পরীক্ষা আর্কাইভ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

পরীক্ষা৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়26 minutes
মোট প্রশ্ন৩৭
সিলেবাস
৪৫তম বি.সি.এস. প্রস্তুতি - সাবজেক্ট ফাইনাল ও রিভিশন বিষয়ের নাম: সাধারণ বিজ্ঞান সম্পূর্ণ [৭০ নাম্বার]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৭ প্রশ্ন

.
তাপ প্রয়োগে কঠিন পদার্থ সরাসরি বাষ্পে পরিণত হওয়ার ঘটনাকে বলে -
  1. ক) বাষ্পীভবন
  2. খ) স্ফুটন
  3. গ) উর্ধ্বপাতন
  4. ঘ) ঘনীভবন
ব্যাখ্যা
উর্ধ্বপাতন (Sublimation):
- কোনো কঠিন পদার্থকে তাপ প্রয়োগে সরাসরি বাষ্পে পরিণত করে এবং ঐ বাষ্পকে শীতল করে সরাসরি কঠিন অবস্থায় ফিরে আনার প্রক্রিয়াকে উর্ধ্বপাতন বলা হয়।
- আয়োডিন, কর্পূর, নিশাদল, ন্যাপথোলিন, কার্বন, কার্বন ডাই অক্সাইড প্রভৃতি উদ্বায়ী পদার্থ এবং এরা উর্ধ্বপাতিত হয়। 

গলন: কঠিন পদার্থকে তাপ প্রয়োগে তরল অবস্থায় পরিবর্তন করার প্রক্রিয়াকে গলন বলা হয়।
গলনাঙ্ক: যে স্থির তাপমাত্রায় কোন পদার্থ গলতে শুরু করে তাকে ঐ কঠিন পদার্থের গলনাঙ্ক বলে।
স্ফুটনাঙ্ক: যে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোনো তরল পদার্থের বাষ্পীয় চাপ বায়ুমন্ডলীয় চাপের সমান হওয়ার কারণে ঐ তরল উপাদানটি তার অবস্থান থেকে বুদ্ বুদ্ গঠনসহ ফুটতে শুরু করে। ঐ তাপমাত্রাকে ঐ তরল পদার্থের স্ফুটনাঙ্ক বলে।

সূত্র: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
পানিকে জীবাণুমুক্ত করার সবচেয়ে সহজ উপায় কোনটি?
  1. ক) ইমবাইবেশন
  2. খ) প্রস্বেদন
  3. গ) ক্লোরিনেশন
  4. ঘ) অসমোসিস
ব্যাখ্যা
ক্লোরিনেশন
- জীবাণুনাশক পানি বিশুদ্ধ করার কাজে ক্লোরিন গ্যাস (Cl) ব্যবহার করা হয়।
- এছাড়া ব্লিচিং পাউডার [(Ca(OCl)Cl], যার মাঝে ক্লোরিন আছে এবং জীবাণু ধ্বংস করতে পারে, সেগুলো ব্যবহার করা হয়।
- দেশে বন্যার সময় পানি বিশুদ্ধ করার জন্য  সোডিয়াম হাইপোক্লোরাইড (NaOCl) ব্যবহার করা হয়।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
১ সি.সি. পানির ভর কত?
  1. ক) ১ গ্রাম
  2. খ) ১০ গ্রাম
  3. গ) ১০০ গ্রাম
  4. ঘ) ১০০০ গ্রাম
ব্যাখ্যা
- পানির ঘনত্ব তাপমাত্রার উপর নির্ভর করে।
- ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সর্বোচ্চ আর তা হলো১গ্রাম/সি.সি. বা ১০০০ কেজি/মিটার
- ১ সি.সি. পানির ভর হলো ১ গ্রাম বা
- ১ কিউবিক মিটার পানির ভর হলো ১০০০ কেজি।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
মানব অক্ষি-গোলকের ব্যাসার্ধ বেড়ে গেলে যে রোগ হয় তার নাম কী?
  1. ক) দীর্ঘদৃষ্টি
  2. খ) হ্রসদৃষ্টি
  3. গ) গ্লোকোমা
  4. ঘ) পুঞ্জাক্ষি
ব্যাখ্যা
হ্রস্বদৃষ্টি বা ক্ষীণদৃষ্টি (Myopia)
- যখন  চোখ কাছের বস্তু স্পষ্ট দেখা গেলেও দূরের বস্তু পরিষ্কার দেখা পায় না, তখন চোখের এই ত্রুটিকে হ্রস্বদৃষ্টি বলে।
ত্রুটির কারণ:
- চোখের লেন্সের অভিসারী দূরত্ব বেড়ে গেলে বা ফোকাস দূরত্ব কমে গেলে।
- কোন কারনে চোখের অক্ষিগোলকের ব্যাসার্ধ বৃদ্ধি পেলে।
প্রতিকার: অবতল লেন্সের চশমা ব্যবহার।

