পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৮
সিলেবাস
[নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।] বিষয় - কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি টপিক - কম্পিউটার ১. ডাটাবেজ সিস্টেম ও এর উপাদান, ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। ২. কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপদ ব্যবহার, সাইবার অপরাধ ও এর প্রতিকার ইত্যাদি। উৎস: অষ্টম, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৮ প্রশ্ন

.
কোনটি ডাটাবেজের একটি উপাদান?
  1. পাওয়ার কেবল
  2. ডিস্ক
  3. রেকর্ড
  4. মাউস
ব্যাখ্যা
রেকর্ড ডাটাবেজের একটি উপাদান।

• ডাটাবেজ (Database):
'ডাটা' অর্থ উপাত্ত এবং 'বেজ' অর্থ ঘাঁটি বা সমাবেশ।
সম্পর্কযুক্ত এক বা একাধিক ডাটা টেবিল, ফাইল, ফর্ম, রিপোর্ট ইত্যাদির সমষ্টি হলো ডাটাবেজ।

• ডাটাবেজ এর উপাদান:
১. ডাটা (Data),
২. তথ্য (Information),
৩. রেকর্ড (Record),
৪. ফিল্ড (Field),
৫. রো (Row),
৬. কলাম (Column),
৭. ডাটা টেবিল (Data Table),
৮. ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS),
৯. রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS),
১০. ডিস্ট্রিবিউটেড ডাটাবেজ মডেল (Distributed Database Model).

১. ডাটা (Data)
- তথ্যের ক্ষুদ্রতম একক।
- ডাটা হলো তথ্যের উপাদান বা কাঁচা উপাত্ত।
- সাধারণত নাম, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর ইত্যাদি এক একটি ডাটা।
- উদাহরণ: "Jabbar" → Name ফিল্ডে, "Dhaka" → Address ফিল্ডে।

২. তথ্য (Information)
- প্রক্রিয়াকরণকৃত ডাটাই হলো তথ্য।
- কম্পিউটার ডাটাকে প্রসেস করে ব্যবহারযোগ্য তথ্যে রূপ দেয়।
- উদাহরণ: কর্মচারীদের নাম ও বেতন মিলিয়ে বেতনশীট তৈরি = তথ্য।

৩. রেকর্ড (Record)
- অনেকগুলো ফিল্ড মিলে একটি রেকর্ড তৈরি করে।
- সাধারণভাবে টেবিলের একটি সারি (Row) = একটি রেকর্ড।
- উদাহরণ: কোনো গ্রাহকের নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর সব মিলে একটি রেকর্ড।

৪. ফিল্ড (Field)
- রেকর্ডের ক্ষুদ্রতম অংশ।
- প্রতিটি ফিল্ড একটি তথ্যের ধরন বোঝায় (যেমন: নাম, ঠিকানা)।
- টেবিলের কলামের নামই সাধারণত ফিল্ড হিসেবে থাকে।

৫. রো (Row)
- টেবিলের একটি সারি যা একটি রেকর্ড ধারণ করে।
- প্রতিটি রো ভিন্ন ব্যক্তির বা বস্তুর তথ্য বহন করে।

৬. কলাম (Column)
- প্রতিটি কলাম হলো একই ধরণের ডাটার সংরক্ষণ ক্ষেত্র।
- উদাহরণ: Name, Age, Address → প্রতিটি কলাম একটি আলাদা ফিল্ড।

৭. ডাটা টেবিল (Data Table)
- এক ধরনের ডাটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত টেবিল।
- যেমন, অফিসের প্রশাসন, হিসাব ও বিক্রয় বিভাগের আলাদা টেবিল।

৮. ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS)
- এমন একটি সফটওয়্যার সিস্টেম যা ডাটাবেজ তৈরি, সংরক্ষণ, এবং ব্যবস্থাপনায় সহায়তা করে।
- উদাহরণ: Microsoft Access, MySQL, Oracle DB.

৯. রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS)
- একাধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করে কাজ করা যায়।
- উদাহরণ: SQL Server, MySQL, informix.

