১.
রুই মাছের আঁইশ কোন প্রকৃতির?
সঠিক উত্তর: ক
সাইক্লয়েড
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
সাইক্লয়েড
ব্যাখ্যা
রুই মাছের দেহ গঠন (বাহ্যিক):
- রুই মাছের দেহ অনেকটা মাকু আকৃতির।
- দেহের মধ্যভাগ কিছুটা প্রশস্ত এবং লেজ ও মাথার দিক ক্রমশ সরু হয়ে গেছে, এ ধরনের গঠনকে স্ট্রিমলাইনড গঠন বলে।
- এদের দেহ রুপালি আঁইশ দ্বারা আবৃত, কিন্তু এদের মাথা আঁইশ দ্বারা আবৃত থাকে না।
- রুই মাছ সর্বোচ্চ ২ মিটার পর্যন্ত লম্বা হতে পারে এবং ওজন ৪৫ কেজি পর্যন্ত হতে পারে।
- রুই মাছের দেহ তিন অংশে বিভক্ত।
যথা- মাথা, দেহ কাণ্ড এবং লেজ।
- মুখছিদ্র ছোট ও মাংসল ঠোঁট দ্বারা পরিবেষ্টিত।
- মাথার পেছনের অংশে কানকো দিয়ে ঢাকা ৪ জোড়া ফুলকা আছে।
মাথা:
- দেহের অগ্রপ্রান্ত থেকে কানকোর পশ্চাৎ প্রান্ত পর্যন্ত অংশ হলো মাথা।
- রুই মাছের মাথা ১০-১২ সে.মি লম্বা এবং এর পৃষ্ঠীয় ভাগ উত্তল।
- উদর হতে মস্তকের উপরিভাগ বেশি উত্তল।
- মুখ নিচের দিকে অবস্থিত, মুখের দু কোণা পেছনের দিকে বাঁকা, ফলে মুখ অর্ধচন্দ্রাকৃতির দেখায়।
- রুই মাছের চোখের কোনো পাতা নেই, মাথার দু-পার্শ্বে বড় বড় দুটি চোখ অবস্থিত।
- চোখের কর্নিয়া স্বচ্ছ আবরণ দ্বারা আবৃত।
দেহ কাণ্ড:
- রুই মাছের কানকো শেষভাগ থেকে পায়ু পর্যন্ত অংশকে দেহ কাণ্ড বা ধর বলে।
- দেহ কাণ্ড বেশ লম্বা, লেজের দিকে ক্রমশ সরু।
লেজ:
- দেহ কাণ্ডের শেষভাগে লেজ অবস্থিত।
- প্রায় মধ্যভাগের পর থেকে লেজ দু-খণ্ডে বিভক্ত।
- লেজ পুচ্ছপাখনা নামে পরিচিত।
ত্বক:
- রুই মাছের সমস্ত দেহ ত্বক দ্বারা ঢাকা থাকে।
- ত্বকের দুটি স্তর, বাইরের স্তরটিকে বলা হয় এপিডার্মিস এবং ভেতরের স্তরটিকে বলা হয় ডার্মিস।
- এপিডার্মিসে রঞ্জক কোষ এবং মিউকাস কোষ থাকে।
- মিউকাস কোষ পিচ্ছিল পদার্থ নিঃসরণ করে দেহকে পিচ্ছিল রাখে, ফলে এদের চলাফেরা করতে সুবিধা হয়।
আঁইশ:
- রুই মাছের দেহ বড় বড় সাইক্লয়েড আঁইশ দ্বারা আবৃত।
- এ আঁইশের মধ্যে বৃত্তাকার এক ধরনের রেখা থাকে, একে সারকুলাস বলে।
- এ সারকুলাস পর্যবেক্ষণ করে মাছের বয়স নির্ণয় করা হয়।
- আঁইশের কেন্দ্রকে ফোকাস বলে।
- রুই মাছের আঁইশের বৃদ্ধি বেশি হয় গ্রীষ্মকালে ও বসন্তকালে।
পাখনা:
- রুই মাছের দেহে ৫ ধরনের পাখনা আছে।
- এ পাখনাগুলো হলো মাথার কাছে বক্ষের দিকে বক্ষ পাখনা, পিঠের দিকে পৃষ্ঠ পাখনা, দেহের মাঝ বরাবর নিচের দিকে শ্রেণিপাখনা, পায়ুর একটু পেছনে পায়ু পাখনা এবং একেবারে পেছন দিকে পুচ্ছ পাখনা রয়েছে।
- এ পাখনাগুলো এদের চলাচলে সাহায্য করে।
পার্শ্বরেখা:
- রুই মাছের দেহের দু-পাশেই আঁইশের নিচে এক সারি ছোট ছোট গর্ত আছে যা পার্শ্বরেখা সৃষ্টি করে।
- এ গর্তের মধ্যে সংবেদী অঙ্গ যুক্ত থাকে।
- এ সংবেদী অঙ্গের মাধ্যমে রুই মাছ পানির গুণাগুণ (যেমন- পিএইচ, ঘোলাত্ব ইত্যাদি) বুঝতে সক্ষম হয়।
