পরীক্ষা আর্কাইভ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

পরীক্ষাশিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৮
সিলেবাস
"পরীক্ষা – ৪২ বিষয়: সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ বিষয়াবলি) টপিক: রাষ্ট্র, নাগরিকতা, সরকার ও রাজনীতি, সরকারি ও বেসরকারি লক্ষ্য, নীতি, পরিকল্পনা (অর্থনৈতিক, সামাজিক, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা), কর্মসূচি। উৎস: অষ্টম, মাধ্যমিক ও উচ্চ-মাধ্যমিক শ্রেণির পৌরনীতি বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], জাতিসংঘসহ সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট এবং যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।"
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৮ প্রশ্ন

.
"কোন ব্যক্তি যদি রাষ্ট্রের সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করে এবং রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য স্বীকার করে তাকেই নাগরিক বলে" - উক্তিটি কার?
  1. হ্যারল্ড জে লাস্কি
  2. হ্যান্স কেলসন
  3. লিলি উইলিয়াম
  4. ম্যাকিয়াভেলি
ব্যাখ্যা
- অধ্যাপক হ্যারল্ড জে লাস্কি'র মতে "কোন ব্যক্তি যদি রাষ্ট্রের সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করে এবং রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য স্বীকার করে তাকেই নাগরিক বলে।"
- তিনি আরও বলেন "সর্বজনীন কল্যাণের জন্য ব্যক্তির লব্ধ বিচারবুদ্ধির প্রয়োগই নাগরিকতা"।

- রাষ্ট্রবিজ্ঞানী হ্যান্স কেলসন বলেন "নাগরিকতা হচ্ছে রাষ্ট্রের সদস্য হিসেবে কোন ব্যক্তির স্ট্যাটাস বা মর্যাদা।" 

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা দ্বিতীয় বর্ষ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশী পিতা-মাতার কোন সন্তান যদি আমেরিকায় জন্মগ্রহণ করে তবে সে কোন নীতি অনুযায়ী বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে বিবেচিত হবে?
  1. জন্মস্থাননীতি
  2. জন্মনীতি
  3. অনুমোদনসূত্রে
  4. হতে পারবে না
ব্যাখ্যা
একজন অধিবাসী দুইভাবে কোন রাষ্ট্রের নাগরিক হতে পারে।
যেমন-(১) জন্মসূত্রে (২) অনুমোদনসূত্রে।

জন্মসূত্রে নাগরিকতা:
কোন ব্যক্তি যে দেশে জন্মগ্রহণ করে থাকে, তিনি সে দেশের নাগরিকতা লাভ করে থাকে। যেমন বাংলাদেশে জন্ম নেয়া সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। 

জন্মসূত্রে নাগরিকতা অর্জন আবার দুই রকম হয়ে থাকে। একটি হল জন্ম নীতি অন্যটি জন্মস্থান নীতি।
জন্মনীতি অনুযায়ী কোন সন্তান যে রাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করে তিনি সে রাষ্ট্রেরই নাগরিক হয়ে থাকে।
জন্মস্থাননীতি অনুযায়ী সন্তান যে রাষ্ট্রেই জন্মগ্রহণ করুক না কেন সে তার পিতা-মাতার জন্মস্থান অনুযায়ী নাগরিকত্ব পাবে। 
বাংলাদেশী পিতা-মাতার কোন সন্তান যদি আমেরিকায় জন্মগ্রহণ করে তবে সে আমেরিকার নাগরিক হবে। আমেরিকায় জন্ম নেয়া সেই সন্তান আবার বাংলাদেশেরও নাগরিক। 

অনুমোদনসূত্রে নাগরিকত্ব:
কোন রাষ্ট্র প্রদত্ত নাগরিকতার শর্ত পূরণ করে যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করলে একজন বিদেশী একটি রাষ্ট্রের নাগরিক হতে পারে।
যেমন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক কোচ গর্ডন গ্রীনিজ ওয়েস্ট ইন্ডিজের একজন নাগরিক হওয়া সত্ত্বেও তাকে এ দেশের নাগরিকত্ব দেয়া হয়েছে। এই নাগরিকত্ব বাতিলযোগ্য।

