পরীক্ষা আর্কাইভ

ICT Expert

পরীক্ষাICT Expertতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন২২
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৯ টপিক: রিভিশন [পরীক্ষা ৭ ও ৮] [ক্লাস ১৪ – ২০]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ICT Expert

ICT Expert · তারিখ অনির্ধারিত · ২২ প্রশ্ন

.
একটি প্যারেন্ট রেকর্ডের সঙ্গে একাধিক চাইল্ড রেকর্ড যুক্ত করার জন্য রিলেশনাল ডাটাবেজে কোন সম্পর্ক ব্যবহৃত হয়?
  1. One-to-one
  2. Many-to-many
  3. One-to-many
  4. Self-referencing
সঠিক উত্তর:
One-to-many
উত্তর
সঠিক উত্তর:
One-to-many
ব্যাখ্যা

• রিলেশনাল ডাটাবেজে যখন একটি প্যারেন্ট রেকর্ডের সাথে একাধিক চাইল্ড রেকর্ড যুক্ত থাকে, তখন এটি One-to-many (এক থেকে বহু) সম্পর্ক হিসেবে পরিচিত। এই ধরনের সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্যারেন্ট টেবিলের প্রতিটি রেকর্ড একাধিক চাইল্ড টেবিলের রেকর্ডের সাথে সংযুক্ত থাকতে পারে, কিন্তু চাইল্ড রেকর্ড শুধুমাত্র এক প্যারেন্ট রেকর্ডের সাথে সম্পর্কিত থাকে। উদাহরণস্বরূপ, একটি “বিভাগ” টেবিলের প্রতিটি বিভাগে অনেক “কর্মচারী” থাকতে পারে, কিন্তু প্রতিটি কর্মচারী শুধুমাত্র একটি বিভাগে থাকে। এই সম্পর্ক তৈরি করতে সাধারণত চাইল্ড টেবিলে প্যারেন্ট টেবিলের প্রাইমারি কী ব্যবহার করে ফরেন কী কলাম সংযুক্ত করা হয়। তাই, প্যারেন্ট-চাইল্ড সম্পর্ক বোঝাতে One-to-many সবচেয়ে উপযুক্ত।

• ডাটাবেজ রিলেশন:
- বিভিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য এরূপ সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়।

• রিলেশনের প্রকারভেদ:
- একাধিক ডাটা ফাইলের মধ্যে উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের প্রয়োজনে প্রাইমারি কী ফিল্ডের ভিত্তিতে রিলেশন স্থাপন করা যায়।
- ডাটাবেজের অন্তর্গত ডাটা ফাইলের মধ্যকার রিলেশনকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-

• Many to One রিলেশন:
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়।
- যেমন- Home ডাটাবেজের Child ফাইলের একাধিক রেকর্ড Parent ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। ফলে Child এবং Parent ফাইলের মধ্যে প্রয়োজনে Many to One রিলেশন তৈরি।

• One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।
- যেমন: কলেজ ডাটাবেজের Exam ফাইলের একটি রেকর্ড Personal ফাইলের কেবল একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হতে পারে।

• One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।
- যেমন- Business Center নামক ডাটাবেজের বিক্রেতাদের তথ্যের জন্য Sales ফাইলের একটি রেকর্ড, ক্রেতাদের তথ্যের জন্য ব্যবহৃত Customer ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

• Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- Many to Many রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।
- এই তৃতীয় টেবিলটিকে জাংশন টেবিল বলা যায়।
- জাংশন টেবিলটি One to Many এর মতো কাজ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
কোন প্রতিষ্ঠান স্টারলিংক স্যাটেলাইটের ইন্টারনেট সেবা পরিচালনা করে?
  1. SpaceX
  2. NASA
  3. Blue Origin
  4. Space
সঠিক উত্তর:
SpaceX
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SpaceX
ব্যাখ্যা

• স্টারলিংক স্যাটেলাইট ইন্টারনেট পরিষেবা প্রদান করে প্রতিষ্ঠান হলো SpaceX. SpaceX একটি আমেরিকান মহাকাশ প্রযুক্তি কোম্পানি, যা এলন মাস্ক প্রতিষ্ঠা করেছেন। এই কোম্পানি বিশ্বব্যাপী দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার উদ্দেশ্যে স্টারলিংক প্রকল্প শুরু করে। স্টারলিংক একটি উপগ্রহ নেটওয়ার্ক যা হাজার হাজার ছোট স্যাটেলাইটকে পৃথিবীর কক্ষপথে স্থাপন করে, যাদের মাধ্যমে বিশ্বের দূরবর্তী এবং কম পরিষেবা প্রাপ্ত এলাকায় দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট পৌঁছে দেওয়া হয়। এই স্যাটেলাইট ইন্টারনেট পরিষেবা গ্রাহকদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করেছে, বিশেষ করে যেখানে প্রচলিত ব্রডব্যান্ড সহজলভ্য নয়। তাই স্টারলিংক স্যাটেলাইট ইন্টারনেট পরিষেবার মূল প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হল SpaceX.

