পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

পরীক্ষাবার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়14 minutes
মোট প্রশ্ন২৫
সিলেবাস
Exam - 18 The Specific Relief Act, 1877: Test-2 Topic: Section 31-57 • The rectification of instruments • The rescission of contracts • The cancellation of instruments • Declaratory decrees • The appointment of receivers • Injunctions generally • Perpetual injunctions
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ] · তারিখ অনির্ধারিত · ২৫ প্রশ্ন

.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ৫৪ ধারা
  2. ৫৫ ধারা
  3. ৫৬ ধারা
  4. ৫৭ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারা অনুযায়ী, বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction) সম্পর্কে বলা হয়েছে। এই ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, যখন কোনো ব্যক্তির উপর একটি বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ না করার জন্য এবং নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করার জন্য আদালত নিষেধাজ্ঞা দিতে চায়, তখন আদালত বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন।
- এটি এমন এক নিষেধাজ্ঞা, যা একজন ব্যক্তিকে আইনগতভাবে একটি নির্দিষ্ট কাজ করতে বাধ্য করে, বিশেষ করে যখন সেই কাজটি করা না হলে সেই বাধ্যবাধকতা লঙ্ঘিত হবে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারা: বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা:
যে ক্ষেত্রে একটি বাধ্যবাধকতার ভঙ্গ করার রোধের লক্ষ্যে এবং এমন নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে বাধ্য করা আবশ্যক হয় এবং আদালতে তা কার্যকরীযোগ্য হয়, সে ক্ষেত্রে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুসারে যে চুক্তি ভঙ্গের অভিযােগ করা হয়েছে তা রােধ করা এবং সে সঙ্গে‌ প্রয়ােজনীয় কাজ সম্পাদনে বাধ্য করার জন্য নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন।

⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 55- Mandatory injunctions:
When, to prevent the breach of an obligation, it is necessary to compel the performance of certain acts which the Court is capable of enforcing, the Court may in its discretion grant an injunction to prevent the breach complained of, and also to compel performance of the requisite acts.
.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে, ঘোষণামূলক ডিক্রি প্রদান করা আদালতের জন্য-
  1. নিষিদ্ধ
  2. বাধ্যতামূলক
  3. সুবিবেচনামূলক
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারা অনুযায়ী, ঘোষণামূলক ডিক্রি প্রদান করা আদালতের ইচ্ছাধীন বা সুবিবেচনামূলক। আদালত এই ধরনের ডিক্রি প্রদান করতে পারে বা না-ও করতে পারে, পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।
- ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে। অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে,তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree) বলে।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮৭৭, ধারা ৪২: আইনগত পরিচয় বা অধিকার ঘোষণার ক্ষেত্রে আদালতের সুবিবেচনা। এ ধরনের ঘোষণায় নিষেধাজ্ঞা:
যে কোনো ব্যক্তি যিনি কোনো আইনগত পরিচয় বা কোনো সম্পত্তির অধিকারী, তিনি কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করতে পারেন যে ব্যক্তি বা যার আগ্রহ তার সেই পরিচয় বা অধিকার অস্বীকার করছে, এবং আদালত তার ইচ্ছাধীনভাবে সেই ব্যক্তির অধিকার ঘোষণা করতে পারে, এবং বাদীকে এই মামলায় কোনো অতিরিক্ত সাহায্য চাওয়ার প্রয়োজন নেই।
যদিও, কোনো আদালত সেই ধরনের ঘোষণা করবে না যেখানে বাদী, যিনি শুধুমাত্র স্বত্বের ঘোষণা চাইতে পারছেন, আরও কোনো সাহায্য চাওয়ার ক্ষমতা থাকার পরও তা করেন না।
ব্যাখ্যা:- সম্পত্তির ট্রাস্টি একটি "ব্যক্তি যার আগ্রহ অস্বীকার করার" অধিকার রয়েছে, যখন কোন অপরিচিত ব্যক্তির বিরুদ্ধে তার অধিকার সংক্রান্ত স্বত্ব রয়েছে, এবং যদি সে ব্যক্তি বর্তমান থাকতো তবে সে একজন ট্রাস্টি হতো।

⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 42. Discretion of Court as to declaration of status or right. Bar to such declaration:
Any person entitled to any legal character, or to any right as to any property, may institute a suit against any person denying, or interested to deny, his title to such character or right, and the Court may in its discretion make therein a declaration that he is so entitled, and the plaintiff need not in such suit ask for any further relief:
Provided that no Court shall make any such declaration where the plaintiff, being able to seek further relief than a mere declaration of title, omits to do so.
Explanation - A trustee of property is a "person interested to deny" a title adverse to the title of some one who is not in existence, and for whom, if in existence, he would be a trustee.
.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারা অনুসারে, প্রতিরোধমূলক প্রতিকার কীভাবে প্রদান করা হয়?
  1. সম্পত্তি ফেরতের মাধ্যমে
  2. ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে
  3. নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে
  4. চুক্তি সংশোধনের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারা অনুসারে, প্রতিরোধমূলক প্রতিকার সাধারণত নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে প্রদান করা হয়।
- এটি এমন একটি প্রতিকার, যা আদালত একটি পক্ষের পক্ষ থেকে আরেক পক্ষকে কোনো নির্দিষ্ট কাজ করতে বা না করতে আদেশ দেয়।
- প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মূলত এমন ধরনের ক্ষতি বা দখল বা অন্য কোনো অবৈধ কাজ রোধ করার জন্য দেওয়া হয় যা পরবর্তীতে আর্থিকভাবে ক্ষতিপূরণ দেওয়া সম্ভব নয়।
- উদাহরণস্বরূপ, যদি একজন ব্যক্তি অন্যের সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল করতে থাকে, আদালত নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে সেই কাজ বন্ধ করতে পারে।
- এই ধরনের প্রতিকার সাধারণত অস্থায়ী বা স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে প্রদান করা হয়, যা প্রতিপাদিত পক্ষকে নির্দিষ্ট কাজ থেকে বিরত রাখে।

