পরীক্ষা আর্কাইভ

GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

পরীক্ষাGKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৩
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৫ টপিক: ভূ-প্রকৃতি পৃথিবীর বাহ্যিক গঠন -পর্বত, গিরিপথ, উপত্যকা, মালভূমি, সমভূমি, মরুভূমি বারিমন্ডল- মহাসাগর, সাগর তীরবর্তী রাষ্ট্র, স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র, দ্বীপ, উপদ্বীপ, হ্রদ, প্রণালী, খাল, নদনদী, জলপ্রপাত, ভৌগোলিক উপনাম এবং আন্তরাষ্টীয় ক্ষমতা সম্পর্ক, প্রথম বিশ্বযুদ্ধ, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ [Live Class – 9 & 10]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩ প্রশ্ন

.
কোন দেশটি বাল্টিক রাষ্ট্র নয়?
  1. এস্তোনিয়া
  2. লাটভিয়া
  3. বেলারুশ
  4. লিথুয়ানিয়া
ব্যাখ্যা
বাল্টিক রাষ্ট্র (Baltic States): 
- বাল্টিক রাষ্ট্র (Baltic States) বলতে ইউরোপের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের তিনটি দেশ এস্তোনিয়া, লাটভিয়া এবং লিথুয়ানিয়াকে বোঝানো হয়, যেগুলি বাল্টিক সাগরের পূর্ব উপকূলে অবস্থিত।
- ভৌগোলিক সীমা: পশ্চিম ও উত্তরে বাল্টিক সাগর, পূর্বে রাশিয়া, দক্ষিণ-পূর্বে বেলারুশ ও দক্ষিণ-পশ্চিমে পোল্যান্ড ও রাশিয়ার একটি বিচ্ছিন্ন অংশ (exclave)। 
- এলাকা জুড়ে রয়েছে ৭,০০০টির বেশি হ্রদ এবং অসংখ্য পিট জমি (peat bogs), জলাভূমি ও দোয়াশ (marshes)
- প্রধান নদী: নেমান নদী (লিথুয়ানিয়া), ওয়েস্টার্ন ডভিনা নদী (লাটভিয়া)। 
- এই নদীগুলো উত্তর-পশ্চিম দিকে বাল্টিক সাগরে পতিত হয়

উৎস: Britannica
.
'কর্নারস্টোন অব পিস' স্মৃতিসৌধটি কোথায় অবস্থিত?
  1. যুক্তরাষ্ট্র 
  2. জাপান 
  3. দক্ষিণ কোরিয়া 
  4. চীন 
ব্যাখ্যা
কর্নারস্টোন অব পিস: 
- এই যুদ্ধ স্মারকটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ওকিনাওয়া যুদ্ধের সময় যারা প্রাণ দিয়েছিলেন তাদের প্রতি উৎসর্গীকৃত।
- বর্তমানে স্মৃতিসৌধে ২,৪০,৭৩৪ জনের নাম খোদাই করা আছে।
- এটি জাপানের ওকিনাওয়ায় অবস্থিত। 