• স্টারলিংক ইন্টারনেট পরিষেবা:
- প্রথম উপগ্রহটি ২০১৯ সালে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল।
- ২০২০ সালে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয়েছিল।
- এবং এরপর থেকে এটি ধীরে ধীরে বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট পরিষেবা প্রদান করে আসছে।
- স্টারলিংক একটি উপগ্রহ-ভিত্তিক ইন্টারনেট পরিষেবা যা স্পেসএক্স দ্বারা পরিচালিত হয়।
- স্টারলিংক সাধারণত প্রতি সেকেন্ডে ৫০ থেকে ১৫০ মেগাবিট পর্যন্ত ডাউনলোড গতি।

উৎস: Britannica.

.
ARPANET-এর সম্পূর্ণ রূপ কী?
  1. Advanced Research Proposal Agency Network
  2. Advanced Research Protocol Agency Network
  3. Advanced Research Program Agency Network
  4. Advanced Research Projects Agency Network
সঠিক উত্তর:
Advanced Research Projects Agency Network
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Advanced Research Projects Agency Network
ব্যাখ্যা

• ইন্টারনেট:
- ১৯৬৮ সালের ARPANET ছিলো ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায়।
- ARPANET-এর পূর্ণরূপ হলো: ‘Advanced Research Projects Agency Network’.
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১৯৬৯ সালে ARPANET এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালে TCP/IP উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল TCP/IP.
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
যে ভাইরাস নিজের স্বয়ংক্রিয় কপি তৈরি করে তাকে কী বলা হয়?
  1. অ্যাডওয়্যার
  2. ট্রোজান হর্স
  3. স্পাইওয়্যার
  4. ওয়ার্ম
সঠিক উত্তর:
ওয়ার্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়ার্ম
ব্যাখ্যা

• ওয়ার্ম ভাইরাস নিজেই নিজের প্রতিলিপি তৈরি করে।

• কম্পিউটার ওয়ার্ম:
- কম্পিউটার ওয়ার্ম হচ্ছে এমন একটি প্রোগ্রাম, যা নিজেই নিজের কপি করে অন্য কম্পিউটারে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে।
- নিজের অনুলিপি তৈরি করতে এটির কোন 'হোস্ট' বা কোন সাহায্যের প্রয়োজন হয় না।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম যা কম্পিউটার সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে এবং তার কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করে।
- এই ভাইরাস বাহ্যিক উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমোরিতে প্রবেশ করে এবং গোপনে বিস্তার লাভ করে, ফলে মূল্যবান প্রোগ্রাম এবং তথ্য নষ্ট হতে পারে, এমনকি অনেক সময় এটি কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।

উল্লেখ্য,
- এডওয়্যার: বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভাইরাস।
- ট্রোজান হর্স : এক ধরনের ম্যালওয়্যার যা গোপনে সিস্টেমের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়।

 উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
ডেটাবেজের কাঠামো ও বৈশিষ্ট্য নির্ধারণে কোন উপাদান প্রাধান্য পায়?
  1. Field
  2. Entity
  3. Table
  4. কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
Entity
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Entity
ব্যাখ্যা

• ডেটাবেজের গঠন ও বৈশিষ্ট্য বোঝাতে Entity সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। একটি Entity হলো ডেটাবেজের মধ্যে সংরক্ষিত বাস্তব বিশ্বের কোনো বস্তু, ব্যক্তি, স্থান বা ঘটনা যা তথ্য হিসেবে সংরক্ষণযোগ্য। এটি ডেটার মূল ইউনিট হিসেবে কাজ করে এবং প্রতিটি Entity-এর নিজস্ব বৈশিষ্ট্য বা Attribute থাকে। যেমন, একজন ছাত্র একটি Entity, যার বৈশিষ্ট্য হতে পারে নাম, রোল নম্বর, বয়স ইত্যাদি। ডেটাবেজের কাঠামো তৈরিতে Entity-র উপস্থিতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি ডেটার সম্পর্ক ও সংগঠনের ভিত্তি স্থাপন করে। অন্য উপাদান যেমন Field বা Table প্রায়শই Entity-এর অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়, তাই Entity হলো ডেটাবেজের গঠন ও বৈশিষ্ট্য বোঝার প্রধান উপাদান।

• ডেটাবেজ:
- ডেটাবেজ হলো তথ্যভান্ডার যেখানে তথ্য সংরক্ষণ ও পুনর্ব্যবহার করা যায়।
- ষাটের দশকে প্রথম ডেটাবেজ প্রোগ্রামের প্রচলন হয়।
- ১৯৬০ সালে চার্লস ডব্লিউ বাকম্যান ''ইন্টিগ্রেটেড ডেটাবেজ সিস্টেম'' প্রচলন করেন।
- তবে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ১৯৬৮ সালে আইবিএম প্রথম ''ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা আইএমএস'' তৈরী করে।