⇒ The Specific Relief Act, 1877: Section- 52. Preventive relief how granted
- Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual.
.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারা অনুযায়ী দলিল সংশোধনের সময় আদালত কেবলমাত্র কীসে সীমাবদ্ধ থাকবে না?
  1. দলিলের অভিপ্রায়
  2. দলিলের ভাষা কী ছিল
  3. দলিলের আইনি ফলাফল
  4. দলিলটি কার দ্বারা রচিত হয়েছিল
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) দলিলের ভাষা কী ছিল।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারা অনুযায়ী, আদালত দলিল সংশোধনের সময় কেবলমাত্র দলিলের ভাষার ওপর সীমাবদ্ধ থাকবেন না।
বরং তিনি খতিয়ে দেখতে পারেন—
১) দলিলের প্রকৃত উদ্দেশ্য (Intended Meaning)
২)  দলিলের আইনি ফলাফল (Legal Consequences)
- আদালতের অনুসন্ধান শুধুমাত্র দলিলের লেখনীর ভাষাগত কাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং দলিলের প্রকৃত অর্থ ও চুক্তির উদ্দেশ্য বোঝার জন্য ব্যাপক অনুসন্ধান করতে পারেন।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারার বিধান: সংশোধনের মূলনীতিসমূহ:
- লিখিত দলিল সংশোধন করার সময় আদালত অনুসন্ধান করতে পারেন, কি অর্থ বহন করা দলিলের অভিপ্রেত ছিল এবং চুক্তির বৈধ ফলাফল সম্পর্কে অভিপ্রায় কি ছিল, কেবল মাত্র দলিলের ভাষা কী ছিল সে ব্যাপারেই অনুসন্ধান সীমিত থাকবে না।
----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 33. Principles of rectification:
- In rectifying a written instrument, the Court may inquire what the instrument was intended to mean, and what were intended to be its legal consequences, and is not confined to the inquiry what the language of the instrument was intended to be.
.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারা অনুসারে ঘোষণামূলক মামলায় আদালতের ভূমিকা কী?
  1. চুক্তি সংশোধন করা
  2. ক্ষতিপূরণ প্রদান করা
  3. সম্পত্তির দখল উদ্ধার করা
  4. আইনগত পরিচয় বা সম্পত্তির স্বত্ব ঘোষণা করা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারা অনুযায়ী, ঘোষণামূলক মামলায় আদালত আইনগত পরিচয় বা সম্পত্তির স্বত্ব ঘোষণা করেন। যদি কোনো ব্যক্তি তার আইনগত পরিচয় বা সম্পত্তির অধিকার অস্বীকার করা হয়, আদালত সে সম্পর্কে একটি ঘোষণামূলক ডিক্রি প্রদান করতে পারে, যার মাধ্যমে ওই ব্যক্তির অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।
- ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে। অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে,তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree) বলে।

⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 42. Discretion of Court as to declaration of status or right. Bar to such declaration:
Any person entitled to any legal character, or to any right as to any property, may institute a suit against any person denying, or interested to deny, his title to such character or right, and the Court may in its discretion make therein a declaration that he is so entitled, and the plaintiff need not in such suit ask for any further relief:
Provided that no Court shall make any such declaration where the plaintiff, being able to seek further relief than a mere declaration of title, omits to do so.
Explanation - A trustee of property is a "person interested to deny" a title adverse to the title of some one who is not in existence, and for whom, if in existence, he would be a trustee.
.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪০ ধারা অনুসারে, আদালত কখন একটি দলিল আংশিকভাবে বাতিল করতে পারে?
  1. যখন দলিলটি সম্পূর্ণ অবৈধ হয়
  2. যখন দলিলটি নিবন্ধিত হয়
  3. যখন দলিলটি সংশোধনের প্রয়োজন হয়
  4. যখন দলিলটি বিভিন্ন অধিকার বা বাধ্যবাধকতার প্রমাণ দেয়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪০ ধারা অনুযায়ী, যদি একটি দলিল বিভিন্ন অধিকার বা বাধ্যবাধকতার প্রমাণ বহন করে, তবে আদালত প্রয়োজনবোধে সেই দলিলের কোনো নির্দিষ্ট অংশ বাতিল করতে পারে, কিন্তু অবশিষ্ট অংশ বহাল রাখতে পারে।

উদাহরণ: যদি কোনো চুক্তিতে একাধিক ব্যক্তির স্বাক্ষর থাকে এবং এর মধ্যে এক বা একাধিক স্বাক্ষর জাল হয়, তবে আদালত শুধুমাত্র জাল স্বাক্ষরের অংশটি বাতিল করতে পারে, কিন্তু বৈধ অংশ বহাল রাখতে পারে।

⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section- 40. What instruments may be partially cancelled:
Where an instrument is evidence of different rights or different obligations, the Court may, in a proper case, cancel it in part and allow it to stand for the residue. 
Illustration:
A draws a bill on B, who endorses it to C, by whom it appears to be endorsed to D, who endorses it to E. C's endorsement is forged. C is entitled to have such endorsement cancelled, leaving the bill to stand in other respects.
.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারা অনুসারে, স্বত্ব ঘোষণার ক্ষেত্রে ডিক্রি জারির মামলা করার প্রয়োজন হয় না কেন?
  1. এটি আইনত নিষিদ্ধ
  2. এটি বেশি খরচ সাপেক্ষ
  3. আদালত এটি অনুমতি দেয় না
  4. শুধুমাত্র ঘোষণার মাধ্যমেই ডিক্রিদারের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারা অনুযায়ী, স্বত্ব ঘোষণার ক্ষেত্রে ডিক্রি জারি করার প্রয়োজন হয় না কারণ, এই ধরনের মামলায় আদালত কেবলমাত্র অধিকার ঘোষণা করে এবং ডিক্রি জারি না করেই সেই অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, যদি একটি ব্যক্তি আদালতে মামলা করে এবং নিজের অধিকার বা আইনগত পরিচয় দাবি করে, তাহলে আদালত শুধুমাত্র সেই দাবি স্বীকার করে ঘোষণা দিতে পারেন, তবে ডিক্রি জারির প্রয়োজন পড়ে না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮৭৭, ধারা ৪২: আইনগত পরিচয় বা অধিকার ঘোষণার ক্ষেত্রে আদালতের সুবিবেচনা। এ ধরনের ঘোষণায় নিষেধাজ্ঞা:
যে কোনো ব্যক্তি যিনি কোনো আইনগত পরিচয় বা কোনো সম্পত্তির অধিকারী, তিনি কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করতে পারেন যে ব্যক্তি বা যার আগ্রহ তার সেই পরিচয় বা অধিকার অস্বীকার করছে, এবং আদালত তার ইচ্ছাধীনভাবে সেই ব্যক্তির অধিকার ঘোষণা করতে পারে, এবং বাদীকে এই মামলায় কোনো অতিরিক্ত সাহায্য চাওয়ার প্রয়োজন নেই।
যদিও, কোনো আদালত সেই ধরনের ঘোষণা করবে না যেখানে বাদী, যিনি শুধুমাত্র স্বত্বের ঘোষণা চাইতে পারছেন, আরও কোনো সাহায্য চাওয়ার ক্ষমতা থাকার পরও তা করেন না।
ব্যাখ্যা:- সম্পত্তির ট্রাস্টি একটি "ব্যক্তি যার আগ্রহ অস্বীকার করার" অধিকার রয়েছে, যখন কোন অপরিচিত ব্যক্তির বিরুদ্ধে তার অধিকার সংক্রান্ত স্বত্ব রয়েছে, এবং যদি সে ব্যক্তি বর্তমান থাকতো তবে সে একজন ট্রাস্টি হতো।

⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 42. Discretion of Court as to declaration of status or right. Bar to such declaration:
Any person entitled to any legal character, or to any right as to any property, may institute a suit against any person denying, or interested to deny, his title to such character or right, and the Court may in its discretion make therein a declaration that he is so entitled, and the plaintiff need not in such suit ask for any further relief:
Provided that no Court shall make any such declaration where the plaintiff, being able to seek further relief than a mere declaration of title, omits to do so.
Explanation - A trustee of property is a "person interested to deny" a title adverse to the title of some one who is not in existence, and for whom, if in existence, he would be a trustee.
.
রিসিভারের নিয়োগ, অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়দায়িত্ব কোন আইনে বিস্তারিত বলা আছে?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪০-১৬৫ ধারা
  2. দেওয়ানি কার্যবিধির ৪০ আদেশে
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪০ ধারা
  4. দণ্ডবিধির ১৮ অধ্যায়ে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারা অনুযায়ী, রিসিভার নিয়োগের বিষয়টি আদালতের বিবেচনাধীন। তবে রিসিভারের নিয়োগের ধরন, তার অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়দায়িত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত বিধান দেওয়া আছে দেওয়ানি কার্যবিধির ৪০ আদেশের ১ থেকে ৫ বিধিতে।
অতএব, রিসিভারের নিয়োগ, অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়দায়িত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত বিধান রয়েছে দেওয়ানি কার্যবিধির ৪০ আদেশে।

