পরীক্ষা আর্কাইভ

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার

পরীক্ষাগুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভারতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়14 minutes
মোট প্রশ্ন১৮
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৯ টপিক - ১: বাংলাদেশের ইতিহাস ১৯৪৭ - মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত। বাংলাদেশকে বিভিন্ন দেশের স্বীকৃতি ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্য পদ অর্জন। [২৫ নম্বর] টপিক - ২: গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক নাম ও সংকেত, চৌম্বকত্ব, এসিড, কার্বন, আলো, ইলেকট্রনিক্স, খাদ্য ও পুষ্টি, সালোকসংশ্লেষণ। [১৫ নম্বর]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার · তারিখ অনির্ধারিত · ১৮ প্রশ্ন

.
ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি উত্থাপন করা হয় কোন সম্মেলনে?
  1. ক) মুজিব-ইন্দিরা সম্মেলন
  2. খ) লাহোর সম্মেলন
  3. গ) কাগমারী সম্মেলন
  4. ঘ) কাশ্মীর সম্মেলন
ব্যাখ্যা
পূর্ব পাকিস্তানের মুক্তির সনদ ছয় দফা:

- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধীদলীয় নেতারা একটি সম্মেলন আহ্বান করেন।
- আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে বঙ্গবন্ধু লাহোরে পৌছান।
- বিরোধী দলের সম্মেলন চলাকালে বঙ্গবন্ধু ছয় দফা কর্মসূচি পেশ করলে সম্মেলনের নেতৃবৃন্দ তা প্রত্যাখান করেন৷ বঙ্গবন্ধু সম্মেলন বর্জন করে সাংবাদিক সম্মেলন করে ছয়দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে ঢাকায় চলে আসেন।
- ২১ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধুর নামে 'আমাদের বাঁচার দাবি: ছয় দফা কর্মসূচি' শীর্ষক একটি পুস্তিকা প্রকাশ করা হয়।
- ছয় দফাতে ছিল পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষা বিষয়ক দাবী।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদানকারী সর্বশেষ দেশ -
  1. ক) চীন
  2. খ) ইরাক
  3. গ) ভূটান
  4. ঘ) ভারত
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদানকারী সর্বশেষ দেশ - চীন।
- প্রথম রাষ্ট্র ভুটান, ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১।
- দ্বিতীয় রাষ্ট্র ভারত, ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১।
- এ পর্যন্ত ১৫০টি দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

বাংলাদেশ কে স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম:
- দেশ – ভুটান – ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
- আরব দেশ – ইরাক – ৮ জুলাই ১৯৭২
- মধ্যপ্রাচ্যের দেশ – ইরাক – ৮ জুলাই ১৯৭২
- সমাজতান্ত্রিক দেশ – পূর্ব জার্মানি ও মঙ্গোলিয়া – ১১ জানুয়ারি ১৯৭২
- উপসাগরীয় দেশ – কুয়েত – ৪ নভেম্বর ১৯৭৩
- আফ্রিকান ও মুসলিম দেশ – সেনেগাল – ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২
- ইউরোপীয় দেশ – পূর্ব জার্মানি – ১১ জানুয়ারি ১৯৭২
- উত্তর আমেরিকার দেশ – বার্বাডোস – ২০ জানুয়ারি ১৯৭২
- দক্ষিণ আমেরিকার দেশ – ভেনিজুয়েলা – ২ মে ১৯৭২
- ওশেনিয়ার দেশ – টোঙ্গা – ২৪ জানুয়ারি ১৯৭২
- এশীয় মুসলিম দেশ – ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া – ২৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২

