পরীক্ষা আর্কাইভ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

পরীক্ষা৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন৩৯
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১০: পার্ট-১) বিষয়: বাংলা ব্যাকরণ টপিক: শব্দ প্রকরণ (শব্দের শ্রেণিবিভাগ; শব্দের উৎসমূল; ধাতু, প্রকৃতি - প্রত্যয়; ক্রিয়ার কাল ও এর প্রয়োগ) পার্ট-২) বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি টপিক: ১. আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি: [গুরুত্বপূর্ণ মহাদেশ, দেশ (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভারত, চীন, ফ্রান্স, রাশিয়ার, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি, কানাডা, অস্ট্রেলিয়ার, দক্ষিণ আফ্রিকা, জাপান প্রভৃতি) ইত্যাদি সম্পর্কিত সাধারণ তথ্য] ২. আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক: নিরাপত্তা ও কূটনীতি সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিসমূহ [অর্থনৈতিক ও পরিবেশ সংক্রান্ত চুক্তি বাদে] পার্ট-৩) বিষয়: সাধারণ বিজ্ঞান টপিক: জীববিজ্ঞান: ১. পদার্থের জীববিজ্ঞান-বিষয়ক ধর্ম, উদ্ভিদ টিস্যু, এনিম্যাল ডাইভারসিটি, প্লান্ট ডাইভারসিটি, অর্গান এবং অর্গান সিস্টেম, সালোক সংশ্লেষণ, জুলোজিক্যাল নমেনক্লেচার, বোটানিক্যাল নমেনক্লেচার, উদ্ভিদ, ফুল, ফল, প্লান্ট নিউট্রেশন, উদ্ভিদের বংশ বৃদ্ধি ও পরাগায়ন ইত্যাদি। ২. প্রাণিজগৎ ও প্রাণিবিজ্ঞান, জেনেটিক্স, জিনতত্ত্ব ও বিবর্তন, জীববৈচিত্র্য ও প্রজনন, প্রাণী টিস্যু, প্রাণী অর্গান ও অর্গান সিস্টেম, মানব হৃদ্পিণ্ড ও হৃদরোগ, স্নায়ু ও স্নায়ুরোগ, রক্ত ও রক্ত সঞ্চালন, রক্তচাপ, খাদ্য ও পুষ্টি, ভিটামিন।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৯ প্রশ্ন

.
কোনটি সংস্কৃত শব্দ?
  1. কামড়
  2. পয়লা
  3. মাতা
  4. চাউল
সঠিক উত্তর:
মাতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাতা
ব্যাখ্যা

• সংস্কৃত শব্দ - মাতা
​- এটি একটি বিশেষ্য পদ।

​শব্দের অর্থ:
​- মা, জননী, গর্ভধারিণী, আম্মা, মাতৃ বা কন্যাস্থানীয়া নারী।

​অন্যদিকে,
​​দেশি শব্দ - কামড়, চাউল এবং পয়লা।

​কিছু সংস্কৃত শব্দ:
- সূর্য, চন্দ্র, জল, গৃহ, মৃত্তিকা, রাম, রাবণ, পুত্র, পিতা, জননী, দেব, দেবী, দর্শন, বয়ন, গমন, রাত্রি, দিবা, সৌর্য, কৃতিত্ব, আদিত্য, নারায়ণ, বৃক্ষ, পশু, লতা, নর, নারী, বেদ, বেদান্ত, উপনিষদ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

.
ধাতু কয় প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
ব্যাখ্যা

ধাতু বা ক্রিয়ামূল:
- বাংলা ভাষায় বহু ক্রিয়াপদ রয়েছে। এসকল ক্রিয়াপদের মূল অংশকে বলা হয় ধাতু বা ক্রিয়ামূল।
- ধাতু ৩ প্রকার।

যথা:
১. মৌলিক ধাতু
২. সাধিত ধাতু ও
৩. যৌগিক সংযোগমূলক ধাতু।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

.
‘তুফান' - শব্দটি কোন ভাষা থেকে আগত?
  1. আরবি
  2. তুর্কি
  3. সংস্কৃত
  4. ফারসি
সঠিক উত্তর:
আরবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরবি
ব্যাখ্যা

• ‘তুফান’ শব্দটি 'আরবি' ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।

​কিছু আরবি শব্দ:
- এলাকা,
- এলাহি,
- কয়েদ,
- কসাই,
- খারাবি,
- খারাপ,
- খারিজ,
- তকদির ইত্যাদি।

​উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

.
কোনটি ঘটমান অতীত?
  1. উঠতাম
  2. গেল
  3. পড়ছিলাম
  4. পৌঁছেছিলাম
সঠিক উত্তর:
পড়ছিলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পড়ছিলাম
ব্যাখ্যা

ঘটমান অতীত:
- যে ক্রিয়া অতীত কালে চলছিল বোঝায়, তাকে ঘটমান অতীত কাল বলে।

​যেমন:
- আমরা তখন বই পড়ছিলাম

​অন্যদিকে
সাধারণ অতীত - তারা সেখানে বেড়াতে গেল
পুরাঘটিত অতীত - বৃষ্টি শেষ হওয়ার আগেই আমরা বাড়ি পৌছেছিলাম। 
নিত্য অতীত - খুব সকালে ঘুম থেকে উঠতাম

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

.
কোনটি মৌলিক শব্দ?
  1. গরমিল
  2. সংসদ
  3. গোলাপ
  4. সদস্য
সঠিক উত্তর:
গোলাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোলাপ
ব্যাখ্যা

মৌলিক শব্দ:
- যেসব শব্দ বিশ্লেষণ করলে অর্থপূর্ণ কোনো অংশ থাকে না, সেগুলোকে মৌলিক শব্দ বলে।

​যেমন:
- গাছ, পাখি, ফুল, হাত, গোলাপ ইত্যাদি ।

​অন্যদিকে,
​সাধিত শব্দ:
- যেসব শব্দকে বিশ্লেষণ করলে তার মধ্যে এক বা একাধিক অর্থপূর্ণ অংশ থাকে, সেগুলোকে সাধিত শব্দ বলে। উপসর্গ বা প্রত্যয় যোগ করে অথবা সমাস প্রক্রিয়ায় সাধিত শব্দ তৈরি হয়।

​যেমন:
- পরিচালক, গরমিল, সম্পাদকীয়, সংসদ, সদস্য, নীলাকাশ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

.
কোনটি পুরাঘটিত বর্তমান?
  1. অবশেষে আমি ইংরেজি পড়া শেষ করেছি।
  2. হাসান বই পড়ছে
  3. আমি বাড়ি যাই
  4. আমি রোজ বিদ্যালয়ে পড়তে যাই।
সঠিক উত্তর:
অবশেষে আমি ইংরেজি পড়া শেষ করেছি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবশেষে আমি ইংরেজি পড়া শেষ করেছি।
ব্যাখ্যা

পুরাঘটিত বর্তমান:
- ক্রিয়া পূর্বে শেষ হলে এবং তার ফল এখনও বর্তমান থাকলে, পুরাঘটিত বর্তমান কাল ব্যবহৃত হয়।

​যেমন:
- এবার আমি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছি।
- এতক্ষণ আমি অঙ্ক করেছি।
​- অবশেষে আমি ইংরেজি পড়া শেষ করেছি।

