উত্তর
ব্যাখ্যা
সম্মার্জনী = ঝাড়ু, বারুণা, সম্মার্জক।
অন্যদিকে, প্রভঞ্জন = ঝড়; কুঞ্চিকা = চাবি ও শশক = খরগোশ
উৎসঃ মোহসীনা নাজিলা রচিত শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বই।
১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ১২৯ প্রশ্ন
সম্মার্জনী = ঝাড়ু, বারুণা, সম্মার্জক।
অন্যদিকে, প্রভঞ্জন = ঝড়; কুঞ্চিকা = চাবি ও শশক = খরগোশ
উৎসঃ মোহসীনা নাজিলা রচিত শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বই।
চাপল্যতা - অশুদ্ধ। এর শুদ্ধরূপ = চাপল্য, চাঞ্চল্য, চপলতা ইত্যাদি।
তাই বাক্যে প্রয়োগের ক্ষেত্রে চাপল্যতা অশুদ্ধ।
উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান
বিভিন্ন প্রকার ছন্দঃ
১. স্বরবৃত্ত ছন্দকে লৌকিক ছন্দ বলে। রবীন্দ্রনাথ এটিকে 'ছড়ার ছন্দ' বলেছেন।
২. মাত্রাবৃত্ত ছন্দকে ধ্বনিপ্রধান ছন্দ বলে।
৩. অক্ষরবৃত্ত ছন্দকে তানপ্রধান বলে।
৪. পয়ার ছন্দে অন্তমিল থাকে।
৫. অমিত্রাক্ষর ছন্দে অন্তমিল থাকে না।
উৎসঃ মোহসীনা নাজিলা রচিত শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বই।
সৃষ্টি = √সৃজ্ + ক্তি।
সৃষ্টি = √সৃজ্ + তি।
ক্তি (তি) প্রত্যয় যোগ করার ক্ষেত্রে,
কিছু ধাতুর শেষের ব্যঞ্জন লোপ পায়। যেমন-
√গম্+ক্তি (তি) = গতি
√মন্+ক্তি (তি) = মতি
√রম্+ক্তি (তি) = রতি
উৎসঃ বাংলা একাডেমি অভিধান ও বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
শব্দ গঠন পদ্ধতিঃ
- সন্ধির মাধ্যমে
- সমাসের সাহায্যে
- উপসর্গযোগে
- প্রত্যয়যোগে
- অনুসর্গযোগে
- বিভক্তিযোগে
- পদ পরিবর্তন দ্বারা
- শব্দের দ্বিরুক্তির মাধ্যমে
- পদাশ্রিত নির্দেশক যোগ করে।
উপর্যুক্ত প্রক্রিয়ায় শব্দ গঠিত হলেও মূলত সমাস, প্রত্যয় ও উপসর্গযোগে প্রধানত শব্দ গঠিত হয়।
অন্যদিকে, বাক্যস্থিত ক্রিয়াপদের সাথে নামপদের যে সম্পর্ক তাকে কারক বলে। এটি শব্দ গঠনের পদ্ধতি নয়।
উৎসঃ মোহসীনা নাজিলা রচিত শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বই ও নবম-দশম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ বই।
বাক্যে যতিচিহ্ন অনুসারে থামার পরিমাণ -
- কমা বা পাদচ্ছেদ এবং উদ্ধৃতি চিহ্ন থাকলে -- 'এক' উচ্চারণে যত সময় লাগে সেই পরিমাণ সময় থামতে হয়।
- সেমিকোলন বা অর্ধচ্ছেদ থাকলে -- 'এক' বলার দ্বিগুণ সময় থামতে হয়।
- হাইফেন, ইলেক বা লোপ চিহ্ন ও ব্রাকেট থাকলে -- থামার প্রয়োজন হয় না।
- দাড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ, প্রশ্নবোধক চিহ্ন, বিস্ময় চিহ্ন, কোলন, কোলন ড্যাস, ড্যাস ইত্যাদি চিহ্ন থাকলে -- এক সেকেন্ড থামতে হয়।
উৎসঃ মোহসীনা নাজিলা রচিত শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বই।
ঈ - প্রত্যয়যোগে গঠি স্ত্রীবাচক শব্দঃ
- সাধারণ অর্থে -- নিশাচর - নিশাচরী, ভয়ংকর - ভয়ংকরী, কিশোর - কিশোরী ইত্যাদি।
- জাতিবাচক অর্থে -- সিংহ - সিংহী, ব্রাহ্মণ - ব্রাহ্মণী, মানব - মানবী, বৈষ্ণব - বৈষ্ণবী ইত্যাদি।
উৎসঃ মোহসীনা নাজিলা রচিত শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বই।
মশকরা - আরবি শব্দ ভাষা থেকে আগত বাংলা শব্দ।
আরো কয়েকটি আরবি শব্দ -- আদায়, আবির, আসামি, ইজ্জত, ইনসান, ওয়াকিবহাল, জলসা, আদমি, ওজর, জাফরান, তদারক ইত্যাদি।
উৎসঃ মোহসীনা নাজিলা রচিত শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বই।
ঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি হচ্ছে - স্পর্শধ্বনিগুলোর তৃতীয় সারির অর্থ্যাৎ বর্গের তৃতীয় ধ্বনি।
গ, জ, ড, দ এবং ব - এই পাঁচটি ঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি।
উৎসঃ মোহসীনা নাজিলা রচিত শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বই।
চর্যাপদের রচনা কাল সম্পর্কে গবেষকদের অভিমত -
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এর মতে, ৬৫০ - ১২০০ সালের মধ্যে রচিত,
- ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, ৯৫০ - ১২০০ সালের মধ্যে এবং
- ড. সুকুমার সেনের মতে, ৯৫০ - ১২০০ সালের মধ্যে চর্যাপদ রচিত।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর।
মধ্যযুগের শুরুতেই রচিত হয় একটি সুদীর্ঘ অসাধারণ কাব্য যার নাম ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ - যার রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাস। তিনিই বাংলা ভাষার প্রথম মহাকবি।
তার রচিত গ্রন্থটি ১৯০৯ সালে বাঁকুড়ার এক গৃহস্থের গোয়ালঘর থেকে শ্রীবসন্তরঞ্জন বিদ্বদ্বল্লভ আবিষ্কার করেন।
উৎসঃ লাল নীল দীপাবলি - হুমায়ুন আজাদ।
অন্যদিকে, মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৮২৪-১৮৭৩) একাধারে বাংলা ভাষায় সনেট ও অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক, বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকবি, আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি, বাংলা নাটকের পথিকৃৎ।
সূত্রঃ LiveMCQ লেকচার।
কালকেতু, ফুল্লরা, ভাড়ুদত্ত - ইত্যাদি চরিত্রগুলো চন্ডীমঙ্গল কাব্যে পাওয়া যায়।
চন্ডীমঙ্গল কাব্যের আদি কবি - মানিকদত্ত ও শ্রেষ্ঠকবি - মুকুন্দরাম চক্রবর্তী।
উৎসঃ মোহসীনা নাজিলা রচিত শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য।
মনের মানুষ - উপন্যাসটি লিখেছেন - সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়। এই উপন্যাস অবলম্বনে চলচ্চিত্র নির্মান করেছেন - গৌতম ঘোষ।
সুনীলের অন্যান্য উপন্যাস -
- আত্মপ্রকাশ
