পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন১৪
সিলেবাস
বাংলাদেশের ইতিহাসঃ ব্রিটিশ আমল থেকে ১৯৪৭ পর্যন্ত। সোর্সঃ যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC & HSC বোর্ড বই। [এই পরীক্ষা থেকে পড়া শুরু করলে আগামী ১৫০ দিনে বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাস কাভার হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪ প্রশ্ন

.
ফরায়েজী আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু ছিলো কোথায়?
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) ফরিদপুর
  3. গ) দিনাজপুর
  4. ঘ) চাঁপাইনবাবগঞ্জ
ব্যাখ্যা
- ফরায়েজি আন্দোলন ছিলো একটি ধর্মীয়-সামাজিক সংস্কার আন্দোলন। উনিশ শতকের প্রথমার্ধে হাজী শরীয়তউল্লাহ ফরায়েজি আন্দোলনের সূত্রপাত করেন।
- এই আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু ছিলো বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চল।
- ১৮৪০ সালে শরীয়তউল্লাহর মৃত্যুর পর তার পুত্র মুহাম্মদ মুহসিন উদ্দিন ওরফে দুদু মিয়া এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন।
- দুদু মিয়া ফরায়েজি আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপ দেন।
- ১৮৬২ সালে দুদু মিয়ার মৃত্যুর পর সুযোগ্য নেতৃত্বের অভাবে ফরায়েজি আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটে।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী ও বাংলাপিডিয়া)
.
বাঁশেরকেল্লা নির্মাণ করেন কে?
  1. ক) হাজী শরীয়তউল্লাহ
  2. খ) তিতুমীর
  3. গ) দুদু মিয়া
  4. ঘ) মজনু শাহ
ব্যাখ্যা
- তিতুমীর ওরফে মীর নিসার আলী প্রথমে ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলন শুরু করেন। পরবর্তীতে তার এই আন্দোলন জমিদার ও ব্রিটিশবিরোধী রূপ লাভ করে।
- তিনি বারাসাতের নিকটবর্তী নারিকেলবাড়িয়ায় একটি বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করেন।
- ১৮৩১ সালের ১৯ নভেম্বর লে. কর্নেল স্টুয়ার্টের নেতৃত্বাধীন বাহিনীর সাথে যুদ্ধে কামানের গোলায় তার বাঁশেরকেল্লা ধ্বংস হয়ে যায় এবং তিনিসহ তার বহু অনুসারী শহিদ হন।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
.
কোন আন্দোলনের ফলে হিন্দু-মুসলিম সম্পর্কের অবনতি হয়?
  1. ক) অসহযোগ আন্দোলন
  2. খ) স্বদেশী আন্দোলন
  3. গ) খিলাফত আন্দোলন
  4. ঘ) সিপাহী বিদ্রোহ
ব্যাখ্যা
- ১৯০৫ সালে ব্রিটিশ সরকার বাংলা প্রেসিডেন্সিকে ভেঙ্গে দুটো প্রদেশ করে যা ‘বঙ্গভঙ্গ’ নামে পরিচিত। কিন্তু কংগ্রেস ও হিন্দুরা এ সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করে।
- এর ফলে কংগ্রেসের উগ্রপন্থিদের নেতৃত্বে স্বদেশী আন্দোলনের সূত্রপাত হয়। এই আন্দোলনের মূল বিষয় ছিলো ইংরেজদের সবকিছু বয়কট ও স্বদেশী পণ্যের ব্যবহার। বাংলার সর্বত্র স্বদেশী আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে।
- তবে মুসলমানরা বঙ্গভঙ্গের পক্ষে ছিলো, তাই তারা স্বদেশী আন্দোলনে সম্পৃক্ত হয়নি। যার কারণে স্বদেশী আন্দোলনের ফলে বাংলার হিন্দু-মুসলমান সম্পর্কের অবনতি হয়।
অন্যদিকে,
- অসহযোগ আন্দোলন, সিপাহী বিদ্রোহ ও খিলাফত আন্দোলনে হিন্দু-মুসলিম উভয় সম্প্রদায় সম্মিলিতভাবে অংশগ্রহণ করে।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
.
ফকির-সন্ন্যাসী আন্দোলন কোন শতকে সংঘটিত হয়?
  1. ক) সতের শতক
  2. খ) আঠারো শতক
  3. গ) উনিশ শতক
  4. ঘ) বিংশ শতক
ব্যাখ্যা
- বাংলায় সংঘটিত ব্রিটিশবিরোধী প্রথম আন্দোলন হলো ফকির-সন্ন্যাসী আন্দোলন।
- এই আন্দোলনের ব্যাপ্তি ছিলো আঠারো শতকের ১৭৬০ সাল থেকে ১৮০০ সাল পর্যন্ত।
- এই আন্দোলনে ফকিরদের নেতৃত্ব দেন মজনু শাহ এবং সন্ন্যাসীদের পক্ষে নেতৃত্ব দেন ভবানী পাঠক।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
.
কার সময়ে বাংলা প্রদেশকে ভেঙ্গে দুটো প্রদেশ করা হয়?
  1. ক) লর্ড চেমসফোর্ড
  2. খ) লর্ড কার্জন
  3. গ) লর্ড হার্ডিঞ্জ
  4. ঘ) লর্ড মিন্টু
ব্যাখ্যা
- ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর তৎকালীন বড়লাট লর্ড কার্জন বিশাল বাংলা প্রেসিডেন্সিকে ভেঙ্গে দুটো প্রদেশ করেন যা ‘বঙ্গভঙ্গ’ নামে পরিচিত।
- কিন্তু কংগ্রেস ও হিন্দুরা বঙ্গভঙ্গের তীব্র বিরোধিতা করে এবং সহিংস আন্দোলন শুরু করে। ফলে ব্রিটিশ সরকার বঙ্গভঙ্গ রদ করতে বাধ্য হয়।
- ১৯১১ সালের ডিসেম্বরে লর্ড হার্ডিঞ্জের সময়ে ব্রিটেনের রাজা পঞ্চম জর্জ দিল্লিতে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন।
- এতে করে ১৯১২ সালের ১ এপ্রিল পুনরায় দুই বাংলা একত্রিত হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
.
পলাশীর যুদ্ধে কোন ফরাসি সেনানায়ক বাংলার নবাবের পক্ষে লড়াই করে?
  1. ক) ক্যাপ্টেন হকিন্স
  2. খ) সিন ফ্রে
  3. গ) বার্থালিউ দিয়াজ
  4. ঘ) আল বুকার্ক
ব্যাখ্যা
- ১৭৫৭ সালের ২৩শে জুন ইংরেজদের সাথে সংঘটিত পলাশীর যুদ্ধে ফরাসি সেনানায়ক সিন ফ্রে নবাব সিরাজদ্দৌলার পক্ষে প্রাণপণ যুদ্ধ করেন।
- অন্যদিকে, নবাবের প্রধান সেনাপতি মীর জাফর সহ আরো কয়েকজন নবাবের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করাই নবাব যুদ্ধে পরাজিত হন।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : এসএসসি - উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
.
ব্রিটিশ ভারতের শাসকদের মধ্যে সর্বাধিক সাম্রাজ্যবাদী বিবেচনা করা হয় কাকে?
  1. ক) ওয়ারেন হেস্টিংস
  2. খ) লর্ড ক্যানিং
  3. গ) লর্ড ডালহৌসি
  4. ঘ) লর্ড হার্ডিঞ্জ
ব্যাখ্যা