----------------------------
দীর্ঘদৃষ্টি বা দূরদৃষ্টি (Hypermetropia)
- যখন কোন চোখ দূরের বস্তু দেখে কিন্তু কাছের বস্তু দেখতে পায় না, তখন চোখের এই ত্রুটিকে দীর্ঘদৃষ্টি বলে।
- সাধারণত বয়স্ক ব্যক্তিদের এই ত্রুটি দেখা যায়।
ত্রুটির কারণ:
- চোখের লেন্সের অভিসারী ক্ষমতা হ্রাস পেলে অথবা চোখের লেন্সের ফোকাস দূরত্ব বেড়ে গেলে।
- কোন কারণে অক্ষি-গোলকের ব্যাসার্ধের কমে গেলে। 
প্রতিকার: উত্তল লেন্সের চশমা ব্যবহার।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
রেশম তন্তু কোন প্রোটিন দিয়ে তৈরি?
  1. ক) কেরাটিন
  2. খ) প্রোটামিন
  3. গ) ফাইব্রেয়ন
  4. ঘ) প্রোলামিন
ব্যাখ্যা
রেশম:
- সৌন্দর্য ও গুণে রেশমের তৈরি পোশাক আসলে রাজকীয় পোশাক। 
- রেশমকে তন্তুর রাণি বলা হয়। 
- রেশম বা পলু পোকা নামের এক জাতীয় পোকার গুটি বা কোকুন থেকে রেশম বা সিল্ক তন্তু আহরণ করা হয়ে থাকে। 
- বাংলাদেশের রাজশাহী জেলায় রেশমের চাষ করা হয়।
- রেশম রাজকীয় তন্তু কিন্তু পানি ধারণক্ষমতা অত্যধিক হওয়ায় রেশমের তৈরি পোশাক পানি দিয়ে ধোয়া যায় না। 
- এগুলো হচ্ছে পলু পোকার মুখ নিসৃত লালা যা আপন শরীরের চারপাশে এরা বুনতে থাকে।
- রেশম তন্তু ফাইব্রেয়ন নামক প্রোটিন জাতীয় পদার্থ দিয়ে তৈরি।

_________________________
- মানুষের চুল ও নখে কেরাটিন নামক প্রোটিন থাকে।

উৎস:
১. বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২. সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোন খনিজ পদার্থের মধ্য দিয়ে আলো প্রবেশ করতে পারে না?
  1. ক) সিলিকা
  2. খ) কোয়ার্টজ
  3. গ) অ্যারাগনাইট
  4. ঘ) ক্যালসাইট
ব্যাখ্যা
- কিছু কিছু খনিজ পদার্থ আছে, যেগুলো খুব স্বচ্ছ এবং এর মধ্যে আলো প্রবেশ করতে পারে। যেমন: কোয়ার্টজ বা সিলিকা।
- কিছু কিছু খনিজ পদার্থ আছে, যার মধ্য দিয়ে আলো প্রবেশ করলেও এর মধ্য দিয়ে কোনো বস্তু দেখা যায় না। যেমন: অ্যারাগনাইট।
- অন্যদিকে এমন খনিজও আছে, যার মধ্য দিয়ে মোটেই আলো প্রবেশ করতে পারে না। যেমন: ক্যালসাইট (Calcite) বা চুনাপাথর।
- সাধারণত প্রতিটি খনিজ পদার্থেরই একটা নির্দিষ্ট বর্ণ আছে, যা দিয়ে একটি থেকে আরেকটিকে আলাদা করা যায়।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
'মানুষের হাঁটা' নিউটনের কোন সূত্রের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা যায়?
  1. ক) গতির প্রথম সূত্র
  2. খ) গতির দ্বিতীয় সূত্র
  3. গ) গতির তৃতীয় সূত্র
  4. ঘ) মহাকর্ষ সূত্র
ব্যাখ্যা
নিউটনের প্রথম সূত্র:
- বাহ্যিক বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু চিরকাল স্থির থাকবে এবং গতিশীল বস্তু সুষম দ্রুতিতে সরলপথে চলতে থাকবে।
উদাহরণ: চলন্ত বাস হঠাৎ ব্রেক করলে যাত্রীরা সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে।

নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র:
বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার তার উপর প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং বল যেদিকে ক্রিয়া করে বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনও সেদিকে ঘটে।

নিউটনের তৃতীয় সূত্র:
- প্রত্যেক ক্রিয়ারই একটি সমানও বিপরীত্মুখী প্রতিক্রিয়া থাকে। অর্থাৎ, যখন একটি বস্তু অন্য একটি বস্তুর ওপর বল প্রয়ােগ করে, তখন সেই বস্তুটিও প্রথম বস্তুটির ওপর বিপরীত দিকে সমান বল প্রয়ােগ করে। একজন মানুষ হাঁটার সময় পা দিয়ে যখন মাটিকে ধাক্কা দেয়, মাটিও মানুষটিকে পাল্টা ধাক্কা দেয়।
উদাহরণ:
- বন্দুক থেকে গুলি ছোঁড়া হলে পেছনের দিকে বন্দুক চালনাকারীকে ধাক্কা দিবে।
- একজন মাঝি নৌকা চালানোর সময় নিউটনের তৃতীয় সূত্র প্রয়োগ করে।
- মহাকাশযান উৎক্ষেপিত হয় নিউটনের তৃতীয় সূত্রের নীতিতে।
- মহাকাশযানকে উৎক্ষেপ করার জন্য যে নীতির উপর ভিত্তি করে রকেট নির্মিত হয় তা নিউটনের তৃতীয় গতিসূত্র।

উৎস:
১.পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২. বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
৬০ ওয়াটের একটি বাল্ব প্রতিদিন ৫ ঘণ্টা করে ১ মাস জ্বললে কত তড়িৎ শক্তি ব্যয় হবে?
  1. ক) ৬ ইউনিট
  2. খ) ৯ ইউনিট
  3. গ) ১২ ইউনিট
  4. ঘ) ১৫ ইউনিট
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৬০ ওয়াটের একটি বাল্ব প্রতিদিন ৫ ঘণ্টা করে ১ মাস জ্বললে কত তড়িৎ শক্তি ব্যয় হবে?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
P = ৬০ ওয়াট
t = ৩০ × ৫ = ১৫০ ঘণ্টা