উৎস: বিবিসি।

.
মুক্তিযুদ্ধে বীরবিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত ইউকে চিং কোন সম্প্রদায়ের ছিলেন?
  1. ক) গারো
  2. খ) চাকমা
  3. গ) খাসিয়া
  4. ঘ) মারমা
ব্যাখ্যা
ইউকে চিং (উক্য চিং মারমা):
- মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত একমাত্র ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর মুক্তিযোদ্ধা৷
- তিনি বীরবিক্রম খেতাবে সম্মানিত।
- তিনি মারমা সম্প্রদায়ের লোক।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ইপিআর-এর সদস্য ছিলেন।
- ৬ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' নাটকটি কার?
  1. ক) মুনীর চৌধুরী
  2. খ) রণেশ দাশগুপ্ত
  3. গ) সৈয়দ শামসুল হক
  4. ঘ) মমতাজুদ্দীন আহমদ
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক নাটক: 
- 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' সৈয়দ শামসুল হক রচিত মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক নাটক।
- 'কী চাহ শঙ্খচিল' ও 'স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা' মমতাজুদ্দীন আহমদ রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক।
- জেলে বন্দি থাকা অবস্থায় অন্য রাজবন্দি বামপন্থী লেখক রণেশ দাশগুপ্ত মুনীর চৌধুরীকে নাটক লিখতে বলেন।
- মার্কিন নাট্যকার Irwin Shaw রচিত Bury The Dead নাটকের অনুসরণে ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে ‘কবর' নাটকটি রচিত হয়েছে।
- রাজবন্দিরা এই নাটকটি জেলেই মঞ্চস্থ করেন। 
- 'কবর' মুনীর চৌধুরী রচিত ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক নাটক। 
- কবর মুনীর চৌধুরীর একাঙ্ক বিশিষ্ট নাটক। বাংলা ভাষা আন্দোলনের পক্ষে কাজ করার অভিযোগে মুনীর চৌধুরীকে আটক করা হয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয় কবে?
  1. ক) ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২
  2. খ) ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২
  3. গ) ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২
  4. ঘ) ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২
ব্যাখ্যা
• ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২ গভীর রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ব্যারাক হোস্টেলের ১২নং গেটের সামনে মেডিকেল কলেজের ছাত্রদের সম্মিলিত শ্রমে নির্মিত হয়েছিল প্রথম শহীদ মিনার। এই শহীদ মিনারের নকশাকার ছিলেন ডা. বদরুল আলম।

সূত্র: সরকারি ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া এবং বোর্ড বই।

• তবে অনেক ভাষা সৈনিকদের মতে, প্রথম শহীদ মিনার হয়েছিল রাজশাহীতে। ১৯৫২ সালের ফেব্রুয়ারির ২১ তারিখ দিবাগত রাতে রাজশাহী কলেজ ছাত্রাবাস সংলগ্ন এলাকায় এটি তৈরি হয়। কিন্তু ভাষা আন্দোলনের ছয় দশক পরও প্রথম শহীদ মিনারের রাষ্ট্রীয় ভাবে স্বীকৃতি পায়নি রাজশাহীবাসী।

উৎস: মানবজমিন পত্রিকা।

[যেহেতু এই তথ্যের রাষ্ট্রীয় কোন স্বীকৃতি নাই, তাছাড়া প্রশ্নকর্তা বোর্ড বই অনুসারে প্রশ্নটি করেছেন তাই আমরা সঠিক উত্তর হিসেবে ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২ কে ধরে নিচ্ছি। মূল পরীক্ষায় আপনারা আপনাদের বিবেচনা থেকে উত্তর করবেন।]
.
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বভূষণ খেতাবপ্রাপ্ত সর্বকনিষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধার বয়স কত ছিলো?
  1. ক) ১৩ বছর
  2. খ) ১৪ বছর
  3. গ) ১৫ বছর
  4. ঘ) ১৬ বছর
ব্যাখ্যা
- মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বভূষণ খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে শহীদুল ইসলাম সর্বকনিষ্ঠ।
- ১৯৭১ সালে তাঁর বয়স ছিল মাত্র ১৩ বছর।
- শহিদুল ইসলাম লালু ৪২৬ জন গ্যাজেটভূক্ত বীরপ্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ৪২৫ নং ব্যক্তি।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মুক্তিবাহিনী ছাড়াও দেশের ভেতরে বিভিন্ন জায়গায় কয়েকটি সশস্ত্র আঞ্চলিক বাহিনী গড়ে ওঠে। এর মধ্যে কাদেরিয়া বাহিনী অন্যতম। এ বাহিনীর একটি দলের সঙ্গে ছিলেন শহীদুল ইসলাম।
- শহীদুল ইসলামের গ্রামের বাড়ী ছিলো সুখী পলাশপাড়া, গোপালপুর, টাঙ্গাইল।
- শুরুতে তিনি স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য- সহযোগিতা, অস্ত্র-গোলাবারুদ বহন ও সংবাদ সংগ্রহের কাজ করতেন।
- পরে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের তুরায় অস্ত্র চালনার প্রশিক্ষণ নেন।

