পরীক্ষা আর্কাইভ

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived

পরীক্ষা৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন৩৮
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১০ পার্ট-১: ১) গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলোর সাধারণ তথ্য এবং ইতিহাস (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভারত, চীন, ফ্রান্স, রাশিয়ার, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি, কানাডা, অস্ট্রেলিয়ার, দক্ষিণ আফ্রিকা, জাপান)। ২) NATO, Warsaw Pact, INTERPOL, ANZUS, নিরাপত্তা সম্মেলন সমূহ, FBI, CIA, FSB, RAW, Fairfax, মোসাদ, আমান, M16, হামাস, হিজবুল্লাহ, আল শাবাব, আইরিস রিপাবলিকান আর্মি, টুপাক আমারু, ফার্ক, আবু শায়াফ, শাইনিং পাথ, M-23, উলফা, খেমারুজ, পিকেকে, ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর, গডস আর্মি, ইসলামিক স্ট্যাট, হুথি বিদ্রোহী, লস্কর-ই তৈইব্যা, জইশ মোহাম্মদ, হিজবুত তাহরীর, JKLF, নকশাল, তানজিম আল জিহাদ, M19. পার্ট-২) নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সু-শাসন: 1) Definition of Values Education and Good Governance; 2) Relation between Values Education and Good Governance; 3) General Perception of Values Education and Good Governance; 4) Importance of Values Education and Good Governance in the life of an individual as a citizen as well as in the making of society and national ideals. ------------------ পার্ট–১ সোর্স: যেকোনো গাইড বই। তবে, সংস্থাগুলোর অফিশিয়াল ওয়েবসাইটগুলো সম্ভব হলে একটু দেখে নিবেন। গাইডে অনেক সময় ভুল থাকে। পার্ট-২ সোর্স: যেকোনো গাইড বই, SSC & HSC পৌরনীতি বোর্ড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৮ প্রশ্ন

.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাকালীন অঙ্গরাজ্য কতটি?
  1. ৮টি
  2. ৯টি
  3. ১১টি
  4. ১৩টি
ব্যাখ্যা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র:
- আবিষ্কারক: ১৪৯২ সালে ইতালিয়ান নাবিক কলম্বাস।
- স্বাধীনতা লাভ করে: ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে যুক্তরাজ্য থেকে।
- যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় দিবস: ৪ জুলাই।
- প্রতিষ্ঠাকালীন অঙ্গরাজ্য: ১৩টি।
- বর্তমান অঙ্গরাজ্য: ৫০ টি।
- সর্বশেষ অঙ্গরাজ্য: হাওয়াই।
- ইলেক্টোরাল ভোটের সংখ্যা: ৫৩৮টি।
- আইনসভা: কংগ্রেস (দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট)।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: ডোনাল্ড ট্রাম্প।

⇒ প্রচলিত তথ্য মতে ১৪৯৩ সালের ১৫ মার্চ কলম্বাস আমেরিকা মহাদেশ আবিষ্কার করেন।
- কলম্বাসের হাত ধরেই আমেরিকা মহাদেশে ইউরোপিয়ান সাম্রাজ্যবাদীদের বাণিজ্যিক ও সামরিক সম্পর্কের সূত্রপাত ঘটে।
- ১৬০৭ সালে ব্রিটেন জেমসটাউনে সর্ব প্রথম কলোনি স্থাপন করতে সক্ষম হয়।

⇒ ১৭৭৫ সালের এপ্রিলে লেক্সিংটন ও কনকর্ডের যুদ্ধের মাধ্যমে সশস্ত্র সংঘর্ষ শুরু হয়।
- ১৭৭৪ সালে ফিলাডেলফিয়ায় এক সম্মেলনে ঔপনিবেশিক তেরোটি রাজ্যের মধ্যে জর্জিয়া বাদে বারোটা রাজ্য একত্রিত হয়ে ব্রিটিশদের নিজেদের দাবি ও অধিকার আদায়ের আবেদন করেন। কিন্তু আবেদন ফলপ্রসূ না হওয়ায় ১৭৭৫ সালে তেরোটি উপনিবেশ মিলে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়। জর্জ ওয়াশিংটনকে করা হয় প্রধান সেনাপতি এবং ওই বছরই ল্যাকজিন্টনে আমেরিকানরা ব্রিটিশদের সঙ্গে সম্মুখ যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়।
- ১৭৭৬ সালের ৪ জুলাই ফিলাডেলফিয়ায় কন্টিনেন্টাল কংগ্রেসে থমাস জেফারসনের নেতৃত্বে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র গৃহীত হয়, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্ম দেয়।
- ১৭৭৬ সালে জর্জ ওয়াশিংটন বিরাট বাহিনী নিয়ে প্রচুর শক্তি সঞ্চয় করে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হন এবং অতি সহজেই বোস্টন থেকে ব্রিটিশ বাহিনীকে সম্পূর্ণ ভাবে তাড়িয়ে ৪ জুলাই আমেরিকার স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।

উল্লেখ্য,
- ১৭৮৩ সালে প্যারিস চুক্তির মাধ্যমে ব্রিটেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা স্বীকার করে।
- তেরোটি উপনিবেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে একত্রিত হয়, পরবর্তীতে ১৭৮৭ সালে মার্কিন সংবিধান গৃহীত হয়।

উৎস: i) Britannica.
ii) History.com
.
ন্যাটোর গাইডলাইন অনুযায়ী, প্রতিটি দেশকে জিডিপির কত শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করতে হবে?
  1. ২ শতাংশ
  2. ৩.৫ শতাংশ
  3. ৪.২৫ শতাংশ
  4. ৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation অথবা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- ন্যাটো মূলত সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।

⇒ ন্যাটোর গাইডলাইন অনুযায়ী, প্রতিটি দেশকে জিডিপির ৫ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করা উচিত।
- ২০২৫ সালের ২৪-২৫ জুন নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অনুষ্ঠিত ৭৬তম ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে ন্যাটো সদস্য রাষ্ট্রগুলো ২০৩৫ সালের মধ্যে প্রতিরক্ষা ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা দ্বিগুণেরও বেশি বাড়িয়ে তাদের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশ নির্ধারণের ব্যাপারে একমত হয়েছে।
- এই ৫ শতাংশের মধ্যে অন্তত ৩.৫ শতাংশ ব্যয় করা হবে সরাসরি প্রতিরক্ষার জন্য, বাকি অর্থ ব্যয় করা হবে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত "গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো," নাগরিক প্রস্তুতি, উদ্ভাবন এবং প্রতিরক্ষা শিল্প খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য।

উল্লেখ্য,
- এর পূর্বে প্রতিটি দেশকে জিডিপির ২ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করার বাধ্যবাধকতা ছিল।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
.
ইন্টারপোলের রেড নোটিস কী?
  1. সন্ত্রাসবিরোধী নীতি
  2. আন্তর্জাতিক ভ্রমণ সতর্কতা
  3. আর্থিক লেনদেনের নোটিশ
  4. আন্তর্জাতিক গ্রেফতারি অনুরোধ
ব্যাখ্যা
ইন্টারপোল (Interpol):
- Interpol-এর পূর্ণরূপ: International Criminal Police Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯২৩।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- প্রতিষ্ঠাতা: জোহানেস স্কোবার (Dr Johannes Schober) [অস্ট্রিয়ার পুলিশ প্রধান]।
- সদর দপ্তর: লিঁও, ফ্রান্স।
- ইন্টারপোলের ভাষা: ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ ও আরবি।
- সদস্য সংখ্যা: ১৯৬টি (সর্বশেষ সদস্য: পালাউ)।
- বর্তমান সভাপতি: আহমেদ নাসের আল-রাইসি (Major General Ahmed Naser Al-Raisi) [২০২১-২০২৫]।
- বর্তমান মহাসচিব: ভালডেসি উরকুইজা (Valdecy Urquiza) [ব্রাজিল]।
- ইন্টারপোলের মূল লক্ষ্য হলো বিভিন্ন দেশের পুলিশ বাহিনীকে একত্রে কাজ করার সুযোগ করে দিয়ে বৈশ্বিক নিরাপত্তা হুমকি মোকাবেলা করা।

