• I water the plants. The word 'water' is used as a Verb. → এখানে, 'water' শব্দটি verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। → I = Subject, the plants = object এবং এর মাঝে 'water' verb হিসেবে বসেছে।
• Water can be used as both a noun and a verb.
• Water (verb): জলসেচন করা; পানি (ছিটিয়ে) দেওয়া। → অনেক বহুল প্রচলিত noun আছে যেগুলো verb হিসেবেও ব্যবহৃত হতে পারে। যেমন- home, interest, water etc. এখানে, প্রশ্নে উল্লিখিত বাক্যটিতে water গাছে পানি দেওয়া বুঝায়।
২.
He came to Dhaka with a view to _______ the parliament.
ক
Watch
খ
look
গ
visit
ঘ
visiting
সঠিক উত্তর: ঘ
visiting
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
visiting
ঘ
ব্যাখ্যা
Complete Sentence: He came to Dhaka with a view to visiting the parliament. → with a view to- এরপর verb + ing হয়।
• with a view to doing something (idiom) English Meaning: with the aim of doing something. Bangla Meaning: উদ্দেশ্যে।
• কোনো বাক্যে mind, cannot help, could not help, with a view to, look forward to, be used to, worth ইত্যাদি শব্দ সমূহের পর কোনো verb বসলে সেই verb এর সাথে ing যুক্ত করতে হয়। → অর্থাৎ, with a view to + verb+ ing. → যেহেতু, প্রদত্ত প্রশ্নে with a view to আছে এবং এরপর verb এর সাথে ing যুক্ত হবে।
Example Sentence: 1. The training program was designed with a view to preparing employees for upcoming challenges. 2. The project was initiated with a view to enhancing the overall efficiency of the system.
Correct Sentence: One of my friends is a teacher. (অপশন 'ক')
• One of এর পরে noun plural হয় ও verb singular হয়। তাই সঠিক বাক্যটি হবে- One of my friends is a teacher.
Example: → One of my brothers is a doctor. → One of my friends is a politician. → One of my cousins is a lawyer. → One of the most beautiful girls has come. → One of the problems is extremely easy to solve.
৫.
What is the feminine gender of fox?
ক
Foxen
খ
Vixen
গ
Female Fox
ঘ
None of the above
সঠিক উত্তর: খ
Vixen
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
Vixen
খ
ব্যাখ্যা
• The feminine gender of fox - Vixen.
• গুরুত্বপূর্ণ কিছু Gender এর উদাহরণ হলো: → Boar (শূকর বা শুয়োর) শব্দের feminine gender হচ্ছে Sow. → Fox (খেঁকশিয়াল) এর feminine gender হচ্ছে Vixen. → Hart (পুরুষ হরিণ) এর feminine gender হচ্ছে Roe. → Drone (পুং মৌমাছি) শব্দের feminine gender হচ্ছে Bee.
Source: Applied English Grammar & Composition, P.C. Das.
৬.
The antonym of the word 'hate' is-
ক
love
খ
concern
গ
careful
ঘ
Abhor
সঠিক উত্তর: ক
love
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
love
ক
ব্যাখ্যা
• The antonym of the word 'hate' is - love.
• hate (noun + verb) Meaning: ঘৃণা করা; অত্যন্ত অপছন্দ করা।
অপশন আলোচনা: → love - আদরযত্ন; স্নেহমমতা; প্রীতি; প্রেম; ভালোবাসা। → concern - কোনো বিষয় যাতে কেউ উৎসাহী বা যা কারো কাছে গুরুত্বপূর্ণ। → careful - সতর্ক/হুঁশিয়ার/সাবধান/মনোযোগী/যত্নবান হওয়া। → Abhor - ঘৃণা বা অবজ্ঞা করা; ঘৃণাভরে পরিহার করা।
Source: 1. merriam-webster. 2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৭.
Crying need means____
ক
Basic need
খ
Urgent
গ
Emergency
ঘ
Highest need
সঠিক উত্তর: খ
Urgent
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
Urgent
খ
ব্যাখ্যা
• Crying need means - Urgent.
• a crying need (noun) English Meaning: a very obvious need/a serious and important need. Bangla Meaning: অতি জরুরি; প্রণিধানযোগ্য। Example Sentence: 1. The recent increase in crime rates highlights the crying need for improved law enforcement measures. 2. The healthcare system is struggling to meet the crying need for affordable and accessible medical services.
Source: 1. merriam-webster. 2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৮.
Passive form of 'Shut the door'.
ক
The door is to be shut.
খ
Let the door be shut.
গ
Let the door shut.
ঘ
The door may be shut.
সঠিক উত্তর: খ
Let the door be shut.
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
Let the door be shut.
খ
ব্যাখ্যা
Active Voice: Shut the door. Passive Voice: Let the door be shut.
• Verb দ্বারা শুরু হওয়া imperative sentence কে passive voice করার নিয়ম: → প্রথমে Let বসে। → object + be + verb এর past participle বসে।
More Example: Active Voice: Open the window. Passive Voice: Let the window be opened.
৯.
আমি অপমান অপেক্ষা মৃত্যু পছন্দ করি। -
ক
I prefer death from dishonour.
খ
I like death more than dishonour.
গ
I prefer death to dishonour.
ঘ
I prefer death more than insult.
সঠিক উত্তর: গ
I prefer death to dishonour.
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
I prefer death to dishonour.
গ
ব্যাখ্যা
• আমি অপমান অপেক্ষা মৃত্যু পছন্দ করি। → English Translation: I prefer death to dishonour.
• Prefer (someone or something) to: → যখন কোন কিছু/কারোর চেয়ে অন্য কিছু বা অন্য কাউকে পছন্দ করা হয় তখন prefer to ব্যবহৃত হয়।
• দুটির মধ্যে একটিকে অধিক পছন্দ বোঝাতে prefer to বসে। - তাই, "আমি অপমান অপেক্ষা মৃত্যু পছন্দ করি।"এর সঠিক অনুবাদ হবে - I prefer death to dishonor.
১০.
He is a student of ______ University.
ক
a
খ
in
গ
an
ঘ
the
সঠিক উত্তর: ক
a
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
a
ক
ব্যাখ্যা
Complete Sentence: He is a student of a university.
• Article এর নিয়মানুযায়ী, → a,e,i,o,u এই পাঁচটি vowel দিয়ে গঠিত শব্দের পূর্বে an বসে। → কিন্তু, vowel দিয়ে গঠিত শব্দের উচ্চারণ vowel এর মত না হলে এদের পূর্বে a বসে।
• Article: → Articles মূলত Noun, Pronoun এর আগে বসে তাদের সংখ্যা এবং নির্দিষ্টতা, অনির্দিষ্টতা জ্ঞাপন করে। → Articles কে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করে যায়। → Indefinite Articles: A, An-এরা Indefinite Article. (এরা নির্দিষ্টভাবে কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা কোনো বিষয়কে নির্দেশ করে না)। → Definite Articles: The হল Definite Article (এটি কোনো বিশেষ ব্যক্তি, বস্তু বা বিষয়কে নির্দিষ্টভাবে বোঝাতে বা চিহ্নিত করতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে)।
• কোনো word এর শুরুতে যদি vowel letter U থাকে কিন্তু এর উচ্চারন ইউ বা ওয়া এর মত হয় তবে তার পূর্বে article হিসেবে a বসে। → প্রশ্নে উল্লিখিত university শব্দটি vowel দ্বারা শুরু হলেও এর উচ্চারণ ইউ এর মতন হওয়াতে এর পূর্বে a article হিসাবে বসবে।
১১.
Choose the correct sentence.
ক
Repeat it again.
খ
Repeat it.
গ
Repeat it again and again.
ঘ
Repeat it once again.
সঠিক উত্তর: খ
Repeat it.
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
Repeat it.
খ
ব্যাখ্যা
Correct Sentence: Repeat it.
• repeat (verb) Bangla Meaning: পুনরায় বলা অথবা করা; পুনরায় ঘটা/হওয়া।
→ সঠিক বাক্য repeat it. হবে, কেননা repeat অর্থ পুনরায় বলা বা করা সুতরাং, এর সাথে again ব্যবহার সঠিক নয়।
১২.
"Do or die." is a -
ক
Compound sentence
খ
Complex sentence
গ
Simple sentence
ঘ
None of the above
সঠিক উত্তর: ক
Compound sentence
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
Compound sentence
ক
ব্যাখ্যা
• "Do or die." is a - Compound sentence. → Do or die. - এই sentence টিতে 'or' দ্বারা দুটি clause যুক্ত আছে, তাই এটি Compound Sentence.
• Compound sentence: → Compound sentence-এ একের অধিক principal clause থাকে, যাদেরকে co-ordinate clause বলা হয়। → অর্থাৎ, Compound sentence- এ দুই বা ততোধিক principal clause বা co-ordinate clause থাকে। → এছাড়া, Compound sentence এ সাধারণত and, or, but, yet, so, therefore, otherwise, else, both --- and , either --- or, neither — nor, not only --- but also ইত্যাদি coordinating conjunction দ্বারা দুইটি principal clause যুক্ত থাকে।
১৩.
