পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি ফুল মডেল টেস্ট

পরীক্ষাপ্রাইমারি ফুল মডেল টেস্টতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 15 mins
মোট প্রশ্ন৯০
সিলেবাস
ফুল মডেল টেস্ট [Live MCQ - তে প্রতি মাসের ৫, ১৫ ও ২৫ তারিখ একটি ফুল মডেল টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি ফুল মডেল টেস্ট

প্রাইমারি ফুল মডেল টেস্ট · তারিখ অনির্ধারিত · ৯০ প্রশ্ন

.
Identify the plural number.
  1. Radius
  2. Medium
  3. Phenomena
  4. Criterion 
ব্যাখ্যা

• Phenomena is the plural of phenomenon.

Phenomena:
- English meaning: A fact or an event in nature or society, especially one that is not fully understood.
- Bangla meaning: ইন্দ্রিয়গোচর বস্তু বা বিষয়।

 তাছাড়া ইংরেজি ভাষায় Plural বানানোর স্বাভাবিক নিয়ম হলো noun এর শেষে s/ es যোগ করা।
- কিন্তু কিছু বিদেশী শব্দ রয়েছে যেগুলোর Plural স্বাভাবিক নিয়মে হয় না। সেগুলো মুখস্ত করে নেয়াই যুক্তিযুক্ত।

• নিম্নে কিছু বিদেশী ভাষা থেকে আগত উল্লেখযোগ্য শব্দের plural form দেওয়া হলো।
Singular - Plural
Phenomenon - Phenomena,
Radius - Radii,
Medium - Media,
Focus - Focuses/ Foci,
Analysis - Analyses,
Agendum - Agenda,
Datum - Data,
Criterion - Criteria, etc.

Source: Applied English Grammar and Composition by P. C. Das.

.
Which of the following nouns represents the feminine gender? 
  1. Tutor
  2. Lass 
  3. Bachelor
  4. Prince
ব্যাখ্যা

• উল্লিখিত অপশন গুলোর মধ্যে - 

ক) Tutor (masculine gender):
- English meaning: a private teacher.
- Bangla meaning: গৃহশিক্ষকতা করা।
- এর  Feminine gender: Tutoress.

খ) Lass - (feminine gender) - বালিকা; প্রেমিকা।
- এর masculine gender হচ্ছে - Lad - বালক; কিশোর। 

গ) Bachelor (masculine gender):
- English meaning: A man who has never married
- Bangla meaning; কুমার; অকৃতদার/অবিবাহিত পুরুষ।
- এর feminine gender হচ্ছে - Spinster (অবিবাহিতা মহিলা; চিরকুমারী।)

ঘ) Prince (masculine gender):
- English meaning: A male member of a royal family
- Bangla meaning: রাজার পুত্র বা পৌত্র; রাজপুত্র; রাজকুমার; কুমার;রাজতনয়।
- এ feminine form হচ্ছে - princes (রাজকুমারী)

• সুতরাং, সঠিক উত্তর টি হচ্ছে - Lass.

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.

.
We shall not see his look again.
What parts of speech is "look"?
  1. Verb
  2. Preposition
  3. Pronoun
  4. Noun
ব্যাখ্যা

• The correct answer is - Noun.

- Possessive এবং preposition এর মধ্যে কোন শব্দ থাকলে সেটি সাধারণত Noun হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- Sentence টিতে "look" শব্দটি Noun. কারণ এর আগে Possessive (his) ও পরে preposition (of) আছে।
- "Look" মানে চেহারা, অভিব্যক্তি বা দৃষ্টিভঙ্গি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
- "His look" বলতে বোঝানো হয়েছে তার চেহারা বা অভিব্যক্তি,যা একটি বস্তু বা ধারণা (Noun)।
- "See" হলো একটি ক্রিয়া (Verb), এবং verb এর পরে Noun থাকলে সেটি সাধারণত Object হিসেবে বসে।

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

.
My grandfather gave me ______ one-taka note. 
  1. a
  2. an
  3. the
  4. No article
ব্যাখ্যা

• Article:
- Article মূলত Noun, Pronoun এর আগে বসে তাদের সংখ্যা এবং নির্দিষ্টতা, অনির্দিষ্টতাকে বুঝায়।

• Article কে প্রধানত ২ ভাগে ভাগ করা যায়।
1. Indefinite Articles: A, An.
2. Definite Articles: The.

• article ‘a’ বসে consonant (Vowel পাঁচটি ছাড়া বাকিগুলো) যুক্ত শব্দের শুরুতে।
• article ‘an’ বসে vowel (a, e, I, o, u) যুক্ত শব্দের শুরুতে।

• Note:
- ‘a ও ‍an’ বসানোর ক্ষেত্রে প্রথম শব্দের উচ্চারণই মুখ্য।
- অর্থাৎ প্রথম উচ্চারণটি যদি vowel এর হয়। তাহলে an হবে।
- আর যদি প্রথম উচ্চারণটি consonant এর হয় তাহলে a হবে।

• Article এর নিয়মানুযায়ী,
- O দ্বারা শুরু সকল শব্দের পূর্বে ‍an বসবে।
- 'O' vowel এর উচ্চারণ যদি (wa) ওয়া এর মত হয় তবে এর পূর্বে article 'a' বসে।
- যেমন: A one(ওয়ান), a one-taka note, a one-eyed deer.

• তাই নিয়মানুযায়ী সঠিক উত্তর হবে - a.

• Correct sentence: My grandfather gave me a one-taka note. 

Source: A Passage to the English Language, S. M. Jakir Hussain.

.
Choose the sentence that misuses the determiner.
  1. I need some information before making a decision.
  2. We have plenty of reasons to be proud.
  3. There is little chance of winning the game.
  4. He gave many informations during the meeting.
ব্যাখ্যা

• The sentence is - He gave many informations during the meeting.
- Correct sentence: He gave much information during the meeting.

• এই বাক্যটিতে determiner এর misuse করা হয়েছে, কারণ many informations না হয়ে much information হলে সঠিক হতো।
- information একটি uncountable noun, তাই এর plural হয় না।
- এটিকে plural করতে হলে সঠিক determiner বসিয়ে plural করতে হয়।
- যেমন: two pieces of information, a lot of information, some information, etc.

- আর, uncountable noun এর সাথে much হবে।

• উল্লিখিত বাকি অপশনগুলো,
ক) I need some information before making a decision. 
- "Some" সঠিক determiner, যা uncountable noun "information" -কে determine করতে ব্যবহৃত হয়েছে। 
- Some (কিছু/সামান্য পরিমাণ) countable/uncountable noun উভয়কে determine করে।

খ) We have plenty of reasons to be proud.
- "Plenty of" সঠিক determiner, যা countable noun "reasons" কে determine করতে ব্যবহৃত হয়েছে।
- Plenty of (প্রচুর; অঢেল) যা countable/ uncountable noun উভয়কে determine করে।


গ) There is little chance of winning the game.
- "Little" সঠিক determiner, যা uncountable noun "chance" কে determine করতে ব্যবহৃত হয়েছে।
- Little (নগণ্য; নাই বললেই চলে) শুধু uncountable noun এর পূর্বে বসে।

Source: A Passage To The English Language, S. M. Zakir Hussain.

.
Choose the correct sentence.
  1. Each of the books on the shelf are very old. 
  2. Each of the books on the shelf were very old. 
  3. Each of the books on the shelf have very old. 
  4. Each of the books on the shelf is very old. 
ব্যাখ্যা

• One of/ Any of/ Each of/ Either of/ Neither of যদি subject হিসেবে ব্যবহার হলে এরপরে সব সময় Plural Noun বসে। যার কারণে এটি 'Each of the books' হয়েছে।
- আর 'Each of the books' phrase এর headword টি 'Each' singular হওয়ায় Verb Singular হবে।
- তাই, Verb হিসেবে is ব্যবহার হয়েছে। 

• Correct Sentence: Each of the books on the shelf is very old. 

• আবার যদি Plural Noun এর পরে Each আসে, তবে verb টি Plural হবে। 
- The girls each have got a prize.

• বাকি অপশনগুলো অপ্রাসঙ্গিক।

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

.
I read the book _______ you recommended last week.
  1. what
  2. that 
  3. whom
  4. whose
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: I read the book that you recommended last week.

• এ বাক্যটিতে Relative pronoun বসবে, যা inactive object 'book' কে বুঝানো হয়েছে।
- বস্তুবাচক পদার্থের ক্ষেত্রে সাধারণত Pronoun হিসেবে that বসে।
- বস্তু সম্পর্কে জানা থাকলে that, আর জানা না থাকলে what বসবে।

• Example sentence:
- He gave me what I wanted.
- He gave me the book that I wanted.

• এখানে whose, whom হলো Personal Pronoun.
- যা কেবল ব্যক্তিকে বুঝানোর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।

• তাই প্রদত্ত শুন্যস্থানটিতে pronoun হিসেবে that বসবে।

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

.
The noun form of 'Ease' is -
  1. Easy
  2. Easily
  3. Ease
  4. None of these
ব্যাখ্যা

• The noun form of 'Ease' is - Ease.

• Ease (Noun & Verb):
- English meaning:
01. (Noun) The state of being comfortable.
02. (Verb) To free from something that pains, disquiets, or burdens.

- Bangla meaning:
1. আরাম; শান্তি; বিশ্রাম; আয়াসহীনতা; সহজসাধ্যতা; স্বাচ্ছন্দ্য; উদ্বেগহীনতা।
2. আরাম দেওয়া; স্বস্তি বিধান করা; যন্ত্রণা বা উদ্বেগ দূর করা।

• উল্লিখিত বাকি অপশনগুলো,
- Easy (Adjective) - অনায়াস; সহজ; স্বচ্ছন্দ; অবাধ।
- Easily (Adverb) - সহজে; আয়াসহীনভাবে।

Source: Merriam & Webster Dictionary, Oxford Dictionary, Accessible Dictionary.

.
The synonym of the word "Abundant" is - 
  1. Ample 
  2. Insufficient
  3. Inadequate
  4. Meager
ব্যাখ্যা

• Abundant (Adjective):
- English Meaning: Existing in large quantities; more than enough.
- Bangla Meaning: প্রচুর; অঢেল।

• উল্লিখিত অপশনগুলো,
ক) Ample  – পর্যাপ্ত, অঢেল।

খ) Insufficient – অপর্যাপ্ত।

গ) Inadequate – অপ্রচুর, অপর্যাপ।

ঘ) Meager – অপ্রচুর।

• সুতরাং, অপশন বিবেচনা করে দেখা যায় যে, The synonym of the word "Abundant" is - Ample.

Source: Merriam-Webster Dictionary, Oxford Dictionary, Accessible Dictionary.

১০.
The antonym of the word "Nourish" is -
  1. Cultivate
  2. Plain
  3. Prevent
  4. Heed
ব্যাখ্যা

• Nourish (Verb):
- English meaning: 
01. Nourish somebody/ something to keep a person, an animal or a plant alive and healthy with food, etc.
02. Nourish something (formal) to allow a feeling, an idea, etc. to develop or grow stronger.
- Bangla meaning: পুষ্টিসাধন/ পোষণ করা; পরিপুষ্ট করা; উর্বরতা বাড়ানো।

• উল্লিখিত অপশনগুলো,
ক) Cultivate - চাষ করা, বিকাশ সাধন করা।

খ) Plain - স্পষ্ট, সোজা।

গ) Prevent - বাধা দেওয়া, নিবারণ করা।

ঘ) Heed - মনোযোগ দেওয়া।

• সুতরাং, অপশন বিবেচনা করে দেখা যায় যে, The antonym of the word "Nourish" is - Prevent.

Source: Merriam-Webster Dictionary, Oxford Dictionary, Accessible Dictionary.

১১.
She managed ______ (finish) her homework before dinner.
  1. finish
  2. finished
  3. finishing
  4. to finish
ব্যাখ্যা

• কিছু Verb আছে যেগুলোর পর যদি আরেকটি Verb ব্যবহার করতে হয়, তাহলে infinitive (to+verb) ব্যবহার করতে হবে,
- Verb এর সাথে Verb+ing ব্যবহার করা যাবে না।

• Verb গুলো হচ্ছে:
- agree,
- want,
- arrange,
- decide,
- demand,
- require,
- forget,
- propose,
- manage,
- refuse,
- ask, etc.

• Correct Answer: She managed to finish her homework before dinner.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

১২.
The idiom 'Flying visit' means -
  1. An very iconic visit
  2. A visit by plane
  3. A very fleeting visit
  4. A very nice visit
ব্যাখ্যা

• The idiom 'Flying visit' means - A very fleeting visit.

• Flying visit (Noun):
- English meaning: A very short visit, a hurried or fleeting visit.
- Bangla meaning: ক্ষণিকের জন্য আগমন, ক্ষণিকের দর্শন।

Example Sentence: She made a flying visit to her grandmother’s house on her way to work.
- Bangla meaning: সে তার কাজের মাঝপথে তার দাদির বাড়িতে একটি সংক্ষিপ্ত সফর করেছিল।

Source: Collins Dictionary, Merriam-Webster Dictionary, Accessible Dictionary.

১৩.
If they invited us, we ________ the party.
  1. would have attend
  2. would attend
  3. would attended
  4. had attend
ব্যাখ্যা

• If Clause টি Past Tense এ থাকলে Principle Clause এ subject এরপর Would বসে।
- Would এরপর verb এর base form বসে।
- এটি ব্যবহৃত হয় বর্তমান বা ভবিষ্যতের কাল্পনিক / অসম্ভব / অবাস্তব অবস্থার জন্য।
- যাকে Second Conditional Sentence বলা হয়।
 
Structure: If + Subject + Past Simple + Subject + would + base verb.

• Correct answer: If they invited us, we would attend the party.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

১৪.
The proverb "What belongs to all belongs to none." means -
  1.  নানা মুনির নানা মত।
  2. পক্ষপাতদুষ্ট লোকের নিকট সবাই মন্দ।
  3. ভাগের মা গঙ্গা পায় না।
  4. মন্দ খবর বাতাসের আগে চলে।
ব্যাখ্যা

• প্রদত্ত প্রশ্নে "What belongs to all belongs to none." প্রবাদটির অর্থ হচ্ছে - ভাগের মা গঙ্গা পায় না।

• উল্লিখিত বাকি অপশনগুলো,
• All feet tread not in one shoe.
- নানা মুনির নানা মত।

• All seems yellow to the jaundiced eye
- পক্ষপাতদুষ্ট লোকের নিকট সবাই মন্দ।

• Ill news runs fast.
- মন্দ খবর বাতাসের আগে চলে।

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.

১৫.
Dhaka is one of the busiest cities in Bangladesh. (make it comparative)
  1. Dhaka is busier than the most other cities in Bangladesh.
  2. Dhaka is busier most other cities in Bangladesh.
  3. Most other cities in Bangladesh are busier than Dhaka. 
  4. Dhaka is busier than most other cities in Bangladesh.
ব্যাখ্যা

• One of the যুক্ত Superlative Degree কে Comparative Degree তে রূপান্তরের নিয়ম:
- প্রদত্ত Sentence এর sub এবং verb বসে।
- One of the উঠে যায়।
- Superlative Degree এর Comparative form বসে।
- than most other বসে।
- প্রদত্ত sentence এর বাকী অংশ বসে। 

Superlative Degree: Dhaka is one of the busiest cities in Bangladesh.
Comparative Degree: Dhaka is busier than most other cities in Bangladesh.

Source: A Passage To The English Language S. M. Zakir Hussain.

১৬.
My mother seldom drinks coffee in the evening, _________? 
  1. does she
  2. doesn't she
  3. do she
  4. don't she
ব্যাখ্যা

• Tag question করার নিয়ম:
- Tag question ব্যবহার করা হয় উক্তিটি সত্য না মিথ্যা তা নিশ্চিত করার জন্য।
- Statement positive হলে tag question টি negative হবে এবং negative হলে positive হবে।
- Subject ও tense অনুসারে auxiliary verb দ্বারা tag question হয়।

• No one, Nobody, Nothing, Scarcely, Barely, Hardly, Seldom ইত্যাদি যুক্ত sentence এর Tag question করার নিয়ম:
- Statement এ যদি neither, none, no one, nobody, nothing, scarcely, barely, hardly, hardly ever, seldom এদের যে কোন একটি word থাকে তাহলে এটি negative statement হিসেবে ধরা হয়।
- এরা negative অর্থ প্রকাশ করে।
- এদের পরবর্তী Tag এ এজন্য not বসে না।
- auxiliary verb না থাকলে, মূল verb এর tense ও person অনুযায়ী verb ব্যবহার করতে হবে।
- এখানে 'drinks' হলো third person singular number (my mother) এর verb, তাই tag question টি does she?

• Complete Sentence: My mother seldom drinks coffee in the evening, does she

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

১৭.
I met a man who lives next door.
Here, the underlined clause is a/ an -
  1. Noun Clause
  2. Adjective Clause
  3. Adverbial Clause
  4. None of these
ব্যাখ্যা

• Adjective clause:
- যে Subordinate Clause কোনো Noun বা Pronoun এর পরে বসে ঐ Noun বা Pronoun কে modify করে তাকে Adjective Clause বলে।
- অর্থাৎ Noun এর Post Modifier হিসাবে Adjective clause বসে।

• Adjective Clause দুইটি স্থানে বসতে পারে।
01. Object এর post modifier. (Noun/ Subject + verb + noun/ object + adjective clause).
02. Subject এর post modifier. (Noun/ Subject + adjective clause + verb + object).

• উল্লিখিত Sentence এ 'who lives next door' হচ্ছে Adjective Clause. কারণ, প্রশ্নে উল্লিখিত বাক্যে object (a man) এর Post modifier হিসেবে এটি Adjective Clause. 

• Correct Answer: I met a man who lives next door. Here, the underlined clause is a/ an - Adjective Clause.

• Note:
- Adjective clause কে Relative clause ও বলা হয়ে থাকে।
- Relative clause গুলো সাধারণত Relative pronoun (যেমন: that, who, whose, whom, which, why, when) ইত্যাদি দ্বারা শুরু হয়।
- তবে মনে রাখতে হবে, who এবং which দ্বারা গঠিত clause টি যদি Cause or Purpose বোঝায় তবে সেটি Adverbial Clause হিসেবে বিবেচিত হবে।

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

১৮.
Reading books improves your knowledge.
Here, the word "reading" is a/ an -
  1. Participle
  2. Infinitive
  3. Conjunction
  4. Gerund
ব্যাখ্যা

• Gerund:
- Gerund হল এমন একটি শব্দ যা verb + ing যুক্ত হয়ে Noun এর মতো কাজ করে।

• Gerund এর ব্যবহার:
- Subject হিসেবে বসে।
- Object হিসেবে বসে।
- Preposition এর Object হিসেবে বসে।
- Verb এর Complement হিসেবে বসে।

• প্রদত্ত Sentence টিতে 'Read' (Verb) এর সাথে ing যুক্ত হয়ে Noun (Subject হিসেবে) এর মতো কাজ করেছে অর্থাৎ verb ও noun এর কাজ করে তখন তাকে Gerund বলে।
- সহজ ভাষায়, Gerund = Verb + ing = Noun = Verb + Noun.

