পরীক্ষা আর্কাইভ

ICT Expert

পরীক্ষাICT Expertতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়11 minutes
মোট প্রশ্ন১৩
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১ টপিক: কম্পিউটার নম্বর সিস্টেম, ডিজিটাল ডিভাইস ও লজিক গেইটসমূহ। [ক্লাস ১, ২, ৩ ও ৪]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ICT Expert

ICT Expert · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩ প্রশ্ন

.
'1101001' বাইনারি সংখ্যার ২-এর পরিপূরক (2's Complement) কত? 
  1. 0010111
  2. 0011001
  3. 0010110
  4. 0011000
সঠিক উত্তর:
0010111
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0010111
ব্যাখ্যা

'1101001' বাইনারি সংখ্যার ২-এর পরিপূরক (2's Complement) হচ্ছে: 0010111

• ২-এর পরিপূরক (2's Complement):
- কোনো বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি বিটকে পূরক করে বা উল্টিয়ে (০ এর জায়গায় 1 এবং 1 এর জায়গায় ০) যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ১-এর পরিপূরক বলে।
- বাইনারি সংখ্যাকে ১-এর পরিপূরক বা উল্টিয়ে লিখে তার সাথে ১ যোগ করে যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ২-এর পরিপূরক বলা হয়।
- ১৯৪৫ সালে জন ভন নিউম্যান EDSAC কম্পিউটারের ২ এর -পরিপূরক ব্যবহারের প্রস্তাব করেন।

'1101001'-এর ১-এর পরিপূরক = '0010110' (সব '0' কে '1' এবং সব '1' কে '0' দ্বারা প্রতিস্থাপন করা)

'0010110' + '1' = '0010111'

অতএব, '1101001' বাইনারি সংখ্যার ২-এর পরিপূরক হল '0010111'

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

.
কোনটি Universal Gate হিসেবে পরিচিত?
  1. OR
  2. AND
  3. NOR
  4. XOR
সঠিক উত্তর:
NOR
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NOR
ব্যাখ্যা

• NOR গেট ব্যবহার করে মৌলিক তিনটি গেট (NOT, OR, AND) তৈরি করা যায়, তাই এটি Universal Gate বা সার্বজনীন গেইট হিসেবে পরিচিত।

সার্বজনীন গেইট (Universal Gate):
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

অন্যদিকে,
মৌলিক লজিক গেইট:
- OR Gate,
- AND Gate,
- NOT Gate.

বিশেষ লজিক গেইট:
- XOR Gate,
- XNOR Gate.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

.
XOR গেইটে আউটপুট 0 হবে, যখন ইনপুট - 
  1. A = 0, B = 1
  2. A = 1, B = 0
  3. A = 1, B = 1
  4. ক ও খ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
A = 1, B = 1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A = 1, B = 1
ব্যাখ্যা

এক্স অর গেইট (Exclusive OR (XOR) Gate):
- Exclusive OR গেইটকে সংক্ষেপে এক্স অর গেইট বলে।
- মৌলিক গেইট দিয়ে এক্স অর গেইট তৈরি করা হয় বলে একে প্রকৃত অর গেইট বলে।
- এটি অ্যান্ড, অর, নট, ন্যান্ড, নর ইত্যাদি গেইটের সাহায্যেও তৈরি করা যায়।
- এই গেইটের দুটি ইনপুট সমান না হলে আউটপুট 1 হয়, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।



উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে কোন কম্বিনেশনাল সার্কিট ব্যবহার করে সংখ্যা যোগ করা যায়?
  1. অ্যাডার
  2. এনকোডার
  3. রেজিস্টার
  4. ডিকোডার
সঠিক উত্তর:
অ্যাডার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাডার
ব্যাখ্যা

ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে সংখ্যা যোগ করার জন্য ব্যবহৃত কম্বিনেশনাল সার্কিটটি হলো অ্যাডার (Adder)। 