১০. ডিস্ট্রিবিউটেড ডাটাবেজ মডেল (Distributed Database Model)
- একটি ব্যবস্থা যেখানে ডাটাবেজ একাধিক স্থানে বিভক্ত থাকে এবং কম্পিউটার নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে সংযোগযুক্ত থাকে।
- একাধিক ব্যবহারকারী বিভিন্ন জায়গা থেকে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
.
ডাটাবেজে ডাটা সাজানোর একটি পদ্ধতি হচ্ছে-
  1. Connecting
  2. Sorting
  3. Networking
  4. Compiling
ব্যাখ্যা
ডাটাবেজে ডাটা সাজানোর পদ্ধতিকে সর্টিং বলে।

• ডাটাবেজ সর্টিং:

- ডাটা টেবিল তৈরি করে তাতে অনেক ডাটা এন্ট্রি করে ডাটাবেজ তৈরি করা হয়।
- ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি করার সময় সাধারণত ধারাবাহিকতা মানা হয় না। 
- কম্পিউটার ব্যবস্থাপনা বিভিন্ন ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এ্যাকসেস) এর সাহায্যে লক্ষ লক্ষ ভাটার ডাটাবেজ তৈরি করে সর্ট বা ইনডেক্স নির্দেশ দিয়ে এক বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে রেকর্ডসমূহকে সর্ট বা ইনডেক্স করা যায়।

• রেকর্ডসমূহকে দু'ভাবে সর্ট করা যায়। যেমন:
১। Ascending (উচ্চ ক্রমানুসারে)- ছোট থেকে বড় আকারে,
২। Descending (নিম্ন ক্রমানুসারে)- বড় থেকে ছোট আকারে।

সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কম্পিউটার দ্রুত চালু ও কাজের গতি বাড়াতে কোন ড্রাইভ ব্যবহার করা উচিত?
  1. ROM
  2. HDD
  3. SSD
  4. CD-ROM
ব্যাখ্যা
SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার দ্রুত চালু হয় ও দ্রুত কাজ করে।

• কম্পিউটার ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণ:
- উপযুক্ত স্থান নির্বাচন: ধুলাবালি ও স্যাঁতসেঁতে মুক্ত, আলো-বাতাস চলাচল করে এমন জায়গায় কম্পিউটার রাখতে হবে।
- অপ্রয়োজনীয় ফাইল ও সফটওয়্যার অপসারণ: Cleaner সফটওয়্যার ব্যবহার করে ফাইল ও অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার মুছে ফেলতে হবে।
- আপডেটেড অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার: সর্বশেষ ভার্সনের অ্যান্টিভাইরাস ইন্সটল ও নিয়মিত স্ক্যান
চালাতে হবে।
- বাড়তি RAM সংযোজন: কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি করতে অতিরিক্ত RAM লাগানো উচিত।
- সলিড স্টেট হার্ড ড্রাইভ (SSD) ব্যবহার: SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার দ্রুত চালু হয় ও দ্রুত
কাজ করে।
- স্টার্টআপ সফটওয়্যার কমানো: msconfig দিয়ে স্টার্টআপ সফটওয়্যার কমিয়ে গতি বাড়ানো যায়। তথ্য ব্যাকআপ রাখা: দরকারি ফাইল সিডি/ড্রাইভে ব্যাকআপ রাখতে হবে।।
- ডায়াগনস্টিক সফটওয়্যার ব্যবহার: Norton Disk, MakeApp, PC Tools দিয়ে ডিস্ক ত্রুটি শনাক্ত ও সমাধান করতে হবে।
- ক্লিন উইন্ডোজ ইনস্টল: ভাইরাস ও সফটওয়্যার বেশি থাকলে নতুনভাবে উইন্ডোজ ইনস্টল করতে হবে।
- ব্রাউজারের ক্যাশ পরিষ্কার: Regular ক্লিয়ার হিস্টরি অপশনে গিয়ে ক্যাশ মুছে ফেলতে হবে।
- সার্চ ইনডেক্স রিফ্রেশ: দ্রুত ফাইল খুঁজতে ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্টার চালু রাখতে হবে (সপ্তাহে ১ বার)।
- রিস্টার্ট করা: দীর্ঘ সময় ব্যবহারের পর রিস্টার্ট করলে গতি ঠিক থাকে।
- রাউটারের যত্ন: নিয়মিত পরিচর্যা ও সংযোগ সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনায় রাখতে হবে।

সোর্স: শিক্ষায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি প্রাইমারি কী?
  1. নাম
  2. রোল নম্বর
  3. ঠিকানা
  4. বয়স
ব্যাখ্যা
কোনো ফাইলে যে সকল ফিল্ডের ডাটাগুলো অদ্বিতীয় হয় সে সকল ফিল্ডই প্রাইমারি কী। একটি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর একটিই থাকে।

• কী (Key) ফিল্ড:
- সাধারণত কোনো একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ডের সাহায্যে ডাটাবেজ থেকে রেকর্ড অনুসন্ধান করা, দুই বা ততোধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা, ডাটাবেজের রেকর্ড শনাক্ত করা ইত্যাদি কাজ করা যায়।

• কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হতে পারে, যথা:
১. প্রাইমারি কী (Primary Key),
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key),
৩. ফরেন কী (Foreign Key).

