পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৯তম বিসিএস ⎯ ইতিহাস [১৮১]

পরীক্ষা৪৯তম বিসিএস ⎯ ইতিহাস [১৮১]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়25 minutes
মোট প্রশ্ন৩১
সিলেবাস
Exam 11 Topic: Part-II: Part-A Group-III: British period b. Consolidation of British Rule : Warren Hastings, Cornwallis, c. Expansion of British rule : Wellesley, Dalhousie, d. Social and administrative reforms : Ripon, Bentinck, e. War of 1857, f. Growth of Nationalism: Indian National Congress and the Muslim League; Partition of Bengal of 1905 and its aftermath; Swadeshi and Khilafat Movements; Act 1935. Source: Class – 6, relevant books
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৯তম বিসিএস ⎯ ইতিহাস [১৮১]

৪৯তম বিসিএস ⎯ ইতিহাস [১৮১] · তারিখ অনির্ধারিত · ৩১ প্রশ্ন

.
When did the English first come to India?/ইংরেজরা কত সালে প্রথম ভারতে আসে?
  1. 1498 / ১৪৯৮
  2. 1600 / ১৬০০
  3. 1601 / ১৬০১
  4. 1608 / ১৬০৮
ব্যাখ্যা

ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি (East India Company) রাণী প্রথম এলিজাবেথের অনুমতিতে ১৬০০ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে কোম্পানির পক্ষ থেকে প্রথম ইংরেজ প্রতিনিধি ক্যাপ্টেন উইলিয়াম হকিন্স (Captain William Hawkins) ১৬০৮ খ্রিস্টাব্দে ভারতের সুরাট বন্দরে এসে পৌঁছান এবং পরে মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের দরবারে যান। এরপর ১৬১৫ সালে ইংরেজ সম্রাট জেমস প্রথমের দূত স্যার থমাস রো (Sir Thomas Roe) মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের দরবারে আসেন এবং সেখান থেকে ইংরেজরা ভারতীয় বাণিজ্যে আরও সুবিধা অর্জন করে।

উৎস-
ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)
দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:) 

.
Who was the first Prime Minister of Pakistan?/ পাকিস্তানের প্রথম প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. Muhammad Ali Jinnah / মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  2. Liaquat Ali Khan / লিয়াকত আলী খান
  3. Khawaja Nazimuddin / খাজা নাজিমুদ্দিন
  4. Iskander Mirza / ইস্কান্দার মির্জা
ব্যাখ্যা

লিয়াকত আলী খান (১৮৯৬-১৯৫১)  পাকিস্তানের প্রথম প্রধানমন্ত্রী। পাকিস্তান স্বাধীন হওয়ার পর, লিয়াকত আলী খান প্রথম প্রধানমন্ত্রী হন। তিনি মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন এবং ১৯৪৭ থেকে ১৯৫১ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর রাজনৈতিক কর্মকান্ডের অন্যতম অর্জন হলো ভারত ও পাকিস্তানের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তার জন্য ১৯৫০ সালের ৮ এপ্রিল ভারতের সাথে সম্পাদিত চুক্তি (লিয়াকত-নেহেরু চুক্তি)। ১৯৫১ সালের ১৬ অক্টোবর রাওয়ালাপিন্ডিতে এক জনসভায় বক্তৃতা দানের সময় এক আততায়ীর গুলিতে তিনি নিহত হন। তাঁর অনুসারীরা তাঁকে ‘কায়েদে-ই-মিল্লাত’ (জাতির নেতা) খেতাবে ভূষিত করেন।

উৎস-
ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)
বাংলাপিডিয়া

.
In which year did the English obtain a farmān (royal decree) from Mughal Emperor Farrukhsiyar?/ ইংরেজরা কত সালে মুঘল সম্রাট ফররুখশিয়রের কাছ থেকে ফরমান লাভ করে?
  1. 1707 / ১৭০৭
  2. 1715 / ১৭১৫
  3. 1717 / ১৭১৭
  4. 1720 / ১৭২০
ব্যাখ্যা

মুঘল সম্রাট ফররুখশিয়র ১৭১৭ খ্রিস্টাব্দে ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে একটি ফরমান প্রদান করেন। এই ফরমানের মাধ্যমে ইংরেজরা বাংলায় বিশেষ সুবিধা লাভ করে—কোম্পানি বাংলায় শুল্কমুক্ত বাণিজ্য করার অধিকার পায়।শুধু কোম্পানির ব্যবসায় নয়, কোম্পানির কর্মচারীরাও দস্তক (trade permit) ব্যবহার করে শুল্ক ছাড়া বাণিজ্য করতে শুরু করে।এর ফলে বাংলার দেশীয় ব্যবসায়ীরা মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ইংরেজদের প্রভাব ক্রমশ বাড়তে থাকে। এটি ইংরেজদের রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হয়।

উৎস- 

ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)
দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:)
আর. সি. মজুমদার, আধুনিক ভারতের ইতিহাস

.
Fort William was named after which English king?/ ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ কার নামানুসারে নির্মিত হয়েছিল?
  1. King Charles I / রাজা চার্লস প্রথম
  2. King Charles II / রাজা চার্লস দ্বিতীয়
  3. King William III / রাজা উইলিয়াম তৃতীয়
  4. King George I / রাজা জর্জ প্রথম
ব্যাখ্যা

ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ১৬৯৬ খ্রিস্টাব্দে কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ নির্মাণ শুরু করে এবং ১৭০৬ খ্রিস্টাব্দে তা সম্পূর্ণ হয়। এই দুর্গের নামকরণ করা হয় ইংল্যান্ডের রাজা উইলিয়াম তৃতীয়-এর নামে। ফোর্ট উইলিয়াম ছিল কলকাতায় ইংরেজদের প্রধান সামরিক ও প্রশাসনিক কেন্দ্র। পরে এখানেই গভর্নর জেনারেল বসবাস করতেন এবং কলকাতা ভারতের ব্রিটিশ শাসনের রাজধানী হয়ে ওঠে।

 উৎস- 

ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)
দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:)
আর. সি. মজুমদার, আধুনিক ভারতের ইতিহাস

.
In which year was Mir Jafar deposed from the throne of Bengal?/ মীর জাফরকে কত সালে বাংলার নবাবের পদ থেকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়?
  1. 1757 / ১৭৫৭
  2. 1760 / ১৭৬০
  3. 1763 / ১৭৬৩
  4. 1765 / ১৭৬৫
ব্যাখ্যা