⇒ পূর্ব নাম: International Criminal Police Commission.
- বর্তমান নাম International Criminal Police Organization গ্রহণ করে ১৯৫৬ সালে।

⇒ রেড নোটিস: আন্তর্জাতিক গ্রেফতারি অনুরোধ।
- বিশ্বব্যাপী পুলিশি সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য এটি তৈরি হয়েছে। ইন্টারপোলের নিজস্বভাবে কাউকে গ্রেপ্তার বা আটক করার ক্ষমতা নেই। তবে ইন্টারপোল একটি আন্তর্জাতিক নোটিস ব্যবস্থার সমন্বয় করে। এর মাধ্যমে সদস্য দেশগুলোর পুলিশ একে অন্যের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে। এটি একটি সদস্য দেশ এজন্য করে থাকে যে সে চায় অন্য দেশগুলো তাকে একজন অপরাধীর অবস্থান খুঁজে পেতে এবং তাকে গ্রেপ্তার করতে সহায়তা করুক।

উৎস: Interpol ওয়েবসাইট। [link]
.
মিয়ানমারে রোহিঙ্গারা নাগরিকত্ব হারায় কবে?
  1. ১৯৭১ সালে
  2. ১৯৭৭ সালে
  3. ১৯৮২ সালে
  4. ১৯৮৯ সালে
ব্যাখ্যা
মিয়ানমারে রোহিঙ্গা:
- রোহিঙ্গা হলো মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের একটি নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী।
- এরা মূলত মিয়ানমারের রাখাইন (আরাকান) রাজ্যের একটি মুসলিম সম্প্রদায়।
- একবিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে রাখাইন রাজ্যের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ছিল রোহিঙ্গা।

উল্লেখ্য,
- ১৯৪৮ সালে মিয়ানমার স্বাধীনতা লাভ করে।
- মিয়ানমারের রোহিঙ্গারা ১৯৮২ সালে তাদের নাগরিকত্ব হারায়।
- ১৯৮২ সালের নাগরিকত্ব আইনের মাধ্যমে তাদের নাগরিকত্ব বাতিল করা হয় এবং তাদের রাষ্ট্রবিহীন করে দেওয়া হয়।

উৎস: Britannica.
.
ওয়ারশ চুক্তির সদস্য রাষ্ট্র কতটি ছিল?
  1. ৬টি
  2. ৭টি
  3. ৮টি
  4. ৯টি
ব্যাখ্যা
ওয়ারশ চুক্তি (Warsaw Pact):
- Warsaw Pact-এর পূর্ণরূপ: Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance.
- এটি একটি প্রতিরক্ষা ও সহোযোগিতা চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ মে, ১৯৫৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: ওয়ারশ, পোল্যান্ড।
- সদস্য সংখ্যা ছিলো: ৮টি (সোভিয়েত ইউনিয়ন, আলবেনিয়া, বুলগেরিয়া, চেকোস্লাভাকিয়া, পূর্ব জার্মানি, হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড ও রোমানিয়া)।
- উদ্দেশ্য: পশ্চিমা দেশের (বিশেষত ন্যাটো) বিরুদ্ধে সামরিক সুরক্ষা এবং পূর্ব ইউরোপে সোভিয়েত প্রভাব বৃদ্ধি।
- এটি ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে একটি সামরিক জোট, যা পূর্ব ইউরোপে সোভিয়েত প্রভাব শক্তিশালী করতে সাহায্য করেছিল।

উল্লেখ্য,
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের ৮টি দেশের সমন্বয়ে গঠিত।
- মূলত ন্যাটো জোটের বিপরীত জোট হিসেবে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক দেশগুলো ১৯৫৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ওয়ারশ প্যাক্ট নামে সামরিক জোট গঠন করে।
- যদিও আলবেনিয়া ১৯৬৮ সালে এই জোট থেকে সড়ে আসে।

⇒ ১৯৯১ সালের ২৫শে ফেব্রুয়ারি ওয়ারশ চুক্তির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
- চেকোস্লোভাক রাষ্ট্রপতি ভ্যাক্লাভ হ্যাভেল ১৯৯১ সালের ১লা জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে এর সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

উৎস: i) NATO ওয়েবসাইট।
ii) Britannica.
.
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন সর্বপ্রথম কবে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৫৫ সালে
  2. ১৯৬৩ সালে
  3. ১৯৭৫ সালে
  4. ১৯৯১ সালে
ব্যাখ্যা
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন:
- মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন (Munich Security Conference - MSC) হলো একটি বার্ষিক আন্তর্জাতিক সম্মেলন যা মূলত নিরাপত্তা এবং প্রতিরক্ষা সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে আয়োজন করা হয়।
- ১৯৬৩ সালে সর্বপ্রথম মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী নিরাপত্তা সম্মেলন হিসেবে বিবেচিত।
- এর লক্ষ্য হলো বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে আলোচনা করা এবং সমাধান খোঁজা।
- এটি প্রতি বছর ফেব্রুয়ারিতে জার্মানির মিউনিখে অনুষ্ঠিত হয়।
- বিশ্বের বিভিন্ন শক্তিশালী দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী, কূটনীতিক এবং নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা এই সম্মেলনে অংশ নেন।

উল্লেখ্য,
- মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের প্রধান দুই উদ্যোক্তা এভাল্ড ভন ক্লাইস্ট ও হোর্স্ট টেল্টশিক।
- প্রথম এক দশক এই সম্মেলনে শুধু যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো জোটভুক্ত দেশগুলোই অংশ নিত।
- স্নায়ুযুদ্ধের অবসানের পর মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের এভাল্ড ভন ক্লাইস্ট ও হোর্স্ট টেল্টশিক এই সম্মেলনকে বিশ্বজনীন রূপ দেওয়ার প্রয়াসে নতুন রূপরেখা তৈরি করেন।
- তারপর থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনায়কেরা মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে অংশ নিয়ে পারস্পরিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক ও সমস্যা নিয়ে আলোচনা করছেন।
- ২০২৫ সালে ৬১তম মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উৎস: Munich Security Conference ওয়েবসাইট।
.
বার্লিন দেয়াল কত সালে নির্মিত হয়?
  1. ১৯৬১ সালে
  2. ১৯৭২ সালে
  3. ১৯৮১ সালে
  4. ১৯৯০ সালে
ব্যাখ্যা
বার্লিন প্রাচীর:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানি প্রধানত চারভাগে বিভক্ত হয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স ও সোভিয়েত ইউনিয়নের অধীনে চলে যায়।
- স্নায়ুযুদ্ধের ফলে ফ্রান্স, ব্রিটেন ও যুক্তরাষ্ট্রের অধীনের অংশগুলো একত্রিত করে গঠিত হয় ফেডারেল রিপাবলিক অব জার্মানি (পশ্চিম জার্মানি) এবং সোভিয়েত ইউনিয়নেরে অধীনের অংশে গঠিত হয় ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব জার্মানি (পূর্ব জার্মানি)।

উল্লেখ্য,
- পুঁজিবাদী শাসনব্যবস্থার ফলে পশ্চিম জার্মানি সমৃদ্ধ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে ওঠে।
- অপরদিকে সমাজতান্ত্রিক পূর্ব জার্মানি অপেক্ষাকৃত কম উন্নত হওয়ায় এ অংশের জনগণ পশ্চিম জার্মানিতে গমন করা শুরু করে।
- এ পরিস্থিতিতে পশ্চিম জার্মানির পুঁজিবাদের ধাক্কা যেন পূর্ব জার্মানিতে না লাগে এবং অভিবাসন যেন ঠেকানো যায় সে লক্ষ্যে পূর্ব জার্মানি ১৩ আগস্ট, ১৯৬১ সালে বার্লিন শহরের মাঝ দিয়ে প্রাচীর তৈরি করা শুরু করে।
- এ প্রাচীরের দৈর্ঘ্য ছিল ১৫৫ কি.মি।