​​অন্যদিকে, 
সাধারণ বর্তমান - আমি বাড়ি যাই।, আমি রোজ বিদ্যালয়ে পড়তে যাই।
ঘটমান বর্তমান - হাসান বই পড়ছে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

.
‘হস্তী’ - কোন প্রকার শব্দ?
  1. রূঢ়ি শব্দ
  2. যৌগিক শব্দ
  3. যোগরূঢ় শব্দ
  4. মৌলিক শব্দ
সঠিক উত্তর:
রূঢ়ি শব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূঢ়ি শব্দ
ব্যাখ্যা

রূঢ়ি শব্দ:
- যে শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গযোগে মূল শব্দের অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ জ্ঞাপন করে, তাকে রূঢ়ি শব্দ বলে।

​যেমন:
- হস্তী: হস্ত + ইন, অর্থ -হস্ত আছে যার; কিন্তু হস্তী বলতে একটি পশুকে বোঝায়।
- গবেষণা (গো+এষণা) অর্থ - গরু খোঁজা। বর্তমান অর্থ ব্যাপক অধ্যয়ন ও পর্যালোচনা।
- বাঁশি: বাঁশ দিয়ে তৈরি যে কোনো বস্তু নয়, শব্দটি সুরের বিশেষ বাদ্যযন্ত্র, বিশেষ অর্থে প্রযুক্ত হয়।
- তৈল: শুধু তিলজাত স্নেহ পদার্থ নয়, শব্দটি যে কোনো উদ্ভিজ্জ পদার্থজাত স্নেহ পদার্থকে বোঝায়। যেমন - বাদাম তেল।
- প্রবীণ: শব্দটির অর্থ হওয়া উচিত ছিল প্রকৃষ্ট রূপে বীণা বাজাতে পারেন যিনি। কিন্তু শব্দটি ‘অভিজ্ঞতাসম্পন্ন বয়স্ক ব্যক্তি' অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- সন্দেশ: শব্দ ও প্রত্যয়গত অর্থে ‘সংবাদ’। কিন্তু রূঢ়ি অর্থে ‘মিষ্টান্ন বিশেষ’।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

.
'ভালোভাবে পৌঁছে যেয়ো।' - এটি কোন কালের উদাহরণ?
  1. সাধারণ ভবিষ্যৎ
  2. ঘটমান ভবিষ্যৎ
  3. অনুজ্ঞা বর্তমান
  4. অনুজ্ঞা ভবিষ্যৎ
সঠিক উত্তর:
অনুজ্ঞা ভবিষ্যৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুজ্ঞা ভবিষ্যৎ
ব্যাখ্যা

অনুজ্ঞা ভবিষ্যৎ:
- যে ক্রিয়া দিয়ে ভবিষ্যৎ কালের আদেশ, অনুমতি, অনুরোধ, প্রার্থনা, আমন্ত্রণ, আশীর্বাদ, উপদেশ, উপেক্ষা ইত্যাদি প্রকাশ করা হয়, তাকে অনুজ্ঞা ভবিষ্যৎ কাল বলে।

​যেমন:
- তাড়াতাড়ি কাজটি কোরো।
- ভালোভাবে পৌঁছে যেয়ো।

​উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।

.
‘রোজনামচা’ - শব্দটি কোন ভাষা থেকে এসেছে?
  1. আরবি
  2. তুর্কি
  3. ফারসি
  4. হিন্দি
সঠিক উত্তর:
ফারসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফারসি
ব্যাখ্যা

• ফারসি শব্দ - রোজনামচা
​- এটি একটি বিশেষ্য পদ।

​শব্দের অর্থ:
​- প্রতিদিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনার লিখিত বিবরণ, দিনলিপিI

​​​কিছু ফারসি শব্দ:
- কাজি, 
- কারিগর,
- খোয়াব,
- চশমা,
- চেহারা,
- দরদি,
- দরবার,
- দারোগা,
- দারোয়ান,
- ফসলি,
- রোজ,
- রোজা ইত্যাদি।

​উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১০.
'ছাত্রদের কর্তব্য লেখাপড়া করা।' - বাক্যে 'কর্তব্য' শব্দটি কোন ধাতুযোগে গঠিত?
  1. বাংলা ধাতু
  2. বিদেশগাত ধাতু
  3. সংস্কৃত ধাতু
  4. প্রযোজক ধাতু
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃত ধাতু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃত ধাতু
ব্যাখ্যা

সংস্কৃত ধাতু: 
- তৎসম ক্রিয়াপদের ধাতুকে সংস্কৃত ধাতু বলে।

যেমন:
- অক্ + অন = অঙ্কন: ছোটদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিথু প্রথম হয়েছে।
- দৃশ্ + য = দৃশ্য: দুর্ঘটনার মর্মান্তিক দৃশ্য বর্ণনা করা যায় না।
- কৃ + তব্য = কর্তব্য: ছাত্রদের কর্তব্য লেখাপড়া করা।
- হস্ + য = হাস্য: অকারণ হাস্য-পরিহাস ত্যাগ কর।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।

১১.
'গায়ক' - কোন শব্দ?
  1. রূঢ়ি শব্দ
  2. যৌগিক শব্দ
  3. যোগরূঢ় শব্দ
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
যৌগিক শব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যৌগিক শব্দ
ব্যাখ্যা

যৌগিক শব্দ:
- যে সকল শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই রকম, সেগুলোকে যৌগিক শব্দ বলে। 

​যেমন:
- গায়ক = গৈ + ণক (অক) অর্থ: গান করে যে।
- কর্তব্য = কৃ + তব্য - অর্থ: যা করা উচিত।
- বাবুয়ানা = বাবু + আনা - অর্থ: বাবুর ভাব।
- মধুর = মধু + র - অর্থ: মধুর মতো মিষ্টি গুণযুক্ত।
- দৌহিত্র = দুহিতা + ষ্ণ্য - অর্থ: কন্যার পুত্র, নাতি।
- চিকামারা = চিকা + মারা - অর্থ: দেওয়ালের লিখন।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

১২.
কোনটি সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়?
  1. মনু + ষ্ণ = মানব
  2. ধড়ি + বাজ = ধড়িবাজ
  3. ঘর + আমি = ঘরামি
  4. বাঘ + আ = বাঘা
সঠিক উত্তর:
মনু + ষ্ণ = মানব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মনু + ষ্ণ = মানব
ব্যাখ্যা

সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়:
- যে তদ্ধিত প্রত্যয় সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, তাকে সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।

​যেমন: 
- ​মনু + ষ্ণ = মানব
- ​লোক + ষ্ণিক = লৌকিক ইত্যাদি।

​অন্যদিকে,
বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয় - বাঘ + আ = বাঘা; ঘর + আমি = ঘরামি।
বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয় - ধড়ি + বাজ = ধড়িবাজ ইত্যাদি।

​উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি।

১৩.
উৎসমূল অনুযায়ী ‘দাবা’ কোন ভাষার শব্দ?
  1. উর্দু
  2. তুর্কি
  3. পর্তুগিজ
  4. হিন্দি
সঠিক উত্তর:
হিন্দি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিন্দি
ব্যাখ্যা

হিন্দি শব্দ - দাবা
​- এটি একটি বিশেষ্য পদ।

​শব্দের অর্থ:
​- ৬৪টি ছকবিশিষ্ট চৌকো বোর্ডের ওপর বিন্যস্ত ১৬টি করে দুই রঙের খুঁটির সাহায্যে দুজনের মধ্যে অন্তরঙ্গন খেলাবিশেষI

