পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

পরীক্ষাবার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়14 minutes
মোট প্রশ্ন৩৩
সিলেবাস
Exam - 2 The Code of Criminal Procedure-1898: Test-2 Topic: Section 94-153 • Processes to compel the production of documents and other movable property, and for the discovery of persons wrongfully confined • Security for keeping the peace and for good behaviour •Unlawful assemblies • Public nuisances •Temporary orders in urgent cases of nuisance or apprehended danger • Disputes as to immovable property, Preventive action of the police
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ] · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৩ প্রশ্ন

.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারায় আদালত কয়টি কারণে তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারা অনুযায়ী, আদালত ৩টি কারণে তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন। যথা-
i) কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু আদালতে হাজির করা হবে না বলে বিশ্বাস করলে;
ii) উক্তরূপ দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা না থাকলে; এবং
iii) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিংস এর উদ্দেশ্যে আদালত তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারা:
(১) যখন কোন আদালতের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, যে ব্যক্তির উপর ৯৪ ধারার অধীন কোন সমন অথবা আদেশ অথবা ৯৫ ধারার (১) উপ- ধারার অধীন কোন সমন জারী করা হয়েছে বা হতে পারে, সেই ব্যক্তি সমন বা রিকুইজশনে বর্ণিত দলিল বা বস্তু দাখিল করবে না।
অথবা যখন এরূপ দলিল বা বস্তু কোন ব্যক্তির দখলে আছে বলে আদালতের জানা নাই।
অথবা যখন আদালত মনে করে যে, সাধারণ তল্লাশী বা পরিদর্শন দ্বারা এই কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিং এর উদ্দেশ্য সাধিত হবে:
তখন ইহা তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারবে, এবং যে ব্যক্তির উপর এই পরোয়ানা নির্দেশিত হবে তিনি পরোয়ানা ও অতঃপর বর্ণিত বিধান অনুসারে তল্লাশী বা পরিদর্শন করতে পারবেন।

(২) এই ধারায় বিধৃত কোন কিছু জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, ক্ষেত্রবিশেষে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অপর কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে ডাক বা তার কর্তৃপক্ষ নিরাপদ রক্ষণে স্থিত কোন দলিল, পার্সেল বা অন্য কোন বস্তু সম্বন্ধে তল্লাশী করার পরোয়ানা মঞ্জুর করবার কর্তৃত্ব দিবেন না।
.
Which type of Magistrate can direct a search in their presence according to Section 105?
  1. Any Magistrate
  2. A Special Magistrate
  3. Executive Magistrate only
  4. Judicial Magistrate only
ব্যাখ্যা
Section 105- Magistrate may direct search in his presence:
Any Magistrate, whether Executive or Judicial] may direct a search to be made in his presence of any place for the search of which he is competent to issue a search-warrant.

ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৫ ধারা- ম্যাজিস্ট্রেট তার উপস্থিতিতে তল্লাশী পরিচালনার নির্দেশ দিতে পারেন:
যে কোনো ম্যাজিস্ট্রেট, নির্বাহী অথবা বিচারিক, তিনি যে স্থানটির তল্লাশী করার জন্য উপযুক্ত, সেসব স্থানে তল্লাশী করার জন্য তিনি নিজের উপস্থিতিতে তল্লাশী পরিচালনা করার নির্দেশ দিতে পারেন।
.
সরকার কত ধারা অনুযায়ী অশ্লীল প্রকাশনা বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করতে পারে?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৭ ধারা
  2. ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৮ ধারা
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯(ক) ধারা
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯(গ) ধারা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯ক ধারা: কতকগুলি প্রকাশনা বাজেয়াপ্ত করা হলো বলে ঘোষণা করার ও উহার জন্য তল্লাশী পরোয়ানা দিবার ক্ষমতা:
(১) যেক্ষেত্রে সরকারের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, কোন সংবাদপত্রে বা গ্রন্থে বা কোন দলিলে, তা যেখানেই মুদ্রিত হোক না কেন, নিম্নে বর্ণিত বিষয়াদি অন্তর্ভূক্ত হয়েছে-
(ক) কোন বিষয়বস্তু, যার প্রকাশনা দণ্ডবিধি (১৮৬০ সনের ৪৫নং আইন)-এর ধারা-১২৩ক অথবা ১২৪্ক অথবা ১৫৩ক অথবা ২৯২ অথবা ২৯৫্ক অথবা ৫০৫ অথবা ৫০৫ক মতে দণ্ডনীয়,
(খ) কোন বিষয়বস্তু যা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, সরকারের প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের স্পীকার, অথবা বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির জন্য মানহানিকর, অথবা
(গ) এরূপ কোন বিষয়বস্তু রয়েছে যা অত্যন্ত শিষ্ঠাচারহীন বা অশ্লীল অথবা কুৎসিত, অথবা
(ঘ) কোন কথা, বা দৃষ্টিগোচর আচরণ, যা কোন ব্যক্তিকে বা কোন শ্রেণীর ব্যক্তিবর্গকে আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনে উত্তেজিত করে বা করতে পারে,

সেক্ষেত্রে সরকার, সরকারী গেজেট গেজেট নোটিফিকেশন কর্তৃক, উহার অভিমতের ভিত্তি বিবৃতি করে, অনুরূপ বিষয়বস্তু, কথা বা দৃষ্টিগোচর আচরণ সম্বলিত গ্রন্থ অথবা অন্য কোন প্রকার দলিল সরকারে বাজেয়াপ্ত বলে ঘোষণা করতে পারবেন, এবং অতঃপর যে কোন পুলিশ অফিসার বাংলাদেশের যে স্থানে পরিদৃষ্ট হোক না কেন, সে স্থানেই তা আটক করতে পারবেন এবং যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট পরোয়ানা জারি দ্বারা সাব-ইন্সপেক্টর-এর চেয়ে নিম্নের পদাধিকারী নহেন এরূপ যে কোন পুলিশ অফিসারকে ক্ষমতা দিতে পারবেন এরূপ সকল প্রাঙ্গনে তল্লাশি করার, যেখানে উক্ত গ্রন্থ বা অন্য কোন দলিলের যেকোন সংখ্যা খুঁজে পাওয়া যাবে অথবা পাওয়া যাবার সঙ্গত সন্দেহ করা যেতে পারে।

