উত্তর
ব্যাখ্যা
• 'Incumbent' বাংলা পরিভাষা - পদধারী।
অন্যদিকে,
Indemnity - ক্ষতিপূরণ।
Indent - ফরমাশপত্র।
Index - নির্দেশক।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ১৯৫ প্রশ্ন
• 'Incumbent' বাংলা পরিভাষা - পদধারী।
অন্যদিকে,
Indemnity - ক্ষতিপূরণ।
Indent - ফরমাশপত্র।
Index - নির্দেশক।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
কাহ্নপা:
- তিনি বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্য ও চর্যাপদকর্তা ছিলেন।
- প্রকৃত নাম কৃষ্ণাচার্য পাদ, অপভ্রংশে হয়েছে কাহ্নপা, কনহপা, কাহ্নিল পা ইত্যাদি।
- বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন চর্যাপদের কবিগোষ্ঠীর মধ্যে তিনিই ছিলেন শ্রেষ্ঠ।
- পালরাজ দেবপালের রাজত্বকালে (আনু. ৯০০-৫০) তিনি বর্তমান ছিলেন।
- চর্যাপদের ২৩জন কবির মধ্যে কাহ্নপার পদসংখ্যা সর্বাধিক, মোট ১৩টি।
- কাহ্নপা রচিত ২৪ নং পদটি পাওয়া যায়নি।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
প্রশ্নে "গাঁতি > গাঁইতি" না হয়ে "গাঁতি > গাঁইত" হলে সঠিক উত্তর হতো- ক) অপিনিহিতি।
লাইভ পরীক্ষা চলাকালে প্রশ্নে টাইপিং ভুল থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।
-----------------------
অপিনিহিতি:
- পরের ই-কার আগে উচ্চারিত হলে কিংবা যুক্ত ব্যঞ্জনধ্বনির আগে ই-কার বা উ-কার উচ্চারিত হলে তাকে অপিনিহিতি বলে।
যেমন:
- আজি > আইজ,
- সাধু> সাউধ,
- গাঁতি > গাঁইতি,
- রাখিয়া > রাইখ্যা,
- বাক্য > বাইক্য,
- সত্য > সইত্য,
- চারি > চাইর,
- মারি মাইর ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
'রজনী' উপন্যাস:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ মূলক উপন্যাস-রজনী।
- উপন্যাসের নায়িকা রজনীর সঙ্গে লর্ড লিটন প্রণীত 'দি লাস্ট ডেজ অফ পম্পেই' নামক উপন্যাসের নিডিয়া চরিত্রের কিছুটা ঐক্য আছে।
- বিভিন্ন পাত্র-পাত্রীর জবানবন্দিতে এই উপন্যাস রচিত।
- এই রীতিটিও যে বঙ্কিম ইংরেজ ঔপন্যাসিক কার্লিনস অনুসরণে করেছেন তা তিনি ভূমিকায় জানিয়েছেন।
- বাংলা উপন্যাস গড়ে তুলবার জন্য এভাবেই পাশ্চাত্যের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বঙ্কিমচন্দ্র। বঙ্কিমের অধিকাংশ উপন্যাসের মতোই এখানেও
প্রেম ও আদর্শের সংঘাতই কাহিনির মূল উপজীব্য।
- 'রজনী'কে প্রকৃত উপন্যাস না বলে রোমান্স বলা হয়ে থাকে। কারণ এখানে বেশ কল্পদৃশ্যে ঘটনা সংঘটিত হয়েছে।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস সমূহ:
- কপালকুণ্ডলা,
- মৃণালিনী,
- বিষবৃক্ষ,
- ইন্দিরা,
- যুগলাঙ্গুরীয়,
- চন্দ্রশেখর,
- রাধারানী,
- রজনী,
- কৃষ্ণকান্তের উইল,
- রাজসিংহ।
উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২) বাংলাপিডিয়া।
• উৎসগতভাবে "ওজন" শব্দটি "আরবি" ভাষা হতে আগত।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
শব্দের অর্থ:
- মাপ, তৌল।
- গুরুত্ব, মর্যাদা।
কিছু আরবি শব্দ:
- এলাকা,
- এলাহি,
- কয়েদ,
- কসাই,
- খারাবি,
- খারাপ,
- খারিজ,
- তকদির,
- মুসাফির ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• "কান্তারের পথ ছেড়ে সন্ধ্যার আঁধারে
সে কে এক নারী এসে ডাকিল আমারে" কবিতাংশটুকু রচনা করেন - জীবনানন্দ দাশ। কবিতাংশটুকু 'বনলতা সেন' কাব্যগ্রন্থের '"শঙ্খমালা" কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। এটি জীবনানন্দ দাশের একটি বিখ্যাত কবিতা হিসেবে বিবেচিত।
এ কবিতায় শঙ্খমালা নামের রূপসী নারীর কথা বলা হয়েছে। কবির ধারণা, পৃথিবীর অন্য কোথাও শঙ্খমালাদের পাওয়া যাবে না।
শঙ্খমালা
- জীবনানন্দ দাশ
কান্তারের পথ ছেড়ে সন্ধ্যার আঁধারে
সে কে এক নারী এসে ডাকিল আমারে,
বলিল, তোমারে চাই:
বেতের ফলের মতো নীলাভ ব্যথিত তোমার দুই চোখ
খুঁজেছি নক্ষত্রে আমি- কুয়াশার পাখনায়-
জীবনানন্দ দাশ:
- তিনি কবি, শিক্ষাবিদ ছিলেন।
- তিনি ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁদের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের গাওপাড়া গ্রামে।
- তাঁর পিতা সত্যানন্দ দাশ ছিলেন স্কুলশিক্ষক ও সমাজসেবক।
- মাতা কুসুমকুমারী দাশ ছিলেন একজন কবি।
- ১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দের ১৪ অক্টোবর জীবনানন্দ দাশ কলকাতায় এক ট্রাম-দুর্ঘটনায় আহত হন এবং ২২ অক্টোবর মৃত্যুবরণ করেন।
জীবনানন্দ দাশ রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- ঝরা পালক (এটি জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্য গ্রন্থ),
- ধূসর পাণ্ডু লিপি,
- বনলতা সেন,
- মহাপৃথিবী,
- সাতটি তারার তিমির,
- রূপসী বাংলা,
- বেলা অবেলা কালবেলা।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলাপিডিয়া এবং '"শঙ্খমালা" কবিতা।
• "প্রত্যন্ত" শব্দটির সঠিক উচ্চারণ - প্রোত্তোন্তো।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
- শব্দটি সংস্কৃত ভাষা হতে আগত।
শব্দের অর্থ:
- প্রান্তবর্তী (প্রত্যন্ত অঞ্চল); সীমান্তের নিকটবর্তী।
- প্রান্তদেশ,সীমান্তবর্তী অঞ্চল।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের খণ্ডগুলোর মধ্যে শেষ খণ্ডটির নাম - রাধাবিরহখণ্ড।
শ্রীকৃষ্ণকীর্তন:
- 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' মধ্যযুগের প্রথম কাব্য এবং বড়ু চণ্ডীদাস মধ্যযুগের আদি কবি। ভাগবত প্রভৃতি পুরাণের কৃষ্ণলীলা-সম্পর্কিত কাহিনি অনুসরণে, জয়দেবের গীতগোবিন্দ কাব্যের প্রভাব স্বীকার করে, লোকসমাজে প্রচলিত রাধাকৃষ্ণ প্রেম-সম্পর্কিত গ্রাম্য গল্প অবলম্বনে কবি বড়ু চণ্ডীদাস শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য রচনা করেন।
- ১৯০৯ সালে (১৩১৬ বঙ্গাব্দ) বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার কাঁকিল্যা গ্রামে এক গৃহস্থ বাড়ির গোয়ালঘর থেকে
পুঁথি আকারে অযত্নে রক্ষিত এ কাব্য আবিষ্কার করে বাংলা সাহিত্যে এক নতুন অধ্যায়ের সংযোজন ঘটান। বৈষ্ণব মহান্ত শ্রীনিবাস আচার্যের
দৌহিত্র-বংশজাত দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের অধিকারে এই গ্রন্থটি রক্ষিত ছিল।
- ১৯১৬ সালে (১৩২৩ সনে) বসন্তরঞ্জন রায়ের সম্পাদনায় গ্রন্থটি বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশিত হয়।