উৎস: প্রথম আলো
.
মুক্তিযুদ্ধের সময় রাঙামাটি কোন সেক্টরের অধীনে ছিলো?
  1. ক) সেক্টর ১০
  2. খ) সেক্টর ৯
  3. গ) সেক্টর ১
  4. ঘ) সেক্টর ৬
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর: 
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সামরিক কৌশল হিসেবে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সমগ্র ভৌগোলিক এলাকাকে ১১টি সেক্টর বা রণাঙ্গনে ভাগ করা হয়।
- প্রতি সেক্টরে একজন সেক্টর কমান্ডার (অধিনায়ক) নিয়োগ করা হয়।
- যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার জন্য প্রতিটি সেক্টরকে কয়েকটি সাব-সেক্টরে বিভক্ত করা হয় এবং প্রতিটি সাব-সেক্টরে একজন করে কমান্ডার নিয়োজিত হন।
- সেক্টর নং ১
ফেনী নদী থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি এবং ফেনী পর্যন্ত ছিল ‘সেক্টর নং ১’। ১৯৭১ সালের এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত এই সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান এবং জুন থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত কমান্ডার ছিলেন মেজর রফিকুল ইসলাম। আর এই সেক্টরকে পাঁচটি সাব সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল।
- সেক্টর নং ২
ঢাকা, কুমিল্লা, আখাউড়া–ভৈরব, নোয়াখালী ও ফরিদপুরের কিছু অংশ নিয়ে গঠিত হয়েছিল ‘সেক্টর নং ২’। এপ্রিল থেকে অক্টোবর পর্যন্ত এই সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ এবং অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত মেজর এটিএম হায়দার। এই সেক্টরে ৬টি সাব-সেক্টর ছিল।
- সেক্টর নং ৩
হবিগঞ্জ, আখাউড়া–ভৈরব রেললাইন থেকে পূর্ব দিকে কুমিল্লা জেলার অংশবিশেষ এবং কিশোরগঞ্জ এবং ঢাকার কিছু অংশ ছিল ‘সেক্টর নং ৩’ এর আওতায়। এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর কেএম শফিউল্লাহ। সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সেক্টর কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন মেজর এএনএম নুরুজ্জামান। আর এই সেক্টরে ছিল ৭টি সাব-সেক্টর।
- সেক্টর নং ৪
সিলেট জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত হয়েছিল ‘সেক্টর নং ৪’। এই সেক্টরেও ছিল ৬টি সাব-সেক্টর। মে থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর সিআর দত্ত (পরে মেজর জেনারেলা) এবং পরে ক্যাপ্টেন এ রব।
- সেক্টর নং ৫
বৃহত্তর ময়মনসিংহের সীমান্তবর্তী অঞ্চল এবং সিলেট জেলার অংশ বিশেষ নিয়ে ‘সেক্টর নং ৫‘ গঠিত হয় । মেজর মীর শওকত আলী ছিলেন সেক্টর কমান্ডার। এই সেক্টরকেও ৬টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়ছিল।
- সেক্টর নং ৬
দিনাজপুরের ঠাকুরগাঁও মহাকুমা এবং ব্রহ্মপুত্র নদের তীরবর্তী অঞ্চল ব্যতীত সমগ্র রংপুর নিয়ে গঠিত হয় ‘সেক্টর নং ৬’। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন উইং কমান্ডার এমকে বাশার। এই সেক্টরে ছিল ৫টি সাব-সেক্টর।
- সেক্টর নং ৭
রাজশাহী, পাবনা, ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরবর্তী এলাকা ব্যতীত সমগ্র বগুড়া, দিনাজপুরের দক্ষিণ অঞ্চল এবং রংপুরের কিছু অংশ ছিল ‘সেক্টর নং ৭’ এর অন্তর্ভুক্ত। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন তিনজন -মেজর নাজমুল হক, সুবেদার মেজর এ রব ও মেজর (পরে লে. কর্নেল) কাজী নুরুজ্জামান। এই সেক্টরে ছিল ৯টি সাব-সেক্টর।
- সেক্টর নং ৮
কুষ্টিয়া, যশোর, দৌলতপুর সাতক্ষীরা সড়ক পর্যন্ত খুলনা জেলা ও ফরিদপুরের কিছু অংশ ছিল ‘সেক্টর নং ৮’ এর অন্তর্ভুক্ত। এপ্রিল থেকে আগস্ট পর্যন্ত এই সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর (পরে লে.কর্নেল) আবু ওসমান চৌধুরী ও আগস্ট থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত মেজর (পরে মেজর জেনারেল) এম এ মঞ্জুর। এই সেক্টরে ছিল ৭টি সাব-সেক্টর।
- সেক্টর নং ৯
পটুয়াখালী, বরিশাল ও খুলনার কিছু অংশ নিয়ে গঠিত হয় ‘সেক্টর নং ৯’। ডিসেম্বরের শুরু পর্যন্ত সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম এ জলিল এবং তারপর মেজর জয়নাল আবেদীন। এছাড়াও অতিরিক্ত দায়িত্বে ছিলেন মেজর এম এ মঞ্জুর। এই সেক্টরে ছিল ৩টি সাব-সেক্টর।
- সেক্টর নং ১০
সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল, নৌ কমান্ডো ও আভ্যন্তরীন নৌ-পরিবহন ছিল ‘সেক্টর নং ১০’ এর অধীনে। এ সেক্টরে নৌ কমান্ডোরা যখন যে সেক্টরে মিশনে নিয়োজিত থাকতেন, তখন সে সেক্টরের কমান্ডারের নির্দেশে কাজ করতেন। এই সেক্টরে কোনো সাব-সেক্টর ছিল না এবং ছিল না নিয়মিত কোনো সেক্টর কমান্ডার। প্রধান সেনাপতির নিয়ন্ত্রণাধীন বিশেষ বাহিনী ছিল এটি।
- সেক্টর নং ১১
কিশোরগঞ্জ বাদে ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল জেলা নিয়ে গঠিত হয় ‘সেক্টর নং ১১’। ১৯৭১ সালের এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত এই সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান । নভেম্বর পর্যন্ত সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু তাহের ও তারপর ফ্লাইট লেফট্যান্যান্ট (পরে উইং কমান্ডার) এম হামিদুল্লাহ খান। এই সেক্টরকে ৭টি সাব-সেক্টর ভাগ করা হয়েছিল।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, BBC
.
কুমিল্লা সেনানিবাসে নির্মিত মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য -
  1. ক) অনির্বাণ জেড
  2. খ) শিখা অনির্বাণ
  3. গ) বিজয় গাঁথা
  4. ঘ) রক্ত সোপান
ব্যাখ্যা
সেনানিবাস গুলোতে নির্মিত মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য ও স্থাপনা:
- ঢাকা সেনানিবাস - বিজয় কেতন, শিখা অনির্বাণ, জাহাঙ্গীর গেট, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর।
- রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাস - রক্ত সোপান
- কুমিল্লা সেনানিবাস - অনির্বাণ জেড
- রংপুর সেনানিবাস - বিজয় গাঁথা।