দ্বৈত নাগরিকত্ব:
একই ব্যক্তি যখন একই সাথে দুই রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব উপভোগ করে তখন তাকে দ্বৈত নাগরিকত্ব বলে।
অনেক রাষ্ট্র দ্বৈত নাগরিকত্ব সমর্থন করে না।
কিন্তু বাংলাদেশ করে।
যেমন একজন বাংলাদেশী নাগরিক যদি ব্রিটেনের নাগরিকত্ব লাভ করে তবু তিনি নাগরিক হিসেবে বাংলাদেশ থেকে তার প্রাপ্য অধিকার ভোগ করতে পারবে।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা দ্বিতীয় বর্ষ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশে 'জাতীয় জনসংখ্যা দিবস' পালন করা হয় কবে?
  1. ১লা ফেব্রুয়ারি
  2. ২রা ফেব্রুয়ারি
  3. ৪ই মার্চ
  4. ৬ই মার্চ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জনসংখ্যা নীতি:
- সাধারণভাবে একটি দেশের জনসংখ্যা বিষয়ে জাতীয় পর্যায়ে পরিকল্পনা গ্রহণ করার জন্য যে দিক নির্দেশনা হয় তাকেই বলা হয় দেশটির জনসংখ্যা নীতি।
- দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই নীতি প্রণয়ন করা হয়।
- এ নীতির লক্ষ্য হলো জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করে দেশের নাগরিকদের জীবনমানের উন্নতি এবং দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
- বাংলাদেশে প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১,১৭১ জন লোক বাস করে এবং মাথাপিছু আয় ২৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- জনসংখ্যা সম্পর্কে বর্তমানে বাংলাদেশের স্লোগান হচ্ছে 'দুটি সন্তানের বেশি নয়, একটি হলে ভালো হয়।'
- প্রতিবছর ২রা ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে 'জাতীয় জনসংখ্যা দিবস' পালন করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা- ২০২৪ 
বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।  
.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, বর্তমানে বাংলাদেশে নারী স্বাক্ষরতার হার (৭ বছরের অধিক) কত?
  1. ৭৩.৮%
  2. ৭৪.৬%
  3. ৭৫.৮%
  4. ৭৭.৯%
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে,
- বর্তমানে বাংলাদেশে স্বাক্ষরতার হার (৭ বছরের অধিক) ৭৭.৯%  
- বর্তমানে বাংলাদেশে নারী স্বাক্ষরতার হার (৭ বছরের অধিক) ৭৫.৮%
- বর্তমানে বাংলাদেশে পুরুষ স্বাক্ষরতার হার (৭ বছরের অধিক) ৮০.১%

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪
.
বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ তে ২০৩০ সালের মধ্যে নিচের কোন লক্ষ্য অর্জনের কথা বলা হয়নি?
  1. উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা অর্জন
  2. চরম দারিদ্র্য দূরীকরণ
  3. সমৃদ্ধ দেশের মর্যাদা অর্জন
  4. উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০:
- জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির কারণে কাঙ্খিত উন্নয়নের দীর্ঘমেয়াদি চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকার 'বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০' নামে একটি মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে।
- ২০৩০ সালের মধ্যে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা অর্জন এবং চরম দারিদ্র্য দূরীকরণসহ ২০৪১ সালের মধ্যে একটি সমৃদ্ধ দেশের মর্যাদা অর্জনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ বাংলাদেশের স্বল্প ও মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনাসমূহের সমন্বয় করবে।
বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ প্রাথমিকভাবে ২০৫০ পর্যন্ত মধ্যমেয়াদি ডেল্টা এজেন্ডা ঘিরে প্রণীত হলেও, তাতে ২০৫০ পরবর্তী দীর্ঘমেয়াদি এজেন্ডার বিষয়েও আলোকপাত করা হয়েছে।
- নেদারল্যান্ডসের ডেল্টা ব্যবস্থাপনার অভিজ্ঞতার আলোকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত উত্তম চর্চা (Best Practice) অনুসরণে বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ প্রণয়নে নেদারল্যান্ডস্ সরকারের সার্বিক সহায়তা গ্রহণ করা হয়েছে।
- নেদারল্যান্ডস্ ও স্থানীয় বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতায় বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি) বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ প্রণয়ন করেছে।

