পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন২০
সিলেবাস
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি: টপিকসমূহ: আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক: নিরাপত্তা ও কূটনীতি সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিসমূহ [অর্থনৈতিক ও পরিবেশ সংক্রান্ত চুক্তি বাদে] উৎস: বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট এবং যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ২০ প্রশ্ন

.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অস্ট্রিয়ার যুবরাজকে কোন শহরে হত্যা করা হয়ছিল?
  1. ক) সারায়েভো
  2. খ) জাগরেব
  3. গ) সালজবুরগ
  4. ঘ) ভিয়েনা
সঠিক উত্তর:
ক) সারায়েভো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সারায়েভো
ব্যাখ্যা
• প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূত্রপাত হয়েছিল ১৯১৪ সালের ২৮ জুন অস্ট্রিয়ার যুবরাজ আর্কডিউক ফার্ডিন্যান্ড, বসনিয়ার রাজধানী সারায়েভোতে আততায়ীর হাতে নিহত হবার ঘটনার মধ্য দিয়ে।

• এর আগে অস্ট্রিয়ার সাথে সার্বিয়ার শত্রুতা চরম আকার ধারণ করেছিল।
- ধারণা করা হয়েছিল সার্বিয়ার নেতৃবৃন্দ এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত।
- এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে অস্ট্রিয়া কিছু শর্তসহ চরমপত্র দেয়।
- কিন্তু সার্বিয়া ওইসব শর্ত (অস্ট্রিয়া বিরোধী সকল প্রচারণা বন্ধ, হত্যাকাণ্ডের তদন্তে রাজকর্মচারীদের সুযোগ দেওয়া, অস্ট্রিয়াবিরোধী সকল সার্বীয় কর্মচারী ও স্কুল শিক্ষকদের চাকরিচ্যুতি) না মানলে অস্ট্রিয়া ও জার্মান সেনাবাহিনী সারায়েভোতে অভিযান চালায়।
- রাশিয়া, ফ্রান্স সার্বিয়ার পাশে এসে দাঁড়ায়। ফলে জার্মানি ফ্রান্স ও রাশিয়া আক্রমণ করে। আর এভাবেই যুদ্ধ শুরু হয়ে যায়।
- যুদ্ধের মধ্য দিয়েই জন্ম হয় কেন্দ্রীয় শক্তিজোট (জার্মানি, অস্ট্রিয়া ও তুরস্ক) ও মিত্রশক্তি জোটের (রাশিয়া, ফ্রান্স, ব্রিটেন, জাপান, সার্বিয়া, বেলজিয়াম)। 
- ১৯১৮ সালের ১১ নভেম্বর প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটে। 

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর, তারেক শামসুর রেহমান।
.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তির অন্তভুর্ক্ত দেশ -
  1. ক) জার্মানি
  2. খ) রাশিয়া
  3. গ) ইতালি
  4. ঘ) জাপান
সঠিক উত্তর:
খ) রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রাশিয়া
ব্যাখ্যা
• ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর অ্যাডলফ হিটলারের জার্মানি পোল্যান্ড আক্রমণ করে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শুরু করেন।
- এর দুদিন পরেই ব্রিটেন ও ফ্রান্স জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।
- ১৯৪০ সালের মে মাসে হিটলার ফ্রান্স আক্রমণ করেন এবং মাত্র ছয় সপ্তাহের মধ্যে ফ্রান্স দখল করে নেন।

• দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধেও পৃথিবীর ক্ষমতাধর রাষ্ট্রগুলো দুভাগে বিভক্ত হয়ে গিয়েছিল।
- জার্মানি, জাপান, ইতালির সমন্বয়ে গঠিত  অক্ষশক্তির  প্রধান প্রতিপক্ষ ছিল রাশিয়া, ব্রিটেন, ফ্রান্স ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমন্বয়ে গঠিত মিত্রশক্তি। 
- যুদ্ধে একের পর এক জার্মানির পরাজয়ের পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৪৫ সালের এপ্রিলে জার্মানি ও ইতালি মিত্রবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে। হিটলার আত্মহত্যা করেন, আর মুসোলিনিকে গ্রেফতার করে হত্যা করা হয়।
- ১৪ আগস্ট (১৯৪৫) জাপান শর্তহীনভাবে আত্মসমর্পণ করে।  

