পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়14 minutes
মোট প্রশ্ন২৯
সিলেবাস
[নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২৪০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।] রিভিশন পরীক্ষা টপিক: পূর্ববর্তী ৬টি পরীক্ষার টপিকের উপর রিভিশন পরীক্ষা।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৯ প্রশ্ন

.
Choose the correct prefix to form the opposite of the word 'pathy' -
  1. Dis
  2. mis
  3. un
  4. Anti
সঠিক উত্তর:
Anti
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Anti
ব্যাখ্যা

• The correct prefix is - Anti-

• Prefix:
- Pre (before) fix that which is fixed before a word in order to form a new word.
- নতুন word গঠনের জন্য Prefix একটি word-এর পূর্বে বসে।
- সাধারণত Prefix গুলি যদিও আলাদা word হিসাবে ব্যবহৃত হয় না, তবু এদের প্রত্যেকটিরই একটি বিশিষ্ট অর্থ আছে।
- এটি অনেকটা বাংলা উপসর্গের মতো। 

• Anti (=against) -
Base word ------ Formation of new words
- pathy (ভালোবাসা) -----  antipathy (বিতৃষ্ণা) (=against),
- dote -------- antidote (প্রতিষেধক),
- social ------- antisocial (সমাজবিরোধী),
- septic ------- antiseptic (ক্ষত নিরাময়কারী),
- climax ------ anticlimax (গুরুতর, অর্থবহ ইত্যাদি কোনো কিছু থেকে আকস্মিক পতন)।

• Other Options
• Dis (=apart, not) - (opposite)
Base word ------ Formation of new words
- allow --------- disallow (অনুমতি না দেওয়া) ,
- join ----------- disjoin (বিচ্ছিন্ন করা),
- honour -------- dishonour (অসম্মান)।

• mis (=bad) - (opposite)
Base word ------ Formation of new words
- conduct --------- misconduct (অসদাচরণ),
- fortune --------- misfortune (দুর্ভাগ্য),
- fire ---------- misfire (=failure to go/off),
- use ---------- misuse (= bad use).

• un (=not) - (opposite)
Base word ------ Formation of new words
- able ----------- unable (অক্ষম),
- armed --------- unarmed (অস্ত্রহীন),
- willing ---------- unwilling (অনিচ্ছুক),
- worthy --------- unworthy (অনুপযুক্ত)।

.
One who is all-knowing is known as.
  1. Omnipotent
  2. Omnipresent
  3. Omniscient
  4. Omnivorous
সঠিক উত্তর:
Omniscient
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Omniscient
ব্যাখ্যা

Omniscient
- English Meaning: One who is all-knowing.
- বাংলা অর্থ: সর্বজ্ঞ।

• Other options:
- Omnipotent (সর্বশক্তিমান) - One who has unlimited power or authority and able to do anything.
- Omnipresent (সর্বত্র বিরাজমান) - One who is present everywhere,
- Omnivorous (সর্বভুক) - One who is naturally able to eat both plants and meat.

Source:
1. Oxford Learner's Dictionary.
2. Cambridge Dictionary.

.
What is not part of a letter - 
  1. Salutation
  2. Subject
  3. Body
  4. Beginning
সঠিক উত্তর:
Beginning
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Beginning
ব্যাখ্যা

চিঠির বিভিন্ন অংশ -
1. Heading,
2. Salutation,
3. Subject,
4. Body of the Letter,
5. subscription,
6. signature.

• একটি Paragraph কে তিনটি অংশে বিভক্ত করা যায়:
- Beginning.
- Body এবং
- End.

১. Paragraph - এর প্রথম বাক্যটিই Beginning অংশ নির্দেশ করে। উত্তম Paragraph এর জন্য এ অংশটি হতে হবে আকর্ষণীয়।

.
A person who kills another is known as - 
  1. Homicide
  2. Regicide
  3. Patricide
  4. Parricide
সঠিক উত্তর:
Homicide
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Homicide
ব্যাখ্যা

• Homicide: 
- English Meaning: a person who kills another.
- বাংলা অর্থ: নরহত্যা।

• Other options:
- Regicide (রাজহত্যা) - a person who kills a king.
- Patricide (পিতৃহত্যা) - one who murders his or her own father.
- Parricide (পিতৃহত্যা; স্বজনহত্যা) - one that murders his or her parent or a close relative.

Source:
1. Merriam-Webster.
2. Accessible Dictionary.

.
The suffix ‘ist’ helps to form a/an –
  1. verb
  2. noun
  3. pronoun
  4. adjective
সঠিক উত্তর:
noun
উত্তর
সঠিক উত্তর:
noun
ব্যাখ্যা

Correct Answer: noun.

- ‘ist’ দ্বারা noun (সত্তা বা পেশার নাম) গঠিত হয়।
- The suffix ‘ist’ forms nouns, often denoting a person who practices something or a profession.