- ফিল্ড: ফিল্ড হচ্ছে ডাটাবেজের ভিত্তি। ফিল্ড হলো ক্ষুদ্রতম ডাটা ইউনিট যা ব্যবহারকারী একই জাতীয় ডাটাকে একটি ক্যাটাগরিতে নামকরণ করেন।
- রেকর্ড: পরস্পর সম্পর্কযুক্ত কয়েকটি ফিল্ড নিয়ে গঠিত হয় এক একটি রেকর্ড।
- টেবিল: এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে টেবিল তৈরি হয়।

- এনটিটি: কোন ডেটাবেজের বৈশিষ্ট্য প্রকাশের জন্য যে রেকর্ড ব্যবহার করা হয় তাকে এনটিটি বলে।
- এট্রিবিউট: এনটিটির অন্তর্ভূক্ত প্রত্যেকটি ফিল্ডকে এট্রিবিউট বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

.
কোন ধরনের হ্যাকাররা তথ্য চুরি এবং বেআইনি কাজ করে?
  1. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার
  2. গ্রে হ্যাট হ্যাকার
  3. পারপল হ্যাট হ্যাকার
  4. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার
সঠিক উত্তর:
ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার
ব্যাখ্যা

• ইনফরমেশন চুরি এবং অবৈধ কাজ করা হ্যাকারদের ধরন হচ্ছে - তারা ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার।

• হ্যাকিং:
- প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়।
- বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়। যথা:

১. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার:
- একজন Black hat hacker যখন কোন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি খুঁজে বের করে, তখন দ্রুত ঐ ত্রুটি কে নিজের স্বার্থে কাজে লাগায়।
- বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।

২. গ্রে হ্যাট হ্যাকার:
- এ ধরনের হ্যাকাররা দুই ধরনের বৈধ এবং অবৈধ দুই ধরনের কাজ করতে পারে।
- একজন গ্রে হ্যাট হ্যাকার যখন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি গুলো খুঁজে বের করে তখন সে তার মন মত কাজ করে।
- এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোকে ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।

৩. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার:
- একজন হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি গুলো বের করে এবং ঐ সিকিউরিটি সিস্টেমের মালিককে ত্রুটির বিষয়ে দ্রুত অবহতি করে।
- সিকিউরিটি সিস্টেমটি হতে পারে একটি কম্পিউটার, একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, একটি ওয়েবসাইট, একটি সফটওয়্যার ইত্যাদি।

• গ্রিন হ্যাট হ্যাকার নামে কোনো হ্যাকার গ্রুপের অস্থিত নেই।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

.
ক্লাউড কম্পিউটিং-এর সার্ভিস মডেলের মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. SaaS
  2. OaaS
  3. PaaS
  4. IaaS
সঠিক উত্তর:
OaaS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
OaaS
ব্যাখ্যা

• OaaS মডেলটি ক্লাউড কম্পিউটিং- এর সার্ভিস মডেল নয়। 

• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল:
সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure-as-a-Service - IaaS): 
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।
- উদাহরণ: আমাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2).

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform-as-a-Service - PaaS): 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ ইত্যাদি থাকে। 
- অ্যাপলিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, Microsoft Azure.

৩. সফটওয়্যার সেবা (Software-as-a-Service - SaaS): 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপলিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: Google Docs.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
ওয়েবসাইট বা পেজের পূর্ণ ঠিকানাকে সাধারণত কী বলা হয়? 
  1. Domain Name
  2. HTTP
  3. IP Address
  4. URL
সঠিক উত্তর:
URL
উত্তর
সঠিক উত্তর:
URL
ব্যাখ্যা

URL (Uniform Resource Locator): 
- একটি ওয়েবসাইট বা পেজের পূর্ণাঙ্গ ঠিকানাকে URL বলা হয়। 
- URL এর পূর্ণরূপ হলো Uniform Resource Locator. 
উদাহরণস্বরূপ: http://www.shikkha.com। তবে শুধুমাত্র www.shikkha.com বা shikkha.com কে URL বলা হয় না। 
- URL তিনটি অংশে বিভক্ত থাকে। 
যথা- 
১) প্রোটোকলের নাম, 
২) হোস্টনেম এবং 
৩) ফাইলের অবস্থানসহ নাম। 
 
- এটি ওয়েবসাইটের নির্দিষ্ট পেজের ঠিকানাকে সঠিকভাবে চিহ্নিত করতে সাহায্য করে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।

.
কোন ম্যালওয়্যার ব্যবহারকারীকে সিস্টেমে প্রবেশাধিকারে বাধা দেয় এবং অর্থের বিনিময়ে মুক্তি দেয়?
  1. র‍্যানসমওয়্যার
  2. ওয়ার্ম
  3. স্পাইওয়্যার
  4. অ্যাডওয়্যার
সঠিক উত্তর:
র‍্যানসমওয়্যার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
র‍্যানসমওয়্যার
ব্যাখ্যা

• র‍্যানসমওয়‍্যার হল এমন এক ধরনের ম্যালওয়্যার যা কম্পিউটার বা ফাইল লক করে দেয় বা এনক্রিপ্ট করে এবং তারপরে মুক্তিপণ (ransom) দাবি করে, যেন ব্যবহারকারী পুনরায় তার ডিভাইস বা ডেটা অ্যাক্সেস করতে পারে।

• ম্যালওয়্যার:
- ম্যালওয়্যার এর পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software.

• কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে-
- অ্যাডওয়‍্যার (Adware),
- স্পাইওয়্যার (Spyware),
- ট্রোজান হর্স (Trojan Horse),
- র‍্যানসমওয়্যার(Ransomware),
- ওয়ার্ম (worms) প্রভৃতি।

• র‍্যানসমওয়্যার:
- র‍্যানসমওয়্যার হলো এক ধরনের ম্যালওয়্যার যেটি একটি কম্পিউটার ডিভাইসকে আক্রান্ত করার পর ব্যবহারকারীকে তার মেশিনে প্রবেশ করা থেকে বিরত রাখে এবং ব্যবহারকারীর প্রবেশগম্যতা (Accessibility) সীমাবদ্ধ করে দেয়, গুরুত্বপূর্ণ ফোল্ডার নিজের নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং এই সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য ব্যবহারকারীর কাছ থেকে মুক্তিপণ (Ransom) দাবি করে।
- কিছু র‍্যানসমওয়্যার সিস্টেমের হার্ড ড্রাইভে অবস্থিত সকল ফাইল একটি বড় কী (Large Key) দিয়ে এনক্রিপ্ট (Encrypt) করে ফেলে।
- এনক্রিপশন কী এতটাই বড় হয় যে মুক্তিপণ না দিয়ে একে ভেঙে ফেলা প্রযুক্তিগত দিক থেকে প্রায় অসম্ভব।
- এছাড়াও কেউ কেউ সরল একটি প্রোগ্রামের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর সিস্টেম লক করে দেয় এবং ডিসপ্লেতে বার্তার মাধ্যমে ব্যবহারকারীকে মুক্তিপণ দিতে বাধ্য করে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)।

১০.
অপ্রয়োজনীয় ই-মেইল বা মেসেজ পাঠানোর প্রক্রিয়া কী নামে পরিচিত? 
  1. Sneaking
  2. Phishing
  3. Spamming
  4. Sniffing
সঠিক উত্তর:
Spamming
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Spamming
ব্যাখ্যা

• সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।

• উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো:
• স্প্যামিং (Spamming):
- অনাকাঙিক্ষত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।

• স্নিফিং (Sniffing):
- ট্রান্সমিশন লাইন দিয়ে তথ্য যাওয়ার সময় হাতিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় স্নিফিং।

• ফিশিং (Phishing):
- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।

• স্নিকিং (Sneaking):
- গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১১.
কোন নেটওয়ার্কের কম্পিউটারগুলো সমান্তরালভাবে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট হিসেবে ব্যবহার করা হয়?
  1. পিয়ার টু পিয়ার
  2. ক্লায়েন্ট সার্ভার
  3. উভয়ই
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পিয়ার টু পিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিয়ার টু পিয়ার
ব্যাখ্যা

• পিয়ার টু পিয়ার (Peer-to-Peer) নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সময়েই সার্ভার ও ক্লায়েন্ট হিসেবে কাজ করে। এখানে কোনো কেন্দ্রীয় সার্ভার থাকে না এবং প্রত্যেক কম্পিউটার অন্য কম্পিউটারের সাথে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করে তথ্য আদান-প্রদান করে। এর ফলে প্রত্যেক ব্যবহারকারী তার নিজের রিসোর্স যেমন ফাইল, প্রিন্টার বা ইন্টারনেট শেয়ার করতে পারে এবং একই সাথে অন্যদের রিসোর্স ব্যবহার করতে পারে। এটি ছোট বা মাঝারি সাইজের নেটওয়ার্কের জন্য উপযোগী এবং সহজে সেটআপ করা যায়। তাই, পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার উভয় ভূমিকা পালন করে, অর্থাৎ সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট উভয়ই।
- সঠিক উত্তর: পিয়ার টু পিয়ার।

• নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
১। ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network), 
২। পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network) ও 
৩। হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybride Network)। 

• ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক:
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে। 

• পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক:
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট। 

• হাইব্রিড নেটওয়ার্ক:
- হাইব্রিড নেটওয়ার্ক মূলত ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- সাধারনত হাইব্রিড নেটওয়ার্কে সার্ভার অংশের প্রাধান্য থাকে।
- তবে এর পাশাপাশি অল্প বিস্তারে পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের অংশ থাকে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২.
রেকর্ডকে এককভাবে নির্ধারণ করার জন্য কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. Primary Key
  2. Unique Key
  3. Foreign Key
  4. Composite Key
সঠিক উত্তর:
Primary Key
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Primary Key
ব্যাখ্যা

• একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করার জন্য ডাটাবেজে Primary Key ব্যবহার করা হয়। এটি প্রতিটি টেবিলের জন্য একটি বিশেষ কলাম বা কলামসমষ্টি, যা টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে ইউনিকভাবে চিহ্নিত করে। Primary Key-এর মাধ্যমে কোনো দুইটি রেকর্ডের মধ্যে একই মান থাকতে পারে না এবং এটি কখনো শূন্য (NULL) হতে পারে না। অন্যদিকে, Composite Key হল একাধিক কলামের সমন্বয়ে গঠিত একটি কী যা রেকর্ডকে অনন্য করে, কিন্তু এটি মূলত Primary Key-এর একটি ধরন। Foreign Key হলো অন্য টেবিলের Primary Key-কে নির্দেশ করে যা টেবিলগুলোর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে। Unique Key ও Primary Key দুটোই ইউনিক মান নিশ্চিত করে, তবে Unique Key NULL মান রাখতে পারে।
- তাই, রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত হলো Primary Key.

• কী (Key) ফিল্ড:
- সাধারণত কোনো একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ডের সাহায্যে ডাটাবেজ থেকে রেকর্ড অনুসন্ধান করা, দুই বা ততোধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা, ডাটাবেজের রেকর্ড শনাক্ত করা ইত্যাদি কাজ করা যায়।

• কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হতে পারে, যথা:
১. প্রাইমারি কী (Primary Key),
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key),
৩. ফরেন কী (Foreign Key).

• প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোনো একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে (Unique) শনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- কোনো ফাইলে সাধারণত এক বা একাধিক ফিল্ড থাকে।
- এই ফিল্ডগুলোর মধ্যে- একটি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর একটিই থাকে।
- কোনো ফাইলে যে সকল ফিল্ডের ডাটাগুলো অদ্বিতীয় হয় সে সকল ফিল্ডই প্রাইমারি কী হওয়ার যোগ্য।

উৎস:
১) কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩.
ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করার ক্ষেত্রে কোন প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়?
  1. TCP/IP
  2. SMTP
  3. HTTP
  4. FTP
সঠিক উত্তর:
HTTP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
HTTP
ব্যাখ্যা

◉ HTTP (HyperText Transfer Protocol) হল ওয়েবসাইট ব্রাউজ করার জন্য ব্যবহৃত প্রধান প্রোটোকল, যা ওয়েব সার্ভার এবং ওয়েব ব্রাউজারের মধ্যে ডাটা ট্রান্সফার করে। নিরাপদ সংযোগের জন্য HTTPS (HyperText Transfer Protocol Secure) ব্যবহৃত হয়, যা SSL/TLS এনক্রিপশন সাপোর্ট করে।

HTTP:
- HTTP এর পূর্ণরূপ হচ্ছে "Hyper Text Transfer Protocol".
- এটি হলো একটি অ্যাপ্লিকেশন লেবেল প্রোটোকল যা ওয়েবে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করে থাকে।

• HTTP এর কাজ:
- সার্ভারের সাথে ব্রাউজারের যোগাযোগ করে।
- ব্রাউজারের যেকোনো অনুরোধ সার্ভারে পৌঁছে দেয়।
- সার্ভার থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য, ইমেজ ব্রাউজারে নিয়ে আসে।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
- FTP (File Transfer Protocol): ফাইল ট্রান্সফারের জন্য ব্যবহৃত হয়, ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করার জন্য নয়।

- SMTP (Simple Mail Transfer Protocol): ইমেইল প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত হয়।

- TCP/IP (Transmission Control Protocol/Internet Protocol): এটি একটি প্রোটোকল স্যুট যা ইন্টারনেটে ডেটা কমিউনিকেশনের ভিত্তি, কিন্তু এটি সরাসরি ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করার জন্য ব্যবহৃত হয় না।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।

১৪.
LinkedIn-এর প্যারেন্ট কোম্পানি কোনটি?
  1. IBM
  2. Google
  3. Microsoft Corporation
  4. Meta
সঠিক উত্তর:
Microsoft Corporation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Microsoft Corporation
ব্যাখ্যা

Linkedin:
- LinkedIn ফেসবুক বা টুইটারের মতই একটা social networking site যা চাকুরীজীবী এবং ব্যবসায়ীদের জন্য বিশেষায়িত ভাবে তৈরিকৃত।
- সামাজিক যোগাযোগের এই সাইটটি পেশাজীবীরা বেশি ব্যবহার করে থাকে। 
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২০০২ সালে এবং ২০০৩ সালে চালু করা হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা - রেইড হফম্যান (Reid Hoffman)।
- সদর দপ্তর - ক্যালিফোর্নিয়ার মাউন্ট ভিউ, যুক্তরাষ্ট্র।
- ২০০৫ সালে কোম্পানিগুলোকে চাকরির বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার সুযোগ দেয়।
- মূল সংস্থা: Microsoft Corporation.

উৎস: Britanica.