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর, তারেক শামসুর রেহমান।
.
'ট্রুম্যান ডাকট্রিন' ঘোষণা করা হয়েছিল -
  1. ক) ১৯৪৫ সালে
  2. খ) ১৯৪৬ সালে
  3. গ) ১৯৪৭ সালে
  4. ঘ) ১৯৪৮ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৪৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৪৭ সালে
ব্যাখ্যা
ট্রুম্যান ডকট্রিন: 
- ১৯৪৭ সালে ট্রুম্যান ডাকট্রিনের কথা ঘোষণা করা হয়েছিল।
- এর উদ্দেশ্য ছিল সমাজতন্ত্রের প্রসার ঠেকানো।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে গ্রিস ও তুরস্কে কমিউনিস্টদের প্রভাব বাড়ছিল।
- এই প্রভাব কমানোর লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র এগিয়ে এসেছিল।
- প্রেসিডেন্ট ট্রম্যান কংগ্রেসের কাছে প্রেরিত বার্তায় বলেছিলেন, যে সকল স্বাধীন জনগণ সশস্ত্র সংখ্যালঘু বা বহিরাগত চাপের মারফত পদানত করার প্রচেষ্টা প্রতিহত করতে সচেষ্ট, যুক্তরাষ্ট্রের নীতি হবে তাদের রক্ষা করা।
- ট্রুম্যানের নীতির কারণেই ওয়াশিংটন-মস্কো সম্পর্কের অবনতি ঘটে।
- ১৯৫২ সালে গ্রিস ও তুরস্ক ন্যাটোতে যোগ দেয়।
- প্রেসিডেন্ট ট্রুম্যানের এই নীতি আর্থিকভাবে প্রয়োগ করার জন্য ১৯৪৭ সালের জুন মাসে তৎকালীন যুক্তরাষ্ট্রের সেক্রেটারি অব স্টেট ঘোষণা করেছিলেন যে, ইউরোপের পুনর্গঠনে যুক্তরাষ্ট্র সাহায্য করবে, যা মার্শাল প্লান নামে পরিচিত। কিন্তু পূর্ব ইউরোপ মার্শাল প্ল্যান পরিত্যাগ করেছিল। যুক্তরাষ্ট্রের সেক্রেটারি অব স্টেট-এর নামেই মার্শাল প্লান নামকরণ হয়েছিল ।

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
.
ভূমির বিনিময়ে চুক্তি বলা হয় কোন চুক্তিকে?
  1. ক) উই রিভার চুক্তি
  2. খ) অসলো চুক্তি
  3. গ) ভিয়েনা চুক্তি
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ক) উই রিভার চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) উই রিভার চুক্তি
ব্যাখ্যা
উই রিভার চুক্তি, ১৯৯৮:
- উই রিভার চুক্তিকে বলা হচ্ছে ভূমির বিনিময়ে চুক্তি।
- ১৯৯৮ সালে দীর্ঘ ১৯ মাসের অচলাবস্থার অবসান করে ওয়াশিংটনের অদূরে একটি স্থানে ওই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন ও জর্দানের প্রয়াত বাদশা হোসেনও ওই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন।

• চুক্তির উল্লেখযোগ্য দিকগুলো হচ্ছে—
(১) ইসরাইল অধিকৃত আরব এলাকা পশ্চিম তীরের ১৩ শতাংশ এলাকা ফিলিস্তিনিদের হাতে অর্পণ ও ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের মাঝে ৩ শতাংশ এলাকা ‘সবুজ বেষ্টনী' অথবা সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করবে। ওই সবুজ বেষ্টনীতে বসবাসকারী ইসরাইলিদের নিরাপত্তা ও সন্ত্রাস দমনের বিষয়টি ইসরাইল কর্তৃপক্ষের হাতে ন্যস্ত থাকবে;
(২) সন্ত্রাস দমনের ব্যপারে উভয়পক্ষ সম্মত হয়েছে এবং নিজ নিজ বিচারব্যবস্থা অনুযায়ী সন্ত্রাসীদের বিচার করা হবে এবং ইহুদি ও ফিলিস্তিনিদের সমন্বয়ে গঠিত একটি কমিটি দুই সপ্তাহ অন্তর সন্ত্রাস দমনে গৃহীত পদক্ষেপগুলো পর্যালোচনা করবে;
(৩) ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ সকল প্রকার সহিংসতা ও সন্ত্রাসী তৎপরতা নিষিদ্ধ ঘোষণা করে একটি ডিগ্রি জারি করবে;
(৪) 'নিরাপত্তা সহযোগিতা' প্রশ্নে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ ও প্রশিক্ষক বিনিময়সহ অব্যাহতভাবে উভয়পক্ষ ব্যাপক দ্বি-পাক্ষিক কর্মসূচি গ্রহণ করবে।