Examples: artist (শিল্পী), chemist (রসায়নবিদ), novelist (উপন্যাসকার)

- Suffix
- শব্দ গঠনের জন্য suffix একটি word-এর পরে বসে।
- Prefix গুলির আলাদা অর্থ থাকলেও- able, fold, full, less প্রভৃতি কয়েকটি suffix ছাড়া suffix গুলির নিজস্ব কোন অর্থ নেই।
- এগুলি যে শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়, তার অর্থকে প্রভাবিত অর্থাৎ প্রসারিত বা সঙ্কুচিত করে।
- এই ভাবে Suffix যোগে নতুন শব্দ গঠিত হয়।
- এই শব্দ Noun, Adjective, Verb বা Adverb হতে পারে।
- এগুলি বাংলা প্রত্যয়ের মতো।

.
The time frame of the "Anglo-Saxon Period" is-
  1. 350-1066
  2. 450-1066
  3. 1066-1500
  4. 550-1066
সঠিক উত্তর:
450-1066
উত্তর
সঠিক উত্তর:
450-1066
ব্যাখ্যা

Correct answer: 450-1066.

Anglo-Saxon Period:
- Anglo-Saxon Period (৪৫০-১০৬৬ খ্রিস্টাব্দ) ইংরেজি সাহিত্যের প্রাচীনতম যুগ।
- এই সময়ে মূলত পুরনো ইংরেজি বা ওল্ড ইংলিশ ভাষায় সাহিত্য রচিত হয়।
- সাহিত্যের প্রধান রূপ ছিল ধর্মীয় কবিতা ও বীরত্বগাথা।
- "Beowulf" এই যুগের সবচেয়ে বিখ্যাত মহাকাব্য।
- এই সময়ে গির্জা ও খ্রিস্টান ধর্ম সাহিত্যে গভীর প্রভাব ফেলেছিল।

• এ যুগের কিছু সাহিত্যকর্ম হচ্ছে :
- Beowulf (The earliest epic in English),
- The Anglo-Saxon Chronicle (The earliest prose of English Literature),
- The Wanderer,
- The Seafarer,
- The Husband's Message,
- The Wife's Lament.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature, Dr. M Mofizar Rahman.

.
The Elizabethan Age begins in-
  1. 14th century
  2. 15th century
  3. 16th century
  4. 17th century
সঠিক উত্তর:
16th century
উত্তর
সঠিক উত্তর:
16th century
ব্যাখ্যা

Correct answer: 16th century.

• Elizabethan Age (1558-1603):
- The Elizabethan Age began with Elizabeth Tudor’s accession to the throne, in 1558.
- ১৫৫৮ সালে এই সাহিত্য যুগের যাত্রা শুরু হয় এবং ১৬০৩ সালে এর সমাপ্তি ঘটে। 
- এই age টির নামকরণ করা হয়েছে 'Queen Elizabeth I' এর নামে who reigned over England from 1558 to 1603.
- এই যুগেই ইংরেজী সাহিত্যের সবচেয়ে বেশী বিকাশ ঘটেছিলো, বিশেষ করে নাট্যজগতে এক বৈপ্লবিক সংস্কার সাধিত হয়েছিল।
- চার্চের আধিপত্য থেকে ধীরে ধীরে মুক্ত হয়ে সাহিত্য রচনা শুরু হয়েছিল।
- শিল্পকলা, বিজ্ঞান এবং সংস্কৃতির ব্যাপক প্রসারের কারণে  এই যুগকে বলা হয় The Golden Age.

• এই যুগের বিখ্যাত সাহিত্যিকরা হচ্ছেন - 
- Thomas More
- Norton,
- Edmund Spenser,
- William Shakespeare,
- Thomas Kyd,
- Nicholas Udall,
- Robert Peele ,
- Robert Greene,
- Sir Philip Sidney,
- John Lyly.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature, Dr. M Mofizar Rahman.

.
Which is the shortest period of English Literature among the following options?
  1. The Renaissance Period
  2. The Neoclassical Period
  3. The Romantic Period
  4. The Modern Period
সঠিক উত্তর:
The Romantic Period
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Romantic Period
ব্যাখ্যা

Correct answer: The Romantic Period.
- The Romantic Period is the shortest period of English Literature.
- অর্থাৎ, এটি ছিল প্রায় ৩৪ বছরের একটি সাহিত্যিক যুগ।

• Romantic Period:
- (1798-1832) is known as the Romantic period of English literature.
- The Romantic Period is the shortest period of English Literature.
-  ১৭৯৮ সালে William Wordsworth রচিত Lyrical Ballads এর প্রকাশনার মাধ্যমে Romantic Period এর সূচনা হয়।
- ১৮৩২ সালে Reformation Act এর মাধ্যমে এই যুগের সমাপ্তি ঘটে।
- এই যুগকে 'Revival of Romanticism' ও বলা হয়ে থাকে because the romantic ideals of the Elizabethan Period revived during this period.

• English Literature Periods and their sub-ages: 
1. The Old English Period (450 -1066) (longest period).

2. The Middle English Period (1066 -1500)
i) The Anglo-Norman Period.
ii) The Age of Chaucer.

3. The Renaissance Period (1500 -1660),
i) Elizabethan Period (1558-1603), (Golden age),
ii) Jacobean Period (1603-1625),
iii) Caroline Period (1625-1649) and
iv) Commonwealth Period (1649-1660).