১৫.
বর্তমানে ব্যবহার করা IP এড্রেসের সংস্করণ সংখ্যা কতটি?
  1. দুই
  2. এক
  3. চার
  4. তিন
সঠিক উত্তর:
দুই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই
ব্যাখ্যা

• বর্তমানে দুই ধরনের IP এড্রেস সংস্করণ ব্যবহৃত হয়, যা হলো IPv4 এবং IPv6. IPv4 (Internet Protocol version 4) সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত সংস্করণ, যা ৩২-বিট এড্রেস ব্যবহার করে এবং প্রায় ৪.৩ বিলিয়ন ইউনিক এড্রেস তৈরি করতে সক্ষম। তবে, ইন্টারনেট ডিভাইসের সংখ্যা বৃদ্ধির কারণে IPv4 এড্রেসের অভাব দেখা দিয়েছে। এই সমস্যা সমাধানের জন্য IPv6 তৈরি করা হয়েছে, যা ১২৮-বিট এড্রেস ব্যবহার করে এবং প্রচুর সংখ্যক ইউনিক এড্রেস প্রদান করতে পারে। IPv6 ধীরে ধীরে বিশ্বব্যাপী গ্রহণযোগ্যতা পাচ্ছে এবং এটি ভবিষ্যতে ইন্টারনেটের প্রধান এড্রেসিং প্রটোকল হিসেবে ব্যবহৃত হবে। তাই, বর্তমানে দুটি IP এড্রেস সংস্করণ ব্যবহৃত হচ্ছে।
- সঠিক উত্তর: খ) দুই।

IP Address: 
- IP এর পূর্ণরূপ হলো Internet Protocol.
- ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত প্রতিটি কম্পিউটারের একটি ঠিকানা থাকে। এ ঠিকানাকে বলা হয় আইপি অ্যাড্রেস (IP Address)।
- তথ্য আদান প্রদানে সাধারণত IP Address ব্যবহৃত হয়ে থাকে। সাধারণ ব্যবহারকারীগণ IP Address এর মাধ্যমে তথ্যবলি গ্রহণ ও প্রেরণ করে থাকেন।
- সমগ্র বিশ্বের সকল ধরনের আইপি অ্যাড্রেস ও ডোমেইন নেম নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনাকারী সংস্থা হলো ICANN (Internet Corporation for Assigned Names and Numbers)।

আইপি অ্যাড্রেস দু'ধরনের হয়ে থাকে। যথা-
১। IPv4 (Internet Protocol Version 4) ও
২। IPv6 (Internet Protocol Version 6)

IPv4: 
- চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত যার কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৮০ এর দশকে।
- IPv4 এর অ্যাড্রেস হলো 4 × 8 বা 32 বিটের। যার সাহায্যে 232 বা 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
- ডটেড ডেসিমাল নোটেশন (e.g., 192.168.1.1) এ লেখা হয়।

IPv6: 
- আইপি অ্যাড্রেস এর নতুন ভার্সন হলো IPv6 যা ১৯৯৬ সালে তৈরি করা হয়েছিল IP অ্যাড্রেস এর পরবর্তী প্রজন্ম হিসেবে ব্যবহারের জন্য।
- এই IPv6 এর সাহায্যে 2128 সংখ্যক ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় বা 2128 টি ডিভাইসে ইন্টারনেট সংযোগ দেয়া যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।
- হেক্সাডেসিমাল ফরম্যাটে (e.g., 2001:0db8:85a3::8a2e:0370:7334) লেখা হয়।
- বর্তমানে ইন্টারনেটের পরিধি বিস্তৃত হওয়ায় এবং কম্পিউটার, সার্ভার, নেটওয়ার্ক ডিভাইসসহ অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইসের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় ইন্টারনেট সংযোগ প্রদানের ক্ষেত্রে বিপুল সংখ্যক আইপি অ্যাড্রেসের প্রয়োজন হওয়ায় IPv6 এর প্রয়োজনীতা দেখা যায়।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬.
যদি IPv4 ঠিকানার প্রথম অক্টেট ১২৮ থেকে ১৯১ হয়, তাহলে তা কোন শ্রেণির আইপি?
  1. Class E
  2. Class D
  3. Class C
  4. Class B
সঠিক উত্তর:
Class B
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Class B
ব্যাখ্যা

• আইপি অ্যাড্রেস (IP Address):
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মধ্যে প্রতিটি ডিভাইসকে সনাক্ত করতে ব্যবহৃত একটি একক শনাক্তকারী নম্বর।
- আইপি অ্যাড্রেস দুই ধরনের হয়: IPv4 (Internet Protocol version 4) এবং IPv6 (Internet Protocol version 6)।
- IPv4 আইপি অ্যাড্রেস ৩২-বিট সংখ্যা দ্বারা গঠিত এবং এটি চারটি ৮-বিট অংশে বিভক্ত, প্রতিটি অংশের মান ০ থেকে ২৫৫ এর মধ্যে থাকে (যেমন: 192.168.1.1)।