মীর জাফর ছিলেন বাংলার প্রথম পুতুল নবাব, যাকে ইংরেজরা ১৭৫৭ সালের পলাসির যুদ্ধের পর সিংহাসনে বসায়। কিন্তু তিনি ইংরেজদের বিপুল অর্থ প্রদান করতে না পারায় এবং তার প্রতি ইংরেজদের অসন্তুষ্টি তৈরি হওয়ায় ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দে তাকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়। তার পরিবর্তে ইংরেজরা তার জামাতা মীর কাসিম-কে বাংলার নবাব বানায়। পরে মীর কাসিম ইংরেজদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন, যা ১৭৬৪ সালের বক্সারের যুদ্ধে চূড়ান্ত রূপ নেয়।

উৎস- 

ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)
দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:)
আর. সি. মজুমদার, আধুনিক ভারতের ইতিহাস

.
In Indian history, the situation of powerless responsibility of the Nawab and irresponsible power of the Company is known as what?/ ভারতের ইতিহাসে নবাবের ক্ষমতাহীন দায়িত্ব আর কোম্পানির দায়িত্বহীন ক্ষমতা কী নামে পরিচিত?
  1. Dual System of Government / দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা
  2. Subsidiary Alliance / অধীনতামুলক মিত্রতা নীতি
  3. Doctrine of Lapse / ল্যাপস নীতি
  4. Dyarchy / দ্বৈত সরকার
ব্যাখ্যা

দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা ১৭৬৫ সালে লর্ড ক্লাইভ বাংলার নবাব থেকে দেওয়ানি সনদ প্রাপ্ত হলে যে শাসন প্রণালীর উদ্ভব হয়, তা ইতিহাসে দ্বৈত শাসন নামে পরিচিত। মীর জাফরের মৃত্যুর পর লর্ড ক্লাইভ ১৭৬৫ সালে মোগল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলমের কাছ থেকে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানি লাভ করে। এ সময় কিছু শর্ত সাপেক্ষে মীরজাফরের পুত্র নাজিম-উদ-দৌলাকে বাংলার সিংহাসনে বসানো হয়। শর্ত মোতাবেক নাজিম-উদ-দৌলা তাঁর পিতা মীর জাফরের ন্যায় ইংরেজদের বিনা শুল্কে অবাধ বাণিজ্য করার সুযোগ দেবেন এবং দেশীয় বণিকদের অবাধ বাণিজ্যের সুবিধা বাতিল করবেন। এই ব্যবস্থার ফলে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি প্রচুর অর্থনৈতিক ক্ষমতার অধিকারী হয়ে উঠে এবং বাংলার নবাব সামান্য বৃত্তিভোগী কর্মচারীতে পরিণত হন। ১৭৭২ সালে ব্রিটিশ সরকারের গভর্নর জেনারেল লর্ড ওয়ারেন হেস্টিংস দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা চিরতরে বাতিল বলে ঘোষণা করেন। 

উৎস-
ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)
দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:) 

.
Which of the following was an indirect result of the Bengal famine of 1770?/ ১৭৭০ সালের বাংলার দুর্ভিক্ষের পরোক্ষ ফল কোনটি?
  1. Establishment of Permanent Settlement / চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন
  2. End of Dual System of Government / দ্বৈত শাসন ব্যবস্থার সমাপ্তি
  3. Introduction of Ryotwari System / রায়তওয়ারি ব্যবস্থা প্রবর্তন
  4. Subsidiary Alliance / অধীনতামুলক মিত্রতা নীতি
ব্যাখ্যা

১৭৭০ সালে বাংলায় ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ সংঘটিত হয়, যাতে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মানুষ মারা যায়। এই দুর্ভিক্ষে কোম্পানির দ্বৈত শাসন ব্যবস্থার ভয়াবহতা প্রকাশ পায়। কোম্পানি শুধু রাজস্ব আদায়ে মনোযোগী ছিল, কিন্তু প্রজাদের দুঃখ-কষ্ট লাঘবের কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। এর ফলে প্রশাসন অচল হয়ে পড়ে এবং কৃষি-অর্থনীতি ভেঙে যায়। এই ভয়াবহ পরিস্থিতির ১৭৭২ সালে ব্রিটিশ সরকারের গভর্নর জেনারেল লর্ড ওয়ারেন হেস্টিংস দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা চিরতরে বাতিল বলে ঘোষণা করেন। 

উৎস- 

ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)
দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:) 

.
What was the main reason for Mir Qasim shifting his capital?/ মীর কাসিমের রাজধানী স্থানান্তরের মূল কারণ কী ছিল?
  1. To protect himself from Maratha attacks / মারাঠা আক্রমণ থেকে নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
  2. To avoid English influence and interference / ইংরেজদের প্রভাব ও হস্তক্ষেপ এড়ানো
  3. To expand trade with European countries / ইউরোপীয় দেশের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণ
  4. To be closer to the Mughal emperor / মুঘল সম্রাটের কাছাকাছি থাকা
ব্যাখ্যা

মীর কাসিম, যিনি বাংলার নবাব ১৭৬০–১৭৬৪, প্রাথমিকভাবে ইংরেজদের সহযোগিতা গ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু কোম্পানির অবাধ বাণিজ্য, শুল্কমুক্ত সুবিধা ও হস্তক্ষেপের কারণে তিনি ক্রমশ অসন্তুষ্ট হন। কোম্পানি নিজস্ব নিয়ম লঙ্ঘন করে বাণিজ্য ও রাজস্বে হস্তক্ষেপ করছিল। নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য মীর কাসিম তার রাজধানী মুর্শিদাবাদ থেকে মুঙ্গেরে স্থানান্তর করেন। এই সিদ্ধান্ত মূলত কোম্পানির প্রভাব সীমিত করার উদ্দেশ্যে ছিল। পরবর্তীতে এই অশান্তি কোম্পানি ও মীর কাসিমের মধ্যে যুদ্ধ (১৭৬৪)-এ রূপ নেয়।

উৎস-
ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)
দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:) 

.
When was independent India born?/ স্বাধীন ভারতের জন্ম হয় কবে?
  1. 15 August 1947 / ১৫ আগস্ট ১৯৪৭
  2. 26 January 1950 / ২৬ জানুয়ারি ১৯৫০
  3. 14 August 1947 / ১৪ আগস্ট ১৯৪৭
  4. 30 January 1948 / ৩০ জানুয়ারি ১৯৪৮
ব্যাখ্যা