4. The Neoclassical Period (1660 -1785),
i) The Restoration Period (1660-1700),
ii) The Augustan Period (1700-1745) (age of Pope),
iii) The Age of Sensibility (1745-1785/1798). (Age of Dr. Samuel Johnson).

5. The Romantic Period (1798 -1832) (shortest period).

6. The Victorian Period (1832 -1901),
i) The Pre-Raphaelites: (1848-1860),
ii) Aestheticism & Decadence: (1880-1901).

7. The Modern Period (1901 -1939),
1. The Edwardian Period (1901-1910),
2. The Georgian Period (1910-1939).

8. The Post Modern Period (1939-present) (latest period).

Source: An ABC of English Literature by Dr.M. Mofizar Rahman.

.
The time span for the Commonwealth Period is-
  1. 1625-1649
  2. 1558-1603
  3. 1649-1660
  4. 1603-1625
সঠিক উত্তর:
1649-1660
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1649-1660
ব্যাখ্যা

Correct answer: 1649-1660. 

• The Commonwealth Period:
- The Commonwealth Period in English literature, a distinctive and tumultuous period, is defined by its political backdrop and repercussions.
- শুধুমাত্র এই সময়ে ইংল্যান্ডে কোন রাজতন্ত্র ছিল না।
- After the death of King Charles I, Oliver Cromwell, the Puritan leader, came to power.
- এই সময়কালে Puritanism ধীরে ধীরে জনপ্রিয়তা হারায়।

• Major writers of the period:
- Thomas Hobbes
- Jermey Taylor,
- Vaughan,
- Marvell.

English Literature Periods and their sub-ages: 
1. The Old English Period (450 -1066).
 
2. The Middle English Period (1066 -1500)
i) The Anglo-Norman Period,
ii) The Age of Chaucer.
 
3. The Renaissance Period (1500 -1660)
i) Elizabethan Period (1558-1603),
ii) Jacobean Period (1603-1625),
iii) Caroline Period (1625-1649) and
iv) Commonwealth Period (1649-1660).
 
4. The Neoclassical Period (1660 -1785)
i) The Restoration Period (1660-1700),
ii) The Augustan Period (1700-1745) and
iii) The Age of Sensibility (1745-1785/1798).
 
5. The Romantic Period (1798 -1832).
 
6. The Victorian Period (1832 -1901)
i) The Pre-Raphaelites: (1848-1860),
ii) Aestheticism & Decadence: (1880-1901).
 
7. The Modern Period (1901 -1939)
i) The Edwardian Period (1901-1910),
ii) The Georgian Period (1910-1939),
- The Modern English period was one of the most significant literary periods.
 
8. Present: The Post-Modern Period (1939).
 
Source: An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

১০.
Which period is known as the "Golden Age of lyrics"?
  1. The Renaissance Period
  2. The Middle English Period
  3. The Victorian period
  4. The Romantic Period
সঠিক উত্তর:
The Romantic Period
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Romantic Period
ব্যাখ্যা

Correct answer: The Romantic Period.
- এই যুগটি 'The Golden Age of Lyrics' নামে পরিচিত।

• Romantic Period:
- (1798-1832) is known as the Romantic period of English literature.
- The Romantic Period is the shortest period of English Literature.
-  ১৭৯৮ সালে William Wordsworth রচিত Lyrical Ballads এর প্রকাশনার মাধ্যমে Romantic Period এর সূচনা হয়।
- ১৮৩২ সালে Reformation Act এর মাধ্যমে এই যুগের সমাপ্তি ঘটে।
- এই যুগকে 'Revival of Romanticism' ও বলা হয়ে থাকে because the romantic ideals of the Elizabethan Period revived during this period.
-'Art for the Art's Sake' ছিলো এই যুগের স্লোগান এবং কবিতায় 'Subjectivity' এর ব্যবহার ছিল এর প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- This period is also known as the Golden Period of English Literature.

• Notable writers of the Romantic Period:
- William Wordsworth,
- Samuel Taylor Coleridge,
- Lord Byron,
- John Keats,
- Percy Bysshe Shelley,
- William Blake,
- Sir Walter Scott,
- Mary Shelley,
- William Hazlitt,
- Robert Southey,
- Charles Lamb, etc.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature, Dr. M. Mofizar Rahman.

১১.
’মৌন’ শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি?
  1. প্রবল
  2. মুখর
  3. গৌণ
  4. বিরহ
সঠিক উত্তর:
মুখর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুখর
ব্যাখ্যা

’মৌন’ শব্দের বিপরীত শব্দ - মুখর।

অন্যদিকে,
’মিলন’ শব্দের বিপরীত শব্দ - - বিরহ।
’মুখ্য’ শব্দের বিপরীত শব্দ - - গৌণ।
’মৃদু’ শব্দের বিপরীত শব্দ - - প্রবল।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম ও দশম শ্রেণি (২০২৫ সালের সংস্করণ)

১২.
অ-উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দ কোনটি?
  1. অনাচার
  2. অনামুখো
  3. অঘারাম
  4. অচিন
সঠিক উত্তর:
অচিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অচিন
ব্যাখ্যা

⇒ অ-উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দ = অচিন (অভাব অর্থে ব্যবহৃত হয়)।

