পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ - ২০২৫

পরীক্ষাপ্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ - ২০২৫তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন২৭
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৪২ বিষয়: সাধারণ জ্ঞান (কম্পিউটার ও তথ্য-প্রযুক্তি) টপিক: কম্পিউটার বিষয়ক মৌলিক তথ্য, তথ্য প্রযুক্তির মৌলিক বিষয়সমূহ। উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), যেকোনো ভালো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ - ২০২৫

প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ - ২০২৫ · তারিখ অনির্ধারিত · ২৭ প্রশ্ন

.
পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়ে কোন কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়?
  1. অ্যানালগ কম্পিউটার
  2. হাইব্রিড কম্পিউটার
  3. ডিজিটাল কম্পিউটার
  4. মাইক্রো কম্পিউটার
সঠিক উত্তর:
হাইব্রিড কম্পিউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইব্রিড কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

• বৈজ্ঞানিক গবেষণা, বিশেষ করে পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, মহাকাশ গবেষণা এবং জটিল রাসায়নিক প্রক্রিয়ার বিশ্লেষণে হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটার হলো অ্যানালগ ও ডিজিটাল কম্পিউটারের একটি সমন্বিত রূপ, যেখানে অ্যানালগ অংশ ডেটা সংগ্রহ করে এবং ডিজিটাল অংশ সেই ডেটা বিশ্লেষণ করে ফলাফল প্রদান করে।

• গঠন ও কাজের প্রকৃতি অনুসারে কম্পিউটারকে সাধারণত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. অ্যানালগ কম্পিউটার:
- যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে, সেসব কম্পিউটারকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলা হয়।

২. ডিজিটাল কম্পিউটার:
- যে সকল কম্পিউটার বাইনারি পদ্ধতিতে অর্থাৎ ডিজিটাল পদ্ধতিতে ক্রিয়া সম্পন্ন করে, সেসব কম্পিউটারকে ডিজিটাল কম্পিউটার বলা হয়।

৩. হাইব্রিড কম্পিউটার:
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি হওয়ায় কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়। যেমন- মিসাইল, সমরাস্ত্র, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
- বর্তমানে হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃৎযন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
যে ডেটা সিস্টেমে প্রেরক হতে ডেটা গ্রাহকের কাছে ক্যারেক্টার বাই ক্যারেক্টার ট্রান্সমিট হয় তাকে বলে-
  1. অ্যাসিনক্রোনাস
  2. সিনক্রোনাস
  3. আইসোক্রোনাস
  4. ইউনিকাস্ট
সঠিক উত্তর:
অ্যাসিনক্রোনাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাসিনক্রোনাস
ব্যাখ্যা

• যে পদ্ধতিতে প্রেরক কম্পিউটার হতে ডেটা গ্রাহক কম্পিউটারে ক্যারেক্টার বাই ক্যারেক্টার (Character by Character) ট্রান্সমিট হয়, তাকে অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন বলা হয়। এই পদ্ধতিতে ডেটা স্থানান্তরের জন্য কোনো প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইসের প্রয়োজন হয় না।

• অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন:
- যে ট্রান্সমিশন সিস্টেম ক্যারেক্টার বাই-ক্যারেক্টার-ডাটা ট্রান্সমিট করে তাকে অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন সিস্টেম বলে।
- প্রেরক স্টেশনের প্রাইমারি স্টোরেজের প্রয়োজন হয় না।
- এখানে ক্যারেক্টারের মাঝে টাইম ইন্টারভেল বা বিরতি সমান হয় না।
- ট্রান্সমিশনের দক্ষতা তুলনামূলক কম।
- ট্রান্সমিশনের গতি কম।
- এই ট্রান্সমিশনে স্টার্ট বিট বা স্টপ বিট এর প্রয়োজন হয়।
- কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডাটা স্থানান্তর অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনের উদাহরণ।

• সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Synchronous Transmission):
- যে পদ্ধতিতে প্রথমে স্টেশনের প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইসে ডেটাকে সংরক্ষণ করা হয় এবং ডেটার ক্যারেক্টারসমূহকে ব্লক আকারে ভাগ করে সমান বিরতিতে প্রতিবারে একটি করে ব্লক ট্রান্সমিট করা হয়, তাকে সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন বলে। যেমন- কম্পিউটারব থেকে কম্পিউটারে ডাটা স্থানান্তর।

• আইসোক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Isochronous Transmission):
- যে পদ্ধতিতে প্রেরক ও প্রাপক স্টেশনের মধ্যে ডেটা ট্রান্সমিশনের সময় একই অর্থাৎ কোনো প্রকার দেরি ছাড়া একক সময়ে সমস্ত ডেটা ব্লক বা প্যাকেট ট্রান্সফার করা হয়, তাকে আইসোক্রোনাস ট্রান্সমিশন মেথড বলে। যেমন- অডিও বা ভিডিও কল এর ক্ষেত্রে এই পদ্ধতিতে ডেটা ট্রান্সমিশন হয়ে থাকে।

• ইউনিকাস্ট (Unicast): 
- এটি কোনো ডেটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতি (Method) নয়, বরং এটি একটি ট্রান্সমিশন মোড (Mode)।
- ইউনিকাস্ট মানে হলো একজন প্রেরক থেকে একজন নির্দিষ্ট প্রাপকের কাছে ডেটা পাঠানো। এটি ডেটা পাঠানোর একক (ক্যারেক্টার বা ব্লক) নির্ধারণ করে না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

.
নিচের কোনটি ওয়েব ব্রাউজার নয়?
  1. Microsoft Edge
  2. Baidu
  3. Safari
  4. Opera
সঠিক উত্তর:
Baidu
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Baidu
ব্যাখ্যা

• Baidu কোনো ওয়েব ব্রাউজার নয়; এটি চীনের সবচাইতে জনপ্রিয় একটি সার্চ ইঞ্জিন (Search Engine)। এটি অনেকটা গুগল বা বিং-এর মতো কাজ করে।
- ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি বিশেষ সফটওয়্যার, যা ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানে ব্যবহৃত হয়।   
- ওয়েব  ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা যেতে পারে। 
-ক্রোম হলো প্রধান আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি Google Inc. দ্বারা প্রকাশিত একটি ইন্টারনেট ব্রাউজার।
-২০১৩ সাল নাগাদ ক্রোম প্রভাবশালী ব্রাউজারে পরিণত হয়েছিল, জনপ্রিয়তায় মাইক্রোসফটের ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার এবং মজিলার ফায়ারফক্সকে ছাড়িয়ে যায়।

• কিছু জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজারের নাম- 
- Google Chrome,
- Mozilla Firefox,
- Safari,
- Opera,
- Microsoft Edge,
- Maxthon, 
- Brave,
- UC Browser.