​আরো ​কিছু হিন্দি শব্দ:
- কাচারি,
- দুলকি,
- দিলরুবা,
- দাবা,
- দাঙ্গা,
- দহলা,
- দশেরা ইত্যাদি।

​উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৪.
কোনটি যৌগরূঢ় শব্দ?
  1. পাঞ্জাবী
  2. চিকামারা
  3. বাবুয়ানা
  4. মহাযাত্রা
সঠিক উত্তর:
মহাযাত্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাযাত্রা
ব্যাখ্যা

যৌগরূঢ় শব্দ:
- সমাসনিষ্পন্ন যেসব শব্দ সমস্যমান পদসমূহের অনুগামি না হয়ে কোন বিশিষ্ট অর্থ গ্রহণ করে তাকে যৌগরূঢ় শব্দ বলে।

​যেমন:
- পঙ্কজ, রাজপুত, জলধি, মহাযাত্রা ইত্যাদি।

​অন্যদিকে,
​​রূঢ়ি শব্দ - পাঞ্জাবী।
​যৌগিক শব্দ - চিকামারা, বাবুয়ানা।

​উংস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

১৫.
কোনটি বাংলা ধাতু?
  1. গঠ্‌
  2. বুধ্‌
  3. আক্‌
  4. কথ্‌
সঠিক উত্তর:
আক্‌
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আক্‌
ব্যাখ্যা

বাংলা ধাতু:
- যেসব ধাতু বা ক্রিয়ামূল সংস্কৃত থেকে সোজাসুজি আসে নি, সেগুলোকে বাংলা ধাতু বা ক্রিয়ামূল বলে।

যেমন: 
- কাদ্‌, কাট্‌, নাচ্‌, আক্‌ কহ্‌, কর্‌ ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
সংস্কৃত ধাতু - কথ্‌, বুধ্‌, গঠ্‌।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ ও ২০১৯ সংস্করণ)।

১৬.
কোনটি গুজরাটি ভাষার শব্দ?
  1. দহলা
  2. কারিগর
  3. এলাহি
  4. হরতাল
সঠিক উত্তর:
হরতাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরতাল
ব্যাখ্যা

• 'হরতাল' - গুজরাটি ভাষার শব্দ।
​- এটি একটি বিশেষ্য পদ।

​শব্দের অর্থ:
​- প্রতিবাদ বা শক্তি-প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে বিরোধী রাজনৈতিক দলের আহূত ধর্মঘট; দাবি আদায়ের উদ্দেশ্যে শ্রমিক সংগঠনের আহত ধর্মঘট; বন্ধ।

​অন্যদিকে:
- ‘এলাহি’ আরবি শব্দ।
- ‘কারিগর’ ফারসি ভাষার শব্দ।
- 'দহলা' হিন্দি ভাষার শব্দ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৭.
'যত বেশি খাটবে ততই সুফল পাবে' - বাক্যে 'খাটবে' শব্দটি কোন ধাতুযোগে গঠিত?
  1. প্রযোজক ধাতু
  2. সংস্কৃত ধাতু
  3. বিদেশগাত ধাতু
  4. বাংলা ধাতু
সঠিক উত্তর:
বিদেশগাত ধাতু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদেশগাত ধাতু
ব্যাখ্যা

​বিদেশাগত ধাতু:
- বিদেশি ভাষা থেকে আগত যেসব ধাতু বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়, তাকে বিদেশাগত ধাতু বা বিদেশি ধাতু বলে।

​যেমন: 
খাট্ + বে = যত বেশি খাটবে ততই সুফল পাবে।
→ বিগডু + আনো = তোমার বিগড়ানো ছেলেকে ভালো করার সাধ্য আমার নেই।
→ টান্ + আ = আমাকে নিয়ে টানাটানি করো না, আমি যাব না।
→ জম্ + আট =  অন্ধকার বেশ জমাট বেঁধেছে।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।

১৮.
কোনটি তুর্কি শব্দ?
  1. চেহারা
  2. চশমা
  3. চাকু
  4. খোয়াব
সঠিক উত্তর:
চাকু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাকু
ব্যাখ্যা

• তুর্কি শব্দ - ​চাকু
​- এটি একটি বিশেষ্য পদ।

​শব্দের অর্থ:
​- ফলার ধারালো দিক ভাঁজ করে হাতলে ঢুকিয়ে রাখা যায় এমন ছোটো ছুরি।

​অন্যদিকে,
​ফারসি শব্দ - খোয়াব, চশমা, চেহারা।

​​​কিছু তুর্কি শব্দ:
- কলগি,
- চাকু,
- বাবা,
- বাবুর্চি,
- মুচলেকা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৯.
আয়তনে যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম অঙ্গরাজ্য কোনটি?
  1. আলাস্কা
  2. হাওয়াই
  3. টেস্কাস
  4. ক্যালিফোর্নিয়া
সঠিক উত্তর:
আলাস্কা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলাস্কা
ব্যাখ্যা

যুক্তরাষ্ট্র: 
- USA পূর্ণ নাম: United States of America.
- রাজধানী: ওয়াশিংটন, ডিসি।
- প্রতিষ্ঠা: ৪ জুলাই ১৭৭৬ (স্বাধীনতা ঘোষণা)
- আয়তন: ৯.৮৩ মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার (বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম দেশ)
- মুদ্রা: মার্কিন ডলার (USD)
- ভাষা: ইংরেজি (প্রধান), স্প্যানিশ, এবং অন্যান্য ভাষা
- সরকার ব্যবস্থা: ফেডারেল প্রেসিডেন্সিয়াল গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র
- প্রেসিডেন্ট:  ডোনাল্ড ট্রাম্প। (২০২৫ সালে ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ)
- যুক্তরাষ্ট্রে ৫০টি অঙ্গরাজ্য রয়েছে, যা ফেডারেল সিস্টেমে সংগঠিত।
​-  এছাড়া, ১টি ফেডারেল ডিস্ট্রিক্ট (Washington, D.C.) এবং কয়েকটি টেরিটরি (যেমন, Puerto Rico, Guam) রয়েছে।
​- অঙ্গরাজ্য Hawaii ১৯৫৯ সালে যোগ হয়।
- বৃহত্তম অঙ্গরাজ্য: আয়তনে Alaska (১.৭২ মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার), 
​- জনসংখ্যায় বৃহত্তম California (প্রায় ৩৯ মিলিয়ন)।

উৎস: cia.gov, defense.gov, dni.gov, state.gov.