• প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোনো একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে (Unique) শনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- কোনো ফাইলে সাধারণত এক বা একাধিক ফিল্ড থাকে।
- এই ফিল্ডগুলোর মধ্যে- একটি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর একটিই থাকে।
- কোনো ফাইলে যে সকল ফিল্ডের ডাটাগুলো অদ্বিতীয় হয় সে সকল ফিল্ডই প্রাইমারি কী হওয়ার যোগ্য।

• কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- কোন ডেটাবেজ ফাইলে সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী অনুপস্থিত থাকলে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী হিসেবে ব্যবহার করা হয়, এই ধরনের কী ফিল্ডকে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।

• ফরেন কী:
- রিলেশন টেবিলের ক্ষেত্রে কোনো একটি টেবিলের প্রাইমারি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী কে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কীর সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের কাজ নয় কোনটি?
  1. ডেটাবেজ তৈরি
  2. ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ
  3. ডেটাবেজ মুদ্রণ
  4. ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন
ব্যাখ্যা
ডেটাবেজ মুদ্রণ ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনার কাজ নয়।

• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
যে সফটওয়্যার ডেটা সংরক্ষণ, ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনায় সাহায্য করে তা হচ্ছে ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।

• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রধান ৩টি কাজ-
- ডেটাবেজ তৈরি,
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন ও
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।

• কয়েকটি DBMS উদাহরণ হচ্ছে-
- মাইএসকিউএল (MySQL),
- ওরাকল (Oracle),
- মাইক্রোসফট অ্যাকসেস (Micorsoft Access),
- মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার (Microsoft SQL Server),
- পোস্টগ্রি এসকিউএল (Postgre SQL),
- এসকিউলাইট (SQLite) ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
.
স্টার্টআপ সফটওয়্যার কমাতে কোন কমান্ড ব্যবহার করা হয়?
  1. Run
  2. Msconfig
  3. Control
  4. Taskkill
ব্যাখ্যা
Msconfig দিয়ে স্টার্টআপ সফটওয়্যার কমিয়ে গতি বাড়ানো যায়।

• স্টার্টআপ সফটওয়্যার:
- যেসব সফটওয়্যার কম্পিউটার চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই অটোমেটিক চালু হয় সেগুলোকে স্টার্টআপ সফটওয়্যার বলে।
- বেশি স্টার্টআপ সফটওয়্যার থাকলে কম্পিউটার ধীরগতির হয়ে যায়।

• কম্পিউটার ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণ:
- উপযুক্ত স্থান নির্বাচন: ধুলাবালি ও স্যাঁতসেঁতে মুক্ত, আলো-বাতাস চলাচল করে এমন জায়গায় কম্পিউটার রাখতে হবে।
- অপ্রয়োজনীয় ফাইল ও সফটওয়্যার অপসারণ: Cleaner সফটওয়্যার ব্যবহার করে ফাইল ও অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার মুছে ফেলতে হবে।
- আপডেটেড অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার: সর্বশেষ ভার্সনের অ্যান্টিভাইরাস ইন্সটল ও নিয়মিত স্ক্যান
চালাতে হবে।
- বাড়তি RAM সংযোজন: কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি করতে অতিরিক্ত RAM লাগানো উচিত।
- সলিড স্টেট হার্ড ড্রাইভ (SSD) ব্যবহার: SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার দ্রুত চালু হয় ও দ্রুত কাজ করে।
- স্টার্টআপ সফটওয়্যার কমানো: msconfig দিয়ে স্টার্টআপ সফটওয়্যার কমিয়ে গতি বাড়ানো যায়।
- তথ্য ব্যাকআপ রাখা: দরকারি ফাইল সিডি/ড্রাইভে ব্যাকআপ রাখতে হবে।
- ডায়াগনস্টিক সফটওয়্যার ব্যবহার: Norton Disk, MakeApp, PC Tools দিয়ে ডিস্ক ত্রুটি শনাক্ত ও সমাধান করতে হবে।
- ক্লিন উইন্ডোজ ইনস্টল: ভাইরাস ও সফটওয়্যার বেশি থাকলে নতুনভাবে উইন্ডোজ ইনস্টল করতে হবে।
ব্রাউজারের ক্যাশ পরিষ্কার: Regular ক্লিয়ার হিস্টরি অপশনে গিয়ে ক্যাশ মুছে ফেলতে হবে।
- সার্চ ইনডেক্স রিফ্রেশ: দ্রুত ফাইল খুঁজতে ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্টার চালু রাখতে হবে (সপ্তাহে ১ বার)।
- রিস্টার্ট করা: দীর্ঘ সময় ব্যবহারের পর রিস্টার্ট করলে গতি ঠিক থাকে।
- রাউটারের যত্ন: নিয়মিত পরিচর্যা ও সংযোগ সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনায় রাখতে হবে।