উৎস: ব্রিটানিকা।

.
(195)10 সংখ্যাটির অক্টাল সংখ্যা কোনটি?
  1. (301)8
  2. (303)8
  3. (308)8
  4. (312)8
সঠিক উত্তর:
(303)8
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(303)8
ব্যাখ্যা

• পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর:
১। দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যার বেজ ৮ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
২। ভাগফলকে পুনরায় ৮ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
৩। এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাগফল ০ হয়।
৪। সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে শুরু বা সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ অংক (MSD-Most Significant Digit) থেকে সর্বনিম্ন গুরুত্বপূর্ণের অংক (LSD-Least Significant Digit) পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে লিখলে সংখ্যাটির সমকক্ষ অক্টাল মান পাওয়া যাবে।

 
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
কোনটি সহায়ক মেমোরির অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. Hard Disk
  2. Flash Memory
  3. Optical Disk
  4. RAM
সঠিক উত্তর:
RAM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
RAM
ব্যাখ্যা

• RAM (Random Access Memory) একটি ভোলাটাইল মেমোরি।
- কম্পিউটার বন্ধ করলে বা বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হলে RAM-এ থাকা সমস্ত ডেটা মুছে যায়।
- এটি সিপিইউ (CPU) দ্বারা দ্রুত ডেটা অ্যাক্সেসের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং কম্পিউটার চলাকালীন অস্থায়ীভাবে ডেটা ও প্রোগ্রাম সংরক্ষণ করে।

• ভোলাটাইল মেমোরি:
- যে সকল মেমরিতে সংরক্ষিত ডাটা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে মুছে. যায় তাকে ভোলাটাইল মেমরি বলে।

• RAM:
- RAM-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Random Access Memory.
- র‍্যামে অত্যন্ত সহজে তথ্য সংরক্ষণ করা যায় এবং প্রয়োজনে তথ্য মুছে ফেলা যায়। তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র‍্যামে সম্পাদন করা যায়।
- কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র‍্যাম স্মৃতিতে চলে আসে।
- কিন্তু বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়। তাই একে ভোলাটাইল স্মৃতি বা অস্থায়ী স্মৃতিও বলা হয়।

অন্যদিকে,
• Flash Memory: নন-ভোলাটাইল, বিদ্যুৎ বন্ধ হলেও তথ্য সংরক্ষণ করে। এটি USB ড্রাইভ ও SSD-তে ব্যবহৃত হয়।
• Optical Disk: নন-ভোলাটাইল সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস (যেমন CD, DVD, Blu-ray)। ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হয় এবং বিদ্যুৎ চলে গেলেও তা অক্ষত থাকে।
• Hard Disk: একটি নন-ভোলাটাইল স্টোরেজ ডিভাইস, যেখানে চুম্বকীয় প্রযুক্তি দিয়ে তথ্য সংরক্ষণ করা হয়।

উৎস:
১।মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

.
Wifi এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড কোনটি?
  1. IEEE 802.3
  2. IEEE 802.11
  3. IEEE 802.16 
  4. IEEE 802.15
সঠিক উত্তর:
IEEE 802.11
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IEEE 802.11
ব্যাখ্যা

• ওয়াই-ফাই (Wi-Fi) বা ওয়্যারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WLAN) এর জন্য নির্ধারিত আন্তর্জাতিক মান বা স্ট্যান্ডার্ড হলো IEEE 802.11 ।
- এটি রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে স্বল্প দূরত্বের মধ্যে উচ্চগতিসম্পন্ন ডেটা আদান-প্রদান নিশ্চিত করে।

• Wi-fi: 
- Wi-fi এর পূর্ণরূপ হলো Wireless Fidelity.
- Wi-fi হলো একটি জনপ্রিয় তারবিহীন প্রযুক্তি যা উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগসমূহ সরবরাহ করে থাকে রেডিও ওয়েভ ব্যবহাররের মাধ্যমে।
- ওয়াই-ফাই সাধারণত 2.4 থেকে 5 GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি Wi-fi Alliance এর একটি ট্রেডমার্ক এবং IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহারকারী পণ্যসমূহের একটি ব্র্যান্ড নাম।
- ভিক্টর ভিক হেরেসকে ওয়াই-ফাই এর জনক বলা হয়। 
- ওয়াই-ফাই এর ডাটা ট্রান্সমিশনে এ হাফ ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহৃত হয়। 
- কাভারেজ ঘরের ভিতর ৩৩ মিটার এবং বাইরে প্রায় ১০০ মিটার জুড়ে হয়ে থাকে।

উল্লেখ্য-
- WiMAX এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড 802.16 ;
- Bluetooth এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড 802.15 ;
- ইথারনেট (Ethernet) বা তারযুক্ত ল্যান (LAN) এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড 802.3 ।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি , প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
'মডিফায়ার কী'-এর উদাহরণ কোনটি?
  1. Insert
  2. Alt
  3. F12
  4. Caps Lock
সঠিক উত্তর:
Alt
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Alt
ব্যাখ্যা

• কী-বোর্ডে মূলত তিনটি কী-কে মডিফায়ার কী হিসেবে গণ্য করা হয়। এগুলো হলো Ctrl (Control), Alt (Alternate) এবং Shift। যেহেতু এগুলো অন্য কী-এর সাথে মিলে বিশেষ ফাংশন তৈরি করে, তাই এগুলোকে মডিফায়ার কী বলা হয়।

