পরীক্ষা আর্কাইভ

বিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশন

পরীক্ষাবিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes৭০ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৭১
সিলেবাস
৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি: বিসিএস জব সল্যুশন রিভিশন পরীক্ষা - ৫ [রাউন্ড – ৩] পরীক্ষার টপিক: ৪১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। ২৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। ২৪তম বিসিএস (বাতিল) প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। ১৩তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশন

বিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ৭১ প্রশ্ন

.
'চোখের বালি' উপন্যাসের অন্তর্ভুক্ত চরিত্র কোনটি?
  1. চারুলতা 
  2. শান্তিলতা 
  3. আশালতা
  4. কিরণলতা 
সঠিক উত্তর:
আশালতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আশালতা
ব্যাখ্যা

• 'চোখের বালি' উপন্যাস:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত "চোখের বালি" বাংলা সাহিত্যের প্রথম মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
- উপন্যাসটি ১৯০৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- তিনি এই উপন্যাস রচনার মাধ্যমে বাংলা উপন্যাসকে নতুন খাতে প্রবাহিত করেন। এই উপন্যাসেই লেখক প্রথম সমসাময়িক সমাজের পাত্রপাত্রী ব্যবহার করেন।
- রবীন্দ্রনাথ এই উপন্যাসেই প্রথম কাহিনির ভার পরিহার করে ব্যক্তিত্ত্বের ফলস্বরূপ নানা সংকটকে উপন্যাসের বিষয় হিসাবে ব্যবহার করেন।
- বিনোদিনী ছিলেন বিধবা এবং তার আশা-আকাঙ্খা, প্রেম, দুঃখ ইত্যাদি এই উপন্যাসের কাহিনিকে এগিয়ে নিয়ে যায়।
- উপন্যাসে আশালতা ছিলেন মহেন্দ্রর স্ত্রী ও পতিব্রতা। কিন্তু মহেন্দ্র তার স্ত্রীর ভালোবাসা উপেক্ষা করে এবং বিধবা বিনোদিনীর প্রতি আকর্ষণ অনুভব করে।

প্রধান চরিত্রগুলো হলো:
- বিনোদিনী,
- মহেন্দ্র,
- আশালতা,
- বিহারী,
- রাজলক্ষী প্রমুখ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

.
'গঙ্গা' উপন্যাসের রচয়িতা কে?
  1. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
  2. সমরেশ বসু
  3. তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
  4. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
সমরেশ বসু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমরেশ বসু
ব্যাখ্যা

'গঙ্গা' উপন্যাস:
- 'গঙ্গা' উপন্যাসটি সমরেশ বসুর অন্যতম শ্রেষ্ঠ রচনা। এটি ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত।

- গঙ্গার পটভূমি একটাই, জল-জাল-জেলে; বিশেষত অবিভক্ত ২৪ পরগনা জেলার মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের (মাছমারা) জীবনসংগ্রামের কাহিনি। গঙ্গা উপন্যাসের চরিত্রগুলো সামনে অতটা উজ্জ্বল হয়ে ধরা দেয়নি।

- সমরেশ বসুর মূল বিষয় চরিত্র চিত্রণ নয়, মূল বিষয় জেলেজীবন। জেলেজীবনের সংগ্রাম চিত্রণ করতে যা যা প্রয়োজন, তা করেছেন। চরিত্রের ক্ষেত্রেও তাই।

- এখানে মোটা দাগে যারা রয়েছে: সাইদার নিবারণ, নিবারণের ছোট ভাই পাঁচু ও ছেলে বিলাস, বশীর, সয়ারাম, পাচী (ছায়া), রসিক, দুলাল; অপরদিকে অমর্তের বউ, দামিনী, হিমি, হিমির সখী আতর, মহাজন ব্রজেন ঠাকুর প্রমুখ।

- আপাতদৃষ্টিতে এই উপন্যাসের নায়ক-নায়িকা হলো বিলাস ও হিমি। কিন্তু সব চরিত্র যার ছায়া অবলম্বনে, তিনি হলো নিবারণ। সেদিক থেকে নিবারণ হলো কেন্দ্রীয় চরিত্র।

 উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
'যুবনাশ্ব' কার ব্যবহৃত ছদ্মনাম?
  1. ​বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়ের
  2. সতীনাথ ভাদুড়ীর 
  3. ​বিমল মিত্রের 
  4. মণীশ ঘটকের
সঠিক উত্তর:
মণীশ ঘটকের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মণীশ ঘটকের
ব্যাখ্যা

• মণীশ ঘটকের ছদ্মনাম - যুবনাশ্ব।

​অন্যদিকে, 
• ​বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম ছিলো- যাযাবর।
• ​বিমল মিত্র 'জাবালি' ছদ্মনামে লিখতেন।
• ​সতীনাথ ভাদুড়ী এর ছদ্মনাম - চিত্রগুপ্ত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
"স্মৃতির মিনার ভেঙেছে তোমার? ভয় কি বন্ধু, আমরা এখনো চারকোটি পরিবার"-পঙ্‌ক্তিদ্বয় কার রচনা?
  1. রফিক আজাদ
  2. আলাউদ্দিন আল আজাদ
  3. রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
  4. হাসান হাফিজুর রহমান
সঠিক উত্তর:
আলাউদ্দিন আল আজাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলাউদ্দিন আল আজাদ
ব্যাখ্যা

• 'স্মৃতিস্তম্ভ' কবিতা:
- 'স্মৃতিস্তম্ভ' কবিতাটি আলাউদ্দিন আল আজাদ এর 'মানচিত্র' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত এই কবিতাটি।

স্মৃতিস্তম্ভ কবিতার কয়েকটি লাইন নিম্নরূপ:

স্মৃতির মিনার ভেঙেছে তোমার? ভয় কি বন্ধু, আমরা এখনো
চারকোটি পরিবার
খাড়া রয়েছি তো! যে-ভিত কখনো কোনো রাজন্য
পারেনি ভাঙতে

​------------------------
• আলাউদ্দিন আল আজাদ:
- আলাউদ্দিন আল আজাদ একজন শিক্ষাবিদ, কবি, কথাশিল্পী, প্রাবন্ধিক, শিশুসাহিত্যিক, গবেষক, সাহিত্য-সমালোচক।
- তিনি ১৯৩২ সালের ৬ মে, নরসিংদী জেলার রায়পুর থানার রামনগর গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন।
- আলাউদ্দিন আল আজাদ রচিত কবিতা 'স্মৃতিস্তম্ভ' মানচিত্র কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- তেইশ নম্বর তৈলচিত্র,
- শীতের শেষ রাত বসন্তের প্রথম দিন,
- কর্ণফুলী,
- ক্ষুধা ও আশা,
- খসড়া কাগজ,
- স্বপ্নশিলা,
- বিশৃঙ্খলা।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- মানচিত্র,
- ভোরের নদীর মোহনায় জাগরণ। 

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- জেগে আছি,
- মৃগনাভি,
- ধানকন্যা,
- যখন সৈকত,
- অন্ধকার সিঁড়ি,
- জীবনজামিন,
- আমার রক্ত স্বপ্ন আমার।

উৎস: 'স্মৃতিস্তম্ভ' আলাউদ্দিন আল আজাদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
'স্বভাবকবি' হিসেবে পরিচিত ছিলেন কোন পাঁচালিকার?
  1. রামনিধি গুপ্ত
  2. ফকির গরীবুল্লাহ
  3. দাশরথি রায়
  4. রামরাম বসু
সঠিক উত্তর:
দাশরথি রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাশরথি রায়
ব্যাখ্যা

দাশরথি রায়:
- দাশরথি রায় ১৮০৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন। পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার কাটোয়া মহকুমার বাঁধমুড়া গ্রামে এক ব্রাহ্মণ পরিবারে তাঁর জন্ম।
- তিনি ছিলেন স্বভাবকবি ও পাঁচালিকার। 'দাশু রায়' নামেও তিনি পরিচিত ছিলেন।
- ১৮৩৬ সালে আখড়া গঠন করে ছড়া ও পাঁচালি রচনায় মনোনিবেশ করেন।
- অল্পদিনের মধ্যেই দাশরথি খ্যাতনামা পাঁচালিকার হিসেবে নবদ্বীপের পন্ডিতসমাজে উচ্চ প্রশংসিত হন।
- তাঁর গানগুলি রাগসুরে রচিত এবং তাতে টপ্পা অঙ্গের ব্যবহার বিশেষভাবে লক্ষণীয়।
- পাঁচালিকে বিভিন্ন শ্রেণির শ্রোতাদের উপভোগ্য করে তোলেন, যা 'দাশুরায়ের পাঁচালি' নামে খ্যাত। 

​উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

.
কার হাত ধরে বাংলা অভিধানের জয়যাত্রা শুরু হয়েছিল?
  1. রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ
  2. রাজা রাম মোহন রায়
  3. অশোক মুখোপাধ্যায়
  4. হরিচরণ দে
সঠিক উত্তর:
রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ
ব্যাখ্যা

​• রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ:
-প্রথম বাংলা অভিধানকার রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ খ্যাতনামা স্মার্ত্ত ও ব্রাহ্মসমাজের প্রথম আচার্য হিসেবে সকলের কাছে স্মরণীয় হয়ে আছেন। -
১৭৮৬ সালে তিনি জন্মগ্রহণ করেন ও ১৮৪৫ সালের ২ মার্চ তাঁর জীবনাবসান ঘটে।

- বাংলা অভিধানের জয়যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৮১৭ সালে রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশের হাত ধরে। তিনি 'বঙ্গভাষাভিধান' নামে বাংলা ভাষায় প্রথম অভিধান সংকলন করেন।

- 'বঙ্গভাষাভিধান' বাঙালি রচিত বাংলা ভাষার প্রথম অভিধান।

- প্রায় দুশো বছর আগে প্রকাশিত রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশের সেই অভিধানকে ঘিরে বাঙালির গর্বের শেষ নেই। সেই সময়কার দাপুটে প্রকাশক স্কুল বুক সোসাইটি এই বইয়ের মুদ্রণ ও প্রকাশনার যাবতীয় দায়ভার গ্রহণ করে একটি ঐতিহাসিক কর্তব্য সম্পন্ন করেছিল।

উৎস: সংবাদপত্রে সেকালের কথা প্রথম খণ্ড এবং 'বঙ্গভাষাভিধান' রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ।

.
'কি চাহ শঙ্খচিল' মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক কোন ধরনের সাহিত্যকর্ম?
  1. কাব্যগ্রন্থ
  2. নাটক
  3. উপন্যাস 
  4. চলচ্চিত্র
সঠিক উত্তর:
নাটক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাটক
ব্যাখ্যা

'কি চাহ শঙ্খচিল' নাটক:
- 'কি চাহ শঙ্খচিল' মমতাজ উদ্দীন আহমেদ রচিত একটি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক নাটক। নাটকে আলোচিত হয়েছে বীরঙ্গনার গল্প।

- ১৯৮৩-৮৪ সালে এসে 'কি চাহ শঙ্খচিল' নাটকে মমতাজ উদদীন আহমদ যেমন লিখলেন এক অনন্য প্রেম, স্বাধীনতা আর প্রতিবাদের কথা।

- যেখানে শঙ্খচিল আসলে হয়ে উঠলো সেই একাত্তরের শকুন।যে ছিল স্বাধীনতাকালীন সময়ের অশুভ শক্তি। যেখানে আমরা দেখি নাটকের প্রধান চরিত্র রৌশনারা হানাদারদের দ্বারা লাঞ্ছিত হওয়ার আগেই সন্তানসম্ভবা হয়। আর লোভী স্বামী বীরাঙ্গনা স্ত্রীর নাম ভাঙিয়ে হয় অর্থের মালিক।

- নাটকটির মাধ্যমে বোঝা যায় কতখানি আত্মত্যাগের বিনিময়ে এসেছে স্বাধীনতা, এসেছে বাংলার এই মুক্তি।
​​
​উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
'আঞ্চলিক ভাষার অভিধান' সম্পাদনা করেন কে?
  1. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়  
  2. মুহম্মদ এনামুল হক
  3. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌
  4. সুকুমার সেন
সঠিক উত্তর:
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌
ব্যাখ্যা

• ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্:
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ভারতীয় উপমহাদেশের একজন স্মরণীয় বাঙালি ব্যক্তিত্ব, বহুভাষাবিদ, বিশিষ্ট শিক্ষক ও দার্শনিক ছিলেন। ১৮৮৫ সালের ১০ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার পেয়ারা গ্রামে তাঁর জন্ম।

- তিনি 'জ্ঞানতাপস' হিসেবে অধিক পরিচিত। তাঁকে 'চলিষ্ণু অভিধান' বলা হয়।

- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট জাতিসত্তা সম্পর্কে ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর বিখ্যাত উক্তি- "আমরা হিন্দু বা মুসলমান যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশি সত্য আমরা বাঙালি।"

- ১৯৫৯ সালে প্রকাশিত 'বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত' রচনা করেন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্।

- ​এছাড়া তিনি বাংলা একাডেমির 'আঞ্চলিক ভাষার অভিধান' সম্পাদনা করেন। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর সম্পাদনায় ১৯৬৫ সালে বাংলা একাডেমি এটি প্রথম প্রকাশ করে। এটি বাংলা ভাষার প্রথম এবং অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক ভাষার অভিধান। 

​---------------
তাঁর ভাষা ও সাহিত্যবিষয়ক উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
- ভাষা ও সাহিত্য,
- বাঙ্গালা ব্যাকরণ,
- বাংলা সাহিত্যের কথা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

.
'কালের যাত্রার ধ্বনি শুনিতে কি পাও'- এই কবিতা দিয়ে রবীন্দ্রনাথের কোন উপন্যাসটি সমাপ্ত হয়েছে?
  1. নৌকাডুবি
  2. চতুরঙ্গ
  3. চার অধ্যায়
  4. শেষের কবিতা
সঠিক উত্তর:
শেষের কবিতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেষের কবিতা
ব্যাখ্যা

• শেষের কবিতা:
- 'শেষের কবিতা' (১৯২৯) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত উপন্যাস।
- 'প্রবাসী' পত্রিকায় ছাপা হয় ১৯২৮ সালে।
- ভাষার অসামান্য ঔজ্জ্বল্য, দৃপ্তশক্তি ও কবিত্বের দীপ্তি এই গ্রন্থটিকে এমন স্বাতন্ত্র্য দিয়েছে, যার জন্য এই গ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিস্ময়কর সৃষ্টির অন্যতম।
- উপন্যাসের কতিপয় বাক্য আজ প্রবাদের মর্যাদা পেয়েছে। যেমন: ফ্যাশনটা হলো মুখোশ, স্টাইলটা হলো মুখশ্রী।
- সুকুমার সেন বলেছেন: 'বৈষ্ণব সাধনার পরকীয়াতত্ত্ব রবীন্দ্রনাথের কবিমানসে যেভাবে রূপান্তর লাভ করিয়াছিল শেষের কবিতায় তাহার পরিচয় পাই।'
- 'কালের যাত্রার ধ্বনি শুনিতে কি পাও'- এই কবিতা দিয়ে উপন্যাসটি শেষ হয়েছে।

উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্রগুলো হলো- 
- ​অমিত, 
​- লাবণ্য, 
​- কেতকী, 
​- শোভনলাল প্রমুখ।

​উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১০.
আনোয়ার পাশা রচিত উপন্যাস কোনটি?
  1. রেইনকোট
  2. ​চিলেকোঠার সেপাই
  3. অলাতচক্র
  4. রাইফেল রোটি আওরাত
সঠিক উত্তর:
রাইফেল রোটি আওরাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাইফেল রোটি আওরাত
ব্যাখ্যা

• 'রাইফেল রোটি আওরাত' উপন্যাস:
- 'রাইফেল রোটি আওরাত' (১৯৭৩) আনোয়ার পাশা রচিত একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।
​- উপন্যাসটি মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়েই রচিত এবং ১৯৭৩ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- অধ্যাপক সুদীপ্ত শাহীন এই উপন্যাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র।
- এই উপন্যাসের অন্যান্য চরিত্রগুলো হচ্ছে: ড. খালেক, ড. মালেক, ছাবেদ আলী, হাসমত, জামাল সাহেব প্রমুখ।

​অন্যদিকে, 
• ​চিলেকোঠার সেপাই বাংলাদেশী কথাসাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত প্রথম উপন্যাস।
• ​আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত 'রেইনকোট' একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ছোটগল্প।
​• 'অলাতচক্র' আহমদ ছফা রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১১.
'বহিপীর' সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত একটি-
  1. রূপক নাটক
  2. ঐতিহাসিক নাটক
  3. সামাজিক নাটক
  4. মনস্তাত্ত্বিক নাটক
সঠিক উত্তর:
সামাজিক নাটক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামাজিক নাটক
ব্যাখ্যা

• 'বহিপীর' নাটক:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ আধুনিক বাংলা সাহিত্যের কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার।'বহিপীর' সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ রচিত সামাজিক নাটক।
- ১৯৫৫ সালে 'বহিপীর' রচিত এবং নাটকটি ১৯৬৫ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- নাটকটি গড়ে উঠেছে বহিপীরের সর্বগ্রাসী স্বার্থ ও নতুন দিনের প্রতীক এক বালিকার বিদ্রোহের কাহিনীকে কেন্দ্র করে।
- নাটকের এই কেন্দ্রীয় চরিত্রটির নাম অনুসারেই নাটকের নামকরণ করা হয়েছে বহিপীর। এখানে ধর্মকে ভণ্ডবহিপীর ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার করে।

উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- বহিপীর,
- তাহেরা,
- হাতেম,
- আমেনা,
- হাশেম।

​উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

১২.
'যে জাতি যত নিরানন্দ সে জাতি তত নির্জীব।' বিখ্যাত উক্তিটি কার?
  1. ​রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. প্রমথ চৌধুরী
  3. সুফিয়া কামাল 
  4. মোতাহের হোসেন চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
প্রমথ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যা

প্রমথ চৌধুরী'র বিখ্যাত কিছু উক্তি:
- সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত।
- ভাষা মানুষের মুখ থেকে কলমের মুখে আসে, উল্টোটা করতে গেলে মুখে শুধু কালিই পড়ে।
- আনন্দের ধর্ম এই যে তা সংক্রামক।
- সাহিত্যে মানবত্মা খেলা করে এবং সেই খেলার আনন্দ উপভোগ করে।
- যে খেলার ভিতর আনন্দ নেই কিন্তু উপরি পাওনার আশা আছে, তার নাম খেলা নয়, জুয়াখেলা।
- যে জাতি যত নিরানন্দ সে জাতি তত নির্জীব।

​-----------------
• ​প্রমথ চৌধুরী:
- প্রমথ চৌধুরী সাহিত্যিক, বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক। তিনি ১৮৬৮ সালের ৭ আগষ্ট যশোরে জন্মগ্রহণ করেন।
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।'
- প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বীরবলের হালখাতা' ১৯০২ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থে তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।
- তিনি 'সবুজপত্র' পত্রিকাটি সম্পাদনা করেন।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সনেট পঞ্চাশৎ,
- পদচারণ।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- তেল নুন লকড়ি,
- বীরবলের হালখাতা,
- নানাকথা,
- আমাদের শিক্ষা,
- রায়তের কথা,
- নানাচর্চা,
- আত্মকথা,
- প্রবন্ধসংগ্রহ ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- চার ইয়ারী কথা,
- আহুতি,
- নীললোহিত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও প্রথম আলো।

১৩.
কোনটি মধ্যম পুরুষ?
  1. আপনি
  2. তারা
  3. আমরা
  4. সে
সঠিক উত্তর:
আপনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপনি
ব্যাখ্যা

• আপনি- মধ্যম পুরুষ। 

​পুরুষ তিন প্রকার। যেমন:
১. উত্তম পুরুষ,
২. মধ্যম পুরুষ,
৩. নাম পুরুষ।

• উত্তম পুরুষ: ক্রিয়ার কর্তা নিজেকে বুঝাতে যে সর্বনাম ব্যবহার করে, তাকে উত্তম পুরুষ বলে। যেমন: আমি, আমরা ইত্যাদি।

• মধ্যম পুরুষ: বক্তা যার সাথে কথা বলে তাকে বুঝাতে যে সর্বনাম ব্যবহার করে, তাকে মধ্যম পুরুষ বলে। যেমন: তুমি, তোমরা, আপনি, তোরা ইত্যাদি।

• নাম পুরুষ: বক্তা যার সম্পর্কে কিছু বলে তাকে বুঝাতে যে সর্বনাম ব্যবহার করে, তাকে নাম পুরুষ বলে। যেমন: সে, তারা, ওরা, করিম, এটা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

১৪.
মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস নয় কোনটি?
  1. সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন
  2. প্রাণ যাওয়ার ভয় = প্রাণভয়
  3. ক্ষণকাল ব্যাপিয়া স্থায়ী = ক্ষণস্থায়ী
  4. স্মৃতি রক্ষার্থে সৌধ = স্মৃতিসৌধ
সঠিক উত্তর:
ক্ষণকাল ব্যাপিয়া স্থায়ী = ক্ষণস্থায়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষণকাল ব্যাপিয়া স্থায়ী = ক্ষণস্থায়ী
ব্যাখ্যা

ক্ষণকাল ব্যাপিয়া স্থায়ী = ক্ষণস্থায়ী; দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ।

​----------------------
​• মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস:
যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ লোপ হয়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন:
সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন;
হাসি মাখা মুখ = হাসিমুখ;
ঝাল মিশ্রিত মুড়ি = ঝালমুড়ি;
প্রাণ যাওয়ার ভয় = প্রাণভয়;
স্মৃতি রক্ষার্থে সৌধ = স্মৃতিসৌধ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৫.
'খয়ের খাঁ' বাগ্‌ধারার অর্থ কী?
  1. নিতান্ত অলস
  2. চাটুকার
  3. বেহায়া
  4. দুর্বল
সঠিক উত্তর:
চাটুকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাটুকার
ব্যাখ্যা

• 'খয়ের খাঁ' বাগ্‌ধারার অর্থ - চাটুকার।

​অন্যদিকে, 
​• 'গোঁফ খেজুরে' অর্থ - নিতান্ত অলস।
• 'ঠোঁটকাটা' অর্থ - বেহায়া।
​• 'উনপাঁজুরে' অর্থ - দুর্বল।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৬.
ঘোষ ব্যঞ্জনগুচ্ছ কোনটি?
  1. দ, ত, থ
  2. ব,​ প, ফ
  3. ছ, শ, খ
  4. জ, ঘ, হ
সঠিক উত্তর:
জ, ঘ, হ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জ, ঘ, হ
ব্যাখ্যা

• ঘোষ ব্যঞ্জনগুচ্ছ- জ, ঘ, হ। 

​------------------
​ধ্বনির কম্পনমাত্রা অনুযায়ী বিভাজন:
ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে স্বরযন্ত্রের ধ্বনিদ্বারে বায়ুর কম্পন কমবেশি হওয়ার ভিত্তিতে ব্যঞ্জনধ্বনিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়: ঘোষ ও অঘোষ।

ঘোষ ব্যঞ্জন:
যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ধ্বনিদ্বারের কম্পন অপেক্ষাকৃত বেশি, সেসব ধ্বনিকে বলা হয় ঘোষধ্বনি।
যথা:
ব, ভ, ম, দ, ধ, ন, র, ল, ড, ঢ, ড়, ঢ়, জ, ঝ, গ, ঘ,, হ।

অঘোষ ব্যঞ্জন:
যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ধ্বনিদ্বারের কম্পন অপেক্ষাকৃত কম, সেসব ধ্বনিকে বলা হয় অঘোষধ্বনি।
যথা:
​প, ফ, ত, থ, স, ট, ঠ, চ, ছ, শ, ক, খ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

১৭.
'দেখা যায় না এমন' এক কথায় কী বলে?
  1. ভূতপূর্ব
  2. ​অদৃশ্য
  3. অদৃষ্ট
  4. অদৃষ্টপূর্ব
সঠিক উত্তর:
​অদৃশ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
​অদৃশ্য
ব্যাখ্যা

​• ​'দেখা যায় না এমন, দৃষ্টির অগোচর' অর্থ - ​অদৃশ্য।

​অন্যদিকে, 
• '​যা পূর্বে ছিল এখন নেই' অর্থ - ভূতপূর্ব।
• 'দেখা হয়নি এমন' অর্থ - অদৃষ্ট।
• ​'যা পূর্বে দেখা যায় নি এমন' এক কথায় প্রকাশ - অদৃষ্টপূর্ব।

​উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৮.
Find the gender of 'Emperor'.
  1. Neuter
  2. Masculine
  3. Feminine
  4. Common
সঠিক উত্তর:
Masculine
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Masculine
ব্যাখ্যা

• 'Emperor' is masculine gender.