Which one is common noun______
ক
Truth
খ
Bank
গ
Victory
ঘ
Length
সঠিক উত্তর: খ
Bank
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
Bank
খ
ব্যাখ্যা
• Bank is a common noun. → এখানে, যে কোনো ব্যাংকের সাধারণ নাম বোঝানো হয়েছে, নির্দিষ্ট কোনো ব্যাংককে বোঝানো হয় নাই, তাই Bank = Common Noun.
Common Noun: A common noun is one that is common to each member of the class of persons or things. → যে noun কোন এক শ্রেণির ব্যাক্তি বা বস্তুর প্রত্যেকের সাধারণ নাম বুঝায় তাকে common noun বলে। → The words "teacher," "river," and "table" are common nouns.
• Hop- এর past form - Hopped. → Hope (আশা; ভরসা; প্রত্যাশা)- এর past form - Hoped.
• Hop (verb) English Meaning: to move by a quick springy leap or in a series of leaps. Bangla Meaning: এক পায়ে লাফানো; লাফিয়ে পার হওয়া।
• Hop (noun) English Meaning: the ripe dried female cone-like flower clusters of a north-temperate zone twining plant (Humulus lupulus) of the hemp family used especially to impart a bitter flavor to beer. Bangla Meaning: থোকা থোকা ফুলবিশিষ্ট; দীর্ঘ লতানো উদ্ভিদবিশেষ।
Source: 1. merriam-webster. 2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
১৫.
Sheep _____এর Plural number কী?
ক
Ships
খ
Sheep
গ
Sheeps
ঘ
Sheps
সঠিক উত্তর: খ
Sheep
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
Sheep
খ
ব্যাখ্যা
• Sheep- এর Plural number - Sheep.
কতগুলো শব্দ আছে যাদের singular এবং plural form একই রকম থাকে। যেমন-
• Deer - There is one deer, and there are many deer. • Species - There is one species, and there are many species. • Swine - There is one swine, and there are many swine. • Spacecraft: There is one spacecraft, and there are many spacecraft. • Sheep: There is one sheep, and there are many sheep. • Moose: There is one moose, and there are many moose. • Salmon: There is one salmon, and there are many salmon.
১৬.
Deficit means -
ক
Shortage
খ
Wants
গ
Defeat
ঘ
Complex
সঠিক উত্তর: ক
Shortage
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
Shortage
ক
ব্যাখ্যা
• Deficit means - Shortage. → Wants অর্থ অভাবগ্রস্থ অবস্থা বা অনটন। তবে, shortage এবং wants অপশনে দুটিই থাকলে shortage সঠিক উত্তর হবে।
• Deficit (noun) English Meaning: a lack or impairment in ability or functional capacity. Bangla Meaning: ঘাটতি; অভাব।
Source: 1. merriam-webster. 2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
১৭.
Pragmatic শব্দের অর্থ কী?
ক
বাস্তবধর্মী
খ
অগ্রবর্তী
গ
অবাস্তব
ঘ
অসাধারণ
সঠিক উত্তর: ক
বাস্তবধর্মী
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
বাস্তবধর্মী
ক
ব্যাখ্যা
• Pragmatic শব্দের অর্থ - বাস্তবধর্মী।
• Pragmatic (adjective) English Meaning: relating to matters of fact or practical affairs often to the exclusion of intellectual or artistic matters: practical as opposed to idealistic. Bangla Meaning: ব্যবহারিক ফল ও মূল্য সম্বন্ধীয়; সবকিছু প্রয়োগসিদ্ধতার দিক থেকে বিবেচনা করে এমন; কার্যসিদ্ধিমূলক; কার্যসাধনাত্মক; প্রয়োগবাদী; ব্যবহারবাদী।
Source: 1. merriam-webster. 2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
১৮.
He is a better worker than I. Here better is-
ক
Adverb
খ
Adjective
গ
Noun
ঘ
Pronoun
সঠিক উত্তর: খ
Adjective
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
Adjective
খ
ব্যাখ্যা
• He is a better worker than I. Here better is- Adjective. → better শব্দটি worker noun কে modify করায় better হচ্ছে একটি adjective.
Adjective: → Noun বা pronoun কে বাক্যের মধ্যে যে word বিশেষায়িত করে তাকে adjective বলে। → Adjective সাধারণত Noun বা pronoun কে modify করে। → সাধারণত Noun কে describe করতে Adjective ব্যবহার করা হয়। → Most adjectives are used before a noun. → এসব word দ্বারা Noun বা pronoun এর অতিরিক্ত information দেয়া হয়।
১৯.
Proclaim means-
ক
declare
খ
circulate
গ
announce
ঘ
describe
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত প্রশ্নে একাধিক উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।
• Proclaim: English meaning: to announce something publicly or officially, especially something positive Bangla meaning: ঘোষণা/উৎকীর্তন/অনুকীর্তন/প্রচার/বিঘোষিত করা।
Options: → declare: সুস্পষ্টভাবে বা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো; ঘোষণা/বিজ্ঞাত করা। → circulate: বৃত্তাকারে ক্রমাগত ঘোরা; এক স্থান থেকে অন্য স্থানে মুক্তভাবে চলাচল করা। → announce: ঘোষণা করা; জ্ঞাপন করা। → describe: বর্ণনা করা।
Source: 1. merriam-webster. 2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২০.
কোন বানানটি শুদ্ধ?
ক
bouquete
খ
bouquet
গ
bouquette
ঘ
boquet
সঠিক উত্তর: খ
bouquet
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
bouquet
খ
ব্যাখ্যা
• অপশন (খ) bouquet is correctly spelled word.
• bouquet (noun) English Meaning: flowers picked and fastened together in a bunch/a distinctive and characteristic fragrance. Bangla Meaning: ফুলের তোড়া; কুসুমস্তবক।
Example Sentence: 1. The bride carried a beautiful bouquet of lilies down the aisle. 2. The florist arranged a vibrant bouquet of mixed flowers for the centerpiece.
Source: 1. merriam-webster. 2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২১.
'কারাগারের রোজনামচা'-কার লেখা?
ক
সুফিয়া কামাল
খ
শেখ হাসিনা
গ
শেখ মুজিবুর রহমান
ঘ
শেখ কামাল
সঠিক উত্তর: গ
শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
শেখ মুজিবুর রহমান
গ
ব্যাখ্যা
⇒ কারাগারের রোজনামচা: - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত দিনলিপি গ্রন্থ হলো কারাগারের রোজনামচা। - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত দ্বিতীয় আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ হলো কারাগারের রোজনামচা। - এটি ১৭ মার্চ, ২০১৭ সালে বঙ্গবন্ধুর ৯৭তম জন্মবার্ষিকীতে বাংলা একাডেমি প্রকাশ করে । - এই গ্রন্থটি মূলত একটি ডায়রি যা বঙ্গবন্ধু ১৯৬৬-১৯৬৮ সময়ে কারাগারে বন্দিবস্থায় লিখেছিলেন । - এর ভূমিকা লিখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। - নামকরণ করেন শেখ রেহেনা।
গ্রন্থটির কিছু অংশ: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর দ্বিতীয় গ্রন্থ ‘কারাগারের রোজনামচা’য় বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করেছেন। কারাগারের রোজনামচায় প্রসঙ্গক্রমে অনেকবার এসেছে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের কথা। শেখ মুজিব তিনি নিজের সন্তান, স্ত্রী, পরিবার-পরিজন, বাবা-মা সবকিছু ফেলে দেশের জন্য, দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠকে বেছে নিয়েছিলেন। পরিবারের জন্য হৃদয়ে রক্তক্ষরণ দেখি তাঁর লেখায়: ‘৮ ফেব্রুয়ারি ২ বৎসরের ছেলেটা এসে বলে, ‘আব্বা বালি চলো’। কি উত্তর ওকে আমি দিব। ওকে ভোলাতে চেষ্টা করলাম, ও তো বোঝে না আমি কারাবন্দী। ওকে বললাম, ‘তোমার মার বাড়ি তুমি যাও। আমি আমার বাড়ি থাকি। আবার আমাকে দেখতে এসো।’ ও কি বুঝতে চায়!..
উৎস: ‘কারাগারের রোচনামচা বঙ্গবন্ধু’ শেখ মুজিবুর রহমান।
বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে, ⇒ তারিখ (বিশেষ্য), - আরবি ভাষা থেকে আগত শব্দ অর্থ: মাসের দিন নির্দেশিক সংখ্যা, তিথি।
অন্যদিকে, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণির ২০২২ সংস্করণের বোর্ড বই অনুসারে, • তারিখ = ফারসি শব্দ।
তবে, শব্দের উৎসমূলের ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধানের তথ্য অধিক গ্রহণযোগ্য।
২৪.
‘দুই বিঘা জমি’ কবিতাটি কার লেখা?