- পূর্ব-পশ্চিম
- সেই সময়
- প্রথম আলো
- অরণ্যের দিনরাত্রি ইত্যাদি
তার ছদ্মনাম - সনাতন পাঠক/নীল লোহিত?নীল উপাধ্যায়
উৎসঃ মোহসীনা নাজিলা রচিত শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বই।
কাজী নজরুল ইসলাম রচিত উপন্যাসঃ
- বাঁধন-হারা (বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রোপান্যাস)
- মৃত্যুক্ষুধা
- কুহেলিকা
গলগ্রন্থঃ
- ব্যথার দান
- রিক্তের বেদন
- শিউলিমালা
- পদ্মগোখরা
- জিনের বাদশা
নাটকঃ
- ঝিলিমিলি
- আলেয়া
- পুতুলের বিয়ে
- মধুমালা
- বিদ্যাপতি
- সেতুবন্দ
- ভূতের ভয় ইত্যাদি
উৎসঃ মোহসীনা নাজিলা রচিত শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বই।
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত অনুবাদ গ্রন্থ -
- বেতাল পঞ্চবিংশতি -- হিন্দি 'বেতাল পচ্চীসী' এর অনুবাদ
- শকুন্তলা -- কালিদাসের 'অভিজ্ঞান শকুন্তলম' নাটকের অনুবাদ
- সীতার বনবাস -- বাল্মীকীর রামায়নের উত্তরকান্ড অবলম্বনে রচিত
- ভ্রান্তিবিলাস -- শেক্সপিয়ারের ''Commedy of Errors'' অবলম্বনে রচিত
- জীবনচরিত -- চেম্বার্সের ''Biographics'' অবলম্বনে রচিত
- বাঙলার ইতিহাস -- মার্শম্যানের History of Bengal গ্রন্থের অনুবাদ
- নীতিবোধ -- রবার্ট ও উইলিয়াম চ্যাম্বার্সের মরাল ক্লাস বুক অবলম্বনে রচিত
অন্যদিকে, প্রভাবতী সম্ভাষণ, স্বরচিত জীবনচরিত, ব্রজবিলাস, রত্নপরীক্ষা ইত্যাদি তার মৌলিক গ্রন্থ।
উৎসঃ মোহসীনা নাজিলা রচিত শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বই।
উদ্দৃতাংশটি কবির 'মানসী' কবিতা থেকে নেওয়া।
মানসী কবিতাটি রবীন্দ্রনাথের ''চৈতালী'' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
উৎসঃ মোহসীনা নাজিলা রচিত শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বই।
The Charge of the Light Brigade, poem by Alfred, Lord Tennyson, published in 1855.
The poem, written in Tennyson’s capacity as poet laureate, commemorates the heroism of a brigade of British soldiers at the Battle of Balaklava (1854) in the Crimean War.
Source: Britannica.com
Great Expectations, novel by Charles Dickens, first published serially in All the Year Round in 1860–61 and issued in book form in 1861. The classic novel was one of its author’s greatest critical and popular successes.
It chronicles the coming of age of the orphan “Pip” while also addressing such issues as social class and human worth.
His some other notable novels are -
- A Christmas Carol,
- David Copperfield,
- Bleak House,
- A Tale of Two Cities,
- Great Expectations, and
- Our Mutual Friend.
Dickens enjoyed a wider popularity during his lifetime than had any previous author.
Source: Brittanica.com
''Ode on the Death of a Favourite Cat'' - is a famous poem written by Thomas Gray.
He is mostly famous for his Elegies.
His famous literary works are -
- Elegy Written in a Country Churchyard
- The Bard
- Alexander's Feast etc.
''Desdemona'' is a play by Toni Morrison. It was first produced in Vienna in May 2011.
The title character of the play is Desdemona, the wife of the title character in Shakespeare's Othello.
Toni Morrison, was an American novelist, essayist, book editor, and college professor. Her first novel, The Bluest Eye, was published in 1970.
Her other novels are -
- Sula
- Song of Solomon
- Tar Baby
- A Mercy etc
Source: Britannica.com
'Cohesion' - Unity;
'Coherence' - Logical Sequence of thoughts.
These two are essential in paragraph writing.
Source: High School English Grammar and Composition by Wren and Martin.
Recalcitrant = having an obstinately uncooperative attitude toward authority or discipline.
SYNONYMS = uncooperative, obstinately disobedient, intractable, unmanageable, ungovernable, refractory, insubordinate, obdurate etc.
ANTONYMS = amenable, docile, compliant
Source: Live MCQ Lecture and Oxford Dictionary
Dormant = temporarily inactive; alive but not actively growing.
SYNONYMS = inactive, passive, inert, latent, fallow, quiescent, inoperative, stagnant, sluggish, lethargic, torpid, motionless, immobile
ANTONYMS = awake, active.
Source: Live MCQ Lecture and Oxford Dictionary
Correct form of these incorrect sentence are:
- They met with me yesterday. = They met me yesterday.
- The boy picked up a quarrel with him. = The boy picked a quarrel with him.
- He contradicted against my opinion. = He contradicted my opinion.
যে phrase বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে conjunction এর কাজ করে তাকে Conjunctional phrase বলে।
Ex: Rahim as well as his friends was present there.
যে verb-এর অর্থ পরিপূর্ণ করার জন্য object এর প্রয়োজন পড়ে না, অর্থ্যাৎ যে verb এর object থাকে না, তাকে Intransitive verb বলে।
যেমন - He can swim. Mother laughs.
যেসব subordinate clause, complex sentence - এর ভিতর noun - এর কাজ করে তাদেরকে Noun Clause বলে।
যেমন - How he came here is a mystery.
