পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৯
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৭: বিষয় - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি টপিকসমূহ: ১. বৈশ্বিক ইতিহাস: [প্রাচীন সভ্যতা ও সাম্রাজ্যসমূহ, গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলী (যুদ্ধ ও বিপ্লব, বিভিন্ন দেশের সংস্কার আন্দোলন ইত্যাদি), ধর্মসমূহের ইতিহাস এবং ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গ [শুধুমাত্র গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো পড়ুন। এই টপিক সারাজীবন পড়েও শেষ হবে না।] ২. আন্তর্জাতিক পরিবেশগত ইস্যু ও কূটনীতি: [পরিবেশ বিষয়ক আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক চুক্তিসমূহ]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৯ প্রশ্ন

.
'জাস্টিনিয়ান কোড' কী ? 
  1. ধর্মগ্রন্থ 
  2. সামরিক কৌশল
  3. আইনের সংকলন 
  4. স্থাপত্যের নিয়ম
ব্যাখ্যা

• জাস্টিনিয়ান কোড (Justinian Code) : 
- জাস্টিনিয়ান কোড হলো বাইজেন্টাইন সম্রাট প্রথম জাস্টিনিয়ান - এর নির্দেশে ৫২৮-৫৩৪ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে সংকলিত রোমান আইনের একটি বিশাল ও যুগান্তকারী সংগ্রহ। 
- এটি আধুনিক ইউরোপীয় সিভিল আইন ব্যবস্থার ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয় এবং আজও ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, স্পেনসহ অনেক দেশের আইন ব্যবস্থায় এর প্রভাব রয়েছে।
- এটি ৪ খন্ডে বিভক্ত। 

উল্লেখ্য,
- জাস্টিনিয়ানের শাসনকালে পূর্ব রোমান সাম্রাজ্য (বাইজেন্টাইন) আইনি বিশৃঙ্খলায় ভুগছিল।
- রোমান আইনের বিভিন্ন সংগ্রহ ছিল পুরনো, অসঙ্গতিপূর্ণ এবং বহুবিধ ।
- জাস্টিনিয়ান চেয়েছিলেন একটি সুসংগঠিত, স্পষ্ট এবং একক আইনি ব্যবস্থা যাতে – আইনের অসঙ্গতি দূর হয়, আদালতে মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি হয়, রোমান আইনের ঐতিহ্য সংরক্ষিত হয়, খ্রিস্টান মূল্যবোধের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 

.
ত্রিশ বছরব্যাপী যুদ্ধের অবসান ঘটে কোন চুক্তির মাধ্যমে?  
  1. লুজান চুক্তি 
  2. ভার্সাই চুক্তি
  3. ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি
  4. প্যারিস চুক্তি
ব্যাখ্যা

• ত্রিশবছরব্যাপী যুদ্ধ/ Thirty years war:
- ত্রিশবছরব্যাপী যুদ্ধ ছিল ১৬১৮ খ্রিস্টাব্দ - ১৬৪৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সংঘটিত একটি দীর্ঘমেয়াদি অনুক্রমিক যুদ্ধ।
- সপ্তদশ শতাব্দীর প্রথমভাগে ইউরোপে প্রোটেস্ট্যান্ট এবং ক্যাথলিকদের মধ্যে এই যুদ্ধ সংগঠিত হয়।
- ধর্মই এই যুদ্ধের একমাত্র কারণ ছিলো তা নয়, বরং ধর্ম এবং রাজনীতি উভয় কারণে এক জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়ে এটি একটি আন্তর্জাতিক যুদ্ধে পরিণত হয়।
- এই যুদ্ধে প্রোটেস্টান্ট এবং ক্যাথলিক উভয়েই তাদের নিজস্ব শক্তি বজায় রেখে এগিয়ে যেতে থাকে।
- দীর্ঘ ত্রিশবছর ধরে যুদ্ধে সমগ্র জার্মানি ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়।

• ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি:
- ওয়েস্টফেলিয়া শান্তি চুক্তি ইউরোপের শান্তির স্বপক্ষে প্রথম এবং সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
- এটি ইউরোপকে একটি আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা নিয়ে আসতে সক্ষম হয়।
- ১৬৪৮ সালের ২৪শে অক্টোবর ওয়েস্টফালিয়া চুক্তি এর মাধ্যমে ত্রিশবছরব্যাপী যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।
- এই চুক্তির মাধ্যমে প্রটেস্ট্যান্ট রাষ্ট্রগুলি ধর্মীয় স্বাধীনতা পায়, ফ্রান্সকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করে এবং ইউরোপে তাদের রাজনৈতিক প্রভাব বৃদ্ধি পায়, অস্ট্রিয়ার হাবসবার্গ সম্রাটদের ক্ষমতা হ্রাস পায়।