ক
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
খ
জসিম উদ্দীন
গ
কাজী নজরুল ইসলাম
ঘ
কালিদাস রায়
সঠিক উত্তর: ক
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ক
ব্যাখ্যা
⇒ কাহিনী' কাব্যগ্রন্থ: • 'দুই বিঘা জমি' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'কথা ও কাহিনী' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভূক্ত একটি কবিতা। •'কথা' (১৮৯৯) ও 'কাহিনী' (১৮৯৯) - দুটি আলাদা কাব্যগ্রন্থ ছিলো যা পরবর্তীতে 'কথা ও কাহিনী' নামে ১৯০০ সালে প্রকাশিত হয়। • এই কাব্যগ্রন্থটি বাঙ্গালি বিজ্ঞানী জগদীশ চন্দ্র বসুকে উৎসর্গ করা হয়। • 'কথা ও কাহিনী' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভূক্ত কবিতাগুলো হচ্ছে: - কত কী যে আসে কত কী যে যায়, - গানভঙ্গ, - পুরাতন ভৃত্য, - দুই বিঘা জমি, - দেবতার গ্রাস, - নিস্ফল উপহার, - দীন দান, - বিসর্জন, - জুতা আবিষ্কার।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং 'কথা ও কাহিনী' কাব্যগ্রন্থ।
২৫.
কুসুম কুমারী দেবী কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন?
ক
বরিশাল
খ
গোপালগঞ্জ
গ
ঝালকাঠি
ঘ
রংপুর
সঠিক উত্তর: ক
বরিশাল
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
বরিশাল
ক
ব্যাখ্যা
(প্রশ্নে কুসুর কুমারী দেবী দেয়া ছিল মূলত কুসুমকুমারী দাশকেই কুসুম কুমারী দেবী নামে উল্লেখ করা হয়েছে।)
⇒ কুসুমকুমারী দাশ: - তিনি ১৮৮২ সালে বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন। - তাঁর গদ্যগ্রন্থের নাম- পৌরাণিক আখ্যায়িকা। - কুসুমকুমারী দাশ হলেন জীবনানন্দ দাশের মাতা। - তাঁর কবিতা প্রকাশিত হতো 'প্রবাসী, ব্রহ্মবাদী, মুকুল প্রভৃতি পত্রিকায়।
- 'আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে, কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে।' - এই বিখ্যাত কবিতার রচয়িতা কুসুমকুমারী দাশ।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২৬.
তিলে তৈল আছে। এখানে ‘তিলে’ কোন কারক?
ক
কর্ম
খ
করণ
গ
অপাদান
ঘ
অধিকরণ
সঠিক উত্তর: ঘ
অধিকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
অধিকরণ
ঘ
ব্যাখ্যা
⇒ অধিকরণ কারক: ক্রিয়ার আধারকে বলা হয় অধিকরণ কারক। আধার বলতে ক্রিয়া নিষ্পন্ন হওয়ার স্থান, কাল ও ভাবকে বােঝায়। অর্থাৎ ক্রিয়া সম্পাদনের কাল এবং আধারকে বলা হয় অধিকরণ কারক। - বাক্যের ক্রিয়াপদকে কোথায়, কখন ও কোনাে বিষয় বােঝাতে অধিকরণ কারক হয়।
- অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি অর্থাৎ এ, য়, তে ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত হয়। যেমন: - আধার (স্থান): তিলে তৈল আছে।- বাক্যকে কোথায় তেল আছে? প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় (তিলের সারা অংশব্যাপী)।
অন্যদিকে, ⇒ অপাদান কারক: - যা থেকে কোনাে কিছু উৎপত্তি, বিচ্যুত, জাত, গৃহীত, আরম্ভ, দূরীভূত ও রক্ষিত হয়, তাকে বলা হয় অপাদান কারক। - বাক্যের ক্রিয়াপদকে কোথা হতে, কি থেকে, কিসের থেকে ইত্যাদি প্রশ্ন করলে উত্তরে যে কারক পাওয়া যায়, তা-ই হলাে অপাদান কারক। যেমন: ⇒ তিলে তৈল হয়।- বাক্যকে কি থেকে তেল হয়? দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় ‘তিলে’। সুতরাং এ বিভক্তি যোগে ‘তিলে’ অপাদান কারকে সপ্তমী।
• অপাদান কারকের এরূপ কিছু উদাহরণ হলো: - এ বনে বাঘের ভয় = অপাদান কারকে ৭মী বিভক্তি, - মেঘ থেকে বৃষ্টি হয় = অপাদান কারকে ৫মী বিভক্তি, - তিলে তৈল হয় = অপাদান কারকে ৭মী বিভক্তি, - তিথির চেয়ে বিথী বড় = অপাদান কারকে ষষ্ঠী বিভক্তি, - পরাজয়ে ডরে না বীর = অপাদান কারকে ৭মী বিভক্তি, - ছাদ থেকে পানি পড়ে = অপাদান কারকে৫মী বিভক্তি।
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭.
বাংলা উপসর্গ মোট কতটি?
ক
২৫
খ
২১
গ
২০
ঘ
২২
সঠিক উত্তর: খ
২১
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
২১
খ
ব্যাখ্যা
• উপসর্গ: বাংলা ভাষায় যেসব শব্দখণ্ড বা শব্দাংশ ধাতুর পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে বলে উপসর্গ।
• বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- ১. খাঁটি বাংলা উপসর্গ, ২. সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ এবং ৩. বিদেশি উপসর্গ।
• সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ: বাংলা ভাষায় যেসকল সংস্কৃত উপসর্গ ব্যবহার করা হয় তাদের সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ বলে। সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ ২০টি। যথা: প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ।
• খাঁটি বাংলা উপসর্গ: বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত নিজস্ব উপসর্গকে খাঁটি বাংলা উপসর্গ বলা হয়। খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১টি। যথা: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।
[বাংলা উপসর্গের মধ্যে আ, সু, বি, নি এই চারটি উপসর্গ তৎসম শব্দেও পাওয়া যায়।]
• বিদেশি উপসর্গ: আরবি, ফারসি, ইংরেজি, হিন্দি এসব ভাষার বহু শব্দ দীর্ঘকাল ধরে বাংলা ভাষায় প্রচলিত আছে। এছাড়া কিছু বিদেশি উপসর্গও বাংলায় চালু আছে।
• বিদেশি উপসর্গ অনির্দিষ্ট বা অনির্ণেয়। যেমন: - আরবি উপসর্গ: আম, খাস, লা, গর, বাজে এবং খয়ের। - ফারসি উপসর্গ: কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম। - উর্দু উপসর্গ: হর। - ইংরেজি উপসর্গ: হেড, সাব, ফুল, হাফ।
উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ এবং মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
২৮.
বিশেষ্য পদ প্রকার?
ক
২
খ
৪
গ
৬
ঘ
৭
সঠিক উত্তর: গ
৬
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
৬
গ
ব্যাখ্যা
⇒ বিশেষ্য পদ: যেসব শব্দ দিয়ে ব্যক্তি, প্রাণী, স্থান, বস্তু, ধারণা ও গুণের নাম বোঝায়, সেগুলোকে বিশেষ্য বলে। যেমন নজরুল, বাঘ, ঢাকা, ইট, ভোজন, সততা ইত্যাদি। বিশেষ্য সাধারণত ছয় প্রকার: ১. নাম-বিশেষ্য, ২. জাতি-বিশেষ্য, ৩. বস্তু-বিশেষ্য, ৪. সমষ্টি-বিশেষ্য, ৫. গুণ-বিশেষ্য এবং ৬. ক্রিয়া-বিশেষ্য।
♦ জাতি-বিশেষ্য: জাতি-বিশেষ্য সাধারণ-বিশেষ্য নামেও পরিচিত। এ ধরনের বিশেষ্য নির্দিষ্ট কোনো নামকে না বুঝিয়ে প্রাণী ও অপ্রাণীর সাধারণ নামকে বোঝায়। যেমন: মানুষ, গরু, ছাগল, ফুল, ফল, নদী, সাগর, পর্বত ইত্যাদি।
♦ বস্তু-বিশেষ্য: কোনো দ্রব্য বা বস্তুর নামকে বস্তু-বিশেষ্য বলে। যেমন: ইট, লবণ, আকাশ, টেবিল, বই ইত্যাদি।
♦ সমষ্টি-বিশেষ্য: এ ধরনের বিশেষ্য দিয়ে ব্যক্তি বা প্রাণীর সমষ্টিকে বোঝায়। যেমন: জনতা, পরিবার, ঝাঁক, বাহিনী, মিছিল ইত্যাদি।
♦ গুণ-বিশেষ্য: গুণগত অবস্থা ও ধারণার নামকে গুণ-বিশেষ্য বলে। যেমন: সরলতা, দয়া, আনন্দ, গুরুত্ব, দীনতা, ধৈর্য ইত্যাদি।
♦ ক্রিয়া-বিশেষ্য: যে বিশেষ্য দিয়ে কোনো ক্রিয়া বা কাজের নাম বোঝায়, তাকে ক্রিয়া-বিশেষ্য বলে। যেমন: পঠন, ভোজন, শয়ন, করা, করানো, পাঠানো, নেওয়া ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
২৯.
