পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৪
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৫: বিষয় - কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি টপিক - কম্পিউটার ১. কম্পিউটার পেরিফেরালস: ইনপুট, আউটপুট ও স্টোরেজ ডিভাইসসমূহ - কি-বোর্ড, মাউস, ওসিআর (OCR) ইত্যাদি। ২. কম্পিউটারের অঙ্গ-সংগঠন: সিপিইউ, হার্ড ডিস্ক, ALU, BIOS, পাওয়ার সিস্টেম ইত্যাদি। ৩. কম্পিউটারের পারঙ্গমতা ও দৈনন্দিন জীবনে কম্পিউটারের ব্যবহার: কৃষি, যোগাযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খেলাধুলা ইত্যাদি। ৪. কম্পিউটারের সংখ্যা পদ্ধতি ও কোড, ডিজিটাল লজিক ইত্যাদি। ------------------ [এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আজ বা যেকোন সময় পরীক্ষা শুরু করা হলেও নির্দিষ্ট সময়ে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪ প্রশ্ন

.
কোনটি কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর নির্ভর করে নির্মিত?
  1. Biometrics
  2. Robotics
  3. IoT
  4. VR technology
সঠিক উত্তর:
VR technology
উত্তর
সঠিক উত্তর:
VR technology
ব্যাখ্যা
⚪ VR (Virtual Reality) technology হলো একটি প্রযুক্তি, যা সম্পূর্ণভাবে কম্পিউটার-ভিত্তিক এবং এটি বাস্তবের অনুকরণে কৃত্রিম পরিবেশ তৈরি করে। এই প্রযুক্তিতে ব্যবহারকারী একটি ভার্চুয়াল জগতে প্রবেশ করে, যা সম্পূর্ণ সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে। ব্যবহারকারী এই পরিবেশে ৩-ডি ভিজ্যুয়াল, শব্দ, ও স্পর্শ ইত্যাদির মাধ্যমে ইন্টারঅ্যাক্ট করতে পারে।

⚪ অপশন আলোচনা:
ক) Biometrics: এটি শরীরের বৈশিষ্ট্য যেমন ফিঙ্গারপ্রিন্ট, চোখের রেটিনা, মুখের গঠন ইত্যাদি শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। এটি কম্পিউটার প্রযুক্তির ব্যবহার করে ঠিকই, কিন্তু সিমুলেশন তত্ত্বের উপর নির্ভরশীল নয়।

খ) Robotics: এটি যন্ত্রমানব ও স্বয়ংক্রিয় সিস্টেম তৈরির প্রযুক্তি, যেখানে সেন্সর, মোটর ও প্রোগ্রামিং ব্যবহৃত হয়। এটি আংশিকভাবে সিমুলেশন ব্যবহার করতে পারে, তবে VR-এর মতো সম্পূর্ণ সিমুলেশন-নির্ভর নয়।

গ) IoT (Internet of Things): এটি বিভিন্ন ডিভাইসকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে সংযুক্ত করে। এটি ডেটা আদান-প্রদানে কম্পিউটার প্রযুক্তি ব্যবহার করে, কিন্তু সিমুলেশন এর মূল ভিত্তি নয়।

⚪ ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি শব্দের আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে কৃত্রিম বাস্তবতা।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয়, কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্রেককারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা কৃত্রিম বাস্তবতা কিংবা কল্পবাস্তবতা বলে।
- একে সংক্ষেপে VR বলা হয়ে থাকে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত।

- এতে ব্যবহৃত সফটওয়্যারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- Vizard, VRToolkit, 3d Studio Max, Maya ইত্যাদি।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
.
120 এর বিসিডি কোড কত?
  1. 11110000
  2. 000100100000
  3. 000100110001
  4. 000100101000
সঠিক উত্তর:
000100100000
উত্তর
সঠিক উত্তর:
000100100000
ব্যাখ্যা
⚪ বিসিডি কোড:
- বিসিডি (BCD) শব্দের পূর্ণরূপ হলো বাইনারি কোডেড ডেসিমেল (Binary Coded Decimal)।
- দশমিক (Decimal) সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে বাইনারিতে রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড।
- এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।