⇒ তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভারের সংজ্ঞা (Definition of receiver)- আদালত যে ব্যক্তিকে কোন জমি বা ব্যক্তিগত সম্পত্তির ভাড়া, লাভ, খাজনা আদায় করার জন্য নিয়োগ দেন তাকে তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভার বলে। অর্থাৎ রিসিভার বা তত্ত্বাবধায়ক হচ্ছে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত একজন কর্মকর্তা যিনি মোকদ্দমা চলাকালীন বিরোধীয় সম্পত্তির তত্ত্বাবধান করেন। রিসিভার নিয়োগ আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা বা সুবিবেচনার উপর নির্ভরশীল। মামলা চলাকালীন কিংবা মামলা ডিক্রি হওয়ার পর আদালত রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারার বিধান তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ সুবিবেচনামূলক: -প্রক্রিয়াধীন মামলায় তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ আদালতের সম্পূর্ণ ইচ্ছাধীন।
দেওয়ানি কার্যবিধি আইনের রেফারেন্স—তার নিয়োগের ধরন ও ফলাফল এবং তার অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়দায়িত্ব দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হবে।

⇒ ১৮৭৭ সালের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারায় রিসিভার নিয়োগ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। কিন্তু কখন কী প্রয়োজনে আদালত রিসিভার নিয়োগ করবেন বা রিসিভারের দায়িত্ব কর্তব্য বা অধিকার কী হবে ইত্যাদি সম্পর্কে বলা হয়েছে দেওয়ানি কার্যবিধির ৪০ আদেশের ১ থেকে ৫ বিধিতে।

⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 44 Appointment of receivers discretionary: The appointment of a receiver pending a suit is a matter resting in the discretion of the Court.
Reference to Code of Civil Procedure: The mode and effect of his appointment, and his rights, powers, duties and liabilities, are regulated by the Code of Civil Procedure.
.
নির্দিষ্ট সময় বা আদালতের পরবর্তী আদেশ না আসা পর্যন্ত চলবে, এমন নিষেধাজ্ঞাকে কী বলা হয়?
  1. বিশেষ নিষেধাজ্ঞা
  2. স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  3. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  4. নির্ধারিত নিষেধাজ্ঞা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৩ ধারায়, অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা এমন নিষেধাজ্ঞা যা নির্দিষ্ট সময় বা আদালতের পরবর্তী আদেশ না আসা পর্যন্ত কার্যকর থাকে। এটি আদালতের আদেশের ভিত্তিতে মামলার যেকোনো পর্যায়ে দেওয়া যেতে পারে এবং মূলত সেই সময় পর্যন্ত কার্যকর থাকে যতক্ষণ না পরবর্তী আদেশ আসবে।
অন্যদিকে, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা তখনই দেওয়া হয় যখন আদালত মামলার গুণাগুণের উপর ভিত্তিতে পক্ষগুলোর অধিকারের বিরোধিতার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়।

অর্থাৎ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হলো এমন একটি নিষেধাজ্ঞা, যা আদালত নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বা আদালতের পরবর্তী আদেশ না আসা পর্যন্ত কার্যকর থাকে। এটি সাধারণত একটি জরুরি বা প্রাথমিক আদেশ হিসেবে দেওয়া হয়, যাতে কোনো পক্ষ কোনো কাজ করতে না পারে বা কোনো ক্ষতি না করতে পারে, যতক্ষণ না মূল মামলার বিচার কাজ সম্পন্ন হয়। অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আদালত প্রদান করে, যাতে মামলা চলাকালীন সময়ে পক্ষগুলোর মধ্যে কোনো বড় ধরনের ক্ষতি না হয়, এবং পরবর্তী সময়ে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অথবা অন্য কোনো আদেশ দেওয়া হতে পারে।

উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো ব্যক্তি জমি দখল করার চেষ্টা করে, তবে আদালত প্রথমে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে, যাতে সে ওই জমি দখল করতে না পারে, যতক্ষণ না মামলা শেষ হয়।
১০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারায় কোন বিষয়ের ওপর আদালত অনুসন্ধান করতে পারেন?
  1. দলিলের ভাষার সৌন্দর্য
  2. দলিলটি কে প্রস্তুত করেছেন
  3. দলিলের উদ্দেশ্য ও আইনি ফলাফল
  4. দলিলের স্বাক্ষরকারীদের পরিচয়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারা অনুযায়ী, আদালত দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে দুটি প্রধান বিষয় অনুসন্ধান করতে পারেন—
১) দলিলের উদ্দেশ্য (Intended Meaning): দলিলটি রচনার সময় পক্ষগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য কী ছিল, তা বিচার করা হয়।
২) দলিলের আইনি ফলাফল (Legal Consequences): দলিল অনুযায়ী কী ধরনের আইনি অধিকার বা বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি হওয়ার কথা ছিল, সেটিও আদালত বিবেচনায় নেন।
- এই অনুসন্ধান শুধুমাত্র দলিলের ভাষার উপর সীমাবদ্ধ নয়, বরং এর প্রকৃত উদ্দেশ্য ও আইনি পরিণতির ওপর ভিত্তি করে আদালত সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারার বিধান: সংশোধনের মূলনীতিসমূহ:
- লিখিত দলিল সংশোধন করার সময় আদালত অনুসন্ধান করতে পারেন, কি অর্থ বহন করা দলিলের অভিপ্রেত ছিল এবং চুক্তির বৈধ ফলাফল সম্পর্কে অভিপ্রায় কি ছিল, কেবল মাত্র সে ব্যাপারেই অনুসন্ধান সীমিত থাকবে না।
--------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 33. Principles of rectification:
- In rectifying a written instrument, the Court may inquire what the instrument was intended to mean, and what were intended to be its legal consequences, and is not confined to the inquiry what the language of the instrument was intended to be.
১১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারা অনুযায়ী, একটি দলিল বাতিল করা হলে, নিবন্ধন অফিসার কী করবেন?
  1. দলিলটি সম্পূর্ণ নষ্ট করে ফেলবেন
  2. দলিলের একটি নতুন কপি তৈরি করবেন
  3. দলিলের মালিককে ক্ষতিপূরণ দেবেন
  4. দলিলের রেকর্ডে বাতিলের তথ্য লিপিবদ্ধ করবেন
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৩৯ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো দলিল অকার্যকর (void) বা বাতিলযোগ্য (voidable) বলে ঘোষণা করা হয় এবং আদালত সেটি বাতিলের আদেশ প্রদান করেন, তাহলে—
১) আদালত সেই দলিলের বাতিল সংক্রান্ত ডিক্রির একটি কপি সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রেশন অফিসারকে পাঠাবেন।
২) রেজিস্ট্রেশন অফিসার তার রেকর্ডে দলিলের কপিতে এই বাতিলের তথ্য লিপিবদ্ধ করবেন।
৩) এর ফলে দলিলটি আর কার্যকর থাকবে না এবং কেউ সেটি বৈধভাবে ব্যবহার করতে পারবে না।
অর্থাৎ আদালতের আদেশ অনুযায়ী রেজিস্ট্রেশন অফিসার দলিলের রেকর্ডে বাতিলের তথ্য লিপিবদ্ধ করেন, যা ভবিষ্যতে দলিলটি বৈধভাবে ব্যবহার হওয়া থেকে বিরত রাখে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-৩৯ ধারার বিধান: যখন বাতিলের আদেশ প্রদানযোগ্য:
-যেকোনো ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে লিখিত চুক্তি অবৈধ বা বাতিলযোগ্য, যার যুক্তিসংগত আশঙ্কা রয়েছে যে, তেমন দলিল নিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দিলে তা তার গুরুতর ক্ষতির কারণ হবে, তবে সে তা বাতিল বা বাতিলযোগ্য ঘোষণার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে তেমন রায় প্রদান করতে এবং চুক্তি বিলুপ্তি হিসাবে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।
-যদি দলিল নিবন্ধন আইন অনুসারে নিবন্ধিকৃত হয়ে থাকে, তবে আদালত তার ডিক্রির একটি কপি সে কর্মকর্তার বরাবরে প্রেরণ করবেন, যার কার্যালয়ে উক্ত দলিল নিবন্ধন করা হয়েছে এবং তেমন কর্মকর্তা তার বইতে দলিলের নকলে তার বিলুপ্তির বিষয়াবলি লিপিবদ্ধ করবেন।
-------------
⇒The Specific Relief Act, 1877-Section-39: When cancellation may be ordered:
-Any person against whom a written instrument is void or voidable, who has reasonable apprehension that such instrument, if left outstanding, may cause him serious injury, may sue to have it adjudged void or viodable; and the Court may, in its discretion, so adjudge it and order it to be delivered up and cancelled.
If the instrument has been registered under the Registration Act, 1908, the Court shall also send a copy of its decree to the officer in whose office the instrument has been so registered; and such officer shall note on the copy of the instrument contained in his books the fact of its cancellation.
১২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ৫২ ধারা
  2. ৫৪ ধারা
  3. ৫৫ ধারা
  4. ৫৬ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারা-তে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা তখন প্রদান করা যায় যখন আদালত সন্তুষ্ট হয় যে আবেদনকারী পক্ষের অধিকার লঙ্ঘন হওয়ার ফলে আর্থিক ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত নয় এবং বিরোধী পক্ষের কাজ বা আচরণ প্রমাণিতভাবে বাদীর অধিকারের বিপরীত। এই নিষেধাজ্ঞা শুধুমাত্র মামলার শুনানির পর মামলার গুণাগুণের উপর ভিত্তি করে ডিক্রি দ্বারা মঞ্জুর করা হয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারায় বলা হয়েছে, আবেদনকারীর পক্ষে কোন বিদ্যমান বাধ্যবাধকতা, যা ভঙ্গ করাকে প্রতিরোধ করার জন্য চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর হতে পারে। চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মোকদ্দমায় স্বত্বের প্রশ্নটি বড় নয়, দখলের প্রশ্নটি বড়। বাদী যদি দীর্ঘদিন দখলে থাকে, তাহলে আদালত তার অনুকূলে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারবে। নিষেধাজ্ঞা চিরস্থায়ী করার অর্থ ইহা নয় যে, উক্ত নিষেধাজ্ঞা চিরকালের জন্য চলতে থাকবে এবং উক্ত নিষেধাজ্ঞার ডিক্রির বিরুদ্ধে কোন কিছু করা যাবে না। কোন উপর্যুক্ত আদালত যতদিন পর্যন্ত স্বত্বের মীমাংসা না করেন এবং এই নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি রদ না করেন ততদিন পর্যন্ত চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চলতে থাকবে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৩ ধারার মতে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবলমাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।

⇒ The Specific Relief Act, 1877: Section- 53. Perpetual injunctions: A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit, the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.

⇒ The Specific Relief Act, 1877: Section- 54 Perpetual injunctions when granted:
Subject to the other provisions contained in, or referred to by, this Chapter, a perpetual injunction may be granted to prevent the breach of an obligation existing in favour of the applicant, whether expressly or by implication.
When such obligation arises from contract, the Court shall be guided by the rules and provisions contained in Chapter II of this Act.
When the defendant invades or threatens to invade the plaintiff's right to, or enjoyment of, property, the Court may grant a perpetual injunction in the following cases (namely):-
(a) where the defendant is trustee of the property for the plaintiff;
(b) where there exists no standard for ascertaining the actual damage caused, or likely to be caused, by the invasion;
(c) where the invasion is such that pecuniary compensation would not afford adequate relief;
(d) where it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the invasion;
(e) where the injunction is necessary to prevent a multiplicity of judicial proceedings.

Explanation - For the purpose of this section a trademark is property.
১৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারা অনুসারে, যখন ক্রেতা বা ইজারাদার চুক্তির শর্ত পূরণে ব্যর্থ হয়, আদালত কী করতে পারে?
  1. চুক্তি বলবৎ করতে পারে
  2. চুক্তি সংশোধন করতে পারে
  3. ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারে
  4. চুক্তি রদ করার নির্দেশ দিতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারার অধীনে, যদি কোনো ক্রেতা বা ইজারাদার আদালতের আদেশ অনুসারে চুক্তির শর্ত পূরণে ব্যর্থ হয়, তাহলে আদালত চুক্তি রদের (Rescission) নির্দেশ দিতে পারে।
এই ধারা অনুযায়ী, যদি ক্রেতা বা ইজারাদার অর্থ পরিশোধে বা অন্য কোনো শর্ত পূরণে ব্যর্থ হয়, এবং সে সম্পত্তির দখলে থাকে, তাহলে—
১) আদালত চুক্তি রদের আদেশ দিতে পারে
২) দখলকারীর দখলকে অবৈধ ঘোষণা করতে পারে
৩) বিক্রেতা বা ইজাদাতার ক্ষতিপূরণের জন্য ভাড়া বা লভ্যাংশ আদায়ের নির্দেশ দিতে পারে

উদাহরণ:
→ কোনো ব্যক্তি যদি সম্পত্তি কেনার চুক্তি করে, কিন্তু অর্থ পরিশোধ না করে, তাহলে বিক্রেতা চুক্তি রদের জন্য আদালতে যেতে পারেন।
→ কোনো ইজারাদার (Lessee) যদি ইজারার শর্ত মেনে চলতে ব্যর্থ হয়, তাহলে মালিক চুক্তি রদের দাবি করতে পারেন।

অর্থাৎ যখন ক্রেতা বা ইজারাদার পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়, তখন আদালত চুক্তি রদের নির্দেশ দিতে পারে। তাই সঠিক উত্তর "ঘ) চুক্তি রদ করার নির্দেশ দিতে পারে"।

⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 35. When rescission may be adjudged:
Any person interested in a contract in writing may sue to have it rescinded, and such rescission may be adjudged by the Court in any of the following cases, namely:- 
(a) where the contract is viodable or terminable by the plaintiff; 
(b) where the contract is unlawful for causes not apparent on its face, and the defendant is more to blame than the plaintiff; 
(c) where a decree for specific performance of a contract of sale, or of a contract to take a lease, has been made, and the purchaser or lessee makes default in payment of the purchase-money or other sums which the Court has ordered him to pay. 