• কী-বোর্ড:
- কম্পিউটারে বিভিন্ন তথ্য বা নির্দেশনা প্রদান, প্রচলিত ভাষায় বর্ণ, অংক বা বিশেষ চিহ্ন প্রদান করার অন্যতম মাধ্যম হিসেবে কী-বোর্ড ব্যবহৃত হয়।
- বর্তমানে কী-বোর্ডের মাল্টিমিডিয়া, উইন্ডোজ ও ওয়েব কী-গুলো ব্যবহার করে কম্পিউটারকে সরাসরি মাল্টিমিডিয়া, উইন্ডোজ ও ওয়েব ব্রাউজিং সম্পর্কে নির্দেশ প্রদান করা যায়।
- সাধারণত দুই ধরনের কী-বোর্ড পাওয়া যায়। যথা: ১. স্ট্যান্ডার্ড কী-বোর্ড ও ২. এনহ্যান্সড কী-বোর্ড।

• ফাংশন কী:
- কী-বোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F1, F2, .... F12 নম্বরযুক্ত কীগুলোকে ফাংশন কী বলা হয়।

• নেভিগেশন কী:
- কী-বোর্ডের Delete, Insert, Home, End, Page Up, Page Down, Arros Keys সমূহ নেভিগেশন কী নামে পরিচিত। নেভিগেশন কী ১০টি রয়েছে।

• মডিফায়ার কী:
- Ctrl, Alt, Shift, Windows logo key.

• নিউম্যারিক কী:
- নাম্বার 0 থেকে 9, Arithmetic operators: + (addition), - (subtraction), * (multiplication), and / (division) ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং Microsoft website.

.
নিচের কোন মেমোরিতে সবচেয়ে দ্রুত অ্যাক্সেস করা যায়?
  1. Optical Disk
  2. RAM 
  3. Cache
  4. Flash Drive
সঠিক উত্তর:
Cache
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cache
ব্যাখ্যা

• ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory) হলো কম্পিউটারের সবচেয়ে দ্রুততম মেমোরি। এটি সিপিইউ (CPU) এবং প্রধান মেমোরির (RAM) মাঝখানে অবস্থান করে ডেটা আদান-প্রদানের গতি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

• Memory:
- মেমোরি তৈরির মূল, ধারণক্ষমতা এবং অ্যাক্সেস টাইম বিষয়গুলোর ওপর ভিত্তি করে কম্পিউটারে ব্যবহৃত মেমোরি রেজিস্টার থেকে শুরু করে অপটিক্যাল ডিস্ক পর্যন্ত স্মৃতিগুলোকে বিভিন্ন ক্রমে বা পর্যায়ে ভাগ করা যেতে পারে।
- CD, RAM, Hard Disk এর চেয়ে Cache Memory তে সবচেয়ে দ্রুত অ্যাক্সেস করা যায়।

• Cache Memory:
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে Cache Memory বলা হয়।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য Cache Memory ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

.
নিচের কোনটি প্রোগ্রামিং ভাষা নয়?
  1. Java
  2. Python
  3. HTML
  4. Ruby
সঠিক উত্তর:
HTML
উত্তর
সঠিক উত্তর:
HTML
ব্যাখ্যা

• HTML একটি প্রোগ্রামিং ভাষা নয়; এটি মূলত একটি Markup Language (মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজ), যা ওয়েব পেজের গঠন বা কাঠামো তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়।

• প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ:
- কম্পিউটার সিস্টেমে প্রোগ্রাম রচনার জন্য ব্যবহৃত শব্দ, বর্ণ, অঙ্ক, সংকেত এবং এগুলো বিন্যাসের নিয়মগুলোকে একত্রে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বলা হয়।
- বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
1. Machine Language,
2. Assembly Language,
3. High Level Language,
4. Very High Level Language and
5. Natural Language

• জাভা (Java):
- জাভা (Java) একটি হাই লেভেল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।
- ১৯৯১ সালে সান মাইক্রো সিস্টেম জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের সূচনা করে।
- ১৯৯৫ সালে জেমস গসলিং জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ উদ্ভাবন করে।

• পাইথন (Python):
- পাইথন(Python) একটি হাই লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।
- ১৯৮৯ সালে ভ্যান রোসাম পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ উদ্ভাবন করে।

• C#:
- C# একটি অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড, কম্পোনেন্ট-ভিত্তিক প্রোগ্রামিং ভাষা।

• Ruby:
- Ruby একটি ডাইনামিক এবং ওপেন সোর্স প্রোগ্রামিং ভাষা, যা ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২) সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

১০.
অপ্রয়োজনীয় ও অনাকাঙ্ক্ষিত বার্তা ইমেইল বা মেসেজের মাধ্যমে পাঠানোর বিষয়টিকে কী বলা হয়?
  1. Spamming
  2. Spoofing
  3. Sniffing
  4. Phishing
সঠিক উত্তর:
Spamming
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Spamming
ব্যাখ্যা

• ইন্টারনেটে যখন কোনো বাণিজ্যিক প্রচার বা বিজ্ঞাপনের উদ্দেশ্যে বিপুল পরিমাণ ইমেইল বা মেসেজ ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়াই পাঠানো হয়, তাকে Spamming বলে।
- স্প্যামিং মূলত ব্যবহারকারীকে বিরক্ত করে এবং সিস্টেমের ব্যান্ডউইথ অপচয় করে। তাই ব্যবহারকারীদের স্প্যাম চিহ্নিত করা ও সতর্ক থাকা জরুরি।

• বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ: 
• ফ্রেকিং (Phreaking): 
- বিভিন্ন টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমকে হ্যাক করে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে ফ্রেকিং বলে। 

• হ্যাকিং (Hacking): 
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক, ডেটার উপর অননুমোদিতভাবে অধিকার (Access) লাভ করার উপায়কে হ্যাকিং বলে। 
- যে সব ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গ এ ধরনের কর্মে/ অপকর্মের সাথে জড়িত থাকে তাদের হ্যাকার বলে। 

• ফিশিং (Phishing): 
- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা। 

• ভিশিং (Vishing): 
- মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়। 

• স্প্যামিং (Spamming): 
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। 
- এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়। 