উৎস: TRACESOFWAR
.
গডউইন অস্টিন (K2) কোন পর্বতমালায় অবস্থিত?
  1. হিমালয়
  2. কারাকোরাম
  3. হিন্দুকুশ
  4. পামীর
ব্যাখ্যা
গডউইন অস্টিন (K2): 
- K2 বিশ্বের দ্বিতীয় উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ (উচ্চতা: ২৮,২৫১ ফুট বা ৮,৬১১ মিটার), যা মাউন্ট এভারেস্ট-এর পরেই স্থান পায়।
- কারাকোরাম পর্বতমালার সর্বোচ্চ পর্বত গডউইন অস্টিন (K2)। 
- গডউইন অস্টিন "K2" পর্বতের এক নাম, যা পৃথিবীর দ্বিতীয় উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ।
- এটি কারাকোরাম পর্বতমালায় অবস্থিত এবং পাকিস্তান ও চীনের সীমান্তে পড়ে।
- "গডউইন অস্টিন" নামটি ব্রিটিশ ভূতাত্ত্বিক এবং জরিপকারী কর্নেল এইচ.এইচ. গডউইন-অস্টিনের নামানুসারে রাখা হয়েছে, যিনি এই অঞ্চলে জরিপ কাজ পরিচালনা করেছিলেন।
- K2 নামটি এসেছে গ্রেট ট্রিগনোমেট্রিক সার্ভে (Great Trigonometrical Survey)-এর সময় দেওয়া এক সিরিজ কোড থেকে — ‘K’ মানে Karakoram, এবং এটি ছিল দ্বিতীয় শৃঙ্গ যা ওই অঞ্চলে চিহ্নিত হয়েছিল
- K2 প্রায় ৮,৬১১ মিটার (২৮,২৫১ ফুট) উঁচু এবং এটি পর্বতারোহীদের জন্য অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং পর্বত হিসেবে পরিচিত।
- এর চূড়ায় ওঠার পথটি অত্যন্ত কঠিন এবং বিপজ্জনক, যা পর্বতারোহীদের মধ্যে "সাভেজ মাউন্টেন" বা "নিষ্ঠুর পর্বত" নামে পরিচিত।
- K2-এর চূড়ায় পৌঁছানোর প্রচেষ্টা প্রায়ই প্রাকৃতিক বিপর্যয় এবং খারাপ আবহাওয়ার কারণে ব্যর্থ হয়।

উৎস: Britannica.
.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়কাল কত ছিল?
  1. ২৮ জুলাই, ১৯১৫ থেকে ১১ নভেম্বর, ১৯১৯ সাল
  2. ২৮ জুলাই, ১৯১৪ থেকে ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ সাল
  3. ২৮ জুলাই, ১৯১৪ থেকে ১১ নভেম্বর, ১৯২০ সাল
  4. ২৮ জুলাই, ১৯১৪ থেকে ১১ নভেম্বর, ১৯১৯ সাল
ব্যাখ্যা
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (WWI -World War I):
- সময়কাল: ২৮ জুলাই, ১৯১৪ থেকে ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ সাল। 
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ছিল একটি আন্তর্জাতিক সংঘর্ষ, যেখানে ইউরোপের বেশিরভাগ দেশসহ রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, মধ্যপ্রাচ্য ও অন্যান্য অঞ্চল জড়িয়ে পড়ে।
- যুদ্ধটি সেন্ট্রাল পাওয়ারস (জার্মানি, অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি, ওসমানীয় সাম্রাজ্য) এবং অ্যালাইড শক্তিগুলোর (ফ্রান্স, ব্রিটেন, রাশিয়া, ইতালি, জাপান, এবং ১৯১৭ সালে যুক্তরাষ্ট্র) মধ্যে সংঘটিত হয়।
- যুদ্ধের পর সেন্ট্রাল পাওয়ারস পরাজিত হয় এবং এটি ইউরোপের চারটি বড় সাম্রাজ্যের পতনের কারণ হয়— জার্মানি, রাশিয়া, অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি এবং ওসমানীয় সাম্রাজ্য।
- এছাড়া, রাশিয়ায় বলশেভিক বিপ্লব সংঘটিত হয় এবং ইউরোপীয় সমাজব্যবস্থা মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত হয়, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের (১৯৩৯-১৯৪৫) পথ সুগম করে।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ছিল অভূতপূর্ব গণহত্যা, ধ্বংসযজ্ঞ ও বিপর্যয়ের এক নজিরবিহীন ঘটনা, যা ২০শ শতকের ভূরাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসাবে বিবেচিত হয়।