⇒ ৯ নভেম্বর, ১৯৮৯ সালে বার্লিন প্রাচীরের পতন ঘটে।
- ৩ অক্টোবর, ১৯৯০ সালে দুই জার্মানি (পশ্চিম জার্মানি ও পূর্ব জার্মানি) একত্রিত হয়।

উৎস: Britannica.
.
'MI6' কী নামে পরিচিত?
  1. Secret Service Agency
  2. National Security Bureau
  3. Secret Intelligence Service
  4. Central Intelligence Agency
ব্যাখ্যা

MI6:
- MI6 'Secret Intelligence Service' নামে পরিচিত।
- এটি যুক্তরাজ্যের বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা।
- এটি বিদেশী গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ এবং ব্রিটিশ সরকারের কাছে প্রচারের জন্য দায়িত্বশীল।
- এটি ১৯০৯ সালে সিক্রেট সার্ভিস ব্যুরোর অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সদর দপ্তর: লন্ডন, যুক্তরাজ্য।
- সামরিক গোয়েন্দা (Military Intelligence) বিভাগের ছয় নম্বর সেকশন হিসেবে MI6 নামে পরিচিত।
- জার্মানিতে অ্যাডলফ হিটলারের ক্ষমতায় উত্থানের পর, MI6 ইউরোপ, লাতিন আমেরিকা এবং এশিয়ার বেশিরভাগ অংশে গুপ্তচরবৃত্তি কার্যক্রম পরিচালনা করে।

উল্লেখ্য,
- এটি অ্যাডলফ হিটলারের ক্ষমতায় উত্থানের সময় ইউরোপ, লাতিন আমেরিকা ও এশিয়ায় গুপ্তচরবৃত্তি কার্যক্রম পরিচালনা, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহে ভূমিকা, শীতল যুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা কার্যক্রমের জন্য বিখ্যাত।

উৎস: SIS (Secret Intelligence Service) ওয়েবসাইট।

.
Federal Security Service (FSB) কোন সংস্থার উত্তরসূরি হিসেবে বিবেচিত হয়?
  1. CIA
  2. MI5
  3. SIS
  4. KGB
ব্যাখ্যা
FSB:
- FSB-এর পূর্ণরুপ: Federal Security Service.
- রাশিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (FSB)।
- এটি KGB-এর উত্তরসূরি হিসেবে বিবেচিত হয়।
- রাশিয়ান রাষ্ট্রপতি বরিস ইয়েলৎসিন এই পরিষেবাটির নাম পরিবর্তন করে FSB রাখেন।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ১৯৯৪ সালে।
- সদর দপ্তর: মস্কো, রাশিয়া।
- পরিচালক: আলেকজান্ডার বোর্টনিকভ (Alexander Bortnikov)।

উৎস: Britannica.
১০.
অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে জনবহুল শহর কোনটি? [জুলাই, ২০২৫]
  1. পার্থ
  2. মেলবোর্ন
  3. সিডনি
  4. ক্যানবেরা
ব্যাখ্যা
অস্ট্রেলিয়া:
- অস্ট্রেলিয়া ওশেনিয়া মহাদেশের একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র।
- আয়তনের দিক থেকে এটি ওশেনিয়ার সর্ব বৃহ‌ৎ রাষ্ট্র ও পৃথিবীর ৬ষ্ঠ বৃহত্তম রাষ্ট্র।
- যুক্তরাজ্য থেকে স্বাধীনতা লাভ করে ১৯০১ সালে।
- রাজধানী: ক্যানবেরা।
- সবচেয়ে জনবহুল শহর: সিডনি।
- মুদ্রা: অস্ট্রেলিয়ান ডলার।
- সরকার প্রধান: প্রধানমন্ত্রী।
- অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী: অ্যান্টনি নরম্যান অ্যালবানিজ।
- সিডনিতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের নাম: কিরিবিলি হাউস।

উল্লেখ্য,
- অস্ট্রেলিয়ার ২য় জনবহুল শহর মেলবোর্ন।

উৎস: i) Britannica.
ii) World Population Review. [link]
১১.
ANZUS চুক্তির সদস্য দেশগুলো কোনটি?
  1. নিউজিল্যান্ড, জাপান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  2. অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  3. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া
  4. অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, কানাডা
ব্যাখ্যা
ANZUS:
- এটি একটি সামরিক জোট।
- ANZUS চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫১।
- কার্যকর হয়: ১৯৫২ সালে।
- সদস্য দেশ: অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: সান ফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া।
- লক্ষ্য: সদস্য রাষ্ট্রগুলোর বিরুদ্ধে বৈদেশিক আগ্রাসন প্রতিহত করা।
- সদরদপ্তর : ক্যানবেরা, অস্ট্রেলিয়া।

উল্লেখ্য,
- ANZUS চুক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতা নিশ্চিত করতে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- ১৯৮০ এর দশকে নিউজিল্যান্ডের পরমাণু বিরোধী নীতি চালুর কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চুক্তির বাধ্যবাধকতা স্থগিত করে।
- এর ফলে ANZUS চুক্তি বাস্তবে অকার্যকর হয়ে পড়ে।
- যদিও চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল হয়নি, কিন্তু নিষ্ক্রিয় রয়েছে।

উৎস: i) Office of the Historian (.gov).
ii) Britannica.
১২.
সোভিয়েত ইউনিয়ন কবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. ১৯১৭ সালে
  2. ১৯১৮ সালে
  3. ১৯২১ সালে
  4. ১৯২২ সালে
ব্যাখ্যা
সোভিয়েত ইউনিয়ন:
- U.S.S.R.-এর পূর্ণরূপ: Union of Soviet Socialist Republics.
- ১৯১৭ সালে অক্টোবর বিপ্লবের পর ১৯২২ সালে পৃথিবীর প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র সোভিয়েত ইউনিয়ন গঠিত হয়।
- ১৯৯১ সালের ২৬ ডিসেম্বর সোভিয়েত ইউনিয়নের বিলুপ্তি ঘটে।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে ১৫টি রাষ্ট্রের জন্ম হয়।
- মিখাইল গর্বাচেভ, যিনি সোভিয়েত ইউনিয়নের শেষ নেতা ছিলেন, তাঁর পদত্যাগের মাধ্যমে সোভিয়েত ইউনিয়নের কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে সমাপ্ত হয়।

উল্লেখ্য,
- সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যে ১৫টি রাষ্ট্র গঠিত হয়: রাশিয়া, বেলারুশ, এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, কিরগিজিস্তান, তাজিকিস্তান, আজারবাইজান, মলদোভা, আর্মেনিয়া, লিথুনিয়া, কাজাকিস্তান, উজবেকিস্তান, জর্জিয়া, ইউক্রেন ও তুর্কমেনিস্তান।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে আলাদা হয়ে মুসলিম প্রজাতন্ত্রে তাজিকিস্তান।
- ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর তাজিকিস্তান স্বাধীনতা লাভ করে এবং এটি একটি মুসলিম প্রধান দেশ হিসেবে পরিচিত। এর অন্যান্য মুসলিম প্রধান প্রাক্তন সোভিয়েত প্রজাতন্ত্রগুলির মধ্যে আজারবাইজান, উজবেকিস্তান, তুর্কমেনিস্তান এবং কিরগিজস্তান অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: i) Britannica.
ii) History.com
১৩.
যুক্তরাজ্য কয়টি পৃথক দেশের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা
যুক্তরাজ্য:
- ‘ইউনাইটেড কিংডম অব গ্রেট ব্রিটেন অ্যান্ড নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড’’-এর সংক্ষিপ্ত রূপ যুক্তরাজ্য বা ইউকে।
- এটি একটি স্বাধীন রাষ্ট্র।
- সরকার ব্যবস্থা: সাংবিধানিক রাজতন্ত্র।
- সংবিধান: অলিখিত।
- সরকার প্রধান: প্রধানমন্ত্রী।
- রাষ্ট্র প্রধান: রানি বা রাজা।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: কিয়ের স্টারমার (লেবার পার্টি)।
- বর্তমান রাষ্ট্রপ্রধান: রাজা তৃতীয় চার্লস।
- যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট দ্বিকক্ষবিশিষ্ট (হাউস অফ কমন্স ও হাউস অফ লর্ডস)।