ভারত স্বাধীন হয় ১৫ আগস্ট ১৯৪৭ সালে, যখন ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটে এবং ভারত ও পাকিস্তান দুই স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে গঠিত হয়। ২৬ জানুয়ারি ১৯৫০ সালে ভারত গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র হিসেবে সংবিধান কার্যকর করে। 
উৎস-বাংলাপিডিয়া

১০.
Who introduced the Dual System of Government in Bengal?/ বাংলায় দ্বৈত শাসনব্যবস্থার প্রবর্তক কে ছিলেন?
  1. Warren Hastings / ওয়ারেন হেস্টিংস
  2. Mir Jafar / মীর জাফর
  3. Mir Qasim / মীর কাসিম
  4. Robert Clive / রবার্ট ক্লাইভ
ব্যাখ্যা

দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা ১৭৬৫ সালে লর্ড ক্লাইভ বাংলার নবাব থেকে দেওয়ানি সনদ প্রাপ্ত হলে যে শাসন প্রণালীর উদ্ভব হয়, তা ইতিহাসে দ্বৈত শাসন নামে পরিচিত। মীর জাফরের মৃত্যুর পর লর্ড ক্লাইভ ১৭৬৫ সালে মোগল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলমের কাছ থেকে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানি লাভ করে। এ সময় কিছু শর্ত সাপেক্ষে মীরজাফরের পুত্র নাজিম-উদ-দৌলাকে বাংলার সিংহাসনে বসানো হয়। শর্ত মোতাবেক নাজিম-উদ-দৌলা তাঁর পিতা মীর জাফরের ন্যায় ইংরেজদের বিনা শুল্কে অবাধ বাণিজ্য করার সুযোগ দেবেন এবং দেশীয় বণিকদের অবাধ বাণিজ্যের সুবিধা বাতিল করবেন। এই ব্যবস্থার ফলে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি প্রচুর অর্থনৈতিক ক্ষমতার অধিকারী হয়ে উঠে এবং বাংলার নবাব সামান্য বৃত্তিভোগী কর্মচারীতে পরিণত হন। ১৭৭২ সালে ব্রিটিশ সরকারের গভর্নর জেনারেল লর্ড ওয়ারেন হেস্টিংস দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা চিরতরে বাতিল বলে ঘোষণা করেন। 

উৎস-
ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)
দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:) 

১১.
In which year did Emperor Shah Jahan allow the English to establish their factory in Bengal?/ সম্রাট শাহজাহান কত সালে বাংলায় ইংরেজদের কুঠি স্থাপনের অনুমতি দেন?
  1. 1625 / ১৬২৫
  2. 1630 / ১৬৩০
  3. 1632 / ১৬৩২
  4. 1640 / ১৬৪০
ব্যাখ্যা

সম্রাট শাহজাহান ১৬৩২ সালে বাংলায় ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে কুঠি স্থাপনের অনুমতি দেন। কুঠির মূল উদ্দেশ্য ছিল বাণিজ্য পরিচালনা, বিশেষ করে সুতি কাপড়, সিল্ক ও মসলার বাণিজ্য। বাংলার বন্দরের সুবিধা এবং নদীমুখের অবস্থান ইংরেজদের জন্য কুঠি স্থাপনের জন্য আকর্ষণীয় ছিল। এটি ইংরেজদের ভারতীয় বাণিজ্য ও পরবর্তীতে রাজনৈতিক প্রভাব বৃদ্ধির প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত। তাঁর আমলে ইংরেজ  ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলায় অবাধ বাণিজ্যিক অধিকার লাভ এবং বালাশোর, হুগলি ও পিপলিতে বাণিজ্যকেন্দ্র স্থাপন করে। শাহ সুজার সময়ে বাংলার রাজধানী জাহাঙ্গীরনগর হতে রাজমহলে স্থানান্তরিত হয়।

উৎস- ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)
দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:)
বাংলাপিডিয়া

১২.
Who was the founder of the city of Kolkata (Calcutta)?/ কলকাতা নগরীর প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?
  1. Robert Clive / রবার্ট ক্লাইভ
  2. Job Charnock / জব চার্নক
  3. Warren Hastings / ওয়ারেন হেস্টিংস
  4. Mir Jafar / মীর জাফর
ব্যাখ্যা

জব চার্নক কলকাতার প্রতিষ্ঠাতা এবং ভারতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য স্থাপনের অন্যতম স্বপ্নদ্রষ্টা। কোম্পানির  কাসিমবাজার কারখানায় জব চার্নক ১৬৫৮ খ্রিস্টাব্দে একজন নিম্নপদস্থ ব্যবসায়ী হিসেবে  ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিতে যোগদান করেন। ১৬৮৬-৯০ খ্রিস্টাব্দে ইঙ্গ-মুগল যুদ্ধ শুরু হলে তিনি কোম্পানির  হুগলি বসতির প্রধান হিসেবে কর্মরত ছিলেন। জব চার্নক ১৬৯০ খ্রিস্টাব্দের ২৪ আগস্ট তারিখে হুগলি নদীর তীরে অবস্থিত জলাভূমি বেষ্টিত সুতানটির নির্বাচিত জমিতে ইংরেজদের পতাকা উত্তোলন করেন এবং এভাবে ওই  বসতির ভিত্তি স্থাপন করেন যা পরবর্তীকালে  কলকাতা নগর হিসেবে গড়ে ওঠে। ১৬৯২ খ্রিস্টাব্দের ১০ জানুয়ারি কলকাতায় চার্নক এর মৃত্যু।

উৎস- বাংলাপিডিয়া। 

১৩.
Who was the first Governor-General of independent India?/ স্বাধীন ভারতের প্রথম গভর্নর-জেনারেল কে ছিলেন?
  1. Rajendra Prasad / রাজেন্দ্র প্রসাদ
  2. Jawaharlal Nehru / জওহরলাল নেহরু
  3. C. Rajagopalachari / সি. রাজাগোপালাচারি
  4. Lord Mountbatten / লর্ড মাউন্টব্যাটেন
ব্যাখ্যা