আমরা জানি,
ব্যয়িত শক্তি = (P × t)/১০০০ ইউনিট
= (৬০ × ১৫০)/১০০০ ইউনিট
= ৯০০০/১০০০ ইউনিট
= ৯ ইউনিট
.
কোনটির মধ্যে তেজস্ক্রিয়তা পরিলক্ষিত হয় না?
  1. ক) প্লুটোনিয়াম
  2. খ) কার্বন - ১৪
  3. গ) টাইটেনিয়াম
  4. ঘ) ইউরেনিয়াম
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয়তা 
- ভারী মৌলিক পদার্থের নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অবিরত আলফা, বিটা ও গামা রশ্মি নির্গমনের প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বলে।
- প্রকৃতপক্ষে যেসব মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা ৮২-এর চেয়ে বেশি তাদেরকে তেজস্ক্রিয় পদার্থ বলা হয়।
- যেমন- ইউরেনিয়াম-৯২, নেপচুনিয়াম-৯৩, প্লুটোনিয়াম-৯৪, পোলোনিয়াম-৮৪ ইত্যাদি।

- কার্বন মৌলের ৬ টি প্রােটন ও তিনটি আইসােটোপ রয়েছে- কার্বন-১২, কার্বন-১৩ ও কার্বন-১৪।
- এই তিনটির মধ্যে কার্বন-১৪ অস্থিতিশীল বা তেজস্ক্রিয়। এতে ৬টি প্রােটন ও ৮টি নিউট্রন রয়েছে।
- কার্বন-১৪ (14) ব্যবহৃত হয় মৃত প্রাণী বা উদ্ভিদের বয়স হিসাব করতে।
- টাইটেনিয়ামে তেজস্ক্রিয়তা পরিলক্ষিত হয় না।

সূত্র:
১. পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২. রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
কোন মাধ্যমের তাপ পরিবহন ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) কঠিন
  2. খ) তরল
  3. গ) বায়বীয়
  4. ঘ) শূন্য মাধ্যম
ব্যাখ্যা
তাপ সঞ্চালন হয় তিন প্রক্রিয়ায়-
১) পরিবহন
২) পরিচলন
৩) বিকিরণ

- পরিবহন এবং পরিচলন প্রক্রিয়ায় তাপ সঞ্চালনের জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন হয়, এবং এই দুই পদ্ধতিতে মাধ্যমকে উত্তপ্ত করে তাপ সঞ্চালন করতে হয়।
- কিন্তু বিকিরণ পদ্ধতিতে তাপ সঞ্চালনে মাধ্যমের প্রয়োজন হয় না।
- সূর্য থেকে বিকিরণ পদ্ধতিতে তাপ পৃথিবীতে আসে।
- তাপ সঞ্চালনের দ্রুততম প্রক্রিয়া হচ্ছে বিকিরণ।

- তাপ সঞ্চালনের তিনটি প্রক্রিয়ার মধ্যে পরিবহন পদ্ধতিতে তাপ সঞ্চালন সবচেয়ে বেশি ঘটে কঠিন মাধ্যমে।
- পরিচলন ঘটে তরল পদার্থে/মাধ্যমে ও বিকিরণ ঘটে বায়বীয় বা শূন্য মাধ্যমে।
১১.
লাল আলোতে হলুদ রঙের বস্তু কেমন দেখায়?
  1. ক) লাল
  2. খ) সবুজ
  3. গ) হলুদ
  4. ঘ) কালো
ব্যাখ্যা
- লাল আলোতে নীল, হলুদ ইত্যাদি রংয়ের বস্তুকে কালো দেখায়।

- আমরা জানি, কোন বর্ণ ঐ বর্ণের আলো ছাড়া অন্য সকল বর্ণের আলোকে শোষণ করে নেয়।
- এক্ষেত্রে লাল আলোতে হলুদ বস্তুর রং লাল আলো শোষণ করে নেবে।
- ফলে কোনো বর্ণের আলো প্রতিফলিত হবে না।
- সুতরাং লাল আলোতে হলুদ বস্তু কালো দেখাবে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান,  নবম-দশম শ্রেণি।
১২.
জীবন্ত মেষ থেকে যে পশম তৈরি করা হয় তাকে কী বলে?
  1. ক) ফ্লিস উল
  2. খ) পুল্ড উল
  3. গ) অ্যারিস উল
  4. ঘ) বোরাক্স উল
ব্যাখ্যা
- মানুষের চুল ও নখে কেরাটিন নামক প্রোটিন থাকে।
- রেশম মূলত ফাইব্রেয়ন নামক প্রোটিন দ্বারা তৈরি।
- জীবন্ত মেষ থেকে লোম সরিয়ে যে পশম তৈরি করা হয়, তাকে ফ্লিস উল (Fleece Wool) বলে।
- মৃত বা জবাই করা মেষ থেকে যে পশম তৈরি করা হয়, পুল্ড উল (Pulled Wool) বলে।

সূত্র: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩.
ডার্টি ডজন কী?
  1. ক) গৃহস্থালির বর্জ্য
  2. খ) এলপিজি গ্যাস
  3. গ) সোডা অ্যাস
  4. ঘ) পরিবেশের জন্য বিপজ্জনক রাসায়নিক
ব্যাখ্যা
ডার্টি ডজন (Dirty Dozen) পরিবেশ দূষণের জন্য দায়ী পৃথিবীর বারোটি মারাত্মক বিষাক্ত রাসায়নিক দ্রব্যের সাধারণ দলগত নাম।

- এ ১২টি রাসায়নিক পদার্থের মধ্যে আটটি কীটনাশক:
- অলড্রিন (aldrin),
- ডায়েলড্রিন (dieldrin),
- ক্লোরডেন (chlordane),
- এনড্রিন (endrin),
- হেপ্টাক্লোর (heptachlor),
- ডিডিটি (DDT), মিরেক্স (mirex)
- এবং টক্সাফিন (toxaphene);