বাংলা ভাষায় কত প্রকার অব্যয় শব্দ রয়েছে?
ক
২
খ
৩
গ
৪
ঘ
৬
সঠিক উত্তর: খ
৩
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
৩
খ
ব্যাখ্যা
⇒ অব্যয় পদ: যে পদ সর্বদা অপরিবর্তনীয় থেকে কখনো বাক্যের শোভা বর্ধন করে, কখনো একাধিক পদের, বাক্যাংশের বা বাক্যের সংযোগ বা বিয়োগ সম্বদ্ধ ঘটায়, তাকে অব্যয় পদ বলে।
বাংলা ভাষায় তিন প্রকার অব্যয় শব্দ রয়েছে- বাংলা অব্যয় শব্দ, তৎসম অব্যয় শব্দ এবং বিদেশি অব্যয় শব্দ।
১. বাংলা অব্যয় শব্দ গুলো হলো: আর, আবার, ও, হ্যাঁ, না ইত্যাদি। ২. তৎসম অব্যয় শব্দ গুলো হলো: যদি, যথা, সদা, সহসা, হঠাৎ, অর্থাৎ, দৈবাৎ, বরং, পুনশ্চ, আপাতত, বস্তুত ইত্যাদি। 'এবং' ও 'সুতরাং' তৎসম শব্দ হলেও বাংলায় এগুলোর অর্থ পরিবর্তিত হয়েছে। সংস্কৃতে 'এবং' শব্দের অর্থ এমন, আর 'সুতরাং' অর্থ অত্যন্ত, অবশ্য। কিন্তু এবং ও (বাংলা), সুতরাং = অতএব (বাংলা)। ৩. বিদেশি অব্যয় শব্দ গুলো হলো: আলবত, বহুত, খুব, শাবাশ, খাসা, মাইরি, মারহাবা ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
⇒ সৈয়দ মুজতবা আলী: - ১৯০৪ সালে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। - তিনি কাজী নজরুল ইসলামের 'রুবাইয়াৎ- ই- ওমর খৈয়াম' গ্রন্থের ভূমিকা লিখেন। - 'দেশে বিদেশে' তাঁর রচিত বিখ্যাত ভ্রমণ কাহিনি। - 'দেশে বিদেশে' ভ্রমণ কাহিনিটি আফগানিস্তানের কাবুল শহর নিয়ে লেখা।
• তাঁর রচিত উপন্যাস: - অবিশ্বাস্য। - শবনম।
• তাঁর রচিত ছোটগল্প: - চাচা-কাহিনী। - টুনি মেম।
• তাঁর রচিত রম্যরচনা: - পঞ্চতন্ত্র, - ময়ূরকণ্ঠী,
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৩১.
কারক কত প্রকার?
ক
চার
খ
ছয়
গ
পাঁচ
ঘ
তিন
সঠিক উত্তর: খ
ছয়
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
ছয়
খ
ব্যাখ্যা
⇒ কারক: ক্রিয়ার সঙ্গে বাক্যের বিশেষ্য ও সর্বনামের যে সম্পর্ক, তাকে কারক বলে। কারক সম্পর্ক বোঝাতে বিশেষ্য ও সর্বনামের সঙ্গে সাধারণত বিভক্তি ও অনুসর্গ যুক্ত হয়ে থাকে। - কারক ছয় প্রকার। যথা: ১। কর্তা কারক, ২। কর্ম কাবক, ৩। করণ কারক, ৪। অপাদান কারক, ৫। অধিকরণ কারক ও ৬। সম্বন্ধ কারক।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
৩২.
’কাজ’- এর বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
ক
সেকাজ
খ
অকাজ
গ
কর্ম
ঘ
কার্য
সঠিক উত্তর: খ
অকাজ
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
অকাজ
খ
ব্যাখ্যা
• “কাজ” শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ - অকাজ।
কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিপরীতার্থক শব্দ হচ্ছে: - ‘কেজো’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ - অকেজো। - 'আকাশ' শব্দের বিপরীতর্থক শব্দ - পাতাল। - 'অর্জন' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ - বর্জন। - 'উদ্ধত' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ - বিনীত। - 'উঠতি' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ - পড়তি।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
৩৩.
‘গোল্লায় যাওয়া’- বাগধারাটির অর্থ কী?
ক
অসৎ কাজ করা
খ
নষ্ট হওয়া
গ
খারাপ কাজে যাওয়া
ঘ
দোষের কাজ করা
সঠিক উত্তর: খ
নষ্ট হওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
নষ্ট হওয়া
খ
ব্যাখ্যা
• ‘গোল্লায় যাওয়া’ বাগধারাটির অর্থ - নষ্ট হওয়া।
গুরুত্বপূর্ণ কিছু বাগ্ধারা হলো: • ‘ঘোড়ার ডিম’ বাগধারাটির অর্থ - কিছুই না। • ‘গায়ে পড়া’ বাগধারাটির অর্থ - অযাচিত। • ‘চুলোয় যাওয়া’ বাগধারাটির অর্থ - নষ্ট হওয়া। • ‘উড়োকথা’ বাগধারাটির অর্থ - গুজব। • ‘উড়োচিঠি’ বাগধারাটির অর্থ - বেনামি চিঠি। • ‘গা ঢাকা দেওয়া’ বাগধারাটির অর্থ - পলায়ন করা।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ) এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৩৪.
‘গোড়ায় গলদ’ বাগধারাটির অর্থ কী?
ক
বেশি ভুল
খ
শুরুতে ভুল
গ
ভুল জিনিস
ঘ
অল্প ভুল
সঠিক উত্তর: খ
শুরুতে ভুল
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
শুরুতে ভুল
খ
ব্যাখ্যা
• গোড়ায় গলদ বাগধারার অর্থ - শুরুতেই ভুল।
কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা হলো: • চুলোয় যাওয়া বাগধারার অর্থ - নষ্ট হওয়া। • গুড়ে বালি বাগধারার অর্থ - আশায় নৈরাশ্য। • কৈয় মাছের জান বাগধারার অর্থ - যা সহজে মরে না। • পুটি মাছের প্রাণ বাগধারার অর্থ - ছোটো মন। • তিলকে তাল করা বাগধারার অর্থ - ছোটকে বড় করা।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৩৫.
বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারীবাদী লেখিকা কে?
ক
সুফিয়া কামাল
খ
বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
গ
কুসুম কুমারী দেবী
ঘ
সুলতানা কামাল
সঠিক উত্তর: খ
বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
খ
ব্যাখ্যা
• বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারীবাদী লেখিকা বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন। ⇒ বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন: - বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন একজন খ্যাতিমান বাঙালি সাহিত্যিক, সমাজ সংস্কারক এবং নারী জাগরণ ও নারীর অধিকার আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ। - তাঁকে মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত হিসেবে গণ্য করা হয়। - রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন ৯ই ডিসেম্বর ১৮৮০ সালে রংপুর জেলায় পায়রাবন্দ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। - স্বামীর প্রেরণায় তিনি সাহিত্যচর্চা শুরু করেন। সমকালীন মুসলমান সমাজে প্রচলিত কুসংস্কারের বিরুদ্ধে তিনি লেখনী ধারণ করেন। - সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গার্লস স্কুল ও আনজুমান -ই- খাওয়াতীন -ই- ইসলাম প্রতিষ্ঠা করে তিনি মুসলমান নারীদের শিক্ষা ও সংস্কৃতির পথে অগ্রসর হতে সাহায্য করেন।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৩৬.
চাষার দুক্ষু- রচনাটি কোন গ্রন্থ থেকে সংকলিত?
ক
রোকেয়া রচনাবলী
খ
রবীন্দ্র রচনাবলী
গ
পদ্মাবতী
ঘ
সুলতানার স্বপ্ন
সঠিক উত্তর: ক
রোকেয়া রচনাবলী
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
রোকেয়া রচনাবলী
ক
ব্যাখ্যা
⇒ 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধ: - 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধটি রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত বাংলা একাডেমি প্রকাশিত 'রোকেয়া রচনাবলী' থেকে চয়ন করা হয়েছে। - এ প্রবন্ধে লেখক তৎকালীন সভ্যতার নামে এক শ্রেণির মানুষের বিলাসিতা ও অন্যদিকে দারিদ্র্যপীড়িত কৃষকদের বঞ্চনার কথা ব্যক্ত করেছেন। - কৃষকদের এই মুমূর্ষু অবস্থা থেকে মুক্তির জন্য তিনি শিক্ষা বিস্তারে পাঠশালা প্রতিষ্ঠার উপর এবং গ্রামীণ কুটির শিল্পের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
⇒ বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন: - বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন একজন খ্যাতিমান বাঙালি সাহিত্যিক, সমাজ সংস্কারক এবং নারী জাগরণ ও নারীর অধিকার আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ। - তাঁকে মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত হিসেবে গণ্য করা হয়। - রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন ৯ই ডিসেম্বর ১৮৮০ সালে রংপুর জেলায় পায়রাবন্দ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। - স্বামীর প্রেরণায় তিনি সাহিত্যচর্চা শুরু করেন। সমকালীন মুসলমান সমাজে প্রচলিত কুসংস্কারের বিরুদ্ধে তিনি লেখনী ধারণ করেন। - সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গার্লস স্কুল ও আনজুমান -ই- খাওয়াতীন -ই- ইসলাম প্রতিষ্ঠা করে তিনি মুসলমান নারীদের শিক্ষা ও সংস্কৃতির পথে অগ্রসর হতে সাহায্য করেন।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৩৭.