• Correct Answer: Reading books improves your knowledge. Here, the word "reading" is a/ an - Gerund.

• উল্লিখিত বাকি অপশনগুলো,
• Participle:
- A participle is a verb that ends in -ing (present participle) or -ed, -d, -t, -en, -n (past participle).
- Participle may function as Adjectives, describing or modifying Nouns.
- Participle একই সাথে Verb ও Adjective এর কাজ করে।

- Example sentence: 
- We saw a burning house. ("burning" describes "house").

• Infinitive:
- Verb এর present form এর আগে to বসিয়ে Infinitive গঠন করা হয়।
- অর্থাৎ, Infinitive = to + verb.

- Example sentence:
- The mayor promised to rebuild the damaged areas.

• Conjunction:
- যে Part of speech দুই বা ততোধিক Word, Phrase বা Clause এর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে, তাকে Conjunction বলে।
- A conjunction is a part of speech that connects two or more words, phrases, clauses, or sentences.

Source: A Passage To The English Language, S. M. Zakir Hussain. 

১৯.
"The mixture of gases that surrounds the Earth" is called - 
  1. Atmosphere
  2. Anthropology
  3. Geography
  4. Demography
ব্যাখ্যা

• "The mixture of gases that surrounds the Earth" is called - Atmosphere.

• Atmosphere (Noun):
- English meaning: The mixture of gases that surrounds the Earth.
- Bangla meaning: বায়ুমন্ডল।

• Other options:
- Anthropology: The study of the human race, especially of its origins, development, customs and beliefs.
- Bangla meaning: নৃতত্ত্ব; নরবিজ্ঞান; মানুষের উৎপত্তি ও বিকাশ-সম্বন্ধীয় বিজ্ঞান; নরবিদ্যা;।

- Geography: The scientific study of the earth’s surface, physical features, divisions, products, population, etc.
- Bangla meaning: ভূগোলবিদ্যা।

- Demography: The changing number of births, deaths, diseases, etc. in a community over a period of time; the scientific study of these changes.
- Bangla meaning: জনসংখ্যা; জনতত্ত্ব;।

Source: Merriam-Webster Dictionary, Oxford Dictionary, English-Bangla Dictionary.

২০.
Complete the proverb:
Virtue is its _______.
  1. reward 
  2. punishment
  3. failure
  4. mistake
ব্যাখ্যা

• The correct proverb is 'Virtue is its reward.'
- Bangla Meaning: পরহিতার্থে কর্ম প্রতিদান চায় না।

• প্রবাদ বাক্যের ক্ষেত্রে শব্দের পরিবর্তন করা যায় না বা কোন শব্দের পরিবর্তে তার সমার্থক শব্দ ব্যবহার করা যায় না।
- তাই যেটি প্রচলিত প্রবাদ সেটিই সঠিক হবে।

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.

২১.
The term "plagiarism" means -
  1. Writing in a foreign language
  2. Copying someone else’s work and claiming it as your own
  3. Creating original content
  4. Editing your own work
ব্যাখ্যা

• The term "plagiarism" means - Copying someone else’s work and claiming it as your own.

• Plagiarism (Noun):
- English meaning: The practice of copying another person's ideas, words, or work and pretending that they are your own.
- Bangla meaning: কুম্ভিলকবৃত্তি করা।

Example sentence: The student was expelled for plagiarism in his research paper.
- Bangla meaning: তার গবেষণাপত্রে চুরি করা লেখা ব্যবহার করার জন্য শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হলো।

Source: Accessible Dictionary, Oxford Dictionary, Merriam-Webster Dictionary.

২২.
Choose the correct spelling.
  1. Belligarent
  2. Belligerant
  3. Belligerent
  4. Balligerent
ব্যাখ্যা

• The correct spelling is 'Belligerent' (Adjective & Noun).

Belligerent:
- English meaning: Aggressive and unfriendly; fighting a war.
- Bangla meaning: (ব্যক্তি, জাতি ইত্যাদি) যুদ্ধরত; যুধ্যমান।

Example sentence: His belligerent attitude made it difficult to have a calm discussion. 
- Bangla meaning: তার দ্বন্দ্বাত্মক মনোভাব শান্তিপূর্ণ আলোচনা করা কঠিন করে তুলেছিল।

Source: Accessible Dictionary, Oxford Dictionary, Merriam & Webster Dictionary.

২৩.
Who is the main character in Christopher Marlowe’s play "The Jew of Malta"?
  1. Shylock
  2. Faustus
  3. Lodowic
  4. Barabas 
ব্যাখ্যা

• The main character in Christopher Marlowe’s play "The Jew of Malta" is - Barabas.

• The Jew of Malta:
- এটি 5 acts বিশিষ্ট একটি Tragedy.
- এটি Blank verse এ লেখা Revenge Tragedy.
- ১৬৩৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- ধারণা করা হয় এ নাটক পড়ে Shakespeare তার 'The Merchant of Venice' লিখেছেন। 

• সার-সংক্ষেপ:
- ইহুদি নিবাসী Barabas প্রতিশোধ গ্রহণের কাহিনি নিয়ে নাটকটি রচিত। 
- তুর্কিদের দাবি করা শুল্ক সংগ্রহ করার জন্য মাল্টার খ্রিস্টান গভর্নর মাল্টায় বসবাসকারী সকল ইহুদি ব্যক্তির সম্পত্তির অর্ধেক জব্দ করেন।
- যখন Barabas (একজন ধনী ইহুদি বণিক) প্রতিবাদ করেন এবং তার পুরো সম্পদ জব্দ করা হয়। তার শত্রুদের প্রতি প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য Barabas তাদের ধ্বংসের পরিকল্পনা করে, কিন্তু শেষে তাকে বিশ্বাসঘাতকতা করা হয় এবং সে সেই মৃত্যুর স্বাদ নেয় যা সে তার শত্রুদের জন্য পরিকল্পনা করেছিল।

• Important Characters of The Jew of Malta:
- Abigail,
- Barabas, (Protagonist),
- Ithamore,
- Machevill,
- Katherine, etc.

• Christopher Marlowe:
- Christopher Marlowe Elizabeth যুগের বিখ্যাত কবি ও নাট্যকার।
- Shakespeare এর আগে তিনিই ছিলেন English drama এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লেখক।
- He is noted especially for his establishment of dramatic blank verse.
- তার বিখ্যাত tragedy নাটক সমূহ হচ্ছে : The Jew of Malta, Tamburlaine The Great, Edward-II, Doctor Faustus etc. 
- তিনি একজন 'University wit' ছিলেন। 

• His Notable Works:
- Doctor Faustus,
- The Jew of Malta,
- Tamburlaine the Great, (তার প্রথম নাটক)
- Dido, Queen of Carthage. 

Source: Britannica.

২৪.
Neither she nor her friends ______ attended the function.
  1. is
  2. are
  3. have
  4. has
ব্যাখ্যা

• Either --- or, Neither --- nor দ্বারা Singular Subject যুক্ত হলে Verb Singular হয়।
- Example: Either he or his brother is guilty.

• Either --- or, Neither --- nor দ্বারা যুক্ত Subject যদি ভিন্ন Person এর হয় তবে Verb টি শেষ Subject অনুযায়ী নিবে।
- Example: Neither he nor his friends are present in the class.

Structure:
- [Either/neither] + noun + [or/nor] + singular noun + singular verb.
- Example: Neither the salesmen nor the marketing manager is in favor of the system.

- [Either/neither] + noun + [or/nor] + plural noun + plural verb.
- Example: Neither John nor his friends are going to the beach today.

• Subject ভিন্ন Person এর হওয়ার কারণে Verb টি শেষ Subject অনুযায়ী প্রদত্ত Sentence টিতে Plural Verb হিসেবে Are অথবা Have বসেবে। কিন্তু Attended শব্দটি Attend (Verb) এর Past Participle হওয়ায় এখানে are এর পরিবর্তে Have হবে। 

• Correct Sentence: Neither she nor her friends have attended the function.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

২৫.
Who wrote the play "The Spanish Tragedy"?
  1. William Shakespeare
  2. Ben Jonson
  3. Thomas Kyd
  4. William Wordsworth
ব্যাখ্যা

• The play "The Spanish Tragedy" was written by - Thomas Kyd.

• The Spanish Tragedy:
- The Spanish Tragedy is the first Revenge Tragedy written by Thomas Kyd.
- Revenge Tragedy is a kind of tragedy that presents a quest for vengeance and results in bloodshed and mutilation.
- সাধারণত Senecan tragedy কে অনুসরণ করে revenge tragedy লেখা হয়।
- Thomas Kyd এর 'The Spanish Tragedy" এর মাধ্যমে তাঁর যুগে অর্থাৎ Elizabethan Period এ revenge tragedy জনপ্রিয়তা লাভ করে।

• Important characters:
- Hieronimo (The protagonist of the story),
- Bel-Imperia (The main female character of the story),
- Lorenzo,
- Balthazar,
- Horatio,
- Ghost of Don Andrea, etc.

• সার-সংক্ষেপ:
- "The Spanish Tragedy" হলো একটি প্রতিশোধমূলক নাটক। এতে দেখানো হয়েছে, Hieronimo, or Jeronimo, নামে এক বিচারক তার পুত্র Horatio-এর নির্মম হত্যার বিচার চাইতে থাকে।
- কিন্তু রাজদরবারের দুর্নীতির কারণে সে ন্যায়বিচার পায় না। শেষ পর্যন্ত, নিজেই প্রতিশোধ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
- নাটকে, প্রেম, বিশ্বাসঘাতকতা, হত্যা এবং প্রতিশোধের ভয়াবহ চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
- হিরোনিমো একটি নাটকের ভান করে আসল খুনিদের হত্যা করে এবং শেষে নিজেও আত্মহত্যা করে। পুরো কাহিনিতে অন্যায়ের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত ন্যায়বিচারের সংগ্রাম দেখানো হয়েছে।

• Famous quotation:
- "The less I speak, the more I meditate."

• Thomas Kyd (1558-1594):
- He was an English dramatist.
- তিনি Elizabethan Period এর একজন লেখক।
- He is one of the members of the University Wit.
- তিনি "The Spanish Tragedy" নাটকটির জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত, যা ইংরেজি "Revenge Tragedy" ধারার পথিকৃৎ হিসেবে বিবেচিত হয়।
- তিনি খুব অল্প বয়সেই, মাত্র ৩৫ বা ৩৬ বছর বয়সে, দুঃখজনকভাবে মারা যান।

• Notable works:
– The Spanish Tragedy (1585),
- Cornelia (1590).

Source: Britannica.

২৬.
'বেপরোয়া’ শব্দটি কোন ধরনের সমাস?
  1. নঞ বহুব্রীহি সমাস
  2. নিত্য সমাস
  3. প্রাদি সমাস
  4. নঞ তৎপুরুষ সমাস  
ব্যাখ্যা

বেপরোয়া’ শব্দটি নঞ্ বহুব্রীহি সমাস। 
--------------------
• নঞ্ বহুব্রীহি সমাস:
নঞ্ বহুব্রীহি সমাস সেই সমাস, যেখানে পূর্বপদে না-বাচক অব্যয় (যেমন: ন, না, নেই, নাই, অ, আ) এবং পরপদে বিশেষ্য থাকে, এবং পুরো সমাসের অর্থ মূলত অন্য কোনো বস্তু বা গুণকে নির্দেশ করে।
- সাধারণত এই সমাসে  ব্যাসবাক্যে ‘যার’, ‘যাতে’ ব্যবহৃত হয়।
- গঠন: না-বাচক অব্যয় + বিশেষ্য পদ।

- উদাহরণ:
- অজ্ঞান = নেই জ্ঞান যার,
- নির্বোধ = নেই বোধ যার,
- বেতাজ = নেই তাজ (মুকুট) যার, 
- নির্ভুল = নাই ভুল যার।
- বেপরোয়া = নেই পরোয়া (উদ্বেগ বা ভীতিহীন) যার।
---------------------------------
উল্লেখ্য,
- বহুব্রীহি সমাস ও প্রকারভেদ:
- বহুব্রীহি সমাস সেই সমাস যা সমস্যমান পদগুলোর সরাসরি অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো নতুন পদ বা গুণ/বস্তুকে নির্দেশ করে।
- যেমন: 
- নীলকণ্ঠ = নীল (বিষ) কণ্ঠ যার। 

• প্রকারভেদ ও উদাহরণ:
১. সমানাধিকরণ বহুব্রীহি: পূর্বপদ বিশেষণ এবং পরপদ বিশেষ্য হলে।
- উদাহরণ: আয়ত লোচন যার → আয়তলোচনা। 

২. ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি: পূর্বপদ এবং পরপদ দুটোই বিশেষ্য।
- উদাহরণ: বীণা পাণিতে যার → বীণাপাণি। 

৩. মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি: ব্যাসবাক্যের মধ্যবর্তী পদ লোপ পায়।
- উদাহরণ: সোনার মতো উজ্জ্বল মুখ যার → সোনামুখী। 

৪. নঞ্ বহুব্রীহি: না-বোধক অব্যয়ের সঙ্গে বিশেষ্য পদ।
- উদাহরণ: নেই জ্ঞান যার → অজ্ঞান। 

৫. সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি সমাস: পূর্বপদে সংখ্যা এবং পরপদে বিশেষ্য থাকলে সমাসবদ্ধ পদটি একটি বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ্য নয়।
- উদাহরণ: দশ আনন (মুখ) যার → দশানন। 

৬. প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি: সমস্ত পদের শেষে আ, এ, ও প্রত্যয় থাকে।
- উদাহরণ: ঘরে ও বাইরে → ঘরমুখো

৭. ব্যতিহার বহুব্রীহি: কাজের পারস্পরিক বিনিময় বোঝায়।
- উদাহরণ: হাতে হাতে যে যুদ্ধ → হাতাহাতি। 

৮. অলুক বহুব্রীহি: পূর্বপদের বিভক্তি সমস্তপদেও লোপ পায় না।
- উদাহরণ: মাথায় পাগড়ি যার = মাথায়পাগড়ি।
--------------------------------------
অন্যদিকে, 
নিত্য সমাস:  
- যে সমাসের সমস্যমান পদগুলো সর্বদা সমাসবদ্ধ থাকে এবং ব্যাসবাক্য করা যায় না বা করতে গেলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে।
- এই সমাসে ব্যাসবাক্যের প্রথমে- ‘অন্য’ বা ‘কেবল' শব্দটি বসে।
- যেমন- অন্য দেশ = দেশান্তর।
- কেবল দর্শন = দর্শনমাত্র। 
- আবার, নিত্য সমাসে ব্যাসবাক্যের শেষে অনেক সময় ‘তুল্য’ শব্দটি থাকে।
- যেমন- দুগ্ধ ফেনার তুল্য = দুগ্ধফেননিভ। 
- নিত্য সমাসের কিছু উদাহরণ হলো:
- কালসাপ, আমরা, গ্রামান্তর, বিরানব্বই, উপায়ান্তর, দিগন্তর, ধর্মান্তর, লোকান্তর, দেখামাত্র, নামমাত্র ইত্যাদি। 

প্রাদি সমাস:
- প্র, প্রতি, অনু, ইত্যাদি উপসর্গের সঙ্গে যদি কৃদন্ত পদ বা নামপদের সমাস হয় তবে তাকে প্রাদি সমাস বলে।
- যেমন-
- প্র (প্রকৃষ্ট) যে বচন = প্রবচন।
- পরি (চতুর্দিকে) যে ভ্রমণ = পরিভ্রমণ। 

• নঞ্ তৎপুরুষ সমাস:
- নঞ্ তৎপুরুষ সমাস হলো তৎপুরুষ সমাসের এক বিশেষ প্রকার, যেখানে পূর্বপদে না-বাচক অব্যয় (যেমন: না, নেই, নাই, নয়) বসে এবং পুরো সমাসের অর্থ মূলত পরপদকে নির্দেশ করে।
- এই সমাসে সাধারণত ‘ন’ বা না-বাচক অব্যয় পরের শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বিপরীতার্থক অর্থ বা কোনো অভাব বোঝায়।
- উদাহরণ:
- ন আচার = অনাচার,
- ন কাতর = অকাতর,
- ন জানা = অজানা। 

উৎস:
ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ;
প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।

২৭.
সমার্থক শব্দগুচ্ছ সনাক্ত করুন—
  1. অংশু, কর, পাদপ 
  2. পাবক, দহন, অটবি
  3. শাখী, পণী, শৃঙ্গী
  4. তমিস্র, নভাক, দ্রুম 
ব্যাখ্যা

সমার্থক শব্দগুচ্ছ —শাখী, পণী, শৃঙ্গী। 
- এগুলো বৃক্ষের সমার্থক শব্দ।

- বৃক্ষের সমার্থক শব্দগুলো হলো-  
- তরু, দ্রুম, গাছ, পাদপ, শাখী, পণী, শৃঙ্গী, অটবি, বিটপী, পল্লবী, শিখরী, মহীরুহ ইত্যাদি।
--------------------------
অন্যদিকে,
• অগ্নি শব্দের সমার্থক শব্দগুলো হলো: পাবক, দহন।
• অন্ধকার শব্দের সমার্থক শব্দগুলো হলো: তমিস্র, নভাক।
• আলো শব্দের সমার্থক শব্দগুলো হলো: অংশু, কর। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

২৮.
নিচের কোন শব্দে জিহ্বামূলীয় ধ্বনি রয়েছে?
  1. কাক
  2. লাখ
  3. দাগ
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা

জিহ্বামূলীয় ধ্বনি:
- যেসব ব্যঞ্জনবর্ণ উচ্চারণের সময় জিহ্বার পেছনের অংশ বা মূল (back of the tongue) কোমল তালুর সাথে স্পর্শ করে, সেগুলোকে জিহ্বামূলীয় ধ্বনি বা কণ্ঠ্য ধ্বনি বলা হয়।
- বাংলা বর্ণমালার ক-বর্গীয় ধ্বনিগুলো—ক্, খ্, গ্, ঘ্, ঙ্—মূল জিহ্বামূলীয় ধ্বনি হিসেবে বিবেচিত।
- এই ধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময় ফুসফুস থেকে আসা বাতাসকে জিহ্বার মূল দিয়ে বাধা দিয়ে নিঃসৃত হয়।
- কাক, লাখ, দাগ, বাঘ, রঙ ইত্যাদি শব্দ জিহ্বামূলীয় ধ্বনির উদাহরণ। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

২৯.
“তোমরা নিজেরা নিজেরা গিয়ে পার্ক থেকে ঘুরে এসো।”- বাক্যটিতে “নিজেরা নিজেরা” কোন ধরনের সর্বনাম পদ নির্দেশ করছে? 
  1. সকলবাচক সর্বনাম
  2. ব্যতিহারিক সর্বনাম
  3. আত্মবাচক সর্বনাম
  4. ব্যক্তিবাচক সর্বনাম 
ব্যাখ্যা