• স্নিফিং (Sniffing): 
- ট্রান্সমিশন লাইন দিয়ে তথ্য যাওয়ার সময় হাতিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় স্নিফিং। 

• স্পুফিং (Spoofing): 
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে। 

• স্নিকিং (Sneaking): 
- গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে। 

• প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism): 
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকেই প্লেজিয়ারিজম বলে। 
- কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোন সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করারই হল প্লেজিয়ারিজম। 

উৎস: 
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

১১.
SQL এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Sequential Query Language
  2. Standard Query Language
  3. Structured Query Language
  4. Static Query Language
সঠিক উত্তর:
Structured Query Language
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Structured Query Language
ব্যাখ্যা

• SQL:
- SQL এর পূর্ণরূপ Structured Query Language.
- এটি একটি অনন্য শক্তিশালী ডাটা মেনিপুলেশন ও ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ।
- রিলেশনাল ডাটাবেজ এ্যাকসেস করার জন্য SQL হচ্ছে একটি হাতিয়ার।
- অতীতে SQL কেবল মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হতো।
- বর্তমানে ডেস্কটপ কম্পিউটারেও রিলেশনাল ডাটাবেজ প্লাটফর্ম ব্যবহৃত হওয়ার ফলে SQL ব্যবহার শুরু হয়েছে।
- এগুলো এক বা একাধিক ডাটাবেজ, টেবিল, কলাম ইনডেক্স ইত্যাদিতে প্রয়োগ করা যায়।
- অধিকাংশ SQL স্টেটমেন্টই ফলাফল হিসেবে এক সেট রেকর্ড প্রদান করে।
- ১৯৭৪ সালে IBM (International Business Machine) এর Research Center এ SQL তৈরি করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১২.
IPv6 এর কয় বিটের অ্যাড্রেস থাকে?
  1. 32 বিট
  2. 128 বিট
  3. 256 বিট
  4. 1024 বিট
সঠিক উত্তর:
128 বিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
128 বিট
ব্যাখ্যা

• ইন্টারনেট প্রোটোকল ভার্সন 6 (IPv6) হলো ইন্টারনেটে যুক্ত ডিভাইসের জন্য ব্যবহৃত ঠিকানার একটি আধুনিক সংস্করণ। এটি 128 বিট দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট একটি অ্যাড্রেস পদ্ধতি। এটি মূলত IPv4 (32 বিট) এর তুলনায় অনেক বেশি আইপি অ্যাড্রেস প্রদান করতে সক্ষম।

• IP Address: 
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রতিটি ডিভাইসের জন্য একটি পরিচিতি বা আইডেন্টিটি থাকে যাকে IP (Internet Protocol) Address বলে।

প্রতিটি IP Address এর দু'টি অংশ থাকে :
i) NetID (Network ID),
ii) HostID (Host ID).

IP Address এর দুটি ভার্সন আছে :

1) IPv4: 
- এই ভার্সনে অ্যাড্রেস প্রকাশ করার জন্য মোট 4 টি অকটেট থাকে।
- প্রতিটি অকটেট 8 বিটের বাইনারি সংখ্যা।
- প্রতিটি অকটেট ডট (.) দ্বারা আলাদা করা থাকে। যেমন: 11110000.01010110.11100010.01011100
- মোট 32 বিটের বাইনারির অ্যাড্রেস থাকে।
- এই ভার্সনের সাহায্যে 232 টি ডিভাইসকে অদ্বিতীয় পরচিতি দেয়া যায় ৷

2) IPV6:
- এই ভার্সনে অ্যাড্রেস প্রকাশ করার জন্য মোট 8 টি ভাগ থাকে।
- প্রতিটি ভাগে 16 বিটের বাইনারি সংখ্যা।
- প্রতিটি ভাগ ডট (.) দ্বারা আলাদা করা থাকে।
- মোট 128 বিটের বাইনারির অ্যাড্রেস থাকে।
 - এই ভার্সনের সাহায্যে 2128 টি ডিভাইসকে অদ্বিতীয় পরচিতি দেয়া যায়।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিকের ICT বই, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৩.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি কোন ভিত্তির উপর তৈরি?
  1. ডেটা প্রসেসিং ও অটোমেশন
  2. কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্ব
  3. কম্পিউটার প্রযুক্তি ও ক্লাউড স্টোরেজ
  4. অ্যানিমেশন ও মেকানিক্স
সঠিক উত্তর:
কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্ব
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্ব হলো ভার্চুয়াল রিয়েলিটির (VR) মূল ভিত্তি, কারণ শক্তিশালী কম্পিউটারের মাধ্যমে কৃত্রিম পরিবেশ তৈরি এবং সিমুলেশনের মাধ্যমে সেটিকে বাস্তব মনে করানো হয়।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR):
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) হলো কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত একটি কল্পনাপ্রসূত পরিবেশ, যা ব্যবহারকারীর কাছে বাস্তব মনে হয়।
- প্রযুক্তির ব্যবহার:
- ত্রিমাত্রিক (3D) ইমেজ তৈরি করে।
- ব্যবহারকারী যেন সেই পরিবেশে আছেন এমন অনুভূতি দেয়।

• ব্যবহৃত সফটওয়্যার:
- Vizard,
- VRToolKit,
- 3D Studio Max,
- Maya.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।ো

১৪.
ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায় কোনটি?
  1. INTRANET
  2. ETHERNET
  3. TCP/IP
  4. ARPANET
সঠিক উত্তর:
ARPANET
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ARPANET
ব্যাখ্যা

• ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায় হলো ARPANET (Advanced Research Projects Agency Network)। ১৯৬৯ সালে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পরীক্ষামূলকভাবে এটি চালু করে, যা পরবর্তীকালে আজকের বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত ইন্টারনেটে রূপান্তরিত হয়েছে।

• ARPANET:
- ARPANET এর পূর্ণরূপ হলো ‘Advanced Research Projects Agency Network’ 
- ১৯৬৯ সালের ARPANET ছিলো ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায়।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১৯৬৯ সালে ARPANET এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালে TCP/IP উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।

