পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৩
সিলেবাস
আনিসুজ্জামান, আবুল ফজল, আবুল মনসুর আহমেদ, আবুল হাসান, আবুল হুসেন, আল মাহমুদ, আলাউদ্দিন আল আজাদ, আহমদ ছফা, আহমদ শরীফ, আহসান হাবীব, ইবরাহীম খাঁ, ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, এস ওয়াজেদ আলী, কাজী আব্দুল ওদুদ, কাজী ইমদাদুল হক। সোর্স: যেকোনো গাইড বই এবং সাথে যেকোনো একজন একাডেমিক ব্যক্তির বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩ প্রশ্ন

.
'ছায়া হরিণ' কোন জাতীয় গ্রন্থ?
  1. ক) উপন্যাস
  2. খ) কাব্যগ্রন্থ
  3. গ) নাটক
  4. ঘ) স্মৃতিকথা
সঠিক উত্তর:
খ) কাব্যগ্রন্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কাব্যগ্রন্থ
ব্যাখ্যা
আহসান হাবীব একজন কবি ও সাংবাদিক।
তিনি ১৯১৭ সালের ২ ফেব্রুয়ারি পিরোজপুর জেলার শংকরপাশা গ্রামে  জন্মগ্রহণ করেন।

- 'ছায়া হরিণ' গ্রন্থটি ১৯৬২ খ্রিস্টাব্দে ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়। 
- মোট কবিতার সংখ্যা ২৫টি। 
- এই কাব্যে তাঁর সমাজ- সচেতনতা প্রকাশিত হয়। 

- সপ্তম শ্রেণীতে অধ্যয়নকালে ১৯৩৩ সালে স্কুল ম্যাগাজিনে তাঁর প্রথম লেখা একটি প্রবন্ধ ‘ধর্ম’ প্রকাশিত হয়।
- ১৯৩৪ সালে তাঁর প্রথম কবিতা ‘মায়ের কবর পাড়ে কিশোর’ ছাপা হয় পিরোজপুর গভর্নমেন্ট স্কুল ম্যাগাজিনে।
- আহসান হাবীবের প্রথম কবিতার বই রাত্রিশেষ প্রকাশিত হয় ১৯৪৭ সালে। 

 তাঁর রচিত উপন্যাস-
- অরন্য নীলিমা,
- রাণী খালের সাঁকো।

কাব্যগ্রন্থ-
- রাত্রিশেষ,
- ছায়া  হরিণ,
- সারা দুপুর,
- আশায় বসতি,
- মেঘ বলে চৈত্রে
- যাবো, দু’হাতে দুইআদিম পাথর,
- প্রেমের কবিতা,
- বিদীর্ণ দর্পণে মুখ।

তাঁর রচিত শিশুতোষ গ্রন্থ-
- বৃষ্টিপড়ে টাপুর টুপুর,
- ছুটির দিন দুপুরে,
- ছোটদের পাকিস্তান ইত্যাদি।

[উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর]
.
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কাকে 'খাঁটি বাঙালি কবি' হিসেবে আখ্যায়িত করেন?
  1. ক) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  2. খ) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
  3. গ) ভারতচন্দ্র রায়
  4. ঘ) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
সঠিক উত্তর:
খ) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
ব্যাখ্যা
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত উনিশ শতকের প্রথমার্ধে একমাত্র কবি যার কবিতা ছিল হালকা ব্যঙ্গ-বিদ্রুপের ভরা। তাঁর কবিতায় কল্পনার স্থানও ছিল না।
- তিনি ছিলেন আধুনিককালের মানুষ কিন্তু তিনি আধুনিকতাকে পরিপূর্ণভাবে গ্রহণ করতে পারেন নি।
- তাঁর কবিতার বিষয়বস্তু ছিল চমৎকার।
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় প্রথম ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের 'কবিতা সংগ্রহ' দীর্ঘ ভূমিকাসহ প্রকাশ করেন।
- তিনি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে 'খাঁটি বাঙালি কবি' হিসেবে আখ্যায়িত করেন
- বঙ্কিমচন্দ্র তাকে 'গুরু' বলেও আখ্যায়িত করে।
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে যুগসন্ধিক্ষণের কবি বলা হয়। 