তথ্যসূত্র:  i) Britannica. 
ii) আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
৩৬৫ দিনে বছর গণনার পদ্ধতি প্রথম উদ্ভাবিত হয় কোন সভ্যতায়? 
  1. মিশরীয় সভ্যতা
  2. গ্রিক সভ্যতা
  3. সিন্ধু সভ্যতা
  4. রোমান সভ্যতা
ব্যাখ্যা

• মিশরীয় সভ্যতার অবদান: 
- মিশরীয় সভ্যতা ছিল কৃষিনির্ভর। 
- সে কারণে নীল নদের প্লাবন, নাব্যতা, পানি প্রবাহের মাপ জোয়ারভাটা ইত্যাদি ছাড়াও জমির মাপ তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল।
- এসবের সঙ্গে জ্যোতিষশাস্ত্র ও অংক শাস্ত্রের ছিল গভীর যোগাযোগ। 
- ফলে এ দুটি বিদ্যা তারা আয়ত্ত করেছিল প্রয়োজনের তাগিদে।
- তারা অংক শাস্ত্রের দুটি শাখা- জ্যামিতি এবং পাটিগণিতের প্রচলন করে।

এছাড়াও,
- খ্রিস্টপূর্ব ৪২০০ অব্দে তারা পৃথিবীতে প্রথম সৌর পঞ্জিকা আবিষ্কার করে। 
- ৩৬৫ দিনে বছর এ হিসাবের আবিষ্কারকও তারা।
- প্রাচীন মিশরের অধিবাসীরা সময় নির্ধারণের জন্য সূর্য ঘড়ি, ছায়াঘড়ি, জলঘড়ি আবিষ্কার করে।
- চিকিৎসা শাস্ত্রে মিশরীয়রাই সর্বপ্রথম ‘মেটেরিয়া মেডিকা' বা ঔষুধের তালিকা প্রণয়নে সক্ষম হয়।

অন্যদিকে, 
- গ্রিকরা প্রথম পৃথিবীর মানচিত্র অঙ্কন করে।
- সপ্তাহকে সাতদিনে বিভক্ত করে ক্যালডীয়রা।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

.
বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তঃসীমান্ত চলাচল নিয়ন্ত্রণে 'বাসেল কনভেনশন' গৃহীত হয় কবে? 
  1. ১৯৮৯ সালে
  2. ১৯৯২ সালে 
  3. ১৯৯৭ সালে 
  4. ২০০০ সালে 
ব্যাখ্যা

• বাসেল কনভেনশন: 
- বাসেল কনভেনশন হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি ।
- যা বিপজ্জনক বর্জ্য এবং অন্যান্য ধরনের বর্জ্যের এক দেশ থেকে অন্য দেশে, বিশেষ করে উন্নত দেশ থেকে অনুন্নত বা উন্নয়নশীল দেশে, স্থানান্তর ও ব্যবস্থাপনাকে নিয়ন্ত্রণ করে।
- সম্পূর্ণ নাম: Basel Convention on the Control of Transboundary Movements of Hazardous Wastes and Their Disposal
- গৃহীত হয়: ২২ মার্চ ১৯৮৯ সালে।
- কার্যকর হয়: ৫ মে ১৯৯২ সালে। 
- স্থান: বাসেল, সুইজারল্যান্ড ।

• উদ্দেশ্য: 
- বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তর্জাতিক পরিবহন নিয়ন্ত্রণ করা।
- বিপজ্জনক বর্জ্যের নিরাপদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা।
- পরিবেশ ও মানব স্বাস্থ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশ ১৯৯৩ সালে বাসেল কনভেনশনে যোগ দেয়।

তথ্যসূত্র: Basel Convention ওয়েবসাইট। 

.
কিউবা বিপ্লবের ফলে বাতিস্তা সরকারের পতন ঘটে কবে? 
  1. ১৯৫৮ সালে 
  2. ১৯৫৯ সালে 
  3. ১৯৬০ সালে 
  4. ১৯৬২ সালে 
ব্যাখ্যা