লর্ড মাউন্টব্যাটেন (১৯০০-১৯৭৯), ভারতের শেষ ব্রিটিশ ভাইসরয়। লর্ড লুই (ডিকি) মাউন্টব্যাটেন ছিলেন ব্রিটেনের ভারতের শেষ ভাইসরয় (১৯৪৭) এবং স্বাধীন ভারতের প্রথম গভর্নর-জেনারেল (১৯৪৭-১৯৪৮)। দিল্লিতে পৌঁছানোর দুই মাস পর এবং নেহেরু, মহাত্মা গান্ধী, এম এ জিন্নাহ এবং ব্রিটিশ ভারতের অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতাদের সাথে, সেইসাথে তার নিজস্ব কর্মকর্তা ও জেনারেলদের সাথে দেখা করার পর, মাউন্টব্যাটেন সিদ্ধান্ত নেন যে হিন্দু, মুসলিম এবং শিখরা এতটাই অস্থির এবং ক্ষুব্ধ যে তারা ব্রিটিশ সৈন্য প্রত্যাহারের জন্য এক বছরেরও বেশি সময় অপেক্ষা করার ঝুঁকি নিতে পারবেন না। তিনি বরং জোর দিয়েছিলেন যে অ্যাটলির সরকার ১৯৪৭ সালের আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে সমস্ত ব্রিটিশ ক্ষমতা ভারত ও পাকিস্তানের দুটি নতুন রাজ্যের কাছে হস্তান্তর করবে।

উৎস- এনসাইক্লোপেডিয়া।

১৪.
In which year was the Kasimbazar factory (kuthi) established?/ কাসিম বাজার কুঠি কত সালে নির্মাণ করা হয়?
  1. 1658 / ১৬৫৮
  2. 1660 / ১৬৬০
  3. 1665 / ১৬৬৫
  4. 1650 / ১৬৫০
ব্যাখ্যা

কাসিম বাজার পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলায় অবস্থিত। ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এখানে ১৬৫৮ খ্রিস্টাব্দে একটি কুঠিনির্মাণ করে। কুঠির মাধ্যমে তারা সুতি কাপড়, নীল, রসদ ও অন্যান্য পণ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করত। কাসিম বাজার কুঠি ছিল পূর্ব ভারতের ইংরেজদের বাণিজ্য সম্প্রসারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।

উৎস-
ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)
দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:) 

১৫.
Which Englishman came to the court of Emperor Jahangir as an ambassador?/ কোন ইংরেজ জাহাঙ্গীরের দরবারে রাষ্ট্রদূত হিসেবে আসেন?
  1. William Hawkins / উইলিয়াম হকিন্স
  2. Job Charnock / জব চারনক
  3. Thomas Roe / থমাস রো
  4. Robert Clive / রবার্ট ক্লাইভ
ব্যাখ্যা

স্যার থমাস রো ইংল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত হিসেবে ১৬১৫ খ্রিস্টাব্দে মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের দরবারে যান। তার উদ্দেশ্য ছিল ইংল্যান্ডের বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও কোম্পানির জন্য অনুমতি লাভ করা। তিনি জাহাঙ্গীরের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে ইংরেজদের জন্য বিশেষ সুবিধা ও বাণিজ্য অধিকার নিশ্চিত করেন। তিন বছর মুঘল দরবারে অবস্থান করেন। তার প্রচেষ্টায় ১৬১৯ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে সুরাট, আগ্রা, আহম্মদাবাদ, ব্রোচ, বিভিন্ন সাথানে ইংরেজদের বাণিজ্য কুটি স্থাপিত হয়। এটি ইংল্যান্ডের ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ককে শক্তিশালী করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল।

উৎস- ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)
- দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:) 

১৬.
Who first introduced the Permanent Settlement (Panchsala Bandobast)?/ প্রথমে ‘পাঁচশালা বন্দোবস্ত’ চালু করেন কে?
  1. Lord Wellesley / লর্ড ওয়েলেসলি
  2. Robert Clive / রবার্ট ক্লাইভ
  3. Lord Cornwallis / লর্ড কর্নওয়ালিস 
  4. Warren Hastings / ওয়ারেন হেস্টিংস
ব্যাখ্যা

পাঁচসনা বন্দোবস্ত (১৭৭২-১৭৭৭)  প্রচলিত জমিদার পদ্ধতির পরিবর্তন ঘটিয়ে সর্বোচ্চ পরিমাণ খাজনা দিতে অঙ্গীকারাবদ্ধ  ইজারাদারদের সঙ্গে পাঁচ বছরকালীন খাজনা আদায়ের ব্যবস্থা প্রবর্তনই পাঁচসনা বন্দোবস্ত। ওয়ারেন হেস্টিংস কর্তৃক ১৭৭২ সালে সম্পাদিত এ পরীক্ষামূলক ব্যবস্থার উদ্দেশ্য ছিল, ভূমির খাজনা বৃদ্ধি ও তা যথাসময়ে আদায় করা। 

উৎস- বাংলাপিডিয়া।

১৭.
Through which law did women in the Indian subcontinent get the right to vote?/ উপমহাদেশের নারীরা ভোটাধিকার পায় কোন আইনের মাধ্যমে?
  1. Indian Councils Act, 1909 / ভারতীয় কাউন্সিল আইন, ১৯০৯
  2. Government of India Act, 1919 / ভারতের সরকার আইন, ১৯১৯
  3. Government of India Act, 1935 / ভারতের সরকার আইন, ১৯৩৫
  4. Indian Independence Act, 1947 / ভারত স্বাধীনতা আইন, ১৯৪৭
ব্যাখ্যা

Government of India Act, 1935 এর মাধ্যমে ভারতীয় উপমহাদেশে নারীদের জন্য সীমিত ভোটাধিকার প্রদান করা হয়। এটি প্রান্তিকভাবে রাজ্য পর্যায়ে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে। আইনটি ভারতের মাত্র ২.৫% নারীকে ভোট দেওয়ার অনুমতি দিয়েছিল। ভোটাধিকার সম্প্রসারণের জন্য পরবর্তী সমস্ত পদক্ষেপ জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের সাথে সম্পর্কিত ছিল, যা স্বাধীনতাকে নারীদের বিষয়গুলির চেয়ে উচ্চতর অগ্রাধিকার বলে মনে করেছিল। ১৯৪৬ সালে, যখন ভারতের গণপরিষদ নির্বাচিত হয়, তখন ১৫টি আসন মহিলাদের কাছে যায়। তারা নতুন সংবিধান প্রণয়নে সহায়তা করে এবং ১৯৪৭ সালের এপ্রিলে পরিষদ সর্বজনীন ভোটাধিকারের নীতিতে সম্মত হয়। জুলাই মাসে নির্বাচনের বিধান গৃহীত হয়, আগস্ট মাসে ভারত ব্রিটেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে এবং ১৯৪৮ সালের গোড়ার দিকে ভোটার তালিকা প্রস্তুত করা শুরু হয়। ভোটাধিকার এবং নির্বাচনের চূড়ান্ত বিধানগুলি ১৯৪৯ সালের জুন মাসে খসড়া সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয় এবং ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারী কার্যকর হয়, যেদিন ভারতের সংবিধান কার্যকর হয়েছিল ।পরবর্তীতে স্বাধীনতার পর নারীরা সমান ভোটাধিকার পায়।

