পরীক্ষা আর্কাইভ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

পরীক্ষাফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্টতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১৩৯
সিলেবাস
Live MCQ ফ্রি সাপ্তাহিক ফুল মডেল টেস্ট: বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাসের উপর ২০০ নাম্বারের ফুল মডেল টেস্ট। [Live MCQ - তে প্রতি শুক্রবার সবার জন্য ফ্রি একটি ফুল মডেল টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩৯ প্রশ্ন

.
"মোর যাদুদের সমাধি পরে" কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. শওকত আলী
  2. সুফিয়া কামাল
  3. সৈয়দ আলী আহসান
  4. সেলিনা হোসেন
ব্যাখ্যা
• "মোর যাদুদের সমাধি পরে" কাব্যগ্রন্থ:
- জননী সাহসিকা কবি সুফিয়া কামাল বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ছিলেন মহিলা পরিষদের সভানেত্রী।
- সুফিয়া কামালের সপ্তম কবিতাগ্রন্থ মোর যাদুদের সমাধি পরে এবং দিনলিপি একাত্তরের ডায়েরী ধারণ করে আছে অগ্নিঝরা একাত্তরে এক সংবেদী কবি ও সাহসী জননীর স্বর।

---------------------- 
• সুফিয়া কামাল:
- 'জননী সাহসিকা' হিসেবে খ্যাত সুফিয়া কামাল ছিলেন মূলত কবি।
- তিনি বরিশালের শায়েস্তাবাদে মামার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন।
- তার পৈতৃক নিবাস কুমিল্লায়।
- 'বেগম' (১৯৪৭) পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন তিনি।

তার রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সাঁঝের মায়া,
- উদাত্ত পৃথিবী,
- অভিযাত্রিক,
- মায়া কাজল,
- মন ও জীবন ইত্যাদি।

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- কেয়ার কাঁটা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
মহাকাব্যের কবি হিসেবে পরিচিত -
  1. নির্মলেন্দু গুণ
  2. সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী
  3. হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
  4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
• হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়: 
- তিনি হুগলির গুলিটা গ্রামে ১৮৩৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
- কর্মজীবনে হেমচন্দ্র আইনজীবী হিসেবেই প্রতিষ্ঠা লাভ করেন।
- তাঁকে বলা হয় মহাকাব্যের কবি।
- 'বাংলার মিল্টন' তাঁর উপাধি।

• হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় এর রচিত কাব্যগ্রন্থ গুলো হলো-
- বীরবাহু,
- আশাকানন,
- ছায়াময়ী, 
- দশমহাবিদ্যা, 
- চিত্তবিকাশ, 
- চিন্তাতরঙ্গিণী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
হুমায়ূন আহমেদ এর জন্মসাল কোনটি?
  1. ১৯৫৮
  2. ১৯৪৮
  3. ১৯৪৫
  4. ১৯৪০
ব্যাখ্যা
• হুমায়ূন আহমেদ:
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম — ১৯৪৮ সালে নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে তাঁর মাতামহের বাড়িতে।
- তাঁর পৈত্রিক বাড়ি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রামে।
- তিনি ছিলেন কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক।
- তাঁর লেখা প্রথম উপন্যাস 'নন্দিত নরকে' (১৯৭২)।
- তাঁর দ্বিতীয় উপন্যাস 'শঙ্খনীল কারাগার' (১৯৭৩)।
- তিনি ২০১২ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

• তাঁর রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস:
- জোছনা ও জননীর গল্প,
- আগুনের পরশমণি,
- শ্যামল ছায়া,
- সৌরভ,
- ১৯৭১,
- অনিল বাগচীর একদিন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
পাঁচালি রচয়িতাদের মধ্যে বিশেষ প্রসিদ্ধ ছিলেন-
  1. রামরাম বসু
  2. রামনিধি গুপ্ত
  3. দাশরথি রায়
  4. গোঁজলা গুঁই
ব্যাখ্যা
• পাঁচালিকার হিসেবে সর্বাধিক খ্যাতি অর্জন করেন: দাশরথি রায়।

• দাশরথি রায়:
পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার কাটোয়া মহকুমার বাঁধমুড়া গ্রামে ১৮০৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন স্বভাবকবি ও পাঁচালিকার। ‘দাশু রায়’ নামেও তিনি পরিচিত ছিলেন। ১৮৩৬ সালে আখড়া গঠন করে ছড়া ও পাঁচালি রচনায় মনোনিবেশ করেন।

- অল্পদিনের মধ্যেই দাশরথি খ্যাতনামা পাঁচালিকার হিসেবে নবদ্বীপের পণ্ডিতসমাজে উচ্চ প্রশংসিত হন।
- তাঁর গানগুলি রাগসুরে রচিত এবং তাতে টপ্পা অঙ্গের ব্যবহার বিশেষভাবে লক্ষণীয়।
- পাঁচালিকে বিভিন্ন শ্রেণির শ্রোতাদের উপভোগ্য করে তোলেন, যা ‘দাশুরায়ের পাঁচালি’ নামে খ্যাত।
-------------------
• পাঁচালি:
পাঁচালি লোকগীতির একটি ধারা। এতে গানের মাধ্যমে কোনো আখ্যান বর্ণিত হয়। পঞ্চাল বা পঞ্চালিকা শব্দ থেকে পাঁচালি শব্দের উৎপত্তি।
আবার,
এতে গান, বাজনা, ছড়া কাটা, গানের লড়াই ও নাচ এই পঞ্চাঙ্গের সমাবেশে ঘটে বলেও কেউ কেউ একে পাঁচালি বলেন।

অন্যদিকে,
• বাংলা টপ্পা সঙ্গীতের প্রবর্তক হিসেবে বিখ্যাত রামনিধি গুপ্ত। 
• গোঁজলা গুঁই - কবিগানের আদিগুরু বলে পরিচিত।
• ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অধ্যাপক রামরাম বসু ছিলেন গদ্য সাহিত্য সূচনা পর্বের লেখক।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস- মাহবুবুল আলম।
.
কাজী নজরুল ইসলামের কোন পত্রিকাটিতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অভিনন্দন বাণী ছাপানো হতো?
  1. লাঙ্গল
  2. ধূমকেতু
  3. দৈনিক নবযুগ
  4. বিদ্রোহী
ব্যাখ্যা
• 'ধূমকেতু' পত্রিকা:
- ধূমকেতু কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত অর্ধ-সাপ্তাহিক পত্রিকা।
- বিপ্লবীদের মুখপত্র এ পত্রিকাটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দের ২৬ শ্রাবণ (১১ আগস্ট ১৯২২) আত্মপ্রকাশ করে।
- এর প্রথম সংখ্যায় নজরুলের অনলবর্ষী দীর্ঘ কবিতা ‘ধূমকেতু’ প্রকাশিত হয়।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একটি বাণী দিয়ে ধূমকেতুকে অভিনন্দন জানান, যা প্রতি সংখ্যায় পত্রিকার শিরোনামের নিচে ছাপা হতো।
- ধূমকেতু পত্রিকায় রবীন্দ্রনাথের বাণী ছাপা হয়েছিল - "আয় চলে আয় রে ধূমকেতু/ আঁধারে বাঁধ অগ্নিসেতু"।
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়সহ অনেক দেশবরেণ্য ব্যক্তি এবং অমৃতবাজার পত্রিকা ধূমকেতুর আবির্ভাবকে উষ্ণ অভিনন্দন জানান।

• কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত অন্যান্য পত্রিকা -
- ‘লাঙ্গল’ (১৯২৫) পত্রিকার প্রধান পরিচালক ছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম, এটি ১৯২৫ সালে প্রকাশিত হয়। 
- 'দৈনিক নবযুগ' পত্রিকাটি কাজী নজরুল ইসলাম কমরেড মুজাফ্‌ফর আহমদ এর সাথে যৌথভাবে সম্পাদনা করেন ।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।
.
জ্ঞানদাস কোন নামে পরিচিত ছিলেন?
  1. মঙ্গল ঠাকুর
  2. শ্রীমঙ্গল
  3. মদন-মঙ্গল
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• জ্ঞানদাস:
জ্ঞানদাস চৈতন্যোত্তর বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি। পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার কাটোয়ার কাঁদড়া গ্রামে এক মঙ্গল-ব্রাহ্মণ বংশে তাঁর জন্ম। এজন্য তিনি মঙ্গল ঠাকুর, শ্রীমঙ্গল, মদন-মঙ্গল প্রভৃতি নামেও পরিচিত ছিলেন।

- বৈষ্ণব সাধকদের মধ্যেও তিনি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য ছিলেন।
- তিনি বৈষ্ণবগুরু নিত্যানন্দের পত্নী জাহ্নবী দেবীর শিষ্য ছিলেন।
- জ্ঞানদাসই প্রথম ‘ষোড়শ-গোপাল’-এর রূপ বর্ণনা করে পদ রচনা করেন।
- তিনি বাংলা এবং ব্রজবুলিতে রাধাকৃষ্ণ বিষয়ক প্রায় দুশ (মতান্তরে চারশ) পদ রচনা করেন।
- তাঁর রচিত মাথুর ও মুরলীশিক্ষা বৈষ্ণবগীতিকাব্যের দুটি মূল্যবান গ্রন্থ।

পদরচনায় তিনি বিদ্যাপতি ও চণ্ডীদাসকে অনুসরণ করলেও সংস্কার ত্যাগ করে নিজের মতো করে সরল সুরে পদ রচনা করেন, যে কারণে পাঠক সহজেই তাঁর লেখায় আকৃষ্ট হয়। প্রেম, সৌন্দর্য ও আধ্যাত্মিকতা জ্ঞানদাসের রচনার মুখ্য বিষয়। বৃন্দাবনের কিশোর-কিশোরীর লীলাকে জ্ঞানদাস মানবজীবনের আলোকে বর্ণনা করেছেন।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম ও বাংলাপিডিয়া।
.
মেঘনাদবধ কাব্যের প্রথম সর্গ কোনটি?
  1. সমাগম
  2. অভিষেক
  3. উদ্যোগ
  4. অস্ত্রলাভ
ব্যাখ্যা
• মেঘনাদবধ কাব্য:
- মাইকেল মধুসূদন দত্তের অমর মহাকাব্য 'মেঘনাদবধ কাব্য'।
- মধুসূদনের দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ 'মেঘনাদবধ কাব্য' বাংলা সাহিত্যের প্রথম এবং শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য।
- সংস্কৃত মহাকাব্য 'রামায়ণ' এর ক্ষুদ্র ভগ্নাংশ কাহিনি অবলম্বন করে মধুসূদন দত্ত ১৮৬১ সালের জুন মাসে 'মেঘনাদবধ কাব্য' রচনা করেন।
- নয় সর্গে রচিত মেঘনাদবধ কাব্যে মোট তিন দিন দুই রাতের ঘটনা বর্ণিত আছে।

• মেঘনাদবধ কাব্যে ৯টি সর্গ রয়েছে:

এগুলো হলো:
- প্রথম সর্গ > অভিষেক।
- দ্বিতীয় সর্গ > অস্ত্রলাভ।
- তৃতীয় সর্গ > সমাগম।
- চতুর্থ সর্গ > অশোক বন।
- পঞ্চম সর্গ > উদ্যোগ।
- ষষ্ঠ সর্গ > বধ।
- সপ্তম সর্গ > শক্তিনির্ভেদ।
- অষ্টম সর্গ > প্রেতপুরী।
- নবম সর্গ > সংস্ক্রিয়া।

কাব্যের কয়েকটি প্রধান চরিত্র:
- রাবণ, মেঘনাদ, লক্ষ্মণ, রাম, প্রমীলা, বিভীষণ, সীতা, সরমা ইত্যাদি।
----------------------
• মাইকেল মধুসূদন দত্ত:
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত একজন মহাকবি, নাট্যকার। তিনি ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোর জেলার কপোতাক্ষ নদের তীরে সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি বাংলা ভাষায় সনেটের প্রবর্তক।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক।
- তিনি প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রয়োগ করেন ‘পদ্মাবতী’ নাটকে। (দ্বিতীয় অঙ্ক দ্বিতীয় গর্ভাঙ্কে)।
- অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘তিলোত্তমাসম্ভ ‘ কাব্য। অর্থ্যাৎ, এই কাব্যটি সম্পূর্ণ অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ দ্য ক্যাপটিভ লেডি। এটি ইংরেজিতে রচিত।

তাঁর রচিত কাব্যগুলো হলো:
- তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য,
- মেঘনাদবধ কাব্য,
- ব্রজাঙ্গনা কাব্য,
- বীরাঙ্গনা কাব্য,
- চতুর্দশপদী কবিতাবলী।

উৎস:
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর,
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
.
‘সাহিত্যিকেরও বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি থাকা প্রয়োজন।’- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোন উপন্যাসে এই দৃষ্টিভঙ্গির সফল প্রয়োগ ঘটেছে?
  1. দিবারাত্রির কাব্য
  2. অহিংসা
  3. পুতুল নাচের ইতিকথা
  4. জননী
ব্যাখ্যা
• 'পুতুল নাচের ইতিকথা' উপন্যাস:
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস 'পুতুল নাচের ইতিকথা'। 
- 'পুতুল নাচের ইতিকথা' উপন্যাস সম্পর্কে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন- "সাহিত্যিকেরও বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি থাকা প্রয়োজন।" 
- এই উপন্যাসে সেই বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রয়োগ আছে। 
- এই উপন্যাসে 'পুতুল' বলতে সেসকল মানুষকে বোঝানো হয়েছে যারা চারিত্রিক দৃঢ়তা নিয়ে দাড়াতে পারে না; পুতুলের মতো অন্যের অল্প ধাক্কাতেই চালিত হয়। 
- ‘শরীর! শরীর! তোমার মন নাই, কুসুম?’ উক্তিটি উপন্যাসে ডাক্তার শশী কুসুমকে উদ্দেশ্য করে বলে।

উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- শশী, কুসুম, গোপাল, সেনদিদি, যাদব পণ্ডিত ইত্যাদি। 
------------------------
• মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়:
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ১৯০৮ খ্রিস্টাব্দে বিহারের সাঁওতাল পরগনার দুমকা শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল ঢাকা জেলার বিক্রমপুরের নিকট মালবদিয়া গ্রামে।
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রকৃত নাম প্রবোধকুমার, ‘মানিক’ তাঁর ডাকনাম।
- মাত্র একুশ বছর বয়সে তাঁর বিখ্যাত 'দিবারাত্রির কাব্য' রচনা করেন।
- পদ্মানদীর মাঝি ও পুতুলনাচের ইতিকথা উপন্যাস দুটি তাঁর বিখ্যাত রচনা। এ দুটির মাধ্যমেই তিনি সর্বাধিক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। 

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত বিখ্যাত উপন্যাসগুলো হলো -
- জননী (প্রথম প্রকাশিত),
- পদ্মানদীর মাঝি,
- দিবারাত্রির কাব্য,
- পুতুলনাচের ইতিকথা,
- শহরবাসের ইতিকথা,
- অহিংসা,
- শহরতলী,
- সোনার চেয়ে দামি,
- স্বাধীনতার স্বাদ,
- ইতিকথার পরের কথা, 
- আরোগ্য। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং 'পুতুল নাচের ইতিকথা' উপন্যাস।
.
'আদিগন্ত নগ্ন পদধ্বনি' কাব্যগ্রন্থের লেখক কে?
  1. সৈয়দ শামসুল হক
  2. শামসুর রাহমান
  3. রফিক আজাদ
  4. আলাউদ্দিন আল আজাদ
ব্যাখ্যা
• 'আদিগন্ত নগ্ন পদধ্বনি' কাব্যগ্রন্থ:
- শামসুর রাহমান রচিত কাব্যগ্রন্থ। 
- গ্রন্থটি ১৯৭৪ সালে প্রকাশিত হয়।
- গ্রন্থটিতে টানা গদ্য লেখা কবিতা যেমন আছে তেমনি আছে অক্ষরবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত ও স্বরবৃত্ত ছন্দের ব্যবহার।
-----------------------
• শামসুর রাহমান:
• কবি, সাংবাদিক শামসুর রাহমান ১৯২৯ সালের ২৩ অক্টোবর পুরান ঢাকার ৪৬ নম্বর মাহুতটুলীতে জন্মগ্রহণ করেন। 
• শামসুর রাহমান বিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম কবি হিসেবে খ্যাত।
• ১৯৬০ সালে তাঁর প্রথম কাব্য- "প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে"- এর প্রকাশ কবিতায় তাঁর অধিকার প্রতিষ্ঠা করে।
• তাঁর অত্যন্ত জনপ্রিয় কবিতা ‘স্বাধীনতা তুমি’ ও ‘তোমাকে পাওয়ার জন্য, হে স্বাধীনতা’।
• যুদ্ধকালীন লেখা কবিতাগুচ্ছ মুক্তিযুদ্ধ শেষে ‘বন্দী শিবির থেকে’ নামে কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়।
• একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের ফসল অজস্র গল্প, উপন্যাস কবিতার মধ্যে ‘বন্দী শিবির থেকে’র কবিতাগুচ্ছ এক অনন্য মর্যাদার অধিকারী।

• শামসুর রাহমান রচিত কিছু উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে,
- প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে,
- রৌদ্র করোটিতে,
- বিধ্বস্ত নীলিমা,
- নিরালোকে দিব্যরথ,
- নিজ বাসভূমে,
- বন্দী শিবির থেকে,
- ফিরিয়ে নাও ঘাতক কাঁটা,
- আমি অনাহারী,
- প্রতিদিন ঘরহীন ঘরে,
- উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ,
- বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়,
- হরিণের হাড়,
- তুমি নিঃশ্বাস তুমি হৃদস্পন্দন ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া।
১০.
হুমায়ূন আহমেদ কোন গল্পটি পড়ে কথাসাহিত্য রচনার অনুপ্রেরণা পান?
  1. সোনার তরী
  2. নৌকাডুবি
  3. ইঁদুর
  4. পথের পাঁচালী
ব্যাখ্যা
• সোমেন চন্দ:
আধুনিক বাংলা কথাসাহিত্যের স্থপতি হিসাবে বিবেচনা করা হয় - সোমেন চন্দকে। ১৯২০ সালে নরসিংদীতে জন্মগ্রহণ করেন। ঢাকার 'প্রগতি লেখক সংঘ' -এর প্রতিষ্ঠাতা সোমেন চন্দ। ১৯৪২ সালে ফ্যাসিবাদী সমর্থকদের হাতে ছুরিকাহত হয়ে তিনি নিহত হন।

তার লেখা অসাধারণ ছোটগল্প - ইঁদুর। হুমায়ুন আহমেদ জানিয়েছিলেন - এই ছোটগল্পটি পড়েই তার কথাসাহিত্য রচনার অনুপ্রেরণা পেয়েছিলেন।

তাঁর রচিত গ্রন্থসমূহ:
• সংকেত ও অন্যান্য গল্প, 
• বনস্পতি ও অন্যান্য গল্প, 
• সোমেন চন্দের গল্পগুচ্ছ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১১.
নিচের কোন সাহিত্যিক চব্বিশ পরগনা জেলার কাঁঠালপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন?
  1. বিহারীলাল চক্রবর্তী
  2. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. দীনবন্ধু মিত্র
  4. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ব্যাখ্যা
• বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক, বাংলার নবজাগরণের অন্যতম প্রধান পুরুষ। ১৮৩৮ সালে চব্বিশ পরগনা জেলার কাঁঠালপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁকে বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয়।

বিশেষ তথ্য: 
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রথম উপন্যাস 'রাজমোহনস ওয়াইফ'। উপন্যাসটি ইংরেজিতে লেখা।
- তাঁর রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস 'দুর্গেশনন্দিনী' প্রকাশিত হয় ১৮৬৫।
- 'ললিতা তথা মানস' (১৮৫৬) কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। এটি তাঁর রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ।
- 'কপালকুণ্ডলা' তাঁর রচিত দ্বিতীয় বাংলা উপন্যাস (১৮৬৬)।
 - আনন্দমঠ, দেবী চৌধুরানী ও সীতারাম তাঁর ত্রয়ী উপন্যাস।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- কপালকুণ্ডলা,
- মৃণালিনী,
- বিষবৃক্ষ,
- ইন্দিরা,
- যুগলাঙ্গুরীয়,
- চন্দ্রশেখর,
- রাধারানী,
- রজনী,
- কৃষ্ণকান্তের উইল,
- রাজসিংহ।

অন্যদিকে,
• বিহারীলাল চক্রবর্তী - কলকাতার নিমতলায় জন্মগ্রহণ করেন।
• দীনবন্ধু মিত্র - পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার চৌবেড়িয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর - পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর।
১২.
কবি জসীম উদ্‌দীন তাঁর 'আসমানী' কবিতায় আসমানীরে দেখতে কোথায় যেতে বলেছেন?
  1. মধুপুর
  2. শেরপুর
  3. রসুলপুর
  4. মজুপুর
ব্যাখ্যা
• কবি জসীম উদ্‌দীন তাঁর 'আসমানী' কবিতায় আসমানীরে দেখতে রসুলপুরে যেতে বলেছেন।
--------------------- 
আসমানী - কবিতা,
– জসীম উদ্‌দীন।

আসমানীরে দেখতে যদি তোমরা সবে চাও,
রহিমদ্দির ছোট্ট বাড়ি রসুলপুরে যাও।
বাড়ি তো নয় পাখির বাসা ভেন্না পাতার ছানি,
একটুখানি বৃষ্টি হলেই গড়িয়ে পড়ে পানি।
--------------------- 
জসীম উদ্‌দীন: 
- কবি জসীম উদ্‌দীন একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি।
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন। 
- পুরো নাম মোহাম্মদ জসীমউদ্দীন মোল্লা হলেও তিনি জসীমউদ্দীন নামেই পরিচিত। 
- তিনি বাংলাদেশে পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত।
- কবি জসীমউদ্দিন রচিত 'নক্সী কাঁথার মাঠ' একটি বিখ্যাত গাথাকাব্য।
- এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- E.M Millford গ্রন্থটি ''Field of the Embroidery Quilt'' শিরোনামে অনুবাদ করেন।

তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ: 
- বালুচর,
- রূপবতী,
- রাখালী,
- নকশী কাঁথার মাঠ,
- ধানখেত,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- মা যে জননী কান্দে ইত্যাদি।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২) বাংলাপিডিয়া।
৩) আসমানী - কবিতা।
১৩.
চর্যাপদের পদকর্তা নয় কে?
  1. শবরপা
  2. সরহপা
  3. ভাদেপা
  4. কম্বলপা
ব্যাখ্যা
• চর্যাপদের পদকর্তা নয়- কম্বলপা ।

• চর্যাপদ:
- বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনযুগের একমাত্র নিদর্শনের নাম চর্যাচর্যবিনিশ্চয় বা চর্যাগীতিকোষ বা চর্যাগীতি বা চর্যাপদ।
- চর্যাপদ গানের সংকলন।
- চর্যাপদের বিষয়বস্তু বৌদ্ধ ধর্ম মতে সাধনভজনের তত্ত্ব প্রকাশ।
- চর্যাগুলো বৌদ্ধ সহজিয়াগণ রচনা করেন।
- মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী কর্তৃক নেপালের রয়েল লাইব্রেরি থেকে, ১৯০৭ সালে আবিষ্কৃত হয় বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ।

• চর্যাপদে কবির সংখ্যা:
- মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌ সম্পাদিত 'Buddist Mystic Songs' গ্রন্থে ২৩জন কবির নাম আছে।
- সুকুমার সেন 'বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস' (১ম খণ্ড) গ্রন্থে ২৪ জন কবির কথা বলেছেন।
- রাহুল সাংকৃত্যায়ন নেপাল-তিব্বতে প্রাপ্ত তালপাতার পুথিতে আরো কয়েকজন নতুন কবির চর্যাগীতি পেয়ে 'দোহা-কোশ' (১৯৫৭) গ্রন্থে সংযোজন করেছেন।
- সে বিচারে এক কথায় বলা চলে, চর্যাপদের কবির সংখ্যা ২৩, মতান্তরে ২৪।
- কিছু প্রধান কবির নাম: কাহ্নপা, ভুসুকুপা, কুক্কুরীপা, সরহপা, লুইপা, শবরপা, শান্তিপা।

• চর্যাপদের কিছু প্রধান কবির নাম:
- কাহ্নপা, ভুসুকুপা, কুক্কুরীপা, সরহপা, লুইপা, শবরপা, শান্তিপা, ভাদেপা, ধর্মপা, মহীধরপা, ঢেণ্ডণপা, ডোম্বীপা, কম্বলাম্বরপা, গুণ্ডরীপা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, চর্যাগীতি পাঠ - ড. মাহবুবুল হক।
১৪.
বৈষ্ণব পদাবলীতে কবি পদের শেষে নিজের নামের উল্লেখ করে যে পরিচয় দেন, তাকে কী বলা হয়?
  1. ভাবসম্মিলন
  2. ভণিতা
  3. কড়চা
  4. ধুয়া
ব্যাখ্যা
• বৈষ্ণব পদাবলীতে কবি পদের শেষে নিজের নামের উল্লেখ করে যে পরিচয় দেন, তাকে ভণিতা বলা হয়। 

• ভণিতা:
- পদ্যের শেষে কবি যখন নিজের নাম বা ছদ্মনাম উল্লেখ করে আত্মপরিচয় দেন বা কোনো বিশেষ বার্তা প্রকাশ করেন, তাকে বলা হয় ভণিতা।
- এটি সাধারণত বৈষ্ণব পদাবলীতে দেখা যায়, যেখানে কবি শেষের অংশে নিজের পরিচয়, নাম, বা কোনো অনুভূতি প্রকাশ করেন।
- ভণিতা কবির পদটির সারমর্ম, উপদেশমূলক বক্তব্য, বা ভক্তি প্রকাশের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- ভণিতার সাহায্যে পদাবলির কবিকে চিনে নেওয়া যায় এবং তাঁর বৈশিষ্ট্য অনুভব করা যায়।

অন্যদিকে,
• ভাবসম্মিলন- ভাবলোকের সম্মিলন। 

• 'কড়চা' কথাটির আধুনিক অর্থ দাড়িয়েছে দিনিলিপি বা ডায়েরি। 
- তবে মুরারি গুপ্ত ও স্বরুপ দামোদারের কল্যানে চৈতন্যজীবনি গ্রন্থ কড়চা বলে অভিহিত হয়েছে।