উৎস: Britannica.
.
নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করা হয় কবে?
  1. ৬ আগষ্ট, ১৯৪৫ সাল
  2. ৯ আগষ্ট, ১৯৪৫ সাল
  3. ১৫ আগষ্ট, ১৯৪৫ সাল
  4. ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৫ সাল
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ (১৯৩৯-১৯৪৫):
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ১৯৩৯ সালে শুরু হয় ও ১৯৪৫ সালে সমাপ্তি ঘটে।
- অক্ষশক্তি: জার্মানি, ইতালি, জাপান
- মিত্রশক্তি: ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, এবং আংশিকভাবে চীন
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অসমাপ্ত বিরোধের ফলস্বরূপ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- এটি ইতিহাসের সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ, যেখানে প্রায় ৪ থেকে ৫ কোটি মানুষ নিহত হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাব বৃদ্ধি, চীনে কমিউনিস্ট শাসনের উত্থান এবং পশ্চিম ইউরোপের শক্তি হ্রাসের মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নকে সুপারপাওয়ার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।
- ৬ আগস্ট ১৯৪৫: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হিরোশিমাতে প্রথম পারমাণবিক বোমা ফেলে, যেখানে ৭০,০০০+ মানুষ সঙ্গে সঙ্গে নিহত হয়।
- ৯ আগস্ট ১৯৪৫: নাগাসাকিতে দ্বিতীয় পারমাণবিক বোমা ফেলা হয়, যা জাপানকে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য করে।
- স্নায়ুযুদ্ধের সূচনা: যুদ্ধ শেষে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে ক্ষমতার প্রতিযোগিতা শুরু হয়।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠা: ভবিষ্যতে বিশ্বযুদ্ধ প্রতিরোধের জন্য ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ছিল মানব ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, যা বিশ্ব রাজনীতির গতিপথ চিরতরে পরিবর্তন করে দেয়।

উৎস: Britannica.
.
The Diary of a Young Girl এর রচয়িতা কে?
  1. শার্লট ব্রন্টে
  2. আনা ফ্রাঙ্ক
  3. হেলেন কেলার
  4. বার্ট্রান্ড রাসেল 
ব্যাখ্যা
The Diary of a Young Girl:
- এটি একটি বিখ্যাত ডায়েরি, যা আনা ফ্রাঙ্ক নামক এক ইহুদি কিশোরী লিখেছিলেন।
- তিনি ও তাঁর পরিবার দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়, নেদারল্যান্ডসে নাৎসি জার্মান দখলের সময় প্রায় দুই বছর (১৯৪২–১৯৪৪) গোপনে লুকিয়ে ছিলেন।
- এটি একটি ব্যক্তিগত ডায়েরি, যেখানে অ্যানে তাঁর ভয়, আশা, কষ্ট, প্রেম এবং এক কিশোরীর দৃষ্টিতে যুদ্ধকালীন সময়ের বর্ণনা করেছেন।
- লেখাগুলো অ্যামের্স্টারডামের একটি গোপন আশ্রয়স্থল থেকে লেখা, যেখানে তাঁর পরিবার ও আরও কয়েকজন মিলে নাৎসিদের হাত থেকে বাঁচার চেষ্টা করছিলেন।
- ডায়েরিটি প্রথম ১৯৪৭ সালে প্রকাশিত হয় — আনার মৃত্যুর দুই বছর পরে, যা তাঁকে বিশ্বজুড়ে পরিচিত করে তোলে।
- আনা ফ্রাঙ্ক ১৯৪৫ সালে বার্গেন-বেলসেন কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পে মৃত্যুবরণ করেন।
- বইটি পরবর্তীকালে বিশ্বজুড়ে অনূদিত হয় এবং যুদ্ধ সাহিত্যের এক গুরুত্বপূর্ণ ক্লাসিক হিসেবে বিবেচিত হয়।