১২১ ও ৯৯ এর গ.সা.গু. = ১১
∴ বালকের সংখ্যা ১১ জন।
৩০ লিটারের মিশ্রণে দুধ আছে (৩০×৪)/(৪+১) = ২৪ লিটার
∴ পানি আছে (৩০-২৪) = ৬ লিটার।
মনে করি x লিটার পানি মিশালে দুধ ও পানির অনুপাত ২ঃ১ হবে। অর্থাৎ, ২৪ : (৬+x) = ২ : ১
⇒ ২৪/(৬+x) = ২/১
⇒ ২৪ = ১২ + ২x
⇒ ২x = ১২
∴ x = ৬
∴ ৬ লিটার পানি মিশাতে হবে
১০০ টাকায় লাভ হয় ১২ টাকা
∴ ৪৫০ টাকায় লাভ হয় (১২×৪৫০)/১০০ টাকা
= ৫৪ টাকা
∴ বিক্রয়মূল্য হবে (৪৫০+৫৪) = ৫০৪ টাকা
{(0.9)³+(0.4)³ } / (0.9+0.4)
= (0.9+0.4){(0.9)²-(0.9 × 0.4)+(0.4)²} / (0.9+0.4)
= 0.81 - 0.36 + 0.16
= 0.61
√(x+5) = √x + √5
⇒ {√(x+5)}² = (√x + √5)² [বর্গ করে]
⇒ x+5 = (√x)² + 2.√x.√5 + (√5)²
⇒ x+5 = x + 2.√x.√5 + 5
⇒ 2.√x.√5 = 0
⇒ √x =0
∴ x = 0
x/y = 1
∴ x = y
আবার,
x + 2y = 6
⇒ x + 2x = 6 [∵ x = y]
⇒ 3x = 6
∴ x = 2
∴ x = y = 2
∴ (x,y) = (2,2)
a + b + c > d
⇒ a + b + c - c > d - c
⇒ a + b > d - c
3n + 3n + 3n
= 3.3n
= 3¹.3n
= 3n+1
১ম পদ a = 2
সাধারণ অন্তর d = (-3-2) = -5
12 তম পদ = a + (12 -1)d
= 2 + 11(-5)
= 2 - 55
= -53
পিথাগোরাসের সূত্র থেকে,
মইয়ের দৈর্ঘ্য = √(৩০²+১৬²)
= √(৯০০+২৫৬)
= √১১৫৬
= ৩৪ ফুট
কার্বন মৌলের ৬ টি প্রোটন ও তিনটি আইসোটোপ রয়েছে- 12C, 13C ও 14C। এই তিনটির মধ্যে 14C অস্থিতিশীল বা তেজস্ক্রিয়। এতে ৬টি প্রোটন ও ৮টি নিউট্রন রয়েছে। কার্বন-১৪ (14C) ব্যবহৃত হয় মৃত প্রাণী বা উদ্ভিদের বয়স হিসাব করতে।
কোবাল্ট-৬০ (60Co) আইসোটোপটি ব্যবহৃত হয় শরীরের ক্যান্সার, টিউমার প্রভৃতি নির্ণয়ে। শ্বেত-কণিকা অত্যধিক বৃদ্ধিজনিত রক্তাল্পতা (Blood-leukemia) রোগের চিকিৎসায় তেজষ্ক্রিয় ফসফরাস-৩২ (32P ) ব্যবহৃত হয়। দেহের হাড় বেড়ে যাওয়া এবং কোথায়, কি কারণে ব্যাথা হচ্ছে তা নির্ণয়ের জন্য টেকনেসিয়াম-৯৯(99Tc) আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। [সূত্র: নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বই এবং নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বই (উন্মুক্ত)]
সংখ্যা পদ্ধতির বিবেচনায় (7+1)8 = (10)8 সঠিক।
অন্যগুলোর সঠিক রূপ:
(16)10 = (10)16
(1+1)2 = (10)2 = (2)8
(8)10 = (1000)2
কম্পিউটারের সাহার্যে লেখালেখি, সম্পাদনা ও অন্যান্য কাজ করে প্রয়োজনানুযায়ী সুসজ্জিত করে কাগজে ছাপানোর প্রক্রিয়াকে ওয়ার্ড প্রসেসিং বলে। যে সব সফটওয়্যার বা প্রোগ্রামের মাধ্যমে এ ক্রিয়াকরণের কাজ করা হয় তাদের ওয়ার্ড প্রসেসর প্রোগ্রাম বলা হয়।
বাজারে বিভিন্ন ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রাম প্রচলিত আছে। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলোঃ
- মাইক্রোসফট ওয়ার্ড
- ওয়ার্ড স্টার
- ওয়ার্ড পারফেক্ট
- ওয়ার্ড প্যাড
- নোটপ্যাড
- ডিসপ্লে রাইটার ইত্যাদি।
অন্যদিকে মাল্টিপ্লান হলো স্প্রেডশীট প্রোগ্রাম।
[সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২ (ভোকেশনাল)]
12 + 3 = 15
15 + 4 = 19
19 + 5 = 24
24 + 6 = 30
30 + 7 = 37
37 + 8 = 45
45 + 9 = 54
অর্থাৎ, অষ্টম পদটি 54.