অন্যান্য অপশন:
- INTRANET: এটি কোনো প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ একান্ত ব্যক্তিগত নেটওয়ার্ক। এটি ইন্টারনেটের শুরুর অনেক পরে প্রাতিষ্ঠানিক প্রয়োজনে তৈরি হয়েছে।
- ETHERNET: এটি লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN) তৈরির একটি তারযুক্ত প্রযুক্তি (IEEE 802.3), যা দিয়ে কম্পিউটারগুলো একে অপরের সাথে সংযুক্ত হয়।
- TCP/IP: এটি হলো ইন্টারনেটে যোগাযোগের জন্য একগুচ্ছ প্রোটোকল বা নিয়মাবলি। এটি কোনো নেটওয়ার্কের নাম নয়, বরং নেটওয়ার্ক চালানোর মাধ্যম।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, ব্রিটানিকা।

১৫.
কম্পিউটারের নিজস্ব ভাষা বলা হয় কোনটিকে?
  1. মেশিন ভাষা
  2. ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ
  3. অ্যাসেম্বলি ভাষা
  4. অতি উচ্চ স্তরের ভাষা
সঠিক উত্তর:
মেশিন ভাষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেশিন ভাষা
ব্যাখ্যা

• মেশিন ভাষা:
- কম্পিউটারে সবচেয়ে নিচের স্তরের ভাষা হলো মেশিন ভাষা।
- কম্পিউটারের নিজস্ব ভাষাকে মেশিন ভাষা বা নিম্নস্তরের ভাষা বলা হয়।
- কম্পিউটারের মৌলিক ভাষা হলো এই নিম্নস্তরের ভাষা।
- এ ভাষায় বাইনারি সংখ্যা (1) এবং (0) অথবা হেক্সাডেসিম্যাল পদ্ধতি ব্যবহার করে সবকিছু লেখা হয়।
- কম্পিউটার শুধুমাত্র মেশিন ভাষাই বুঝতে পারে।
- কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ কার্যনির্বাহের জন্য বিদ্যুৎ তরঙ্গের পারস্পরিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার সাথে মেশিনের ভাষার সরাসরি মিল রয়েছে।

• মেশিন ভাষার সুবিধা:
১। এই ভাষা দিয়ে সরাসরি মেমোরি অ্যাড্রেসের সাথে সংযোগ সাধন সম্ভব।
২। সবচেয়ে কম পরিমাণ লজিক ও কম মেমোরিতে এই ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম নির্বাহ করা যায়।
৩। এ ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম নির্বাহের জন্য অনুবাদক প্রোগ্রাম দরকার হয় না।
৪। মেশিন ভাষা অন্যান্য ভাষা থেকে দ্রুত কাজ করে।

• মেশিন ভাষার অসুবিধা:
১। এই ভাষায় প্রোগ্রাম লেখা অত্যন্ত ক্লান্তিকর ও সময়সাপেক্ষ।
২। এক ধরনের মেশিনের জন্য লিখিত প্রোগ্রাম অন্য ধরনের মেশিনে ব্যবহার করা যায় না।
৩। মেশিন ভাষায় প্রোগ্রাম লিখতে দক্ষ প্রোগ্রামার প্রয়োজন।
৪। প্রোগ্রামের ভুল-ত্রুটি সনাক্ত ও সংশোধন কষ্টসাধ্য।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬.
কম্পিউটারে সর্বশেষ সম্পাদিত কাজ বাতিল করার বা পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরে যাওয়ার শর্টকাট কমান্ড কোনটি?
  1. Shift + Z
  2. Ctrl + X
  3. Ctrl + S
  4. Ctrl + Z
সঠিক উত্তর:
Ctrl + Z
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ctrl + Z
ব্যাখ্যা

• Ctrl + Z হলো কম্পিউটারে সর্বশেষ সম্পাদিত কাজ বাতিল করার বা পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরে যাওয়ার (Undo) শর্টকাট কমান্ড।

• গুরুত্বপূর্ণ কিছু কমান্ড:
Ctrl + O: Open a document.
Ctrl + N: Create a new document.
Ctrl + S: Save the document.
Ctrl + W: Close the document.
Ctrl + C: Copy the selected content to the Clipboard.

Ctrl + V: Paste the contents of the Clipboard.
Ctrl + B: Apply bold formatting to text.
Ctrl + I: Apply italic formatting to text.
Ctrl + U: Apply underline formatting to text.
Ctrl + E: Center the text.
Ctrl + L: Align the text to the left.
Ctrl + R: Align the text to the right.
Esc: Cancel a command.
Ctrl + Z: Undo the previous action.
Ctrl + Y: Redo the previous action, if possible.
Alt + W: Adjust the zoom magnification.

Source: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।

১৭.
ভ্যাকুয়াম টিউবের স্থলে ট্রানজিস্টরের ব্যবহার শুরু হয় কোন প্রজন্মের কম্পিউটারে?
  1. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  2. তৃতীয় প্রজন্ম
  3. চতুর্থ প্রজন্ম
  4. পঞ্চম প্রজন্ম
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় প্রজন্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় প্রজন্ম
ব্যাখ্যা

• দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারে ভ্যাকুয়াম টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্টর ব্যবহার শুরু হয়, যা কম্পিউটারকে আকারে ছোট এবং অধিক নির্ভরযোগ্য করে তোলে।

• দ্বিতীয় প্রজন্ম:
- ১৯৬০ থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত সময় কালকে কম্পিউটারের দ্বিতীয় প্রজন্ম বলে ধরা হয়।
- ১৯৬৪ সালে এ প্রজন্মের IBM 1620 কম্পিউটার দিয়ে বাংলাদেশে কম্পিউটারের ব্যবহার শুরু হয়।

• দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ:
- IBM 1401, CDC 1604, RCA 301, RCA 501, BCR 300, GE 200, Honey well 200, 1600 IBM 1620 ইত্যাদি।

• দ্বিতীয় প্রজন্মে কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- ম্যাগনেটিক কোর মেমরির ব্যবহার।
- ভ্যাকুয়াম টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্টরের ব্যবহার।
- আকৃতির সংকোচন ও অধিক নির্ভরযোগ্যতা।
- উচ্চগতিসম্পন্ন ও উন্নতমানের ইনপুট-আউটপুট ব্যবস্থার প্রচলন।
- অপেক্ষাকৃত বেশি তথ্য ধারণক্ষমতা।

