পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়18 minutes২৪ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন২৫
সিলেবাস
রিভিশন কুইজ [১৫০ দিনের সিলেবাসের বিগত ৫টি পরীক্ষার টপিকের উপর। আর্কাইভে টপিকগুলোর নাম পাবেন।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৫ প্রশ্ন

.
প্রাচীন মেসোপটেমিয়া অঞ্চলের নগর সভ্যতা নয় কোনটি?
  1. ক) সুমেরীয় সভ্যতা
  2. খ) ব্যবিলনীয় সভ্যতা
  3. গ) অ্যাশেরীয় সভ্যতা
  4. ঘ) ন্যামেরিয়ান সভ্যতা
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা হলো মেসোপটেমীয় সভ্যতা। বর্তমান ইরাকের ইউফ্রেতিস ও টাইগ্রিস নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চলে খ্রিস্টপূর্ব প্রায় ৫০০০ বছর পূর্বে মেসোপটেমীয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল। সুমেরীয়, ব্যাবিলনীয়, অ্যাসেরীয় এবং ক্যালডীয় সভ্যতা মেসোপটেমীয় সভ্যতার অন্তর্ভুক্ত। এদের মধ্যে সবার আগে গড়ে উঠেছিল সুমেরীয় সভ্যতা। চাকা, কিউনিফর্ম লিখনপদ্ধতি, জলঘড়ি ও চন্দ্রপঞ্জিকা আবিষ্কারের জন্যে সুরেমীয়রা বিখ্যাত। মেসোপটেমিয়ায় সবার শেষে ক্যালডীয সভ্যতা গড়ে উঠেছিল। (সূত্র: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
.
পার্ল হারভার যুক্তরাষ্ট্রের কোন অঙ্গরাজ্যে অবস্থিত?
  1. ক) আটলান্টা
  2. খ) সানফ্রানসিসকো
  3. গ) হাওয়াই
  4. ঘ) আলাস্কা
ব্যাখ্যা
পার্ল হারবার হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অধিভুক্ত হওয়াই দ্বীপপুঞ্জে অবস্থিত একটি নৌ ও বিমান ঘাঁটি। সামরিক কৌশলগত দিক দিয়ে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। ১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপান এ অঞ্চলে আক্রমণ চালিয়ে তা দখল করে নেয়। এ আক্রমণের মাধ্যমেই যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। যুক্তরাষ্ট্র ১৯৪৫ সালে হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণ ঘটালে জাপান আত্মসমর্পণে বাধ্য হয় এবং পার্ল হারবার যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ফিরিয়ে দেয়। বর্তমানে এটি যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণাধীনে রয়েছে। পার্ল হারবার প্রাকৃতিক ও নৈসর্গিক দৃশ্য হলেও এর সামরিক ও রাজনৈতিক গুরুত্ব অনেক বেশি। এখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সামরিক ঘাঁটি করে প্রশান্ত মহাসাগরের ওপর নজর রাখতে সক্ষম হচ্ছে।
রেফারেন্সঃ ব্যাখ্যার লেখাটা উইকি থেকে নেয়া তবে আমরা আলাদাভাবে ভেরিফাই করে নিয়েছি। আপনারা যাচাই না করে উইকি থেকে পড়বেন না।
.
ক্রুসেডের যুদ্ধে ইংল্যাডের রাজা রিচার্ডের প্রতিপক্ষ কে ছিলেন?
  1. ক) মেসন
  2. খ) সালাহউদ্দিন
  3. গ) ওমর
  4. ঘ) খালিদ বিন ওয়ালিদ
ব্যাখ্যা