⇒ যুক্তরাজ্য চারটি পৃথক দেশের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে।
- এগুলো হলো: ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, ওয়েলস ও নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড।

উল্লেখ্য,
- গ্রেট ব্রিটেন একটি ভৌগোলিক পরিভাষা, যা ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড এবং ওয়েলস দ্বীপটিকে বোঝায়, তবে এতে উত্তর আয়ারল্যান্ড অন্তর্ভুক্ত নয়। 

উৎস: Britannica.
১৪.
Central Intelligence Agency-এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ভার্জিনিয়া, যুক্তরাষ্ট্র
  2. লন্ডন, যুক্তরাজ্য
  3. নয়াদিল্লি, ভারত
  4. মস্কো, রাশিয়া
ব্যাখ্যা
CIA:
- CIA-এর পূর্ণরূপ: Central Intelligence Agency.
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
- আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে: ১৯৪৭ সালে।
- সদর দপ্তর: ভার্জিনিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।

⇒ যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং উচ্চপদস্থ নীতিনির্ধারকদের কাছে গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ করা এই সংস্থার দায়িত্ব।
CIA মূলত বহির্বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষায় নিয়োজিত।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন সময়ে গঠিত অফিস অফ স্ট্র্যাটেজিক সার্ভিসেস (OSS)-এর উত্তরসূরী হিসেবে CIA-এর জন্ম।

উল্লেখ্য,
- ১৯৪২ সালের জুন মাসে রুজভেল্ট মার্কিন বিদেশী গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের খণ্ডিত এবং অসংলগ্ন স্ট্র্যান্ডগুলিকে একক সংস্থায় একত্রিত করার জন্য OSS তৈরি করেছিলেন।
- এর কাজ ছিলো যুক্তরাষ্ট্র সামরিক বাহিনীর বিভিন্ন শাখা-প্রশাখার মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করা।

উৎস: i) Britannica.
ii) CIA ওয়েবসাইট।
১৫.
ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লিতে স্থানান্তরের ঘোষণা কবে দেওয়া হয়?
  1. ১৯১১ সালে
  2. ১৯১৪ সালে
  3. ১৯২২ সালে
  4. ১৯৩২ সালে
ব্যাখ্যা
ভারত:
- ভারত আয়তনে দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম এবং বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম রাষ্ট্র।
- রাজধানী: নয়া দিল্লি।
- মুদ্রা: রুপি।
- প্রেসিডেন্ট: দ্রৌপদী মুর্মু।
- প্রধানমন্ত্রী: নরেন্দ্র মোদি।
- প্রধান পর্বতমালা: হিমালয়।
- প্রধান নদী: গঙ্গা, যমুনা, সিন্ধু, ব্রহ্মপুত্র।
- ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষ দুই ভাগে ভাগ হয়ে হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ ভারত ও মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ পাকিস্তান নামক দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়।
- ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি ভারতীয় সংবিধান কার্যকর হয়। তাই প্রতি বছর ২৬ জানুয়ারি ভারতে প্রজাতন্ত্র দিবস পালন করা হয়।
- ভারতে বর্তমানে ২৮টি অঙ্গরাজ্য ও ৮টি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল রয়েছে।
- জাতীয় প্রতীক: অশোকচক্র।
- অঙ্গরাজ্য: ২৮টি।
- আইনসভা: দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট। যথা: রাজ্যসভা (উচ্চকক্ষ) ও লোকসভা (নিম্নকক্ষ)।

উল্লেখ্য,
- ১৯১১ সালের ১২ ডিসেম্বর দিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিটেনের রাজা পঞ্চম জর্জের অভিষেক অনুষ্ঠানে রাজা জর্জ ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লিতে স্থানান্তরের ঘোষণা দেন।
- এলক্ষ্যে ১৯১২ সালে দিল্লিতে সরকারের অস্থায়ী দপ্তর নির্মাণ করা হয়।
- দিল্লিকে রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলার কাজ সমাপ্ত হয় ১৯৩১ সালে।

উৎস: Ministry of External Affairs.
১৬.
১৯৭২ সালে মিউনিখ অলিম্পিকে অ্যাথলেটদের অপহরণের জন্য কোন গেরিলা সংগঠনটি কুখ্যাত হয়েছিল?
  1. ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর
  2. জইশ মোহাম্মদ
  3. হুথি বিদ্রোহী
  4. হিজবুত তাহরীর
ব্যাখ্যা
ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর:
- Black September ফিলিস্তিনের একটি গেরিলা সংগঠন।
- এটি ফিলিস্তিনের ফাতাহ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া একটি অংশ।
- ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর গঠিত হয়: ১৯৭১ সালে।
- বিলুপ্ত ঘোষিত হয়: ১৯৭৪ সালে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭২ সালে গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকের আসর অনুষ্ঠিত হয়েছিল জার্মানির মিউনিখ শহরে।
- জার্মানিতে মিউনিখ অলিম্পিকে অংশ নেওয়া ইসরায়েলের অ্যাথলেটকে অপহরণ করে ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর।
- তাঁদের চাওয়া ছিল, ইসরায়েলের কারাগারে বন্দী থাকা কয়েকজন ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দিতে হবে, কিন্তু তা হয়নি।
- জার্মান পুলিশ অপহরণকারীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযানে নামে।
- এর ফলে অপহরণকারীরা দুজন খেলোয়াড়কে হত্যা করেন।
- অন্যদিকে অপহরণকারীদের বেশির ভাগ পুলিশের হাতে প্রাণ হারান।
- এ কারণে আধুনিক অলিম্পিকের ইতিহাসে ৫ সেপ্টেম্বর একটা কালো দিন হিসেবে বিবেচিত হয়।

উৎস: Britannica.
১৭.
‘গডস আর্মি’ কোন দেশের গেরিলা সংগঠন?
  1. শ্রীলঙ্কা
  2. লেবানন
  3. ফিলিপাইন
  4. মিয়ানমার
ব্যাখ্যা
গডস আর্মি:
- ‘গডস আর্মি' মিয়ানমারের একটি গেরিলা সংগঠন।
- গডস আর্মি হল কারেন ন্যাশনাল ইউনিয়নের একটি বিচ্ছিন্ন দল।
- সংগঠনটির নেতৃত্ব দেয় যমজ ভাই জনি এবং লুথার হটু।
- ১৯৯৭ সালে সাউ তুই তুই এটা প্রতিষ্ঠা করেন।

অন্যদিকে -
- শ্রীলঙ্কার গেরিলা সংগঠন LTTE.
- লেবাননের গেরিলা সংগঠন হিজবুল্লাহ।
- ফিলিপাইনের গেরিলা সংগঠন MNLF.