'পদ্মরাগ' কোন ধরনের রচনা?
ক
গল্প
খ
প্রবন্ধ
গ
কাব্যগ্রন্থ
ঘ
উপন্যাস
সঠিক উত্তর: ঘ
উপন্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
উপন্যাস
ঘ
ব্যাখ্যা
• বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত উপন্যাস 'পদ্মরাগ'। এটি ১৯২৪ সালে প্রকাশিত হয়।
⇒ তবে একে উপন্যাস না বলে উপন্যাসপম গদ্য-আখ্যায়িকা বলাই ভালো। কেননা উপন্যাসের গাঁথুনি এখানে নেই, শিল্প হিসেবেও অসফল। তবে ‘পদ্মরাগে’র মূল্য অন্যত্র। প্রথমত কোনো মুসলিম নারীর রচনা; দ্বিতীয়ত মুসলিম সমাজের অন্তঃস্থিত ক্লেদকে এমনভাবে প্রকাশ করা হয়েছে যা কোনো হিন্দু লেখকের পক্ষে সম্ভব ছিল না; তৃতীয়ত অসাম্প্রদায়িকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত আছে এ জন্যে। এটি ১৯২৪ সালে প্রকাশিত হয়। • ‘পদ্মরাগ’ গ্রন্থটি উৎসর্গ করা হয় রোকেয়ার জ্যেষ্ঠভ্রাতা আবুল আসাদ ইব্রাহিমকে।
=============== ⇒ রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন: • নারী জাগরণের পথিকৃৎ বেগম রোকেয়ার জন্ম ৯ই ডিসেম্বর, ১৮৮০, পায়রাবন্দ গ্রাম, রংপুর। - বাংলাদেশের নারী আন্দোলনের ইতিহাসে বেগম রোকেয়ার অবদান চিরঅম্লান। - মুসলমান মেয়েদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি এবং তাদের অধিকার আদায়ের জন্য ১৯১৬ সালে বেগম রোকেয়া প্রতিষ্ঠা করেন আঞ্জুমানে খাওয়াতীনে ইসলাম বা মুসলিম মহিলা সমিতি। - 'Sultana’s Dream' গ্রন্থটি রোকেয়া নিজেই বাংলায় অনুবাদ করেন সুলতানার স্বপ্ন নামে। - এটি একটি প্রতীকী রচনা এবং এতে বর্ণিত Lady Land বা নারীস্থান মূলত রোকেয়ারই স্বপ্নকল্পনার প্রতীক।
রোকেয়ার উলেখযোগ্য রচনার মধ্যে রয়েছে: - মতিচূর, - Sultana’s Dream (নকশাধর্মী রচনা), - পদ্মরাগ (উপন্যাস), - অবরোধবাসিনী (নকশাধর্মী গদ্যগ্রন্থ, প্রভৃতি। - এছাড়া আছে অসংখ্য প্রবন্ধ, ছোটগল্প, কবিতা, ব্যঙ্গাত্মক রচনা ও অনুবাদ।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৩৮.
‘চুল’ শব্দের সমার্থক শব্দ নয় কোনটি?
ক
কেশ
খ
চিকুর
গ
কুন্তল
ঘ
ললিত
সঠিক উত্তর: ঘ
ললিত
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
ললিত
ঘ
ব্যাখ্যা
⇒ যেসব শব্দের অর্থ অভিন্ন বা প্রায় সমান, সেসব শব্দকে প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দ বলে।
• “চুল” এর সমর্থক শব্দ: কেশ, অলক, চিকুর, কুন্তল, কবরী।
অন্যদিকে, • ‘সুন্দর’ শব্দের সমার্থক শব্দ হলো: মনোরম, মনোহর, রম্য, কমনয়ি, ললিত, রমণীয়, অপরূপা, কমনীয়, অনুপম ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
৩৯.
ছন্দের জাদুকর কে?
ক
জসিম উদ্দীন
খ
সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
গ
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ঘ
সুকান্ত ভট্টাচার্য্য
সঠিক উত্তর: খ
সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
খ
ব্যাখ্যা
⇒ সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত: - সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত কবি ও ছান্দসিক। - কলকাতার নিকটবর্তী নিমতা গ্রামে ১৮৮২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি তিনি জন্মগ্রহণ করেন। - সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত বাংলা সাহিত্য 'ছন্দের জাদুকর' বা 'ছন্দের রাজা' হিসেবে খ্যাত। - সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের কিছু ছদ্মনাম হলো: নবকুমার, কবিরত্ন, অশীতিপর শর্মা, ত্রিবিক্রম বর্মণ, কলমগীর।
• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ: - সবিতা, - সন্ধিক্ষণ, - বেণু ও বীণা, - কুহু ও কেকা, - তুলির লিখন, - হোমশিখা, - অভ্র-আবীর, - হসন্তিকা, - বেলা শেষের গান, - বিদায় আরতি ইত্যাদি।
• তাঁর রচিত অনুবাদকাব্য: - তীর্থ রেণু, - মণি মঞ্জুষা।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়া এবং লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
৪০.
ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন প্রধানত-
ক
সাহিত্যিক
খ
ইসলাম প্রচারক
গ
ভাষাতত্ত্ববিদ
ঘ
সমাজ সংস্কারক
সঠিক উত্তর: গ
ভাষাতত্ত্ববিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
ভাষাতত্ত্ববিদ
গ
ব্যাখ্যা
• ড.মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন একাধারে ভাষাবিজ্ঞানী ও ভাষাতাত্ত্বিক, গবেষক, অনুবাদক, চিন্তাবিদ ও শিক্ষাবিদ। তবে তিনি ভাষাতত্ত্ববিদ হিসেবে বহুল পরিচিত। ⇒ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্: • ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ (১৮৮৫-১৯৬৯) ভারতীয় উপমহাদেশের একজন স্মরণীয় বাঙালি ব্যক্তিত্ব, বহুভাষাবিদ, বিশিষ্ট শিক্ষক ও দার্শনিক ছিলেন। তিনি ১৮৮৫ সালের ১০ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার পেয়ারা গ্রামে তাঁর জন্ম। • তিনি 'জ্ঞানতাপস' হিসেবে অধিক পরিচিত। তাঁকে 'চলিষ্ণু অভিধান' বলা হয়। • ১৯৫৫-৫৮ সাল পর্যন্ত তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ও সংস্কৃত বিভাগে অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ইমেরিটাস নিযু্ক্ত হন। • ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ে শহীদুল্লাহ্ বহু মননশীল ও জ্ঞানগর্ভ প্রবন্ধ নানা পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে এবং এ সংক্রান্ত বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা তিনি সম্পাদনা করেন। আল এসলাম পত্রিকার সহকারী সম্পাদক ও বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকার যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে তিনি যোগ্যতার পরিচয় দেন। • তাঁরই সম্পাদনা ও প্রকাশনায় মুসলিম বাংলার প্রথম শিশুপত্রিকা আঙুর আত্মপ্রকাশ করে। এছাড়াও তিনি ইংরেজি মাসিক পত্রিকা দি পীস, বাংলা মাসিক সাহিত্য পত্রিকা বঙ্গভূমি এবং পাক্ষিক তকবীর সম্পাদনা করেন। • ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট জাতিসত্তা সম্পর্কে ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর বিখ্যাত উক্তি- ''আমরা হিন্দু বা মুসলমান যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশি সত্য আমরা বাঙালি।''
তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলি হলো: - সিন্দবাদ সওদাগরের গল্প, - ভাষা ও সাহিত্য, - বাঙ্গালা ব্যাকরণ, - দীওয়ান-ই-হাফিজ, - শিকওয়াহ ও জওয়াব-ই-শিকওয়াহ, - রুবাইয়াত-ই-উমর খয়্যাম, - Essays on Islam, - আমাদের সমস্যা, - পদ্মাবতী, - বাংলা সাহিত্যের কথা (২ খণ্ড), - বিদ্যাপতি শতক, - বাংলা আদব কী তারিখ, - বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত, - কুরআন শরীফ, - অমরকাব্য, - সেকালের রূপকথা ইত্যাদি।
⇒ তাঁর সম্পাদিত আঞ্চলিক ভাষার অভিধান এক বিশেষ কীর্তি। মুহম্মদ আবদুল হাই -এর সঙ্গে তাঁর যুগ্ম-সম্পাদনায় রচিত Traditional Culture in East Pakistan (১৯৬১) একখানা উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ।
উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৪১.