• ধুয়া হলো একটি নির্দিষ্ট স্তরে একটি পদ গান করলে তাকে 'ধুয়া' বলে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৫.
'বিজয়া' শরৎচন্দ্রের কোন জাতীয় রচনা?
  1. ছোটগল্প 
  2. নাটক
  3. উপন্যাস
  4. প্রবন্ধ
ব্যাখ্যা
• 'বিজয়া' — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত নাটক। 
- বিজয়া ‘দত্তা’ উপন্যাসের নাট্যরূপ।
-------------- 
• শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:
- ১৮৭৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর হুগলি জেলার দেবানন্দপুরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। 
- শরৎচন্দ্রের প্রথম উপন্যাস বড়দিদি (১৯০৭) ভারতী পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- তাঁঁর প্রথম প্রকাশিত গল্পের নাম 'মন্দির'।
- তিনি 'মন্দির' গল্পের জন্য ১৯০৩ সালে কুন্তলীন সাহিত্য পুরষ্কার লাভ করেন। 
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত রাজনৈতিক উপন্যাস হলো 'পথের দাবী' যা ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়।
- এটি ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করেছিল।

তাঁর রচিত নাটক: 
- ষোড়শী,
- রমা,
- বিজয়া ইত্যাদি। 

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বিখ্যাত ছোটগল্প: 
- মহেশ,
- বিলাসী,
- সতী, 
- মামলার ফল ইত্যাদি। 

তাঁর রচিত বিখ্যাত উপন্যাস :
- দেনা-পাওনা,
- বড়দিদি,
- বিরাজবৌ,
- পন্ডিতমশাই,
- পরিণীতা,
- চন্দ্রনাথ,
- দেবদাস,
- চরিত্রহীন,
- গৃহদাহ,
- পথের দাবী,
- শেষ প্রশ্ন,
- শেষের পরিচয় ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৬.
চর্যাপদের কোন কবি অতীশ দীপঙ্করের গুরু ছিলেন?
  1. কাহ্নপা
  2. শান্তিপা
  3. শবরপা
  4. ভুসুকুপা
ব্যাখ্যা
• শান্তিপা:
- রাজা মহীপালের (৯৮৮-১০৩৮ খ্রিষ্টাব্দ) রাজত্বকালে শান্তিপা জীবিত ছিলেন বলে ধারণা করা যায়।
- মগধবাসী শান্তিপা ছিলেন অতীশ দীপঙ্করের গুরু।
- প্রথম জীবনে ব্রাহ্মণ ছিলেন পরে বৌদ্ধ ধর্মে ধর্মান্তরিত হন।
- তিনি একাধারে কুলগুরু ও রাজগুরু ছিলেন। নালন্দায় অধ্যাপনা করেছেন বলেও ধারণা করা হয়।
- তাঁর রচনাবলির মধ্যে রয়েছে 'সুখদুঃখদ্বয়', 'পরিত্যাগ দৃষ্টি'।

উল্লেখ্য,
অতীশ দীপঙ্কর দশম থেকে একাদশ শতকের মধ্যে বিখ্যাত বৌদ্ধ পণ্ডিত এবং ধর্মপ্রচারক ছিলেন।
---------------------------- 
• চর্যাপদের কবিগণ:
 চর্যার কবিতের সংখ্যা নিয়ে মতবিরোধ আছে-
- সুকুমার সেনের 'বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস' (প্রথম খণ্ড) গ্রন্থে চর্যাপদের ২৪ জন পদকর্তার নাম পাওয়া যায়।
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ সম্পাদিত 'Buddhist Mystic Songs' গ্রন্থে চর্যাপদের ২৩ জন কবির নাম উল্লেখ আছে।

উৎস: চর্যাগীতি পাঠ - ড. মাহবুবুল হক, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
১৭.
"কেন পান্থ, ক্ষান্ত হও, হেরি দীর্ঘ পথ/____ বিহনে পুরে কার মনোরথ"
  1. সাহস
  2. মনোবল
  3. উদ্যম
  4. পরিশ্রম
ব্যাখ্যা
• "কেন পান্থ, ক্ষান্ত হও, হেরি দীর্ঘ পথ/উদ্যম বিহনে পুরে কার মনোরথ।" 

---------------------- 
কবিতা- দুঃখ বিনা সুখ হয় না (সম্ভাব শতক কাব্যগ্রন্থ থেকে)
কবি - কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার। 

কি কারণ, দীন। তব মলিন বদন?
যতন করহ লাভ হইবে রতন।
কেন পান্থ! ক্ষান্ত হও হেরে দীর্ঘ পথ?
উদ্যম বিহনে কার পূরে মনোরথ?
কাঁটা হেরি ক্ষান্ত কেন কমল তুলিতে,
দুঃখ বিনা সুখ লাভ হয় কি মহীতে?
মনে ভেবে বিষম-ইন্দ্রিয়-রিপু-ভয়,
হাফেজ! বিমুখ কেন করিতে প্রণয়?
----------------------- 
• কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার:
- ১৮৩৪ সালের ১০ জুন বৃহত্তর খুলনা জেলার সেনহাটি গ্রামে এক বৈদ্য পরিবারে তাঁর জন্ম।
- তিনি ছিলেন সাহিত্যিক, সাংবাদিক। 
- ১৮৬১ সালে 'ঢাকা প্রকাশ' প্রকাশিত হলে তিনি তার সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম 'সদ্ভাবশতক'।
- ‘চিরসুখী জন ভ্রমে কি কখন ব্যথিত বেদন বুঝিতে পারে’ তাঁর রচিত বিখ্যাত একটা পঙ্‌ক্তি।
- ১৯০৭ সালে তাঁর মৃত্যু হয়। 

• তাঁর রচিত অন্যান্য গ্রন্থ:
- রাসের ইতিবৃত্ত,
- কৈবল্যতত্ত্ব,
- মোহভোগ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া; 'সদ্ভাবশতক'- কাব্যগ্রন্থ, কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার।
১৮.
নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. নিজন্ত
  2. আহ্ণিক
  3. শিরপীড়া
  4. চতুষ্কোণ
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বানান অভিধান অনুসারে,
চতুষ্কোণ - শুদ্ধ বানান।

• 'চতুষ্কোণ' শব্দের অর্থ:
- চারটি কোণযুক্ত,
- চৈকো।

অন্য অপশনের শুদ্ধ বানান:
• নিজন্ত - ণিজন্ত,
• আহ্ণিক - আহ্নিক,
• শিরপীড়া - শিরঃপীড়া।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বানান অভিধান।
১৯.
উপসর্গ সাধিত শব্দ নয় কোনটি?
  1. অনুচর
  2. দুর্নাম
  3. হিমালয়
  4. নিরব
ব্যাখ্যা
• হিমালয় - উপসর্গ সাধিত শব্দ নয়।
- 'হিমালয়' শব্দটিকে বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায় : হিম  + আলয়।
- যেখানে দুটি শব্দ ই আলাদা অর্থ প্রকাশ করে।
- কিন্তু, এখানে 'হিম' কোনো ধরনের উপসর্গ নয়।

অন্যদিকে,
- 'অনুচর' শব্দটি তৎসম উপসর্গ 'অনু'  যোগে গঠিত।
- 'দুর্নাম' শব্দটি তৎসম উপসর্গ ‘দুর’ যোগে গঠিত।
- 'নিরব' শব্দটি তৎসম উপসর্গ 'নির’ যোগে গঠিত।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২০.
কোন শব্দে 'ন'-এর ভুল প্রয়োগ রয়েছে?
  1. দুর্নাম
  2. আপন
  3. ক্রন্দন
  4. বক্ষত্রান
ব্যাখ্যা
• 'বক্ষত্রান' - অশুদ্ধ বানান।
এখানে,
'বক্ষত্রান'- বানানে 'ন' এর স্থলে 'ণ' হবে। 

• বক্ষত্রান- এর শুদ্ধ বানান- বক্ষত্রাণ।

• 'বক্ষত্রাণ' শব্দের অর্থ:
- অস্ত্রের আঘাত থেকে রক্ষার জন্য বক্ষে ধারণীয় ধর্মবিশেষ।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
২১.
কোন পদ সাধু ও চলিত রীতিতে অভিন্নরূপে ব্যবহৃত হয়?
  1. অব্যয় পদ
  2. সর্বনাম পদ
  3. ক্রিয়াপদ
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• অব্যয় পদ:
অব্যয় শব্দের অর্থ “ন ব্যয়,” অর্থাৎ যার কোনো ব্যয় বা পরিবর্তন হয় না। অব্যয় পদ হচ্ছে সেই শব্দসমূহ, যেগুলো বাক্যে অপরিবর্তনীয় থেকে বিভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে।

অব্যয়ের বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:
• অব্যয় পদগুলো অপরিবর্তনীয়, অর্থাৎ এই শব্দগুলোর কোনো রূপান্তর ঘটে না।
• এসব শব্দের সাথে কোনো বিভক্তিচিহ্ন যুক্ত হয় না এবং এর একবচন বা বহুবচন নেই।
• অব্যয় পদে কোনো পুরুষবাচক বা স্ত্রীবাচক পার্থক্য থাকে না।
• অব্যয় শব্দ সাধু ও চলিত উভয় রীতিতে অভিন্নরূপে ব্যবহৃত হয়।
• অব্যয় পদ বাক্যে বিভিন্ন ভূমিকা পালন করে। কখনো বাক্যের শোভা বৃদ্ধি করে, আবার কখনো বাক্যের বিভিন্ন অংশের সংযোগ বা বিয়োগ ঘটায়।

উদাহরণ:
-  “তবু,” “যদি,” “অবশ্য,” “কিন্তু,” “যেমন,” ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২২.
'বসতবাড়ি' কোন সমাস?
  1. পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস
  2. চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস
  3. উপপদ তৎপুরুষ সমাস
  4. দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস
ব্যাখ্যা
• ‘বসতবাড়ি' (বসতের নিমিত্ত বাড়ি) হলো- চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস।

• চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস:
- পূর্বপদের চতুর্থী বিভক্তি (কে, জন্য, নিমিত্ত ইত্যাদি) লোপে যে সমাস হয়, তাকে চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস বলে।
যেমন:
বিয়েপাগলা - বিয়ের জন্য পাগলা।
গুরুকে ভক্তি - গুরুভক্তি।
বসতের নিমিত্ত বাড়ি - বসতবাড়ি।
মুক্তির নিমিত্তে বা জন্য যুদ্ধ - মুক্তিযুদ্ধ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড.হায়াৎ মামুদ, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম- দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২৩.
'পগারপার' বাগ্‌ধারাটির অর্থ -
  1. ফাঁকি
  2. আত্মসম্মান রক্ষা করা
  3. পলায়ন করা
  4. কুৎসিত
ব্যাখ্যা
• 'পগারপার' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - 'পলায়ন করা'।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা:
'কালে ভদ্রে' অর্থ - কদাচিৎ
‘ডাকাবুকো’ অর্থ - নির্ভীক।
‘পায়া ভারি’ অর্থ - অহঙ্কার।
‘কানকাটা’ অর্থ - বেহায়া।
'কেউ কেটা' অর্থ - সামান্য।
‘কূপমুন্ডক’ অর্থ - সীমাবদ্ধ জ্ঞান।
‘কাকভূষণ্ডী’ অর্থ - দীর্ঘজীবী।
‘বকধার্মিক’ অর্থ - ভণ্ড।
'ঝিঙেফুল ফোটা' অর্থ - আয়ু ফুরিয়ে আসা।

উৎস:
- বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান;
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর,
- ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ, মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২১ সংস্করণ)।
২৪.
'Jobber' এর বাংলা পরিভাষা কোনটি?
  1. পত্রমুদ্রা
  2. অভিজ্ঞ শ্রমিক
  3. যুক্ত অধিবেশন
  4. দালাল
ব্যাখ্যা
• 'Jobber' এর বাংলা পরিভাষা - দালাল।

অন্যদিকে,
Paper money - পত্রমুদ্রা,
Journey man - অভিজ্ঞ শ্রমিক, 
Joint session - যুক্ত অধিবেশন।

উৎস: বাংলা একাডেমি প্রশাসনিক পরিভাষা।
২৫.
"কী হেতু এসেছ তুমি, কহ বিস্তারিয়া।" - বাক্যে 'হেতু' শব্দটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. ব্যাপ্তি
  2. নিমিত্ত
  3. মধ্যে
  4. প্রতি
ব্যাখ্যা
• ‘কী হেতু এসেছ তুমি, কহ বিস্তারিয়া’ - বাক্যে ‘হেতু’ অনুসর্গটি 'নিমিত্ত' অর্থ প্রকাশ করছে।

উল্লেখ্য,
নিমিত্ত শব্দের অর্থ- উপলক্ষ; উদ্দেশ্য; প্রয়োজন।

কিছু অনুসর্গের ব্যবহার:
'বোকার মতো কাজ করো না।'- 'মতো' অনুসর্গটি 'ন্যায়' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
'আমার কাছে আর কে আসবে?'- 'কাছে' অনুসর্গটি 'নিকট' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
'নিমেষ মাঝেই সব শেষ।'- 'মাঝে' অনুসর্গটি 'ক্ষণকাল' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

অনুসর্গ:
বাংলা ভাষায় এক ধরনের সহায়ক শব্দ বাক্যে অন্য কনো পদের পরে বসে পদটিকে বাক্যের সবগে সম্পর্কিত করে কিংবা বিভক্তির মতো কাজ করে। এগুলো অনুসর্গ নামে পরিচিত।

• বাংলা ভাষায় বহু অনুসর্গ আছে। 
যেমন-
প্রতি, বিনা, বিহনে, সহ, ওপর, অবধি, হেতু, মধ্যে, মাঝে, পরে, ভিন্ন, বই, ব্যতীত, জন্যে, জন্য, পর্যন্ত অপেক্ষা, সহকারে, তরে, পানে, নামে, মতো, নিকট, অধিক, পক্ষে, দ্বারা, দিয়া, দিয়ে, কর্তৃক, সঙ্গে, হইতে, হতে, থেকে, চেয়ে, পাছে, ভিতর, ভেতর ইত্যাদি

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২৬.
'ক্ষুৎপিপাসা' শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. ক্ষুৎ + পিপাসা
  2. ক্ষুদ্ + পিপাসা
  3. ক্ষুধ্ + পিপাসা
  4. ক্ষুত্ + পিপাসা
ব্যাখ্যা
• 'ক্ষুৎপিপাসা' এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হচ্ছে — ক্ষুধ্‌ +পিপাসা।

• ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মানুসারে,
দ্ ও ধ্‌ এর পরে ক, চ, ট, ত, প, খ, ছ, ঠ, থ, ফ থাকলে দ্ ও ধ্‌ স্থলে অঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি হয়।
যেমন -
- দ্‌ > ত্  ⇒  তদ্‌ + কাল = তৎকাল।
- ধ্‌ > ত্  ⇒  ক্ষুধ্‌ + পিপাসা = ক্ষুৎপিপাসা।

এরূপ, 
- ক্ষুধ্‌ + কাতর = ক্ষুৎকাতর,
- হৃদ্‌ + স্পন্দন = হৃৎস্পন্দন।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২৭.
নিচের কোন শব্দার্থটি সঠিক নয়?
  1. ওদন - ভাত
  2. অভিরাম - সুন্দর
  3. উদীচী - উত্তর দিক
  4. উপল - মেঘ
ব্যাখ্যা
• "উপল" শব্দের অর্থ - 'মেঘ' নয়।
"উপল" শব্দের অর্থ - পাথর বা শিলা।

অন্যদিকে:
• "ওদন" অর্থ ভাত,
• "অভিরাম" অর্থ সুন্দর,
• "উদীচী" অর্থ উত্তর দিক।

আরো কিছু শব্দার্থ:
• কান্তা - নারী, 
• সাদন - দূরীকরণ,
• স্বাদন - আস্বাদন,
• স্বাদ -রসগ্রহণ,
• সুভাস - ভালোভাবে আলোকিত,
• সুরতি - আলিঙ্গন,
• ওম- উষ্ণতা।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২৮.
ধ্বনি বিপর্যয়ের উদাহরণ কোনটি?
  1. পাকা > পাক্কা
  2. শরীর > শরীল
  3. লাফ > ফাল
  4. জন্ম > জম্ম
ব্যাখ্যা
ধ্বনি বিপর্যয় :
- শব্দের মধ্যবর্তী দুটো ব্যঞ্জনধ্বনি পরষ্পর পরিবর্তন ঘটলে হলে তাকে ধ্বনি বিপর্যয় বলে।
যেমন,
• পিশাচ ˃ পিচাশ,
• লাফ ˃ ফাল,
• বাক্‌স > বাস্‌ক,
• রিকসা্‌ > রিস্‌কা ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
• দ্বিত্ব ব্যঞ্জন বা ব্যঞ্জনদ্বিত্ব:
কখনো কখনো জোর দেয়ার জন্য শব্দের অন্তর্গত ব্যঞ্জনের দিত্ব উচ্চারণ হয়, একে দ্বিত্ব ব্যঞ্জন বা ব্যঞ্জনদ্বিত্ব বলে।
যেমন -
- পাকা > পাক্কা;
- সকাল > সক্কাল। 

 • বিষমীভবন:
দুটো সমবর্ণের একটির পরিবর্তনকে বিষমীভবন বলে।
- শরীর > শরীল, 
- লাল > নাল, 
- লাঙ্গল > নাঙ্গল ইত্যাদি।

• সমীভবন:
শব্দমধ্যস্থ দুটি ভিন্ন ধ্বনি একে অপরের প্রভাবে অল্প-বিস্তর সমতা লাভ করে। এ ব্যাপারকে বলা হয় সমীভবন।
যেমন:
- জন্ম > জম্ম;
- কাদনা > কান্না ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২৯.
কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
  1. তাঁর শুশ্রুষা ও সান্তনায় আমি শক্তি ও উৎসাহ পেলাম।
  2. তাঁর শুশ্রূষা ও সান্তনায় আমি শক্তি ও উৎসাহ পেলাম।
  3. তাঁর শুশ্রূষা ও সান্ত্বনায় আমি শক্তি ও উৎসাহ পেলাম।
  4. তাঁর শুশ্রুষা ও সান্ত্বনায় আমি শক্তি ও উৎসাহ পেলাম।
ব্যাখ্যা
• সঠিক বাক্যটি হবে:
"তাঁর শুশ্রূষা ও সান্ত্বনায় আমি শক্তি ও উৎসাহ পেলাম।"

কারণ,
"শুশ্রুষা" শব্দের শুদ্ধ রূপ — "শুশ্রূষা",
এবং "সান্তনা" শব্দের শুদ্ধ রূপ — "সান্ত্বনা"।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
৩০.
'আঁতাঁত' কোন ভাষার শব্দ?
  1. তৎসম
  2. স্প্যানিশ
  3. ফারসি
  4. ফরাসি
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'আঁতাঁত' - ফরাসি ভাষার শব্দ।

• 'আঁতাঁত' শব্দের অর্থ: 
- বিভিন্ন দেশ বা গোষ্ঠীসমূহের মধ্যে অসাধু জোট,
- মৈত্রী।

আরো কিছু ফরাসি শব্দ:
- কার্নিশ, কার্ট্রিজ, কার্পেট, কার্বুরেটর, কুপন, ডিপো, ফসিল, লিস্ট, রেস্টুরেন্ট, রেস্তোরাঁ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৩১.
'শত্রুকে জয় করেন যিনি' এর এক কথায় প্রকাশ কোনটি? 
  1. শত্রুঘ্ন
  2. শত্রুজীত
  3. পরঞ্জয়
  4. নির্ভীক
ব্যাখ্যা
• 'শত্রুকে জয় করেন যিনি' এক কথায় প্রকাশ - পরঞ্জয়।

এরূপকিছু এক কথায় প্রকাশ-
- ‘শত্রুকে ধ্বংস করে যে’ এর এককথায় প্রকাশ - শত্রুঘ্ন।
- ‘অরিকে (শত্রুকে) দমন করে যে' এর এককথায় প্রকাশ - অরিন্দম।
- 'ইন্দ্রিয়কে জয় করেন যিনি' এক কথায় প্রকাশ - জিতেন্দ্রিয়।
- 'ভয় নেই যার' এর এক কথায় প্রকাশ - নির্ভীক।

উৎস:
- বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান;
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৩২.
The word 'Renaissance' refers to -
  1. The beginning of literature.
  2. The beginning of new ideas.
  3. The revival of life.
  4. The revival of learning
ব্যাখ্যা
Renaissance is a French word meaning “rebirth/revival"
- এর বাংলা অর্থ দাঁড়ায় -রেনেসাঁ; পুনর্জাগরণ; পুনরুজ্জীবন
- সে অনুসারে বলা যায়, Renaissance means - The revival of learning/ The rebirth of learning.

• Renaissance refers to a period in European civilization that was marked by a revival of classical learning and wisdom.
- Renaissance first start from Italy.
- Renaissance চতুর্দশ শতকে প্রথমে ইতালির Florence শহরে শুরু হয়।
- এবং পরবর্তীতে তা Venice ও Rome শহরে ছড়িয়ে পড়ে।
- England এ রেনেসাঁ শুরু হয় ১৫০০ সালে।
- এ যুগে আধুনিকতা ও রোমান্টিসিজম এর শুরু হয়।

• ইংরেজি সাহিত্যে 1500 – 1660 সাল সময়কে The Renaissance Age বলা হয়।
- The Renaissance spirit was the main force that characterized the literature of this age.

• Major Features
- Aestheticism,
- Humanism,
- Nationalism,
- Spirit of Adventure.

Source: An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman, Britannica and Live MCQ Lecture.
৩৩.
Who is the author of 'The Bluest Eye'?
  1. Thomas Hardy
  2. Charles Dickens
  3. D. H. Lawrence
  4. Toni Morrison
ব্যাখ্যা
• 'The Bluest Eye' is a novel by Toni Morrison.
- এটি ১৯৭০ সালে প্রকাশিত হয়।
- Set in Morrison’s hometown of Lorain, Ohio, in 1940–41, the novel tells the tragic story of Pecola Breedlove, an African American girl from an abusive home.
- উপন্যাসটি চারটি খন্ডে বিভক্ত যার প্রতিটির নামকরণ করা হয়েছে একেকটি ঋতুর নামে - Autumn, Winter, Spring and Summer.
- এই চারটি খন্ড আবার বিভিন্ন চ্যাপ্টারে বিভক্ত।
- The novel begins with “Autumn” and ends with “Summer.
- Most of the chapter titles are taken from the simulated text of a Dick and Jane reader.
- Tonni Morrison ১৯৯৩ সালে এই novel টির জন্য সাহিত্যে Nobel price লাভ করেন।

• Characters
- Pecola Breedlove,
- Pauline Breedlove,
- Sam Breedlove,
- Claudia MacTeer,
- Cholly Breedlove, etc.

• Toni Morrison ছিলেন একজন আমেরিকান (woman) Novelist, essayist এবং Editor.
- তাছাড়া তিনি Princeton University এর প্রফেসর ছিলেন।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম গুলো -
- Beloved (got pulitzar price in 1988),
- Song of Solomon,
- Sula,
- Home,
- A Mercy,
- Jazz,
- The Bluest Eye, etc.

• উল্লেখ্য যে, 'The Pairs of Blue Eyes' নামে Thomas Hardy এর একটি উপন্যাস রয়েছে।

Source: Britannica and Live MCQ Lecture.
৩৪.
Find the odd one out.
  1. Locksley Hall
  2. Kubla Khan
  3. The Charge of the Light Brigade
  4. The Lady of Shalott
ব্যাখ্যা
• উল্লিখিত অপশনগুলোর মধ্যে - Locksley Hall, In Memoriam এবং The Lady of Shalott হচ্ছে Victorian period এর স্বনামধন্য লেখক Alfred Tennyson রচিত কবিতা।
- অন্যদিকে, Kubla Khan হচ্ছে - Romantic Period এর অন্যতম প্রধান সাহিত্যিক Samuel Taylor Coleridge রচিত একটি কবিতা।
- সুতরাং, Of the following 'Kubla Khan' is the odd one.

• Kubla Khan:
- এই কবিতাটির পুরো নাম: Kubla Khan; or, a Vision in a Dream
- ১৭৯৭ সালে লেখা এই কবিতাটি  ৫০ লাইনের একটি অসমাপ্ত কবিতা যা  ১৮১৬ সালে প্রকাশিত হয়।
- ধারণা করা হয় এই কবিতাটি 'under the influence of a dream' লেখা হয়েছিল।
- কবির নিজের ভাষ্য অনুযায়ী, এই কবিতাটি রচনার সময় তিনি নেশাগ্রস্থ ছিলেন; পাশাপাশি এই কবিতার অনেক লাইন তিনি স্বপ্নাদিষ্ট ভাবে পেয়েছেন।
- তাই কবিতাটির সাব টাইটেল হিসাবে 'A Vision in a Dream' and ''A Fragment.'' নামসমূহ ও ব্যবহৃত হয়।
- কোন কোন সাহিত্য গবেষকের মতে এই কবিতার মূল বিষয়বস্তু হলো Nature of human genius.
- Kublai Khan ছিলেন Emperor Shizu of Yuan এবং fifth khagan-emperor.
- তিনি ১২৬০ থেকে ১২৯৪ পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলেন।

• Samuel Taylor Coleridge:
- তিনি একজন British poet.
- তিনি একজন English lyrical poet, critic এবং philosopher.
- His Lyrical Ballads, written with William Wordsworth, heralded the English Romantic movement, and his Biographia Literaria (1817) is the most significant work of general literary criticism produced in the English Romantic period.

• Notable Works of Samuel Taylor Coleridge:
- Biographia Literaria (Critical Autobiography),
- Christabel (unfinished long narrative ballad),
- Dejection: An Ode (Poem),
- Frost at Midnight (Poem),
- Kubla Khan (poem),
- Lyrical Ballads (Book),
- The Rime of the Ancient Marine (Poem).