- দুটি শিল্পজাত রাসায়নিক দ্রব্য: পিসিবি (PCBs)
- এবং হেক্সাক্লোরোবেনজিন (hexachlorobenzene);
- এবং অন্য দুটি ডাইওক্সিন (dioxin) ও ফিউরান (furan),
- কল-কারখানায় উৎপন্ন অনাকাঙ্ক্ষিত উপজাত।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া
১৪.
নিচের কোনটি গ্রিনহাউজ গ্যাস?
  1. ক) নাইট্রোজেন
  2. খ) মিথেন
  3. গ) অক্সিজেন
  4. ঘ) হিলিয়াম
ব্যাখ্যা
- শীতপ্রধান দেশে গ্রিন হাউসের (কাঁচ নির্মিত একটি ঘর) মাধ্যমে কৃত্রিমভাবে সবুজ উদ্ভিদ জন্মানো হয়।
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ শীতপ্রধান দেশের গ্রিন হাউস ঘরের ন্যায় সূর্য থেকে আগত রশ্মি তাপ বিকিরণে বাঁধা সৃষ্টি করে বায়ুমণ্ডলকে উত্তপ্ত করে।
- গ্রিন হাউস গ্যাস কর্তৃক বায়ুমণ্ডলের এইরূপ তাপ বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে গ্রিন হাউস অ্যাফেক্ট বলে।
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ হলো-কার্বন ডাইঅক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, ক্লোরোফ্লোরোকার্বন।

সূত্র: পরিবেশ বিজ্ঞান, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৫.
নিউক্লিয়াস দুইবার বিভাজিত হয় কোন কোষ বিভাজনে?
  1. ক) অ্যামাইটোসিস
  2. খ) মাইটোসিস
  3. গ) মিয়োসিস
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
- মিয়োসিস সাধারণত জনন মাতৃকোষে ঘটে। 
- এই কোষ বিভাজনে নিউক্লিয়াস দু’বার কিন্তু ক্রোমোসোম মাত্র একবার বিভক্ত হয়।
- একটি মাতৃকোষ হতে চারটি হ্যাপয়েড অপত্য কোষের সৃষ্টি হয়।
- ক্রোমোসোমের স্বতন্ত্র বিন্যাস ঘটে।
- এ প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন কোষগুলো কখনই মাতৃকোষের সমগুণসম্পন্ন হয় না।। 

সূত্র: এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
শ্বেত রক্তকণিকা কী প্রক্রিয়া জীবাণু ধ্বংস করে?
  1. ক) থ্রম্বোপ্লাস্টিন
  2. খ) ফাইব্রিনোজেন
  3. গ) সাইটোকাইনোসিস
  4. ঘ) ফ্যাগোসাইটোসিস
ব্যাখ্যা
শ্বেত রক্তকণিকা
- শ্বেত রক্তকণিকা ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণু ধ্বংস করে।
- হিমোগ্লোবিন না থাকার কারণে এদের শ্বেত রক্তকণিকা বলে। ইংরেজিতে White Blood Cell বা WBC বলে।
- রক্তে এদের সংখ্যা RBC-এর তুলনায় অনেক কম। অ্যামিবার মতো দেহের আকারের পরিবর্তন করে।
- রক্ত জালিকার প্রাচীর ভেদ করে টিস্যুর মধ্যে প্রবেশ করতে পারে।
- শ্বেত কণিকাগুলো রক্তরসের মধ্য দিয়ে নিজেরাই চলতে পারে।
- দেহ বাইরের জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হলে, দ্রুত শ্বেত কণিকার সংখ্যার বৃদ্ধি ঘটে।
- মানবদেহে প্রতি ঘন মিলিমিটার রক্তে ৪-১০ হাজার শ্বেত রক্তকণিকা থাকে।

শ্বেত রক্তকণিকার বৈশিষ্ট্যসমূহ-
১. শ্বেত রক্তকণিকায় নিউক্লিয়াস আছে।
২. শ্বেত রক্তকণিকার আকার অনিয়মিত ও বড়।
৩. শ্বেত রক্তকণিকায় হিমোগ্লোবিন নেই।
৪. শ্বেত রক্তকণিকার সংখ্যা লোহিত রক্তকণিকার তুলনায় অনেক কম।
৫. শ্বেত রক্তকণিকার গড় আয়ু ১-১৫ দিন।

সূত্র: জীববিজ্ঞান ২য় পত্র (প্রাণিবিজ্ঞান), এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
কোন উদ্ভিদে ব্যক্তবীজী এবং গুপ্তবীজী দুই ধরনের উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্যই দেখা যায়?
  1. ক) নিটাম
  2. খ) আম
  3. গ) সাইকাস
  4. ঘ) মেহগনি
ব্যাখ্যা
সংযোগকারী জীব (Connecting Link)
- জীবজগতে যাদের মধ্যে দুটি জীবগোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান রয়েছে তাদেরকে সংযোগকারী জীব (Connecting link) বলা হয়।
- উদাহরণ:  প্লাটিপাস।
- প্লাটিপাসের মধ্যে সরীসৃপ এবং স্তন্যপায়ী দুই ধরনের প্রাণীরই বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
- প্লাটিপাস সরীসৃপের মতো ডিম পাড়ে।
- অপরদিকে স্তন্যপায়ীর মতো এদের শরীর লোমে ঢাকা, বুকে রয়েছে দুগ্ধগ্রন্থি।
- শুধু তা-ই নয়, এদের ডিম ফুটে শাবক জন্মালে এরা শাবককে স্তন্য পান করায়।
- সংযোগকারী প্রাণীদের অধিকাংশই পৃথিবীর পরিবর্তনের সাথে কার্যকরীভাবে অভিযোজিত হতে সক্ষম না হওয়ায় ধীরে ধীরে পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়ে গেছে। 
- এছাড়া, Gnetum (নিটাম) নামক গুপ্তবীজী উদ্ভিদে ব্যক্তবীজী এবং গুপ্তবীজী দুই ধরনের উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্যই দেখা যায়।

