পরীক্ষা আর্কাইভ

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

পরীক্ষাভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন১৬
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৪ টপিক: রিভিশন (পরীক্ষা ১, ২ ও ৩) [Live Class – 1 to 6]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা · তারিখ অনির্ধারিত · ১৬ প্রশ্ন

.
অ্যাস্ট্রোনোমিক্যাল ইউনিট বলতে কী বোঝায়?
  1. পৃথিবী ও সূর্যের গড় দূরত্ব
  2. আলো এক বছরে অতিক্রান্ত দূরত্ব
  3. সৌরজগতের ব্যাস
  4. মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির ব্যাস
সঠিক উত্তর:
পৃথিবী ও সূর্যের গড় দূরত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৃথিবী ও সূর্যের গড় দূরত্ব
ব্যাখ্যা
অ্যাস্ট্রোনোমিক্যাল ইউনিট: 
- অ্যাস্ট্রোনোমিক্যাল ইউনিট সংক্ষেপে AU বা au, হলো একটি দৈর্ঘ্যের একক, যা মূলত পৃথিবী ও সূর্যের গড় দূরত্ব বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
- ১ AU = ১৪৯,৫৯৭,৮৭০.৭ কিমি (1.495×108 km বা প্রায় ৯২,৯৫৫,৮০৭.৩ মাইল)।
- সৌরজগতের বিভিন্ন গ্রহ বা বস্তুর দূরত্ব তুলনা করতে এটি খুবই সুবিধাজনক।
- যেমন: বৃহস্পতি (Jupiter) সূর্য থেকে প্রায় ৫.২ AU দূরে, প্লুটো প্রায় ৪০ AU দূরে।
- ১ AU মানে, পৃথিবী যতটা দূরে সূর্য থেকে, ঠিক ততটাই।

উৎস: Britannica.
.
আফ্রিকার দীর্ঘতম নদী কোনটি?
  1. কঙ্গো নদী
  2. নাইজার নদী
  3. নীল নদ
  4. জাম্বেসি নদী
সঠিক উত্তর:
নীল নদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীল নদ
ব্যাখ্যা
নীল নদ:
- নীল আফ্রিকা ও বিশ্বের দীর্ঘতম নদী।
- এটি বিশ্বের বিষুবরেখার দক্ষিণ থেকে উৎপন্ন হয়ে উত্তর-পূর্ব আফ্রিকার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ভূমধ্যসাগরে মিশেছে।
- মোট দৈর্ঘ্য: প্রায় ৬,৬৫০ কিলোমিটার (৪,১৩২ মাইল)।
- নীল অববাহিকায় অন্তর্ভুক্ত দেশ:তানজানিয়া, বুরুন্ডি, রুয়ান্ডা, গণতান্ত্রিক কঙ্গো, কেনিয়া, উগান্ডা, দক্ষিণ সুদান, ইথিওপিয়া, সুদান এবং মিশর।
- নীল নদের সর্বাধিক দূরবর্তী উৎস হল কাগেরা নদী, যা বুরুন্ডিতে অবস্থিত।
- নীল নদ আফ্রিকার অর্থনীতি ও কৃষিতে অপরিসীম ভূমিকা পালন করে, বিশেষত মিশরের সভ্যতার বিকাশে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

