পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

পরীক্ষাবার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন২৯
সিলেবাস
Exam - 7 Penal Code-1860: Test-3 Topic ➝ Section 403-511 • Offences against property (Criminal Misappropriation of Property, Criminal Breach of Trust, the Receiving of Stolen Property, Cheating, Fraudulent Deeds and Dispositions of Property, Mischief, Criminal Trespass, the loss of property of Banking Company) • Offences relating to documents and to trade or property marks • The criminal breach of contracts of service • Offences relating to marriage • Defamation • Criminal intimidation, insult, prejudicial act and annoyance • Attempts to commit offences
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬ · তারিখ অনির্ধারিত · ২৯ প্রশ্ন

.
‘E’ রাস্তায় একটি মূল্যবান আংটি পায়, মালিকের খোঁজ না করে তা অবিলম্বে বিক্রি করে দেয়। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর বিধান অনুসারে এই অপরাধের নাম কী?
  1. চুরি
  2. প্রতারণা
  3. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ 
  4. অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ
সঠিক উত্তর:
অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪০৩ অনুসারে, কোনো চলমান সম্পত্তি অসাধুভাবে আত্মসাৎ করা বা নিজের ব্যবহারের জন্য রূপান্তর করা অপরাধমূলক সম্পত্তি অপচয় (অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ) হিসেবে গণ্য। ধারা ৪০৩-এর উদাহরণ (f) অনুসারে, ‘E’ রাস্তায় একটি মূল্যবান আংটি পেয়েছে এবং মালিকের খোঁজ না করে তা অবিলম্বে বিক্রি করে দিয়েছে, যা অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ।
সুতরাং, ‘E’-এর কাজ ধারা ৪০৩ অনুসারে অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ।

(f) A finds a valuable ring, not knowing to whom it belongs. A sells it immediately without attempting to discover the owner. A is guilty of an offence under section 403 of The Penal Code, 1860.

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারার বিধান অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ:
কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে কোন অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে অথবা উহা তার নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কিছু সময়ের জন্য একটি অসাধু আত্মসাৎও এই ধারা অনুযায়ী আত্মসাৎ বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ২:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তি কারো দখলে নাই দেখতে পেয়ে সম্পত্তিটি উহার মালিকের স্বপক্ষে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে অথবা মালিককে প্রত্যর্পণের উদ্দেশ্যে উহা নিয়ে যায়, তবে সে অসাধুভাবে উহা নিয়ে গিয়েছে বা আত্মসাৎ করেছে বলে পরিগণিত হবে না এবং কোন অপরাধে অপরাধী হবে না; কিন্তু সে উপরে বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে যদি সে সম্পত্তিটির মালিককে জানা সত্ত্বেও বা মালিককে খুঁজে বাহির করার উপায় থাকা সত্ত্বেও উহা নিজের কাজে ব্যবহার করে, অথবা যদি সে মালিককে খুঁজে বাহির করার ও তাকে বিজ্ঞাপিত করার জন্য যুক্তিসংগত মাধ্যম অবলম্বনের উদ্দেশ্যে যথোপযুক্ত সময় পর্যন্ত সম্পত্তিটি সংরক্ষণ না করে উহা তার নিজের কাজে ব্যবহার করে।
অনুরূপ ক্ষেত্রে যুক্তিসংগত মাধ্যম কি এবং যথোপযুক্ত সময় কত দীর্ঘ হবে তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন। সম্পত্তিটি প্রাপকের পক্ষে উহার যথার্থ মালিককে তা জানার বা কোন বিশেষ ব্যক্তি যে উহার মালিক তা জানার আবশ্যক নাই; যদি সে সম্পত্তিটি আত্মসাৎ করার সময় উহা যে তার নয় তা বিশ্বাস করে বা সরল মনে বিশ্বাস করে যে, প্রকৃত মালিককে খুঁজে বাহির করা সম্ভব নয়, তবে তাই যথেষ্ট হবে।

⇒The Penal Code, 1860, Section 403. Dishonestly misappropriation of property:
-Whoever dishonestly misappropriates or converts to his own use any moveable property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
Explanation-1.-A dishonest misappropriation for a time only is a misappropriation within the meaning of this section. 
Explanation-2.-A person who finds property not in the possession of any other person, and takes such property for the purpose of protecting it for, or of restoring it to, the owner, does not take or misappropriate it dishonestly, and is not guilty of an offence; but he is guilty of the offence above defined, if he appropriates it to his own use, when he knows or has the means of discovering the owner, or before he has used reasonable means to discover and give notice to the owner and has kept the property a reasonable time to enable the owner to claim it. 
What are reasonable means or what is a reasonable time in such a case, is a question of fact. 
It is not necessary that the finder should know who is the owner of the property, or that any particular person is the owner of it, it is sufficient if, at the time of appropriating it, he does not believe it to be his own property, or in good faith believes that the real owner cannot be found.

.
‘B’ Z-কে হত্যা করার উদ্দেশ্যে তার খাবারে বিষ মেশায়, কিন্তু Z খাবার না খাওয়ায় হত্যা সংঘটিত হয় না। দণ্ডবিধির কোন ধারায় অনুসারে 'B' এর কাজটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ?
  1. ১১৮ ধারা
  2. ১২০ক ধারা
  3. ৫০৭ ধারা
  4. ৫১১ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫১১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫১১ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৫১১ অনুসারে, যে কেউ এমন কোনো অপরাধ করার চেষ্টা করে, যা দণ্ডবিধিতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা কারাদণ্ড দ্বারা শাস্তিযোগ্য, এবং সেই চেষ্টায় অপরাধ সংঘটনের দিকে কোনো কাজ করে, তবে তা শাস্তিযোগ্য। এই ধারা অনুসারে, যদি অপরাধের চেষ্টার জন্য আলাদা শাস্তির বিধান না থাকে, তবে শাস্তি হবে মূল অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তির অর্ধেক পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। এখানে, ‘B’ Z-কে হত্যা করার উদ্দেশ্যে তার খাবারে বিষ মেশায়, যা হত্যার চেষ্টা (Attempt to Murder) হিসেবে গণ্য। হত্যা (ধারা ৩০২) এর শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং জরিমানা। তবে, হত্যার চেষ্টার জন্য ধারা ৩০৭ অনুসারে শাস্তি ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। যেহেতু এটি চেষ্টার অপরাধ এবং ধারা ৫১১ এর আওতায় পড়ে, তাই এটি ধারা ৫১১ এর অধীনেও বিবেচিত হয়।

অর্থাৎ ‘B’-এর কাজ, অর্থাৎ Z-কে হত্যার উদ্দেশ্যে বিষ মেশানো, ধারা ৫১১ (এবং ধারা ৩০৭) অনুসারে হত্যার চেষ্টা হিসেবে শাস্তিযোগ্য। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ঘ) ৫১১ ধারা।

⇒ দণ্ডবিধির ৫১১ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগের সাজা:-
কোন ব্যক্তি যদি এই বিধিবলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটন করার অথবা অনুরূপ কোন অপরাধ সংঘটন করানোর উদ্যোগ করে এবং অনুরূপ উদ্যোগের মাধ্যমে অপরাধটি সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কাজ করে, তবে যেক্ষেত্রে অনুরূপ উদ্যোগের সাজার জন্য এই বিধিতে কোন প্রকাশ্য বিধান করা হয় নাই, সেক্ষেত্রে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য সে ধরনের অপরাধের জন্য বিহিত দণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের অর্ধেক পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা সে অপরাধটির জন্য যে অর্থ দণ্ডেও বিধান করা হয়েছে সে অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
উদাহরণ:
(ক) 'ক' একটি বাক্স ভেঙ্গে কিছু গহনাপত্র চুরি করার উদ্যোগ করে। সে বাক্সটি ভেঙ্গে দেখতে পায় যে, উহাতে কোন গহনাপত্র নাই। সে চুরির উদ্দেশ্যে এই কাজটি করেছে; সুতরাং সে এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।
(খ) 'ক', 'চ'- এর পকেটে হাত দিয়ে চ-এর পকেট মারার উদ্যোগ নেয়। 'চ'- এর পকেটে কিছু ছিল না বলে ক-এর চেষ্টা ব্যর্থ হয়। 'ক' এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।
----------- 
⇒ The Penal Code, 1860,Section 511- Punishment for attempting to commit offences punishable with imprisonment for life or imprisonment:
Whoever attempts to commit an offence punishable by this Code with imprisonment for life or imprisonment, or to cause such an offence to be committed, and in such attempt does any act towards the commission of the offence, shall, where no express provision is made by this Code for the punishment of such attempt, be punished with imprisonment of any description provided for the offence, for a term which may extend to one-half of the longest term of imprisonment provided for that offence, or with such fine as is provided for the offence, or with both.

Illustration:
(a) A makes an attempt to steal some jewels by breaking open a box, and finds after so opening the box, that there is no jewel in it. He has done an act towards the commission of theft, and therefore is guilty under this section. 
(b) A makes an attempt to pick the pocket of Z by thrusting his hand into Z's pocket. A fails in the attempt in consequence of Z's having nothing in his pocket. A is guilty under this section.