অন্যদিকে,
⇒ অঘা-উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দ = অঘারাম (বোকা অর্থে ব্যবহৃত হয়)।
⇒ অনা-উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দ =
অনামুখো (অশুভ অর্থে ব্যবহৃত হয়)।
অনাচার (ছাড়া অর্থে ব্যবহৃত হয়)।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম ও দশম শ্রেণি (২০২৬ সালের সংস্করণ)।

১৩.
এক কথায় প্রকাশ করুন: ’পান করার ইচ্ছা’
  1. পিপাসা
  2. বিবক্ষা
  3. বুভুক্ষা
  4. জিঘাংসা
সঠিক উত্তর:
পিপাসা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিপাসা
ব্যাখ্যা

’পান করার ইচ্ছা’- এর এককাথায় প্রকাশ- পিপাসা।

অন্যদিকে,
’ প্রবেশ করার ইচ্ছা’- এর এককাথায় প্রকাশ- বিবক্ষা।
’ভোজন করার ইচ্ছা’- এর এককাথায় প্রকাশ- বুভুক্ষা।
’হনন করার ইচ্ছা’- এর এককাথায় প্রকাশ- জিঘাংসা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য।

১৪.
সাধারণ অনুসর্গের প্রয়োগ ঘটেছে নিম্নে কোন বাক্যে?
  1. মন দিয়ে লেখাপড়া করা দরকার।
  2. সে সঙ্গে যাবে বলে তৈরি হয়ে এসেছে।
  3. ভালো করে খেয়ে নাও।
  4. তোমার দ্বারা এমন কাজ হবে।
সঠিক উত্তর:
তোমার দ্বারা এমন কাজ হবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তোমার দ্বারা এমন কাজ হবে।
ব্যাখ্যা

সাধারণ অনুসর্গের প্রয়োগ ঘটেছে - তোমার দ্বারা এমন কাজ হবে।

• সাধারণ অনুসর্গ
⇒ যেসব অনুসর্গ ক্রিয়া ছাড়া অন্য শব্দ থেকে তৈরি হয়, সেগুলোকে সাধারণ অনুসর্গ বলে।
যেমন-
- উপরে: মাথার উপরে নীল আকাশ।
- কাছে: কার কাছে গেলে জানা যাবে?
- জন্যে: হারানো ঘড়িটার জন্য অনেক কেঁদেছি।
- দ্বারা: এমন কাজ তোমার দ্বারা হবে না।
- বনাম: আজ বাংলাদেশ বনাম ভারতের খেলা।

• ক্রিয়াজাত অনুসর্গ:
⇒ যেসব অনুসর্গ ক্রিয়াপদ থেকে তৈরি হয়েছে, সেগুলোকে ক্রিয়াজাত অনুসর্গ বলে।
যেমন-
- করে: ভালো করে খেয়ে নাও।
- থেকে: ঢাকা থেকে বরিশাল যেতে পদ্মা নদী পার হতে হয়।
- দিয়ে: মন দিয়ে লেখাপড়া করা দরকার।
- ধরে: বহুদিন ধরে অপেক্ষা করে আছি।
- বলে: সে সঙ্গে যাবে বলে তৈরি হয়ে এসেছে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম ও দশম শ্রেণি (২০২৬ সালের সংস্করণ)।

১৫.
নিচের কোনটি তৎসম উপসর্গ নয়?
  1. অপি
  2. অতি
  3. আড় 
  4. অপ
সঠিক উত্তর:
আড় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আড় 
ব্যাখ্যা

⇒ তৎসম উপসর্গ নয়-  আড়।

• বাংলা উপসর্গ মোট একুশটি:
⇒ অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স,সা, সু, হা।

• তৎসম উপসর্গ বিশটি: 
⇒ প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতিঅপি, অভি, উপ, আ।

উৎস: বাংলা ভাষা ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণি, (২০২০ সালের সংস্করণ)।

১৬.
একটি পাইপের বহির্ব্যাস ৬ ইঞ্চি এবং অন্তর্ব্যাস ৫ ইঞ্চি। পাইপটির পুরুত্ব কত? 
  1. ০.৫ ইঞ্চি
  2. ১ ইঞ্চি
  3. ০.৭ ইঞ্চি
  4. ০.৪ ইঞ্চি
সঠিক উত্তর:
০.৫ ইঞ্চি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০.৫ ইঞ্চি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি পাইপের বহির্ব্যাস ৬ ইঞ্চি এবং অন্তর্ব্যাস ৫ ইঞ্চি। পাইপটির পুরুত্ব কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
পাইপের বহির্ব্যাস = ৬ ইঞ্চি
∴ পাইপের বহির্ব্যাসার্ধ = ৬ ÷ ২ = ৩ ইঞ্চি

