পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি ডেইলি কুইজ

পরীক্ষাপ্রাইমারি ডেইলি কুইজতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১২
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১০১: বিষয়: সাধারণ জ্ঞান ( আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি) টপিক: আন্তর্জাতিক মুদ্রা সংক্রান্ত ইস্যু, আন্তর্জাতিক রাজনীতি, বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব, খেলাধুলা, বিশ্ব বাণিজ্য ও অর্থনীতি, আনুষঙ্গিক সাম্প্রতিক বিষয়াবলি ইত্যাদি। উৎস: জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিখ্যাত পত্রিকা রিপোর্ট ও Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি ডেইলি কুইজ

প্রাইমারি ডেইলি কুইজ · তারিখ অনির্ধারিত · ১২ প্রশ্ন

.
বিশ্ব বিনিয়োগ প্রতিবেদন ২০২৫ অনুযায়ী, বিনিয়োগে শীর্ষ দেশ কোনটি? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. চীন
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. জাপান
  4. লুক্সেমবার্গ
ব্যাখ্যা

বিশ্ব বিনিয়োগ প্রতিবেদন - ২০২৫:
প্রতিবেদনের শিরোনাম: World Investment Report 2025.
প্রকাশকাল: জুন, ২০২৫।
প্রকাশক: UN Trade and Development (UNCTAD).

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিনিয়োগে শীর্ষ ৫ দেশ-
১. যুক্তরাষ্ট্র: ২,৬৬, ৩৬৭ মিলিয়ন ডলার;
২. জাপান: ২,০৪,৩৮০ মিলিয়ন ডলার;
৩. চীন: ১,৬২,৭৮০ মিলিয়ন ডলার;
৪. লুক্সেমবার্গ: ১,০৮,৫৯৮ মিলিয়ন ডলার;
৫. হংকং: ৮৭,২৪৭ মিলিয়ন ডলার।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]

.
নেপোলিয়ন কোন যুদ্ধে চূড়ান্তভাবে পরাজিত হন?
  1. ট্রাফালগার যুদ্ধ
  2. ভিয়েতনাম যুদ্ধ
  3. ওয়াটার-লু যুদ্ধ
  4. ফকল্যান্ড যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
নেপোলিয়ন বোনাপার্ট:
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ছিলেন ফরাসি সম্রাট ও সেনানায়ক।
- তাঁর নেতৃত্বে ইউরোপের সুবিশাল ভূখণ্ডে ফরাসি সাম্রাজ্যের সীমানা ছড়িয়েছিল।
- ইউরোপ জয়ের পর ১৮০৪ সালে নেপোলিয়ন নিজেকে ফ্রান্সের সম্রাট হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন।
- তাঁর অধীনে ফ্রান্স ছিল খুবই শক্তিশালী।
- ১৮১২ সালে তিনি রাশিয়া আক্রমণ করেন এবং খুব বাজেভাবে পরাজিত হন। 
- পরের বছর অস্ট্রিয়া, প্রুশিয়া, রাশিয়া, ব্রিটেন, পর্তুগাল, সুইডেন, স্পেন ও জার্মান রাজ্যগুলো মিলে একসঙ্গে ফ্রান্স আক্রমণ করে। এতে ফ্রান্স পরাজিত হয়।
- পরে ইতালির এলবা দ্বীপে নেপোলিয়নকে নির্বাসনে দেওয়া হয়।
- ১০ মাস পর পালিয়ে গিয়ে আবার ক্ষমতা দখল করেন; কিন্তু ১৮১৫ সালের ওয়াটারলু যুদ্ধে তিনি পরাজিত হন এবং তাঁকে দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়।
- ১৮২১ সালে ওখানেই মৃত্যু হয় নেপোলিয়নের।