.
‘A’ ‘Z’-এর দেওয়া ১০,০০০ টাকার একটি ক্রেডিট লেটারে একটি শূন্য যোগ করে তা ১,০০,০০০ টাকা করে এবং এটি ‘Z’-এর দ্বারা লিখিত বলে বিশ্বাস করার উদ্দেশ্যে ‘B’-কে প্রতারিত করে। দণ্ডবিধির ৪৬৫ ধারা অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ২ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  4. ১০ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৬৩ অনুসারে, কোনো ব্যক্তি যদি প্রতারণার উদ্দেশ্যে বা ক্ষতি করার, সম্পত্তি হস্তান্তর করানোর, বা চুক্তিতে প্রবেশ করানোর উদ্দেশ্যে মিথ্যা দলিল তৈরি করে, তবে তা জালিয়াতি (Forgery) হিসেবে গণ্য। এখানে, ‘A’ ‘Z’-এর দেওয়া ১০,০০০ টাকার ক্রেডিট লেটারে একটি শূন্য যোগ করে তা ১,০০,০০০ টাকা করেছে, যা ধারা ৪৬৪-এর দ্বিতীয় উপায়ে (দলিলে অসাধুভাবে পরিবর্তন) জালিয়াতি। ধারা ৪৬৫ অনুসারে, জালিয়াতির শাস্তি হলো ২ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই।

অর্থাৎ ‘A’-এর কাজ ধারা ৪৬৩ এবং ৪৬৪-এর অধীনে জালিয়াতি হিসেবে গণ্য, এবং ধারা ৪৬৫ অনুসারে সর্বোচ্চ শাস্তি ২ বছরের কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ক) ২ বছরের কারাদণ্ড।

⇒ The Penal Code, 1860-Section-465. Punishment for forgery:
- Whoever commits forgery shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

.
দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৫০ অনুসারে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে গৃহ-অনধিকার প্রবেশের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  3. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১০ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪৫০ অনুসারে: "যে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য কোনো অপরাধ (যেমন: ডাকাতি, খুন ছাড়াও অন্যান্য গুরুতর অপরাধ) করার উদ্দেশ্যে গৃহ-অনধিকার প্রবেশ (House-trespass) করে, তাকে  ১০ বছরের কারাদণ্ড দিতে হবে, এবং জরিমানাও করা যেতে পারে।"

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৫০ অনুসারে, যে কেউ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধ (যেমন হত্যা, ডাকাতি, বা গুরুতর অপরাধ) সংঘটনের উদ্দেশ্যে গৃহে অনধিকার প্রবেশ (House-trespass) করে, তার শাস্তি হলো ১০ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড এবং জরিমানা।
এখানে সর্বোচ্চ শাস্তি হলো ১০ বছরের কারাদণ্ড।
উল্লেখ্য, 
- এটি ধারা ৪৪৯ থেকে আলাদা, যা মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ (যেমন: খুন) করার উদ্দেশ্যে গৃহভঙ্গের জন্য যাবজ্জীবন বা ১০ বছর কারাদণ্ডের বিধান দেয়।
- ধারা ৪৫০ এ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধের জন্যশাস্তি ১০ বছর কারাদণ্ড (যাবজ্জীবন নয়)।
--------- 
⇒ The Penal Code,1860-Section: 450. House-trespass in order to commit offence punishable with imprisonment for life:
-Whoever commits house-trespass in order to the committing of any offence punishable with imprisonment for life, shall be punished with imprisonment of either description for a term not exceeding ten years, and shall also be liable to fine.

.
দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারা অনুসারে "অপথে গৃহে প্রবেশ বা House breaking" হওয়ার জন্য কয়টি উপায়ের কথা উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ৪টি উপায়
  2. ৫টি উপায়
  3. ৬টি উপায়
  4. ৮টি উপায়
সঠিক উত্তর:
৬টি উপায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি উপায়
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪৪৫ অনুসারে, "House-breaking" বা "গৃহভঙ্গ" সংঘটিত হয় যখন কেউ house-trespass commits করে নিম্নলিখিত ৬টি নির্দিষ্ট উপায়ের যে কোনো একটিতে প্রবেশ বা প্রস্থান করার মাধ্যমে:
প্রথমত: নিজে বা অপরাধের সহায়ক দ্বারা তৈরি করা passage দিয়ে প্রবেশ বা প্রস্থান করা।
দ্বিতীয়ত: কোনো এমন passage দিয়ে প্রবেশ বা প্রস্থান করা যা মানুষের প্রবেশের জন্য উদ্দেশ্য নয় (যেমন: ছাদ, চিমনি) বা দেয়াল টপকে প্রবেশ করা।
তৃতীয়ত: এমন কোনো passage দিয়ে প্রবেশ বা প্রস্থান করা যা trespasser বা তার সহায়ক দ্বারা খোলা হয়েছে এবং যা গৃহowner দ্বারা খোলার উদ্দেশ্য ছিল না (যেমন: জানালা ভাঙা)।
চতুর্থত: তালা ভেঙে বা খুলে প্রবেশ বা প্রস্থান করা।
পঞ্চমত: criminal force বা assault ব্যবহার করে বা assault-এর threat দিয়ে প্রবেশ বা প্রস্থান করা।
ষষ্ঠত: এমন কোনো passage দিয়ে প্রবেশ বা প্রস্থান করা যা trespasser জানে যে বন্ধ ছিল এবং সে বা তার সহায়ক এটি খুলেছে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর গ) ৬টি উপায়।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারায় অপথে গৃহে প্রবেশের বিধান রয়েছে। ৪৪৫ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৬টি উপায়ে কোন গৃহে প্রবেশ করলে বা গৃহ থেকে বের হলে তা অপথে গৃহে প্রবেশ বা House breaking বলে গণ্য হবে। যথা-
i) বন্ধ দরজা বা পথ খুলে (Opening any passage fastended for );
ii) তালা খুলে বা ভেঙ্গে (Opening or breaking lock);
iii) নতুন পথ তৈরি করে (Passage made by him);
iv) আক্রমন বা বলপ্রয়োগের ভয় দেখিয়ে (Using criminal force);
v) আটকানো কোন কিছুকে খুলে বা অন্যভাবে মুক্ত করে অস্বাভাবিক পন্থায় ভিতরে প্রবেশ করা বা নির্গমন হওয়া; অথবা
vi) প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য নয় এমন পথ দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে অপথে গৃহ প্রবেশ (house breaking) এর অপরাধ হবে।
------
⇒ The Penal Code,1860-Section: 445: House-breaking: A person is said to commit “house-breaking" who commits house-trespass if he effects his entrance into the house or any part of it in any of the six ways hereinafter described; or if, being in the house or any part of it for the purpose of committing an offence, or, having committed an offence therein, he quits the house or any part of it in any of such six ways, that is to say:
Firstly.-If he enters or quits through a passage made by himself, or by any abettor of the house-trespass, in order to the committing of the house-trespass. 
Secondly.-If he enters or quits through any passage not intended by any person, other than himself or an abettor of the offence, for human entrance; or through any passage to which he has obtained access by scaling or climbing over any wall or building. 
Thirdly.-If he enters or quits through any passage which he or any abettor of the house-trespass has opened, in order to the committing of the house-trespass by any means by which that passage was not intended by the occupier of the house to be opened. 
Fourthly.-If he enters or quits by opening any lock in order to the committing of the house-trespass, or in order to the quitting of the house after a house-trespass. 
Fifthly.-If he effects his entrance or departure by using criminal force or committing an assault, or by threatening any person with assault. 
Sixthly.-If he enters or quits by any passage which he knows to have been fastened against such entrance or departure, and to have been unfastened by himself or by an abettor of the house-trespass. 
Explanation- Any out-house or building occupied with a house, and between which and such house there is an immediate internal communication, is part of the house within the meaning of this section.

.
দণ্ডবিধির ধারা ৫০৩ অনুযায়ী অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছর কারাদণ্ড 
  2. ২ বছর কারাদণ্ড 
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড 
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড 
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড 
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৫০৩ অনুসারে, অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন (Criminal Intimidation) হলো কোনো ব্যক্তিকে তার ব্যক্তি, সুনাম, বা সম্পত্তির ক্ষতির হুমকি দেওয়া, অথবা তার কোনো আগ্রহী ব্যক্তির ক্ষতির হুমকি দেওয়া, যাতে সে ভীত হয়, বা এমন কাজ করতে বাধ্য হয় যা করতে সে আইনত বাধ্য নয়, বা এমন কাজ না করতে বাধ্য হয় যা করার জন্য সে আইনত অধিকারী। ধারা ৫০৬ অনুসারে, অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের সাধারণ শাস্তি হলো ২ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই।
তবে, যদি হুমকিটি মৃত্যু, গুরুতর আঘাত, সম্পত্তির অগ্নিসংযোগ, বা নারীর সতীত্বের অপবাদের হয়, তবে শাস্তি ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। প্রশ্নে নির্দিষ্টভাবে এই ধরনের গুরুতর হুমকির উল্লেখ নেই, তাই সাধারণ শাস্তি প্রযোজ্য। তাছাড়া ৭ বছর অপশনে না থাকায় '২ বছর কারাদণ্ড' সঠিক উত্তর।

অর্থাৎ ধারা ৫০৩ এবং ৫০৬ অনুসারে, অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের সাধারণ অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি হলো ২ বছর কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো খ) ২ বছর কারাদণ্ড।
-------- 
⇒ The Penal Code, 1860, Section- 503. Criminal intimidation:
Whoever threatens another with any injury to his person, reputation or property, or to the person or reputation of any one in whom that person is interested, with intent to cause to alarm to that person, or to cause that person to do any act which he is not legally bound to do, or to omit to do any act which that person is legally entitled to do, as the means of avoiding the execution of such threat, commits criminal intimidation.
Explanation.-A threat to injure the reputation of any deceased person in whom the person threatened is interested, is within this section.