When the purchaser or lessee is in possession of the subject-matter, and the Court finds that such possession is wrongful, the Court may also order him to pay to the vendor or lessor the rents and profits, if any, received by him as such possessor. 
In the same case, the Court may, by order in the suit in which the decree has been made and not complied with, rescind the contract, either so far as regards the party in default, or altogether as the justice of the case may require. 

Illustrations:
to (a)- 
A sells a field to B. There is a right of way over the field of which A has direct personal knowledge, but which he conceals from B. B is entitled to have the contract rescinded.to (b)- 
A, an Advocate, induces his client B, a Hindu widow, to transfer property to him for the purpose of defrauding B's creditors. Here the parties are not equally in fault, and B is entitled to have the instrument of transfer rescinded.
১৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারায় দলিল সংশোধন করার জন্য কিসের প্রয়োজন?
  1. আদালতের অনুমতি
  2. কোনো পক্ষের পক্ষ থেকে মৌখিক আবেদন
  3. প্রতারণা বা পক্ষসমূহের পারস্পরিক ভুল প্রমাণিত হওয়া
  4. সংশোধনের জন্য তৃতীয় পক্ষের সম্মতি
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো চুক্তি বা অন্য কোনো লিখিত দলিল পক্ষগণের সত্যিকারের উদ্দেশ্য সঠিকভাবে প্রকাশ না করে, এবং এটি প্রতারণা বা পক্ষসমূহের পারস্পরিক ভুলের কারণে ঘটে, তাহলে সংশ্লিষ্ট পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধি আদালতে দলিল সংশোধনের জন্য মামলা দায়ের করতে পারেন।
- আদালত যদি নিশ্চিত হন যে প্রতারণা বা পারস্পরিক ভুলের কারণে দলিলে ত্রুটি ঘটেছে, এবং এটি সংশোধন করলে পক্ষগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য প্রকাশ পাবে, তাহলে আদালত তার স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে দলিল সংশোধনের নির্দেশ দিতে পারেন। তবে, আদালত দলিল সংশোধন করতে পারবেন কেবল তখনই যখন তা তৃতীয় পক্ষের সরল বিশ্বাসে অর্জিত অধিকারের ক্ষতি না করে।

⇒ The Specific Relief Act, 1877,ধারা ৩১ অনুযায়ী যখন দলিল সংশোধন করা যেতেপারে:
-যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষসমূহের পারস্পরিক ভুলের দরুন কোন চুক্তি বা অপর কোন লিখিত দলিল সত্যিকারভাবে তাদের উদ্দেশ্য ব্যক্ত করে না, যে কোন পক্ষ কিংবা তাদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিল সংশোধিত করে নেবার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে। যদি আদালত ইহা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের বেলায় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকরী করার ব্যাপারে পক্ষসমূহের সত্যিকার উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে অক্ষম হয়, সেখানে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুসারে যতদূর পর্যন্ত তা তৃতীয় পক্ষ কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন, যাতে তা সে উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয়।

অর্থাৎ দলিল সংশোধন করা যাবে কেবল তখনই, যদি প্রতারণা বা পারস্পরিক ভুলের মাধ্যমে দলিলটি প্রকৃত উদ্দেশ্য প্রকাশ না করে। এটি আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা এবং আদালত সংশোধনের সিদ্ধান্ত নেবেন, তবে তৃতীয় পক্ষের স্বার্থ সংরক্ষণ করতে হবে।
--------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section-31. When instrument may be rectified:
-When, through fraud or a mutual mistake of the parties, a contract or other instrument in writing does not truly express their intention, either party, or his representative in interest, may institute a suit to have the instrument rectified; and if the Court find it clearly proved that there has been fraud or mistake in framing the instrument, and ascertain the real intention of the parties in executing the same, the Court may in its discretion rectify the instrument so as to express that intention, so far as this can be done without prejudice to rights acquired by third persons in good faith and for value.
১৫.
A ও B অংশীদারি ব্যবসা করেন। A অবৈধভাবে অংশীদারিত্বের বই নিজের কাছে রেখেছেন এবং B কে এতে প্রবেশাধিকার দিতে অস্বীকার করেছেন। B এর বিরুদ্ধে A নিষেধাজ্ঞা চেয়েছেন যাতে B অংশীদারি দেনা ও সম্পদ গ্রহণ করতে না পারেন। এক্ষেত্রে আদালত কি করবেন?
  1. নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবেন
  2. নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবেন না
  3. বিষয়টি অন্য আদালতে পাঠাবেন
  4. উভয় পক্ষকে ব্যবসা বন্ধ করতে নির্দেশ দেবেন
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবেন না।
⇒ এই প্রশ্নটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারার উদাহরণ (a) এর উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। এখানে A এবং B অংশীদারি ব্যবসায় জড়িত। A অংশীদারিত্বের বহি (বই) অবৈধভাবে নিজের কাছে রেখেছেন এবং B কে এতে প্রবেশাধিকার দিতে অস্বীকার করেছেন। এরপর A, B এর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা চেয়েছেন যাতে B অংশীদারি দেনা ও সম্পদ গ্রহণ করতে না পারেন।

→ এই ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবেন না, কারণ A এর আচরণ অসদাচরণের পর্যায়ে পড়ে। A ইতিমধ্যেই অংশীদারিত্বের বই অবৈধভাবে আটকে রেখেছেন এবং B কে এতে প্রবেশাধিকার দিতে অস্বীকার করেছেন। এই ধরনের আচরণের কারণে A আদালতের সাহায্য পাওয়ার অধিকার হারান। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারা অনুযায়ী, আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবেন না যদি আবেদনকারীর আচরণ এমন হয় যে তা তাকে আদালতের সাহায্য থেকে বঞ্চিত করে।

→ সুতরাং, আদালত A এর আবেদন প্রত্যাখ্যান করবেন এবং নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবেন না।
----------- 
⇒ The Specific Relief Act, 1877: Section- 56. Injunction when refused:
Illustrations:
(a) A seeks an injunction to restrain his partner, B, from receiving the partner-ship-debts and effects. It appears that A had improperly possessed himself of the books of the firm and refused B access to them. The Court will refuse the injunction.
১৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৮ ধারার উদ্দেশ্য কী?
  1. চুক্তি রদকরণে বাধা দেওয়া
  2. চুক্তি রদকরণে উৎসাহিত করা
  3. চুক্তি বাস্তবায়নে সহায়তা করা
  4. চুক্তি রদকরণে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৩৮ ধারা চুক্তি রদের (rescission) পরিপ্রেক্ষিতে আদালতের ক্ষমতা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার নিয়ম নির্ধারণ করে। যখন কোনো চুক্তি রদের জন্য আদালতে আবেদন করা হয় এবং আদালত চুক্তি রদের আদেশ দেন, তখন তিনি রদকারী পক্ষকে ন্যায়পরায়ণতা (equity) অনুসারে অপর পক্ষকে ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশ দিতে পারেন।
- এটি ন্যায়বিচারের নীতি অনুসরণ করে, কারণ চুক্তি বাতিল হলে অপর পক্ষ আর্থিক বা অন্যান্য ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে। এজন্য ৩৮ ধারা নিশ্চিত করে যে, কোনো পক্ষ চুক্তি বাতিল করলে তা সম্পূর্ণভাবে অন্য পক্ষের প্রতি অন্যায় না হয় এবং ন্যায্য ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে ভারসাম্য বজায় থাকে।

অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৮ ধারা চুক্তি রদের ক্ষেত্রে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য আদালতকে ক্ষমতা প্রদান করে, যাতে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ উপযুক্ত প্রতিকার পায়।

- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৮ ধারা অনুযায়ী: রদকারী পক্ষের পক্ষ থেকে আদালত প্রয়োজন অনুসারে ন্যায়পরতার দাবি করতে পারেন:
চুক্তি রদের রায় প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত যে পক্ষকে প্রতিকার মঞ্জুর করেছেন, সেই পক্ষের থেকে অপর পক্ষকে ন্যায়বিচারের প্রয়োজন অনুসারে ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।

⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 38- Court may require party rescinding to do equity:
On adjudging the rescission of a contract, the Court may require the party to whom such relief is granted to make any compensation to the other which justice may require.
১৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৪ ধারার মূল বক্তব্য কী?
  1. সংশোধিত চুক্তি বাতিল করতে হবে
  2. সংশোধিত চুক্তি বলবৎ করা যেতে পারে
  3. সংশোধনের পর নতুন দলিল তৈরি করতে হবে
  4. সংশোধিত চুক্তি কেবল আপিলে কার্যকর হবে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৪ ধারা অনুসারে, যদি কোনো চুক্তি সংশোধনের প্রয়োজন হয়, তাহলে প্রথমে তা সংশোধন (rectification) করা যেতে পারে এবং পরে, যদি মামলাকারী (plaintiff) তার মামলার আবেদনে (plaint) চুক্তির বলবৎ (specific enforcement) প্রার্থনা করে এবং আদালত মনে করে যে এটি যুক্তিযুক্ত, তাহলে সংশোধিত চুক্তি বলবৎ করা যেতে পারে।
⇒ অর্থাৎ, আদালত চুক্তির ভুল সংশোধন করতে পারেন এবং পরে, যদি এটি প্রয়োজনীয় হয়, তবে সংশোধিত চুক্তির কার্যকর বাস্তবায়নের আদেশও দিতে পারেন।
- অতএব, ধারা ৩৪ অনুসারে, সংশোধিত চুক্তিকে আদালতের বিবেচনায় প্রয়োজনে বলবৎ করা যেতে পারে, যদি মামলাকারী তা দাবি করে এবং আদালত মনে করে এটি ন্যায়সঙ্গত ও আইনসিদ্ধ।

⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section- 34. Specific enforcement of rectified contract:
A contract in writing may be first rectified and then, if the plaintiff has so prayed in his plaint and the Court thinks fit, specifically enforced. 
Illustration:
A contracts in writing to pay his attorney, B, a fixed sum in lieu of costs. The contract contains mistakes as to the name and rights of the client, which, if construed strictly, would exclude B from all rights under it. B is entitled, if the Court thinks, fit, to have it rectified, and to an order for payment of the sum, as if at the time of its execution it had expressed the intention of the parties.
১৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারা অনুযায়ী, বিকল্প প্রার্থনা কোন পর্যায়ে করতে হয়?
  1. রায় প্রদানের পূর্বে
  2. মামলা শুনানির সময়
  3. মামলা দায়ের করার সময়
  4. আপিল দায়ের করার সময়
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) মামলা দায়ের করার সময়। 
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারা অনুযায়ী, যখন কোন ব্যক্তি চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মোকদ্দমা দায়ের করেন, তখন তিনি বিকল্প প্রার্থনা (যেমন, চুক্তি রদ করা) মামলা দায়ের করার সময়ই করতে পারেন। এটি একটি বিকল্প আবেদন হিসাবে দায়ের করা হয় এবং আদালত যদি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করেন, তখন সেই ভিত্তিতে চুক্তি রদ করার জন্য নির্দেশ দিতে পারেন।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারার বিধান- সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মোকদ্দমার বিকল্প হিসাবে রদের আর্জি:
লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মোকদ্দমা রুজুকারী বাদী বিকল্প হিসাবে আবেদন অবহিত করতে পারেন যে, চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা না গেলে তা রদ করা হোক এবং বিলুপ্ত হিসাবে ত্যাগ করা হোক; এবং আদালত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করলে তা রদ করা এবং সে অনুসারে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।
--------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 37- Alternative prayer for rescission in suit for specific performance:
A plaintiff instituting a suit for the specific performance of a contract in writing may pray in the alternative that, if the contract cannot be specifically enforced, it may be rescinded and delivered up to be cancelled; and the Court, if it refuses to enforce the contract specifically, may direct it to be rescinded and delivered up accordingly.
১৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪১ ধারার অধীনে, দলিল বাতিলের ক্ষেত্রে আদালত কী আদেশ দিতে পারে?
  1. কারাদণ্ডসহ বাতিল
  2. পুনরায় কার্যকর
  3. ক্ষতিপূরণসহ বাতিল
  4. সংশোধনের নির্দেশ
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪১ ধারায় বলা হয়েছে যে, যখন আদালত একটি দলিল বাতিল করার আদেশ দেয়, তখন আদালত সংশ্লিষ্ট পক্ষকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করার নির্দেশ দিতে পারে, যাতে কোনো পক্ষের অন্যায়ের কারণে ক্ষতি না হয়। এর মানে হলো, আদালত বাতিলকৃত দলিলের কারণে যে পক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করতে পারে।

এছাড়া, আদালত এই আদেশটি দেওয়ার সময় দলিলের সংশোধন বা পুনরায় কার্যকর করার ব্যাপারে কোনো নির্দেশনা দেয় না, তাই "খ" এবং "ঘ" অপশন ভুল হবে। "ক" অপশনও সঠিক নয়, কারণ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে দলিল বাতিলের সাথে কারাদণ্ডের কোনো সম্পর্ক নেই।

- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪১ ধারা অনুসারে, আদালত যখন কোনো দলিল বাতিল করার আদেশ দেয়, তখন ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার স্বার্থে আদালত দলিল বাতিলের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করার নির্দেশ দিতে পারে।

উদাহরণ: যদি কোনো প্রতারণামূলক চুক্তি বাতিল করা হয়, তবে যে পক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাকে আর্থিকভাবে পুনরুদ্ধার করার জন্য ক্ষতিপূরণ দেওয়া হতে পারে।

⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section- 41. Power to require party for whom instrument is cancelled to make compensation:
On adjudging the cancellation of an instrument, the Court may require the party to whom such relief is granted to make any compensation to the other which justice may require.
২০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারা অনুযায়ী কতটি ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা হবে না?
  1. ৯ টি
  2. ১০ টি
  3. ১১ টি
  4. ১২ টি
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারা-তে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কোন কোন ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
- এই ধারা অনুযায়ী ১১টি নির্দিষ্ট পরিস্থিতি বর্ণিত হয়েছে, যেখানে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা হবে না।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারায় নিষেধাজ্ঞা না মঞ্জুর করার ক্ষেত্রে যে ১১টি নির্দিষ্ট অবস্থার উল্লেখ করা হয়েছে, তা হলো:
১. যখন বিচার বিভাগীয় কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে হবে না।
২. যখন কোনো অধীনস্থ আদালতের কার্যধারা স্থগিত রাখতে হবে না।
৩. যখন কোনো ব্যক্তি আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করতে চায়।
৪. যখন সরকারের কোনো সরকারি কার্যক্রম বা বিদেশি সরকারের কাজে হস্তক্ষেপ করতে হবে না।
৫. যখন কোনো ফৌজদারি বিষয়ে কার্যধারা স্থগিত রাখতে হবে না।
৬. যখন কোনো চুক্তি ভঙ্গের জন্য নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যাবে না, যদি না সেই চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়।
৭. যখন উৎপাত নয় এমন কাজ নিষেধ করতে হবে না।
৮. যখন বাদী সম্মতি দিয়েছে এমন ক্রমাগত লঙ্ঘন নিষেধ করতে হবে না।
৯. যখন জিম্মা ভঙ্গের প্রতিকার অন্য কোনো সাধারণ কার্যধারার মাধ্যমে পাওয়া যায়।
১০. যখন আবেদনকারীর আবেদন এমন যে তাকে আদালতের সাহায্য থেকে বঞ্চিত করবে।
১১. যখন মামলার বিষয়বস্তুতে আবেদনকারীর কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ নেই।