পাইপের অন্তর্ব্যাস = ৫ ইঞ্চি
∴ পাইপের অন্তর্ব্যাসার্ধ = ৫ ÷ ২ = ২.৫ ইঞ্চি

∴ পাইপের পুরুত্ব = ৩ - ২.৫
= ০.৫ ইঞ্চি

১৭.
একটি বাক্সের দৈর্ঘ্য 600 সে.মি., প্রস্থ 420 সে.মি. এবং উচ্চতা 300 সে.মি। বাক্সটির আয়তন কত? 
  1. 50,600,000 ঘনসেন্টিমিটার
  2. 35,600,000 ঘনসেন্টিমিটার
  3. 45,600,000 ঘনসেন্টিমিটার
  4. 75,600,000 ঘনসেন্টিমিটার
সঠিক উত্তর:
75,600,000 ঘনসেন্টিমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
75,600,000 ঘনসেন্টিমিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি বাক্সের দৈর্ঘ্য 600 সে.মি., প্রস্থ 420 সে.মি. এবং উচ্চতা 300 সে.মি। বাক্সটির আয়তন কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
বাক্সের দৈর্ঘ্য = 600 সে.মি.
বাক্সের প্রস্থ = 420 সে.মি.
বাক্সের উচ্চতা = 300 সে.মি.

∴ বাক্সের আয়তন = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ × উচ্চতা
= 600 × 420 × 300 সে.মি3
= 75,600,000 সে.মি³

∴ বাক্সটির আয়তন = 75,600,000 ঘনসেন্টিমিটার

১৮.
বেলনের ভূমির ব্যাস ৮৪ সে.মি., উচ্চতা ১৪৭ সে.মি. হলে, বেলনের বক্রপৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল কত? 
  1. ২৪০০০ সে.মি
  2. ৩৫০০০ সে.মি
  3. ৩৮৮০৮ সে.মি
  4. ৪৫৮০৮ সে.মি
সঠিক উত্তর:
৩৮৮০৮ সে.মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৮৮০৮ সে.মি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: বেলনের ভূমির ব্যাস ৮৪ সে.মি., উচ্চতা ১৪৭ সে.মি. হলে, বেলনের বক্রপৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
বেলনের ভূমির ব্যাস = ৮৪ সে.মি.
∴ ভূমির ব্যাসার্ধ r = ৮৪ ÷ ২ = ৪২ সে.মি.

বেলনের উচ্চতা h = ১৪৭ সে.মি.

আমরা জানি,
বেলনের বক্রপৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল = ২πrh
= ২ × (২২/৭) × ৪২ × ১৪৭
= (২ × ২২ × ৪২ × ১৪৭) ÷ ৭
= ২৭১৬৫৬ ÷ ৭
= ৩৮৮০৮ সে.মি

∴ বেলনের বক্রপৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল = ৩৮৮০৮ সে.মি

১৯.
ঘনকের ধার ১২ একক হলে ঘনকের সমগ্র তলের ক্ষেত্রফল কত? 
  1. ১৪৬ বর্গ একক
  2. ৮৬৪ বর্গ একক
  3. ৪৫৬ বর্গ একক
  4. ১৩৬ বর্গ একক
সঠিক উত্তর:
৮৬৪ বর্গ একক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৬৪ বর্গ একক
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ঘনকের ধার ১২ একক হলে ঘনকের সমগ্র তলের ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:
ধরি,
ঘনকের এক ধারের দৈর্ঘ্য, ক = ১২ একক

আমরা জানি,
ঘনকের সমগ্র তলের ক্ষেত্রফল = ৬ক বর্গ একক
= ৬ × ১২  বর্গ একক
= ৬ × ১৪৪ বর্গ একক
= ৮৬৪ বর্গ একক

∴ ঘনকের সমগ্র তলের ক্ষেত্রফল = ৮৬৪ বর্গ একক

২০.
দার্দানেলিস প্রণালি সংযুক্ত করেছে- 
  1. ভূমধ্যসাগর ও কৃষ্ণসাগর
  2. এজিয়ান ও মর্মর সাগর
  3. মর্মর সাগর ও কৃষ্ণসাগর
  4. কৃষ্ণসাগর ও কাম্পিয়ান সাগর
সঠিক উত্তর:
এজিয়ান ও মর্মর সাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এজিয়ান ও মর্মর সাগর
ব্যাখ্যা

 • দার্দানেলিস প্রণালী:
- দার্দানেলিস প্রণালী হলো উত্তর-পশ্চিম তুরস্কে অবস্থিত একটি সংকীর্ণ এবং আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলপথ।
- এটি কৌশলগত ও বাণিজ্যিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ।
- এটি এশিয়া ও ইউরোপকে পৃথক করে।
- এছাড়া, এশিয়া মাইনরের আনাতোলিয়াকে ইউরোপের গ্যালিপোলি উপদ্বীপ থেকে আলাদা করে।
- এই প্রণালী এজিয়ান সাগরকে মর্মর সাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করে, যা পরে বসফরাস প্রণালীর মাধ্যমে কৃষ্ণ সাগরের সঙ্গে যুক্ত হয়।
- ফলে কৃষ্ণ সাগরের অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোর জন্য এটি বিশ্বের সঙ্গে একমাত্র সমুদ্র সংযোগ হিসেবে কাজ করে।
- সংযোগটি হলো: এজিয়ান সাগর → মর্মর সাগর → বসফরাস প্রণালী → কৃষ্ণ সাগর।
- প্রাচীনকালে দার্দানেলিস প্রণালী হেলেস্পন্ট নামে পরিচিত ছিল।

উৎস: Britannica.