- পুঁথিটির প্রথম দিকের দুটি পাতা এবং শেষের পাতাটি ছিল না। এ ছাড়া পুঁথির মধ্যেও কিছু পাতা নেই। রীতি অনুযায়ী পুঁথির প্রথম দিকে দেবতার প্রশংসা, কবির পরিচয় ও গ্রন্থনাম উল্লেখিত হয় এবং শেষ দিকের পাতায় পুঁথির রচনাকাল ও লিপিকাল লিখিত থাকে। প্রথম ও শেষ অংশ খণ্ডিত থাকায় কবির আত্মপরিচয় ও রচনাকালের মত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় লোকচক্ষুর আড়ালেই কর আড়ালেই রয়ে গেছে।
- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য মোট তের খণ্ডে বিভক্ত। খণ্ডগুলো হল: জন্মখণ্ড, তাম্বুলখণ্ড, দানখণ্ড, নৌকাখণ্ড, ভারখণ্ড, ছত্রখণ্ড, বৃন্দাবনখণ্ড, কালিয়দমনখণ্ড, যমুনাখণ্ড, হারখণ্ড, বাণখণ্ড, বংশীখণ্ড ও রাধাবিরহখণ্ড।
উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
• শুদ্ধ বানান - স্ফুরণ।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
- শব্দটি সংস্কৃত ভাষা হতে আগত।
শব্দের অর্থ:
- প্রকাশ, দীপ্তি।
- কম্পন, উদ্রেক।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
'খোকাবাবুর প্রত্যাবর্তন' ছোটগল্প:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি উল্লেখযোগ্য ছোটগল্প 'খোকাবাবুর প্রত্যাবর্তন'।
- 'খোকাবাবুর প্রত্যাবর্তন' গল্পটি রবীন্দ্রনাথের 'গল্পগুচ্ছ' গ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে। গল্পটি ১২৯৮ বঙ্গাব্দের অগ্রহায়ণ সংখ্যা 'সাধনা' পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়।
- সাধু-ভাষায় রচিত এ গল্পে রবীন্দ্র ছোটগল্পের প্রথম পর্বের শিল্পবৈশিষ্ট্য বিশেষভাবে লক্ষণীয়। আবেগ এবং গীতিময়তা, প্রকৃতি ও মানুষের বিজড়িত অস্তিত্ব, মানব জীবনের বিশেষ কোন পরিণাম সংগঠনে প্রকৃতির ভূমিকা ইত্যাদি ভাব ও অনুষঙ্গ আলোচ্য গল্পের প্রধান শিল্পলক্ষণ।
গল্পের কাহিনি সংক্ষেপ:
- অনুকুলবাবুর শিশুপুত্র খোকাবাবু পদ্মা নদীতে পড়ে চিরতরে হারিয়ে যায়। এ-জন্যে ভৃত্য রাইচরণের মনোবেদনার শেষ নেই। খোকাবাবুর মৃত্যুর কিছুদিন পরেই রাইচরণের স্ত্রী একটি পুত্রসন্তান প্রসব করেন। রাইচরণের দৃঢ় বিশ্বাস, খোকাবাবুই তার যন্ত্রণাকে প্রশমিত করার জন্যে তার ঘরে এসে জন্মলাভ করেছে। তাই সে তার পুত্রকে খোকাবাবু জ্ঞানে ভিন্নভাবে আদর-যত্ন আর হে ভালবাসায় বড় করে তোলে। রাইচরণের খোকাবাবুর প্রত্যাবর্তন বিষয়ক ভাবনাই তার পরিণতিকে ত্বরান্বিত করেছে।
গল্পের উল্লেখযোগ্য চরিত্র হলো:
- অনুকূলবাবু,
- রাইচরণ,
- খোকাবাবু।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং 'খোকাবাবুর প্রত্যাবর্তন' ছোটগল্প।
মহাপ্রাণ ধ্বনি:
- সেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ফুসফুস থেকে নির্গত বায়ুপ্রবাহ অপেক্ষাকৃত বেশি, সেগুলোকে বলা হয় মহাপ্রাণ ধ্বনি।
যেমন:
- ফ, ভ, থ, ধ, ঠ, ঢ, ঢ়, ছ, ঝ, খ, ঘ, হ ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
অল্পপ্রাণ ধ্বনি:
- সেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ফুসফুস থেকে নির্গত বায়ুপ্রবাহের মাত্রা অপেক্ষাকৃত কম, সেগুলোকে বলা হয় অল্পপ্রাণ ধ্বনি।
যেমন:
- প, ব, ত, দ, স, ট, ড, ড়, চ, জ, শ, ক, গ ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
• ‘অধিবিন্না’ শব্দের অর্থ - যে নারীর স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করেছে।
অন্যদিকে,
পরভৃতা - যে নারী অপরের দ্বারা পালিত।
স্বয়ংবরা - যে নারী নিজে বর বরণ করে নেয়।
অসূর্যম্পশ্যা - যে নারী সূর্যকিরণও স্পর্শ করেনি।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
"রাখালী" কাব্যগ্রন্থ:
- জসীম উদ্দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ - রাখালী। কাব্যগ্রন্থটি ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়।
-বিখ্যাত 'কবর' কবিতাটি এই কাব্যের অন্তর্গত। এই কাব্যের প্রথম কবিতা হচ্ছে 'রাখালী'।
• এই কাব্যে ১৯টি কবিতা আছে।
কবিতাগুলো:
- রাখালী,
- সিঁদুরের বেসাতি,
- কিশোরী,
- বৈদেশী বন্ধু,
- রাখাল ছেলে,
- কবর,
- মা,
- পল্লী জননী,
- তরুণ কিশোর ইত্যাদি।
তরুণ কিশোর
- জসীম উদ্দীন
তরুণ কিশোর ! তোমার জীবনে সবে এ ভোরের বেলা,
ভোরের বাতাস ভোরের কুসুমে জুড়েছে রঙের খেলা।
রঙের কুহেলী তলে,
তোমার জীবন ঊষার আকাশে শিশু রবি সম জ্বলে।
এখনো পাখিরা উঠেনি জাগিয়া, শিশির রয়েছে ঘুমে,
কলঙ্কী চাঁদ পশ্চিমে হেলি কৌমুদী-লতা চুমে।
বঁধুর কোলেতে বধুয়া ঘুমায়, খোলেনি বাহুর বাঁধ,
দীঘির জলেতে নাহিয়া নাহিয়া মেটেনি তারার সাধ।
জসীম উদ্দীন রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে,
- বালুচর,
- রাখালী,
- রূপবতী ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলাপিডিয়া এবং "রাখালী" কাব্যগ্রন্থ।
• বিশেষ্য পদ নয় - মধুর।
- এটি বিশেষণ পদ।
- 'মধুর' এর বিশেষ্য পদ - মাধুর্য।
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
শব্দের অর্থ:
- অত্যন্ত মিষ্ট।
- প্রীতিকর।
অন্যদিকে,
বিশেষ্য পদ - ন্যায়, লাজ, সন্ধ্যা।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• রাজকবি - বিদ্যাপতির উপাধি নয়।
• বিদ্যাপতির উপাধি ছিল - নব কবিশেখর, কবিরঞ্জন, কবিকণ্ঠহার, পণ্ডিত ঠাকুর, সদুপাধ্যায়, রাজপণ্ডিত ইত্যাদি।
বিদ্যাপতি:
- মিথিলার রাজসভার কবি ছিলেন বিদ্যাপতি। তিনি ছিলেন পঞ্চদশ শতকের কবি।
- কবির রচনায় মোহিত ছিলেন মিথিলার রাজা শিবসিংহ। এ জন্য সে বিদ্যাপতিকে 'কবিকণ্ঠহার' উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন।
- 'মৈথিল কোকিল' বলতে মিথিলার কবি বিদ্যাপতিকে বোঝায়।
- কোকিল যেমন সুললিত সুমধুর গান গেয়ে সকলকে মুগ্ধ করে, মিথিলার রাজসভার কবি বিদ্যাপতিও মৈথিলি ভাষায় সুন্দর পদাবলি ও অন্যান্য - গীতিকবিতা রচনা করে সকলকে মুগ্ধ করেছেন বলে তাঁকে 'মৈথিল কোকিল' বলা হয়।
- তিনি ছিলেন বৈষ্ণব কবি এবং পদসঙ্গীত ধারার রূপকার। তাঁর শ্রেষ্ঠ কীর্তি হচ্ছে ব্রজবুলিতে রচিত রাধাকৃষ্ণ বিষয়ক পদ।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
অশুদ্ধ বাক্য: সে শৈশবেই মাতা-বাপ হারিয়েছে।
শুদ্ধ বাক্য: সে শৈশবেই মা-বাপ হারিয়েছে।
অন্যদিকে,
শুদ্ধ বাক্য: আমি এখন ভীষণ ব্যস্ত।
শুদ্ধ বাক্য: শুধু গায়ের জোরে কাজ হয় না।
শুদ্ধ বাক্য: শ্মশান ঘাট কোথায়?