⇒ The Specific Relief Act, 1877: Section- 56. Injunction when refused:
An injunction cannot be granted- 
(a) to stay a judicial proceeding pending at the institution of the suit in which the injunction is sought, unless such restraint is necessary to prevent a multiplicity of proceedings; 
(b) to stay proceedings in a Court not subordinate to that from which the injunction is sought; 
(c) to restraint persons from applying to any legislative body; 
(d) to interfere with the public duties of any department of the Government, or with the sovereign acts of Foreign Government; 
(e) to stay proceedings in any criminal matter; 
(f) to prevent the breach of a contract the performance of which would not be specifically enforced; 
(g) to prevent, on the ground of nuisance, an act of which it is not reasonably clear that it will be a nuisance; 
(h) to prevent a continuing breach in which the applicant has acquiesced; 
(i) when equally efficacious relief can certainly be obtained by any other usual mode of proceeding except in case of breach of trust; 
(j) when the conduct of the applicant on his agents has been such as to disentitle him to the assistance of the Court; 
(k) where the applicant has no personal interest in the matter.
২১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় কোন ক্ষেত্রের জন্য আদালত ঘোষণা করতে পারেন?
  1. কোনো চুক্তি সম্পাদন
  2. সম্পত্তির মালিকানার প্রশ্ন
  3. দখল পুনরুদ্ধারের জন্য
  4. একটি ব্যক্তিগত চুক্তির বৈধতা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারা অনুযায়ী, আদালত সম্পত্তির মালিকানার প্রশ্ন বা আইনগত পরিচয় সম্পর্কিত ঘোষণা দিতে পারেন। উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো ব্যক্তি তার সম্পত্তির মালিকানা অস্বীকার করা হয়, তবে সে আদালতে একটি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে, যাতে আদালত তার মালিকানা প্রতিষ্ঠিত করতে পারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।
- ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে। অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে,তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree) বলে।

⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 42. Discretion of Court as to declaration of status or right. Bar to such declaration:
Any person entitled to any legal character, or to any right as to any property, may institute a suit against any person denying, or interested to deny, his title to such character or right, and the Court may in its discretion make therein a declaration that he is so entitled, and the plaintiff need not in such suit ask for any further relief:
Provided that no Court shall make any such declaration where the plaintiff, being able to seek further relief than a mere declaration of title, omits to do so.
Explanation - A trustee of property is a "person interested to deny" a title adverse to the title of some one who is not in existence, and for whom, if in existence, he would be a trustee.
২২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারায় আদালত দলিল সংশোধন করতে পারেন, কিন্তু কোন শর্তে?
  1. পক্ষগণ সম্মত হলে
  2. আদালতের নিজস্ব ইচ্ছার ভিত্তিতে
  3. তৃতীয় পক্ষের অধিকার ক্ষুণ্ণ না হয়
  4. যদি সংশোধিত দলিল শুধুমাত্র সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য প্রকাশ করে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা অনুযায়ী, আদালত প্রতারণা বা পারস্পরিক ভুলের কারণে ত্রুটিপূর্ণ দলিল সংশোধনের আদেশ দিতে পারেন, তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো—এতে তৃতীয় পক্ষের অধিকার ক্ষুণ্ণ হওয়া যাবে না।
- যদি তৃতীয় পক্ষ দলিলের ওপর সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অধিকার অর্জন করে থাকেন, তবে আদালত তাদের অধিকার লঙ্ঘন করে দলিল সংশোধন করতে পারবেন না।
- তবে যদি তৃতীয় পক্ষের অধিকার বাধাগ্রস্ত না হয়, তাহলে আদালত স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে দলিল সংশোধন করতে পারেন।
অর্থাৎ আদালত দলিল সংশোধন করতে পারেন, তবে শর্ত হলো— এতে কোনো তৃতীয় পক্ষের অধিকার ক্ষুণ্ণ হওয়া যাবে না।

⇒ The Specific Relief Act, 1877,ধারা ৩১ অনুযায়ী যখন দলিল সংশোধন করা যেতেপারে:
-যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষসমূহের পারস্পরিক ভুলের দরুন কোন চুক্তি বা অপর কোন লিখিত দলিল সত্যিকারভাবে তাদের উদ্দেশ্য ব্যক্ত করে না, যে কোন পক্ষ কিংবা তাদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিল সংশোধিত করে নেবার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে। যদি আদালত ইহা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের বেলায় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকরী করার ব্যাপারে পক্ষসমূহের সত্যিকার উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে অক্ষম হয়, সেখানে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুসারে যতদূর পর্যন্ত তা তৃতীয় পক্ষ কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন, যাতে তা সে উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয়।
--------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section-31. When instrument may be rectified:
-When, through fraud or a mutual mistake of the parties, a contract or other instrument in writing does not truly express their intention, either party, or his representative in interest, may institute a suit to have the instrument rectified; and if the Court find it clearly proved that there has been fraud or mistake in framing the instrument, and ascertain the real intention of the parties in executing the same, the Court may in its discretion rectify the instrument so as to express that intention, so far as this can be done without prejudice to rights acquired by third persons in good faith and for value.
২৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারা মূলত কী সম্পর্কে?
  1. দলিল হস্তান্তর
  2. দলিল সংশোধন
  3. দলিল নিবন্ধন
  4. দলিল বাতিলকরণ
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারা মূলত দলিল সংশোধন (Rectification of Instruments) সম্পর্কিত। এ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো দলিল ভুলবশত বা অসাবধানতাবশত ভুলভাবে রচিত হয় এবং এতে চুক্তির প্রকৃত উদ্দেশ্য ও আইনগত ফলাফল প্রতিফলিত না হয়, তবে আদালত দলিল সংশোধনের জন্য আদেশ দিতে পারেন।
→ এখানে মূলত আদালতের ক্ষমতা ও দায়িত্ব নির্ধারণ করা হয়েছে, যাতে তিনি দলিলের ভাষার পরিবর্তে চুক্তির প্রকৃত উদ্দেশ্য ও আইনগত পরিণতি বিবেচনা করতে পারেন এবং সেই অনুযায়ী দলিল সংশোধনের নির্দেশ দিতে পারেন।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারার বিধান: সংশোধনের মূলনীতিসমূহ:
- লিখিত দলিল সংশোধন করার সময় আদালত অনুসন্ধান করতে পারেন, কি অর্থ বহন করা দলিলের অভিপ্রেত ছিল এবং চুক্তির বৈধ ফলাফল সম্পর্কে অভিপ্রায় কি ছিল, কেবল মাত্র সে ব্যাপারেই অনুসন্ধান সীমিত থাকবে না।
--------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 33. Principles of rectification:
-In rectifying a written instrument, the Court may inquire what the instrument was intended to mean, and what were intended to be its legal consequences, and is not confined to the inquiry what the language of the instrument was intended to be.
২৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুযায়ী রিসিভার নিয়োগের উদ্দেশ্য কী?
  1. সরকারি রাজস্ব আদায় করা
  2. আদালতের রায় দ্রুত কার্যকর করা
  3. মামলার পক্ষগুলোর মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা
  4. বিরোধীয় সম্পত্তির সুরক্ষা ও ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারা অনুযায়ী, রিসিভার নিয়োগের মূল উদ্দেশ্য হল বিরোধীয় সম্পত্তির সুরক্ষা ও ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা। মামলার প্রক্রিয়া চলাকালে আদালত যদি মনে করেন যে সম্পত্তি যদি অব্যবস্থাপিত বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে রিসিভারকে নিয়োগ করা হয় যাতে সম্পত্তির সঠিক ব্যবস্থাপনা এবং সুরক্ষা নিশ্চিত হয়।
- অতএব, রিসিভার নিয়োগের উদ্দেশ্য হচ্ছে বিরোধীয় সম্পত্তির সুরক্ষা ও ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা।