• কিউবা বিপ্লব:
- কিউবার বিপ্লবী মহানায়ক ফিদেল কাস্ত্রো।
- কিউবার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বাতিস্তা ও কিউবার ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে বিপ্লবের ময়দানে সক্রিয় হন কাস্ত্রো।
- তার প্রথম পদক্ষেপ ছিল মেক্সিকো থেকে কিউবায় আক্রমণ চালানো।
- ১৯৫৬ সালের ২৫ নভেম্বর তিনি ও তার বিপ্লবী সহযোগীরা কিউবার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন।
- পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই বাতিস্তার সেনাবাহিনীর আক্রমণে নাস্তানাবুদ হন।
- শুরুর দিকেই তাকে কারাবন্দী করে বাতিস্তা সরকার। কিউবার মানুষের মুক্তির জন্য গেরিলা যুদ্ধে নামেন কাস্ত্রো।
- এরই মধ্যে চে গুয়েভারার সঙ্গে ফিদেল কাস্ত্রোর গেরিলা যুদ্ধে পরিকল্পনা আরও বিস্তৃতি পায়।
- ফিদেল কাস্ত্রো তাকে গ্রেনেড তৈরির কারখানা, রুটি বানানোর জন্য চুল্লি প্রস্তুত এবং নিরক্ষর সঙ্গীদের লেখাপড়ার জন্য স্কুল তৈরির দায়িত্ব দেন। আচমকা হামলায় বাতিস্তা সরকার পর্যুদস্ত হয়ে পড়ে।
- সিয়েরা পর্বতমালা, শহর পেরিয়ে তারা হাভানায় ঢুকে পড়লে বাতিস্তা সরকার পালিয়ে যায়।
- বিপ্লবের ধাক্কায় ১৯৫৯ সালে পতন ঘটে কিউবার যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত একনায়ক ফ্লুজেনসিও বাতিস্তার, ১ জানুয়ারি বাতিস্তা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান।

- জয়ী হন কাস্ত্রো, জয় হয় বিপ্লবের।
- বিপ্লবের নেতা, ফিদেল কাস্ত্রো, ১৯৫৯ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত কিউবা শাসন করেছিলেন।

উল্লেখ্য,
- কিউবা উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার মধ্যস্থলে অবস্থিত। কিউবা ৪০০ বছর ধরে স্পেনের একটি উপনিবেশ ছিল।
- কিউবা আশপাশের অনেকগুলো ছোট দ্বীপের সঙ্গে মিলে কিউবা প্রজাতন্ত্র গঠন করেছে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 

.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর কোন সাম্রাজ্যের পতন ঘটে?
  1. ব্রিটিশ সাম্রাজ্য 
  2. অটোমান সাম্রাজ্য 
  3. রোমান সাম্রাজ্য
  4. বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য
ব্যাখ্যা

• প্রথম বিশ্বযুদ্ধ: 
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ছিল ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘাতের একটি।
- যুদ্ধ শুরু হয়: ২৮ জুলাই, ১৯১৪।
- শেষ হয়: ১১ নভেম্বর, ১৯১৮।
- কেন্দ্রীয়শক্তি: জার্মানি, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, অটোমান সাম্রাজ্য ও বুলগেরিয়া।
- মিত্রশক্তি: সার্বিয়া, রাশিয়া, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, জাপান প্রভৃতি দেশ।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯১৯ সালে ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ফলাফল: কেন্দ্রীয় শক্তির পতন ও মিত্র শক্তির বিজয়। 

উল্লেখ্য,
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ফলে ৪টি সাম্রাজ্যের পতন ঘটেছিল। এগুলো হলো: রুশ, জার্মান, অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয় ও অটোমান।
- ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লবের ফলে জারতন্ত্রের পতন ঘটে।
- যুদ্ধের শেষে জার্মানি পরাজিত হলে এই সাম্রাজ্যেরও অবসান ঘটে।
- অস্ট্রো-হাঙ্গেরিয়ান সাম্রাজ্য ভেঙে একাধিক ছোট ছোট রাষ্ট্রে পরিণত হয়।
- ১৯২২ সাল নাগাদ অটোমান সাম্রাজ্য সম্পূর্ণরূপে বিলুপ্ত হয়ে যায় যা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন রাজনৈতিক বিন্যাসের জন্ম দেয়। 

তথ্যসূত্র: i) History.com
ii) Britannica.