• অন্যদিকে, 
• Locksley Hall: 
- Alfred Tennyson's famous dramatic monologue ১৮৩৫ সালে   রচিত হয়েছিলো এবং প্রথম ১৮৪২ সালে প্রকাশিত হয়।
- The speaker of this dramatic monologue declaims against marriages made for material gain and worldly prestige.
- In the poem, the speaker revisits Locksley Hall, his childhood home, where he and his cousin Amy had fallen in love.
- কবিতার বিখ্যাত উক্তি - "Knowledge comes, but wisdom lingers"

• The Charge of the Light Brigade
- Tennyson রচিত একটি কবিতা যা ১৮৫৫ সালে এটি প্রকাশিত হয়।
- ১৮৫৪ সালে ক্রিমিয়ান যুদ্ধ চলাকালে বালাক্লাভা নামক এক রণক্ষেত্রে রাশিয়ার সেনাবাহিনীর সাথে ব্রিটেন, ফ্রান্স এবং তুরস্কের এক যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- এই 'Battle of Balaklava' এর প্রেক্ষিতেই কবি কবিতাটি রচনা করেন।
- কবিতার বিখ্যাত উক্তি - "Into the valley of Death/ Rode the six hundred".

• The Lady of Shalott: 
- Alfred, Lord Tennyson এর narrative poem and also a lyrical ballad এবং ১৮৩২ সালে প্রকাশিত হওয়া এই কবিতাটি চার খন্ডে বিভক্ত।
- Typically Victorian in its exaltation of an imprisoned maiden who dies for a chaste love, the poem tells of Elaine of Arthurian legend, shut in her father’s coldly beautiful castle on the island of Shalott.
- Tennyson evokes his heroine’s dreamlike, monotonous life through incantatory rhyme and meter.
- কবিতার একটি বিখ্যাত উক্তি - "If I had a flower for every time I thought of you... I could walk through my garden forever."

Source: An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman, Live MCQ Lecture, BBC and Britannica.
৩৫.
Who is the fictional character 'Ishmael' in the context of literature?
  1. The Protagonist of Paradise Regained.
  2. A captain in the novel Robinson Crusoe.
  3. A character from Gulliver's Travels.
  4. The narrator of Moby Dick.
ব্যাখ্যা
• 'Ishmael' is the narrator of Moby Dick by Herman Melville.
- ১৮৫১ সালে এই উপন্যাসটি সর্বপ্রথম "The Whale" নামে প্রকাশিত হয়।
- এর একমাস পর নিউইয়র্কে এই উপন্যাসটি Moby-Dick; or, The Whale নামে প্রকাশিত হয়েছিল।
- এই উপন্যাসটি Nathaniel Hawthorne কে উৎসর্গ করা হয়েছে।
- Moby Dick is generally regarded as Melville’s magnum opus and one of the greatest American novels.

• The novel depicts the story of a whale অর্থাৎ, Moby Dick' in the novel is A Giant Whale.
- উপন্যাসটির কাহিনী আবর্তিত হয়েছে একটি তিমি শিকারকে কেন্দ্র করে।
- একটি whaling vessel বা শিকারকারি জাহাজে করে গল্পের চরিত্রগুলো সমুদ্রের উদ্দেশ্যে তাদের যাত্রা শুরু করে।
- এই জাহাজটি নাম হচ্ছে - 'Pequod'.
- Captain Ahab কে এই উপন্যাসে বিশেষায়িত করা হয়েছে 'a one-legged captain' নামে।
- কোনো এক সমুদ্র যাত্রায় Captain Ahab, মবি ডিক নামক তিমিটির কামড়ে তাঁর একটি পা হারান।
- এই ঘটনার পর থেকেই তিনি মনে মনে সংকল্প করেন এই তিমিটিকে হত্যা করার।
- Moby Dick নামক white gaint whale বা তিমিটিকে শিকারের কাহিনীর উপ্যাখান দেখা যায় পুরো কাহিনী জুড়ে, যার সমাপ্তি ঘটে বর্ণনাকারী Ismael ব্যাতীত সকলের মৃত্যুর মধ্য দিয়েই।
- Ahab’s obsession with killing Moby Dick brings about his own death as well as those of all but one of his crew members—“Ishmael,” the novel’s narrator.
- But the irony is - The white whale does not die in Moby Dick at the end!

• Characters:
- Ishmael (Narrator),
- Ahab (Ship's Captain),
- Queequeg,
- Starbuck,
- Peleg and Bildad (Owner of the ship Pequod), etc.

• Herman Melville
- তিনি হচ্ছেন একজন আমেরিকান ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার এবং কবি।
- He is best known for his novels of the sea.

• Famous novels of Herman Melville are:
- Moby Dick,
- White Jacket,
- Bartleby, the Scrivener.

Source: An ABC of English Literature, Dr. M Mofizar Rahman and Britannica.
৩৬.
'Wuthering Heights' is a novel by Emily Bronte is a classic example of -
  1. Epistolary novel
  2. Gothic novel
  3. Picaresque Novel
  4. Novella
ব্যাখ্যা
• Wuthering Heights by Emily Bronte হচ্ছে Gothic Novel এর একটি অন্যতম উদাহরণ।

• Wuthering Heights

- এই উপন্যাসটি ১৮৪৭ সালে Emily Bronte ছদ্মনাম Ellis Bell এর অন্তর্গত হয়ে প্রকাশিত হয়।
- This intense, solidly imagined novel is distinguished from other novels of the period by its dramatic and poetic presentation, its abstention from authorial intrusion, and its unusual structure.

• Heathcliff এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র একজন এতিম বালক।
- অন্যের আশ্রয়ে থাকে এবং পরবর্তীতে আশ্রয়দাতার কন্যা Catherine Earnshaw এর সাথে তার মনের মিলন ঘটে, দুইজন দুইজনকে ভালোবেসে ফেলে।
- কিন্তু Catherine প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে অন্যত্র বিয়ে করলে Heathcliff নিরুদ্দেশ হয়ে যায়।
- যখন ফিরে আসে তখন সে অঢেল অর্থ বিত্তের মালিক।
- কাহিনীর এ পর্যায়ে তাকে তার মালিকের বাড়ী Wuthering Heights কিনে নেয়ার পাশাপাশি প্রাক্তন প্রেমিকা Catherine এর ননদের সাথে প্রেমের অভিনয় করে সম্পত্তির লোভে তাকে বিয়ে করতে দেখা যায়।
- পরবর্তীতে এই বিয়েটা ভেঙে যায় এবং এরপর Catherine মারা যায়। তার ভাই Hindley ও মারা যায়। কিন্তু তাদের সন্তানরা ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে।
- Heathcliff এর সন্তানও এদের সাথে যোগ দেয়। এভাবে কাহিনি এক প্রজন্ম থেকে পরের প্রজন্মের মাঝে এগিয়ে চলে।

• Important characters of this novel -
- Catherine Earnshaw,
- Cathy Linton,
- Edgar Linton,
- Heathcliff (The central character)
- Lockwood etc.

• Emily Bronte:
- Charlotte Bronte এর ছোট বোন।
- “Wuthering Heights” উপন্যাসকে ঘিরেই মূলত: তার পরিচতি।
- ত্রিশ বছর বয়সেই মৃত্যু বরণ করেন।

• Notable Works:
- Poems by Currer, Ellis and Acton Bell,
- Wuthering Heights, etc.

Source: Britannica and Live MCQ Lecture.
৩৭.
Who among them is not a Nobel Laureate?
  1. W. B Yeats
  2. Robert Frost
  3. Toni Morrison
  4. Han Kang
ব্যাখ্যা
• Of the following, Robert Frost is not a Nobel laureate.
- বিস্ময়কর হলেও সত্যি যে Robert Frost নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হননি ।
- তবে তিনি তার জীবদ্দশায় 31 বার নোবেল প্রাইজের নমিনেশন পেয়েছিলেন ।

• Robert Frost: 

- In full, Robert Lee Frost, American poet.
- যিনি New England এর গ্রামীণ জীবনের চিত্রায়নের জন্য অনেক প্রশংসিত ছিলেন।
- তিনি তাঁর লেখায় American Nwe England এর মানুষজনের জীবনের চিত্র খুব বাস্তবভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
-  তাকে আমেরিকার শ্রেষ্ঠ কবি বলা হয়। 
- তিনি ‘Nature poet’, ‘Regional poet’ নামে পরিচিত। 
- তিনি চারবার পুলিজাৎর পুরস্কার লাভ করেন। 

• Best Poems:
- Road not Taken
- Mending Wall
- Stopping by Woods on a Snowy Evening
- Christmas Trees
- A Boy’s Will
- North of Boston
- Nothing Gold Can Stay
- After Apple-picking
- Home Burial.

• অন্যদিকে, 
ক) W. B Yeats
- The Nobel Prize in Literature 1923 was awarded to W. B Yeats “for his always inspired poetry, which in a highly artistic form gives expression to the spirit of a whole nation”

গ) Toni Morrison
- The Nobel Prize in Literature 1993 was awarded to Toni Morrison "who in novels characterized by visionary force and poetic import, gives life to an essential aspect of American reality"

ঘ) Han Kang
- The Nobel Prize in Literature 2024 is awarded to the South Korean author Han Kang, “for her intense poetic prose that confronts historical traumas and exposes the fragility of human life.”

Source: Britannica and nobelprize.org.
৩৮.
Which of the following plays features the character 'Claudius'?
  1. All for Love
  2. Love for Love
  3. The Jew of Malta
  4. Hamlet
ব্যাখ্যা
• The character Claudius portrayed the role of Hamlet's uncle in William Shakespeare's famous tragedy 'Hamlet".
 -এই চরিত্রটি নাটকের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র। তিনি ডেনমার্কের রাজা এবং হ্যামলেটের চাচা, যিনি হ্যামলেটের পিতাকে হত্যা করে সিংহাসন দখল করেন ও রানি Gertrude অর্থাৎ, হ্যামলেটের মা'কে বিয়ে করেন।
- Caludius চরিত্রটি ক্ষমতার লোভ, ষড়যন্ত্র ও অপরাধবোধের একটি জটিল মিশ্রণ তুলে ধরে, যা পুরো নাটকের প্রধান সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দু।

• Hamlet: 
- Shakespeare রচিত tragedy গুলোর মধ্যে Hamlet is one of the most celebrated tragedies in English literature.
-  এটিও 5acts বিশিষ্ট এই tragedy টি ১৫৯৯-১৬০১ সালের মধ্যে লেখা এই ট্র্যাজিডিটি প্রকাশিত হয় ১৬০৩ সালে।
- হ্যামলেট জার্মানি থেকে নিজ দেশে ফিরে আসে তাঁর বাবার শেষকৃত্যে অংশগ্রহণ  করতে এবং জানতে পারে যে তার চাচা Claudius তার মা Gertrude কে বিয়ে করেছে এবং এই চাচাই তার বাবার খুনী।
- এরপর দেখা যায়  প্রিন্স হ্যামলেট তার বাবার খুনের প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করেন এবং বিভিন্ন ঘটনা প্রবাহের মধ্যে দিয়ে tragedy এর কাহিনী সামনে এগিয়ে যায়।
- এই নাটকে antagonist অর্থাৎ ভিলেন হিসেবে দেখানো হয়েছে Claudius কে।
- শেষাংশে Hamlet এর মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে এর সমাপ্তি ঘটে।
 
• The important characters of Hamlet:
- Ophelia (Hermione)
- Hamlet,
- Claudius,
- Gertrude,
- Horatio (Loyal and Best friend of Hamlet)
- Polonius (Ophelia's Father)
- Laertes (Ophelia's Uncle) etc.

• Famous quotations of Hamlet:
- 'To be or not to be that is the question',
- 'Frailty, thy name is woman',
- Brevity is the soul of wit',
- Neither a borrower nor a lender be; For loan oft loses both itself and friend',
- 'There is divinity that shapes our end'.

Source: Britannica.
৩৯.
Which of the following best defines "Armament"?
  1. A treaty between two nations
  2. Military weapons and equipment
  3. A set of defensive strategies and tactics
  4. A peaceful agreement
ব্যাখ্যা
• Armament (noun)
English meaning:
1. Military weapons and equipment: weapons, explosives, and other military equipment.
2. The process of equipping military forces for war.
3. A military or naval force
Bangla Meaning: 
(১) (সাধারণত plural) যুদ্ধাস্ত্র; বিশেষত বড় কামান।
(২)  [Uncountable noun] সামরিক বাহিনীকে যুদ্ধাস্ত্রে সজ্জিত করার প্রক্রিয়া; যুদ্ধের আয়োজন; রণসজ্জা।
(৩) (সাধারণত plural) সামরিক বাহিনী ও তার যুদ্ধোপকরণ; নৌ, সেনা ও বিমানবাহিনী।

• Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.
3. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৪০.
Which of the following has the opposite meaning of 'Allegiance'?
  1. Loyalty
  2. Treachery
  3. Tendency
  4. Impartiality
ব্যাখ্যা
• Allegiance (noun)
English Meaning: the fidelity owed by a subject or citizen to a sovereign or government.
Bangla Meaning: কর্তব্য; নিষ্ঠা; বিশ্বস্ততা; আনুগত্য।

• অপশনে উল্লিখিত শব্দগুলোর অর্থ -
ক) Loyalty (noun) (plural loyalties)
- আনুগত্য।

খ) Treachery (noun) (plural treacheries) [uncountable noun]
- প্রতারণা।

গ) Tendency (noun)
- প্রবণতা; ঝোঁক।

ঘ) Impartiality (noun) [uncountable noun]
- নিরপেক্ষতা; পক্ষপাতশূন্যতা; সমদর্শিতা।

• শব্দগুলোর অর্থ বিবেচনায় বুঝা যাচ্ছে, উল্লিখিত অপশনগুলোর মধ্যে - Treachery শব্দটি Allegiance এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করছে।

Source:
1. merriam-webster.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৪১.
Having completed the project, she took a vacation. (Make it Complex)
  1. As she completed the project, she took a vacation.
  2. She completed the project, therefore she took a vacation.
  3. When she had completed the project, she took a vacation.
  4. After completing the project, she had taken a vacation.
ব্যাখ্যা
• Simple: Having completed the project, she took a vacation.
• Complex: When she had completed the project, she took a vacation.

• Having + Verb এর past participle form যুক্ত Simple Sentence কে Complex Sentence এ রূপান্তরিত করার নিয়ম:
- প্রথমেই Having এর পরিবর্তে When বসে।
-  তারপর Subject + had + Verb এর past participle form বসে।
- বাকী অংশ অপরিবর্তিত ভাবে বসে।
• Structure: Having এর পরিবর্তে When বসে + Subject + had + Verb এর past participle form + বাকী অংশ।

• এ জাতীয় আরোও একটি উদাহরণ - 
- Simple: Having told this, he went away.
- Complex: When he had told he went away.

Source: Advanced Learners Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.
৪২.
The hope is that the weather will clear up before the event. The underlined part is an example of -
  1. Noun clause
  2. Adjective clause
  3. Adverb clause
  4. Principal clause
ব্যাখ্যা
• The hope is that the weather will clear up before the event. The underlined part is an example of - Noun clause.

 • Noun clause:
- A noun clause is a group of words that band together and act like a noun.
- Nouns clauses are used when a single word isn't enough.
- They're always dependent clauses.

• একটি বাক্যের চারটি স্থানে Noun clause বসতে পারে -
• Subject হিসেবে।
• Transitive verb এর object হিসেবে।
• Linking verb এর পরে complement হিসেবে।
• Preposition এর object হিসেবে।

• এখানে, subjective complement হিসাবে, is এরপর noun clause হয়েছে।
- Complement বলতে বোঝায়, যা বাক্যের অসম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশে জন্য, subject বা object সম্পর্কে উদ্ভুত 'কী' প্রশ্নের উত্তর প্রদান করে।

Complement দুই ধরনের হয় –
i) Subjective Complement: Beauty is truth. Talha is an intelligent boy.
ii) Objective Complement: We made him captain.
- Word/phrase যখন complement হিসেবে ব্যবহৃত হয় তখন তা noun বা adjective যে কোনটিই হতে পারে। কিন্তু Clause হিসেবে Complement সব সময় Noun Clause হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৪৩.
Which of the following sentence is correct?
  1. The employees, exhaustedly, expressed that they were about to die from overwork.
  2. The employees, exhaustedly, expressed that they were about of die from overwork.
  3. The employees, exhaustedly, expressed that they were about to die by overwork.
  4. The employees, exhaustedly, expressed that they were about to die with overwork.
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর হবে - The employees, exhaustedly, expressed that they were about to die from overwork.
- Bangla Meaning: কর্মচারীরা ক্লান্তভাবে বলল যে তারা অতিরিক্ত কাজের চাপে মারা যাওয়ার উপক্রম।

• সাধারণত, Die from (Effect) - কোনো ফলাফল; পরিণতি; প্রভাব এ মারা গেলে Die from ব্যবহার হয়।
• যেমন:
- She died of/from hunger/cancer/a heart attack/her injuries.
- The man died from over eating.
- He died from the injury.
- He died from over exercise.
------------------------
• Various usage of prepositions after the word 'Die' -
- die of (disease): He died of cholera.
- die from (effect): He died from a snake bite/overeating.
- die for (shake / cause): He died for his country.
- die in (accident): He died in an accident.
- die in (place / month / year): He died in 1950./ He died in London. / He died in a hospital in Dhaka.
- die in (accident): He died in a train accident.
- die on (name of day /spot death): He died on the spot./ He died on Monday.
- die at (time): He died at 9–30 am.
- die between (time): He died between 9 a m to 9–30 am.
- die within (time): He died within five minutes.

Source: Cambridge Dictionary.
৪৪.
'Clamp down on something' refers to -
  1. To invent something
  2. To limit or restrict something
  3. To ignore something
  4. To make something stronger
ব্যাখ্যা
• 'Clamp down on something' refers to - To limit or restrict something.

• Clamp down on something: 

English Meaning: suppress or prevent something in an oppressive or harsh manner.
Bangla Meaning: কঠোর ভাবে কোনকিছুকে দমন করা।

Complete sentence: The new policy aims to clamp down on corruption.
Bangla Meaning: নতুন নীতিটির লক্ষ্য দুর্নীতি দমন করা।

Source:
1. Oxford Learner's Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৪৫.
Choose the correct one.
  1. It was we who had decided to leave early from the party.
  2. It was them who had decided to leave early from the party.
  3. It was our who had decided to leave early from the party.
  4. It was him who had decided to leave early from the party.
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর হবে - It was we who had decided to leave early from the party.

• Be verb (am, is, was, were) এর পরে যদি কোনো pronoun বসে তবে সেই pronoun টি subjective form বসে।
- প্রশ্নে উল্লিখিত বাক্যে subject It এরপর be verb হিসেবে was বসেছে।
- তাই, এরপর subjective pronoun হিসেবে I, you (singular), he/she/it, we, you (plural), they ইত্যাদির ব্যবহার শুদ্ধ।
৪৬.
The movie being over, we returned home. Here 'The movie being over' is an example of -
  1. Adjective clause
  2. Noun phrase
  3. Adverbial phrase
  4. Noun clause
ব্যাখ্যা
• The movie being over, we returned home. Here 'The movie being over' is an example of - Adverbial phrase.

• Adverbial Phrase:
- যে phrase বাক্যে ব্যবহৃত হয় adverb এর মত কাজ করে তাকে Adverbial Phrase বলে ৷
- সাধারনত বাক্যকে কখন ( when), কোথায় ( where), কেন( why) ও কিভাবে (how) দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর হিসেবে যে phrase পাওয়া যায় সেটিই Advrbial phrase.

• Underlined অংশে কোন Finite Verb (Tense অনুযায়ী verb) নেই, তাই এটা Phrase, clause নয়।
- বাক্যকে যদি প্রশ্ন করা হয় কখন (when) বাড়ি ফিরেছে, উত্তর পাওয়া যাবে যে - সিনেমা শেষ হবার পরে।
- returned- verb এর time বুঝানোর কারণে এটা Adverbial Phrase.

• Phrase চেনার উপায়:
- Phrase বাক্যের শুরুতে থাকলে এটি শেষ হবার পরে একটি comma থাকবে।
যেমন: Inspite of his merit, he failed.

• Phrase বাক্যের মাঝে থাকলে এটি শুরু হবার আগে এবং শেষ হবার পরে comma থাকবে।
- Minhaz, a young man, teaches us English.
৪৭.
The shop is situated at _____ Manik Miah Avenue.
  1. a
  2. an
  3. the
  4. no article needed
ব্যাখ্যা
• Article এর নিয়মানুযায়ী -
- রাস্তা, স্কোয়ার, পার্ক এর নামের পূর্বে the বসে না। যেমন-
- He bought a shop in Park Street.

• কিন্তু রাস্তার নামের শেষে road শব্দটির উল্লেখ থাকলে তার পূর্বে the বসে।
যেমন - He bought a shop on the Mirpur Road.

• সুতরাং, Manik Miah Avenue এরপর road উল্লেখ না থাকায়, এই বাক্যে article বসবে না।
- Complete sentence: The shop is situated at Manik Miah Avenue.
- Bangla Meaning: দোকানটি মানিক মিয়া এভিনিউতে অবস্থিত।
৪৮.
What is the synonym of the word 'Urbane'?
  1. Raw
  2. Novice
  3. Sophisticated
  4. Misanthrope
ব্যাখ্যা
• Urbane (adjective)
English Meaning: notably polite or polished in manner.
Bangla Meaning: শিষ্ট; সুসংস্কৃত; মার্জিত; শিষ্টাচারী; শিষ্টাচারপূর্ণ; সুসভ্য।

• অপশনে উল্লিখিত শব্দগুলোর মধ্যে -
ক) Raw (adjective) 
- কাঁচা; অপক্ব: (ব্যক্তি) অদক্ষ; অনভিজ্ঞ; কাঁচা; প্রশিক্ষণহীন; শৈল্পিকভাবে স্থূল; কাঁচা।

খ) Novice (noun)
- (বিশেষত সন্ন্যাসী বা সন্ন্যাসিনী হওয়ার জন্য) এখনো যে শিক্ষাগ্রহণে নিযুক্ত এবং অভিজ্ঞতাহীন; নবব্রতী; শিক্ষানবিশ।

গ) Sophisticated (adjective)
- সহজাত সারল্য হারিয়ে দুনিয়াদারি শিখেছে এমন; দুনিয়াদারি প্রদর্শন করে এমন: জটিল; অত্যাধুনিক: (মানসিক ক্রিয়া) পরিশীলিত; মার্জিত; শিষ্টাচারী; জটিল; সূক্ষ্ম।

ঘ) Misanthrope (noun)
- যে ব্যক্তি মানবজাতিকে ঘৃণা করে; যে ব্যক্তি সমাজকে এড়িয়ে চলে; নরবিদ্বেষ; মানববৈরী।

• সুতরাং, বোঝা যাচ্ছে, উল্লিখিত অপশনগুলোর মধ্যে - Sophisticated শব্দটি Urbane এর সমার্থক অর্থ প্রকাশ করছে।

Source:
1. Oxford Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৪৯.
Which word should be used to add more information to a composition?
  1. Therefore
  2. In spite of
  3. Likewise
  4. Nevertheless
ব্যাখ্যা
• Likewise should be used to add more information to a composition.
- Likewise (conjunction) - অধিকন্তু; তদুপরি; তার উপর; তাছাড়া, একইরূপে; অনুরূপভাবে, আরো।
- Composition বা paragraph এর সাধারণত, কোন বিষয় নিয়ে অতিরিক্ত তথ্য প্রদানের জন্য এটি ব্যবহৃত হয়।
- কোনো composition- এ additionally, moreover, again, furthermore, likewise, in addition, and, also -ইত্যাদি শব্দ থাকলে বুঝতে হবে পূর্বে বর্ণিত তথ্যের সাথে আরো কিছু তথ্য এখানে দেওয়া হচ্ছে।

• অন্য অপশনগুলোর মধ্যে -
ক) Therefore (adverb)
- সেই কারণে; সুতরাং।

খ) In spite of (phrase preposition)
- সত্ত্বেও।

ঘ) Nevertheless (adverb), (conjunction)
- তথাপি; তবু; তা সত্ত্বেও।

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৫০.
Would you please _____ with this assignment?
  1. to help me
  2. help me
  3. helping me
  4. to helping me
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - help me
- Complete sentence: Would you please help me with this assignment?
- Bangla Meaning:আপনি কি আমাকে এই অ্যাসাইনমেন্টে সাহায্য করবেন?

• Would you please এর পর verb এর base form বসে।
•  Would you mind এর পর verb+ing বসে।
• Would you like এর পর to + verb এর base form বসে।

• Example sentence: 
- Would you please hold the door open for me?
- Would you please stop talking during the presentation?
- Would you please bring me a glass of water?
৫১.
The skilled poacher shot the bear. (Make it passive)
  1. The bear is shoot by the skilled poacher.
  2. The bear was shot by the skilled poacher.
  3. The bear was shoot by the skilled poacher.
  4. The bear is shoted by the skilled poacher.
ব্যাখ্যা
• Active: The skilled poacher shot the bear.
• Passive: The bear was shot by the skilled poacher.

• Active voice থেকে passive voice করার নিয়ম: 
• Active voice এর object টি passive voice এর subject হয়।
- Tense অনুযায়ী auxiliary verb বসে।
- তারপর মূল verb এর past participle হয়।
- Active voice এর subject টি passive voice এর object হয়।
- তার পূর্বে preposition (by, with, at, to, in) বসে

• Shoot এর Past, Past Participle উভয়ই Shot.
- Shot শব্দটি ব্যবহারের কারণে, এটাকে Present Form বলে মতে হতে পারে। কিন্তু এই বাক্যে এটি past form এ আছে 
- যেহেতু The skilled poacher -Third Person, Singular Number এবং Verb shot এর শেষে s/es নেই, তাই এটা Past Form বুঝা যাচ্ছে।
৫২.
The country has no mineral resources ________.
  1. so to speak
  2. to speak to
  3. to speak out
  4. to speak of
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - speak of
- Complete sentence: The country has no mineral resources to speak of.