২১.
কোন মহাসাগরের আকৃতি দেখতে ইংরেজি অক্ষর “S”–এর মতো? 
  1. প্রশান্ত মহাসাগর 
  2. ভারত মহাসাগর
  3. আর্কটিক মহাসাগর
  4. আটলান্টিক মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগর
ব্যাখ্যা

আটলান্টিক মহাসাগর: 
- আটলান্টিক মহাসাগর পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাসাগর।
- এর আকৃতি দেখতে অনেকটা ইংরেজি অক্ষর “S”-এর মতো।
- আটলান্টিক মহাসাগর এর গড় গভীরতা ৩৬৪৬ মিটার।
- এটি ইউরোপ ও আফ্রিকাকে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা থেকে আলাদা করেছে।
- এর গভীরতম স্থান হলো পুয়ের্তো রিকো ট্রেঞ্চ যা ক্যারিবিয়ান সাগরের মধ্যখানে অবস্থিত।
- পুয়ের্তো রিকো ট্রেঞ্চ এর গভীরতম বিন্দু হচ্ছে Milwaukee Deep.
- Milwaukee Deep এর গভীরতা ৮৩৮০ মিটার।
- এই মহাদেশের গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ হচ্ছে- গ্রীনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, বাহামা দ্বীপপুঞ্জ, বারমুডা, জ্যামাইকা, কিউবা, আয়ারল্যান্ড, ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র।
- এ মহাসাগরটি প্রাচীন যুগ থেকেই আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, উপনিবেশ স্থাপন ও সমুদ্র অভিযানের প্রধান পথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

অন্যদিকে,
• প্রশান্ত মহাসাগর পৃথিবীর বৃহত্তম এবং গভীরতম মহাসাগর
- আকৃতিতে এটি বৃহদাকার ত্রিভুজ এর মতো দেখতে।
• ভারত মহাসাগর পৃথিবীর ৩য় বৃহত্তম মহাসাগর।
• আর্কটিক মহাসাগর বা উত্তর মহাসাগর হলো পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম মহাসাগর। 

উৎস: Britannica. 

২২.
আয়তনের দিক থেকে পৃথিবীর বৃহত্তম সাগর কোনটি?
  1. আরব সাগর
  2. ক্যারিবিয়ান সাগর
  3. দক্ষিণ চীন সাগর
  4. কোনোটি নয় 
সঠিক উত্তর:
কোনোটি নয় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনোটি নয় 
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর বৃহত্তম সাগর:
- আয়তনে পৃথিবীর বৃহত্তম সাগর ফিলিপাইন সাগর।
- এর আয়তন: ৫৭,০০০,০০ বর্গ কিলোমিটার। 

• পৃথিবীর বৃহত্তম সাগর:
১. ফিলিপাইন সাগর (৫,৬৯৫,০০০ বর্গকি.মি.), 
২. কোরাল সাগর (৪,৭৯১,০০০ বর্গকি.মি.), 
৩. আরব সাগর (৩,৮৬২,০০০ বর্গকিমি),
৪. দক্ষিণ চীন সাগর (৩,৬৮৫,০০০ বর্গকি.মি.),
৫. ওয়েডেল সাগর (২,৮০০,০০০ বর্গকিমি)।

উল্লেখ্য,
- গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকড অনুসারে, দক্ষিণ চীন সাগর পৃথিবীর বৃহত্তম সাগর।

উৎস: i) World Atlas. 
ii) Britannica. 
iii)  Visual Capitalist ওয়েবসাইট।

২৩.
আল্পস পর্বত কোন শ্রেণির পর্বতের অন্তর্ভুক্ত?
  1. ভঙ্গিল পর্বত
  2. চ্যুতি-স্তূপ পর্বত
  3. আগ্নেয় পর্বত
  4. ক্ষয়জাত পর্বত
সঠিক উত্তর:
ভঙ্গিল পর্বত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভঙ্গিল পর্বত
ব্যাখ্যা

ভঙ্গিল পর্বত:
- স্তরীভূত পাললিক শিলাস্তরে পার্শ্বচাপের ফলে ভাঁজ সৃষ্টি হয়ে যে পর্বতের উৎপত্তি ঘটে, তাকে ভঙ্গিল পর্বত বলা হয়।
- সাধারণত সমুদ্রের গভীরে অবনমিত অঞ্চলে দীর্ঘ সময় ধরে বিপুল পরিমাণ পলি সঞ্চিত হয়।
- উপর্যুপরি পলির ভারে সেই অঞ্চল আরও নিম্নমুখী হয়।
- পরবর্তীকালে পার্শ্ববর্তী কঠিন ভূমিখণ্ড থেকে প্রবল পার্শ্বচাপের কারণে শিলাস্তরে উর্ধ্বভাঁজ ও অধঃভাঁজের সৃষ্টি হয়।
- বিস্তৃত এলাকাজুড়ে এই ভাঁজযুক্ত ভূমিরূপের সমষ্টিতেই ভঙ্গিল পর্বতের গঠন সম্পন্ন হয়।
- এশিয়ার হিমালয় পর্বত, ইউরোপের আল্পস পর্বত, উত্তর আমেরিকার রকি এবং দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ পর্বত ভঙ্গিল পর্বতের উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৪.
পানামা খালের খনন কাজ শুরু হয় কত সালে?
  1. ১৯২৩
  2. ১৯০৪
  3. ১৯২১ 
  4. ১৯১৪
সঠিক উত্তর:
১৯০৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯০৪
ব্যাখ্যা