• Emperor (noun)
- English Meaning: The sovereign or supreme male monarch of an empire.
- Bangla Meaning: সম্রাট।

- এর Feminine gender হলো Empress (রানী).

আবার,
• Sovereign [common gender]: 
- English meaning: a king or queen.
- Bangla meaning: সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী শাসক, যেমন রাজা, রানি বা সম্রাট।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১৯.
He entered ______ a turbulent political career.
  1. in
  2. upon
  3. into
  4. No preposition
সঠিক উত্তর:
upon
উত্তর
সঠিক উত্তর:
upon
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: He entered upon a turbulent political career.
- Bangla Meaning: তিনি এক অস্থির রাজনৈতিক জীবনে প্রবেশ করেন।

• Enter on/upon something [phrasal verb]
- English Meaning: To start to do something or become involved in something.
- Bangla Meaning: কোনো কিছু করা শুরু করা বা কোনও কিছুতে জড়িত হওয়া।

• অন্যদিকে,
• Enter into something [phrasal verb]
- English Meaning: to begin to discuss or deal with something
- Bangla Meaning: আলোচনা শুরু করা।
- Example: The company is looking to enter into new markets to expand its customer base.

• এছাড়াও, 
• Enter (verb transitive & intransitive) 
(১) আসা অথবা ভেতরে প্রবেশ করা।
(২) সদস্য হওয়া; যোগদান করা।
(৩) enter into something (with somebody) - শুরু করা।
(৪) enter on/upon - অধিকার লাভ করা; উপভোগ করতে শুরু করা।
(৫) enter  in/up - নথিভুক্ত করা।
(৬) enter for; enter somebody for-  প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে কারো নাম দেওয়া।

- উল্লিখিত কারণ ছাড়া সাধারণত 'Enter' এর পরে preposition বসে না।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.
3. Oxford Dictionary.

২০.
At least one of the players _____ a goal in every match.
  1. are scoring
  2. scores
  3. have scored
  4. score
সঠিক উত্তর:
scores
উত্তর
সঠিক উত্তর:
scores
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: At least one of the players scores a goal in every match.

• One of, Any of, Each of, Either of, Neither of বাক্যের subject হিসেবে ব্যবহৃত হলে verb টি singular হবে।
- One of the + Noun (plural) + Verb (singular) + Possessive (singular) + Ext.
- One of the দ্বারা মূলত অনেকের মধ্যে একজনকে বোঝায়।

- তাই বাক্যটিতে one of the এরপর plural noun players হবে এবং singular form হিসেবে verb হবে scores.

• More examples:
- At least one of the team members completes the task on time.
- At least one of the candidates passes the exam with flying colors.

২১.
Which of the following words can replace 'Tardy'?
  1. Off hand
  2. Precocious
  3. Dilatory
  4. Weak
সঠিক উত্তর:
Dilatory
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Dilatory
ব্যাখ্যা

• The correct answer is - গ) Dilatory.

• Tardy (adjective)
- English Meaning: moving slowly: sluggish; delayed beyond the expected or proper time: late.
- Bangla Meaning: ধীর; ধীরগতিসম্পন্ন; দেরিতে আগত বা দেরিতে সম্পন্ন।

• Given options:
ক) Off hand - পূর্বচিন্তা বা পূর্বপ্রস্তুতি ছাড়া; তাৎক্ষণিক; (আচরণ) ভাবলেশহীন; অমনোযোগী; কাটখোট্টা রকম সংক্ষিপ্ত।

খ) Precocious - ব্যক্তি) স্বাভাবিক সময়ের পূর্বে কোনো-কোনো চিত্তবৃত্তি বিকশিত হয়েছে এমন; বালপক্ব; প্রৌঢ়বুদ্ধি।

গ) Dilatory - দীর্ঘসূত্রী।

ঘ) Weak - দুর্বল; ভঙ্গুর। 

- সুতরাং, বোঝা যাচ্ছে উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে - tardy শব্দটি Dilatory দ্বারা replace হতে পারে।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

২২.
Choose the right form of verb:
As soon as the rain _______, we went outside.
  1. stop
  2. stopped
  3. had stopped
  4. had been stopped
সঠিক উত্তর:
stopped
উত্তর
সঠিক উত্তর:
stopped
ব্যাখ্যা

• Complete Sentence: As soon as the rain stopped, we went outside.
- Bangla meaning: পরীক্ষা শেষ হওয়া মাত্রই আমি স্বস্তি বোধ করলাম।

• As soon as এর পূর্বে past indefinite tense থাকলে এরপরেও past indefinite tense হয়।
- অর্থাৎ, অতীতকালের দুইটি কাজ যদি As soon as দ্বারা যুক্ত থাকে তবে দুইটি কাজই past indefinite tense -এ হবে।

- সুতরাং, শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে- খ) stopped.

অন্যদিকে,
- Future Indefinite Tense + As soon as + Present Indefinite Tense
- Example: I shall ring you up as soon as I arrive.

২৩.
"Economic slowdown" can be defined with the word-
  1. Boom
  2. Depreciation
  3. Inflation
  4. Stagflation
সঠিক উত্তর:
Stagflation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Stagflation
ব্যাখ্যা

• "Economic slowdown" can be defined with the word 'Stagflation'.

• Stagflation (Noun)
- English Meaning: an economic situation in which prices keep rising but economic activity does not increase.
- Bangla Meaning: শব্দটি stagnation ও inflation শব্দদ্বয়ের সন্ধিবদ্ধ রূপ-যে বিশেষ সময়সীমার মধ্যে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দেয়, কিন্তু উৎপাদন বৃদ্ধি পায় না।

- Example: The oil shock helped tip the US into stagflation with prices rising 13% a year.

• অন্যদিকে,
ক) Boom (বাজারের তেজিভাব; আকস্মিক ক্রয়বিক্রয় বৃদ্ধি) - Opposite of slowdown (rapid economic growth).

খ) Depreciation (অবচয়) - Decline in asset value (not economy-wide).

গ) Inflation (মুদ্রাস্ফীতি) - Rising prices (can occur without slowdown).

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.

২৪.
You may go out to play provided you finish your homework first.
Here, the underlined word is a/an-
  1. preposition
  2. conjunction
  3. adverb
  4. verb
সঠিক উত্তর:
conjunction
উত্তর
সঠিক উত্তর:
conjunction
ব্যাখ্যা

• You may go out to play provided you finish your homework first.
- Here, the underlined word is a conjunction.

• Provided/Provided (that) [conjunction]
- English Meaning: on condition that: with the understanding: if.
- Bangla Meaning: Provided (that) এই শর্তে (যে)।

- শর্ত বুঝাতে Provided/Provided that (যদি) ব্যবহৃত হয়।
- দুইটি clause কে সংযুক্ত করতে 'Provided' conjunction হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

• More examples:
- The teacher will allow extra time provided you have a valid reason.
- The flight will take off provided that the weather is good.

২৫.
Which of the following was written by William Makepeace Thackeray?
  1. Joseph Andrews
  2. Silas Marner
  3. Vanity Fair
  4. The Old Bachelour
সঠিক উত্তর:
Vanity Fair
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Vanity Fair
ব্যাখ্যা

• 'Vanity Fair' was written by William Makepeace Thackeray.

• Vanity Fair:
- এটি William Makepeace Thackeray রচিত উপন্যাস।
- তিনি Victorian Period এর একজন ঔপন্যাসিক।
- এটি ১৮৪৭ সাল থেকে ১৮৪৮ সাল পর্যন্ত ধারাবাহিক ভাবে monthly installments এ প্রকাশিত হয়।
- এটি বই আকারে প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালে।
- Thackeray এর পূর্বের সকল সাহিত্য তাঁর ছদ্ম নাম অথবা unsinged নামে প্রকাশিত হয়েছিল কিন্তু Vanity Fair তাঁর নিজ নামে প্রকাশিত প্রথম লেখা।
- এই উপন্যাসের অন্যতম চরিত্র Becky Sharp নামের একজন মেয়ে।

• William Makepeace Thackeray (1811-1863):
- তিনি একজন Indian-born British novelist.
- Victorian Period এর একজন ঔপন্যাসিক।
- তিনি 'The Cornhill Magazine' এর founder.

• Notable works:
- Vanity Fair,
- Barry Lyndon,
- The Rose and the Ring,
- The Virginians: A Tale of the Last Century,
- Catherine: A Story,
- The Newcomers,
- The Virginians, etc.

অন্যদিকে,
ক) Joseph Andrews is a novel was written by Henry Fielding.

খ) Silas Marner is a novel by George Eliot.

ঘ) The Old Bachelour is a play by William Congreve.

Source: Britannica.

২৬.
The phrase "Put up with" means:
  1. To prevent
  2. To terminate
  3. To tolerate
  4. To protect
সঠিক উত্তর:
To tolerate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To tolerate
ব্যাখ্যা

• The phrase "Put up with" means: To tolerate.

• Put up with (Phrase)
- English Meaning: tolerate or endure something.
- Bangla Meaning: সহ্য করা।

• Examples:
- I'm too tired to put up with any nonsense.
- I don't know how she puts up with him.

• অন্যদিকে,
ক) To prevent - প্রতিরোধ/নিবারণ করা।

খ) To terminate - (আনুষ্ঠানিক) ইতি টানা; সমাপ্ত করা; সমাপ্ত হওয়া।

ঘ) To protect -  নিরাপদ/সুরক্ষিত করা; নিরাপদে রাখা।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.

২৭.
Choose the correct sentence:
  1. My wife reminded me to go my appointment.
  2. My wife reminded me of my appointment.
  3. My wife reminded me to my appointment.
  4. My wife reminded me my appointment.
সঠিক উত্তর:
My wife reminded me of my appointment.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
My wife reminded me of my appointment.
ব্যাখ্যা

• Correct sentence: My wife reminded me of my appointment.

• Remind someone of something/someone (phrasal verb)
- English Meaning: To be similar to, and make someone think of, something or someone else:
- Bangla Meaning: স্মরণ/মনে করিয়ে দেওয়া।

• More Examples:
- This song reminds me of our wedding day.
- Your hair and eyes remind me of your mother.

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy 
2. Cambridge Dictionary.

২৮.
Fill in the blank: The company gave ____ the demands of the workers.
  1. to
  2. in to
  3. in
  4. in for
সঠিক উত্তর:
in to
উত্তর
সঠিক উত্তর:
in to
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: The company gave in to the demands of the workers.

• Give in (to somebody) (phrasal verb)
- English Meaning: to finally agree to something that someone wants after first refusing.
- Bangla Meaning: আত্মসমর্পণ করা; নতি বা বশ্যতা স্বীকার করা।

• More Examples:
- Our men were forced to give in.
- She usually had to give in to her husband.

• অন্যদিকে, 
• Give something in
- English Meaning: to give a piece of written work or a document to someone to read, judge, or deal with.
- Bangla Meaning: যথাযথ কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়া।
- Example: It’s time for you to give in your examination papers.

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy 
2. Cambridge Dictionary.

২৯.
Who of the following is an American writer?
  1. Oscar Wilde
  2. D. H. Lawrence
  3. William Sydney Porter
  4. W. Somerset Maugham
সঠিক উত্তর:
William Sydney Porter
উত্তর
সঠিক উত্তর:
William Sydney Porter
ব্যাখ্যা

• William Sydney Porter is an American writer.