.
কোন ঘটনার প্রেক্ষাপটে পাবলো পিকাসো ‘গোয়ের্নিকা’ চিত্রকর্মটি অঙ্কন করেন?  
  1. প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
  2. স্পেনের গৃহযুদ্ধ
  3. মার্কিন গৃহযুদ্ধ
  4. ভিয়েতনাম যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

• পাবলো পিকাসো:
- বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে প্রভাবশালী চিত্রশিল্পীদের একজন পাবলো পিকাসো। 
- তিনি একাধারে ছিলেন দক্ষ ভাস্কর, মৃৎশিল্পী, পোশাক পরিকল্পক ও মঞ্চসজ্জাশিল্পী। 
- পাবলো রুইজ পিকাসোর জন্ম ১৮৮১ সালের ২৫ অক্টোবর দক্ষিণ স্পেনের ভূমধ্যসাগরের তীরবর্তী মালাগা শহরে।
- তাঁর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি হলো 'গোয়ের্নিকা', ‘দ্য ওল্ড গিটারিস্ট’, ‘গার্ল বিফোর আ মিরর’, ‘দ্য উইপিং ওমেন’, ‘উইমেন অব আলজিয়ার্স’, ‘সেলফ পোর্ট্রেট’, ‘থ্রি মিউজিশিয়ানস’, ‘সিটেড বাথার’ প্রভৃতি।

উল্লেখ্য,
- পিকাসোর আঁকা অসংখ্য বিখ্যাত ছবির একটি বিখ্যাত ছবি হলো ‘গোয়ের্নিকা’। 
- স্পেনের গৃহযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে তিনি ‘গোয়ের্নিকা’ চিত্রকর্মটি অঙ্কন করেন। 
- ১৯৩৭ সালে স্পেনের গৃহযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে জার্মান ও ইতালীয় বিমান বাহিনী স্পেনের গোয়ের্নিকা শহরে ভয়াবহ বোমা হামলা চালায়। সেই নৃশংসতার প্রতিবাদে পাবলো পিকাসো আঁকেন বিখ্যাত চিত্রকর্ম ‘Guernica’, যা যুদ্ধ ও মানবিক বিপর্যয়ের বিরুদ্ধে এক শক্তিশালী শিল্প-প্রতিবাদ হিসেবে পরিচিত।

তথ্যসূত্র: i) Britannica.
ii) Nobel Prize ওয়েবসাইট।

.
চাকার উদ্ভাবন ঘটেছিল কোন যুগে? 
  1. মধ্য প্রস্তর যুগ
  2. তাম্র যুগ
  3. নব্য প্রস্তর যুগ
  4. প্রাচীন প্রস্তর যুগ
ব্যাখ্যা

• নব্য প্রস্তর যুগ:
- 'নব্যপ্রস্তর' শব্দটি এসেছে ইংরেজি Neolithic প্রতিশব্দ থেকে।
- আনুমানিক ৮০০০-৩৫০০ খ্রিস্টপূর্ব অব্দের মধ্যে ও নিকট প্রাচ্যে নব্য প্রস্তরযুগের প্রথম বিকাশ ঘটে।
- অতঃপর ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল এবং অবশেষে খ্রিস্টপূর্ব ২৫০০ অব্দে ইংল্যান্ডে এ যুগের সূচনা হয়।
- এ যুগে তাঁত বা বয়ন শিল্পের বিকাশ ঘটে।
- নব্য প্রস্তরযুগের গুরুত্বপূর্ণ একটি কীর্তি হল চাকার আবিষ্কার।
- চাকার আবিষ্কার, মৃৎশিল্প, তাঁতশিল্প, পরিবহন এবং যুদ্ধকৌশলে পরিবর্তন ঘটায়।
- কৃত্রিম পদ্ধতিতে আগুন জ্বালানোর কৌশল আয়ত্ত্ব এবং এর ব্যাপক ব্যবহার নব্য প্রস্তর যুগের অর্জন।
- নব্য প্রস্তরযুগে বিবাহ ও পরিবার ব্যবস্থা গড়ে ওঠে।
- নব্য প্রস্তরযুগের শেষপর্যায়ে এসে সীমিত আকারে তামার ব্যবহার শুরু হয়।

তথ্যসূত্র:  ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
জলাভূমি সংরক্ষণ বিষয়ক রামসার কনভেনশন স্বাক্ষরিত হয় কোথায়? 
  1. সুইজারল্যান্ড
  2. ইরান
  3. নেদারল্যান্ডস
  4. জাপান 
ব্যাখ্যা

