পরীক্ষা আর্কাইভ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

পরীক্ষাশিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
"পরীক্ষা – ৬ সাধারণ জ্ঞান - বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিক: বাংলাদেশের ইতিহাস (জনপদ ও সভ্যতা, প্রাচীন রাজবংশ, সুলতানি শাসন, নবাবী শাসন)। উৎস: বোর্ড বই (বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা সংশ্লিষ্ট NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বই), বাংলাপিডিয়া অথবা যেকোনো ভালো গাইড বই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]"
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম] · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
আচারসাগর ও প্রতিষ্ঠাসাগর নামে গ্রন্থ রচনা করেন কে?
  1. কেশব সেন
  2. বিজয় সেন
  3. লক্ষণ সেন
  4. বল্লাল সেন
সঠিক উত্তর:
বল্লাল সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বল্লাল সেন
ব্যাখ্যা
• বল্লাল সেন:
- বিজয় সেনের মৃত্যুর পর আনুমানিক ১১৬০ সালে তার পুত্র বল্লাল সেন সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- তিনি রাজ্য জয়ের চেয়ে দেশের ভেতরে উন্নয়ন, নতুন প্রথা চালু ও সংস্কারের কাজে অধিকতর মনোযোগী ছিলেন।
- তবে তিনি গোবিন্দপালকে পরাজিত করে মগধের পূর্বাঞ্চল অধিকার করেন।
- কথিত আছে যে, বল্লাল সেন তাঁর পিতার রাজত্বকালে মিথিলা জয় করেন।
- বল্লাল সেন বিদ্যান ও বিদ্যোৎসাহী রাজা ছিলেন।
- তিনি ব্রতসাগর, আচারসাগর, প্রতিষ্ঠাসাগর, দানসাগর ও অদ্ভুতসাগর নামে পাঁচটি গ্রন্থ রচনা করেন।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (৯ম-১০ম শ্রেণি), বাংলাদেশ উন্মক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোন সময়টি ‘মাৎস্যন্যায়’ নামে পরিচিত?
  1. গোপাল পরবর্তী
  2. শশাঙ্ক পূর্ববর্তী
  3. সেন পূর্ববর্তী
  4. শশাঙ্ক পরবর্তী
সঠিক উত্তর:
শশাঙ্ক পরবর্তী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শশাঙ্ক পরবর্তী
ব্যাখ্যা
• মাৎস্যন্যায়:
- প্রাচীন বাংলার ইতিহাসে পাল রাজবংশ দীর্ঘকাল শাসন করেছে।
- পাল রাজারা বাংলা ও বিহার অঞ্চলে অষ্টম শতকের মাঝামাঝি থেকে প্রায় চারশ বছর শাসন করেছেন।
- নৈরাজ্য ও চরম অরাজকতার হাত থেকে বাংলাকে রক্ষা করে গোপাল নামক এক উচ্চবর্গীয় ব্যক্তি এই রাজবংশের প্রতিষ্ঠা করেন।
- ধর্মপাল, দেবপাল, মহিপাল নামে অনেক পাল রাজারা বাংলা শাসন করেছেন ।

- ‘মাৎস্যন্যায়’ বাংলার শশাঙ্ক পরবর্তী সময়কে নির্দেশ করে।
- মাৎস্যন্যায় ও গোপালের উত্থান শশাঙ্কের পর সপ্তম শতকের মাঝামাঝি থেকে অষ্টম শতক পর্যন্ত বাংলায় বিরাজ করছিল এক অন্ধকার যুগ। বাংলার ইতিহাসে এই সময়টি ‘মাৎস্যন্যায়’ নামে খ্যাত।
- অরাজকতা এবং রাষ্ট্রহীনতার অবসান ঘটিয়ে বাংলায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল পাল বংশের শাসন।
- শত বছরের হানাহানির অবসান ঘটে যখন গোপাল রাজা হন।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বরেন্দ্র কোন রাজাদের পিতৃভূমি ছিলো?