সোর্স: শিক্ষায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
সাইবার অপরাধ নিবারণের সবচেয়ে কার্যকর পন্থা কী?
  1. অপরাধ ঘটার আগেই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা
  2. অপরাধীকে খুঁজে বের করা
  3. ইন্টারনেটে নিয়মিত তল্লাশি করা
  4. বেশি সময় ইন্টারনেট ব্যবহার করা
ব্যাখ্যা
অপরাধ ঘটে যাবার পর তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবার চেয়ে অপরাধ যাতে না ঘটে সে ধরনের নিবারণমূলক ব্যবস্থা নেওয়া সর্বদাই উত্তম।

• সাইবার অপরাধ নিবারণে করণীয়:

- নিজের একান্ত গোপন তথ্য অপরের নিকট উপস্থাপনা থেকে বিরত থাকা উচিত।
- অনলাইনে সর্বদা নিজের বা পরিচিতজনের কোনো ফটোগ্রাফি অচেনা কিংবা কোনো চ্যাটের বন্ধুর নিকট পাঠানো উচিত নয়। কেননা ঐ ধরনের ফটোগ্রাফি কোনো খারাপ কাজে ব্যবহার হতে পারে।
- ভাইরাস এ্যাটাক প্রতিরোধ করতে সর্বদা নতুন এবং আপগ্রেড অ্যান্টি-ভাইরাস ব্যবহার করতে হবে।
- গুরুত্বপূর্ণ ডেটা সর্বদা ব্যাকআপ রাখা উচিত যেন ভাইরাস এ্যাটাকের ফলে ঐ ডেটা চিরকালের মতো হারিয়ে না যায়।
- আর্থিকভাবে ঝুঁকিমুক্ত থাকতে কখনোই কোনো অনিরাপদ ওয়েবসাইটে ক্রেডিট কার্ডের নম্বর প্রদান করা উচিত নয়।
- শিশুরা যেন ইন্টারনেট ব্রাউজিং এর সময় কোনো অযাচিত সাইটে এক্সেস না করে সেজন্য তার ব্রাউজিং এর দিকে সর্বদা নজর রাখা উচিত।
- ব্রাউজিং এর সময় অবশ্যই কোনো সিকিউরিটি প্রোগ্রাম করা উচিত যেগুলো ঝুঁকিসমূহকে নিয়ন্ত্রণ করবে এবং ক্ষতিকর ঝুঁকিগুলো ফেরত পাঠাবে।
- ওয়েব সাইটের অধিকারীগণের সর্বদা এর ট্র্যাফিক এবং এতে কোনো অনিয়মিত কিছু ঘটেছে কিনা তা পরীক্ষা করা।
- ফায়ারওয়াল ব্যবহার করা।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
.
নিচের কোনটি কী ফিল্ডের কাজ নয়?
  1. রেকর্ড শনাক্তকরণ
  2. রেকর্ড প্রিন্ট করা
  3. রেকর্ড অনুসন্ধান
  4. ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন
ব্যাখ্যা
রেকর্ড প্রিন্ট করা কী ফিল্ডের কাজ নয়।

• কী (Key) ফিল্ড:
- সাধারণত কোনো একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ডের সাহায্যে ডাটাবেজ থেকে রেকর্ড অনুসন্ধান করা, দুই বা ততোধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা, ডাটাবেজের রেকর্ড শনাক্ত করা ইত্যাদি কাজ করা যায়।

• কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হতে পারে, যথা:
১. প্রাইমারি কী (Primary Key),
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key),
৩. ফরেন কী (Foreign Key).