সূত্র: Britannica.
.
সম্প্রতি, কোন দেশের মধ্যস্থতায় আর্মেনিয়া-আজারবাইজানের মধ্যে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. রাশিয়া
  2. ফ্রান্স
  3. চীন
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
আর্মেনিয়া-আজারবাইজান শান্তিচুক্তি:
- ৮ আগস্ট, ২০২৫ যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হোয়াইট হাউসে ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে দক্ষিণ ককেশাস অঞ্চলের রাষ্ট্র আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে। 
- অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ এবং আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশনিয়ান।
- এর মধ্য দিয়ে কয়েক দশকের সংঘাতের অবসান এবং দীর্ঘস্থায়ী মিত্রতা তৈরি হবে বলে প্রত্যাশা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের।
- শান্তিচুক্তির পাশাপাশি উভয় দেশের সাথে করিডোর ও বাণিজ্য ইস্যুতে পৃথক চুক্তি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের।
 
উল্লেখ্য,
- বিতর্কিত নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চলে নিয়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান কয়েক দশক ধরে বিবাদে লিপ্ত।
- অঞ্চলটি আজারবাইজানের ভূখণ্ডের ভেতরে অবস্থিত হলেও ১৯৯৪ সালের এক যুদ্ধের পর থেকে আর্মেনিয়ার সমর্থনে জাতিগত আর্মেনীয় বাহিনী ওই অঞ্চলটি নিয়ন্ত্রণ করে আসছে।
- আর্মেনিয়া নাগোর্নো কারাবাখের দখল নেয়ার পর কয়েক দফায় রক্তক্ষয়ী সংঘাত হয় দুই দেশের মধ্যে।
- ২০২৩ সালে পুনরায় অঞ্চলটির নিয়ন্ত্রণ নেয় আজারবাইজান।

তথ্যসূত্র- নিউজ প্রতিবেদন।
.
ফিফা বিশ্বকাপ- ২০২৬ কয়টি দেশে অনুষ্ঠিত হবে? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
ফিফা বিশ্বকাপ, ২০২৬:
ফিফা বিশ্বকাপ - ২৩তম আসর।
আয়োজক দেশ- মোট ৩টি [কানাডা, মেক্সিকো, যুক্তরাষ্ট্র]।
অংশগ্রহণকারী দল- ৪৮টি দেশ।
উদ্বোধনী ম্যাচ- ১১ জুন, ২০২৬। 
ফাইনাল ম্যাচ- ১৯ জুলাই, ২০২৬।

বিশেষ তথ্য:
FIFA এর পূর্ণরূপ Federation of International Football Association.
প্রতিষ্ঠা: ২১ মে, ১৯০৪ সাল।
বাংলাদেশ সদস্য হয়: ১৯৭৬সাল।
প্রথম বিশ্বকাপ আয়োজন: ১৯৩০ সাল [আয়োজক: উরুগুয়ে]।

তথ্যসূত্র: ফিফা ওয়েবসাইট। [Link]
.
নিচের কোন মুদ্রাটি SDR-এর মান নির্ধারণে বিবেচিত হয় না?
  1. ব্রিটিশ পাউন্ড
  2. জাপানিজ ইয়েন
  3. সুইস ফ্রাঙ্ক
  4. মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
উত্তর: গ) সুইস ফ্রাঙ্ক।

Special Drawing Rights (SDR):

- The International Monetary Fund (IMF) ১৯৬৯ সালে Special Drawing Rights (SDR) সিস্টেম প্রবর্তন করে।
- SDR হলো একটি আন্তর্জাতিক রিজার্ভ সম্পদ, যা IMF তার সদস্য দেশগুলোর সরকারি রিজার্ভ সম্পদকে সম্পূরক হিসেবে প্রবর্তন করেছে।
- SDR কোনো মুদ্রা নয়। এটি IMF সদস্য দেশগুলোর স্বাধীনভাবে ব্যবহারযোগ্য মুদ্রার উপর একটি সম্ভাব্য দাবিকে প্রকাশ করে।
​- এর মাধ্যমে একটি দেশ সহজে তরল সম্পদ (Liquidity) পেতে পারে।
- SDR কে IMF এর ভার্চুয়াল মুদ্রাও বলা হয়।
- এটির মান IMF স্বীকৃত পাঁচটি আন্তর্জাতিক মুদ্রার গড় বিনিময় হারের মাধ্যমে নির্ধারিত হয়।