উৎস: Britannica.
.
মৃত্যু উপত্যকা কোথায় অবস্থিত?
  1. যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া
  2. যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া
  3. ভারতের মনিপুর
  4. পাকিস্তানের বেলুচিস্তান
ব্যাখ্যা
ডেথ ভ্যালি বা মৃত্যু উপত্যকা (Death Valley): 
- মৃত্যু উপত্যকা যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত ।
- ডেথ ভ্যালি (Death Valley) হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের দক্ষিণ-পূর্বাংশে অবস্থিত একটি ভৌগোলিক নিম্নভূমি বা গহ্বর। 
- এটি উত্তর আমেরিকার সবচেয়ে নিচু, উষ্ণ এবং শুষ্ক অঞ্চল হিসেবে পরিচিত।
- অবস্থান: গ্রেট বেসিন (Great Basin) ও মোহাভে মরুভূমি (Mojave Desert)-এর সীমান্তবর্তী এলাকা। 
- এটি উত্তর আমেরিকার সবচেয়ে নিচু স্থান, যার সর্বনিম্ন বিন্দু বেডওয়াটার বেসিন (Badwater Basin), সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২৮২ ফুট নিচে।
- এটি বিশ্বের অন্যতম গরমতম স্থান, গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা প্রায়শই ৫০°C ছাড়িয়ে যায়।
- বার্ষিক বৃষ্টিপাত খুবই কম, মাত্র কয়েক ইঞ্চি।

উৎস: Britannica.
.
ভার্সাই চুক্তি কাদের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. অক্ষশক্তি এবং জার্মানি
  2. মিত্রশক্তি এবং জাপান
  3. মিত্রশক্তি এবং জার্মানি
  4. অক্ষশক্তি এবং জাপান
ব্যাখ্যা
ভার্সাই চুক্তি Treaty of Versailles (1919):
- ভার্সাই চুক্তি ছিল প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষে ১৯১৯ সালের প্যারিস শান্তি সম্মেলনের প্রধান চুক্তি।
- এটি ২৮ জুন ১৯১৯ সালে ভার্সাই প্রাসাদের "হল অব মিররস"-এ মিত্রশক্তি এবং জার্মানির মধ্যে স্বাক্ষরিত হয় এবং ১০ জানুয়ারি ১৯২০ সালে কার্যকর হয়।
- মিত্রশক্তির মধ্যে যুক্তরাজ্য, সোভিয়েত ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স এবং চীন অন্যতম সদস্য।
- ভার্সাই চুক্তি জার্মানির উপর কঠোর ক্ষতিপূরণ আরোপ করে।
- চুক্তির মাধ্যমে জার্মানির কিছু অঞ্চল প্রতিবেশী দেশগুলোর কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং কিছু অঞ্চল আন্তর্জাতিক তত্ত্বাবধানে রাখা হয়।
- এছাড়া, জার্মানির উপনিবেশগুলো ছিনিয়ে নেওয়া হয়, তাদের সামরিক ক্ষমতা কঠোরভাবে সীমিত করা হয় এবং মিত্রশক্তিকে যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য বাধ্য করা হয়।
- এই চুক্তির মাধ্যমে "লিগ অফ নেশন্স" (League of Nations) প্রতিষ্ঠিত হয়, যা পরবর্তী সময়ে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উৎস: Britannica.
.
শীতল মরুভূমির উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. আর্কটিক
  2. লাদাখ
  3. অ্যান্টার্কটিকা
  4. দস্ত ই লুত
ব্যাখ্যা
মরুভূমি:
- যে স্থানের বৃষ্টিপাত ২৫ সে.মি. এর কম এবং বাস্পীভবন থেকে বৃষ্টিপাত কম তাকে মরুভূমি বলে।
- মরুভূমি ২ ধরনের।
- শীতল মরুভূমি – আর্কটিক, অ্যান্টার্কটিকা ও লাদাখ ।
- উষ্ণ মরুভূমি – দস্ত ই লুত (দাশত-ই লুত)।
- অ্যান্টার্কটিকা – পৃথিবীর সর্ববৃহৎ মরুভূমি। এটি একটি শীতল মরুভূমি।
- সাহারা মরুভূমি - পৃথিবীর সর্ববৃহৎ উষ্ণ মরুভূমি (আফ্রিকার দুঃখ)।