⇒ The Penal Code, 1860, Section- 506-Punishment for criminal intimidation:
 Whoever commits the offence of criminal intimidation shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both;
and if the threat be to cause death or grievous hurt, or to cause the destruction of any property by fire, or to cause an offence punishable with death or imprisonment for life, or with imprisonment for a term which may extend to seven years, or to impute unchastity to a woman, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, or with fine, or with both.

.
"Cheating" এর সংজ্ঞা দণ্ডবিধির কোন ধারায় দেওয়া আছে?
  1. ৪১৫
  2. ৪১৬
  3. ৪১৭
  4. ৪২০
সঠিক উত্তর:
৪১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১৫
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪১৫-এ "প্রতারণা" (Cheating) এর সংজ্ঞা দেওয়া আছে। এই ধারায় বলা হয়েছে, যে কেউ কাউকে প্রতারিত করে অসাধুভাবে বা জালিয়াতিমূলকভাবে সম্পত্তি হস্তান্তর করতে প্ররোচিত করে, বা সম্পত্তি ধরে রাখার সম্মতি দেয়, অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে এমন কিছু করতে বা না করতে প্ররোচিত করে যা প্রতারিত না হলে সে করত না বা বাদ দিত না, এবং যা শারীরিক, মানসিক, খ্যাতি বা সম্পত্তির ক্ষতি বা সম্ভাব্য ক্ষতি করে, তবে তাকে প্রতারণা করা হয়েছে বলা হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১৫ ধারার বিধান প্রতারণা:- যদি কেউ কোন ব্যক্তিকে ছলনা করে প্রবঞ্চনামূলকভাবে বা অসাধুভাবে সে ব্যক্তিকে অন্য কাউকে কোন সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা কোন ব্যক্তির কোন সম্পত্তি রেখে দেওয়াতে সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে বা উদ্দেশ্যমূলকভাবে অনুরূপ প্রতারিত ব্যক্তিকে এমন কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে প্ররোচিত করে যে কাজ সে ব্যক্তি অনুরূপভাবে প্রতারিত না হলে করত না বা করা হতে বিরত থাকত না এবং যে কাজ করার বা করা হতে বিরত থাকার ফলে তার দেহের, মনের খ্যাতির বা সম্পত্তির দিক হতে ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে, তবে অনুরূপ ছলনাকারী 'প্রতারণা' করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা:- অসাধুভাবে তথ্য গোপন করা এই ধারার তাৎপর্যাধীনে ছলনা বলে পরিগণিত হবে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 415: Cheating:
- Whoever, by deceiving any person, fraudulently or dishonestly induces the person so deceived to deliver any property to any person, or to consent that any person shall retain any property, or intentionally induces the person so deceived to do or omit to do anything which he would not do or omit if he were not so deceived, and which act or omission causes or is likely to cause damage or harm to that person in body, mind, reputation or property, is said to "cheat".
Explanation:- A dishonest concealment of facts is a deception within the meaning of this section.

.
‘A’ তার পণ্যের প্যাকেজে এমন একটি মার্ক ব্যবহার করে যা ‘Z’-এর ট্রেড মার্কের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ, যাতে বিশ্বাস করা হয় যে পণ্যটি ‘Z’-এর তৈরি। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর বিধান অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড
  2. ২ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৮০ অনুসারে, কোনো ব্যক্তি যদি এমনভাবে পণ্য বা প্যাকেজে মার্ক ব্যবহার করে, যা যুক্তিসঙ্গতভাবে বিশ্বাস করায় যে পণ্যটি অন্য কারো তৈরি বা ব্যবসায়িক, তবে তা মিথ্যা ট্রেড মার্ক ব্যবহার হিসেবে গণ্য। ধারা ৪৮২ অনুসারে, মিথ্যা ট্রেড মার্ক ব্যবহারের শাস্তি হলো ১ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই, যদি না অভিযুক্ত প্রমাণ করতে পারে যে তার প্রতারণার উদ্দেশ্য ছিল না। এখানে, ‘A’ ‘Z’-এর ট্রেড মার্কের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ মার্ক ব্যবহার করে বিশ্বাস করিয়েছে যে পণ্যটি ‘Z’-এর তৈরি, যা মিথ্যা ট্রেড মার্ক ব্যবহার।
অর্থাৎ ‘A’-এর কাজ ধারা ৪৮০ এবং ৪৮২-এর অধীনে মিথ্যা ট্রেড মার্ক ব্যবহার হিসেবে গণ্য, এবং সর্বোচ্চ শাস্তি ১ বছরের কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ক) ১ বছরের কারাদণ্ড।

⇒ The Penal Code, 1860-Section- 482.Punishment for using a false trade mark or property mark:
Whoever use any false trade mark or any false property mark shall, unless he proves that he acted without intent to defraud, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.

.
রাতের বেলায় গোপনে গৃহ-অনধিকার প্রবেশ বা ভাঙচুরের সময়, যদি কেউ স্বেচ্ছায় কোনো ব্যক্তিকে মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত করতে চেষ্টা করে, তাহলে অপরাধে সহ-সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বোচ্চ কী শাস্তি দেওয়া যেতে পারে?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ১০ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. ১৪ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৬০ অনুসারে, রাত্রিকালীন গোপনে গৃহে অনধিকার প্রবেশ (Lurking House-Trespass by Night) বা রাত্রিকালীন গৃহভঙ্গ (House-Breaking by Night) এর সময় যদি কোনো জড়িত ব্যক্তি স্বেচ্ছায় কাউকে মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত করার চেষ্টা করে, তবে এই অপরাধে যৌথভাবে জড়িত সকল ব্যক্তির শাস্তি হলো যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা ১০ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড এবং জরিমানা। এখানে সর্বোচ্চ শাস্তি হলো যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।

অর্থাৎ ধারা ৪৬০ অনুসারে, রাত্রিকালীন গোপনে গৃহে অনধিকার প্রবেশ বা গৃহভঙ্গের সময় মৃত্যু বা গুরুতর আঘাতের চেষ্টায় যৌথভাবে জড়িত সকলের সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ক) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।
---------
⇒The Penal Code, 1860- Section 460. All persons jointly concerned in lurking house-trespass or house breaking by night punishable where death or grievous hurt caused by one of them:
 If, at the time of the committing of lurking house-trespass by night or house breaking by night, any person guilty of such offence shall voluntarily cause or attempt to cause death or grievous hurt to any person, every person jointly concerned in committing such lurking house-trespass by night or house breaking by night, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

১০.
‘B’ একজন রাজস্ব কর্মকর্তা, যিনি সরকারি টাকা সংরক্ষণের জন্য অর্পিত। তিনি সেই টাকা অসাধুভাবে নিজের ব্যবহারে নিয়ে নেন। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর বিধান অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  3. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪০৫ অনুসারে, কোনো ব্যক্তি যিনি সম্পত্তি বা সম্পত্তির উপর নিয়ন্ত্রণের জন্য অর্পিত হয়েছেন, সেই সম্পত্তি অসাধুভাবে আত্মসাৎ করলে বা নিজের ব্যবহারে রূপান্তর করলে তা অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ (Criminal Breach of Trust) হিসেবে গণ্য। এখানে, ‘B’ একজন রাজস্ব কর্মকর্তা হিসেবে সরকারি টাকা সংরক্ষণের জন্য অর্পিত ছিলেন এবং তা অসাধুভাবে নিজের ব্যবহারে নিয়েছেন, যা ধারা ৪০৫-এর অধীনে অপরাধ। ধারা ৪০৯ অনুসারে, সরকারি কর্মচারী হিসেবে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের শাস্তি হলো যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা। সুতরাং, সর্বোচ্চ শাস্তি হলো যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।
সুতরাং, ‘B’-এর অপরাধের জন্য ধারা ৪০৯ অনুসারে সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারা অনুযায়ী,
‘যে ব্যক্তি তার সরকারি কর্মচারীজনিত ক্ষমতার বা একজন ব্যাংকার, বণিক, আড়তদার, দালাল, অ্যাটর্নি বা প্রতিভূ হিসাবে তাহার ব্যবসায় ব্যাপদেশে যে কোনও প্রকারে কোনও সম্পত্তি বা কোনও সম্পত্তির ওপর আধিপত্যের ভারপ্রাপ্ত হইয়া সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করেন, সেই ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা ১০ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবে।’
------- 
⇒The Penal Code, 1860- Section 409- Criminal breach of trust by public servant, or by banker, merchant or agent:
Whoever, being in any manner entrusted with property, or with any dominion over property in his capacity of a public servant or in the way of his business as a banker, merchant, factor, broker, attorney or agent, commits criminal breach of trust in respect of that property, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

১১.
ব্যাংক কর্মকর্তা বা কর্মচারীর negligent (অবহেলাজনিত) আচরণের কারণে ব্যাংকের সম্পত্তিতে ক্ষতি হলে সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1.  ১ বছর কারাদণ্ড
  2. ২ বছর কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৬২ক অনুসারে, কোনো ব্যাংক কর্মকর্তা বা কর্মচারী যদি অবহেলাজনিত আচরণের (negligent conduct) মাধ্যমে ব্যাংকিং লেনদেনে ব্যাংকের গ্রাহক বা অন্য কোনো ব্যক্তির দ্বারা ব্যাংকের সম্পত্তির ক্ষতি হতে দেয়, তবে তার শাস্তি হলো ২ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। এখানে সর্বোচ্চ কারাদণ্ড হলো ২ বছর।

⇒The Penal Code, 1860- Section-462A. Penalty for negligent conduct of bank officers and employees:
Whoever, being an officer or employee of a banking company, by his negligent conduct in dealing with a banking transaction allows any customer of the company or any other person to cause loss of property to the company shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years or with fine or with both. 
 