​মুদ্রা গুলো নিম্নরুপ:
- মার্কিন ডলার (মার্কিন মুদ্রা)।
- ইউরো (Euro),
- ইউয়ান/রেনমিনবি(Yuan) (চাইনিজ মুদ্রা)।
- ইয়েন (Yen) (জাপানিজ মুদ্রা )। 
- পাউন্ড (Pound) ( ব্রিটিশ মুদ্রা)।

উৎস: IMF ওয়েবসাইট।
.
এশিয়া কাপ- ২০২৫ কোন দেশে অনুষ্ঠিত হবে? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ভারত
  2. ওমান
  3. পাকিস্তান
  4. সংযুক্ত আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা

এশিয়া কাপ- ২০২৫:
- আগামী ৯ সেপ্টেম্বর থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ পর্যন্ত এশিয়া কাপ- ২০২৫ অনুষ্ঠিত হবে।
- টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে প্রতিযোগিতার সবকটি ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে সংযুক্ত আরব আমিরাতে।
- এবারের আসরে ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান, হংকং, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমান মোট আটটি দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।
- আটটি দলকে দুই গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে।
- 'এ' গ্রুপে আছে ভারত, পাকিস্তান সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমান এবং 'বি' গ্রুপে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান ও হংকং।
- প্রত্যেক দল গ্রুপ পর্বে ৩টি করে ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

.
নেলসন ম্যান্ডেলা কোন আন্দোলনে নেতৃত্ব দানের জন্য অবিস্মরণীয়?
  1. স্বাধীনতা আন্দোলন
  2. গণতন্ত্র আন্দোলন
  3. বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলন
  4. অর্থনৈতিক সংস্কার আন্দোলন
ব্যাখ্যা
নেলসন ম্যান্ডেলা:
- নেলসন ম্যান্ডেলা ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী অবিসংবাদিত নেতা এবং প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপতি (১৯৯৪-৯৯)।
- তিনি ১৯৪৪ সালে আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসে (এএনসি) যোগদান করেন।
- ১৯৯৪ সালের ২৭ এপ্রিলের সাধারণ নির্বাচনে এএনসি দুর্দান্তভাবে বিজয়ী হয়।
- ১৯৯৪ সালের ১০ মে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন ম্যান্ডেলা।

উল্লেখ্য,
- ১৯১৮ সালের ১৮ জুলাই দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউনের কুনু গ্রামে নেলসন ম্যান্ডেলার জন্ম।
- দেশবাসী তাঁকে ভালোবেসে ‘মাদিবা’ নামে ডাকে। এর অর্থ ‘জাতির জনক’।
- দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন লড়াই ও সংগ্রাম করেছেন তিনি।
- নাশকতার অভিযোগে মামলায় ১৯৬৪ সালের ১ জুন ম্যান্ডেলাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
- নিপীড়িত মানুষের পক্ষ নেওয়ায় রোবেন দ্বীপে কারাগারে থেকেছেন টানা ২৭ বছর।
- অবশেষে ১৯৯০ সালের ২ ফেব্রুয়ারি প্রেসিডেন্ট এফ ডব্লিউ ডি ক্লার্ক দক্ষিণ আফ্রিকার পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে বর্ণবাদী শাসন অবসানের কথা ঘোষণা করেন।
- এরপর ১১ ফেব্রুয়ারি নিঃশর্ত মুক্তি দেওয়া হয় ম্যান্ডেলাকে।
- ১৯৯৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান এবং ১৯৯৪ সালে প্রকাশিত হয় ম্যান্ডেলার আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ‘লং ওয়াক টু ফ্রিডম’।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা, পত্রিকা রিপোর্ট।
.
গ্লাসনস্ত নীতির প্রবর্তক কে?
  1. মিখাইল গর্বাচেভ
  2. দিমিত্রি মেদভেদেভ
  3. ভ্লাদিমির পুতিন
  4. জর্জ ডব্লিউ বুশ
ব্যাখ্যা