২০.
চীনের মুদ্রার নাম- 
  1. ইউয়ান
  2. ইউয়েন
  3. ডলার 
  4. পাউন্ড
সঠিক উত্তর:
ইউয়ান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউয়ান
ব্যাখ্যা

চীন (China):
- চীন পূর্ব এশিয়ার একটি বৃহৎ দেশ।
- চীন হলো পূর্ব এশিয়ার সবচেয়ে বড় দেশ।
- এটি পৃথিবীর মোট স্থলভাগের প্রায় এক-চতুর্দশ অংশ দখল করে আছে।
- মুদ্রা: চীনা ইউয়ান (CNY). 
- ভাষা: ম্যান্ডারিন চীনা (প্রধান), অন্যান্য আঞ্চলিক ভাষা (যেমন, ক্যান্টনিজ)।
- ২০২৩ সালে জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী ভারত জনসংখ্যায় চীনকে ছাড়িয়ে যায়।
- তাইওয়ান ১৯৪৯ সাল থেকে আলাদা প্রশাসনের অধীনে রয়েছে।
- বেইজিং: রাজধানী, সাংস্কৃতিক ও প্রশাসনিক কেন্দ্র।
- সাংহাই: প্রধান শিল্পনগরী।
- চীনের সাথে মোট ১৪ টি রাষ্ট্রের স্থল সীমা রয়েছে।
- Afghanistan, Bhutan, India, Kazakhstan, North Korea, Kyrgyzstan, Laos, Mongolia, Myanmar (Burma), Nepal, Pakistan, Russia, Tajikistan, and Vietnam.

উৎস: Govt China.

২১.
নিম্নলিখিত কোন দেশ NPT চুক্তিতে কখনও স্বাক্ষর করেনি? [আগস্ট,২০২৫]
  1. জাপান
  2. ভারত
  3. জার্মানি
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত
ব্যাখ্যা
- ভারত NPT চুক্তিতে কখনও স্বাক্ষর করেনি।

• NPT চুক্তি (Nuclear Non-Proliferation Treaty):

- চুক্তির পূর্ণ নাম: Treaty on the Non-Proliferation of Nuclear Weapons (NPT).
- বাংলায়: পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।

• চুক্তির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
- পরমাণু অস্ত্রের বিস্তার রোধ করা।
- পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ (nuclear disarmament) নিশ্চিত করা।
- খসড়া গৃহীত: ১ জুলাই ১৯৬৮।
- কার্যকর: ৫ মার্চ ১৯৭০।
- প্রাথমিক পৃষ্ঠপোষক দেশ: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সোভিয়েত ইউনিয়ন (বর্তমানে রাশিয়া)।
- নজরদারি সংস্থা: IAEA (International Atomic Energy Agency).
- বর্তমানে প্রায় ১৯১টি দেশ এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে।
- ভারত, পাকিস্তান, ইসরায়েল – চুক্তিতে কখনও স্বাক্ষর করেনি।
- উত্তর কোরিয়া – ২০০৩ সালে NPT থেকে বেরিয়ে যায়।

• চুক্তির মেয়াদ:
- প্রথমে এটি ২৫ বছরের জন্য কার্যকর ছিল।
- পরে, ১৯৯৫ সালে এটি অনির্দিষ্টকালের জন্য সম্প্রসারিত করা হয়।

উৎস: জাতিসংঘ [Link]
২২.
ট্রিটি অব ভার্সাই চুক্তির মাধ্যমে কোন দেশকে যুদ্ধের জন্য দায়ী করা হয়?
  1. রাশিয়া
  2. জার্মানি
  3. ফ্রান্স
  4. যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
ব্যাখ্যা
• ট্রিটি অব ভার্সাই (Treaty of Versailles):
- ট্রিটি অব ভার্সাই ছিল প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষে (১৯১৪–১৯১৮) মিত্রশক্তি (Allied Powers) এবং জার্মানির মধ্যে সম্পাদিত এক গুরুত্বপূর্ণ শান্তিচুক্তি।
- এই চুক্তি জার্মানিকে যুদ্ধের জন্য দায়ী করে এবং তাকে কড়া শর্তে বাধ্য করে যুদ্ধক্ষতিপূরণ দিতে।
- তারিখ: ২৮ জুন, ১৯১৯।
- স্থান: ভার্সাই প্রাসাদ, ফ্রান্স।

• প্রধান অংশগ্রহণকারী দেশ:
- মিত্রশক্তি (Allied Powers).
- যুক্তরাষ্ট্র (President Woodrow Wilson).
- যুক্তরাজ্য (PM David Lloyd George).
- ফ্রান্স (PM Georges Clemenceau).
- ইতালি (PM Vittorio Orlando).

• পরাজিত পক্ষ:
- জার্মানি – যার প্রতিনিধিরা অনেক শর্ত মানতে বাধ্য হয়।
• প্রধান শর্তাবলি:
- চুক্তির Article 231 (War Guilt Clause)-এ জার্মানিকে যুদ্ধ শুরু ও ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণ দায় স্বীকার করতে হয়।
- যুদ্ধ ক্ষতিপূরণ (Reparations):
- জার্মানিকে ১৩২ বিলিয়ন গোল্ড মার্কস (প্রায় ৩৩ বিলিয়ন ডলার সমমূল্য) পরিশোধে বাধ্য করা হয়।
- জার্মান সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ ১ লক্ষ সৈন্য রাখার অনুমতি পায়।
- নৌবাহিনী সীমিত, বিমানবাহিনী নিষিদ্ধ, এবং ট্যাঙ্ক ও সাবমেরিন নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।

উল্লেখ্য,
- League of Nations গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বিশ্বে ভবিষ্যৎ যুদ্ধ ঠেকানোর জন্য একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা।

• নেতিবাচক:
- জার্মানির ওপর আরোপিত কঠোর শর্তাবলি অসন্তোষ ও অর্থনৈতিক দুরবস্থার সৃষ্টি করে।
- এই অসন্তোষ পরবর্তীতে হিটলারের উত্থান এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের (1939–1945) পথ প্রশস্ত করে।

উৎস: Britannica.com: Treaty of Versailles.
২৩.
ভারতের কতটি রাজ্য রয়েছে? 
  1. ২৭টি
  2. ২৮টি
  3. ২৯টি
  4. ৩০টি
সঠিক উত্তর:
২৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮টি
ব্যাখ্যা

- ভারতের রাজ্যের সংখ্যা: ২৮টি।

​ভারত:

- সরকারের ধরন: সংসদীয় গণতন্ত্র ও প্রজাতন্ত্র।
- রাজধানী: নয়াদিল্লি।
- সরকার প্রধান: নরেন্দ্র মোদী।
- রাষ্ট্রপতি: দ্রৌপদী মুর্মু।
- সংবিধান গৃহীত: ২৬ নভেম্বর ১৯৪৯;
- কার্যকর ২৬ জানুয়ারি ১৯৫০।
- স্বাধীনতা লাভ: ১৫ আগস্ট ১৯৪৭ (ব্রিটিশ শাসন থেকে)।
- ভাষা: সরকারি ভাষা: হিন্দি ও ইংরেজি।
- মুদ্রা: ভারতীয় রুপি।
- জনসংখ্যা: জনসংখ্যায় বিশ্বের বড় দেশ।
- জাতীয় পশু: বাঘ।
- জাতীয় পাখি: ময়ূর।
- ভারত বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র।

​উল্লেখ্য, 
- ভারতের রাজ্যের সংখ্যা: ২৮টি।
- কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সংখ্যা: ৮টি।
- সবচেয়ে বড় রাজ্য (আয়তনে): রাজস্থান (৩,৪২,২৩৯ বর্গ কিমি)।
- সবচেয়ে ছোট রাজ্য (আয়তনে): গোয়া (৩,৭০২ বর্গ কিমি)।
- সবচেয়ে বড় কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল (আয়তনে): আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ (৮,২৪৯ বর্গ কিমি)।
- সবচেয়ে ছোট কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল (আয়তনে): লাক্ষাদ্বীপ (৩২ বর্গ কিমি)। 