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
.
ভূমি মাইন ব্যবহার, গুদামজাত, উৎপাদন ও সরবরাহ নিষিদ্ধ সংক্রান্ত চুক্তিটির নাম -
  1. ক) অটোয়া চুক্তি
  2. খ) ভিয়েনা চুক্তি
  3. গ) মন্ট্রিল চুক্তি
  4. ঘ) অসলো চুক্তি
সঠিক উত্তর:
ক) অটোয়া চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অটোয়া চুক্তি
ব্যাখ্যা
Anti-Personnel Mine Ban Convention (Ottowa Treaty):
- ভূমি মাইন ব্যবহার, গুদামজাত করা, উৎপাদন করা ও সরবরাহ করা নিষিদ্ধ সংক্রান্ত চুক্তিটির নাম হচ্ছে 'এন্টি পারসোনাল মাইন ব্যান কনভেনশন' যা অটোয়া চুক্তি নামেও অভিহিত করা হয়।
- ১৯৯৭ সালের ডিসেম্বরে অটোয়ায় ১২২টি দেশ ভূমি-মাইন চুক্তি স্বাক্ষর করে।
- যুক্তরাষ্ট্র সহ রাশিয়া, চীন, ভারত, পাকিস্তান, ইরান, ইরাক, ভিয়েতনাম ও তুরস্ক এ চুক্তি স্বাক্ষরে অস্বীকৃতি জানায় ।
- ১৯৯৯ সালের ১ মার্চ থেকে এটি আন্তর্জাতিক আইনে পরিণত হয়েছে।

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
.
R2P এর পূর্ণরূপ -
  1. ক) Responsibility to Protection
  2. খ) Reliability to Protect
  3. গ) Reliability to Protection
  4. ঘ) Responsibility to Protect
সঠিক উত্তর:
ঘ) Responsibility to Protect
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Responsibility to Protect
ব্যাখ্যা
• R2P এর পূর্ণরূপ - Responsibility to Protect. 

Responsibility to Protect:
- আর টু পি বা Responsibility to Protect তত্ত্ব মূলত এক ধরণের কমিটমেন্ট, যা জাতিসংঘের সদস্যপদ প্রাপ্ত প্রতিটি রাষ্ট্র মানতে বাধ্য। জাতিসংঘের ২০০৫ সালের এক শীর্ষ সম্মেলনে ‘আর টু পি’ গ্রহণ করা হয়।
- এর উদ্দেশ্য হচ্ছে গণহত্যা যুদ্ধ বন্ধ, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জাতিসত্তাকে নিমূর্লের হাত থেকে রক্ষা করা, যুদ্ধাপরাধ, ইত্যাদি ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
- অর্থাৎ একটা বিশাল জনগোষ্ঠীকে সকল ধরনের সন্ত্রাস, গণহত্যার হাত থেকে রক্ষা করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথা বলা হয়েছে এই তত্ত্বে।
- এই তত্ত্বের আওতায় যে রাষ্ট্র বা গোষ্ঠী যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত করছে, তার বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগ, সামরিক শক্তি প্রয়োগ, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিধান রাখা হয়েছে।
- জাতিসংঘের মহাসচিব ২০০৯ সাল থেকে প্রতিবছর এই তত্ত্বের আওতায় কী ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন, সে সম্পর্কে রিপোর্ট প্রদান করেন।
- লিবিয়া, সুদান, সিরিয়ায় এই তত্ত্ব প্রয়োগ করে গণহত্যা বন্ধ ও ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীকে উচ্ছেদ অভিযান থেকে রক্ষা করার জন্য বৃহৎ রাষ্ট্রকে সামরিক অভিযান চালাতে আমরা দেখেছি।
- যদিও এই তত্ত্বের প্রয়োগ নিয়ে এখনও বিতর্ক আছে।