(২) উপ-ধারা (১) এ "সংবাদপত্র", "গ্রন্থ" এবং "দলিল" শব্দগুলো মুদ্রণালয় ও প্রকাশনা (ঘোষণা ও নিবন্ধিকরণ) আইন, ১৯৭৩ (১৯৭৩ সনের ২৩নং আইন)-এ যে অর্থ দেয়া আছে, সেই একই অর্থ বহন করবে।
.
হাইকোর্ট বিভাগ পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা প্রয়োগ করে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে __________ ধারার অধীনে শান্তি বজায় রাখার জন্য মুচলেকার আদেশ দিতে পারে।
  1. ১০৩
  2. ১০৬
  3. ১০৭
  4. ১০৮
ব্যাখ্যা
ধারা ১০৬: দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে শান্তি বজায় রাখার জন্য জামিনদানে বাধ্য করা:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি পেনাল কোডের অধ্যায় VIII এর অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ (ধারা ১৪৩, ১৪৯, ১৫৩এ বা ১৫৪ ব্যতীত), বা হামলা বা শান্তি ভঙ্গের সাথে সম্পর্কিত অন্য কোনো অপরাধ, অথবা এ ধরনের অপরাধের সহায়তা প্রদান, অথবা অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের জন্য অভিযুক্ত হয়ে উচ্চ আদালত বিভাগ, সেশন আদালত, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, বা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দোষী সাব্যস্ত হয় এবং সেই আদালত মনে করে যে, ঐ ব্যক্তিকে শান্তি বজায় রাখার জন্য একটি বন্ড সম্পাদন করানো প্রয়োজন, তাহলে আদালত সেই ব্যক্তিকে তার আর্থিক সামর্থ্য অনুযায়ী জামিনের জন্য একটি নির্দিষ্ট অঙ্কের বন্ড সম্পাদনের নির্দেশ দিতে পারে। এই বন্ডে সর্বাধিক তিন বছরের জন্য শান্তি বজায় রাখার শর্ত থাকতে পারে এবং তা কোনো জামিনদারসহ বা জামিনদার ব্যতীত হতে পারে।

(২) যদি আপিল বা অন্য কোনো প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার আদেশ বাতিল হয়, তাহলে সম্পাদিত বন্ডটি বাতিল হয়ে যাবে।

(৩) আপিল আদালত বা হাইকোর্ট বিভাগও তাদের আপিল বা পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা প্রয়োগ করে এই ধারার অধীনে আদেশ দিতে পারে।
.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫০ ধারায় আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্রের ক্ষেত্রে পুলিশ অফিসারের দায়িত্ব কী?
  1. ষড়যন্ত্র সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা
  2. ষড়যন্ত্রকারীকে গ্রেফতার করা
  3. ষড়যন্ত্র সম্পর্কে আদালতকে অবহিত করা
  4. ষড়যন্ত্র সম্পর্কে উপরস্থ কর্মকর্তাকে অবহিত করা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫০ ধারার বিধান- অনুরূপ অপরাধের ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সংবাদ:
কোন পুলিশ অফিসার কোন আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সংবাদ পেলে তিনি তাঁর উপরস্থ কোন পুলিশ কর্মকর্তা এবং এরূপ কোন অপরাধ নিবারণ করা বা আমলে আনা যে কর্মকর্তার কর্তব্য সেই কর্মকর্তাকে অবহিত করবেন।

Section 150- Information of design to commit such offences:
Every police-officer receiving information of a design to commit any cognizable offence shall communicate such information to the police-officer to whom he is subordinate, and to any other officer whose duty it is to prevent or take cognizance of the commission of any such offence.
.
কোন এলাকার ক্ষেত্রে গণউৎপাত [PUBLIC NUISANCES] সংক্রান্ত বিধানসমূহ প্রযোজ্য নয়?
  1. জেলা এলাকায়
  2. বিভাগীয় এলাকায়
  3. মেট্রোপলিটন এলাকায়
  4. ক ও খ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০ম অধ্যায়ের বিধান- গণ-উৎপাত [PUBLIC NUISANCES].

ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩২ক ধারার বিধান- প্রয়োগ:
এই অধ্যায়ের বিধানসমূহ মেট্রোপলিটন এলাকায় প্রযোজ্য হবে না।

[ধারা ১৩২ক তে এই অধ্যায়ের বলতে গণ-উৎপাত [PUBLIC NUISANCES] অধ্যায়কে বুঝানো হয়ছে।]

CHAPTER X - PUBLIC NUISANCES:
Section 132A. Application: The provisions of this Chapter shall not apply to a Metropolitan Area.
.
ধারা ১৪৮-এর অধীনে স্থানীয় তদন্তের আদেশ কে দিতে পারেন?
  1. শুধুমাত্র আদালত
  2. পুলিশ কর্মকর্তা
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. ক ও খ উভয়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ১৪৮: স্থানীয় তদন্ত:
(১) যখন এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্যে একটি স্থানীয় তদন্ত প্রয়োজন হয়, তখন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তার অধীনস্থ কোনো ম্যাজিস্ট্রেটকে এই তদন্ত পরিচালনার জন্য নিয়োগ করতে পারেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনার জন্য তাকে লিখিত নির্দেশনা সরবরাহ করতে পারেন। তিনি নির্ধারণ করতে পারেন যে, তদন্তের সমস্ত বা আংশিক ব্যয় কার দ্বারা পরিশোধিত হবে।

(২) এভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তির প্রতিবেদন মামলায় প্রমাণ হিসেবে পড়া যেতে পারে।

Section-148: Local inquiry:
(1) Whenever a local inquiry is necessary for the purposes of this Chapter, any District Magistrate may depute any Magistrate subordinate to him to make the inquiry, and may furnish him with such written instructions as may seem necessary for his guidance, and may declare by whom the whole or any part of the necessary expenses of the inquiry shall be paid. 

(2) The report of the person so deputed may be read as evidence in the case.
.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১২৩ অনুসারে, শান্তিরক্ষার মুচলেকা প্রদান করতে না পারার দরুণ যে কারাদণ্ড হবে তা _______ হবে।
  1. বিনাশ্রম
  2. সশ্রম
  3. সশ্রম বা বিনাশ্রম
  4. আংশিক সশ্রম এবং আংশিক বিনাশ্রম
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১২৩- কারাদণ্ডের প্রকার:
(৫) শান্তিরক্ষার মুচলেকা প্রদান করতে না পারার দরুণ যে কারাদণ্ড হবে তা বিনাশ্রম হবে।

(৬) সদাচরণের মুচলেকা প্রদানে অক্ষমতার জন্য কারাদণ্ড ধারা-১০৮ অনুসারে ব্যবস্থা নেয়া থাকলে বিনাশ্রম এবং ১০৯ বা ১১০ ধারামতে ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকলে সংশ্লিষ্ট আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত নির্দেশে সশ্রম বা বিনাশ্রম হবে।

Section 123- Kind of imprisonment:
(5) Imprisonment for failure to give security for keeping the peace shall be simple.
 