​উৎস: ব্রিটানিকা ও ভারতীয় সরকারি ওয়েবসাইট।

২৪.
CTBT চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল কোথায়?
  1. নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
  2. অটোয়া,কানাডা
  3. প্যারিস, ফ্রান্স
  4. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (CTBT):
- পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৯৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৮৭টি দেশ,
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৭৮টি দেশ,
- স্বাক্ষর করেনি: ভারত, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া।
- স্বাক্ষর করে অনুমোদন দেয়নি: চীন, মিশর, ইরান, ইসরায়েল, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- বাংলাদেশ স্বাক্ষরকরে: ১৯৯৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর।

উল্লেখ্য:
- চুক্তিটি কার্যকর হতে হলে Annex 2 দেশগুলোর মধ্যে ৪৪টি দেশকে স্বাক্ষর ও অনুমোদন দিতে হবে।
- এই দেশগুলোর মধ্যে ৯টি দেশ এখনও চুক্তি অনুমোদন করেনি।
- যার মধ্যে রাশিয়া ২০২৩ সালে তার অনুমোদন প্রত্যাহার করেছে।
- বর্তমানে, চুক্তিটি কার্যকর হয়নি কারণ প্রয়োজনীয় সংখ্যক দেশ অনুমোদন দেয়নি।

উৎস: CTBTO ওয়েবসাইট।

২৫.
AUKUS চুক্তিতে কোন তিনটি দেশ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া
  2. অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র
  3. যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি
  4. অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ভারত
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
অকাস চুক্তি:
- চুক্তির নাম: AUKUS (অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র)।
- প্রতিষ্ঠার তারিখ: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১
- মূল উদ্দেশ্য: ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা, প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, এবং উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে সহযোগিতা জোরদার করা।
- প্রধান স্তম্ভ (Pillars):
• Pillar I: পারমাণবিক সাবমেরিন প্রযুক্তি:
- অস্ট্রেলিয়াকে পারমাণবিক চালিত, প্রচলিত অস্ত্র সজ্জিত সাবমেরিন সরবরাহ করা।
- ২০৩০-এর দশকের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে তিনটি ভার্জিনিয়া-শ্রেণীর সাবমেরিন ক্রয়।
- যুক্তরাজ্যের সাথে যৌথভাবে SSN-AUKUS শ্রেণীর সাবমেরিন উন্নয়ন ও নির্মাণ।
- ২০৪০-এর দশকের শুরুতে অস্ট্রেলিয়ায় SSN-AUKUS সাবমেরিনের নির্মাণ শুরু।

• Pillar II: উন্নত প্রযুক্তি:
- সাইবার সক্ষমতা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি, হাইপারসনিক ও প্রতিহাইপারসনিক প্রযুক্তি, এবং ইলেকট্রনিক যুদ্ধ ব্যবস্থার উন্নয়ন।
- ২০২৪ সালে হাইপারসনিক ফ্লাইট টেস্ট ও এক্সপেরিমেন্টেশন (HyFliTE) প্রকল্পের মাধ্যমে হাইপারসনিক প্রযুক্তির পরীক্ষণ ও উন্নয়ন।

উৎস: যুক্তরাষ্ট্র প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
২৬.
ফ্রান্সের বর্তমান রাষ্ট্রপতি কে? [আগস্ট,২০২৫]
  1. ফ্রাঁসোয়া ওলাঁদ
  2. ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ
  3. নিকোলা সার্কোজি
  4. গ্যাব্রিয়েল আটাল
সঠিক উত্তর:
ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ
ব্যাখ্যা
ফ্রান্স:
-অবস্থান: ফ্রান্স পশ্চিম ইউরোপের একটি দেশ।
- পূর্বনাম: গল (Gaul)।
- রাজধানী: প্যারিস।
- সরকার ব্যবস্থা: আধা-রাষ্ট্রপতি শাসিত প্রজাতন্ত্র।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ।
- ইউরোপের তৃতীয় বৃহৎ অর্থনীতি দেশ।
- বিখ্যাত স্থাপনা: আইফেল টাওয়ার।
- মুদ্রা: ইউরো (€)।
- ভাষা: ফরাসি (French)।
- সংবিধান গ্রহণ: ১৯৫৮ সালে।
- বিখ্যাত বিপ্লব: ১৭৮৯ সালের ফরাসি বিপ্লব।
- জোট সদস্যপদ: ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU), ন্যাটো, G7, G20, UN,. 

এছাড়াও
- সীমান্তবর্তী দেশ: বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, জার্মানি, সুইজারল্যান্ড, ইতালি, মোনাকো, স্পেন, আন্দোরা।
- প্রধান নদী: লোয়ার, রোন, সিন, গারন।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২৭.
বর্তমানে কানাডার কতটি প্রদেশ রয়েছে? [আগস্ট,২০২৫]
  1. ৮টি
  2. ১০টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
১০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০টি
ব্যাখ্যা
- প্রশাসনিক একক: ১০টি প্রদেশ রয়েছে।

কানাডা:

- কানাডা উত্তর আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- এটি আয়তনে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ।
- যুক্তরাজ্য থেকে স্বাধীনতা লাভ করে ১৮৬৭ সালে।
- রাজধানী: অটোয়া।
- মুদ্রার নাম: ডলার।
- রাষ্ট্রের প্রধান রাজা তৃতীয় চার্লস ও রাষ্ট্রের সরকার প্রধান প্রধানমন্ত্রী।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: মার্ক কার্নি।
- কানাডাকে ম্যাপল পাতার দেশ বলা হয়।
- কানাডার সরকারি ভাষা দুটি,- ইংরেজি ও ফরাসি।
- প্রধান দ্বীপ: ভ্যাঙ্কুভার দ্বীপ, ব্যাফিন দ্বীপ, নিউফাউন্ডল্যান্ড।
- সীমান্তবর্তী দেশ: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (দক্ষিণে এবং আলাস্কার সাথে উত্তর-পশ্চিমে)।

• প্রশাসনিক বিভাগ: 
- প্রশাসনিক একক: ১০টি প্রদেশ এবং ৩টি টেরিটরি, মোট ১৩টি ফেডারেল একক।
- সবচেয়ে বড় প্রদেশ (আয়তনে): কুইবেক (১,৫৪২,০৫৬ বর্গ কিমি)।
- সবচেয়ে ছোট প্রদেশ (আয়তনে): প্রিন্স এডওয়ার্ড আইল্যান্ড (৫,৬৬০ বর্গ কিমি)।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২৮.
অস্ট্রেলিয়ার রাজধানীর নাম-
  1. সিডনি
  2. মেলবোর্ন
  3. ক্যানবেরা
  4. হারারে
সঠিক উত্তর:
ক্যানবেরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যানবেরা
ব্যাখ্যা
অস্ট্রেলিয়া:
- অস্ট্রেলিয়া পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম মহাদেশ ওশেনিয়ায় অবস্থিত।
- দক্ষিণ গোলার্ধে প্রশান্ত মহাসাগর ও ভারত মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত।
- অস্ট্রেলিয়া পৃথিবীর ৬ষ্ঠ বৃহত্তম রাষ্ট্র।
- রাজধানী: ক্যানবেরা।
- ভাষা: ইংরেজি (অফিসিয়াল)।
- মুদ্রা: অস্ট্রেলিয়ান ডলার।
- ডার্লিং/মারে নদী অস্ট্রেলিয়ার বৃহত্তম নদী।
- গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থিত।
- অস্ট্রেলিয়া ৬টি রাজ্য এবং ২টি প্রধান প্রধান ভূখণ্ডে বিভক্ত।
- দুটি প্রধান প্রধান ভূখণ্ড হল: অস্ট্রেলিয়ান ক্যাপিটাল টেরিটরি এবং নর্দার্ন টেরিটরি।
- মেলবোর্ন অস্ট্রেলিয়ার ২য় বৃহত্তম শহর।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২৯.
সিমলা চুক্তিতে ভারতের পক্ষ থেকে কে স্বাক্ষর করেন?
  1. রাজীব গান্ধী
  2. ইন্দিরা গান্ধী
  3. মনমোহন সিং
  4. লাল বাহাদুর শাস্ত্রী
সঠিক উত্তর:
ইন্দিরা গান্ধী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্দিরা গান্ধী
ব্যাখ্যা