১৭৫৬ সালে নবাব সিরাজদৌলা কাসিমপুর বাজার দুর্গ ও কলকাতায় অবস্থিত - ফোর্ট উইলিয়াম দখল করে ইংরেজদের বিতারিত করেন। ইংরেজরা কলকাতা ত্যাগ করে 'ফুলতা' নামক স্থানে চলে যায়।
নবাব কলকাতাকে মানিক চাঁদের দায়িত্বে রেখে মুর্শিদাবাদ ফিরে আসেন। তিনি তার নানা নবাব আলীবর্দী খানের নামানুসারে কলকাতার নাম করেন - আলীনগর।
পরবর্তীতে, লর্ড ক্লাইভ ও ওয়াটসনের নেতৃত্বে এবং মানিক চাঁদের বিশ্বাসঘাতকতায় ইংরেজরা কলকাতা পুনরায় দখল করে নেয়। নবাব আবার কলকাতা আক্রমণ করেন; কিন্তু দ্বিতীয় দফায় তিনি কলকাতা পুনরুদ্ধার করতে পারেননি। পরে ইংরেজদের সাথে সন্ধি করেছিলেন।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর ইতিহাস (২য় বর্ষ) বই (উন্মুক্ত)।
লর্ড ওয়েলেসলি পাশ্চাত্য সভ্যতার শ্রেষ্ঠত্বে বিশ্বাসী ছিলেন বলেই এদেশবাসীর চাওয়া পাওয়াকে বিবেচনার যোগ্য মনে করেননি। পরস্পর বিবদমান এদেশীয় রাজাগণকে ইউরোপীয় সামরিক সাহায্য গ্রহণে আগ্রহী ও উৎসাহী দেখে লর্ড ওয়েলেসলি তাঁদেরকে পুরোপুরি ইংরেজ সাহায্যের উপর নির্ভরশীল করে তুলতে চাইলেন।
এ নীতি ওয়েলেসলির আগে ক্লাইভ এবং বিশেষ করে হেস্টিংস কর্তৃক অনুসৃত হয়েছিল। তবে ওয়েলেসলি এ নীতিকে নিপুণতার সাথে ব্যাপকভাবে কার্যকর করেছিলেন। তাই তিনি স্যার জন শোরের নিরপেক্ষ নীতি ত্যাগ করে সামরিক অধীনতার ভিত্তিতে গঠিত এ নীতির নামকরণ করলেন ‘অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস (১ম পত্র) বই (উন্মুক্ত।
আওয়ামী লীগের চীপ হুইপ অধ্যাপক ইউসুফ আলী অস্থায়ী সরকারের (মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত) সদস্যদের শপথ পাঠ করান।
শপথ অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ইউসুফ আল স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন। উল্লেখ্য, শপথ গ্রহন অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন - আব্দুল মান্নান এম.এন.এ।
এ সরকার গঠনের মাত্র দুই ঘন্টা পর পাকিস্তানি বাহিনীর বিমান মুজিবনগরে বোমাবর্ষণ করে এবং মেহেরপুর দখল করে নেয়। ফলে মুজিবনগর সরকারের সদর দপ্তর কলকাতার ৮নং থিয়েটার রোডে স্থানান্তরিত হয়।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস দ্বিতীয় পত্র বই (উন্মুক্ত)।
বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ - ৮৭ঃ বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি
(১) প্রত্যেক অর্থ-বৎসর সম্পর্কে উক্ত বৎসরের জন্য সরকারের অনুমিত আয় ও ব্যয়-সংবলিত একটি বিবৃতি (এই ভাগে ''বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি'' নামে অভিহিত) সংসদে উপস্থাপিত হইবে।
(২) বার্ষিক আর্থিক বিবৃতিতে পৃথক পৃথকভাবে
(ক) এই সংবিধানের দ্বারা বা অধীন সংযুক্ত তহবিলের উপর দায়রূপে বর্ণিত ব্যয় নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ, এবং
(খ) সংযুক্ত তহবিল হইতে ব্যয় করা হইবে, এইরূপ প্রস্তাবিত অন্যান্য ব্যয় নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ,
প্রদর্শিত হইবে এবং অন্যান্য ব্যয় হইতে রাজস্ব খাতের ব্যয় পৃথক করিয়া প্রদর্শিত হইবে।
বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ - ১৪৫কঃ আন্তর্জাতিক চুক্তি
বিদেশের সহিত সম্পাদিত সকল চুক্তি রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করা হইবে, এবং রাষ্ট্রপতি তাহা সংসদে পেশ করিবার ব্যবস্থা করিবেনঃ
তবে শর্ত থাকে যে, জাতীয় নিরাপত্তার সহিত সংশ্লিষ্ট অনুরুপ কোন চুক্তি কেবলমাত্র সংসদের গোপন বৈঠকে পেশ করা হইবে।]
বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ - ৬০ঃ স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা
এই সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদের বিধানাবলীকে পূর্ণ কার্যকরতাদানের উদ্দেশ্যে সংসদ আইনের দ্বারা উক্ত অনুচ্ছেদে উল্লিখিত স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানসমূহকে স্থানীয় প্রয়োজনে কর আরোপ করিবার ক্ষমতাসহ বাজেট প্রস্তুতকরণ ও নিজস্ব তহবিল রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষমতা প্রদান করিবেন।
আইন প্রণয়নে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বা মুখ্য ভূমিকা পালন করে আইনসভা। বাংলাদেশে আইনসভা জাতীয় সংসদ নামে পরিচিত।
যেকোন ধরনের সরকারি আইন প্রণয়নের দায়িত্ব সংসদের উপর ন্যস্ত। আইনসভার পরেই আইন প্রণয়নে মন্ত্রিসভার ভূমিকা মুখ্য।
উল্লেখ্য, রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারি করতে পারেন।
সূত্রঃ পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেনী
রাজনৈতিক দল হল গণতন্ত্রের মূল চালিকা শক্তি।
যখন কিছু সংখ্যক মানুষ মতাদর্শগতভাবে একমত পোষণ করে এবং ন্যূনতম কর্মসূচির ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হয় তখন তাকে রাজনৈতিক দল বলে। সংক্ষেপে রাজনৈতিক দল হল একটি জনসমষ্টি যা ক্ষমতা অর্জন করার জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে চেষ্টা করে।
ব্যাপক অর্থে বলা যায়, রাজনৈতিক দল হল কোন জনসমষ্টি যা রাষ্ট্রের সমস্যাবলি এবং সমাধানের উপায় সম্পর্কে ঐক্যমত পোষণ করে এবং নির্দিষ্ট আদর্শের ভিত্তিতে জনমতের মাধ্যমে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়ার চেষ্টা করে।
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র বই (উন্মুক্ত)।
গণতন্ত্রের মানসপুত্র হিসেবে পরিচিত হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ১৯৬৩ সালের ৫ ডিসেম্বর লেবাননের বৈরুত শহরে মারা যান। তিনি ১৮৯২ সালে পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুরে জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৪৬-৪৭ সালে তিনি অবিভক্ত বাংলার সর্বশেষ মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৫৬-৫৭ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া বিভিন্ন সময় সময় তিনি ব্রিটিশ ভারত ও পাকিস্তান সরকারের কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক মন্ত্রিসভায় মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
উল্লেখ্য, অবিভক্ত বাংলার প্রথম মূখ্যমন্ত্রী ছিলেন - শেরে বাংলা এ.কে ফজলুল হক।
সূত্রঃ কারাগারের রোজনামচা ও বাংলাপিডিয়া
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মারক ভাস্কর্য‘সাবাস বাংলাদেশ’। ভাস্কর্যটির ভাস্কর - নিতুন কুন্ডু।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
কলার জাতঃ
- খাটো জাতের কলা -- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর (জয়েন্ট গর্ভারনার)
- মাঝারি উচ্চতা বিশিষ্ট জাতের কলা -- অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী
- লম্বা জাতের কলা -- কাঁঠালি, আনাজি ও অন্যান্য তরকারি কলাসহ বীচিকলা, বাংলা কলা, গেঁড়া কলা