উৎস: ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০
.
ক্ষমতা বন্টন নীতির ভিত্তিতে সরকারের শ্রেণিবিভাগ কোনটি?
  1. এককেন্দ্রিক ও রাষ্ট্রপতি শাসিত
  2. যুক্তরাষ্ট্রীয় ও সংসদীয়
  3. এককেন্দ্রিক ও যুক্তরাষ্ট্রীয়
  4. মন্ত্রিপরিষদ শাসিত ও রাষ্ট্রপতি শাসিত
ব্যাখ্যা
ক্ষমতা বণ্টনের নীতির উপর ভিত্তি করে সরকারকে দুই শ্রেণীতে ভাগ করা যায়:
এককেন্দ্রিক সরকার (Unitary Government) এবং
যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার (Federal Government)।

এককেন্দ্রিক সরকার (Unitary Government):
এই সরকার ব্যবস্থায় রাষ্ট্র সামগ্রিকভাবে কেন্দ্র থেকে পরিচালিত হয়। এককেন্দ্রিক সরকার ব্যবস্থায় প্রাদেশিক সরকার থাকে না। তবে প্রাদেশিক প্রশাসন থাকতে পারে যা কোন প্রাদেশিক সরকার নয়। প্রাদেশিক প্রশাসন কেন্দ্রিয় প্রশাসনের সহায়ক হিসেবে ভূমিকা পালন করে। ফলে কেন্দ্র ও প্রদেশের মধ্যে ক্ষমতা বণ্টনের প্রয়োজন নেই। যুক্তরাজ্য, বাংলাদেশ, জাপান প্রভৃতি দেশে এককেন্দ্রিক সরকার রয়েছে।

এককেন্দ্রিক সরকারের সুবিধাসমূহ
১. জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা
২. দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ
৩. সাংগঠনিক সহজবোধ্যতা
৪. সরকারি ব্যয় কম

যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার (Federal Government)
একাধিক স্বায়ত্বশাসিত প্রদেশ মিলে যখন একটি সরকার গঠন করে তখন তাকে যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার বলে।
বস্তুত এ ধরনের সরকার ব্যবস্থায় সংবিধানের মাধ্যমে কেন্দ্র ও প্রদেশের মধ্যে ক্ষমতা আংশিকভাবে প্রাদেশিক বা আঞ্চলিক সরকারের হাতে এবং জাতীয় বিষয়গুলো কেন্দ্রিয় সরকারের হাতে ন্যস্ত থাকে।
প্রদেশ ও কেন্দ্র উভয়েই ক্ষমতা লাভ করে এবং নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে স্বাধীনতা বজায় রেখে নিজ নিজ শাসন পরিচালনা করতে পারে।
তাই যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারকে দ্বৈত সরকারও বলা হয়।
যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ভারত প্রভৃতি দেশে যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। 

যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারের সুবিধা বা গুণাবলিগুলো হল-
১. জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা 
২. স্থানীয় সমস্যা সমাধান 
৩. কেন্দ্রীয় সরকারের কাজের চাপ হ্রাস পায় 
৪. শক্তিশালী রাষ্ট্র গঠনে উপযোগী 
৫. নেতৃত্বের বিকাশ 
৬. রাজনৈতিক চেতনা বৃদ্ধি 

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা দ্বিতীয় বর্ষ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
২০২৪-২৫ অর্থবছরের পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেটে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া খাত কোনটি?
  1. জনপ্রশাসন
  2. কৃষি
  3. শিক্ষা ও প্রযুক্তি
  4. পরিবহন ও যোগাযোগ
ব্যাখ্যা
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে উন্নয়ন বাজেটে অর্থ বরাদ্দের পরিমাণ ২,৮১,৪৫৩ কোটি টাকা।
- পরিচালন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ ৫,১৫,৫৪৭ কোটি টাকা। 
- বাজেটে খাতভিত্তিক বরাদ্দের বিবেচনায় মূল খাতগুলো হলো-
- শিক্ষা ও প্রযুক্তি, পরিবহন ও যোগাযোগ, স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন, কৃষি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানী খাত, স্বাস্থ্য, প্রতিরক্ষা, জনপ্রশাসন এবং সামাজিক নিরাপত্তা ও কল্যাণ।
- সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া ৩টি খাত: 
১ম: জনপ্রশাসন - ১,৭৫,৭৭৪ কোটি টাকা (২২.১%)
২য়: শিক্ষা ও প্রযুক্তি - ১,১১,১৫৭ কোটি টাকা (১৪%)
৩য়: পরিবহন ও যোগাযোগ - ৮২,৯১৮ কোটি টাকা (১০.৪%) ।