উল্লেখ্য,
- কঙ্গো নদী আফ্রিকার ২য় দীর্ঘতম নদী। 

উৎস: Britannica.
.
সৌরজগতের দূরতম গ্রহ কোনটি?
  1. ইউরেনাস 
  2. নেপচুন
  3. শনি 
  4. বুধ 
সঠিক উত্তর:
নেপচুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেপচুন
ব্যাখ্যা
নেপচুন: 
- নেপচুন হলো সূর্য থেকে অষ্টম এবং সবচেয়ে দূরের গ্রহ।
- এটি আকারে চতুর্থ বৃহৎ এবং এটি ছিল প্রথম গ্রহ যা গণিতের সাহায্যে আবিষ্কৃত হয়।
- অন্ধকার, ঠান্ডা এবং অতিরিক্ত গতির বাতাসে ঘেরা নেপচুনে প্রাণধারণ সম্ভব নয়।
- নেপচুন সূর্য থেকে গড়ে ২.৮ বিলিয়ন মাইল (৪.৫ বিলিয়ন কিমি) দূরে, অর্থাৎ পৃথিবী থেকে প্রায় ৩০ গুণ দূরে।
- সূর্য থেকে নেপচুনে আলো পৌঁছাতে সময় লাগে প্রায় ৪ ঘণ্টা।
- নেপচুনে একটি দিন (নিজ অক্ষে ঘোরার সময়) হয় ১৬ ঘণ্টায়।
- নেপচুনে একটি বছর (সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে যত সময় লাগে) হয় ১৬৫ পৃথিবী বছর, অর্থাৎ ৬০,১৯০ দিন।
- নেপচুনের এখন পর্যন্ত ১৬টি উপগ্রহ আবিষ্কৃত হয়েছে (ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই অনুসারে, ১৪টি) ।
- সবচেয়ে বড় চাঁদ ট্রাইটন—আবিষ্কার হয় ১৮৪৬ সালের ১০ অক্টোবর, নেপচুন গ্রহ আবিষ্কারের মাত্র ১৭ দিন পরেই।
- নেপচুন এবং ইউরেনাসকে বলা হয় "বরফের দৈত্য" (Ice Giants)।
- নেপচুনের বায়ুমণ্ডলে প্রধানত হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম, আর সামান্য পরিমাণে মিথেন রয়েছে।

উৎস: নাসা ওয়েবসাইট। 
.
দ্রাঘিমারেখাগুলো এক-একটি -
  1. সরলরেখা
  2. পূর্ণবৃত্ত
  3. অধিবৃত্ত
  4. অর্ধবৃত্ত
সঠিক উত্তর:
অর্ধবৃত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্ধবৃত্ত
ব্যাখ্যা
দ্রাঘিমারেখা (Longitude): 
- নিরক্ষরেখাকে ডিগ্রি, মিনিট ও সেকেন্ডে ভাগ করে প্রত্যেক ভাগবিন্দুর উপর দিয়ে উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত যে সকল রেখা কল্পনা করা হয়েছে, সেগুলোই হলো দ্রাঘিমারেখা।
- এ রেখাগুলো পৃথিবীর পরিধির অর্ধেকের সমান। অর্থাৎ এক-একটি অর্ধবৃত্ত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
.
গ্রিনিচের দ্রাঘিমা কত ডিগ্রী?
  1. ০°
  2. ৯০°
  3. ১৮০°
  4. ২৭০°
সঠিক উত্তর:
০°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০°
ব্যাখ্যা
মূল মধ্যরেখা: 
- অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমারেখাগুলো হলো কাল্পনিক। 
- যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরের কাছে গ্রিনিচ (Greenwich) মান মন্দিরের উপর দিয়ে উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত বিস্তৃত যে মধ্যরেখা অতিক্রম করেছে তাকে মূল মধ্যরেখা বলে।
- গ্রিনিচের দ্রাঘিমা ০°।
- গ্রিনিচের মূল মধ্যরেখা থেকে পূর্ব বা পশ্চিমে কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্বকে ঐ স্থানের দ্রাঘিমা বলে।
- পৃথিবীর পরিধি দ্বারা উৎপন্ন কোণ ৩৬০°। মূল মধ্যরেখা, এই ৩৬০° কে ১° অন্তর অন্তর সমান দুই ভাগে অর্থাৎ পূর্ব ও পশ্চিমে ১৮০° করে ভাগ করেছে।
- অক্ষাংশের ন্যায় দ্রাঘিমাকেও মিনিট ও সেকেন্ডে ভাগ করা হয়েছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
.
মাউন্ট ভিনসন কোন মহাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ?
  1. উত্তর আমেরিকা 
  2. ইউরোপ 
  3. অ্যান্টার্কটিকা
  4. ওশেনিয়া 
সঠিক উত্তর:
অ্যান্টার্কটিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যান্টার্কটিকা
ব্যাখ্যা
মাউন্ট ভিনসন:
- মাউন্ট ভিনসন হল অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ। 
- এটি এলসওয়ার্থ পর্বতমালার সেন্টিনেল রেঞ্জের প্রধান শৃঙ্গের দক্ষিণ অংশে অবস্থিত।
- কাছাকাছি আরও পাঁচটি উঁচু পর্বতের সাথে, মাউন্ট ভিনসন অ্যান্টার্কটিকার একটি বৃহৎ পর্বতমালার অংশ গঠন করে, যা ভিনসন ম্যাসিফ নামে পরিচিত।
- এই ২১ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং ১৩ কিলোমিটার প্রশস্ত পর্বতমালাটি রোন আইস শেল্ফকে উপেক্ষা করে এবং দক্ষিণ মেরু থেকে প্রায় ১,২০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