উৎস: Britannica.
১০.
D-Day বলতে কোন দিনটিকে বোঝায়?
  1. মিত্রবাহিনীর নরম্যান্ডিতে অবতরণ
  2. মিত্রবাহিনীর ইউরোপ বিজয়
  3. জাপানের আত্মসমর্পণ
  4. হিরোশিমায় পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ
ব্যাখ্যা
D-Day:
- ১৯৪৪ সালের ৬ জুন ইউরোপ দখল মুক্ত করার জন্য মিত্রবাহিনীর নরম্যান্ডিতে অবতরণের দিনকে D- Day বলা হয়। 
- জার্মান অধিকৃত ফ্রান্সের ভূখণ্ডে দুর্দান্ত হামলা চালিয়ে হিটলারের বাহিনীকে অনেকটাই নাজেহাল করে ছাড়ে মিত্রবাহিনী।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ১৯৪৪ সালে নরম্যান্ডি উপকূলে মিত্রবাহিনী এ হামলা চালায়।
- তুমুল লড়াইয়ে জার্মানরা ফ্রান্সের ওই অঞ্চল ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়।
- মিত্রবাহিনী ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে এসে সরাসরি এখানে হামলা চালায় যাকে ইতিহাসে ডি ডে ল্যান্ডিং তথা অপারেশন ওভারলোড নামে স্থান দেয়া হয়েছে।
- এক্ষেত্রে প্রায় ১২টি দেশের ৩০ লাখ সৈন্য গিয়ে হামলা চালায় নরম্যান্ডিতে।
- অস্ট্রেলিয়া, বেলজিয়াম, কানাডা, চেকোশ্লোভাকিয়া, ফ্রান্স, গ্রিস, নেদারল্যান্ডস, নিউজিল্যান্ড, নরওয়ে, পোল্যান্ড, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র এই ১২ দেশের সৈন্যরা একসাথে হামলা চালায় ৬ জুন।
- সেদিন রাতের বেলা ছত্রীসেনা অবতরণ, গ্লাইডার অবতরণ থেকে শুরু করে জঙ্গি ও বোমারু বিমানের পাশাপাশি যুদ্ধজাহাজ থেকে বোমা ও গোলাবর্ষণের মধ্য দিয়ে যুদ্ধ শুরু হয়।
- মিত্র বাহিনীর ৩৭ হাজার নিহত হওয়ার পাশাপাশি আহত হয় দেড় লক্ষাধিক।
- অন্যদিকে জার্মানদের ২ লক্ষ সৈন্য নিহত হওয়ার পাশাপাশি ২ লাখ আত্মসমর্পণ করে।
- তবে ফিল্ড মার্শাল রোমেলের ৩৫২ তম ডিভিশন এখানে প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তোলে মিত্রবাহিনীর বিরুদ্ধে।
- প্রচণ্ড প্রতিরোধ যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে এসে জার্মানদের পরাজয় আসলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভাগ্য অনেকটা এখানেই নির্ধারণ করে দেয়।

উৎস: ইতিহাস দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
বেলফোর ঘোষণা কোন রাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কিত?
  1. আয়ারল্যান্ড
  2. ইসরায়েল
  3. জর্ডান
  4. মিশর
ব্যাখ্যা
বেলফোর ঘোষণা (১৯১৭):
- বেলফোর ঘোষণা ইসরায়েলের সাথে সম্পর্কিত। 
- তারিখ: ২ নভেম্বর, ১৯১৭ সাল। 
- বেলফোর ঘোষণা ছিল ব্রিটিশ সরকারের প্যালেস্টাইনে ইহুদিদের জন্য একটি জাতীয় আবাস প্রতিষ্ঠার পক্ষে সমর্থন।
- এটি ব্রিটিশ পররাষ্ট্র সচিব আর্থার জেমস বেলফোর থেকে লিওনেল ওয়াল্টার রথসচাইল্ড (দ্বিতীয় ব্যারন রথসচাইল্ড), অ্যাংলো-ইহুদি সম্প্রদায়ের এক নেতার কাছে চিঠি আকারে প্রেরিত হয়।
- ঘোষণাটি ইহুদি জনগণের জন্য একটি জাতীয় আবাসের প্রতিশ্রুতি দিলেও, এর সুনির্দিষ্ট অর্থ বিতর্কিত।
- এটি সাইকস-পিকট চুক্তি এবং হুসেইন-ম্যাকমোহন পত্রাচারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মনে করা হয়।
- মূল কপিটি ব্রিটিশ লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত আছে।
- এ ঘোষণার প্রেক্ষিতে ১৯৪৮ সালের ১৪ মে ইসরাইল রাষ্ট্রের জন্ম হয়।