উৎস: Federation of American Scientists.
১৮.
Containment Doctrine–এর প্রথম বাস্তব প্রয়োগ কোন নীতির মাধ্যমে হয়েছিল?
  1. Warsaw Pact
  2. NATO Treaty
  3. Truman Doctrine
  4. Marshall Plan
ব্যাখ্যা
Containment Doctrine:
- Containment Doctrine ছিল যুক্তরাষ্ট্রের স্নায়ুযুদ্ধকালীন একটি গুরুত্বপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি।
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল বিশ্বজুড়ে কমিউনিজমের বিস্তার রোধ করা, বিশেষত সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাব প্রতিরোধ করা।
- স্নায়ুযুদ্ধকালীন মার্কিন কূটনীতিক জর্জ এফ. কেনান ১৯৪৭ সালে এর প্রস্তাব করেন।
- তিনি Foreign Affairs পত্রিকায় একটি প্রবন্ধ লেখেন, যা "X Article" নামে পরিচিত।

⇒ ১৯৪৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস. ট্রুম্যান ঘোষণা দেন যে, যুক্তরাষ্ট্র গ্রিস ও তুরস্ককে অর্থনৈতিক ও সামরিক সহায়তা প্রদান করবে, যেন তারা কমিউনিস্ট বিদ্রোহ বা প্রভাব থেকে রক্ষা পায়।
- এই ঘোষণা ইতিহাসে Truman Doctrine নামে পরিচিত।
- এটি ছিল Containment Doctrine–এর প্রথম বাস্তব প্রয়োগ।

উৎস: Office of the Historian (.gov)।
১৯.
লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা ভারতের কোন অঞ্চলে তৎপর একটি জঙ্গি সংগঠন?
  1. আসাম
  2. গুজরাট
  3. জম্মু ও কাশ্মীর
  4. মণিপুর
ব্যাখ্যা
লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা:
- লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা ভারতের জম্মু ও কাশ্মীর উপত্যকায় তৎপর একটি জঙ্গি সংগঠন।
- এটি কাশ্মীর উপত্যকায় তৎপর হলেও পরিচালিত হয় পাকিস্তান থেকে।
- ইসলামী সংগঠনটি যা সুন্নি ইসলামের ওয়াহাবি সম্প্রদায়ের দ্বারা প্রভাবিত ।
- প্রতিষ্ঠাতা: হাফিজ সাঈদ।
- হাফিজ সাঈদ ১৯৮০ সালের দিকে এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা ১৯৯৩ সালে জম্মু ও কাশ্মীরে প্রথম অনুপ্রবেশ করেছিল।

উল্লেখ্য,
- ২০০১ সালে ভারতীয় পার্লামেন্ট ভবনে হামলা ও ২০০৮ সালের মুম্বাই হামলার জন্যে ভারত সরকার লস্কর-ই-তৈইয়্যেবাকে দায়ী করে থাকে।

উৎস: Britannica.
২০.
হিজবুল্লাহ কার উদ্যোগে গঠিত হয়েছিল?
  1. ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস
  2. আমান
  3. মোসাদ
  4. হামাস
ব্যাখ্যা
হিজবুল্লাহ:
- হিজবুল্লাহ একটি রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী শিয়া মুসলিম সংগঠন।
- এটি লেবাননের একটি রাজনৈতিক ও সশ্বস্ত্ৰ গোষ্ঠী।
- হিজবুল্লাহ ইরান ও সিরিয়ার সমর্থনপুষ্ট।
- ১৯৭৫ সাল থেকে ১১৯০ সাল পর্যন্ত চলা লেবাননের গৃহযুদ্ধের সময় ইরানের রেভলিউশনারি গার্ডস ১৯৮২ সালে হিজবুল্লাহ গঠন করে।
- সংগঠনটি মূলত ইসলামিক জাতীয়তাবাদ, ইহুদিবাদ বিরোধী ও পশ্চিমা সংস্কৃতি বিরোধী।
- মূলত ইরানের উদ্যোগেই হিজবুল্লাহ সংগঠনটির জন্ম হয়েছিল।
- ১৯৮২ সালে লেবাননে ইসরাইলি আগ্রাসন ও গৃহযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ১৯৮৫ সালে প্রকাশ্যে হিজবুল্লাহর আত্মপ্রকাশ ঘটে।

⇒ হিজবুল্লাহ লেবানন সরকারে প্রতিনিধিত্ব করছে।
- হিজবুল্লাহ লেবাননে একটি শক্তিশালী গ্যারিলা গ্রুপের জন্ম দিয়েছে।
- এজন্য হিজবুল্লাহকে বলা হয় 'রাষ্ট্রের ভেতরে আলাদা রাষ্ট্র'।

উৎস: Britannica.
২১.
RAW প্রতিষ্ঠার পূর্বে ভারতের গোয়েন্দা কার্যক্রম কোন সংস্থা পরিচালনা করত?
  1. Intelligence Bureau
  2. Aviation Research Centre
  3. National Security Council
  4. Military Intelligence
ব্যাখ্যা
RAW:
- RAW-এর পূর্ণরূপ: Research and Analysis Wing.
- ভারতীয় জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা RAW.
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ১৯৬৮ সালে।
- প্রতিষ্ঠাকালিন পরিচালক ছিলেন: রামেশ্বর নাথ কাও।
- এর বর্তমান প্রধান: রবি সিংহ (Ravi Sinha)।
- প্রধান কার্যালয়: নয়াদিল্লি, ভারত।
- RAW সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর নিকট রিপোর্ট করে।
- RAW-এর সাথে সম্পর্কিত গোপন সংকেত Cabinet Secretariat ও Aviation Research Centre।

⇒ প্রাথমিক কাজ:
- বিদেশে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করা;
- জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বিশ্লেষণমূলক তথ্য প্রদান করা;
- সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধে সহযোগিতা করা;
- দেশের অভ্যন্তরীণ এবং বৈদেশিক শত্রুদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

উল্লেখ্য,
- RAW প্রতিষ্ঠার পূর্বে Intelligence Bureau ভারতের অভ্যন্তরীন এবং বাহ্যিক উভয় ক্ষেত্রে তৎপরতা চালাতো।
- ১৯৬২ সালের যুদ্ধে চীনের নিকট ভারতের পরাজয়ের দুর্বলতার অনুসন্ধানে ভারত সরকার একটি স্বতন্ত্র ও কার্যকর বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা গঠনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে।

উৎস: Council on Foreign Relations. [link]
২২.
আর্থার বেলফোর কাকে বেলফোর ঘোষণার চিঠি পাঠিয়েছিলেন?
  1. ব্যারন লিওনেল ওয়াল্টার রথসচাইল্ড
  2. চাইম ওয়েজম্যান
  3. ব্লানচে ডাগডেল
  4. থিওডর হার্জল
ব্যাখ্যা
বেলফোর ঘোষণা:
- বেলফোর ঘোষণা (Balfour Declaration) ছিল একটি ঐতিহাসিক চিঠি।
- Balfour Declaration বা বেলফোর ঘোষণার নামকরণ সাবেক ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আর্থার বেলফোরের নামানুসারে।
- ১৯১৭ সালের ২ নভেম্বর আর্থার জেমস বেলফোর এই ঐতিহাসিক চিঠিটি একটি সিল করা খামে ব্যারন লিওনেল ওয়াল্টার রথসচাইল্ডের কাছে পাঠিয়েছিলেন।
- ২ নভেম্বর, ১৯১৭ তারিখে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আর্থার বেলফোর ফিলিস্তিনে একটি ইহুদী-আবাসভূমি প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ব্যারন লিওনেল ওয়াল্টার রথসচাইল্ড (Lord Rothsehild)-কে যে চিঠি লিখেছিলেন তাই ‘Balfour Declaration বা বেলফোর ঘোষণা’ নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে জায়নিস্ট তৎপরতা ও তৎকালীন বিশ্বশক্তিসমূহের সমর্থনে এই চিঠি ফিলিস্তিনে ব্রিটিশ ম্যান্ডেটের লীগ অব নেশন্সের দলীলে অন্তর্ভুক্ত হয়ে আন্তর্জাতিক ‘স্বীকৃতি’ লাভ করে।
- ঐ চিঠির উদ্দেশ্য ছিল ইহুদীদের জন্য একটি আবাসভূমি প্রতিষ্ঠা।
- বেলফোর ঘোষণার সাথে আজকের ইহুদী রাষ্ট্র ইসরায়েল প্রতিষ্ঠা সরাসরিভাবে জড়িত।