উৎসঃ বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
বাংলাদেশের কৃষির ৪ টি উপখাত রয়েছে। যথা--
- শস্য ও শাকসবজি উৎপাদন
- প্রাণি সম্পদ,
- বনজ সম্পদ ও
- মৎস সম্পদ।
এদের মধ্যে প্রধান উপখাত হচ্ছে - শস্য ও শাকসবজি উৎপাদন। এই উপখাত গুলোর আরো ভাগ রয়েছে। যেমন- মৎস্য সম্পদের অভ্যন্তরীণ ও সামুদ্রিক উৎস রয়েছে।
সূত্রঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর অর্থনীতি (২য় পত্র) বই, প্রঃ মোস্তাফিজুর রহমান।
রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যের আদি জনগোষ্ঠী। ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে আরাকানে জাতিগত নিধন শুরু হলে বাংলাদেশ এদের আশ্রয় দেয়।
অন্যান্যগুলো বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
আলমগীর কবির নির্মিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত চলচ্চিত্র হলো ধীরে বহে মেঘনা। এটি ১৯৭৩ সালে মুক্তি পায়। ছবিটির পরিকল্পনা করেন জহির রায়হান।
আলমগীর কবির পরিচালিত অন্যান্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে -
- সীমানা পেরিয়ে,
- সূর্যকন্যা,
- মোহনা,
- রূপালি সৈকতে,
- মহানায়ক ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
- পরিকল্পনা কমিশন - বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, প্রেক্ষিত পরিকল্পনা সহ সরকারের যাবতীয় স্বপ্ল, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে থাকে।
- পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী। বিকল্প চেয়ারম্যান অর্থমন্ত্রী এবং ভাইস চেয়ারম্যান পরিকল্পনা মন্ত্রী।
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত মোট ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণীত হয়েছে। এছাড়া ৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রক্রিয়াধীন। এর সময়কাল ২০২১-২০২৫।
- পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার ধারণা প্রবর্তন করেন রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট জোসেফ স্ট্যালিন।
সূত্রঃ পরিকল্পনা কমিশন ও বাংলাপিডিয়া।
বাংলাদেশ নিটওয়্যার উৎপাদনকারী ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন - Bangladesh Knitwear Manufacturers and Exporters Association (BKMEA)।
এটি ১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত।
অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ গার্মেন্টস মালিক ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন - BGMEA
- বাংলাদেশ শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক চেম্বার - FBCCI এবং
- রিয়েল এস্টেট কোম্পানিগুলোর সংগঠন - REHAB
২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশের প্রাথমিক পণ্য আমদানির মোট পরিমাণ - ৩,৯৩১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
বাংলাদেশের আমদানিকৃত প্রাথমিক পণ্য সমূহঃ (USD)
১. চাল - ৯০ মিলিয়ন
২. গম - ৯৭৩ মিলিয়ন
৩. তৈলবীজ - ৪০২ মিলিয়ন
৪. অপরিশোধিত পেট্রোলিয়াম - ২৭৮ মিলিয়ন
৫. তুলা - ২,১৬৮ মিলিয়ন
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।
(নতুন অর্থনৈতিক সমীক্ষার তথ্যগুলো বেশি জরুরী)
- বাংলাদেশ শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সংস্থা/কর্পোরেশনঃ ৪টি
১. বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি)
২. বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি)
৩. বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশন (বিএসইসি)
৪. বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)
- শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ দপ্তরঃ ৬টি
১. বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন (বিএসটিআই)
২. বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট (বিআইএম)
৩. বাংলাদেশ শিল্প ও কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক)
৪. ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও)
৫. পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর
৬. প্রধান বয়লার পরিদর্শকের কার্যালয়
শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বোর্ডঃ ১টি
- বাংলাদেশ এ্যাক্রিডিটেশন বোর্ড
উৎসঃ শিল্প মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
➣ চৈনিক সভ্যতার অবদানঃ
⇒ চৈনিক সভ্যতায় মূলত শাং রাজাদের আমলে ভিন্ন প্রকৃতির একটি লিখন পদ্ধতির আবিষ্কার করে। চিত্রভিত্তিক এই লিখন পদ্ধতির নাম - “আইডিওগ্রাফ”। সামান্য অদল বদল করে চীনের সেই লিপি এখনও বিদ্যমান এবং বর্তমানে এই লিপির চিহ্নের সংখ্যা প্রায় চল্লিশ হাজার।
⇒ চৈনিকরা আধুনিক আমলাতন্ত্রের ভিত্তি প্রতিষ্ঠা করে।
⇒ শিল্পকলা, কারুকার্য ও ভাস্কর্য নির্মান, সঙ্গীত ইত্যাদি ক্ষেত্রে চৈনিকদের অবদান অনস্বীকার্য।
উৎসঃ Live MCQ content (Upcoming)
মুসোলিনির সরকারের নেতৃত্বে ইতালি জার্মানির অন্যতম মিত্র রাষ্ট্র হয়ে উঠে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইতালী ছিল - অক্ষশক্তির দেশ।
১৯৪৩ সালের জুলাই - এ ইতালিতে মুসোলিনির সরকারের পতন ঘটে এবং ইতালি মিত্রবাহিনীর নিকট আত্মসমর্পন করে। নতুন সরকার জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে এবং ১৯৪৩ - ৪৫ পর্যন্ত মিত্রশক্তি হিসাবে জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে।
উৎসঃ Live MCQ content (Upcoming)
দেশের নাম - কম্বোডিয়া
রাষ্ট্রীয়/প্রশাসনিক নাম - Kingdom of Cambodia
রাজধানী - নমপেন (Phnom Penh)
মুদ্রার নাম - রিয়েল (Riel)
রাষ্ট্রীয় ভাষা - খেমার (Khmer)
সংসদের নাম - Parliament of Cambodia (২ কক্ষ বিশিষ্ট)। উচ্চকক্ষ - সিনেট ও নিম্নকক্ষ - National Assembly
শাসন ব্যবস্থা - সাংবিধানি রাজতন্ত্র
উৎসঃ Live MCQ content (Upcoming)
➣ ১৭৮৯ সালে অভিজাত শ্রেণীর শাসন ও শোষনের বিরুদ্ধে শ্রমিক-কৃষক-জনতা বিদ্রোহ করে এবং ১৪ জুলাই ‘বাস্তিল দুর্গ’ - এর পতন হওয়ার মাধ্যমে “ফরাসি বিপ্লব” - এর শুরু হয়।
১৭৯২ সালে ফ্রান্সের রাজা ষোড়শ লুইস- কে উচ্ছেদ করে বিচারকার্য শুরু হয় এবং ফ্রান্সের “প্রথম রিপাবলিক” (First Republic) গঠিত হয়। আর এর সাথে সাথে ফ্রান্সে রাজতন্ত্রের অবসান হয়। ১৭৯৩ সালে ষোড়শ লুইসকে মৃত্যুদন্ড প্রদান করা হয়। ১৭৯৯ সালে দীর্ঘ ১০ বছর ধরে চলা বিপ্লবের অবসান হয়।
উৎসঃ Live MCQ content (Upcoming)
- The Montreal Protocol on Substances that Deplete the Ozone Layer is the landmark multilateral environmental agreement that regulates the production and consumption of nearly 100 man-made chemicals referred to as ozone depleting substances (ODS).
