১, ১৫, ১৭, ২১, ২৩, ?

এখানে,
বিজোড় স্থানীয় সংখ্যা ৩, ৯, ১৫, ২১, ?। প্রতিটি সংখ্যা পূর্ববর্তী সংখ্যার চেয়ে ৬ বেশি।

জোড় স্থানীয় সংখ্যা ৫, ১১, ১৭, ২৩। প্রতিটি সংখ্যা পূর্ববর্তী সংখ্যার চেয়ে ৬ বেশি।

'?' স্থানের সংখ্যাটি হবে বিজোড় স্থানীয়। যা ২১ এর চেয়ে ৬ বেশি অর্থাৎ, ২১ + ৬ = ২৭
২৯.
নিচের কোনটি বৃহত্তম সংখ্যা?
  1. ৩/৪
  2. ৬/৭
  3. ৪/৫
  4. ৭/৮
সঠিক উত্তর:
৭/৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭/৮
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোনটি বৃহত্তম সংখ্যা?

সমাধান:
৪, ৫, ৭, ৮ এর ল. সা. গু. = ২৮০

(৩/৪) × ২৮০ = ২১০
(৬/৭) × ২৮০ = ২৪০
(৪/৫) × ২৮০ = ২২৪
(৭/৮) × ২৮০ = ২৪৫

∴ ৭/৮ সংখ্যাটি বৃহত্তম। 
৩০.
পূর্বদিকে 6 কি.মি. হাঁটার পর মুহিবুল্লাহ বাম দিকে ঘুরে আরও ৫ কি.মি. হাঁটল। তারপর সে ২ বার বামদিকে ঘুরল যেখানে প্রতি দিক পরিবর্তনে ৪ কি.মি. হেঁটেছিল। এখন মুহিবুল্লাহ কোন দিকে মুখ করে আছে?
  1. পূর্ব দিকে
  2. পশ্চিম দিকে
  3. উত্তর দিকে
  4. দক্ষিণ দিকে
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ দিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ দিকে
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: পূর্বদিকে 6 কি.মি. হাঁটার পর মুহিবুল্লাহ বাম দিকে ঘুরে আরও ৫ কি.মি. হাঁটল। তারপর সে ২ বার বামদিকে ঘুরল যেখানে প্রতি দিক পরিবর্তনে ৪ কি.মি. হেঁটেছিল। এখন মুহিবুল্লাহ কোন দিকে মুখ করে আছে?

সমাধান:
 
প্রদত্ত তথ্যানু্যায়ী চিত্র অংকনে মাধ্যমে বুঝতে পারা যায় যে,
মুহিবুল্লাহ দক্ষিণ দিকে মুখ করে আছে
৩১.
৬ + ৫ এর (১/২) = কত?
  1. ৫.৫
  2. ৭.৫
  3. ৮.৫
সঠিক উত্তর:
৮.৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮.৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৬ + ৫ এর (১/২) = কত?

সমাধান:
৬ + ৫ এর (১/২) = ৬ + (৫/২)
= ৬ + ২.৫
= ৮.৫
৩২.
X শীটটি ডটেড লাইন বরাবর ভাঁজ করা হলে, কোনটির মত প্যাটার্ন তৈরি হবে?
  1. 1
  2. 2
  3. 3
  4. 4
সঠিক উত্তর:
1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: X শীটটি ডটেড লাইন বরাবর ভাঁজ করা হলে, কোনটির মত প্যাটার্ন তৈরি হবে?

 সমাধান:

1 নং প্যাটার্ন তৈরি হবে।
৩৩.
একটি সংখ্যার অর্ধেকের সাথে ৬ যোগ করলে যে সংখ্যা পাওয়া যায়, সেই সংখ্যাটির দ্বিগুণ থেকে ২৭ বিয়োগ করলেও একই সংখ্যা পাওয়া যায়। সংখ্যাটি কত?
  1. ২০
  2. ২১
  3. ২২
  4. ২৩
সঠিক উত্তর:
২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সংখ্যার অর্ধেকের সাথে ৬ যোগ করলে যে সংখ্যা পাওয়া যায়, সেই সংখ্যাটির দ্বিগুণ থেকে ২৭ বিয়োগ করলেও একই সংখ্যা পাওয়া যায়। সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
ধরি,
সংখ্যাটি = x
সংখ্যার অর্ধেক = x/২
সংখ্যার দ্বিগুণ = ২x

প্রশ্নমতে,
x/২ + ৬ = ২x - ২৭
⇒ x + ১২ = ৪x - ৫৪
⇒ ৩x = ৬৬
∴ x = ২২
৩৪.
নিচের কোনটি সমগোত্রীয় নয়?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোনটি সমগোত্রীয় নয়?