উল্লেখ্য,
- ১৯১৭ সালের নভেম্বর মাসে তুরস্কের সেনাদের হাত থেকে জেরুজালেম দখল করে ব্রিটেন।
- ১৯১৭ থেকে ১৯৪৮ সাল পর্যন্ত ফিলিস্তিনের ভূমি ব্রিটেনের নিয়ন্ত্রণে ছিল।
- তখন ব্রিটিশ সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে, ফিলিস্তিনের মাটিতে ইহুদিদের জন্য একটি আলাদা রাষ্ট্র গঠনের জন্য সহায়তা করবে।
- ১৯৪৭ সালে জাতিসংঘ প্যালেস্টাইনে দুটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা অনুমোদন করে, যার ফলে ইহুদি রাষ্ট্র ইসরায়েলের প্রতিষ্ঠা হয়।
- ১৯৪৮ সালের ১৪ই মে ফিলিস্তিন ছেড়ে যায় ব্রিটেন, আর ইহুদিরা ঘোষণা করে নিজস্ব রাষ্ট্র ইসরায়েলের।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.
২৩.
হুতি আন্দোলন কবে শুরু হয়েছিল?
  1. ১৯৬০-এর দশকে
  2. ১৯৭০-এর দশকে
  3. ১৯৮০-এর দশকে
  4. ১৯৯০-এর দশকে
ব্যাখ্যা
হুতি বিদ্রোহী:
- হুতি ইয়েমেনের একটি বিদ্রোহী গ্রুপ।
- উত্তর ইয়েমেনের শাদা শহরে হুতি বিদ্রোহের জন্ম। জাইদি শিয়া বাহিনী থেকে এর উৎপত্তি। তাদের নেতা নির্বাচন করা হতো হুতি উপজাতি থেকে।
- হুতি একটি শিয়া ইসলামপন্থী রাজনৈতিক ও সামরিক সংগঠন।
- ১৯৯০ এর দশকে এই গোষ্ঠীটির উত্থান।
- তাদের নেতা হুসেইন আল-হুতি।
- হুতিরা আনসারুল্লাহ নামে পরিচিত।
- হুতিরা ২০১৪ সালে ক্ষমতা দখলের পর থেকে ইয়েমেনের বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করে আসছে।

⇒ হুতি আন্দোলন:
- ১৯৯০-এর দশকের শেষের দিকে তাদের নেতা হুসেইন আল-হুতি শিয়া ইসলামের জাইদি ধারার অনুসরণে ধর্মীয় পুনর্জাগরণমূলক আন্দোলন শুরু করেন।
- জাইদিরা কয়েক শতাব্দী ধরে ইয়েমেন শাসন করলেও ১৯৬২ সালে গৃহযুদ্ধের পর সুন্নিরা ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়।
- এরপর তারা ক্রমেই কোণঠাসা হয়ে পড়ে।
- সুন্নি মৌলবাদ মোকাবিলা বিশেষ করে সৌদি আরবের পৃষ্ঠপোষকতা পাওয়া ওয়াহাবি মতবাদ মোকাবিলায় আল-হুতি আন্দোলন গড়ে তোলেন।
- সেই আন্দোলনই ক্রমে সশস্ত্র রূপ নেয়।

উৎস: Britannica.
২৪.
কানাডার কোন প্রদেশে সর্বপ্রথম ইউরোপীয় উপনিবেশ স্থাপন করা হয়েছিল?
  1. নিউফাউন্ডল্যান্ড এবং ল্যাব্রাডর
  2. কুইবেক
  3. ব্রিটিশ কলাম্বিয়া
  4. আলবার্টা
ব্যাখ্যা
কানাডা:
- কানাডাকে ম্যাপল পাতার দেশ বলা হয়।
- কানাডা উত্তর আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- এটি আয়তনে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ।
- যুক্তরাজ্য থেকে স্বাধীনতা লাভ করে ১৮৬৭ সালে।
- রাজধানী: অটোয়া।
- মুদ্রার নাম: ডলার।
- রাষ্ট্রের প্রধান রাজা তৃতীয় চার্লস ও রাষ্ট্রের সরকার প্রধান প্রধানমন্ত্রী।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: মার্ক কার্নি।

উল্লেখ্য,
- কানাডা ১০টি প্রদেশ এবং ৩টি অঞ্চল নিয়ে গঠিত।
- কানাডাতে সর্বপ্রথম ইউরোপীয় উপনিবেশ স্থাপন করা হয়েছিল নিউফাউন্ডল্যান্ড প্রদেশে। 
- ফরাসি অভিযাত্রী জ্যাক কার্টিয়ের ১৫৩৫ সালে এই অঞ্চলে প্রথম ইউরোপীয় উপনিবেশ স্থাপন করেন। 

উৎস: i) Government of Canada.
ii) Britannica.
২৫.
মোসাদের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?
  1. ড্যানি ইয়াতম
  2. রেউভেন শিলোয়াহ
  3. ইয়োসি কোহেন
  4. ডেভিড বেনগুরিয়ন
ব্যাখ্যা
মোসাদ:
- মোসাদ হলো ইসরায়েলের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
- মোসাদ গঠিত হয়: ১৩ ডিসেম্বর, ১৯৪৯ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা: ডেভিড বেনগুরিয়ন।
- বর্তমান প্রধান: ডেভিড বার্নিয়া।
- সদরদপ্তর: তেলআবিব, ইসরাইল।

⇒ এটি বিশ্বের বৃহত্তম গুপ্তচরবৃত্তি সংস্থাগুলির মধ্যে অন্যতম।
- মোসাদ সাধারণভাবে বৈদেশিক গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স পরিচালনা, গুপ্তহত্যা, বৈদেশিক নীতি-নির্ধারণে সহায়তা, কাউন্টার টেররিজম, নিজস্ব লোক সংগ্রহ ও নেটওয়ার্ক তৈরি, বিদেশি কূটনীতিকদের ওপর নজরদারি, শত্রু এজেন্টদের সন্ধান, সাইবার ওয়ারফেয়ার পরিচালনা, নতুন প্রযুক্তি সংগ্রহ, ক্ল্যান্ডেস্টাইন অপারেশন পরিচালনা, ড্রোন আক্রমণ, গুপ্ত কারাগার পরিচালনা, বিশ্বের বড় বড় করপোরেশনের নীতিনির্ধারণের চেষ্টা, ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্পিওনাজ ইত্যাদি কাজ করে থাকে।

উৎস: i) Center for Israel Education ওয়েবসাইট।
ii) Britannica.
২৬.
FBI-এর প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?
  1. লুই ফ্রি
  2. জে. এডগার হুভার
  3. চার্লস জে. বোনাপার্ট
  4. জর্জ এফ কেনান
ব্যাখ্যা
FBI:
- FBI-এর পুর্ণরূপ: Federal Bureau of Investigation.
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা।
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইন মন্ত্রণালয়ের অধীন।
- প্রতিষ্ঠা লাভ: ২৬ জুলাই, ১৯০৮।
- প্রতিষ্ঠাতা: অ্যাটর্নি জেনারেল চার্লস জে. বোনাপার্ট।
- বর্তমান পরিচালক: ক্যাশ প্যাটেল।
- সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন ডি.সি., যুক্তরাষ্ট্র।

⇒ FBI মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে সংগঠিত অপরাধের অনুসন্ধান এবং দেশি-বিদেশী যেকোন নিরাপত্তা হুমকি মোকাবেলা ও সুরক্ষা প্রদানে নিয়োজিত।

উৎস: FBI ওয়েবসাইট।
২৭.
সম্প্রতি ইয়েমেনে 'অপারেশন ব্ল্যাক ফ্ল্যাগ' অভিযান কোন দেশ পরিচালনা করেছে?
  1. ইরান
  2. ইরাক
  3. ইসরায়েল
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
অপারেশন ব্ল্যাক ফ্ল্যাগ:
- সম্প্রতি ইয়েমেনে 'অপারেশন ব্ল্যাক ফ্ল্যাগ' অভিযান পরিচালনা করেছে ইসরায়েল।