সূত্র: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৮.
পাকা টমেটোর রং লাল হওয়ার জন্য কোনটি দায়ী?
  1. ক) ক্লোরোফিল
  2. খ) লাইকোপিন
  3. গ) জ্যানথোফিল
  4. ঘ) ক্যারোটিন
ব্যাখ্যা
ক্যারোটিন -  কমলা বর্ণের জন্য দায়ী।
জ্যান্থোফিল - হলুদ বর্ণের জন্য দায়ী।
লাইকোপিন - লাল বর্ণের জন্য দায়ী।
ক্লোরোফিল - সবুজ বর্ণের জন্য দায়ী।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৯.
উদ্ভিদের বৃদ্ধি নির্ণায়ক যন্ত্র কোনটি?
  1. ক) ক্রনোমিটার
  2. খ) ট্যাকোমিটার
  3. গ) হাইগ্রোমিটার
  4. ঘ) ক্রেসকোগ্রাফ
ব্যাখ্যা
- সমুদ্রের দ্রাঘিমা প্রিমাপক যন্ত্র: ক্রনোমিটার 
- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র: ট্যাকোমিটার 
- উদ্ভিদের বৃদ্ধি নির্ণায়ক যন্ত্র: ক্রেসকোগ্রাফ 
- বায়ুর আদ্রর্তা পরিমাপক যন্ত্র: হাইগ্রোমিটার 
 
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২০.
নিচের কোনটির অভাবে গাছের পাতা বেগুনি হয়ে যায়?
  1. ক) ফসফরাস
  2. খ) নাইট্রোজেন
  3. গ) পটাসিয়াম
  4. ঘ) ম্যাগনেসিয়াম
ব্যাখ্যা
- ফসফরাসের অভাবে গছের পাতা বেগুনি হয়ে যায়।
- পাতায় মৃত অঞ্চল সৃষ্টি হয় এমনকি পাতা, ফুল ও ফল ঝরে যেতে পারে।
- উদ্ভিদের বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যায় এবং উদ্ভিদ খর্বাকার হয়।

- নাইট্রোজেনের অভাব হলে ক্লোরোফিল সৃষ্টিতে বিঘ্ন ঘটে।
- ক্লোরোফিলের অভাবে পাতার সবুজ রং হাল্কা হতে হতে একসময় হ্লুদ হয়ে যায়। 

- পটাসিয়ামের অভাবে পাতার শীর্ষ এবং কিনারা হলুদ হয় এবং মৃত অঞ্চল সৃষ্টি হয়।
- বিশেষ করে পাতার শিরার মধ্যবর্তী স্থানে ক্লোরোসিস হয়ে হলুদবর্ণ ধারণ করে।
- উদ্ভিদের বৃদ্ধি কম হয় এবং শীর্ষ ও পার্শ্ব মুকুল মরে যায়।

- ম্যাগনেসিয়ামের অভাবে ক্লোরোফিল সংশ্লেষিত হয় না বলে সবুজ রং হাল্কা হয়ে যায়।
- সালোকসংশ্লেষণের হার কমে যায়।

সূত্র: জীববিজ্ঞান বই, নবম-দশম শ্রেণি।
২১.
জীবের রাসায়নিক গঠন উপাদান কি?
  1. ক) RNA
  2. খ) DNA
  3. গ) NDA
  4. ঘ) ক + খ
ব্যাখ্যা
• জীবের রাসায়নিক গঠন উপাদান DNA
• DNA: জিনের রাসায়নিক গঠন উপাদান হলো DNA। এটি একটি নিউক্লিক এসিড যা জীবদেহের গঠন ও ক্রিয়াকলাপ নিয়ন্ত্রণের জিনগত নির্দেশ ধারণ করে।
- DNA এর পূর্ণরূপ হল Deoxyribonucleic acid এবং RNA এর পূর্ণরূপ হল Ribonucleic acid।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২.
মরুভূমির জাহাজ বলা হয়-
  1. ক) ঘোড়া
  2. খ) উট
  3. গ) গ্যাজেল হরিণ
  4. ঘ) দুম্বা
ব্যাখ্যা
• উটকে মরুভূমির জাহাজ বলে।
- উট মরুজীবনের জন্য চমৎকারভাবে অভিযোজিত। এদের প্রশস্ত পদ বালির উপর চলাচলের জন্য যেমন উপযুক্ত, তেমনি নাসারন্ধ্র সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করার ক্ষমতা এবং সংবদ্ধ করার উপযোগী। 
- দুই সারি চোখের পাপড়ি মরুভূমিতে বসবাসের জন্য খুবই সহায়ক। আর এসব উপযোগিতার কারণে উট মরুভূমিতে সহজেই মালামাল বহন করতে পারে।
২৩.
আপেক্ষিক তত্ত্ব অনুসারে নিচের কোনটি ধ্রুব?
  1. ক) স্থান
  2. খ) বস্তুর ভর
  3. গ) সময়
  4. ঘ) শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ
ব্যাখ্যা
আপেক্ষিক তত্ত্ব
- আপেক্ষিক তত্ত্ব পদার্থবিজ্ঞানে এক আলোড়ন সৃষ্টিকারী তত্ত্ব। এই তত্ত্বের প্রবর্তক আলবার্ট আইনস্টাইন।
- আপেক্ষিক তত্ত্বের মতে স্থান, কাল ও জড় বা ভর পরম কিছু নয়, আপেক্ষিক।
- বিজ্ঞানী আইনস্টাইন এই তত্ত্বের সূচনা করেন ১৯০৫ সালে বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব (special theory of relativity) প্রবর্তনের মাধ্যমে।
- ভরের আপেক্ষিকতা ও ভরকে শক্তিতে রূপান্তর, এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের উপর ভিত্তি করে পারমাণবিক যুগের সূচনা হয়।