গ্লাসনস্ত নীতি:
- গ্লাসনস্ত, রাজনৈতিক ও সামাজিক বিষয়গুলির উন্মুক্ত আলোচনার খোলাখুলি নীতি যেখানে সোভিয়েতের জনগণ নির্ভয়ে তাদের মতামত প্রকাশ করতে পারবে।
- এটি সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট  মিখাইল গর্বাচেভ  ১৯৮০-এর দশকের শেষের দিকে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
- এর মাধ্যমে সোভিয়েত ইউনিয়নের রাজনৈতিক কাঠামোতে মৌলিক পরিবর্তন আসে।
-  সোভিয়ত সরকার, সরকারি কর্মকর্তাদের সমালোচনার অনুমতি দেয় ।
-  সংবাদ ও তথ্যের অবাধ প্রচারের অনুমতি দেওয়া হয়।

উৎস: Britannica

.
ফিফা কবে ও কোথায় প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯০২ সালে, লন্ডন
  2. ১৯০৪ সালে, প্যারিস
  3. ১৯০৬ সালে, জুরিখ
  4. ১৯১০ সালে, রোম
ব্যাখ্যা

 FIFA:
ফিফা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯০৪ সালে ২১ মে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে।
- FIFA এর পূর্ণরূপ: Fedearation of International Football Association.
- সদর দপ্তর: জুরিখ, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: জিয়ান্নি ইনফান্তিনো।
- ফিফা সভাপতির মেয়াদ: ৪ বছর।
- ফিফার প্রতিষ্ঠাতা দেশ: ৭টি, বেলজিয়াম, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ড, স্পেন, সুইডেন, ও সুইজারল্যান্ড।
- ফিফার বর্তমান সদস্য: ২১১টি
- সর্বশেষ সদস্য: জিব্রাল্টার।

 উল্লেখ্য,
- বিশ্বকাপ ফুটবল শুরু হয়⇒ ১৯৩০ সাল।
- ২২ তম ফুটবল বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয় কাতার।
- ২৩ তম ফুটবল বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো, কানাডা।

উৎস: FIFA ওয়েবসাইট।

১০.
মুসলিম বিশ্বের প্রথম নির্বাচিত নারী প্রধানমন্ত্রী কে?
  1. বেনজির ভুট্টো
  2. ফাহমিদা মির্জা
  3. মেঘবর্তী সুকর্নপুত্রী
  4. শ্রীমাভো বন্দরনায়েকে
ব্যাখ্যা

বেনজির ভুট্টো (১৯৫৩–২০০৭):
- মুসলিম বিশ্বের প্রথম নির্বাচিত নারী প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টো।
- তিনি পাকিস্তানের পুরুষশাসিত রাজনীতিতে নিজেকে সফল নারী নেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।  
- তাঁর বাবা জুলফিকার আলী ভুট্টো ১৯৭১ সাল থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- ১৯৭৯ সালে বেনজির ভুট্টো মাত্র ২৬ বছর বয়সে পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- ১৯৮৮ সালে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে বেনজির ভুট্টোর নেতৃত্বাধীন পিপিপি জয়ী হলে তিনি মাত্র ৩৫ বছর বয়সে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।
- কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার মাত্র ২০ মাস পর সংবিধান লঙ্ঘন ও দুর্নীতির অভিযোগে রাষ্ট্রপতি তাঁকে বরখাস্ত করেন।
- ১৯৯৩ সালের নির্বাচনে বেনজির জয়লাভ করেন এবং দ্বিতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।
- ক্রমবর্ধমান সমস্যার মধ্যে জনসাধারণের আস্থা হারালে ১৯৯৬ সালে তাঁকে পুনরায় বরখাস্ত করা হয়।
- ২০০৭ সালের ২৭ ডিসেম্বর এক আত্মঘাতী বোমা হামলায় বেনজির ভুট্টো নিহত হন।