⇒ ৭ জুলাই, ২০২৫ তারিখে ইয়েমেনের হুদায়দাহ, রাস ইসা ও সাইফ বন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী।
- দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ জানান, ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে ‘অপারেশন ব্ল্যাক ফ্ল্যাগ’ নামে একটি সামরিক অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)।
- এরই অংশ হিসেবে চালানো হয় ওই হামলা।
- প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে গাজায় হামাসের সঙ্গে সংঘর্ষ শুরুর পর থেকেই গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয় হুথিরা। এরপর লোহিত সাগরের বাণিজ্যিক জলপথে চলাচলকারী বিভিন্ন জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু করে তারা।

উল্লেখ্য,
- ৮ জুলাই, ২০২৫ তারিখে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাবে এবার পাল্টা আঘাত হেনেছে ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠী। ইসরায়েলের রাজধানী তেলআবিবের প্রধান বিমানবন্দরসহ একাধিক স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে তারা।

উৎস: i) CNN.
ii) BBC.
২৮.
সততা , ন্যায়পরায়নতা ,সহনশীলতা, প্রভৃতি মানবীয় গুণাবলির সমষ্টিকে বলা হয়-
  1. ন্যায়বিচার
  2. শৃঙ্খলা
  3. যোগ্যতা
  4. মূল্যবোধ
ব্যাখ্যা
সামাজিক মূল্যবোধ:
- সামাজিক মূল্যবোধ হচ্ছে শিষ্টাচার, সততা, ন্যায়পরায়ণতা, সহনশীলতা, সহমর্মিতা, শৃঙ্খলাবোধ, সৌজ্যবোধ প্রভৃতি গুলাবলির সমষ্টি।


• স্টুয়ার্ট সি.ডড-এর মতে,
- সামাজিক মূল্যবোধ হলো সে সব রীতিনীতির সমষ্টি, যা ব্যক্তি সমাজের নিকট হতে আশা করে এবং যা সমাজ ব্যক্তির নিকট হতে লাভ করে।
- ক্লাইড ক্লখোন- এর মতে,
- সামাজিক মূল্যবোধ হচ্ছে সেসব প্রকাশ্য ও অনুমেয় আচার-আচরণের ধারা যা ব্যক্তি ও সমাজের মৌলিক বৈশিষ্ট্য বলে স্বীকৃত।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো: মোজাম্মেল হক।
২৯.
সুশাসন প্রতিষ্ঠা না হলে কী দেখা দেয়?
  1. রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বিনষ্ট হয়
  2. বিনিয়োগ বৃদ্ধি পায়
  3. বেকারত্ব হ্রাস পায়
  4. সমাজে শৃঙ্খলা বাড়ে
ব্যাখ্যা
সুশাসন: 
- সুশাসন প্রতিষ্ঠা না হলে রাষ্ট্রে যে সব দেখা যায়: 
- রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বিনষ্ট হয়। 
- বিনিয়োগ বৃদ্ধি পায় না।
- বেকারত্ব বৃদ্ধি পায়।
- সমাজে শৃঙখলা আসেনা। 

উল্লেখ্য, 
- সুশাসন সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক সাথে জড়িত।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মোজাম্মেল হক।
৩০.
"সামাজিক মূল্যবোধ হলো ঐ সমস্ত রীতিনীতির সমষ্টি যা ব্যক্তি সমাজের কাছে আশা করে এবং সমাজ ব্যক্তির কাছ থেকে লাভ করে" উক্তিটি কার?
  1. এম আর উইলিয়ামস
  2. স্টুয়ার্ট সি ডড
  3. ম্যাক্স ওয়েবার
  4. এমিল ডুর্খেইম
ব্যাখ্যা
• সামাজিক মূল্যবোধ: 
• এস সি ডডের ভাষায়: 
- সামাজিক মূল্যবোধ হলো ঐ সমস্তরীতি নীতির সমষ্টি যা ব্যক্তি সমাজের কাছে আশা করে এবং সমাজ ব্যক্তির কাছ থেকে লাভ করে।

উল্লেখ্য
• এম আর উইলিয়ামস:
- "মূল্যবোধ হলো মানুষের ইচ্ছার একটি মানদন্ড যার আদর্শে মানুষের আচরণ ও আইন কানুন নিয়ন্ত্রিত হয় এবং সমাজে মানুষের কাজের ভাল মন্দ বিচার করা হয়"।
- সামাজিক মূল্যবোধ সমাজের অন্যতম ভিত্তি।
- মূল্যবোধ হচ্ছে বিশ্বাস, আদর্শ ও নীতির সমষ্টি যা ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট কাজে পরিচালিত করে এবং অন্যের কাজের ভাল মন্দ বিচারের মাপকাঠি হিসেবে বিবেচিত হয়।
- মূল্যবোধ, ব্যক্তিদল, পরিবার, সমষ্টি, সমাজ, পেশা, প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি সকল পর্যায়েই থাকে।
- স্থান-কাল-পাত্র ভেদে মূল্যবোধ ভিন্ন হতে পারে।
- সামাজিক মূল্যবোধ হলো সমাজের সদস্যদের সিংহভাগের সর্ব সম্মত বিশ্বাস, আদর্শ, নীতি ইত্যাদির সমষ্টি যা তারা ভাল বলে গ্রহণ করে।
- সমাজের মানুষের ভাল মন্দ আচরণ বিচারের মানদন্ড হলো সামাজিক মূল্যবোধ।
- এটি মানুষের ব্যক্তিগত ও সামাজিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে।

উৎস: সমাজকল্যান ১ম পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১.
নিচের কোনটি মূল্যবোধের বৈশিষ্ট?
  1. সম্পর্কের সেতু
  2. সামাজিক মানদন্ড
  3. আপেক্ষিকতা
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
মূল্যবোধের বৈশিষ্ট্য: 
• আপেক্ষিকতা:
- মূল্যবোধ একটি আপেক্ষিক বিষয়।
- একই মূল্যবোধ ভিন্ন-ভিন্ন দেশে বা সংস্কৃতিতে নানারকম হতে পারে।
- অর্থাৎ স্থান, কাল, পাত্রভেদে মূল্যবোধের মাত্রা কম বা বেশি দেখা যায়।

• সামাজিক মানদন্ড:
- বিদ্যমান মূল্যবোধ দিয়ে একটি সমাজের বা রাষ্ট্রের পরিবেশ, সংস্কৃতি, চিন্তা-ভাবনার মূল্যায়ন করা যায়।
- যেমন, কৃষি প্রধান সমাজের মূল্যবোধ একরকম,
- আবার শিল্পসমৃদ্ধ সমাজের মূল্যবোধ অন্যরকম।

• সম্পর্কের সেতু:
- অপরিচিত ব্যক্তিরা অনেক সময় একই মূল্যবোধের হলে, তাদের মাঝেও একটি আত্নিক সম্পর্ক গড়ে উঠে।
- যেমন কোন বাংলাদেশি নাগরিক লন্ডনে আরেকজন অপরিচিত বাংলাদেশী নাগরিককের সাথে দেখা হলে সহজেই তাদের মধ্যে সখ্যতা গড়ে উঠে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এসএসসি , উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩২.
সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নাগরিকের দায়িত্ব ও কর্তব্য-
  1. জনসম্মতি নেওয়া
  2. নিরপেক্ষ নির্বাচন দেওয়া
  3. আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা
  4. সংবিধান মেনে চলা
ব্যাখ্যা
• সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নাগরিকের দায়িত্ব কর্তব্য: 
- সন্তানদের শিক্ষাদান,
- নিয়মিত কর প্রদান,
- জাতীয় সম্পদ রক্ষা।
- সংবিধান মেনে চলা।