  1. মৌর্য রাজা
  2. পাল রাজা
  3. খড়গ রাজা
  4. সেন রাজা
সঠিক উত্তর:
পাল রাজা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাল রাজা
ব্যাখ্যা
• পাল বংশ:
- শশাঙ্ক পরবর্তী বাংলায় অরাজকতার যুগের অবসান ঘটিয়ে গোপাল বাংলার সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং পালবংশের শাসনের সূচনা করেন।
- গোপালের ক্ষমতা লাভ সম্বন্ধে খালিমপুর তাম্রশাসন থেকে জানা যায়।
- বরেন্দ্র পাল রাজাদের পিতৃভূমি ছিলো।
- পাল বংশ আট শতকের মাঝামাঝি সময় থেকে প্রায় চারশত বছর বাংলা ও বিহারে শাসনকারী রাজবংশ।
- গোপাল প্রতিষ্ঠিত এ বংশের শাসন চলে নানা ধরনের উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে আঠারো পুরুষ ধরে।
- গোপালের রাজত্বকাল সম্পর্কে সঠিকভাবে জানার উপায় নেই। আর্যমঞ্জুশ্রীমূলকল্পে উল্লেখ আছে যে, তিনি ২৭ বছর রাজত্ব করেন। অনুমান করা হয় গোপাল ৭৫৬ হতে ৭৮১ খিস্টাব্দ পর্যন্ত রাজত্ব করেছিলেন।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
উত্তর বাংলায় মৌর্য শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় কার রাজত্বকালে?
  1. বিন্দুসারের
  2. সম্রাট অশোকের
  3. প্রথম চন্দ্রগুপ্তের
  4. চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের
সঠিক উত্তর:
সম্রাট অশোকের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্রাট অশোকের
ব্যাখ্যা
- উত্তর বাংলায় মৌর্য শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে।
- মৌর্য রাজবংশ চন্দ্রগুপ্তের হাত দিয়ে শুরু হলেও তার পুত্র বিন্দুসার এবং
- বিন্দুসারের পুত্র অশোকের (খ্রিস্টপূর্ব ২৭৩-২৩২ অব্দে) শাসনামলে সাম্রাজ্য চূড়ান্তভাবে বিকশিত হয়।
- খ্রিস্টপূর্ব ২৩২ অব্দে অশোকের মৃত্যু পর্যন্ত ৪০ বছর তিনি ভারতবর্ষে রাজত্ব করেন।   
- সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে প্রাচীন পুন্ড্র রাজ্য মৌর্য সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা - নবম-দশম শ্রেণি ও ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বিক্রমশীলা মহাবিহারের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. দেবপাল
  2. মহীপাল
  3. গোপাল
  4. ধর্মপাল
সঠিক উত্তর:
ধর্মপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধর্মপাল
ব্যাখ্যা
• বিক্রমশীলা মহাবিহার: 
- বিক্রমশীলা মহাবিহার পালরাজ ধর্মপাল প্রতিষ্ঠিত একটি বৌদ্ধ মঠ।
- এর সমর্থন মেলে সর্বজ্ঞ মিত্র-এর ‘স্রগ্ধরা স্তোত্র’ (Sragdhara Stotra) সূত্রে, যেখানে এটিকে ‘শ্রীমদ্বিক্রমশীলাদেব মহাবিহার’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
- রাজা ধর্মপাল গৌরবময় ‘বিক্রমশীলাদেব’ উপাধি গ্রহণ করেছিলেন বলে জানা যায়।
- সন্ন্যাসীদের বসবাসের জন্য বুদ্ধদেব পাঁচ ধরনের বাসস্থান নির্দেশ করেছিলেন বলে জানা যায়।
- বিহার ছিল এগুলির মধ্যে একটি।
- বিহারগুলি ধীরে ধীরে বেশ বড়সড় আবাসস্থলে পরিণত হয় এবং সন্ন্যাসীরা সেখানে সম্মিলিতভাবে জীবনযাপন করতেন।
- প্রত্নতাত্ত্বিকভাবে বর্তমানে বিক্রমশীলা মহাবিহারের অবস্থান বিহারের ভাগলপুর জেলার অন্তিচক নামক স্থানে নির্দিষ্ট হয়েছে।
- খ্রিস্টীয় নবম শতকের প্রথম দিক থেকে বারো শতক পর্যন্ত এর নির্মাণকাজ চলে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
.