Explanation.-An officer or employee of a banking company shall be guilty or negligent conduct if in discharging his duties he fails, either wilfully or negligently, to follow any direction of law prescribing the mode in which such duties are to be discharged.

১২.
দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর ধারা ৪২৫ অনুযায়ী Mischief বলতে কী বোঝায়?
  1. অন্যকে মারধর করা
  2. ঋণ পরিশোধ না করা
  3. সরকারী দলিল জাল করা
  4. সম্পত্তি ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত করা অসৎ উদ্দেশ্যে
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত করা অসৎ উদ্দেশ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত করা অসৎ উদ্দেশ্যে
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৪২৫ অনুযায়ী Mischief হলো, কেউ যদি অসৎ উদ্দেশ্যে কারও সম্পত্তি নষ্ট বা ক্ষতিগ্রস্ত করে, যাতে মালিক বা অন্য কারও ক্ষতি বা লোকসান হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৪২৫ ধারার বিধান ক্ষতি বা অনিষ্ট:- কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও কোন সম্পত্তি ধ্বংস বা বিনষ্ট করে, অথবা কোন সম্পত্তিতে বা উহার অবস্থানে এমন কোন পরিবর্তন সাধন করে, যার ফলে উহার মূল্য বা আবশ্যকতা বিনষ্ট হয় বা হ্রাস প্রাপ্ত হয়, বা উহা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'ক্ষতি' সাধন করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা-১: ক্ষতি অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য অপরাধীর ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা বিনষ্ট সম্পত্তির মালিকের ক্ষতি বা লোকসান করার ইচ্ছা থাকা প্রয়োজন নয়। কোন সম্পত্তির ক্ষতিসাধন করে কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের উদ্দেশ্য থাকলে অথবা সম্পত্তির অনুরূপ ক্ষতিসাধন কর্তৃক কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের আশঙ্কা রয়েছে জানা সত্ত্বেও সম্পত্তিটির ক্ষতিসাধন করলে অপরাধটি সংঘটিত হবে, যে সম্পত্তিটির অনুরূপ ক্ষতিসাধন করা হল, সে সম্পত্তিটি অনুরূপে অন্যায়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির সম্পত্তি হোক আর নাই হোক।
ব্যাখ্যা-২: যে ব্যক্তি কাজ সংঘটন করল সে ব্যক্তির নিজের বা মিলিতভাবে সে ব্যক্তির ও অন্যান্য ব্যক্তির সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত করে অনুষ্ঠিত কাজ কর্তৃক ক্ষতি সাধিত হতে পারে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 425. Mischief:
Whoever, with intent to cause, or knowing that he is likely to cause, wrongful loss or damage to the public or to any person, causes the destruction of any property, or any such change in any property or in the situation thereof as destroys or diminishes its value or utility, or affects it injuriously, commits "mischief".
Explanation-1: It is not essential to the offence of mischief that the offender should intend to cause loss or damage to the owner of the property injured or destroyed. It is sufficient if he intends to cause, or knows that he is likely to cause, wrongful loss or damage to any person by injuring any property, whether it belongs to that person or not.
Explanation-2: Mischief may be committed by an act affecting property belonging to the person who commits the act, or to that person and others jointly.

১৩.
‘D’, একজন ম্যাজিস্ট্রেট, সরল বিশ্বাসে Z-এর বিরুদ্ধে তার উর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে মানহানিকর অভিযোগ দায়ের করে, যা জনসাধারণের কল্যাণের জন্য। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর বিধান অনুসারে এটি-
  1. প্রতারণা
  2. মানহানি
  3. মিথ্যা ষড়যন্ত্র
  4. কোনো অপরাধ নয়
সঠিক উত্তর:
কোনো অপরাধ নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো অপরাধ নয়
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৯৯ অনুসারে, কোনো ব্যক্তির সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে মুখে, লিখিতভাবে, চিহ্নের মাধ্যমে, বা দৃশ্যমান উপস্থাপনার মাধ্যমে অভিযোগ করা মানহানি হিসেবে গণ্য। তবে, ধারা ৪৯৯-এর নবম ব্যতিক্রম (Ninth Exception) অনুসারে, সরল বিশ্বাসে (good faith) নিজের বা অন্যের স্বার্থ রক্ষার জন্য বা জনসাধারণের কল্যাণের জন্য কোনো অভিযোগ করা মানহানি নয়। এখানে, ‘D’, একজন ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে, সরল বিশ্বাসে এবং জনসাধারণের কল্যাণের জন্য তার উর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে Z-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে। এটি ধারা ৪৯৯-এর নবম ব্যতিক্রমের আওতায় পড়ে, তাই এটি কোনো অপরাধ নয়।

অন্যান্য অপশন বিশ্লেষণ:
ক) প্রতারণা: প্রতারণা (ধারা ৪১৫) হলো প্রতারণামূলকভাবে কাউকে সম্পত্তি হস্তান্তর বা কাজ করতে প্ররোচিত করা, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
খ) মানহানি: যদিও অভিযোগটি মানহানিকর হতে পারে, তবে সরল বিশ্বাসে এবং জনসাধারণের কল্যাণের জন্য করা হয়েছে, তাই ধারা ৪৯৯-এর নবম ব্যতিক্রমের কারণে এটি মানহানি নয়।
গ) মিথ্যা ষড়যন্ত্র: দণ্ডবিধিতে “মিথ্যা ষড়যন্ত্র” নামে কোনো নির্দিষ্ট অপরাধ নেই, এবং এই ঘটনা ষড়যন্ত্রের সংজ্ঞার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
- অর্থাৎ ‘D’-এর কাজ ধারা ৪৯৯-এর নবম ব্যতিক্রমের আওতায় পড়ে, তাই এটি কোনো অপরাধ নয়। সঠিক উত্তর হলো ঘ) কোনো অপরাধ নয়।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 499-Defamation:
Imputation made in good faith by person for protection of his or other’s interests
Ninth Exception.-It is not defamation to make an imputation on the character of another, provided that the imputation be made in good faith for the protection of the interest of the person making it, or of any other person, or for the public good.
Illustrations:
(a) A, a shopkeeper, says to B, who manages his business-"Sell nothing to Z unless he pays you ready money, for I have no opinion of his honesty.” A is within the exception, if he has made this imputation on Z in good faith for the protection of his own interests. 
(b) A, a Magistrate, in making a report to his own superior officer, casts an imputation on the character of Z. Here, if the imputation is made in good faith, and for the public good, A is within the exception.

১৪.
অন্যের দখলকৃত স্থানে অপরাধ করার অভিপ্রায়ে বা ভয় দেখানো, অপমান বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে প্রবেশ করা অথবা বৈধভাবে প্রবেশ করার পরও উক্ত উদ্দেশ্যে অবস্থান করাকে কী বলা হয়?
  1. Mischief
  2. House-trespass
  3. Criminal trespass
  4. Lurking house-trespass
সঠিক উত্তর:
Criminal trespass
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Criminal trespass
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৪১ অনুসারে, অন্যের দখলকৃত স্থানে অপরাধ করার অভিপ্রায়ে বা ভয় দেখানো, অপমান বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে প্রবেশ করা, অথবা বৈধভাবে প্রবেশ করার পরও উক্ত উদ্দেশ্যে অবস্থান করাকে "অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ" (Criminal Trespass) বলা হয়। এই ধারায় স্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে যে এমন প্রবেশ বা অবস্থান অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ হিসেবে গণ্য হবে।
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪১ ধারার বিধান অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ:- কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তির দখলভুক্ত সম্পত্তির মধ্যে বা উপরে প্রবেশ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের বা অনুরূপ সম্পত্তি দখলকারী ব্যক্তিকে ভীতি প্রদর্শনের, অপমান করার বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ প্রবেশ করে, অথবা, আইনানুগভাবে অনুরূপ সম্পত্তির মধ্যে বা উপরে প্রবেশের পর বেআইনীভাবে সেখানে অবস্থান করে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে ভীতি প্রদর্শনের, অপমান করার বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অনুরূপ বে-আইনীভাবে সেখানে অবস্থান করে, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ' করেছে বলে পরিগণিত হবে।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-441: Criminal trespass:- Whoever enters into or upon property in the possession of another with intent to commit an offence or to intimidate, insult or annoy any person in possession of such property. or, having lawfully entered into or upon such property, unlawfully remains there with intent thereby to intimidate insult or annoy any such person, or with intent to commit an offence, is said to commit "criminal trespass".