“তোমরা নিজেরা নিজেরা গিয়ে পার্ক থেকে ঘুরে এসো।”—
এখানে “নিজেরা নিজেরা” হলো ব্যতিহারিক বা পারস্পারিক সর্বনাম এর উদাহরণ। 
-------------------------------- 
ব্যতিহারিক বা পারস্পারিক সর্বনাম:
- ব্যতিহারিক সর্বনাম হলো সেইসব সর্বনাম, যা দুই বা ততোধিক ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক বা পারস্পরিক ক্রিয়া প্রকাশ করে। 
- অর্থাৎ, এই সর্বনামগুলো ব্যবহার করা হয় তখন, যখন একাধিক ব্যক্তি বা বস্তু একে অপরের প্রতি কোনো কাজ করে বা পারস্পরিক ক্রিয়া সম্পন্ন করে।
- এগুলো সাধারণত একই শব্দের পুনরাবৃত্তি বা সামান্য পরিবর্তনের মাধ্যমে গঠিত হয়।
- যেমন: আপনা-আপনি, নিজে-নিজে, আপসে, পরস্পর, নিজেরা-নিজেরা। 

- উদাহরণস্বরূপ,
- "পরস্পর না মিলতে পারলে বন্ধুত্ব গড়বে কী করে"? 
- “তারা আপনা-আপনিই সব কাজ করেছে”,
- “তারা পরস্পরকে সাহায্য করে”,
- “শিক্ষার্থীরা নিজে-নিজে খেলা করছে”- এই বাক্যগুলোতে দেখা যায়, কাজটি কেবল একমুখী নয়, বরং পক্ষগুলোর মধ্যে আবর্তিত হয়েছে।
------------------------
অন্যদিকে,
সকলবাচক সর্বনাম: 
- সকলবাচক সর্বনাম হচ্ছে বাক্তি, বস্তু বা ভাবের সমষ্টি। 
- যেমন- 
- সবাই গেছে বনে। 
- সকলেই খাবার খেয়েছেন। 
- সকলেই ত্রাণসামগ্রী পেয়েছেন। 
- সবাই সমুদ্রে ঘুরতে যেতে চাচ্ছে। 

আত্মবাচক সর্বনাম:
- যে সকল সর্বনাম দ্বারা কর্তা নিজেই কোনো ক্রিয়া সম্পাদন করেছে তা প্রকাশ পায়, তাদেরকে আত্মবাচক সর্বনাম বলা হয়।
- উদাহরণ: স্বয়ং, নিজ, নিজে, আপনি, খোদ, আপনা-আপনি, ও নিজে, নিজেই।

ব্যক্তিবাচক সর্বনাম (পুরুষবাচক সর্বনাম):
- যে সকল সর্বনাম কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা ব্যক্তিসমূহকে নির্দেশ করে বা তাদের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়, তাদেরকে ব্যক্তিবাচক সর্বনাম বা পুরুষবাচক সর্বনাম বলা হয়।
- এগুলো মূলত বিশেষ্য বা নামের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: আমি, আমরা, তুমি, তোমরা, সে, তারা, তিনি, আপনি, তুই, আমাকে, তোমাকে, তাকে, তাদের, আমাদের, তাহার ইত্যাদি।

- পুরুষভেদে ভাগ:
- উত্তম পুরুষ: আমি, আমরা, আমার, আমাদের, আমাকে।
- মধ্যম পুরুষ: তুমি, তোমরা, তুই, তোরা, আপনি, আপনারা, তোমার, তোমাকে, আপনাকে।
- নাম পুরুষ: সে, তারা, তিনি, তাহারা, তাঁর, তাদের, তাঁকে, তাকে

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ। 

৩০.
'অধিবর্ষ' শব্দে 'অধি' উপসর্গটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. উৎকৃষ্ট অর্থে
  2. আধিপত্য অর্থে 
  3. ব্যাপ্তি অর্থে
  4. অতিরিক্ত অর্থে 
ব্যাখ্যা

• 'অধিবর্ষ' শব্দে 'অধি' উপসর্গটি অতিরিক্ত অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। 
--------------------------
• উপসর্গ:
- উপসর্গ’ শব্দের মূল অর্থ হলো ‘উপসৃষ্ট’।
- এর প্রধান কাজ হলো মূল শব্দের আগে বসে নতুন শব্দ তৈরি করা।
- উপসর্গের নিজস্ব অর্থ নেই, তবে এটি মূল শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে।

- উপসর্গ ৩ প্রকার:
• তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ,
• খাঁটি বাংলা উপসর্গ,
• বিদেশি উপসর্গ।
-------------------------------------------
- 'অধি' তৎসম বা  সংস্কৃত উপসর্গের উদাহরণ। 

• তৎসম উপসর্গ:
- তৎসম উপসর্গ হলো সেই উপসর্গ যা সংস্কৃত থেকে এসেছে এবং সংস্কৃত ধাতু/শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে।
- তৎসম উপসর্গ ২০টি:
- প্র, পরা, অপ, সম, নি, অব, অনু, নির্, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অভি, অতি, অপি, উপ, আ।

- অধি উপসর্গ:
- অধি উপসর্গটি অতিরিক্ত অর্থে, ব্যাপ্তি অর্থে, আধিপত্য অর্থে ব্যবহার করা হয়।
- তবে অধিবর্ষ শব্দে অধি উপসর্গটি অতিরিক্ত অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
- অতিরিক্ত অর্থে ব্যবহৃত অধি উপসর্গটির কিছু উদাহরণ- অধিকর্ম, অধিহার। 

উৎস:
ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ;  
বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

৩১.
লাল → নাল কোন ধরনের ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ? 
  1. বিষমীভবন
  2. ধ্বনি বিপর্যয়
  3. ব্যঞ্জনবিকৃতি
  4. অন্তর্হতি 
ব্যাখ্যা

লাল → নাল বিষমীভবন ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ। 
--------------------------
• বিষমীভবন:
- শব্দের ভেতরে পাশাপাশি থাকা দুটি সমবর্ণ বা একই ব্যঞ্জনধ্বনির মধ্যে একটি ধ্বনি পরিবর্তিত হয়ে ভিন্ন ধ্বনিতে রূপ নিলে তাকে বিষমীভবন বলা হয়।
- এটি মূলত সমীভবন-এর বিপরীত ধ্বনিপ্রক্রিয়া।
- এখানে একই ধ্বনিকে একই রাখার বদলে উচ্চারণের সুবিধার জন্য একটি ধ্বনি ভিন্ন রূপ ধারণ করে।
- যেমন—
- শরীর → শরীল শব্দে পাশাপাশি থাকা ‘র’ ধ্বনির একটি পরিবর্তিত হয়ে ‘ল’ হয়েছে;
- লাল → নাল শব্দে একটি ‘ল’ ধ্বনি ‘ন’-এ রূপান্তরিত হয়েছে;
- আবার লাঙ্গল → নাঙ্গল শব্দে ‘ল’ ধ্বনির পরিবর্তন ঘটেছে। 
---------------------------
অন্যদিকে,
• ধ্বনি বিপর্যয়:
- ধ্বনি বিপর্যয় হলো এমন ধ্বনিগত পরিবর্তন, যেখানে উচ্চারণের সময় শব্দের আগের ধ্বনি পিছিয়ে যায় এবং পরের ধ্বনি সামনে চলে আসে। - ফলে ধ্বনির স্বাভাবিক ক্রম উল্টে যায়।
- যেমন—
- রিক্সা → রিস্কা, 
- তলোয়ার → তরোয়াল,
- নকশা → নশকা,
- লাফ → ফাল।

• ব্যঞ্জনবিকৃতি: 
- ব্যঞ্জনবিকৃতি বলতে বোঝায়—শব্দের ভেতরে কোনো ব্যঞ্জনধ্বনি রূপান্তরিত হয়ে ভিন্ন ব্যঞ্জনে পরিণত হওয়া।
- এতে ধ্বনিটি লোপ পায় না, বরং তার ধ্বনিগত রূপ বদলে যায়।
- যেমন—
- কবাট → কপাট,
- ধাইমা → দাইমা।

• অন্তর্হতি:
- অন্তর্হতি বলতে বোঝায়—শব্দের মধ্যে কোনো ব্যঞ্জনধ্বনি সম্পূর্ণভাবে লোপ পাওয়া।
- এই প্রক্রিয়ায় শব্দটি সংক্ষিপ্ত ও সহজ উচ্চারণযোগ্য হয়ে ওঠে।
- যেমন—
- আলাহিদা → আলাদা,  
- ফাল্গুন → ফাগুন,
- ফলাহার → ফলার। 

উৎস:
ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ; 
বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।

৩২.
“কেউকেটা” বাগ্‌ধারাটির সঠিক অর্থ কোনটি? 
  1. অপদার্থ
  2. অপটু
  3. গণ্যমান্য
  4. অমিতব্যয়ী
ব্যাখ্যা

“কেউকেটা” বাগ্‌ধারাটির সঠিক অর্থ হলো- গণ্যমান্য ব্যক্তি বা বিশিষ্ট ব্যক্তি।
--------------------------
অন্যদিকে,
- অকাল কুষ্মাণ্ড = অপদার্থ, অকেজো।
- কাঁচা হাত = অপটু।
- উড়নচন্ডী = অমিতব্যয়ী।
 -------------------------------------------- 
• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগ্‌ধারা-
- শিবরাত্রির সলতে = একমাত্র সন্তান; 
- শিরে সংক্রান্তি = বিপদ মাথার ওপর;
- শরতের শিশির = সুসময়ের বন্ধু;
- শত্রুর মুখে ছাই = কুদৃষ্টি এড়ানো;
- শ্রীঘর = কারাগার;
- কেঁচো খুড়তে সাপ = বিপদজনক পরিস্থিতি;
- কেউ কেটা = গণ্যমান্য;
- গা ঢাকা দেওয়া = আত্মগোপন;
- গায়ে কাঁটা দেওয়া = রোমাঞ্চিত হওয়া;
- গায়ে ফুঁ দিয়ে বেড়ানো = কোনো দায়িত্ব গ্রহণ না করা; 
- অক্কা পাওয়া = মারা যাওয়া;
- আদায় কাঁচকলায় = ঘোর শত্রুতা;
- কংস মামা = নির্মম আত্মীয়;
- কাঁচা হাত = অপটু; 
- চক্ষুদান করা = চুরি করা;
- জগাখিচুড়ি পাকানো = গোলমাল বাধানো;
- ঝড়ো কাক = বিপর্যস্ত;
- টাকার কুমির = ধনী ব্যক্তি;
- ডুমুরের ফুল = দুর্লভ বস্তু; 
- ঠাঁট বজায় রাখা = অভাব চাপা রাখা;
- অকাল কুষ্মাণ্ড = অপদার্থ, অকেজো;
- আকাশ কুসুম = অসম্ভব কল্পনা;
- ইঁদুর কপালে = নিতান্ত মন্দভাগ্য;
- এলোপাতাড়ি = বিশৃঙ্খলা;
- খাল কেটে কুমির আনা = বিপদ ডেকে আনা;
- ঢাক ঢাক গুড় গুড় = গোপন রাখার চেষ্টা;
- তাসের ঘর = ক্ষণস্থায়ী;
- থ বনে যাওয়া = স্তম্ভিত হওয়া। 

উৎস:
ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াত মামুদ; 
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর।

৩৩.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ‘হৈমন্তী’ ছোটগল্পটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়? 
  1. সওগাত
  2. সবুজপত্র 
  3. কোহিনূর 
  4. নবনূর
ব্যাখ্যা

• 'হৈমন্তী' গল্পটি নিয়ে কিছু কথা:
- 'হৈমন্তী' রবীন্দ্রনাথের গল্পগুচ্ছ'র অন্তর্ভুক্ত একটি ছোটগল্প। 
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের হৈমন্তী গল্পটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দে প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদিত সবুজপত্র মাসিক পত্রিকায়।

- গল্পের প্রধান চরিত্র হলো: হৈমন্তী, তার স্বামী অপূর্ব, হৈমন্তীর বাবা এবং অপূর্বর বাবা-মা।
- হৈমন্তী মূলত বাঙালি সমাজে নারীর অবমাননা এবং বিবাহিত জীবনে তাদের অসহায়ত্ব ও আত্মমর্যাদার সংকটের গল্প।
- এখানে দেখা যায়, হৈমন্তীর মতো মুক্তচিন্তা ও উচ্চশিক্ষিত নারীও স্বামীর অমনোযোগ ও শ্বশুরবাড়ির দমনমূলক আচরণের কারণে ধীরে ধীরে নিজের সত্তা হারিয়ে ফেলে।
- গল্পে তৎকালীন সামাজিক প্রথা, শ্বশুরবাড়ির অন্যায় নিয়ম, স্বামী ও পরিবারের নিষ্ক্রিয়তা, নারীর আত্মমর্যাদা হরণের সমস্যা এবং সামাজিক ভণ্ডামি সবই স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
---------------------------------
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- সর্বকালের সর্বযুগের সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক তথা দার্শনিক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হচ্ছেন ভারতবর্ষের আকাশে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র ।
- তিনি একাধারে একজন সব্যসাচী লেখক, কবি, নাট্যকার, ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, সঙ্গীত রচয়িতা, গায়ক, অভিনেতা, শিক্ষাবীদ, চিত্রশিল্পী।
- কবির পরিবার ছিল- পিরালি ব্রাহ্মণ বংশের।
- মাত্র আট বছর বয়স থেকেই তিনি কবিতা লেখা শুরু করেন।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে বিশ্বকবি উপাধিতে অবিহিত করা হয়। 
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে ছোটগল্পের জনক ও বলা হয়। 

- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কিছু ছোটগল্প:
- ভিখারিণী,
- দেনা-পাওনা,
- পোস্টমাস্টার,
- নষ্টনীড়,
- কাবুলিওয়ালা,
- ছুটি,
- হৈমন্তী,
- অতিথি,
- খোকাবাবুর প্রত্যাবর্তন
- সুভা,
- সমাপ্তি,
- মহমায়া,
- শাস্তি,
- একরাত্রি, 
- ফেল,
- ব্যবধান।
-------------------------
অন্যদিকে,
• সওগাত - সচিত্র মাসিক পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন- মোহাম্মদ নাসিরুদ্দিন।
• কোহিনূর - মাসিক পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন: এ.কে.এম মোহাম্মদ রওশন আলী চৌধুরী।
• নবনূর' মাসিক পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন- সৈয়দ এমদাদ আলী। 

উৎস: 
'হৈমন্তী' গল্প; 
বাংলাপিডিয়া; 
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

৩৪.
“পূর্ব জন্মের কথা স্মরণ আছে যার” - এর এক কথায় প্রকাশ কোনটি?  
  1. শাস্ত্রজ্ঞ 
  2. সরোজ
  3. পূর্বসূরী
  4. জাতিস্মর
ব্যাখ্যা

“পূর্ব জন্মের কথা স্মরণ আছে যার” - এর এক কথায় প্রকাশ হলো জাতিস্মর। 
 -----------------------
অন্যদিকে,
• সরোবরে জন্মায় যাহা = সরোজ।
• স্মৃতিশাস্ত্রে পণ্ডিত যিনি = শাস্ত্রজ্ঞ।
• বর্তমান প্রজন্মের আগের বংশধর = পূর্বসূরী। 

----------------------------
• কিছু গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশ:
- বাতাসে চরে যে = কপোত।
- পূর্ব জন্মের কথা স্মরণ আছে যার = জাতিস্বর।
- যা পুনঃ পুনঃ জ্বলিতেছে = জাজ্বল্যমান।
- সকলের জন্য প্রযোজ্য = সর্বজনীন।
- সকলের জন্য অনুষ্ঠিত = সার্বজনীন।
- প্রায় প্রভাত হয়েছে এমন = প্রভাতকল্পা।
- যিনি বক্তিতা দানে পটু — বাগ্মী।
- যার অনেক বুদ্ধি আছে - গভীর জলের মাছ।
- যা পূর্বে চিন্তা করা যায় নি — অচিন্তিতপূর্ব।
- রাত্রির মধ্যভাগ = মহানিশা।
- স্মৃতিশাস্ত্রে পণ্ডিত যিনি = শাস্ত্রজ্ঞ।
- স্মৃতি শাস্ত্র রচনা করেন যিনি = শাস্ত্রকার।
- এখনও শত্রু জন্মায় নাই যার = অজাতশত্রু। 
- যা পূর্বে শোনা যায় নি — অশ্রুতপূর্ব। 
- যা পূর্বে দেখা যায় নি — অদৃষ্টপূর্ব।
- যা বলা হয় নি — অনুক্ত।
- যা বলার যোগ্য নয় — অকথ্য।
- যার অন্য উপায় নেই — অনন্যোপায়।
- যার উপস্থিত বুদ্ধি আছে — প্রত্যুৎপন্নমতি।
- যার বংশ পরিচয় এবং স্বভাব কেউই জানে না — অজ্ঞাতকুলশীল।
- যার সর্বস্ব হারিয়ে গেছে — সর্বহারা, হতসর্বস্ব।
- যে নারী বীর সন্তান প্রসব করে — বীরপ্রসূ। 
- যে নারীর সন্তান বাঁচে না — মৃতবৎসা।
- যে বন হিংস্র জন্তুতে পরিপূর্ণ — শাপদসংকুল
- যে বিষয়ে কোনো বিতর্ক (বা বিরোধবাদ) নেই — অবিসংবাদিত।
- যা গমন করে না — নগ।
- যার স্পৃহা দূর হয়েছে — বীতস্পৃহ।
- যে রমণীর হাসি পবিত্র — শুচিস্মিতা।
- যে রমণীর হাসি সুন্দর — সুহাসিনী। 
উৎস:
ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ; 
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

৩৫.
ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব সাধারণত কোন ধরনের পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. বিশেষ্য
  2. ক্রিয়াপদ
  3. অব্যয়
  4. সর্বনাম 
ব্যাখ্যা

ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব:
- ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব হলো সেই ধরনের শব্দ যা প্রাকৃতিক বা কল্পিত কোনো ধ্বনির অনুকরণে তৈরি হয়।
- এবং সাধারণত পরপর দুইবার পুনরায় বলা হয়, যাতে বিশেষ কোনো ভাব যেমন তীব্রতা বা ধারাবাহিকতা প্রকাশ পায়।
- এই ধরনের শব্দ প্রায়শই অব্যয় পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
- ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব বাক্যে বিশেষণ বা ক্রিয়াবিশেষণ হিসেবে কাজ করে।
- এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো শব্দের মাধ্যমে ধ্বনির সাদৃশ্য প্রকাশ করা এবং প্রয়োগের সময় শব্দটি পুনরাবৃত্তি করা।
- কিছু ক্ষেত্রে শব্দের মাঝখানে স্বরধ্বনি যোগ হয়।
- যেমন দমাদম, খপাখপ, যা উচ্চারণকে আরও প্রাণবন্ত করে।

- ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্বর কিছু উদাহরণ:
- টুংটুং, ঠকরঠকর, ঢংঢং, ঝনঝন, ঝিরঝির, ভটভট,মড়মড়, সাঁইসাঁই, কড়কড়, ঝমঝম, গপগপ, কলকল, থপথপ, ফুরফুর, টাপুরটুপুর, ধুপুরধুপুর ইত্যাদি। 

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ। 

৩৬.
সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্য কোন পদে বেশি পাওয়া যায়? 
  1. ক্রিয়া ও সর্বনাম
  2. বিশেষণ ও সর্বনাম 
  3. বিশেষণ ও ক্রিয়াবিশেষ্য
  4. বিশেষ্য ও ক্রিয়া
ব্যাখ্যা

সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্য ক্রিয়া ও সর্বনাম পদে বেশি পাওয়া যায়।
-----------------------
• সাধু ভাষা:
- সাধু ভাষারীতি হলো সেই রীতি, যেখানে ক্রিয়ারূপ দীর্ঘতর হয়।
- যেমন করিতেছে, করিয়াছে, করিল, করিলে, করিতেছিল, করিয়াছিল, করিবার।
- সর্বনামে হ যুক্ত থাকে।
- যেমন তাহারা, যাহা, তাহা, উহা, এবং রূপ অপরিবর্তনীয়, অঞ্চল বা সময় অনুযায়ী পরিবর্তিত হয় না।
- এতে তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের ব্যবহার বেশি, যা ভাষায় আভিজাত্য ও গাম্ভীর্য যোগ করে।
- সাধু রীতি ব্যাকরণের সুনির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে, পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত থাকে। 
- এই ভাষা সাধারণত শুধু লেখায় ব্যবহৃত হয়, কথাবার্তা বা বক্তৃতার জন্য নয়।
- এছাড়াও, সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এই ভাষায় পূর্ণরূপে ব্যবহৃত হয়।

চলিত ভাষা:
- বিশ শতকের মাঝামাঝি সময় থেকে সাধু রীতির স্থলে চলিত বা প্রমিত রীতি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
- একুশ শতকের শুরুতে এটি পরিচিত হয় প্রমিত রীতি বা নাম রীতি নামে।
- বর্তমান বাংলাদেশ, পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরায় দাপ্তরিক কাজ, বিদ্যাচর্চা, সাংবাদিকতা ও যোগাযোগের ভাষা হিসেবে প্রমিত রীতি প্রধান রীতিতে পরিণত হয়েছে।

- প্রমিত রীতিতে ক্রিয়া, সর্বনাম ও অনুসর্গ হ্রস্বতর হয়। 
- যেমন করা ক্রিয়ার রূপ হলো করেছে, করল, করলে, করলাম, করত, করছিল, করব, করবে, করতে, করার ইত্যাদি।
- সর্বনামের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় তারা, এদের, যা, তা, ও, কেউ।
- প্রমিত রীতিতে শব্দের ব্যবহার আলোচ্য বিষয়ের ওপর নির্ভরশীল;
- প্রয়োজনে তৎসম বা তদ্ভব উভয় ধরনের শব্দ ব্যবহার করা যায়।
- যেমন বৎসর বা বছর, চন্দ্র বা চাঁদ।
- এছাড়া কথ্য রীতির কিছু শব্দ পরিবর্তিত হয়ে লেখায় ব্যবহৃত হয়।
- যেমন ধুলা → ধুলো, তুলা → তুলো, মুলা → মুলো, পুজো → পূজা, সবথেকে → সবচেয়ে।

- তাই সাধু ভাষা ও প্রমিত ভাষার পার্থক্য মূলত ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপে সবচেয়ে স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা যায়।

উৎস:
ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ;
বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২৫ সংস্করণ)।

৩৭.
নিচের কোন সাহিত্যিকের ছদ্মনাম মৌমাছি?  
  1. অন্নদাশঙ্কর রায়
  2. কালিকানন্দ 
  3. বিমল মিত্র
  4. বিমল ঘোষ 
ব্যাখ্যা

বিমল ঘোষ
- বাংলা শিশুসাহিত্যের একজন জনপ্রিয় লেখক হলেন বিমল ঘোষ।
- তিনি ‘মৌমাছি’ ছদ্মনামে সর্বাধিক পরিচিত।
- তিনি ‘আনন্দবাজার পত্রিকা’-এ ছোটদের জন্য ‘আনন্দমেলা’ বিভাগ চালু করেছিলেন। 
- তিনি দীর্ঘদিন ‘আকাশবাণী কলকাতা’-র সঙ্গে কাজ করেছেন।
- তিনি শিশু-কিশোরদের জন্য অনেক গল্প, উপন্যাস ও নাটক লিখেছেন।
- এছাড়া তিনি ‘মণিমালা’ নামে একটি শিশু-কিশোর সংগঠনও গড়ে তুলেছিলেন।

- তাঁর বিখ্যাত বইগুলোর মধ্যে রয়েছে—
- চেঙাবেঙা,
- কামাল পরদেশী, 
- ইউরোপের অগ্নিকোণে।
------------------------- 
অন্যদিকে,
- অন্নদাশঙ্কর রায়ের ছদ্মনাম- লীলাময় রায়।
- কালিকানন্দের ছদ্মনাম- অবধূত।
- বিমল মিত্রের ছদ্মনাম- জাবালি। 

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া

৩৮.
পানি ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ফোটে- এটি কোন কালের উদাহরণ?  
  1. নিত্যবৃত্ত বর্তমান কাল। 
  2. পুরাঘটিত বর্তমান কাল। 
  3. ঘটমান বর্তমান কাল।  
  4. অনুজ্ঞা বর্তমান কাল।  
ব্যাখ্যা

পানি ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ফোটে- এটি নিত্যবৃত্ত বর্তমান কালের উদাহরণ। 
----------------------------
• নিত্যবৃত্ত বর্তমান কাল:
- নিত্যবৃত্ত বর্তমান কাল মূলত সাধারণ বর্তমান কালেরই একটি বিশেষ প্রয়োগ।
- নিত্যবৃত্ত বর্তমান কাল হলো বর্তমান কালের সেই রূপ, যার মাধ্যমে কোনো কাজ নিয়মিতভাবে ঘটে, অভ্যাসগতভাবে করা হয় বা চিরন্তন সত্য হিসেবে প্রকাশ পায়।
- অর্থাৎ যে কাজ প্রতিদিন, বারবার বা সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী ঘটে—তা বোঝাতে এই কাল ব্যবহৃত হয়।
- যেমন—
- সূর্য পূর্ব দিকে ওঠে,
- আমি রোজ সকালে হাঁটি।

- নিত্যবৃত্ত বর্তমান কালের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো:
• প্রথমত চিরন্তন সত্য প্রকাশ পায়, যা কখনো পরিবর্তিত হয় না—
- যেমন-
- পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘোরে,
- মানুষ মরণশীল। দ্বিতীয়ত।

• অভ্যাসগত কর্ম বোঝাতে ব্যবহৃত হয়—
- যেমন- 
- মা প্রতিদিন সকালে কোরআন পড়েন,
- সে নিয়মিত ব্যায়াম করে।

• তৃতীয়ত, সাধারণ সত্য বা নিয়ম প্রকাশ করে—
- যেমন- 
- চার আর তিনে সাত হয়,
- পানি ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ফোটে।
----------------------------
অন্যদিকে,
- পুরাঘটিত বর্তমান কাল:
- পুরাঘটিত বর্তমান কাল তখন ব্যবহৃত হয়, যখন কোনো কাজ আগেই সম্পন্ন হয়েছে কিন্তু তার ফল বা প্রভাব এখনো বর্তমান আছে।
- অর্থাৎ কাজ শেষ হলেও তার ছাপ বর্তমান কালে টিকে থাকে।
- যেমন—
- এবার আমি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছি,
- এতক্ষণ আমি অঙ্ক করেছি।

- ঘটমান বর্তমান কাল:
- ঘটমান বর্তমান কাল ব্যবহৃত হয় সেই কাজ বোঝাতে, যা এই মুহূর্তে চলমান।
- যেমন—
- আমি স্কুলে যাচ্ছি,
- আমাদের পরীক্ষা চলছে। 

- অনুজ্ঞা বর্তমান কাল:
- অনুজ্ঞা বর্তমান কাল দ্বারা বর্তমান কালে আদেশ, অনুরোধ, অনুমতি, উপদেশ, প্রার্থনা, আশীর্বাদ বা অভিশাপ প্রকাশ করা হয়।
- যেমন—
- তাড়াতাড়ি কাজটি করো,
- সকলের মঙ্গল হোক।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২১ সংস্করণ)।

৩৯.
নিচের কোন সন্ধি বিচ্ছেদটি সঠিক?   
  1. সূর্য + ওদয় = সূর্যোদয়
  2. নব + উঢ়া = নবোঢ়া 
  3. কথা + পকথন = কথোপকথন
  4. গঙ্গা + ঊর্মি = গঙ্গোর্মি 
ব্যাখ্যা

সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ- গঙ্গা + ঊর্মি = গঙ্গোর্মি। 
-
এটি সংস্কৃত স্বরসন্ধির নিয়মে গঠিত হয়েছে। 
----------------------
• সংস্কৃত স্বরসন্ধি:
- সংস্কৃত স্বরসন্ধি হলো দুটি স্বরধ্বনির মিলন, যেখানে পূর্বপদের শেষ স্বর এবং পরপদের প্রথম স্বর মিলে একটি নতুন স্বরবর্ণ ধারণ করে।

- সংস্কৃত স্বরসন্ধি গঠনের নিয়ম:
- প্রথম পদের শেষের অ ধ্বনি বা আ ধ্বনির সঙ্গে দ্বিতীয় পদের প্রথম হ্রস্ব-উ ধ্বনি বা দীর্ঘ ঊ ধ্বনির যোগে ও-ধ্বনি হয়। 
- বানানে তা ও-কারের রূপ নিয়ে আগের বর্ণে যুক্ত হয়।

- যেমন- 
• অ + উ = ও
- উদাহরণ- সূর্য + উদয় = সূর্যোদয়। 

• অ + ঊ = ও
- উদাহরণ- নব + ঊঢ়া = নবোঢ়া। 

• আ + উ = ও
উদাহরণ- কথা + উপকথন = কথোপকথন। 

• আ + ঊ = ও
উদাহরণ- গঙ্গা + ঊর্মি = গঙ্গোর্মি। 

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ। 

৪০.
'শনিবারের চিঠি' পত্রিকাটির সম্পাদক কে ছিলেন?  
  1. সজনীকান্ত দাস
  2. সুবিমল রায়
  3. যোগানন্দ দাস
  4. মোহিতলাল মজুমদার 
ব্যাখ্যা

শনিবারের চিঠি:
- শনিবারের চিঠি ছিল বাংলা সাহিত্যের একটি ব্যঙ্গধর্মী (স্যাটায়ার) সাহিত্যিক পত্রিকা।
- শুরুতে এটি সাপ্তাহিক হিসেবে প্রকাশিত হলেও পরে মাসিক পত্রিকায় রূপ নেয়।
- পত্রিকাটির মূল উদ্দেশ্য ছিল হাস্য–কৌতুক ও তীক্ষ্ণ ব্যঙ্গের মাধ্যমে সমসাময়িক সাহিত্যচর্চা ও সাহিত্যিক প্রবণতাগুলোর সমালোচনা করা।
- ১৯৩০ ও ১৯৪০-এর দশকে কলকাতা-কেন্দ্রিক বাংলা সাহিত্যজগতে এই পত্রিকা বিশেষ আলোড়ন সৃষ্টি করে।
- এ সময় কল্লোল গোষ্ঠীর সঙ্গে এর সম্পর্ক ছিল স্পষ্টতই দ্বন্দ্বমূলক ও আক্রমণাত্মক;
- যদিও সামগ্রিকভাবে তৎকালীন সাহিত্যচর্চাকে এটি নতুনভাবে উদ্দীপিত করেছিল।

- পত্রিকাটির প্রাণপুরুষ ছিলেন সজনীকান্ত দাস।
- তিনি দীর্ঘদিন এই পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। 
- তিনি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত পত্রিকার প্রকাশনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং দীর্ঘ সময় ধরে সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করেন।
- তবে পত্রিকাটির প্রথম সম্পাদক ছিলেন যোগানন্দ দাস।

- উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, শনিবারের চিঠির অধিকাংশ রচনাই বেনামে প্রকাশিত হতো।
- তবু এর সঙ্গে যুক্ত লেখকদের মধ্যে ছিলেন- 
- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, রামানন্দ চট্টপাধ্যায়, সুনীতিকুমার চট্টপাধ্যায়, অশোক চট্টপাধ্যায়, সুবিমল রায়, মোহিতলাল মজুমদার, নীরদচন্দ্র চৌধুরী প্রমুখ

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 

৪১.
“গির্জা” কোন ভাষা থেকে আগত শব্দ? 
  1. ফারসি
  2. হিন্দি 
  3. জাপানি
  4. পর্তুগিজ  
ব্যাখ্যা

'গির্জা' - পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত শব্দের উদাহরণ।  

- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত কিছু পর্তুগিজ শব্দ হলো:
- গির্জা, চাবি, গুদাম, আলমারি, আনারস, পেয়ারা, সাবান, কেরানি, পাদ্রি, বালতি, কেদারা, কামরা, জানালা, বারান্দা, আলমারি, গুদাম, পেঁপে, পাউরুটি, তোয়ালে, বোতাম।
-------------------

অন্যদিকে 
• কিছু ফারসি শব্দের উদাহরণ:
- গোলাপ, চশমা, আস্তানা, আতশে, ইয়ারকি, ইরানি, আইন, আওয়াজ, আখ, আইর, আচার, আজাদ, আতরবাড়ি, আন্দাজ, আফসান, আফসোস, আমেজ, আরাম, আশকারা, আশমান, আসমান, ওস্তাদ, কম, কামান, কারখানা, কারবার, কারিগর, কিস্তি, কিনারা, কোষার, খরগোশ, খরিদ, খাসমহল, খানদানি, খাস, খুন, খুশি, খোরাক, খোশ, খোশমেজাজ, গরম, গদ্দান, গোসেলা, গোরস্থান, চাকর, চাদর, চাঁদ, জঙ্গল, জমি, জর্দা, জামা, জায়গা, তরমুজ, তির, দরকার, দরখাস্ত, দরজা, দরবার, দুধ, দর্জি, দালাল, দোকান, নমুনা, নাম, নালি, নাস্তা, পছন্দ, পলি, পাইকারি, পেশা, পোশাক, ফরমায়েশ, বনাম, বালি, বল, বন্দর, বদি, রসতা, বাগান, বাচ্চা, বাজার, বাদলি, মজুর, মরাদা, মোরগ, রসিদ, রোজগার, শাবাশ, শিকার, শিরোনাম, শুমারি, সাজা, সবুজ, সরকার, সোনা, হালকা, হাজার ইত্যাদি।

• হিন্দি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় বহু শব্দ এসেছে।
- যেমন - 'জঙ্গল', ‘পালকি’,‘চাটনি’, ‘চামচা', 'হাওয়া', 'দোস্ত', 'পাগল', 'শহিদ', 'গুমটি', 'খানা', 'বাজার' ইত্যাদি। 

জাপানি ভাষা থেকে আগত শব্দ- ক্যারাটে, জুডো, রিকশা, হাসনাহেনা ইত্যাদি।

উৎস:
ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ; 
বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

৪২.
“ঐ ক্ষেপেছে পাগলি মায়ের দামাল ছেলে”—উক্তিটি কার?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. সুকান্ত ভট্টাচার্য
  3. কাজী নজরুল ইসলাম
  4. কুসুমকুমারী দাশ  
ব্যাখ্যা

• “ঐ ক্ষেপেছে পাগলি মায়ের দামাল ছেলে”—উক্তিটি কাজী নজরুল ইসলামের।
----------------------------- 
কামাল পাশা 
   - কাজী নজরুল ইসলাম। 
 
“ঐ খেপেছে পাল্লি মায়ের দামাল ছেলে কামাল ভাই,
অসুর-পুরে শোর উঠেছে জোক্সে সামাল সামাল তাই।
কামাল! তু নে কামাল কিয়া ভাই!
হো হো কামাল! তু নে কামাল কিয়া ভাই!”
-------------------------
• কাজী নজরুল ইসলাম:
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে কাজী নজরুল ইসলাম এক অনন্য ব্যক্তিত্ব।
- কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন একজন বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, গীতিকার, দার্শনিক, এবং বাংলাদেশের জাতীয় কবি।
- তিনি ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তার ডাকনাম ছিল দুখু মিয়া।
- বাংলা সাহিত্যে তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’ নামে পরিচিত।
- তাঁর শক্তিশালী লেখনী এবং সুরেলা কণ্ঠের মাধ্যমে কবি বাঙালির মধ্যে স্বাধীনতা, প্রেম, সাম্য ও মানবতার চেতনাকে জাগিয়ে তুলেছেন।
- তাঁর রচনা ও গানগুলোতে বৈপ্লবিক মনোভাব, অসাম্প্রদায়িক চিন্তা এবং জীবনের গভীর দর্শন স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়।
- ২৯ আগস্ট, ১৯৭৬ সালে (১২ ভাদ্র ১৩৮৩) কবি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
--------------------------------------------- 
• 'কামাল পাশা' কবিতা নিয়ে কিছু কথা:
- কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত কবিতা ‘কামাল পাশা’ তাঁর অন্যতম বীররসাত্মক ও উদ্দীপনামূলক রচনা। এই কবিতাটি তাঁর কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা-এর অন্তর্গত। কবিতাটিতে তুরস্কের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে মুস্তাফা কামাল আতাতুর্ক-এর বীরত্বপূর্ণ নেতৃত্ব ও বিজয়গাথা তুলে ধরা হয়েছে। এর মূলভাব হলো পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে ফেলা, সাম্রাজ্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে দুর্বার প্রতিরোধ গড়ে তোলা, আত্মত্যাগের মহিমা এবং মহান নেতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও বিজয়োল্লাস। এই কবিতার মাধ্যমে কাজী নজরুল ইসলাম মুক্তি, বিদ্রোহ ও মানবিক মর্যাদার চেতনাকে শক্তিশালী ভাষায় প্রকাশ করেছেন।

উৎস:
'কামাল পাশা' কবিতা; 
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া। 

৪৩.
“ঈশান বল দিয়ে ফুটবল খেলে।” — বাক্যটিতে ‘বল দিয়ে’ কোন কারক নির্দেশ করে? 
  1. কর্তৃকারক
  2. কর্মকারক
  3. করণ কারক
  4. অধিকরণ কারক
ব্যাখ্যা