একটি খুঁটির ১/৩ অংশ মাটির নিচে এবং ১/২ অংশ পানির নিচে থাকলে মোট কত অংশ মাটি ও পানির নিচে আছে?
ক
১/৩ অংশ
খ
২/৩ অংশ
গ
৫/৬ অংশ
ঘ
৫/৭ অংশ
সঠিক উত্তর: গ
৫/৬ অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
৫/৬ অংশ
গ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি খুঁটির ১/৩ অংশ মাটির নিচে এবং ১/২ অংশ পানির নিচে থাকলে মোট কত অংশ মাটি ও পানির নিচে আছে?
সমাধান: মাটির নিচে = ১/৩ অংশ পানির নিচে = ১/২ অংশ
মাটি ও পানির নিচে আছে = (১/৩) + (১/২) অংশ = (২ + ৩)/৬ অংশ = ৫/৬ অংশ
৪২.
একটি খুঁটির ৫/৬ অংশ কালো এবং বাকি অংশ সাদা। খুঁটির কালো এবং সাদা অংশের দৈর্ঘ্যের পার্থক্য ৬টি মিটার হলে সম্পূর্ণ দৈর্ঘ্য কত?
ক
৯ মিটার
খ
৮ মিটার
গ
৬ মিটার
ঘ
১২ মিটার
সঠিক উত্তর: ক
৯ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
৯ মিটার
ক
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি খুঁটির ৫/৬ অংশ কালো এবং বাকি অংশ সাদা। খুঁটির কালো এবং সাদা অংশের দৈর্ঘ্যের পার্থক্য ৬টি মিটার হলে সম্পূর্ণ দৈর্ঘ্য কত?
সমাধান: মনে করি, সম্পূর্ণ খুঁটির দৈর্ঘ্য = ১ অংশ
খুঁটির কালো = ৫/৬ অংশ খুঁটির সাদা = ১ - (৫/৬) অংশ = (৬ - ৫)/৬ অংশ = ১/৬ অংশ
কালো এবং সাদা অংশের দৈর্ঘ্যের পার্থক্য = (৫/৬) - (১/৬) অংশ = (৫ - ১)/৬ অংশ = ৪/৬ অংশ = ২/৩ অংশ
প্রশ্নমতে ২/৩ অংশ = ৬ মিটার ১ বা সম্পূর্ণ অংশ = (৩ × ৬)/২ মিটার = ৯ মিটার
৪৩.
- ১ থেকে কত বিয়োগ করলে বিয়োগফল শূন্য হবে?
ক
+ ১
খ
- ১
গ
০
ঘ
কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর: খ
- ১
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
- ১
খ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: - ১ থেকে কত বিয়োগ করলে বিয়োগফল শূন্য হয়?
সমাধান: ধরি, - ১ থেকে ক বিয়োগ করলে বিয়োগফল শূন্য হয়
∴ - ১ - ক = ০ ⇒ ক = - ১
৪৪.
শতকরা বার্ষিক কত হার সুদে ৭৫০ টাকা ২ বছরের সুদ ২১০ টাকা হবে?
ক
১০%
খ
১২%
গ
১৪%
ঘ
১৬%
সঠিক উত্তর: গ
১৪%
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
১৪%
গ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: শতকরা বার্ষিক কত হার সুদে ৭৫০ টাকা ২ বছরের সুদ ২১০ টাকা হবে?
সমাধান: ৭৫০ টাকার ২ বছরের সুদ ২১০ টাকা। ১ টাকার ১ বছরের সুদ ২১০/(৭৫০ × ২) টাকা। ১০০ টাকার ১ বছরের সুদ = (২১০ × ১০০)/(৭৫০ × ২) = ১৪ টাকা
সুদের হার ১৪%
৪৫.
একটি সংখ্যার একক স্থানীয় মান a এবং দশক স্থানীয় মান b হলে সংখ্যাটি কত হবে?
ক
10ab
খ
10a + b
গ
a + 10b
ঘ
ab + 10
সঠিক উত্তর: গ
a + 10b
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
a + 10b
গ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সংখ্যার একক স্থানীয় মান a এবং দশক স্থানীয় মান b হলে সংখ্যাটি কত হবে?
সমাধান: একক স্থানীয় মান a দশক স্থানীয় মান b
সংখ্যাটি = 10 × b + a = 10b + a
৪৬.
একটি ক্লাসে ৬৪০ জন ছাত্র-ছাত্রী আছে যার মধ্যে ৪০% ছাত্র, সেই ক্লাসে ছাত্রীর সংখ্যা কত হবে?
ক
২৫৬জন
খ
৩৮৪ জন
গ
৪২০ জন
ঘ
৪৮৬ জন
সঠিক উত্তর: খ
৩৮৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
৩৮৪ জন
খ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ক্লাসে ৬৪০ জন ছাত্র-ছাত্রী আছে যার মধ্যে ৪০% ছাত্র, সেই ক্লাসে ছাত্রীর সংখ্যা কত হবে?
সমাধান: মোট ছাত্র-ছাত্রী = ৬৪০ জন ক্লাসে ছাত্র সংখ্যা = ৬৪০ এর ৪০% = ৬৪০ এর ৪০/১০০ = ২৫৬ জন
ক্লাসে ছাত্রীর সংখ্যা = (৬৪০ - ২৫৬) জন = ৩৮৪ জন
৪৭.
১ মেট্রিক টন = কত কিলোগ্রাম?
ক
১০ কিলোগ্রাম
খ
১০০ কিলোগ্রাম
গ
১০০০ কিলোগ্রাম
ঘ
১০,০০০ কিলোগ্রাম
সঠিক উত্তর: গ
১০০০ কিলোগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
১০০০ কিলোগ্রাম
গ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১ মেট্রিক টন = কত কিলোগ্রাম?
সমাধান: ১ কুইন্টাল = ১০০ কিলোগ্রাম ১ মেট্রিক টন = ১০০০ কিলোগ্রাম ১০ কুইন্টাল = ১ মেট্রিক টন
৪৮.
কোন চতুর্ভুজের চারটি কোণ সমকোণ?
ক
রম্বস
খ
ট্রাপিজিয়াম
গ
বর্গক্ষেত্রে
ঘ
সামান্তরিক
সঠিক উত্তর: গ
বর্গক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
বর্গক্ষেত্রে
গ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন চতুর্ভুজের চারটি কোণ সমকোণ?
সমাধান: চতুর্ভুজ একটি বর্গ - - যখন চতুর্ভুজটির চার বাহু সমান ও প্রত্যেকটি কোণ এক সমকোণ - যখন চতুর্ভুজটির চার বাহু সমান ও এক কোণ এক সমকোণ - যখন চতুর্ভুজটি সামান্তরিক, বাহুগুলি পরস্পর সমান ও এক কোণ এক সমকোণ।
৪৯.
পাঁচ অঙ্কের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা কোনটি?
ক
৯৯৯৯৯
খ
৯৮৭৬৫
গ
১২৩৪৫
ঘ
১০০০০
সঠিক উত্তর: ঘ
১০০০০
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
১০০০০
ঘ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: পাঁচ অঙ্কের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা কোনটি?
সমাধান: পাঁচ অঙ্কের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা = ১০০০০ পাঁচ অঙ্কের বৃহত্তম সংখ্যা = ৯৯৯৯৯
৫০.
৩, ৫, ৬ ও ৮ এর ল.সা.গু কত?
ক
৮০
খ
১৬
গ
১২০
ঘ
১৪০
সঠিক উত্তর: গ
১২০
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
১২০
গ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৩, ৫, ৬ ও ৮ এর ল.সা.গু কত?
সমাধান: ৩, ৫, ৬ ও ৮ এর ল.সা.গু = ১২০
৫১.
একটি সংখ্যার তিন গুণের সাথে দ্বিগুণ যোগ করলে ৯০ হয়, সংখ্যাটি কত?
ক
১৮
খ
১৬
গ
২০
ঘ
২৪
সঠিক উত্তর: ক
১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
১৮
ক
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সংখ্যার তিন গুণের সাথে দ্বিগুণ যোগ করলে ৯০ হয়, সংখ্যাটি কত?
সমাধান: সংখ্যাটি x প্রশ্নমতে, ৩x + ২x = ৯০ বা, ৫x = ৯০ ∴ x = ১৮
৫২.
২৫৩ ডিগ্রি কোণকে কী বলে?
ক
সূক্ষ্মকোণ
খ
স্থূলকোণ
গ
পূরক কোণ
ঘ
প্রবৃদ্ধ কোণ
সঠিক উত্তর: ঘ
প্রবৃদ্ধ কোণ
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
প্রবৃদ্ধ কোণ
ঘ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ২৫৩ ডিগ্রি কোণকে কী বলে?