সালাহ্উদ্দিন আইয়্যূবীর পরিচয় : গাজী সালাহ্উদ্দিন আইয়্যূবী ১১৩৮ সালে তাইগ্রীস নদীর তীরে তিকরিত নামক স্থানে এক কুর্দি পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। তাঁর পূর্ণ নাম সালাহ্উদ্দিন ইউসূফ বিন আইয়্যূব। ‘সালাহ্উদ্দিন’ শব্দের অর্থ ‘সততার প্রতি বিশ্বস্ত’। পিতা-মাতা ছিলেন কুর্দি। পিতা নজমুদ্দিন আইয়্যূব ইমামুদ্দিন জঙ্গী কর্তৃক বালাবাক্ক-এর সেনাপ্রধান নিযুক্ত হন। সালাহ্উদ্দিন আইয়্যূবীর বাল্য, কৈশর ও প্রাথমিক দিনগুলি কেটেছে সিরিয়ায়। ১১৬৪ সাল পর্যন্ত জনসমক্ষে তিনি পরিচিতি পাননি। ১১৬৪ সালে চাচা শিরকুহের সঙ্গে অনিচ্ছা সত্তে¡ও মিসরে যেতে বাধ্য হন। এটাই তাঁর প্রথম অভিযান, আর এর মাধ্যমেই তাঁর সৌভাগ্যের সূচনা হয়। এখানে এসে তিনি দুটো উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করেন: ১. শিয়া সম্প্রদায়ের পরিবর্তে সুন্নী কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা এবং ২. ক্রুসেড বা ধর্মযুদ্ধে ফ্রাঙ্কদের প্রতিহত করা। বিশেষ করে ক্রুসেডারদের বিরুদ্ধে কৃতিত্বপূর্ণ সাফল্য লাভ করে তিনি গাযী উপাধি লাভ করেন এবং পরবর্তী ইতিহাসে তিনি একজন যোদ্ধা হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন।
রেফারেন্সঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস ২য় পত্র বই
উল্লেখ্য, King Richard কে Richard the Lionheart ও বলা হয়ে থাকে। 

.
কে বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলনের নেতা ছিলেন না?
  1. ক) মার্টিন লুথার কিং
  2. খ) ম্যালকম এক্স
  3. গ) নেলসন ম্যান্ডেলা
  4. ঘ) উল্লিখিত সবাই বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলনের নেতা ছিলেন
ব্যাখ্যা
বিশ শতকের দিকে বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন ব্যাপকতা পায়। তখন বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে জোরদার হয়ে ওঠে বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বর্ণবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছিলেন বেশ কয়েকজন নেতা। তাঁরা জীবনের বেশিরভাগ সময় ব্যয় করেছেন মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে। এক্ষেত্রে ভারতের মহাত্মা গান্ধী, দক্ষিণ আফ্রিকার নেলসন ম্যান্ডেলা, ডেসমন্ড টুটু, আমেরিকার মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র, ম্যালকম এক্স প্রমুখের নাম বলা যেতে পারে।
.
কোনটি ব্যাতিক্রম?
  1. ক) উসমানীয় সাম্রাজ্য
  2. খ) উমাইয়া সাম্রাজ্য
  3. গ) তুর্কি সাম্রাজ্য
  4. ঘ) ওটোমান সম্রাজ্য
ব্যাখ্যা

অটোম্যান সাম্রাজ্যকে উসমানীয় সাম্রাজ্য বা তুর্কি সাম্রাজ্যও বলা হয়ে থাকে। উমাইয়া খিলাফত ব্যাতিক্রম।
উমাইয়া খিলাফতঃ
খুলাফায়ে রাশিদীনের পতনের পর হযরত মুয়াবিয়া (রা.) ৬৬১ খ্রিস্টব্দে সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে যে খিলাফত প্রতিষ্ঠা করেন তা ‘উমাইয়া খিলাফত’ নামে পরিচিত। এই বংশটি ৭৫০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত শাসনকার্য পরিচালনা করে। এই বংশে মোট ১৪ জন খলীফা ছিলেন।
এই বংশের শাসন প্রতিষ্ঠা করেন মুয়াবিয়া ইবনে আবু সুফিয়ান (রা.)। সিরিয়ার দামেস্কে ছিল তার রাজধানী। উমাইয়া বংশ কুরাইশ গোত্রের একটি শাখা।
হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর পঞ্চম উর্ধ্বতন পুরুষ ছিলেন আবদে মানাফ। আবদে মানাফের ৬ পুত্রের মধ্যে হাশিম, মুত্তালিব ও আবদে শামস ছিলেন সহোদর ভাই। হযরত মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন হাশিমের বংশধর। আর আবদে শামসের এক পুত্রের নাম ছিল উমাইয়া।
উমাইয়ার সন্তানরাই উমাইয়া বা বনী উমাইয়া বলে পরিচিতি লাভ করে।
সুত্রঃ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্য বই।