উৎস: জাতীয় বাজেট (২০২৪-২৫)
.
নিচের কোনটি দারিদ্র দূরীকরণে সরকারের গৃহীত কর্মসূচী?
  1. কাবিখা কর্মসূচি
  2. ইজিপিপি কর্মসূচি
  3. টিআর কর্মসূচি
  4. উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা
- সবগুলোই দারিদ্র দূরীকরণে সরকারের গৃহীত কর্মসূচী।

কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি (কাবিখা) কর্মসূচীর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য :
- প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ গ্রামীন অবকাঠামো  নির্মাণ /পুননির্মাণ
- স্বাভাবিক অবস্থায় গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য এই কর্মসূচীর আওতায় বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন
- গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি
- গ্রামীণ দরিদ্র জনগনের আয় বৃদ্ধি
- দেশের সর্বত্র খাদ্য সরবরাহের ভারসাম্য আণয়ন  এবং
- দারিদ্র বিমোচনে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্ট

অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি(ইজিপিপি)
- মূলত এলাকার অতিদরিদ্র এবং মৌসুমী বেকার শ্রমিক পরিবারের জন্য এই প্রকল্প

কর্মসূচির উদ্দেশ্য-
    কর্মহীন মৌসুমে স্বল্পমেয়াদী কর্মসংস্থান
    স্বল্পমেয়াদী কর্মসংস্থানের মাধ্যমে কর্মক্ষম দুস্থ পরিবারগুলোর সুরক্ষা

টেস্ট রিলিফ (টিআর) কর্মসূচীর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য
- সামাগ্রিকভাবে দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাসের জন্য গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ
- গ্রামীণ এলাকায় অপেক্ষাকৃত দুর্বল ও দরিদ্র জনগণের কর্মসংস্থান সৃষ্টি (সম্পদের ২০%);
- শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ ও মন্দির মেরামত ও উন্নয়ন করা;
- গ্রামীণ এলাকায় খাদ্যশস্য সরবরাহ ও জনগণের খাদ্য নিরাপত্তা বিধানে সহায়তা করা;
- দারিদ্র বিমোচনে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি;
    
উৎস: সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ওয়েবসাইট।
.
SVRS ২০২৩ রিপোর্ট অনুযায়ী, বর্তমানে মোট জন্মশীলতার হার/Total fertility rate (TFR) কত?
  1. ২.৪০
  2. ২.৩১
  3. ২.১৭
  4. ১.৯৪
ব্যাখ্যা
মোট জন্মশীলতার হার/Total fertility rate (TFR):
- মোট জন্মশীলতার হার (টিএফআর) হলো প্রজনন ক্ষমতার একটি সংক্ষিপ্ত পরিমাপ, যা প্রতিটি একক বছরের জন্য প্রতিটি বয়সভিত্তিক গোষ্ঠীর নারীদের সন্তান জন্মদানের বয়সের জন্য নির্দিষ্ট বয়সের জন্মহারকে নির্দেশ করে।
- এসভিআরএস ২০২৩ এ প্রতি নারীর বিপরীতে টিএফআরের মান দাঁড়িয়েছে ২.১৭।
- প্রত্যাশা অনুযায়ী, পল্লি নারীদের মধ্যে টিএফআরের অনুপাত শহরের তুলনায় বেশি।
- পল্লি অঞ্চলে প্রতি নারীর বিপরীতে টিএফআরের মান ২.৩১।
- শহরাঞ্চলে এ হার পাওয়া গেছে ১.৭৮। 
- বিভাগভিত্তিক হিসাবে চট্টগ্রাম বিভাগে সর্বোচ্চ টিএফআর (২.৪৮) রেকর্ড করা হয়েছে।
- এর পরের অবস্থানে রয়েছে ময়মনসিংহ বিভাগ (২.৪০)। 
- সবচেয়ে কম টিএফআর রেকর্ড করা হয়েছে ঢাকা বিভাগে।
- এ বিভাগে টিএফআরের মান ১.৯৪।
- ধর্মভিত্তিক পর্যালোচনায় দেখা যায়, মুসলিম নারীরা অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের তুলনায় বেশি প্রজননক্ষম।
- মুসলিম নারীদের মধ্যে মাথাপিছু টিএফআর হার ২.২৩।