(6) Imprisonment for failure to give security for good behaviour shall, where the proceedings have been taken under section 108 be simple and, where the proceedings have been taken under section 109 or section 110, be rigorous or simple as the Court or Magistrate in each case directs.
.
ধারা ১৫২ অনুযায়ী, কোন ধরনের সম্পত্তি রক্ষায় পুলিশ অফিসার হস্তক্ষেপ করতে পারবেন?
  1. ব্যক্তিগত সম্পত্তি
  2. সরকারী সম্পত্তি
  3. ব্যবসায়িক সম্পত্তি
  4. সব ধরনের সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৫২: সরকারী সম্পত্তির ক্ষতি নিবারণ:
কোন পুলিশ অফিসার তার নিজের কর্তৃত্ব বলে তার দৃষ্টিগোচরে কোন স্থাবর বা অস্থাবর সরকারী সম্পত্তির ক্ষতির প্রচেষ্টা অথবা কোন সরকারী চিহ্ন বা বয় (buoy) বা নৌ চলাচলের জন্য ব্যবহৃত অন্য কোন সরকারী চিহ্ন অপসারণের বা ক্ষতির চেষ্টা রোধ করার জন্য হস্তক্ষেপ করতে পারবেন।

Section 152: Prevention of injury to public property:
A police-officer may of his own authority interpose to prevent any injury attempted to be committed in his view to any public property, movable or immovable, or the removal or injury of any public landmark or buoy or other mark use for navigation.
১০.
১১৮ ধারার অধীনে মুচলেকার অর্থের পরিমাণ কেমন হবে?
  1. অত্যধিক
  2. আদালতের চাহিদা অনুযায়ী
  3. পারিপার্শ্বিক অবস্থা অনুযায়ী যথাযথ
  4. অভিযোগকারীর চাহিদা অনুযায়ী
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১১৮ ধারা- মুচলেকা প্রদানের আদেশ:
এহেন তদন্তের ভিত্তিতে যদি ইহা প্রমাণিত হয় যে, শান্তি রক্ষা বা সদাচরণের জন্য যার সম্পর্কে অনুসন্ধান করা হলো, শান্তিরক্ষা ও সদাচারণের জন্য তার জামিনসহ বা জামিনদার ব্যতীত মুচলেকা সম্পাদন করা প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট সেই অনুসারে আদেশ দিবেনঃ

তবে শর্ত থাকে যে,
প্রথমত, কোন ব্যক্তিকে, ১১২ ধারা অনুযায়ী প্রদত্ত আদেশে যেরকম বর্ণিত হয়েছে, তদাপেক্ষা পৃথক প্রকৃতির অথবা তদপেক্ষা অধিক অর্থ পরিমাণের অথবা তদাপেক্ষা অধিক কালখন্ডের জন্য জামিন দিতে আদেশ প্রদান করা যাবে না;

দ্বিতীয়ত, প্রতিটি মুচলেকার অর্থের পরিমাণ পারিপার্শ্বিক অবস্থা যথাযথরূপে বিবেচনার পর স্থির করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না;

তৃতীয়ত, যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করা হলো, সে নাবালক হলে কেবলমাত্র তার জামিনদারগণ মুচলেকা নির্বাহ করবেন।
১১.
১২৭ ধারায় কে বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ হওয়ার আদেশ দিতে পারেন?
  1. দায়রা আদালত
  2. প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  3. থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার
  4. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
ধারা ১২৭: ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসারের আদেশে জনসমাবেশ ভঙ্গকরণ:
কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার কোন বেআইনি সমাবেশ সার্বক্ষণিক শান্তি সম্ভবতঃ বিঘ্ন করবে এমন পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির এমন কোন সমাবেশকে ছত্রভঙ্গ হওয়ার হুকুম দিতে পারেন; এবং তখন জনসমাবেশ সদস্যদের কাজ হবে সেই অনুসারে ছত্রভঙ্গ হওয়া।

[Any Executive Magistrate or officer in charge of a police-station may command any unlawful assembly, or any assembly of five or more persons likely to cause a disturbance of the public peace, to disperse; and it shall thereupon be the duty of the members of such assembly to disperse accordingly.]
১২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় আদালতে অনুপস্থিত লোকের জন্য সমন বা ওয়ারেন্ট জারী করা হয়?
  1. ১১৪ ধারায়
  2. ১১৫ ধারায়
  3. ১১৬ ধারায়
  4. ১১৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি ১১৪ ধারা: যে ব্যক্তি এভাবে হাজির নহেন তাঁর সম্পর্কে সমন বা পরোয়ানা:
এ ধরণের ব্যক্তি আদালতে হাজির না থাকলে, উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট তাঁকে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়ে সমন দিবেন, বা, ঐধরণের ব্যক্তি কারাগারে থাকলে যে অফিসারের তত্ত্বাবধানে তিনি আছেন সেই অফিসারকে তাঁকে আদালতের সমক্ষে আনয়নের নির্দেশ দিয়ে পরোয়ানা জারি করবেনঃ

তবে শর্ত থাকে যে, এরূপ ম্যাজিস্ট্রেটের, কোনও পুলিশ অফিসারের রিপোর্টের ভিত্তিতে অথবা অন্য সংবাদের উপর ভিত্তি করে (এরূপ প্রতিবেদন বা সংবাদের সারাংশ উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট নথিভুক্ত করবেন) যদি মনে হয় যে শান্তিভঙ্গ করা হবে এরূপ ভয় করার কারণ আছে এবং যে অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে গ্রেফতার না করলে ঐরূপ শান্তিভঙ্গ রোধ করা যাবে না, তাহলে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট যে কোন সময় তাকে গ্রেফতার করার নিমিত্ত পরোয়ানা জারী করতে পারেন।

Section 114: Summons or warrant in case of person not so present:
If such person is not present in Court, the Magistrate shall issue a summons requiring him to appear, or, when such person is in custody, a warrant directing the officer in whose custody he is, to bring him before the Court: 
 
Provided that whenever it appears to such Magistrate, upon the report of a police-officer or upon other information (the substance of which report or information shall be recorded by the Magistrate), that there is reason to fear the commission of a breach of the peace, and that such breach of the peace cannot be prevented otherwise than by the immediate arrest of such person, the Magistrate may at any time issue a warrant for his arrest.
১৩.
Under Section 100, which Magistrates can issue a search warrant for a wrongfully confined person?
  1. Executive Magistrate
  2. Metropolitan Magistrate
  3. Magistrate of the First Class
  4. All of above
ব্যাখ্যা
Section 100- Search for persons wrongfully confined:
If any Metropolitan Magistrate, Magistrate of the first class or or an Executive Magistrate has reason to believe that any person is confined under such circumstances that the confinement amounts to an offence, he may issue a search- warrant, and the person to whom such warrant is directed may search for the person so confined; and such search shall be made in accordance therewith, and the person, if found, shall be immediately taken before a Magistrate, who shall make such order as in the circumstances of the case seems proper.