- “ঈশান বল দিয়ে ফুটবল খেলে।” - বাক্যটিতে ‘বল দিয়ে’ করণ কারক নির্দেশ করে।
-------------------------
• করণ কারক:
- বাক্যে ক্রিয়াপদের সঙ্গে যে নামপদের (বিশেষ্য বা সর্বনাম) সম্পর্ক থাকে, তাকে কারক বলে।
- কারক দেখায় যে, কে কাজটি করছে, ক্রিয়াটি কার ওপরে ঘটছে, কোথায় বা কীভাবে ঘটছে ইত্যাদি।
- যেই পদ দিয়ে বোঝায় যে কাজটি কোন যন্ত্র, উপকরণ বা উপায়ের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে সেই পদই হলো করণ কারক।
- বাক্যে ক্রিয়াপদকে যদি ‘কী দিয়ে’ বা ‘কী উপায়ে’ প্রশ্ন করা হয়, তবে যে উত্তর পাওয়া যায় সেটিই করণ কারক।
- যেমন:
• সেলিনা চাবি দিয়ে তালা খুলল (কী দিয়ে খুলল? → চাবি দিয়ে)।
• মমিন লাঠির দ্বারা দরজাটি ভাঙল (কী দ্বারা ভাঙল? → লাঠির দ্বারা)।
-------------------------------------
• বাক্য: ঈশান বল দিয়ে ফুটবল খেলে।
- ঈশান → কর্তৃকারক (ক্রিয়ার সম্পাদক/যে কাজটি করে);
- বল দিয়ে → করণ কারক (কী দিয়ে কাজটি সম্পাদিত হচ্ছে);
- ফুটবল → কর্মকারক (ক্রিয়ার লক্ষ্যবস্তু)।
আবার,
- “কী দিয়ে খেলে?” → বল দিয়ে ⇒ করণ কারক।
- এখানে খেলার কাজটি বল দিয়ে সম্পন্ন হয়েছে, তাই এটি করণ কারক।
----------------------------------
অন্যদিকে,
- কর্তৃকারক – কাজটি যে করে তাকে বোঝায় (এখানে ঈশান)।
- কর্মকারক – কাজটি যার উপর হয় তাকে বোঝায় (এখানে ফুটবল )।
- অধিকরণ কারক – কাজটি কোথায় বা কখন হয় তা বোঝায়।

উৎস:
ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াত মামুদ; 
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর।

৪৪.
‘অর্বাচীন' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?   
  1. নবীন
  2. প্রাচীন 
  3. মূর্খ 
  4. প্রতীচীন 
ব্যাখ্যা

'অর্বাচীন’ এর বিপরীত অর্থ হলো- 'প্রাচীন’। 
-------------------------------
• বিপরীত শব্দ বা বিপরীতার্থক শব্দ:
- যে শব্দের বা একটি শব্দের সম্পূর্ন বিপরীত অর্থ প্রকাশ পেলে তাকে বিপরীতার্থক শব্দ বা বিপরীত শব্দ বলে।

- অর্বাচীন মানে— নবীন, আধুনিক, নতুন বা অপক্কবুদ্ধিসম্পন্ন।
- আর প্রাচীন অর্থ হলো-  অতি পুরাতন, অনেক আগের, সেকেলে বা দীর্ঘকাল ধরে বিদ্যমান।
- অর্বাচীন = প্রাচীন। 
------------------------
• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিপরীত শব্দ:
অনুসন্ধান — উপেক্ষা,
কৃপণ — বদান্য,
বিলুপ্ত — সংরক্ষিত / উদ্বৃত্ত,
বীর — ভীরু,
সংশয় — প্রত্যয়,
সরু — মোটা,
উর্বর — ঊষর / অনুর্বর,
বিরত — উদ্যত / রত / নিরত,
যুদ্ধ — শান্তি,
আবাহন — বিসর্জন,
কৃত্রিম — অকৃত্রিম / স্বাভাবিক,
আকস্মিক — চিরন্তন,
চঞ্চল — স্থির / নিশ্চল / অবিচল,
অলস — পরিশ্রমী,
ক্ষীয়মান — বর্ধমান,
সৌম্য — উগ্র / করাল,
কৃশ — স্থূল,
পরাস্ত — জয়ী,
কপট — সরল / অকপট,
অসীম — সসীম,
মায়া — নির্মমতা,
অনুরাগ — বিরাগ,
বিষাদ — আনন্দ / হর্ষ,
ভূত — ভবিষ্যৎ,
বিনীত — উদ্ধত / দুর্বিনীত,
ধ্বনি — প্রতিধ্বনি,
অনুগ্রহ — নিগ্রহ,
সরল — কুটিল / জটিল / গরল,
অমৃত — গরল,
আবির্ভাব — তিরোভাব,
জঙ্গম — স্থাবর,
নশ্বর — অবিনশ্বর,
সুন্দর — কুৎসিত,
আপদ — সম্পদ,
আকাশ — পাতাল,
নির্মল — পঙ্কিল / মলিন,
প্রসারণ — সংকোচন,
প্রসন্ন — বিষণ্ণ। 

উৎস:
ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ; 
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৪৫.
'ক্ষ্ম্য' যুক্তবর্ণটির বিশ্লিষ্টরূপ কোনটি?
  1. ক + খ + ম + য
  2. ক + ষ + ম + য
  3. ক + ষ + ম + ব
  4. ক + স + ম + য
ব্যাখ্যা

‘ক্ষ্ম্য’ শব্দের যুক্তবর্ণের সঠিক রূপ- ক + ষ + ম + য। 
------------------------
• কিছু গুরুত্বপূর্ণ যুক্তবর্ণ:
- ঙ্ক্য = ঙ + ক + য; যেমন: অঙ্ক্য।
- ঙ্ক্ষ = ঙ + ক + ষ; যেমন: আকাঙ্ক্ষা।
- ঙ্খ = ঙ + খ; যেমন: শঙ্খ।
- ঙ্খ্য = ঙ + খ + য; যেমন: সাঙ্খ্যমান।
- ঙ্গ = ঙ + গ; যেমন: অঙ্গ, সঙ্গী।
- ঙ্গ্য = ঙ + গ + য; যেমন: ব্যঙ্গ্যার্থ। 
- ক্ব = ক + ব; যেমন: পক্ব। 
- ক্ম = ক + ম; যেমন: রুক্মিণী।
- ক্ক = ক + ক; যেমন: আক্কেল, টেক্কা, ধাক্কা। 
- ক্ট্র = ক + ট + র; যেমন: অক্ট্রয়।
- ক্ত = ক + ত; যেমন: রক্ত, শক্ত।
- ঙ্ক = ঙ + ক; যেমন: অঙ্ক, টঙ্কা, শশাঙ্ক।
- ঙ্‌ক্ত = ঙ + ক + ত; যেমন: পঙ্‌ক্তি।
- ক্য = ক + য; যেমন: বাক্য।
- ক্র = ক + র; যেমন: চক্র, বক্র।
- ক্ল = ক + ল; যেমন: ক্লান্তি।
- ঙ্ক্ষ = ঙ + ক + ষ; যেমন: আকাঙ্ক্ষা।
- ঙ্খ = ঙ + খ; যেমন: শঙ্খ।
- ঙ্খ্য = ঙ + খ + য; যেমন: সাঙ্খ্যমান।
- ঙ্গ = ঙ + গ; যেমন: অঙ্গ, সঙ্গী।
- ঙ্গ্য = ঙ + গ + য; যেমন: ব্যঙ্গ্যার্থ, ব্যঙ্গ্যোক্তি।
- ক্ষ = ক + ষ; যেমন: পক্ষ, ভক্ষক, অপেক্ষা।
- ক্ষ্ণ = ক + ষ + ণ; যেমন: তীক্ষ্ণ।
- ক্ষ্ব = ক + ষ + ব; যেমন: ইক্ষ্বাকু।
- ক্ষ্ম = ক + ষ + ম; যেমন: লক্ষ্মী। 

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি। 

৪৬.
বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিক ছিলেন- 
  1. কাদম্বরী দেবী
  2. স্বর্ণকুমারী দেবী
  3. নবাব ফয়জুন্নেসা 
  4. চন্দ্রাবতী
ব্যাখ্যা

বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিকের নাম- স্বর্ণকুমারী দেবী। 
------------------------
• স্বর্ণকুমারী দেবী:
- স্বর্ণকুমারী দেবী (১৮৫৫-১৯৩২) ছিলেন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম প্রজন্মের একজন উল্লেখযোগ্য মহিলা সাহিত্যিক।
- স্বর্ণকুমারী দেবী ছিলেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা উপন্যাসিক।
- তিনি জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ির সদস্য এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বড় বোন ছিলেন।
- স্বর্ণকুমারী দেবী কবি, ঔপন্যাসিক, সঙ্গীতজ্ঞ ও সমাজ সংস্কারক হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন।
- তিনি ‘দীপনির্বাণ’ নামে প্রথম বাংলা উপন্যাস রচনা করেন, যা তাকে প্রথম বাংলা মহিলা ঔপন্যাসিক হিসেবে পরিচিতি দেয়।
- এছাড়াও কবিতা, নাটক ও প্রবন্ধ লিখেছেন।
- তিনি বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা ভারতী-এর সম্পাদনা করেছিলেন প্রায় এক দশক ধরে।
- এছাড়া তিনি বিজ্ঞান বিষয়ক রচনার অগ্রদূত ছিলেন।
- নারীদের সৃজনশীলতা ও সহায়তার জন্য তিনি সখী সমিতি নামক একটি সংগঠনও প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাস:
- দীপনির্বাণ;
- ছিন্নমুকুল;
- মালতী;
- মিবাররাজ,
- বিদ্রোহ,
- বিচিত্রা,
- স্বপ্নবাণী,
- মিলনরাত্রি।
------------------------ 
অন্যদিকে,
• কাদম্বরী দেবী জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ির বধূ ছিলেন এবং তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর অত্যন্ত প্রিয় বৌঠান; তিনি জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর স্ত্রী ছিলেন।

• নবাব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী ছিলেন একজন বিশিষ্ট জমিদার, সমাজসেবী, নারীশিক্ষার অগ্রদূত ও সাহিত্যচর্চায় যুক্ত কবি, যিনি সমাজকল্যাণ ও শিক্ষাবিস্তার কাজে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।

• চন্দ্রাবতী বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা কবি হিসেবে পরিচিত; তিনি মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের একজন উল্লেখযোগ্য কবি ছিলেন।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া।

৪৭.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের 'ভ্রান্তিবিলাস' উইলিয়াম শেক্সপীয়র রচিত কোন নাটকের গদ্য অনুবাদ?
  1. অ্যা মিডসামার নাইটস ড্রিম
  2. মার্চেন্ট অব ভেনিস 
  3. টেমিং অব দ্য শ্রু
  4. কমেডি অব এররস
ব্যাখ্যা

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের 'ভ্রান্তিবিলাস' ‘কমেডি অব এররস’ নাটকের গদ্য অনুবাদ। 
------------------------ 
'ভ্রান্তিবিলাস' নিয়ে কিছু কথা:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ভ্রান্তিবিলাস (১৮৬৯) মূলত উইলিয়াম শেক্সপীয়রের কমেডি অফ এররস নাটকের কাহিনী অবলম্বনে রচিত। এটি একটি কৌতুকপূর্ণ বাংলা গদ্য আখ্যান বা অনুবাদ সাহিত্য। কাহিনীর মূল উপজাত্য হলো দুই জোড়া যমজ ভাই ও ভৃত্যের নামের মিলের কারণে সৃষ্ট ভুল বোঝাবুঝি, যা পরিশেষে মিলনের মাধ্যমে সমাধান হয়। বিদ্যাসাগর শেকসপীয়রের মূল ইংরেজি নাম ও স্থান পরিবর্তন করে কাহিনীটি বাংলাভাষী পাঠকের জন্য উপযোগী করেছেন। ভ্রান্তিবিলাস রচিত হয় ১৮৬৯ সালে, যা বিদ্যাসাগরের প্রথম রচনা বেতালপঞ্চবিংশতি-এর ২২ বছর পরে প্রকাশিত হয়।
---------------------------------
• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ছিলেন প্রখ্যাত সংস্কৃত পণ্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক ও জনহিতৈষী।
- তিনি জন্মগ্রহণ করেন ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে।
- তাঁর পিতার নাম ঠাকুরদাস বন্দ্যোপাধ্যায়।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এর প্রকৃত নাম- ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়।
- তিনি 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামে স্বাক্ষর করতেন।

- মানবিকতা ও দয়ার জন্যে তিনি করুণাসাগর নামে পরিচিত ছিলেন, তাকে এই উপাধি দিয়েছিলেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের প্রথম সার্থক রূপকার হিসেবে পরিচিত।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে বাংলা গদ্যের “প্রথম শিল্পী” এবং গদ্যের জনক বলে অভিহিত করেছেন।
- বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের অসংলগ্ন রূপগুলো সংস্কার করে তা আধুনিক, সুশৃঙ্খল ও ছন্দময় করেছেন।
- এছাড়া তিনি লিপি সংস্কারের মাধ্যমে বাংলা ভাষাকে সহজপাঠ্য করে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
- বিদ্যাসাগর সংস্কৃত ও দর্শনে স্নাতকোত্তর স্তরে অসাধারণ দক্ষতা অর্জন করেন।
- ১৮৩৯ সালে  সংস্কৃত কলেজ থেকে তাঁকে বিদ্যাসাগর (‘জ্ঞানের মহাসাগর’) সম্মানসূচক উপাধি প্রদান করা হয়। 

- আধুনিক মনোভাবাপন্ন বিদ্যাসাগর সমাজ পরিবর্তনের জন্য সক্রিয় ছিলেন।
- তিনি বিশ্বাস করতেন, পুরনো মূল্যবোধ ও পরিবারভিত্তিক সংস্কার না আনলে সমাজ ও দেশের প্রকৃত উন্নতি সম্ভব নয়।
- এজন্য তিনি বিধবা বিবাহ চালু করা, বহুবিবাহ ও বাল্যবিবাহ নিষিদ্ধ করা, এবং স্ত্রীশিক্ষার প্রসারের জন্য আন্দোলন শুরু করেন।

- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ হলো বেতালপঞ্চবিংশতি। 
- এই গ্রন্থে তিনি প্রথমবার আধুনিক বিরামচিহ্নের ব্যবহারপ্রচলন করেন। 
- তাঁর আত্মজীবনী পরিচিত বিদ্যাসাগর চরিত বা আত্মচরিত নামে।
- তিনি ২৯ জুলাই ১৮৯১ সালে প্রয়াণ করেন।

• বিদ্যাসাগরের কয়েকটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাস,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; 
বাংলাপিডিয়া।

৪৮.
‘শিখাগোষ্ঠী’র অন্তর্ভুক্ত ছিলেন কোন সাহিত্যিক? 
  1. বিষ্ণু দে 
  2. বুদ্ধদেব বসু 
  3. অমীয় চক্রবর্তী 
  4. আবুল ফজল 
ব্যাখ্যা

‘শিখাগোষ্ঠী’র অন্তর্ভুক্ত ছিলেন সাহিত্যিক আবুল ফজল। 
-----------------------
• ‘শিখাগোষ্ঠী’:
- ১৯২৬ সালে প্রতিষ্ঠিত মুসলিম সাহিত্য সমাজ এবং তাদের মুখপত্র শিখা (প্রকাশিত ১৯২৭) পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত সাহিত্যিকরা শিখাগোষ্ঠী’ নামে পরিচিত।
-  মুসলিম সাহিত্য সমাজের মূল উদ্দেশ্য ছিল- সামাজিক কুসংস্কার ও অন্ধ শাস্ত্রানুগত্য থেকে মানুষকে মুক্ত করা। 
- শিখাগোষ্ঠীর প্রধান সাহিত্যিক ও সংগঠকরা ছিলেন- কাজী আবদুল ওদুদ, আবুল হুসেন, কাজী মোতাহার হোসেন, আবুল ফজল, মোতাহের হোসেন চৌধুরী এবং কাজী আনোয়ারুল কাদীর।
- এই গোষ্ঠী ঢাকায় বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন চালায়।
- এর মূলমন্ত্র ছিল: “জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব।”
------------------------------ 
আবুল ফজল:
- আবুল ফজল ছিলেন একজন শিক্ষাবিদ, প্রাবন্ধিক ও কথাসাহিত্যিক।
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জুলাই চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার কেঁওচিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি পেশাগত জীবন শুরু করেন মসজিদে ইমামতির মাধ্যমে।
- পরে তিনি বিভিন্ন স্কুলে শিক্ষকতা করেন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে তিনি ১৯২৬ সালে ঢাকার মুসলিম সাহিত্য সমাজ প্রতিষ্ঠায় যুক্ত হন এবং ১৯৩০ সালে সমাজটির সম্পাদক হন।
- তিনি শিখাগোষ্ঠীর প্রধান সাহিত্যিক ও সংগঠকদের মধ্যকার একজন ছিলেন। 
- ১৯৭৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে ডক্টরেট উপাধি প্রদান করে সম্মানিত করে।
- ১৯৮৩ সালের ৪ মে চট্টগ্রামে তাঁর মৃত্যু ঘটে।

- আবুল ফজল উপন্যাস, ছোটগল্প, নাটক, আত্মকথা, ধর্ম ও ভ্রমণকাহিনীসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ রচনা করেছেন।
- তাঁর উল্লেখযোগ্য কৃতিসমূহের মধ্যে রয়েছে- 
- চৌচির,
- প্রদীপ ও পতঙ্গ,
- মাটির পৃথিবী,
- বিচিত্র কথা,
- রাঙ্গা প্রভাত,
- রেখাচিত্র, 
- দুর্দিনের দিনলিপি।  
------------------------------ 
অন্যদিকে, 
- বিষ্ণু দে, বুদ্ধদেব বসু ও অমীয় চক্রবর্তী হচ্ছে পঞ্চপাণ্ডবদের অন্তর্ভুক্ত।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর;
বাংলাপিডিয়া।

৪৯.
'কিরণময়ী' শরৎচন্দ্র রচিত কোন উপন্যাসের চরিত্র?
  1. পথের দাবি
  2. চরিত্রহীন
  3. গৃহদাহ
  4. দত্তা 
ব্যাখ্যা