- 4 বিট দ্বারা 24 অর্থাৎ 16 ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। তাই 16টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব।
- এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত। 

120 এর প্রত্যেকটি digit হলো:

1

2

0

এখন প্রতিটি digit কে 4-bit binary তে রূপান্তর করি:

1 → 0001

2 → 0010

0 → 0000

এখন একসাথে বসালে:
0001 0010 0000

অথবা, একটানা লিখলে: 000100100000

এটাই হলো BCD রূপ।

∴ সঠিক উত্তর: 000100100000

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
রম ভিত্তিক প্রোগ্রামকে _________ বলে।
  1. Computer Bus
  2. Adware
  3. Firewall
  4. Firmware
সঠিক উত্তর:
Firmware
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Firmware
ব্যাখ্যা
⚪ Firmware হলো সেই ধরনের প্রোগ্রাম যা ROM (Read Only Memory)-এ সংরক্ষিত থাকে। এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারের সাথে সরাসরি কাজ করে এবং ডিভাইস চালু হলে প্রথমে কাজ শুরু করে। উদাহরণস্বরূপ, BIOS একটি Firmware।

⚪ অপশন আলোচনা:

- Computer Bus: এটি একটি যোগাযোগ ব্যবস্থা, যা কম্পিউটারের বিভিন্ন অংশের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করে।

- Adware: এটি একটি ধরনের সফটওয়্যার যা বিজ্ঞাপন দেখায় এবং সাধারণত বিরক্তিকর হয়।

- Firewall: এটি একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যা অননুমোদিত অ্যাকসেস থেকে নেটওয়ার্ককে সুরক্ষিত রাখে।

⚪ ROM (রম):
- ROM এর পূর্ণরূপ Read only memory.
- রমে যে তথ্য থাকে তাকে পরিবর্তন করা যায় না।
- রম ভিত্তিক প্রোগ্রামকে Firmware বলে।
- সাধারণত কম্পিউটার সিস্টেম তৈরি করার সময় কম্পিউটারের মেমরিতে যে সকল প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে দেয়া হয় তাকে ফার্মওয়্যার বলে।
- যেমন: PC-তে ব্যবহৃত ROM BIOS (Read Only Memory Basic Input Output System) হচ্ছে একটি ফার্মওয়্যার।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ১, ৯ম-১০ম শ্রেণি। [ভোকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ]।
.
10101 এর 1's complement কোনটি?
  1. 01010
  2. 01100
  3. 00000
  4. 11111
সঠিক উত্তর:
01010
উত্তর
সঠিক উত্তর:
01010
ব্যাখ্যা
⚪ ১'s complement মানে হলো একটি বাইনারি সংখ্যার প্রত্যেকটি বিট (bit) উল্টে ফেলা — অর্থাৎ,

যেখানে 1 আছে, সেখানে 0 বসবে

যেখানে 0 আছে, সেখানে 1 বসবে।

১০১০১ সংখ্যাটির ১'s complement হবে:
⇒ প্রতিটি বিট উল্টালে হয়:
⇒ ০১০১০

এখানে,
10101 এর স্থানে বিট গুলোকে উল্টিয়ে 01010 হলো ১ এর পরিপূরক (1's complement).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
.
কোন স্টোরেজ ইউনিট কম্পিউটারে সর্বোচ্চ গতিতে ডেটা অ্যাক্সেস করতে সক্ষম?
  1. Hard Disk
  2. Register
  3. RAM
  4. ROM
সঠিক উত্তর:
Register
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Register
ব্যাখ্যা
⚪ কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের স্টোরেজ ইউনিট থাকে যেগুলোর অ্যাক্সেস স্পিড (ডেটা পড়া বা লেখার গতি) ভিন্ন ভিন্ন। 
⚪ অপশন আলোচনা:

ক) Hard Disk: এটি একটি সেকেন্ডারি স্টোরেজ, যা অনেক বেশি পরিমাণ ডেটা সংরক্ষণ করতে পারে, কিন্তু এর অ্যাক্সেস স্পিড তুলনামূলকভাবে ধীর।

খ) Register: এটি CPU-র ভিতরের একটি ক্ষুদ্র কিন্তু অতিদ্রুত স্টোরেজ ইউনিট। রেজিস্টার-এ CPU সরাসরি কাজ করে এবং এটি সবচেয়ে দ্রুত ডেটা অ্যাক্সেস করতে পারে।

গ) RAM (Random Access Memory): এটি একটি প্রাইমারি মেমোরি, রেজিস্টারের চেয়ে ধীর হলেও হার্ডডিস্কের চেয়ে অনেক গতি সম্পন্ন।

ঘ) ROM (Read Only Memory): এটি একটি স্থায়ী মেমোরি, যেখানে অ্যাক্সেস স্পিড RAM-এর চেয়ে ধীর হতে পারে এবং এটি শুধুমাত্র ডেটা পড়তে পারে।

⚪ রেজিস্টার (Register):
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ- ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদানের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। যেমন: অ্যাকুমুলেটর, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার ইত্যাদি।

⚪ মেমরির ধারণক্ষমতা ও গতির ক্রম:


- পিরামিডের শীর্ষে অবস্থান করা রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা কম হলেও এর গতি যেমন সবচেয়ে বেশি, খরচও তেমনি সবচেয়ে বেশি।
- আবার পিরামিডের একদম পাদদেশে অবস্থিত অপটিক্যাল ডিস্কের ধারণক্ষমতা বেশি হলেও গতি কম এবং দামও তুলনামূলক কম।

⚪ এছাড়াও, জেনে রাখা ভালো -
- RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি।
- RAM হলো অস্থায়ী মেমোরি বা ভোলাটাইল মেমোরি এবং ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
- অসংখ্য ফ্লপি ডিস্কের ক্ষমতা সম্পন্ন ডিস্কই হলো হার্ড ডিস্ক।
- হার্ড ডিস্ককে একটি কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার বলা যায়।
- সাধারণত কম্পিউটারের ভিতরে স্থায়ীভাবে হার্ড ডিস্ক বসিয়ে রেখে কাজ করতে হয়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৩. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
(930.375)10 = (?)8
  1. 1232.3
  2. 1642.3
  3. 1872.3
  4. 1562.3
সঠিক উত্তর:
1642.3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1642.3
ব্যাখ্যা

এখানে, (930)10 =(1642)8
এবং (.375)10 = (.3)8
∴ (930.375)10 = (1642.3)8
.
কোন ধরনের প্রিন্টার সাধারণত উচ্চগতি সম্পন্ন হয়ে থাকে?
  1. Dot Printer
  2. Impact Printer
  3. Laser Printer
  4. Inkjet Printer
সঠিক উত্তর:
Laser Printer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Laser Printer
ব্যাখ্যা
⚪Laser Printer সাধারণত উচ্চ গতি সম্পন্ন প্রিন্টার হিসেবে পরিচিত, কারণ এটি দ্রুত প্রিন্ট আউট করতে সক্ষম। এটি লেজার প্রযুক্তি ব্যবহার করে যা খুব দ্রুত এবং সুনির্দিষ্টভাবে কাগজে ইমেজ বা টেক্সট প্রিন্ট করে।

বাকি প্রিন্টারগুলোর তুলনা করলে:
Dot Printer ও Impact Printer সাধারণত কম গতি সম্পন্ন এবং শব্দযুক্ত।
Inkjet Printer গুলোর গতি তুলনামূলকভাবে কম, যদিও কিছু উন্নত মডেল দ্রুত প্রিন্ট করতে সক্ষম হয়।
এজন্য, উচ্চগতি সম্পন্ন প্রিন্টারের ক্ষেত্রে Laser Printer সেরা।