• প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোনো একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে (Unique) শনাক্ত করে ভাকে প্রাইমারি কী বলে।
- কোনো ফাইলে সাধারণত এক বা একাধিক ফিল্ড থাকে।
- এই ফিল্ডগুলোর মধ্যে- একটি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর একটিই থাকে।
- কোনো ফাইলে যে সকল ফিল্ডের ডাটাগুলো অদ্বিতীয় হয় সে সকল ফিল্ডই প্রাইমারি কী হওয়ার যোগ্য।

• কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- কোন ডেটাবেজ ফাইলে সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী অনুপস্থিত থাকলে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী হিসেবে ব্যবহার করা হয়, এই ধরনের কী ফিল্ডকে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।

• ফরেন কী:
- রিলেশন টেবিলের ক্ষেত্রে কোনো একটি টেবিলের প্রাইমারি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী কে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কীর সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
Many to Many রিলেশন তৈরি করতে সাধারণত কী ব্যবহার করা হয়?
  1. এক্সটেনশন ফাইল
  2. পাসওয়ার্ড ফাইল
  3. জাংশন টেবিল
  4. ইমেজ ফরম্যাট
ব্যাখ্যা
Many to Many রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয় যাকে জাংশন টেবিল বলা হয়।

• ডাটাবেজ রিলেশন:

বিচ্ছিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়। যে সকল ডাটাবেজের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হবে তাতে অন্তত একটি কমন ফিল্ড থাকতে হবে। এ কমন ফিল্ডের উপর ভিত্তি করেই রিলেশন প্রতিষ্ঠিত হবে।

• রিলেশনের প্রকারভেদ:
- One to One রিলেশন,
- One to Many রিলেশন,
- Many to One রিলেশন,
- Many to Many রিলেশন।

• One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।

• One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।

• Many to One রিলেশন:
- এই রিলেশন হচ্ছে One to Many রিলেশনের বিপরীত।
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়। 

• Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।

সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
কম্পিউটার ভাইরাস কী?
  1. একটি ইনপুট ডিভাইস
  2. গোপনে প্রবেশকারী সিস্টেম
  3. একটি অপারেটিং সিস্টেম
  4. স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছড়ায় এমন ক্ষতিকর প্রোগ্রাম
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার ভাইরাস হলো একটি ক্ষতিকর প্রোগ্রাম যা একটি কম্পিউটার থেকে আরেকটিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং সিস্টেম ফাইল নষ্ট করে, তথ্য চুরি করে অথবা কম্পিউটারকে ধীরগতির করে তোলে।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়।
- কখনো সম্পূর্ণ সিস্টেম নষ্ট করে দিতে পারে।
- যখন ভাইরাসটি কম্পিউটারের মেমোরিতে লোড হয় তখনই এটি সক্রিয় হয়।
- এটি পেনড্রাইভ, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা অনলাইন সিস্টেমের মাধ্যমে অন্য ডিভাইসে ছড়ায়।
- ভাইরাস ডেটা ধ্বংস করতে পারে বা প্রোগ্রাম অকার্যকর করে দিতে পারে।
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছড়ানো ক্ষতিকর কোড যা সিস্টেমের বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে।

সোর্সঃ ব্রিটানিকা।
১১.
সিস্টেমে ঢুকে আর্থিক বা তথ্যগত ক্ষতি সাধন করে-
  1. ডার্ক হ্যাট হ্যাকার
  2. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার
  3. গ্রে হ্যাট হ্যাকার
  4. ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার
ব্যাখ্যা
যে হ্যাকার সিস্টেমে ঢুকে আর্থিক বা তথ্যগত ক্ষতি সাধন করে তাকে ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার বলে।

• হ্যাকিং (Hacking):
প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়।

• বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়। যথা-
ক. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার: সাধারণত এরা ডেটা বা সিস্টেমের ক্ষতি করে না, তবে কাজের ক্ষেত্রে ভীষণ দক্ষ হয়।
খ. ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার: বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।
গ. গ্রে হ্যাট হ্যাকার: এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোর ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১২.
ডিস্ক ত্রুটি নির্ণয় ও সমাধানে কোন সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়?
  1. Microsoft Word
  2. Norton Disk
  3. Hard disk
  4. Magnetic Disk
ব্যাখ্যা
Norton Disk দিয়ে ডিস্ক ত্রুটি শনাক্ত ও সমাধান করা যায়।