পানামা খাল: 
- পানামা খাল পৃথিবীর সবচেয়ে গভীরতম খাল।
- ১৯০৪ সালে পানামা খাল খনন করা শুরু হয়।
- খালটি মূলত যুক্তরাষ্ট্র দ্বারা খনন করা হয়েছিল।
- ১৯১৪ সালে এটি চালু করা হয়।
- পানামা খাল উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকাকে পৃথক করেছে;
- এবং আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগর কে যুক্ত করেছে।
- পানামা খালের নিয়ন্ত্রণ ১৯৯৯ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে পানামার কাছে হস্তান্তর করা হয়।
- এই হস্তান্তর টরিয়োস-কার্টার চুক্তি এর মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। 
- এই চুক্তি নিশ্চিত করেছিল যে- ৩১ ডিসেম্বর ১৯৯৯ সালের মধ্যে খালের সম্পূর্ণ মালিকানা ও পরিচালনার নিয়ন্ত্রণ পানামার হাতে চলে যাবে।
- চুক্তিগুলি স্বাক্ষরিত হয়েছিল মার্কিন রাষ্ট্রপতি জিমি কার্টার এবং পানামার জেনারেল ওমর টোরিজোস এর মধ্যে।

উৎস: প্রথম আলো ও Britannica.

২৫.
“অপরাজেয় বাংলা”র স্থপতি কে?
  1. সৈয়দ মাইনুল হোসেন
  2. সৈয়দ আদুল্লাহ খালেদ
  3. শামীম শিকদার
  4. শিল্পী আব্দুর রাজ্জাক 
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আদুল্লাহ খালেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আদুল্লাহ খালেদ
ব্যাখ্যা

"অপরাজেয় বাংলা”:- 
- অপরাজেয় বাংলা একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ভাস্কর্য।
- এই ভাস্কর্যটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের সম্মুখ প্রাঙ্গনে স্থাপিত।
- এর স্থপতি হচ্ছে- সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালেদ।
- এই ভাস্কর্যটি ১৯৭৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর উদ্বোধন করা হয়।
- অপরাজেয় বাংলা কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্থাপিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম ভাস্কর্য হিসেবে স্বীকৃত। 

অন্যদিকে,
- জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি হচ্ছে- সৈয়দ মাইনুল হোসেন।
- স্বাধীনতা সংগ্রাম স্থাপত্যের স্থপতি হচ্ছে- শামীম শিকদার।
- জাগ্রত চৌরাঙ্গী’র প্রধান ভাস্কর ছিলেন শিল্পী আব্দুর রাজ্জাক।

উৎ: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী। 

২৬.
অস্ট্রেলিয়ার ভৌগলিক উপনাম কী?
  1. ম্যাপল পাতার দেশ
  2. ভূমিকম্পের দেশ
  3. হাজার হ্রদের দেশ
  4. ক্যাঙ্গারুর দেশ
সঠিক উত্তর:
ক্যাঙ্গারুর দেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যাঙ্গারুর দেশ
ব্যাখ্যা

• ভৌগলিক উপনাম:
- অস্ট্রেলিয়া হলো ওশেনিয়া মহাদেশে অবস্থিত একটি দেশ।
- অস্ট্রেলিয়াকে ওশেনিয়া মহাদেশে অবস্থিত দ্বীপ ও বলা যায়।
- এই দ্বীপটি ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত।
- অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে প্রচলিত ভৌগোলিক উপনাম হলো “ক্যাঙ্গারুর দেশ” এবং “The Land Down Under”.
- দেশটিতে ক্যাঙ্গারুর প্রচুরতার কারণে অস্ট্রেলিয়াকে ক্যাঙ্গারুর দেশ বলা হয়।
- আর ডাউন আন্ডার নির্দেশ করে অস্ট্রেলিয়া দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত।
- এছাড়া দেশটিকে আরও কিছু নামেও ডাকা হয়-
• Straya,
• Aussie,
• the Great Southern Land,
• the Sunburnt Country,
•  the Wide Brown Land. 

অন্যদিকে,
• ম্যাপল পাতার দেশ বলা হয়- কানাডাকে।
• ভূমিকম্পের দেশ বলা হয়- জাপানকে।
• হাজার হ্রদের দেশ বলা হয়- ফিনল্যান্ডকে।

উৎস: Britannica. 