উৎস- বাংলাপিডিয়া।

১৮.
Who abolished the practice of Sati in India?/ ভারতে সতীদাহ প্রথা কে বিলোপ করেন?
  1. Warren Hastings / ওয়ারেন হেস্টিংস
  2. Lord Cornwallis / লর্ড কর্নওয়ালিস
  3. Lord William Bentinck / লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক
  4. Lord Dalhousie / লর্ড ডালহৌসি
ব্যাখ্যা

লর্ড উইলিয়ম বেন্টিঙ্ক (১৭৭৪-১৮৩৯)  ১৮২৮ থেকে ১৮৩৫ সাল পর্যন্ত ভারতের গভর্নর জেনারেল। লর্ড উইলিয়ম ক্যাভেন্ডিস বেন্টিঙ্ক ১৭৭৪ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। মাদ্রাজের গভর্নর হিসেবে ১৮০৩ সালে তিনি প্রথম ভারতে আসেন এবং ১৮০৬ সালে ভেল্লোরে সিপাইদের বিদ্রোহের কারণে ১৮০৭ সালে তাঁকে ডেকে পাঠানো হয়। প্রায় দু’দশক পর তাঁকে বাংলার গভর্নর জেনারেল নিয়োগ করা হয় এবং তিনি ১৮২৮ সালে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। বেন্টিঙ্ক সমাজ সংস্কারে মনোনিবেশ করেন এবং হিন্দুদের মধ্যে দাম্পত্যের পবিত্র কর্তব্যের আদর্শ বলে দীর্ঘকাল যাবৎ পরিগণিত প্রথা মৃত স্বামীর চিতায় হিন্দু বিধবাদের পুড়ে মারা অর্থাৎ সতীদাহ প্রথা বিলোপ করেন। বেন্টিঙ্ক এ প্রথাটিকে বেআইনী ঘোষণা করেন এবং কঠোরভাবে এর চর্চাকে দমন করেন, যদিও অনেক গোঁড়া হিন্দু এটিকে তাঁদের ধর্মের ব্যাপারে হস্তক্ষেপ বলে মনে করেছিলেন।

উৎস- 

ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)
দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:)
বাংলাপিডিয়া

১৯.
Who was the last Chief Minister of undivided Bengal?/ অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. A.K. Fazlul Huq / এ. কে. ফজলুল হক
  2. Huseyn Shaheed Suhrawardy / হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  3. Khawaja Nazimuddin / খাজা নাজিমুদ্দিন
  4. Sarat Chandra Bose / শরৎচন্দ্র বসু
ব্যাখ্যা

হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী ১৮৯২ - ১৯৬৩) ছিলেন একজন পূর্ব পাকিস্তানি বাঙালি রাজনীতিবিদ, আইনজীবী ও বাংলার শেষ প্রধানমন্ত্রী এবং পাকিস্তানের ৫ম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। যুক্তফ্রন্ট গঠনের মূলনেতাদের মধ্যে অন্যতম। গণতান্ত্রিক রীতি ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলেন, তাই সুধী সমাজ কর্তৃক ‘গণতন্ত্রের মানসপুত্র’ বলে আখ্যায়িত হন। সোহরাওয়ার্দীকে ভারতে একটি বিতর্কিত চরিত্র হিসেবে দেখা হয় সরাসরি কলকাতা দাঙ্গা জন্য দায়ী হওয়ার কারণে। অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী। তিনি ১৯৪৬ সালের এপ্রিল মাসে মুখ্যমন্ত্রী হন এবং ১৯৪৭ সালের দেশভাগ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। দেশভাগের পর পূর্ববঙ্গ (পূর্ব পাকিস্তান, বর্তমান বাংলাদেশ) পাকিস্তানের অংশ হয়ে যায়।

উৎস- ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)
ফোর ডক্টরস- বাংলাদেশের ইতিহাস

২০.
Who was appointed as the President of the All-India Muslim League?/ কে সর্বভারতীয় মুসলিম লীগের সভাপতি নিযুক্ত হন?
  1. Nawab Salimullah / নবাব সলিমুল্লাহ
  2. Aga Khan / আগা খান
  3. Huseyn Shaheed Suhrawardy / হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  4. Muhammad Ali Jinnah / মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
ব্যাখ্যা

ভারতের মুসলিম নেতৃবৃন্দ মুসলমান সম্প্রদায়ের শিক্ষাসংক্রান্ত সমস্যাসমূহ আলোচনা এবং সরকারের প্রতি আনুগত্য প্রচার করার জন্য বছরে একবার অনানুষ্ঠানিকভাবে সভায় মিলিত হতো। কংগ্রেসের পৃষ্ঠপোষকতায় বঙ্গভঙ্গের (১৯০৫) বিরুদ্ধে পরিচালিত বিক্ষোভ এবং স্বদেশী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে এমনি এক সভা (সর্বভারতীয় মুসলিম শিক্ষা সম্মেলন) ১৯০৬ সালে ঢাকার শাহবাগে অনুষ্ঠিত হয়। ইতিপূর্বে মুসলমান নেতাদের একটি প্রতিনিধিদল মুসলমান সম্প্রদায়ের বিশেষ সমস্যাবলি তুলে ধরার জন্য সিমলায় গভর্নর জেনারেল লর্ড মিন্টোর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। বঙ্গভঙ্গের গোঁড়াসমর্থক ঢাকার নওয়াব  খাজা সলিমুল্লাহ কংগ্রেস সমর্থকদের বঙ্গভঙ্গ বিরোধী বিক্ষোভ মোকাবিলা করার জন্য একটি রাজনৈতিক দল গঠনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন। ভারতীয় মুসলমানদের স্বার্থ সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে তিনি এ সভায় একটি রাজনৈতিক মঞ্চ গঠনের প্রস্তাব করেন। সভার সভাপতি নওয়াব ভিকার-উল-মুলক প্রস্তাবটি সমর্থন করেন এবং এভাবে সর্ব ভারতীয় মুসলিম লীগ সৃষ্টি হয়। শুরুতে আগা খান এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ কর্তৃক পরিচালিত এ দলটি মুসলিম জাতীয়তাবাদের পক্ষে জনসমর্থন তৈরিতে এবং অবশেষে ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির ক্ষেত্রে মূল ভূমিকা পালন করে।