১৫.
‘B’ জেনেশুনে ‘Z’-এর ফসলের ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে তার মাঠে গবাদি পশু ঢুকিয়ে দেয়। যা ‘Z’-এর সম্পত্তির ক্ষতি করে, এই ক্ষতির পরিমাণ ৫০ টাকা বা তার বেশি। দণ্ডবিধি অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড
  2. ২ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪২৫ অনুসারে, ক্ষতিসাধন (Mischief) বলতে এমন কাজকে বোঝায় যেখানে কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে বা জেনে যে তার কাজে ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা আছে, জনসাধারণ বা কোনো ব্যক্তির জন্য অন্যায় ক্ষতি বা ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে কোনো সম্পত্তি ধ্বংস করে, বা এমন পরিবর্তন করে যাতে সম্পত্তির মূল্য বা উপযোগিতা হ্রাস পায় বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এখানে, ‘B’ জেনে যে তার কাজে ‘Z’-এর ফসলের ক্ষতি হবে, তার মাঠে গবাদি পশু ঢুকিয়ে দিয়েছে, যা ধারা ৪২৫-এর উদাহরণ (h)-এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং ক্ষতিসাধন হিসেবে গণ্য।

ধারা ৪২৭ অনুসারে, যদি ক্ষতিসাধনের ফলে ক্ষতির পরিমাণ ৫০ টাকা বা তার বেশি হয়, তবে শাস্তি হলো ২ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয়ই। তাই, এই অপরাধের নাম ক্ষতিসাধন এবং সর্বোচ্চ শাস্তি ২ বছরের কারাদণ্ড।
-‘B’-এর কাজ ধারা ৪২৫-এর অধীনে ক্ষতিসাধন হিসেবে গণ্য, এবং ধারা ৪২৭ অনুসারে ক্ষতির পরিমাণ ৫০ টাকা বা তার বেশি হওয়ায় সর্বোচ্চ শাস্তি ২ বছরের কারাদণ্ড। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো খ) ২ বছরের কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪২৭ - পঞ্চাশ টাকা পরিমাণ ক্ষতি করিয়া অনিষ্ট সাধন:
- কোন ব্যক্তি যদি ক্ষতি সাধন করে এবং তদ্বারা পঞ্চাশ টাকা বা তদূৰ্ব্ব পরিমাণ অর্থের অনিষ্ট করে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 427. Mischief causing damage to the amount of fifty taka:
 Whoever commits mischief and thereby causes loss or damage to the amount of fifty taka or upwards, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

১৬.
দণ্ডবিধির কোন ধারায়ব মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে গৃহ-অনধিকার প্রবেশের শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৪৪৭
  2. ধারা ৪৪৮
  3. ধারা ৪৪৯
  4. ধারা ৪৫০
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৪৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৪৯
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৪৯ অনুসারে, যে কেউ মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ (যেমন হত্যা, ধারা ৩০২) সংঘটনের উদ্দেশ্যে গৃহে অনধিকার প্রবেশ (House-trespass) করে, তার শাস্তি হলো যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছর পর্যন্ত কঠোর কারাদণ্ড এবং জরিমানা।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪৪৯: মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ করার উদ্দেশ্যে গৃহে অনধিকার প্রবেশ-
যে কেউ কোনো মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটন করার উদ্দেশ্যে গৃহে অনধিকার প্রবেশ করলে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

⇒ The Penal Code,1860-Section 449: House-trespass in order to commit offence punishable with death-
Whoever commits house-trespass in order to the committing of any offence punishable with death, shall be punished with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term not exceeding ten years, and shall also be liable to fine.

১৭.
‘A’ প্রতারণার মাধ্যমে ‘Z’-কে, যিনি তার সাথে বৈধভাবে বিবাহিত নন, বিশ্বাস করায় যে তারা বৈধভাবে বিবাহিত এবং সেই বিশ্বাসে ‘Z’ তার সাথে সহবাস করে। দণ্ডবিধির কোন ধারায় অনুযায়ী এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ?
  1. ধারা ৪৯৩
  2. ধারা ৪৯৫
  3. ধারা ৪৯৬
  4. ধারা ৪৯৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৯৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৯৩
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৯৩ অনুসারে, কোনো পুরুষ যদি প্রতারণার মাধ্যমে কোনো নারীকে, যিনি তার সাথে বৈধভাবে বিবাহিত নন, বিশ্বাস করান যে তারা বৈধভাবে বিবাহিত এবং সেই বিশ্বাসে তাকে সহবাস বা যৌন সম্পর্কে প্ররোচিত করেন, তবে তিনি অপরাধী হিসেবে গণ্য হবেন। এই অপরাধের শাস্তি হলো ১০ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড এবং জরিমানা। এখানে, ‘A’ প্রতারণার মাধ্যমে ‘Z’-কে বৈধ বিবাহের বিশ্বাসে সহবাসে প্ররোচিত করেছে, যা ধারা ৪৯৩-এর অধীনে শাস্তিযোগ্য।

অন্যান্য অপশন বিশ্লেষণ:
খ) ধারা ৪৯৫: এটি পূর্ববর্তী বিবাহের তথ্য গোপন করে বিগ্যামি করার জন্য প্রযোজ্য, যা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়।
গ) ধারা ৪৯৬: এটি প্রতারণামূলক উদ্দেশ্যে জেনেশুনে অবৈধ বিবাহের অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার জন্য প্রযোজ্য, কিন্তু এখানে সহবাসের উপর জোর দেওয়া হয়েছে।
ঘ) ধারা ৪৯৭: এটি ব্যভিচারের জন্য প্রযোজ্য, যেখানে কোনো পুরুষ অন্যের স্ত্রীর সাথে তার স্বামীর সম্মতি ছাড়া যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে।
অর্থাৎ: ‘A’-এর কাজ ধারা ৪৯৩-এর অধীনে প্রতারণামূলক সহবাস হিসেবে গণ্য। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ক) ধারা ৪৯৩।
---------
⇒The Penal Code, 1860- Section-493. Cohabitation caused by a man deceitfully inducing a belief of lawful marriage:
Every man who by deceit causes any woman who is not lawfully married to him to believe that she is lawfully married to him and to cohabit or have sexual intercourse with him in that belief, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

১৮.
‘B’ মিথ্যাভাবে নিজেকে একজন বিখ্যাত ব্যাংকার হিসেবে পরিচয় দিয়ে ‘Z’-কে প্রতারিত করে। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর বিধান অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৭ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪১৬ অনুসারে, ভিন্ন ব্যক্তির পরিচয়ে প্রতারণা (Cheating by Personation) বলতে এমন প্রতারণাকে বোঝায় যেখানে কেউ অন্য কোনো ব্যক্তি হিসেবে নিজেকে প্রচার করে, বা জেনেশুনে একজন ব্যক্তিকে অন্যের জন্য প্রতিস্থাপন করে, অথবা নিজেকে বা অন্য কাউকে এমন ব্যক্তি হিসেবে উপস্থাপন করে যিনি তিনি বা সেই ব্যক্তি প্রকৃতপক্ষে নন। এখানে, ‘B’ মিথ্যাভাবে নিজেকে একজন বিখ্যাত ব্যাংকার হিসেবে পরিচয় দিয়ে ‘Z’-কে প্রতারিত করেছে, যা ধারা ৪১৬-এর অধীনে ভিন্ন ব্যক্তির পরিচয়ে প্রতারণা।

- ধারা ৪১৯ অনুসারে, ভিন্ন ব্যক্তির পরিচয়ে প্রতারণার শাস্তি হলো ৩ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয়ই। প্রশ্নে শুধুমাত্র প্রতারণার কথা উল্লেখ আছে, কিন্তু সম্পত্তি হস্তান্তরের কোনো নির্দিষ্ট তথ্য দেওয়া হয়নি। তাই ধারা ৪১৯ প্রযোজ্য।

⇒ অর্থাৎ ‘B’-এর কাজ ধারা ৪১৬-এর অধীনে ভিন্ন ব্যক্তির পরিচয়ে প্রতারণা হিসেবে গণ্য, এবং ধারা ৪১৯ অনুসারে এর সর্বোচ্চ শাস্তি হলো ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয়ই। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো খ) ৩ বছরের কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১৯ ধারার বিধান অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করার শাস্তি:- কোন ব্যক্তি যদি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করে, তবে উক্ত লোক তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-419. Punishment for cheating by personation:
-Whoever cheats by personation shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.