⚪ লেজার প্রিন্টার: 
- লেজার প্রিন্টার একটি নন-ইমপেক্ট প্রিন্টার। 
- এ লেজার প্রিন্টিং প্রযুক্তির মূলে রয়েছে আলোক পরিবাহী পদার্থ বা আলোর উপস্থিতিতে বিদ্যুৎ সুপরিবাহী এবং আলোর অনুপস্থিতিতে বিদ্যুৎ কুপরিবাহী। 
- লেজার প্রিন্টারে লেজার রশ্মির সাহায্যে কাগজে লেখা ছাপানো হয়। 
- লেজার প্রিন্টার সাধারণত উচ্চগতি সম্পন্ন হয়ে থাকে। 
- লেজার প্রিন্টারে ছাপা উন্নতমানের হয়। 

- লেজার প্রিন্টারে ছাপার খরচ অনেক বেশি হয় অন্যান্য প্রিন্টারের তুলনায়। 
- লেজার প্রিন্টারের রেজুলেশন, স্পিড অন্যান্য প্রিন্টারের চেয়ে বেশি। 
- প্রিন্টারের রেজুলেশন DPI এবং গতি PPM এ পরিমাপ করা হয়। 
- বর্তমানে একটি লেজার প্রিন্টারের রেজুলেশন 1200 DPI এবং গতি 24 PPM. 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
.
পয়েন্টিং ডিভাইস হিসেবে কী ব্যবহার করা হয়?
  1. Monitor
  2. Keyboard
  3. Printer
  4. Mouse
সঠিক উত্তর:
Mouse
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mouse
ব্যাখ্যা
⚪ পয়েন্টিং ডিভাইস এমন ডিভাইস যা ব্যবহারকারীর ইন্টারফেসের মাধ্যমে কিউরসরের অবস্থান নিয়ন্ত্রণ করে, যেমন স্ক্রীনে কোন জায়গায় ক্লিক করা বা নির্বাচন করা।

মাউস একটি পয়েন্টিং ডিভাইস, যার মাধ্যমে আপনি স্ক্রীনে কারসর সরাতে এবং বিভিন্ন আইকন বা অপশন নির্বাচন করতে পারেন।

⚪ অপশন আলোচনা:

ক) মনিটর: এটি একটি আউটপুট ডিভাইস, যেখানে কম্পিউটার স্ক্রীন প্রদর্শিত হয়।

খ) কী-বোর্ড: এটি ইনপুট ডিভাইস, যার মাধ্যমে আপনি টাইপ করতে পারেন, কিন্তু এটি পয়েন্টিং ডিভাইস নয়।

গ) প্রিন্টার: এটি একটি আউটপুট ডিভাইস, যা কাগজে তথ্য প্রিন্ট করে।

⚪ মাউস:
- মাউস হলো হাত দিয়ে নিয়ন্ত্রিত ইঁদুর সদৃশ একটি পয়েন্টিং ডিভাইস।
- মাউস পয়েন্টারকে মনিটর স্ক্রীনের যে কোন জায়গায় মুভ করানোকে পয়েন্টিং বলা হয়। মাউস কী বোর্ডের নির্দেশ প্রদান ছাড়াই একটি কম্পিউটারকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
আমেরিকান উদ্ভাবক ডগলাস এঙ্গেলবার্ট মাউস আবিষ্কার করেন।
- মাউস হল এক ধরনের ছোট হার্ডওয়ার ইনপুট ডিভাইস (input device) যা হাত দ্বারা ব্যবহৃত হয়।
এটিকে hand operated input device ও বলা হয়।
- এটি কম্পিউটারের কার্সারের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করতে এবং ব্যবহারকারীর কম্পিউটারের বিভিন্ন ফাইল, ফোল্ডার, টেক্সট আইকন সারাতে এবং নির্বাচন করতে ব্যবহার করা হয়।

⚪ মাউস দুই ধরণের হয়ে থাকে। যথা:
১. Mechanical এবং
২. Optical Mouse.