সমাধান:
১নং চিত্র হতে দেখা যায় যে, মধ্যবিন্দু হতে বর্ধিত রেখাংশ অংকিত হয়েছে। 
অন্যদিকে, অপরচিত্র গুলোতে শীর্ষবিন্দুগুলো থেকে ১টি করে বর্ধিত রেখাংশ অংকিত হয়েছে।
তাই,  ১নং চিত্রটি সমগোত্রীয় নয়।
৩৫.
ব্যতিক্রম সংখ্যা কোনটি?
  1. ১৭
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ব্যতিক্রম সংখ্যা কোনটি?

সমাধান:
৭, ৩, ১৭ সংখ্যাগুলো মৌলিক সংখ্যা। কিন্তু, ৯ মৌলিক সংখ্যা নয়।
তাই, ৯ ব্যতিক্রম সংখ্যা। 
৩৬.
নিচের চিত্রে কয়টি চতুর্ভুজ আছে?
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৮টি
  4. ৯টি
সঠিক উত্তর:
৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯টি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের চিত্রে কয়টি চতুর্ভুজ আছে?

সমাধান:

৯ টি চতুর্ভুজ হলো - ABCD, ABFE, EFCD, AGHD, GHCB, AGOE, GBFO, EOHD, OFCH.
৩৭.
OZODQ দ্বারা যদি PAPER বুঝায় তাহলে PENCIL বুঝাবে কোনটি?
  1. QFODJM
  2. OFOBHM
  3. ODMDJM
  4. ODMBHK
সঠিক উত্তর:
ODMBHK
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ODMBHK
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: OZODQ দ্বারা যদি PAPER বুঝায় তাহলে PENCIL বুঝাবে কোনটি?

সমাধান:

 OZODQ = PAPER
বর্ণমালার ক্রমে এক অক্ষর পূর্বের অক্ষরটি দিয়ে কোড লেখা হয়েছে। তাই ODMBHK দ্বারা PENCIL লেখা যাবে।
৩৮.
প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যা বসবে?
  1. 11
  2. 15
  3. 17
  4. 19
সঠিক উত্তর:
11
উত্তর
সঠিক উত্তর:
11
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যা বসবে?

সমাধান:
১ম সারিতে,
(৪/২) + (৯ × ২) = ২ + ১৮ = ২০

২য় সারিতে,
(৮/২) + (৫ × ২) = ৪ + ১০ = ১৪

৩য় সারিতে,
(১০/২) + (৩ × ২) = ৫ + ৬ = ১১
৩৯.
পাঁচ অংকের বৃহত্তম সংখ্যা এবং চার অংকের ক্ষুদ্রতম সংখ্যার অন্তরফল কত?
  1. ৯৮৯৯৯
  2. ৮৯৯৯৯
  3. ৯১৯৯৯
  4. ৮৯৮৮৮
সঠিক উত্তর:
৯৮৯৯৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৮৯৯৯
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: পাঁচ অংকের বৃহত্তম সংখ্যা এবং চার অংকের ক্ষুদ্রতম সংখ্যার অন্তরফল কত?

সমাধান: 
পাঁচ অংকের বৃহত্তম সংখ্যা = ৯৯৯৯৯
 চার অংকের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা = ১০০০

অন্তরফল  = ৯৯৯৯৯ - ১০০০ = ৯৮৯৯৯
৪০.
কোন সংখ্যার ৪০% এর সাথে ৪৫ যোগ করলে যোগফল যদি ঐ সংখ্যাটিই হয়, তাহলে সংখ্যাটির চারগুণ কত?
  1. ৭৫
  2. ১৫০
  3. ৩৪০
  4. ৩০০
সঠিক উত্তর:
৩০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন সংখ্যার ৪০% এর সাথে ৪৫ যোগ করলে যোগফল যদি ঐ সংখ্যাটিই হয়, তাহলে সংখ্যাটির চারগুণ কত?

সমাধান:
ধরি, সংখ্যাটি ক

ক এর ৪০% + ৪৫ = ক
⇒ ০.৪ক + ৪৫ = ক
⇒ ক - ০.৪ক = ৪৫
⇒ ০.৬ক = ৪৫
⇒ ক = ৪৫/০.৬
∴ ক = ৭৫

সংখ্যাটি ৭৫
সংখ্যাটির চারগুণ = (৭৫ × ৪)
= ৩০০