• To Speak of 
English Meaning: worthy of mention; of a significant or worthwhile nature
Bangla Meaning: উল্লেখযোগ্য বা উল্লেখ করার মতো।

• The phrase "to speak of" is commonly used in negative contexts to mean "worth mentioning" or "significant enough to mention."
- "to speak of" একটি ইংরেজি Phrase যা সাধারণত negative context এ ব্যবহৃত হয়।
- যখন কোনো বাক্যে "no + noun + to speak of" এই কাঠামোটি ব্যবহার করা হয়, তখন বোঝায় সেই জিনিসটি: হয় একেবারেই নেই অথবা এতই কম আছে যে উল্লেখ করার মতো নয়।

• The country has no mineral resources to speak of
- বাংলাঅর্থ: দেশটির উল্লেখ করার মতো কোনো খনিজ সম্পদ নেই
- অর্থাৎ দেশটিতে খনিজ সম্পদ একদমই নেই বা খুবই নগণ্য পরিমাণে আছে।
- অর্থাৎ, , যখনই আমরা "to speak of" ব্যবহার করি, তখন বোঝাতে চাই যে সেই জিনিসটি এতই কম বা নগণ্য যে তা নিয়ে কথা বলার মতো কিছুই নেই।

More examples: 
1. He has no money to speak of.
- তার কাছে বলারত মত টাকা নেই।

2. Any fresh developments?'—'Nothing to speak of
- নতুন কোনো উন্নয়ন?'- 'বলার কিছু নেই।

• অন্যদিকে, 
• So to speak
English meaning: used to highlight the fact that one is describing something in an unusual or metaphorical way.
Bangla Meaning: বলতে গেলে; বলতে কি।
- মূলত রূপক অর্থে কিছু বলার সময় ব্যবহৃত হয়।
যেমন: Delving into the body's secrets, I looked death in the face, so to speak
Bangla Meaning: শরীরের গোপনীয়তা অনুসন্ধান করতে করতে, আমি মৃত্যুকে মুখোমুখি দেখেছিলাম, বলতে গেলে।

• Speak out
English meaning: express one's feelings or opinions frankly and publicly.
Bangla Meaning: জোরে বলা; নির্দ্বিধায় বা নির্ভয়ে নিজের মতামত দেওয়া।
Example: He spoke out against the school’s admissions policy.
Bangla Meaning: তিনি স্কুলের ভর্তি নীতির বিরুদ্ধে কথা বলেছেন।

• Speak (to/with somebody) (about something)
English meaning: to talk about something.
Bangla Meaning: কারো সঙ্গে (কোনো বিষয়ে) কথা বলা; আলাপ করা।
Example: He was speaking to me about his plans for the school.
Bangla Meaning: তিনি স্কুলের জন্য তার পরিকল্পনা সম্পর্কে আমার সাথে কথা বলছিলেন।

• সুতরাং, বুঝা যাচ্ছে, বাক্যের context অনুযায়ী শূন্যস্থানে So to speak এর ব্যবহার সঠিক।

Source:
1. Collins Dictionary.
2. Cambridge Dictionary.
3. Oxford Learner's Dictionary.
4. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৫৩.
Which of the following sentences is correct?
  1. How a gorgeous lady she is!
  2. They made fire to grill the chicken.
  3. I have lot of work to do.
  4. This is not so important an issue.
ব্যাখ্যা
• উল্লিখিত বাক্যগুলোর মধ্যে - সঠিক বাক্যটি হচ্ছে - This is not so important an issue.
- Bangla Meaning: এটি এতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়।

• সাধারণত বাক্যে যদি not so থাকে এবং এরপর adjective ও noun Words বসে তবে not so + adjective ও noun এর মাঝে a/an বসাতে হয়।
- Structure: Sub + verb + so + adjective + a + noun.

• More Examples: 
- It is not so big a problem.
- He is not so skilled a player.
- She is not so talented a singer.

• অন্যদিকে, 
ক) বাক্যে article 'a' এর অবস্থান ভুল বিধায় বাক্যটি সঠিক নয়।
- সাধারণত, How + adjective + (a/an)+ noun phrase এভাবে sentence গঠিত হয়।
- সঠিক বাক্য: How gorgeous a lady she is!

খ) বাক্যে article অনুপস্থিত তাই বাক্যটি ভুল
- Make a/the fire: to deliberately start a fire to do something.
- সাধারণত কোন কিছু করার উদ্দেশ্যে যদি ইচ্ছাকৃত ভাবে আগুন জ্বালানো হয় তবে make a fire ব্যবহৃত হয়।
-সঠিক বাক্য: They made a/the fire to grill the chicken.

গ) বাক্যে lot of এর পূর্বে a article হিসেবে বসালে বাক্যটি সঠিক হবে। 
- সাধারণত, অনেক অর্থে শুদ্ধ phrase টি হচ্ছে - a lot of বা lots of.
- সঠিক বাক্য - I have a lot of work to do.

•  এছাড়াও, কিছু article আছে যা British language থেকে আগত বা শ্রুত। British Language এ ব্যবহৃত হয় তাই প্রচলিত grammar এ এসব article এর ব্যবহার শুদ্ধ বিবেচনা করা হয়।
- এই প্রচলিত নিয়মটি, খ) এবং গ) বাক্যের ক্ষেত্রে প্রোযোজ্য হবে।
৫৪.
The word 'Radical' can be used as -
  1. Adjective and verb
  2. Noun and verb
  3. Adjective and noun
  4. Adjective, noun and verb
ব্যাখ্যা
• Radical (adjective)
English meaning: (especially of change or action) relating to or affecting the fundamental nature of something; far-reaching or thorough; 
Bangla Meaning: মৌলিক; মূলগত; মৌলিক কাঠামোগত: (রাজনীতি) সমাজকাঠামোর আমূল পরিবর্তনে বিশ্বাসী; চিন্তাভাবনা এবং নীতিতে প্রাগ্রসর; প্রগতিবাদী; (গণিত) বর্গমূলসম্পর্কিত।

Example sentence: He holds radical opinions in politics. 
Bangla Meaning: তিনি রাজনীতিতে মৌলিক মতামত পোষণ করেন।

• Radical (noun) 
English meaning: A person who advocates thorough or complete political or social change, or a member of a political party or section of a party pursuing such aims.
Bangla Meaning: আমূল সংস্কারে বিশ্বাসী ব্যক্তি; উগ্রপন্থী; (গণিত.) বর্গমূল চিহ্ন; আমূল সংস্কারকামী মতবাদ।

Example sentence: He was a radical all her life.
Bangla Meaning: তিনি সারা জীবনই একজন উগ্রপন্থী ছিলেন।

Source: 
1. Oxford Learner's Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৫৫.
Identify the correct sentence.
  1. This explanation is enoughs clear for the students to understand.
  2. This explanation is enough clear for all the students to understand.
  3. This explanation is clear enough for all the students to understand.
  4. This explanation is clear as enough for all the students to understand.
ব্যাখ্যা
• সঠিক বাক্যটি হবে - This explanation is clear enough for all the students to understand.

• সাধারণত, 
- Adjective/Adverb + enough হয়

- এই নিয়ম অনুসারে clear enough এর ব্যবহার সঠিক।
- কারণ বাক্যে যেহেতু enough আছে তাই adjective টি এর পূর্বে বসবে।

• অন্যদিকে, 

ক) This explanation is enoughs clear for the students to understand.
ঘ) This explanation is clear as enough for all the students to understand.
-  enough এর সাথে কখনো -s as, the, ly ব্যবহার হয় না এবং এজন্য enoughs ও clear as enough এর ব্যবহার ভুল।

খ) This explanation is enough clear for all the students to understand.
- Enough এরপরে Adjective বসে না তাই enough clear ভুল।

• কিন্তু Plural countable/uncountable noun এর আগে বা পরে যেকোনো জায়গায় enough বসতে পারে।
- Example:  I have enough time or I have time enough.
৫৬.
Choose the correctly spelled word.
  1. Sergant
  2. Sargaent
  3. Sergeant
  4. Sargeent
ব্যাখ্যা
• Sergeant (noun) 
English Meaning: A soldier of middle rank
Bangla Meaning: নায়েকের উপরে এবং সার্জেন্ট-মেজরের নিচের পদমর্যাদার অনাযুক্ত (non-commissioned) সামরিক কর্মকর্তা; সার্জেন্ট।

Example sentence: We could hear the sergeant bellowing commands to his troops.
Bangla Meaning: আমরা সার্জেন্টকে তার সৈন্যদের নির্দেশ দিতে শুনতে পাচ্ছিলাম।

Source: 
1. Cambridge Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৫৭.
Identify the correct sentence.
  1. If the invitation had sent, more guests would attend the event.
  2. If the invitation had send, more guests would have attend the event.
  3. If the invitation had been send, more guests would have attended the event.
  4. If the invitation had been sent, more guests would have attended the event.
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর হবে - If the invitation had been sent, more guests would have attended the event.

• বাক্যটি মূলত perfect conditional/3rd conditional এর উদাহরণ।
• 3rd Conditional এর নিয়মানুযায়ী,

- If-এর পর Past Perfect Tense থাকলে পরবর্তী Sentence টিতে Past Perfect Conditional বসে।
- অর্থাৎ, would have/could have + verb-এর Past Participle form হয়।
- Structure: If + Past Perfect Tense (had + verb এর past participle form) + would have/could have + verb-এর Past Participle form.
- আর যদি বাক্যটি passive sense প্রকাশ করে তবে - If + had been + Verb এর past participle form হয়।
Example:
- If you had come, I would have gone there.
- What would have happened if the train had been missed?

• উল্লিখিত বাক্যে
- দ্বিতীয় clause টিতে would have + verb-এর Past Participle form attended বসেছে।
- তাই if clause টি গঠিত হবে - If + had been + Verb এর past participle form যোগে

•  Invitation যেহেতু নিজেই নিজেকে পাঠাতে পারবে না তাই অবশ্যই passive হবে।
- সে কারণে If clause টি If + had been + Verb এর past participle form হবে।
৫৮.
f(x) = x3 - 8x2 + 6x + 60 বহুপদীকে x + 2 দ্বারা ভাগ করলে ভাগশেষ কত হবে?
  1. 6
  2. 4
  3. 12
  4. 8
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: f(x) = x3 - 8x2 + 6x + 60 বহুপদীকে x + 2 দ্বারা ভাগ করলে ভাগশেষ কত হবে?

সমাধান:
x + 2 বহুপদীর একটি উৎপাদক হলে,
x + 2 = 0
⇒ x = - 2

f(- 2) = (- 2)3 - 8(- 2)2 + 6(- 2) + 60
= - 8 - 32 - 12 + 60
= - 52 + 60
= 8
৫৯.
১২% হারে ৬ মাসে ৮,০০০ টাকার উপর মুনাফা-মূলধন কত হবে?
  1. ৮,৪৬৬ টাকা
  2. ৭৮৪০ টাকা
  3. ৮৪৮০ টাকা
  4. ৮৫২০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১২% হারে ৬ মাসে ৮,০০০ টাকার উপর মুনাফা-মূলধন কত হবে?

সমাধান:
আমরা জানি,
I = pnr
এখানে,
p = ৮,০০০ টাকা
n = ৬/১২ বছর
r = ১২% = ১২/১০০

∴ I = ৮০০০ × (৬/১২) × (১২/১০০)
= ৪৮০ টাকা

অতএব, মুনাফা-মূলধন = ৮০০০ + ৪৮০
= ৮৪৮০ টাকা
৬০.
4x × 520 = (2 × 5)20 হলে, x এর মান কত?
  1. 15
  2. 8
  3. 12
  4. 10
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 4x × 520 = (2 × 5)20 হলে, x এর মান কত?

সমাধান:
4x × 520 = (2 × 5)20
⇒ 22x × 520 = 220 × 520
⇒ 22x = 220
⇒ 2x = 20
⇒ x = 20/2
∴ x = 10
৬১.
একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য প্রস্থের ৪ গুণ। আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা ৬০ ফুট হলে, এর ক্ষেত্রফল কত?
  1. ১৫৬ বর্গফুট
  2. ১৪৪ বর্গফুট
  3. ১৫৪ বর্গফুট
  4. ১৬৪ বর্গফুট
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য প্রস্থের ৪ গুণ। আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা ৬০ ফুট হলে, এর ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:
মনে করি,
আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ = ক ফুট
আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ৪ক ফুট
আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা = ২ × (৪ক + ক) ফুট
আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ৪ক ব.ফুট

প্রশ্নমতে,
২ × (৪ক + ক) = ৬০
⇒ ২ × ৫ক = ৬০
⇒ ১০ক = ৬০
∴ ক = ৬
আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ৪ক ব.ফুট
= ৪ × ৬
= ৪ × ৩৬
= ১৪৪ ব.ফুট
অতএব, আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ১৪৪ বর্গফুট।
৬২.
যদি কুমিল্লা শহরের টেলিফোন নম্বরগুলো 5 অঙ্ক বিশিষ্ট হয়, তবে কুমিল্লার কত জনকে টেলিফোন সংযোগ দেওয়া যাবে?
  1. 50000 জনকে
  2. 90000 জনকে
  3. 100000 জনকে
  4. অসংখ্য
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি কুমিল্লা শহরের টেলিফোন নম্বরগুলো 5 অঙ্ক বিশিষ্ট হয়, তবে কুমিল্লার কত জনকে টেলিফোন সংযোগ দেওয়া যাবে?

সমাধান:
টেলিফোন ডায়ালে অঙ্ক থাকে 0 থেকে 9 পর্যন্ত। কুমিল্লা শহরের টেলিফোন নম্বরগুলো 5 অঙ্কবিশিষ্ট, সুতরাং 5 অঙ্কবিশিষ্ট সংখ্যার ১ম অঙ্কটি ০ বাদে 9টি অঙ্ক দ্বারা পূরণ করা যাবে 9 উপায়ে, কারণ টেলিফোন নম্বর শূন্য দিয়ে শুরু হয় না।
২য় স্থানটি 10 টি অঙ্ক দ্বারা পূরণ করা যাবে।
অতএব ৩য়, ৪র্থ, ৫ম স্থানগুলোর প্রত্যেকটি পূরণ করা যায় 10 উপায়ে।
অতএব, নির্ণেয় টেলিফোন সংযোগ সংখ্যা = 9 × 10 × 10 × 10 × 10 = 90000

৬৩.
|2x - 5| < 7 অসমতাটির সমাধান নির্ণয় করুন।
  1. 2 < x < - 5
  2. - 1 < x < 6
  3. - 2 > x > 8
  4. 3 > x > 8
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: |2x - 5| < 7 অসমতাটির সমাধান নির্ণয় করুন।

সমাধান:
(2x - 5) অঋণাত্মক হলে:
⇒ 2x - 5 < 7
⇒ 2x < 7 + 5
⇒ 2x < 12
⇒ x < 6

(2x - 5) ঋণাত্মক হলে:
⇒ - (2x - 5) < 7
⇒ 2x - 5 > -7
⇒ 2x > - 7 + 5
⇒ 2x > - 2
⇒ x > -1

∴ নির্ণেয় অসমতা -1 < x < 6
৬৪.
করিম ১০ টাকায় ৫টি বল ক্রয় করে ৫ টাকায় ১০টি বল বিক্রয় করলে শতকরা কত ক্ষতি হবে?
  1. ৫০%
  2. ৫৫%
  3. ৬৫%
  4. ৭৫%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: করিম ১০ টাকায় ৫টি বল ক্রয় করে ৫ টাকায় ১০টি বল বিক্রয় করলে শতকরা কত ক্ষতি হবে?

সমাধান:
৫টি বলের ক্রয়মূল্য = ১০ টাকা
১টি বলের ক্রয়মূল্য = ১০/৫ = ২ টাকা
আবার,
১০টি বলের বিক্রয়মূল্য = ৫ টাকা
১টি বলের বিক্রয়মূল্য = ৫/১০ = ০.৫ টাকা
∴ ক্ষতি = ২ - ০.৫
= ১.৫ টাকা

২ টাকায় ক্ষতি হয় = ১.৫ টাকা
∴ ১ টাকায় ক্ষতি হয় = ১.৫/২ টাকা
∴ ১০০ টাকায় ক্ষতি হয় = (১.৫ × ১০০)/২ টাকা
= ৭৫ টাকা
∴ ক্ষতির হার ৭৫%
৬৫.
6 + 11 + 16 + ...... ধারাটির প্রথম 20 টি পদের সমষ্টি কত?
  1. 987
  2. 1070
  3. 1125
  4. 1255
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 6 + 11 + 16 + ...... ধারাটির প্রথম 20 টি পদের সমষ্টি কত?

সমাধান:
ধারাটির ১ম পদ a = 6,
সাধারণ অন্তর d = 11 - 6 = 5
এখানে পদ সংখ্যা n = 20

আমরা জানি,
সমান্তর ধারার প্রথম n সংখ্যক পদের সমষ্টি Sn = (n/2) × {2a + (n - 1)d}
∴ 20 টি পদের সমষ্টি S20 = (20/2) × {2 × 6 + (20 - 1)5}
= 10 × (12 + 19 × 5)
= 1070
৬৬.
একটি বর্গাকার ক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল ১০০ বর্গমিটার, বর্গক্ষেত্রটির পরিসীমা কত?
  1. ২৫ মিটার
  2. ৪০ মিটার
  3. ৩০ মিটার
  4. ৫০ মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বর্গাকার ক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল ১০০ বর্গমিটার, বর্গক্ষেত্রটির পরিসীমা কত?

সমাধান:
একটি বর্গাকার ক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল ১০০ বর্গমিটার,
একটি বর্গাকার ক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = বাহু

বাহু = ১০০
⇒ বাহু = √১০০
∴ বাহু = ১০ মিটার

পরিসীমা = ৪ × এক বাহুর দৈর্ঘ্য
= ৪ × ১০ মিটার
= ৪০ মিটার
৬৭.
বাংলা স্বরবর্ণগুলো থেকে দৈবভাবে একটি বর্ণ নেওয়া হলে বর্ণটি মাত্রাহীন বর্ণ না হওয়ার সম্ভাবনা কত?
  1. ৪/১১
  2. ৭/১১
  3. ৬/১১
  4. ৫/১১
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: বাংলা স্বরবর্ণগুলো থেকে দৈবভাবে একটি বর্ণ নেওয়া হলে বর্ণটি মাত্রাহীন বর্ণ না হওয়ার সম্ভাবনা কত?

সমাধান:
- বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ১১টি।
- বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাহীন স্বরবর্ণ ৪টি।
- বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাযুক্ত স্বরবর্ণ ৭টি।

∴ বাংলা স্বরবর্ণগুলো থেকে দৈবভাবে একটি বর্ণ নেওয়া হলে বর্ণটি মাত্রাহীন বর্ণ না হওয়ার তথা মাত্রাযুক্ত বর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা = ৭/১১
৬৮.
p = √6 + √5 হলে, {p3 + (1/p3)} - 5√6 এর মান কত?
  1. 39√5
  2. 37√6
  3. 41√6
  4. 43√5
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: p = √6 + √5 হলে, {p3 + (1/p3)} - 5√6 এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
p = √6 + √5
⇒ 1/p = 1/(√6 + √5)
⇒ 1/p = (√6 - √5)/(√6 + √5)(√6 - √5)
⇒ 1/p = (√6 - √5)/{(√6)2 - (√5)2}
⇒ 1/p = √6 - √5

এখন,
p + (1/p) = √6 + √5 + √6 - √5 = 2√6
∴ p3 + (1/p3) = {p + (1/p)}3 - 3 × p × (1/p){p + (1/p)} - 5√6
= {(2√6)3 - 3 × 2√6} - 5√6
= (48√6 - 6√6) - 5√6
= 42√6 - 5√6
= 37√6
৬৯.
৪ : ৩, ৬ : ৫ এবং ৭ : ৬ এই অনুপাতগুলোর মিশ্র অনুপাত কত?
  1. ২৩ : ৩০
  2. ২৮ : ১৫
  3. ১৭ : ৩১
  4. ৯ : ২৩
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৪ : ৩, ৬ : ৫ এবং ৭ : ৬ এই অনুপাতগুলোর মিশ্র অনুপাত কত?

সমাধান :
দেওয়া আছে,
অনুপাতগুলো = ৪ : ৩, ৬ : ৫ এবং ৭ : ৬

অনুপাত তিনটির পূর্ব রাশিগুলোর গুণফল = (৪ × ৬ × ৭) = ১৬৮
অনুপাত তিনটির উত্তর রাশিগুলোর গুণফল = (৩ × ৫ × ৬) = ৯০

∴ নির্ণেয় মিশ্র অনুপাত = ১৬৮ : ৯০
= ২৮ : ১৫
৭০.
  1. 0
  2. log 8
  3. log 16
  4. log 18
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 

সমাধান:

৭১.
একটি সিলিন্ডারের দৈর্ঘ্য ২১ ফুট এবং ব্যাসার্ধ ৪ ফুট হলে এর আয়তন কত?
  1. ১২৬২ ঘন ফুট
  2. ৯৮২ ঘন ফুট
  3. ১০৫৬ ঘন ফুট
  4. ১১২৪ ঘন ফুট
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সিলিন্ডারের দৈর্ঘ্য ২১ ফুট এবং ব্যাসার্ধ ৪ ফুট হলে এর আয়তন কত?

সমাধান:
সিলিন্ডারের দৈর্ঘ্য h = ২১ ফুট
সিলিন্ডারের ব্যাসার্ধ r = ৪ ফুট

সিলিন্ডারের আয়তন = πr2h
= (২২/৭) × ৪ × ২১
= ২২ × ১৬ × ৩
= ১০৫৬ ঘন ফুট
৭২.
হিমেল অফিসের কাজ শেষ করে অফিস থেকে তার শ্বশুর বাড়ির উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করলো। প্রথমে সে অফিস থেকে ১০ কি.মি. উত্তরে গিয়ে ২১ কি.মি. পূর্বে যায় এবং এরপর ১০ কি.মি. উত্তরে যায়। অফিস থেকে হিমেলের শ্বশুর বাড়ির সোজাসজি দূরত্ব কত?
  1. ২৯ কি.মি.
  2. ৩১ কি.মি.
  3. ৩৩.৫ কি.মি.
  4. ৪১ কি.মি.
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: হিমেল অফিসের কাজ শেষ করে অফিস থেকে তার শ্বশুর বাড়ির উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করলো। প্রথমে সে অফিস থেকে ১০ কি.মি. উত্তরে গিয়ে ২১ কি.মি. পূর্বে যায় এবং এরপর ১০ কি.মি. উত্তরে যায়। অফিস থেকে হিমেলের শ্বশুর বাড়ির সোজাসজি দূরত্ব কত?

সমাধান:

অফিসকে A এবং শ্বশুর বাড়িকে D ধরলে
সরাসরি দূরত্ব AD = √(২০ + ২১
= √(৪০০ + ৪৪১)
= √৮৪১
= ২৯ কি.মি.
৭৩.
যদি LOVE এর কোড MQYI হয়, তাহলে EVIL এর কোড কী হবে?
  1. TROV
  2. UORY
  3. FXLP
  4. UQRW
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি LOVE এর কোড MQYI হয়, তাহলে EVIL এর কোড কী হবে?

সমাধান:


'LOVE' = 'MQYI'
L + 1 = M
O + 2 = Q
V + 3 = Y
E + 4 = I

∴ EVIL এর ক্ষেত্রে,
E + 1 = F
V + 2 = X
I + 3 = L
L + 4 = P

∴ 'EVIL' = 'FXLP'

৭৪.
৮ জন কর্মী ৮টি চেয়ার ৮ ঘণ্টায় তৈরি করতে পারে। ২০ জন কর্মী ২০টি চেয়ার তৈরি করতে কত সময় লাগবে?
  1. ৮ ঘণ্টায়
  2. ১৬ ঘণ্টায়
  3. ২০ ঘণ্টায়
  4. ২৪ ঘণ্টায়
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৮ জন কর্মী ৮টি চেয়ার ৮ ঘণ্টায় তৈরি করতে পারে। ২০ জন কর্মী ২০টি চেয়ার তৈরি করতে কত সময় লাগবে?

সমাধান:
সমাধান:
৮ জন কর্মী ৮টি চেয়ার তৈরি করতে পারে ৮ ঘণ্টায়
∴ ১ জন কর্মী ১টি চেয়ার তৈরি করতে পারে = (৮ × ৮)/৮ ঘণ্টায়
∴ ২০ জন কর্মী ২০টি চেয়ার তৈরি করতে পারে = (৮ × ৮ × ২০)/(৮ × ২০) ঘণ্টায়
= ৮ ঘণ্টায়
৭৫.
ইতালির সাথে রোম যেভাবে সম্পর্কিত, অস্ট্রেলিয়ার সাথে তেমনি কোনটি সম্পর্কিত?
  1. সিডনি
  2. মেলবোর্ন
  3. হোবার্ট
  4. ক্যানবেরা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ইতালির সাথে রোম যেভাবে সম্পর্কিত, অস্ট্রেলিয়ার সাথে তেমনি কোনটি সম্পর্কিত?

সমাধান:
• ইতালির রাজধানীর নাম রোম। একইভাবে অস্ট্রেলিয়ার রাজধানীর নাম ক্যানবেরা।
৭৬.
কোন বানানটি অশুদ্ধ?
  1. Lieutenant
  2. Farewell
  3. Affectionate
  4. Revenous
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন বানানটি অশুদ্ধ?

সমাধান:
• Lieutenant, Farewell এবং Affectionate বানান তিনটি শুদ্ধ।
• Revenous বানানটি ভুল।
• সঠিক বানান: Ravenous.
• বাংলা অর্থ - লোলুপ, লোভী, রাক্ষুসে।
৭৭.
প্রদত্ত চিত্রে কতটি ত্রিভুজ আছে? 
  1. 20টি
  2. 15টি
  3. 16টি
  4. 18টি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: প্রদত্ত চিত্রে কতটি ত্রিভুজ আছে? 

সমাধান:

১টি ফাঁকা স্থান নিয়ে ত্রিভুজ আছে = AFB, FEB, EBC, DEC, DFE এবং AFD = 6টি 
২টি ফাঁকা স্থান নিয়ে ত্রিভুজ আছে = AEB, FBC, DFC, ADE, DBE এবং ABD= 6 টি 
৩টি ফাঁকা স্থান নিয়ে ত্রিভুজ আছে = ADC এবং  ABC= 2টি 
৪টি ফাঁকা স্থান নিয়ে ত্রিভুজ আছে = DBC = 1টি 

মোট ত্রিভুজ আছে 6 + 6 + 2 + 1 = 15 টি 
৭৮.
০, ৩, ৮, ১৫, ........ ধারাটির অষ্টম পদটি কত?
  1. ৫৯
  2. ৬১
  3. ৬৩
  4. ৬৭
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ০, ৩, ৮, ১৫, ........ ধারাটির অষ্টম পদটি কত?

সমাধান:
এখানে,
১ম পদ = ০
২য় পদ = ০ + ৩ = ৩
৩য় পদ = ৩ + ৫ = ৮
৪র্থ পদ = ৮ + ৭ = ১৫
৫ম পদ = ১৫ + ৯ = ২৪
৬ষ্ঠ পদ = ২৪ + ১১ = ৩৫
৭ম পদ = ৩৫ + ১৩ = ৪৮
৮ম পদ = ৪৮ + ১৫ = ৬৩
৭৯.
২০২৫ সালের ১৫ জানুয়ারি বুধবার হলে ঐ বছরের ৯ ফেব্রুয়ারি কী বার হবে?
  1. শনিবার
  2. রবিবার
  3. সোমবার
  4. মঙ্গলবার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ২০২৫ সালের ১৫ জানুয়ারি বুধবার হলে ঐ বছরের ৯ ফেব্রুয়ারি কী বার হবে?