- ব্রিটিশ ভারতের শাসকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সাম্রাজ্যবাদী বিবেচনা করা হয় লর্ড ডালহৌসিকে।
- তার শাসনের মূলনীতিই ছিলো ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের প্রসার ও সুদৃঢ়করণ। তিনি ১৮৪৮ সাল থেকে ১৮৫৬ সাল পর্যন্ত ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন।
- তিনি স্বত্ববিলোপ নীতি প্রবর্তন করেন এবং এর মাধ্যমে ঝাঁসি, সাঁতারা, ছোট নাগপুর, উদয়পুর, সম্বলপুর, অযোধ্যা প্রভৃতি রাজ্য জোরপূর্বক ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত করেন।
- তবে তার সময়ে রেললাইন ও টেলিগ্রাফ চালু হয় এবং বিধবা বিবাহ আইন প্রণয়নের মতো অনেক উন্নয়ন ও সংস্কারও সাধিত হয়।
- ডালহৌসি ব্যতীত লর্ড ওয়েলেসলি এবং রবার্ট ক্লাইভকেও ঘোর সাম্রাজ্যবাদী বিবেচনা করা হয়।
(সূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)

.
কোন নাবিক সর্বপ্রথম সমুদ্র পথে ইউরোপ থেকে ভারতে আসেন?
  1. ক) ক্রিস্টোফার কলম্বাস
  2. খ) লিভিংস্টোন
  3. গ) জেমস ওয়াটসন
  4. ঘ) ভাস্কো দা গামা
ব্যাখ্যা
- পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো দা গামা ১৪৯৮ সালে সমুদ্রপথে সর্বপ্রথম ইউরোপ থেকে ভারতে আসেন।
- তিনি ১৪৯৮ সালের ২৭শে মে ভারতের পশ্চিম উপকূলের কালিকট বন্দরে এসে উপস্থিত হন। তার সূত্র ধরেই পরবর্তীতে ইউরোপীয়রা ব্যবসা-বাণিজ্য তথা সাম্রাজ্য বিস্তারের উদ্দেশ্যে ভারতবর্ষে পাড়ি জমায়।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
.
কলকাতা শহরের গোড়াপত্তন হয় কবে?
  1. ক) ১৬০৫ সালে
  2. খ) ১৬৬০ সালে
  3. গ) ১৬৯০ সালে
  4. ঘ) ১৭১০ সালে
ব্যাখ্যা
- ১৬৯০ সালে জব চার্নব নামে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্মচারি ভাগীরথী নদীর তীরের কোলকাতা, গোবিন্দপুর এবং সুতানটি নামে তিনটি গ্রামের জমিদারি লাভের মাধ্যমে কলকাতা শহরের গোড়াপত্তন করেন।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১০.
সতীদাহ প্রথা হলো-
  1. ক) বিধবা বিবাহ প্রথা
  2. খ) সহমরণ প্রথা
  3. গ) বহুবিবাহ প্রথা
  4. ঘ) ধর্মান্তর প্রথা
ব্যাখ্যা
- সতীদাহ প্রথা হলো হিন্দু সমাজের একটি সহমরণ প্রথা যেখানে স্বামীর শবের সাথে বিধবা স্ত্রীকেও দাহ করা হতো।
- ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির গভর্নর জেনারেল লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক ১৮২৯ সালে আইনের মাধ্যমে সতীদাহ প্রথা রহিত করেন।
- তবে এ প্রথা পুরোপুরি বন্ধ হয় উনিশ শতকের শেষ দিকে।
- রাজা রামমোহন রায়সহ আরো কিছু ভারতীয় সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধকরণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
১১.
কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায় টংক আন্দোলন সংঘটিত করেছিলো?
  1. ক) মণিপুরী
  2. খ) সাঁওতাল
  3. গ) হাজং
  4. ঘ) ওরাঁও
ব্যাখ্যা