- The Montreal Protocol on Substances that Deplete the Ozone Layer is a global agreement to protect the Earth’s ozone layer by phasing out the chemicals that deplete it. When released to the atmosphere, those chemicals damage the stratospheric ozone layer, Earth’s protective shield that protects humans and the environment from harmful levels of ultraviolet radiation from the sun.
- Adopted on 15 September 1987, the Protocol is to date the only UN treaty that has been ratified every country on Earth - all 197 UN Member States.
Source: unenvironment.org
জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন হচ্ছে- UNFCCC। UNFCCC- এর পূর্ণরূপ- United Nations Framework Convention on Climate Change. এটি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৯২ সালে এবং কার্যকর হয় ১৯৯৪ সালে। এর সদরদপ্তর জার্মানির বনে।
১৯৯৫ সাল থেকে UNFCCC এর উদ্যোগে Conference of Parties অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।
উৎসঃ UNFCCC এর ওয়েবসাইট।
IPCC এর পূর্ণরূপ Intergovernmental Panel on Climate Change। এটি জাতিসংঘ এবং বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার একটি আন্তঃরাষ্ট্রীয় অঙ্গ যার প্রধান উদ্দেশ্য জলবায়ু পরিবর্তন, এর প্রভাব ও এর ভবিষ্যৎ ঝুঁকি এবং এই ঝুঁকি মোকাবেলায় করণীয় সম্পর্কে কর্মপন্থা ইত্যাদি বিষয় নিয়ে কাজ করে। বৈশ্বিক উষ্ণতা হ্রাস নিয়ে কাজ করা এই সংস্থাটি গ্রীণ হাউস গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস এবং এর ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রতি বছর বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক নিবন্ধ (Scientific Article) প্রকাশ করে থাকে।
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (World Meteorological Organization - WMO), জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা (United Nations Environment Programme - UNEP) এবং বিজ্ঞান বিষয়ক আন্তর্জাতিক কাউন্সিল (International Council of Scientific Unions) ১৯৮৫ সালে গ্রীণহাউস গ্যাস নিঃসরণ ও বৈশ্বিক উষ্ণতা বিষয়ক চলমান বৈজ্ঞানিক গবেষণা পর্যবেক্ষণ ও এ সম্পর্কে মতামত (Recommendations) প্রদানের জন্য “Advisory Group on Greenhouse Gases” নামে একটি প্যানেল গঠন করে। ১৯৮৮ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অনুমোদনের মাধ্যমে IPCC - একটি আন্তরাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক সংস্থা হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে।
প্রতিষ্ঠাঃ ৬ ডিসেম্বর, ১৯৮৮ সাল
প্রতিষ্ঠার স্থানঃ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ
সদস্য সংখ্যাঃ ১৯৫টি দেশ
প্রতিষ্ঠাকালীন সম্মেলনঃ UN General Assembly Resolution 43/53
সদর দপ্তরঃ জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
উৎসঃ Live MCQ Content (upcoming)
পরিবেশ বিষয়ক বিভিন্ন চুক্তির বিষয়বস্তুঃ
- মন্ট্রিল প্রটোকল -- ওজোন স্তরের ক্ষতিকর রাসায়নিক ক্ষতিকর পদার্থ সীমিতকরণ।
- ভিয়েনা কনভেনশন -- ওজোন স্তরের সুরক্ষা।
- কিয়েটো প্রটোকল -- গ্রিণ হাউস গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস ও বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধ।
- বাসেল কনভেনশন -- ক্ষতিকর বর্জ্য চলাচল বিষয়ক
- কার্টাগেনা প্রটোকল -- জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা বিষয়ক
Source: Britannica.com
এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের চরম দারিদ্র দূরীকরণ ও আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার স্বপ্ন নিয়ে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়। এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর অর্থনৈতিক উন্নয়নকে আরো দ্রুত, বেগবান ও সহজ করাই ব্যাংকটির মূল উদ্দেশ্য। ৬০ এর দশকে প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে ব্যাংকটির মূল উদ্দেশ্য ছিলো - খাদ্য উৎপাদন ও পল্লী উন্নয়নে সহোযোগীতা করা।
প্রতিষ্ঠাঃ ১৯ ডিসেম্বর, ১৯৬৬ সালে
প্রতিষ্ঠার স্থানঃ ম্যানিলা, ফিলিপাইন
সদস্য সংখ্যাঃ ৬৮টি দেশ (এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ৪৯টি দেশ আর বাকি ১৯টি দেশ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চল থেকে)
প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্যঃ ৩১টি দেশ
সদর দপ্তরঃ মান্দালুইয়ং সিটি, ম্যানিলা, ফিলিপাইন
উৎসঃ Live MCQ Content (upcoming)
IMF এর পূর্ণরূপ International Monetary Fund বা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল। ব্রেটন উডস্ সম্মেলনে বিশ্বব্যাংকের পাশাপাশি আরেকটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয় যার নাম IMF।
⤇ IMF - এর প্রাথমিক লক্ষ্য ছিলো - আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থার (International Monetary System) একটি স্থায়ী পদ্ধতি প্রণয়ন করা এবং সেই উদ্দেশ্যে মুদ্রা বিনিময় হার নির্ধারণ এবং আন্তর্জাতিক লেনদেন সহজে প্রক্রিয়াকরণে সহায়তা করা।