সমাধান:
১৫ জানুয়ারি = বুধবার
১৫ + ৭ = ২২ জানিয়ারি; ২২ + ৭ = ২৯ জানুয়ারি ⇒ বুধবার
৩০ জানুয়ারি শনিবার ⇒ বৃহস্পতিবার
৩১ জানুয়ারি ⇒ শুক্রবার
১ ফেব্রুয়ারি ⇒ শনিবার
১ + ৭ = ৮ ফেব্রুয়ারি ⇒ শনিবার
৯ ফেব্রুয়ারি ⇒ রবিবার
৮০.
নিচের চিত্রটি ভাঁজ করে বক্স তৈরি করলে কেমন দেখাবে?
  1. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের চিত্রটি ভাঁজ করে বক্স তৈরি করলে কেমন দেখাবে?

সমাধান:
একই বাহুবিশিষ্ট ছয়টি বর্গাকার তল দ্বারা ঘনক গঠিত হয়। ঘনকের ছয়টি তলের মধ্যে সর্বাধিক তিনটি তল একসাথে দেখা যায়।চিত্রটি ভাঁজ করে বক্স তৈরি করলে   ও চিত্রটি পাওয়া যায়।

৮১.
একটি ট্রেন ৩০ সেকেন্ড ও ৪০ সেকেন্ডে যথাক্রমে ৩০০ মিটার ও ৪৫০ মিটার লম্বা দুটি সেতু অতিক্রম করে। ট্রেনটির দৈর্ঘ্য কত মিটার?
  1. ১২০ মিটার
  2. ১৩০ মিটার
  3. ১৫০ মিটার
  4. ১৬০ মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ট্রেন ৩০ সেকেন্ড ও ৪০ সেকেন্ডে যথাক্রমে ৩০০ মিটার ও ৪৫০ মিটার লম্বা দুটি সেতু অতিক্রম করে। ট্রেনটির দৈর্ঘ্য কত মিটার?

সমাধান:
ধরি,
ট্রেনটির দৈর্ঘ্য = ক মিটার
প্রশ্নমতে,
(ক + ৩০০)/৩০ = (ক + ৪৫০)/৪০
⇒ ৪০(ক + ৩০০) = ৩০(ক + ৪৫০)
⇒ ৪০ক + ১২০০০ = ৩০ক + ১৩৫০০
⇒ ৪০ক - ৩০ক = ১৩৫০০ - ১২০০০
⇒ ১০ক = ১৫০০
∴ ক = ১৫০ মিটার
অতেব, ট্রেনটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার।
৮২.
তুলসী বনের বাঘ : বকধার্মিক :: পটল তোলা : ?
  1. অক্কা পাওয়া
  2. ভিজা বিড়াল
  3. লঙ্কাকান্ড
  4. উড়নচন্ডী
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: তুলসী বনের বাঘ : বকধার্মিক :: পটল তোলা : ?

সমাধান:
• তুলসী বনের বাঘ ও বকধার্মিক বাগধারা দুটি একই অর্থ (ভণ্ড) প্রকাশ করে।
• অনুরূপভাবে পটল তোলা ও অক্কা পাওয়া বাগধারা দুটি একই অর্থ (মারা যাওয়া) প্রকাশ করে।

- ভিজা বিড়াল বাগধারাটি অর্থ সাধু বেশে অসৎ লোক।
- লঙ্কাকান্ড বাগধারাটির অর্থ হুলুস্থুল অবস্থার সৃষ্টি করা।
- উড়নচন্ডী বাগধারাটির অর্থ হলো অপব্যয়ীত।
৮৩.
আপনার বাড়ির সামনে একটি ছিনতাই হচ্ছে। কোন কাজটি করা আপনার জন্য অধিক যুক্তিযুক্ত?
  1. ছিনতাইকারীর সঙ্গে সরাসরি লড়াই করা
  2. ঘটনাটি ভিডিও করা
  3. পুলিশকে ফোন করা
  4. চুপচাপ ঘটনা পর্যবেক্ষণ করা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: আপনার বাড়ির সামনে একটি ছিনতাই হচ্ছে। কোন কাজটি করা আপনার জন্য অধিক যুক্তিযুক্ত?

সমাধান:
যদি আপনি দেখতে পান যে আপনার সামনে ছিনতাই হচ্ছে, তবে পুলিশকে ফোন করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারবে এবং অপরাধীকে গ্রেফতার করতে সহায়তা করবে। ছিনতাইকারীর সঙ্গে সরাসরি লড়াই করা বা ঘটনাটি ভিডিও করা আপনার নিজের নিরাপত্তার জন্য বিপদজনক হতে পারে, কারণ ছিনতাইকারী অস্ত্রসহ হতে পারে।
চুপচাপ ঘটনা পর্যবেক্ষণ করে পুলিশের সহায়তা নিতে না পারলে, পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। অতএব, আপনার বাড়ির সামনে ছিনতাই হলে প্রথমে পুলিশকে ফোন করা অধিক যুক্তিযুক্ত কাজ হবে।
৮৪.
মৌলের নিউট্রন সংখ্যা কত?
  1. 7
  2. 8
  3. 9
  4. 17
ব্যাখ্যা
পারমাণবিক সংখ্যা ও ভর সংখ্যা লেখার নিয়ম: 
- কোন মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা (Z) যত তার নিউক্লিয়াসে ঠিক ততটি প্রোটন থাকে। 
- যদি কোন পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা Z হয়, তবে সেই পরমাণুতে Z সংখ্যক প্রোটন ও Z সংখ্যক ইলেকট্রন আছে। 
- পরমাণুর ভর সংখ্যা যদি A হয়, তবে নিউট্রনের সংখ্যা = A - Z. 
- কোন মৌলের পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা, ভর সংখ্যা নিম্ন রীতিতে দেখানো হয়- 

এখানে, 
X = মৌলের প্রতীক। 
Z = মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা। এটি প্রতীকের বাম পার্শ্বে পাদদেশে বসে। 
A = পরমাণুর ভর সংখ্যা। এটি প্রতীকের বাম পার্শ্বে শীর্ষদেশে বসে। এটি প্রোটন ও নিউট্রনের সংখ্যা যাকে নিউক্লিয়ন সংখ্যাও বলা হয়। 

অক্সিজেন (O) মৌলের নিউট্রন সংখ্যা নির্ণয়: 

- অক্সিজেনের প্রোটন সংখ্যা 8 এবং 
- নিউক্লিয়ন সংখ্যা বা পারমাণবিক ভর 17 
অতএব, অক্সিজেনের নিউট্রন সংখ্যা হবে = 17 - 8 = 9 । 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৫.
মানবদেহে কয় স্তরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা আছে? 
  1. দুই স্তর
  2. তিন স্তর
  3. চার স্তর
  4. পাঁচ স্তর
ব্যাখ্যা
ইম্যুনাইজেশন: 
- মানুষের শরীরের সংক্রামক রোগের প্রতিরোধক তৈরি করার প্রক্রিয়াকে ইম্যুনাইজেশন বলে। 
- মানবদেহে রোগজীবাণুর আক্রমণের বিরুদ্ধে তিন স্তরবিশিষ্ট প্রতিরোধব্যবস্থা বিদ্যমান। 
যথা- 
১. প্রথম প্রতিরক্ষা স্তর: 
- প্রতিরক্ষাব্যবস্থার প্রথম স্তর হলো প্যাথোজেনকে (রোগজীবাণুকে) দেহের অভ্যন্তরে প্রবেশে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা। 
- এই ব্যবস্থায় আছে- (i) ত্বক, (ii) মিউকাস মেমব্রেন, (iii) শ্বসনতন্ত্রের সিলিয়া, (iv) পাকস্থলীর অ্যাসিড এবং (v) চোখের আবরণ ও অশ্রু। 

২. দ্বিতীয় প্রতিরক্ষা স্তর: 
- প্রথম প্রতিরক্ষা স্তর অতিক্রম করে কোনো রোগজীবাণু দেহাভ্যন্তরে প্রবেশ করতে গেলে দ্বিতীয় প্রতিরক্ষাব্যবস্থা দ্বারা প্রতিহত হয়। 
- এই ব্যবস্থায় আছে- (i) ব্যাথাদায়ক সাড়া, (ii) ফ্যাগোসাইটসমূহ, (iii) কমপ্লিমেন্ট, (iv) ইন্টারফেরন এবং (v) ন্যাচারাল কিলার সেল। 

৩. তৃতীয় প্রতিরক্ষা স্তর: 
- এই ব্যবস্থায় আছে- (i) লিম্ফোসাইট, (ii) MHC অণু এবং (ii) ক্লোনাল সিলেকশন। 

উৎস: জীববিজ্ঞান-প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
৮৬.
alkaline earth metal নিচের কোনটি?
  1. Na
  2. Ca
  3. Cu
  4. Au
ব্যাখ্যা
ক্ষার ধাতু (alkali metal): 
- পর্যায় সারণিতে হাইড্রোজেন ব্যতীত গ্রুপ-1 এ অবস্থিত মৌলসমূহকে ক্ষার ধাতু (alkali metal) বলা হয়। 
যেমন- লিথিয়াম (Li), সোডিয়াম (Na), পটাশিয়াম (K), রুবিডিয়াম (Rb) এর প্রত্যেকেই ক্ষার ধাতু। 
- এদের বিশেষ ধর্ম হলো এরা প্রত্যেকেই পানির সাথে বিক্রিয়া করে হাইড্রোজেন গ্যাস ও ক্ষার উৎপন্ন করে থাকে। 
- এরা প্রত্যেকেই একটি মাত্র ইলেকট্রনকে দান করে ধনাত্মক একযোজী আয়নে পরিণত হয় এবং আয়নিক বন্ধনের মাধ্যমে যৌগ গঠন করে। 

মৃৎক্ষার ধাতু (alkaline earth metal): 
- পর্যায় সারণিতে গ্রুপ-2 এ অবস্থিত মৌলগুলোকে মৃৎক্ষার ধাতু (alkaline earth metal) বলা হয়। 
যেমন- বেরিলিয়াম (Be), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), ক্যালসিয়াম (Ca), স্ট্রনসিয়াম (Sr) প্রত্যেকেই মৃৎক্ষার ধাতু। 
- এরাও ক্ষার ধাতুর মতো তড়িৎ ধনাত্মক মৌল। 
- দুটি করে ইলেকট্রনকে দান করে দ্বিধনাত্মক আয়নে পরিনত হয়। 
- অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সাইড যৌগ গঠন করে। 
- এদের অক্সাইড সমূহ পানিতে দ্রবীভূত হয়ে ক্ষারীয় দ্রবন উৎপন্ন করে। 
- মৃৎক্ষার ধাতুর মৌলগুলো বিভিন্ন যৌগ হিসেবে মাটিতে থাকে বলে এদের এরূপ নামকরণ করা হয়েছে। 

মুদ্রা ধাতু: 
- পর্যায় সারণির গ্রুপ-11 এর মাত্র তিনটি মৌলকে মুদ্রা ধাতু বলে। 
যেমন- কপার বা তামা (Cu), রূপা (Ag) ও সোনা (Au)। 
- এ মৌল তিনটির ধাতব উজ্জ্বলতা অসাধারণ। 
- বর্তমান বাজারে সংকর ধাতুর তৈরী ধাতব মুদ্রা প্রচলিত আছে। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৭.
তাপগতিবিদ্যার প্রথম সূত্রটি কে আবিষ্কার করেন? 
  1. ফ্যারাডে
  2. জুল
  3. এডিসন
  4. নিউটন
ব্যাখ্যা
তাপগতিবিদ্যার প্রথম সূত্র: 
- কাজ তথা যান্ত্রিক শক্তিকে তাপে বা তাপশক্তিকে কাজে তথা যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করা হলে যান্ত্রিক শক্তি এবং তাপ পরস্পরের সমানুপাতিক হবে। 
সুতরাং, W ∝ H
বা, W = JH 
এখানে, 
W হলো কাজের পরিমাণ, H হলো তাপের পরিমাণ এবং J হচ্ছে জুলের ধ্রুবক। 
- J কে তাপের যান্ত্রিক সমতা বা জুল তুল্যাঙ্কও বলা হয়। 
- বিজ্ঞানী জুল সর্বপ্রথম কাজ ও তাপের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করেন এবং এ সম্পর্কটি একটি সূত্রের সাহায্যে প্রকাশ করেন যা জুলের সূত্র বা তাপগতিবিদ্যার প্রথম সূত্র নামে পরিচিত। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৮.
'সিন্নাবার' কোন ধাতুর আকরিক? 
  1. লেড
  2. কপার
  3. মার্কারি
  4. জিংক
ব্যাখ্যা
- সিন্নাবার 'মার্কারি' ধাতুর একটি আকরিক। 

আকরিক: 
- সকল খনিজ পদার্থ থেকে লাভজনকভাবে ধাতু বা অধাতু আহরণ বা নিস্কাশন করা যায় না। 
- খনিতে প্রাপ্ত যে সকল যৌগিক পদার্থ থেকে ধাতু বা অধাতু লাভজনকভাবে নিস্কাশন করা যায় তাকে আকরিক বলে। 
- খনিতে আকরিকের সাথে বালি, পাথর, কাদামাটি ও অন্যান্য অপ্রয়োজনীয় পদার্থ মিশ্রিত অবস্থায় অপদ্রব্য বা ভেজাল হিসেবে থাকে। 
- এসকল অপদ্রব্যকে খনিজমল বলে। 


উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৯.
'টাইপিং কীস্ট্রোক' কোন ধরনের বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি?
  1. দেহের গঠন ও শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি
  2. প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্যের পদ্ধতি
  3. আচরণগত বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• বায়োমেট্রিক্স:
- গ্রিক শব্দ 'metric' অর্থ পরিমাপ এবং 'bio' অর্থ জীবন, এ দু’টি শব্দ থেকে Biometrics শব্দের উৎপত্তি।
- বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে কোন ব্যক্তির দেহের গঠন এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত বা সনাক্ত করা যায়।
- দেহের গঠন এবং আচরণগহত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি বিভিন্ন প্রকার হতে পারে। যথা-
ক. দেহের গঠন ও শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
১. ফিংগার প্রিন্ট (Fingerprint),
২. হ্যান্ড জিওমিট্রি (Hand geometry),
৩. আইরিস এবং রেটিনা স্ক্যান (Iris and retina scan),
৪. ফেইস রিকোগনিশন (Face recognition),
৫. ডিএনএ টেস্ট (DNA Test)।

খ. আচরণগত বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
১. ভয়েস রিকগনিশন (Voice recognition),
২. সিগনেচার ভেরিফিকেশন (Signature verification),
৩. টাইপিং কীস্ট্রোক (Keystroke verification)।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৯০.
কোনটি প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইসের উদাহরণ?
  1. পেন ড্রাইভ
  2. হার্ড ডিস্ক
  3. র‍্যাম
  4. ম্যাগনেটিক টেপ
ব্যাখ্যা
• স্টোরেজ ডিভাইস:
- স্টোরেজ ডিভাইস বা স্টোরেজ হার্ডওয়্যারে বিভিন্ন তথ্য, নির্দেশাবলি, অডিও, ভিডিও, ইমেজ স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়।
- স্টোরেজ ডিভাইসকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস এবং সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস।

• প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস:
- প্রাইমারি স্টোরেজ হলো মাইক্রোপ্রসেসরের কর্মক্ষেত্র বা ওয়ার্কপ্লেস।
- প্রোগ্রাম চলাকালীন সময়ে কম্পিউটারে প্রোগ্রামের বিভিন্ন তথ্য ও ফলাফলকে অস্থায়ীভাবে সংগ্রহের জন্য ব্যবহৃত ডিভাইসসমূহকে প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস বলা হয়। যেমন- র‍্যাম।

• প্রাইমারি স্টোরেজের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো-
- এ ধরনের স্টোরেজ সাধারণত সিপিইউয়ের সাথে সরাসরি সংযোগ থাকে।
- প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা এবং কম্পিউটারের নিজস্ব নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত কিছু প্রোগ্রাম প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস ধারণ করে।
- অ্যাকসেস সময় কম।
- ধারণক্ষমতা তুলনামূলকভাবে কম থাকে।
- ডেটা স্থানান্তরের গতি বেশি।
- বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে এ ধরনের স্টোরেজে সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় ইত্যাদি।

• সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস:
- কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণে তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারসমূহকে বলা হয় সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস।
- হার্ডডিস্ক, সিডি, ডিভিডি, পেনড্রাইভ, জিপ ড্রাইভ, ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইসের উদাহরণ।

উৎস : মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯১.
GSM এর 'S' দ্বারা কী বোঝায়?
  1. Structure
  2. System
  3. Standard
  4. Signal
ব্যাখ্যা
• জিএসএম:
- GSM এর পূর্ণরূপ Global System for Mobile Communication.
- জিএসএম বা গ্লোবাল সিস্টেম ফর মোবাইল কমিউনিকেশন (GSM) হলো মোবাইল টেলিফোনি সিস্টেমের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় স্ট্যান্ডার্ড।
- একে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সিস্টেম হিসেব বিবেচনা করা হয়।
- মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরদের মধ্যে রোমিং চুক্তি থাকার ফলে বিশ্বের যে কোন স্থান থেকে যেকোন ব্যক্তি জিএসএম এর আওতায় থাকা অবস্থায় নিজের মোবাইল ফোনটি ব্যবহার করতে পারছে।
- স্বল্প মূল্যের শর্ট মেসেজ সার্ভিস (এসএমএস) এর বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও জিএমএস পথিকৃত।
- GSM, TDMA (Time division multiple access) ব্যবহার করে যেসব মোবাইল ফোন সার্ভিস দেয়া হয় সেগুলো হল- এসএমএম, কল ফরওয়ার্ডিং, আউটগোয়িং কলকে নিয়ন্ত্রণ করা, ইনকামিং কলকে নিয়ন্ত্রণ করা, কল হোডিং, কলার আইডি, কলার ওয়েটিং, মাল্টিপার্টি সার্ভিস ইত্যাদি।

• জিএসএম এর বৈশিষ্ট্য:
- স্বল্প মূল্যের এসএমএস এর বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জিএসএম পথিকৃত।
- সেলুলার নেটওয়ার্ক বিধায় নির্দিষ্ট এলাকাতে মোবাইল ফোনগুলো জিএসএম এর সাথে সংযুক্ত হয়।
- সর্বোচ্চ দূরত্ব হলো ৩৫ কিলোমিটার।
- অধিকাংশ টুজি জিএসএম নেটওয়ার্কগুলো 900 MHz বা 1800MHz ব্যান্ডে পরিচালিত হয়।
- হ্যান্ডসেটের ট্রান্সমিশন ক্ষমতা ২ বা ১ ওয়াট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম , উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯২.
লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম সম্পর্কিত কোন তথ্যটি ভুল?
  1. মাল্টি টাস্কিং ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম।
  2. বর্ণভিত্তিক ও চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
  3. সিকিউরিটি ও গ্রাফিক্স অত্যন্ত শক্তিশালী ।
  4. কোনটিই নয়।
ব্যাখ্যা
• লিনাক্স (LINUX):
- লিনাক্স হচ্ছে একটি মাল্টি টাস্কিং ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম।
- এটি UNIX অপারেটিং সিস্টেমের একটি বিশেষ সংস্করণ।
- ১৯৯০ সালে ফিনল্যান্ডের লিনাস টারভোল্ডাস লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেন।
- GNU নামের একটি সংস্থা এর সাথে বিভিন্ন শেল, উইন্ডো ম্যানেজমেন্ট ও ইউটিলিটি যোগ করে একে পুরোপুরি একটি অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে দাঁড় করিয়েছে।

• লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের অন্যতম সুবিধাসমূহ হলো:
- লিনাক্স বর্ণভিত্তিক ও চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- লিনাক্স ওপেন সোর্স কোডভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- ইন্টারনেট হতে সহজেই লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম ডাউনলোড করা যায়।
- নেটওয়ার্ক সাপোর্ট সার্ভিস উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের তুলনায় অধিকতর শক্তিশালী।
- এটির সিকিউরিটি ও গ্রাফিক্স অত্যন্ত শক্তিশালী ।
- লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের ওপর নিজের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা যায় ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৩.
ইন্টারনেটে ব্যবহারকারীদের সুরক্ষা ও গোপনীয়তা রক্ষার জন্য কোন প্রোটোকল ব্যবহৃত হয়?
  1. FTP
  2. HTTPS
  3. TCP
  4. POP3
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেটে ব্যবহারকারীদের সুরক্ষা ও গোপনীয়তা রক্ষার জন্য HTTPS প্রোটোকল ব্যবহৃত হয়।

• HTTPS:
- https এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Hypertext Transfer Protocol Secure.
- HTTPS হলো একটি প্রোটোকল যা ব্যবহারকারীর ওয়েব ব্রাউজার এবং একটি ওয়েবসাইটের মধ্যে যোগাযোগ এবং ডেটা স্থানান্তর সুরক্ষিত করে।
- কোন ওয়েবসাইটের ঠিকানায় ব্যবহৃত https এর 'S' দিয়ে Secured (সুরক্ষিত) বোঝায়।
- HTTPS Protocol-টি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে।
- https, http-এর চেয়ে অধিকতর নিরাপদ।
- সাধারণত প্রায় সব ওয়েব অ্যাড্রেসই শুরু হয় http:// দিয়ে।
- তাই ওয়েব অ্যাড্রেসে এ অংশটি লিখা হয় না। www অংশ দিয়েই শুরু করা হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. Techtarget Website.
৯৪.
নিচের কোন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজটি জেমস গসলিং উদ্ভাবন করেন?
  1. জাভা
  2. পাইথন
  3. সি
  4. রুবি
ব্যাখ্যা
• জাভা (Java):
- জাভা (Java) একটি হাই লেভেল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।
- ১৯৯১ সালে সান মাইক্রো সিস্টেম জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের সূচনা করে।
- ১৯৯৫ সালে জেমস গসলিং জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ উদ্ভাবন করে।

• অন্যান্য অপশনসমূহ সম্পর্কে আলোচনা:
- ১৯৮৯ সালে ভ্যান রোসাম পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ উদ্ভাবন করে।
- আমেরিকার বেল ল্যাবরেটরির ডেনিস রিচি ১৯৭০ সালে 'সি' প্রোগ্রামিং ভাষার উদ্ভাবন করেন।
- ১৯৯০ সালে ইউকিহিরো ম্যাটসুমোটো নামক একজন জাপানি প্রোগ্রামার রুবি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ তৈরি করেন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৯৫.
ওসিআর প্রযুক্তি কী ধরনের ফরমেটে আউটপুট প্রদান করে?
  1. অডিও
  2. ইমেজ
  3. ভিডিও
  4. টেক্সট
ব্যাখ্যা
• ওসিআর (OCR):
- ওসিআর (OCR) এর পূর্ণরূপ Optical Character Recognition
- ওসিআর হাতের লেখা, টাইপ করা লেখা অথবা প্রিন্ট করা লেখাকে পড়ে মেশিন এনকোডেড টেক্সটে রূপান্তরিত করে।

• ওসিআর (OCR) এর বৈশিষ্ট্য:
১. অপটিক্যাল ক্যারেক্টার রিকগনাইজার বিশেষ ধরনের বর্ণ বা বর্ণ সমষ্টিকে অনুধাবন করে সমতুল্য বৈদ্যুতিক পালস উৎপন্ন করে। এ বৈদ্যুতিক পালস থেকে কম্পিউটার উপযোগী ডাটা তৈরি করে।
২. ওসিআর সফটওয়্যার ব্যবহার করে স্ক্যানার হতে প্রাপ্ত ইমেজকে টেক্সট ফরমেটে রূপান্তর করে প্রয়োজনীয় সংশোধন করা যায়।
৩. টাইপ রাইটার বা হাতের লেখা বর্ণসমূহকে রিড করার জন্য প্রতিটি বর্ণের আকার আকৃতি নির্দিষ্ট অবিকলের হওয়া প্রয়োজন।
৪. এ সিস্টেমে কাগজের উপস্থিতি কারেক্টারগুলোকে ওসিআর দ্বারা স্ক্যান করার পর একে কম্পিউটারে সংরক্ষিত কারেক্টার ফন্টের সাথে তুলনা করা হয়। যদি স্ক্যান করা কাগজের কারেক্টার এবং কম্পিউটারে সংরক্ষিত কারেক্টার ফন্ট মিলে যায় তবে কম্পিউটার স্ক্যান করা কারেক্টরকে সংরক্ষণ করে অন্যথায় উক্ত কাগজের তথ্য ভুল হিসেবে গণ্য করে।
৫. ওসিআর দ্বারা সেকেন্ডে সর্বোচ্চ ২৪০০ কারেক্টার পড়া যায়। ব্যাংক, ইনসুরেন্স কোম্পানি, এয়ার লাইন ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ওসিআর ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৯৬.
একটি টেবিলের প্রাইমারী কী-এর সাথে অন্য টেবিলের ফরেন কী-এর সম্পর্ক হলে কোন রিলেশন তৈরি হয়?
  1. One to One
  2. Many to Many
  3. One to Many
  4. All of the above
ব্যাখ্যা
• ডেটাবেজ রিলেশন:
- কোন ডেটাবেজে অবস্থিত টেবিলগুলোর মধ্যে সম্পর্ককে ডেটাবেজ রিলেশন বলা হয়।
- ডেটাবেজ রিলেশন ৩ ধরনের হতে পারে। যথা -

১. One to One Relation:
- কোন টেবিলের একটি রেকর্ডের জন্যে অন্য ডেটা টেবিলে একটিমাত্র রেকর্ড থাকলে তাকে One to One Relation বলে।

২. One to Many Relation:
- কোন টেবিলের একটি রেকর্ডের সাথে অন্য টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সম্পর্ক থাকলে তাকে One to Many Relation বলে।
- একটি টেবিলের প্রাইমারী কী-এর সাথে অন্য টেবিলের ফরেন কী-এর সম্পর্ক হলে One to Many রিলেশন তৈরি হয়।