.
‘গাইব, মা, বীর রসে ভাসি, মহাগীত’- কার রচিত লাইন?
  1. ক) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  2. খ) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
  3. গ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. ঘ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
ব্যাখ্যা
উক্ত উদ্ধৃতিটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ এর অংশ। কাব্যের শুরুতেই দেবী বন্দনায় কবি বলেছেন, ‘গাইব, মা, বীর রসে ভাসি, মহাগীত’। সূত্র- শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, মোহসীনা নাজিলা
.
প্রমথ চৌধুরী মূলত একজন-
  1. ক) প্রাবন্ধিক
  2. খ) গল্পকার
  3. গ) নাট্যকার
  4. ঘ) কবি
ব্যাখ্যা

প্রমথ চৌধুরী মূলত প্রাবন্ধিক।
বাংলা সাহিত্যে চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক হলেন প্রমথ চৌধুরী। প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম ছিল বীরবল। তার ১৯১৬ সালে প্রকাশিত 'বীরবলের হালখাতা' প্রথম চলিত রীতিতে লিখিত গ্রন্থ। এটি ১৯০২ সালে প্রথম ভারতী পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় প্রকাশিত সবুজপত্র পত্রিকা (১৯১৪) চলিত রীতি প্রবর্তনে মূল ভূমিকা পালন করে। বাংলা সাহিত্যে ইতালীয় সনেটের প্রবর্তকও প্রমথ চৌধুরী।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার এবং শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।