উৎস: SVRS ২০২৩ রিপোর্ট।
১০.
বাংলাদেশ কত সালে জাতিসংঘ ঘোষিত খাদ্য নিরাপত্তা নীতিতে স্বাক্ষর করে?
  1. ১৯৭৮ সালে
  2. ১৯৮৮ সালে
  3. ১৯৯২ সালে
  4. ১৯৯৮ সালে
ব্যাখ্যা
- খাদ্য নিরাপত্তা হল স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য সব সময় পর্যাপ্ত পরিমাণে নিরাপদ এবং পুষ্টিকর খাদ্য প্রাপ্তির নিশ্চয়তা।
- বাংলাদেশের জাতীয় খাদ্য নীতিতে (২০০৬) খাদ্য নিরাপত্তার তিনটি শর্ত হল: খাদ্যের লভ্যতা, খাদ্য প্রাপ্তির ক্ষমতা ও খাদ্য ভোগ। 
- ১৯৭০ এর দশকে জাতিসংঘ প্রথম খাদ্য নিরাপত্তার কথা বলে।
- ১৯৭৫ সালে জাতিসংঘে অনুষ্ঠিত হয় বৈশ্বিক খাদ্য সম্মেলন (world food summit)।
- পরবর্তীতে জাতিসংঘ ১৯৮০'র দশকে খাদ্য নিরাপত্তা বিশ্লেষণে তিনটি সূচকের কথা বলে।
- এগুলো হল-
খাদ্যের পর্যাপ্ততা (availability of food)
খাদ্য প্রাপ্তি (access to food) এবং
খাদ্য বাজারের স্থিতিশীলতা (stability of food market)।
- বাংলাদেশ ১৯৮৮ সালে জাতিসংঘ ঘোষিত খাদ্য নিরাপত্তা নীতিতে স্বাক্ষর করে

বস্তুত খাদ্যে নিরাপত্তাকে তিনটি প্রধান বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত করে আলোচনা করা হয়।
আর এগুলো হল-
খাদ্যের পর্যাপ্ততা (food availability),
খাদ্য প্রবেশাধিকার (access to food) এবং
পুষ্টি ও ভোগ (utilization and nutrition)।

খাদ্যের পর্যাপ্ততা বলতে বুঝায় খাদ্যের প্রচুর উৎপাদন ও বাজারে খাদ্যের ব্যাপক উপস্থিতি। এটি দু'ভাবে অর্জিত হয়: প্রথমত, দেশীয় উৎপাদনের মাধ্যমে দ্বিতীয়ত, আমদানী কিংবা বৈদেশিক খাদ্য সহায়তার মাধ্যমে।

খাদ্য প্রবেশাধিকার মানে খাদ্য ক্রয় করার ক্ষমতা বা খাদ্য প্রাপ্তির অর্থনৈতিক ভিত্তি। অভ্যন্তরীণ বাজারে খাদ্যের প্রচুর সরবারাহ সত্ত্বেও অর্থের অভাবে জনগণের একটি বড় অংশ খাদ্য না পেতে পারে। বাংলাদেশে ৩০ ভাগ মানুষ কিংবা আফ্রিকার দরিদ্র জনগোষ্ঠী এর নির্মম উদাহরণ। এজন্য খাদ্য নিরাপত্তার একটি প্রধান আলোচ্য বিষয় ব্যক্তির খাদ্য ক্রয় ক্ষমতা।