[উৎসঃ লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ।]
.
'বাংলা একাডেমি সংক্ষিপ্ত বাংলা অভিধান' এর সম্পাদক কে?
  1. ক) মুহম্মদ আব্দুল হাই
  2. খ) মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  3. গ) মুহম্মদ এনামুল হক
  4. ঘ) আহমদ শরীফ
সঠিক উত্তর:
ঘ) আহমদ শরীফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আহমদ শরীফ
ব্যাখ্যা
আহমদ শরীফ একজন  শিক্ষাবিদ, চিন্তাবিদ, লেখক এবং মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম গবেষক।
 তিনি ১৯২১ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি  চট্টগ্রাম জেলার  পটিয়া উপজেলার সুচক্রদন্ডী গ্রামে  জন্ম গ্রহণ করেন।
- বাংলা একাডেমি সংক্ষিপ্ত বাংলা অভিধান এর সম্পাদক আহমদ শরীফ।

আহমদ শরীফ রচিত প্রবন্ধগ্রন্থঃ
- বিশ শতকের বাঙালি,
- বিচিত্র চিন্তা,
- স্বদেশ অন্বেষা,
- স্বদেশ চিন্তা,
- সাহিত্য সংস্কৃতি চিন্তা ইত্যাদি ।


[উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর ও banglaacademy.portal.gov.bd]
.
ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে-
  1. ক) প্রেসিডেন্সি কলেজ
  2. খ) সংস্কৃত কলেজ
  3. গ) হিন্দু কলেজ
  4. ঘ) ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ
সঠিক উত্তর:
খ) সংস্কৃত কলেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সংস্কৃত কলেজ
ব্যাখ্যা
বিদ্যাসাগর ঈশ্বরচন্দ্র ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ বেতালপঞ্চবিংশতি। 
- বেতালপঞ্চবিংশতি একখানা গল্পগ্রন্থ। মূল গ্রন্থটি  সংস্কৃত ভাষায় রচিত।
- ১৮০৫ সালে বৈতাল পচ্চিসী নামে এর একটি হিন্দি অনুবাদ  ফোর্ট উইলিয়ম কলেজ থেকে প্রকাশিত হয়, যা ওই কলেজের পাঠ্য ছিল। পরে কলেজের অধ্যক্ষ জি.টি মার্শালের অনুরোধে  ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮৪৭ সালে এটি বাংলায় অনুবাদ করেন। 

- বিদ্যাসাগরের কয়েকটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম :-
- শকুন্তলা
- সীতার বনবাসের
- ভ্রান্তিবিলাস 

[উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা , ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া]
.
নিচের কোনটি সঠিক?
  1. ক) সংশপ্তক - জাহির রায়হান
  2. খ) হাঙ্গর নদী গ্রেনেড - নীলিমা ইব্রাহিম
  3. গ) অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী - আহমদ ছফা
  4. ঘ) নন্দিত নরকে - মুহম্মদ জাফর ইকবাল
সঠিক উত্তর:
গ) অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী - আহমদ ছফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী - আহমদ ছফা
ব্যাখ্যা
 আহমদ ছফা একজন প্রতিবাদী লেখক, প্রগতিপন্থি সাহিত্যকর্মী ও সংগঠক।
তিনি ১৯৪৩ সালের ৩০ জুন  চট্টগ্রাম জেলার  চন্দনাইশ উপজেলার গাছবাড়িয়া গ্রামের এক মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন।

- আহমদ ছফা রচিত একটি উপন্যাস 'অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী'
- নন্দিত নরকে রচয়িতা হুমায়ুন আহমেদ ।
- সংশপ্তক উপন্যাসটি রচনা করেন শহীদুল্লাহ কায়সার ।
- হাঙ্গর নদী গ্রেনেড রচয়িতা সেলিনা হোসেন ।

আহমদ ছফা রচিত উপন্যাস :
- গাভী বিত্তান্ত
- ওঙ্কার
- অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী
- সূর্য তুমি সাথী (১৯৬৭),
- উদ্ধার (১৯৭৫),
- একজন আলী কেনানের উত্থান পতন (১৯৮৯),
- অলাতচক্র (১৯৯০),
- পুষ্পবৃক্ষ ও
- বিহঙ্গপুরাণ (১৯৯৬)

[উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর]
.
উপজাতীয় জীবন কাহিনী নিয়ে উপন্যাস কোনটি?
  1. ক) খোয়াবনামা
  2. খ) কর্ণফুলী
  3. গ) সংশপ্তক
  4. ঘ) যাপিত জীবন
সঠিক উত্তর:
খ) কর্ণফুলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কর্ণফুলী
ব্যাখ্যা
আলাউদ্দিন আলআজাদ একজন  শিক্ষাবিদ, কবি, কথাশিল্পী, প্রাবন্ধিক, শিশুসাহিত্যিক, গবেষক, সাহিত্য-সমালোচক।
- তিনি  ১৯৩২ সালের  ৬ মে , নরসিংদী জেলার রায়পুর থানার রামনগর গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন।
- উপজাতীয় জীবন কাহিনী নিয়ে উপন্যাস আলাউদ্দিন আল আজাদ রচিত উপন্যাস 'কর্ণফুলী'। 
 -আলাউদ্দিন আল আজাদের 'কর্ণফুলী' পাহাড়-সমুদ্র ঘেরা একটি বিশেষ জনপদে উপন্যাস।  
- আদিবাসী রাঙ্গামিলা, প্রেমিক দেওয়ান পুত্র (চাকমা), বাঙালি ইসমাইল, জলি, রমজান প্রমুখের জীবন যাপন ও প্রণয় উপন্যাসে বর্ণিত হয়েছে।  

তাঁর রচিত উপন্যাস :
- তেইশ নম্বর তৈলচিত্র (১৯৬০),
- শীতের শেষ রাত বসন্তের প্রথম দিন (১৯৬২),
- কর্ণফুলী (১৯৬২),
- ক্ষুধা ও আশা (১৯৬৪),
- খসড়া কাগজ (১৯৮৬),
- স্বপ্নশিলা (১৯৯২),
- বিশৃঙ্খলা (১৯৯৭)।

[উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর]
.
আল মাহমুদ রচিত উপন্যাস-
  1. ক) সৌরভের কাছে পরাজিত
  2. খ) ময়ূরীর মুখ
  3. গ) কাবিলের বোন
  4. ঘ) সোনালী কাবিন
সঠিক উত্তর:
গ) কাবিলের বোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কাবিলের বোন
ব্যাখ্যা
মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (১৯৩৬-২০১৯): যিনি আল মাহমুদ নামে অধিক পরিচিত।
তিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, ছোটগল্প লেখক, শিশুসাহিত্যিক এবং সাংবাদিক ছিলেন।

আল মাহমুদ রচিত কাব্যগ্রন্থ: 
- লোক লোকান্তর,
- কালের কলস,
- সোনালী কাবিন,
- পাখির কাছে ফুলের কাছে,
- অদৃষ্টবাদীদের রান্নাবান্না ইত্যাদি ।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- ডাহুকী,
- উপমহাদেশ,
- আগুনের মেয়ে,
- চেহারার চতুরঙ্গ,
- কাবিলের বোন ইত্যাদি 

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ
- পানকৌড়ির রক্ত,,
- সৌরভের কাছে পরাজিত,
- গন্ধবণিক,
- ময়ূরীর মুখ

[উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর]
 
.
আবুল হুসেন রুশবিপ্লবের প্রেরণায় অনুপ্রাণিত হয়ে যে প্রবন্ধটি রচনা করেন -
  1. ক) মুসলিম কালচার
  2. খ) বাংলার বলশী
  3. গ) কৃষকের দুর্দশা
  4. ঘ) বাঙালি মুসলমানদের শিক্ষা সমস্যা
সঠিক উত্তর:
গ) কৃষকের দুর্দশা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কৃষকের দুর্দশা
ব্যাখ্যা
আবুল হুসেন একজন প্রাবন্ধিক, চিন্তাবিদ, সমাজ সংস্কারক ছিলেন।
 আবুল হুসেন মুসলমান সমাজে আধুনিক শিক্ষা ও জ্ঞানের আলো বিস্তারের উদ্দেশ্যে লেখনী পরিচালনা করেন।
আবুল হুসেন ছিলেন 'শিখা' পত্রিকার প্রথম বর্ষের সম্পাদক।

 তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থের নামঃ
- বাংলার বলশী,
- মুসলিম কালচার ও
- বাঙালি মুসলমানদের শিক্ষা সমস্যা ইত্যাদি।

- বাংলার বলশী গ্রন্থে তিনি কৃষকদের দুঃখ দুর্দশা চিহ্নিত করে তাদের মুক্তির পথ নির্দেশ করেন।
- মননশীল প্রবন্ধকার হিসেবে তিনি কৃষক-সমাজের দুঃখ-দুর্দশার মুক্তির পথ নির্দেশ করেন তাঁর 'বাংলার বলশী' গ্রন্থের প্রবন্ধসমূহে।
- রুশবিপ্লবের প্রেরণায় অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি ‘কৃষকের আর্তনাদ’, ‘কৃষকের দুর্দশা’ ও ‘কৃষি বিপ্লবের সূচনা’ নামক প্রবন্ধ রচনা করেন।
- ঢাকায় যে বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন হয় তাতে আবুল হুসেনই নেতৃত্ব দেন।
- তিনি ঢাকায় মুসলিম সাহিত্য সমাজ (১৯২৬) গঠন এবং এর মুখপত্র শিখা সম্পাদনা ও প্রকাশ করে এ আন্দোলনকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেন।
- কাজী আবদুল ওদুদ, কাজী মোতাহার হোসেন, মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ও আবুল ফজল তাঁকে এ কাজে সাহায্য করেন।

[উৎসঃ বাংলাপিডিয়া ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।]
.
নিচের কোনটি বিদ্রুপাত্মক রচনা?
  1. ক) সত্যমিথ্যা
  2. খ) আয়না
  3. গ) জীবন ক্ষুধা
  4. ঘ) আবে-হায়াৎ
সঠিক উত্তর:
খ) আয়না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আয়না
ব্যাখ্যা
আবুল মনসুর আহমদ একজন সাংবাদিক, আইনজীবী, রাজনীতিবিদ, সাহিত্যিক।
তিনি  ১৮৯৮ সালে ময়মনসিংহ জেলার ধানিখোলা গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন।
- কাজী নজরুল ইসলাম আবুল মনসুর আহমেদের আয়না হাস্যরসাত্মক গল্পের ভূমিকা লিখেছিলেন। এটি প্রকাশিত হয় ১৯৩৫ সালে।

তাঁর রচিত উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে,
- সত্যমিথ্যা (১৯৫৩),
- জীবন ক্ষুধা (১৯৫৫)ও
- আবে-হায়াৎ (১৯৬৪)।

তাঁর বিখ্যাত বিদ্রুপাত্মক রচনা হচ্ছে:
- আয়না (১৯৩৬-১৯৩৭) ও
- ফুড কনফারেন্স (১৯৪৪)। 

[উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া]
১০.
'জাগ্রত বাংলাদেশ' প্রবন্ধ গ্রন্থের রচিয়তা কে?
  1. ক) আহমদ ছফা
  2. খ) আহমদ শরীফ
  3. গ) ইবরাহীম খাঁ
  4. ঘ) আলাউদ্দিন আল আজাদ
সঠিক উত্তর:
ক) আহমদ ছফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আহমদ ছফা
ব্যাখ্যা
আহমদ ছফা একজন প্রতিবাদী লেখক, প্রগতিপন্থি সাহিত্যকর্মী ও সংগঠক।
তিনি ১৯৪৩ সালের ৩০ জুন  চট্টগ্রাম জেলার  চন্দনাইশ উপজেলার গাছবাড়িয়া গ্রামের এক মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন।
- 'জাগ্রত বাংলাদেশ' প্রবন্ধের রচয়িতা আহমদ ছফা।

 তাঁর রচিত অন্যান্য প্রবন্ধঃ
- বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস,
- বাঙালি মুসলমানের মন,
- সাম্প্রতিক বিবেচনা: বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস
- সিপাহী যুদ্ধের ইতিহাস 

[উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর]
১১.
এস ওয়াজেদ আলির প্রথম প্রবন্ধ ’অতীতের বোঝা’ কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
  1. ক) কল্লোল
  2. খ) কালিকলম
  3. গ) সবুজপত্র
  4. ঘ) প্রগতি
সঠিক উত্তর:
গ) সবুজপত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সবুজপত্র
ব্যাখ্যা
শেখ ওয়াজেদ আলি একজন প্রাবন্ধিক, গল্পলেখক ও ভ্রমণকাহিনী রচয়িতা।
তিনি ১৮৯০ সালের ৪ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার  শণ্ঠীরামপুর মহকুমার বড় তাজপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- এস ওয়াজেদ আলির প্রথম প্রবন্ধ ’অতীতের বোঝা’ ১৯১৯ সালে প্রমথ চৌধুরী সম্পাদিত সবুজপত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- ১৯৩২ সালে গুলিস্তাঁ নামে একটি বাংলা মাসিক সাহিত্য পত্রিকা সম্পাদনা ও প্রকাশ করেন।

- তাঁর উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মের মধ্যে রয়েছে:
প্রবন্ধ
- জীবনের শিল্প (১৯৪১),
- প্রাচ্য ও প্রতীচ্য (১৯৪৩),
- ভবিষ্যতের বাঙালী (১৯৪৩),
- আকবরের রাষ্ট্র সাধনা (১৯৪৯),
- মুসলিম সংস্কৃতির আদর্শ;

[উৎস: বাংলাপিডিয়া]
১২.
'আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর' গ্রন্থটির রচিয়তা কে?
  1. ক) মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  2. খ) আলাউদ্দিন আল আজাদ
  3. গ) ইবরাহীম খাঁ
  4. ঘ) আবুল মনসুর আহমদ
সঠিক উত্তর:
ঘ) আবুল মনসুর আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আবুল মনসুর আহমদ
ব্যাখ্যা
আবুল মনসুর আহমদ (১৮৯৮-১৯৭৯): সাংবাদিক, আইনজীবী, রাজনীতিবিদ, সাহিত্যিক।
- আবুল মনসুর আহমদ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দলীয় রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত থাকলেও বিদ্রুপাত্মক রচনার লেখক হিসেবেই তিনি সমধিক পরিচিত।

তাঁর বিখ্যাত বিদ্রুপাত্মক রচনা হচ্ছে:
- আয়না (১৯৩৬-১৯৩৭) ও
- ফুড কনফারেন্স (১৯৪৪)।

তাঁর রচিত উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে:
- সত্যমিথ্যা (১৯৫৩),
- জীবন ক্ষুধা (১৯৫৫) ও
- আবে-হায়াৎ (১৯৬৪)।

স্মৃতিকথা:
- আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর (১৯৬৯),
- শের-ই-বাংলা থেকে বঙ্গবন্ধু (১৯৭২)।

আত্মচরিত:
- আত্মকথা (১৯৭৮)।

[উৎস: বাংলাপিডিয়া]
১৩.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মৌলিক রচনা কোনটি?
  1. ক) বেতাল পঞ্চবিংশতি
  2. খ) শকুন্তলা
  3. গ) সীতার বনবাস
  4. ঘ) রত্নপরীক্ষা
সঠিক উত্তর:
ঘ) রত্নপরীক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রত্নপরীক্ষা
ব্যাখ্যা
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর,একজন সংস্কৃত পন্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।
তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
তাঁর পিতার নাম ঠাকুরদাস বন্দ্যোপাধ্যায়। 
 ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত 'প্রভাবতী সম্ভাষণ' বাংলা সাহিত্যের প্রথম মৌলিক গদ্যগ্রন্থ  এবং এর প্রকাশকাল- ১৮৯২ সাল।
তার অন্যান্য মৌলিক রচনা-
- অতি অল্প হইল,
- আবার অতি অল্প হইল,
 -ব্রজবিলাস,
- রত্নপরীক্ষা ইত্যাদি।

অনুবাদমূলক গ্রন্থ-
- বেতাল পঞ্চবিংশতি,
- ভ্রান্তিবিলাস,
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাস ইত্যাদি।

[উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।]