• রামসার কনভেনশন:
- পূর্ণনাম Ramsar Convention on Wetlands.
- চুক্তির স্থান: রামসার, ইরান।
- গৃহীত হয়: ২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭১।
- কার্যকর হওয়ার তারিখ: ২১ ডিসেম্বর, ১৯৭৫।
- এর উদ্দেশ্য: আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি সংরক্ষণ করা।
- সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে তাদের গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি (Wetlands) তালিকাভুক্ত করতে বলা হয়, যা রামসার সাইট নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- বাংলাদেশের ২টি স্থান রামসার সাইট (Ramsar sites) হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।
- রামসার সাইট ২টি হলো: সুন্দরবন, টাঙ্গুয়ার হাওর।

তথ্যসূত্র: Ramsar Convention Official Website। 

১০.
কিয়োটো প্রটোকল অনুমোদনকারী পক্ষ কয়টি? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৬] 
  1. ১৯০টি 
  2. ১৯২টি 
  3. ১৯৩টি 
  4. ১৯৪টি 
ব্যাখ্যা

• কিয়োটো প্রটোকল:
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে জাতিসংঘের উদ্যোগে গঠিত শিল্পোন্নত দেশগুলো গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন বাধ্যতামূলকভাবে হ্রাসকরণের আন্তর্জাতিক চুক্তি হচ্ছে কিয়োটো প্রটোকল।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭।
- কার্যকর হয়: ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০০৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: কিয়োটো, জাপান।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ৮৩টি।
- অনুমোদনকারী পক্ষ: ১৯২টি (১৯১টি দেশ ও EU)   [ব্যাখ্যা আপডেট - ফেব্রুয়ারি, ২০২৬]

• কার্বন ট্রেড:
- কার্বন ট্রেড-এর ধারণা দেয় কিয়োটো প্রটোকল।
- বায়ুবায়ুমন্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইড কম নিঃসরণের জন্য জন্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে একটি ক্রেডিট বিনিময়ের নাম কার্বন বাণিজ্য।
- কিয়োটো প্রোটোকল একটি বহুরাষ্ট্রীয় আন্তর্জাতিক চুক্তি যা এই চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্রগুলিকে গ্রীনহাউজ গ্যাস নির্গমন হ্রাসের জন্য দায়বদ্ধ করে।

তথ্যসূত্র: United Nations Framework Convention on Climate Change ওয়েবসাইট।

১১.
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় 'জি- জিরো জোট' গঠিত হয় কোন সম্মেলনে? 
  1. প্যারিস জলবায়ু সম্মেলন 
  2. কপ ২৮
  3. কপ ২৯ 
  4. রিও সম্মেলন 
ব্যাখ্যা

 • জি- জিরো জোট:
- কার্বন-নেতিবাচক ও কার্বন-নিরপেক্ষ দেশগুলির একটি ফোরাম।
- তারিখ: ১২ নভেম্বর ২০২৪
-  স্থান: বাকু, আজারবাইজান
- আয়োজন: UNFCCC-এর ২৯তম কপ সম্মেলন (COP29)
-  উদ্দেশ্য: জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বৈশ্বিক প্রচেষ্টা জোরদার
-  লক্ষ্য: নেট-জিরো, জলবায়ু-সহনশীল ও প্রকৃতি-পজিটিভ ভবিষ্যৎ গঠন
- সদস্য দেশ: ভুটান, মাদাগাস্কার, পানামা ও সুরিনাম
- জলবায়ু পরিবর্তনের মোকাবিলায় বৈশ্বিক উদ্যোগকে আরও এগিয়ে নিতে চারটি দেশ- ভুটান, মাদাগাস্কার, পানামা ও সুরিনাম মিলে “জি-জিরো ফোরাম” উদ্বোধন করেছে এবং একটি যৌথ ঘোষণা প্রকাশ করেছে। 
- এই ঘোষণা আজারবাইজানের বাকুতে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনের (UNFCCC) ২৯তম পক্ষসম্মেলন (COP29)-এ গৃহীত হয়।

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘের ওয়েবসাইট

১২.
‘গিলগামেশ’ মহাকাব্যের রচনা হয় কোন সভ্যতায়?
  1. সুমেরীয়
  2. ব্যাবিলনীয়
  3. অ্যাসিরীয়
  4. ক্যালডীয়
ব্যাখ্যা