⤇ বর্তমানে, এটি আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থার সহায়তা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সহজ করা, টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির উন্নয়ন এবং সদস্যদের বাণিজ্য ঘাটতি দূরীকরণে সম্পদ ও পুঁজি (resources) ব্যবহারে পরামর্শ দান ইত্যাদি কাজ করে থাকে।
➣ এক নজরে IMF -
IMF - গঠনের সিদ্ধান্ত - ৪ জুলাই, ১৯৪৪ সাল।
আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠা - ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৪৫ সাল।
কার্যক্রম শুরু - মার্চ, ১৯৪৭ সাল
সদস্য - ১৮৯টি দেশ (সর্বশেষ সদস্য - নাউরু)
সদরদপ্তর - ওয়াশিংটন ডি.সি, যুক্তরাষ্ট্র
উৎসঃ Live MCQ Content (Upcoming)
করোনাভাইরাসঃ
- সাম্প্রতিক সময়ে চীনে ছড়িয়ে পড়া নতুন একটি প্রাণঘাতী ভাইরাস হলো করোনাভাইরাস, যার নামকরণ করা হয়েছে 2019 Novel Coronavirus (2019-nCoV)।
- WHO এই ভাইরাস সৃষ্ট রোগের নাম দেয় COVID-19।
- ভাইরাসটির প্রথম সংক্রমণ ঘটে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ এবং একে চিহ্নিত করা হয় ৭ জানুয়ারি ২০২০। ধারণা করা হচ্ছে ভাইরাসটি চীনের উহানের সামুদ্রিক খাবার বা পশুপাখির বাজার থেকে ছড়িয়েছে।
- করোনাভাইরাস প্রথম শনাক্ত হয় ১৯৬০ সালে। এটা মূলত ভাইরাসের বড় একটা গোত্র।
- সিভিয়ার অ্যাকিউট রেসপিরেটরি সিনড্রোম (SARS) ভাইরাসের সঙ্গে বর্তমান ভাইরাসের ৮০% মিল রয়েছে।
- ২০০২-২০০৩ সালে সার্স ভাইরাসের আক্রমণে চীনের মূল ভূখণ্ড ও হংকংয়ে প্রায় আট শতাধিক মানুষ মারা যায়।
- করোনাভাইরাসের লক্ষণসমূহের মধ্যে রয়েছে - জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট, শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা, পেটে জ্বালাপোড়া, পাতলা পায়খানা।
- মারাত্মক লক্ষণসমূহের মধ্যে রয়েছে - নিউমোনিয়া, সিভিয়ার অ্যাকিউট রেসপিরেটরি সিনড্রোম, কিডনি বিকল, মৃত্যু।
উৎসঃ সাম্প্রতিক সময়ের পত্র-পত্রিকার রিপোর্ট।
২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ তারিখে কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শিবিরে গিয়েছিলেন জার্মানির অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং উন্নয়ন বিষয়ক মন্ত্রী ড. গার্ড মুলার৷ রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে না নেয়া পর্যন্ত মিয়ানমারের সঙ্গে জার্মানির উন্নয়ন সহযোগিতা স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি৷
উৎসঃ সাম্প্রতিক সমাচার, এপ্রিল, ২০২০।
ভূমিকম্প ভূ-পৃষ্ঠের দ্রুত পরিবর্তন সাধনকারী একটি প্রক্রিয়া। এটি একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
ভূমিকম্পের পূর্ভাবাস পাওয়ার মত কোন উপায় এখনো আবিষ্কৃত হয় নি। তবে, ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপার যন্ত্র আবিষ্কৃত হয়েছে।
এর নাম - সিসমোগ্রাফ।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর প্রাকৃতিক ভূগোল বই (উন্মুক্ত)।
বাংলাদেশ একটি প্রাকৃতিক গ্যাস সমৃদ্ধ এলাকা হওয়া সত্ত্বেও এদেশে খনিজ তেলের আবিষ্কার তুলনামূলকভাবে কম ঘটেছে। বাংলাদেশে সর্বপ্রথম তেলক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৬ সালে সিলেটের হরিপুরে।
১৯৮৭ সনে এই তেলক্ষেত্রটি থেকে তেল উৎপাদন শুরুর মাধ্যমে বাংলাদেশ তেলযুগে পদার্পন করে।
সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া
সমুদ্র থেকে দূরত্ব - জলবায়ুর একটি নিয়ামক।
সমুদ্র থেকে দূরত্বও জলবায়ুতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব বিস্তার করে। জলভাগের অবস্থান কোনো এলাকার জলবায়ুকে মৃদুভাবাপন্ন করে। যেমন- কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, পটুয়াখালী সমুদ্র উপকূলে অবস্থিত হওয়ায় এসব স্থানের জলবায়ু মৃদুভাবাপন্ন। সমুদ্রের নিকটবর্তী এলাকায় শীত-গ্রীষ্ম তেমন পার্থক্য না হলেও সমুদ্র উপকূল থেকে দূরের এলাকায় শীত ও গ্রীষ্ম উভয়ই বেশি হয়। সমুদ্র নিকটবর্তী জলবায়ু তাই সমভাবাপন্ন ও দূরবর্তী জলবায়ুকে মহাদেশীয় চরমভাবাপন্ন জলবায়ু বলা হয়।
উৎসঃ নবম - দশম শ্রেণীর ভূগোল ও পরিবেশ বই (উন্মুক্ত)
জলবায়ুর উপাদানঃ
- তাপমাত্রা
- বায়ুর চাপ
- বায়ুর গতি
- বায়ুর আদ্রতা
- বৃষ্টিপাত
জলবায়ুর নিয়ামকঃ
- অক্ষাংশ
- উচ্চতা
- সমুদ্র থেকে দূরত্ব
- বায়ু প্রবাহের দিক
- বৃষ্টিপাত
- সমুদ্রস্রোত
- পর্বতের অবস্থান
- বনভূমি
- ভূমির ঢাল
- মাটির বিশেষত্ব
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর ভূগোল প্রথম পত্র বোর্ড বই।
নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলে সারা বছর পরিচলন বৃষ্টিপাত হতে দেখা যায়।
এছাড়া আফ্রিকার কঙ্গো নদীর অববাহিকা, দক্ষিণ আমেরিকার আমাজন নদীর অববাহিকা এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া অঞ্চলে প্রায় প্রত্যহ পরিচলন প্রক্রিয়ায় বৃষ্টিপাত হয়।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর ভূগোল ১ম পত্র বই (উন্মুক্ত)।
মূল্যবোধ সম্পর্কে বিভিন্ন লেখকের প্রদত্ত ব্যাখ্যা -
- সমাজবিজ্ঞানী এইচ এম জনসন (H.M. Johnson) এর মতে ''সামাজিক মূল্যবোধ হল একটি মানদন্ড''।