- টঙ্ক প্রথা হলো টাকার পরিবর্তে ধানের মাধ্যমে খাজনা আদায়৷
- বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের হাজং সম্প্রদায়ের মধ্যে এই প্রথা প্রচলিত ছিলো। ধানের মাধ্যমে খাজনা পরিশোধে কৃষকদেরকে কয়েকগুণ বেশি খাজনা প্রদান করতে হতো। তাই হাজং কৃষকরা এই প্রথার বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামে।
- কমরেড মনি সিংহ টঙ্ক আন্দোলনে কৃষকদের নেতৃত্ব দেন।
- ১৯৫০ সালে জমিদারি প্রথা উচ্ছেদ হলে টঙ্ক প্রথা উচ্ছেদ হয় এবং টঙ্ক আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটে।
(তথ্যসূত্রঃ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : সপ্তম শ্রেণী এবং দৈনিক ইত্তেফাক)

১২.
পাকিস্তান কত তারিখে স্বাধীনতা লাভ করে?
  1. ক) ১৬ আগস্ট
  2. খ) ১৪ আগস্ট
  3. গ) ১৫ আগস্ট
  4. ঘ) ১৮ আগস্ট
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ শাসিত ভারত ভেঙে দুটো স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়।
- ১৪ আগস্ট পাকিস্তান স্বাধীন হয়।
- ১৫ আগস্ট ভারত স্বাধীন হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১৩.
খিলাফত আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন কে?
  1. ক) মাওলানা শওকত আলী
  2. খ) মাওলানা মুহাম্মদ আলী
  3. গ) সৈয়দ আহমদ খান
  4. ঘ) ক + খ
ব্যাখ্যা
- ১৯২০ সালে সেভার্স চুক্তির অধীনে ব্রিটিশ সরকার মুসলমানদের খেলাফত তুরস্ক তথা অটোমান সাম্রাজ্যকে নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিলে এর বিরুদ্ধে ভারতীয়রা যে আন্দোলন গড়ে তোলে তা খেলাফত আন্দোলন নামে পরিচিত।
- দুই ভাই মাওলানা মুহাম্মদ আলী ও মাওলানা শওকত আলী, আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ খেলাফত আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন।
- একই সময়ে কংগ্রেসের অসহযোগ আন্দোলন ও খেলাফত আন্দোলন সমগ্র ভারতবর্ষে ব্যাপক সাড়া ফেলে।
- ১৯২৪ সালে কামাল আতাতুর্ক তুরস্কে খেলাফত বিলুপ্ত করলে খেলাফত আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটে।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১৪.
কার উদ্যোগে আজাদ হিন্দ ফোর্স গঠিত হয়েছিলো?
  1. ক) বারীন্দ্রকুমার ঘোষ
  2. খ) সুভাষচন্দ্র বসু
  3. গ) সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল
  4. ঘ) ঋষি অরবিন্দ
ব্যাখ্যা
- আজাদ হিন্দ ফোর্স হলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন সময়ে গঠিত একটি ভারতীয় সশ্বস্ত্র স্বাধীনতাকামী সামরিক বাহিনী।
- এই বাহিনী দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তিকে সমর্থন প্রদান করে। নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু, রাসবিহারী বসু প্রমুখের উদ্যোগে আজাদ হিন্দ ফোর্স গঠিত হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানি বাহিনীর সাথে এই বাহিনী ভারতের পূর্বাঞ্চলে লড়াই করে।
- কিন্তু বিশ্বযুদ্ধে জাপানের ব্যর্থতার পর সুভাষ বসু অন্তর্ধান হয়ে যান। তার শেষ পরিণতি সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং আমি সুভাষ বলছি : প্রথম খণ্ড)