ফৌজদারি কার্যবিধির ১০০ ধারা-
যখন কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট বা মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেটের এরূপ বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, কোন ব্যক্তিকে এরূপ অবস্থায় আটক রাখা হয়েছে যে আটক রাখা অপরাধের সামিল তখন তিনি তল্লাশী পরোয়ানা প্রদান করতে পারবেন এবং যার প্রতি পরোয়ানাটি নির্দেশিত তিনি পরোয়ানা অনুসারে উক্ত আটক ব্যক্তির জন্য তল্লাশী করতে পারবেন, এবং সেই ব্যক্তিকে পাওয়া গেলে তাকে অবিলম্বে কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট হাজির করতে হবে এবং অবস্থানুসারে যেরূপ মনে করেন সেরূপ উপযুক্ত আদেশ দিবেন।
১৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯ ধারায় তল্লাশী পরোয়ানার অধীন পরিচালিত তল্লাশীর মাধ্যমে প্রাপ্ত জিনিস কার নিকট দাখিল করতে হবে?
  1. দায়রা আদালতে
  2. পুলিশ স্টেশনে
  3. পরোয়ানা প্রদানকারী আদালতে
  4. জেলা ম্যাজিষ্ট্রেটের কাছে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯ ধারা: অধিক্ষেত্র বহির্ভূত স্থানে তল্লাশী চালিয়ে প্রাপ্ত বস্তু বিলিবন্দেজ করা:
যখন, কোন তল্লাশী পরোয়ানা প্রদানকারী আদালতের স্থানীয় অধিক্ষেত্রের বাহিরের যে কোন স্থানে তল্লাশী পরোয়ানা কার্যকরকালে যেসব জিনিসের জন্য তল্লাশী পরিচালনা করা হচ্ছে তার কোন কোনটি পাওয়া যায়, সেসব জিনিস, অতঃপর বিধৃত বিধানসমূহ অনুসারে তৈয়ারী করা তালিকাসহ, অবিলম্বে কার্যত পরোয়ানা জারীকারী আদালতের সমক্ষে নিয়ে যেতে হবে, যদি না এরূপ স্থানে ঐ আদালত অপেক্ষা ঐস্থানে এখতিয়াবান ম্যাজিস্ট্রেটের নিকটতর হয়, যেক্ষেত্রে ঐ তালিকা ও জিনিসপত্র অবিলম্বে ঐ ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে নিয়ে যেতে হবে এবং বিরুদ্ধ কিছু করার উত্তম কারণ না থাকলে ঐরূপ ম্যাজিস্ট্রেট ঐরূপ আদালতে ঐগুলি নিয়ে যাবার ক্ষমতা দিয়ে আদেশ দিবেন।

সহজ ভাষায়-
যদি কোনো আদালত একটি তল্লাশির পরোয়ানা জারি করে এবং তা আদালতের এখতিয়ার এলাকার বাইরে কোনো স্থানে কার্যকর করা হয়, তখন তল্লাশির সময় যেসব বস্তু খোঁজা হচ্ছিল, সেগুলো পাওয়া গেলে-পাওয়া যাওয়া বস্তুর একটি তালিকা তৈরি করতে হবে এবং এসব বস্তু এবং তালিকা অবিলম্বে সেই আদালতে জমা দিতে হবে, যেখান থেকে তল্লাশির পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল। তবে, যদি পরোয়ানা জারি করা আদালতের চেয়ে তল্লাশির স্থানের নিকটবর্তী অন্য কোনো ম্যাজিস্ট্রেট থাকেন, তাহলে সেই ম্যাজিস্ট্রেটের কাছেও বস্তু ও তালিকা জমা দেওয়া যেতে পারে। সেই ম্যাজিস্ট্রেট, যদি কোনো বিরোধী কারণ না থাকে, বস্তুগুলো মূল আদালতে পাঠানোর জন্য আদেশ দেবেন।
১৫.
Under Section 148(1), who can be directed to pay the necessary expenses of the local inquiry?
  1. Only the accused
  2. Only the complainant
  3. Any party as declared by the inquiry officer
  4. Any party as declared by the District Magistrate
ব্যাখ্যা
Section 148: Local inquiry-
(1) Whenever a local inquiry is necessary for the purposes of this Chapter, any District Magistrate may depute any Magistrate subordinate to him to make the inquiry, and may furnish him with such written instructions as may seem necessary for his guidance, and may declare by whom the whole or any part of the necessary expenses of the inquiry shall be paid. 
 
(2) The report of the person so deputed may be read as evidence in the case.

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির-১৪৮: স্থানীয় তদন্ত:
(১) যখন এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্যে একটি স্থানীয় তদন্ত প্রয়োজন হয়, তখন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তার অধীনস্থ কোনো ম্যাজিস্ট্রেটকে এই তদন্ত পরিচালনার জন্য নিয়োগ করতে পারেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনার জন্য তাকে লিখিত নির্দেশনা সরবরাহ করতে পারেন। তিনি নির্ধারণ করতে পারেন যে, তদন্তের সমস্ত বা আংশিক ব্যয় কার দ্বারা পরিশোধিত হবে।

(২) এভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তির প্রতিবেদন মামলায় প্রমাণ হিসেবে পড়া যেতে পারে।
১৬.
রাষ্ট্রদ্রোহীতামূলক বিষয় প্রচারকারীর সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ অনধিক কত সময়ের জন্য হবে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৪ বছর
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধিতে রাষ্ট্রদ্রোহীতামূলক বিষয় প্রচারকারীর সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ- অনধিক ১ বছর।

ধারা ১০৮: রাষ্ট্রদ্রোহীতামূলক বিষয় প্রচারকারীর সদাচরণের জন্য মুচলেকা প্রদান-
যখনই জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, যিনি সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত, জানতে পারেন যে তাঁর এখতিয়ারের মধ্যে এমন কোনো ব্যক্তি আছেন, যিনি ওই এখতিয়ারের ভেতরে বা বাইরে ইচ্ছাকৃতভাবে রাষ্ট্রদ্রোহমূলক বিষয় প্রচার করেন বা প্রচারের চেষ্টা করেন, অথবা প্রচারে সহায়তা করেন-**
(ক) এমন কোনো বিষয়, যা প্রচার করা দণ্ডবিধির ধারা ১২৩ক বা ১২৪ক অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য;
(খ) এমন কোনো বিষয়, যা প্রচার করা দণ্ডবিধির ধারা ১৫৩ক অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য;
(গ) বিচারক সম্পর্কিত এমন কোনো বিষয়, যা দণ্ডবিধি অনুযায়ী অপরাধমূলক ভয়ভীতি প্রদর্শন বা মানহানির সামিল;