- স্বাক্ষরকারী: ইন্দিরা গান্ধী (ভারতের প্রধানমন্ত্রী)।

সিমলা চুক্তি:
 
- এটি ছিল ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক শান্তি চুক্তি।
- ১৯৭১ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতিতে স্বাক্ষরিত হয়।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও পাকিস্তানের পরাজয়-এর পর দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রয়াস

• চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ: ২ জুলাই ১৯৭২ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরস্থল: Barnes Court (বর্তমানে রাজভবন), সিমলা, ভারত।
- আলোচনার সময়কাল: ২৮ জুন – ২ জুলাই ১৯৭২ সালে।
- স্বাক্ষরকারী: ইন্দিরা গান্ধী (ভারতের প্রধানমন্ত্রী) ও জুলফিকার আলি ভুট্টো (পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট। 

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

৩০.
দক্ষিণ আফ্রিকার জাতীয় মুদ্রার নাম কী?
  1. ডলার
  2. ইউরো
  3. পাউন্ড
  4. র‍্যান্ড
সঠিক উত্তর:
র‍্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
র‍্যান্ড
ব্যাখ্যা
- দক্ষিণ আফ্রিকা মুদ্রার নাম: র‍্যান্ড।

দক্ষিণ আফ্রিকা:

- দক্ষিণ আফ্রিকা আফ্রিকা মহাদেশের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত রাষ্ট্র।
- দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রীয়/প্রশাসনিক নাম Republic of South Africa.
- দেশটির দক্ষিণে ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।
- দুই মহাসাগর মিলিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার উপকূলীয় তটরেখার দৈর্ঘ্য প্রায় ১৭৩৯ মাইল।
- দেশটির আইনসভার নাম পার্লামেন্ট।
- দেশটির আইনসভা ২ কক্ষ বিশিষ্ট।
- যথা: উচ্চকক্ষ National Council, নিম্নকক্ষ National Assembly.
- মুদ্রার নাম: র‍্যান্ড।

এছাড়াও,
- দক্ষিন আফ্রিকার রাজধানী ৩টি। যথা:
- নির্বাহী বা প্রশাসনিক রাজধানী: প্রিটোরিয়া।
- সংসদীয় রাজধানী: কেপ টাউন।
- বিচার বিভাগীয় রাজধানী: ব্লোয়েমফন্টেইন।

উৎস: Worldatlas. ও Britannica.
৩১.
New START চুক্তিটি কোন দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. যুক্তরাজ্য ও রাশিয়া
  2. যুক্তরাষ্ট্র ও চীন
  3. চীন ও ভারত
  4. রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
New START চুক্তি:
- নিউ স্টার্ট চুক্তিটি ২০০৯ সালের ৫ ডিসেম্বর স্টার্ট-১ চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে যুক্তরাষ্ট্রের ওবামা প্রশাসন এবং রাশিয়ার পুতিন সরকার নতুন নিরস্ত্রীকরণ চুক্তির বিষয়ে আলোচনা শুরু করে।
- স্বাক্ষরের তারিখ: ৮ এপ্রিল ২০১০ সালে।
- কার্যকর: ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১১ সালে।
- স্বাক্ষরস্থল: প্রাগ, চেক প্রজাতন্ত্র।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া।
- চুক্তির প্রাথমিক মেয়াদ ছিল ১০ বছর, যা ফেব্রুয়ারি ২০২১ পর্যন্ত কার্যকর ছিল।
- যদিও ২০২৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি 'নিউ স্টার্ট চুক্তি' স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

উৎস: হিস্টোরি.কম এবং ব্রিটানিকা।
৩২.
বায়ু পরাগী ফুল কোনটি? 
  1. ধান 
  2. কদম 
  3. জবা 
  4. পাতা শ্যাওলা 
সঠিক উত্তর:
ধান 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধান 
ব্যাখ্যা

পরাগায়নের মাধ্যম: 
- যার মাধ্যমে পুং রেণু গর্ভমুন্ডে পতিত হয়ে পরাগায়ন সম্পন্ন করে তাকে পরাগায়নের মাধ্যম বলা হয়। 
- পরাগায়নের মাধ্যমগুলোর সাহায্য পেতে ফুলের গঠনে কিছু পরিবর্তন লক্ষ করা যায়। 
যেমন- 
পতঙ্গ পরাগী ফুল: 
- পতঙ্গ পরাগী ফুল বড়, রঙ্গীন ও মধুগ্রন্থিযুক্ত এবং পরাগরেণু ও গর্ভমুণ্ড আঁঠালো সুগন্ধযুক্ত হয়। 
যেমন- জবা, কুমড়া, সরিষা ইত্যাদি। 
বায়ু পরাগী ফুল: 
- অপরদিকে বায়ু পরাগী ফুল হালকা রঙের ও মধুগ্রন্থিহীন। এ সব ফুলের সুগন্ধ নেই। 
- এরা সহজেই বাতাসে ভেসে যেতে পারে। এদের গর্ভমুণ্ড আঁঠালো ও শাখান্বিত, কখনও পালকের ন্যায় এবং কখনও কখনও দলমণ্ডল থেকে বাইরে বের হয়ে থাকে। 
যেমন- ধান। 
পানি পরাগী ফুল: 
- পানি পরাগী ফুল আকারে ক্ষুদ্র এবং হালকা। এরা সহজেই পানিতে ভাসতে পারে। 
- এ সব ফুলের সুগন্ধ নেই। স্ত্রী পুষ্পে বৃন্ত লম্বা। 
যেমন- পাতা শ্যাওলা। 
প্রাণী পরাগী ফুল: 
- প্রাণী পরাগী ফুল মোটামুটি বড় ধরনের হয়, তবে ছোট হলে ফুলগুলো পুষ্পমঞ্জরিতে সজ্জিত থাকে। এদের রং আকর্ষণীয় হয়। 
- এ সব ফুলে গন্ধ থাকতে পারে অথবা নাও থাকতে পারে। 
যেমন- কদম, শিমুল, কচু ইত্যাদি। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৩.
প্যানক্রিয়াস কোন হরমোন নির্গত করে যা রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ কমায়? 
  1. থাইরক্সিন 
  2. গ্লুকাগন 
  3. ইনসুলিন 
  4. অ্যাড্রিনালিন 
সঠিক উত্তর:
ইনসুলিন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনসুলিন 
ব্যাখ্যা