- ক্লাইড ক্লুখোন (Clyde Kluokhon) বলেন ''সামাজিক মূল্যবোধ হচ্ছে সেসব প্রকাশ্য ও অনুমেয় আচার-আচরণের ধারা যা ব্যক্তি ও সমাজের মৌলিক বৈশিষ্ট্য বলে স্বীকৃত''।
- সমাজবিজ্ঞানী এফ ই মেরিল (F. E. Meril) বলেন ''সামাজিক মূল্যবোধ হচ্ছে বিশ্বাসের এক প্রকৃতি বা ধরণ, যা গোষ্ঠীগত কল্যাণে সংরক্ষণ করাকে মানুষ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করে''।
অতএব, সামাজিক মূল্যবোধ হচ্ছে সেসব ধারণার চূড়ান্ত ব্যাপ্তি যা মানুষ হিসেবে একজন ব্যক্তির জীবনে একান্ত কাম্য। সমাজের এসব মূল্যবোধ মানুষের জীবনের জন্য লক্ষ্য ও প্রাপ্তি স্থির করতে সাহায্য করে।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পৌরনীতি ও সুশাসন (১ম-পত্র) বই (উন্মুক্ত)।
দুর্নীতি শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ হল “Corruption”। এই শব্দটি এসেছে ল্যাটিন শব্দ “Corruptus” থেকে। এর অর্থ ধ্বংস বা ক্ষতিসাধন। দুর্নীতি সব সময়ই নেতিবাচক শব্দ। আভিধানিক অর্থে দুর্নীতি হল নীতির বিরুদ্ধে আচরণ।
- ‘ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল’ মনে করে ‘‘সমকালীন বিশ্বের অন্যতম চ্যালেঞ্জ হচ্ছে দুর্নীতি। জাতিসংঘ প্রণীত ম্যানুয়াল অপ অ্যান্টি-করাপশন পলিসিতে বলা হয়েছে যে, ব্যক্তিগত স্বার্থ উদ্ধারের জন্য ক্ষমতার অপব্যবহারই হল দুর্নীতি।
- বাংলাদেশের ‘দুর্নীতি দমন কমিশন’ এর একটি প্রকাশনাতে দুর্নীতি বলতে বোঝান হয়েছে, ‘‘ব্যক্তি স্বার্থ অর্জনের বা ব্যক্তিগত লাভের উদ্দেশ্যে অর্পিত ক্ষমতার অপব্যবহারই দুর্নীতি।’’
যেমন- রাষ্ট্রীয় সম্পদের অব্যবহার, সরকারি সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয়ে অস্বচ্ছতা, দায়িত্ব পালনে অবহেলা, অসৎ উদ্দেশ্যে প্রভাব বিস্তার, ঘুষ গ্রহণ, অর্থ বা সম্পদ আত্মসাৎ, স্বজনপ্রীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার সবই দুর্নীতি।
এক কথায় স্ব-স্ব অবস্থান ও পেশার মাধ্যমে অবৈধ স্বার্থ উদ্বারের লক্ষ্যে পরিচালিত আচরণই দুর্নীতি।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র বই (উন্মুক্ত)।
মূল্যবোধের বৈশিষ্ট্যঃ
১। নৈতিক প্রাধান্য: মূল্যবোধ বিষয়টি নৈতিকতার উপর নির্ভরশীল। নীতি-নৈতিকতাহীন ব্যক্তি সাধারণত মূল্যবোধসম্পন্ন হয় না।
২। নির্দিষ্টতা : যেমন, মায়ের প্রতি কারো সম্মান। আবার তা সাধারণও হতে পারে। যেমন, যে প্রতিবেশীকে ভালবাসে আসলে সে নিজেকেই ভালবাসে।
৩। বিভিন্নতা: সংস্কৃতি ভেদে মূল্যবোধ ভিন্ন হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, খাদ্যাভ্যাস, পোশাক থেকে শুরু করে নানা দিক থেকে পশ্চিমা সংস্কৃতির মূল্যবোধের সাথে বাঙালি সংস্কৃতির মূল্যবোধের পার্থক্য আছে।
৪। আপেক্ষিকতা: মূল্যবোধ একটি আপেক্ষিক বিষয়। একই মূল্যবোধ ভিন্ন-ভিন্ন দেশে বা সংস্কৃতিতে নানারকম হতে পারে। অর্থাৎ স্থান, কাল, পাত্রভেদে মূল্যবোধের মাত্রা কম বা বেশি দেখা যায়।
৫। সামাজিক মানদন্ড: বিদ্যমান মূল্যবোধ দিয়ে একটি সমাজের বা রাষ্ট্রের পরিবেশ, সংস্কৃতি, চিন্তা-ভাবনার মূল্যায়ন করা যায়। যেমন, কৃষি প্রধান সমাজের মূল্যবোধ একরকম, আবার শিল্পসমৃদ্ধ সমাজের মূল্যবোধ অন্যরকম।
৬। পরিবর্তনশীলতা: মূল্যবোধ যেহেতু চর্চার বিষয় এবং অভ্যাসের দ্বারা গড়ে উঠে, তাই ভিন্ন সংস্কৃতিতে দীর্ঘদিন বসবাসের ফলে একজন ব্যক্তির পুরনো মূল্যবোধে পরিবর্তন আসতে পারে। যেমন, একজন বাঙালি দীর্ঘ দিন পশ্চিমা কোন সংস্কৃতিতে বসবাস করলে তার আচারণ-আচরণে চিন্তায় নানান পরিবর্তন ঘটতে পারে।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র বই (উন্মুক্ত)।
- সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নাগরিকের প্রধান করণীয় হচ্ছে ব্যক্তিগত অথবা সংগঠিতভাবে সরকারকে জনকল্যাণে সুনীতি গ্রহণে বাধ্য করা। এক্ষেত্রে তারা আলোকিত মতামত দিয়ে সরকারকে সাহায্য করতে পারে বা সরকারের অন্যায় বা ভুল নীতির সমালোচনা বা প্রতিবাদের মাধ্যমে সরকারকে জবাবদিহি করতে বাধ্য করতে পারে।
- সরকারের করণীয় হচ্ছে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নাগরিকদের অংশগ্রহণের সুযোগকে বিস্তৃত করা। নাগরিকদের বাক্স্বাধীনতা, সংগঠনের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে এই সুযোগকে বর্ধিত করতে পারে। রাষ্ট্রের ভূমিকা সুশাসন প্রতিষ্ঠায় তখনই সহায়ক হয় যখন রাষ্ট্র স্বচ্ছতার নীতির ভিত্তিতে নাগরিকদের প্রতি তার দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট হয়।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র বই (উন্মুক্ত)।
ফরাসি দার্শনিক জ্যা জ্যাক রুশোর সবচেয়ে বিখ্যাত বই - The Social Contract।
তার আরো কয়েকটি উল্লেখযোগ্য বই -
- Emile, Or Treatise on Education
- Discourse on Inequality
- Confessions
- Reveries of a Solitary Walker
- Discourse on the Arts and Sciences
- Political and Economic Guiding Principles in the Government of the State ইত্যাদি।
- নৈতিকতা হলো একটি গুণ বা নীতি যা ভালো বা মন্দ কিংবা সঠিক বা বেঠিক আচরণের সঙ্গে সম্পৃক্ত।
- নৈতিকতা সামাজিক প্রথা, আদর্শ, ধর্ম ও ন্যায়বোধ থেকে উৎসারিত। এটি আইন দ্বারা প্রযুক্ত নয়।
তবে এটি আইনের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।
উৎসঃ অক্সফোর্ড লার্নার্স ডিকশনারি এবং নীতিবিদ্যা - মুহম্মদ আবদুল বারী।