• কম্পিউটার ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণ:
- উপযুক্ত স্থান নির্বাচন: ধুলাবালি ও স্যাঁতসেঁতে মুক্ত, আলো-বাতাস চলাচল করে এমন জায়গায় কম্পিউটার রাখতে হবে।
- অপ্রয়োজনীয় ফাইল ও সফটওয়্যার অপসারণ: Cleaner সফটওয়্যার ব্যবহার করে ফাইল ও অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার মুছে ফেলতে হবে।
- আপডেটেড অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার: সর্বশেষ ভার্সনের অ্যান্টিভাইরাস ইন্সটল ও নিয়মিত স্ক্যান চালাতে হবে।
- বাড়তি RAM সংযোজন: কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি করতে অতিরিক্ত RAM লাগানো উচিত।
- সলিড স্টেট হার্ড ড্রাইভ (SSD) ব্যবহার: SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার দ্রুত চালু হয় ও দ্রুত কাজ করে।
- স্টার্টআপ সফটওয়্যার কমানো: msconfig দিয়ে স্টার্টআপ সফটওয়্যার কমিয়ে গতি বাড়ানো যায়।
- তথ্য ব্যাকআপ রাখা: দরকারি ফাইল সিডি/ড্রাইভে ব্যাকআপ রাখতে হবে।
- ডায়াগনস্টিক সফটওয়্যার ব্যবহার: Norton Disk, MakeApp, PC Tools দিয়ে ডিস্ক ত্রুটি শনাক্ত ও সমাধান করতে হবে।
- ক্লিন উইন্ডোজ ইনস্টল: ভাইরাস ও সফটওয়্যার বেশি থাকলে নতুনভাবে উইন্ডোজ ইনস্টল করতে হবে।
- ব্রাউজারের ক্যাশ পরিষ্কার: Regular ক্লিয়ার হিস্টরি অপশনে গিয়ে ক্যাশ মুছে ফেলতে হবে।
- সার্চ ইনডেক্স রিফ্রেশ: দ্রুত ফাইল খুঁজতে ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্টার চালু রাখতে হবে (সপ্তাহে ১ বার)।
- রিস্টার্ট করা: দীর্ঘ সময় ব্যবহারের পর রিস্টার্ট করলে গতি ঠিক থাকে।
- রাউটারের যত্ন: নিয়মিত পরিচর্যা ও সংযোগ সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনায় রাখতে হবে।

সোর্স: শিক্ষায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
ইনডেক্সিং এ কোন ক্রমে ডাটা সাজানো হয়?
  1. আরোহী বা অবরোহী আকারে
  2. র‍্যান্ডমলি
  3. গ্রাফ আকারে
  4. এলোমেলোভাবে
ব্যাখ্যা
কোন ফাইলের ডাটা ইনডেক্স করার অর্থ হচ্ছে সেই ফাইলের রেকর্ডগুলোকে আরোহী (Ascending) বা অবরোহী (Descending) অনুসারে সাজানো।

• ইনডেক্সিং:
- ডাটা ফাইলে ইনপুটকৃত ডাটাকে নির্দিষ্ট নিয়মে সাজানোর পদ্ধতিকে বলা হয় ইনডেক্সিং।
- কোন ফাইলের ডাটা ইনডেক্স করার অর্থ হচ্ছে সেই ফাইলের রেকর্ডগুলোকে আরোহী (Ascending) বা অবরোহী (Descending) অনুসারে সাজানো।
- ডাটা ফাইল থেকে কোন নির্দিষ্ট ডাটাকে দ্রুত খুঁজে পাওয়ার জন্য ফাইলের রেকর্ডসমূহকে ইনডেক্স করে রাখতে হয়।
- সর্ট করে ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহকে কোন ফিল্ডের ভিত্তিতে উচ্চক্রমানুসারে অথবা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো যায়।
- সর্ট করার ন্যায় ইনডেক্স করে ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহকে উচ্চ বা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো যায়।
- পরবর্তীতে ডাটাবেজের কোন রেকর্ড সংশোধন বা সংযোজন করলে ইনডেক্স করা ফাইলেও তা আপডেট হয়।
- তাছাড়া ইনডেক্স সর্টের চেয়ে দ্রুততর। সেজন্য বর্তমানে সর্ট না করে ইনডেক্স করেই ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহ উচ্চ বা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো হয়।

• ইনডেক্সিং-এর মাধ্যমে রেকর্ড সাজানোর সুবিধাগুলো হলো:
- ডাটা সাজানোর জন্য সময় কম লাগে।
- ডাটা ফাইলকে ইনডেক্স করার পর নতুন রেকর্ড যুক্ত করা হলে তা নিজে থেকেই সাজানো হয়ে যায়।
- ডাটা ফাইলকে ইনডেক্স করার পর একটি ইনডেক্স ফাইল তৈরি হয় এবং মূল টেবিল ফাইল অপরিবর্তিত থাকে।
-একাধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি সহজ হয়।