অ্যাডার:
- কম্পিউটারের যাবতীয় গাণিতিক কাজ বাইনারি যোগের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়।
- গুণ হলো বার বার যোগ করা এবং ভাগ হলো বার বার বিয়োগ করা।
- আবার পূরক পদ্ধতিতে বাইনারি যোগের মাধ্যমেই বিয়োগ করা যায়।
- কাজেই যোগের মাধ্যমে গুণ, বিয়োগ, ভাগ ইত্যাদির কাজ করা যায়।

অন্যান্য অপশনসমূহ,
- রেজিস্টার: রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী। রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- এনকোডার: এনকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা আলফাবেট বা মানুষের বোধগম্য ভাষাকে কম্পিউটারের বোধগম্য বা যান্ত্রিক ভাষায় রূপান্তর করে।
- ডিকোডার: ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

.
নিচের কোনটি অক্টাল সংখ্যা হতে পারে না?
  1. 756
  2. 111
  3. 839
  4. 517
সঠিক উত্তর:
839
উত্তর
সঠিক উত্তর:
839
ব্যাখ্যা

839 অক্টাল সংখ্যা হতে পারে না।

অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে দশমিকের (.) আগের অঙ্কগুলোকে MSD (বেশি গুরুত্বের অঙ্ক) এবং পরের অঙ্কগুলোকে LSD (কম গুরুত্বের অঙ্ক) বলে।
- অক্টাল সংখ্যার আবিষ্কারক সুইডেনের রাজা ৭ম চার্লস।
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে আটটি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক গুলো হলো- ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭।
অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ৮। যেমন- ৫১২, ১৬২০, ৬৪ কিন্তু ৮৩৯ অকটাল সংখ্যা নয়, কারণ ৮ অক্টাল সংখ্যার অঙ্ক বা চিহ্ন না।

উল্লেখ্য,
- বাইনারি সংখ্যার ভিত্তি - ২
- দশমিক বা ডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি ১০
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি - ১৬

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান।

.
অক্টাল 157 কে ডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর করলে কত হয়?
  1. 84
  2. 111
  3. 155
  4. 92
সঠিক উত্তর:
111
উত্তর
সঠিক উত্তর:
111
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: অক্টাল 157 কে ডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর করলে কত হয়?

সমাধান:
• অক্টাল সংখ্যা (Octal Number):
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ৮।
- এই পদ্ধতিতে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 এবং 7 এই ৮টি মৌলিক অংক ব্যবহৃত হয়।
- অক্টাল সংখ্যাকে (ভিত্তি 8) ডেসিমেল সংখ্যায় (ভিত্তি 10) রূপান্তর করতে হলে, অক্টাল সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে তার স্থানীয় মান এবং ভিত্তি (8) দিয়ে গুণ করে প্রাপ্ত গুণফলগুলো যোগ করতে হয়।

উদাহরণ: (124)8, (731)8 ইত্যাদি।

এখানে, (157)8 কে ডেসিমেল সংখ্যা হিসেবে রূপান্তর করি:
(157)8 = 1 × 82 + 5 × 81 + 7 × 80
= 1 × 64 + 5 × 8 + 7 × 1
= 64 + 40 + 7
= 111
∴ (157)8 = 111

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

.
বাইনারি 110101 কে ডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর করলে কত হয়?
  1. 45
  2. 53
  3. 65
  4. 60
সঠিক উত্তর:
53
উত্তর
সঠিক উত্তর:
53
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: বাইনারি 110101 কে ডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর করলে কত হয়?

সমাধান:
• বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ এর ঘাত অনুযায়ী গুণ করতে হয়।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ থেকে শুরু করে বাম দিকে বাড়াতে হয়।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান বা ডেসিমেল নাম্বার পাওয়া যায়।

(110101)2 = 1 × 25 + 1 × 24 + 0 × 23 + 1 × 22 + 0 × 21 + 1 × 20
= 32 + 16 + 0 + 4 + 0 + 1
= 53

∴ (110101)2 = 53

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

.
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে, 'D' = ?
  1. 13
  2. 9
  3. 12
  4. 10
সঠিক উত্তর:
13
উত্তর
সঠিক উত্তর:
13
ব্যাখ্যা

হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে, 'D' এর ডেসিমেল মান হলো 13

হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি:
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে 16.
- অর্থাৎ এই পদ্ধতিতে 16 টি মৌলিক অংক রয়েছে।
- এই সংখ্যাসমূহ 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9 এবং অতঃপর A, B, C, D, E, F.
- বর্ণ (Alphabet) এবং সংখ্যা (Number) উভয়ের ব্যবহার থাকার কারণে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির আরেক নাম আলফানিউমেরিক সংখ্যা পদ্ধতি।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির A, B, C, D, E এবং F এর সমতুল্য দশমিক হচ্ছে যথাক্রম 10, 11, 12, 13, 14 এবং 15.
- (151)16, (1B)16, (ABC.B)16 ইত্যাদি হলো হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার উদাহরণ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
"1F4" হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির দশমিক মানের অংকগুলোর যোগফল কত?
  1. 5
  2. 11
  3. 21
  4. 16
সঠিক উত্তর:
5
উত্তর
সঠিক উত্তর:
5
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: "1F4" হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির দশমিক মানের অংকগুলোর যোগফল কত?

সমাধান:
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি:
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে ১৬ টি প্রতীক ব্যবহার করা হয়: 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F।
- এগুলোর বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ১৬।
- A, B, C, D, E, F গুলোকে যথাক্রমে 10, 11, 12, 13, 14, 15 দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

এখানে, (1F4)16 কে ডেসিমেলে রূপান্তর করি:
(1F4)16 = 1 × 162 + 15 × 161 + 4 × 160
= 1 × 256 + 15 × 16 + 4 × 1
= 256 + 240 + 4
= 500

∴ "1F4" হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার সমতুল্য দশমিক মানের অংকগুলোর যোগফল = 5 + 0 + 0 = 5

১০.
(159.52)16 সংখ্যাটির সমতুল্য অক্টাল মান কত?
  1. 531.244
  2. 525.232
  3. 547.314
  4. 533.422
সঠিক উত্তর:
531.244
উত্তর
সঠিক উত্তর:
531.244
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: (159.52)16 সংখ্যাটির সমতুল্য অক্টাল মান কত?

সমাধান:


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১১.
ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে কাউন্টার কী?
  1. গাণিতিক অপারেশন করার সার্কিট
  2. ইনপুট পালস গণনা করা সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট
  3. ডিকোডার সার্কিট
  4. তথ্য সংরক্ষণের মেমোরি ইউনিট
সঠিক উত্তর:
ইনপুট পালস গণনা করা সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনপুট পালস গণনা করা সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট
ব্যাখ্যা

কাউন্টার:
- কাউন্টার হলো একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট, যা ইনপুট পাল্সের সংখ্যা গণনা করতে পারে।
- এটি রেজিস্টার হিসেবে ব্যবহৃত হয় বিশেষ কাজের জন্য।
- কাউন্টার বিভিন্ন সিকুয়েন্স অনুসরণ করতে পারে তবে সবচেয়ে সরল ও সহজ সিকুয়েন্স হলো বাইনারি সিকুয়েন্স।
- যে কাউন্টার বাইনারি সিকুয়েন্স অনুসরণ করে তাকে বাইনারি কাউন্টার বলে।
- একটি n বিট বাইনারি কাউন্টার হলো n টি ফ্লিপ ফ্লপ এবং সংশ্লিষ্ট গেইট যা বাইনারি n ফ্লিপ-ফ্লপ বিট অর্থাৎ 0 থেকে 2n - 1 পর্যন্ত গণনার সিকুয়েন্সকে অনুসরণ করতে পারে।
- কাউন্টার সর্বাধিক যতটি সংখ্যা গুণতে পারে তাকে তার মডিউলাস (Modulus) বা মোড নাম্বার বলে।
- কোন কাউন্টারে n টি ফ্লিপ-ফ্লপ থাকলে তার মডিউলাস 2n
- কোন কাউন্টারের ফ্লিপ ফ্লপের সংখ্যা বৃদ্ধি করে মোড নাম্বার বা মডিউলাস বৃদ্ধি করা যায়।