১৯.
‘D’ একটি বন্ধ পাত্রের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল, যাতে সম্পত্তি রয়েছে বলে সে বিশ্বাস করে। সে অনুমতি ছাড়া অসাধুভাবে বা ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে পাত্রটি ভেঙে ফেলে। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর কোন ধারা অনুযায়ী ‘D’ এর শাস্তি নির্ধারিত হবে?
  1. ধারা ৪৫৯
  2. ধারা ৪৬০
  3. ধারা ৪৬১
  4. ধারা ৪৬২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৬২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৬২
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৬২ অনুসারে, যে ব্যক্তি কোনো বন্ধ পাত্রের দায়িত্বে নিয়োজিত থাকে এবং সেই পাত্রে সম্পত্তি রয়েছে বা রয়েছে বলে সে বিশ্বাস করে, কিন্তু অনুমতি ছাড়া অসাধুভাবে বা ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে সেই পাত্র ভেঙে ফেলে, তার শাস্তি হলো ৩ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। এখানে, ‘D’ পাত্রের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল এবং অনুমতি ছাড়া অসাধুভাবে বা ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে পাত্রটি ভেঙেছে, তাই ধারা ৪৬২ প্রযোজ্য।

অর্থাৎ ‘D’-এর কাজ ধারা ৪৬২-এর অধীনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি কর্তৃক সম্পত্তি-যুক্ত পাত্র অসাধুভাবে ভাঙা হিসেবে গণ্য। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ঘ) ধারা ৪৬২।
-----------
⇒The Penal Code, 1860- Section-462.Punishment for same offence when committed by person entrusted with custody:
- Whoever, being entrusted with any closed receptacle which contains or which he believes to contain property, without having authority to open the same, dishonestly, or with intent to commit mischief, breaks open or unfastens that receptacle, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.

২০.
‘D’ অসাধুভাবে তার সম্পত্তি গোপন করে, যাতে তার ঋণদাতারা তা পেতে না পারে। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর বিধান অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ২ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৭ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪২৪ অনুসারে, যে কেউ অসাধুভাবে বা জালিয়াতিমূলকভাবে নিজের বা অন্য কোনো ব্যক্তির সম্পত্তি গোপন বা অপসারণ করে, বা এতে সহায়তা করে, অথবা তার প্রাপ্য কোনো দাবি বা অধিকার অসাধুভাবে মুক্তি দেয়, সে এই অপরাধের জন্য দায়ী। এই অপরাধের শাস্তি হলো ২ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা, অথবা উভয়ই। এখানে, ‘D’ অসাধুভাবে তার সম্পত্তি গোপন করেছে, যাতে ঋণদাতারা তা পেতে না পারে, যা ধারা ৪২৪-এর অধীনে অপরাধ। সুতরাং, সর্বোচ্চ শাস্তি ২ বছরের কারাদণ্ড।

- ‘D’-এর কাজ ধারা ৪২৪-এর অধীনে জালিয়াতিমূলকভাবে সম্পত্তি অপসারণ বা গোপন হিসেবে গণ্য, এবং এর সর্বোচ্চ শাস্তি হলো ২ বছরের কারাদণ্ড। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ক) ২ বছরের কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৪২৪ ধারা: অসাধু বা প্রতারণামূলকভাবে সম্পত্তি অপসারণ বা গোপন করা:
যে ব্যক্তি অসাধু বা প্রতারণামূলকভাবে নিজের বা অন্যকারো সম্পত্তি গোপন করে অথবা অপসারণ করে, অথবা এমন কাজে সহায়তা করে যা সম্পত্তি গোপন বা অপসারণে সহায়তা করে, অথবা নিজের কোনো দাবি বা দাবির ছেড়ে দেয় যা তার অধিকারভুক্ত, তাকে দুই বছর পর্যন্ত মেয়াদের জন্য কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
--------
⇒The Penal Code, 1860- Section-424 Dishonest or fraudulent removal or concealment of property:
-Whoever dishonestly or fraudulently conceals or removes any property of himself or any other person, or dishonestly or fraudulently assists in the concealment or removal thereof, or dishonestly releases any demand or claim to which he is entitled, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

২১.
দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৯১ অনুযায়ী, যদি কেউ আইনানুগ চুক্তির দ্বারা কোনো অসহায় ব্যক্তির দেখাশোনা বা চাহিদা পূরণে বাধ্য থাকেন এবং তা ইচ্ছাকৃতভাবে না করেন, তবে সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ১ মাস কারাদণ্ড বা ১০০ টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ড
  2. ২ মাস কারাদণ্ড বা ২০০ টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ড
  3. ৩ মাস কারাদণ্ড বা ২০০ টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ড
  4. ৬ মাস কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ মাস কারাদণ্ড বা ২০০ টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস কারাদণ্ড বা ২০০ টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৯১ অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি আইনানুগ চুক্তির দ্বারা কোনো অসহায় ব্যক্তির (যেমন শিশু, বৃদ্ধ, বা অক্ষম ব্যক্তি) দেখাশোনা, রক্ষণাবেক্ষণ, বা চাহিদা পূরণে বাধ্য থাকেন এবং ইচ্ছাকৃতভাবে তা না করেন, তবে তিনি অপরাধী হিসেবে গণ্য হবেন। এই অপরাধের শাস্তি হলো ৩ মাস পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড, ২০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা, বা উভয়ই।

অর্থাৎ ধারা ৪৯১ অনুসারে, আইনানুগ চুক্তির দ্বারা অসহায় ব্যক্তির দেখাশোনা বা চাহিদা পূরণে ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যর্থ হওয়ার সর্বোচ্চ শাস্তি হলো ৩ মাস কারাদণ্ড বা ২০০ টাকা জরিমানা বা উভয়ই। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো গ) ৩ মাস কারাদণ্ড বা ২০০ টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ড।

⇒The Penal Code, 1860- Section-491. Breach of contract to attend on and supply wants of helpless person:
Whoever, being bound by a lawful contract to attend on or to supply the wants of any person who, by reason of youth, or of unsoundness of mind, or of a disease or bodily weakness, is helpless or incapable of providing for his own safety or of supplying his own wants, voluntarily omits so to do, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three months, or with fine which may extend to two hundred taka, or with both.

২২.
‘D’, ‘Z’-এর চাকর হিসেবে কাজ করত, এবং ‘Z’-এর মৃত্যুর পর তার সম্পত্তি (টাকা ও আসবাব) অসাধুভাবে নিজের ব্যবহারের জন্য নিয়ে নেয়। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর বিধান অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ২ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  4. ১০ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪০৪ অনুসারে, যে কেউ জেনেশুনে মৃত ব্যক্তির অধিকারে থাকা সম্পত্তি, যা মৃত্যুর সময় তার অধিকারে ছিল এবং পরবর্তীতে কোনো বৈধ অধিকারীর অধিকারে আসেনি, অসাধুভাবে আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারের জন্য রূপান্তর করে, সে অপরাধমূলক সম্পত্তি অপচয়ের জন্য দায়ী। এই অপরাধের শাস্তি সাধারণত ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা। তবে, যদি অপরাধী মৃত ব্যক্তির চাকর বা ক্লার্ক হয়, তবে শাস্তি ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা হতে পারে। এখানে, ‘D’ ‘Z’-এর চাকর ছিল এবং ‘Z’-এর মৃত্যুর পর তার সম্পত্তি অসাধুভাবে নিয়েছে, তাই ধারা ৪০৪-এর অধীনে সর্বোচ্চ শাস্তি ৭ বছরের কারাদণ্ড।
সুতরাং, ‘D’-এর অপরাধের জন্য ধারা ৪০৪ অনুসারে সর্বোচ্চ শাস্তি ৭ বছরের কারাদণ্ড।
-----------
⇒The Penal Code, 1860- Section 404. Dishonestly misappropriation of property possessed by deceased person at the time of his death:
Whoever dishonestly misappropriates or converts to his own use property, knowing that such property was in the possession of a deceased person at the time of that person's decease and has not since been in the possession of any person legally entitled to such possession, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years and shall also be liable to fine; and if the offender at the time of such person's decease was employed by him as a clerk or servant, the imprisonment may extend to seven years. 

Illustration:
Z dies in possession of furniture and money. His servant A, before the money comes into possession of any person entitled to such possession dishonestly misappropriates it. A has committed the offence defined in this section.

২৩.
‘C’ একটি চেক পায়, যা ‘Z’ স্বাক্ষর করেছে কিন্তু পরিমাণ উল্লেখ নেই। ‘C’ প্রতারণামূলকভাবে চেকে ১০,০০০ টাকা লিখে পূরণ করে। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর বিধান অনুসারে এই অপরাধের নাম কী?
  1. চুরি
  2. প্রতারণা
  3. জালিয়াতি
  4. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
সঠিক উত্তর:
জালিয়াতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জালিয়াতি
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৬৩ অনুসারে, কোনো ব্যক্তি যদি প্রতারণার উদ্দেশ্যে বা ক্ষতি করার, সম্পত্তি হস্তান্তর করানোর, বা চুক্তিতে প্রবেশ করানোর উদ্দেশ্যে মিথ্যা দলিল তৈরি করে, তবে তা জালিয়াতি (Forgery) হিসেবে গণ্য। ধারা ৪৬৪ অনুসারে, প্রতারণামূলকভাবে কোনো দলিলে পরিবর্তন করা বা তথ্য যোগ করা জালিয়াতির সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে। এখানে, ‘C’ একটি চেকে প্রতারণামূলকভাবে ১০,০০০ টাকার পরিমাণ লিখে পূরণ করেছে, যা ‘Z’-এর স্বাক্ষরিত দলিলে অসাধুভাবে পরিবর্তন। এটি ধারা ৪৬৪-এর প্রথম উপায়ে জালিয়াতি।