• IPv4 এর রেঞ্জ এর উপর ভিত্তি করে IP address গুলোকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
1. Class A: প্রথম ৮ বিটের মান ০ - ১২৭ পর্যন্ত।
2. Class B: প্রথম ৮ বিটের মান ১২৮ - ১৯১ পর্যন্ত।
3. Class C: প্রথম ৮ বিটের মান ১৯২ - ২২৩ পর্যন্ত।
4. Class D: প্রথম ৮ বিটের মান ২২৪ - ২৩৯ পর্যন্ত।
5. Class E: প্রথম ৮ বিটের মান ২৪০ - ২৫৫ পর্যন্ত।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মুজিবুর রহমান।
৩. ব্রিটানিকা।

১৭.
সিমপ্লেক্স মোডের উদাহরণ হিসেবে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. মোবাইল
  2. ওয়াকি-টকি
  3. রেডিও
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
রেডিও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেডিও
ব্যাখ্যা

• ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
১। সিমপ্লেক্স (Simplex),
২। হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩। ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex)।

• সিমপ্লেক্স:
- শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স।
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না। যেমন - রেডিও, টেলিভিশন, কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা প্রেরণ, কী-বোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডেটা প্রেরণ ইত্যাদি।

• হাফ-ডুপ্লেক্স:
- হাফ-ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমেশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের সংযোগ থাকে, তবে তা একই সময়ে সম্ভব না। যেমন- ওয়াকি-টকি।

• ফুল-ডুপ্লেক্স:
- ফুল ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে।
- যেকোন প্রান্ত প্রয়োজনে ডাটা প্রেরণ করার সময় ডাটা গ্রহণ অথবা ডাটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারে। যেমন- টেলিফোন, মোবাইল।

উৎস: একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।

১৮.
আন্তর্জাতিকভাবে সব ইন্টারনেট ঠিকানা এবং ডোমেইন নাম নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান হচ্ছে -
  1. W3C
  2. IANA
  3. ICANN
  4. WWW
সঠিক উত্তর:
ICANN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ICANN
ব্যাখ্যা

- বিশ্বের সকল আইপি অ্যাড্রেস ও ডোমেইন নেইম নিয়ন্ত্রণ করে ICANN নামক প্রতিষ্ঠান।

• ICANN:
- ICANN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Internet Corporation for Assigned Names and Numbers.
- এই প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বের সকল আইপি অ্যাড্রেস ও ডোমেইন নেইম নিয়ন্ত্রণ করে।
- এর একটি অলাভজনক অনুবিভাগ হলো- Internet Assigned Numbers Authority (IANA).
- IANA ডোমেইন নেইম রেজিস্ট্রেশনের অনুমোদন দিয়ে থাকে।
- সকল ডোমেইন নেইমকে ICANN একটি ডেটাবেজ ফাইলে সংরক্ষণ করে থাকে।
- প্রচলিত কয়েকটি জনপ্রিয় জেনেরিক ডোমেইন হলো- com, net, edu, gov, int, mil, org.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৯.
ডাটাবেজের রেকর্ডের মৌলিক একক কী নামে পরিচিত?
  1. ফাইল
  2. ফিল্ড
  3. টেবিল
  4. রেকর্ড
সঠিক উত্তর:
ফিল্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিল্ড
ব্যাখ্যা

ফিল্ড: 
- রেকর্ডের ক্ষুদ্রতম অংশ হলো ফিল্ড।
- ফিল্ড হলো ক্ষুদ্রতম ডেটা ইউনিট যা ব্যবহারকারী একই জাতীয় ডেটাকে একটি ক্যাটাগরিতে নামকরণ করেন। 
- রেকর্ডের প্রতিটি উপাদান যেমন- নাম, ঠিকানা, টেলিফোন নম্বর ইত্যাদিকে এক একটি ফিল্ড হিসেবে ধরা হয়। 
- প্রতিটি ফিল্ড সাধারণত কলাম হেডিং হিসেবে থাকে।
- কলামের একটি সেলের (Cell) ডেটাকে আমরা একটি ফিল্ড হিসেবে ধরি এবং পুরাে কলামটিতে থাকে একই ধরনের ডেটা। 

রেকর্ড: 
- অনেকগুলাে ফিল্ডের সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি রেকর্ড। 
- সাধারণভাবে পুরাে একটি রাে বা সারিকেই আমরা রেকর্ড হিসেবে বিবেচনা করি। 
- যদি কোনাে টেবিলে গ্রাহকের নাম ও ঠিকানা লিপিবদ্ধ থাকে তবে সে গ্রাহকের নাম ও ঠিকানা মিলে হবে একটি রেকর্ড। 

ফাইল: 
- এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে একটি ডেটাবেজ ফাইল তৈরী করা যায়। 
- একটি ফাইলে অসংখ্য রেকর্ড রাখা যায়। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) এবং কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২০.
কোন নেটওয়ার্ক সর্বাধিক এলাকা জুড়ে বিস্তৃত থাকে?
  1. WAN
  2. LAN
  3. PAN 
  4. MAN 
সঠিক উত্তর:
WAN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
WAN
ব্যাখ্যা

• সবচেয়ে বিস্তৃত কভারেজের নেটওয়ার্ক হলো WAN.