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
.
ন্যাটো জোটের বিপরীতে গঠিত হয়েছিল -
  1. ক) রুশ সামরিক জোট
  2. খ) ওয়ারশ সামরিক জোট
  3. গ) ইউরোপিয়ান সামরিক জোট
  4. ঘ) এশিয়ান সামরিক জোট
সঠিক উত্তর:
খ) ওয়ারশ সামরিক জোট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ওয়ারশ সামরিক জোট
ব্যাখ্যা
ওয়ারশ সামরিক জোট:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যখন ট্রুমান ডকট্রিন, মার্শাল প্ল্যান আর ন্যাটো সামরিক জোট গঠন করে পশ্চিম ইউরোপে সমাজতন্ত্রের বিরোধী একটা জোট গড়ে তুলেছিল, তখন সোভিয়েত ইউনিয়নই ইউরোপের সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলোকে নিয়ে ‘ওয়ারশ’ সামরিক জোট গড়ে তোলে।
- এটি গঠিত হয়েছিল ১৯৫৫ সালের ১৪ মে।
- সদস্য রাষ্ট্রগুলো ছিল আলবেনিয়া (প্রত্যাহার ১৯৬৮), বুলগেরিয়া, চেকোস্লাভিয়া, পূর্ব জার্মানি, হাঙ্গেরী, পোল্যান্ড, রুমানিয়া ও সোভিয়েত ইউনিয়ন।
- সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক বাড়ানো ও আর্থিক সহযোগিতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে একই সাথে কমিকন বা Council for Mutual Economic Assistance-COMECON গঠন করে।
- গরবাচেভ ওয়ারশ সামরিক জোট ভেঙ্গে দেন ১৯৯১ সালের ১ জুলাই। 

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাব বলয়ের বাইরে থাকা দেশগুলোর জোটের নাম -
  1. ক) ন্যাম
  2. খ) ওয়ারশ জোট
  3. গ) ন্যাটো
  4. ঘ) ইউরোপীয় ইউনিয়ন
সঠিক উত্তর:
ক) ন্যাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ন্যাম
ব্যাখ্যা
জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন:
- বিংশ শতাব্দীর বৈশ্বিক রাজনীতির একটি উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের জন্ম, যা ন্যাম নামে পরিচিত।
- এই ন্যাম আন্দোলন দুটি পরাশক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাব বলয়ের বাইরে থেকে বিংশ শতাব্দীর বৈশ্বিক রাজনীতিতে তাদের অবদান রেখে গেছে।
-  ৬ সেপ্টেম্বর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জোট নিরপেক্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে আলজেরিয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। আলজেরিয়ায় বিশ্বনেতৃবৃন্দের সাথে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দ্বিপাক্ষিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র 'ডমিনো তত্ত্ব' প্রয়োগ করে -
  1. ক) দক্ষিণ এশিয়ায়
  2. খ) দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায়
  3. গ) মধ্য এশিয়ায়
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
খ) দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায়
ব্যাখ্যা
ডমিনো তত্ত্ব (Domino Theory):
- ডমিনো তত্ত্ব-এর মূল কথা হচ্ছে কোনো একটি দেশে যদি সমাজতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়, তাহলে তার পাশের এবং আশেপাশের দেশগুলোও এই মতাদেশে উদ্বুদ্ধ হবে এবং এক সময় রাষ্ট্রগুলো সমাজতন্ত্রী রাষ্ট্রে পরিণত হবে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিংশ শতাব্দীর সত্তরের দশকে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় বিশেষ করে ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও লাওসে এই তত্ত্ব প্রয়োগ করে সেখানে সমাজতন্ত্রের উত্থান ঠেকাতে সামরিক হস্তক্ষেপ করেছিল।
- তবে প্রেসিডেন আইসেনহাওয়ার এর ১৯৫৪ সালের ৭ এপ্রিলের সংবাদ সম্মেলনে প্রথমবারের মতো পরোক্ষভাবে ডমিনো তত্ত্ব-এর কথা বলেছিলেন। মূল বিষয় ছিল কোনো অবস্থাতেই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং অন্যত্র সমাজতন্ত্রের প্রসারকে এগিয়ে নিজে যেতে দেয়া যাবে না। প্রয়োজনে সেইসব দেশে সামরিক হস্তক্ষেপ কর হবে। 

