পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৮
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১১: বিষয় - বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ টপিকসমূহ: ১. বাংলা ভাষা [ভাষা ও বাংলা ভাষা রীতি; বাংলা ব্যাকরণ ও এর আলোচ্য বিষয়] ২. ধ্বনিতত্ত্ব [ধ্বনি ও বর্ণ-প্রকরণ; যুক্তবর্ণ; ধ্বনির গঠন ও উচ্চারণ বিধি; ধ্বনি পরিবর্তন] ------------------ [এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আজ বা যেকোন সময় পরীক্ষা শুরু করা হলেও নির্দিষ্ট সময়ে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৮ প্রশ্ন

.
ভাষার প্রাণ কী?
  1. শব্দ
  2. বাক্য
  3. ভাব
  4. ধ্বনি
সঠিক উত্তর:
বাক্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাক্য
ব্যাখ্যা
ভাষা:

- ভাষার ক্ষুদ্রতম একক - ধ্বনি;
- ভাষার মূল ভিত্তি - ধ্বনি;
- ধ্বনি নির্দেশক চিহ্ন - বর্ণ;
- ভাষার মূল উপকরণ - বাক্য;
- ভাষার প্রাণ - অর্থবোধক বাক্য।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, সপ্তম ও নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।
.
'ক্ষ' যুক্তবর্ণটি কোন দুটি বর্ণের সমন্বয়ে গঠিত?​
  1. হ্ + ম
  2. ক্ + ম
  3. ক্ + স
  4. ক্ + ষ
সঠিক উত্তর:
ক্ + ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ + ষ
ব্যাখ্যা
• 'ক্ষ' যুক্তবর্ণটি 'ক্ + ষ' দুটি বর্ণের সমন্বয়ে গঠিত?।

- গুরুত্বপূর্ণ কিছু যুক্তবর্ণ হলো:
- ঞ্ + জ = ঞ্জ,
- ঞ্‌ + চ = ঞ্চ,
- হ্ + ম = হ্ম,
- ঞ্ + ছ = ঞ্ছ,
- ক্ + ষ্ + ম = ক্ষ্ম।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিত, নবম-দশম শ্রেণি, (সংস্করণ ২০২১)।
.
নিচের কোন শব্দে দ্বিস্বরধ্বনির উদাহরণ আছে​?
  1. লিলি
  2. ঝুপ
  3. আম
  4. তাই
সঠিক উত্তর:
তাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাই
ব্যাখ্যা
দ্বিস্বরধ্বনি:
- পূর্ণ স্বরধ্বনি ও অর্ধস্বরধ্বনি একত্রে উচ্চারিত হলে দ্বিস্বরধ্বনি হয়।

যেমন:
- 'লাউ' শব্দের [আ] পূর্ণ স্বরধ্বনি এবং [উ্] অর্ধস্বরধ্বনি মিলে দ্বিস্বরধ্বনি [আউ্] তৈরি হয়েছে।