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও ভোকেশনাল।
২. ব্রিটানিকা।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কম্পিউটারের মূল মেমোরি কী দিয়ে তৈরি করা হয়?  
  1. Al
  2. Ga
  3. Si
  4. Plastics
সঠিক উত্তর:
Si
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Si
ব্যাখ্যা
⚪ কম্পিউটারের মূল মেমোরি (যেমন RAM বা ROM) সাধারণত সিলিকন (Si) দিয়ে তৈরি করা হয়। সিলিকন আধুনিক ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলোর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, কারণ এটি একটি সেমিকন্ডাক্টর, যা ইলেকট্রিক্যাল সিগন্যালকে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।

⚪ অপশন আলোচনা:

- Al (অ্যালুমিনিয়াম): এটি এক ধরনের ধাতু, কিন্তু কম্পিউটারের মূল মেমোরি তৈরিতে ব্যবহার হয় না।

- Ga (গ্যালিয়াম): এটি কিছু বিশেষ ধরনের সেমিকন্ডাক্টর ডিভাইসে ব্যবহৃত হতে পারে, তবে কম্পিউটারের মূল মেমোরি তৈরিতে এটি ব্যবহৃত হয় না।

- Si (সিলিকন): এটি সেমিকন্ডাক্টর হিসেবে কম্পিউটারের মেমোরি এবং প্রসেসরের মতো অংশ তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।

- Plastics (প্লাস্টিক): কম্পিউটারের মেমোরির মূল উপাদান হিসেবে প্লাস্টিক ব্যবহৃত হয় না, তবে এটি বাহ্যিক ক্ষেত্রে যেমন কেস বা কভার তৈরিতে ব্যবহৃত হতে পারে।

⚪ কম্পিউটারের মেমোরি:
- কম্পিউটারের প্রাইমারি মেমোরি বা মূল মেমোরি 'সিলিকন' নামক পদার্থ দিয়ে তৈরি করা হয়। 
- সিলিকনের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি- ইলেকট্রনিক্স শিল্পে। 
- আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে- ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট বা আইসি। 
- সিলিকন নামক মৌলটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়- কম্পিউটারের চিপ তৈরিতে। 
- সিলিকন অন্যান্য উপাদানের তুলনায় অপেক্ষাকৃত সাশ্রয়ী, সহজলভ্য এবং অন্য উপাদানের সাথে সহজে ব্যবহার করা যায় বলে কম্পিউটারের চিপ, টানজিস্টর সিলিকন ডায়েড, মেমোরি এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক্স সার্কিট তৈরিত ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবর রহমান)।
১০.
মাদারবোর্ডে কোন ধরণের পোর্ট পাওয়ার যায়?
  1. USB ports
  2. HDMI ports
  3. Audio jacks
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⚪ মাদারবোর্ডে বিভিন্ন ধরণের পোর্ট থাকে যা কম্পিউটার এর বিভিন্ন যন্ত্রাংশ সংযোগ করতে সাহায্য করে। এই পোর্টগুলো হলো:

- USB Ports (ক): মাদারবোর্ডে সাধারণত বেশ কয়েকটি USB পোর্ট থাকে যা ইউএসবি ডিভাইস যেমন কীবোর্ড, মাউস, ফ্ল্যাশ ড্রাইভ, প্রিন্টার ইত্যাদি সংযোগ করতে ব্যবহৃত হয়।

- HDMI Ports (খ): কিছু মাদারবোর্ডে HDMI পোর্টও থাকে, যা ডিসপ্লে (মনিটর) বা টেলিভিশনে ভিডিও এবং অডিও সিগন্যাল পাঠাতে ব্যবহৃত হয়।