• O. Henry (1862-1910):
- O. Henry-এর প্রকৃত নাম ছিল William Sydney Porter.
- O. Henry হলো একজন বিখ্যাত আমেরিকান ছোটগল্পকারের ছদ্মনাম (pen name)।
- তিনি ১৯ শতকের শেষ ভাগ ও ২০ শতকের শুরুর দিকে সাহিত্যজগতে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন তাঁর চমকপ্রদ ও মানবিক ছোটগল্পগুলোর জন্য।
- জীবনের একসময় তিনি ব্যাংকে কাজ করতেন, যেখানে হিসাবরক্ষণের ভুলের জন্য তাঁকে জেলেও যেতে হয়। 
- জেলখানায় থাকার সময় তিনি লেখালেখি শুরু করেন এবং “O. Henry” ছদ্মনামে লেখা শুরু করেন।
- তিনি নিউ ইয়র্ক সিটির সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে তিনি ছোটগল্প লিখতেন।
- তার গল্পগুলোতে হাস্যরস, কাকতালীয়তা এবং চমকপ্রদ উপসংহার ছিল।

• Notable Short Stories:
- Heart of the West,
- The Gift of the Magi,
- The Last Leaf,
- The Ransom of Red Chief,
- The Furnished Room,
- The Trimmed Lamp,
- The Four Million,
- Whirligigs,
- The Voice of the City, etc.

Source: Britannica.

৩০.
Usually, he doesn't mind _____ out with the cooking, but he is not going to wash the dishes.
  1. help
  2. for helping
  3. to help
  4. helping
সঠিক উত্তর:
helping
উত্তর
সঠিক উত্তর:
helping
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: Usually, he doesn't mind helping out with the cooking, but he is not going to wash the dishes.

• Mind যুক্ত incomplete sentence কে complete করার নিয়ম:
- mind এর পরে verb এর মূল form এর সাথে 'ing' যোগ করতে হয়।
- Structure: Subject + mind + verb+ ing + object.

• More examples:
- Do you mind me smoking?
- Would you mind turning your radio down a little, please?

- এছাড়াও worth, can not help, with a view to, get used to, would you mind এবং যেকোনো preposition এর পর verb থাকলে উক্ত verb এর present form + ing যুক্ত হয়ে থাকে।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.

৩১.
Samuel Taylor Coleridge is the composer of-
  1. Queen Mab
  2. Kubla Khan
  3. Dejection: An Ode
  4. The Solitary Reaper
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) Kubla Khan ও গ) Dejection: An Ode.
​অপশনে দ্বৈত উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো। 
​----------------------- 

​• Samuel Taylor Coleridge is the composer of Kubla Khan.

• Kubla Khan:
-
এটি Samuel Taylor Coleridge রচিত।
- পুরো নাম: Kubla Khan; or, a Vision in a Dream
- এটি একটি Romantic poem.
- কবির নিজের ভাষ্য অনুযায়ী, এই কবিতাটি রচনার সময় তিনি নেশাগ্রস্থ ছিলেন; পাশাপাশি এই কবিতার অনেক লাইন তিনি স্বপ্নাদিষ্ট ভাবে পেয়েছেন।
- কোন কোন সাহিত্য গবেষকের মতে এই কবিতার মূল বিষয়বস্তু হলো Nature of human genius.
- Kublai Khan ছিলেন Emperor Shizu of Yuan এবং fifth khagan-emperor.
- তিনি ১২৬০ থেকে ১২৯৪ পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলেন।

• Samuel Taylor Coleridge (1772-1834):
- Samuel Taylor Coleridge ছিলেন একজন ইংরেজ কবি, সমালোচক এবং দার্শনিক।
- তার কবিতায় তিনি একটি সুরুচিপূর্ণ লিরিকাল স্টাইলকে পরিপূর্ণ করেছেন, যা পরবর্তী অনেক কবির মধ্যে প্রতিধ্বনিত হয়েছে।
- তিনি William Wordsworth এর সঙ্গে মিলিত হয়ে Lyrical Ballads (১৭৯৮) রচনা করেন, যার মধ্যে বিখ্যাত কবিতা "The Rime of the Ancient Mariner" এবং "Frost at Midnight" অন্তর্ভুক্ত ছিল। এটি ইংরেজি রোমান্টিসিজমের সূচনা হিসেবে বিবেচিত হয়।
- তিনি Biographia Literaria, ২ খণ্ড (১৮১৭) লেখেন, যা রোমান্টিক যুগের সাধারণ সাহিত্য সমালোচনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ।

• Notable Works:
- Biographia Literaria (book),
- Christabel (poem),
- Dejection: An Ode (poem),
- Frost at Midnight (poem),
- Kubla Khan (poem),
- Lyrical Ballads (book),
- On the Constitution of the Church and State (book).

Source: Britannica.

৩২.
5​x + 8.5​x + 16.5​x = 1 হলে, ​x এর মান কত?
  1. 1
  2. - 1
  3. - 2
  4. 2
সঠিক উত্তর:
- 2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
- 2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 5​x + 8.5​x + 16.5​x = 1 হলে, ​x এর মান কত?

সমাধান:
5​x + 8.5​x + 16.5​x = 1
বা, 25.5x = 1
বা, 52.5x = 1
বা, 5x + 2 = 50 
বা, x + 2 = 0
∴ x = - 2


৩৩.
.১ × ৪.৪৪ × ৭.১ = ?
  1. ২.৯৮
  2. ৪.১৮
  3. ৩.১৫
  4. ৭.১৫
সঠিক উত্তর:
৩.১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩.১৫
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: .১ ×  ৪.৪৪ × ৭.১ = ?

সমাধান:
.১ ×  ৪.৪৪ × ৭.১
= ৩.১৫২৪
= ৩.১৫ (প্রায়)

৩৪.
৫ জন পুরুষ ও ৪ জন মহিলার একটি দল থেকে দুইজন পুরুষ ও দুইজন মহিলা নিয়ে কত প্রকারে চার সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা যাবে?
  1. ৬০
  2. ৫০
  3. ৪৫
  4. ৩৮
সঠিক উত্তর:
৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৫ জন পুরুষ ও ৪ জন মহিলার একটি দল থেকে দুইজন পুরুষ ও দুইজন মহিলা নিয়ে কত প্রকারে চার সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা যাবে?

সমাধান:
৫ জন পুরুষ এবং ৪ জন মহিলা থেকে ১ জন পুরুষ এবং ২ জন মহিলা নিয়ে কমিটি গঠনের উপায়,
C২ × C
= ১০ × ৬
= ৬০
৩৫.
যদি p3 + hp + 10 = 0 এর একটি সমাধান 2 হয়, তবে h এর মান কত?
  1. - 9
  2. - 8
  3. 4
  4. 9
সঠিক উত্তর:
- 9
উত্তর
সঠিক উত্তর:
- 9
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি p3 + hp + 10 = 0 এর একটি সমাধান 2 হয়, তবে h এর মান কত?

সমাধান:
p3 + hp + 10 = 0 এর একটি সমাধান 2 হলে p = 2 হবে।

f(2) = 0
ধরি
f(p)=  p+ hp + 10
f(2) = 23 + h × 2 + 10
⇒ 8 + 2h + 10 = 0
⇒ 2h + 18

যেহেতু
f(2) = 0
বা, 2h + 18 = 0
বা, 2h = - 18
∴ h = - 9
৩৬.
১ থেকে ৪২০ পর্যন্ত সংখ্যাগুলোর একটি দৈবচয়ন পদ্ধতিতে নেওয়া হলে সংখ্যাটি বর্গসংখ্যা হওয়ার সম্ভাবনা:
  1. ২/৩৩
  2. ১/২১
  3. ১/২২
  4. ১/৬৪
সঠিক উত্তর:
১/২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১/২১
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ১ থেকে ৪২০ পর্যন্ত সংখ্যাগুলোর একটি দৈবচয়ন পদ্ধতিতে নেওয়া হলে সংখ্যাটি বর্গসংখ্যা হওয়ার সম্ভাবনা-

সমাধান:
১ থেকে ৪২০ পর্যন্ত মোট নমুনাবিন্দু = ৪২০
পূর্ণ বর্গসংখ্যার অনুকূলে নমুনাবিন্দু - {১, ৪, ৯, ১৬, ২৫, ৩৬, ৪৯, ৬৪, ৮১, ১০০, ১২১, ১৪৪, ১৬৯, ১৯৬, ২২৫, ২৫৬, ২৮৯, ৩২৪, ৩৬১, ৪০০} = মোট ২০টি

∴ এক্ষেত্রে সম্ভাবনা = ২০/৪২০
= ১/২১

৩৭.
হাফিজের বোনের বয়স হাফিজের বয়সের ও তাঁর বাবার বয়সের মধ্য-সমানুপাতী। হাফিজের বয়স ১২ বছর, বাবার বয়স ৪৮ বছর হলে বোনের বয়স কত?
  1. ৩০ বছর
  2. ৩২ বছর
  3. ২৬ বছর
  4. ২৪ বছর
সঠিক উত্তর:
২৪ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ বছর
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: হাফিজের বোনের বয়স হাফিজের বয়সের ও তাঁর বাবার বয়সের মধ্য-সমানুপাতী। হাফিজের বয়স ১২ বছর, বাবার বয়স ৪৮ বছর হলে বোনের বয়স কত?

সমাধান:
হাফিজের বয়স=ক = ১২ বছর
হাফিজের বোনের বয়স= খ বছর
হাফিজের বাবার বয়স = গ =৪৮বছর

সমানুপাতীর সূত্রানুসারে
ক : খ = খ : গ
ক/খ = খ /গ
খ২ = ক × গ
খ = √(১২ × ৪৮)
খ = √৫৭৬
খ = ২৪

হাফিজের বোনের বয়স = ২৪ বছর

৩৮.
√(- 8) × √(- 2) = কত?
  1. - 4
  2. i
  3. - 4i
  4. 8
সঠিক উত্তর:
- 4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
- 4
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: √(- 8) × √(- 2) = কত?

সমাধান:
√- 8 × √- 2
= √{8(i2)} × √{2(i2)}   [i2 = - 1]
= 2√(2)i × √(2)i
= 4 × i2
= - 4
৩৯.
৫০ মিনিট আগে সময় ছিল ৩ টা বেজে ৪৫ মিনিট, ৫ টা বাজতে আর কতক্ষণ সময় বাকি আছে?
  1. ৩০ মিনিট
  2. ২০ মিনিট
  3. ৩৫ মিনিট
  4. ২৫ মিনিট
সঠিক উত্তর:
২৫ মিনিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ মিনিট
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ৫০ মিনিট আগে সময় ছিল ৩ টা বেজে ৪৫ মিনিট, ৫ টা বাজতে আর কতক্ষণ সময় বাকি আছে?

সমাধান:
৫০ মিনিট আগে সময় ছিল ৩ টা বেজে ৪৫ মিনিটি।
তাহলে, বর্তমান সময় ৪ টা ৩৫মিনিট।

অতএব, ৫ টা বাজতে বাকি আছে ২৫ মিনিট।

৪০.
চিনির মূল্য ১০% কমে যাওয়ায় চিনির ব্যবহার শতকরা কত ভাগ বাড়ালে চিনি বাবদ খরচ একই থাকবে?
  1. ১১.১১%
  2. ১৩.১১%
  3. ১০%
  4. ৯.১১%
সঠিক উত্তর:
১১.১১%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১.১১%
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: চিনির মূল্য ১০% কমে যাওয়ায় চিনির ব্যবহার শতকরা কত ভাগ বাড়ালে চিনি বাবদ খরচ একই থাকবে?