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
পুরাঘটিত বর্তমান কাল:
- যে ক্রিয়ার কার্য কিছুক্ষণ পূর্বে ঘটেছে। কিন্তু এর ফর বা প্রভাব এখনও বর্তমান, এরূপ অর্থে পুরাঘটিত বর্তমান কাল হয়।
যেমন:
- বৃষ্টি আমাদের বড়োই উপকার করেছে।
- ঝড় আমাদের ভীষণ ক্ষতি করেছে।
- এবার আমি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছি।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২২ সংস্করণ।
চর্যাপদ:
- বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র নির্ভরযোগ্য ঐতিহাসিক নিদর্শন চর্যাপদ।
- মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী তৃতীয় বার নেপাল সফর কালে নেপালের রাজগ্রন্থাগার থেকে ১৯০৭ সালে সে সাহিত্যের কতকগুলো পদ আবিষ্কার করেন। তাঁর সম্পাদনায় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে সে সব পদ ১৯১৬ সালে (১৩২৩ সনে) চর্যাচর্যবিনিশ্চয় সরহপাদ ও কৃষ্ণপাদের দোহা এবং ডাকার্ণব-এ চারটি পুঁথি একত্রে 'হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা' নামে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- চর্যাপদের প্রাপ্ত পুঁথিতে উল্লেখকৃত সংস্কৃত টীকাকার মুনিদত্তের মতানুসারে এই পদসংগ্রহের নাম 'আশ্চর্যচর্যাচয়'। নেপালে প্রাপ্ত পুঁথিতে পদগুলোর নাম দেওয়া হয়েছে 'চর্যাচর্যবিনিশ্চয়'। এ দুটি নাম মিলিয়ে ড. প্রবোধচন্দ্র বাগচী 'চর্যাশ্চর্যবিনিশ্চয়' নামের পরিকল্পনা করেন।
উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
• স্বরসন্ধির নিয়মে গঠিত শব্দ - যদ্যপি।
- 'যদ্যপি' শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ - যদি + অপি।
সন্ধির নিয়ম:
- ই-কার বা ঈ-কারের পর ই বা ঈ ভিন্ন অন্য কোনো স্বর থাকলে ই বা ঈ স্থানে 'য' বা য-ফলা হয়, য-ফলা পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে লেখা হয়।
যেমন:
- অতি + অন্ত = অত্যন্ত,
- ইতি + আদি = ইত্যাদি,
- প্রতি + ঊষ = প্রত্যুষ ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মে গঠিত শব্দ - তদ্ + শক্তি = তচ্ছক্তি, অপ + ময় = অম্ময়।
বিসর্গ সন্ধির নিয়মে গঠিত শব্দ - অন্তঃ + ঈপ = অন্তরীপ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
'দোলনচাঁপা' কাব্যগ্রন্থ:
- 'দোলনচাঁপা' বিংশ শতাব্দির প্রথমার্ধের অন্যতম জনপ্রিয় বাঙালি কবি কাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ। এটি ১৯২৩ খ্রিষ্টাব্দের সেপ্টেম্বর মাসে (আশ্বিন, ১৩৩০ বঙ্গাব্দ) আর্য পাবলিশি হাউস থেকে প্রকাশিত হয়।
- ১৯২২ খ্রিষ্টাব্দের দুর্গাপূজোর আগে ধুমকেতু পত্রিকায় নজরুলের 'আনন্দময়ীর আগমনে' নামে বিদ্রোহাত্মক কবিতাটি প্রকাশের জন্য তাকে রাজদ্রোহের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়। অভিযুক্ত কবিকে ১৯২৩ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ জানুয়ারি এক বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করে প্রেসিডেন্সি জেলে রাখা হয়। এই সময় দোলনচাঁপা কাব্যের কবিতাগুলি রচিত হয়।
- জেল কর্তৃপক্ষের অগোচরে পবিত্র গঙ্গোপাধ্যায় ওয়ার্ডারদের সাহায্যে তার সব কবিতাই বাইরে নিয়ে আসেন। কবির নির্দেশমত আর্য পাবলিশি হাউস এ কবিতাগুলো দিয়ে দোলনচাঁপা প্রকাশ করে। প্রথম সংস্করণ এই কাব্যগ্রন্থে ২১টি কবিতা ছিল।
- সূচিপত্রের আগে মুখবন্ধরূপে সংযোজিত প্রথম কবিতা "আজ সৃষ্টি-সুখের উল্লাসে" ১৩৩০ বঙ্গাব্দের (১৯২৩ খ্রিষ্টাব্দ) জ্যৈষ্ঠ মাসের কল্লোল পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
• দোলনচাঁপা কাব্যগ্রন্থের পরবর্তী সংস্করণে ৫০টি কবিতা সংকলিত হয়।
এগুলো হলো:
- আজ সৃষ্টি সুখের উল্লাসে
- পূজারিণী,
- বেলাশেষে,
- পুবের হাওয়া,
- চোখের চাতক,
- অবেলার ডাক,
- অভিশাপ ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; 'দোলনচাঁপা' কাব্যগ্রন্থ এবং বাংলাপিডিয়া।
• অপশন - খ এর সবগুলো শব্দ - 'নদী' শব্দের সমার্থক শব্দ।
'নদী' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- নদ, নদনদী, গাঙ, স্রোতস্বিনী, তটিনী, স্রোতস্বতী, শৈবলিনী, সরিৎ, প্রবাহিণী, নির্ঝরণী, তরঙ্গিণী, মন্দাকিনী, কল্লোলিনী ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
অপশন - ক:
'বাতাস' শব্দের সমার্থক শব্দ - মরুৎ।
'নদী' শব্দের সমার্থক শব্দ - মন্দাকিনী, কল্লোলিনী।
অপশন - গ:
'বাতাস' শব্দের সমার্থক শব্দ - পবন।
'নদী' শব্দের সমার্থক শব্দ - নির্ঝরণী, তরঙ্গিণী।
অপশন - ঘ:
'সমুদ্র' শব্দের সমার্থক শব্দ - পয়োধি, জলনিধি।
'নদী' শব্দের সমার্থক শব্দ - নির্ঝরণী।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা- ড. হায়াৎ মাহমুদ, বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
মেঘনাদবধ কাব্য:
- মধুসূদনের দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ 'মেঘনাদবধ কাব্য' বাংলা সাহিত্যের প্রথম এবং শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য।
মাইকেল মধুসূদন দত্তের অমর মহাকাব্য 'মেঘনাদবধ কাব্য'।
- সংস্কৃত মহাকাব্য 'রামায়ণ' এর ক্ষুদ্র ভগ্নাংশ কাহিনি অবলম্বন করে মধুসুদন দত্ত ১৮৬১ সালের জুন মাসে 'মেঘনাদবধ কাব্য' রচনা করেন।
- গ্রন্থটি ১৮৬১ খ্রিষ্টাব্দেই প্রকাশ পায়।
- নয় সর্গে রচিত মেঘনাদবধ কাব্যে মোট তিন দিন দুই রাতের ঘটনা বর্ণিত আছে।
- কাব্যের কয়েকটি প্রধান চরিত্র: রাবণ, মেঘনাদ, লক্ষ্মণ, রাম, প্রমীলা, বিভীষণ, সীতা, সরমা ইত্যাদি।
- কাব্যের সর্গগুলো হলো: অভিষেক, অস্ত্রলাভ, সমাগম, অশোক বন, উদ্যোগ, বধ, শক্তিনির্ভেদ, প্রেতপুরী, সংস্ক্রিয়া।
মাইকেল মধুসুদন দত্ত:
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত একজন মহাকবি, নাট্যকার।
- তিনি ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোর জেলার কপোতাক্ষ নদের তীরে সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি বাংলা ভাষায় সনেটের প্রবর্তক।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক।
তাঁর রচিত কাব্যগুলো হলো:
- তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য,
- মেঘনাদবধ কাব্য,
- ব্রজাঙ্গনা কাব্য,
- বীরাঙ্গনা কাব্য,
- চতুর্দশপদী কবিতাবলী।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
• নঞ্ তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ নয় - মিলের অভাব = অমিল।
- এটি একটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ।
নঞ্ তৎপুরুষ সমাস:
- না বাচক নঞ অব্যয় (না, নেই, নাই, নয়) পূর্বে বসে যে তৎপুরুষ সমাস হয়, তাকে নঞ তৎপুরুষ সমাস বলে।
যথা:
- ন আচার = অনাচার,
- ন কাতর = অকাতর,
- নয় এক = অনেক,
- নেই রব = নীরব,
- নয় অতি দীর্ঘ = নাতিদীর্ঘ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ এবং ২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
অন্নদামঙ্গল:
- নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্ররে আদেশে ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যটি রচনা করেন।
- ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর বেশ কিছু গ্রন্থ রচনা করলেও তাঁর শ্রেষ্টসৃষ্টি 'অন্নদামঙ্গল' (১৭৫২-৫৩ সালে) রচনা করেন ও এই কাব্যের দ্বিতীয়ংশ 'বিদ্যাসুন্দর'।
- 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যের বৈশিষ্ট্য হলো ছন্দ ও অলঙ্কারের সুদক্ষ প্রয়োগ।
- সমালোচক অধ্যাপক অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে: 'অন্নদামঙ্গলকাব্য অষ্টাদশ শতাব্দীর সর্বশ্রেষ্ঠ কাব্য, সমগ্র বাংলা সাহিত্যের উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের অন্যতম।
- অন্নদামঙ্গল কাব্য ৩টি খণ্ডে বিভক্ত। যথা: শিবনারায়ণ, কালিকামঙ্গল এবং মানসিংহ-ভবানন্দ খণ্ড।
অন্নদামঙ্গল কাব্যের প্রধান চরিত্র:
- মানসিংহ,
- ভবানন্দ,
- বিদ্যাসুন্দর,
- মালিনী,
- ঈশ্বরী পাটনী ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
ক্রিয়া-বিশেষণ স্থানীয় খণ্ডবাক্য:
- যে আশ্রিত খণ্ডবাক্য ক্রিয়াপদের স্থান, কাল ও কারণ নির্দেশক অর্থে ব্যবহৃত হয় তাকে ক্রিয়া-বিশেষণ স্থানীয় আশ্রিত খণ্ডবাক্য বলে।
যেমন:
- যতই করিবে দান, তত যাবে বেড়ে।
- তুমি আসবে বলে আমি অপেক্ষা করছি।
- যেখানে আকাশ আর সমুদ্র একাকার হয়ে গেছে, সেখানেই দিকচক্রবাল।
অন্যদিকে,
বিশেষ্য স্থানীয় আশ্রিত খণ্ডবাক্য:
- যে আশ্রিত খণ্ডবাক্য প্রধান খণ্ডবাক্যের যে কোনো পদের আশ্রিত থেকে বিশেষ্যের কাজ করে, তাকে বিশেষ্যস্থানীয় আশ্রিত খণ্ডবাক্য বলে।
যথা:
- আমি মাঠে গিয়ে দেখলাম, খেলা শেষ হয়ে গিয়েছে।
- ব্যাপারটি নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করলে ফল ভালো হবে না।
বিশেষণ স্থানীয় আশ্রিত খণ্ডবাক্য:
- যে আশ্রিত খণ্ডবাক্য প্রধান খণ্ডবাক্যের অন্তর্গত কোনো বিশেষ্য বা সর্বনামের দোষ, গুণ এবং অবস্থা প্রকাশ করে, তাকে বিশেষণ স্থানীয় আশ্রিত খণ্ডবাক্য বলে।
যথা-
- লেখাপড়া করে যেই, গাড়ি ঘোড়া চড়ে সেই। (আশ্রিত বাক্যটি 'সেই' সর্বনামের অবস্থা প্রকাশ করছে)।