অন্যদিকে,
খ) ফাহমিদা মির্জা পাকিস্তানের নারী রাজনীতিবিদ, যিনি পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের প্রথম নারী স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
গ) মেঘবতী সুকর্নপুত্রী- ইন্দোনেশিয়ার প্রথম নারী রাষ্ট্রপতি হিসেবে ২০০১ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
ঘ) শ্রীমাভো বন্দরনায়েকে- শ্রীমাভো বন্দরনায়েকে বিশ্বের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইতিহাসে স্থান পেয়েছেন।

তথ্যসূত্র - পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

১১.
অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচক- ২০২৫ এ শীর্ষ দেশ কোনটি? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. আইসল্যান্ড
  2. সিঙ্গাপুর
  3. সুইজারল্যান্ড
  4. নরওয়ে
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচক- ২০২৫:
সূচকের শিরোনাম: Index of Economic Freedom 2025.
প্রকাশ: ফেব্রুয়ারি ২০২৫।
প্রকাশক: The Heritage Foundation, যুক্তরাষ্ট্র।
অন্তর্ভুক্ত দেশ: ১৭৬।

সূচক অনুযায়ী-
শীর্ষ দেশ- সিঙ্গাপুর;
সর্বনিম্ন দেশ- উত্তর কোরিয়া;
বাংলাদেশের অবস্থান- ১২২তম।

তথ্যসূত্র- Index of Economic Freedom 2025. [Link]
১২.
অটো ভন বিসমার্ক কোন সাম্রাজ্যের প্রথম চ্যান্সেলর ছিলেন?
  1. ব্রিটিশ সাম্রাজ্য
  2. জার্মান সাম্রাজ্য
  3. অটোমান সাম্রাজ্য
  4. জাপান সাম্রাজ্য
ব্যাখ্যা
অটো ভন বিসমার্ক:
- অটো ভন বিসমার্ক ছিলেন জার্মান সাম্রাজ্যের প্রথম চ্যান্সেলর (১৮৭১–৯০ সাল)।
- তাকে আধুনিক জার্মানির জনকও বলা হয়।
- তিনি ছিলেন প্রুশিয়ান সেনাবাহিনীর একজন সামরিক কর্মকর্তা এবং ভূস্বামী।
- তিনি ১৮৬২-১৮৭১ পর্যন্ত প্রুশিয়ার প্রধান মন্ত্রী ছিলেন, পরে ১৮৭১-১৮৯০ সাল পর্যন্ত জার্মানির চ্যান্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- বিসমার্কের কূটনীতির অন্যতম প্রধান কৌশল ছিল "রক্ত ও লোহা" (Blood and Iron) নীতি, যার মাধ্যমে তিনি যুদ্ধের মাধ্যমে জার্মানির একীভূতকরণকে এগিয়ে নেন।
- তার নেতৃত্বে প্রুশিয়া ১৮৭০-৭১ সালে ফ্রেঞ্চ-প্রুশিয়ান যুদ্ধ জয়লাভ করে এবং এর ফলে ১৮৭১ সালে জার্মান সাম্রাজ্যের সৃষ্টি হয়। 
- সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার পর বিসমার্ক শান্তিপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করেন।
- তার কূটনৈতিক দক্ষতার মাধ্যমে তিনি প্রায় দুই দশক ধরে ইউরোপে শান্তি বজায় রাখতে সক্ষম হন।

তথ্যসূত্র: Britannica.