অর্থাৎ ‘C’-এর কাজ ধারা ৪৬৩ এবং ৪৬৪-এর অধীনে জালিয়াতি হিসেবে গণ্য। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো গ) জালিয়াতি।
---------
⇒ দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারার বিধান জালিয়াতি:
- কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের কিংবা কোন ব্যক্তিবিশেষের ক্ষতিসাধনের জন্য অথবা কোন দাবি বা স্বত্ব প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে অথবা কোন ব্যক্তিকে তার সম্পত্তি ত্যাগে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন প্রকাশ্য বা অনুক্ত চুক্তি সম্পাদনের উদ্দেশ্যে অথবা কোন প্রতারণা করার উদ্দেশ্যে বা যাতে প্রতারণা সংঘটিত হতে পারে এইরূপ অভিপ্রায়ে, কোন মিথ্যা দলিল কিংবা দলিলের অংশবিশেষ প্রণয়ন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি জালিয়াতি করেছে বলে পরিগণিত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৬৪ ধারার বিধান মিথ্যা দলিল তৈয়ার করা:- নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি মিথ্যা দলিল তৈয়ার করেছে বলে পরিগণিত হয়-প্রথমত:- যদি কোন ব্যক্তি, যে ব্যক্তি দ্বারা যার প্রদত্ত ক্ষমতা বলে কোন দলিল কিংবা উহার অংশবিশেষ প্রণীত, স্বাক্ষরিত, সীলমোহরযুক্ত বা সম্পাদিত হয় নাই বা যে সময়ে উক্ত দলিল বা উহার অংশবিশেষ প্রণীত, স্বাক্ষরিত, সীলমোহরযুক্ত বা সম্পাদিত হয় নাই বলে সে জানে, অথবা সে দলিলটি বা উহার অংশবিশেষ সে ব্যক্তি দ্বারা বা তৎপ্রদত্ত ক্ষমতা বলে কিংবা সে সময়ে প্রণীত স্বাক্ষরিত, সীলমোহরযুক্ত কিংবা সম্পাদিত হয়েছে বলে বিশ্বাস জন্মাইবার উদ্দেশ্যে অসাধুভাবে বা প্রতারণামূলকভাবে এইরূপ দলিল বা অংশবিশেষ প্রণয়ন, স্বাক্ষর, সীলমোহরযুক্ত বা সম্পাদন করে অথবা দলিলটি সম্পাদিত হয়েছে বলে বুঝাবার জন্য কোন চিহ্ন বা প্রতীক স্থাপন করে; অথবা
দ্বিতীয়ত:- কোন দলিল তৎকর্তৃক বা অন্য কোন ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হওয়ার পরে কোনরূপ আইনসম্মত ছাড়াই অসাধুভাবে অথবা প্রতারণামূলক ভাবে, বাতিলকরণের মাধ্যমে বা অপর কোন উপায়ে দলিলের কোন গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিবর্তন করে; দলিলটি যদি অপরাধী দ্বারা সম্পাদিত না হয়ে অপর কোন ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হয়ে থাকে, তবে এইরূপ পরিবর্তনের সময়ে সে ব্যক্তি জীবিত থাকুক অথবা পরলোকগত হোক তাতে অপরাধের কোনরূপ তারতম্য হবে না; অথবা
তৃতীয়ত:- কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে বা প্রতারণামূলকভাবে এমন কোন ব্যক্তিকে দিয়ে কোন দলিল স্বক্ষরিত, সীলমোহরযুক্ত সম্পাদিত কিংবা পরিবর্তিত করায় যে ব্যক্তি মানসিক অপ্রকৃতিস্থতা কিংবা প্রমত্ততার কারণে অথবা তাকে যেভাবে প্রতারণা করা হয়েছে তার ফলে উক্ত দলিলটির বিষয়বস্তু বা পরিবর্তনের প্রকৃতি সম্পর্কে অবহিত নয় বলে সে জানে।
ব্যাখ্যা ১:- কোন ব্যক্তির নিজের নাম, স্বাক্ষরও জালিয়াতির সামিল হতে পারে।

ব্যাখ্যা ২:- কোন প্রকৃত ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হয়েছে বলে বিশ্বাস জন্মাবার অভিপ্রায়ে কাল্পনিক কোন ব্যক্তির নামে দলিল সম্পাদন অথবা কোন মৃত ব্যক্তি জীবদ্দশায় সম্পাদিত করেছিল বলে বিশ্বাস জন্মাবার অভিপ্রায়ে সে মৃত ব্যক্তির নামে দলিল সম্পাদন জালিয়াতি বলে গণ্য হবে।

উদাহরণ
(ক) ক চ-কে দিয়ে খ-এর প্রতিপক্ষে ১০,০০০ টাকার জন্য একটি লেটার অব ক্রেডিট লিখে নিয়ে পরে ক খ-কে ঠকাবার উদ্দেশ্যে, ১০,০০০-টাকার সাথে একটি শূন্য যোগ করে উহাকে ১,০০,০০০ টাকা করে নেয়, এই অভিপ্রায়ে যে, খ বিশ্বাস করবে যে, চ ঐরূপ লিখেছে। ক জালিয়াতি করেছে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 463- Forgery:
- Whoever makes any false document or part of a document, with intent to cause damage or injury, to the public or to any person, or to support any claim or title, or to cause any person to part with property, or to enter into any express or implied contract, or with intent to commit fraud or that fraud may be committed, commits forgery.

⇒ The Penal Code, 1860-Section 464. Making a false document:
 A person is said to make a false document:
Firstly.-Who dishonesty or fraudulently makes, signs, seals or executes a document or part of a document, or makes any mark denoting the execution of a document, with the intention of causing it to be believed that such document or part of a document was made, signed, sealed or executed by or by the authority of a person by whom or by whose authority he knows that it was not made, signed, sealed or executed, or at a time at which he knows that it was not made, signed, sealed or executed; or 
Secondly.-Who, without lawful authority, dishonestly or fraudulently, by cancellation or otherwise, alters a document in any material part thereof, after it has been made or executed either by himself or by any other person, whether such person be living or dead at the time of such alteration; or 
Thirdly.-Who dishonestly or fraudulently causes any person to sign, seal, execute or alter a document, knowing that such person by reason of unsoundness of mind or intoxication cannot, or that by reason of deception practiced upon him he does not know the contents of the document or the nature of the alteration.
Explanation 1.-A man's signature of his own name may amount to forgery.
Explanation 2.- The making of a false document in the name of a fictitious person, intending it to be believed that the document was made by a real person, or in the name of a deceased person, intending it to be believed that the document was made by the person in his lifetime, may amount to forgery.

২৪.
‘E’ আগুন দিয়ে একটি বাড়ি ধ্বংস করে, যা সাধারণত মানুষের বাসস্থান হিসেবে ব্যবহৃত হয়। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর কোন ধারা অনুসারে 'E' এর শাস্তি হবে?
  1. ধারা ৪৩৫
  2. ধারা ৪৩৬
  3. ধারা ৪৩৩
  4. ধারা ৪৩১
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৩৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৩৬
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৩৬ অনুসারে, যে কেউ আগুন বা বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহার করে ক্ষতিসাধন (Mischief) করে, এবং এর মাধ্যমে এমন কোনো ভবন ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে বা জেনে যে ধ্বংস হওয়ার সম্ভাবনা আছে, যা সাধারণত উপাসনালয়, মানুষের বাসস্থান, বা সম্পত্তি সংরক্ষণের স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হয়, সে এই অপরাধের জন্য দায়ী। শাস্তি হলো যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড এবং জরিমানা। এখানে, ‘E’ আগুন দিয়ে একটি বাড়ি ধ্বংস করেছে, যা মানুষের বাসস্থান হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাই ধারা ৪৩৬ প্রযোজ্য।
অর্থাৎ ‘E’-এর কাজ ধারা ৪৩৬-এর অধীনে বাড়ি ধ্বংসে আগুন দিয়ে ক্ষতিসাধন হিসেবে গণ্য, এবং এর শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো খ) ধারা ৪৩৬।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৩৬ ধারা- আগুন বা বিস্ফোরক দ্বারা ক্ষতি:
যে ব্যক্তি আগুন বা কোনো বিস্ফোরক পদার্থ ব্যবহার করে এমন ক্ষতি করে যা সাধারণত উপাসনাগৃহ, মানববাসস্থান বা সম্পত্তির সুরক্ষার জায়গারূপে ব্যবহৃত হয়, এবং তার উদ্দেশ্য থাকে বা সে জানে যে এইভাবে ওই স্থানের ধ্বংস সাধিত হতে পারে, তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডও দেওয়া হতে পারে।

⇒ The Penal Code, 1860-Section 436- Mischief by fire or explosive substance with intent to destroy house, etc.:
Whoever commits mischief by fire or any explosive substance, intending to cause, or knowing it to be likely that he will thereby cause, the destruction of any building which is ordinarily used as a place of worship or as a human dwelling or as a place for the custody of property, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