সমাধান:
মনেকরি,
চিনির মূল্য ১০০ টাকা
১০% কমে চিনির মূল্য = ১০০ - ১০ = ৯০ টাকা

বর্তমান মূল্য ৯০ টাকায় পূর্বমূল্য = ১০০ টাকা
∴ বর্তমান মূল্য ১ টাকায় পূর্বমূল্য = ১০০/৯০ টাকা
∴ বর্তমান মূল্য ১০০ টাকায় পূর্বমূল্য = (১০০ × ১০০)/৯০
= ১১১(১/৯) টাকা

∴ চিনির ব্যবহার বাড়াতে হবে = [(১০০০/৯) - ১০০]%
= (১০০/৯)%
​= ১১.১১%

৪১.
x + 21/3 + 22/3 = 0 হলে, x3 - 6x এর মান কত?
  1. - 6
  2. - 4
  3. 3
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
- 6
উত্তর
সঠিক উত্তর:
- 6
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x + 21/3 + 22/3 = 0 হলে, x3 - 6x এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
x + 21/3 + 22/3 = 0
বা, x = - (21/3 + 22/3) .......... (1)
বা, x3 = - (21/3 + 22/3)3
বা, x3 = - {(21/3)3 + (22/3)3 + 3.21/3.22/3(21/3 + 22/3)}
বা, x3 = - {2 + 4 + 3.23/3.(- x)}  [(1) নং হতে]
বা, x3 = - (6 - 6x)
বা, x3 = - 6 + 6x
∴ x3 - 6x = - 6 
 
৪২.
০.০০০১ এর বর্গমূল কত?
  1. ০.০০১
  2. ০.০১
  3. ১.০
  4. ০.১
সঠিক উত্তর:
০.০১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০.০১
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ০.০০০১ এর বর্গমূল কত?

সমাধান:
০.০০০১ এর বর্গমূল = √(০.০০০১)
= ০.০১

৪৩.
০.১২ + ০.০০১২ + ০.০০০০১২ + ........ ধারাটির অসীম পদ পর্যন্ত যোগফল:
  1. ১১২/৯৭
  2. ১৩/৪৭
  3. ৪/৩৩
  4. ৩/৪৪
সঠিক উত্তর:
৪/৩৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪/৩৩
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ০.১২ + ০.০০১২ + ০.০০০০১২ + ........ ধারাটির অসীম পদ পর্যন্ত যোগফল:

সমাধান:
০.১২ + ০.০০১২ + ০.০০০০১২ + ......
= ০.১২ + ০.১২×০.০১ + ০.১২×(০.০১) + ......
এখানে,
a = ০.১২, r = ০.০১ < ১

অসীম পদের সমষ্টি S = a/(১ - r)
= ০.১২/(১ - ০.০১)
= ০.১২/০.৯৯
= ১২/৯৯
= ৪/৩৩

বিকল্প সমাধান:
n পদের সমষ্টি, s = {a × (১ - rn)}/(১ - r)
= ০.১২ × {১ - (০.০১)n}/(১ - ০.০১)
= ০.১২ × {১ - (১/১০০)n}/০.৯৯)
= (০.১২/০.৯৯) × {১ - (১/১০)n}
= (১২/৯৯) × {১ - (১/১০২n)}

n অসীম হলে, s = (১২/৯৯) × {১ - (১/১০)}
= (৪/৩৩)(১ - ০)
= ৪/৩৩
৪৪.
বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত - 
  1. সেন্টমার্টিন
  2. দক্ষিণ তালপট্টি
  3. নিঝুম দ্বীপ
  4. কোনটি নয় 
সঠিক উত্তর:
সেন্টমার্টিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেন্টমার্টিন
ব্যাখ্যা

সেন্টমার্টিন দ্বীপ: 
- সেন্ট মার্টিন্‌স দ্বীপ বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত একটি প্রবালদ্বীপ।
- এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ হতে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং
- মায়ানমার-এর উপকূল হতে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে নাফ নদীর মোহনায় অবস্থিত।
- প্রচুর নারিকেল পাওয়া যায় বলে স্থানীয়ভাবে একে নারিকেল জিঞ্জিরাও বলা হয়ে থাকে।
- ৯২°১৮´ ও ৯২°২১´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ এবং ২০°৩৪´ ও ২০°৩৯´ উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে দ্বীপটির অবস্থান

বাংলাদেশের ভৌগোলিক অঞ্চল:
→ বাংলাদেশের সর্বপূর্বের স্থান - আখাইনঠং।
→ বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের স্থান - বাংলাবান্ধা।
→ সর্ব দক্ষিণের স্থান - ছেঁড়া দ্বীপ/সেন্টমার্টিন।
→ সর্ব পশ্চিমের স্থান - মনাকষা।

সূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া।

৪৫.
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল কোন দেশ ভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থা?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. সুইডেন
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. জার্মানি
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
ব্যাখ্যা

Transparency International:
- Transparency International (TI) জার্মান ভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৯৩ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা: পিটার ইজেন।
- সদর দপ্তর: বার্লিন, জার্মানি।

উল্লেখ্য,
- এটি প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী দুর্নীতি ধারণা সূচক (CPI) প্রকাশ করে।

উৎস: Transparency International ওয়েবসাইট।

৪৬.
জাতিসংঘ নামকরণ করেন কে? 
  1. স্টালিন
  2. দ্যা গল
  3. রুজভেল্ট
  4. চার্চিল
সঠিক উত্তর:
রুজভেল্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রুজভেল্ট
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ:
- জাতিসংঘ বা United Nations হচ্ছে একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে এ সংস্থার সদর দফতর অবস্থিত।
- শাখা অফিস রয়েছে জেনেভা, ভিয়েনা ও নাইরোবি।
- পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি স্বাধীন দেশ এ সংস্থার সদস্য।
- জাতিসংঘ নামটির ধারণা দিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট।
- আর্ন্তজাতিক উত্তেজনা হ্রাস ও বিভিন্ন রাষ্ট্রের মাঝে বিরোধ মিমাংসায় জাতিসংঘ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩২তম প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ১২ বছর (১৯৩৩ - ১৯৪৫) ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- তিনি একমাত্র প্রেসিডেন্ট যিনি ৪ মেয়াদে নির্বাচিত হয়েছেন।
- রুজভেল্ট দীর্ঘ ১২ বছর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
- রুজভেল্ট বিংশ শতাব্দীর দুটি সর্বশ্রেষ্ঠ সংকট: গ্রেট ডিপ্রেশন এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ- এই সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।

উল্লেখ্য,
- যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেট তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসাবে ‘নিউ ডিল' (New Deal) ব্যবস্থার প্রবর্তন করেন।
- নিউ ডিল (New Deal) ১৯৩৩ থেকে ১৯৩৯ সাল পর্যন্ত চলমান ছিল।
- তার সময় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় এবং জাপান কর্তৃক পার্ল হারবার আক্রমনের (৭ ডিসেম্বর, ১৯৪১) প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশ নেয়।
- ডি রুজভেল্ট ‘সৎ প্রতিবেশি নীতি'র প্রবক্তা।
- ১৯৩০-৪০ এর সময়ে লাতিন আমেরিকান দেশগুলোর সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক নির্ধারণে রুজভেল্ট পূর্বেকার হস্তক্ষেপ নীতির বিপরীতে এই নীতি প্রবর্তন করেন।
- ১৯৪২ সালের ১ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে এক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনেই ফ্রাঙ্কলিন ডি. - রুজভেল্ট প্রথমবারের মতো 'জাতিসংঘ (United Nations)' নামটি ব্যবহার করেন।

উৎস: Britannica.

৪৭.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের আলােকে বাংলাদেশে বৈদেশিক নীতি পরিচালিত হয়?
  1. অনুচ্ছেদ ২৩
  2. অনুচ্ছেদ ২৪
  3. অনুচ্ছেদ ২২
  4. অনুচ্ছেদ ২৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৫
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় অধ্যায়ের ২৫ নং অনুচ্ছেদে — বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে আলোকপাত করা হয়েছে।

অনুচ্ছেদ - ২৫:
- আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন,
- জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা,
- অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা,
- আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা,
এই সকল নীতি হইবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি এবং এই সকল নীতির ভিত্তিতে রাষ্ট্র -

(ক) আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তিপ্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করিবেন;
(খ) প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করিবেন; এবং
(গ) সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করিবেন৷

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ২২: নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ।
- ২৩ নং অনুচ্ছেদ : জাতীয় সংস্কৃতি
- ২৪ নং অনুচ্ছেদ : জাতীয় স্মৃতি নিদর্শন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।

৪৮.
সামরিক ভাষায় 'WMD' অর্থ কী?
  1. Weapons of Missile Defence
  2. Weapons of Mass Destruction
  3. Worldwide Mass Destruction
  4. Weapons for Massive Destruction
সঠিক উত্তর:
Weapons of Mass Destruction
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Weapons of Mass Destruction
ব্যাখ্যা

WMD:
- WMD-এর পূর্ণরূপ: Weapons of Mass Destruction.
- WMD বা গণবিধ্বংসী অস্ত্র।
- ২০০৩ সালে WMD আছে এমন আশঙ্কায় মার্কিন জোট ইরাকে আক্রমণ করেছিল।
- বোমারু বিমানের ব্যাপক ধ্বংসের ক্ষমতা বর্ণনা করতে ১৯৩৭ সালে এই শব্দের প্রথম ব্যবহার করা হয়।

- Weapons of mass destruction অন্তর্ভুক্ত অস্ত্রগুলো হলো:
- Nuclear Weapon,
- Chemical Weapon,
০ Biological weapon.

উৎস: Britannica.

৪৯.
'সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী'-সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ২৮
  2. অনুচ্ছেদ ২৭ 
  3. অনুচ্ছেদ ২৯ 
  4. অনুচ্ছেদ ২৫ 
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৭ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৭ 
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ - ২৭: আইনের দৃষ্টিতে সমতা- 
- সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।

সংবিধানে মৌলিক অধিকার: 
- বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় ভাগে ২৭ নং অনুচ্ছেদ থেকে ৪৭ নং অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মৌলিক অধিকারসমূহ সন্নিবেশিত রয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ২১ - নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য।
- অনুচ্ছেদ ২২ - নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ।
- অনুচ্ছেদ ২৪ - জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন, প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ২৫ - আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন।
- অনুচ্ছেদ ২৬ - মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল।
- অনুচ্ছেদ ২৮ - ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য।
- অনুচ্ছেদ ২৯ - সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা।
- অনুচ্ছেদ ৩০ - বিদেশী, খেতাব, প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ।
- অনুচ্ছেদে ৪৭ - কতিপয় আইনের হেফাজত বিষয়ে আইন বর্ণিত হয়েছে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫০.
ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কখন বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানী লাভ করে?
  1. ১৭৫৫ সালে
  2. ১৭৬৯ সালে
  3. ১৭৬৫ সালে
  4. ১৭৪৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৭৬৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৬৫ সালে
ব্যাখ্যা

ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি — ১৭৬৫ সালে — বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানী লাভ করে

কোম্পানির দেওয়ানি লাভ:
- ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দে দেওয়ানি লাভের পর প্রকৃতপক্ষে ইংরেজরাই বাংলার সত্যিকার শাসকরূপে আত্মপ্রকাশ করে।
- এ সময়ে ইংরেজ কোম্পানি মুঘল সম্রাটের কাছ থেকে বাংলার রাজস্ব আদায়ের সম্পূর্ণ দায়িত্ব লাভে সক্ষম হয়।
- বক্সারের যুদ্ধে বাংলার নবাব, অযোধ্যার নবাব এবং দিল্লীর সম্রাটের পরাজয় ইংরেজ শক্তিকে এই ক্ষমতা লাভের সুযোগ করে দেয়।
- বক্সারের যুদ্ধের পর — ক্লাইভ দ্বিতীয়বার (১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দ) ভারতবর্ষে এলে পরিস্থিতি পাল্টে যায়।
- ক্লাইভ দেশ থেকে ফিরে অযোধ্যার পরাজিত নবাবের সঙ্গে মৈত্রী স্থাপন করেন।
- তার বিনিময়ে আদায় করে নেন — কারা ও এলাহাবাদ জেলা দুটি।
- যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ বাবদ আদায় করেন পঞ্চাশ লক্ষ টাকা।

- ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দে — কোম্পানিকে বাংলা, বিহার, উড়িষ্যার দেওয়ানি দান করা হয়।
- মোগল সম্রাট — দ্বিতীয় শাহ্ আলম একটি ফরমানের মাধ্যমে — বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানি ইংরেজ কোম্পানির হাতে তুলে দেন।
- ইংরেজরা এর বিনিময়ে শাহ্ আলমকে বছরে ২৬ লক্ষ টাকা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়।
- ইতিহাসে এটি — এলাহাবাদ চুক্তি নামে পরিচিত।
- ১৭৬৫ সালের ১২ই অগাস্ট এলাহাবাদ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৭৫৭ সালে পলাশির যুদ্ধে জয়ী হয়ে 'ব্রিটিশ ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানি' বাংলা তথা ভারতবর্ষে তাদের কর্তৃত্বের ভিত্তি রচনা করেন।
- ১৭৬৪ সালে বক্সারের যুদ্ধে বাংলা, বিহার, অযোধ্যা ও দিল্লির সম্রাটের সম্মিলিত বাহিনীকে পরাজিত করলে, ইংরেজদের সেই ভিত্তি আরও সুদৃঢ় হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়; বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।

৫১.
অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক
  2. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  3. খাজা নাজিমুদ্দিন
  4. এ এইচ এম কামরুজ্জামান
সঠিক উত্তর:
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
ব্যাখ্যা

অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী:
- অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক ।
- অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
- ১৯৪৬ সালে অবিভক্ত বাংলায় সর্বশেষ সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এতে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্বাধীন মুসলিমলীগ ১১৪টি আসন পেয়ে জয় লাভ করে এবং সোহরাওয়ার্দী মুখ্যমন্ত্রী হন।

এছাড়াও,
- ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান সৃষ্টি হলে খাজা নাজিমুদ্দিন পূর্ব বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী নিযুক্ত হন।
- ১৯৩৫ সালে ভারত শাসন আইন প্রবর্তনের পর ১৯৩৭ সালে অবিভক্ত বাংলায় প্রথম প্রাদেশিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় মুসলিম লীগ ও কৃষক প্রজা পার্টির কোয়ালিশন সরকার গঠিত হয় যার মুখ্যমন্ত্রী (অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী) নির্বাচিত হন শেরে বাংলা একে ফজলুল হক।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

৫২.
IUCN -এর কাজ হলো বিশ্বব্যাপী -
  1. পানি সম্পদ সংরক্ষণ করা
  2. প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা
  3. আন্তর্জাতিক সন্ত্রাস দমন করা
  4. মানবাধিকার সংরক্ষণ করা
সঠিক উত্তর:
প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা
ব্যাখ্যা

IUCN -এর কাজ হলো বিশ্বব্যাপী প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা।

IUCN:
- IUCN এর পূর্ণরুপ: International Union for the Conservation of Nature.
- বিশ্বব্যাপী প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করার জন্য ফ্রান্সের ফন্টেইনব্লিউ 'IUCN' প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৫ অক্টোবর, ১৯৪৮।
- সদর দপ্তর: গ্লান্ড, সুইজারল্যান্ড।
- উদ্দেশ্য: বিশ্বব্যাপী প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা।
- এটি প্রজাতিকে নয়টি বিভাগে বিভক্ত করে।
- যথা: মূল্যায়ন করা হয়নি, ডেটার ঘাটতি, ন্যূনতম উদ্বেগ, কাছাকাছি হুমকির মুখে, ঝুঁকিপূর্ণ, বিপন্ন, গুরুতরভাবে বিপন্ন, বন্য অঞ্চলে বিলুপ্ত এবং বিলুপ্ত।

উৎস: IUCN ওয়েবসাইট।

৫৩.
মার্বেল কোন ধরনের শিলা?
  1. আগ্নেয় শিলা
  2. রূপান্তরিত শিলা
  3. মিশ্র শিলা
  4. পাললিক শিলা
সঠিক উত্তর:
রূপান্তরিত শিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূপান্তরিত শিলা
ব্যাখ্যা

রূপান্তরিত শিলা:
- অনেক সময় প্রচন্ড তাপ ও চাপের জন্য রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় আগ্নেয় ও পাললিক শিলা নতুন এক ধরনের শিলায় রূপান্তরিত হয় এবং আগের তুলনায় কঠিন ও কেলাসিত হয়, এই শিলাকে রূপান্তরিত শিলা বলে।
- পূর্বের রূপ ও অবস্থার পরিবর্তন হয় বলে একে রূপান্তরিত শিলা বলে।
- রূপান্তরিত শিলা মূলত আগ্নেয় ও পাললিক শিলার পরিবর্তিত রূপ।
- যেমন- চুনাপাথর পরিবর্তিত হয়ে মার্বেল, বেলেপাথর পরিবর্তিত হয়ে কোয়ার্টজাইট, কাঁদা পরিবর্তিত হয়ে শ্লেট, গ্রানাইট পরিবর্তিত হয়ে নীসে, কয়লা পরিবর্তিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।

- রূপান্তরিত শিলা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
- কারণ এটি আগ্নেয় শিলার সাথে একত্রে ভূ-ভাগের শতকরা প্রায় ৮৫ ভাগ গঠন করেছে।
- ভূ-ত্বাত্তিক সময় ব্যাপী মহাদেশের যে সঞ্চারণ এবং উত্থান-পতন হয়েছে এ শিলা থেকে তা জানা যায়।
- এ শিলা সূদুর অতীতকালের প্লেট সঞ্চারণের সাক্ষ্য বহন করে।
- রূপান্তরিত শিলা মার্বেল পাথর, শ্লেট, গার্নেট ইত্যাদির মত মূল্যবান খনিজ সম্পদ ধারণ করে।

⇒ রূপান্তরিত শিলার বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১। রূপান্তরিত শিলা স্ফটিক যুক্ত;
২। এই শিলা অত্যন্ত কঠিন;
৩। এই শিলায় জীবাশ্ম নেই;
৪। কোনো কোনো রূপান্তরিত শিলায় ঢেউ খেলানো স্তর দেখা যায়।

- রূপান্তরিত শিলার প্রকারভেদ:
ক. আগ্নেয়শিলা প্রচন্ড তাপে ও চাপে পরিবর্তিত হয়ে আগ্নেয়শিলা থেকে রূপান্তরিত শিলা তৈরি হয়।
- যেমন: গ্রানাইট থেকে নিস (Gneiss) তৈরি হয়।
খ. পাললিক শিলা প্রচন্ড তাপে ও চাপে পরিবর্তিত হয়ে, পাললিক শিলা থেকে রূপান্তরিত শিলা তৈরি হয়।
- যেমন: বেলেপাথর থেকে কোয়ার্টজাইট (Quartzite) তৈরি হয়।

অন্যদিকে,
পাললিক শিলা: কংগ্লোমারেট, ব্রেকসিয়া, গ্রেওয়েক, বেলেপাথর, কাদাপাথর, কোয়ার্টজ, ডলোমাইট, ক্যালসাইট, জিপসাম, কয়লা, চুনাপাথর ইত্যাদি পাললিক শিলার উদাহরণ।
আগ্নেয় শিলা: গ্রানাইট।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৪.
যুদ্ধ ও সশস্ত্র সংঘর্ষ সংক্রান্ত আইন প্রণয়ন বিষয়ে ১৯৪৯ সনের জেনেভা কনভেনশনসমূহ পরিচিত -
  1. 'তিনটি রেডক্রস কনভেনশন' নামে
  2. 'দুটি রেডক্রস কনভেনশন' নামে
  3. 'চারটি রেডক্রস কনভেনশন' নামে
  4. কোনটি নয় 
সঠিক উত্তর:
'চারটি রেডক্রস কনভেনশন' নামে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'চারটি রেডক্রস কনভেনশন' নামে
ব্যাখ্যা

যুদ্ধ ও সশস্ত্র সংঘর্ষ সংক্রান্ত আইন প্রণয়ন বিষয়ে ১৯৪৯ সনের জেনেভা কনভেনশনসমূহ অভিহিত 'চারটি রেডক্রস কনভেনশন' নামে।

জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১২ আগস্ট, ১৯৪৯ সালে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।

উল্লেখ্য,
কনভেনশনের সংশোধন ও আধুনিকায়ন:
- ১৯৪৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কনভেনশনগুলোর সংস্করণ আরো উন্নত ও আধুনিক করা হয় এবং ১৯৭৭ ও ২০০৫ সালে আরও প্রোটোকল যুক্ত করা হয়।
- এর মাধ্যমে যুদ্ধের সময় মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা আরও জোরদার হয়েছে।

প্রটোকলসমূহ:
প্রটোকল:
- ১৯৭৭ সালে; ১; আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি রক্ষার্থে গৃহীত হয়।
প্রটোকল: ২;
- ১৯৭৭ সালে; অ-আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিবর্গকে রক্ষার সাথে সম্পর্ক।
প্রটোকল: ৩;
- ২০০৫ সালে; অতিরিক্ত স্বাতন্ত্র্যসূচক প্রতীক পরিগ্রহ করা সংক্রান্ত বিষয়ে গৃহীত হয়।

উৎস: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS.

৫৫.
পূর্ববঙ্গ জমিদারি দখল ও প্রজাস্বত্ব আইন কবে প্রণীত হয়?
  1. ১৯৫৯ সালে
  2. ১৯৬০ সালে
  3. ১৯৫০ সালে
  4. ১৯৫৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫০ সালে
ব্যাখ্যা

পূর্ববঙ্গ জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০: 
- এই আইনের আওতায় সরকার দেশের একমাত্র জমিদারে পরিণত হয় এবং সরকার পর্যায়ক্রমে জমিতে সকল খাজনা-আদায়ি স্বার্থ অধিগ্রহণ করে।
- ১৯৫১ ইং সনের ১৬ মে, এই আইন পাস এর মাধ্যমে এদেশ থেকে জমিদারি প্রথার বিলোপ ঘটে।
- এই আইনে ১৫২টি ধারা রয়েছে।
- এগুলি পাঁচটি অংশ ও উনিশটি অধ্যায়ে বিভক্ত।
- ১৯৫০ সালের পূর্ববঙ্গ জমিদারি বিলোপ ও প্রজাস্বত্ব আইনের মাধ্যমে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থা উচ্ছেদ হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।

৫৬.
স্থায়ী সালিসী আদালত কোথায় অবস্থিত?
  1. লন্ডনে
  2. জেনেভায়
  3. হেগে
  4. প্যারিসে
সঠিক উত্তর:
হেগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেগে
ব্যাখ্যা

স্থায়ী সালিশি আদালত-এর সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডের হেগে অবস্থিত।

Permanent Court of Arbitration (PCA):
- স্থায়ী সালিশি আদালত একটি আন্তঃসরকারী সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৯ জুলাই, ১৮৯৯ সালে।
- সদরদপ্তর: হেগ নেদারল্যান্ডস।
- আদালতের সদস্যরা ছয় বছরের মেয়াদের জন্য নিযুক্ত হন।
- কাজ: আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তি।

উৎস: International Criminal Court ওয়েবসাইট।

৫৭.
জাতিসংঘের কোন সংস্থা The World Investment Report প্রকাশ করে?
  1. World Bank
  2. WTO
  3. MIGA
  4. UNCTAD
সঠিক উত্তর:
UNCTAD
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UNCTAD
ব্যাখ্যা

UNCTAD:
- UNCTAD এর পূর্ণরূপ: United Nations Conference on Trade and Development বা জাতিসংঘ বাণিজ্য ও উন্নয়ন সম্মেলন।
- এটি জাতিসংঘের একটি বিশেষ সংস্থা।
- এটি ১৯৬৪ সালে যাত্রা শুরু করে।
- এটি সাধারণ পরিষদের অধীনে গঠিত একটি সংস্থা যা অর্থনীতি ও টেকসই উন্নয়ন এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে উন্নয়নশীল দেশগুলো ন্যায্যতা নিশ্চিতকরণে কাজ করে।
- সদরদপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৫।
- সংস্থাটি বার্ষিক বিশ্ব বিনিয়োগ প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

জাতিসংঘ বাণিজ্য ও উন্নয়ন সম্মেলন (UNCTAD) বাৎসরিক যে রিপোর্টগুলো প্রকাশ করে সেগুলো হল:
- The Trade and Development Report,
- The Trade and Environment Review,
- The World Investment Report,
- The Least Developed Countries Report,
- The Technology and Innovation Report,
- Digital Economy Report ইত্যাদি।