দ্বিস্বরধ্বনির কিছু উদাহরণ:
- [আই]: তাই, নাই,
- [এই]: সেই, নেই,
- [উই]: দুই, রুই,
- [ওউ]: মৌ, বউ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, (২০২১ সংস্করণ)।
.
সাধু ভাষা বাংলা ভাষার কোন রূপ?
  1. বিদেশি প্রভাবিত রূপ
  2. আধুনিক কথ্য রূপ
  3. আঞ্চলিক রূপ
  4. প্রাচীন লিখিত রূপ
সঠিক উত্তর:
প্রাচীন লিখিত রূপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাচীন লিখিত রূপ
ব্যাখ্যা
সাধু ভাষা:
- সাধু ভাষা বাংলা ভাষার একটি প্রাচীন লিখিত রূপ।
- বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগে পদ্যই ছিল ভাব প্রকাশের প্রধান বাহন। মধ্যযুগে কতিপয় ক্ষেত্রে চিঠিপত্র, দলিল-দস্তাবেজে গদ্যের ব্যবহার দেখা গেলেও তা ছিল খুবই সীমিত। ইংরেজ শাসন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে বাংলা গদ্যে গ্রন্থ প্রণয়নের প্রয়োজন দেখা দেয়।
- ১৮০০ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত ফোর্ট উইলিয়াম কলেজকে কেন্দ্র করে গদ্যচর্চা শুরু হয়। সেদিনকার গদ্য লেখকগণ গদ্যগ্রন্থ রচনা করতে গিয়ে মূলত নির্ভর করলেন সাধুজনের মধ্যে ব্যবহৃত সংস্কৃত ভাষার ওপর। এভাবে উনিশ শতকে বাংলা গদ্যের যে লিখিত রূপ গড়ে ওঠে, তার নাম দেওয়া হয় সাধু ভাষা।
- সাধু ভাষা সম্পর্কে ভাষাচার্য সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় লিখেছেন, 'সাধু ভাষা সমগ্র বঙ্গদেশের সম্পত্তি। এর চর্চা সর্বত্র প্রচলিত থাকাতে বাঙালির পক্ষে ইহাতে লেখা সহজ হইয়াছে।'

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি।
.
কোনটি শুদ্ধ যুক্তবর্ণ?
  1. ক্ + স = ক্স
  2. ক্‌ + ষ্‌ + হ = ক্ষ্ম
  3. ক্ + স = ক্ম
  4. ত্‌ + র = ক্র
সঠিক উত্তর:
ক্ + স = ক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ + স = ক্স
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ যুক্তবর্ণ - ক্ + স = ক্স।

অন্যদিকে,
অশুদ্ধ যুক্তবর্ণের শুদ্ধরূপ:
- ক্ + র = ক্র,
- ক্ + ম = ক্ম,
- ক্‌ + ষ্‌ + ম = ক্ষ্ম।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ-২০২২)।
.
বাংলা ব্যাকরণে কয়টি বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়?
  1. দুটি
  2. চারটি
  3. তিনটি
  4. পাঁচটি
সঠিক উত্তর:
চারটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চারটি
ব্যাখ্যা
বাংলা ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয়:
- ধ্বনি, শব্দ, বাক্য, অর্থ - ভাষার চারটি মৌলিক উপাদান। এই উপাদানগুলোর ওপর ভিত্তি করেই সব ভাষার ব্যাকরণে নিম্নলিখিত চারটি বিষয়ে আলোচনা করা হয়। বাংলা ব্যাকরণও এর ব্যতিক্রম নয়।

যেমন:
১. ধ্বনিতত্ত্ব (Phonetics),
২. শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্ব (Morphology),
৩. বাক্যতত্ত্ব বা পদক্রম (Syntax) ও
৪ অর্থতত্ত্ব (Semantics)।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি।
.
তালব্য ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময় জিভের কোন অংশের ভূমিকা থাকে?​
  1. জিভের পেছনের অংশ নরম তালুর কাছে লেগে থাকে।​
  2. জিভের ডগা দন্তমূলের সঙ্গে লেগে থাকে।
  3. জিভের ডগা উপরের পাটির দাঁতে লেগে থাকে।
  4. জিভের ডগা শক্ত তালুর কাছে প্রসারিত হয়।
সঠিক উত্তর:
জিভের ডগা শক্ত তালুর কাছে প্রসারিত হয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিভের ডগা শক্ত তালুর কাছে প্রসারিত হয়।
ব্যাখ্যা
তালব্য ব্যঞ্জন:
- যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা খানিকটা প্রসারিত হয়ে শক্ত তালুর কাছে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে তালব্য ব্যঞ্জন বলে।