উৎস-বাংলাপিডিয়া।

২১.
Who was the Governor-General when English education was promoted in India through Macaulay’s Minute? / ভারতে ম্যাকলে মিনিটের মাধ্যমে ইংরেজি শিক্ষার প্রসার ঘটে কোন গভর্নর-জেনারেলের সময়ে?
  1. Lord Dalhousie / লর্ড ডালহৌসি
  2. Lord Cornwallis / লর্ড কর্নওয়ালিস
  3. Lord William Bentinck / লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক
  4. Lord Ripon / লর্ড রিপন
ব্যাখ্যা

উচ্চ আদালতে ও সরকারি কাজকর্মে ফার্সির পরিবর্তে ইংরেজি ভাষার প্রচলন ইংরেজি অধ্যয়নকে উৎসাহিত করে এবং পাশ্চাত্য শিক্ষা বিস্তার লাভ করে। ভারতীয়দের আধুনিক ধারায় শিক্ষিত করার মানসে টমাস বেবিংটন ম্যাকলে ইংরেজি ভাষা ও পাশ্চাত্যের ধারণাসমূহ ছড়িয়ে দেওয়ার পক্ষে মত প্রকাশ করেন। তদনুসারে বেন্টিঙ্ক ইংরেজি ভাষা ও বিজ্ঞান পাঠকে উৎসাহিত করার পদক্ষেপ নেন। অনেক জায়গায় স্কুল খোলা হয় এবং ভারতীয় ডাক্তারদের উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে ১৮৩৫ সালে কলকাতায় একটি মেডিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হয়।

উৎস- বাংলাপিডিয়া। 

২২.
Who reformed the judicial system by introducing the Adalat system?/ আদালত ব্যবস্থা চালু করে বিচার সংস্কার কে করেছিলেন?
  1. Lord Cornwallis / লর্ড কর্নওয়ালিস
  2. Warren Hastings / ওয়ারেন হেস্টিংস
  3. Lord Wellesley / লর্ড ওয়েলেসলি
  4. Lord Dalhousie / লর্ড ডালহৌসি
ব্যাখ্যা

ওয়ারেন হেস্টিংস (বাংলার গভর্নর-জেনারেল, ১৭৭২–১৭৮৫) ভারতে প্রথম আদালত ব্যবস্থা চালু করে বিচার সংস্কার করেছিলেন। তিনি জেলা পর্যায়ে দেওয়ানি আদালত গঠন করেন, যেখানে ইউরোপীয় বিচারক থাকতেন। ফৌজদারি আদালত এ ভারতীয় কাজী ও মৌলবীদের দায়িত্ব দেওয়া হয়, তবে এগুলো ইউরোপীয়দের তত্ত্বাবধানে থাকত। এর মাধ্যমে ভারতবর্ষে প্রথমবারের মতো একটি সুনিয়ন্ত্রিত বিচারব্যবস্থা চালু হয়। তবে পরে লর্ড কর্নওয়ালিস (১৭৯৩) এই ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংস্কার করেন এবং এজন্য তাঁকে “ভারতের আধুনিক বিচারব্যবস্থার জনক” বলা হয়।

উৎস-
ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)
দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:) 

২৩.
Why is Lord William Bentinck considered a symbol of the Victorian era in India?/ কি কারণে লর্ড বেন্টিঙ্ককে ভিক্টোরিয়ান যুগের মূর্ত প্রতীক বলা হয়?
  1. Because he expanded British territories / ব্রিটিশ সাম্রাজ্য সম্প্রসারণের কারণে
  2. Because he introduced liberal social, educational and judicial reforms / সমাজ, শিক্ষা ও বিচার ক্ষেত্রে উদার সংস্কার চালু করার কারণে
  3. Because he fought wars against Tipu Sultan / টিপু সুলতানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নেওয়ার কারণে
  4. Because he introduced Subsidiary Alliance / অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি চালু করার কারণে
ব্যাখ্যা

লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক (Governor-General of India: 1828–1835) কে ভিক্টোরিয়ান যুগের মূর্ত প্রতীক বলা হয়, কারণ তিনি ভারতে উদারপন্থী, মানবিক ও সংস্কারমূলক নীতি গ্রহণ করেছিলেন, যা ব্রিটিশ ভিক্টোরিয়ান মূল্যবোধের প্রতিফলন ঘটায়।

সামাজিক সংস্কার
সতীদাহ প্রথা বিলোপ (1829): রাজা রামমোহন রায়ের মতো সমাজ সংস্কারকদের সহযোগিতায় সতীদাহ নিষিদ্ধ করেন।
ঠগী দমন :ঠগীদের অপরাধমূলক কার্যকলাপ দমন করেন।
শিক্ষা সংস্কার
1835 সালে ম্যাকাউলের শিক্ষা নীতি অনুমোদন করেন, যা ইংরেজি শিক্ষার প্রসার ঘটায়।
কলা, বিজ্ঞান ও পশ্চিমা শিক্ষার ভিত্তিতে আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তন।
বিচার ও প্রশাসনিক সংস্কার।

জুরি ব্যবস্থা চালু করেন।
প্রশাসনিক খরচ কমানোর জন্য সেনা ও কর্মচারীদের বেতন হ্রাস করেন।
ভূমি রাজস্ব সংগ্রহে সংস্কার আনেন।
উদারপন্থী নীতি
ধর্মীয় নিরপেক্ষতা বজায় রাখার চেষ্টা।
ভারতীয় সমাজে ব্রিটিশ উদার চিন্তাধারা ও ভিক্টোরিয়ান নৈতিকতা প্রচলন।
 
উৎস- দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:) 

২৪.
Who introduced the first railway in India?/ ভারতে সর্বপ্রথম রেলপথ প্রবর্তন করেন কে?
  1. Lord Cornwallis / লর্ড কর্নওয়ালিস
  2. Lord Wellesley / লর্ড ওয়েলেসলি
  3. Lord Dalhousie / লর্ড ডালহৌসি
  4. Warren Hastings / ওয়ারেন হেস্টিংস
ব্যাখ্যা