- Audio Jacks (গ): মাদারবোর্ডে অডিও জ্যাক থাকে, যা স্পিকার, মাইক্রোফোন বা হেডফোন সংযোগ করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

তাই, উত্তর হবে - উপরের সবগুলো।

⚪ মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত।
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।

⚪ মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস:
- কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
Face Recognition- এর জন্য কোন অ্যালগরিদমটি প্রায়ই ব্যবহার হয়?
  1. K-Means
  2. SVM
  3. DBSCAN
  4. CNN
সঠিক উত্তর:
CNN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CNN
ব্যাখ্যা
⚪ Face Recognition (মুখ চেনার) জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত অ্যালগরিদম হলো CNN (Convolutional Neural Networks)। এটি একটি ধরনের Deep Learning অ্যালগরিদম, যা চিত্রের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য (features) বের করে, যেমন মুখের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ (eyes, nose, mouth ইত্যাদি) এবং তাদের সম্পর্কের মধ্যে পার্থক্য খুঁজে বের করে।

⚪ অপশন আলোচনা:

ক) K-Means: এটি একটি ক্লাস্টারিং অ্যালগরিদম, যা সাধারণত চিত্র বা ডেটার গ্রুপিং করার জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এটি মুখ চেনার ক্ষেত্রে খুব কার্যকরী নয়।

খ) SVM (Support Vector Machines): এটি একটি ক্লাসিফিকেশন অ্যালগরিদম, তবে SVM সাধারণত মুখ চেনার জন্য ব্যবহৃত হয় না, যদিও কিছু নির্দিষ্ট কেসে ব্যবহার করা যেতে পারে।

গ) DBSCAN: এটি একটি অন্য ধরনের ক্লাস্টারিং অ্যালগরিদম, যা অস্বাভাবিক বা আউটলায়ার ডেটা চিহ্নিত করতে ব্যবহৃত হয়। মুখ চেনার জন্য এটি সাধারণত ব্যবহৃত হয় না।

তাহলে, Face Recognition এর জন্য CNN (Convolutional Neural Networks) সবচেয়ে উপযুক্ত অ্যালগরিদম।

উৎস: 
১) geeksforgeeks [লিংক]
২) sciencedirect.com [লিংক]
১২.
কোনটি ইউনিভার্সাল গেইট?
  1. NOR
  2. NOT
  3. AND
  4. OR
সঠিক উত্তর:
NOR
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NOR
ব্যাখ্যা
⚪ NOR গেইট হলো একটি ইউনিভার্সাল গেইট, কারণ এর মাধ্যমে আমরা অন্য সব লজিক গেইট (যেমন AND, OR, NOT) তৈরি করতে পারি।
- NOT গেইট একটি মৌলিক গেইট, কিন্তু এটি অন্য গেইট তৈরির জন্য পর্যাপ্ত নয়।
- AND এবং OR গেইট ইউনিভার্সাল গেইট নয়, কারণ এগুলোর সাহায্যে সব গেইট তৈরি করা সম্ভব নয়।

⚪ সার্বজনীন গেইট:

- যে সকল গেইটের মাধ্যমে অ্যান্ড, অর ও নট গেইটের ফাংশনকে প্রতিস্থাপন করা যায় তাদেরকে সার্বজনীন গেইট বা ইউনিভার্সাল গেইট বলা হয়।
- অর, অ্যান্ড এবং নট এই তিনটি মৌলিক গেইটের সমন্বয়ে সকল প্রকার লজিক সার্কিট বা যুক্তি বর্তনী তৈরি করা যায়।
- আবার শুধুমাত্র ন্যান্ড গেইট ব্যবহার করেই যে কোন লজিক সার্কিট বা যুক্তি বর্তনী তৈরি করা যায়।
- এর কারণ ন্যান্ড গেইট দিয়ে অর, অ্যান্ড এবং নট গেইট বাস্তবায়ন সম্ভব।
- একইভাবে শুধু নর গেইট দিয়েই অর, অ্যান্ড এবং নট গেইট তথা যে কোন লজিক সার্কিট বা যুক্তি বর্তনী তৈরি করা সম্ভব। এ জন্য এই গেইট দুটিকে বলা হয় সার্বজনীন গেইট।