যেমন:
- চাচা, ছাগল, জাল, ঝড়, শসা প্রর্ভতি শব্দের চ, ছ, জ, ঝ, শ তালব্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
চলিত ভাষা কী?
  1. শুধুমাত্র সরকারি ভাষা
  2. শুধুমাত্র সাহিত্যিক ভাষা
  3. মুখের ভাষার লিখিত রূপ
  4. আঞ্চলিক ভাষার একটি রূপ
সঠিক উত্তর:
মুখের ভাষার লিখিত রূপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুখের ভাষার লিখিত রূপ
ব্যাখ্যা
চলিত ভাষা:
- কোনো একটি প্রধান ভাষার আওতাভুক্ত সমগ্র ভূখণ্ডের বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন কথ্যরূপ বা মৌখিক ভাষা ব্যবহৃত হয়।
- মুখের ভাষাকে লিখিত ভাষায় ব্যবহার করার উদ্দেশ্যে চলিত ভাষার প্রচলন হয়। তবে সবার মুখের ভাষাই চলিত ভাষা নয়, কারণ মুখের ভাষা অঞ্চলভেদে পরিবর্তন হয়। তাই নির্দিষ্ট অঞ্চলে একটি নির্দিষ্ট এলাকার শিক্ষিত ও শিষ্টজনের মৌখিক ভাষাকে মান চলিত ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- উল্লেখ্য, ভাগীরথী নদীর তীরবর্তী এলাকা এবং কলকাতার ভদ্র ও শিক্ষিত সমাজে ব্যবহৃত মৌখিক ভাষাটিকে অল্প-বিস্তর পরিমার্জিত করে একটি সর্বজনবোধ্য আদর্শ কথ্য ভাষা গড়ে তোলা হয়। এটাই হলো বাংলার আদর্শ চলিত ভাষা।
- বাংলা ভাষাভাষী শিক্ষিত জনগণ এ আদর্শ ভাষাতেই পারস্পরিক ভাবের আদান-প্রদান করে থাকে। চলিত ভাষা বর্তমানে একাধারে লেখার ভাষা ও মুখের ভাষা।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি।
.
'কুটুম্ব ˃ কুটুম' কোন ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ?
  1. অভিশ্রতি
  2. স্বরলোপ
  3. বিষমীভবন
  4. ব্যঞ্জনচ্যুতি
সঠিক উত্তর:
স্বরলোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বরলোপ
ব্যাখ্যা
সম্প্রকর্ষ বা স্বরলোপ:
- দ্রুত উচ্চারণের জন্য শব্দের আদি, অন্ত্য বা মধ্যবর্তী কোনো স্বরধ্বনির লোপকে বলা হয় সম্প্রকর্ষ বা স্বরলোপ।

যেমন:
- আটমেসে ˃ আটাসে,
- কুটুম্ব ˃ কুটুম,
- জানালা ˃ জান্লা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১০.
"বিখ্যাত" শব্দের শুদ্ধ উচ্চারণ কোনটি?
  1. বিক্‌খ্যাঁতো
  2. বিক্‌খাঁতো
  3. বিক্‌খ্যাতো
  4. বিক্‌ক্ষ্যাতো
সঠিক উত্তর:
বিক্‌খ্যাতো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিক্‌খ্যাতো
ব্যাখ্যা
আ: আ-এর উচ্চারণও দু রকম:

স্বাভাবিক (আ-এর মতো):
- আগামী (আগামি), আম্‌রা (আম্মা), আশা (আশা), আকাশ (আকাশ্‌), আলো (আলো)।

সংবৃত বা পরিবর্তিত (অ্যা-এর মতো):
- জ্ঞান (গ্যাঁন্‌), বিখ্যাত (বিক্‌খ্যাতো)।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
১১.
রূপতত্ত্বে কোনটি বিশেষ গুরুত্ব পায়?
  1. বাগ্‌যন্ত্রের গঠন
  2. বাক্যের বিন্যাস
  3. শব্দগঠন প্রক্রিয়া
  4. ধ্বনির উচ্চারণ
সঠিক উত্তর:
শব্দগঠন প্রক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শব্দগঠন প্রক্রিয়া
ব্যাখ্যা
রূপতত্ত্ব:
- রূপতত্ত্বে শব্দ ও তার উপাদান নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- এই আলোচনায় বিশেষ্য, সর্বনাম, বিশেষণ, ক্রিয়া, ক্রিয়াবিশেষণ ইত্যাদি স্থান পায়।
- বিশেষ গুরুত্ব পায় শব্দগঠন প্রক্রিয়া।
- উপসর্গ, সমাস, প্রত্যয়, পুরুষ রূপতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।