উৎস: World Atlas.
.
নিচের কোনটি জাভা সাগরকে ভারত মহাসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করে?
  1. পানামা খাল
  2. সুন্দা প্রণালী
  3. মালাক্কা প্রণালী
  4. তাইওয়ান প্রণালী
সঠিক উত্তর:
সুন্দা প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুন্দা প্রণালী
ব্যাখ্যা
সুন্দা প্রণালী:
- সুন্দা প্রণালী জাভা ও সুমাত্রা দ্বীপকে পৃথককারী একটি গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক চ্যানেল।
- এটি জাভা সাগর (প্রশান্ত মহাসাগরের অংশ)কে ভারত মহাসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করে।
- প্রস্থ: ১৬ থেকে ৭০ মাইল (২৬–১১০ কিমি)।
- প্রণালীর মধ্যে রয়েছে কয়েকটি আগ্নেয় দ্বীপ, সবচেয়ে বিখ্যাত হলো ক্রাকাটোয়া।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ১৯৪২ সালে মিত্রবাহিনী ও জাপানি বাহিনীর মধ্যে একটি নৌ-সংঘর্ষ ঘটে এই প্রণালীতে।
- এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ, যা ভারত মহাসাগরকে পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে সংযুক্ত করে
- বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রণালী।
- সুন্দা প্রণালী শুধুমাত্র ভৌগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ নয়, বরং ইতিহাস ও প্রকৃতির দিক থেকেও এটি বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে চলেছে।

উৎস: Britannica.
.
নিচের কোন পদ্ধতিতে দ্রাঘিমাংশ নির্ণয় করা হয়?
  1. সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে
  2. স্থানীয় সময়ের পার্থক্য দ্বারা
  3. ধ্রুবতারার সাহায্যে
  4. ক ও গ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
স্থানীয় সময়ের পার্থক্য দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থানীয় সময়ের পার্থক্য দ্বারা
ব্যাখ্যা
অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ নির্ণয়ের পদ্ধতিঃ
অক্ষাংশ নির্ণয় করা হয়: (উন্নতি কোণ ব্যবহার করে)
১। সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে 
২। ধ্রুবতারার সাহায্যে 

দ্রাঘিমাংশ নির্ণয় করা হয়: (সময়ের পার্থক্য ব্যবহার করে)
১। স্থানীয় সময়ের পার্থক্য দ্বারা
২। গ্রিনিচের সময় দ্বারা

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
.
বিশ্বের বৃহত্তম উপসাগর কোনটি?
  1. পারস্য উপসাগর 
  2. বঙ্গোপসাগর
  3. গিনি উপসাগর 
  4. হাডসন বে
সঠিক উত্তর:
বঙ্গোপসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গোপসাগর
ব্যাখ্যা
বঙ্গোপসাগর:
- বঙ্গোপসাগর ভারত মহাসাগরের দ্বিতীয় বৃহত্তম উপবিভাগ এবং বিশ্বের বৃহত্তম উপসাগর।
- এটি মূলত একটি উপকূলীয় জলাধার, যা বৃহত্তর জলভাগের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে।
- বঙ্গোপসাগর টেকটোনিক প্লেটের গতির ফলে সৃষ্টি হয়েছে এবং এটি ভারত মহাসাগরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- এর ভৌগোলিক অবস্থান, গভীরতা ও বিশালতা একে বৈশ্বিক বাণিজ্য ও আবহাওয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলভাগে পরিণত করেছে।
- পৃষ্ঠের আয়তন: ২৬,০০,০০০ বর্গকিমি।
- সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্য: ২,০৯০ কিমি।
- সর্বোচ্চ প্রস্থ: ১,৬১০ কিমি।
- গড় গভীরতা: ২,৬০০ মিটার।
- সর্বাধিক গভীরতা: ৪,৬৯৪ মিটার।