ভারতে প্রথম রেল চালু হয় ১৬ এপ্রিল, ১৮৫৩ সালে।প্রথম যাত্রায় বোম্বে থেকে থানে ৩৪ কিমি (২১ মাইল) ভ্রমণ করে যেখানে যাত্রী সংখ্যা ছিল প্রায় ৪০০ জন। লর্ড ডালহৌসি ভারতের রেলওয়ের স্থপতি বা “Father of Indian Railways” নামে পরিচিত। তিনি “Railway Minute of 1853” প্রকাশ করেন, যেখানে ভারতের রেলওয়ে উন্নয়নের বিস্তারিত নীতি ঘোষণা করা হয়। তার পরিকল্পনায় ভারতের প্রধান শহর ও বন্দরগুলোকে রেলপথে যুক্ত করা হয়—যা পরে অর্থনীতি, সামরিক ও প্রশাসনিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

উৎস- দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:) 

২৫.
In which year did the British East India Company's rule end in India?/ ভারতীয় উপমহাদেশে কোম্পানির শাসনের অবসান কত সালে হয়?
  1. 1757 / ১৭৫৭
  2. 1773 / ১৭৭৩
  3. 1857 / ১৮৫৭
  4. 1858 / ১৮৫৮
ব্যাখ্যা

- ভারতীয় বাজারে প্রতিযোগিতায় অভ্যস্ত না থাকায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাণিজ্যিকভাবে একটি দুর্বল সংগঠনে পরিণত হয়। উপরন্তু, কোম্পানির প্রশাসনিক অংশের কারণে বাণিজ্যিক অংশ ম্লান হয়ে যাওয়ায় কোম্পানির বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপনায় যোগ্য ব্রিটেনবাসী আকৃষ্ট হয়নি। এ পরিস্থিতিতে ১৮৩৩ সালের চার্টার আইনের মাধ্যমে কোম্পানির বাণিজ্যিক তৎপরতা বিলুপ্ত হয়। তবে চীন দেশে বাণিজ্য করার অনুমাতিটি বহাল রাখা হয়। এরপর থেকে কোম্পানি রাজার পক্ষে একটি প্রশাসনিক প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে। কোম্পানির কভেনান্টেড সিভিল সার্ভিসে ক্যাডেট মনোনীত করা ছিল কোম্পানির একমাত্র ক্ষমতা। এ সুবিধাটিও ১৮৫৩ সালের চার্টার অ্যাক্টের মাধ্যমে সীমিত করা হয়। কোম্পানির সর্বশেষ সম্মান এবং সুবিধাটি ছিল ডাইরেক্টর কর্তৃক সিভিল সার্ভিসে ক্যাডেট মনোনীত করা। ১৮৫৩ সালের চার্টার অ্যাক্টের অধীনে কোম্পানির এ সুবিধাটিও রদ করা হয় এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে মেধার ভিত্তিতে সিভিলিয়ান নিয়োগের ব্যবস্থা গৃহীত হয়। ভারতে ব্রিটিশ সাম্রজ্যের প্রতিষ্ঠাতা এবং দুশত বছর ধরে ব্রিটেনের সবচেয়ে বড় সংগঠন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এরপর একটি খোলসে পরিণত হয় এবং ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিপ্লব এর পর ১৮৫৮ সালে রানীর ঘোষণার মাধ্যমে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি আনুষ্ঠানিক ভাবে বিলুপ্ত হয়।

উৎস- বাংলাপিডিয়া।

২৬.
What was the Sunset Law?/ সুর্যাস্ত আইন কী?
  1. A law that fixed the deadline for revenue payment till sunset, failing which zamindars would lose their land / রাজস্ব প্রদানের সময় সূর্যাস্ত পর্যন্ত বেঁধে দেওয়া হয়েছিল; সময়মতো রাজস্ব না দিলে জমিদার জমিদারি হারাতেন।
  2. A law that restricted peasants from cultivating beyond sunset / কৃষকরা সূর্যাস্তের পরে জমি চাষ করতে পারতেন না।
  3. A law that prohibited trade after sunset / সূর্যাস্তের পর বাণিজ্য নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।
  4. A law that forced peasants to work till sunset / কৃষকদের সূর্যাস্ত পর্যন্ত জোরপূর্বক কাজ করতে হতো।
ব্যাখ্যা

১৭৯৩ সালের স্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তনের পর লর্ড কর্নওয়ালিস “Sunset Law” চালু করেন। এই আইনের অধীনে জমিদারদের নির্ধারিত তারিখে সূর্যাস্তের আগেই জমা দিতে হতো নির্ধারিত রাজস্ব। একদিনও দেরি হলে, এমনকি অল্প সময়ের জন্য হলেও, জমিদার জমিদারি হারাতেন এবং জমি নিলামে বিক্রি করা হতো। ফলে অনেক ঐতিহ্যবাহী জমিদার তাদের জমিদারি হারান।

উৎস-
ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)
দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:) 

২৭.
Which Governor-General introduced the Civil Service Examination in India?/ কোন গভর্নর জেনারেল ভারতে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার প্রচলন করেন?
  1. Warren Hastings / ওয়ারেন হেস্টিংস
  2. Lord Dalhousie / লর্ড ডালহৌসি
  3. Lord Wellesley / লর্ড ওয়েলেসলি
  4. Lord Cornwallis / লর্ড কর্নওয়ালিস
ব্যাখ্যা

১৭৮৪ সালের পিট-এর ভারত আইন এর অধীনে কর্নওয়ালিস ফোর্ট উইলিয়মের গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হন। বাংলায় বিরাজমান দুর্নীতি সমূলে উৎপাটন এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠিত করার স্পষ্ট নির্দেশ ছিল তাঁর উপর। অস্থায়ী রাজস্ব ব্যবস্থা দূর করে  চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করার জন্য তাঁকে বিশেষভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। লর্ড কর্নওয়ালিস প্রশাসনে বিদ্যমান দুর্নীতি দূর করতে মোটেই সময় নেন নি। তিনি প্রশাসন থেকে কোম্পানির বাণিজ্যকে আলাদা করেন এবং প্রশাসনকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য উচ্চ বেতনভোগী ও পেশাগতভাবে সুশৃঙ্খল ‘সিভিল সার্ভিস’ গঠন করেন। জেলা পর্যায়ে প্রশাসন ব্যবস্থাকে তিনি পুনর্বিন্যাস করেন। তবে প্রথমদিকে পরীক্ষা লন্ডনে অনুষ্ঠিত হতো, ভারতীয়দের প্রবেশাধিকারও সীমিত ছিল।