উৎস: UNCTAD ওয়েবসাইট।

৫৮.
“মাৎস্যন্যায়” বাংলার কোন সময়কাল নির্দেশ করে?
  1. ৬ষ্ঠ-৭ম শতক
  2. ৫ম-৬ষ্ঠ শতক
  3. ৮ম-১০ম শতক
  4. ৭ম-৮ম শতক
সঠিক উত্তর:
৭ম-৮ম শতক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ম-৮ম শতক
ব্যাখ্যা

মাৎস্যন্যায়:
যখন দণ্ডদানের আইন স্থগিত বা অকার্যকর থাকে তখন এমন অরাজক অবস্থার সৃষ্টি হয় যা মাছের রাজ্য সম্পর্কে প্রচলিত প্রবচনের মধ্যে পরিস্ফুট। অর্থাৎ অপেক্ষাকৃত বড় মাছ ছোটটিকে গ্রাস করে, কারণ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার অবর্তমানে সবল দুর্বলকে গ্রাস করবেই।

সময়কাল:
বাংলার ৭ম-৮ম শতকের নৈরাজ্যপূর্ণ সময়কে 'মাৎস্যন্যায়' নামে অভিহিত করা হয়।

মাৎস্যন্যায় এবং অরাজকতা:
শশাঙ্কের পর বাংলায় অরাজকতা ও হানাহানির যুগ (৭ম-৮ম শতক) শুরু হয়, যা ইতিহাসে ‘মাৎস্যন্যায়’ নামে পরিচিত।

গোপালের রাজত্ব:
বাংলার দীর্ঘ সময়ের অরাজকতা ও হানাহানির অবসান ঘটে গোপালের রাজত্বের প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে, যার ফলে পাল বংশের শাসন শুরু হয় এবং বাংলায় স্থিতিশীলতা ফিরে আসে।

পাল রাজবংশের শাসন:
প্রাচীন বাংলার ইতিহাসে পাল রাজবংশ দীর্ঘকাল শাসন করেছে, যা অষ্টম শতকের মাঝামাঝি থেকে প্রায় চারশ বছর ধরে বাংলা ও বিহার অঞ্চলে শাসন প্রতিষ্ঠা করে।

গোপালের উত্থান:
বাংলায় চরম অরাজকতা ও নৈরাজ্যের অবসান ঘটিয়ে গোপাল নামে এক উচ্চবর্ণের ব্যক্তি পাল রাজবংশের প্রতিষ্ঠা করেন।

প্রখ্যাত পাল রাজারা:
ধর্মপাল, দেবপাল, মহিপালসহ আরও অনেক পাল রাজা বাংলার শাসক হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৯.
কোন বীরশ্রেষ্ঠের দেহাবশেষ বাংলাদেশে এনে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের কবরের পাশে সমাহিত করা হয়?
  1. ল্যান্স নায়েক মুন্সি আবদুর রউফ
  2. সিপাহী মোস্তফা কামাল
  3. সিপাহী হামিদুর রহমান
  4. ল্যান্স নায়েক নূর মােহাম্মদ শেখ
সঠিক উত্তর:
সিপাহী হামিদুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিপাহী হামিদুর রহমান
ব্যাখ্যা

মিরপুরে অবস্থিত বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে ২ জন বীরশ্রেষ্ঠকে বর্তমানে সমাহিত করা হয়েছে।
তারা হলেন -
১. বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেনেন্ট মতিউর রহমান
২. বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমান।

বীরশ্রেষ্ট সিপাহী হামিদুর রহমান:
- বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের জন্ম ২রা ফেব্রুয়ারি ১৯৫৩, ঝিনাইদহ জেলা শহরের অদুরে কালিগঞ্জের খদ্দখালিশপুর গ্রামে।
- বীরশ্রেষ্ট সিপাহী হামিদুর রহমান ১৯৭১ সনে আনসার বাহিনীতে অল্প সময়ের জন্য চাকুরী করেন এবং ২ ফেব্রুয়ারী ১৯৭১ খ্রি: তৎকালীন সেনাবাহিনীতে সৈনিক হিসেবে ঐতিহ্যবাহী ১ ইষ্ট বেংগল রেজিমেন্টে যোগদান করেন। সাহসী এ সৈনিক মাতৃভূমির স্বাধীনতা যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং বিভিন্ন অপারেশনে পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেন।
- ১৯৭১ সনের অক্টোবর মাসের শেষ দিকে মৌলভীবাজার জেলাস্থ কমলগঞ্জ উপজেলার চা বাগান বিস্তৃত ধলই সীমান্ত চৌকিতে হানাদার পাকিস্তানী সেনাবাহিনী বাহিনীকে পরাস্থ করার উদ্দেশ্যে সহযোদ্ধাসহ তিনি সশস্ত্র আক্রমন চালান। ধলই সীমান্তে শত্রু সেনা চৌকির সন্মুখ যুদ্ধে অমিত সাহসে চৌকির ৫০ গজের মধ্যে পৌছেঁ যান এবং বীরত্বের সাথে যুদ্ধ করে উক্ত সীমান্ত চৌকি ও সংলগ্ন এলাকা মুক্ত করেন এবং সেখানেই শত্রু সেনার বুলেট বিদ্ধ হয়ে শহীদ হন।

- বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমানকে প্রতিবেশী ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের কমলপুর জেলাধীন আমবাসা গ্রামে সমাধিস্থ করা হয়েছিল।
- সুদীর্ঘ ৩৬ বছর পর তাঁর দেহাবশেষ বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয় এবং ১১ ডিসেম্বর ২০০৭ তারিখে ঢাকার মিরপুরস্থ শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।

অন্যদিকে,
- বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান ২০শে আগস্ট ১৯৭১ সালে শহীদ হন। তাকে প্রথমে পাকিস্তানের করাচির মাসরুর বিমান বেসের চতুর্থ শ্রেণীর কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।
- শাহাদতের ৩৫ বছর পর ২৪শে জুন ২০০৬ মতিউরের দেহাবশেষ পাকিস্তান থেকে দেশে এনে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে পুনঃসমাহিত করা হয়।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৬০.
NATO-এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. প্যারিস
  2. ব্রাসেলস
  3. লন্ডন
  4. ওয়াশিংটন ডিসি
সঠিক উত্তর:
ব্রাসেলস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রাসেলস
ব্যাখ্যা

NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation.
- এটি একটি সামরিক সহযোগিতার জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তির উপর ভিত্তি করে স্বাক্ষরিত একটি আন্তঃসরকারি সামরিক জোট।
- পশ্চিম ইউরোপে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হিসেবে সংগঠনটি গঠিত হয়েছিল।
- এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তির উপর ভিত্তি করে স্বাক্ষরিত একটি আন্তঃসরকারি সামরিক জোট।
- পশ্চিম ইউরোপে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হিসেবে সংগঠনটি গঠিত হয়েছিল।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

৬১.
বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদের নাম - 
  1. বঙ্গ
  2. পুন্ড্র
  3. বরেন্দ্র
  4. গঙ্গারিডাই
সঠিক উত্তর:
পুন্ড্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুন্ড্র
ব্যাখ্যা

বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদের নাম- 'পুন্ড্র'। 
-------------
'পুন্ড্র' জনপদ:
- প্রাচীন বাংলার অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদের নাম পুন্ড্র।
- পুন্ড্র ‘জন’ বা জাতি এ জনপদ গঠন করেছিল। পুন্ড্ররা বঙ্গসহ অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নিকটজন ছিল।
- পুন্ড্রদের রাজ্যের রাজধানীর নাম পুন্ড্রনগর।
- এটি বাংলার প্রাচীনতম জনপদ।
- বর্তমান বগুড়া শহরের অদূরে করতোয়া নদীর তীরে পুন্ড্রনগর অবস্থিত। পরবর্তী কালে এর নাম মহস্থানগড় হয়।
- সম্ভবত মৌর্য সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে (খ্রি. পু. ২৭৩-২৩২ অব্দ) প্রাচীন পুন্ড্র রাজ্য স্বাধীনসত্তা হারায়।
- এ রাজ্যের বিস্তৃতি বর্তমান বগুড়া, রংপুর ও দিনাজপুর পর্যন্ত ছিল।
প্রাচীন বাংলার আরো জনপদ সমূহ হচ্ছে:
- বঙ্গ,
- বরেন্দ্র,
- সমতট,
- হরিকেল,
- রাঢ়,
- চন্দ্রদ্বীপ,
- তাম্রলিপ্ত,
- গঙ্গারিডাই,
- গৌড় প্রভৃতি।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেনি, বাংলাপিডিয়া।

৬২.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন - 
  1. স্যার সৈয়দ আহমেদ
  2. নওয়াব আবদুল লতিফ
  3. নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ
  4. উপরের কেউ নন 
সঠিক উত্তর:
নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ
ব্যাখ্যা

নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহর ভূমিকা:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ঢাকার রমনা এলাকায় নিজের জমি দান করেন।

বঙ্গভঙ্গের পর:
বঙ্গভঙ্গের পরে ঢাকায় ‘সর্বভারতীয় মুসলিম শিক্ষা সম্মেলন’ এবং ‘পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রাদেশিক শিক্ষা সমিতির’ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, যা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা আরও জোরদার করে।

সরকারের ওপর চাপ:
নওয়াব সলিমুল্লাহ ১৯০৫ সাল থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারের ওপর চাপ দিচ্ছিলেন।

লর্ড হার্ডিঞ্জের আগমন:
১৯১২ সালের ২৯ জানুয়ারি লর্ড হার্ডিঞ্জ ঢাকায় এসে তিন দিন অবস্থান করেন। ৩১ জানুয়ারি, নওয়াব সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে ১৯ সদস্যের একটি মুসলিম প্রতিনিধি দল বড়লাটের সঙ্গে দেখা করে এবং পূর্ববঙ্গের মুসলমানদের স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য একটি মানপত্র প্রদান করে।

সরকারি সুপারিশ:
১৯১২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ভারত সরকার একটি ইশতেহার জারি করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সুপারিশ ঘোষণা করে।

শিক্ষার সূচনা:
১৯২১ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে পাঠদান শুরু হয়।

সূত্র: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া।

৬৩.
মাতৃপ্রধান পরিবার ব্যবস্থার প্রচলন কোন জাতিসত্তায় রয়েছে?
  1. মারমা
  2. চাকমা
  3. গারো
  4. বম
সঠিক উত্তর:
গারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গারো
ব্যাখ্যা

গারো:
- গারো ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারো পাহাড় ও বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলায় বসবাসকারী আদিবাসী সম্প্রদায়।
- গারোরা ভাষা অনুযায়ী বোডো মঙ্গোলীয় ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- জাতিগত পরিচয়ের ক্ষেত্রে অনেক গারোই নিজেদেরকে মান্দি বলে পরিচয় দেন।
- গারোদের সমাজে মাতৃতান্ত্রিক পরিবার প্রথা প্রচলিত।
- তাদের প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের নাম 'ওয়ানগালা'।
- আশ্বিন মাসে একেক গ্রামের মানুষদের সামর্থ্যানুযায়ী সাত দিন কিংবা তিনদিন ধরে এই উৎসব অনুষ্ঠিত হতো।
- তাদের আদি ধর্মের নাম 'সাংসারেক'।

সূত্র: নৃ-গোষ্ঠীসনদ বাংলাদেশ।

৬৪.
প্রান্তিক হ্রদ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. রাঙ্গামাটি
  3. কক্সবাজার 
  4. বান্দরবান
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
ব্যাখ্যা

প্রান্তিক হ্রদ — বান্দরবান জেলায় অবস্থিত।

প্রান্তিক হ্রদ:
- বান্দরবান জেলা সদর থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে বান্দরবান কেরানীহাট সড়কের হলুদিয়ার সন্নিকটে প্রায় ২৫.২৯ একর এলাকা নিয়ে প্রান্তিক হ্রদ গঠিত।
বান্দরবানে অবস্থিত আরো কয়েকটি হ্রদ:
- বগাকাইন হ্রদ বা বগা লেক,
- কিয়াচলং হ্রদ ইত্যাদি।

উৎস: বান্দরবান জেলার ওয়েবসাইট।

৬৫.
কোন জেলায় কাগমারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. ঢাকা
  2. টাঙ্গাইল
  3. ময়মনসিংহ
  4. কুষ্টিয়া
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল
ব্যাখ্যা