উল্লেখ্য,
- Gulf (উপসাগর) হলো স্থলভাগে সমুদ্রের প্রবেশপথ। গালফগুলি প্লেট টেকটোনিক্সের ফলে তৈরি হয় এবং সাধারণত Bay (উপসাগর) এর তুলনায় বৃহত্তর এবং গভীরভাবে ইন্ডেন্টেড হয়। প্রায়শই এগুলি সরু জলপথ দ্বারা সমুদ্রের সাথে সংযুক্ত থাকে।
- ১,৫০৭,৬৩৯ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে মেক্সিকো উপসাগর আটলান্টিক মহাসাগরের একটি প্রান্তিক সমুদ্র এবং বিশ্বের বৃহত্তম উপসাগর (Gulf হিসেবে)।
- তবে সামগ্রিকভাবে বঙ্গোপসাগর বিশ্বের সবচেয়ে বড় উপসাগর (আয়তন: ২৬,০০,০০০ বর্গকিমি)।

উৎস: World Atlas.
১০.
সূর্যের চারদিকে একবার ঘুরতে মঙ্গলের কতদিন সময় লাগে?
  1. ৩৬৭ দিন 
  2. ২২৫ দিন 
  3. ৫৬৭ দিন 
  4. ৬৮৭ দিন
সঠিক উত্তর:
৬৮৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৮৭ দিন
ব্যাখ্যা
মঙ্গল (Mars):
- বছরের অধিকাংশ সময় একে দেখা যায়।
- খালি চোখে মঙ্গল গ্রহকে লালচে দেখায়।
- সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব ২২.৮ কোটি কিলোমিটার।
- এর ব্যাস ৬,৭৮৭কিলোমিটার এবং পৃথিবীর ব্যাসের প্রায় অর্ধেক।
- এই গ্রহে দিনরাত্রির পরিমাণ পৃথিবীর প্রায় সমান।
- সূর্যের চারদিকে একবার ঘুরতে মঙ্গলের সময় লাগে ৬৮৭ দিন।
- মঙ্গল গ্রহের উপরিভাগে রয়েছে গিরিখাত ও আগ্নেয়গিরি।
- এ গ্রহে অক্সিজেন ও পানির পরিমাণ খুবই কম এবং কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ এত বেশি (শতকরা ৯৯ ভাগ) যে প্রাণীর অস্তিত্ব থাকা সম্ভব নয়।
- মঙ্গলে ফোবস ও ডিমোস নামে দুটি উপগ্রহ রয়েছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১১.
৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে কী বলে?
  1. কুমেরুবৃত্ত
  2. কর্কটক্রান্তি রেখা
  3. সুমেরুবৃত্ত
  4. মকরক্রান্তি রেখা
সঠিক উত্তর:
কুমেরুবৃত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমেরুবৃত্ত
ব্যাখ্যা
সুমেরুবৃত্ত ও কুমেরুবৃত্ত: 
- উত্তর গোলার্ধে ৬৬.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে সুমেরুবৃত্ত বলে।
- দক্ষিণ গোলার্ধে ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে কুমেরুবৃত্ত বলে।