- 'কিরণময়ী' শরৎচন্দ্র রচিত চরিত্রহীন উপন্যাসের চরিত্র।
------------------------- 
 'চরিত্রহীন' উপন্যাস:
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের চরিত্রহীন (১৯১৭) উপন্যাসটি মূলত বিশ শতকের শুরুর বাঙালি সমাজের নিয়মকানুন, প্রেম ও নারী-পুরুষের সম্পর্ক নিয়ে লেখা। উপন্যাসের প্রধান নারী চরিত্র হলো- সাবিত্রী ও কিরণময়ী। সাবিত্রী একজন বিধবা, যিনি মনিব সতীশের প্রেমে পড়ে, সমাজ তাকে ‘চরিত্রহীন’ মনে করলেও তার মধ্যে ভালোবাসা ও সততা রয়েছে। কিরণময়ী একজন জটিল নারী চরিত্র, যিনি পঙ্গু স্বামীসহ জীবনের নানা কষ্টে পড়েছেন। উপন্যাসে দেখা যায় সমাজ যাকে ‘চরিত্রহীন’ মনে করে, তার আসল মানষিকতা অনেক ভিন্ন। প্রেম, সম্পর্ক ও নর-নারীর মানবিক আকাঙ্ক্ষার বাস্তব চিত্র উপন্যাসে সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। উপন্যাসের নাম ‘চরিত্রহীন’ রাখা হয়েছে সমাজের প্রথাগত দৃষ্টিভঙ্গি ও মানুষের প্রকৃত চরিত্রের মধ্যে পার্থক্য দেখানোর জন্য।
----------------------------------
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়: 
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কথাশিল্পী।
- তিনি ১৮৭৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর হুগলি জেলার দেবানন্দপুরে জন্মগ্রহণ করেন।
- আর্থিক সংকটের কারণে তাঁর শিক্ষাজীবন অসম্পূর্ণ থেকে যায়।
- কর্মজীবনে বিভিন্ন চাকরি, সন্ন্যাসজীবন ও রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও সাহিত্যই ছিল তাঁর প্রধান পরিচয়।

- ‘বড়দিদি’ উপন্যাসের মাধ্যমে তাঁর সাহিত্যজীবনের সূচনা হয়।
- তাঁর লেখায় গ্রামীণ সমাজ, সামাজিক বৈষম্য, কুসংস্কার এবং বিশেষভাবে নারীর প্রতি অবহেলা ও যন্ত্রণার বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে।
- সহজ ভাষা ও শক্তিশালী কাহিনির জন্য তাঁর সাহিত্য ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। 

- শরৎচন্দ্রের প্রথম প্রকাশিত ছোটগল্প ‘মন্দির’—এর জন্য তিনি কুন্তলিন পুরস্কার লাভ করেন।
- অন্যান্য উল্লেখযোগ্য ছোটগল্প—
- মহেশ,
- অভাগীর স্বর্গ,
- বিলাসী। 

- তাঁর প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস ‘বড়দিদি’।
- অন্যান্য প্রসিদ্ধ উপন্যাস—
- শ্রীকান্ত,
- দেবদাস,
- চরিত্রহীন, 
- দত্তা, 
- পথের দাবী,
- দেনা-পাওনা,
- শেষের পরিচয়। 

- তাঁর বহু উপন্যাস অবলম্বনে চলচ্চিত্র নির্মিত হয়ে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছে।
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় শুধু সাহিত্যেই নয়, চিত্রকলাতেও পারদর্শী ছিলেন।
- বার্মায় অবস্থানকালে তাঁর আঁকা ‘মহাশ্বেতা’ নামের অয়েল পেইন্টিংটি একটি উল্লেখযোগ্য ও বিখ্যাত শিল্পকর্ম হিসেবে পরিচিত।

- সাহিত্যকর্মের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ১৯৩৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডি.লিট উপাধি লাভ করেন।
- ১৯৩৮ সালের ১৬ জানুয়ারি কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হলেও বাংলা সাহিত্যে তাঁর প্রভাব ও মর্যাদা আজও অম্লান।
--------------------------
অন্যদিকে,
• শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'পথের দাবী' উপন্যাসের মূল চরিত্র হলো- বিপ্লবী সব্যসাচী মল্লিক। 

• শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কালজয়ী উপন্যাস 'গৃহদাহ'র কেন্দ্রীয় চরিত্রে রয়েছে- অচলা, মহিম ও সুরেশ।

• শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'দত্তা' উপন্যাসের প্রধান চরিত্রগুলো হলো- বিজয়া, নরেন্দ্রনাথ, বিলাসবিহারী, রাসবিহারী।  

উৎস:
'চরিত্রহীন' উপন্যাস; 
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া।

৫০.
মনসামঙ্গল কাব্যের আদি কবি কে ছিল? 
  1. কানাহরি দত্ত
  2. বিজয়গুপ্ত
  3. মানিক দত্ত
  4. মালাধর বসু
ব্যাখ্যা

মনসামঙ্গল কাব্যের আদি কবি কানাহরি দত্ত।
------------------------ 
• মনসামঙ্গল:
- মনসামঙ্গল বাংলা মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যধারার সবচেয়ে প্রাচীন ও জনপ্রিয় ধারা।
- ‘মনসামঙ্গল কাব্য’-এর আদি কবি কানহরিদত্ত হলেও শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে স্বীকৃত বিজয়গুপ্ত।
- তিনি ‘পদ্মপুরাণ’ নামে এই কাব্য রচনা করেন, যেখানে দেবী মনসার জন্ম ও চাঁদ সওদাগরের কাহিনি বর্ণিত হয়েছে।
- এছাড়া এটি সর্পদেবী মনসার পূজা প্রতিষ্ঠা, তাঁর মাহাত্ম্য, শক্তি ও মানবজীবনে তাঁর প্রভাবকে কেন্দ্র করে রচিত হয়েছে।
- কাহিনীর মূল চরিত্র চাঁদ সওদাগর।
- তিনি প্রথমে মনসাকে তুচ্ছ করলেও পরে দেবীর অলৌকিক শক্তি স্বীকার করে নেন।
- এই বিরোধ, সংকট ও গ্রহণের মধ্য দিয়েই কাব্যের গল্প এগোতে থাকে।
- মনসামঙ্গলে কেবল পৌরাণিক আখ্যানই নয়, সমাজবাস্তবতার দিকও প্রকাশ পেয়েছে।
- চাঁদ ও মনসার দ্বন্দ্বে আর্য–অনার্য সংঘাত, দেব–মানব বিরোধ, এবং সমাজের শ্রেণী-বৈষম্যের চিত্র ফুটে উঠেছিল।
- এই কাব্যের প্রধান চরিত্র :
• দেবী মনসা,
• চাঁদ সওদাগর,
• বেহুলা,
• লক্ষিন্দর,
• সনকা ও
• নেতাইধোপানি।
- মধ্যযুগের সাহিত্যে চাঁদ সওদাগর সর্বাধিক প্রতিবাদী পুরুষ চরিত্র হিসেবে বিবেচিত;
- আর বেহুলা সেই যুগের সর্বাধিক প্রতিপ্রাণা নারী চরিত্র— যিনি স্বামীর প্রাণ রক্ষার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করতেও প্রস্তুত ছিলেন। 
--------------------- 
অন্যদিকে, 
- চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের আদি কবি মানিকদত্ত।
- মধ্যযুগে বাংলা সাহিত্যের কবি মালাধর বসু শ্রীকৃষ্ণবিজয়' কাব্যের রচয়িতা।

উৎস: 
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস – মাহবুবুল আলম।
লাল নীল দীপাবলী বা বাঙলা সাহিত্যের জীবনী – হুমায়ুন আজাদ।

৫১.
কোন সংখ্যার বর্গমূলের সাথে ১০ যোগ করলে যোগফল ৪ এর বর্গ হবে? 
  1. ৯ 
  2. ১৬ 
  3. ২৫ 
  4. ৩৬ 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: কোন সংখ্যার বর্গমূলের সাথে ১০ যোগ করলে যোগফল ৪ এর বর্গ হবে? 

সমাধান: 
ধরি, 
সংখ্যাটি = x 

শর্তমতে, 
√x + ১০ = ১৬ 
বা, √x = ১৬ - ১০ 
বা, √x = ৬ 
বা, (√x) = (৬) [উভয় পক্ষকে বর্গ করে]
∴ x = ৩৬ 

∴ সংখ্যাটি = ৩৬ । 

৫২.
যদি a + b = c হয়, তাহলে a3 + b3 + 3abc = কত? 
  1. b3
  2. c3
  3. 0
  4. a3
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি a + b = c হয়, তাহলে a3 + b3 + 3abc = কত? 

সমাধান:
দেওয়া আছে, 
a + b = c

প্রদত্ত রাশি = a3 + b3 + 3abc
= (a + b)3 - 3ab(a + b) + 3abc
= (c)3 - 3ab . (c) + 3abc
= c3 - 3abc + 3abc
= c3

৫৩.
একটি চতুর্ভুজের দৈর্ঘ্য ৮ মিটার এবং প্রস্থ ৬ মিটার হলে, চতুর্ভুজটির পরিসীমা কত? 
  1. ২৪ মিটার
  2. ১৮ মিটার
  3. ২৮ মিটার
  4. ৪৮ মিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি চতুর্ভুজের দৈর্ঘ্য ৮ মিটার এবং প্রস্থ ৬ মিটার হলে, চতুর্ভুজটির পরিসীমা কত? 

সমাধান: 
আমরা জানি, 
চতুর্ভুজের পরিসীমা = ২(দৈর্ঘ্য + প্রস্থ) মিটার 
= ২ × (৮ + ৬) মিটার 
= (২ × ১৪) মিটার 
= ২৮ মিটার ।

৫৪.
প্রতিধ্বনি শোনার জন্য মূল শব্দ এবং প্রতিধ্বনির মধ্যে ন্যূনতম সময় ব্যবধান কত হতে হবে? 
  1. 0.1 সেকেন্ড 
  2. 0.01 সেকেন্ড
  3. 0.05 সেকেন্ড 
  4. 1.00 সেকেন্ড
ব্যাখ্যা

- প্রতিধ্বনি শোনার জন্য মূল শব্দ এবং প্রতিধ্বনির মধ্যে ন্যূনতম সময় ব্যবধান 0.1 সেকেন্ড হতে হবে, কারণ মানুষের কান দুটি শব্দকে আলাদাভাবে বোঝার জন্য কমপক্ষে এই সময়টুকু প্রয়োজন হয়; এর কম হলে শব্দ দুটি মিশে যাবে এবং প্রতিধ্বনি শোনা যাবে না। 

শব্দ: 

- কোন শব্দ শোনার পর প্রায় 0.1 সেকেন্ড পর্যন্ত এর রেশ আমাদের মস্তিষ্কে থাকে। 
- এই সময়কে শব্দানুভূতির স্থায়িত্বকাল বলে। 
- এই সময়ের মধ্যে প্রতিধ্বনি হলে তা শোনা যাবে না। 
- প্রতিধ্বনি শোনার জন্য মূল শব্দ এবং প্রতিধ্বনি শোনার মধ্যবর্তী সময়ের পার্থক্য 0.1 সেকেন্ড বা তার বেশি হতে হবে। 
সুতরাং প্রতিফলক এবং শব্দের উৎসের মধ্যে দূরত্ব এমন হতে হবে যেন শব্দ তরঙ্গ উৎসের কাছে ফিরে আসতে 0.1 সেকেন্ড বা তার বেশি সময় লাগে। 
- বাতাসে শব্দের দ্রুতি তাপমাত্রার সাথে পরিবর্তিত হয়। 
- 0°C বা 273 K তাপমাত্রায় শব্দের দ্রুতি 332 ms-1। 
- 0°C বা 273 K উষ্ণতায় প্রতিফলিত শব্দ শোনার জন্য শব্দ উৎস এবং প্রতিফলকের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব 16.6 m হতে হবে। 
- তাপমাত্রা বেশি হলে প্রতি ডিগ্রির জন্য দূরত্ব 0.3 m বেশি হতে হবে। 
- তাই প্রতিধ্বনি শোনার শর্তটি হলো শ্রোতা বা উৎস এবং প্রতিফলক তলের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব 16.6 m (0°C বা 273 K তাপমাত্রায়) বজায় রাখতে হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৫.
৬০ জন শ্রমিক একটি পুকুর ৪৫ দিনে খনন করতে পারে। কত জন শ্রমিক ৬০ দিনে পুকুরটি খনন করতে পারবে?
  1. ২৫ জন
  2. ৩০ জন
  3. ৪৫ জন
  4. ৬০ জন
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ৬০ জন শ্রমিক একটি পুকুর ৪৫ দিনে খনন করতে পারে। কত জন শ্রমিক ৬০ দিনে পুকুরটি খনন করতে পারবে? 

সমাধান: 
৪৫ দিনে পুকুরটি খনন করতে শ্রমিক লাগে = ৬০ জন
∴ ১ দিনে পুকুরটি খনন করতে শ্রমিক লাগে = ৬০ × ৪৫ জন
∴ ৬০ দিনে পুকুরটি খনন করতে শ্রমিক লাগে = (৬০ × ৪৫)/৬০ জন
= ৪৫ জন

∴ নির্ণেয় লোক সংখ্যা = ৪৫ জন।

৫৬.
যদি 5xy + 28x - 2 = 0 এবং y = - 4 হয়, তাহলে 4x + y এর মান কত? 
  1. 3
  2. - 3
  3. 0
  4. 4
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি 5xy + 28x - 2 = 0 এবং y = - 4 হয়, তাহলে 4x + y এর মান কত? 

সমাধান: 
5xy + 28x - 2 = 0
বা, 5x × (- 4) + 28x - 2 = 0   [∴ y = - 4]
বা, - 20x + 28x - 2 = 0
বা, 8x - 2 = 0
বা, 8x = 2
বা, x = 2/8
∴ x = 1/4 

∴ 4x + y = 4 × (1/4) + (- 4)
= 1 - 4
= - 3  । 

৫৭.
একটি গাড়ীর চাকা মিনিটে ১২০ বার ঘোরে। চাকাটি ১ সেকেন্ডে কত ডিগ্রি ঘুরবে? 
  1. ৭২০°
  2. ৫৪০°
  3. ৩৬০°
  4. ৪৫০°
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি গাড়ীর চাকা মিনিটে ১২০ বার ঘোরে। চাকাটি ১ সেকেন্ডে কত ডিগ্রি ঘুরবে? 

সমাধান: 
চাকাটি ৬০ সেকেন্ডে ঘুরে = ১২০ বার 
∴ চাকাটি ১ সেকেন্ডে ঘুরে = ১২০/৬০ বার 
= ২ বার 

এখন,
১ বার ঘুরলে চাকাটি উৎপন্ন করে = ৩৬০° 
∴ ২ বার ঘুরলে চাকাটি উৎপন্ন করে = (৩৬০° × ২) 
= ৭২০° 

∴ চাকাটি এক সেকেন্ডে ঘুরবে =  ৭২০°।

৫৮.
ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর প্রধানত কোন উপাদান দ্বারা গঠিত?
  1. লিপিড
  2. কোলাজেন
  3. লিগনিন 
  4. পেপটিডোগ্লাইকান
ব্যাখ্যা

- ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর মূলত একটি কার্বোহাইড্রেট পলিমার দ্বারা গঠিত যাকে পেপটিডোগ্লাইকান বা মিউরিন বলা হয়। এটি শর্করা এবং অ্যামিনো অ্যাসিডের সমন্বয়ে গঠিত একটি জালের মতো গঠন, যা কোষকে নির্দিষ্ট আকৃতি প্রদান করে এবং বাইরের প্রতিকূল পরিবেশ থেকে রক্ষা করে। 

ব্যাকটেরিয়ার বৈশিষ্ট্য: 
- ব্যাকটেরিয়া জড় কোষ প্রাচীরবিশিষ্ট এককোষী আদিকেন্দ্রিক অণুজীব।
- এর সাধারণ বৈশিষ্ট্যগুলো হচ্ছে- 
১। ব্যাকটেরিয়ার আকার সাধারণত ০.২-৫০ মাইক্রোমিটার।
২। এরা আণুবীক্ষণিক জীব।
৩। এরা এককোষী, তবে একসাথে অনেকগুলো কোষ কলোনি করে বা দলবদ্ধভাবে থাকতে পারে।
৪। এদের কোষ প্রাককেন্দ্রিক; তাই এদের কোষে রাইবোসোম ছাড়া অন্য কোন ঝিল্লীবদ্ধ অঙ্গাণু (যেমন নিউক্লিয়াস, মাইটোকন্ড্রিয়া, ক্লোরোপ্লাস্ট, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম, গলগি বডি, লাইসোসোম এবং সাইটোস্কেলেটন ইত্যাদি) থাকে না। 
৫। এরা পরজীবী ও রোগ উৎপাদনকারী, অধিকাংশই মৃতজীবি এবং কিছু স্বনির্ভর। এরা সাধারণত দ্বিভাজন বা বাইনারি ফিশন প্রক্রিয়ায় সংখ্যাবৃদ্ধি করে।
৬। এদের কোষপ্রাচীর প্রধানত পেপটিডোগ্লাইকান। এর সাথে মিউরামিক অ্যাসিড এবং টিকোয়িক অ্যাসিড থাকে।
৭। ফায ভাইরাসের প্রতি এরা সংবেদনশীল।
৮। এরা অজৈব লবণ জারিত করে শক্তি সংগ্রহ করে।
৯। এরা সাধারণত মৌলিক রং ধারণ করতে পারে। যেমন- গ্রাম পজিটিভ বা গ্রাম নেগেটিভ।
১০। এদের কোষে ক্রোমোসোম হিসেবে একটি দ্বিসূত্রক বৃত্তাকার ডিএনএ (DNA) অণু থাকে, এতে ক্রোমোসোমাল হিস্টোন প্রোটিন থাকে না।
১১। কিছু কিছু ব্যাকটেরিয়াতে নিউক্লিয়ার বহির্ভূত DNA থাকে যা সাধারণত প্লাজমিড নামে পরিচিত। 

অ্যদিকে, 
- লিপিড বা চর্বি জাতীয় উপাদান সাধারণত কোষ ঝিল্লিতে বেশি থাকে। যদিও গ্রাম-নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীরের বাইরের স্তরে কিছু পরিমাণ লিপোপলিস্যাকারাইড থাকে, তবে এটি মূল গঠনগত উপাদান নয়। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৯.
৫০ মিটার দীর্ঘ একটি ট্রেন ঘণ্টায় ৩৬ কি.মি. বেগে চলে। রাস্তার পাশের একটি খুঁটিকে ট্রেনটি কত সেকেন্ডে অতিক্রম করবে? 
  1. ৩ সেকেন্ডে
  2. ৪ সেকেন্ডে
  3. ৫ সেকেন্ডে
  4. ৬ সেকেন্ডে
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ৫০ মিটার দীর্ঘ একটি ট্রেন ঘণ্টায় ৩৬ কি.মি বেগে চলে। রাস্তার পাশের একটি খুঁটিকে ট্রেনটি কত সেকেন্ডে অতিক্রম করবে? 

সমাধান: 
আমরা জানি, 
১ কি.মি = ১০০০ মিটার 
∴ ৩৬ কি.মি = (৩৬ × ১০০০) মিটার 
= ৩৬০০০ মিটার 

খুঁটিকে অতিক্রম করতে ট্রেনটিকে নিজের দৈর্ঘ্য অতিক্রম করতে হবে।
এখন, 
ট্রেনটি ৩৬০০০ মিটার অতিক্রম করে = ৩৬০০ সেকেন্ডে 
∴ ট্রেনটি ১ মিটার অতিক্রম করে = ৩৬০০/৩৬০০০ সেকেন্ডে 
∴ ৫০ মিটার অতিক্রম করে = (৩৬০০ × ৫০)/৩৬০০০ সেকেন্ডে 
= ৫ সেকেন্ডে 

∴ খুঁটিকে ট্রেনটি ৫ সেকেন্ডে অতিক্রম করবে।

৬০.
1 + 2 + 4 + ................. ধারাটির 9 টি পদের সমষ্টি কত? 
  1. 510
  2. 511
  3. 512
  4. 513
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 1 + 2 + 4 + ................. ধারাটির 9 টি পদের সমষ্টি কত? 