৩. Many to Many Relation:
- কোন টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সাথে অন্য কোন টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সম্পর্ক থাকলে, তাকে Many to Many Relation বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, বাংলাদেশ।
৯৭.
অপটিকাল ফাইবারের সবচেয়ে ভিতরের অংশের নাম কী?
  1. ক্ল্যাডিং
  2. জ্যাকেট
  3. বাফার
  4. কোর
ব্যাখ্যা
• ফাইবার অপটিক ক্যাবল:
- অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল হলো এক ধরনের আলোক পরিবাহী তার যা এক বা একাধিক অপটিক্যাল ফাইবার দিয়ে তৈরি।
- অপটিক্যাল ফাইবার বিদ্যুৎ অপরিবাহী।
- অপটিক্যাল ফাইবারে ইলেকট্রিক্যাল সিগনালের পরিবর্তে আলোর পালস ব্যবহৃত হয়।
- ফাইবার তৈরির জন্য বৈদ্যুতিক অন্তরক পদার্থ হিসেবে সিলিকা এবং মাল্টি কমপোনেন্ট কাঁচ ব্যবহৃত হয়।
- অপটিক্যাল ফাইবারে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন পদ্ধতিতে ডেটা উৎস থেকে গন্তব্যে গমন করে।
- ফাইবার অপটিকে তিনটি অংশ থাকে। যথা-
১. কোর:
- সবচেয়ে ভিতরের অংশ হচ্ছে কোর যা কাঁচ বা প্লাস্টিক দ্বারা তৈরি যা ১০০ মাইক্রোমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।

২. ক্ল্যাডিং:
- কোরকে আবদ্ধ করে থাকা বাইরের ডাই-ইলেকট্রিক আবরণকে ক্ল্যাডিং বলে।

৩. জ্যাকেট:
- অপটিক্যাল ফাইবারের আবরণকে জ্যাকেট বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি , প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৯৮.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে নিহত মাদার মারিও ভেরেনজি কোন দেশের নাগরিক ছিলেন?
  1. জার্মানি
  2. ইতালি
  3. অস্ট্রিয়া
  4. অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
মাদার মারিও ভেরেনজি:
- মাদার মারিও ভেরেনজি ইতালির নাগরিক ছিলেন।
- ফাদার ভেরেনজি যশোর ফাতিমা ক্যাথলিক হাসপাতালের চারজন ইতালীয় যাজকের একজন ছিলেন।
- সকলেই জাভেরিয়ান আদেশের সদস্য ছিলেন।
- বাংলাদেশের যশোর জেলায় স্থাপিত খ্রিস্টান চার্চের দায়িত্ব পালনকালে ৪ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গুলিতে তিনি নিহত হন।
- তাকে যশোর ক্যাথলিক হাসপাতালের মাঠে সমাহিত করা হয়।

এছাড়াও, 
ডব্লিউ এ.এস. ওডারল্যান্ড:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্যে একমাত্র বিদেশি নাগরিক হিসেবে বীর প্রতীক খেতাব লাভ করেন ডব্লিউ এ.এস. ওডারল্যান্ড।
- তিনি অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। তবে তার জন্ম নেদারল্যান্ডসে।
- ওডারল্যান্ড ১৯৭১ সালে ঢাকা বাটা সু কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ২নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।
- ওডারল্যান্ড ২০০১ সালের ১৮ মে অস্ট্রেলিয়ায় মারা যান।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯৯.
বাংলাদেশের কৃষিতে 'প্রতিভা' উন্নত জাতের -
  1. টমেটো
  2. ভুট্টা
  3. ধান
  4. গম
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের কৃষিতে প্রতিভা উন্নত জাতের গম। 
- উন্নত জাতের গম:- দোয়েল,আনন্দ,আকবর,বরকত,অগ্রণী,বলাকা, প্রতিভা

অন্যদিকে: 
• উন্নত জাতের ধান:- ময়না, হীরা, মালা, ইরাটম, চান্দিনা, ব্রিশাইল, সুফলা, হরিধান।
• উন্নত জাতের ভুট্টা:- বর্ণালি, শুভ্র, উত্তরণ।
• উন্নত জাতের টমেটো:- বাহার, মানিক, রতন, মিন্টো, ঝুমকা।

সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১০০.
কত সালে বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর (VAT) চালু হয়?
  1. ১৯৯০ সালে
  2. ১৯৯১ সালে
  3. ১৯৯২ সালে
  4. ১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
মূল্য সংযোজন কর (VAT):
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক) হচ্ছে কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে তার উৎপাদন ও বণ্টনের প্রতিটি পর্যায় শেষে সংযোজিত মূল্যের ওপর শতকরা হারের কর।
- মূল্য সংযোজন কর বা Value Added Tax (VAT) হলো এক প্রকার পরোক্ষ কর।
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই থেকে ভ্যাট বা মূসক চালু হয়।
- ২০১২ সালে এটি সংশোধন করে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন-২০১২ পাশ হয় যা ১ জুলাই, ২০১৯ থেকে কার্যকর হয়।

উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট।
১০১.
১৯৫২ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনে সমর্থন দেওয়ায় কোন পত্রিকাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়?
  1. পাকিস্তান অবজারভার
  2. দৈনিক ইনকিলাব
  3. দ্য ডন
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
- ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের সময় ‘সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠন করা হয় তমাদ্দুন মজলিশ, ইসলামী ছাত্রসংঘ, যুবসংঘ এবং পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের মতো সংগঠনের প্রতিনিধিদের নিয়ে।
- এই পরিষদ ৪ ফেব্রুয়ারির কর্মসূচিকে সমর্থন করে এবং ২১ ফেব্রুয়ারিতে সারা পূর্ব পাকিস্তানে হরতাল, বিক্ষোভ এবং সভার কর্মসূচি ঘোষণা করে।
- ২১ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণের কারণ ছিল সেদিন পূর্ববাংলা ব্যবস্থাপক পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করা হয়েছিল, যেখানে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দিতে চাপ সৃষ্টির পরিকল্পনা করা হয়।
- ১৯৫২ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনে সমর্থন দেওয়ায় ‘দৈনিক পাকিস্তান অবজারভার’ নিষিদ্ধ করা হয় এবং ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে এক মাসের জন্য ঢাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়, যার অধীনে চার বা ততোধিক ব্যক্তির সমাগম নিষিদ্ধ ছিল। 

সূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্ৰেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০২.
বালেশ্বর ও মেঘনার মধ্যবর্তী অঞ্চলে কোন জনপদে অবস্থিত ছিল?
  1. চন্দ্রদ্বীপ
  2. তাম্রলিপ্ত
  3. রাঢ়
  4. বরেন্দ্র
ব্যাখ্যা
চন্দ্রদ্বীপ:
- বর্তমান বরিশাল জেলা ছিল চন্দ্রদ্বীপের মূল ভূখন্ড ও প্রাণকেন্দ্র।
- এ প্রাচীন জনপদটি বালেশ্বর ও মেঘনার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত ছিল।
- চন্দ্রদ্বীপ নামের আগে এ অঞ্চলটির নাম ছিল ‘বাকলা’। 
- চন্দ্রদ্বীপের রাজধানী ছিল কচুয়া।
- মধ্যযুগে চন্দ্রদ্বীপ বেশ সমৃদ্ধ ছিল।
 
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১০৩.
বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মেয়াদ কত বছর?
  1. ৬ বছর
  2. ৪ বছর
  3. ৩ বছর
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও মুদ্রা নিয়ন্ত্রণের প্রধান কর্তৃপক্ষ।
- এটি বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ, ১৯৭২-এর মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মেয়াদ ৪ বছর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর: আহসান এইচ মনসুর (১৩তম)।
- ব্যাংকটি পরিচালনার জন্য ৮ সদস্যবিশিষ্ট একটি পরিচালনা পর্ষদ রয়েছে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এ পর্ষদের সভাপতি।

উৎস: Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।
১০৪.
'কাটারিভোগ' ধানের জন্য প্রসিদ্ধ জেলা কোনটি?
  1. কুমিল্লা
  2. দিনাজপুর
  3. বরিশাল
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
কাটারিভোগ ধান:
- কাটারিভোগ বাংলাদেশের একটি সুগন্ধি চাল।
- এটি প্রধানত দিনাজপুর এলাকায় পাওয়া যায়।
- কাটারিভোগ জাতের ধান কৃষকেরা আমন মৌসুমে ফলায়।
- দিনাজপুরের কাটারিভোগ বাংলাদেশের একটি ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (জিআই)।

এছাড়াও,
- 'কালিজিরা' ধান মূলত বাংলাদেশের চট্টগ্রামের মিরসরাই আবাদ হয়।
- 'বিরই' ধান মূলত বাংলাদেশের ময়মনসিংহ অঞ্চলে আবাদ হয়।
- 'বালাম' ধান মূলত বাংলাদেশের বরিশাল ও পটুয়াখালী অঞ্চলে আবাদ হয়।
- 'চিনিগুড়া' ধান মূলত বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলায় আবাদ হয়।
- 'হরিধান' মূলত বাংলাদেশের ঝিনাইদহ জেলায় আবাদ হয়।

সূত্র- কৃষি তথ্য সার্ভিস এবং দিনাজপুর জেলা ওয়েবসাইট।
১০৫.
যুক্তফ্রন্ট সরকারের ২১ দফার মধ্যে ভাষা সংক্রান্ত দফা ছিলো কয়টি?
  1. দুইটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. পাঁচটি
ব্যাখ্যা
একুশ দফা:
- একুশ দফা ১৯৫৪ সালে পূর্ববাংলা প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং পূর্ববাংলায় মুসলিম লীগ শাসনের অবসানকল্পে আওয়ামী মুসলিম লীগ, কৃষক-শ্রমিক পার্টি, নেজামে ইসলাম ও গণতন্ত্রী দলের সমন্বয়ে ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর যুক্তফ্রণ্ট নামে এক নির্বাচনী মোর্চা গঠিত হয়।
- এ মোর্চা গঠনের প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন কৃষক-শ্রমিক পার্টির সভাপতি এ.কে ফজলুল হক, আওয়ামী মুসলিম লীগের সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, এবং আওয়ামী মুসলিম লীগ নেতা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
- যুক্তফ্রণ্টের পক্ষ থেকে ২১টি প্রতিশ্রুতি সম্বলিত যে নির্বাচনী মেনিফেস্টো ঘোষণা করা হয় তা-ই ২১-দফা নামে পরিচিত।
- যুক্তফ্রন্ট সরকারের ২১ দফার মধ্যে ভাষা সংক্রান্ত দফা ছিলো ৫টি।
- এগুলা হলো ১, ১০, ১৬, ১৭, ১৮ নং দফা।

এই দফাগুলো সংক্ষেপে বর্ণিত হল:
১. বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা।
২. বিনা ক্ষতিপূরণে জমিদারি উচ্ছেদ করা এবং ভূমিহীন কৃষকদের মধ্যে উদ্বৃত্ত জমি বিতরণ।
৩. পাটের ব্যবসায় জাতীয়করণ করা।
৪. সমবায় কৃষি ব্যবস্থা প্রবর্তন করা।
৫. পূর্ব পাকিস্তানে লবণ শিল্প প্রতিষ্ঠা করা।
৬. কারিগর মুহাজিরদের কাজের ব্যবস্থা করা।
৭. বন্যা ও দুর্ভিক্ষ রোধের জন্য খাল খনন ও সেচের ব্যবস্থা করা
৮. শিল্প ও খাদ্যে দেশকে স্বাবলম্বী করা।
৯. অবৈতনিক বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষার প্রবর্তন করা
১০. শিক্ষাব্যবস্থার আমূল সংস্কার, মাতৃভাষায় শিক্ষাদান, সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয়ের মধ্যকার বৈষম্য বিলোপ করে সকল বিদ্যালয়কে সরকারি সাহায্যপুষ্ট প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা হবে;
১১. ঢাকা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়কে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা।
১২. শাসন ব্যয় হ্রাস করা ও মন্ত্রীদের বেতন এক হাজার টাকার বেশি না করা।
১৩. দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি বন্ধ করার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
১৪. জন নিরাপত্তা আইন ও অর্ডিন্যান্স প্রভৃতি বাতিল করা।
১৫. বিচার ও শাসন বিভাগ পৃথকীকরণ করা।
১৬. মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন 'বর্ধমান হাউস'কে বাংলা ভাষা গবেষণাগারে পরিণত করা।
১৭. বাংলা ভাষা করার দাবিতে নিহত শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে শহীদ মিনার নির্মাণ করা।
১৮. একুশে ফেব্রুয়ারিকে শহীদ দিবস ঘোষণা করে সরকারি ছুটির দিন ঘোষণা।
১৯. লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে পূর্ব পাকিস্তানের পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন প্রদান।
২০. আইন পরিষদের মেয়াদ কোনোভাবেই বৃদ্ধি না করা।
২১. আইন পরিষদের আসন শূন্য হলে তিন মাসের মধ্যে উপনির্বাচন দিয়ে তা পূরণ করা।

সূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১০৬.
ঢাকা জেলায় কয়টি সংসদীয় আসন রয়েছে?
  1. ২৩টি
  2. ২০টি
  3. ১৯টি
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
সংসদীয় আসন:
- বাংলাদেশের ঢাকা জেলায় সবচেয়ে বেশি সংসদীয় আসন রয়েছে।
- ২০টি আসন রয়েছে ঢাকা জেলায়।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি।
- এর মধ্যে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত আসন সংখ্যা ৩০০টি।
- জাতীয় সংসদের ৩০০নং আসন হলো বান্দরবান।
- ১ নং আসন হলো পঞ্চগড়-১।
- বান্দরবান, রাঙামাটি এবং খাগড়াছড়ি জেলায় মাত্র একটি করে সংসদীয় আসন রয়েছে।

সূত্র: জাতীয় সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট।
১০৭.
কোন ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীদের গ্রামকে 'পুঞ্জি' বলা হয়?
  1. সাঁওতাল
  2. মণিপুরী
  3. খাসিয়া
  4. চাকমা
ব্যাখ্যা
খাসিয়া:
- খাসিয়া বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- বাংলাদেশে তাদের আদি নিবাস বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ জেলায়।
- বর্তমানে সিলেট, সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, ছাতক ও সদর থানায় খাসিয়ারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
- খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
- পুঞ্জি প্রধানকে সিয়েম বলা হয়।
- প্রায় প্রতি পুঞ্জিতেই গির্জা আছে।

সূত্র - বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১০৮.
২০২৪ সালে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল কর্তৃক উন্মোচিত নতুন বাংলা ফন্টের নাম কী?
  1. কথা
  2. বর্ণ
  3. উচ্চারণ
  4. পূর্ণ
ব্যাখ্যা
• উন্মোচিত নতুন বাংলা ফন্ট:
- ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল কর্তৃক উন্মোচিত নতুন বাংলা ফন্টের নাম - পূর্ণ।
- অমর একুশের শহিদদের স্মরণে বাংলা ভাষায় নিজেদের তৈরি তিনটি সফটওয়্যার ও বাংলা ফন্ট উন্মুক্ত করেছে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি)।
- ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ আগারগাঁওয়ে কম্পিউটার কাউন্সিল মিলনায়তনে ‘উচ্চারণ’, ‘কথা’ ও ‘বর্ণ’ সফটওয়্যারসহ ‘পূর্ণ’ নামের বাংলা ফন্ট উদ্বোধন করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী।

সূত্র: প্রথম আলো ও বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি)। 
১০৯.
IDRA এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Insurance Tax Development and Regulatory Authority
  2. Insurance Development and Regulation Authority
  3. Insurance Design and Regulatory Authority
  4. Insurance Development and Regulatory Authority
ব্যাখ্যা
IDRA:
- IDRA এর পূর্ণরূপ: Insurance Development and Regulatory Authority.
- ২০১১ সালের ২৬শে জানুয়ারী বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ আইন ২০১০ এর বিধানের অধীনে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ (IDRA) গঠিত হয়েছে।
- বাংলাদেশ সরকার বীমা ব্যবসার বিকাশ ও নিয়ন্ত্রণের জন্য বীমা আইন ২০১০ প্রণয়ন করেছে।
- এটি বীমা ব্যবসার তত্ত্বাবধান এবং পলিসি হোল্ডারের স্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- কর্তৃপক্ষ 'জাতীয় বীমা নীতি ২০১৪' বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বীমা শিল্পের পদ্ধতিগত উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণের জন্য কাজ করছে।
- IDRA একজন চেয়ারম্যান এবং চারজন সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত।

সূত্র - বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
১১০.
নিচের কোনটি ভারতের হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে সম্প্রীতি ও সদ্ভাব সৃষ্টিতে সহায়ক হয়েছিল?
  1. বঙ্গভঙ্গ
  2. মন্টেগু-চেমসফোর্ড সংস্কার
  3. লক্ষ্ণৌ চুক্তি
  4. বঙ্গভঙ্গ রদ
ব্যাখ্যা
লক্ষ্ণৌ চুক্তি:
- ১৯০৯ সালের মর্লে-মিন্টো সংস্কার আইন ভারতীয়দের আশা পূরণ করতে ব্যর্থ হয়।
- যদিও মুসলমানদের জন্য পৃথক নির্বাচনের অধিকার স্বীকৃত হয়েছিল, তবু মুসলিম সম্প্রদায় তাতে সম্পূর্ণ সন্তুষ্ট হতে পারেনি।
- ১৯১১ সালের বঙ্গভঙ্গ রদ এবং বলকান যুদ্ধে তুরস্কের বিরুদ্ধে ব্রিটিশ অবস্থান মুসলমানদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি করে।
- ১৯১৩ সালের কানপুর মসজিদের ঘটনায় পুলিশের গুলিতে মুসলমানদের মৃত্যুতে সরকার বিরোধী মনোভাব তীব্র হয়।
- এই পরিস্থিতিতে পাশ্চাত্য শিক্ষিত মুসলিম লীগের তরুণ সদস্যরা সক্রিয় হয়ে ওঠে এবং মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগে যোগ দেন।
- ১৯১৩ সালের লক্ষ্ণৌ অধিবেশনে মুসলিম লীগের নতুন গঠনতন্ত্র গৃহীত হয়, যা হিন্দু-মুসলিম ঐক্য ও স্বরাজ অর্জনের উপর জোর দেয়।
- এর ফলে ভারতের হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে সম্প্রীতি ও সদ্ভাব সৃষ্টির অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়।
- ১৯১৫ সালে বোম্বে শহরে উভয় দলের সম্মেলনে সরকারী নীতির সমালোচনা করা হয় এবং হিন্দু-মুসলিম ঐক্যের উপর জোর দেওয়া হয়।
- ১৯১৬ সালের ডিসেম্বর মাসে কংগ্রেস এবং মুসলিম লীগ এদের বার্ষিক সম্মেলন লক্ষ্ণৌ শহরে অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত নেয়।
- এ সময় উভয় সম্প্রদায় ভারতের শাসনতান্ত্রিক সংস্কারের নীতির প্রশ্নে একটা সমঝোতায় আসে।
- এটাই ইতিহাসে লক্ষ্ণৌ চুক্তি নামে পরিচিত।

সূত্র: ইতিহাস, প্রথম পত্র - এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১১.
কোনটিকে সরকারের ফিফথ স্টেট বলা হয়?
  1. সিভিল সোসাইটি
  2. বিচার বিভাগ
  3. জনগণ
  4. গণমাধ্যম
ব্যাখ্যা
• সরকারের স্তম্ভ:
- সরকার প্রধানত তিনটি বিভাগ বা স্তম্ভ নিয়ে গঠিত।
- এগুলো হলো:
→ শাসন বিভাগ,
→ আইন বিভাগ ও
→ বিচার বিভাগ।

- এদের বাহিরে পণ্ডিতগণ অঘোষিতভাবে গণমাধ্যমকে সরকারের চতুর্থ স্তম্ভ বলা হয়।
- সিভিল সোসাইটিকে সরকারের পঞ্চম স্তম্ভ বা ফিফথ স্টেট বলা হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রথমপত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মোজাম্মেল হক।
১১২.
বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান কোচ কে? [অক্টোবর, ২০২৪]
  1. রাসেল ডমিঙ্গো
  2. ফিল সিমন্স
  3. হাথুরুসিংহে
  4. কার্ল হুপার
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

• জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান কোচ ফিল সিমন্স:
- জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান কোচ হিসেবে ফিল সিমন্স কে নিয়োগ দিয়েছেন বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদ।
- তিনি চন্ডিকা হাথুরুসিংহের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন। 
- ফিল সিমন্স ইতিপূর্বে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, আয়ারল্যান্ড, জিম্বাবুয়ে ও আফগানিস্তানের কোচ হিসেবে কাজ করেছেন।

সূত্র: প্রথম আলো।
১১৩.
"আনোয়ারা, বেহুলা ও কাজল" চলচ্চিত্র গুলোর পরিচালনা করেন কে?
  1. মোহাম্মদ নজিবর রহমান
  2. চাষী নজরুল ইসলাম
  3. জহির রায়হান
  4. তানভীর মোকাম্মেল
ব্যাখ্যা
• জহির রায়হান:
- জহির রায়হান ছিলেন চলচ্চিত্র নির্মাতা, লেখক।
- ১৯৩৫ সালে তিনি ফেনী জেলার মজিপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা মওলানা মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ কলকাতা আলীয়া মাদ্রাসার অধ্যাপক এবং ঢাকা আলীয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ছিলেন।

• জহির রায়হান পরিচালিত চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে:
- Stop Genocide,
- জীবন থেকে নেওয়া,
- কখনও আসেনি,
- কাজল,
- কাঁচের দেয়াল,
- বেহুলা,
- আনোয়ারা,
- সঙ্গম,
- বাহানা প্রভৃতি।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১১৪.
নিম্নের কোন রকেটটি সম্প্রতি উৎক্ষেপণের পর লঞ্চ প্যাডে নিরাপদে অবতরণ করতে সক্ষম হয়েছে? [নভেম্বর, ২০২৪]
  1. ড্রাগন -১
  2. ব্লু শার্ক
  3. ফ্যালকন ৯
  4. স্টারশিপ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

স্টারশিপ রকেটটি সম্প্রতি উৎক্ষেপণের পর লঞ্চ প্যাডে নিরাপদে অবতরণ করতে সক্ষম হয়েছে।

স্পেসএক্স স্টারশিপ:

- বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী রকেট স্টারশিপ।
- ইলন মাস্কের প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স।
- প্রথমবারের মতো উৎক্ষেপণ প্যাডে অবতরণ করেছে স্টারশিপ রকেটের সুপার হেভি বুস্টার। 

উল্লেখ্য,
- ১৩ অক্টোবর, ২০২৪ সফলভাবে উৎক্ষেপণ প্যাডে নিরাপদে অবতরণ করে স্টারশিপ রকেটের সুপার হেভি বুস্টার।
- সেদিন স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ২৫ মিনিটে টেক্সাসের বোকাচিকা মহাকাশ কেন্দ্র থেকে পঞ্চমবারের মতো রকেটটি উৎক্ষেপণ করা হয়।
- একপর্যায়ে এর দ্বিতীয় ধাপের মহাকাশযানটি আলাদা হয়ে ভারত মহাসাগরে পড়ে।
- আর সুপার হেভি বুস্টার ফিরে আসে স্পেসএক্সের সে টাওয়ারে। 
- বুস্টারটি সঠিকভাবে অবতরণ করাকে বড় অর্জন হিসেবে দেখছেন স্পেসএক্সের প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্ক।

⇒ স্পেসএক্সের এ রকেটটি লম্বায় প্রায় ৪০০ ফুট।
- বিশ্বে তৈরি হওয়া এ যাবৎকালের সবচেয়ে শক্তিশালী রকেট স্টারশিপের দুটি অংশ।
- একটি সুপার হেভি বুস্টার।
- এতে ৩৩টি ইঞ্জিন আছে, যা মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার আর্টিমেস রকেটের চেয়ে দ্বিগুণ শক্তিশালী।
- অন্যটি স্টারশিপ মহাকাশযান, যা এ সুপার হেভি বুস্টারের ওপর বসানো থাকে।
- এ রকেটটি ১০০ টনের বেশি যন্ত্রপাতি বহন করতে পারে।

⇒ এর আগে স্টারশিপ রকেটের পরীক্ষা হয়েছিল চারবার।
- ইলন মাস্কের মতে, অন্যগ্রহে মানুষের বসতি স্থাপন করতে যাওয়ার উপযোগী করে এ রকেটটি তৈরি করা হয়েছে।
- এটি বার বার ব্যবহার করা যাবে এবং মানুষকে মঙ্গলগ্রহ ও চাঁদে নিয়ে যাওয়া যাবে।

উৎস: i) SpaceX ওয়েবসাইট।
ii) BBC.
১১৫.
ইলেক্টোরাল ভোটে নির্বাচিত যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট কে?
  1. বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন
  2. থমাস জেফারসন
  3. জন এডামস
  4. জর্জ ওয়াশিংটন
ব্যাখ্যা
ইলেক্টোরাল ভোটে নির্বাচিত যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট জর্জ ওয়াশিংটন।

ইলেক্টোরাল কলেজ:
- 'ইলেক্টোরাল কলেজ' হলো যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য ব্যবহৃত রাষ্ট্র ও কেন্দ্রীয় আইনের একটি জটিল ব্যবস্থা, যা দেশটির সংবিধান দ্বারা নির্ধারিত।
- ‘কলেজ’ শব্দটির অর্থ এখানে সেই ব্যক্তিদের বোঝানো হয়, যারা একটি অঙ্গরাজ্যের ভোট দেওয়ার অধিকারী।
- 'ইলেকটোরাল কলেজ' হচ্ছে কর্মকর্তাদের একটি প্যানেল, যাদের 'ইলেকটরস্' বলা হয়।
- এরা এক কথায় নির্বাচক মণ্ডলী।
- প্রতি চার বছর পর পর এটি গঠন করা হয় এবং এরাই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট এবং ভাইস প্রেসিডেন্টকে বাছাই করেন।
- কংগ্রেসে প্রতিনিধিত্বের অনুপাতে প্রতিটি স্টেট বা অঙ্গরাজ্যে ইলেকটরসের সংখ্যা নির্ধারিত হয়: যা নির্ধারিত হয় স্টেটে সেনেটরের সংখ্যা (প্রত্যেক স্টেটে দুইজন) এবং প্রতিনিধি পরিষদে প্রতিনিধির (যা জনসংখ্যার অনুপাতে) যোগফল মিলে।
- ইলেকটোরাল কলেজ পদ্ধতি অনুযায়ী যেসব রাজ্যে জনসংখ্যা বেশি, সেসব রাজ্যে ইলেকটোরাল ভোটও বেশি।
- সবচেয়ে বড় ছয়টি স্টেট হলো ক্যালিফোর্নিয়া (৫৫), টেক্সাস (৪০), নিউইয়র্ক (২৯), ফ্লোরিডা (২৯), ইলিনয় (২০) এবং পেনসিলভেনিয়া (২০)।
- মোট ভোট সংখ্যা—৫৩৮ ইলেক্টোরাল কলেজ। 
- বিজয়ী হতে প্রয়োজন—২৭০ ইলেক্টোরাল কলেজ।