তদ্রুপ -
- 'খাঁটি সোনার চাইতে খাঁটি, আমার দেশের মাটি।'
- 'ধনধান্য পুষ্প ভরা, আমাদের এই বসুন্ধরা।'
- যে এ সভায় অনুপস্থিত, সে বড় দুর্ভাগা।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
'সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকা:
- 'সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত।
- তিনি ১৮৩১ সালে সংবাদ প্রভাকর (সাপ্তাহিক) পত্রিকা প্রতিষ্ঠা করেন।
- কিছুদিনের মধ্যেই বন্ধ হয়ে যায় কিন্তু ১৮৩৬ সালে পুনর্বার ছাপা হয়।
- ১৮৩৯ সালে বাংলা ভাষায় প্রথম দৈনিক পত্রিকা হিসেবে প্রকাশিত হয়।
- সংবাদ প্রকাশের পাশাপাশি এ পত্রিকায় সাহিত্যচর্চাও হত।
- 'বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়', 'দীনবন্ধু মিত্রের' প্রাথমিক রচনাগুলো সংবাদ প্রভাকরেই প্রথম প্রকাশিত হত।
- ঈশ্বরচন্দ্র সংবাদ প্রভাকর ছাড়াও সংবাদ রত্নাবলী, পাষণ্ডপীড়ন ও সংবাদ সাধুরঞ্জন পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।
উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২) বাংলাপিডিয়া।
• 'অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত' এর সাহিত্যিক ছদ্মনাম - নীহারিকা দেবী।
অন্যদিকে,
অন্নদাশঙ্কর রায় এর সাহিত্যিক ছদ্মনাম - লীলাময় রায়।
বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় এর সাহিত্যিক ছদ্মনাম - যাযাবর।
মধুসূদন মজুমদার এর সাহিত্যিক ছদ্মনাম - দৃষ্টিহীন।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।
'আর কতদিন' উপন্যাস:
- মুক্তিযুদ্ধ-পূর্ব সময়ের অস্থির সমাজ ব্যবস্থার চিত্র পাওয়া যায় জহির রায়হান রচিত 'আর কতদিন' উপন্যাসে।
- যুদ্ধকালীন বাস্তবতা, লাঞ্ছিত মানবতার আর্তি, ও শান্তির স্বপক্ষে জোরালো আবেদন জানিয়ে, জহির রায়হানের 'আর কতদিন' উপন্যাসটি ১৯৭০ সালে প্রথম প্রকাশ পায়।
- গ্রন্থটির প্রকাশকাল ও ঘটনা বিন্যাসের আলোকে নবুঝতে পারা যায় যে মুক্তিযুদ্ধ-পূর্ব সময়ের অস্থির সমাজিক রাজনৈতিক আন্দোলন মুখর প্রেক্ষাপটে আসন্ন যুদ্ধের একটি ভয়াবহ সম্ভাবনা লেখপক মনে উদয় হয়েছিল।
তাঁর রচিত উপন্যাস:
- হাজার বছর ধরে,
- আরেক ফাল্গুন,
- বরফ গলা নদী,
- আর কতদিন,
- শেষ বিকেলের মেয়ে,
- তৃষ্ণা,
- কয়েকটি মৃত্যু।
উৎস:
১) সাহিত্য পাঠ (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি)।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
বাংলা কৃৎ-প্রত্যয়:
- সংস্কৃত বা তৎসম ধাতু বিবর্জিত বাংলা ধাতুর সঙ্গে প্রাকৃত ভাষা থেকে আগত যেসব প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়, তাদের বাংলা কৃৎ প্রত্যয় বলে।
আনি-প্রত্যয়:
- বিশেষ্য গঠনে প্রযুক্ত হয়।
যেমন:
- √জান্ + আনি = জানানি,
- √শুন্ + আনি = শুনানি,
- √উড় + আনি = উড়ানি,
- √উড় + উনি = উড়ুনি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
• প্রেমেন্দ্র মিত্র রচিত উপন্যাস - 'কুয়াশা'।
প্রেমেন্দ্র মিত্র:
- প্রেমেন্দ্র মিত্র একাধারে কবি, কথাসাহিত্যিক, সাংবাদিক, সম্পাদক।
- তাঁর জন্ম ১৯০৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে কাশিতে।
- তিনি কল্লোল পত্রিকার একজন নিয়মিত লেখক ছিলেন।
- প্রেমেন্দ্র মিত্র কলকাতার সাউথ সাবার্বন স্কুল থেকে ম্যাট্রিক (১৯২০) পাস করে সাহিত্য-সাধনায় মনোযোগী হয়ে ওঠেন।
তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- পঞ্চশর,
- বেনামী বন্দর,
- পুতুল ও প্রতিমা,
- মৃত্তিকা ইত্যাদি।
তাঁর রচিত উপন্যাস:
- পাঁক,
- কুয়াশা,
- মিছিল,
- উপনয়ন ,
- আগামীকাল,
- প্রতিশোধ,
- প্রতিধ্বনি ফেরে ইত্যাদি।
উৎস:
১)বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
সঠিক উত্তর: খ) getting up.
Complete sentence: He is used to getting up early in the morning.
- “be used to” এর পরে noun বা gerund (-ing form of verb) আসে।
- এখানে “getting up” হলো gerund, যা habit বা অভ্যাস বোঝায়।
• শুধু Used to এর পর Verb এর base form বসে।
যেমন:
- I used to eat meat, but now I’m a vegetarian.
- He used to go to our school
• তবে be (am, is, are, was, were) + used to থাকলে এর পর Verb+ing ব্যবহৃত হয়।
যেমন:
- I'm used to living in Paris.
- She’s used to working hard.
'Walking along the road, I saw a snake.' Here, 'walking' is - participle.
- এখানে ‘walking’ হলো present participle।
- এটি একটি participial phrase (Walking along the road)–এর অংশ, যা subject ‘I’–এর কাজ বা অবস্থান বোঝাচ্ছে।
- Walking এখানে একটি present participle.
• Present participle:
- Verb এর সাথে ing যোগ হয়ে যদি adjective এর কাজ করে অর্থাৎ Verb ও adjective এর কাজ করে, তাহলে তাকে present participle বলে।
- সংক্ষেপে: present participle = Verb + ing = adjective = Verb + adjective.
• A participle is a verb that ends in -ing (present participle) or -ed, -d, -t, -en, -n (past participle). Participles may function as adjectives, describing or modifying nouns.
- Participle একই সাথে Verb ও Adjective এর কাজ করে।
Participle মূলত: তিন প্রকার:
1. Present Participle. Ex: Do not disturb a sleeping dog.
2. Past Participle. Ex: This is a book written by Charles Dickens.
3. Perfect Participle. Ex: Having eaten rice, he went to bed.
Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.
He rowed us over to the other side of the lake. Here, 'over' is - adverb.
- এখানে ‘over’ শব্দটি rowed verb কে modify করছে, অর্থাৎ কোথায় বা কীভাবে তারা পৌঁছালো তা নির্দেশ করছে।
- এখানে over = adverb, যা verb -র দিক বা স্থান বোঝাচ্ছে।
over: [adverb]
English meaning: across a street, an open space, etc.
Bangla meaning: এপার থেকে ওপার দিয়ে / পার হয়ে।
Example:
- I stopped and crossed over.
- He rowed us over to the other side of the lake.
Source: Oxford Dictionary.
সঠিক উত্তর: খ) to have been.
Complete sentence: He is said to have been a genius in his childhood.
• একটি reporting structure যেখানে আমরা অন্য কারও বক্তব্য উল্লেখ করি।
- যখন reporting verb (is said) present tense-এ থাকে এবং reported action অতীতের, তখন perfect infinitive (to have + past participle) ব্যবহার করতে হয়।
অন্য অপশনগুলো বিশ্লেষণ:
ক) to be:
- Present tense বোঝায়। কিন্তু ঘটনা past tense–এ ঘটেছে।
গ) being:
- Present participle; এখানে ব্যবহার হয় না।
ঘ) having been:
- এটি participle phrase; is said …–এর সাথে সরাসরি ব্যবহার হয় না।
I'll put you down as a no. Here, 'no' is - noun.
- এখানে ‘no’ একটি noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, যা “না, প্রত্যাখ্যান” বোঝায়।
- অর্থ: আমি আপনাকে “না” হিসেবে তালিকাভুক্ত করব।
no: [noun]
English meaning: an answer that shows you do not agree with an idea, a statement, etc.; a person who says ‘no’.
Bangla meaning: না বলা / অস্বীকার।
Example:
- Can't you give me a straight yes or no?
- I'll put you down as a no.
Source: Oxford Dictionary.
সঠিক উত্তর: a) be.
Complete sentence: It is requested that all students be present in the hall.
• এখানে “It is requested that …” একটি subjunctive mood–এর বাক্য।
• Request একটি Subjunctive verb.
- Subjunctive mood - এর নিয়ম অনুসারে request এর পর that + subject থাকলে সেখানে verb এর base form হয়।
• Verbs যেগুলো Present Subjunctive হিসেবে ব্যবহৃত হয়:
- Command, ask, advise, demand, decree, insist, move, prefer, propose, request, require, suggest, stipulate, urge ইত্যাদি।
অন্য অপশনগুলো:
b) are:
- Indicative present tense; request/demand–এর সাথে ব্যবহার হয় না।
c) were:
- Past tense; subjunctive–এর জন্য ভুল।
d) have been :
- Perfect tense; এখানে ব্যবহার হয় না।
Answer: To go to sleep.
• Hit the sack:
English meaning: to go to bed in order to sleep.
Bangla meaning: ঘুমাতে যাওয়া বা বিছানায় যাওয়া।
Example:
- I have a busy day tomorrow, so I think I'll hit the sack.
- I’m exhausted after the long day; I think I’ll hit the sack early tonight.
- After finishing his homework, Tom decided to hit the sack.
Source: Cambridge Dictionary.
Answer - A flatterer.
• Sycophant:
English meaning: someone who praises powerful or rich people in a way that is not sincere, usually in order to get some advantage from them.
Bangla meaning: যে ব্যক্তি ক্ষমতাবান বা ধনী লোকদের তোষামোদ করে অনুগ্রহ পেতে তৎপর; মোসাহেব।
Example:
- The prime minister is surrounded by sycophants.