.
নিচের কোনটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস নয়?
  1. ক) দৃষ্টিপ্রদীপ
  2. খ) আরণ্যক
  3. গ) ইছামতি
  4. ঘ) মুখোশ ও মুখশ্রী
ব্যাখ্যা
মুখোশ ও মুখশ্রী বিভূতিভূষণের একটি গল্প সংকলনের নাম। এছাড়াও, মুখোশ ও মুখশ্রী নামে সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর একটি প্রবন্ধ সংকলন রয়েছে।
.
বুদ্ধদেব বসু রচিত প্রবন্ধ কোনটি?
  1. ক) রেখাচিত্র
  2. খ) মরচে পড়া পেরেকের গান
  3. গ) হঠাৎ আলোর ঝলকানি
  4. ঘ) পাতাল থেকে আলাপ
ব্যাখ্যা
হঠাৎ আলোর ঝলকানি, কালের পুতুল, সাহিত্য চর্চা, রবীন্দ্রনাথ: কথাসাহিত্য ইত্যাদি বুদ্ধদেব বসু রচিত প্রবন্ধ। উৎস: লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
১০.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সম্পর্কিত কোন তথ্যটি ভুল?
  1. ক) ‘য়ুরোপ প্রবাসীর ডায়রি’ তাঁর রচিত ভ্রমণ কাহিনী
  2. খ) কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্তকে ‘ছন্দের জাদুকর’ উপাধি দেন
  3. গ) ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়কে ‘ভাষাচার্য’ উপাধি দেন
  4. ঘ) বুদ্ধদেব বসুর কবিতা সম্পর্কে বলেছেন ‘চিত্ররূপময়’
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
অপশন (খ) এবং (ঘ) উভয়ই তথ্যই ভুল।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জীবনানন্দ দাশের কবিতা সম্পর্কে বলেছেন ‘চিত্ররূপময়’।
‘য়ুরোপ প্রবাসীর ডায়রি’ নামে রবীন্দ্রনাথের কোন বই নেই।
একাধিক বইয়ে তিনি লিপিবদ্ধ করেছিলেন তার বিশ্বভ্রমণের অভিজ্ঞতা। এই বইগুলো হলোঃ 'য়ুরোপ-প্রবাসীর পত্র' (১৮৮১), 'য়ুুরোপ-যাত্রীর ডায়েরি' (১৮৯১, ১৮৯৩), 'জাপান-যাত্রী' (১৯১৯), 'যাত্রী' ('পশ্চিম-যাত্রীর ডায়েরি' ও 'জাভা-যাত্রীর পত্র', ১৯২৯), 'রাশিয়ার চিঠি' (১৯৩১), 'পারস্যে' (১৯৩৬) ও 'পথের সঞ্চয়' (১৯৩৯)।
সূত্রঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, মোহসীনা নাজিলা।
১১.
পার্বত্য চট্টগ্রামের সর্বপ্রাচীন জাতি কোনটি?
  1. ক) চাকমা
  2. খ) মারমা
  3. গ) রাখাইন
  4. ঘ) ম্রো
ব্যাখ্যা
ম্রো পার্বত্য চট্টগ্রামের সর্বপ্রাচীন জাতি এবং বান্দরবান জেলার দ্বিতীয় বৃহত্তম জাতি। ম্রোদের আদি নিবাস মায়ানমারের আরাকান রাজ্য। ম্রোরা মূলত প্রকৃতি পূজারী হলেও অধিকাংশই বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। তবে কয়েক বছর আগে ম্রোদের মধ্যে একটা নতুন ধর্ম ‘ক্রামা’ আর্বিভাবের ফলে বর্তমানে ম্রোদের একটি অংশ ক্রামা ধর্মের অনুসারী। সূত্র- http://www.nrigostisanad.gov.bd/nrri-goshthi
১২.
‘রাসোৎসব’ কাদের প্রধান উৎসব?
  1. ক) মণিপুরী
  2. খ) সাঁওতাল
  3. গ) তঞ্চঙ্গা
  4. ঘ) গারো
ব্যাখ্যা
মণিপুরীদের প্রধান উৎসব ‘রাসোৎসব’। ভাষাগত এবং ধর্মীয় ভিন্নতার কারণে বাংলাদেশের মণিপুরীরা তিনটি শাখায় বিভক্ত এবং স্থানীয়ভাবে তারা (১) বিষ্ণুপ্রিয়া, (২) মৈতৈ ও (৩) পাঙন নামে পরিচিত। বাংলাদেশের মণিপুরীদের মধ্যে বিষ্ণুপ্রিয়ারা সংখ্যাগরিষ্ঠ। এরা বৈষ্ণব ধর্মের অনুসারী। সূত্র- http://www.nrigostisanad.gov.bd/nrri-goshthi
১৩.
ইংল্যান্ডের বাজারে ২০২০ সালে আসা নতুন ৫০ পাউন্ডের নোটে ছাপানো হয়েছে কার মুখ?
  1. ক) ড.মুহাম্মদ ইউনুস
  2. খ) ফজলে হোসেন আবেদ
  3. গ) স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু
  4. ঘ) শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
বাঙালী বিজ্ঞানী আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসুর মুখের প্রতিচ্ছবি দেখা যাবে ইংল্যান্ডের পাউন্ডে। ইংল্যান্ডের বাজারে ২০২০ সালে আসতে চলেছে নতুন ৫০ পাউন্ডের নোট। নোটে ছাপানো হবে বাংলাদেশি এই বিজ্ঞানীর মুখ৷ এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্যাংক অব ইংল্যান্ড। এর আগে নোটে ছাপানোর জন্য একশ’ জন বিজ্ঞানীর নাম উঠে আসে, প্রাথমিকভাবে এই নামগুলোর মধ্যে এগিয়ে ছিলেন স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু। গত মঙ্গলবার এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়। বিজ্ঞানী জগদীশ চন্দ্র বসুর মুখই চূড়ান্ত হয়েছে। সুত্রঃ দৈনিক পত্রিকা।
১৪.
‘The Idea of Justice’ কার রচিত গ্রন্থ?
  1. ক) অমর্ত্য সেন
  2. খ) তাহমিমা আনাম
  3. গ) সৈয়দ আমীর আলী
  4. ঘ) হরগোবিন্দ খোরানা
ব্যাখ্যা
‘The Idea of Justice’ অমর্ত্য সেন রচিত গ্রন্থ। তিনি জনকল্যাণ অর্থনীতি, মানব উন্নয়ন তত্ত্ব ও অর্থনীতিতে ১৯৯৮ সালে নোবেল পুরস্কার পান।
১৫.
স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ ক্যাটাগরিতে স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২০ অর্জন করেন কে?
  1. ক) গোলাম দস্তগীর গাজী (বীর প্রতীক)
  2. খ) মরহুম কমান্ডার (অব.) আবদুর রউফ
  3. গ) মরহুম মুহম্মদ আনোয়ার পাশা
  4. ঘ) উপরের সবাই
ব্যাখ্যা
গোলাম দস্তগীর গাজী (বীর প্রতীক), মরহুম কমান্ডার (অব.) আবদুর রউফ এবং মরহুম মুহম্মদ আনোয়ার পাশা স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ ক্যাটাগরিতে স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২০ অর্জন করেন।
১৬.
ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে ইলিশের নিবন্ধন পায় কোন সংস্থা?
  1. ক) বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (BFRI)
  2. খ) মৎস্য অধিদপ্তর (DOF)
  3. গ) বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (BLRI)
  4. ঘ) বাংলাদেশ মৎস উন্নয়ন কর্পোরেশন (BFDC)
ব্যাখ্যা
ইলিশের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিওগ্রাফিক্যাল ইনডিকেশন) সনদ পেল মৎস্য অধিদপ্তর। শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু ২৪ আগস্ট ২০১৭ রোজ বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে ইলিশের এই সনদ তুলে দিয়েছেন মৎস্য অধিদপ্তরের কাছে। মৎস্য অধিদপ্তরের পক্ষে এর মহাপরিচালক সৈয়দ আরিফ আজাদ এই সনদ নেন। সূত্র- প্রথম আলো
১৭.
স্কেল অনুসারে মানচিত্র কত প্রকার?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা

স্কেলের উপর ভিত্তি করে মানচিত্রকে প্রধান দু’ভাগে ভাগ করা যায়। যথাঃ
১. ক্ষুদ্র স্কেলের মানচিত্র : যখন ব্যাপক এলাকাকে ছোট করে কাগজে অঙ্কন করা হয় তখন তাকে ক্ষুদ্র স্কেলের মানচিত্র বলে। এ ক্ষেত্রে সমগ্র পৃথিবী বা মহাদেশ বা দেশের বড় এলাকাকে একটি ছোট কাগজে দেখানো হয়। ভূ-চিত্রাবলীর মানচিত্র ও দেওয়াল মানচিত্র ক্ষুদ্র স্কেলের মানচিত্র।
২. বৃহৎ স্কেলের মানচিত্রঃ ক্ষুদ্র এলাকাকে বৃহৎ স্কেলে অঙ্কন করে যখন অনেক বড় করে দেখান হয়, তখন তাকে বৃহৎ স্কেলের মানচিত্র বলে। যেমন, ১"=১৬ মাইল; ১৬"= ১মাইল। যেমন মৌজা মানচিত্র বা ক্যাডাস্ট্রাল মানচিত্র, ভূসংস্থানিক মানচিত্র বৃহৎ স্কেলের মানচিত্র।
রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণির ভূগোল বোর্ড বই এবং উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্য বই।