⇒ যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য ৫০টি।
- সাধারণত অঙ্গরাজ্যগুলি তাদের হাতে থাকা ইলেক্টোরাল ভোট সেই প্রার্থীকেই দেয়, যিনি ওই অঙ্গরাজ্যের ভোটারদের সরাসরি ভোটে জয়ী হয়েছেন।

উল্লেখ্য,
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট।
- ১৭৮৯ সালে অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম নির্বাচনে ১৩টি অঙ্গরাজ্যের ১০টিতে ইলেক্টোরাল ভোটে সর্বাধিক ভোট পেয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
- ১৭৮৯ থেকে ১৭৯৭ সাল পর্যন্ত তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
- দুই মেয়াদে প্রেসিডেন্ট থাকার পর তিনি অবসরে যান।

এছাড়াও,
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৬০তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছেন রিপাবলিকানপ্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। 
- প্রেসিডেন্ট-ইলেক্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০২৫ সালের ২০শে জানুয়ারি একটি অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.
১১৬.
ফালুন গং আন্দোলনের নেতা কে ছিলেন?
  1. ফুসিসি
  2. সম্রাট লুই
  3. লি হংঝি
  4. সান ইয়াৎ সেন
ব্যাখ্যা
ফালুন গং আন্দোলনের নেতা ছিলেন লি হংঝি।

ফালুন গং:

- ফালুন গং চীনের একটি আধ্যাত্মিক আন্দোলন।
- মূলত ফালুন গং হলো শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণ এর সাথে সাথে বিশেষ ভাবে হাত পা চালিয়ে এক শরীর চর্চা।
- এটি সনাতনি যোগ সাধনা পদ্ধতির একটি ফর্ম ছিল।
- এর ফলে শরীর স্বাস্থ্য ভালো হয় সেইসঙ্গে বুদ্ধিবৃত্তি মনোবৃত্তি ও আধ্যাত্মিক চেতনার উন্নতি।
- ফালুন গং এর মধ্যে মূল তত্ত্ব হলো হিন্দু ধর্ম শাস্ত্রের কুলকুণ্ডলিনী তত্ত্ব।

⇒ এই আন্দোলনের নেতা বা এই শরীর চর্চা উদ্ভাবকের নাম লি হংঝি।
- চীনের কমিউনিস্ট নেতারা যোগ বিদ্যাকে ডাইনীবিদ্যা বলে এবং সমাজের পক্ষে ক্ষতিকর বলে নিষিদ্ধ ঘোষনা করেছিল।
- তাই চীনের মূল ভূখণ্ডে নিষিদ্ধ হয়েছিল এই ফালুন গং।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯২ সালে ফালুন গং এর উত্থান ঘটে।
- চীনে ফালুন গং আন্দোলন বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল।
- চীনের সরকার ১৯৯৯ সালের ২২ জুলাই ফালুন গং আন্দোলন নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
- ফলে আন্দোলনের অনুসারীদের বিরুদ্ধে কঠোর দমন-পীড়ন চালায়।
- এর ফলে, ফালুন গং-এর অনুসারীরা অনেক দেশে রাজনৈতিক আশ্রয় লাভের চেষ্টা করেন এবং ফালুন গং-এর মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়।

অন্যদিকে,
- চীনের প্রথম রাজা ফুসিসি ।
- চীনের সর্বশেষ সম্রাটের নাম সম্রাট লুই।
- চীন প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট সান ইয়াৎ সেন।

উৎস: Britannica.
১১৭.
'লেসেজ ফেয়ার (Laissez-faire)' নীতি নিচের কোনটির সাথে সম্পর্কযুক্ত?
  1. খেলাধুলা
  2. কূটনীতি
  3. পররাষ্ট্রনীতি
  4. মুক্তবাজার অর্থনীতি
ব্যাখ্যা
লেসেজ-ফেয়ার (Laissez-faire):
- লেসেজ-ফেয়ার (Laissez-faire) একটি ফরাসি শব্দ, যার অর্থ “অবাধ রাখতে দেওয়া“।
- অর্থনীতিতে, লেসেজ-ফেয়ার নীতি বলতে বোঝায় সরকারের ন্যূনতম হস্তক্ষেপের মাধ্যমে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও মুক্ত বাজারের উপর জোর দেওয়া।
- এটি অর্থনৈতিক উদারবাদ (economic liberalism) বা মুক্ত বাজার অর্থনীতি (free market economy)-এর সাথে সম্পর্কিত।

⇒ এই নীতির মূল ধারণা হলো, ব্যবসা ও বাজার স্বাভাবিকভাবে নিজস্ব নিয়মে চলবে এবং সরকার কোনও ধরনের নিয়ন্ত্রণ বা হস্তক্ষেপ না করলে তা সঠিকভাবে কাজ করবে।
- সরকারের কর্তব্য হলো আইন ও শৃঙ্খলা রক্ষা করা, কিন্তু অর্থনৈতিক কার্যকলাপে তেমন হস্তক্ষেপ না করা।
- অ্যাডাম স্মিথ তার বিখ্যাত গ্রন্থ "The Wealth of Nations" এ এই ধারণার পক্ষে আলোচনা করেন।
- এটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি করে।
- এটি দক্ষতা বৃদ্ধি করে।

⇒ এই নীতির মূল ধারণাগুলো হল:
- ব্যক্তিগত স্বাধীনতা: ব্যক্তিদের তাদের নিজস্ব অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার রয়েছে।
- মুক্ত বাজার: সরকারের বাজারে হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়, বরং বাজারকে নিজেরাই নিয়ন্ত্রণ করতে দেওয়া উচিত।
- সীমিত সরকার: সরকারের ভূমিকা শুধুমাত্র আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগ করা এবং ব্যক্তি ও সম্পত্তির নিরাপত্তা প্রদান করা।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে বিজয়ী প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অর্থনীতিতে লেসেজ-ফেয়ার (Laissez-faire) নীতি অনুসরণ করেন।
- অর্থনীতির ক্ষেত্রে তারা ব্যক্তি ও সমাজের অর্থনৈতিক বিষয়ে ন্যূনতম সরকারি হস্তক্ষেপের পক্ষপাতী।

উৎস: i) Britannica.
ii) প্রথম আলো।
১১৮.
আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে 'modus vivendi' বলতে বোঝায় -
  1. অস্থায়ী চুক্তি
  2. শরণার্থী শিবির
  3. যুদ্ধের দেশ
  4. বাফার দেশ
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে, "Modus vivendi" শব্দটি একটি অস্থায়ী চুক্তি বোঝায়।

Modus vivendi:
- Modus vivendi' একটি লাতিন শব্দ, যার মানে 'যেভাবে জীবন যাপন করা যায়'।
- আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে "Modus vivendi" শব্দটি একটি অস্থায়ী বা সাময়িক চুক্তি বা সমঝোতা বোঝায়, যা দুই বা ততোধিক পক্ষের মধ্যে সাময়িক শান্তি বা সহযোগিতা স্থাপন করার জন্য করা হয়।
- এটি এমন একটি ব্যবস্থা, যা দীর্ঘমেয়াদী সমাধান না হলেও, পক্ষগুলির মধ্যে বর্তমান পরিস্থিতিতে একটি সহনশীল সম্পর্ক তৈরি করতে সহায়তা করে।

⇒ "Modus vivendi" সাধারণত কোনো পক্ষের মধ্যে বিরোধ বা সংঘাতকে সাময়িকভাবে শান্ত করার জন্য তৈরি করা হয় এবং এটি কোনো স্থায়ী সমাধান বা আইনগত বাধ্যবাধকতার পরিবর্তে এক ধরণের কৌশলগত সমঝোতা হতে পারে।
- যখন দুই দেশ তাদের মধ্যকার কিছু বৈষম্য বা বিরোধ মেটাতে কোনো স্থায়ী চুক্তি না করে, তবে তারা একে অপরের সাথে একটি 'modus vivendi' গড়ে তুলতে পারে, যা তাদের সম্পর্ক সাময়িকভাবে স্থিতিশীল রাখে।

উৎস: i) Educalingo.
ii) Cambridge Dictionary.
১১৯.
বর্তমানে সর্বোচ্চ গড় প্রত্যাশিত আয়ুর দেশ কোনটি? [নভেম্বর, ২০২৪]
  1. মোনাকো
  2. সুইডেন
  3. জাপান
  4. ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা

[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বর্তমানে সর্বোচ্চ গড় প্রত্যাশিত আয়ুর দেশ মোনাকো।


গড় আয়ুতে শীর্ষ দেশ:
- ইউরোপের ছোট নগররাষ্ট্র মোনাকো।
- নারী এবং পুরুষ উভয়ের প্রত্যাশিত সর্বোচ্চ গড় আয়ু মোনাকোর।
- মোনাকোর সর্বোচ্চ গড় আয়ু ৮৬.৫০ বছর।

⇒ সর্বোচ্চ গড় প্রত্যাশিত আয়ুর দেশ:
১. মোনাকো,
২. সান মারিনো,
৩. হংকং,
৪. ম্যাকাও,জাপান,
৫. দক্ষিণ কোরিয়া।

অন্যদিকে,
- ছয়টি দেশেরর আয়ু ৬০ বছরের নিচে।
- নাইজেরিয়ায় সর্বনিম্ন গড় আয়ু ৫৪.৬৪ বছর।

উৎস: i) StatisticsTimes.com [link]
ii) UN (World Population Prospects 2024).

১২০.
চেঙ্গিস খান নিম্নের কোন সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন?
  1. মুঘল সাম্রাজ্য
  2. অটোমান সাম্রাজ্য
  3. মোঙ্গল সাম্রাজ্য
  4. আচেমেনিয়ান সাম্রাজ্য
ব্যাখ্যা
মোঙ্গল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন চেঙ্গিস খান।

মোঙ্গল সাম্রাজ্য:

- মোঙ্গল সাম্রাজ্য ছিল পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সাম্রাজ্য।
- ত্রয়োদশ শতাব্দীর শুরুর দিকে মধ্য এশিয়ায় দুর্ধর্ষ মঙ্গল মঙ্গল জাতির উত্থান ঘটে।
- চেঙ্গিস খানের নেতৃত্বে মোঙ্গলদের এই বিশাল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা হয়।
- মোঙ্গলরা চীন থেকে শুরু করে মধ্য এশিয়া, পারস্য ও রাশিয়াতে সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করে এবং মিশর, ভারত, জাপান, কোরিয়া, বার্মা ও ইন্দোনেশিয়াতেও তাদের অভিযানের তরঙ্গ প্রবলভাবে আঘাত হানে।
- মোঙ্গলদের অভিযানগুলো নিষ্ঠুরতা লুণ্ঠন ও হত্যাকাণ্ডের কাহিনীতে ভরপুর।
- এ কারণে অনেক ঐতিহাসিক মঙ্গলদিগকে "বিধাতার অভিশাপ" ও "বিশ্বের ত্রাস" বলে অভিহিত করেছেন।

উল্লেখ্য,
- চেঙ্গিস খান ছিলেন বিশাল এ সাম্রাজ্যের প্রধান রাজনৈতিক ও সামরিক নেতা।
- ধারণা করা হয়, ১১৬২ সালে বা ১১৫৫ সালে মঙ্গোলিয়ার খেনতি পর্বতমালায় চেঙ্গিস খানের জন্ম।
- কমোঙ্গল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার পর চেঙ্গিস খান ইউরেশিয়া দখলে পা বাড়ান।
- চেঙ্গিস খান ১২২৭ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
- মূলত এ সময় থেকেই মোঙ্গল সাম্রাজ্য দুর্বল হতে শুরু করে।

অন্যদিকে,
- সাইরাস দ্য গ্রেট ছিলেন আচেমেনিয়ান সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা।
- ভারতীয় উপমহাদেশে মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর।
- ওসমান প্রথম অটোমান সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা।

উৎস: i) Britannica.
ii) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২১.
হামাসের বর্তমান প্রধান কে? [নভেম্বর, ২০২৪]
  1. খালেদ মেশাল
  2. ইসমাইল হানিয়া
  3. মাহমুদ আব্বাস
  4. ইয়াহিয়া সিনওয়ার
ব্যাখ্যা

হামাস:
- হামাস ফিলিস্তিনের গেরিলা সংগঠন।
- হামাস ১৯৮৭ সালের ১৪ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা: শেখ ইয়াসিন।
- এর সদরদপ্তর গাজায় অবস্থিত।
- বর্তমান প্রধান: খালেদ মেশাল।

⇒ হামাস ইসরাইল-ফিলিস্তিনি সংঘাতে প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (পিএলও) এর ধর্মনিরপেক্ষ পদ্ধতির বিরোধিতা করেছিল এবং ফিলিস্তিনের যে কোনও অংশ হস্তান্তর করার প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করেছে।
- হামাস ইসরায়েল এবং পিএলও- এর মধ্যে ১৯৯৩ সালের শান্তি চুক্তির নিন্দা করেছিল।

উল্লেখ্য,
- ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর নতুন প্রধান ইয়াহিয়া সিনওয়ার।
- আগস্ট, ২০২৪-এ তিনি দায়িত্ব নেন।
- তিনি সংগঠনটির সশস্ত্র শাখার প্রধান ছিলেন।
- ১৯ অক্টোবর, ২০২৪ ফিলিস্তিনের সশস্ত্র সংগঠন হামাসের রাজনৈতিক ও সামরিক শাখার শীর্ষ নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ার ইসরায়েলের হামলায় নিহত হয়েছেন।
- নতুন প্রধান দায়িত্ব নেওয়ার আগ পর্যন্ত খালেদ মেশাল হামাসের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

উৎস: Britannica.

১২২.
হিটলারের গোপন পুলিশ বাহিনী কী নামে পরিচিত ছিল?
  1. সাভাক
  2. ব্ল্যাক ক্যাট
  3. গেস্টাপো
  4. সোয়াট
ব্যাখ্যা
এডলফ হিটলার:
- ১৮৯৯ সালের এপ্রিল মাসে অস্ট্রিয়ার ব্রাউনাউ গ্রামে অ্যাড্লফ হিটলার জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন অস্ট্রীয় বংশোদ্ভূত জার্মান রাজনীতিবিদ।

⇒ এডলফ হিটলার ছিলেন নাৎসি পার্টির প্রধান নেতা।
- তিনি ন্যাশনাল সোশ্যালিস্ট জার্মান ওয়ার্কার্স পার্টির নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
- এডলফ হিটলার ১৯৩৩ সালে জার্মানির চ্যান্সেলর নির্বাচিত হন।
- হিটলার ১৯৩৩ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত জার্মানির চ্যান্সেলর ছিলেন।
- হিটলার আত্মহত্যা করেন- ৩০ এপ্রিল, ১৯৪৫ সালে

উল্লেখ্য,
- তাঁর আত্মজীবনীর নাম Mein Kamph.
- 'অপছন্দের চেয়ে ঘৃণার স্থায়িত্ব বেশি' -উক্তিটি এডলফ হিটলার-এর।
- যুদ্ধই জীবন, যুদ্ধই সর্বজনীন বলেছেন হিটলার।

⇒ হিটলারের গোপন পুলিশ বাহিনী গেস্টাপো নামে পরিচিত।

অন্যদিকে,
- সাভাক: ইরানের শাহের গোপন বাহিনী।
- ব্ল্যাক ক্যাট: ভারতের কমান্ডো বাহিনী।
- সোয়াট: বাংলাদেশ পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট।

উৎস: Britannica.
১২৩.
FIFA কোথায় প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
  2. প্যারিস, ফ্রান্স
  3. মন্টেভিডিও, উরুগুয়ে
  4. সিডনি, অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
FIFA:
- FIFA (The Fédération Internationale de Football Association) আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থা।
- এটি আন্তর্জাতিক ফুটবল নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২১ মে, ১৯০৪।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- সদরদপ্তর: জুরিখ, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: জিয়ান্নি ইনফান্তিনো।

⇒ বাংলাদেশ ১৯৭৬ সালে ফিফা'র সদস্যপদ লাভ করে।

উল্লেখ্য,
- প্রথম ফিফা বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয় ১৯৩০ সালে, উরুগুয়ে।
- সর্বশেষ ২০২২ সালে ফিফা বিশ্বকাপের ২২তম আসর অনুষ্ঠিত হয়।
- ২২তম আসরের চ্যাম্পিয়ন দেশ আর্জেন্টিনা।

⇒ ২০২৬ সালে ফিফা বিশ্বকাপের ২৩তম আসর অনুষ্ঠিত হবে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো এই তিনটি দেশ একসাথে ফিফা বিশ্বকাপের ২৩তম আসর আয়োজন করবে।

উৎস: FIFA ওয়েবসাইট।
১২৪.
সার্কভুক্ত কোন দেশে সার্ক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়নি?
  1. বাংলাদেশ
  2. নেপাল
  3. ভুটান
  4. আফগানিস্তান
ব্যাখ্যা
SAARC:
- SAARC-এর পূর্ণরূপ: South Asian Association for Regional Cooperation.
- দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর একটি বহুপাক্ষিক আঞ্চলিক সহযোগিতা ফোরাম।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৫।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ।
- সদরদপ্তর: কাঠমান্ডু, নেপাল।

⇒ প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ৭টি।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৮টি।
- সদস্য দেশ: বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলংকা, ভুটান, মালদ্বীপ, আফগানিস্তান।
- সর্বশেষ সদস্য আফগানিস্তান ২০০৭ সালের ৩ এপ্রিল সার্কে যোগ দেয়।

⇒ প্রথম সার্ক সম্মেলন ১৯৮৫ সালের ৭-৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়।
- সর্বশেষ ১৮তম সার্ক শীর্ষ সম্মেলন ২০১৪ সালে নেপালে অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়: ১ম, ৭ম, ১৩তম সার্ক শীর্ষ সম্মেলন,
- ভারতে অনুষ্ঠিত হয়: ২য়, ৮ম, ১৪তম সার্ক শীর্ষ সম্মেলন,
- নেপালে অনুষ্ঠিত হয়: ৩য়, ১১তম, ১৮তম সার্ক শীর্ষ সম্মেলন,
- পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত হয়: ৪র্থ, ১২তম সার্ক শীর্ষ সম্মেলন,
- মালদ্বীপে অনুষ্ঠিত হয়: ৫ম, ৯ম, ১৭তম সার্ক শীর্ষ সম্মেলন,
- শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত হয়: ৬ষ্ঠ, ১০ম, ১৫তম সার্ক শীর্ষ সম্মেলন,
- ভুটানে অনুষ্ঠিত হয়: ১৬তম সার্ক শীর্ষ সম্মেলন।

অন্যদিকে,
- আফগানিস্তানে কোন সার্ক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়নি।

উৎস: SAARC ওয়েবসাইট।
১২৫.
জাতিসংঘ সনদের কোন অধ্যায়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে?
  1. ৪র্থ অধ্যায়
  2. ৫ম অধ্যায়
  3. ১০ম অধ্যায়
  4. ১৪তম অধ্যায়
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ সনদ (UN Charter):
- ১৯৪৫ সালের ২৫ এপ্রিল থেকে ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে অনুষ্ঠিত সানফ্রান্সিসকো সম্মেলনে ৫০টি দেশের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৯৪৫ সালের ২৪শে অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- জাতিসংঘ সনদের রচয়িতা: আর্চিবাল্ড ম্যাকলিশ (Archibald Macleish)।
- সনদে মোট ১১১টি অনুচ্ছেদ ও ১৯টি অধ্যায় রয়েছে।

⇒ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ:
- জাতিসংঘের সকল সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ গঠিত।
- সাধারণ পরিষদের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি।
- সদস্য দেশগুলোর ভোটে নির্বাচিত সাধারণ পরিষদের সভাপতির মেয়াদ এক বছর।
- জাতিসংঘ সনদের চতুর্থ অধ্যায় (৯ - ২২ নং অনুচ্ছেদ) এ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে।

⇒ জাতিসংঘ সনদের অধায়গুলো:
- অধ্যায় ১: উদ্দেশ্য ও মূলনীতি,
- অধ্যায় ২: সদস্যপদ,
- অধ্যায় ৩: অঙ্গসমূহ,
- অধ্যায় ৪: সাধারণ পরিষদ,
- অধ্যায় ৫: নিরাপত্তা পরিষদ,
- অধ্যায় ৬: বিরোধাদির শান্তিপূর্ণ মীমাংসা,
- অধ্যায় ৭: শান্তির প্রতি হুমকি, শান্তিভঙ্গ এবং আক্রমণাত্মক কার্যাদি সম্পর্কে ব্যবস্থা,
- অধ্যায় ৮: আঞ্চলিক ব্যবস্থাসমূহ
- অধ্যায় ৯: আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ও সামাজিক সহযোগিতা,
- অধ্যায় ১০: অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ,
- অধ্যায় ১১: অস্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলসমূহ সম্পর্কে ঘোষণা,
- অধ্যায় ১২: আন্তর্জাতিক অছি ব্যবস্থা,
- অধ্যায় ১৩: অছি পরিষদ,
- অধ্যায় ১৪: আন্তর্জাতিক আদালত,
- অধ্যায় ১৫: সচিবালয়,
- অধ্যায় ১৬: বিবিধ ধারাসমূহ,
- অধ্যায় ১৭: অন্তর্বর্তীকালীন নিরাপত্তা ব্যবস্থাদি,
- অধ্যায় ১৮: সংশোধনের নিয়মাবলি অধ্যায়,
- অধ্যায় ১৯: অনুমোদন ও স্বাক্ষরদান।

উৎস: UN General Assembly ওয়েবসাইট।
১২৬.
জাতিসংঘ জলবায়ু বিষয়ক সম্মেলন (কপ-২৯)-এর মূল ফোকাস কী?
  1. মরুকরণ প্রক্রিয়া হ্রাসকরণ
  2. জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ বিষয়ক
  3. জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার পর্যায়ক্রমে হ্রাসকরণ
  4. জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত কমাতে অর্থায়ন
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
জাতিসংঘ জলবায়ু বিষয়ক সম্মেলন (কপ-২৯)-এর মূল ফোকাস জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত কমাতে অর্থায়ন। 

কপ সম্মেলন (Cop Conference):

- COP-এর পূর্ণরূপ: Conference of the Parties.
- জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় ১৫৪টি দেশ ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলন (COP) প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়।
- এখানে আলোচনা করা হয় কিভাবে ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে আনার উপায় অর্জন করা উচিত এবং কী অগ্রগতি হয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করা।

⇒ ২৯তম জলবায়ু সম্মেলন (COP-29) ১১-২২ নভেম্বর, ২০২৪ তারিখে আজারবাইজানের বাকুতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
- আয়োজকদের মতে, কপ-২৯ এর মূল ফোকাস অর্থায়নের দিকে থাকবে, কারণ গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করতে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব থেকে জীবন ও জীবিকা রক্ষা করতে দেশগুলোর জন্য ট্রিলিয়ন ডলার প্রয়োজন।
- প্যারিস চুক্তির অধীনে তাদের হালনাগাদ জাতীয় জলবায়ু কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপনের জন্য এই সম্মেলন ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- এ কর্মপরিকল্পনা ২০২৫ সালের প্রথম দিকে নির্ধারিত হবে।

উল্লেখ্য,
- কপ–২৯ সম্মেলনে আলোচনার মূল বিষয় হলো অর্থ। 
- কপ-২৯ সম্মেলনের মূল লক্ষ্য, জলবায়ু সংকটের ভুক্তভোগী দরিদ্র দেশগুলোকে আরও অর্থসহায়তা দেওয়ার পথ খুঁজে বের করা।
- ২০১৫ সালের প্যারিস চুক্তির অনুযায়ী বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ২০৩০ সালের মধ্যে ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বিশ্বনেতারা।
- এ লক্ষ্যে কার্বন নিঃসরণ কমাতে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি সামলাতে ২০২৫ সাল নাগাদ উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থসহায়তা দিতে রাজি হলেও এখন পর্যন্ত সেই সহায়তার পরিমাণ সন্তোষজনক নয়।

উৎস: i) UNFCCC ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
১২৭.
সিনহাই বিপ্লবের মাধ্যমে কোন রাজবংশের পতন ঘটে?
  1. হান রাজবংশ
  2. সাং রাজবংশ
  3. কুইং রাজবংশ
  4. চিং রাজবংশ
ব্যাখ্যা
সিনহাই বিপ্লবের মাধ্যমে চিং রাজবংশের পতন ঘটে।

সিনহাই বিপ্লব:
- সিনহাই বিপ্লব যা চীনে 'Xinhai Revolution' হিসেবে পরিচিত।
- এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক আন্দোলন ছিল যা চিং রাজবংশের (Qing Dynasty) এর পতন ঘটিয়ে চীনে প্রথম প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে।
- এই বিপ্লবের ফলে চীনে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯১১ সালের ১০ অক্টোবর এই বিপ্লব শুরু হয় যা ১৯১২ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সংঘটিত হয়।

⇒ ১৯১১ সালের অক্টোবরে সান ইয়েৎ সেনের নেতৃত্বে চীনে প্রজাতান্ত্রিক বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- সান ইয়েৎ সেন ছিলেন চীন প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট।

⇒ চিং রাজবংশ ছিল চীনের শেষ সামন্ততান্ত্রিক রাজবংশ যা ১৬৪৪ থেকে ১৯১২ সাল পর্যন্ত শাসন করেছিল।
- জনগণের মধ্যে রাজবংশের শাসন ও শোষণের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ছিল। 
- চিং রাজবংশের শেষ সম্রাট পু ই স্বীকার করেন যে রাজবংশের শাসন অব্যাহত রাখার কোনও সম্ভাবনা নেই।
- এর ফলে, চীনের প্রথম প্রেসিডেন্ট হিসেবে সান ইয়েৎ-সেন নির্বাচিত হন।
- চিং রাজবংশের পতনের সাথে সাথে চীনে সাম্রাজ্যবাদী শক্তির আধিপত্য কমে আসে।