উৎস:
বিবিসি।
.
'ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়' গানটির সুরকার কে?
  1. ক) আলতাফ মাহমুদ
  2. খ) আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
  3. গ) আবদুল লতিফ
  4. ঘ) ড. মুনীর চৌধুরী
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষিত রচিত সাহিত্যকর্ম:
- আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী রচনা করেন ‘আমার ভায়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি'।
- সঙ্গীতশিল্পী আবদুল লতিফ রচনা ও সুর করেন 'ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়' এবং ‘তোরা ঢাকা শহর রক্তে ভাসাইলি'র মতো সঙ্গীত।
- 'সালাম সালাম হাজার সালাম' গীতিকার-ফজলে খোদা; শিল্পী-আব্দুল জব্বার।
- ড. মুনীর চৌধুরী জেলে বসে রচনা করেন 'কবর' নাটক।
- জহির রায়হান রচনা করেন ‘আরেক ফাল্গুন' উপন্যাসটি।
- ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে পূর্ব বাংলায় শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চায় পাকিস্তান রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি
১০.
মুক্তিযুদ্ধের সময় 'আকবর বাহিনী' গঠিত হয় কোন অঞ্চলে?
  1. ক) টাঙ্গাইল
  2. খ) ফরিদপুর
  3. গ) ঝিনাইদহ
  4. ঘ) বরিশাল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় যে সকল গেরিলা বাহিনী গঠিত হয় তা হলো:
- ফরিদপুরের হেমায়েত বাহিনী,
- টাঙ্গাইলের কাদের সিদ্দিকীর কাদেরিয়া বাহিনী,
- সিরাজগঞ্জে রফিক মির্জা বাহিনী,
- ঝিনাইদহের আকবর বাহিনী,
- বরিশালের কুদ্দুস বাহিনী,
- ময়মনসিংহের আফসার বাহিনী প্রভৃতি।

 উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
১১.
ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাস এর রচয়িতা-
  1. ক) ড. মুনীর চৌধুরী
  2. খ) জাহানারা ইমাম
  3. গ) আবদুল লতিফ
  4. ঘ) জহির রায়হান
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষিত রচিত সাহিত্যকর্ম:
- আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী রচনা করেন ‘আমার ভায়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি'।
- সঙ্গীতশিল্পী আবদুল লতিফ রচনা ও সুর করেন 'ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়' এবং ‘তোরা ঢাকা শহর রক্তে ভাসাইলি'র মতো সঙ্গীত।
- ড. মুনীর চৌধুরী জেলে বসে রচনা করেন 'কবর' নাটক।
- জহির রায়হান রচনা করেন ‘আরেক ফাল্গুন' উপন্যাসটি।
- ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে পূর্ব বাংলায় শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চায় পাকিস্তান রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১২.
শেভিং ফোম বা জেল- এর রাসায়নিক সংকেত কোনটি?
  1. ক) CuSO4.5H2O
  2. খ) C17H35COOK
  3. গ) ZnCO3
  4. ঘ) C17H35COONa
ব্যাখ্যা
• শেভিং ফোম বা জেলে থাকে পটাশিয়াম স্টিয়ারেট যার রাসায়নিক সংকেত হলো- C17H35COOK
• কাপড় কাচার সাবানে থাকে মূলত সোডিয়াম স্টিয়ারেট, যার রাসায়নিক সংকেত- C17H35COONa
• কাপড় কাচার সোডার রাসায়নিক সংকেত- Na2CO3.10H2O
• তুঁতের রাসায়নিক সংকেত- CuSO4.5H2O
• ফিটকিরির রাসায়নিক সংকেত- [K2SO4. Al2(SO4)3.24H2O]
• ক্যালামিনের রাসায়নিক সংকেত- ZnCO3
• মিল্ক অফ লাইমের রাসায়নিক সংকেত- Ca(OH)2
• বেকিং সোডার রাসায়নিক সংকেত- NaHCO3