১৮.
নিচের কোন শিলার মধ্যে ভাঁজ ভালো দেখা যায়?
  1. ক) পাললিক শিলা
  2. খ) আগ্নেয় শিলা
  3. গ) রূপান্তরিত শিলা
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

পাললিক শিলা (Sedimentary Rock) -
বৃষ্টি, বায়ু, তুষার, তাপ, সামুদ্রিক ঢেউ ইত্যাদি প্রাকৃতিক শক্তিসমূহ দ্বারা আগ্নেয়শিলা চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়। এই বিচূর্ণীত আগ্নেয়শিলাসমূহ বায়ুপ্রবাহ নদীপ্রবাহ, হিমবাহ, সমুদ্রস্রোত ইত্যাদি দ্বারা একস্থান থেকে অন্যস্থানে বাহিত ও অপসারিত হয়। এই বাহিত শিলা কণাসমূহ ভূ-পৃষ্ঠ অপেক্ষাকৃত নিচু স্থান যেমন হ্রদ বা সমুদ্র তলদেশে ক্রমান্বয়ে সঞ্চিত হতে থাকে। বহু বছর ধরে এভাবে সঞ্চিত শিলারাশির উপরের স্তরগুলোর চাপে নিচেরস্তরগুলো জমাট বেঁধে নতুন এক ধরনের শিলা গঠিত হয় যা পাললিক শিলা নামে পরিচিত। স্তরে স্তরে সঞ্চিত হবার কারণে একে স্তরীভূত শিলা (Stratified Rocks) নামেও অভিহিত করা হয়। আবার, হ্রদ বা সাগরের তলদেশে স্তরে স্তরে সঞ্চিত হবার সময়ে জলজ জন্তুর দেহাবশেষ, উদ্ভিজ্জ ইত্যাদি চাপা পড়ে। প্রচন্ড চাপে এই সমস্ত প্রাণি ও উদ্ভিজ্জ কঠিনাকার ধারণ করে জীবাশ্ম (Fossil) তৈরি করে। পাললিক শিলাতেই কেবলমাত্র এই জীবাশ্মের সন্ধান পাওয়া যায়।
পাললিক শিলার বৈশিষ্ট্য
১। পাললিক শিলা স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয়ে সৃষ্টি হয়;
২। পাললিক শিলায় জীবাশ্ম পাওয়া যায়;
৩। পাললিক শিলা স্ফটিকাকার নয়;
৪। পাললিকা শিলা হালকা, ভঙ্গুর ও তরঙ্গ বিশিষ্ট।
রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণির ভূগোল বোর্ড বই এবং উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্য বই।

১৯.
নিস ও কোয়ার্টজাইট কোন ধরনের শিলা?
  1. ক) রূপান্তরিত শিলা
  2. খ) আগ্নেয় শিলা
  3. গ) পাললিক শিলা
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

রূপান্তরিত শিলা (Metamorphic Rocks) -
ভূ-আন্দোলন, অগ্ন্যুৎপাত , ভূমিকম্পসহ অন্যান্য রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে আগ্নেয় ও পাললিক শিলা অত্যধিক তাপ ও চাপে পরিবর্তিত হয়ে এক নতুন ধরনের শিলার সৃষ্টি করে, যাকে রূপান্তরিত শিলা বলা হয়। যেমন - কাঁদা রূপান্তরিত হয়ে স্লেট, গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে নিসে পরিণত হয়।
রূপান্তরিত শিলার বৈশিষ্ট্যসমূহঃ
১। রূপান্তরিত শিলা স্ফটিক যুক্ত;
২। এই শিলা অত্যন্ত কঠিন;
৩। এই শিলায় জীবাশ্ম নেই;
৪। কোনো কোনো রূপান্তরিত শিলায় ঢেউ খেলানো স্তর দেখা যায়।
রূপান্তরিত শিলার প্রকারভেদঃ
উৎস ও গঠন প্রণালি অনুসারে রূপান্তরিত শিলা দুই প্রকার। যথাঃ
ক. আগ্নেয় শিলা প্রচন্ড তাপে ও চাপে পরিবর্তিত হয়ে আগ্নেয়শিলা থেকে রূপান্তরিত শিলা তৈরি হয়। যেমন: গ্রানাইট থেকে নিস (Gneiss) তৈরি হয়।
খ. পাললিক শিলা প্রচন্ড তাপে ও চাপে পরিবর্তিত হয়ে, পাললিক শিলা থেকে রূপান্তরিত শিলা তৈরি হয়। যেমন: বেলেপাথর থেকে কোয়ার্টজাইট (Quartzite) তৈরি হয়।
রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণির ভূগোল বোর্ড বই এবং উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্য বই।