- He is enabled by low-life sycophants who thrill in being around his celebrity.
Source: Accessible Dictionary.
dispense with:
Meaning: পরিহার করা; কোনো কিছু ছাড়াই চলতে পারা।
• Appropriate preposition এর ক্ষেত্রে,
- 'পরিহার করা' অর্থে dispense এর সাথে with বসে।
- তাই শূন্যস্থানে with বসালে বাক্যটি পরিপূর্ণ হয়।
আবার,
- dispense (to) বণ্টন করা; প্রয়োগ করা; to dispense justice/charity/favour.
Complete sentence: The committee dispensed with the old rules and introduced new ones.
Source: Accessible Dictionary.
Answer: ক) Selfish.
Altruistic:
English meaning: caring about the needs and happiness of other people and being willing to do things to help them, even if it brings no advantage to yourself.
Bangla meaning: পরার্থসম্মত।
Options,
ক) Selfish:
- স্বার্থপর; স্বার্থিক; স্বার্থপরায়ণ; স্বার্থচিন্তক; স্বার্থসাধক; আত্মপরায়ণ; আত্মগ্রাহী।
খ) Permanent:
- স্থায়ী; চিরস্থায়ী; দীর্ঘকালব্যাপী অপরিবর্তিত; সুদীর্ঘকাল টিকে থাকার মতো করে গঠিত বা নির্মিত।
গ) Dearth:
- অভাব; অনটন; আকাল।
ঘ) Vague:
- অস্পষ্ট; ভাসাভাসা; আবছা।
অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, the antonym of “Altruistic”: ক) Selfish.
Source: Accessible Dictionary.
• Enervate:
English meaning: to make someone feel weak and without energy.
Bangla meaning: শারীরিক ও মানসিকভাবে দুর্বল করা; স্নায়ুহীন করা।
Options,
ক) Fortify:
- (প্রাচীর, পরিখা, কামান ইত্যাদির সাহায্যে) আক্রমণের বিরুদ্ধে (কোনো স্থানকে) সুরক্ষিত/ দুর্ভেদ্য করা।
খ) Weaken:
- দুর্বল(তর) করা বা দুর্বল(তর) হওয়া।
গ) Exciting:
- উত্তেজনাপ্রদ, রোমাঞ্চকর।
ঘ) Lazy:
- অলস, শ্রমবিমুখ; আলস্য উৎপন্ন করে এমন।
অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, the synonym of “Enervate”: Weaken.
সঠিক উত্তর: ক) Simple.
• 'A rolling stone gathers no moss.' This sentence is a- Simple sentence.
• Simple sentence:
- A simple sentence consists of a single independent clause that expresses a complete thought.
- একটি simple sentence এ শুধুমাত্র একটি clause থাকে অর্থাৎ একটি subject এবং একটি finite verb থাকে।
- যেমন: The sun shines brightly in the sky.
• এটি একটি simple sentence, কারণ এতে একটি independent clause আছে এবং একটি subject (“A rolling stone”) ও predicate (“gathers no moss”) রয়েছে।
বাক্যে কোনো dependent clause বা multiple independent clause নেই, তাই এটি complex বা compound sentence নয়।
অন্যদিকে,
• Complex sentence:
- যে sentence এ একটি Principal clause এবং এক বা একাধিক Subordinate clause থাকে, তাকে Complex sentence বলে।
- Complex sentence এর subordinate clause এর শুরুতে সাধারণত if, though, although, as, because, since, so that, that, until, till, unless, when, why, who, which, where, how, before, after, whether, while বসে।
• Compound sentence:
- এ ধরনের বাক্যে একের অধিক principal clause থাকে যাদেরকে co-ordinate clause বলা হয়।
- অর্থাৎ Compound sentence এ দুই বা ততোধিক principal clause বা co-ordinate clause থাকে।
- এছাড়া Compound sentence এ সাধারণত and, or, but, yet, so, therefore, otherwise, else, both --- and, either --- or, neither ---- nor, not only --- but also ইত্যাদি coordinating conjunction দ্বারা দুইটি principal clause যুক্ত থাকে।
Source: A Passage To The English Language, S. M. Zakir Hussain.
• She met the teacher who teaches English. Here 'who teaches English' is - An adjective clause.
- যে subordinate clause কোন Adjective এর মত কাজ করে তাকে Adjective Clause বলে।
- এগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে noun বা noun এর মত পদগুলোকে modify করে।
- এখানে “who teaches English” phrase টি Noun "teacher” কে modify করেছে। তাই এটি adjective clause হবে।
• Adjective Clause
- Adjective সাধারণত Noun এর আগে বা Linking verb এর পরে বসে। কিন্তু Adjective Clause সর্বদা Noun এর পরে বসে।
- Adjective Clause সাধারণত Relative Pronoun ( who, which, that, whom, whose, of which) ও Relative Adverb (Why, where, when, how, as) ইত্যাদি দ্বারা শুরু হয়।
- যেমন:
- He could not explain the reason why they left.
- The boy who is playing cricket is my brother.
সঠিক উত্তর: ক) 5 a.m.
Early bird বলতে বোঝানো হয় এমন ব্যক্তি যে সকাল খুব সকালে ওঠে।
তাই 5 a.m (সকাল ৫টা) হলো যুক্তিসঙ্গত সময়।
An early bird
English Meaning: a person who rises, arrives, or acts before the usual or expected time.
Bangla Meaning: যে ভোরে উঠে / সবার আগে আগে আসে।
Ex. Sentence: He was always an early bird.
Bangla Meaning: সে সববসময়ই সবার আগে আগে আসতো।
Source: Live MCQ Lecture.
সঠিক উত্তর: b) for.
Complete sentence: The ship is bound for Australia next week.
- অর্থ: যাহাজটি আগামী সপ্তাহে অস্ট্রেলিয়ার দিকে যাবে।
• এখানে “bound for” মানে হলো “যেতে চলেছে” বা “destination হলো”।
• bound for something:
Meaning: going to or intended for a particular place.
Example:
- She was on a plane bound for Moscow when she got sick.
- Most of these foods were bound for dinner tables overseas.
Source: Cambridge Dictionary.
• Rosencrantz and Guildenstern Are Dead:
- এটি রচনা করেন Tom Stoppard.
- এটি একটি absurdist, existential tragicomedy.
- নাটকটি শেক্সপিয়ারের Hamlet নাটকের পার্শ্বচরিত্র Rosencrantz ও Guildenstern কে কেন্দ্র করে লেখা।
- নাটকটিতে তারা নিজেদের অস্তিত্ব ও উদ্দেশ্য নিয়ে বিভ্রান্ত থাকে এবং বারবার অদ্ভুত পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়।
• Tom Stoppard (জন্ম: ৩ জুলাই ১৯৩৭, জিলিন, চেকোস্লোভাকিয়া [বর্তমানে চেক প্রজাতন্ত্র]—মৃত্যু: ২৯ নভেম্বর ২০২৫, ডরসেট, ইংল্যান্ড) ছিলেন একজন চেক-জন্মসূত্রে ব্রিটিশ নাট্যকার ও চিত্রনাট্যকার।
- তাঁর সাহিত্যকর্মে ভাষাগত দীপ্তি, অভিনব নাট্যকর্ম এবং গঠনগত নৈপুণ্য বিশেষভাবে লক্ষণীয়।
• Politics and the English Language:
- এটি রচনা করেন George Orwell.
- এটি একটি essay.
- প্রকাশিত হয় 1946 সালে।
- এই প্রবন্ধে ভাষার অবনতি ও তার প্রভাব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
- তিনি বলেন যে ইংরেজি ভাষা আধুনিক লেখায় ক্রমে দুর্বল, অস্পষ্ট ও ভুলভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে, এবং এর সাথে রাজনৈতিক ভাষাও যুক্ত রয়ে গেছে।
- তিনি দেখান কীভাবে অস্পষ্ট ও জটিল ভাষা ব্যবহার করা হয় সত্য লুকাতে বা মিথ্যাকে সত্যের মতো দেখাতে এবং কীভাবে এই অবনতি চিন্তাভাবনাকেও প্রভাবিত করে।
- অরওয়েল দাবি করেন যে ভাষার অবনতি শুধু সময়ের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে হয় না, বরং এটি রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কারণেও ঘটে এবং এটি প্রতিহত করা সম্ভব যদি লেখকরা সুনিপুণ, পরিষ্কার ও নির্দিষ্ট ভাষা ব্যবহার করেন।
- তিনি কিছু নিয়মও দেন যেমন ছোট ও সরল শব্দ ব্যবহার করা, অপ্রয়োজনীয় শব্দ বাদ দেওয়া এবং সক্রিয় বাক্য গঠন করা, যাতে ভাষা স্পষ্ট ও শক্তিশালী হয় এবং সত্য প্রকাশে সাহায্য করে।
• George Orwell:
- Modern Period এর একজন সুপরিচিত লেখক।
- তিনি একাধারে English novelist, essayist, and critic.
- তাঁর প্রকৃত নাম হচ্ছে - Eric Arthur Blair.
- তিনি তাঁর 'Animal Farm' এবং 'Nineteen Eighty-four' নামক Novel এর জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
• Notable work:
- A Clergyman’s Daughter,
- Animal Farm,
- Burmese Days,
- Down and Out in Paris and London,
- Homage to Catalonia,
- Keep the Aspidistra Flying,
- Nineteen Eighty-four.
Source: Britannica.com, An ABC of English Literature by M Mofizar Rahman.
“To be or not to be” হলো William Shakespeare এর Hamlet নাটকের একটি বিখ্যাত soliloquy.