- টাঙ্গাইল জেলার সন্তোষে কাগমারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এটি ছিল ঐতিহাসিক সম্মেলন।

কাগমারী সম্মেলন:
- ১৯৫৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হয় কাগমারী সম্মেলন।
- টাঙ্গাইল জেলার সন্তোষে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- সম্মেলনের আহ্বায়ক ছিলেন মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী।
- প্রধান অতিথি ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
- কাগমারী সম্মেলন পূর্ব বাংলা তথা আজকের বাংলাদেশের প্রথম আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিক সম্মেলনে রূপ নেয়।
- কাগমারী সম্মেলনের মাত্র স্বল্প সময়ের মাথায় আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ করে মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত হয় ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-ন্যাপ।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।

৬৬.
মাইক্রো কম্পিউটারের অন্তর্গত নয় কোনটি?
  1. ল্যাপটপ কম্পিউটার
  2. ট্যাবলেট পিসি
  3. মিনি কম্পিউটার
  4. ডেস্কটপ কম্পিউটার
সঠিক উত্তর:
মিনি কম্পিউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিনি কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
- মাইক্রো কম্পিউটারের অন্তর্গত নয়- মিনি কম্পিউটার। 

মাইক্রো কম্পিউটার: 
- ডিজিটাল কম্পিউটারের মধ্যে সবচেয়ে আকারে ছোট এবং সস্তা কম্পিউটার হচ্ছে মাইক্রোকম্পিউটার। 
- মাইক্রো এর সাধারণ অর্থ হচ্ছে ক্ষুদ্র। 
- ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রোপ্রসেসর চিপ দিয়ে যে সকল কম্পিউটার গঠিত হয় সেসব কম্পিউটারকে বলা হয় মাইক্রোকম্পিউটার । 

মাইক্রো কম্পিউটারের শ্রেণিবিভাগ: 
১। পামটপ কম্পিউটার (Palmtop Computer) বা পিডিএ (PDA), 
২। ল্যাপটপ কম্পিউটার (Laptop Computer), 
৩। নোটবুক কম্পিউটার (Notebook Computer) এবং 
৪। ডেস্কটপ কম্পিউটার (Desktop Computer) ইত্যাদি। 
- এছাড়া ট্যাবলেট পিসি (Tablet PC), ফ্যাবলেট (Phablet), স্মার্টফোন (Smartphone) ইত্যাদিও মাইক্রোকম্পিউটারের অন্তর্ভুক্ত।

মিনি কম্পিউটার: 
- মেইনফ্রেম কম্পিউটারের চেয়ে ছোট আকারের কিন্তু পার্সোনাল কম্পিউটারের চেয়ে বড় আকারের কম্পিউটারকে মিনি কম্পিউটার বা মধ্যম সারির কম্পিউটার বা মিডরেঞ্জ কম্পিউটার বলা হয় ৷ 
- মেইনফ্রেম এবং মিনি কম্পিউটারে একই ধরনের কাজ করা যায়। 
- মিনি কম্পিউটার আকারে ছোট এবং কাজের ক্ষমতাও কম। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৭.
সূর্য কী?
  1. গ্রহ
  2. নক্ষত্র
  3. উপগ্রহ
  4. ধূমকেতু
সঠিক উত্তর:
নক্ষত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নক্ষত্র
ব্যাখ্যা
সূর্য (Sun): 
- সূর্য একটি নক্ষত্র। 
- সূর্যের পৃষ্ঠের উত্তাপ প্রায় ৬০০০° সেলসিয়াস। 
- এটি হলো জ্বলন্ত গ্যাসপিন্ড। 
- হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি। 
- এটি মাঝারি আকারের হলুদ বর্ণের। 
- এর ব্যাস প্রায় ১৩ লক্ষ ৮৪ হাজার কিলোমিটার। 
- পৃথিবী থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার। 
- সূর্যের বিকিরণকৃত তাপের মাত্র ২০০ কোটি ভাগের ১ ভাগ পৃথিবীতে আসে। 
- আলোর বেগ প্রতি সেকেন্ডে ৩ লক্ষ কিলোমিটার। 
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে প্রায় ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড। 
- সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টোরাই। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৬৮.
মোবাইল ইন্টারনেটে কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়?
  1. GPRS
  2. WAP
  3. EDGE
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা

মোবাইল ইন্টারনেট: 
- GPRS, EDGE, WAP ইত্যাদি প্রযুক্তির মাধ্যমে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। 
- মোবাইল ফোনে ই-মেইল আদান-প্রদান, ওয়েব ব্রাউজিং, সোসাল নেটওয়ার্কিং, টিভি দেখাসহ বিভিন্ন ধরনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি এক নিমিষেই পাওয়া সম্ভব হচ্ছে। 
- মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে হলে উপযুক্ত হ্যান্ডসেট ব্যবহার করতে হয়, কারণ সকল ধরনের হ্যান্ডসেট ইন্টারনেট ব্যবহারে সক্ষম হয় না। 
- এক্ষেত্রে খানিকটা উঁচু মানের হ্যান্ডসেট ও স্মার্টফোন ব্যাবহার করে ইন্টারনেট অ্যাকসেস করা যায়। 
- বর্তমানে বাজারে স্বল্পমূল্যে ইন্টারনেট ব্যবহারের উপযোগী বিভিন্ন ধরনের মোবাইল ফোন কিনতে পাওয়া যায়। 

মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা: 
• সাশ্রয়ী বিভিন্ন ইন্টারনেট সার্ভিস নিয়ে ইচ্ছে অনুযায়ী ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়।
• কভারেজের আওতাভুক্ত যে কোন স্থান থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়। 
• সার্বক্ষণিক ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত থাকা যায়। 
• যে কোন স্থান থেকে ই-মেইল চেক ও প্রেরণ করা যায়। 
• দূরে অবস্থানরত বন্ধু-বান্ধবদের সাথে চ্যাটিং করা যায়। 
• বিশ্বের যে কোন প্রান্তে মোবাইলে ভয়েস কল করা যায়। 
• থ্রিজি প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভিডিও কল করা যায়। 
• স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন অ্যাপস ব্যবহার করে টেলিভিশন দেখা যায়। 

মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহারের অসুবিধা: 
• শুধুমাত্র বিশেষ পর্যায়ের হ্যান্ডসেটগুলোতেই ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ পাওয়া যায়। 
• লো-কনফিগারেশনের মোবাইলগুলোতে ফ্ল্যাশ ও অন্যান্য ভারী কনটেন্ট চালানো সহজ হয় না। 
• মেসেজ বা ই-মেইল টাইপ করতে সময় বেশি লাগে। 
• ইন্টারনেটের খরচ অনেক বেশি। 
• ওয়েব সাইটে থাকা পিডিএফ, ভিডিও ফাইল পড়তে ও দেখতে সমস্যা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৯.
কম্পিউটারের সবচেয়ে নিচের স্তরের ভাষাকে কী বলা হয়? 
  1. প্রাকৃতিক ভাষা
  2. উচ্চস্তরের ভাষা
  3. অ্যাসেম্বলি ভাষা
  4. মেশিন ভাষা
সঠিক উত্তর:
মেশিন ভাষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেশিন ভাষা
ব্যাখ্যা
মেশিন ভাষা (Machine Language): 
- কম্পিউটারে সবচেয়ে নিচের স্তরের ভাষা হলো মেশিন ভাষা। 
- কম্পিউটারের নিজস্ব ভাষাকে মেশিন ভাষা বা নিম্মস্তরের ভাষা বলা হয়। 
- কম্পিউটারের মৌলিক ভাষা হলো এই নিম্মস্তরের ভাষা। 
- এ ভাষায় বাইনারি সংখ্যা (1 এবং 0) অথবা হেক্সাডেসিম্যাল পদ্ধতি ব্যবহার করে সবকিছু লেখা হয়। 
- কম্পিউটার শুধুমাত্র মেশিন ভাষাই বুঝতে পারে। 
- অন্য কোনো ভাষায় প্রোগ্রাম রচনা করা হলে কম্পিউটার কার্যনির্বাহের আগে উপযুক্ত অনুবাদকের সাহায্যে তাকে মেশিনের ভাষায় পরিণত করে নেয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭০.
কম্পিউটারের এন্টিভাইরাস কোনটি?
  1. এভিজি
  2. স্টোন
  3. ম্যাক্রো
  4. মিউটেটিং
সঠিক উত্তর:
এভিজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এভিজি
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার ভাইরাস: 
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয়, তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে। 
- ভাইরাস বা VIRUS শব্দের পূর্ণরূপ হচ্ছে "Vital Information Resources Under Seize." যার অর্থ হল গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ দখলে নেয়া বা ক্ষতিসাধন করা। 
- ভাইরাস কম্পিউটার এর ডাটা ফাইল নষ্ট করে ফেলে বা কম্পিউটার বুট হতে বাঁধা দেয় অথবা হার্ডডিস্ক নষ্ট করে ফেলতে পারে। 
- ১৯৮০ সালে ভাইরাসের এ নামকরণ করেছেন প্রখ্যাত গবেষক ও অধ্যাপক ফ্রেড কোহেন। 
- ভাইরাস নামক সফটওয়্যার কম্পিউটার এর তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এবং নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করার ক্ষমতা রয়েছে এবং এক পর্যায়ে কম্পিউটারকে অচল করে দিতে পারে। 
- কম্পিউটারে আক্রমণের ধরন অনুযায়ী কম্পিউটার ভাইরাস অনেক ধরনের হয়। 
যেমন- বুট সেক্টর ভাইরাস, ট্রোজান হর্স ভাইরাস, ফাইল সংক্রামক ভাইরাস, ম্যাক্রো ভাইরাস, ওভার রাইটিং ভাইরাস, মেমোরি রেসিডেন্ট ভাইরাস, মিউটেটিং ভাইরাস এবং স্টোন ভাইরাস ইত্যাদি। 

কম্পিউটার এন্টিভাইরাস: 
- কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হল এন্টিভাইরাস। 
- কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়। 
- এই প্রোগ্রামগুলো প্রথমে আক্রান্ত কম্পিউটারে ভাইরাসের চিহ্নের সাথে পরিচিত ভাইরাসের চিহ্নগুলোর মিলকরণ করে। অতঃপর এটি সংক্রমিত অবস্থান থেকে আসল প্রোগ্রামকে ঠিক করে। 
- সাধারণত একটি ভাল মানের এন্টিভাইরাস কয়েকশ ভাইরাস নির্মূল করতে পারে। 
- বর্তমান সময়ের এন্টিভাইরাসগুলো ভাইরাস আক্রমণ করার পূর্বেই তা ধ্বংস করে কিংবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়। ফলে এগুলো ভাইরাস প্রতিকারে অনেক বেশি কার্যকর। 
- তবে মনে রাখতে হবে যে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার সবসময় হালনাগাদ বা আপডেট করে নিতে হবে। 
- ভাইরাসের হাত হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য বিনামুল্যে ইন্টারনেট থেকে কিছু কিছু এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ডাউনলোড এবং ইন্সটল কারা যায়। 
যেমন- এভিজি এন্টিভাইরাস, এভিরা এন্টিভাইরাস, অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস, নরটন এন্টিভাইরাস ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭১.
শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ কত?
  1. ৩৪৮ মিটার/সেকেন্ড
  2. ৩২৮ মিটার/সেকেন্ড
  3. ৩৩২ মিটার/সেকেন্ড
  4. ০ মিটার/সেকেন্ড
সঠিক উত্তর:
০ মিটার/সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০ মিটার/সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
শব্দের বেগ: 
- কঠিন পদার্থের মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি হয়। 
- শব্দ এক প্রকার যান্ত্রিক তরঙ্গ।
- তাই শব্দ চলার জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন হয়।
- শব্দের বেগ কঠিন পদার্থে সবচেয়ে বেশি (যেমন- ইস্পাত, লোহা) হয়।
- তরল  পদার্থের গতি কঠিন পদার্থের চেয়ে কম (যেমন- পানি) হয়। 
- বায়োবীয় পদার্থে সবচেয়ে কম। 
- আর শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শূন্য। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।