এছাড়াও,
- তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার:
- তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার ছিলো সিলিকন চিপ ভিত্তিক ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট বা IC বেজড ৷

- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার:
- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করে তৈরি করা হতো।

- পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটার:
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার।
- অধিক সমৃদ্ধশালী মাইক্রো প্রসেসরের ব্যবহার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৮.
একাধিক ফিল্ড প্রাইমারি কী হিসেবে ব্যবহৃত হলে তাকে কী বলা হয়?
  1. ফরেন কী
  2. সেকেন্ডারি কী
  3. কম্পোজিট প্রাইমারি কী
  4. অল্টারনেট কী
সঠিক উত্তর:
কম্পোজিট প্রাইমারি কী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কম্পোজিট প্রাইমারি কী
ব্যাখ্যা

• ডাটাবেজ টেবিলের কোনো রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করার জন্য যখন একাধিক ফিল্ডের সমন্বয়ে একটি কী গঠন করা হয়, তখন তাকে কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key) বলা হয়।
 
• কী-ফিল্ড:
যে ফিল্ড এর উপর ভিত্তি করে ডাটাবেজ এর ডেটা শনাক্ত, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজ করা হয়, তাকে কী-ফিল্ড বলে।
- ডেটাবেজ সিস্টেমে কী ফিল্ড প্রধানত ৩ প্রকার।
যথা -
• প্রাইমারি কী,
• কম্পোজিট কী এবং
• ফরেন কী।

১. প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোন একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়তাবে (Unique) সনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী (Key) বলে।
- প্রাইমারি কী এর সাহায্যে একাধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে রিলেশনাল ডেটাবেজ তৈরি করা হয়।

২. ফরেন কী:
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী-কে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কী'র সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

৩. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যখন কোন ডেটাবেজ ফাইলে কোন সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী থাকে না, সেসব ক্ষেত্রে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী ফিল্ড হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- এ ধরনের প্রাইমারি কী ফিল্ডকে বলা হয় কম্পোজিট প্রাইমারি কী ফিল্ড।

উল্লেখ্য:
- সেকেন্ডারি কী: ডাটাবেজে রেকর্ড খোঁজার বা সার্চ করার কাজ সহজ করার জন্য যে ফিল্ড ব্যবহার করা হয় তাকে সেকেন্ডারি কী বলে।
- অল্টারনেট কী: ক্যান্ডিডেট কীগুলোর মধ্যে থেকে প্রাইমারি কী নির্বাচন করার পর বাকি কীগুলোকে অল্টারনেট কী বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৯.
সার্বজনীন গেইট কোনটি?
  1. OR Gate
  2. XOR Gate
  3. AND Gate
  4. NOR Gate
সঠিক উত্তর:
NOR Gate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NOR Gate
ব্যাখ্যা

• NOR Gate হলো একটি সার্বজনীন গেইট (Universal Gate), কারণ এই গেইট ব্যবহার করে অন্য সকল মৌলিক গেইট (AND, OR, NOT) তৈরি করা সম্ভব।

• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

• মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা-
১। অর গেইট (OR Gate),
২। অ্যান্ড গেইট (AND Gate) ও
৩। নট গেইট (NOT Gate).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২০.
নিচের কোনটি একটি RDBMS সফটওয়্যার নয়?
  1. Microsoft Access
  2. MySQL
  3. Linux
  4. Informix
সঠিক উত্তর:
Linux
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Linux
ব্যাখ্যা

• Linux হলো একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম, যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার পরিচালনা করে। এটি ডাটাবেস পরিচালনা করার জন্য কোনো নির্দিষ্ট সফটওয়্যার নয়।

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টিকেই রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- RDBMS হলো এমন একটি ডাটাবেজ সিস্টেম যেখানে একাধিক টেবিল থাকে।
- এই টেবিলগুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের মাধ্যমে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করা হয়।
- আধুনিক সময়ের প্রায় সব ডাটাবেজ সফটওয়্যারই RDBMS ভিত্তিক।

• জনপ্রিয় RDBMS সফটওয়্যারসমূহ:
- Microsoft Access,
- Oracle,
- MySQL,
- SQL Server,
- Informix.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২১.
ফার্মওয়্যার বলতে কী বুঝায়?
  1. কম্পিউটারে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত নির্দেশনা
  2. একটি অপারেটিং সিস্টেম
  3. উচ্চগতির প্রসেসর
  4. ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
সঠিক উত্তর:
কম্পিউটারে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত নির্দেশনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কম্পিউটারে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত নির্দেশনা
ব্যাখ্যা

• ফার্মওয়্যার হলো এক বিশেষ ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার যা কোনো হার্ডওয়্যার ডিভাইসের মেমোরিতে (সাধারণত ROM-এ) স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে। 
- এটি হার্ডওয়্যারকে সচল করতে এবং অন্যান্য সফটওয়্যারের সাথে যোগাযোগ করতে সাহায্য করে। কম্পিউটার বা ইলেকট্রনিক ডিভাইস তৈরির সময়ই এটি মেমোরিতে সেট করে দেওয়া হয়।
- সুতরাং, ফার্মওয়্যার হলো কম্পিউটারে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত নির্দেশনা। 

• ফার্মওয়্যার:
- কম্পিউটার তৈরির সময় তাকে পরিচালনা করার জন্য স্থায়ীভাবে রাখা দরকার এমন সব নির্দেশ কম্পিউটার প্রস্তুতকারক কোম্পানি স্থায়ীভাবে কম্পিউটারে সংরক্ষণ করে দেয় যাকে ফার্মওয়‍্যার বলে।
- এটি একটি স্থায়ী সফটওয়্যার।
- ফার্মওয়‍্যার প্রোগ্রামসমূহ ব্যবহার করা যায় তবে মুছে ফেলা যায় না বা কোন রকম পরিবর্তন করা যায় না।
- কম্পিউটারে বিদ্যুৎ সংযাগ দেয়ার পর ফার্মওয়‍্যার প্রোগ্রাম সর্বাগ্রে সক্রিয় হয়ে অন্যান্য সফটওয়্যারকে কার্যপোযোগী করার জন্য প্রধান মেমোরিতে লোড করে।
যেমন: ROM, BIOS একটি ফার্মওয়‍্যার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২২.
হেক্সাডেসিমেল A5 কে দশমিক সিস্টেমে কিভাবে প্রকাশ করা যাবে?
  1. 90
  2. 125
  3. 145
  4. 165
সঠিক উত্তর:
165
উত্তর
সঠিক উত্তর:
165
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: হেক্সাডেসিমেল A5 কে দশমিক সিস্টেমে কিভাবে প্রকাশ করা যাবে?