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
১০.
'পিংপং কূটনীতি' দ্বারা নিচের কোন দুটি দেশের সর্ম্পক উন্নয়ন হয়েছিল?
  1. ক) চীন ও যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) জাপান ও যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) চীন ও যুক্তরাজ্য
  4. ঘ) উত্তর কোরিয়া ও যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
ক) চীন ও যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চীন ও যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
• পিংপং কূটনীতি (Ping Pong Diplomacy): 
- বিংশ শতাব্দীর সত্তর-এর দশকে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের পক্ষে যুক্তরাষ্ট্র টেবিল টেনিস দলের চীন সফরকে চিহ্নিত করা হয়েছে পিংপং কূটনীতি হিসেবে।
- ১৯৭১ সালের ৬ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের একটি টেবিল টেনিস দল জাপারে নাগোয়াতে ৩১তম বিশ্ব টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিল।
- তখন তাদের চীন সফরে আমন্ত্রণ জানান হয়।
- তারা ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল টানে যান।
- ১৯৪৯ সালের পর প্রথম একটি যুক্তরাষ্ট্রের টিম চীন সফর করেছিল।
- এর মধ্যে দিয়ে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্কের উন্নতি হয় এবং প্রেসিডেন্ট নিক্সনের ঐতিহাসিক চীন সফরের ক্ষেত্র তৈরি হয়।

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর, তারেক শামসুর রেহমান।
১১.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ফলাফল নয় কোনটি?
  1. ক) জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠা
  2. খ) জার্মানির বিভক্তি
  3. গ) স্নায়ুযুদ্ধের সূচনা
  4. ঘ) লীগ অব নেশনের প্রতিষ্ঠা
সঠিক উত্তর:
ঘ) লীগ অব নেশনের প্রতিষ্ঠা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) লীগ অব নেশনের প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা
• প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর লীগ অব নেশনের প্রতিষ্ঠিত হয়।

• বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে আলোচিত ও দুঃখজনক ঘটনা হলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। 
- এই যুদ্ধের স্থায়িত্ব ছিল ১৯৩৯ সাল থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত।

• দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ফলাফল: 
- পরস্পর বিরোধী দুই মতাদর্শের বিকাশ।
- জার্মানির বিভক্তি।
- বিশ্বরাজনীতিতে বৃহৎ শক্তির হিসাবে ফ্রান্স ও ব্রিটেনের পতন।
- বৃহৎ শক্তি হিসাবে যুক্তরাষ্ট্রের আবির্ভাব।
- স্নায়ুযুদ্ধের সূচনা।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠা। 

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর, তারেক শামসুর রেহমান।
 
১২.
'অপারেশন অডিসি ডন' পরিচালিত হয় কোথায়?
  1. ক) সিরিয়া
  2. খ) ইরাক
  3. গ) কাতার
  4. ঘ) লিবিয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) লিবিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) লিবিয়া
ব্যাখ্যা
• 'অপারেশন অডিসি ডন' পরিচালিত হয় লিবিয়ায়। 

Operation Odyssey Dawn: 
- অপারেশন অডিসি ডন (Operation Odyssey Dawn) লিবিয়ায় মার্কিন তথা আন্তর্জাতিক মিলিটারি অপারেশনস-এর কোড নাম।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একটি সিদ্ধান্ত (১৯৭৩) বাস্তবায়নের জন্যই ছিল এই মিলিটারি অপারেশনস্।
- এই অপারেশন পরিচালিত হয় ১৯ থেকে ৩১ মার্চ ২০১১ পর্যন্ত।
- এর মধ্য দিয়ে লিবিয়ায় বিমান হামলা চালানো হয় এবং লিবিয়ার উপর ‘নোফ্লাই জোন' প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- বিমান হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আরো অংশ নিয়েছিল বেলজিয়াম, কানাডা, ডেনমার্ক, ইতালি, হল্যান্ড, নরওয়ে, কাতার, রোম, আরব আমিরাত ও যুক্তরাজ্যের বিমান বাহিনী।
- এই বিমান হামলায় গাদ্দাফী উৎখাত হন এবং তার সরকারের পতন ঘটে।