উৎস: Britannica.
১২৮.
নিম্নের কোন চুক্তিটি ২০১৫ সালে গ্রিনহাউজ গ্যাসের নিঃসরণ কমিয়ে আনার লক্ষ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. মন্ট্রিল প্রটোকল
  2. ভিয়েনা কনভেনশন
  3. কিয়েটো প্রটোকল
  4. প্যারিস জলবায়ু চুক্তি
ব্যাখ্যা
প্যারিস জলবায়ু চুক্তিটি ২০১৫ সালে গ্রিনহাউজ গ্যাসের নিঃসরণ কমিয়ে আনার লক্ষ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

প্যারিস জলবায়ু চুক্তি-২০১৫:

- প্যারিস জলবায়ু চুক্তি একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- ২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর থেকে ১২ ডিসেম্বর প্যারিসে কপ–২১ সম্মেলনে স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ৪ নভেম্বর ২০১৬।

⇒ চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ উপাদান:
- বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কম করা।
- গাছ, মাটি ও সমুদ্র প্রাকৃতিকভাবে যতটা শোষণ করতে পারে, ২০৫০ সাল থেকে ২১০০ সালের মধ্যে কৃত্রিমভাবে গ্রিনহাউজ গ্যাসের নিঃসরণ সেই পর্যায়ে নামিয়ে আনা।
- প্রতি ৫ বছর অন্তর ক্ষতিকর গ্যাস নিঃসরণ রোধে প্রত্যেকটি দেশের ভূমিকা পর্যালোচনা করা।
- জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নিতে এবং নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার নিশ্চিত করতে গরিব দেশগুলোকে ধনী দেশগুলোর ‘জলবায়ু তহবিল’ দিয়ে সাহায্য করা।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
১২৯.
নদীশাসনের উদাহরণ কোনটি?
  1. কামরাঙ্গীর চর
  2. তিস্তা ব্যারেজ
  3. সেচ প্রকল্প
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
নদীশাসন:
- প্রতিবছর নানাবিধ কারণে নদীভাঙ্গন দেখা যায় যা অতি পরিচিত একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
- নদীর এ ভাঙ্গন প্রক্রিয়া প্রতিরোধ ও নদীর পানি বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করার জন্য বাঁধ বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করাই হলো নদীশাসন। যেমন:- তিস্তা ব্যারেজ।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের প্রায় সব অঞ্চলে কমবেশি নদীভাঙ্গন দেখা যায়।
- তবে নদীভাঙ্গনের ফলে সর্বোচ্চ ভূমিক্ষয় ঘটে ব্রহ্মপুত্র-যমুনা অববাহিকায়।
- নদীভাঙ্গনের ফলে নদীর পাড়ে বসবাসকারী মানুষের পালিত পশুসম্পদ, ফসলি জমি, জানমালের ব্যাপক ক্ষতি হয়।
- তাই নদীশাসনের জন ইতোমধ্যে সরকার অনেক নদীর তীরে বাঁধ দিয়ে নদীভাঙ্গন রোধের চেষ্টা করছে।

⇒ নদীশাসনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ:
• উপকূলীয় অঞ্চলে বনায়নের মাধ্যমে সবুজ বেষ্টনী তৈরি করে এবং ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নদী খনন করে নদীশাসন করা।
• নদীশাসনের জন্য নদীর পাড় থেকে অপরিকল্পিতভাবে মাটি কাটা ও পাথর তোলা বন্ধ করে নদীভাঙ্গন রোধ করা সম্ভব।
• সমভূমি থেকে অতিরিক্ত বৃষ্টির পানি একই পথে নদীতে পতিত হওয়া রোধ করে পরিকল্পিতভাবে নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করলে নদীভাঙ্গন রোধ করে নদীশাসন করা যায়।
• প্রতিবছর নদীর পাড় ও বাঁধ সংস্করণ, নদী খনন, নদীর নাব্যতা ধরে রাখা ইত্যাদির মাধ্যমে নদীভাঙ্গন রোধ করা যায়।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩০.
'লেক জেনেভা' কোন দুইটি দেশে অবস্থিত?
  1. সুইজারল্যান্ড ও অস্ট্রিয়া
  2. সুইজারল্যান্ড ও ফ্রান্স
  3. সুইজারল্যান্ড ও ইতালি
  4. সুইজারল্যান্ড ও জার্মানি
ব্যাখ্যা
লেক জেনেভা:
- লেক জেনেভা এর আরেক নাম লেক লেমান।
- এটি দুইটি দেশে অবস্থিত।
- দেশগুলো হলো সুইজারল্যান্ড ও ফ্রান্স।
- এর আয়তন ৫৮১ বর্গ কিলোমিটার।
- এটি আল্পস পর্বতমালার উত্তর দিকে একটি গভীর হ্রদ।

উৎস: Britannica.
১৩১.
কোনটি 'ট্রপিক অব ক্যান্সার' নামে পরিচিত?
  1. ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখা
  2. ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখা
  3. ৬৬.৫° উত্তর অক্ষরেখা
  4. ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখা
ব্যাখ্যা
ট্রপিক অব ক্যান্সার:
- ট্রপিক অব ক্যান্সার বা কর্কটক্রান্তি রেখা।
- উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত করা হয়।
- এটি বাংলাদেশের উপর দিয়ে (কুমিল্লা, মুন্সিগঞ্জ, ফরিদপুর, মাগুরা, ঝিনাইদহ) অতিক্রম করেছে।

⇒ বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান:
- বাংলাদেশ ভৌগোলিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে।
- এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাংলাদেশ অবস্থিত।
- এদেশ প্রায় ২০°৩৪' উত্তর থেকে ২৬°৩৮' উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°০১' পূর্ব থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- বাংলাদেশের মাঝ বরাবর পূর্ব-পশ্চিমে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে।
- ফলে এদেশ ক্রান্তীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।

অন্যদিকে -
- দক্ষিণ গোলার্ধে ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে মকরক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত করা হয়।
- সুমেরুবৃত্ত: ৬৬.৫° উত্তর অক্ষরেখা।
- কুমেরুবৃত্ত: ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখা।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩২.
বাংলাদেশে বৈশাখ মাসে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়ো হাওয়া প্রবাহিত হয়। এটিকে বলা হয় -
  1. সাইক্লোন
  2. হ্যারিকেন
  3. টাইফুন
  4. কালবৈশাখী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বৈশাখ মাসে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়ো হাওয়া প্রবাহিত হয়। এটিকে বলা হয় কালবৈশাখী ঝড়।

কালবৈশাখী ঝড়:

- বাংলাদেশের কালবৈশাখী ঝড় গ্রীষ্মকালীন জলবায়ুর অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
- বৈশাখ মাসের শেষের দিকে এ ঝড় হতে দেখা যায় বলে একে কালবৈশাখী ঝড় বলে।
- সাধারণ বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠের প্রবল গরমের সময় কালবৈশাখী ঝড় হয় বাংলাদেশে।
- কাল শব্দের অর্থ ধ্বংস এবং বৈশাখ মাসে উৎপত্তি হয় বলে একে কালবৈশাখী নামে অভিহিত করা হয়।
- কালবৈশাখী ঝড়ের অপর নাম নরওয়েস্টার।
- কালবৈশাখী ঝড় উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে প্রবাহিত হয় বলে একে ইংরেজিতে নরওয়েস্টার বলা হয়।
- এই ঝড়ের গতিবেগ ৫৫ থেকে ৮০ কি. মি. পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- বাংলাদেশে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আগত শীতল ও শুষ্ক বায়ু এবং দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে আগত উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ুর সংঘর্ষে সাধারণত কালবৈশাখী ঝড় সংঘটিত হয়।

উল্লেখ্য,
- মার্চ-এপ্রিল মাসে সন্ধ্যার দিকে আকাশ হঠাৎ কালো মেঘে ঢেকে বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়ো হাওয়া প্রবাহিত হয়।
- এ ঝড়ে বাৎসরিক বৃষ্টিপাতের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ সংঘটিত হয়।
- অনেক সময় বৃষ্টিপাতের সাথে শিলাবৃষ্টিও হয়ে থাকে।

অন্যদিকে,
- সাধারণত আটলান্টিক ও উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরে উৎপত্তি হওয়া ঝড়গুলোকে হ্যারিকেন নামে অভিহিত করা হয়।
- বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড় 'সাইক্লোন' হিসেবে পরিচিত। সাইক্লোনের কারণে বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও ভারতে প্রচুর জানমালের ক্ষতি হয়।
- উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিমাঞ্চলে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড়কে বলা হয় 'টাইফুন'। চীন, তাইওয়ান, ফাইলিপাইন ও জাপানে প্রায় প্রতি বছরই টাইফুনের কারণে প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বিবিসি বাংলা।
১৩৩.
পৃথিবীর মোট অক্সিজেনের কত শতাংশ আমাজন উৎপাদিত হয়?
  1. প্রায় ৯ শতাংশ
  2. প্রায় ২০ শতাংশ
  3. প্রায় ৩২ শতাংশ
  4. প্রায় ৪৪ শতাংশ
ব্যাখ্যা
আমাজন বনভূমি:
- বিশ্বের বৃহত্তম রেইনফরেস্ট আমাজন বনভূমি।
- এই বনভূমি দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- আমাজন প্রায় ২,১২৩,৫৬২ বর্গ মাইল এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- ইওসিন যুগে এই বনের বিকাশ ঘটেছিল।
- আমাজন বনের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত নদীটিও আমাজন নদী হিসেবে পরিচিত।

⇒ আমাজন রেইনফরেস্ট ৯টি দেশে বিস্তৃত।
- দেশগুলো হলো: ব্রাজিল, ইকুয়েডর, ভেনেজুয়েলা, সুরিনাম, পেরু, কলম্বিয়া, বলিভিয়া, গায়ানা এবং ফ্রেঞ্চ গায়ানা।
- আমাজন বনের ৬৪ শতাংশ অঞ্চল শুধুমাত্র ব্রাজিলেই অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- পৃথিবীর মোট অক্সিজেনের ২০ শতাংশ উৎপাদিত হয় আমাজন বনে।
- এই কারনে একে পৃথিবীর ফুসফুস বলা হয়।

উৎস: i) National Geographic.
ii) World Atlas.
১৩৪.
নদী উপত্যকার তলদেশকে কী বলা হয়?
  1. দোয়াব অঞ্চল
  2. নদীসঙ্গম
  3. নদীতট
  4. জলবিভাজিকা
ব্যাখ্যা
নদীগর্ভ বা নদীতট:
- নদী উপত্যকার তলদেশকে বলা হয় নদীগর্ভ।

নদীর উৎস (Source):
- নদীর উৎপত্তিস্থলকে নদীর উৎস বলে।

নদীর মোহনা (Mouth):
- নদী উৎপত্তি লাভ করে সাগর বা হ্রদের সাথে যে স্থানে মিলিত হয় সেই মিলিত স্থানকে নদীর মোহনা বলে।

দোয়াব অঞ্চল:
- দুটি নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চলকে দোয়াব অঞ্চল বলে।

উপনদী (Tributary):
- বিভিন্ন উৎস হতে যখন ছোট ছোট নদী উৎপত্তি লাভ করে কোনো বড় নদীতে মিলিত হয় তখন এ ছোট নদীগুলোকে সে বড় নদীর উপনদী বলে। যেমন- যমুনার উপনদী করতোয়া, তিস্তা এবং মেঘনার উপনদী সুরমা ও কুশিয়ারা।

শাখানদী (Distributory):
- কখনো কখনো বড় কোনো নদী হতে স্রোতধারা বের হয়ে অন্য কোনো নদী, সাগর, হ্রদ বা পুনরায় মূল নদীর সাথে মিলিত হয়। এরূপ মূল নদী হতে যে সকল নদী বের হয় তাকে শাখানদী বলে। যেমন- ইছামতি, গড়াই, আড়িয়াল খাঁ প্রভৃতি পদ্মার শাখানদী।

নদীসঙ্গম (Confluence):
= পার্বত্য অঞ্চলে প্রাথমিক অবস্থায় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নদীগুলো নিজ নিজ পথে প্রবাহিত হয়। এক সময় ঐ নদীগুলো একটি অপরটির সাথে মিলিত হয়। ফলে মিলিত স্রোতধারা ক্রমশ অধিকতর বড় হয়। এভাবে দুই বা ততোধিক নদীর মিলন স্থলকে নদীসঙ্গম বলে।

নদী অববাহিকা (River Basin):
- মূল নদী, বিভিন্ন শাখানদী ও উপনদী প্রভৃতির মধ্য দিয়ে যে সকল স্থানের বা অঞ্চলের পানিরাশি প্রবাহিত হয় তখন এ অঞ্চলকে ঐ নদীর অববাহিকা বলে। যেমন- পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে সিন্ধু নদের অববাহিকা।

নদী উপত্যকা (River Valley):
- নদীর উৎস হতে মোহনা পর্যন্তগতিপথে যে স্থানের মধ্য দিয়ে পানিরাশি প্রবাহিত হয় সেই খাতকে উক্ত নদীর উপত্যকা বলে।

জলবিভাজিকা:
- যে উচ্চভূমি বিভিন্ন নদীজ এলাকাকে আলাদা করে থাকে তাকে জলবিভাজিকা বলে।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৫.
'The Principles of Morals and Legislation' গ্রন্থের রচয়িতা -
  1. জন স্টুয়ার্ট মিল
  2. পিটার সিঙ্গার
  3. বার্ট্রান্ড রাসেল
  4. জেরেমি বেন্থাম
ব্যাখ্যা
জেরেমি বেন্থাম:
- জেরেমি বেন্থাম একজন ইংরেজ দার্শনিক, অর্থনীতিবিদ, এবং তাত্ত্বিক আইনবিদ।
- তিনি ছিলেন যুক্তরাজ্যের অধিবাসী।
- তিনি ছিলেন উপযোগবাদের প্রকৃত প্রবক্তা।
- জেরেমি বেস্থাম যে সুখবাদ প্রচার করেন তা 'অসংযত পরসুখবাদ বা উপযোগবাদ' (Gross Utilitarianism) নামে পরিচিত।
- বেন্থাম মনস্তাত্ত্বিক সুখবাদ (Psychlogical Hedonism) ও আত্মসুখবাদ (Egoism) সমর্থন করেও ঐ প্রকার সুখবাদ থেকে পরসুখবাদ বা উপযোগবাদ অনুমান করেন।
- বিভিন্ন সুখের মধ্যে গুণগত পার্থক্য স্বীকার না করার জন্যই বেস্থামের সুখবাদকে 'অসংযত পরসুখবাদ বা উপযোগবাদ' (Gross Altruism or Ulititarianism) বলা হয়।
- বেন্থাম বলেন, 'Quantity of pleasures being equal, pushpin is as good as poetry' অর্থাৎ 'পরিমাণের তারতম্য না ঘটলে, খেলার সুখ (দৈহিক সুখ) ও কবিতা পাঠের সুখ (মানসিক সুখ) তুল্যমূল্য'।
- সুখের পরিমাণ নির্ধারণের জন্য বেস্থাম সুখের সাতটি দিকের বা মানের উল্লেখ করেছেন।
- যথা: তীব্রতা, স্থায়িত্ব, নৈকট্য, নিশ্চয়তা, বিশুদ্ধি, উর্বরতা ও বিস্তৃতি।

⇒ জেরেমি বেন্থাম Greatest Happiness Principle নীতির (১৭৮৯) প্রবক্তা।
- এই নীতির অর্থ হলো কোন কিছু বা কোন কাজকে উদ্দেশ্য নয়, বরং ফলাফল দ্বারা মূল্যায়ন করতে হবে।

⇒ তাঁর লেখা বিখ্যাত গ্রন্থ 'The Principles of Morals and Legislation.

অন্যদিকে,
- জন স্টুয়ার্ট মিল (John Stuart Mill)-এর বিখ্যাত গ্রন্থ 'Eassay on Liberty'।
- পিটার সিঙ্গারএর বিখ্যাত গ্রন্থ Animal Liberation।
- বার্ট্রান্ড রাসেলএর বিখ্যাত গ্রন্থ Power : A New Social Analysis।

উৎস: i) Britannica.
ii) নীতিবিদ্যা, দর্শন চতুর্থ পর্ব, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৬.
নিম্নের কোন দার্শনিক রাষ্ট্র সম্পর্কিত 'সামাজিক চুক্তি মতবাদ'-এর প্রবক্তা নন?
  1. জ্যাঁ জ্যাক রুশো
  2. ডেভিড হিউম
  3. জন লক
  4. থমাস হবস
ব্যাখ্যা
ডেভিড হিউম রাষ্ট্র সম্পর্কিত 'সামাজিক চুক্তি মতবাদ'-এর প্রবক্তা নন। তিনি বল প্রয়োগ মতবাদ-এর প্রবক্তা। 

সামাজিক চুক্তি মতবাদ:

- তাত্ত্বিক: থমাস হবস, জন লক, জ্যাঁ জ্যাক রুশো।
- সামাজিক চুক্তি মতবাদ একটি কাল্পনিক মতবাদ।
- এ মতবাদের মূলকথা হলো- রাষ্ট্র নামক রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানটি জনগনের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তির মাধ্যমে সৃষ্টি হয়েছে।
- এ মতবাদে বলা হয়, রাষ্ট্র সৃষ্টির পূর্বে “প্রকৃতির রাজ্যে" প্রকৃতির আইন অনুযায়ী মানুষ জীবন-যাপন করত।
- কেউ প্রকৃতির রাজ্যের নিয়ম ভঙ্গ করলে তাকে শাস্তি দেয়ার কোন কর্তৃপক্ষ ছিল না।
- এ অবস্থা থেকে মুক্তির জন্য মানুষ পরস্পর স্বেচ্ছায় চুক্তিতে আবদ্ধ হয়ে রাষ্ট্র সৃষ্টি করে।
- কিন্তু কালক্রমে সমাজে সম্মত্তির ধারণা বিস্তার লাভ করায় প্রাকৃতিক আইন নিয়ে মতভেদের কারণে সমাজ জীবনে বিশৃঙ্খলা ও যুদ্ধাবস্থা দেখা দেয়।
- এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণের জন্য মানুষ সামাজিক চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্র ও শাসক কর্তৃপক্ষ সৃষ্টি করে।

⇒ সামাজিক চুক্তির বিষয়টি টমাস হবস, জন লক ও জাঁ জ্যাক রুশো ভিন্ন ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করেছেন।
• টমাস হবস (Thomas Hobbes): হবস সপ্তদশ শতাব্দীর ইংরেজ দার্শনিক। ইংল্যান্ডের সপ্তদশ শতকের গৃহযুদ্ধের পটভূমিতে 'লেভিয়াথান' নামক একটি গ্রন্থ রচনা করেন। এই গ্রন্থে তিনি রাষ্ট্রের উৎপত্তি সম্পর্কিত সামাজিক চুক্তি মতবাদ ব্যাখ্যা করে।

• জন লক (John Locke): লক ছিলেন একজন ইংরেজ দার্শনিক এবং নিয়মতান্ত্রিক রাজতন্ত্রের সমর্থক। তিনি 'টু ট্রিটিস অন সিভিল গভর্নমেন্ট' নামক গ্রন্থে সামাজিক চুক্তি মতবাদ ব্যাখ্যা করেন।

• জাঁ জ্যাক রুশো (Jean Jacques Rousseau): রুশো ফরাসি দার্শনিক। তিনি 'দি সোশ্যাল কন্ট্রাক্ট' নামক গ্রন্থে রাষ্ট্রের উৎপত্তি সম্পর্কে আলোচনায় সামাজিক চুক্তি মতবাদ ব্যাখ্যা করেন। 

অন্যদিকে,
⇒ রাষ্ট্রের উৎপত্তি সংক্রান্ত কয়েকটি মতবাদ ও প্রবক্তা:
১. ঐশ্বরিক মতবাদ:
- প্রবক্তা: সেন্ট অগাস্টিন।

২. বল প্রয়োগ মতবাদ;
- তাত্ত্বিক: ডেভিড হিউম, জেংকস, জেলীনক।

৩. সামাজিক চুক্তি মতবাদ;
- তাত্ত্বিক: থমাস হবস, জন লক, জ্যাঁ জ্যাক রুশো।

৪. ঐতিহাসিক বা বিবর্তনমূলক মতবাদ;
- আধুনিক, যক্তিযুক্ত ও গ্রহণযোগ্য।

উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৭.
রাষ্ট্র কোন ধরনের প্রতিষ্ঠান?
  1. ভৌগোলিক
  2. রাজনৈতিক
  3. অর্থনৈতিক
  4. ক ও খ
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্র:
- রাষ্ট্র একটি রাজনৈতিক ও ভৌগোলিক প্রতিষ্ঠান।
- রাষ্ট্রের মাধ্যমে মানুষ নাগরিক জীবন শুরু করে।
- কারণ মানুষ সামাজিক ও রাজনৈতিক জীব।
- প্রত্যেকটি মানুষ কোন না কোন রাষ্ট্রের সদস্য।
- রাষ্ট্রের স্থায়িত্বের জন্য জনমত ও জনগণের ইচ্ছা একান্ত প্রয়োজন।
- প্রকৃতপক্ষে রাষ্ট্রের অস্তিত্ব ও স্থায়িত্ব নির্ভর করে জনগণের ইচ্ছার উপর।
- রাষ্ট্র হচ্ছে নাগরিক জীবনের অন্যতম একটি সংঘ।
- সভ্যতার বিকাশে মানুষ যত রকম সংঘ গঠন করছে তার মধ্যে সর্বোচ্চ এবং শক্তিশালী সংঘ হচ্ছে রাষ্ট্র।

এছাড়াও,
- রাষ্ট্র একটি সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন।
- রাষ্ট্র একটি পূর্ণাঙ্গ ও স্থায়ী প্রতিষ্ঠান।
- রাষ্ট্র একটি বলপ্রয়োগকারী প্রতিষ্ঠান।
- রাষ্ট্রের উৎপত্তি সংক্রান্ত বিভিন্ন মতবাদ চালু আছে, তার মধ্যে ঐশ্বরিক মতবাদ, বল প্রয়োগ মতবাদ, পিতৃতান্ত্রিক মতবাদ, সামাজিক চুক্তি মতবাদ, ঐতিহাসিক মতবাদ প্রভৃতি প্রধান।

⇒ রাষ্ট্রের ৪টি উপাদান রয়েছে- (১) জনসমষ্টি (২) নির্দিষ্ট ভূখণ্ড (৩) সরকার ও (৪) সার্বভৌমত্ব।
- এই চারটি উপাদান রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য। এর কোন একটি না থাকলে রাষ্ট্র গঠিত হতে পারে না।

উৎস: i) রাষ্ট্রবিজ্ঞান: রাষ্ট্রতত্ত্ব, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) রাষ্ট্র, পৌরনীতি, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩৮.
নিচের কোনটি কর্তব্যের পরিপূরক?
  1. আইন
  2. অধিকার
  3. স্বাধীনতা
  4. দেশসেবা
ব্যাখ্যা
অধিকার ও কর্তব্যের সম্পর্ক:
- অধিকার ও কর্তব্যের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বিদ্যমান।
- অধিকার ও কর্তব্যের প্রকৃতি, স্বরূপ এবং পরিধি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, এগুলো একে অপরের উপর নির্ভরশীল।
- কর্তব্যহীন অধিকার বা অধিকারবিহীন কর্তব্যের কথা কল্পনা করা যায় না।
- অধিকার ও কর্তব্য পরস্পর পরিপূরক।
- এরা যেন একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ।

⇒ নাগরিকের যা অধিকার রাষ্ট্রের নিকট তাই কর্তব্য এবং রাষ্ট্রের যা অধিকার নাগরিকের নিকট তাই কর্তব্য।
- রাষ্ট্রের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার অধিকার আছে এবং রাষ্ট্র যখন সে অধিকার দাবি করে তখন নাগরিকের চরম ত্যাগ স্বীকার করতে হয়।
- যেমন- রাষ্ট্র যখন বিপদগ্রস্ত হয় তখন নাগরিকদের জীবনের বিনিময়ে হলেও রাষ্ট্রকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসতে হয়।
- রাজনৈতিক সচেতনতার ফলে নাগরিক কখনও অধিকার ও কর্তব্যকে পৃথক করে দেখতে পারে না।
- অধিকারের মধ্যে কর্তব্য নিহিত থাকে। 

উৎস: i) সিভিক এডুকেশন-১, বিএ/বিএসএস প্রোগ্রাম, এসএসএইচএল বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) পৌরনীতি, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩৯.
কোনটি ন্যায়পরায়ণতার নৈতিক মূলনীতি নয়?
  1. অধিকার ও সুযোগের ক্ষেত্রে সমতার নিশ্চিতকরণ
  2. আইনের শাসন
  3. পুরস্কার ও শাস্তির ক্ষেত্রে সমতার নীতি প্রয়োগ
  4. সুশাসনের জন্য উচ্চ শিক্ষিত কর্মকর্তা নিয়োগ
ব্যাখ্যা
সুশাসনের জন্য উচ্চ শিক্ষিত কর্মকর্তা নিয়োগ ন্যায়পরায়ণতার নৈতিক মূলনীতি নয়।

নৈতিক মূল্যবোধ:

- নীতি ও উচিত-অনুচিত বোধ হলো নৈতিক মূল্যবোধের উৎস।
- নৈতিক মূল্যবোধ হচ্ছে সেসব মনোভাব এবং আচরণ যা মানুষ সবসময় ভালো, কল্যাণকর ও অপরিহার্য বিবেচনা করে মানসিকভাবে তৃপ্তিবোধ করে।
- নৈতিক মূল্যবোধের প্রাথমিক উৎস হলো পরিবার।
- শিশু প্রথম নৈতিক মূল্যবোধের শিক্ষা পায় পরিবার থেকে।
- অন্যায় থেকে বিরত থাকা, সত্যকে সত্য বলা, মিথ্যাকে মিথ্যা বলা, দুঃস্থকে সহায়তা করা প্রভৃতি নৈতিক মূল্যবোধ।

⇒ ন্যায়পরায়ণতার নৈতিক মূলনীতি হলো:
- পুরস্কার ও শাস্তির ক্ষেত্রে সমতার নীতি প্রয়োগ।
- আইনের শাসন।
- অধিকার ও সুযোগের ক্ষেত্রে সমতার নিশ্চিতকরণ।

উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
ii) নীতিবিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।