সমাধান:
• হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা থেকে দশমিক সংখ্যা রূপান্তর করতে হলে, প্রতিটি অংককে 16 এর ঘাত অনুযায়ী গুণ করতে হবে।

স্থানীয় মান অনুযায়ী গুণ করা:
- একক স্থানীয় অংকটিকে 160 দ্বারা গুণ করতে হবে।
- দশক স্থানীয় অংকটিকে 161 দ্বারা গুণ করতে হবে।
- শতক স্থানীয় অংকটিকে 162 দ্বারা গুণ করতে হবে, এবং এভাবে বামে যাওয়ার সাথে সাথে 16 এর ঘাত বাড়বে।

• হেক্সাডেসিমেল অংকের মান:
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা A, B, C, D, E, এবং F যথাক্রমে 10, 11, 12, 13, 14, এবং 15 মানের সমান। এই মানগুলোও গুণফলে ব্যবহার করতে হবে।

এখন,
(A5)16 = 5 × 160 + A × 161
= 5 × 1 + 10 × 16
= 5 + 160
= 165

∴ (A5)16 = (165)10  

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৩.
নেটওয়ার্কিং-এ কোন ধরনের টপোলজি হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি নামে পরিচিত?
  1. স্টার টপোলজি
  2. হাইব্রিড টপোলজি
  3. ট্রি টপোলজি
  4. মেশ টপোলজি
সঠিক উত্তর:
ট্রি টপোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রি টপোলজি
ব্যাখ্যা

• ট্রি টপোলজি (Tree Topology) নেটওয়ার্কিং-এ হায়ারার্কিক্যাল বা শাখা-প্রশাখা বিশিষ্ট টপোলজি নামে পরিচিত। এটি মূলত স্তরবিন্যাস বা চেইন অফ কমান্ড অনুসরণ করে কাজ করে। 
- এটি মূলত বড় বড় কর্পোরেট অফিস বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক স্তরের সাথে সমন্বয় রেখে নেটওয়ার্ক তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

• ট্রি টপোলজি:
- ট্রি টপোলজিতে মূল হোস্ট কম্পিউটার থেকে হায়ারার্কিক্যাল গঠনে বাকি কম্পিউটার গুলোর সংযোগ থাকে তাই একে হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি বলে।
- ট্রি টপোলজি সংগঠনে ওয়ার্ক স্টেশন বা কম্পিউটারগুলো বিভিন্ন স্তরে সংযুক্ত থাকে।
- বিভিন্ন স্তরের কম্পিউটারগুলোকে হাবের মাধ্যমে একটির সঙ্গে অন্যটি সংযুক্ত থাকে।
- প্রথম স্তরের কম্পিউটারকে দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারের হোস্ট বলে।
- আবার দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোকে তৃতীয় স্তরের কম্পিউটারের হোস্ট বলে।
- মুল হোস্ট অবশ্যই শক্তিশালী কম্পিউটার হতে হয়।
- স্টার টপোলজির সম্প্রসারিত রূপই হলো ট্রি টপোলজি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৪.
'সিমপ্লেক্স মোড'-এর উদাহরণ কোনটি?
  1. টেলিফোন
  2. রেডিও
  3. ওয়াকিটকি
  4. ফ্যাক্স
সঠিক উত্তর:
রেডিও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেডিও
ব্যাখ্যা

• ডেটা ট্রান্সমিশন মোড বলতে ডেটা প্রবাহের দিককে বোঝায়। সিমপ্লেক্স (Simplex) মোডে ডেটা শুধুমাত্র একদিকে প্রেরক থেকে প্রাপকের কাছে প্রেরিত হয়; প্রাপক কখনো প্রেরককে কোনো ডেটা পাঠাতে পারে না। রেডিও বা টেলিভিশন সম্প্রচারের ক্ষেত্রে কেন্দ্র থেকে সিগন্যাল পাঠানো হয় এবং আমরা তা কেবল গ্রহণ করি, বিনিময়ে কিছু পাঠাতে পারি না। তাই রেডিও একটি সিমপ্লেক্স মোড ডিভাইস।

• ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
১। সিমপ্লেক্স (Simplex),
২। হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩। ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex)।

১. সিমপ্লেক্স মোড:
- ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ডাটার একদিকে প্রবাহকে সিমপ্লেক্স মোড বলে।
- সিমপ্লেক্সের উদাহরণ- রেডিও-টিভি, PABX, কীবোর্ড, মাউস, পেজার ইত্যাদি।

২. ফুল-ডুপ্লেক্স মােড:
- ফুল-ডুপ্লেক্স মােডে একই সময়ে উভয় প্রান্তের দুটি ডিভাইস একই সাথে ডেটা প্রেরণ এবং গ্রহণ করতে পারে।
- ফুল-ডুপ্লেক্সের উদাহরণ- মোবাইল ফোন, টেলিফোন, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ইত্যাদি।

৩. হাফ-ডুপ্লেক্স মোড:
- যখন এক প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় , আবার যখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন প্রথম প্রান্ত থেকে ডেটা - শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় তাকে হাফ ডুপ্লেক্স মোড বলে।
- হাফ ডুপ্লেক্সের উদাহরণ- ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এসএমএস, ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি।

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) ব্রিটানিকা।

২৫.
নিচের কোনটি গুগল কর্তৃক উদ্ভাবিত একটি জেনারেটিভ এআই (Generative AI) মডেল?
  1. Gemini
  2. Claude
  3. ChatGPT
  4. LLaMA
সঠিক উত্তর:
Gemini
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Gemini
ব্যাখ্যা