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
১৩.
বেলফোর ঘোষণায় একটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছিল যার নাম -
  1. ক) ফিলিস্তান
  2. খ) সিরিয়া
  3. গ) ইসরাইল
  4. ঘ) ইরাক
সঠিক উত্তর:
গ) ইসরাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইসরাইল
ব্যাখ্যা
বেলফোর ঘোষণা (Balfour Delclaration):
- বেলফোর ঘোষণার সাথে আজকের ইহুদী রাষ্ট্র ইসরাইল প্রতিষ্ঠার প্রশ্নটি সরাসরিভাবে জড়িত।
- ১৯১৭ সালের ২ ডিসেম্বর তৎকালিন ব্রিটেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ জে বেলফো ব্রিটিশ জায়নিষ্ঠ ফেডারেশনের সভাপতি লর্ড রথচাইল্ডকে একটি চিঠি দেন।
- ওই চিঠির উদ্দেশ্য ছিল ইহুদীদের জন্য একটি আবাসভূমি প্রতিষ্ঠা।
- ইতিহাসে এটাই বেলফোর ঘোষণা হিসেবে পরিচিত।
- ১৯৪৭ সালে জাতিসংঘ প্যালেস্টাইন অধ্যুষিত আরব এলাকা বিভক্তির মধ্যে দিয়ে ইসরাইল রাষ্ট্রটি প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেয়। 
- ১৯৪৮ সালে ইসরাইল প্রতিষ্ঠিত হয়।

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
১৪.
ফ্রান্স ও জার্মানির মধ্যে বাফার স্টেট -
  1. ক) বেলজিয়াম
  2. খ) পোল্যান্ড
  3. গ) অস্ট্রিয়া
  4. ঘ) স্পেন
সঠিক উত্তর:
ক) বেলজিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বেলজিয়াম
ব্যাখ্যা
বাফার স্টেট: 
- দুটি বৃহৎ অথচ বিপরীতমনা রাষ্ট্রের ভৌগোলিক অবস্থানের মধ্যবর্তী এলাকায় অবস্থিত কোন ক্ষুদ্র রাষ্ট্র, যা সংঘর্ষে জড়িয়ে যেতে রাষ্ট্র দুটোকে নিবৃত্ত করে তাকে বাফার স্টেট বলে।
- দুটি বৃহৎ শক্তিশালী দেশের মধ্যস্থলে অবস্থিত ক্ষুদ্র রাষ্ট্রটি শক্তির ভারসাম্য বজায় রাখতে অনেক সময় বিশেষভাবে সাহায্য করে।
- দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রাষ্ট্র ফ্রান্স ও জার্মানির মধ্যবর্তী এলাকায় অবস্থিত বেলজিয়ামের কথা উল্লেখ করতে পারি।

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
১৫.
START কী?
  1. ক) বাণিজ্য সংক্রান্ত একটি চুক্তি
  2. খ) কৌশলগত অস্ত্র সীমিতকরণ চুক্তি
  3. গ) অর্থনীতি সংক্রান্ত একটি চুক্তি
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
খ) কৌশলগত অস্ত্র সীমিতকরণ চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কৌশলগত অস্ত্র সীমিতকরণ চুক্তি
ব্যাখ্যা
স্ট্র্যাট চুক্তি (START):
- স্ট্র্যাট বা Strategic Arms Reduction Treaty স্বাক্ষরিত হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে।
- কৌশলগত অস্ত্র সীমিতকরণ চুক্তি ছিল এটি।
- ১৯৮২ সালের ২৯ জুন থেকে ১৯৯১ সালের জুন পর্যন্ত এ নিয়ে আলোচনা চলে ।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৯১ সালের ৩১ জুলাই এবং কার্যকরী হয় ১৯৯৪ সালের ৫ ডিসেম্বর থেকে।
- ২০০৯ সালের ৫ ডিসেম্বর ওই চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যায়।
- ওই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন জর্জ বুশ ও মিখাইল গরবাচেভ। স্ট্র্যাট চুক্তিতে কৌশলগত অস্ত্র সীমিতকরণ একটা সমঝোতা হয়েছিল।