২৭.
ইউনেস্কো পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি দেয় কবে?
  1. ১৯৭৫ সালে 
  2. ১৯৮০ সালে 
  3. ১৯৮৫ সালে 
  4. ১৯৯০ সালে  
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে 
ব্যাখ্যা

পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার- সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার নামেও পরিচিত।
- সোমপুর মহাবিহারের ধ্বংসাবশেষ বর্তমান বাংলাদেশের বৃহত্তর রাজশাহী অঞ্চলের পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত।
- প্রায় ৩০০ বছর ধরে এটি বৌদ্ধদের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধর্মচর্চা ও শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল।
- বর্তমানে এটি একটি ধ্বংসপ্রাপ্ত প্রাচীন বৌদ্ধ ধর্মকেন্দ্র।
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষ ভাগে বা নবম শতকের শুরুতে এই মহাবিহার নির্মাণ শুরু করেন।
- ১৮৭৯ সালে প্রত্নতত্ত্ববিদ স্যার আলেকজান্ডার কানিংহাম এই বিশাল স্থাপত্যকীর্তি আবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- আয়তনের দিক থেকে এটি ভারতের নালন্দা মহাবিহার-এর সঙ্গে তুলনীয়।
- অনেকের মতে, এটি পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ বৌদ্ধবিহার।

উৎস: বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ও বাংলাপিডিয়া। 

২৮.
ভারত ও চীনের মধ্যকার সীমারেখা কোনটি?
  1. সনোরা লাইন
  2. ম্যাকমোহন লাইন 
  3. সিগফ্রিড লাইন
  4. হিন্ডারবার্গ লাইন
সঠিক উত্তর:
ম্যাকমোহন লাইন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাকমোহন লাইন 
ব্যাখ্যা

ম্যাকমোহন লাইন:
- ম্যাকমোহন লাইন হলো পূর্ব হিমালয় অঞ্চলে ভারত ও চীনের (বিশেষত তিব্বত) মধ্যকার একটি ঐতিহাসিক ও কার্যত সীমান্তরেখা।
- এটি ১৯১৪ সালের সিমলা চুক্তির ভিত্তিতে ব্রিটিশ ভারত ও তিব্বতের মধ্যে নির্ধারিত হয়।
- এই রেখা মূলত ভারতের অরুণাচল প্রদেশ ও তিব্বতের সীমানা নির্ধারণ করে।
- ব্রিটিশ ভারতের পররাষ্ট্র সচিব স্যার হেনরি ম্যাকমোহনের নামানুসারেই এর নামকরণ করা হয়।
- ভুটান অঞ্চল থেকে শুরু করে হিমালয় পর্বতমালা বরাবর ব্রহ্মপুত্র নদের বৃহৎ বাঁক পর্যন্ত এই সীমারেখাটি বিস্তার লাভ করেছে। 
- এই সীমারেখাকে ভারত বৈধ আন্তর্জাতিক সীমানা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
- কিন্তু চীন সিমলা চুক্তিতে স্বাক্ষর না করে আজও এই সীমারেখাকে বিতর্কিত বলে মনে করে ও প্রত্যাখ্যান করে।

অন্যদিকে, 
- মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রকে বিভক্তকারী রেখা হচ্ছে- সনোরা লাইন। 
- জার্মানি ও ফ্রান্সকে বিভক্তকারী সীমারেখা- সিগফ্রিড লাইন। 
- আর জার্মানি ও পোল্যান্ডকে বিভক্তকারী লাইন হচ্ছে- হিন্ডারবার্গ লাইন। 

উৎস: Britannica. 

২৯.
কোন খালটি ভূমধ্যসাগরকে লোহিত সাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে?
  1. কিয়েল খাল
  2. পানামা খাল
  3. করিন্থ খাল
  4. সুয়েজ খাল
সঠিক উত্তর:
সুয়েজ খাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুয়েজ খাল
ব্যাখ্যা

সুয়েজ খাল: 
- পৃথিবীর দীর্ঘতম কৃত্রিম খাল হলো সুয়েজ খাল।
- সুয়েজ খাল নির্মাণের মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন ফরাসি প্রকৌশলী ফার্দিনান্দ দে লেসেপ্স।
- সুয়েজ খালের খনন কাজ শুরু হয় ১৮৫৯ সালে এবং 
- এটি চালু হয় ১৮৬৯ সালে।
- এই খাল লোহিত সাগর ও ভূমধ্যসাগরকে যুক্ত করেছে।
- ১৯৫৬ সালে মিশর সুয়েজ খালকে জাতীয়করণ করে। 
- মিশরের এই জাতীয়করণের ফলেই দ্বিতীয় আরব–ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয়। 

অন্যদিকে,
• কিয়েল খাল:
- জার্মানিতে অবস্থিত এই খালটি উত্তর সাগর ও বাল্টিক সাগরকে সংযুক্ত করে।
- এটি ইউরোপের একটি গুরুত্বপূর্ণ জাহাজ চলাচলের পথ।

• পানামা খাল:
- মধ্য আমেরিকায় অবস্থিত।
- এটি আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে সংযুক্ত করে।
- এটি বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক জলপথ হিসেবে পরিচিত।

• করিন্থ খাল:
- গ্রিসে অবস্থিত এই খালটি পেলোপোনিজ উপদ্বীপকে মূল ভূমি থেকে আলাদা করে।
- এটি ছোট হলেও স্থানীয় ও পর্যটন নৌযান চলাচলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

উৎস: Britannica.