• Gemini হলো গুগল কর্তৃক তৈরি একটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং মাল্টিমোডাল জেনারেটিভ এআই (Generative AI) মডেল।
- এটি টেক্সট, ইমেজ, ভিডিও এবং অডিও নিয়ে কাজ করতে সক্ষম। আগে এটি 'Bard' নামে পরিচিত থাকলেও বর্তমানে উন্নত সংস্করণে এটি 'Gemini' হিসেবে পরিচিত।

• Gemini:
- এটি একটি শক্তিশালী এবং নমনীয় এআই মডেল, যা শুধুমাত্র টেক্সট নয়, বরং ছবি, অডিও, ভিডিও এবং কোডও বুঝতে ও প্রক্রিয়া করতে সক্ষম।
- জেমিনি মডেলের তিনটি সংস্করণ রয়েছে: জেমিনি আল্ট্রা (Gemini Ultra), যা সবচেয়ে শক্তিশালী; জেমিনি প্রো (Gemini Pro), যা বিভিন্ন ধরনের কাজে ব্যবহৃত হয়; এবং জেমিনি ন্যানো (Gemini Nano), যা মোবাইলের মতো ডিভাইসের জন্য অপ্টিমাইজ করা হয়েছে।

• গুগল (Google):
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে গুগল প্রতিষ্ঠা করেন।
গুগলের প্রকৃত নাম বা পুরাতন নাম ব্যাকরাব (BackRub) I
- গুগলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন সুন্দর পিচাই। [তথ্য: আগস্ট, ২০২৫ পর্যন্ত]
- গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স।
- গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- Google + হলো একটি সামাজিক নেটওয়ার্কিং সেবা।
- গুগলের সার্ভিসসমূহ: Google Nest, Drive, Google Maps, Google Workspace, Chrome, Gmail, Android, Google Assistant, YouTube, Google Keep, Google Meet, Contacts, Google Photos, Chromebook, AdSense প্রভৃতি।

অন্যান্য অপশন:
- Claude: Anthropic নামক একটি এআই স্টার্টআপ কোম্পানি কর্তৃক উদ্ভাবিত মডেল।
গ) ChatGPT: বিশ্বের বহুল পরিচিত একটি এআই মডেল যা OpenAI কোম্পানি তৈরি করেছে।
ঘ) LLaMA: এটি একটি ওপেন-সোর্স লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান Meta উদ্ভাবন করেছে।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. গুগল অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

২৬.
পাইথন প্রোগ্রামিং ভাষার প্রবর্তক হিসেবে কে পরিচিত?
  1. Bjarne Stroustrup
  2. Guido Van Rossum
  3. Tim Berners-Lee
  4. Dennis Ritchie
সঠিক উত্তর:
Guido Van Rossum
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Guido Van Rossum
ব্যাখ্যা

• পাইথন (Python) প্রোগ্রামিং ভাষার উদ্ভাবক হলেন Guido Van Rossum।
- ১৯৮০-এর দশকের শেষের দিকে নেদারল্যান্ডের সিডব্লিউআই (CWI)-তে কর্মরত থাকাকালীন Guido Van Rossum পাইথন ভাষাটি তৈরি করেন।
- তিনি চেয়েছিলেন এমন একটি ভাষা তৈরি করতে যার কোড হবে পরিষ্কার এবং যা সহজে অন্য প্রোগ্রামাররা পড়তে পারবে। ১৯৯১ সালে এটি জনসমক্ষে প্রকাশিত হওয়ার পর থেকে এর জনপ্রিয়তা ক্রমাগত বাড়ছে।

• পাইথন (Python):
- পাইথন হচ্ছে প্রোগ্রামিং ভাষাসমূহের অন্যতম হাই-লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ভাষা।
- ডাইনামিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনসহ অনেক সফটওয়্যার বানাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
- ১৯৮৯ সালে নেদারল্যান্ডের বিজ্ঞানী ভ্যান রোসাম (Van Rossum) এ ভাষাটি রচনা করেন।
- পাইথনের কোর সিনট্যাক্স খুবই সংক্ষিপ্ত, তবে ভাষাটির স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরি অনেক সমৃদ্ধ।
- অন্যান্য ল্যাঙ্গুয়েজের যতরকম ফিচার বা নতুন নতুন সাপোর্ট আসে, সবই পাইথনে খুব সহজে ব্যবহার করা যায়।
- সাধারণত দ্রুত সফটওয়্যার নির্মাণের জন্য পাইথন ব্যবহৃত হয়।
- যে সমস্ত বড় প্রতিষ্ঠান পাইথন ব্যবহার করে, তাদের মধ্যে গুগল ও নাসা উল্লেখযোগ্য।
- ২০১৮ সালে এটি IEEE কর্তৃক সর্বশ্রেষ্ঠ প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- এটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে চলে এবং ক্লাউডভিত্তিক ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন, ডেটা অ্যানালাইসিস ও মেশিন লার্নিং অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।

উল্লেখ্য, 
- Bjarne Stroustrup: C++ প্রোগ্রামিং ভাষার উদ্ভাবক।
- Dennis Ritchie: 'C' প্রোগ্রামিং ভাষার উদ্ভাবক।
- Tim Berners-Lee: HTML এবং ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW)-এর জনক।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

২৭.
নিচের কোনটি কম্পিউটার ভাইরাস নয়?
  1. ট্রোজান হর্স
  2. ভিয়েনা
  3. অ্যাভাস্ট
  4. সিআইএইচ
সঠিক উত্তর:
অ্যাভাস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাভাস্ট
ব্যাখ্যা

• অ্যাভাস্ট (Avast) একটি কম্পিউটার ভাইরাস নয়; এটি একটি জনপ্রিয় অ্যান্টিভাইরাস (Antivirus) সফটওয়্যার যা কম্পিউটারকে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূবেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো-
- এভিজি,
- অ্যাভাস্ট,
- নরটন,
- এভিরা,
- পান্ডা, ইত্যাদি।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস হলো-
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।