• ইনডেক্সিং-এর অসুবিধা:
- ইনডেক্সিং-এর মাধ্যমে রেকর্ডগুলোকে সাজানো হলে মূল টেবিল ফাইল অপরিবর্তিত থাকে।
- সর্টেড ডাটাগুলো নিয়ে ইনডেক্স ফাইল তৈরি হয়।
- ইনডেক্স ফাইলকে সংরক্ষণ করার জন্য কম্পিউটারের স্মৃতিতে অতিরিক্ত জায়গা লাগে।

সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
কোনটি কর্পোরেট পর্যায়ের ডাটাবেজ সফটওয়্যার?
  1. FileMaker
  2. PowerPoint
  3. MS Paint
  4. Notepad
ব্যাখ্যা
কর্পোরেট ডাটাবেজ তৈরির জন্য ব্যবহৃত সফটওয়্যার হচ্ছে FileMaker.

• কর্পোরেট ডাটাবেজ:
- কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান বলতে মূলত বড় বড় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান যেমন-ব্যাংক, বীমা, মোবাইল কোম্পানি, সরকারি-বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইত্যাদিকে বোঝানো হয়।
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং বা ইন্টারনেট ভিত্তিক ব্যবস্থায় বড় বড় প্রতিষ্ঠান তাদের কেন্দ্রিয় অফিসের সাথে শাখা অফিসসমূহের সমন্বয়, বিভিন্ন ব্যবসায়িক কাজকর্ম এবং ডাটা আদান প্রদানের জন্য যে বিশেষ ডাটাবেজ সফ্টওয়্যার ব্যবহার করে তাকে কর্পোরেট ডাটাবেজ বলে।

• কর্পোরেট পর্যায়ের ডাটাবেজ তৈরির জন্য ব্যবহৃত জনপ্রিয় ডাটাবেজ সফ্টওয়্যারগুলো মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে:
- MySQL,
- Teradata,
- FileMaker,
- MS-Access,
- Informix, ইত্যাদি।

সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
নিচের কোনটি কম্পিউটার ধীরগতির কারণ?
  1. নিয়মিত রিস্টার্ট করা
  2. SSD ব্যবহার
  3. অতিরিক্ত তাপমাত্রা ও ধুলিকণার সংস্পর্শ
  4. উইন্ডোজ ব্যবহার
ব্যাখ্যা
অতিরিক্ত তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, ধুলিকণা, চৌম্বকক্ষেত্র, তরল ও দাহ্য পদার্থ ইত্যাদি ক্ষতিকারক পরিবেশগত ও কৃত্রিম উপাদানের সংস্পর্শে আসলে কম্পিউটার প্রায়শই ধীরগতিতে কাজ করে বা হ্যাং হয়ে যায়।

• আমাদের যেসব অবহেলা বা অজ্ঞতার কারণে কম্পিউটার প্রায়শই ধীরগতিতে কাজ করে বা হ্যাং হয়ে যায়
সেগুলো নিম্নরূপ:
১. অতিরিক্ত তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, ধুলিকণা, চৌম্বকক্ষেত্র, তরল ও দাহ্য পদার্থ ইত্যাদি ক্ষতিকারক পরিবেশগত ও কৃত্রিম উপাদানের সংস্পর্শে আসা।
২. বেখেয়ালিভাবে কম্পিউটারের তার ধরে অযথা টানাহেঁচড়া করা এবং তাড়াহুড়ো করে ও বলপূর্বক কীবোর্ড, মাউস, পেনড্রাইভ, সিডি ইত্যাদি ব্যবহার করা।
৩. অপ্রয়োজনীয় সফ্টওয়্যার, ফাইল, ই-মেইল ইত্যাদি দ্বারা সিস্টেম ওভারলোড করে ফেলা।
৪. ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার চালু অবস্থায় একই সাথে অনেকগুলো ট্যাব বা টুল বার।
৫. রিসাইকেল বিনে জমা হওয়া আইটেম, জাঙ্ক ই-মেইল ইত্যাদি পুরোপুরিভাবে।

সোর্স: স্কুল অব এডুকেশন, এম এড প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
কোনটি ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যারের উদাহরণ নয়?
  1. MS Word
  2. Oracle
  3. SQLite
  4. Postgre SQL
ব্যাখ্যা
MS Word একটি ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার।

• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
যে সফটওয়্যার ডেটা সংরক্ষণ, ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনায় সাহায্য করে তা হচ্ছে ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।

• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রধান ৩টি কাজ হচ্ছে:
- ডেটাবেজ তৈরি,
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন ও
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।