অন্যদিকে, পুষ্টি ব্যক্তির খাদ্য গ্রহণ ও সুষম বিন্যাসের উপরই নির্ভর করে।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা দ্বিতীয় বর্ষ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
নিচের কোনটি পৌরনীতি ও নাগরিকতা এর কেন্দ্রবিন্দু?
  1. পৌর বা নগর
  2. রাষ্ট্র
  3. জাতি
  4. নাগরিক
ব্যাখ্যা
- পৌরনীতি ও নাগরিকতা নামের মাঝেই এর বিষয়বস্তু লক্ষ্য করা যায়।
- এ বিষয়ের কেন্দ্রবিন্দু হল নাগরিক।
- রাষ্ট্রে বা প্রাচীন অর্থে পৌরের অধিবাসীর বিষয়বস্তুই পৌরনীতি ও নাগরিকতা'র বিষয়বস্তু।

এর পরিধি হল-
১. নাগরিকতা সম্পর্কিত বিষয়
২. রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানসমূহের আলোচনা
৩. নাগরিকের স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ভূমিকা
৪. নাগরিকের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যত
৫. আচার-আচরণ নিয়ন্ত্রণ

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা দ্বিতীয় বর্ষ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
বাংলাদেশের ১৭ তম অ্যাটর্নি জেনারেল কে? [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. জনাব মোহাম্মদ অনীক রুশদ হক
  2. জনাব মোঃ আসাদুজ্জামান
  3. জনাব মুহাম্মদ আবদুল জব্বার ভুঞা
  4. জনাব মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ
ব্যাখ্যা
অ্যাটর্নি জেনারেল:
- অ্যাটর্নি জেনারেল হলো বাংলাদেশ সরকারের প্রধান ও মুখ্য আইন পরামর্শক এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রধান আইনজীবী।
- অ্যাটর্নি জেনারেল সাধারণত সুপ্রিম কোর্টের সম্মানীয় জ্যেষ্ঠ আইনজীবীগণের মধ্য থেকে সরকার কর্তৃক নিয়োগ প্রাপ্ত হন।
- বাংলাদেশের ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন জনাব মোঃ আসাদুজ্জামান। [ডিসেম্বর, ২০২৪]
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৪(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিযুক্ত হন।

উৎস: i) এটর্নি জেনারেলের কার্যালয় ওয়েবসাইট।
ii) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
১৩.
Rules of Business কে প্রণয়ন করেন?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. সংসদ
  4. মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি:
- রাষ্ট্রপতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান।
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে অবস্থান করেন।
- সংসদীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা বিদ্যমান থাকায় বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি একটি অলংকারিক পদ মাত্র।
- কেবল প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ব্যতীত অন্যান্য সকল বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর পূর্বানোমোদন প্রয়োজন হয়।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে নিয়োগ লাভের জন্য তাঁকে ৩৫ বছর বয়স্ক হতে হবে।
- একই সাথে সংসদ সদস্য হবার যোগ্যতাও থাকতে হবে।
- সংসদে অভিশংসনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতিকে পদচ্যুত করা যায়।
- রাষ্ট্রপতি সরকারি কার্যাবলি বন্টন ও পরিচালনার জন্য বিধিসমূহ (Rules of Business) প্রণয়ন করেন।
- ৫৫(৬) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি সরকারী কার্যাবলী বন্টন ও পরিচালনার জন্য বিধিসমূহ প্রণয়ন করবেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা দ্বিতীয় বর্ষ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
বাংলাদেশের সংবিধান।
১৪.
সংসদের নেতা কে?
  1. স্পীকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. চিপ হুইপ
  4. প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
প্রধানমন্ত্রী:
- বাংলাদেশ সাধারণ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের প্রধানই প্রধানমন্ত্রী। 
- সংসদ সদস্য পদের যোগ্যতা ও প্রধানমন্ত্রী পদের যোগ্যতা একই।
- ২৫ বছর বয়স্ক যে কোন বাংলাদেশী নাগরিক সংসদ সদস্য থাকা সাপেক্ষে প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগ পেতে পারেন।
- সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি বা রাষ্ট্রপ্রধান সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের প্রধানকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করেন।
- সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারী।
- প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদ নেতা।
- সংসদ অধিবেশন আহবান, স্থগিত বা ভেঙ্গে দিতে রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ দেন।
- তার নেতৃত্বে সংসদে আইন প্রণীত হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা দ্বিতীয় বর্ষ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
বাংলাদেশের বিচার কাঠামোর সর্বোচ্চ বিভাগ কোনটি?
  1. জেলা জজ আদালত
  2. প্রশাসনিক ট্রাইবুনাল
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. আপিল বিভাগ
ব্যাখ্যা
সুপ্রীম কোর্টের গঠন
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতের নাম সুপ্রীম কোট।
- সুপ্রীম কোর্টের প্রধান হল প্রধান বিচারপতি।
- বাংলাদেশী কোন নাগরিক ১০ বছর এডভোকেট হিসেবে অভিজ্ঞতা থাকলে বা ১০ বছর বিচার বিভাগীয় কোন পদে চাকুরি করলে সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হিসেবে নিয়োগ লাভের যোগ্য বলে বিবেচিত হন।
- এ আদালতের দু'টি বিভাগ রয়েছে যথা- হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগ। 