⇒ তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভারের সংজ্ঞা (Definition of receiver)- আদালত যে ব্যক্তিকে কোন জমি বা ব্যক্তিগত সম্পত্তির ভাড়া, লাভ, খাজনা আদায় করার জন্য নিয়োগ দেন তাকে তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভার বলে। অর্থাৎ রিসিভার বা তত্ত্বাবধায়ক হচ্ছে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত একজন কর্মকর্তা যিনি মোকদ্দমা চলাকালীন বিরোধীয় সম্পত্তির তত্ত্বাবধান করেন। রিসিভার নিয়োগ আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা বা সুবিবেচনার উপর নির্ভরশীল। মামলা চলাকালীন কিংবা মামলা ডিক্রি হওয়ার পর আদালত রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারার বিধান তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ সুবিবেচনামূলক: -প্রক্রিয়াধীন মামলায় তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ আদালতের সম্পূর্ণ ইচ্ছাধীন।
দেওয়ানি কার্যবিধি আইনের রেফারেন্স—তার নিয়োগের ধরন ও ফলাফল এবং তার অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়দায়িত্ব দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হবে।

⇒ ১৮৭৭ সালের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারায় রিসিভার নিয়োগ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। কিন্তু কখন কী প্রয়োজনে আদালত রিসিভার নিয়োগ করবেন বা রিসিভারের দায়িত্ব কর্তব্য বা অধিকার কী হবে ইত্যাদি সম্পর্কে বলা হয়েছে দেওয়ানি কার্যবিধির ৪০ আদেশের ১ থেকে ৫ বিধিতে।

⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 44 Appointment of receivers discretionary: The appointment of a receiver pending a suit is a matter resting in the discretion of the Court.
Reference to Code of Civil Procedure: The mode and effect of his appointment, and his rights, powers, duties and liabilities, are regulated by the Code of Civil Procedure.
২৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারা অনুসারে, কখন একটি লিখিত চুক্তি রদ করার জন্য মামলা দায়ের করা যায়?
  1. চুক্তিটি বাতিলযোগ্য বা সমাপ্তিযোগ্য হলে
  2. চুক্তিটি অবৈধ হলে এবং চুক্তির মুখপত্রে তা স্পষ্ট না হলে
  3. ক্রেতা বা ইজারাদার চুক্তির শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে
  4. উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, আদালত কয়েকটি নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে একটি লিখিত চুক্তি রদের (Rescission) আদেশ দিতে পারে। সেগুলো হলো—
→ যখন চুক্তিটি বাতিলযোগ্য (Voidable) বা সমাপ্তিযোগ্য (Terminable) হয়:
- যদি চুক্তি বাতিলযোগ্য হয় (যেমন প্রতারণা, বলপ্রয়োগ, প্ররোচনা বা পক্ষের ভুলের কারণে), তাহলে বাদী চুক্তি রদের জন্য মামলা করতে পারে।
উদাহরণ: যদি একজন ব্যক্তি প্রতারণার মাধ্যমে চুক্তিতে স্বাক্ষর করায়, তাহলে ভুক্তভোগী চুক্তি বাতিলের জন্য আদালতে যেতে পারেন।

→ যখন চুক্তিটি অবৈধ হয়, তবে চুক্তির মুখপত্রে তা স্পষ্ট না থাকে:
- যদি চুক্তি বেআইনি কোনো উদ্দেশ্যে করা হয়, কিন্তু তা চুক্তির ভাষায় সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ না থাকে, তাহলে আদালত চুক্তি রদের রায় দিতে পারে, বিশেষ করে যখন প্রতিপক্ষ বাদীর তুলনায় বেশি দোষী হয়।
উদাহরণ: একজন উকিল যদি তার মক্কেলকে প্রতারণার মাধ্যমে এমন চুক্তিতে বাধ্য করে যা মক্কেলের ঋণদাতাদের প্রতারণার জন্য করা হয়েছে, তাহলে এই চুক্তি রদের যোগ্য।

→ যখন ক্রেতা বা ইজারাদার চুক্তির শর্ত পূরণে ব্যর্থ হয়:
- যদি আদালত কোনো সম্পত্তি বিক্রির (Sale Contract) বা লিজের (Lease) সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের আদেশ দেয়, কিন্তু ক্রেতা বা ইজারাদার অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হয়, তাহলে আদালত চুক্তি রদের সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
উদাহরণ: যদি একজন ব্যক্তি একটি সম্পত্তি কেনার জন্য চুক্তি করে এবং আদালত তাকে অর্থ পরিশোধের নির্দেশ দেয়, কিন্তু সে অর্থ পরিশোধ না করে, তাহলে বিক্রেতা চুক্তি রদের জন্য মামলা করতে পারেন।

অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারার অধীনে উপরের তিনটি ক্ষেত্রেই চুক্তি রদের জন্য মামলা করা যায়, তাই সঠিক উত্তর "ঘ) উপরের সবকটি"।

⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 35. When rescission may be adjudged:
Any person interested in a contract in writing may sue to have it rescinded, and such rescission may be adjudged by the Court in any of the following cases, namely:- 
(a) where the contract is viodable or terminable by the plaintiff; 
(b) where the contract is unlawful for causes not apparent on its face, and the defendant is more to blame than the plaintiff; 
(c) where a decree for specific performance of a contract of sale, or of a contract to take a lease, has been made, and the purchaser or lessee makes default in payment of the purchase-money or other sums which the Court has ordered him to pay. 

When the purchaser or lessee is in possession of the subject-matter, and the Court finds that such possession is wrongful, the Court may also order him to pay to the vendor or lessor the rents and profits, if any, received by him as such possessor. 
In the same case, the Court may, by order in the suit in which the decree has been made and not complied with, rescind the contract, either so far as regards the party in default, or altogether as the justice of the case may require. 

Illustrations:
to (a)- 
A sells a field to B. There is a right of way over the field of which A has direct personal knowledge, but which he conceals from B. B is entitled to have the contract rescinded.to (b)- 
A, an Advocate, induces his client B, a Hindu widow, to transfer property to him for the purpose of defrauding B's creditors. Here the parties are not equally in fault, and B is entitled to have the instrument of transfer rescinded.