সমাধান: প্রবৃদ্ধ কোণ (Reflex angle ): দুই সমকোণ থেকে বড় কিন্তু চার সমকোণ থেকে ছোট কোণকে প্রবৃদ্ধ কোণ বলা হয়। ২৫৩ হলো প্রবৃদ্ধ কোণ।
৫৩.
১ হেক্টোমিটার কত মিটার?
ক
৫ মি.
খ
১০ মি.
গ
১৫০ মি.
ঘ
১০০ মি.
সঠিক উত্তর: ঘ
১০০ মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
১০০ মি.
ঘ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১ হেক্টোমিটার কত মিটার?
সমাধান: ১ মিটার = ১০০ সেন্টিমিটার; ১ ডেকামিটার = ১০ মিটার ১ হেক্টোমিটার = ১০০ মিটার ১ ডেসিমিটার = ০.১ মিটার
৫৪.
ক ও খ একটি কাজ ১২ দিনে করতে পারে। ক- একা কাজটি ২০ দিনে করতে পারে। খ- একা কাজটি কতদিনে করতে পারবে?
ক
৩০
খ
২৫
গ
৩৫
ঘ
৪০
সঠিক উত্তর: ক
৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
৩০
ক
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ক ও খ একটি কাজ ১২ দিনে করতে পারে। ক একা কাজটি ২০ দিনে করতে পারে। খ একা কাজটি কতদিনে করতে পারবে?
সমাধান: ক ও খ একত্রে ১২ দিনে করতে পারে ১ টি কাজ ক ও খ একত্রে ১ দিনে করতে পারে কাজের ১/১২ অংশ
ক একা ২০ দিনে করতে পারে ১ টি কাজ ক একা ১ দিনে করতে পারে কাজটির ১/২০ অংশ
খ একা ১ দিনে করতে পারবে = কাজের (১/১২ - ১/২০) অংশ = ১/৩০ অংশ
খ একা ১/৩০ অংশ করতে পারে ১ দিনে খ একা সম্পূর্ণ অংশ করতে পারে ৩০ দিনে
৫৫.
৯, ০, ৭, ৮- এর গড় কত?
ক
৪
খ
৬
গ
৭
ঘ
৮
সঠিক উত্তর: খ
৬
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
৬
খ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৯, ০, ৭, ৮- এর গড় কত?
সমাধান: ৯, ০, ৭, ৮ এর সমষ্টি = ৯ + ০ + ৭ + ৮ = ২৪ ৯, ০, ৭, ৮ এর গড় = ২৪/৪ = ৬
৫৬.
৩ কোন সংখ্যার ৭৫%?
ক
৮
খ
১৬
গ
২
ঘ
৪
সঠিক উত্তর: ঘ
৪
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
৪
ঘ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৩ কোন সংখ্যার ৭৫%?
সমাধান: ক এর ৭৫% = ৩ বা, ক এর ৭৫/১০০ = ৩ বা, ক এর ৩/৪ = ৩ বা, ৩ক/৪ = ৩ বা, ৩ক = ৩ × ৪ বা, ক = (৩ × ৪)/৩ ∴ ক = ৪
৫৭.
১ মাইল = কত কিলোমিটার
ক
১.৬০৯ কি.মি.
খ
০.৬২ কি.মি.
গ
১ কি.মি.
ঘ
১.১ কি.মি.
সঠিক উত্তর: ক
১.৬০৯ কি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
১.৬০৯ কি.মি.
ক
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১ মাইল = কত কিলোমিটার?
সমাধান: ১ মাইল = ১.৬০৯ কিলোমিটার ১ কিলোমিটার = ০.৬২১৩ মাইল। ১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫২ কিলোমিটার
৫৮.
তিনটি বইয়ের দাম যথাক্রমে ২২ টাকা, ২৭ টাকা ও ২০ টাকা হলে বইগুলোর গড় দাম কত?
ক
২৪ টাকা
খ
২৩ টাকা
গ
২৬ টাকা
ঘ
২৫ টাকা
সঠিক উত্তর: খ
২৩ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
২৩ টাকা
খ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: তিনটি বইয়ের দাম যথাক্রমে ২২ টাকা ২৭ টাকা ও ২০ টাকা হলে বইগুলোর গড় দাম কত?
সমাধান: ১ম পদ = ৩ ২য় পদ = ৩ + ৩ = ৬ ৩য় পদ = ৬ + ৩ = ৯ ৪র্থ পদ = ৯ + ৩ = ১২ ৫ম পদ = ১২ + ৩ = ১৫
প্রশ্নের ভাষা স্পষ্ট নয়, তাই সঠিক উত্তর নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
৬১.
'রূপকল্প ২০৪১' হলো একটি-
ক
চুক্তি
খ
স্বপ্ন
গ
পরিকল্পনা
ঘ
বই
সঠিক উত্তর: গ
পরিকল্পনা
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
পরিকল্পনা
গ
ব্যাখ্যা
রূপকল্প-২০৪১:
- ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে উন্নত দেশের কাতারে সামিল করার লক্ষ্য সামনে রেখে পরিকল্পনা 'রূপকল্প ২০৪১'। - ২০২১ সাল থেকে ২০৪১ সালের মধ্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৯.৯ শতাংশ। - গড় মাথাপিছু আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৬ হাজার ৯৯৪ মার্কিন ডলার। - প্রত্যাশিত গড় আয়ুষ্কাল ৮০ বছর। - এ সময়ের মধ্যে বিনিয়োগ দাঁড়াবে ৪৬.৯ শতাংশ এবং রাজস্ব আদায়ের হার দাঁড়াবে ২৪.১শতাংশ। - রূপকল্প ২০৪১ এর খসড়া জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন দেন কমিটির চেয়ারপারসন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। - দারিদ্র্য নিরসন, আয়বৈষম্য হ্রাস, নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, রফতানি বহুমুখীকরণ, বৈদেশিক বাণিজ্য ও লেনদেনে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা, টেকসই বিদ্যুত ও জ্বালানি ব্যবস্থাপনা, টেকসই উন্নয়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার মতো ইস্যুগুলোকে সামনে রেখে এই রূপকল্প প্রণয়ন করার কথা বলা হয়েছে।
তথ্যসূত্র - দৈনিক ইনকিলাব, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০।
৬২.
চীনের মুদ্রার নাম কী?
ক
ডলার
খ
ইউয়ান
গ
রুপী
ঘ
ইয়েন
সঠিক উত্তর: খ
ইউয়ান
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
ইউয়ান
খ
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন দেশের মুদ্রা:
- স্পেনের মুদ্রার নাম ইউরো। - ফ্রান্সের মুদ্রার নাম ইউরো। - যুক্তরাজ্যের মুদ্রার নাম পাউন্ড। - যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রার নাম ডলার। - জাপানের মুদ্রার নাম ইয়েন। - উত্তর কোরিয়ার মুদ্রার নাম উন। - ভিয়েতনামের মুদ্রার নাম ডং। - ফিলিপাইনের মুদ্রার নাম পেসো । - মিয়ানমারের মুদ্রার নাম কিয়াট। - ভুটানের মুদ্রার নাম গুলট্রাম। - চীনের মুদ্রার নাম ইউয়ান। - ভিয়েতনামের মুদ্রার নাম ডং। - নেপালের মুদ্রার নাম রুপি।
তথ্যসূত্র - Britannica.com
৬৩.
কোন সালে Dacca বানান Dhaka করা হয়?
ক
১৯৮০
খ
১৯৮২
গ
১৯৮৪
ঘ
১৯৮৬
সঠিক উত্তর: খ
১৯৮২
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
১৯৮২
খ
ব্যাখ্যা
ঢাকার বানান পরিবর্তন:
- ব্রিটিশ শাসনামলে বর্তমান রাজধানী ঢাকার নাম ছিল ইংরেজি বানানে ‘Dacca’। - এই ‘Dacca’ (ডাক্কা) থেকে Dhaka (ঢাকা) নামকরণ করেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জেনারেল এরশাদ। - জেনারেল এরশাদ সরকারের সময় ১৯৮২ সালে এই পরিবর্তন আনা হয়।
তথ্যসূত্র - দৈনিক যুগান্তর, ১৪ জুলাই ২০১৯।
৬৪.
শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক কোথায়?
ক
ঢাকা
খ
কারওয়ানবাজার
গ
যশোর
ঘ
গাজীপুর
সঠিক উত্তর: গ
যশোর
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
যশোর
গ
ব্যাখ্যা
সফটওয়্যার টেকনোলোজি পার্ক:
- ‘শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলোজি পার্ক' বেজপাড়া, যশোর অবস্থিত। - ২০১৭ সালের ১০ ডিসেম্বর গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আইটি পার্কটি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। - এর মাধ্যমে দেশের আইসিটি খাতে সম্ভাবনার নতুন দুয়ার উন্মোচিত হয়। - “শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক" করতে সরকারের ব্যয় হয়েছে ৩১০ কোটি টাকা। - বেসরকারি প্রতিষ্ঠান টেক সিটি শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে। - বাংলাদেশের প্রথম হাইটেক পার্ক শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক। - শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে রয়েছে ডেটা সংরক্ষণের জন্য দেশের দ্বিতীয় সার্ভার স্টেশন। - গাজীপুরের কালিয়াকৈরে অবস্থিত প্রথম সার্ভার স্টেশনে কোনো সমস্যা হলে সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় তথ্য এখান থেকেই উদ্ধার করা যাবে।
তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৬৫.