অন্যদিকে,
ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় - বাগ্‌যন্ত্রের গঠন, ধ্বনির উচ্চারণ।
বাক্যত্ত্বের আলোচ্য বিষয় - বাক্যের বিন্যাস।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
১২.
"জঞ্জাল" শব্দের শুদ্ধ উচ্চারণ কোনটি?
  1. জন্‌জাল্‌
  2. জন্‌জাঁল্‌
  3. জঁন্‌জাল্‌
  4. জন্‌ঝাল্‌
সঠিক উত্তর:
জন্‌জাল্‌
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জন্‌জাল্‌
ব্যাখ্যা
অ: অ-এর উচ্চারণ দু রকম:

স্বাভাবিক (অ-এর মতো):
- অজ (অজো), অকাল (অকাল্), কথা (কথা), শপথ (শপথ্), ক্ষণ (খন্‌), জঞ্জাল (জন্‌জাল্‌), গয়না (গয়্না‌), ঘর (ঘর্‌)।

সংবৃত বা পরিবর্তিত (ও-এর মতো):
- অতি (ওতি), নদী (নোদি), অভিধান (ওভিধান্‌), অতনু (অতোনু), সুমতি (সুমোতি), মৌন (মৌনো), মৃগ (মৃগো)।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
১৩.
নিচের কোনটি সাধু ভাষার ক্রিয়াপদ?
  1. বলছি
  2. করিতেছি
  3. খেয়েছি
  4. করছি
সঠিক উত্তর:
করিতেছি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
করিতেছি
ব্যাখ্যা
সাধু ভাষার ক্রিয়াপদ:
- করিতেছি, খাইয়াছি, বলিতেছি, যাইতেছি, পড়িতেছি, দেখিতেছি ইত্যাদি।

চলিত ভাষার ক্রিয়াপদ:
- করছি, খেয়েছি, বলছি, যাচ্ছি, পড়ছি, দেখছি ইত্যাদি।

সাধু ভাষার সর্বনাম পদ:
- তাহার, তাহারা, তাহাদের, উহাদের ইত্যাদি।

চলিত ভাষার সর্বনাম পদ:
- তার, তারা, তাদের, ওদের ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি।
১৪.
নিচের কোন শব্দে মূর্ধন্য ব্যঞ্জনধ্বনি রয়েছে?​
  1. টাকা
  2. চাচা
  3. তালা
  4. কাচা​
সঠিক উত্তর:
টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাকা
ব্যাখ্যা
মূর্ধন্য ব্যঞ্জন:
- দন্তমূল এবং তালুর মাঝখানে যে উঁচু অংশ থাকে তার নাম মূর্ধা। যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা মূর্ধার সঙ্গে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলােকে মূর্ধন্য ব্যঞ্জন বলে।

যেমন:
- টাকা, ঠেলাগাড়ি, ডাকাত, ঢোল, গাড়ি, মূঢ় প্রভৃতি শব্দের ট, ঠ, ড, ঢ, ড়, ঢ় মূর্ধন্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৫.
বাক্যতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় কোনটি?
  1. পুরুষ
  2. যতিচিহ্ন
  3. সমাস
  4. উপসর্গ
সঠিক উত্তর:
যতিচিহ্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যতিচিহ্ন
ব্যাখ্যা
বাক্যতত্ত্ব:
- বাক্যতত্ত্বে বাক্য নিয়ে আলোচনা করা হয়। বাক্যের নির্মাণ ও গঠন বাক্যতত্ত্বের মূল আলোচ্য।
- বাক্যের মধ্যে পদ ও বর্গ কিভাবে বিন্যস্ত থাকে বাক্যতত্ত্বে তা বর্ণনা করা হয়।
- এছাড়া বাক্যের রূপান্তর, বাক্যের বাচ্য, উক্তি ইত্যাদি এই অংশের আলোচ্য বিষয়।
- কারক বিশ্লেষণ, বাক্যের যোগ্যতা, বাক্যের উপাদান লোপ, যতিচিহ্ন ইত্যাদি বাক্যতত্ত্ব অংশে আলোচিত হয়।