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩.
শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ কত?
  1. ক) 3 × 108 m/s
  2. খ) 3 × 107 m/s
  3. গ) 3 × 1011 m/s
  4. ঘ) 3 × 109 m/s
ব্যাখ্যা
আলোক:  
- আলো এক প্রকার বিকীর্ণ শক্তি তরঙ্গ।
- এ বিকীর্ণ শক্তি তরঙ্গ সৃষ্টি করে স্পন্দন সহকারে উৎস থেকে সর্বদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
- আলোর গতিবেগ মাধ্যমের উপর নির্ভরশীল।
- শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ প্রায় 2.9979 × 108 m/s (সংক্ষেপে 3 × 108 m/s)
- বিজ্ঞানী ম্যাক্সওয়েল (Maxwell) প্রমাণ করেন যে, সব ধরনের দৃশ্য ও অদৃশ্য আলোর উৎপত্তি বিদ্যুৎ ও চুম্বক ক্ষেত্রের প্রভাবে হয়।
- এজন্য সব ধরনের আলোককে একত্রে বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বিকিরণ রশ্মি বলা হয়।
- দৃশ্যমান আলো হল বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বিকিরণ রশ্মির সামান্য অংশ মাত্র। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী নাগ)। 
১৪.
সকল জৈব যৌগে কোন পরমাণুটি অবশ্যই বিদ্যমান থাকবে?
  1. ক) অক্সিজেন
  2. খ) নাইট্রোজেন
  3. গ) কার্বন
  4. ঘ) হাইড্রোজেন
ব্যাখ্যা
জৈব যৌগ:
- সকল জৈব যৌগে কার্বন পরমাণু বিদ্যমান
- জৈব যৌগে কার্বনের সাথে এক বা একাধিক বিভিন্ন মৌল যেমন- H, O, N, S, P, X ইত্যাদি যৌগ মূলত যুক্ত থাকে।
- আবার কার্বনের দ্বারা গঠিত সকল যৌগই জৈব যৌগ নয়। যেমন- CO2, CO, Na2CO3 ইত্যাদি।
- কার্বন ও হাইড্রোজেন দ্বারা গঠিত যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন বলা হয় এবং এই হাইড্রোকার্বন ও এদের জাতকসমূহকে জৈব যৌগ বলে।
যেমন:- মিথেন (CH4), মিথানল (CH3OH), অ্যানিলিন (C6H5NH2) ইত্যাদি। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৫.
পেশি সংকোচনে ভূমিকা রাখে কোন খনিজ উপাদান?
  1. ক) ক্যালসিয়াম
  2. খ) পটাসিয়াম
  3. গ) সোডিয়াম
  4. ঘ) ম্যাগনেসিয়াম
ব্যাখ্যা
খনিজ লবণ:
- গলগণ্ড, রক্তাস্বল্পতা খনিজ লবণের অভাবে দেহে এ রোগ সৃষ্টি হয়। 
- দেহ কোষ ও দেহের তরল উপাদানের জন্য (যেমন- রক্ত, এনজাইম, হরমোন ইত্যাদি) খনিজ লবণ খুবই দরকারি।
- খনিজ লবণ দেহ গঠন, দেহের অভ্যন্তরীণ কাজ (যেমন- পেশি সংকোচন, স্নায়ু উত্তেজনা) নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। 
- হাড়, এনজাইম ও হরমোন গঠনের জন্য এটি একটি অপরিহার্য উপাদান।
- উদ্ভিদ মাটি থেকে সরাসরি খনিজ লবণ শোষণ করে। 
- আমাদের দেহের ওজনের ১% পরিমাণ লবণ থাকে। 
- এ উপাদানগুলো হলো ফসফরাস, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, সালফার, সোডিয়াম, ক্লোরিন ও ম্যাগনেসিয়াম। 
- এছাড়া লোহা, আয়োডিন, দস্তা, তামা ইত্যাদি খনিজ লবণ আমাদের দেহের জন্য অতি সামান্য পরিমাণে থাকে। 
- আয়োডিনের অভাবে গলগণ্ড রোগ হয়। গলগণ্ড রোধে আয়োডিনযুক্ত লবণ খাওয়া উচিত।


উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
১৬.
p-টাইপ জার্মেনিয়াম অর্ধপরিবাহী তৈরির জন্য নিচের কোনটি দিয়ে ডোপিং করতে হয়?
  1. ক) আর্সেনিক
  2. খ) এন্টিমনি
  3. গ) অ্যালুমিনিয়াম
  4. ঘ) ফসফরাস
ব্যাখ্যা
p- টাইপ অর্ধপরিবাহী:
- কোনো বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর সাথে সামান্য পরিমাণ ত্রিযোজী মৌল অপদ্রব্য হিসেবে মেশানো হলে, তাকে p- টাইপ অর্ধপরিবাহী বলে।
- বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর সাথে অপদ্রব্যকে বিশেষ প্রক্রিয়ায় উচ্চতাপে মেশানো হয়।
- অপদ্রব্যের পরিমাণ এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয় যেন এর পরমাণুগুলো মূল অর্ধপরিবাহী কেলাসের গঠন কাঠামোর কোনো পরিবর্তন না ঘটিয়ে কেলাস ল্যাটিসে অন্তর্ভুক্ত হয়ে পড়ে।
- বিশুদ্ধ জার্মেনিয়ামের সাথে যদি উপযুক্ত মাত্রায় (দশ লক্ষে একটি) অ্যালুমিনিয়ামের মতো ত্রিযোজী মৌল মেশানো হয়, তা হলো ঐ কেলাসের গঠনের কোনো পরিবর্তন হয় না, কিন্তু পার্শ্ববর্তী চতুর্যোজী অর্ধপরিবাহীর সাথে সমযোজী বন্ধন গঠন করতে এর একটি ইলেকট্রনের ঘাটতি পড়ে
- এই ইলেকট্রন ঘাটতি মানেই 'হোল' সৃষ্টি হয়। প্রতিটি AI পরমাণু একটি করে হোল সৃষ্টি করে। এ হোলগুলো ইলেকট্রন গ্রহণ করতে প্রস্তুত থাকে।
- এ জন্য অ্যালুমিনিয়াম পরমানুকে 'গ্রাহক' পরমাণু বলে।
- এভাবে প্রতিটি অ্যালুমিনিয়াম পরমাণু একটি করে হোল সৃষ্টি করে।
- এখানে গরিষ্ঠ আধান বাহক হলো হোল এবং লঘিষ্ঠ আধান বাহক হলো ইলেকট্রন।
- এ কারণে এ ধরনের অর্ধপরিবাহীকে টাইপ p- অর্ধপরিবাহী বলে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৭.
আমাদের দেশে সরবরাহকৃত পরিবর্তী ভোল্টেজের কম্পাংক কত?
  1. ক) 20 Hz
  2. খ) 50 Hz
  3. গ) 100 Hz
  4. ঘ) 150 Hz
ব্যাখ্যা
একমুখীকরণ:
- তড়িৎশক্তি সাধারণত এসি (AC) সরবরাহ হিসেবে উৎপাদন ও বিতরণ করা হয়।
- বিদ্যুৎ কেন্দ্র কর্তৃক সরবরাহকৃত ভোল্টেজ সাইন তরঙ্গ আকারে পরিবর্তিত হয়।
- আমাদের দেশে সরবরাহকৃত পরিবর্তী ভোল্টেজের কম্পাংক 50 Hz
- পরিবর্তী এই ভোল্টেজ ব্যবহার করা হয় আলোকশক্তি, তাপশক্তি উৎপাদনে এবং তড়িৎ মোটর ইত্যাদিতে।
- কিন্তু আমাদের দৈনন্দিন কাজে ডিসি (DC) সরবরাহের অসংখ্য প্রয়োগ রয়েছে।
- বিশেষ করে ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি বা বর্তনী পরিচালনার জন্য নিরবচ্ছিন্ন একমুখী প্রবাহ বা ডিসি প্রবাহ (Direct Current) প্রয়োজন হয়।
- ব্যাটারি বা শুষ্ক কোষ হলো ডিসি প্রবাহের প্রধান উৎস।
- কিন্তু এদের ভোল্টেজ বেশ কম এবং এগুলো প্রায়ই পরিবর্তন করতে হয় বলে বেশ ব্যয়বহুল।
- অর্থাৎ ব্যাটারি দ্বারা আমাদের সব প্রয়োজন মিটানো সম্বব নয়।
- তাই আমাদের প্রয়োজন বৈদ্যুতিক সরবরাহ লাইনের দিক পরিবর্তী তথা এসি ভোল্টেজকে একমুখী তথা ডিসি ভোল্টেজ রূপান্তরিত করা।
- যে প্রক্রিয়ায় এই রূপান্তরের কাজটি সম্পন্ন করা হয় তাকে বলে রেকটিফিকেশন বা একমুখীকরণ।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৮.
কোনটির প্রধান কাজ দেহে বৃদ্ধির জন্য কোষ গঠন করা?
  1. ক) স্নেহ
  2. খ) শর্করা
  3. গ) আমিষ
  4. ঘ) ভিটামিন
ব্যাখ্যা
প্রোটিন বা আমিষ:
- মাছ, ডিম, মাংস ও দুগ্ধজাত খাদ্য এগুলো প্রোটিন জাতীয় খাদ্য।
- উৎসের উপর ভিত্তি করে প্রোটিনকে প্রাণিজ এবং উদ্ভিজ প্রোটিন হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
- মাছ, মাংস, ডিম ও দুগ্ধজাত দ্রব্য ইত্যাদি প্রাণিজ প্রোটিন।
- অপরদিকে ডাল, বাদাম, শিম ও বরবটির বীজ ইত্যাদি উদ্ভিজ্জ প্রোটিন। 

প্রোটিনের কাজ:
১। প্রোটিনের প্রধান কাজ হচ্ছে দেহে বৃদ্ধির জন্য কোষ গঠন করা। 
যেমন- দেহের পেশি, হাড় বা অস্থি, রক্ত কণিকা ইত্যাদি প্রোটিন দ্বারা গঠিত। 
২। দেহে শক্তি উৎপন্ন করা। 
৩। দেহে রোগ প্রতিরোধকারী এন্টিবডি প্রোটিন থেকে তৈরি হয়।

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।