কাউন্টারের ব্যবহার:
- ক্লক পালসের সংখ্যা গণনা,
- টাইমিং সিগনাল প্রদান,
- ডিজিটাল ঘড়ি,
- ডিজিটাল কম্পিউটার,
- অ্যানালগ সিগনালকে ডিজিটাল সিগনালে রূপান্তর।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১২.
৫টি আউটপুট বিশিষ্ট এনকোডারের ইনপুট সংখ্যা কত?
  1. ৪৮টি
  2. ৬৪টি
  3. ৩২টি
  4. ১৬টি
সঠিক উত্তর:
৩২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২টি
ব্যাখ্যা

৫টি আউটপুট বিশিষ্ট এনকোডারের ইনপুট সংখ্যা হলো ৩২টি।

এনকোডার:
- এনকোডার এক ধরনের সমবায় সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী, যা মানুষের ব্যবহৃত বিভিন্ন আলফানিউমেরিক বর্ণ, বিশেষ চিহ্ন, টেক্সট, অডিও ও ভিডিও ইত্যাদিকে ডিজিটাল সিস্টেমের বোধগম্য কোডে রূপান্তর করে।
- এনকোডার এমন একটি সমবায় সার্কিট যার দ্বারা সর্বাধিক 2n টি ইনপুট থেকে n টি আউটপুট লাইনে 0 বা 1 আউটপুট পাওয়া যায়।
- যদি 24 = 16টি ইনপুট হয় তাহলে 4টি আউটপুট হবে।
- যদি 25 = 32টি ইনপুট হয় তাহলে 5টি আউটপুট হবে।
- যদি 26 = 64টি ইনপুট হয় তাহলে 6টি আউটপুট হবে।
- যে কোন মুহূর্তে একটি মাত্র ইনপুট 1 ও বাকি সব ইনপুট 0 থাকে।
- এনকোডার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। যেমন: 4 থেকে 2 এনকোডার, 8 থেকে 3 এনকোডার ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩.
'মেয়ান' কী ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ?
  1. পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি
  2. নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি
  3. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি
ব্যাখ্যা

• "মেয়ান" সংখ্যা পদ্ধতি হলো একটি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি (Non-positional Number System)।
- এটি প্রাচীন মিশরে ব্যবহৃত হতো, যেখানে বিভিন্ন চিহ্ন বা প্রতীক দিয়ে সংখ্যা প্রকাশ করা হত এবং প্রতিটি চিহ্নের নিজস্ব মান থাকত।

• সংখ্যা পদ্ধতি:
- প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ গণনার কাজের জন্য বিভিন্ন সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক ইত্যাদি ব্যবহার করেছে। এ ধরনের সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক পাশাপাশি রেখে তা প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো সংখ্যা পদ্ধতি।
- সংখ্যা পদ্ধতিকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো এমন এক ধরনের পদ্ধতি, যেখানে সংখ্যাগুলোর কোনো স্থানীয় মান থাকে না। শুধুমাত্র সংখ্যার নিজস্ব মান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতিতে হাতিয়ার, পশুপাখি, জীবজন্তুর ছবি, গাছ, ফুল ফল ইত্যাদি প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হতো।
- তবে এ ধরনের সংখ্যা পদ্ধতিতে গাণিতিক কাজ করা খুবই জটিল।
- প্রাচীনকালে ব্যবহৃত হায়ারোগ্লিফিক্স, মেয়ান, ট্যালি সংখ্যা পদ্ধতি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ।

২. পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোনো সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার জন্য যে সকল সাংকেতিক চিহ্ন বা মৌলিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তা অংক বা ডিজিট (Digit) নামে পরিচিত।
- যেমন: বাইনারি সংখ্যাকে প্রকাশ করার জন্য দুটি অংক ০ এবং ১ ব্যবহার করা হয়।
- ডিজিট ব্যবহার করে সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।