• স্ট্র্যার্ট-১ এ সিদ্ধান্ত হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের হাতে থাকবে ৮৫৫৬টি অস্ত্র, আর কমনওয়েলথ অব ইন্ডিপেনডেন্ট ষ্টেটস (রাশিয়ার নেতৃত্বে) এর হাতে থাকবে ৬১৬৩টি ।
• স্ট্র্যাট-২ চুক্তিতে (১৯৯৩-২০০২) এই অস্ত্রের সংখ্যা কমিয়ে আনার সিদ্ধান্ত হয়েছিল ৪২৫০টি (যুক্তরাষ্ট্র) ও ৪২৫০টিতে (সিআই এস)। ২০০৩ সাল পরবর্তীতে এ সংখ্যা ৩৫০০টিতে নামিয়ে আনার ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত হয়েছিল।

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
১৬.
CSTO কী -
  1. ক) সামরিক প্যাক্ট
  2. খ) অর্থনৈতিক প্যাক্ট
  3. গ) বাণিজ্যিক প্যাক্ট
  4. ঘ) কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
ক) সামরিক প্যাক্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সামরিক প্যাক্ট
ব্যাখ্যা
সিএসটিও (CSTO- Collective Security Treaty Organization):
- সিএসটিও একটি সামরিক প্যাক্ট, যা ১৯৯২ সালের মে মাসে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- এর সদর দফতর মস্কোতে।
- বর্তমানে ৬টি দেশ এই সামরিক প্যাক্টের সদস্য।
- এই দেশগুলো হচ্ছে আর্মেনিয়া, বেলারুশ, কাজাখিস্তান কিঘিজিস্তান, রাশিয়া, তাজিকিস্তান। 

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
১৭.
জৈব অস্ত্র কনভেনশন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল -
  1. ক) ১৯৭০ সালে
  2. খ) ১৯৭১ সালে
  3. গ) ১৯৭২ সালে
  4. ঘ) ১৯৭৩ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
জৈব অস্ত্র কনভেনশন:
- সাম্প্রতিক সময়ে বহুল আলোচিত একটি বিষয় হচ্ছে জৈব অস্ত্র।
- বিশেষ করে করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) ঘটনাটি যখন বিশ্বব্যাপী আলোচনার ঝড় তুলেছিল, তখন জৈব অস্ত্রের বিষয়টি সামনে চলে আসে। অর্থাৎ একটা অভিযোগে ছিল করোনা ভাইরাস একটি জৈব মারণাস্ত্র! জৈব অস্ত্রের মাধ্যমে মানব শরীরে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ফাংগাস ইত্যাদি প্রবেশ করিয়ে তাদের মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হয়।
- এর ভয়াবহতা উপলব্ধি করেই ১৯৭২ সালে Biological Weapons Convention (BWC) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর, তারেক শামসুর রেহমান।
১৮.
'নুরেমবার্গ ট্রায়াল' এর সাথে সর্ম্পকিত ঘটনা কোনটি?
  1. ক) প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
  2. খ) দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
  3. গ) জার্মানির বিভক্তি
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
খ) দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
ব্যাখ্যা
• 'নুরেমবার্গ ট্রায়াল' এর সাথে সর্ম্পকিত ঘটনা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ

• নুরেমবার্গ ট্রায়াল:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাজি বাহিনী ইউরোপে ‘অপরাধ' করেছিল।
- তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ, যুদ্ধ সংঘটিত করা ও বিঘ্নিত করা।
- ১৯৪৫ সালে গঠিত International Military Tribunal (Nurenburg)-এ তাদের বিচারের সম্মুখীন হতে হয়েছিল।
- তাদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার হয়েছিল । বিচার তাদেরও হয়েছিল, যারা দূরপ্রাচ্যে (Far East) অপরাধ সংঘটিত করেছিল।
- ১৯৪৬ সালে গঠিত হয়েছিল International Military Tribunal for Far East (Japan)।
- জাপানি যুদ্ধাপরাধীদেরও বিচার হয়েছিল।