কর্কটক্রান্তি ও মকরক্রান্তি রেখা: 
- উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা এবং দক্ষিণ গোলার্ধে ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে মকরক্রান্তি রেখা বলে।
- বাংলাদেশের উপর দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে।
- এই দুটি রেখার মধ্যবর্তী অঞ্চলে সূর্যের আলো লম্বভাবে পৃথিবীতে পড়ে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১২.
কোরিয়া প্রণালী দক্ষিণ কোরিয়াকে কোন দেশ থেকে পৃথক করেছে?
  1. চীন
  2. রাশিয়া
  3. জাপান
  4. উত্তর কোরিয়া
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা
কোরিয়া প্রণালী: 
- কোরিয়া প্রণালী হল একটি বৃহৎ, ঝলমলে জলরাশি যা দক্ষিণ কোরিয়া এবং জাপানকে পৃথক করে।
- এই প্রণালীটি পূর্ব চীন সাগর, হলুদ সাগর এবং বিশাল প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত জাপান সাগরকে সংযুক্ত করে। 
- জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়া উভয়ই জাহাজের জন্য বিনামূল্যে যাতায়াতের অনুমতি দেয়, যা তাদের জন্য সুসংবাদ যারা এই প্রণালীতে জাহাজ চলাচলের লেন ব্যবহার করতে চান।
- প্রণালীর জল তার গভীরতম স্থানে 300 ফুট নীচে নেমে যায় এবং সুশিমা দ্বীপ দ্বারা দুটি ভাগে বিভক্ত।
- পূর্ব দিকে প্রবাহিত জলধারাকে সুশিমা প্রণালী বলা হয়, অন্যদিকে পশ্চিমে প্রবাহিত জলধারা একসময় চোসেন প্রণালী নামে পরিচিত ছিল।

উৎস: World Atlas.
১৩.
বৃহস্পতি আয়তনে পৃথিবীর চেয়ে কত গুণ বড়?
  1. ১৩ গুণ
  2. ১৩০ গুণ
  3. ১৩০০ গুণ
  4. ১৩০০০ গুণ
সঠিক উত্তর:
১৩০০ গুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩০০ গুণ
ব্যাখ্যা
বৃহস্পতি (Jupiter):
- বৃহস্পতি সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ।
- একে গ্রহরাজ বলে।
- এর ব্যাস ১,৪২,৮০০ কিলোমিটার।
- বৃহস্পতি আয়তনে পৃথিবীর চেয়ে ১,৩০০ গুণ বড়।
- এটি সূর্য থেকে প্রায় ৭৭.৮ কোটি কিলোমিটার দূরত্বে রয়েছে।
- তাই পৃথিবীর সাতাশ ভাগের একভাগ তাপ পায়।
- বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডল হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি।
- বায়ুমন্ডলের উপরিভাগে তাপমাত্রা খুবই কম এবং অভ্যন্তরের তাপমাত্রা অত্যন্ত বেশি (প্রায় ৩০,০০০° সেলসিয়াস)।
- সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে বৃহস্পতির সময় লাগে ৪,৩৩১ দিন।
- বৃহস্পতির উপগ্রহের সংখ্যা ৭৯টি (নাসার তথ্য অনুসারে ৯৫টি)।
- এ গ্রহে জীবের অস্তিত্ব নেই।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৪.
কত ডিগ্রী দ্রাঘিমারেখাকে আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা বলে?
  1. ০° দ্রাঘিমারেখা
  2. ৯০° দ্রাঘিমারেখা
  3. ১৮০° দ্রাঘিমারেখা
  4. ৩৬০° দ্রাঘিমারেখা 
সঠিক উত্তর:
১৮০° দ্রাঘিমারেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮০° দ্রাঘিমারেখা
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা: 
- ১৮০° দ্রাঘিমারেখা পৃথিবীর পশ্চিম বা পূর্ব গোলার্ধের তারিখ বিভাজিকার (Date line divider) কাজ করে। এজন্যই ১৮০° দ্রাঘিমারেখাকে আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা বলে। 
- আন্তর্জাতিক তারিখ রেখাকে কোথাও কোথাও বাঁকিয়ে দেওয়া হয়েছে।
- কারণ ১৮০° দ্রাঘিমারেখা অনুসরণ করে প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে টানা হলেও সাইবেরিয়ায় উত্তর-পূর্বাংশ এবং অ্যালিউসিয়ান, ফিজি এবং চ্যাথাম দ্বীপপুঞ্জের স্থলভাগকে এড়িয়ে চলার জন্য এই রেখাটিকে অ্যালিউসিয়ান দ্বীপপুঞ্জের কাছে এবং ফিজি ও চ্যাথাম দ্বীপপুঞ্জে ১১° পূর্ব দিয়ে বাঁকিয়ে এবং বেরিং প্রণালিতে ১২° পূর্বে বাঁকিয়ে শুধু পানির উপর দিয়ে টানা হয়েছে।
- তা না হলে স্থানীয় অধিবাসীদের বার নির্ণয় করতে অসুবিধা হতো।
- কারণ একই স্থানের মধ্যেই সময় এবং বার দুই রকম হতো।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৫.
ভলগা নদী কোন দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়?
  1. রাশিয়া 
  2. জার্মানি 
  3. রোমানিয়া 
  4. ইউক্রেন 
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া 
ব্যাখ্যা
ভলগা নদী (Volga River):
- ভলগা নদী (Volga River) ইউরোপের দীর্ঘতম নদী এবং পশ্চিম রাশিয়ার প্রধান জলপথ।
- এটি রাশিয়ার ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং অর্থনীতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।
- অবস্থান: ইউরোপের পূর্ব অংশ, মূলত রাশিয়ার পশ্চিমে
- ভলগা নদীটি সম্পূর্ণরূপে রাশিয়ার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়। 
- দৈর্ঘ্য: প্রায় ২,১৯৩ মাইল (৩,৫৩০ কিলোমিটার)
- উৎপত্তি স্থান: ভালদাই পাহাড় (Valdai Hills), মস্কোর উত্তর-পশ্চিমে
- গন্তব্য: কাস্পিয়ান সাগরে পতিত হয়
- ভলগা নদীর অববাহিকা রাশিয়ার ইউরোপীয় অংশের প্রায় দুই-পঞ্চমাংশ অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত
- এই নদী অববাহিকায় রাশিয়ার অর্ধেক জনসংখ্যা বসবাস করে
- এটি রাশিয়ার অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড, শিল্প, কৃষি ও জাহাজ চলাচলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ
- ভলগা নদীকে “রাশিয়ার জাতীয় নদী” বলা হয়।
- ভলগা নদী কেবল একটি প্রাকৃতিক জলপথ নয়, এটি রাশিয়ার আত্মপরিচয়ের একটি প্রতীক হিসেবেও পরিচিত।