ডায়াবেটিস রোগ: 
- বহুমূত্র রোগ বা ডায়াবেটিস মেলিটাস এক ধরনের বিপাকজনিত রোগ। 
- ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবেটিস রোগ হয়। 
- প্যানক্রিয়াস থেকে ইনসুলিন নামক এক ধরনের হরমোন নির্গত হয়, যা রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণকে কমিয়ে দেয়। 
- অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহেন্স থেকে গ্লুকানল এবং ইনসুলিন নির্গত হয়। 
- ডায়াবেটিস রোগে ইনসুলিন ব্যবহৃত হয়। 
- কারো ডায়াবেটিস হলে প্যানক্রিয়াস যথেষ্ট ইনসুলিন নির্গত করতে পারে না, কিংবা শরীর ইনসুলিনকে ব্যবহার করতে পারে না যার কারণে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩৪.
অ্যানজিওস্পার্ম উদ্ভিদের জাইলেম টিস্যুর প্রধান উপাদান কী? 
  1. ট্রাকিয়া
  2. ট্রাকিড 
  3. জাইলেম তন্তু 
  4. জাইলেম প্যারেনকাইমা 
সঠিক উত্তর:
ট্রাকিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রাকিয়া
ব্যাখ্যা

ট্রাকিয়া বা ভেসেল: 
- ট্রাকিয়া বা ভেসেল অ্যানজিওস্পার্ম উদ্ভিদের জাইলেম টিস্যুর প্রধান উপাদান। 
- এর কোষগুলো সাধারণত মোটা ও খাটো। 
- এরা একে অপরের সাথে যুক্ত থাকে এবং এদের প্রস্থ প্রাচীর বিলুপ্তির ফলে লম্বা ফাঁপা নলের ন্যায় গঠন তৈরি করে। 
- ভেসেল কোষের পরিপূর্ণতার সময় প্রোটোপ্লাজম বিনষ্ট হয়। তাই পরিণত অবস্থায় এরা মৃত কোষ। 
- এদের কোষ প্রাচীর লিগনিনযুক্ত এবং ট্রাকিডের ন্যায়। 
- এরাও বলয়াকার, সর্পিলাকার, জালিকাকার, মই আকার ও কৃপাকার হতে পারে। 

- নলাকার ট্রাকিয়ার গহ্বরের আকারের ভিত্তিতে ট্রাকিয়া দু'রকম। 
যথা- প্রোটোজাইলেম ও মেটাজাইলেম। 
- সরু ব্যাসবিশিষ্ট ট্রাকিয়াকে (এরা প্রথমে সৃষ্টি হয়) প্রোটোজাইলেম এবং মোটা ব্যাসবিশিষ্ট ট্রাকিয়াকে (এরা পরে সৃষ্টি হয়) মেটাজাইলেম বলা হয়। 
- প্রধানত অ্যানজিওস্পার্মে ট্রাকিয়া থাকে। 
- এরা মূল থেকে পানি ও পানিতে দ্রবীভূত খনিজ লবণ পাতা ও অন্যান্য সবুজ অংশে পরিবহন করে এবং উদ্ভিদকে দৃঢ়তা প্রদান করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৫.
সিস্টোলিক চাপ বলতে কোনটি বুঝায়? 
  1. ধমনির প্রসারণের চাপ 
  2. হৃৎপিণ্ডের প্রসারণ চাপ 
  3. হৃৎপিণ্ডের সংকোচন চাপ 
  4. হৃৎপিণ্ডের সংকোচন ও প্রসারণ উভয় চাপ 
সঠিক উত্তর:
হৃৎপিণ্ডের সংকোচন চাপ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হৃৎপিণ্ডের সংকোচন চাপ 
ব্যাখ্যা

হৃৎপিণ্ড (Heart): 
- মানুষের রক্ত সঞ্চালন ব্যবস্থার মূল অংশ হলো হৃৎপিণ্ড, ধমনি, শিরা এবং কৈশিক জালিকা। 
- হৃৎপিণ্ড অবিরাম সংকোচিত ও প্রসারিত হয়ে রক্তকে ধমনি ও শিরার মাধ্যমে সারা দেহে প্রেরণ করে। 
- হৃৎপিণ্ডের সংকোচন ও প্রসারণ একটি নির্দিষ্ট ছন্দে ঘটে, যা রক্ত সঞ্চালনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 
- সিস্টোল (Systole) হল হৃৎপিণ্ডের সংকোচন পর্যায়, যখন রক্ত অলিন্দ থেকে ভেন্ট্রিকলে অথবা ভেন্ট্রিকল থেকে ধমনিতে প্রবাহিত হয়। 
- ডায়াস্টোল (Diastole) হলো হৃৎপিণ্ডের প্রসারণ পর্যায়, যখন হৃৎপিণ্ড রক্ত গ্রহণের জন্য আলগা হয়ে যায়। 
- সিস্টোলের সময় হৃৎপিণ্ডের চাপ সবচেয়ে বেশি থাকে, যা সিস্টোলিক চাপ নামে পরিচিত। 
- অলিন্দে যখন সিস্টোল হয়, তখন ভেন্ট্রিকল ডায়াস্টোল অবস্থায় থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩৬.
Vertebrata প্রাণীর প্রধান রেচন অঙ্গ কোনটি?
  1. বৃক্ক 
  2. ত্বক 
  3. ফুসফুস 
  4. শ্বাসনালী 
সঠিক উত্তর:
বৃক্ক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃক্ক 
ব্যাখ্যা

উপপর্ব-ভার্টিব্রাটা: 
- Vertebrata (ল্যাটিন vertebratus = মেরুদণ্ড)- কর্ডাটা পর্বের যে সকল প্রাণীর ভ্রূণীয় নটোকর্ড পূর্ণাঙ্গ অবস্থায় তরুণাস্থি অথবা অস্থি গঠিত মেরুদণ্ড দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়, তারা Vertebrata উপপর্বের প্রাণি। 
- অস্থিময় বা তরণাস্থিময় ক্রেনিয়াম (cranium) এর ভিতর মস্তিষ্ক অবস্থান করে বলে এর অপর নাম Cranita । 
- এদেও প্রজাতির সংখ্যা ৬৫,৭৮৯টি। 

বৈশিষ্ট্য: ১। নটোকর্ড অস্থিময় বা তরুণাস্থিময় কশোরুকাবিশিষ্ট মেরুদণ্ড দ্বারা প্রতিস্থাপিত। 
২। পৃষ্ঠীয় ফাঁপা স্নায়ুরজ্জু মস্তিষ্ক ও সুষুম্মাকাণ্ড গঠন করে। 
৩। রক্ত সংবহনতন্ত্র বদ্ধ ধরনের। 
৪। মেসোডার্মাল বৃক্ক (kidney) প্রধান রেচন অঙ্গ। 
৫। পার্শ্বীয় জোড়া উপাঙ্গ (পাখনা বা পদ) চলন অঙ্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৭.
শর্করা দেহে প্রধানত কোন কাজে সহায়তা করে? 
  1. দেহে শক্তি উৎপাদনে 
  2. কোষের অঙ্গাণুগুলো ধারণে
  3. মল নিষ্কাশনে 
  4. দেহে পানি ও তাপের সমতা রক্ষায় 
সঠিক উত্তর:
দেহে শক্তি উৎপাদনে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেহে শক্তি উৎপাদনে 
ব্যাখ্যা