প্রাচীনকালে 'সমতট' বলতে বাংলাদেশের কোন অঞ্চলকে বোঝানো হতো?
  1. নোয়াখালী ও কুমিল্লা অঞ্চল
  2. কুমিল্লা ও ঢাকা অঞ্চল
  3. বগুড়া ও দিনাজপুর অঞ্চল
  4. নোয়াখালী ও বরিশাল অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
নোয়াখালী ও কুমিল্লা অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নোয়াখালী ও কুমিল্লা অঞ্চল
ব্যাখ্যা
- প্রাচীন বাংলা কতগুলো অঞ্চল বা জনপদে বিভক্ত ছিলো।
- সমতট জনপদ বর্তমান বৃহত্তর নোয়াখালী ও কুমিল্লা অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত ছিলো।
- বরেন্দ্র জনপদ বর্তমান রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চল জুড়ে বিরাজমান ছিলো।
- হরিকেল জনপদ আধুনিক সিলেট থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত ছিলো।
- বর্তমান বরিশাল অঞ্চলে চন্দ্রদ্বীপ নামক একটি জনপদের সৃষ্টি হয়েছিল। এ জনপদটি বালেশ্বর ও মেঘনার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত।

সূত্র: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি, উন্মুক্ত উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন কে?
  1. মানসিংহ
  2. কৌটিল্য
  3. টোডরমল
  4. আবুল ফজল
সঠিক উত্তর:
কৌটিল্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৌটিল্য
ব্যাখ্যা
- চাণক্য খ্রিস্টপূর্ব ৩৭০ অব্দে জন্ম গ্রহণ করে।
- সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের প্রধানমন্ত্রী কৌটিল্য যিনি অতীব বুদ্ধিমান ‘চাণক্য’ বা সম্রাটের প্রাথমিক জীবনের শিক্ষক বিষ্ণুগুপ্ত বলেও পরিচিত।।
- রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও অর্থনীতির দিকপাল ও ভারতের ম্যাকিয়াভ্যালি হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
- চন্দ্রগুপ্তের এবং বিন্দুসারের উপদেষ্টা হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন।
- তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হল অর্থশাস্ত্র ( ১৫ খন্ডে ) ও চাণক্যনীতি।
- অর্থশাস্ত্র গ্রন্থটি রাষ্ট্রশাসন ও কূটনীতিকৌশলের সার সংক্ষেপ।

সূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ স্টাডিজ , বিবিএস প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব কে?
  1. মীর জাফর
  2. আলীবর্দী খান
  3. সিরাজউদ্দৌলা
  4. মুর্শিদকুলি খান
সঠিক উত্তর:
সিরাজউদ্দৌলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিরাজউদ্দৌলা
ব্যাখ্যা
• সিরাজউদ্দৌলা:
- সিরাজউদ্দৌলা বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব।
- ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশীর যুদ্ধে সিরাজ পরাজিত ও নিহত হওয়ার পর ইংরেজরা বাংলার নওয়াবদেরকে তাদের হাতের পুতুলে পরিণত করে এবং নিজেরাই বাংলার প্রকৃত শাসকে পরিণত হয়।
- মির্জা মুহম্মদ সিরাজউদ্দৌলা ছিলেন আলীবর্দী খানের দৌহিত্র এবং জৈনুদ্দীন আহমদ খান ও আমিনা বেগমের পুত্র।
- ১৭৩৩ খ্রিস্টাব্দে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর জন্মের পরপরই আলীবর্দী খান বিহারের ডেপুটি গভর্নর হিসেবে নিযুক্ত হন।
- এ কারণে পরিবারে সিরাজ ‘সৌভাগ্য সূচক সন্তান’ হিসেবে বিবেচিত হন। সিরাজের প্রতি তাঁর পিতামহের ছিল বিশেষ স্নেহ ও পক্ষপাত।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।