২০.
খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানে কোন ধরনের বনভূমি রয়েছে?
  1. ক) ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও পাতাঝরা বৃক্ষের বনভূমি
  2. খ) ক্রান্তীয় পাতাঝরা বৃক্ষের বনভূমি
  3. গ) স্রোতজ বনভূমি
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, চট্টগ্রাম ও সিলেটে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও পাতাঝরা বৃক্ষের বনভূমি রয়েছে। সূত্র- ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণী।
২১.
x-3 - 0.001 = 0 হলে, x3 এর মান কত?
  1. ক) 0.001
  2. খ) 10
  3. গ) 100
  4. ঘ) 1000
ব্যাখ্যা

দেওয়া আছে,
x-3 - 0.001 = 0
⇒ x-3 = 0.001
⇒ 1/x3 = 1/1000
∴ x3 = 1000

২২.
a + b = 5 এবং a - b = 1 হলে a2 + b2 এর মান কত?
  1. ক) 10
  2. খ) 11
  3. গ) 12
  4. ঘ) 13
ব্যাখ্যা

আমরা জানি, 2(a2 + b2) = (a + b)2 + (a-b)2
= 52 + 12 = 26
∴ a2 + b2 = 26/2 = 13

২৩.
|x - 5 | < 11 হলে -
  1. ক) -6 < x < 16
  2. খ) -6 < x < 6
  3. গ) -16 < x < 6
  4. ঘ) -16 < x < -6
ব্যাখ্যা

ধনাত্নক ধরে,
x - 5 < 11
∴ x < 16
ঋনাত্নক ধরে,
-(x - 5) < 11
⇒ x - 5 > -11 [ উভয় পক্ষে -1 দ্বারা গুণ করে]
∴ x > -6
অর্থাৎ -6 < x < 16

২৪.
কোন সংখ্যার 50% এর সাথে 50 যোগ করলে যোগফল যদি ঐ সংখ্যাটিই হয়, তাহলে সংখ্যাটি কত?
  1. ক) 40
  2. খ) 200
  3. গ) 50
  4. ঘ) 100
ব্যাখ্যা

ধরি সংখ্যাটি = x
শর্তমতে,
x এর 50% + 50 = x
⇒ (x/2) + 50 = x
⇒ 2x - x = 100
∴ x = 100

২৫.
যদি a + b = 2 এবং ab = 1 হয়, তবে a এবং b এর মান যথাক্রমে-
  1. ক) 0, 2
  2. খ) 1, 1
  3. গ) -1, 3
  4. ঘ) -3, -4
ব্যাখ্যা

প্রথম পদ্ধতিঃ
উক্ত অপশন গুলোর মধ্য একমাত্র খ অপশনটি সমীকরন দুইটিকে সিদ্ধ করে তাই a এবং b এর মান হবে যথাক্রমে 1, 1।
দ্বিতীয় পদ্ধতিঃ
a + b = 2 ......(1)
ab = 1     ......(2)
আমরা জানি,
(a - b)2 = (a+b)2 - 4ab
= 22 -4 = 0
∴ a - b = 0 .....(3)
(1) + (3) হতে পাই,
a = 1 
a এর মান (1) সমীকরণে বসিয়ে পাই,
b = 1
∴ a, b = 1, 1