বাংলাদেশ মহাকাশে স্যাটেলাইট প্রেরণকারী কততম দেশ?
ক
৩৭তম
খ
৪৭তম
গ
৫৭তম
ঘ
৬৭তম
সঠিক উত্তর: গ
৫৭তম
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
৫৭তম
গ
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১: - বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ নির্মাণ করেছে বিশ্বের অন্যতম খ্যাতনামা স্যাটেলাইট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ফ্রান্সের থেলেস এলেনিয়া স্পেস। - বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের গায়ে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকার রঙের নকশার ওপর ইংরেজিতে লেখা রয়েছে বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু ১। - বাংলাদেশ সময় ১১ মে, ২০১৮ তারিখে রাত ২টা ১৪ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারের উৎক্ষেপণ মঞ্চ থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ১ মহাকাশে পাঠানো হয়। - ফ্যালকন ৯ রকেটের নতুন সংস্করণ ব্লক ফাইভ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটকে নিয়ে যাত্রা করে নিজস্ব কক্ষপথে। - রকেট উৎক্ষেপণের আধা ঘণ্টাখানেক পর স্যাটেলাইটটি কাঙ্ক্ষিত জিওস্টেশনারি ট্রান্সফার অরবিটে পৌঁছায়। - এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সম্প্রচার, টেলিযোগাযোগ ও ডেটা কমিউনিকেশন সেবা পাওয়া যাবে। - এর মাধ্যমে বিশ্বের ৫৭তম স্যাটেলাইট সদস্য দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলো বাংলাদেশ।
তথ্যসূত্র- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১, portal.gov.bd
৬৬.
দেশের নবম ইপিজেড কোন জেলায় স্থাপিত হবে?
ক
বরগুনা
খ
রাজবাড়ী
গ
পটুয়াখালী
ঘ
রাজশাহী
সঠিক উত্তর: গ
পটুয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
পটুয়াখালী
গ
ব্যাখ্যা
নবম ইপিজেড:
- দেশের নবম ইপিজেড স্থাপিত হবে পটুয়াখালী জেলায়। - পটুয়াখালী সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের পঁচাকোড়ালিয়া গ্রামে হচ্ছে এই ইপিজেড। - এর আয়তন ৪১০ দশমিক ৭৮ একর। - ৩০৬ শিল্প প্লট নিয়ে ১ হাজার ৪৪৩ কোটি টাকা খরচে 'পটুয়াখালী রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা' বা ইপিজেড স্থাপিত হচ্ছে। - প্রকল্পের আওতায় রাস্তা, ড্রেন নির্মাণের পাশাপাশি ৪টি ৬ তলা কারখানা ভবন, ৩টি ১০ তলা, ৪টি ৬ তলা আবাসিক ভবন, একটি ৬ তলা ও ২টি ৪ তলা অফিস ভবন এবং ২টি অন্যান্য ভবন নির্মাণ করা হবে। - এ ছাড়াও, বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য ১৪টি ১১/০.৪১৫ কেভি সাবস্টেশন, ১৫ কিলোমিটার ১১ কেভি এইচটি লাইন ও একটি ৩৩/১১ কেভি জিআইএস সাবস্টেশন নির্মাণ ও একটি হেলিপ্যাড নির্মাণ করা হবে।
তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার, সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৩।
৬৭.
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম তারিখ কোনটি?
ক
২২শে শ্রাবণ
খ
২৫শে শ্রাবণ
গ
২৫শে বৈশাখ
ঘ
২২শে আষাঢ়
সঠিক উত্তর: গ
২৫শে বৈশাখ
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
২৫শে বৈশাখ
গ
ব্যাখ্যা
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর: - তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক। - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে। - তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর। - এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন। - রবীন্দ্রনাথ ছিলেন দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের চতুর্দশ সন্তান। - ১৮৮৩ সালের ৯ ডিসেম্বর বেণীমাধব রায়চৌধুরীর মেয়ে মৃণালিনী দেবী রায়চৌধুরীকে বিয়ে করেন রবীন্দ্রনাথের ঠাকুর। - তিনি ১৯১৫ সালে ইংরেজ প্রদত্ত ‘নাইট’ উপাধি পান এবং ১৯১৯ সালে পাঞ্জাবের জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের কারণে ‘নাইট’ উপাধি ফিরিয়ে দেন। - ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২ শ্রাবণ ১৩৪৮) জোড়াসাঁকোর নিজ বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৬৮.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মনোগ্রামে কতটি তারকা চিহ্ন আছে?
ক
৪টি
খ
৫টি
গ
৩টি
ঘ
২টি
সঠিক উত্তর: ক
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
৪টি
ক
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রীয় মনোগ্রাম:
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রাম হচ্ছে লাল রঙের বৃত্তের মাঝে হলুদ রঙের বাংলাদেশের মানচিত্র। - বৃত্তের উপর দিকে লেখা 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ' নিচে লেখা 'সরকার' এবং বৃত্তের দু'পাশে দু'টি করে মোট চারটি তারকা। - বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামের ডিজাইনার এ. এন. সাহা।
তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬৯.
বাংলায় সর্ব প্রাচীন জনপদের নাম কী?
ক
সমতট
খ
গৌড়
গ
পুণ্ড্র
ঘ
রাঢ়
সঠিক উত্তর: গ
পুণ্ড্র
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
পুণ্ড্র
গ
ব্যাখ্যা
পুণ্ড্র জনপদ:
- প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুণ্ড্রই ছিল বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন ও সমৃদ্ধ রাজ্য। - পুণ্ড্র ‘জন' বা জাতি এ জনপদ গঠন করেছিল। - পুণ্ড্ররা বঙ্গসহ অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নিকটজন ছিল। - পুন্ড্রদের রাজ্যের রাজধানীর নাম পুন্ড্রনগর। - বর্তমান বগুড়া শহরের অদূরে করতোয়া নদীর তীরে পুন্ড্রনগর অবস্থিত। - পরবর্তী কালে এর নাম মহাস্থানগড় হয়। - এ রাজ্যের বিস্তৃতি বর্তমান বগুড়া, রংপুর, রাজশাহী ও দিনাজপুর পর্যন্ত ছিল। - পুণ্ড্র রাজ্যের উত্তর অংশের নাম বরেন্দ্র, বরেন্দ্রী অথবা বরেন্দ্রভূমি ছিল। - রাজশাহী অঞ্চলকে এখনও বরেন্দ্র বলা হয়ে থাকে। ক্রমবর্ধমান সমৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পুণ্ড্র ৫ম-৬ষ্ঠ শতকে পুণ্ড্র বর্ধন নামে পরিচিত হয়। - গুপ্ত যুগে (৪র্থ- ৬ষ্ঠ শতকে) পুণ্ড্র নগর ছিল গুপ্তদের প্রাদেশিক রাজধানী। - পুন্ড্র জনপদে একটি উন্নত নগর সভ্যতা ছিল।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম- দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
৭০.
মুজিববর্ষের লগো কে ডিজাইন করেন?
ক
ধ্রুব এষ
খ
সব্যসাচী হাজরা
গ
নিতুন কুণ্ডু
ঘ
ধ্রুব আইচ
সঠিক উত্তর: খ
সব্যসাচী হাজরা
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
সব্যসাচী হাজরা
খ
ব্যাখ্যা
মুজিব বর্ষ:
- মুজিব বর্ষের লোগোর ডিজাইনার সব্যসাচী হাজরা। - মুজিব বর্ষ-বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী (জন্ম ১৭ মার্চ ১৯২০)। - মুজিব বর্ষের সময়কাল ১৭ মার্চ ২০২০ - ৩১ মার্চ ২০২২ সাল। - ‘মুজিব বর্ষ’ ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। - মুজিব বর্ষের ক্ষণগণনা শুরু হয় ১০ জানুয়ারি ২০২০ থেকে। - মুজিব বর্ষের ক্ষণগণনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দর, ঢাকা। - তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দরে মুজিব বর্ষের ক্ষণগণনা উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। - প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ১০ জানুয়ারি ২০২০ সালে মুজিব বর্ষের লোগো উন্মোচন করেন।
[বি.দ্র: প্রথমে ১৭ মার্চ, ২০২০ থেকে ২৬শে মার্চ, ২০২১ সাল পর্যন্ত সময়কে মুজিববর্ষ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে, বৈশ্বিক করোনা মহামারির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ সরকার সম্প্রতি ‘মুজিববর্ষ’ এর সময়সীমা পুনঃনির্ধারণ করে।]