অন্যদিকে,
- উপসর্গ, সমাস, পুরুষ রূপতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
১৬.
কোনটি চলিত ভাষার বৈশিষ্ট্য?
  1. গুরুগম্ভীর ও দুর্বোধ্য
  2. সহজবোধ্য ও সাবলীল
  3. শুধুমাত্র তৎসম শব্দবহুল
  4. শুধুমাত্র আঞ্চলিক শব্দবহুল
সঠিক উত্তর:
সহজবোধ্য ও সাবলীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সহজবোধ্য ও সাবলীল
ব্যাখ্যা
চলিত ভাষারীতির বৈশিষ্ট্য:
- চলিত ভাষারীতি সর্বজনবোধ্য মুখের ও লেখার ভাষা।
- চলিত ভাষা সব সময় ব্যাকরণের নিয়ম মেনে চলে না।
- চলিত ভাষায় পদবিন্যাস রীতি অনেক সময় পরিবর্তিত হয়।
- চলিত ভাষায় তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের ব্যবহার কম।
- চলিত ভাষা বক্তৃতা, ভাষণ ও নাটকের সংলাপের উপযোগী।
- চলিত ভাষায় সর্বনাম, ক্রিয়া ও অব্যয়পদের সংক্ষিপ্তরূপ ব্যবহৃত হয়।
- চলিত ভাষা চটুল, সরল ও সাবলীল। চলিত ভাষারীতি পরিবর্তনশীল, তাই জীবন্ত।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
১৭.
ব্যাকরণ শব্দটিকে বিশ্লেষণ করলে আমরা পাই -
  1. ব + আ + √ক + রণ
  2. ব্যা + √কর + অন
  3. ব্যা + √ক + রণ
  4. বি + আ + √কৃ + অন
সঠিক উত্তর:
বি + আ + √কৃ + অন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বি + আ + √কৃ + অন
ব্যাখ্যা
ব্যাকরণ:
- ব্যাকরণ ভাষার বিজ্ঞানসম্মত বিশ্লেষণের শাস্ত্র। ভাষা বিভিন্ন উপাদানে গঠিত হয় এবং বিভিন্ন রীতিতে ব্যবহৃত হয়। গঠন ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রতিটি ভাষারই নিজস্ব কিছু নিয়ম-শৃঙ্খলা আছে।
- ব্যাকরণ শব্দটিকে বিশ্লেষণ করলে আমরা পাই- বি (বিশেষ) + আ (সম্যক) + √কৃ + অন = ব্যাকরণ। এ বিশ্লিষ্ট অর্থ থেকে আমরা বুঝতে পারি যে 'ব্যাকরণ' হচ্ছে 'শব্দ ব্যুৎপাদক ও ভাষা নিয়ামক শাস্ত্র।'
- ব্যাপকভাবে বলা যায়, ব্যাকরণ হচ্ছে 'ভাষার উচ্ছৃঙ্খলা নিবারক, শব্দের ব্যুৎপত্তি ও ব্যুৎপত্তিগত অর্থ-নির্ধারক, পদ-সাধক এবং বাক্য রচনা প্রণালি নির্ধারক শাস্ত্র।' ব্যাকরণের কাজ ভাষার অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা আবিষ্কার করা। ভাষার গঠন ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রত্যেক ভাষার নিজস্ব কিছু নিয়মরীতি আছে।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি।
১৮.
কোনটি কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জন?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জন:
- কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জন উচ্চারণের সময়ে ধ্বনিদ্বার থেকে বায়ু কণ্ঠনালি হয়ে সরাসরি বের হয়ে আসে।

যেমন:
- হাতি শব্দের কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

অন্যদিকে,
- 'ক, খ, গ কন্ঠ ব্যঞ্জন।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।