হুসেন-ম্যাকমোহন চিঠিপত্র (১৯১৫-১৯১৬): 
- হুসেন-ম্যাকমোহন চিঠিপত্র হলো ১৯১৫-১৬ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন মক্কার আমির হুসেন ইবনে আলী এবং মিসরের ব্রিটিশ হাইকমিশনার স্যার হেনরি ম্যাকমোহনের মধ্যে বিনিময় হওয়া একধরনের আলোচনা।
- এই চিঠিপত্রে ব্রিটিশ সরকার কার্যত অটোমান সাম্রাজ্যের বিরোধিতায় আরবদের সহযোগিতার বিনিময়ে স্বাধীন আরব রাষ্ট্র গঠনে সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দেয়।
- পরে এই প্রতিশ্রুতি সাইকস-পিকট চুক্তি (১৯১৬) এবং বেলফোর ঘোষণা (১৯১৭) দ্বারা পরস্পরবিরোধী হয়ে পড়ে।
- সাইকস-পিকট চুক্তি ছিল ব্রিটেন ও ফ্রান্সের মধ্যে গোপন চুক্তি, যা মধ্যপ্রাচ্যের অঞ্চলগুলো ভাগাভাগির পরিকল্পনা করেছিল।
- অন্যদিকে, বেলফোর ঘোষণা প্যালেস্টাইনে ইহুদিদের জন্য একটি জাতীয় আবাস প্রতিষ্ঠার ব্রিটিশ সমর্থন ঘোষণা করে।

উৎস: Britannica.
১২.
ফ্লোরিডা প্রণালী পৃথক করেছে - 
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও কিউবা
  2. যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো 
  3. যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা 
  4. কানাডা ও গ্রিনল্যান্ড 
ব্যাখ্যা
ফ্লোরিডা প্রণালী (Straits of Florida):
- ফ্লোরিডা প্রণালী (Straits of Florida) হলো একটি সমুদ্রপথ যা মেক্সিকো উপসাগরকে আটলান্টিক মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত করে।
- ফ্লোরিডা প্রণালী যুক্তরাষ্ট্র ও কিউবাকে পৃথক করেছে। 
- অবস্থান: উত্তরে: ফ্লোরিডা কিস (Florida Keys), যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণে: কিউবা, পূর্বদিকে: বাহামা দ্বীপপুঞ্জ। 
- প্রস্থ: সবচেয়ে সংকীর্ণ স্থানে প্রায় ৯৩ মাইল (১৫০ কিমি)। 
- স্রোত: এখান দিয়েই ফ্লোরিডা কারেন্ট (Florida Current) প্রবাহিত হয়, যা গালফ স্ট্রিমের (Gulf Stream) প্রাথমিক অংশ
- এই প্রণালী দিয়ে ১৫১৩ সালে স্প্যানিশ অভিযাত্রী হুয়ান পনসে দে লিওন প্রথম নৌযাত্রা করেন বলে লিপিবদ্ধ আছে।

উৎস: Britannica.
১৩.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট কে ছিলেন?
  1. স্ট্যালিন
  2. লেলিন
  3. মিখাইল গর্বাচেভ
  4. গ্লাডস্টোন
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ (১৯৩৯-১৯৪৫):
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ১৯৩৯ সালে শুরু হয় ও ১৯৪৫ সালে সমাপ্তি ঘটে।
- অক্ষশক্তি: জার্মানি, ইতালি, জাপান
- মিত্রশক্তি: ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, এবং আংশিকভাবে চীন
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অসমাপ্ত বিরোধের ফলস্বরূপ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- এটি ইতিহাসের সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ, যেখানে প্রায় ৪ থেকে ৫ কোটি মানুষ নিহত হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট ছিলেন জোসেফ স্ট্যালিন। 

উৎস: Britannica.