২৫.
‘C’ একটি জাল মুদ্রা-নোট তৈরি করে এবং তা বাজারে সত্য বলে বিক্রি করে। দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুসারে 'C'-এর অপরাধটি শাস্তিযোগ্য?
  1. ধারা ৪৮৯ক
  2. ধারা ৪৮৯খ
  3. ধারা ৪৮৯গ
  4. ধারা ৪৮৯ঘ
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৮৯ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৮৯ক
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৮৯ক (Section 489A) অনুসারে, যে কেউ মুদ্রা-নোট বা ব্যাংক-নোট জাল করে বা জালিয়াতির প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়, তার শাস্তি হলো যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড এবং জরিমানা।
- এখানে, ‘C’ একটি জাল মুদ্রা-নোট তৈরি করেছে এবং তা বাজারে সত্য বলে বিক্রি করেছে, যা ধারা ৪৮৯ক-এর অধীনে মুদ্রা-নোটের জালিয়াতি হিসেবে গণ্য।

অন্যান্য অপশন বিশ্লেষণ:
খ) ধারা ৪৮৯খ (Section 489B): এটি জাল বা নকল মুদ্রা-নোট বা ব্যাংক-নোট সত্য বলে বিক্রি, ক্রয়, গ্রহণ, বা ব্যবহারের জন্য প্রযোজ্য। এখানে ‘C’ নিজে জাল নোট তৈরি করেছে, তাই ধারা ৪৮৯ক প্রাধান্য পায়।
গ) ধারা ৪৮৯গ (Section 489C): এটি জাল মুদ্রা-নোট বা ব্যাংক-নোট জেনেশুনে দখলে রাখা এবং সত্য বলে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে রাখার জন্য প্রযোজ্য, কিন্তু তৈরির জন্য নয়।
ঘ) ধারা ৪৮৯ঘ (Section 489D): এটি জাল মুদ্রা-নোট বা ব্যাংক-নোট তৈরির জন্য যন্ত্র বা উপকরণ তৈরি, ক্রয়-বিক্রয়, বা দখলে রাখার জন্য প্রযোজ্য।
অর্থাৎ ‘C’-এর কাজ, অর্থাৎ জাল মুদ্রা-নোট তৈরি এবং তা বাজারে সত্য বলে বিক্রি, ধারা ৪৮৯ক-এর অধীনে শাস্তিযোগ্য। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ক) ধারা ৪৮৯ক।

⇒ The Penal Code, 1860-Section-489A. Counterfeiting currency-notes or bank-notes:
Whoever counterfeits, or knowingly performs any part of the process of counterfeiting, any currency-note or bank-note, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
Explanation. For the purposes of this section and of sections 489B, 489C and 489D, the expression "bank-note" means a promissory note or engagement for the payment of money to bearer on demand issued by any person carrying on the business of banking in any part of the world, or issued by or under the authority of any State or Sovereign Power, and intended to be used as equivalent to, or a substitute for, money.

২৬.
‘A’ জানে যে একটি আংটি চুরি হয়েছে, তা সে ‘Z’-এর কাছ থেকে কিনে নেয়। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর বিধান অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড
  2. ২ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪১০ অনুসারে, চুরি, চাঁদাবাজি, ডাকাতি, অপরাধমূলক অপচয়, বা অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে স্থানান্তরিত সম্পত্তি "চুরি হওয়া সম্পত্তি" হিসেবে গণ্য। ধারা ৪১১ অনুসারে, যে কেউ জেনে বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও চুরি হওয়া সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ বা ধরে রাখে, তার শাস্তি ৩ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। এখানে, ‘A’ জেনে যে আংটি চুরি হয়েছে, তা ‘Z’-এর কাছ থেকে কিনে নিয়েছে, যা ধারা ৪১১-এর অধীনে অপরাধ। সুতরাং, সর্বোচ্চ শাস্তি ৩ বছরের কারাদণ্ড।
সুতরাং, ‘A’-এর অপরাধের জন্য ধারা ৪১১ অনুসারে সর্বোচ্চ শাস্তি ৩ বছরের কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ৪১১ ধারার বিধান অসাধুভাবে চোরাইমাল গ্রহণ করা:  কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তি চোরাই সম্পত্তি বলে জানা সত্ত্বেও, বা উহা চোরাই সম্পত্তি বলে তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও অসাধুভাবে অনুরূপ চোরাই সম্পত্তি গ্রহণ করে বা রেখে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860 Section 411.Dishonestly receiving stolen property:
Whoever dishonestly receives or retains any stolen property, knowing or having reason to believe the same to be stolen property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.

২৭.
দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৪৪৭ অনুযায়ী অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশের জন্য সর্বোচ্চ জরিমানা কত টাকা?
  1. ২০০ টাকা
  2. ৩০০ টাকা
  3. ৫০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৪৪৭ অনুযায়ী অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশের শাস্তি: সর্বোচ্চ ১ বছরের কারাদণ্ড, অথবা সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ডই দেওয়া যেতে পারে।
- সঠিক উত্তর: খ) ৫০০ টাকা।

⇒ দণ্ডবিধি ৪৪৭ ধারা: অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশের শাস্তি-
যে কেউ অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ করে, সে ব্যক্তি সর্বোচ্চ তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ডে, বা সর্বোচ্চ পাঁচ শত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।

⇒ The Penal Code,1860-Section 447- Punishment for criminal trespass:
Whoever commits criminal trespass shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three months, or with fine which may extend to five hundred taka, or with both.

২৮.
কোন ব্যক্তি আদালতের নথি বা সরকারের সরকারি রেজিস্টারের নথি জাল করিলে সর্বোচ্চ কত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. তিন বছর
  2. পাঁচ বছর
  3. সাত বছর
  4. দশ বছর
সঠিক উত্তর:
সাত বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাত বছর
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৬৬ অনুসারে, যে কেউ আদালতের রেকর্ড বা কার্যধারা, জন্ম, বিবাহ, মৃত্যু বা দাফনের রেজিস্টার, সরকারি কর্মচারী কর্তৃক রক্ষিত রেজিস্টার, বা সরকারি কর্মচারীর দায়িত্বে তৈরি দলিল, মামলা দায়ের বা প্রতিরক্ষার অনুমতি, বা পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি জাল করলে, তার শাস্তি হলো ৭ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড এবং জরিমানা। এখানে সর্বোচ্চ কারাদণ্ড হলো ৭ বছর।

- অর্থাৎ ধারা ৪৬৬ অনুসারে, আদালতের নথি বা সরকারি রেজিস্টারের নথি জাল করার সর্বোচ্চ শাস্তি ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং জরিমানা। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো গ) সাত বছর।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৬৬ ধারা আদালতের নথিপত্র বা সরকারী রেজিস্টার ইত্যাদি জালকরণ:
- কোন ব্যক্তি যদি এমন একটি দলিল জাল করে যা কোন বিচারালয়ের নথি অথবা প্রসিডিং কিংবা কোন বিচারালয়ে উত্থাপিত নথি বা প্রসিডিং বলে অথবা কোন জন্ম, খ্রিস্টানদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান, বিবাহ কিংবা সমাধিকরণের রেজিস্টার বলে অথবা কোন সরকারী কর্মচারী কর্তক সরকারী কর্মচারী হিসেবে রক্ষিত রেজিস্টার বলে অথবা কোন সরকারী কর্মচারী দ্বারা তার সরকারী পদ মর্যাদা বলে কৃত সার্টিফিকেট বা দলিল বলে, অথবা কোন মামলা দায়ের করার বা উহাতে পক্ষ সমর্থনের কিংবা উহাতে কোন কার্যক্রম গ্রহণের রায় মানার কিংবা পাওয়ার অব এটনী বলে প্রতিভাত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কিংবা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860, Section- 466. Forgery of record of Court or of public register, etc:
Whoever forges a document, purporting to be a record or proceeding of or in a Court of Justice, or a register of birth, baptism, marriage or burial, or a register kept by a public servant as such, or a certificate or document purporting to be made by a public servant in his official capacity, or an authority to institute or defend a suit, or to take any proceedings therein, or to confess judgment, or a power of attorney, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.

২৯.
দণ্ডবিধির ৪৫৬ ধারা অনুসারে রাত্রিকালীন গোপনে গৃহে অনধিকার প্রবেশের (Lurking House-Trespass by Night) অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  4. ১০ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৪৪ অনুসারে, যে কেউ সূর্যাস্তের পর এবং সূর্যোদয়ের আগে গোপনে গৃহে অনধিকার প্রবেশ করে, তাকে "রাত্রিকালীন গোপনে গৃহে অনধিকার প্রবেশ" (Lurking House-Trespass by Night) বলা হয়। এই অপরাধের শাস্তি ধারা ৪৫৬ অনুসারে ৩ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড এবং জরিমানা।

অর্থাৎ ধারা ৪৪৪-এর অধীনে রাত্রিকালীন গোপনে গৃহে অনধিকার প্রবেশ হিসেবে গণ্য হয় এবং ধারা ৪৫৬ অনুসারে সর্বোচ্চ শাস্তি ৩ বছরের কারাদণ্ড এবং জরিমানা। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো গ) ৩ বছরের কারাদণ্ড।
-------
⇒The Penal Code, 1860- Section 444 Lurking house trespass by night:
Whoever commits lurking house-trespass after sunset and before sunrise, is said to commit "lurking house-trespass by night".
⇒The Penal Code, 1860- Section 456. Punishment for lurking house-trespass or house-breaking by night:
Whoever commits lurking house-trespass by night, or house-breaking by night, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.