খাদ্য উপাদান: 
- খাদ্য অনেকগুলো রাসায়নিক বস্তুর সমন্বয়ে গঠিত, এই রাসায়নিক বস্তুগুলোকে খাদ্য উপাদান বলে। 
- এই উপাদানগুলোর মধ্যে পুষ্টি থাকে, তাই খাদ্য উপাদানকে পুষ্টি উপাদানও বলা হয়। 
- উপাদান অনুযায়ী খাদ্যবস্তুকে প্রধাণত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। 
যথা- 
১। আমিষ: আমিষ দেহের বৃদ্ধিসাধন ও ক্ষয়পূরণ করে। 
২। শর্করা: শর্করা দেহে শক্তি উৎপাদনে সহায়তা করে। 
৩। স্নেহ: স্নেহ বা চর্বিজাতীয় খাদ্য দেহে তাপ ও শক্তি উৎপাদন করে। 

- এছাড়া আরও তিন ধরনের উপাদানও দেহের জন্য প্রয়োজন। 
যেমন- 
৪। ভিটামিন বা খাদ্যপ্রাণ: ভিটামিন বা খাদ্যপ্রাণ দেহে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ায় এবং বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়ায় উদ্দীপনা যোগায়। 
৫। খনিজ লবণ: খনিজ লবণ দেহের বিভিন্ন জৈবিক কাজে অংশ নেয়। 
৬। পানি: দেহে পানি ও তাপের সমতা রক্ষা করে, এছাড়া কোষের কার্যাদি নিয়ন্ত্রণ করে এবং কোষ ও তার অঙ্গাণুগুলোকে ধারণ করে। 

- খাদ্য উপাদানের বাইরে আরও একটি উপাদান রয়েছে, যেটি কোনো পুষ্টি না জোগালেও একটি গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য উপাদান। 
৭। রাফেজ: রাফেজ বা খাদ্য আঁশ (Fibre) পানি শোষণ করে এবং মলের পরিমাণ বৃদ্ধি করে ও বৃহদন্ত্র থেকে মল নিষ্কাশনে সাহায্য করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩৮.
মেরুদণ্ডী প্রাণী কোনটি? 
  1. কেঁচো
  2. ব্যাঙ
  3. কাঁকড়া 
  4. প্রজাপতি 
সঠিক উত্তর:
ব্যাঙ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাঙ
ব্যাখ্যা

- মেরুদণ্ডের উপস্থিতির উপর ভিত্তি করে প্রাণীজগৎকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। 
যেমন- 
১। মেরুদণ্ডী প্রাণী: 
- যেসব প্রাণীর মেরুদণ্ড আছে, তাদেরকে বলা হয় মেরুদণ্ডী প্রাণী। 
যেমন- মাছ, ব্যাঙ, পাখি, টিকটিকি, গরু, ছাগল, মানুষ ইত্যাদির মেরুদণ্ড আছে। 
- এদের মেরুদণ্ড আছে, দেহের ভিতর কঙ্কাল থাকে, পাখনা বা দুই জোড়া পা থাকে, চোখ সরল প্রকৃতির। 
- মানুষ ছাড়া সকল মেরুদণ্ডী প্রাণীর লেজ থাকে। 
- এরা ফুলকা বা ফুসফুসের সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায়। 

২। অমেরুদণ্ডী প্রাণী: 
- যেসব প্রাণীর মেরুদণ্ড নেই, তাদেরকে বলা হয় অমেরুদণ্ডী প্রাণী। 
যেমন- মশা, মাছি, প্রজাপতি, চিংড়ি, কাঁকড়া, কেঁচো ইত্যাদি অমেরুদণ্ডী প্রাণী। 
- অমেরুদণ্ডী প্রাণীর মেরুদণ্ড নেই, এদের দেহের ভিতর কঙ্কাল থাকে না, চোখ সরল প্রকৃতির বা একটি চোখের মধ্যে অনেকগুলো চোখ থাকে যা পুঞ্জাক্ষি এবং এদের লেজ নেই। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।

৩৯.
লিউকেমিয়ায় কোন রক্ত কণিকার সংখ্যা অত্যধিক হয়? 
  1. লোহিত রক্ত কণিকা 
  2. প্লাজমা 
  3. অনুচক্রিকা 
  4. শ্বেত রক্ত কণিকা 
সঠিক উত্তর:
শ্বেত রক্ত কণিকা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্বেত রক্ত কণিকা 
ব্যাখ্যা

রক্ত ও এর অস্বাভাবিক অবস্থা: 
- রক্ত হলো প্রাণীদেহের একটি লাল বর্ণের, অস্বচ্ছ, লবণাক্ত এবং সামান্য ক্ষারধর্মী তরল যোজক টিস্যু। 
- একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের দেহে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, যা শরীরের মোট ওজনের প্রায় ৮%। 
- মানুষের রক্ত লোহিত রক্ত কণিকার উপস্থিতির কারণে লাল রঙের হয়। 
- রক্তের বিভিন্ন উপাদানের ভারসাম্য বিঘ্নিত হলে রক্তের অস্বাভাবিক অবস্থা তৈরি হয়। 

রক্তের বিভিন্ন অস্বাভাবিক অবস্থা: 
১। অ্যানিমিয়া: 
- লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা বা হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ স্বাভাবিকের তুলনায় কমে গেলে অ্যানিমিয়া হয়। 

২। থ্যালাসেমিয়া: 
- থ্যালাসেমিয়া হলো বংশগত রক্তের রোগ, যা সাধারণত শিশু অবস্থায় শনাক্ত হয়। 
- এ রোগে হিমোগ্লোবিনের গঠনগত ত্রুটির কারণে লোহিত রক্ত কণিকা ভেঙে যায়, ফলে রক্তশূন্যতা সৃষ্টি হয়। 
- রোগীকে সাধারণত প্রতি ৩ মাস অন্তর রক্ত সঞ্চালন করতে হয়, তবে বয়স বাড়ার সাথে সাথে রক্তশূন্যতার হার কমতে পারে। 

৩। লিউকেমিয়া: 
- শ্বেত রক্ত কণিকার সংখ্যা অত্যধিক হারে বেড়ে গেলে (৫০,০০০-১,০০০,০০০) একে লিউকেমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সার বলা হয়। 

৪। লিউকোসাইটোসিস: 
- শ্বেত রক্ত কণিকার সংখ্যা ২০,০০০-৩০,০০০ হলে একে লিউকোসাইটোসিস বলা হয়। 
- নিউমোনিয়া, হুপিং কাশি ইত্যাদি রোগে এটি হতে পারে। 

৫। পলিসাইথেমিয়া: 
- লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বৃদ্ধি পেলে একে পলিসাইথেমিয়া বলে। 

৬। থ্রম্বোসাইটোসিস: 
- অনুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে গেলে একে থ্রম্বোসাইটোসিস বলা হয়। 
- রক্তনালির অভ্যন্তরে রক্ত জমাট বাঁধাকে থ্রম্বোসিস বলা হয়। 
- হৃৎপিণ্ডের করোনারি রক্তনালিতে রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে করোনারি থ্রম্বোসিস এবং মস্তিষ্কের রক্তনালিতে রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে সেরিব্রাল থ্রম্বোসিস বলে। 

৭। পারপুরা: 
- অনুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে গেলে পারপুরা হয়। 
- ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হলে এ অবস্থা দেখা দিতে পারে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।