তাহলে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট, যদি তাঁর মতামত অনুযায়ী যথেষ্ট কারণ থাকে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে একটি বন্ডে স্বাক্ষর করতে নির্দেশ দিতে পারেন, যা ভালো আচরণ নিশ্চিত করার জন্য, সর্বোচ্চ এক বছরের জন্য হতে পারে।

তবে, কোনো নিবন্ধিত প্রকাশনা, যা "মুদ্রণ যন্ত্র ও প্রকাশনা (ঘোষণা ও নিবন্ধন) আইন, ১৯৭৩" অনুযায়ী সম্পাদিত, মুদ্রিত এবং প্রকাশিত হয়েছে, তার সম্পাদক, প্রকাশক, মুদ্রক বা মালিকের বিরুদ্ধে এই ধারার অধীনে কোনো কার্যক্রম নেওয়া যাবে না, যদি না সরকার বা সরকারের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তার নির্দেশ বা অনুমোদন থাকে।
১৭.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১১৯ ধারায় অভিযোগকৃত ব্যক্তির __________ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
  1. গ্রেপ্তার
  2. জরিমানা
  3. অব্যাহতি
  4. সম্পত্তি বাজেয়াপ্তি
ব্যাখ্যা
ধারা ১১৯: অভিযোগকৃত ব্যক্তির অব্যাহতি-
যদি ধারা ১১৭ অনুযায়ী তদন্তে প্রমাণ না হয় যে শান্তি রক্ষা করা বা ভালো আচরণ নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে বন্ডে স্বাক্ষর করানো জরুরি, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট এই বিষয়ে নথিতে উল্লেখ করবেন। যদি সেই ব্যক্তি শুধুমাত্র তদন্তের উদ্দেশ্যে হেফাজতে থাকেন, তাহলে তাকে মুক্তি দেওয়া হবে। যদি ওই ব্যক্তি হেফাজতে না থাকেন, তবে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হবে।

Discharge of person informed against-
If, on an inquiry under section 117, it is not proved that it is necessary for keeping the peace or maintaining good behaviour, as the case may be, that the person in respect of whom the inquiry is made, should execute a bond, the Magistrate shall make an entry on the record to that effect, and if such person is in custody only for the purposes of the inquiry, shall release him, or, if such person is not in custody, shall discharge him. 
১৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ১১-এর শিরোনাম কী?
  1. PUBLIC NUISANCES
  2. DISPUTES AS TO IMMOVABLE PROPERTY
  3. PREVENTIVE MEASURES AGAINST OFFENCES
  4. TEMPORARY ORDERS IN URGENT CASES OF NUISANCE OR APPREHENDED DANGER
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ১১ এর শিরোনাম- "TEMPORARY ORDERS IN URGENT CASES OF NUISANCE OR APPREHENDED DANGER." উক্ত অধ্যায়ে ধারা ১৪৪ আছে।

• আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কারো আবেদনের প্রেক্ষিতে অথবা নিজে স্বত্বঃপ্রণোদিত হয়ে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে-

i) আইনানুগভাবে কর্মরত কোন ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির আশংকা,
ii) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তা বিপন্ন হবার আশংকা;
iii) উৎপাত বা জনসাধারনের শান্তিভঙ্গের আশংকা ;
iv) দাঙ্গা বা মারামারির আশংকা ; এবং
v) আশু প্রতিরোধ ও দ্রুত প্রতিকার প্রয়োজন হলে 

• স্থাবর সম্পত্তি অর্থাৎ জমি বা জলাশয় বা তার সীমানা নিয়ে বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা দেখা দিলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন আদেশ প্রদান করতে পারে। ১৪৪ ধারা জারির ক্ষেত্রে নিম্নবর্ণিত সাধারণ নিয়মাবলী অনুসরণ করা হয় । যথা-

i) সাধারণত নোটিশ জারি করার পর ১৪৪ ধারা জারি করা হয় কিন্তু জরুরী পরিস্থিতিতে নোটিশ ব্যতীত একতরফাভাবে ১৪৪ ধারা জারি করা যায়। এই আদেশ কোন ব্যক্তি বিশেষের প্রতি অথবা বিশেষ স্থানে ঘন ঘন গমনকারী বা সফরকারী জনসাধারণের প্রতি নির্দেশ হতে পারে।
(ii) ১৪৪ ধারার আদেশে কোন ব্যক্তিকে কোন কাজ করা থেকে বিরত রাখতে অথবা কোন নির্দিষ্ট সম্পত্তি ম্যাজিস্ট্রেটের দখলে বা ব্যবস্থাধীনে নেয়ার নির্দেশ থাকতে পারে।
iii) ১৪৪ ধারার আদেশ সাধারণত সর্বোচ্চ ২ মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকে; তবে সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তি দ্বারা ১৪৪ ধারার আদেশকে ২ মাসের অধিক সময় পর্যন্ত বলবৎ রাখতে পারে ।

• ১৪৪(৪) ধারামতে কোন ম্যাজিস্ট্রেট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনক্রমে ১৪৪ ধারার আওতায় তার নিজের বা তার অধীনস্ত কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা তার পূর্ববর্তী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারেন। ১৪৪ ধারা মেট্রোপলিটন এলাকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। তবে মেট্রোপলিটন এলাকায় মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে।
১৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারার অধীনে পুলিশ অফিসার কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন?
  1. যেকোন অপরাধে সংশিষ্ট অপরাধী
  2. জামিনঅযোগ্য অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্রে জড়িত ব্যক্তি
  3. আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্রে জড়িত ব্যক্তি
  4. যে ব্যক্তি পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারার বিধান- আমলযোগ্য অপরাধ নিবারণের লক্ষ্যে গ্রেফতার:
কোন পুলিশ অফিসার যদি কোন আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্রের কথা অবগত হন এবং তাঁর নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, এই অপরাধ সংঘটন অন্যভাবে নিবারণ করা যাবে না, সেক্ষেত্রে তিনি ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ ও পরোয়ানা ব্যতীত সংশ্লিষ্ট ষড়যন্ত্রকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।