- Soliloquy হলো এমন একটি monologue, যেখানে চরিত্রটি নিজের ভেতরের চিন্তা-ভাবনা প্রকাশ করে, এবং দর্শক বা পাঠক সরাসরি সেই চিন্তা শুনতে পায়।
• Hamlet:
- Shakespeare রচিত tragedy গুলোর মধ্যে Hamlet is one of the most celebrated tragedies in English literature.
- 5acts বিশিষ্ট এই tragedy টি ১৫৯৯-১৬০১ সালের মধ্যে লেখা এবং প্রকাশিত হয় ১৬০৩ সালে।
- Hamlet' in Shakespeare's Hamlet is a prince of Denmark.
- হ্যামলেট জার্মানি থেকে নিজ দেশে ফিরে আসে তাঁর বাবার শেষকৃত্যে অংশগ্রহণ করতে এবং জানতে পারে যে তার চাচা Claudius তার মা Gertrude কে বিয়ে করেছে এবং এই চাচাই তার বাবার খুনী।
- এরপর দেখা যায় প্রিন্স হ্যামলেট তার বাবার খুনের প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করেন এবং বিভিন্ন ঘটনা প্রবাহের মধ্যে দিয়ে tragedy এর কাহিনি সামনে এগিয়ে যায়।
- এই নাটকে antagonist অর্থাৎ ভিলেন হিসেবে দেখানো হয়েছে Claudius কে।
- শেষাংশে Hamlet এর মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে এর সমাপ্তি ঘটে।
• Famous quotations of Hamlet:
- Neither a borrower nor a lender be; For loan oft loses both itself and friend.
- To be or not to be that is the question.
- Frailty, thy name is woman.
- Brevity is the soul of wit.
- Listen to many, speak to a few.
- Though this be madness, yet there is method in't.
- Conscience doth make cowards of us all.
- 'There is divinity that shapes our end'.
• Shakespeare:
- তার জন্মস্থান Stratford-upon-Avon.
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে English national poet বলা হয়।
- তাকে 'Bard of Avon' বলা হয়।
- He is considered by many to be the greatest dramatist of all time.
• Notable works:
• Tragedy:
- Hamlet,
- Othello,
- King Lear,
- Macbeth,
- Julius Caesar.
• Comedy:
- As You Like It,
- The Tempest,
- Twelfth Night,
- A Midsummer Night's Dream etc.
• Famous poem:
- Shall I Compare Thee to a Summer Day/Sonnet 18,
- The Rape of Lucrece,
- Venus and Adonis.
Source: Britannica and An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman.
• “To a Skylark” হলো Percy Bysshe Shelley রচিত একটি Romantic কবিতা।
- কবিতায় Shelley skylark কে “blithe Spirit” হিসেবে তুলনা করেছেন।
- কবিতার মাধ্যমে প্রকৃতি এবং আনন্দের অতলান্ত অনুভূতি প্রকাশিত হয়েছে।
• To a Skylark:
- রচনা করেন P.B. Shelley.
- এটি একটি lyric poem.
- Skylark চড়ুই এর মতো দেখতে একটি পাখি।
- কবি একে চাঁদ এর আলোর সাথে তুলনা করেন।
- কবির মনে এটি joyous spirit of the divine এর প্রতিক।
- তিনি skylark হবার ইচ্ছা পোষণ করেন।
- এর গান থেকে তিনি আত্মার প্রেরণা খুঁজে পান। তিনি মনে করে এর গান স্বর্গীয়।
P.B. Shelley:
- P.B. Shelley এর পূর্ণনাম Percy Bysshe Shelley.
- Percy Bysshe Shelley Romantic period-এ revolutionary poet লেখার জন্য বিখ্যাত ছিলেন।
- এজন্য তাঁকে Revolutionary poet বলা হয়।
Best works:
Poem:
- Ode to the West Wind,
- Queen Mab,
- Alastor,
- Adonais,
- Ozymandias,
- To a Skylark.
Drama:
- Prometheus Unbound,
- The Cenci.
Source: Britannica.
• John Donne কে "Poet of Love" বলা হয়, বিশেষ করে তার মেটাফিজিক্যাল প্রেমের কবিতার জন্য (যেমন "The Good-Morrow", "A Valediction: Forbidding Mourning" ইত্যাদি)। তিনি প্রেমকে বুদ্ধিবৃত্তিক, আধ্যাত্মিক ও শারীরিক স্তরে গভীরভাবে অনুসন্ধান করেছেন, যা তাকে এই উপাধি দিয়েছে।
• John Donne:
- John Donne (1572-1631) Renaissance যুগের একজন কবি।
- তিনি আধ্যাত্বিক কবিতার সূচনা করেছিলেন তাই তাকে Father of Metaphysical poetry বলা হয়।
- এছাড়াও তিনি Poet of Love and Religious হিসেবেও পরিচিত।
- কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর John Done এর কবিতা দ্বারা অত্যন্ত প্রভাবিত হয়েছিলেন।
• তাঁর বিখ্যাত কিছু কবিতা হচ্ছে:
- The Good Morrow,
- The Canonization,
- The Flea,
- The Sun Rising,
- A Valediction: Forbidding Mourning.
Source: Britannica and An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman.
সঠিক উত্তর: ক) London.
• T.S. Eliot এর The Waste Land কবিতায় “Unreal City” ব্যবহার করা হয়েছে London বোঝাতে।
- কবিতায় London কে অসৎ, স্থবির, এবং আধুনিক জীবনের শূন্যতা ও বিরূপতার প্রতীক হিসেবে দেখানো হয়েছে।
- এটি Eliot-এর সাহিত্য ও শহুরে জীবনের বিষন্নতা প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়।
কবিতার প্রথম অংশ "The Burial of the Dead"-এ এই লাইন আছে:
"Unreal City,
Under the brown fog of a winter dawn
A crowd flowed over London Bridge, so many,
I had not thought death had undone so many."
এখানে "Unreal City" হলো আধুনিক, যান্ত্রিক, আধ্যাত্মিকভাবে মৃত ও বিষণ্ণ লন্ডন—যেখানে মানুষেরা ভিড়ে চলাচল করে কিন্তু জীবন্ত নয়, যেন জীবিত মৃতের মিছিল।
• The Waste Land:
- It is written by T.S. Eliot.
- It is a long poem. কবিতার লাইন সংখ্যা ৪৩৩,
- এই কবিতাটি উৎসর্গ করা হয়েছিল আরেক জন প্রথিতযশা আধনিক কবি Ezra Pound কে ।
- ২০ শতকের অন্যতম প্রভাবশালী কবিতা এটি।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধোত্তর পরিবর্তিত পরিস্থিতি এই কবিতার আলোচ্য বিষয়।
- এই কবিতাটি তাকে আন্তর্জাতিক খ্যাতি এনে দেয়।
• এই কবিতার একটি বিখ্যাত উক্তি -
- "April is the cruellest month, breeding
Lilacs out of the dead land, mixing".
• T.S. Eliot:
- তার পুরো নাম Thomas Stearns Eliot.
- তিনি একাধারে American-English poet, playwright, literary critic এবং editor.
- He is a leader of the Modernist movement in poetry in such works as The Waste Land and Four Quartets.
- তিনি ১৯৪৮ সালে সাহিত্যে Nobel Prize পান।
Notable works:
Poetry:
- The Waste Land (1922),
- Four Quartets (1943),
- The Love Song of J. Alfred Prufrock.
Play:
- Murder in the Cathedral (1935),
- The Cocktail Party.
Source: Poemanalysis.com and Poetryfoundation.org
James Joyce is often associated with the concept of —Stream of consciousness.
• Stream of consciousness:
- It is a narrative technique in nondramatic fiction intended to render the flow of myriad impressions—visual, auditory, physical, associative, and subliminal—that impinge on the consciousness of an individual and form part of the character’s awareness along with the trend of the character’s rational thoughts.
- শব্দটি সর্বপ্রথম মনোবিজ্ঞানী উইলিয়াম জেমস 'The Principles of Psychology'তে ব্যবহার করেন।
- As the psychological novel developed in the 20th century, some writers attempted to capture the total flow of their characters’ consciousness, rather than limit themselves to rational thoughts.
- মনের সম্পূর্ণ সমৃদ্ধি, গতি এবং সূক্ষ্মতাকে উপস্থাপন করার জন্য, লেখক তাদের লেখনীতে অসংলগ্ন চিন্তা, অব্যকরণগত নির্মাণ এবং ধারণা, চিত্র এবং শব্দের অবাধ মেলামেশাকে অন্তর্ভুক্ত করেছেন।
- The stream-of-consciousness novel commonly uses the narrative techniques of interior monologue.
- James Joyce এবং Virginia Woolf এর উপন্যাসগুলোতে Stream of consciousness এর উপস্থিতি রয়েছে।
- James Joyce's Ulysses is a complex evocation of the inner states of the characters Leopold and Molly Bloom and Stephen Dedalus.
- Virginia Woolf’s The Waves (1931), is a complex novel in which six characters recount their lives from childhood to old age.
• James Joyce
- He was born in Dublin, Ireland.
- তিনি ১৮৮২ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
- Joyce একজন আইরিশ ঔপন্যাসিক, কবি এবং ছোটগল্পকার ছিলেন।
- James Joyce বিংশ শতাব্দী অর্থাৎ Modern Period এর বিখ্যাত Novelist দের মধ্যে অন্যতম।
- Ulysses হলো James Joyce রচিত বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাস।
- James Joyce তার Stream-of-consciousness (চেতনার অন্তঃশীল প্রবাহ) এই Narrative Technique টির জন্য বিখ্যাত।
- তার রচিত Dubliners (1914) মূলত ১৫ টি ছেটো গল্পের সম্বনয়ে রচিত একটি বই।
Source: Britannica.
The famous character Pip is taken from - Great Expectations.
• Great Expectations:
- 'Great Expectations' is a novel written by Charles Dickens.