• সুমেরীয় সাহিত্য:
- সুমেরীয়রা বিদ্যাশিক্ষায় উৎকর্ষ সাধন করতে সক্ষম হয়েছিল।
- এমনকি তারা কোন কোন ক্ষেত্রে প্রতিবেশী মিসরীয়দেরকেও অতিক্রম করেছিল।
- যেমন, সুমেরীয়রা 'গিলগামেশ' নামক মহাকাব্য রচনা করেছিল।
- ইউরুকের কিংবদন্তী রাজা গিলগামেশকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল এই বিখ্যাত 'গলগামেশ' নামক মহাকাব্য।
- ২০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে এই মহাকাব্য রচিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

এছাড়াও,
- সুমেরীয় সভ্যতার অন্যতম কীর্তি ছিল একধরনের লিখন পদ্ধতির উদ্ভাবন।
- এই পদ্ধতি ছিল প্রথমতঃ চিত্রলিপি এবং পরবর্তীতে তা শব্দলিপিতে রূপান্তরিত হয়।
- এই লিখন পদ্ধতি 'কিউনিফর্ম' নামে পরিচিত। 
- এ সুমেরের বিখ্যাত শহর নিপ্পুরে এ কিউনিফর্ম (Cuneiform) চিত্রলিপির প্রায় চার হাজার মাটির চাকতি পাওয়া গেছে।
- এসকল কিউনিফর্ম বর্ণভিত্তিক নয়, বরং একে বলা যেতে পারে অক্ষরভিত্তিক বর্ণলিপি।

তথ্যসূত্র: i) ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩.
US Bill of Rights - এর প্রস্তাবক কে?  
  1. থমাস জেফারসন
  2. আব্রাহাম লিংকন
  3. জেমস ম্যাডিসন
  4. জর্জ ওয়াশিংটন
ব্যাখ্যা

- US Bill of Rights - এর প্রস্তাবক: জেমস ম্যাডিসন। 

• United States Bill of Rights:

- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের প্রথম ১০ টি সংশোধনীকে 'Bill of Rights' বা অধিকারের বিল বলে অভিহিত করা হয়।
- ১৭৮৭ সালে প্রণীত সংবিধানের সমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে জেমস ম্যাডিসন প্রস্তাবিত প্রথম ১০টি সংশোধনীই 'Bill of Rights' নামে পরিচিত।
- এই সংশোধনীগুলি ১৭৯১ সালের ১৫ ডিসেম্বর কার্যকর হয় ।
- এটি নাগরিকদের মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতা সুরক্ষার জন্য গৃহীত হয়েছিল এবং আমেরিকার স্বাধীনতা আন্দোলনের পর সংবিধানের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

⇒ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার পর ১৭৮৭ সালে ফিলাডেলফিয়ায় একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- সেই সম্মেলনে মার্কিন সংবিধান রচিত হয়।
- কিন্তু এই সংবিধানে নাগরিকদের অধিকারগুলোর কোন নির্দিষ্ট উল্লেখ ছিল না।
- মার্কিন রাজনৈতিক নেতা জেমস মেডিসন ১৭৮৯ সালে মার্কিন কংগ্রেসে ১২টি সংশোধনী প্রস্তাব করেন, যা নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ করতে চেয়েছিল।
- তিনি পরবর্তীতে একে 'বিল অব রাইটস' নামে পরিচিত করেন।
- ম্যাডিসনের প্রস্তাবিত কিছু সংশোধনী সরাসরি অনুমোদিত হয়েছিল, এবং কিছু সংশোধনী পরিবর্তন ও সংযোজন করা হয়।
- সর্বশেষ, ১৭৯১ সালে ১০টি সংশোধনী মার্কিন সংবিধানে সংযুক্ত করা হয় এবং এগুলি বিল অব রাইটস হিসেবে পরিচিত হয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 

১৪.
নিচের কোন উদ্যোগে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ২°C এর নিচে রাখার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে?  
  1. কিয়োটো প্রটোকল
  2. প্যারিস চুক্তি
  3. মন্ট্রিল প্রটোকল 
  4. নাগোয়া প্রটোকল
ব্যাখ্যা

• প্যারিস জলবায়ু চুক্তি (Paris Agreement):
- এর পূর্ণরূপ: Paris Agreement under the United Nations Framework Convention on Climate Change (UNFCCC).
- গৃহীত তারিখ: ১২ ডিসেম্বর, ২০১৫।
- স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- এই চুক্তি কার্যকরের তারিখ: ৪ নভেম্বর, ২০১৬।
- অংশগ্রহণকারী দেশ: ১৯৫ দেশ।
- UNFCCC -এর অধীনে আন্তর্জাতিক জলবায়ু চুক্তি।