Section 151- Arrest to prevent such offences:
A police-officer knowing of a design to commit any cognizable offence may arrest, without orders from a Magistrate and without a warrant, the person so designing, if it appears to such officer that the commission of the offence cannot be otherwise prevented.
২০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন প্রাথমিক আদেশের পূর্ববর্তী _________ কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে বেদখল হলে, উক্ত দখলচ্যুত ব্যক্তি প্রকৃত দখলদার বলে বিবেচিত হবে।
  1. ১ মাসের মধ্যে
  2. ২ মাসের মধ্যে
  3. ৩ মাসের মধ্যে
  4. ৬ মাসের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• স্থাবর সম্পত্তি অর্থাৎ জমি বা জলাশয় বা তার সীমানা নিয়ে বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা দেখা দিলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন আদেশ প্রদান করতে পারে।
 
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করা যায়।
⇒ ১৪৫ ধারার আদেশ দ্বারা প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করা হয়, কোন মালিকানা নির্ধারণ করা হয় না।
⇒ ১৪৫ ধারার আওতায় প্রাথমিক আদেশের পূর্ববর্তী ২ মাসের মধ্যে কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে বেদখল হলে, উক্ত দখলচ্যুত ব্যক্তি প্রকৃত দখলদার বলে বিবেচিত হবে। অন্যথায় ১৪৫ ধারার আদেশের তারিখে যে ব্যক্তি প্রকৃত দখলে আছেন তার অনুকূলেই ম্যাজিস্ট্রেট দখলের ঘোষণা দিবেন।
২১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩১ ধারায় কমিশনপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তা কখন বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে পারেন?
  1. দায়রা আদালত অনুমতি দিলে
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অনুমতি দিলে
  3. পুলিশ কমিশনারের সম্মতি সাপেক্ষে
  4. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে যোগাযোগ করতে না পারলে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩১ ধারা মতে,
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে যোগাযোগ করতে না পারলে পরিস্থিতি সাপেক্ষে সেনাবাহিনীর কোন কমিশনপ্রাপ্ত অফিসার সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে বেআইনী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে পারেন এবং প্রয়োজনে গ্রেফতার ও আটক করতে  পারেন।

ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩১ ধারা- জনসমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে কমিশনপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তার ক্ষমতা:
এ ধরণের কোন সমাবেশ কর্তৃক যেক্ষেত্রে জননিরাপত্তা দৃশ্যতঃ বিপদগ্রস্ত হয় এবং যেক্ষেত্রে কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করা যায় না, সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোন কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সামরিক শক্তি প্রয়োগপূর্বক এধরণের সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে পারেন এবং এধরণের ছত্রভঙ্গ করার অথবা আইন অনুসারে শাস্তি প্রদানের জন্য উক্ত সমাবেশে যোগদানকারী কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার ও আটক করতে পারবেন; তবে এই ধারার বিধানমতে কার্য চলাকালীন সময় তাঁর পক্ষ কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের যোগাযোগ স্থাপন সম্ভব হলে তিনি যোগাযোগ স্থাপন করবেন এবং অতঃপর কার্য চালিয়ে যাওয়া বা না যাওয়ার বিষয়ে তাঁর নির্দেশ পালন করবেন।

Section-131: Power of commissioned military officers to disperse assembly:
When the public security is manifestly endangered by any such assembly, and when no Executive Magistrate can be communi-cated with, any commissioned officer of the Bangladesh Army may disperse such assembly by military force, and may arrest and confine any persons forming part of it, in order to disperse such assembly or that they may be punished according to law; but if, while he is acting under this section, it becomes practicable for him to communicate with 160[an Executive
২২.
ভবঘুরে ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের সদাচরণের মুচলেকার সময়সীমা সর্বাধিক কত দিন হতে পারে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৯ ধারা:  ভবঘুরে ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিবর্গের কাছ থেকে সদাচরণের মুচলেকা: 
যেক্ষেত্রে কোন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ মর্মে সংবাদ প্রাপ্ত হন যে-
ক) তাঁর স্থানীয় অধিক্ষেত্রের মধ্যে কোন ব্যক্তি তাঁর উপস্থিতি গোপন রাখার নিমিত্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থাসমূহ পরিগ্রহণ করতেছেন এবং এরূপ বিশ্বাস করার হেতু বিদ্যমান যে তিনি কোন অপরাধ সম্পাদনের লক্ষ্যে এরূপ করতেছেন, বা

খ) উক্ত সীমার মধ্যে এরূপ কোন ব্যক্তি রয়েছে যার জীবিকা নির্বাহের কোন প্রকাশ্য পন্থা নেই বা যে ব্যক্তি নিজের সম্পর্কে কোন সন্তোষজনক বিবরণ দিতে পারে না,

সেক্ষেত্রে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট, অতঃপর উল্লিখিত পদ্ধতিতে, এরূপ ব্যক্তিকে, তিনি যেরূপ সমীচীন মনে করেন সেই প্রকার অনূর্ধ্ব এক বৎসর সময়সীমার জন্য, তার সদাচরণের জন্য, জামিনদারসহ বা জামিনদার ব্যতিরেকে, একটি মুচলেকা সম্পাদন করে দিবার জন্য কেন তাকে আদেশ দেয়া হবে না তার কারণ দর্শাতে নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।
২৩.
ধারা ৯৯খ অনুযায়ী কোন ধরনের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট ডিভিশনে আবেদন করা যেতে পারে?
  1. বাজেয়াপ্তির আদেশ
  2. জরিমানার আদেশ
  3. গ্রেফতারি পরোয়ানা
  4. মুচলেকার আদেশ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৯৯খ অনুযায়ী,
যে কোনো ব্যক্তি যার কোনো পত্রিকা, বই বা অন্য কোনো নথিপত্রে স্বার্থ রয়েছে এবং যার বিরুদ্ধে ধারা ৯৯ক অনুযায়ী বাজেয়াপ্তির আদেশ জারি করা হয়েছে, তিনি উক্ত আদেশের তারিখ থেকে দুই মাসের মধ্যে হাইকোর্ট ডিভিশনে আবেদন করতে পারবেন। এই আবেদন উক্ত আদেশ বাতিল করার জন্য করা যাবে এই মর্মে যে, যে পত্রিকার সংখ্যা, বই বা নথিপত্রের জন্য আদেশটি জারি করা হয়েছে, তাতে ধারা ৯৯এর (১) উপধারায় উল্লেখিত কোনো বিষয়বস্তু, শব্দ বা দৃশ্যমান উপস্থাপনা অন্তর্ভুক্ত ছিল না।
২৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারা অনুযায়ী তল্লাশী কার্যক্রম পরিচালিত হয়:
  1. সাক্ষীদের অনুমতিতে
  2. অভিযুক্ত ব্যক্তির নির্দেশে
  3. সাক্ষীদের উপস্থিতিতে
  4. কোনো সাক্ষী ছাড়া গোপনে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারা- সাক্ষীর উপস্থিতিতে তল্লাশী কার্যক্রম চালাতে হবে:
(১) এই অধ্যায় মোতাবেক তল্লাশী করার পূর্বে যে অফিসার বা ব্যক্তি তা করতে গিয়েছেন, তিনি যে এলাকার মধ্যে, যে স্থান তল্লাশী করতে হবে তা অবস্থিত, সেই এলাকার দু বা ততোধিক নিরপেক্ষ ও গণ্যমান্য অধিবাসীকে তল্লাশীর সাক্ষী হবার জন্য আহ্বান করবেন এবং এরূপ করার জন্য তাদেরকে বা তাদের যে কোন একজনের প্রতি লিখিত আদেশ দিতে পারবেন।