- ১৮৬০ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাস টি Dickens এর অন্যতম সেরা উপন্যাস।
- গল্প শুরু হয়েছে Kent শহর থেকে।
- ১৮ শতকের গোড়ার কাহিনী তুলে ধরা হয়েছে উপন্যাসে -এমন একটি সময় যখন, ইংল্যান্ড অর্থনৈতিক ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু তারপরও কিছু মানুষ থাকছে সমাজে, যারা নানা কারণে অসুখী। সমাজে বিদ্যমান শ্রেণী বৈষম্যর বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে।
- Charles Dickens -এর 'Great Expectations' উপন্যাসটি মূলত সামাজিক শ্রেণি ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা বিষয়কে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। কাহিনিতে এতিম Pip -এর গল্প বলা হয়েছে, যে নিজের সাধারণ জীবন থেকে উঠে একজন ভদ্রলোক হয়ে উঠতে চায়, বিশেষ করে যখন সে এক রহস্যময় আর্থিক সহায়তা পায়।
- এই মূল বিষয়টি উপন্যাসে ফুটে উঠেছে Pip -এর আত্ম-অন্বেষণ ও নৈতিক বিকাশের মধ্য দিয়ে। সে শিখতে পারে যে সামাজিক মর্যাদা ও সম্পদ আসল সুখ বা নৈতিক মূল্যবোধ নিশ্চিত করে না। Dickens এই গল্পের মাধ্যমে ভিক্টোরিয়ান সমাজের কঠোর শ্রেণিবিন্যাস ও সম্পদের দুর্নীতিগ্রস্ত প্রভাবের সমালোচনা করেছেন।
• Charles Dickens
- Charles Dickens was an English novelist, generally considered the greatest of the Victorian era.
- তিনি মূলত তাঁর A Christmas Carol, David Copperfield, Bleak House, A Tale of Two Cities, Great Expectations, Our Mutual Friend ইতাদি উপন্যাসের জন্য তাঁর জীবদ্দশায়ই জনপ্রিয়তা লাভ করেছিলেন।
• Notable Works:
- A Christmas Carol,
- David Copperfield,
- Great Expectations,
- A Tale of Two Cities,
- Bleak House,
- Our Mutual Friend,
- Hard Times, etc.
Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.
Volpone হলো Ben Jonson রচিত একটি beast fable / satirical comedy.
• Volpone:
- Ben Jonson রচিত একটি বিখ্যাত কমেডি নাটক।
- এটি ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম Beast Fable হিসেবেও পরিচিত।
- Beast fable, মূলত একটি prose/verse fable or short story যাতে সচরাচর একটি moral থাকে।
- এগুলোতে animals characters গুলোকে মানুষ এর মত উপস্থাপন করা হয় এবং মানুষের এর সকল অনুভূতি এবং উদ্দেশ্যে গুলকেও উপস্থাপন করা হয়।
- Ben Jonson এর Volpone তে বিভিন্ন প্রানীকে মনুষ্য চরিত্র হিসেবে দেখান হয়েছে এবং কেন্দ্রীয় চরিত্র Volpone মূলত একটি fox বা খেঁকশিয়াল।
• Ben Jonson:
- তিনি একজন English writer.
- তিনি একাধারে English Stuart dramatist, lyric poet এবং literary critic.
- তাকে Father of Comedy of Humours বলা হয়।
• Best plays:
- Every Man in His Humour,
- Volpone,
- Epicoene; or, The Silent Woman,
- The Alchemist, and
- Bartholomew Fair.
Source: Britannica
• "The music in my heart I bore,
Long after it was heard no more."
- এই উক্তিটি এসেছে William Wordsworth এর কবিতা থেকে।
- Wordsworth Romantic যুগের কবি, যিনি প্রকৃতি, অনুভূতি, ও মানবজীবনের গভীরতা নিয়ে লেখা কবিতার জন্য বিখ্যাত।
• The Solitary Reaper:
- এটি William Wordsworth রচিত একটি কবিতা।
- এই কবিতাটি প্রকাশিত হয় ১৮০৭ সালে।
- কবিতায় দেখা যায়, একটা তরুনী মেয়ে স্কটল্যান্ডের গ্রামীন পরিবেশে এবং পাহাড়ী এলাকায় একাকী কাজে মগ্ন।
- কাজের পাশাপাশী সে করুন দু:খের গান গুনগুনিয়ে গাইছে।
- The Solitary Reaper বাংলা অর্থ একাকী শস্যচ্ছেদক(যে ফসল কাটে)।
-------------------
"Whate'er the theme, the Maiden sang
As if her song could have no ending;
I saw her singing at her work,
And o'er the sickle bending;—
I listened, motionless and still;
And, as I mounted up the hill,
The music in my heart I bore,
Long after it was heard no more."
- এটি 'The Solitary Reaper' কবিতার একটি অংশ।
--------------------
• William Wordsworth (1770 - 1850):
- William Wordsworth রোমান্টিক যুগের একজন বিখ্যাত কবি।
- তিনি ‘Poet of Nature’ নামে পরিচিত।
- তার বিখ্যাত কবিতা The Solitary Reaper (একাকী শস্য আহরণকারী)।
• তার অন্যান্য কবিতাগুলো হচ্ছে:
- Daffodils,
- The Excursion,
- The Prelude,
- The Recluse,
- Lucy etc.
Source: Britannica.
সঠিক উত্তর: ক) Franz Kafka.
• The Metamorphosis:
- এটি Franz Kafka লিখিত একটি symbolic story, তিনি একজন German-language writer.
- 1915 সালে প্রকাশিত হয়।
- কেন্দ্রীয় চরিত্র: Gregor Samsa.
- The opening sentence of The Metamorphosis has become one of the most famous in Western literature: “As Gregor Samsa awoke one morning from uneasy dreams, he found himself transformed in his bed into a gigantic insect.”
• Franz Kafka was a novelist, short story writer and an existentialist.
• তাঁর উল্লেখ্য সাহিত্য কর্ম -
- The Metamorphosis,
- The Trial,
- The Castle,
- Amerika.
Source: Britannica
[৩৮তম বিসিএস প্রিলিমিনারি]
• Active: It is impossible to do this.
• Passive: This can't be done.
• এই কাঠামো যুক্ত passive voice-এর ক্ষেত্রে সাধারণ নিয়ম ব্যবহার করা হয় না।
- এগুলো একটু ব্যতিক্রম নিয়মে passive voice করতে হয়।
• এটা ভাবার্থের বিচারে Passive Voice করতে হবে।
- This is impossible to be done. সঠিক মনে হলেও সঠিক নয়।
- কারণ নিয়মানুযায়ী Adjective (Impossible) এর পর Passive Form এ কখনো infinitive to বসে না।
- তাই This is impossible to be done - উত্তর হবে না।
অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
ক) Doing this is impossible → এটি active voice-এই রয়েছে, passive হয়নি।
গ) This is impossible to be done. → grammatically ভুল, "to be done" এখানে ব্যবহার হয় না।
ঘ) This is must be done. → ভুল, "must be done" মানে "করতেই হবে" যা "impossible" এর বিপরীত অর্থ
"is must" - grammatically ভুল structure.
Arms and the Man হলো George Bernard Shaw রচিত।
• Arms and the Man:
- এটি George Bernard Shaw লিখিত three acts এর নাটক।
- এটি 1898 সালে প্রকাশিত হয়।
- এই নাটকটির settings হলো Bulgaria এর Petkoff household.
- It satirizes romantic ideas concerning war and heroism.
• Important Characters of Arms and the Man:
- Captain Bluntschli: He is a Swiss mercenary fighting for the Serbian army.
- Raina Petkoff: Raina is a young Bulgarian woman engaged to Sergius.
- Major Sergius Saranoff: Raina's fiancé, Sergius is a heroic and dashing officer in the Bulgarian army.
-------------------------
• G. B. Shaw (1856-1950):
- তার পুরো নাম George Bernard Shaw.
- তিনি 'Modern period' এর নাট্যকার।
- George Bernard Shaw একজন Irish নাট্যকার এবং সাহিত্য সমালোচক।
- তিনি ১৯২৫ সালে নোবেল পুরস্কার পান।
- G.B. Shaw ছিলেন Fabian Society এর একজন সদস্য।
• Famous Plays of G.B. Shaw:
- Pygmalion (Romantic play),
- Major Barbara (Social satire),
- Mrs. Warren's Profession;(play),
- Arms and the Man (Romantic comedy),
- Heartbreak House;
- Caesar and Cleopatra; (play/tragedy),
- Man and Superman; (Comedy play),
- The Doctor's Dilemma; (satire drama/play, Epilogue),
- St. Joan of Arc etc.
• Note:
- 'A Farewell to Arms' is written by - Ernest Hemingway.
- এই novel টিতে arms বলতে একই সাথে অস্ত্র এবং প্রেমিকার হাত বোঝানো হয়েছে।
Source: An ABC of English Literature, Dr. M Mofizar Rahman; Encyclopedia Britannica and Live MCQ Lecture.
ঠিক উত্তর: খ) Personification.
এখানে ‘Justice’ (ন্যায়) কে মানব বৈশিষ্ট্য – blind বা দেখার ক্ষমতা নেই – দেওয়া হয়েছে।
যখন non-human বা abstract concept-এর মানব বৈশিষ্ট্য দেওয়া হয়, তখন তাকে Personification বলা হয়।
• Personification: (ব্যক্তিরূপ দান)
- A figure of speech in which lifeless objects or ideas are given imaginary life.
- অর্থাৎ নির্জীব বা জড় বস্তুকে ব্যক্তিরূপে প্রয়োগ করার কৌশল।
- Personification এর মাধ্যমে কোন জড় বস্তুকে কাল্পনিক জীবন দান করে সেগুলোকে উপমা হিসাবে লেখায় ব্যবহার করা হয়।
যেমন:
''There lies the port: the vessel puffs her sail:
(Tennyson: ''Ulysses'')
The vessel has been used as a living being.