আপেক্ষিক তত্ত্বের স্বীকার্য:
- আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব দুটি মৌলিক স্বীকার্যের উপর প্রতিষ্ঠিত।
- প্রথম স্বীকার্য: স্থির বা গতিশীল সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোতে পদার্থবিজ্ঞানের মৌলিক সূত্রসমূহ অপরিবর্তিত থাকে।
- দ্বিতীয় স্বীকার্য: শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর পর্যবেক্ষকের জন্য একই এবং তা আলোর উৎস বা পর্যবেক্ষকের গতির উপর নির্ভরশীল নয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, (ড. শাহজাহান তপন, মুহম্মদ আজিজ হাসান, ড. রানা চৌধুরী)।
২৪.
কৃষ্ণবিবরে আলোর কোন ধরণের আচরণ পরিলক্ষিত হয়?
  1. ক) প্রতিফলন
  2. খ) প্রতিসরণ
  3. গ) শোষণ
  4. ঘ) বিচ্ছুরণ
ব্যাখ্যা
কৃষ্ণবিবর (Black Hole): 
- ১৯৬৯ সালে ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণ গহ্বর আবিষ্কার করেন মার্কিন বিজ্ঞানী জন হুইলার।
- কৃষ্ণগহবর বা কৃষ্ণবিবরে মহাকর্ষজনিত আকর্ষণ থাকে প্রবল।
- কৃষ্ণবিবরের আয়তন সসীম এবং ঘনত্ব, ভর, অভিকর্ষজ ত্বরণ, মুক্তিবেগ প্রায় অসীম।
- কৃষ্ণ বিবর মহাবিশ্বের এমন একটি বস্তু যা এত ঘন সন্নিবিষ্ট বা অতি ক্ষুদ্র আয়তনে এর ভর এত বেশি যে এর মহাকর্ষীয় শক্তি কোন কিছুকেই তার ভিতর থেকে বের হতে দেয় না, এমনকি তাড়িত চৌম্বক বিকিরণকেও (যেমন: আলো) নয়।
২৫.
ভরা কটাল কখন সংগঠিত হয়?
  1. ক) পূর্ণিমা তিথিতে
  2. খ) নবমী তিথিতে
  3. গ) সপ্তমী তিথিতে
  4. ঘ) অষ্টমী তিথিতে
ব্যাখ্যা
তেজ কটাল বা ভরা কটাল (Spring Tide):
- চন্দ্রের মত সূর্যও জোয়ার ভাঁটা সৃষ্টিতে সাহায্য করে।
- যখন অমাবস্যার সৃষ্টি হয় তখন সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে।
- অন্যদিকে পূর্ণিমার সময় পৃথিবীর একপাশে সূর্য ও অন্যপাশে চন্দ্র অবস্থান করে। এই সময় চন্দ্র, সূর্য ও পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে।
- এ সময় সূর্যের আকর্ষণ চন্দ্রের আকর্ষণকে সাহায্য করে।
- মূলত পূর্ণিমা ও অমাবস্যায় চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণে জোয়ারের পানি ফুলে উঠে। এই জোয়ারকেই বলা হয় ভরা কটাল বা তেজ কটাল।
- পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবী পৃষ্ঠের যে স্থানে চন্দ্রের প্রভাবে মুখ্য জোয়ার হয়, সে স্থানে সূর্যের প্রভাবে গৌণ জোয়ার হয়।
- আবার চন্দ্রের প্রভাবে যে স্থানে গৌণ জোয়ার হয় ঐ স্থানে সূর্যের আকষর্ণে মুখ্য জোয়ার হয়।
- সপ্তমী ও অষ্টমী তিথিতে মরা কটাল সংগঠিত হয়।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬.
HAARP এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) High-frequency Active Astronomical Research Program
  2. খ) High-frequency Active Astronomical Research Project
  3. গ) High-frequency Active Auroral Research Program
  4. ঘ) High-frequency Active Auroral Research Project
ব্যাখ্যা
হার্প (HAARP)
- HAARP এর পূর্ণরূপ হচ্ছে High-frequency Active Auroral Research Program.
- হার্প আয়নোস্ফিয়ার বা আয়নমন্ডলের বৈশিষ্ট্য এবং আচরণ নিয়ে গবেষণা করে।
- আয়নোস্ফিয়ার হচ্ছে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৫০ মাইল থেকে ৪০০ মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত বায়ুমন্ডলীয় এলাকা।
- আয়নোস্ফিয়ারে উচ্চ কম্পাঙ্কের রেডিও তরঙ্গ পাঠানো হয় এবং এর প্রভাব পর্যবেক্ষণ করা হয়।
- হার্প এর অবস্থান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কায়।
- এটি ইউএস এয়ার ফোর্স, নেভি, ইউনিভার্সিটি অফ আলাস্কা ফেয়ারব্যাংকস এবং ডিফেন্স এডভান্সড রিসার্চ প্রোজেক্টস এজেন্সির সম্মিলিত প্রচেষ্টায় চলে।
- ২০১৫ সালের ১১ আগস্ট স্থান পরিবর্তন করে এটিকে ইউনিভার্সিটি অফ আলাস্কা ফেয়ারব্যাংকসে নিয়ে আসা হয়।