(২) তাদের সমক্ষে তল্লাশী করতে হবে, এবং ঐরূপ অফিসার বা অন্য ব্যক্তি ঐরূপ তল্লাশী করার সময় যেসব জিনিস বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং যেসব স্থানে ঐগুলি যথাক্রমে পাওয়া যায় তার একটি তালিকা তৈরী করবেন এবং ঐরূপ সাক্ষীগণ তাতে সই দিবেন; কিন্তু আদালত বিশেষভাবে সমন না দিলে এই ধারায় সম্পাদিত তল্লাশী দর্শনকারী ব্যক্তিকে আদালতে হাজিরা দিতে হবে না।

Section 103- Search to be made in presence of witnesses:
(1) Before making a search under this Chapter, the officer or other person about to make it shall call upon two or more respectable inhabitants of the locality in which the place to be searched is situate to attend and witness the search and may issue an order in writing to them or any of them so to do. 
 
(2) The search shall be made in their presence, and a list of all things seized in the course of such search and of the places in which they are respectively found shall be prepared by such officer or other person and signed by such witnesses; but no person witnessing a search under this section shall be required to attend the Court as a witness of the search unless specially summoned by it.
২৫.
What is the primary duty of a police officer under Section 149?
  1. To arrest criminals only
  2. To Assist the court in trials
  3. To prevent the commission of any cognizable offence
  4. To investigate crimes after they have been committed
ব্যাখ্যা
Section 149- Police to prevent cognizable offences:
Every police-officer may interpose for the purpose of preventing, and shall, to the best of his ability, prevent, the commission of any cognizable offence.
 
ধারা ১৪৯: পুলিশ কর্তৃক আমলযোগ্য অপরাধ প্রতিরোধ:
প্রত্যেক পুলিশ কর্মকর্তা যে কোনো আমলযোগ্য অপরাধ (cognizable offence) সংঘটিত হওয়ার প্রতিরোধে হস্তক্ষেপ করতে পারবেন এবং তাঁর সর্বোচ্চ ক্ষমতা অনুযায়ী, সেই অপরাধের সংঘটন প্রতিরোধ করবেন।
২৬.
কোন কর্মকর্তার আদেশ সাপেক্ষে ডাক বা টেলিগ্রাফ বিভাগে তল্লাশী করা যেতে পারে?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উল্লিখিত সকলের
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৫ ধারার বিধান: চিঠি এবং টেলিগ্রাম সম্পর্কিত পদ্ধতি-
১) কোন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, হাইকোর্ট বিভাগ কিংবা দায়রা আদালত তদন্ত, অনুসন্ধান বা বিচারের উদ্দেশ্যে প্রয়োজন মনে করলে কোন ডাক বা টেলিগ্রাফ কর্তৃপক্ষের হেফাজতে থাকা কোন দলিল, পার্সেল বা বস্তু কোন নির্দিষ্ট লোকের নিকট অর্পণ করতে বলতে পারবেন।

২) অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট (নির্বাহী কিংবা জুডিশিয়াল) বা পুলিশ কমিশনার বা জেলা পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট-এর মতে প্রয়োজন হলে তিনি উক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতের আদেশ সাপেক্ষে, ডাক বা টেলিগ্রাফ বিভাগে তল্লাশী পরিচালনা করার এবং উক্ত দলিল বা পার্সেল আটক করার ব্যবস্থা করতে পারবেন।
২৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৩ ধারার অধীনে গণ-উপদ্রব পুনরাবৃত্তি না করার আদেশ দিতে পারে কে?
  1. শুধু জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. শুধুমাত্র পুলিশ কমিশনার
  3. কোনো স্থানীয় জনপ্রতিনিধি
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৩ ধারা- ম্যাজিস্ট্রেট গণ-উপদ্রব পুনরাবৃত্তি করা বা অব্যাহত রাখা নিষিদ্ধ করতে পারবেন:
কোন জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট বা সরকার বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রাপ্ত ক্ষমতায় ক্ষমতাবলে অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কোন ব্যক্তির প্রতি দণ্ডবিধি বা কোন বিশেষ বা স্থানীয় আইনে উল্লেখিত গণ-উপদ্রবের পুনরাবৃত্তি না করার বা উহা অব্যাহত না রাখার আদেশ প্রদান করতে পারবেন।

Section 143- Magistrate may prohibit repetition or continuance of public nuisance:
A District Magistrate or any other Executive Magistrate] empowered by the Government or the District Magistrate in this behalf, may order any person not to repeat or continue a public nuisance, as defined in the Penal Code or any special law.
২৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৪ ধারায় আদালত কখন পেশ করা দলিল বা বস্তু বাজেয়াপ্ত করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র অভিযুক্তের অনুরোধে
  2. অভিযোগকারীর অনুরোধে
  3. আদালত নিজে উপযুক্ত মনে করলে
  4. তদন্তকারী কর্মকর্তার অনুরোধে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৪ ধারা- পেশকৃত দলিলসমূহ বাজেয়াপ্ত করার ক্ষমতাঃ
যেকোনো আদালত, উপযুক্ত বিবেচনা করলে, এই কোড অনুসারে ইহার সমক্ষে পেশ করা যে কোন দলিল বা বস্তু বাজেয়াপ্ত করতে পারেন।
 
Section 104- Power to impound document, etc, produced:
Any Court may, if it thinks fit, impound any document or thing produced before it under this Code.
২৯.
ম্যাজিস্ট্রেট কখন ১৪৪ ধারার অধীনে প্রদত্ত আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারেন?
  1. স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে
  2. ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনক্রমে
  3. শুধুমাত্র উচ্চ আদালতের আদেশে
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ (৪) ধারামতে,
যে কোন ম্যাজিষ্ট্রেট স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে বা কোন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদন ক্রমে এই ধারানুসারে তার নিজের বা তার অধীনস্ত কোন ম্যাজিষ্ট্রেট বা তার পূর্ববর্তী ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারবেন।