হাইকোর্ট বিভাগ
- প্রাথমিক মামলা গ্রহণের সর্বোচ্চ আদালত হল হাইকোর্ট। 

হাইকোর্ট বিভাগের নিম্নলিখিত ক্ষমতা ও কার্যাবলি রয়েছেঃ
ক. বাংলাদেশের সংবিধানে বর্ণিত মৌলিক অধিকার নিশ্চিতকরণে কোন সরকারি কর্মচারী বা কর্তৃপক্ষকে হাইকোর্ট উপযুক্ত নির্দেশ দিতে পারেন।
খ. প্রজাতন্ত্রের (সরকারের) কোন কর্মচারী বা কর্তৃপক্ষকে বেআইনী কাজ বন্ধ করতে অথবা করণীয় সম্পর্কে নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।
গ. অধঃস্তন আদালতের কোন রায়ের প্রেক্ষিতে হাইকোর্টে আপিল করতে পারবেন।
ঘ. কোন ব্যক্তির আবেদন সত্ত্বেও যদি হাইকোর্ট মনে করে উন্নয়ন কাজ বা জনস্বার্থ বাধাগ্রস্থ হবে তবে কোন আদেশ দান না করার ক্ষমতা হাইকোর্টের রয়েছে।
ঙ. অধস্তন আদালত পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত আদেশ, নির্দেশ জারি করতে পারে হাইকোর্ট।

আপিল বিভাগ
- বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ এবং সর্বশেষ আশ্রয়স্থল হল আপিল বিভাগ।
- হাইকোর্ট বিভাগের আদেশের প্রেক্ষিতেই কেবল এখানে আপিল করা যায়। 

নিচে আপিল বিভাগের ক্ষমতা ও কার্যাবলি আলোচনা করা হল-
১. হাইকোট বিভাগের রায়, ডিক্রি, আদেশ বা দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল শুনানির ও তাহা নিস্পত্তির এখতিয়ার ও ক্ষমতা রয়েছে।
২. এ বিভাগের কোন ঘোষিত রায় বা প্রদত্ত আদেশ পুনর্বিবেচনা করতে পারে।
৩. রাষ্ট্রপতির প্রয়োজন মোতাবেক আপিল বিভাগ আইন বিষয়ে মতামত জ্ঞাপন করতে পারে।
৪. সম্পূর্ণ ন্যায় বিচারের স্বার্থে কোন ব্যক্তিকে আদালতে হাজির করা ও কাগজপত্র পেশ করার আদেশ দিতে পারে

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা দ্বিতীয় বর্ষ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
জেলা প্রশাসনের প্রধান কে?
  1. কমিশনার
  2. ডেপুটি কমিশনার
  3. অ্যাসিস্টেন্ট কমিশনার
  4. ইউএনও
ব্যাখ্যা
জেলা প্রশাসন:
- একটি জেলার মধ্যে সকল ধরনের আইন শৃঙ্খলা রক্ষা করা, কর আদায় এবং উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড পরিচালনার দায়দায়িত্ব বর্তায় জেলা প্রশাসনের হাতে।
- একজন ডেপুটি কমিশনার জেলা প্রশাসনের প্রধান।
- ডেপুটি কমিশনার বা জেলা প্রশাসক হল জেলা প্রশাসনের প্রাণ।