উৎস: Britannica.
১৬.
সৌরজগতে কতটি গ্রহ সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরছে?
  1. ৭টি 
  2. ৮টি
  3. ৯টি
  4. ১০টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা
সূর্য (Sun):
- সূর্য একটি নক্ষত্র।
- এটি একটি মাঝারি আকারের হলুদ বর্ণের নক্ষত্র।
- এর ব্যাস প্রায় ১৩ লক্ষ ৮৪ হাজার কিলোমিটার এবং ভর প্রায় ১.৯৯×১০১৩ কিলোগ্রাম।
- এটি সৌরজগতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জ্যোতিষ্ক।
- পৃথিবী, অন্যান্য গ্রহ, উপগ্রহের তাপ ও আলোর মূল উৎস সূর্য।
- সূর্যের আলো ছাড়া পৃথিবী চির অন্ধকারে থাকত এবং পৃথিবীতে জীবজগৎ ও উদ্ভিদজগতের কিছুই বাঁচত না।
- সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরছে আটটি গ্রহ।
- সূর্য থেকে গ্রহগুলো দূরত্ব অনুযায়ী পর পর যেভাবে রয়েছে তা হলো বুধ (Mercury), শুক্র (Venus), পৃথিবী (Earth), মঙ্গল (Mars), বৃহস্পতি (Jupiter), শনি (Saturn), ইউরেনাস (Uranus) এবং নেপচুন (Neptune)।
- গ্রহদের মধ্যে সবচেয়ে বড় বৃহস্পতি এবং ছোট বুধ।
- বুধ, শুক্র, মঙ্গল, বৃহস্পতি ও শনি বেশ উজ্জ্বল এবং কোনো যন্ত্রের সাহায্য ছাড়াই দেখা যায়।
- ইউরেনাস ও নেপচুন এতটা কম উজ্জ্বল যে দূরবীক্ষণ ছাড়া এদের দেখা যায় না।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।