সূত্র: https://haarp.gi.alaska.edu
২৭.
'যক্ষা' রোগের টিকার নাম কী?
  1. ক) ওপিভি
  2. খ) বিসিজি
  3. গ) ডিপিটি
  4. ঘ) এমএমআর
ব্যাখ্যা
- যক্ষা বায়বাহিত রোগ।
- যক্ষা রোগের টিকার নাম বিসিজি।
- টিকার আবিষ্কারক ক্যালসাট ও গুয়েচিন।
- ব্যাকটেরিয়া থেকে যক্ষা রোগের প্রতিষেধক টিকা তৈরি করা হয়।

------------------------
- পোলিও রোগের টিকার নাম ওপিভি (Oral Polio Vaccine)।
- ডিপিটি ডিফথেরিয়া, হুপিং কাশি ও ধনুষ্টঙ্কারের টিকা।
- এমএমআর ভ্যাকসিন হাম রোগের টিকা।

উৎস: ব্রিটানিকা
২৮.
'ধনুষ্টংকার' রোগ কোনটির সংক্রমনে হয়?
  1. ক) ভাইরাস
  2. খ) ব্যাকটেরিয়া
  3. গ) ছত্রাক
  4. ঘ) শৈবাল
ব্যাখ্যা


সূত্র: জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৯.
ফ্ল্যাভি ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত রোগ কোনটি?
  1. ক) ডেঙ্গু
  2. খ) জলাতঙ্ক
  3. গ) গুটিবসন্ত
  4. ঘ) হাম
ব্যাখ্যা


সূত্র: জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০.
কোনটি আগ্নেয় শিলার উদাহরণ?
  1. ক) গ্রাফাইট
  2. খ) মার্বেল
  3. গ) গ্রানাইট
  4. ঘ) কোয়ার্টজাইট
ব্যাখ্যা
আগ্নেয় শিলা
- ভূ-অভ্যন্তরে উত্তপ্ত ম্যাগমা শীতল ও কেলাসিত হয়ে আগ্নেয় শিলা গঠিত হয়।
- অগ্নিময় অবস্থা থেকে এই শিলার সৃষ্টি বলে এক আগ্নেয় শিলা বলা হয়।
- আগ্নেয় শিলা পৃথিবীর প্রথম পর্যায়ের শিলা বলে একে প্রাথমিক শিলাও বলা হয়।
- এ শিলায় কোনো স্তর নেই, তাই এই শিলার অপর নাম অস্তরীভূত শিলা।
- এই শিলায় কোনো জীবাশ্ম নেই।
- এই শিলা অপেক্ষাকৃত ভারী ও সুদৃঢ়।
- এই শিলা বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে। যেমন- বহিঃজ বা নিঃসারী আগ্নেয় শিলা ও অন্তঃজ বা উদ্বেধী আগ্নেয় শিলা।
- গ্রানাইট, ব্যাসল্ট, রায়োলাইট, অ্যান্ডিসাইট, গ্যাব্রো, ডলোরাইট, ল্যাকোলিথ, ব্যাথোলিথ, ডাইক ও সিল আগ্নেয় শিলার উদাহরণ। 

------------------------------
- গ্রাফাইট, মার্বেল, কোয়ার্টজাইট হলো রূপান্তিত শিলার উদাহরণ।

উৎস:
১. ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ভূগোল ও পরিবেশ, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৩১.
বারিমন্ডলে ভূগর্ভস্থ পানির পরিমাণ কত?
  1. ক) ২.০৫%
  2. খ) ০.৬৮%
  3. গ) ৫.৫০%
  4. ঘ) ০.০৩%
ব্যাখ্যা
বারিমন্ডলের পানির প্রধান উৎসসমূহ:
সমুদ্র - ৯৭.২৫%
হিমবাহ - ২.০৫%
ভূগর্ভস্থ পানি - ০.৬৮%
হ্রদ - ০.০১%
নদী - ০.০০০১%

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩২.
ভূত্বকের গড় গভীরতা কত কিলোমিটার?
  1. ক) ৫ কি.মি.
  2. খ) ১০ কি.মি.
  3. গ) ২০ কি.মি.
  4. ঘ) ৩৫ কি.মি.
ব্যাখ্যা
- ভূপৃষ্ঠে শিলার যে কঠিন বহিরাবরণ দেখা যায় তা ভূত্বক নামে পরিচিত।
- ভূত্বের গড় গভীরতা ২০ কিমি।
- মহাসাগরীয় ভূত্বকের গড় গভীরতা ০৫ কিলোমিটার এবং মহাদেশীয় পৃষ্ঠে ভূত্বকের গড় গভীরতা ৩৫ কিমি।

মহাদেশীয় ভূত্বক সিলিকন (Si) ও অ্যালুমিনিয়াম (Al) দ্বারা গঠিত যা সিয়াল (SiAl) স্তর নামে পরিচিত।
মহাসাগরীয় ভূত্বক সিলিকন (Si) এবং ম্যাগনেসিয়াম (Mg) দ্বারা গঠিত যা সিমা (SiMg) স্তর নামে পরিচিত।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি।
৩৩.
কোন অঙ্গানু ব্যাকটেরিয়ার সালোকসংশ্লেষণে সাহায্য করে?
  1. ক) ফ্ল্যাজেলা
  2. খ) ক্যাপসিউল
  3. গ) ক্রোম্যাটোফোর
  4. ঘ) ভলিউটিন
ব্যাখ্যা
ব্যাকটেরিয়ার সাইটোপ্লাজম
- সাইটোপ্লাজমিক মেমব্রেন দিয়ে পরিবেষ্টিত অবস্থায় সাইটোপ্লাজম থাকে।
- এটি সাধারণত বর্ণহীন।
- এতে কোষগহ্বর, চর্বি, শর্করা জাতীয় খাদ্য, প্রোটিন যার অধিকাংশই এনজাইম, বিভিন্ন ধরনের খনিজ পদার্থ যেমন- ফসফরাস, লৌহ ও সালফার ইত্যাদি বিদ্যমান থাকে।
- ব্যাকটেরিয়ার সাইটোপ্লাজমে কিছু পদার্থ বিক্ষিপ্ত অবস্থায় দেখা যায়। যেমন
১। রাইবোসোম (70S),
২। ক্রোম্যাটোফোর,
৩। কোষ কোষগহ্বর এবং
৪। ভলিউটিন।