Section 144 (4)-
Any Magistrate may, either on his own motion or on the application of any person aggrieved, rescind or alter any order made under this section by himself or any Magistrate subordinate to him, or by his predecessor in office.
৩০.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১২৫ ধারায় কাকে সদাচরণের মুচলেকা বাতিলের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে
  2. প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটকে
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে
  4. ক এবং খ উভয়কে
ব্যাখ্যা
ধারা ১২৫: জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের শান্তি বজায় রাখা বা সদাচরণের মুচলেকা বাতিলের ক্ষমতা:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, যথাযথ কারণ প্রদর্শন সাপেক্ষে, যেটি লিখিত আকারে লিপিবদ্ধ করতে হবে, যে কোনো সময় তার অধিক্ষেত্রের অধীন কোনো আদালত কর্তৃক এই অধ্যায়ের অধীনে শান্তি বজায় রাখা বা সদাচরণের জন্য সম্পাদিত কোনো মুচলেকা বাতিল করতে পারেন, যদি সংশ্লিষ্ট আদালত তার আদালতের চেয়ে উচ্চতর না হয়।

Section 125- Power of District Magistrate to cancel any bond for keeping the peach or good behaviour:
The District Magistrate may at any time, for sufficient reasons to be recorded in writing, cancel any bond for keeping the peace or for good behaviour executed under this Chapter by order of any Court in his district not superior to his Court.
৩১.
ধারা ১৫৩(২) অনুযায়ী, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কোন পরিস্থিতিতে ওজন বা পরিমাপের যন্ত্রপাতি আটক করতে পারবেন?
  1. যদি যন্ত্রপাতি খাঁটি না হয়
  2. যদি তা সরকারি অনুমোদনহীন হয়
  3. যদি যন্ত্রপাতি নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি সৃষ্টি করে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৩ ধারা- ওজন ও পরিমাপের সরঞ্জাম পরীক্ষা:
(১) কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা যেক্ষেত্রে যৌক্তিকভাবে মনে করেন যে, তাঁর থানার সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন জায়গায় এরূপ ওজন, পরিমাপ বা ওজনের যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয় বা রক্ষিত হয়, যা খাঁটি নহে, সেক্ষেত্রে তিনি ওজন, পরিমাণ বা ওজনের যন্ত্রপাতি পরিদর্শন বা তল্লাশির লক্ষ্যে বিনা পরোয়ানায় উক্ত স্থানে ঢুকতে পারবেন।

(২) উক্ত স্থানে তিনি যদি এরূপ কোন বাটখারা, পরিমাপ বা ওজনের যন্ত্রপাতি তাঁর দৃষ্টিতে পড়ে, যাহা খাঁটি নহে, সেক্ষেত্রে তিনি তা আটক করতে পারবেন এবং সাথে সাথে অধিক্ষেত্রসম্পন্ন কোন ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর উক্ত আটকের সংবাদ দিবেন।

Section 153- Inspection of weights and measures:
(1) Any officer in charge of a police- station may, without a warrant, enter any place within the limits of such station for the purpose of inspecting or searching for any weights or measures or instruments for weighing, used or kept therein, whenever he has reason to believe that there are in such place any weights, measures or instruments for weighing which are false.

(2) If he finds in such place any weights, measures or instruments for weighing which are false, he may seize the same, and shall forthwith give information of such seizure to a Magistrate having jurisdiction.
৩২.
বিরোধী বিষয়বস্তুর ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট যদি প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুযায়ী সম্পত্তি ক্রোক করতে পারেন?
  1. ১৪৫ ধারা
  2. ১৪৬ ধারা
  3. ১৪৯ ধারা
  4. ১৫০ ধারা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারার বিধান: বিরোধীয় বিষয় ক্রোক করার ক্ষমতা:
ম্যাজিষ্ট্রেট যদি সিদ্ধান্ত নেন যে, পক্ষবৃন্দের কেউই সে সময়ে বিরোধী বিষয়বস্তুতে দখলকার ছিলনা, অথবা তাদের মধ্য থেকে কোন পক্ষ সেই সময়ে উহাতে দখলকার ছিল, সেই সম্পর্কে তিনি নিজে সন্তুষ্ট হতে অপারগ হলে আদালতে পক্ষবৃন্দের অধিকার বা দখল পাইবার অধিকারী ব্যক্তি সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি তা ক্রোক করতে পারবেনঃ
শর্ত থাকে যে, অনুরূপ উপরে বর্ণিত ম্যাজিস্ট্রেট যদি পরিতুষ্ট হন, বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে আর শান্তিভঙ্গের কোনরূপ সম্ভাবনা নেই, সেক্ষেত্রে তিনি যে কোন সময় ক্রোক বাতিল করতে পারেন।

(২) যেক্ষেত্রে কোন ম্যাজিস্ট্রেট বিরোধীয় বস্তু ক্রোক করেন, সেক্ষেত্রে তিনি যদি সঠিক হিসাবে মনে করেন এবং কোন দেওয়ানী আদালত যদি ইতিপূর্বে বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ না করে থাকেন, সেক্ষেত্রে তিনি উহার জন্য একটি তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করতে পারবেন এবং ম্যাজিস্ট্রেটোর নিয়ন্ত্রণ দ্বারা উক্ত তত্ত্বাবধায়কের দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়কের যাবতীয় ক্ষমতা থাকবেঃ
শর্ত থাকে যে, কোন দেওয়ানী আদালত যদি পরবর্তী ধাপে উক্ত বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করেন, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়ক তাঁর বরাবর দখল অর্পণ করবেন এবং অতঃপর তাকে উক্ত দায়িত্ব থেকে রেহাই দেয়া হবে।
৩৩.
মহানগর এলাকায় বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার জন্য সামরিক শক্তি প্রয়োগের আদেশ দিতে পারেন কে?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. পুলিশ কমিশনার
  3. সামরিক বাহিনীর প্রধান
  4. পুলিশের যে কোনো উপ-পরিদর্শক
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৯ ধারা- সামরিক শক্তি প্রয়োগ:
এরূপ কোন সমাবেশ যদি অন্য কোনভাবে ছত্রভঙ্গ করা না যায় এবং জন নিরাপত্তার জন্য যদি উহা ছত্রভঙ্গ করা দরকার মর্মে গণ্য হয়, সেক্ষেত্রে উপস্থিত সর্বোচ্চ পদের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অথবা মহানগরী এলাকা হলে, সেখানকার পুলিশ কমিশনার সামরিক শক্তির মাধ্যমে উহা ছত্রভঙ্গ করাতে পারবেন।

Section 129- Use of military force:
If any such assembly cannot be otherwise dispersed. and if it is necessary for the public security that it should be dispersed, the Executive Magistrate of the highest rank who is present or the Police Commissioner in a Metropolitan Area may cause it to be dispersed by military force.