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
 
১৯.
পার্ল হারবার কী?
  1. ক) মার্কিন নৌ ও বিমান ঘাঁটি
  2. খ) ব্রিটিশ নৌ ও বিমান ঘাঁটি
  3. গ) জার্মান নৌ ও বিমান ঘাঁটি
  4. ঘ) ফরাসি নৌ ও বিমান ঘাঁটি
সঠিক উত্তর:
ক) মার্কিন নৌ ও বিমান ঘাঁটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মার্কিন নৌ ও বিমান ঘাঁটি
ব্যাখ্যা
• ১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর হাওয়াই-এর ওয়াহু দ্বীপে অবস্থিত পার্ল হারবারে মার্কিন নৌ ও বিমান ঘাঁটিতে জাপান বিমান হামলা চালিয়ে তা ধ্বংস করে দেয়।
- ৯৪৫ সালের ১৬ জুলাই নিউ মেক্সিকোর মরুভূমিতে যুক্তরাষ্ট্র সাফল্যজনকভাবে পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়।
- এর ঠিক তিন সপ্তাহ পর হিরোশিমায় পারমাণবিক বোমাবর্ষণ করা হয়।
- ১৯৪৫ সালের ২ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন ও রাশিয়া পটাসডাম সম্মেলনে জাপানকে আত্মসমর্পণ করতে বললে জাপান তা প্রত্যাখ্যান করে।
- পরে ৬ ও ৯ আগস্ট হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে আণবিক বোমাবর্ষণ করা হয়।
- ফলে ১৪ আগস্ট (১৯৪৫) জাপান শর্তহীনভাবে আত্মসমর্পণ করে। 

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর, তারেক শামসুর রেহমান।
২০.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে কেন্দ্রীয় শক্তিজোট কোনটি?
  1. ক) জার্মানি, অস্ট্রিয়া ও তুরস্ক
  2. খ) রাশিয়া, ফ্রান্স, ব্রিটেন
  3. গ) জাপান, সার্বিয়া, বেলজিয়াম
  4. ঘ) জার্মানি, রাশিয়া, জাপান
সঠিক উত্তর:
ক) জার্মানি, অস্ট্রিয়া ও তুরস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জার্মানি, অস্ট্রিয়া ও তুরস্ক
ব্যাখ্যা
•  প্রথম বিশ্বযুদ্ধের মধ্য দিয়েই জন্ম হয় কেন্দ্রীয় শক্তিজোট (জার্মানি, অস্ট্রিয়া ও তুরস্ক) ও মিত্রশক্তি জোটের (রাশিয়া, ফ্রান্স, ব্রিটেন, জাপান, সার্বিয়া, বেলজিয়াম)। 

• প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূত্রপাত হয়েছিল ১৯১৪ সালের ২৮ জুন অস্ট্রিয়ার যুবরাজ আর্কডিউক ফার্ডিন্যান্ড, বসনিয়ার রাজধানী সারায়েভোতে আততায়ীর হাতে নিহত হবার ঘটনার মধ্য দিয়ে।
- এর আগে অস্ট্রিয়ার সাথে সার্বিয়ার শত্রুতা চরম আকার ধারণ করেছিল।
- ধারণা করা হয়েছিল সার্বিয়ার নেতৃবৃন্দ এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত।
- এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে অস্ট্রিয়া কিছু শর্তসহ চরমপত্র দেয়।
- কিন্তু সার্বিয়া ওইসব শর্ত (অস্ট্রিয়া বিরোধী সকল প্রচারণা বন্ধ, হত্যাকাণ্ডের তদন্তে রাজকর্মচারীদের সুযোগ দেওয়া, অস্ট্রিয়াবিরোধী সকল সার্বীয় কর্মচারী ও স্কুল শিক্ষকদের চাকরিচ্যুতি) না মানলে অস্ট্রিয়া ও জার্মান সেনাবাহিনী সারায়েভোতে অভিযান চালায়।
- রাশিয়া, ফ্রান্স সার্বিয়ার পাশে এসে দাঁড়ায়। ফলে জার্মানি ফ্রান্স ও রাশিয়া আক্রমণ করে। আর এভাবেই যুদ্ধ শুরু হয়ে যায়।
- যুদ্ধের মধ্য দিয়েই জন্ম হয় কেন্দ্রীয় শক্তিজোট (জার্মানি, অস্ট্রিয়া ও তুরস্ক) ও মিত্রশক্তি জোটের (রাশিয়া, ফ্রান্স, ব্রিটেন, জাপান, সার্বিয়া, বেলজিয়াম)। 
- ১৯১৮ সালের ১১ নভেম্বর প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটে। 

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর, তারেক শামসুর রেহমান।