সমাধান: 
ধারাটির প্রথম পদ, a = 1 
ধারাটির সাধারণ অনুপাত, r = 2/1 = 2 
এখানে, r এর মান 1 থেকে বড়,
তাই,
ধারাটির সমষ্টি, Sn = a.(rn - 1)/(r - 1)
= 1 × (29 - 1)/(2 - 1)
= (512 - 1)/1
= 511
∴ ধারাটির 9 টি পদের সমষ্টি = 511  । 

৬১.
একটি ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল একটি বর্গের ক্ষেত্রফলের সমান। বর্গের এক বাহুর দৈর্ঘ্য ৫০ মিটার। ত্রিভুজটির ভূমি ১০০ মিটার হলে, ত্রিভুজটির উচ্চতা কত? 
  1. ৫০ মিটার
  2. ৪০ মিটার
  3. ৬০ মিটার
  4. ৮০ মিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল একটি বর্গের ক্ষেত্রফলের সমান। বর্গের এক বাহুর দৈর্ঘ্য ৫০ মিটার। ত্রিভুজটির ভূমি ১০০ মিটার হলে, ত্রিভুজটির উচ্চতা কত? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
বর্গের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = ৫০ মিটার  
∴ বর্গের ক্ষেত্রফল = (৫০ × ৫০) বর্গ মিটার 
= ২৫০০ বর্গ মিটার 

যেহেতু, ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল বর্গের ক্ষেত্রফলের সমান
∴ ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = ২৫০০ বর্গ মিটার 
∴ ত্রিভুজটির ভূমি = ১০০ মিটার  

আমরা জানি, 
(১/২) × ভূমি × উচ্চতা = ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল 
বা, (১/২) × ১০০ × উচ্চতা = ২৫০০ 
বা, উচ্চতা = (২৫০০ × ২)/১০০ 
∴ উচ্চতা = ৫০ মিটার

∴ ত্রিভুজটির উচ্চতা = ৫০ মিটার ।

৬২.
নিচের কোনটি তেজস্ক্রিয়তার বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. এটি স্বতঃস্ফুর্ত
  2. এটি অবিরাম
  3. এটি প্রত্যাবর্তী
  4. এটি অপ্রত্যাবর্তী
ব্যাখ্যা

- তেজস্ক্রিয়তা হলো একটি নিউক্লীয় বিক্রিয়া যা তেজস্ক্রিয় মৌলের কেন্দ্রীন বা নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে এবং অবিরাম ঘটে। এটি একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া; অর্থাৎ একবার তেজস্ক্রিয় বিকিরণের ফলে কোনো পরমাণু নতুন কোনো মৌলে রূপান্তরিত হয়ে গেলে তাকে স্বাভাবিক উপায়ে আর পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। সুতরাং, এটি একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া। 

সুতরাং, তেজস্ক্রিয়তার বৈশিষ্ট্য নয় - এটি প্রত্যাবর্তী। 
----------------------

তেজস্ক্রিয়তা: 
- প্রকৃতিতে এমন কতকগুলি পরমাণু পাওয়া যায় যারা স্বতঃস্ফুর্তভাবে উচ্চ ভেদনদক্ষমতা সম্পন্ন গামা রশ্মি, বিটা কণিকা ও আলফা কণিকা বিকিরণ করে। 
যেমন- ইউরেনিয়াম, থোরিয়াম, রেডিয়াম প্রভৃতি এ ধরণের পরমাণু। 
- স্বতঃস্ফুর্তভাবে রশ্মি বিকিরণের প্রক্রিয়াকেই তেজস্ক্রিয়তা বলে। 
- ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে ফরাসী বিজ্ঞানী হেনরী বেকেরেল আকস্মিকভাবে এ রশ্মি আবিষ্কার করেন। 
- তাঁর নাম অনুসারে এই রশ্মির নাম দেয়া হয় 'বেকেরেল রশ্মি'। 
- এই রশ্মি বর্তমানে তেজস্ক্রিয় রশ্মি নামে পরিচিত পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফুর্তভাবে রশ্মি বিকিরণের প্রক্রিয়াকেই তেজস্ক্রিয়তা বলে। 
- তেজস্ক্রিয়তা একটি স্বতঃস্ফুর্ত ও অবিরাম ঘটনা। 

- তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে আলফা কণিকা, বিটা কণিকা ও গামা রশ্মি নির্গত হয়। 
- তাপ, চাপ, তড়িৎক্ষেত্র, চৌম্বকক্ষেত্র অথবা কোনো ভৌত কারণ দ্বারা তেজস্ক্রিয়তা প্রভাবিত হয় না। 
- তেজস্ক্রিয়তার উৎপত্তি স্থল হলো নিউক্লিয়াস। 
- পরমাণুর ভাঙ্গনের ফলেই তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয়। 
- তেজস্ক্রিয়তার ফলে এক প্রকার পরমাণু অন্য এক প্রকার পরমাণুতে পরিণত হয়। 
- তেজস্ক্রিয়তা একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৩.
শফিক সাহেবের মাসিক আয় ও ব্যয়ের অনুপাত ২৫ : ২০ হলে তার মাসিক সঞ্চয় আয়ের শতকরা কত ভাগ? 
  1. ১০%
  2. ১৫%
  3. ২০%
  4. ২৫%
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: শফিক সাহেবের মাসিক আয় ও ব্যয়ের অনুপাত ২৫ : ২০ হলে তার মাসিক সঞ্চয় আয়ের শতকরা কত ভাগ? 

সমাধান: 
ধরি, 
শফিক সাহেবের আয় = ২৫x টাকা
শফিক সাহেবের ব্যয় = ২০x টাকা 
∴ শফিক সাহেবের সঞ্চয় = (২৫x - ২০x) টাকা
= ৫x টাকা 

∴ সঞ্চয় আয়ের শতকরা = {(৫x/২৫x) × ১০০}%
= ২০%

∴ শফিক সাহেবের মাসিক সঞ্চয় আয়ের শতকরা ২০% ।

৬৪.
9x + 2 = 81 হলে, x এর মান কত? 
  1. 0
  2. 2
  3. 1
  4. 3
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 9x + 2 = 81 হলে, x এর মান কত? 

সমাধান: 
9x + 2 = 81
বা, (32)x + 2 = 34
বা, 32x + 4 = 34
বা, 2x + 4 = 4
বা, 2x = 4 - 4
বা, 2x = 0
বা, x = 0/2
∴ x = 0

৬৫.
15 বাহু বিশিষ্ট সুষম বহুভুজের প্রতিটি বহিঃস্থ কোণের মান কত?
  1. 18°
  2. 24°
  3. 21°
  4. 28°
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 15 বাহু বিশিষ্ট সুষম বহুভুজের প্রতিটি বহিঃস্থ কোণের মান কত?

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
সুষম বহুভুজটির বাহুর সংখ্যা = 15

আমরা জানি, 
সুষম বহুভুজের প্রতিটি বহিঃস্থ কোণ = 360°/বাহুর সংখ্যা 
= 360°/15 
= 24° ।

৬৬.
সোনার গহনা তৈরিতে নিচের কোন এসিড ব্যবহার করা হয়? 
  1. হাইড্রোক্লোরিক এসিড 
  2. কার্বোলিক এসিড 
  3. সালফিউরিক এসিড 
  4. নাইট্রিক এসিড 
ব্যাখ্যা

- সোনার গহনা তৈরি ও পরিশোধনের কাজে প্রধানত নাইট্রিক এসিড (Nitric Acid) ব্যবহার করা হয়। স্বর্ণকাররা সোনার খাদ (যেমন- তামা বা রূপা) আলাদা করতে বা সোনা পরিষ্কার করার কাজে এই এসিডটি ব্যবহার করেন। উল্লেখ্য, খাঁটি সোনা এককভাবে কোনো শক্তিশালী এসিডে গলে না, তবে হাইড্রোক্লোরিক এসিড ও নাইট্রিক এসিডের ৩ : ১ অনুপাতের মিশ্রণ 'অ্যাকুয়া রেজিয়া' বা 'রাজকীয় অম্ল' সোনাকে দ্রবীভূত করতে সক্ষম। 

এসিডের ব্যবহার: 
- আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এবং শিল্প কারখানায় এসিডের ব্যবহার অনস্বীকার্য। 
যেমন- 
• সোনার গহনা তৈরির সময় নাইট্রিক এসিড ব্যবহার করা হয়। 
• আইপিএস, গাড়ি, মাইক বাজানোর সময়, সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন ইত্যাদি ক্ষেত্রে সালফিউরিক এসিড ব্যবহৃত হয়।
• বাসাবাড়িতে সাপের উপদ্রব কমানোর জন্য কার্বোলিক এসিড ব্যবহৃত হয়। 
• আমাদের খাদ্যদ্রব্য হজম করার জন্য পাকস্থলীতে যে এসিড অত্যাবশ্যকীয় তা হলো হাইড্রোক্লোরিক এসিড। 
• সার কারখানায় অতি প্রয়োজনীয় একটি উপাদান হলো সালফিউরিক এসিড। 
• এছাড়া ডিটারজেন্ট থেকে শুরু করে নানারকম রং, ঔষধপত্র, কীটনাশকসহ পেইন্ট, কাগজ, বিস্ফোরক ও রেয়ন তৈরিতে প্রচুর সালফিউরিক এসিড ব্যবহৃত হয়। 
• কোনো একটি দেশ কতটা শিল্পোন্নত তা বিচার করা হয় ঐ দেশ কতটুকু সালফিউরিক এসিড ব্যবহার করে তার উপর ভিত্তি করে। 
• ইস্পাত তৈরির কারখানা, ঔষধ, চামড়া শিল্প ইত্যাদি অনেক শিল্পে হাইড্রোক্লোরিক এসিড এসিড ব্যবহৃত হয়। 
• সার কারখানায়, বিস্ফোরক প্রস্তুতি, খনি থেকে মূল্যবান ধাতু যেমন- সোনা আহরণে ও রকেটে জ্বালানির সাথে নাইট্রিক এসিড এসিড ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।

৬৭.
দুইটি সংখ্যার অনুপাত ৫ : ৬ এবং গ.সা.গু ৮ হলে, সংখ্যা দুইটির ল.সা.গু কত?
  1. ২৪০
  2. ২২৪ 
  3. ২০৪
  4. ২৪৮ 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: দুইটি সংখ্যার অনুপাত ৫ : ৬ এবং গ.সা.গু ৮ হলে, সংখ্যা দুইটির ল.সা.গু কত? 

সমাধান: 
আমরা জানি, 
সংখ্যা দুইটির ল.সা.গু = সংখ্যা দুইটির অনুপাতের গুণফল × গ.সা.গু 
= (৫ × ৬) × ৮ 
= ৩০ × ৮ 
= ২৪০ 

∴ নির্ণেয় ল.সা.গু = ২৪০ ।

৬৮.
যদি {(2x + 3)/5} ≥ 3 হয় তবে x এর ক্ষুদ্রতম মান কত হবে? 
  1. 4
  2. 6
  3. 5
  4. 3
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি {(2x + 3)/5} ≥ 3 হয় তবে x এর ক্ষুদ্রতম মান কত হবে? 

সমাধান: 

{(2x + 3)/5} ≥ 3
⇒ (2x + 3)/5 ≥ 3 
⇒ 2x + 3 ≥ 15 
⇒ 2x ≥  12 
∴ x ≥ 6 
∴ x এর ক্ষুদ্রতম মান হবে = 6  ।

৬৯.
একটি চৌবাচ্চার দৈর্ঘ্য ৩ মিটার, প্রস্থ ২ মিটার এবং গভীরতা ৪০ সে.মি । চৌবাচ্চাটির ধারণক্ষমতা কত লিটার? 
  1. ২৪০০০ লিটার
  2. ২৪ লিটার
  3. ২৪০ লিটার
  4. ২৪০০ লিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি চৌবাচ্চার দৈর্ঘ্য ৩ মিটার, প্রস্থ ২ মিটার এবং গভীরতা ৪০ সে.মি । চৌবাচ্চাটির ধারণক্ষমতা কত লিটার? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
চৌবাচ্চার দৈর্ঘ্য = ৩ মিটার = (৩ × ১০০) সে.মি = ৩০০ সে.মি 
চৌবাচ্চার প্রস্থ = ২ মিটার = (২ × ১০০) সে.মি = ২০০ সে.মি 
চৌবাচ্চার গভীরতা = ৪০ সে.মি 

∴ চৌবাচ্চার আয়তন = (৩০০ × ২০০ × ৪০) ঘন সে.মি 
= ২৪০০০০০ ঘন সে.মি 

১০০০ ঘন সে.মি = ১ লিটার 
∴ চৌবাচ্চাটির ধারণক্ষমতা = ২৪০০০০০/১০০০ লিটার 
= ২৪০০ লিটার ।

৭০.
মানুষের মস্তিষ্কের গড় ওজন কত?
  1. ০.৮০ কেজি
  2. ১.০০ কেজি
  3. ১.৩৬ কেজি
  4. ২.৫০ কেজি
ব্যাখ্যা

- মানুষের মস্তিষ্কের ওজন লিঙ্গ এবং বয়স ভেদে ভিন্ন হয়ে থাকে। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের মস্তিষ্কের ওজন সাধারণত শরীরের মোট ওজনের প্রায় ২% হয়। গড়ে একজন পুরুষের মস্তিষ্কের ওজন প্রায় ১,৩৩৬ - ১,৩৪৫ গ্রাম এবং একজন নারীর মস্তিষ্কের ওজন প্রায় ১,১৯৮ - ১,২২২ গ্রাম। এই গড় মান বিবেচনা করলে মানুষের মস্তিষ্কের গড় ওজন ১.৩৬ কেজি (১৩৬০ গ্রাম) ধরা হয়। 

স্নায়ুতন্ত্র: 
- স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ মস্তিষ্ক। 
- স্নায়ুতন্ত্রের গঠন ও কার্যকরী একক কে বলে নিউরন। 
- মস্তিষ্কের নিউরন থাকে ১০ মিলিয়ন। 
- মানুষের মস্তিষ্কের ওজন ১.৩৬ কেজি। 
- মস্তিষ্ককে আবৃতকারী পর্দার নাম মেনিনজেস। 
- মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং রক্ত প্রবাহে বাধা পাওয়াকে বলে স্ট্রোক। 
- স্নায়ুকোষের এক-চতুর্থাংশ বা ২৫% ধ্বংস হয়ে গেলে মস্তিষ্কের ক্ষমতা লোপ পেতে থাকে। 
- স্নায়ুকোষ ধ্বংস হলে মস্তিষ্কের বিভিন্ন প্রকার রোগ যেমন স্মৃতিভ্রংশ, বুদ্ধিবৈকল্য ইত্যাদি হতে পারে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৭১.
'Soft Loan Window' নামে পরিচিত -
  1. IFC
  2. MIGA
  3. IBRD
  4. IDA
ব্যাখ্যা

IDA:
- IDA এর পূর্ণরূপ International Development Association.
- তৃতীয় বিশ্বের অনুন্নত দেশগুলোকে সহজ শর্তে ও স্বল্পসুদে ঋণ প্রদান করে থাকে।
- IDA কে 'Soft Loan Window' বলা হয়।
- যেসব দেশ IBRD থেকে ঋণ পায় না, সেসব দেশকে IDA ঋণ প্রদান করে থাকে।
- IDA বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৬০ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৭৫টি।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে IDA এর সদস্যপদ লাভ করে।

তথ্যসূত্র - IDA অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৭২.
কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার স্থাপিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৫৯ সালে
  2. ১৯৬৩ সালে
  3. ১৯৬৫ সালে
  4. ১৯৬৭ সালে
ব্যাখ্যা

প্রথম শহিদ মিনার:
- ঢাকায় প্রথম শহিদ মিনার নির্মিত হয়, ঢাকা মেডিকেল কলেজের হোস্টেলের সামনে।
- নির্মিত হয়: ২৩ ফ্রেবুয়ারি, ১৯৫২ সালে।
- এর ডিজাইনার ছিলেন- ডা. বদরুল আলম।
- ২৪শে ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ সালে শহিদ শফিউর রহমানের পিতা মৌলভি মাহবুবুর রহমান এ শহিদ মিনার টি উদ্ধোধন করেন।


কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার:
- ৫২-এর ভাষা আন্দোলনে বাংলা ভাষার জন্য আত্মোৎসর্গ কারীদের স্মরণে নির্মিত হয় কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার।
- ঢাকা মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গণে।
- নির্মিত হয়: ১৯৬৩ সালে।
- স্থপতি: হামিদুর রহমান ও সহকর্মী ছিলেন- নভেরা আহমেদ।
- স্তম্ভ রয়েছে- ৫ টি।
- ভাষা শহিদ আবুল বরকতের মা হাসিনা বেগম কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের উদ্বোধন করেন (১৯৬৩ সালে)

তথ্যসূত্র - ঢাকা জেলা অফিস, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

৭৩.
কোন কোম্পানিকে 'বিগ ব্লু' বলা হয়?
  1. আইবিএম
  2. মাইক্রোসফট
  3. ফেসবুক
  4. গুগল
ব্যাখ্যা

আইবিএম (IBM): 
- IBM একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি। 
- IBM এর পুরো নাম International Business Machines Corporation. 
- ১৯১১ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- প্রথমে নাম ছিল Computing-Tabulating-Recording Company (CTR),পরবর্তীতে ১৯২৪ সালে IBM নামকরণ করা হয়। 
- IBM কে Big Blue (বিগ ব্লু) বলা হয়। 
- IBM এর সদর দপ্তর আরমংক, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত। 
- IBM এর নির্বাহী পরিচালকের (CEO) নাম হল অরবিন্দ কৃষ্ণ। 
- IBM এর তৈরিকৃত প্রথম কম্পিউটার- IBM 5150. 
- বিশেষ উল্লেখযোগ্য আবিষ্কার - ATM, Hard Disk, Floppy disc. 
- Hyperledger হলো IBM এর একটি ব্লকচেইন প্ল্যাটফর্ম। 
- হাইপারলেজার হল একটি ওপেন সোর্স সহযোগিতামূলক ক্রস-ইন্ডাস্ট্রি ব্লকচেইন প্রযুক্তি। 

তথ্যসূত্র - IBM Website

৭৪.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার -
  1. ১.১২%
  2. ১.১৭%
  3. ১.২১%
  4. ১.৩২%
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