রাইবোসোম- প্রতিটি রাইবোসোম RNA ও প্রোটিন সহযোগে গঠিত। প্রোটিন সংশ্লেষণ করাই রাইবোসোমের প্রধান কাজ।
ক্রোম্যাটোফোর- কতক ব্যাকটেরিয়াতে ক্রোম্যাটোফোর থাকে। এসব রঞ্জক পদার্থ ব্যাকটেরিয়ার সালোকসংশ্লেষণে সাহায্য করে।
কোষগহ্বর- ব্যাকটেরিয়ার সাইটোপ্লাজমে অত্যন্ত ছোট ছোট কোষ গহবর থাকে।
ভলিউটিন- তরুণ ব্যাকটেরিয়ার সাইটোপ্লাজমে এবং পুরাতন কোষের কোষগহ্বরে ভলিউটিন থাকে।

সূত্র: জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৪.
স্নেহ জাতীয় খাদ্যে প্রতি গ্রামে কত ক্যালরি থাকে?
  1. ক) ৪ kcal/g
  2. খ) ৬ kcal/g
  3. গ) ৯ kcal/g
  4. ঘ) ১৩ kcal/g
ব্যাখ্যা
- ক্যালরি হচ্ছে শক্তির একক।
- এক গ্রাম খাদ্য জারণের ফলে যে পরিমাণ তাপশক্তি উৎপন্ন হয়, তাকে খাদ্যের ক্যালরি বলে।
- স্নেহ জাতীয় পদার্থে সবচেয়ে বেশি ক্যালরি থাকে।
- প্রতি গ্রাম স্নেহে ক্যালরির পরিমাণ ৯ কিলো ক্যালরি।
- অন্যদিকে আমিষ ও শর্করাতে এর পরিমাণ ৪ কিলো ক্যালোরি।

সূত্র: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৫.
মহাকাশে পাঠানো কৃত্রিম উপগ্রহ বায়ুমন্ডলের কোন স্তরে অবস্থান করে?
  1. ক) স্ট্রাটোমন্ডল 
  2. খ) তাপমন্ডল
  3. গ) মেসোমন্ডল
  4. ঘ) ট্রপোমন্ডল
ব্যাখ্যা
তাপমন্ডল
- তাপমন্ডল বায়ুমন্ডলের চতুর্থ স্তর যার বিস্তৃতি ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে ৮০ কি.মি. থেকে ৫০০ কি.মি. এর মধ্যে।
- মহাকাশে পাঠানো কৃত্রিম উপগ্রহ বা স্যাটেলাইটসমূহ তাপমন্ডলে অবস্থান করে।
- রকেটও এ স্তর দিয়ে চলাচল করে। মহাশূন্য থেকে পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসা উল্কাপিণ্ড এই স্তরে এসে পুড়ে যায়।
- তাপমন্ডলের নিচের অংশ আয়নমন্ডল নামে পরিচিত যেখানে পৃথিবী থেকে প্রেরিত বেতার তরঙ্গ বাধাপ্রাপ্ত হয়ে ফিরে আসে।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৬.
এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করে কোনটি?
  1. ক) রেকটিফায়ার
  2. খ) রেজিস্টার
  3. গ) ট্রানজিস্টর
  4. ঘ) ট্রান্সফরমার
ব্যাখ্যা
ডায়োড:
- ডায়োড এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যেখানে ব্যাটারির এক ধরনের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, উল্টো সংযোগে হয় না।
- ডায়োডের ব্যবহারের কোন শেষ নেই।
- সাধারণ ডায়োড ছাড়াও বিভিন্ন রঙিন ছোট ছোট আলো হল Light Emitting Diode.
- একটি p টাইপ অর্ধপরিবাহী ও একটি n টাইপ অর্ধপরিবাহী পাশাপাশি জোড়া লাগিয়ে p-n জাংশন ডায়োড তৈরি করা হয়।
- এটি মূলত রেকটিফায়ার হিসেবে কাজ করে।
- রেকটিফায়ার এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৭.
সৌরজগতের কোন গ্রহে বৃহৎ লাল বিন্দু (Great Red Spot) দেখা যায়?
  1. ক) মঙ্গল
  2. খ) নেপচুন
  3. গ) শনি
  4. ঘ) বৃহস্পতি
ব্যাখ্যা
- বৃহস্পতি সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ।
- বৃহস্পতিকে গ্রহরাজ বলা হয়।
- বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডল হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি।
- এ গ্রহে জীবের অস্তিত্ব নেই।
- সৌরজগতে বৃহস্পতির সর্বাধিক উপগ্রহ রয়েছে।
- বৃহস্পতি গ্রহে বৃহৎ লাল বিন্দু (গ্রেট রেড স্পট) দেখা যায়।
- সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম এবং সূর্যের নিকটতম গ্রহ বুধ।
- শনি সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ এবং ইউরেনাস সৌরজগতের তৃতীয় বৃহত্তম গ্রহ।
- মঙ্গল গ্রহকে লাল গ্রহ বলা হয়।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।