• কয়েকটি DBMS উদাহরণ হচ্ছে-
১. মাইএসকিউএল (MySQL),
২. ওরাকল (Oracle),
৩. মাইক্রোসফট অ্যাকসেস (Micorsoft Access),
৪. মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার (Microsoft SQL Server),
৫. পোস্টগ্রি এসকিউএল (Postgre SQL),
৬. এসকিউলাইট (SQLite), ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান
১৭.
গুরুত্বপূর্ণ ডেটা ভাইরাস দ্বারা নষ্ট হয়ে গেলে পুনরুদ্ধার করার জন্য কী করা উচিত?
  1. ফরম্যাট করে ফেলা
  2. ব্যাকআপ রাখা
  3. অন্য সফটওয়্যারে কপি করা
  4. ডেটা মুছে ফেলা
ব্যাখ্যা
গুরুত্বপূর্ণ ডেটা সর্বদা ব্যাকআপ রাখা উচিত যেন ভাইরাস এ্যাটাকের ফলে ঐ ডেটা চিরকালের মতো হারিয়ে না যায়।

• সাইবার অপরাধ নিবারণে করণীয়:

- নিজের একান্ত গোপন তথ্য অপরের নিকট উপস্থাপনা থেকে বিরত থাকা উচিত।
- অনলাইনে সর্বদা নিজের বা পরিচিতজনের কোনো ফটোগ্রাফি অচেনা কিংবা কোনো চ্যাটের বন্ধুর নিকট পাঠানো উচিত নয়। কেননা ঐ ধরনের ফটোগ্রাফি কোনো খারাপ কাজে ব্যবহার হতে পারে।
- ভাইরাস এ্যাটাক প্রতিরোধ করতে সর্বদা নতুন এবং আপগ্রেড অ্যান্টি-ভাইরাস ব্যবহার করতে হবে।
- গুরুত্বপূর্ণ ডেটা সর্বদা ব্যাকআপ রাখা উচিত যেন ভাইরাস এ্যাটাকের ফলে ঐ ডেটা চিরকালের মতো হারিয়ে না যায়।
- আর্থিকভাবে ঝুঁকিমুক্ত থাকতে কখনোই কোনো অনিরাপদ ওয়েবসাইটে ক্রেডিট কার্ডের নম্বর প্রদান করা উচিত নয়।
- শিশুরা যেন ইন্টারনেট ব্রাউজিং এর সময় কোনো অযাচিত সাইটে এক্সেস না করে সেজন্য তার ব্রাউজিং এর দিকে সর্বদা নজর রাখা উচিত।
- ব্রাউজিং এর সময় অবশ্যই কোনো সিকিউরিটি প্রোগ্রাম করা উচিত যেগুলো ঝুঁকিসমূহকে নিয়ন্ত্রণ করবে এবং ক্ষতিকর ঝুঁকিগুলো ফেরত পাঠাবে।
- ওয়েব সাইটের অধিকারীগণের সর্বদা এর ট্র্যাফিক এবং এতে কোনো অনিয়মিত কিছু ঘটেছে কিনা তা পরীক্ষা করা।
- ফায়ারওয়াল ব্যবহার করা।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
১৮.
কোন সফটওয়্যারের সাহায্যে ডাটাবেজ সহজে সর্ট করা যায়?
  1. Excel
  2. WordPad
  3. Paint
  4. FoxPro
ব্যাখ্যা
FoxPro এর সাহায্যে লক্ষ লক্ষ ডাটার ডাটাবেজ তৈরি করে সর্ট করা যায়।

• ডাটাবেজ সর্টিং:
- ডাটা টেবিল তৈরি করে তাতে অনেক ডাটা এন্ট্রি করে ডাটাবেজ তৈরি করা হয়।
- ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি করার সময় সাধারণত ধারাবাহিকতা মানা হয় না। 
- কম্পিউটার ব্যবস্থাপনা বিভিন্ন ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এ্যাকসেস) এর সাহায্যে লক্ষ লক্ষ ভাটার ডাটাবেজ তৈরি করে সর্ট বা ইনডেক্স নির্দেশ দিয়ে এক বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে রেকর্ডসমূহকে সর্ট বা ইনডেক্স করা যায়।

• রেকর্ডসমূহকে দু'ভাবে সর্ট করা যায়। যেমন:
১। Ascending (উচ্চ ক্রমানুসারে)- ছোট থেকে বড় আকারে,
২। Descending (নিম্ন ক্রমানুসারে)- বড় থেকে ছোট আকারে।

সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।