৭৫.
সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কবে?
  1. ১৯৬৯ সালে
  2. ১৯৭২ সালে
  3. ১৯৭৫ সালে
  4. ১৯৭৯ সালে
ব্যাখ্যা

সিমলা চুক্তি:
- ১৯৭১ সালে ভারত - পাকিস্তানের মধ্যে সংঘটিত যুদ্ধ (বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে) পরবর্তী সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে এবং যুদ্ধবন্দীদের হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ - ২ জুলাই, ১৯৭২ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - সিমলা, হিমাচল প্রদেশ, ভারত।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী পক্ষ - ভারত ও পাকিস্তান।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী - ভারতের পক্ষে - প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী এবং পাকিস্তানের পক্ষে প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টো।
- চুক্তির লক্ষ্য - ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ বিষয়াবলীর শান্তিপূর্ণ সমাধান, বন্ধুত্বপূর্ণ পারস্পারিক সহাবস্তান, যুদ্ধবন্দী বিনিময়, লাইন অব কন্ট্রোলকে বিরোধপূর্ণ কাস্মীরের সীমানা হিসাবে পুনঃনির্ধারণ ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা এবং হিস্টরি.কম।

৭৬.
নিচের কোন জেলায় সাঁওতাল ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে?
  1. কক্সবাজার
  2. বান্দরবান
  3. রাঙ্গামাটি
  4. রংপুর
ব্যাখ্যা

সাঁওতাল:
- সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়।
- প্রধান নিবাস রাঢ়বঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যার অরণ্য অঞ্চলে।
- সাঁওতালরা অস্ট্রিক ভাষাভাষী আদি-অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রালয়েড) জনগোষ্ঠীর বংশধর।
- সাঁওতালরা ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম আদি বাসিন্দা, এরা কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থা এবং কৃষিসংস্কৃতির জনক ও ধারক হিসেবে স্বীকৃত।
- সাঁওতালদের প্রধান উপাস্য যদিও সূর্য, পর্বত দেবতা (মারাং বুরু) তাদের জন্য যথেষ্ট মর্যাদাব্যঞ্জক হয়ে গ্রামদেবতায় পরিণত হয়েছে।
- তাদের বছর শুরু হয় ফাল্গুন মাসে। প্রায় প্রতিমাসে বা ঋতুতে রয়েছে পরব বা উৎসব।
- সোহরাই উৎসব সাঁওতালদের একপ্রকার জাতীয় উৎসব।
- যা পৌষ সংক্রান্তির দিন অত্যন্ত জাঁকজমকের সঙ্গে উদ্যাপিত হয়।
- সাঁওতাল সমাজে পুরুষের আধিপত্য অপেক্ষাকৃত বেশি।
- সাঁওতালদের ভাষা আছে কিন্তু লেখ্য বর্ণমালা নেই, তেমনি তাদের ধর্ম আছে কিন্তু কোন আনুশাসনিক ধর্মগ্রন্থ নেই।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

৭৭.
FBI কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. ইসরায়েল
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ইরান
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা

Federal Bureau of Investigation:
- FBI এর পূর্ণরূপ Federal Bureau of Investigation.
- FBI মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২৬ জুলাই, ১৯০৮ সাল।
- সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন পেনসিলভানিয়া এভিনিউ, যুক্তরাষ্ট্র।
- বর্তমান পরিচালক: ক্যাশ প্যাটেল।
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইন মন্ত্রণালয়ের অধীন।
- FBI মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে সংঘটিত অপরাধের অনুসন্ধান এবং দেশি-বিদেশি যেকোন নিরাপত্তা হুমকি মোকাবেলা ও সুরক্ষা প্রদানে নিয়োজিত।

তথ্যসূত্র - FBI অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৭৮.
পুঠিয়া রাজবাড়ি কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. কুষ্টিয়া
  2. রংপুর
  3. দিনাজপুর
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা

পুঠিয়া রাজবাড়ি:
- পুঠিয়া রাজবাড়ি রাজশাহী জেলার পুঠিয়া উপজেলায় অবস্থিত।
- ১৮৯৫ সালে মহারানী হেমন্তকুমারী দেবী আকর্ষনীয় ইন্দো ইউরোপীয় স্থাপত্যরীতিতে আয়তাকার দ্বিতল বর্তমান রাজবাড়িটি নির্মাণ করেন।
- দোতলা রাজবাড়ি ভবনের সম্মুখে উত্তর দিকে খোলা প্রাঙ্গণের অপর পার্শ্বে রয়েছে সম্মুখভাগ ৬০.৯৬ মিটার বিস্তৃত বিশাল পিরামিড আকৃতির চারতলা মনোরম দোলমঞ্চ। ভবনের পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তে রয়েছে একই ধরনের দুটি সম্প্রসারিত অংশ এবং প্রায় ১৫.২৪ মিটার দীর্ঘ মধ্যবর্তী অংশে রয়েছে এক বিশাল তোরণ।
- চারদিকে পরিখাবেষ্টিত রাজবাড়ির এ বিশাল এলাকায় টেরাকোটা অলঙ্করণ সমৃদ্ধ বেশ কয়েকটি সুদৃশ্য মন্দির আছে।
- এদের মধ্যে রয়েছে পঞ্চরত্ন গোবিন্দ মন্দির, প্রাসাদের পেছনে একটি ছোট দোচালা সুদৃশ্য মন্দির, পশ্চিম দিকে কুঁড়েঘর আকৃতির জগদ্ধাত্রী মন্দির এবং রাজবাড়ির প্রবেশপথে বিরাট শিবমন্দির।

পুঠিয়া রাজবংশ:
- পুঠিয়া রাজবংশ মুঘল সম্রাট আকবর এর সময় (১৫৫৬-১৬০৫) প্রতিষ্ঠিত হয়। সে সময় পুঠিয়া লস্করপুর পরগনার অর্ন্তগত ছিল। ১৫৭৬ সালে মুঘল সম্রাট আকবর এর সুবেদার মানসিংহ বাংলা দখল করার সময় পুঠিয়া এলাকার আফগান জায়গীরদার লস্কর খানের সাথে যুদ্ধ হয়। এ যুদ্ধে পুঠিয়া রাজবংশের প্রথম পুরুষ বৎসাচার্য যিনি পুঠিয়ায় একটি আশ্রম পরিচালনা করতেন, তিনি মানসিংহকে বুদ্ধি পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করায় লস্কর খান পরাজিত হন। এ জন্য মানসিংহ বৎসাচার্যকে পুঠিয়া এলাকার জমিদারী দান করেন। বৎসাচার্য জমিদারী নিজ নামে না নিয়ে তার পুত্র পীতম্বর এর নামে বন্দোবস্ত নেন। পীতম্বর জমিদারীর আয়তন বৃদ্ধি করেন।পীতম্বর নিঃসন্তান অবস্থায় মৃত্যু বরণকরলে তার সহোদর নীলাম্বর জমিদারী প্রাপ্ত হন। সম্রাট জাহাঙ্গীর তাকে রাজা উপাধি দান করেন।

তথ্যসূত্র - পুঠিয়া উপজেলা ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

৭৯.
নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. AVG
  2. Informix
  3. AVAST
  4. Norton
ব্যাখ্যা

এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার: 
- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে। 
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন। 
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়। 
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়। 
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো: 
- AVG, AVAST, Norton, Panda, Avira, McAfee, Cobra, Kaspersky ইত্যাদি।

উল্লেখ্য:
- Sybase, Informix এবং MySQL হচ্ছে ডেটাবেজ সফটওয়্যার।

তথ্যসূত্র - মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, ভোকেশনাল।

৮০.
বাংলাদেশে 'কাবিখা' কর্মসূচি চালু হয় কত সালে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা

কাবিখা:
- 'কাবিখা' বা 'কাজের বিনিময়ে খাদ্য' দারিদ্র বিমোচন কর্মসূচীর অন্তর্ভুক্ত।
- ১৯৭৪ সালে দেশব্যাপী চরম খাদ্যাভাব দেখা দিলে বিশেষ করে খাদ্যশস্যের উচ্চমূল্য এবং গ্রামীণ এলাকায় বেকারত্বের কারণে বৃহত্তর রংপুর জেলার মানুষ অনাহারের সম্মুখীন হলে সরকার 'ফুড ফর ওয়ার্ক' বা কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু করে।

⇒ কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি (কাবিখা) কর্মসূচীর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য:
- প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ গ্রামীন অবকাঠামো নির্মাণ/পুননির্মাণ।
- স্বাভাবিক অবস্থায় গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য এই কর্মসূচীর আওতায় বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন।
- গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি।
- গ্রামীণ দরিদ্র জনগনের আয় বৃদ্ধি।
- দেশের সর্বত্র খাদ্য সরবরাহের ভারসাম্য আণয়ন এবং
- দারিদ্র বিমোচনে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি।

তথ্যসূত্র - সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ওয়েবসাইট ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৮১.
'অ্যাডামস পিক' কোন দেশে অবস্থিত?
  1. জর্ডান
  2. নেপাল
  3. শ্রীলঙ্কা
  4. সিরিয়া
ব্যাখ্যা

অ্যাডামস পিক:
- অ্যাডামস পিক শ্রীলঙ্কার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত।
- এর উচ্চতা ৭,৫৫৯ ফুট (২,৩০৪ মিটার)।
- এটি রত্নাপুরা শহর থেকে প্রায় ১৮ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত।
- এর শীর্ষে অবস্থিত শ্রী পাদা নামক পদচিহ্ন, যা বহু ধর্মাবলম্বীর কাছে পবিত্র।
- বৌদ্ধরা এটিকে বুদ্ধের, হিন্দুরা শিবের, মুসলমানরা আদমের এবং খ্রিস্টানরা সেন্ট থমাসের পদচিহ্ন মনে করেন।
- প্রতি বছর হাজারো তীর্থযাত্রী বিভিন্ন ধর্ম থেকে এসে এ শিখরে আরোহণ করেন।
- এর চারপাশে ঘন বৃষ্টি অরণ্য রয়েছে, যা ১৯৪০ সালে পিক উইল্ডারনেস স্যাংচুয়ারি হিসেবে সংরক্ষিত হয়।
- এই পর্বত থেকে কেলানি, কালু ও ওয়ালাভে—শ্রীলঙ্কার তিনটি প্রধান নদীর উৎস।
- পর্বতটি মূলত গ্নেইস পাথরে গঠিত এবং এতে রুবি, স্যাফায়ারসহ মূল্যবান রত্ন পাওয়া যায়।
- প্রাচীন রাজারা তীর্থযাত্রীদের সুবিধার্থে রাস্তা, বিশ্রামাগার ও লোহার শিকল নির্মাণ করেছিলেন।
- মার্কো পোলো, ইবনে বতুতা, মা হুয়ানসহ বহু ভ্রমণকারীর ভ্রমণবৃত্তান্তে অ্যাডামস পিকের উল্লেখ আছে।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।

৮২.
বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর কে? (মার্চ, ২০২৬)
  1. আব্দুর রউফ তালুকদার
  2. ড. আহসান এইচ মনসুর
  3. মোস্তাকুর রহমান
  4. ফজলে কবির
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ব্যাংক:
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক স্থাপিত হয়।
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধানের পদবী গভর্নর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্ণর ছিলেন- এ. এন. হামিদুল্লাহ।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর মোস্তাকুর রহমান।
- তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের ১৪তম গভর্নর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদের মেয়াদ ৪ বছর।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৮৩.
বর্তমানে শেনজেন ভুক্ত দেশের সংখ্যা কয়টি? (মার্চ, ২০২৬)
  1. ২৭টি
  2. ২৮টি
  3. ২৯টি
  4. ৩০টি
ব্যাখ্যা

শেনজেন অঞ্চল:
- শেনজেন একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে ব্যক্তিদের অবাধ চলাচলের অনুমতি প্রদান করে।
- শেনজেন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৮৫ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: লুক্সেমবার্গের শেনজেন শহরে।
- ১৯৯৫ সালের ২৬ মার্চ চুক্তিটি কার্যকর হলে ভিসামুক্ত ইউরোপের যাত্রা শুরু হয়।
- শেনজেন ভুক্ত দেশ: ২৯টি।
- ১ জানুয়ারী ২০২৫ এ সম্পূর্ণরূপে যোগদানকারী সর্বশেষ দেশ রোমানিয়া ও বুলগেরিয়া। (জানুয়ারি, ২০২৬)

উল্লেখ্য:
- লিচেনস্টাইন, আইসল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড এবং নরওয়ে এই দেশ চারটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন এর অন্তর্ভুক্ত না হয়েও শেনজেনভুক্ত দেশের তালিকায় রয়েছে।

তথ্যসূত্র - European Union ওয়েবসাইট।

৮৪.
মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় 'বাতেন বাহিনী' কোন অঞ্চলে যুদ্ধ করেন?
  1. টাঙ্গাইল
  2. কুমিল্লা
  3. সিলেট
  4. নোয়াখালী
ব্যাখ্যা

আঞ্চলিক বাহিনী:
- সেক্টর এলাকার বাইরে আঞ্চলিক পর্যায়ে যেসব বাহিনী গড়ে উঠে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে,
- কাদেরিয়া বাহিনী (টাঙ্গাইল)।
- আফসার ব্যাটালিয়ন (ভালুকা, ময়মনসিংহ)।
- বাতেন বাহিনী (টাঙ্গাইল)।
- হেমায়েত বাহিনী (গোপালগঞ্জ, বরিশাল)।
- হালিম বাহিনী (মানিকগঞ্জ)।
- আকবর বাহিনী (মাগুরা)।
- লতিফ মীর্জা বাহিনী (সিরাজগঞ্জ, পাবনা)।
- জিয়া বাহিনী (সুন্দরবন)।
- এছাড়া ছিল ঢাকার গেরিলা দল, যা 'ক্র্যাক প্লাটুন' নামে পরিচিত।
- ঢাকা শহরের বড় বড় স্থাপনা, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, ব্যাংক ও টেলিভিশন ভবনে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় ঢাকার গেরিলারা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।

৮৫.
'ATM' এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Automated Teller machine
  2. Automatic Teller Machine 
  3. Autonomous Teller Machine
  4. Automatic Teller Machinability
ব্যাখ্যা

কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পূর্ণরূপ:
• HTML - Hyper Text Markup Language.
• ATM - Automated Teller Machine.
• WAN - Wide Area Network.
• MIMD - Multiple Instruction Multiple Data.
• DBMS - Database Management System.
• CPU - Central Processing Unit.
• RAM - Random Access Memory.
• ROM - Read Only Memory.
• OMR - Optical Mark Recognition.

তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান এবং ব্রিটানিকা।

৮৬.
'তারা মসজিদ' নির্মাণ করেন কে?
  1. ঈসা খান
  2. আলী জান ব্যাপারী
  3. মির্জা গোলাম পীর 
  4. নবাব সলিমুল্লাহ
ব্যাখ্যা

তারা মসজিদ:
- তারা মসজিদ পুরানো ঢাকার আরমানিটোলায় আবুল খয়রাত সড়কে অবস্থিত।
- সাদা মার্বেলের গম্বুজের ওপর নীলরঙা তারায় খচিত এ মসজিদ নির্মিত হয় আঠারো শতকের প্রথম দিকে।
- মির্জা গোলাম পীর (মির্জা আহমদ জান) ঢাকার বিখ্যাত ‘তারা মসজিদ’ তৈরি করেন।
- ১৯২৬ সালে, ঢাকার তৎকালীন স্থানীয় ব্যবসায়ী, আলী জান বেপারী মসজিদটির সংস্কার করেন। সে সময় জাপানের রঙিন চিনি-টিকরি পদার্থ ব্যবহৃত হয় মসজিদটির মোজাইক কারুকাজে।
- মসজিদের বতর্মান দৈর্ঘ্য ৭০ ফুট (২১.৩৪ মিটার), প্রস্থ ২৬ ফুট (৭.৯৮ মিটার)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন।

৮৭.
মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সীমানা কোনটি?
  1. সনেরা লাইন
  2. পার্পল লাইন
  3. ওডার-নেইস লাইন
  4. ব্লু লাইন
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন দেশের সীমানা:
⇒ পার্পল লাইন: ইসরাইল ও সিরিয়ার মধ্যে সীমানা।
⇒ সনেরা লাইন: মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সীমানা।
⇒ ওডার-নেইস লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যকার সীমানা।
⇒ ব্লু লাইন: লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যকার সীমানা।
⇒ লাইন অব ডিমারকেশন: পর্তুগাল ও স্পেনের মধ্যে সীমানা।
⇒ ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমানা।
⇒ রেডক্লিফ লাইন: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমারেখা।
⇒ লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল / ম্যাকমোহন লাইন: চীন ও ভারতের মধ্যে সীমানা।
⇒ লাইন অব কন্ট্রোল: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৮৮.
বাংলাদেশের সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য ছিলেন কে?
  1. বেগম রাজিয়া বানু
  2. নীলিমা হক
  3. রাবেয়া খাতুন
  4. জাহানারা ইমাম
ব্যাখ্যা

সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য:
- ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়।
- এই কমিটির মোট সদস্য ছিল ৩৪ জন।
- আওয়ামী লীগ ছাড়া একমাত্র সদস্য ছিলেন ন্যাপের সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।
- এই কমিটির প্রধান বা সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
- সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

৮৯.
জিব্রাল্টার প্রণালী কোন কোন মহাদেশকে পৃথক করেছে?
  1. দক্ষিণ আমেরিকা ও ইউরোপ
  2. উত্তর আমেরিকা ও দক্ষিণ আমেরিকা
  3. ইউরোপ থেকে আফ্রিকা
  4. এশিয়া ও ইউরোপ
ব্যাখ্যা

জিব্রাল্টার প্রণালী:
- জিব্রাল্টার প্রণালী ইউরোপ থেকে আফ্রিকাকে পৃথক করেছে।
- ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযোজনকারী একমাত্র প্রাকৃতিক পথ।
- জিব্রাল্টার প্রণালী পূর্বে ভূমধ্যসাগরকে পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে সংযোগকারী সমুদ্র প্রণালী।
- এটি উত্তর আফ্রিকাকে দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপের আইবেরীয় উপদ্বীপ থেকে পৃথক করেছে।
- প্রণালীটি মরক্কো ও স্পেনকে পৃথক করে।
- যার গড় গভীরতা ১,২০০ ফুট (৩৬৫ মিটার)।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৯০.
ট্রান্সমিশন লাইন দিয়ে তথ্য যাওয়ার সময় হাতিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয়-
  1. স্নিকিং
  2. স্নিফিং
  3. ফিশিং
  4. স্প্যামিং
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ:
• স্নিফিং (Sniffing):
- ট্রান্সমিশন লাইন দিয়ে তথ্য যাওয়ার সময় হাতিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় স্নিফিং।

• ফিশিং (Phishing):
- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।

• স্প্যামিং (Spamming):
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।

• স্নিকিং (Sneaking):
- গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।

তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।