উৎস: জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান)।
- রুই মাছের দেহ অনেকটা মাকু আকৃতির।
- দেহের মধ্যভাগ কিছুটা প্রশস্ত এবং লেজ ও মাথার দিক ক্রমশ সরু হয়ে গেছে, এ ধরনের গঠনকে স্ট্রিমলাইনড গঠন বলে।
- এদের দেহ রুপালি আঁইশ দ্বারা আবৃত, কিন্তু এদের মাথা আঁইশ দ্বারা আবৃত থাকে না।
- রুই মাছ সর্বোচ্চ ২ মিটার পর্যন্ত লম্বা হতে পারে এবং ওজন ৪৫ কেজি পর্যন্ত হতে পারে।
- রুই মাছের দেহ তিন অংশে বিভক্ত।
যথা- মাথা, দেহ কাণ্ড এবং লেজ।
- মুখছিদ্র ছোট ও মাংসল ঠোঁট দ্বারা পরিবেষ্টিত।
- মাথার পেছনের অংশে কানকো দিয়ে ঢাকা ৪ জোড়া ফুলকা আছে।
মাথা:
- দেহের অগ্রপ্রান্ত থেকে কানকোর পশ্চাৎ প্রান্ত পর্যন্ত অংশ হলো মাথা।
- রুই মাছের মাথা ১০-১২ সে.মি লম্বা এবং এর পৃষ্ঠীয় ভাগ উত্তল।
- উদর হতে মস্তকের উপরিভাগ বেশি উত্তল।
- মুখ নিচের দিকে অবস্থিত, মুখের দু কোণা পেছনের দিকে বাঁকা, ফলে মুখ অর্ধচন্দ্রাকৃতির দেখায়।
- রুই মাছের চোখের কোনো পাতা নেই, মাথার দু-পার্শ্বে বড় বড় দুটি চোখ অবস্থিত।
- চোখের কর্নিয়া স্বচ্ছ আবরণ দ্বারা আবৃত।
দেহ কাণ্ড:
- রুই মাছের কানকো শেষভাগ থেকে পায়ু পর্যন্ত অংশকে দেহ কাণ্ড বা ধর বলে।
- দেহ কাণ্ড বেশ লম্বা, লেজের দিকে ক্রমশ সরু।
লেজ:
- দেহ কাণ্ডের শেষভাগে লেজ অবস্থিত।
- প্রায় মধ্যভাগের পর থেকে লেজ দু-খণ্ডে বিভক্ত।
- লেজ পুচ্ছপাখনা নামে পরিচিত।
ত্বক:
- রুই মাছের সমস্ত দেহ ত্বক দ্বারা ঢাকা থাকে।
- ত্বকের দুটি স্তর, বাইরের স্তরটিকে বলা হয় এপিডার্মিস এবং ভেতরের স্তরটিকে বলা হয় ডার্মিস।
- এপিডার্মিসে রঞ্জক কোষ এবং মিউকাস কোষ থাকে।
- মিউকাস কোষ পিচ্ছিল পদার্থ নিঃসরণ করে দেহকে পিচ্ছিল রাখে, ফলে এদের চলাফেরা করতে সুবিধা হয়।
আঁইশ:
- রুই মাছের দেহ বড় বড় সাইক্লয়েড আঁইশ দ্বারা আবৃত।
- এ আঁইশের মধ্যে বৃত্তাকার এক ধরনের রেখা থাকে, একে সারকুলাস বলে।
- এ সারকুলাস পর্যবেক্ষণ করে মাছের বয়স নির্ণয় করা হয়।
- আঁইশের কেন্দ্রকে ফোকাস বলে।
- রুই মাছের আঁইশের বৃদ্ধি বেশি হয় গ্রীষ্মকালে ও বসন্তকালে।
পাখনা:
- রুই মাছের দেহে ৫ ধরনের পাখনা আছে।
- এ পাখনাগুলো হলো মাথার কাছে বক্ষের দিকে বক্ষ পাখনা, পিঠের দিকে পৃষ্ঠ পাখনা, দেহের মাঝ বরাবর নিচের দিকে শ্রেণিপাখনা, পায়ুর একটু পেছনে পায়ু পাখনা এবং একেবারে পেছন দিকে পুচ্ছ পাখনা রয়েছে।
- এ পাখনাগুলো এদের চলাচলে সাহায্য করে।
পার্শ্বরেখা:
- রুই মাছের দেহের দু-পাশেই আঁইশের নিচে এক সারি ছোট ছোট গর্ত আছে যা পার্শ্বরেখা সৃষ্টি করে।
- এ গর্তের মধ্যে সংবেদী অঙ্গ যুক্ত থাকে।
- এ সংবেদী অঙ্গের মাধ্যমে রুই মাছ পানির গুণাগুণ (যেমন- পিএইচ, ঘোলাত্ব ইত্যাদি) বুঝতে সক্ষম হয়।
উৎস: জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান)।