• এই চুক্তি উদ্দেশ্য: 
- বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে সীমাবদ্ধ রাখা এবং ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ রাখার চেষ্টা করা।
- ২০৩০ সালের মধ্যে বায়ুমণ্ডলে গ্রিন হাউজ গ্যাস নির্গমন প্রায় ৪৩ শতাংশ কমানোর ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল।
- গাছ, মাটি ও সমুদ্র প্রাকৃতিকভাবে যতটা শোষণ করতে পারে, ২০৫০ সাল থেকে ২১০০ সালের মধ্যে কৃত্রিমভাবে গ্রিনহাউজ গ্যাসের নিঃসরণ সেই পর্যায়ে নামিয়ে আনা।
- প্রতি ৫ বছর অন্তর ক্ষতিকর গ্যাস নিঃসরণ রোধে প্রত্যেকটি দেশের ভূমিকা পর্যালোচনা করা।
- জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নিতে এবং নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার নিশ্চিত করতে গরিব দেশগুলোকে ধনী দেশগুলোর ‘জলবায়ু তহবিল’ দিয়ে সাহায্য করা।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

১৫.
জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ সংক্রান্ত চুক্তি (CBD) স্বাক্ষরিত হয় কোথায়?  
  1. রিও ডি জেনেরিও 
  2. স্টকহোম 
  3. বার্লিন 
  4. জেনেভা
ব্যাখ্যা

• Convention on Biological Diversity (CBD):
- জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ সংক্রান্ত চুক্তি
- স্বাক্ষরের স্থান ও সাল: রিও ডি জেনেরিও, ব্রাজিল।
- তারিখ: ৫ জুন ১৯৯২, রিও এর “Earth Summit” বা United Nations Conference on Environment and Development (UNCED)-এর সময়।
• মূল লক্ষ্য:
- প্রাকৃতিক জীববৈচিত্র্য (biodiversity) সংরক্ষণ।
- জীববৈচিত্র্যের টেকসই ব্যবহার (sustainable use) নিশ্চিত করা।
- জৈব সম্পদ এবং বনায়ন/প্রাকৃতিক সম্পদের সুবিধা ও লাভের ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত করা।

তথ্যসূত্র: CBD ওয়েবসাইট। 

১৬.
ম্যারাথন দৌড়ের প্রচলন কোন ঐতিহাসিক যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ঘটে?  
  1. ক্রুসেড যুদ্ধ 
  2. গ্রিক-পারস্য যুদ্ধ
  3. শতবর্ষ যুদ্ধ
  4. ট্রয় যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

• গ্রিক-পারস্য যুদ্ধ:
- সাইরাস ছিলেন পারস্যের অ্যাকামেনীয় সম্রাট এবং তার শাসনামলে পারস্য একটি ক্ষতিকর রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত ছিল।
-  প্রথমে তিনি গ্রিক অভিযানে অংশ নিয়ে এবং নগর রাষ্ট্র সমূহের ওপর ধ্বংসলীলা চালায়। 

• গ্রিক-পারস্য যুদ্ধ (ম্যারাথন):
- খ্রিস্টপূর্ব ৪৯০ অব্দে, ম্যারাথন নামক স্থানে সংঘটিত হওয়া গ্রিক-পারস্য যুদ্ধে সাইরাসের বিপক্ষে গ্রিকরা পারস্য বাহিনীকে পরাজিত ও বিতাড়িত করে।
- এই ঘটনাটি পরবর্তীতে ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতার জন্ম দেয়। 
- প্রতি ৪ বছর অন্তর অনুষ্ঠিত এ খেলায় বিভিন্ন নগররাষ্ট্রের খেলোয়াড়রা অংশ নেয়। 

তথ্যসূত্র: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭.
কিগালি সংশোধনীতে হাইড্রোফ্লুরোকার্বনের ব্যবহার কত শতাংশ কমিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে? 
  1. ৫০%-৬০%
  2. ৬০%-৭০%
  3. ৮০%-৮৫%
  4. ৯০%-৯৫%
ব্যাখ্যা

• Kigali Amendment (কিগালি সংশোধনী):
- Kigali Amendment পরিবেশ বিষয়ক মন্ট্রিল প্রটোকলের অংশ।