• WAN:
- WAN এর পূর্ণরূপ Wide Area Network.
- অনেক বড় ভৌগোলিক বিস্তৃতিতে অবস্থিত LAN, MAN, কম্পিউটার ও বিভিন্ন ডিভাইসের সংযোগে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়, তাকে WAN বলা হয়।
- WAN এর বিস্তৃতি সারা দেশ বা সমগ্র পৃথিবী জুড়ে হতে পারে।
- পৃথিবীর সবচেয়ে বর WAN এর উদাহরণ হলো ইন্টারনেট।
- এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে ই-মেইল আদান-প্রদান করা, বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্রাউজ করা, ফাইল ডাউনলোড, অনলাইন শপিং ইত্যাদি করা যায়।
- উদাহরণ: ইন্টারনেট, ব্যাংকের আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক, মোবাইল অপারেটরের নেটওয়ার্ক।

• LAN:
- LAN এর পূর্ণরূপ হলো Local Area Network.
- LAN এর মাধ্যমে 1Km বা তার কম দূরত্বের ডিভাইসগুলো সংযুক্ত করে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়।
- উদাহরণ: স্কুলের কম্পিউটার ল্যাব নেটওয়ার্ক।

• PAN:
PAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Personal Area Network.
- কোনো ব্যক্তির নিকটবর্তী ব্যক্তিগত ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে তথ্য আদান প্রদানের নেটওয়ার্ক সিস্টেমকে পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান বলে।
- PAN এর বিস্তৃতি সাধারণত কয়েক মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- ব্যক্তিগত ডিভাইসের মধ্যে যোগাযোগ (যেমন: ব্লুটুথ, ইনফ্রারেড)।

• MAN:
- MAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Metropolitan Area Network
- একই শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কম্পিউটারসমূহ বিভিন্ন ডিভাইস ও LAN গুলোর সংযোগে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়, তাকে MAN বলা হয়।
- MAN এর ক্ষেত্রে ট্রান্সমিশন মিডিয়া হিসেবে সাধারণত টেলিফোন লাইন, মডেম বা মাইক্রোওয়েভ ব্যবহার করা হয়।
- উদাহরণ: ঢাকা শহরের ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্ক।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

২১.
ডোমেইন নেমকে আইপি ঠিকানায় রূপান্তর করার জন্য কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. TCP
  2. Browser
  3. DNS server
  4. IP Translator
সঠিক উত্তর:
DNS server
উত্তর
সঠিক উত্তর:
DNS server
ব্যাখ্যা

DNS সার্ভার: 
- যে পদ্ধতিতে ডোমেইন নেইমকে নিয়ন্ত্রণ করা হয় তাকে ডোমেইন নেইম সিস্টেম বলে।
- DNS Server ডোমেইন নেমকে আইপি অ্যাড্রেসে অনুবাদ করে।
- DNS সার্ভারের পূর্ণরূপ Domain Name System সার্ভার।
- একজন ব্যবহারকারী যখন একটি ওয়েবসাইটে ক্লিক করে, তখন এই নির্দেশ DNS Server এ গিয়ে পৌঁছায়। 
- ডোমেইন নেইম এর বিভিন্ন অংশ থাকে। ডট (.) অপারেটর দ্বারা অংশগুলো বিভক্ত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২২.
কোনটি প্রাইমারি কী-এর উদাহরণ?
  1. মোবাইল নম্বর
  2. ব্লাড গ্রুপ
  3. নাম
  4. ঠিকানা
সঠিক উত্তর:
মোবাইল নম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোবাইল নম্বর
ব্যাখ্যা

• কী-ফিল্ড:
- যে ফিল্ড এর উপর ভিত্তি করে ডাটাবেজ এর ডেটা শনাক্ত, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজ করা হয়, তাকে কী-ফিল্ড বলে।
• কী ৩ ধরনের হয়। যথা:

১. প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড এর মান দ্বারা একটি রেকর্ডকে অন্য রেকর্ড থেকে আলাদা করা যায় তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- যেমন: ID হলো ডাটা টেবিলের এমন একটি অদ্বিতীয় ফিল্ড যার ডাটা অন্য ডাটার সাথে মিলে না। একজনের ID অন্যজনের সাথে কখনোই মিলে না সাধারণত।
- রোল নম্বর, মোবাইল নম্বর একটি প্রাইমারি কী এর উদাহরণ কারণ প্রত্যাকের রোল বা মোবাইল নম্বর ভিন্ন হয়ে থাকে।

২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যদি একটি ডাটা টেবিলের একাধিক কী একসাথে প্রাইমারি কী হিসাবে কাজ করে তাহলে তাদেরকে একসাথে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।

৩. ফরেন কী:
- একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য একটি টেবিলে থাকে তাহলে অন্য টেবিলের সেই কী কে ফরেন কী বলা হয়।
- যেমন: একটি কোম্পানির ২ টা ডাটা টেবিলের মধ্যে তাদের এমপ্লয়িদের ID ফিল্ড একই থাকলে তাকে একটি নির্দিষ্ট টেবিলের সাপেক্ষে অন্য টেবিলের ফরেন কি বলে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. ব্রিটানিকা।