জেলা প্রশাসনের কার্যাবলি:
জেলার প্রধান হিসেবে জেলা প্রশাসকের কার্যসমূহ নিম্নরূপ:
- প্রশাসন সংক্রান্ত কাজ
- আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত কাজ
- রাজস্ব সংক্রান্ত কাজ
- উন্নয়নমূলক কাজ
- সমন্বয় সংক্রান্ত কাজ
- স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত কাজ
- বিচারিক কাজ

উল্লেখ্য,
- কমিশনার বিভাগীয় প্রশাসনের প্রধান।
- উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) উপজেলা প্রশাসনের প্রধান।

উৎস: পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
কোন অধিদপ্তরকে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী ক্লাস্টারে লিডিং অধিদপ্তর হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে?
  1. সমাজসেবা অধিদপ্তর
  2. স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর
  3. দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর
  4. পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর
ব্যাখ্যা
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়:
- সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় বাংলাদেশের পিছিয়েপড়া এবং অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর মানবসম্পদ উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, কল্যাণ, উন্নয়ন ও ক্ষমতায়ন সাথে সংশ্লিষ্ট একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়।
- সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় বয়স্কভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, এসিডদগ্ধ ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সহায়তা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।
- সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় একইসাথে দেশব্যাপী গ্রামীণ এবং শহুরে উভয় এলাকায় সমাজের পিছিয়েপড়া, অনগ্রসর অংশ, বেকার, ভূমিহীন, অনাথ, দুঃস্থ, ভবঘুরে, নিরাশ্রয়, সামাজিক, বুদ্ধিমত্তা এবং শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, দরিদ্র, অসহায় রোগী, ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদের কল্যাণ ও উন্নয়নে বহুমাত্রিক এবং নিবিড় কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫(ঘ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও মন্ত্রণালয়ের সাথে সংযুক্ত দপ্তর ও সংস্থাসমূহের মাধ্যমে এ সকল কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।

সমাজসেবা অধিদপ্তর:
- সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচিসমূহ বাস্তবায়নে যে সকল মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তর কাজ করে থাকে তার মধ্যে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়াধীন সমাজসেবা অধিদপ্তর অন্যতম।
- সামাজিক নিরাপত্তা কৌশল (NSSS) -২০১৫ এ সমাজসেবা অধিদপ্তরকে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী ক্লাস্টারে লিডিং অধিদপ্তর হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। 

উৎস: সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও সমাজসেবা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
১৮.
বাংলাদেশে মোট কতটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গৃহীত হয়েছে?
  1. ১টি
  2. ৭টি
  3. ৮টি
  4. ৯টি
ব্যাখ্যা
পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা:
- বাংলাদেশ সরকারের “পরিকল্পনা কমিশন” এর ‘সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (General Economic Division)’ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (Fiveyear Plan) প্রণয়ন করে থাকে।
- এ পর্যন্ত মোট আটটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গৃহীত হয়েছে।
- আধুনিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার ধারণা এসেছে মূলত সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে।
- সোভিয়েত নেতা জোসেফ স্ট্যালিন ১৯২৮ সালে প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা চালু করেন।
- এটি শিল্পোন্নয়ন এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছিল।
- পরে এই ধারণা বিভিন্ন দেশে যেমন ভারত ও চীন অবলম্বন করে।
- বাংলাদেশ একটি দ্বিবার্ষিক পরিকল্পনা ও আটটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

এগুলো হল:
(১) প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৭৩-৭৮)
(২) দ্বিবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৭৮-৮০)
(৩) দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৮০-৮৫)
(৪) তৃতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৮৫-৯০)
(৫) চতুর্থ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৯০-৯৫)
(৬) পঞ্চম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৯৭-২০০২)
(৭) ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১১-২০১৫)
(৮) সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১৬-২০২০)
(৯) অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (জুলাই ২০২০-জুন ২০২৫): অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) কর্তৃক ২৯ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখে অনুমোদিত হয়।

উৎস: পরিকল্পনা বিভাগ, জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
Britannica.