⚪নর গেইট:
নর (NOR) গেইট হচ্ছে অর গেইট ও নট গেইটের সমষ্টি। অর গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে নর গেইট তৈরি হয়। অর গেইট যে কাজ করে নর গেইট তার বিপরীত কাজ করে। 


 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
কোন সফটওয়্যারটি VR ডেভেলপমেন্ট ও রিয়েল-টাইম 3D রেন্ডারিংয়ের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত?
  1. Notepad++
  2. MySQL
  3. Microsoft Word
  4. Unity
সঠিক উত্তর:
Unity
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Unity
ব্যাখ্যা
⚪ Unity একটি জনপ্রিয় গেম ইঞ্জিন যা ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) ডেভেলপমেন্ট ও রিয়েল-টাইম 3D রেন্ডারিং-এর জন্য ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। এটি ইন্টার‍্যাকটিভ গেম, সিমুলেশন ও থ্রিডি অভিজ্ঞতা তৈরিতে সাহায্য করে।

⚪ অপশন আলোচনা:
- Notepad++ একটি সাধারণ টেক্সট এডিটর, কোড লেখা বা এডিট করার জন্য ব্যবহার হয়, তবে 3D বা VR ডেভেলপমেন্টে এটি ব্যবহৃত হয় না।

- MySQL একটি ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, যার কাজ তথ্য সংরক্ষণ ও পরিচালনা করা - এটি ভিজ্যুয়াল রেন্ডারিংয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।

- Microsoft Word একটি ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার, যেটি লেখালেখির জন্য ব্যবহৃত হয় - VR বা 3D ডেভেলপমেন্টে নয়।

⚪ ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (Virtual Reality-VR) হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।

⚪ ভার্চুয়াল রিয়েলিটি সফটওয়্যারগুলো হলো:
- Vizard,
- VRToolKit,
- 3D Studio Max,
- Maya ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
১৪.
OCR মূলত __________ রূপান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়।
  1. অডিও থেকে টেক্সট
  2. ভিডিও থেকে টেক্সট
  3. টেক্সট থেকে ছবি
  4. ছবি থেকে টেক্সট
সঠিক উত্তর:
ছবি থেকে টেক্সট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছবি থেকে টেক্সট
ব্যাখ্যা
⚪ OCR এর পূর্ণরূপ হলো Optical Character Recognition। এটি একটি প্রযুক্তি যা স্ক্যান করা ছবি, প্রিন্টেড ডকুমেন্ট বা হাতে লেখা লেখার ছবি থেকে লেখা (টেক্সট) চিনে নিয়ে সেটিকে ডিজিটাল টেক্সটে রূপান্তর করে।

উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি কোনো বইয়ের একটি পৃষ্ঠা স্ক্যান করেন, তাহলে OCR প্রযুক্তির মাধ্যমে সেই ছবির ভিতরের লেখাগুলোকে চিনে নিয়ে কপি-পেস্ট করার উপযোগী টেক্সটে রূপান্তর করা যায়।

⚪ OCR:
- OCR-এর পূর্ণ নাম হলো Optical Character Reader/Recognition.
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।

- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে হাতের লেখা অত্যন্ত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন
এবং প্রয়োজনীয় গঠন অনুসারে লিখিত হওয়া দরকার।
- OCR-এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়‍্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে। অতঃপর OCR সফটওয়‍্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।

⚪ OCR এর ব্যবহার:
 - ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ,
- চিঠির পিনকোড,
- ক্যাশ রেজিস্টার,
- ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।