উৎস-
ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)
দিলীপ কুমার সাহা, দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস (১৫২৬ খ্রি: হতে ১৮৫৭ খ্রি:) 

২৮.
When was the Indian National Congress (INC) founded?/ ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. 1858/১৮৫৮
  2. 1885/১৮৮৫
  3. 1905/১৯০৫
  4. 1942/১৯৪২
ব্যাখ্যা

ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস (Indian National Congress) প্রতিষ্ঠিত হয় ২৮ ডিসেম্বর ১৮৮৫ সালে । বোম্বাই ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস  কতিপয় জাতীয় নেতার উদ্যোগে ১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দল। বড়লাট রিপনের আমলে ইলবার্ট বিলের বিরুদ্ধে অ্যাংলো-ইন্ডিয়ানদের আন্দোলনকালে প্রতীয়মান হয় যে, ব্রিটিশ শাসকদের সঙ্গে প্রতিনিধিত্বশীল আলোচনার জন্য ইংরেজি শিক্ষায় শিক্ষিত ভারতীয় রাজনীতিবিদদের প্রয়োজন একটি সর্বভারতীয় রাজনৈতিক সংগঠনের। এমন একটি প্রতিষ্ঠান সৃষ্টির উদ্যোগ নেন একজন অবসরপ্রাপ্ত ব্রিটিশ আই.সি.এস অফিসার এ.ও হিউম। তাঁর উদ্দেশ্য ছিল এমন একটি দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা যার মাধ্যমে পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত উচ্চশ্রেণীর ভারতীয়রা ব্রিটিশ শাসন সম্পর্কে তাদের ক্রমবর্ধমান অসন্তোষ প্রকাশ করতে পারে।

উৎস- বাংলাপিডিয়া

২৯.
Who was the first Viceroy of India?/ ভারতের প্রথম ভাইসরয় কে ছিলেন?
  1. Lord Dalhousie / লর্ড ডালহৌসি
  2. Lord Canning / লর্ড ক্যানিং
  3. Lord Ripon / লর্ড রিপন
  4. Lord Curzon / লর্ড কার্জন
ব্যাখ্যা

লর্ড ক্যানিং (১৮১২-১৮৬২)  ১৮৫৬ থেকে ১৮৬২ সাল পর্যন্ত ভারতের শেষ গভর্নর জেনারেল এবং ১৮৫৮ সালের ১ নভেম্বর থেকে ভারতে প্রথম ভাইসরয়। তাঁর প্রশাসনের সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হলো ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিপ্লব-এর শুরু। লর্ড ক্যানিং বিদ্রোহটি দমন করেন এবং এ ঘটনার পর ১৮৫৮ সালে পার্লামেন্টারি আইন পাস হয়। রানী প্রকাশ্য ঘোষণা দ্বারা ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এর শাসনের অবসান ঘটিয়ে ভারতের শাসনভার নিজ হাতে গ্রহণ করেন। যারা এ অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণ করে তাদেরকে যদিও তিনি শাস্তি প্রদান করেন, তবুও তিনি যতদূর সম্ভব ভারতীয়দের বিরুদ্ধে বাছবিচারহীন প্রতিহিংসামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ পরিহার করেন, এবং এভাবে তিনি ‘ক্ষমাশীল ক্যানিং’ এর উপাধি অর্জন করেন।

উৎস- বাংলাপিডিয়া

৩০.
What was the core ideal of Gandhiji's Non-Cooperation Movement?/ গান্ধিজীর অসহযোগ আন্দোলনের মূল আদর্শ কোনটি ছিল?
  1. Armed Revolution / সশস্ত্র বিপ্লব
  2. Non-Violence and Satyagraha / অহিংসা ও সত্যাগ্রহ
  3. Social Reform / সামাজিক সংস্কার
  4. Economic Boycott / অর্থনৈতিক বর্জন
ব্যাখ্যা

গান্ধিজীর অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয় ১৯২০ সালে। কারণ রাউলাট আইন (1919) , জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ড (1919), খিলাফত আন্দোলনকে সমর্থন । এর উদ্দেশ্য ছিল ব্রিটিশ সরকারের অন্যায়ের বিরুদ্ধে জনসাধারণকে একত্রিত করা। গান্ধিজীর অসহযোগ আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নীতি ছিল অহিংসা । তিনি বিশ্বাস করতেন, ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে সহযোগিতা বন্ধ করে জনগণ শান্তিপূর্ণ উপায়ে স্বাধীনতা অর্জন করতে পারবে। সরকারি চাকরি, আইন আদালত, স্কুল-কলেজ ও পরিষদ বর্জন। বিদেশি পণ্য বর্জন, চরকা ব্যবহার ও স্বদেশি পণ্যের প্রসার। ট্যাক্স না দেওয়া (No-Tax Campaign)। সর্বত্র শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ। এটি ছিল ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে প্রথম বৃহৎ গণআন্দোলন। জনসাধারণকে অহিংসা ও সত্যাগ্রহের মাধ্যমে রাজনৈতিক সংগ্রামে অংশ নিতে শেখানো হয়। আন্দোলনের মাধ্যমে গান্ধিজি ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে নৈতিক চাপ সৃষ্টি করতে সক্ষম হন।

উৎস- বাংলাপিডিয়া

৩১.
In which year was the Indian Independence Act passed?/ কত সালে ভারত স্বাধীনতা আইন পাস হয়?
  1. 1945 / ১৯৪৫
  2. 1946 / ১৯৪৬
  3. 1947 / ১৯৪৭
  4. 1948 / ১৯৪৮
ব্যাখ্যা

১৯৪৭ সালের ভারতীয় স্বাধীনতা আইন, ১৯৪৭ হল যুক্তরাজ্যের সংসদের একটি আইন, যার ফলে বিভক্ত ব্রিটিশ ভারত দুটি নতুন অধিরাজ্য ভারত এবং পাকিস্তানে পরিণত হয়েছে। ১৯৪৭ সালের ১৮ই জুলাই এই আইনটি রাজকীয় সম্মতি পেয়েছিল, এবং এইভাবে ১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান (তখন পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তান, এখন বাংলাদেশ ও পাকিস্তান) অঞ্চল তৈরি হয়।

উৎস- বাংলাপিডিয়া