• এটি একটি আন্তর্জাতিক সংশোধনী যা রুয়ান্ডার কিগালিতে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে গৃহীত হয়ছিল।
- কিগালি সংশোধনী গৃহীত হয়: ১৫ অক্টোবর, ২০১৬। 
- কিগালি সংশোধনী কার্যকর হয়: ১ জানুয়ারি, ২০১৯।
- এর লক্ষ্য হাইড্রোফ্লুরোকার্বন (HFCs)-এর ব্যবহার কমিয়ে পৃথিবীর উষ্ণায়ন কমানো এবং পৃথিবীকে আরও পরিবেশবান্ধব, টেকসই ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে, বিভিন্ন দেশ আগামী ৩০ বছরের মধ্যে HFCs এর উৎপাদন এবং ব্যবহার ৮০%-৮৫% কমিয়ে আনবে।

উল্লেখ্য,
- মন্ট্রিল প্রোটোকল হলো ওজোন স্তর ক্ষয়কারী পদার্থ (ODS) ব্যবহার এবং উৎপাদন বন্ধ করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। 
- মন্ট্রিল প্রোটকলের মূখ্য আলোচ্য বিষয়: ওজোন স্তরের সুরক্ষা।
- চুক্তি গৃহীত হয়: ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১ জানুয়ারী, ১৯৮৯ সালে।

তথ্যসূত্র: i) UNEP ওয়েবসাইট।
ii) Ozone Secretariat।

১৮.
নেলসন ম্যান্ডেলা কত বছর কারাবাসে ছিলেন? 
  1. ২৫ বছর 
  2. ২৬ বছর 
  3. ২৭ বছর 
  4. ২৮ বছর 
ব্যাখ্যা

• নেলসন ম্যান্ডেলা:
- নেলসন ম্যান্ডেলা ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী অবিসংবাদিত নেতা এবং প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপতি (১৯৯৪-৯৯)।
- পূর্ণ নাম: Nelson Rolihlahla Mandela.
- জন্ম: ১৮ জুলাই, ১৯১৮ এমভেজো গ্রাম, ট্রান্সকেই, দক্ষিণ আফ্রিকা।
- জাতীয়তা: দক্ষিণ আফ্রিকান।
- ধর্ম: খ্রিস্টান।
- রাজনৈতিক দল: আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস (ANC)
- ১৯৪৪ সালে ANC-তে যোগ দেন।
- বর্ণবাদ ও জাতিগত বৈষম্যের বিরুদ্ধে দীর্ঘ আন্দোলন।
- ২৭ বছর জেল খাটেন (রোবেন আইল্যান্ডে দীর্ঘ সময়)।
- ১৯৯৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট।
- দেশবাসী তাঁকে ভালোবেসে ‘মাদিবা’ নামে ডাকে। এর অর্থ ‘জাতির জনক’।
- সংবিধানিক গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা: বর্ণবাদী শাসনের অবসান ঘটিয়ে সমতার ভিত্তিতে নতুন সংবিধান গঠন।
- নোবেল শান্তি পুরস্কার: ১৯৯৩ সালে। 
- “Mandela Day” পালন: প্রতি বছর ১৮ জুলাই বিশ্বব্যাপী মানবসেবার অনুপ্রেরণা হিসেবে পালন করা হয়।
- তার আত্মজীবনী মূলক বই: Long Walk to Freedom.

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও পত্রিকা। 

১৯.
'মহাবীর' কোন ধর্মের প্রচারক ছিলেন?
  1. বৈদিক 
  2. সনাতন 
  3. শিখ 
  4. জৈন
ব্যাখ্যা

জৈন ধর্ম:
- জৈন শব্দটি এসেছে সংস্কৃত জিন শব্দ থেকে। সংস্কৃতিতে জিন অর্থ জয়ী।
- জৈনরা তাদের ইতিহাসে চব্বিশজন তীর্থঙ্করের কথা উল্লেখ করেছেন।
-  প্রথম তীর্থঙ্করের নাম ঋষভনাথ এবং সর্বশেষ তীর্থঙ্করের নাম মহাবীর (২৪তম)।
- খ্রিস্টপূর্ব ৬ষ্ঠ শতাব্দীতে জৈনধর্মের সর্বাধিক প্রভাবশালী প্রচারক ছিলেন মহাবীর।

তথ্যসূত্র:  বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ৬ষ্ঠ শ্রেণি এবং উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস ১মপত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।