অন্যদিকে,
• সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সরকারের করনীয়: 
- জনগনের সম্মতি নেওয়া।
- মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা,
- শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমস্যার সমাধান,
- দায়িত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠা,
- বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ না করা,
- আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা প্রভৃতি।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো: মোজাম্মেল  হক। 
৩৩.
মূল্যবোধ বলতে বুঝায়-
  1. সমাজে নেতৃত্ব দেওয়ার মানসিকতা
  2. মানুষের সাথে মানুষের সম্পর্ক
  3. মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী নীতি ও মানদণ্ড
  4. প্রাতিষ্ঠানিক কার্যাবলী গ্রহণ করা
ব্যাখ্যা
মূল্যবোধ:
- মূল্যবোধ হলো মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী নীতি ও মানদণ্ড।
- সার্বিকভঅবে, মূল্যবোধ হলো কতগুলো মনোভাবের সমন্বয়ে গঠিত অপেক্ষাকৃত স্থায়ী বিশ্বাস। 
- আর যে শিক্ষার মাধ্যমে সমাজে প্রচলিত রীতিনীতি, প্রথা, আদর্শ ইত্যাদির বিকাশ ঘটে তাই হলো মূল্যবোধ শিক্ষা।
- মূল্যবোধ হলো রীতিনীতি ও আদর্শের মাপকাঠি; যা সমাজ ও রাষ্ট্রের ভিত্তি হিসেবে ধরা হয়।
- এটি মানুষের আচরণের সামাজিক মাপকাঠি।
- একটি দেশের সমাজ, রাষ্ট্র, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক উৎকর্ষতার অন্যতম মাপকাঠি হিসেবে এটি ভূমিকা পালন করে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৪.
সুশাসনের ধারণাটি কোন সংস্থা থেকে উদ্ভাবিত হয়?
  1. জাতিসংঘ
  2. ইউএনডিপি
  3. বিশ্বব্যাংক
  4. সার্ক
ব্যাখ্যা
• বিশ্বব্যাংক ও সুশাসন:
- 'সুশাসন' ধারণাটি বিশ্ব ব্যাংকের উদ্ভাবিত একটি ধারণা।
- ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দে বিশ্ব ব্যাংকের এক সমীক্ষায় সর্বপ্রথম 'সুশাসন' (Good Governance) প্রত্যয়টি ব্যবহার করা হয়।
- এছাড়াও একটি রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে সে রাষ্ট্রে টেকসই উন্নয়ন সাধিত হয়।
- ১৯৯৪ সালে বিশ্ব ব্যাংক প্রদত্ত সংজ্ঞায় বলা হয়েছে যে, 'সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি দেশের সামাজিক এবং
অর্থনৈতিক সম্পদের ব্যবস্থাপনার জন্য ক্ষমতা প্রয়োগের পদ্ধতিই হলো গভর্নেন্স।'
- ২০০০ সালে বিশ্বব্যাংক প্রকাশ করে যে, সুষ্ঠু গভর্নেন্স বা সুশাসন চারটি প্রধান স্তম্ভের ওপর নির্ভরশীল।

• বিশ্বব্যাংকের ঘোষিত চারটি স্তম্ভ হলো:
- দায়িত্বশীলতা, স্বচ্ছতা, আইনি কাঠামো ও অংশগ্রহণ।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
৩৫.
নিচের কোনটি নৈতিক মূল্যবোধের অন্তর্গত নয়?
  1. সত্যকে সত্য বলা
  2. দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো
  3. আর্থিক লেনদেন
  4. অন্যায়কে অন্যায় বলা
ব্যাখ্যা
নৈতিক মূল্যবোধ (Moral Values):
- নীতি ও উচিত-অনুচিত বোধ হলো নৈতিক মূল্যবোধের উৎস।
- সেসব মনোভাব এবং আচরণ যা মানুষ সবসময় ভালো, কল্যাণকর ও অপরিহার্য বিবেচনা করে মানসিকভাবে তৃপ্তিবোধ করে নৈতিক মূল্যবোধ।

• নৈতিক মূল্যবোধ: 
- সত্যকে সত্য বলা,
- মিথ্যাকে মিথ্যা বলা,
- অন্যায়কে অন্যায় বলা,
- অন্যায় কাজ থেকে নিজেকে বিরত রাখা
- এবং অন্যকে বিরত রাখতে পরামর্শ প্রদান করা,
- দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো,
- বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো
- ও বিপদ থেকে উদ্ধারে তাকে সাহায্য করা,

উল্লেখ্য,
- আর্থিক লেনদেন অর্থনৈতিক মূল্যবোধ।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৩৬.
’সৎ ভাবে বাঁচতে চাওয়া’ কোন ধরনের মূল্যবোধ?
  1. অর্থনৈতিক মূল্যবোধ
  2. আধুনিক মূল্যবোধ
  3. ধর্মীয় মূল্যবোধ
  4. আধ্যাত্মিক মূল্যবোধ
ব্যাখ্যা
আধ্যাত্মিক মূল্যবোধ: 
- মানুষের কিছু আধ্যাত্মিক বা আত্মিক মূল্যবোধ রয়েছে।
- সৎভাবে বাচঁতে চাওয়া,
- সৎ থাকতে চাওয়া,
- সৎ মানুষকে পছন্দ করা,
- মিথ্যাবাদী ও অসৎ মানুষকে ঘৃৃনা করা।

উল্লেখ্য,
• অর্থনৈতিক মূল্যবোধ: 

- আর্থিক লেনদেন,
- ক্রয় বিক্রয়,
-  ব্যবাসা বানিজ্য।

• ধর্মীয় মূল্যবোধ: 
- ধর্ম প্রচারে বাধা না দেওয়া।
- অপরের ধর্ম মতকে সহ্য করা।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক। 
৩৭.
গনতন্ত্রের সফলতার মূল শক্তি কী?
  1. জন সচেতনা
  2. দলীয়করণ
  3. ক্ষমতার ভারসাম্য
  4. কার্যকর সংসদ
ব্যাখ্যা
• জন সচেতনা: 
- জনগনের সচেতনতাই গনতন্ত্র সফলতার মূল শক্তি।
- জনগনের সজাগ দৃষ্টি নাগরিক অধিকার সর্বশ্রেষ্ট রক্ষাকবচ।
- জনসচেতনা সুশাসনের ও চাবিকাঠি।

উল্লেখ্য, 
- জনঅংশগ্রহন:  প্রশাসনে জনগনের অংশগ্রহণ ব্যাপক অভাবে সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথ সংকীর্ণ হয়ে পড়ে।
- ক্ষমতার ভারসাম্য: সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে সরকারের এক বিভাগ থেকে অন্য বিভাগের ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা করতে হয়।
- কার্যকর সংসদ:  জনগণের আশা আকাঙ্খা জাতীয় সংসদে তুলে ধরে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
৩৮.
অপরের বক্তব্য ও অধিকারকে সম্মান দেখানোর অর্থই হল-
  1. গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ
  2. ব্যাক্তিগত মূল্যবোধ
  3. সামাজিক মূল্যবোধ
  4. ধর্মীয় মূল্যবোধ
ব্যাখ্যা
গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ: 
- সমাজে বসবাসের জন্য মূল্যবোধ অপরিহার্য।
- একে অপরের সাথে আন্ত:সম্পর্কের মূল ভিত্তিই হল এই মূল্যবোধ।
- মূল্যবোধহীন ব্যক্তি সমাজের জন্য বিপদস্বরূপ।
- অন্যদিকে গণতন্ত্রের মূল কাজ হল ব্যক্তি স্বাধীনতা ও অধিকার নিশ্চিতকরা।
- একজনের অধিকার ও স্বাধীনতা অন্যের উপর নির্ভরশীল,
- যা বজায় রাখার জন্য পারস্পরিক মূল্যবোধ প্রয়োজন।
- অপরের বক্তব্য ও অধিকারকে সম্মান দেখানোর অর্থই হল গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এসএসসি , উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।