• এই কৌশলটি Personification (ব্যক্তিত্বদান) নামে পরিচিত — যেখানে জীবিত নয় এমন কোনো জিনিস, প্রাণী বা প্রাকৃতিক শক্তিকে মানুষের গুণাবলী বা আচরণ দেওয়া হয়।
--------------
• Simile:
- A simile is an explicit comparison between two different things.
- Usually as and like are used in it.
- In simile the resemblance is explicitly indicated by the words.
- দুটি ভিন্নধর্মী জিনিসের মধ্যে As ও Like দ্বারা তুলনা বোঝালে তাকে Simile বলে।
- উপমেয়ের সাথে উপমানের সাদৃশ্য কল্পনা করা।
- যেমন: She is as innocent as a lamb.
• Catastrophe: (আকস্মিক দূর্যোগ বা মহা দূর্ঘটনা):
- It is the final scene of a tragedy in which the action ends with the death of the hero.
- অন্যভাবে বলতে গেলে, The dreadful consequence of the story of a tragedy is called Catastrophe.
- সাধারণত এটি tragedy তেই ঘটে থাকে।
• Hyperbole:
- An exaggerated statement or an extreme overstatement.
- অতিশয়োক্তি; অত্যুক্তি; অতিরঞ্জন।
- কমেডিতে ইচ্ছাকৃতভাবে অতিরঞ্জিত ভাব প্রকাশের জন্য Hyperbole ব্যবহৃত হয়।
- Love poetry তে প্রিয়জনের প্রতি তীব্র প্রশংসা জানাতে Hyperbole ব্যবহৃত হয়।
- Hyperbole হাসির উদ্রেক অথবা কঠিন সমালোচনা প্রকাশ করতে পারে।
Source: An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.
পুণ্ড্র জনপদ:
- প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো পুণ্ড্র। বলা হয় যে, পুণ্ড্র বলে একটি জাতি এ জনপদ গড়ে তুলেছিল।
- বর্তমান বগুড়া, রংপুর, রাজশাহী ও দিনাজপুর অঞ্চল নিয়ে এ পুণ্ড্র জনপদটির সৃষ্টি হয়েছিল।
- পুণ্ড্রদের রাজ্যের রাজধানীর নাম ছিল পুণ্ড্রনগর। পরবর্তীকালে এর নাম হয় মহাস্থানগড়।
- মহাস্থানগড় প্রাচীন পুণ্ড্র নগরীর ধ্বংসাবশেষ বলে পণ্ডিতেরা মনে করেন।
- প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুণ্ড্র ছিল প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে সমৃদ্ধ জনপদ।
- পাথরের চাকতিতে খোদাই করা লিপি এখানে পাওয়া যায়। ধারণা করা হয়, বাংলাদেশে প্রাপ্ত এটিই প্রাচীনতম শিলালিপি।
প্রাচীন বাংলার জনপদ সমূহ:
• গৌড় জনপদ :
- আদিকালে গৌড় বলতে বর্তমানের মুর্শিদাবাদ জেলা ও মালদা জেলার দক্ষিণাংশকে বুঝাত।
- হিউয়েন সাঙ শশাঙ্ককে কর্ণসুবর্ণ দেশের সম্রাট বলেছেন এবং হর্ষচরিত গ্রন্থে শশাঙ্ককে 'গৌড়াধিপতি' বলে উল্লেখ করা হয়েছে
মুসলিম যুগে অঞ্চলটি কখনো 'গৌড়' আবার কখনো লক্ষণাবতী নামে পরিচিত ছিল।
• বঙ্গ জনপদ:
- অনুমান করা যায় ঢাকা-ফরিদপুর-বরিশাল এলাকা নাব্য বঙ্গের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- বাংলায় মুসলমান শাসনামলের প্রাথমিক পর্যায়ে 'বঙ্গ' বলে বাংলার দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব অংশকেই বুঝানো হতো।
• সমতট জনপদ:
- খ্রিস্টীয় ৪র্থ শতকে সমতট (কুমিল্লা-নোয়াখালি) রাজ্যের উদ্ভব হয়।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম দশম শ্রেণি।
- টোল ও লেভী – সেতু ও অন্যান্য সরকারি নির্মাণ থেকে আদায়। যা কর বহির্ভূত রাজস্ব।
• কর বহির্ভূত রাজস্ব
১। মুনাফা ও লভ্যাংশ সরকারি শিল্প, কারখানা ও কোম্পানির মুনাফা ও লভ্যাংশ।
২। সুদ- সরকার প্রদত্ত ঋণ থেকে প্রাপ্ত সুদ।
৩। ফি – বিশেষ সুবিধা প্রদানের বিনিময়ে আদায়কৃত অর্থ, যেমন কোট ফি, রেজিস্ট্রেশন ফি।
৪। জরিমানা – আইন-শৃঙ্খলা ভঙ্গকারী বা অপরাধী থেকে আদায়।
৫। সরকারি সম্পত্তি খাল, বিল, নদী, বন, সরকারি খাস জমি ইত্যাদি লীজ দিয়ে অর্জিত আয়।
৬। টোল ও লেভী – সেতু ও অন্যান্য সরকারি নির্মাণ থেকে আদায়।
৭। বাণিজ্যিক আয় সরকারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান যেমন রেল, ডাক ও সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে প্রাপ্ত আয়।
৮। বিশেষ কর – উন্নয়নমূলক কাজের কারণে জমির মূল্যবৃদ্ধি থেকে প্রাপ্ত আয়।
৯। বিবিধ আয় – ক্ষতিপূরণ, পুরস্কার, বৈদেশিক সাহায্য ইত্যাদি থেকে প্রাপ্ত আয়।
বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎসসমূহ:
- বাংলাদেশ সরকারের যে রাজস্ব সংগৃহীত হয় তা দু'ভাগে বিভক্ত, যথা-
• কর রাজস্ব এবং
• কর বহির্ভূত রাজস্ব।
• কর রাজস্ব বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস।
- বাংলাদেশ সরকারের কর রাজস্বের উৎসগুলো নিম্নরূপ:
- আয় ও মুনাফা কর, আমদানি শুল্ক, মূল্য সংযোজন কর, আবগারি শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক:, যানবাহন কর,ভূমি রাজস্ব, নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প বিক্রয়।
উৎস: অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও অর্থনীতি (দ্বিতীয় প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
সপ্তম ভাগ: নির্বাচন:
- অনুচ্ছেদ-১২২:ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা।
- ১২২(১) প্রাপ্তবয়স্কের ভোটাধিকার-ভিত্তিতে সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।
- (২) কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার-তালিকাভু্ক্ত হইবার অধিকারী হইবেন, যদি
- (ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হন;
- (খ) তাঁহার বয়স আঠার বৎসরের কম না হয়;
- (গ) কোন যোগ্য আদালত কর্তৃক তাঁহার সম্পর্কে অপ্রকৃতিস্থ বলিয়া ঘোষণা বহাল না থাকিয়া থাকে;
- ঘ) তিনি ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বা আইনের দ্বারা ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হন; এবং
- (ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত না হইয়া থাকেন।
অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ- ১২১: প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা।
- অনুচ্ছেদ- ১২৩: নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময়।
- অনুচ্ছেদ- ১২৪: নির্বাচন সম্পর্কে সংসদের বিধান প্রণয়নের ক্ষমতা।
উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
বিচার বিভাগ:
- রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গের মধ্যে বিচার বিভাগ অন্যতম।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৪ নং ধারা অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদেরকে নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পাদন করে থাকেন।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ষষ্ট বিভাগে বিচার বিভাগের কাঠামো, মর্যাদা এবং কার্যাবলি সম্পর্কিত বিধান লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।
- সংবিধান প্রণয়ন বিচার বিভাগের কাজ নয়।
•বিচার বিভাগের কার্যাবলি:
১. বিচার সংক্রান্ত কাজ।
২. আইন সংক্রান্ত কাজ।
৩. শাসন সংক্রান্ত কাজ করা।
৪. পরামর্শ সংক্রান্ত কাজ।
৫. জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা।
৬. তদন্ত সংক্রান্ত কাজ।
৭. ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা।
উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচ এসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
বঙ্গভঙ্গ:
- বঙ্গভঙ্গের সময় ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন লর্ড কার্জন।
- ভারতের বড়লাট লর্ড কার্জন ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে ১৬ অক্টোবর বাংলা ভাগ করেন।
- এই বিভক্তি ইতিহাসে বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত।
• রাজা পঞ্চম জর্জ ভারত সফরে এসে দিল্লির দরবারে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন।
- বঙ্গভঙ্গ রদে হিন্দু সম্প্রদায় খুশি হয়, অপর দিকে মুসলমান সম্প্রদায় মর্মাহত এবং হতাশ হয়।
- ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয়।
- বঙ্গভঙ্গ রদ ঘোষণার সময়কাল ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন লর্ড হার্ডিঞ্জ।
অপরদিকে,
- লর্ড কার্জন তৎকালীন বাংলা প্রদেশকে ভেঙে পূর্ববাংলা ও পশ্চিম বাংলা নামে দুটি প্রদেশ করেন।
- লর্ড কর্নওয়ালিস চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ও বাংলায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির প্রশাসনিক ও বিচার ব্যবস্থার রূপকার।
- লর্ড মিন্টো পাঞ্জাবের শাসক রণজিৎ সিংয়ের সঙ্গে ১৮০৯ সালে অমৃতসর চুক্তি সম্পাদন ছিল বড় এক বিজয়।
উৎস: বাংলাদেশ ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
- রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলা বাবনপুর গ্রামের মোঃ মকবুল হোসেন এর ঘরে জন্ম নেয় আবু সাঈদ
শহীদ আবু সাঈদ:
- জুলাই আন্দোলনে আবু সাইদ ১৬ জুলাই, ২০২৪ তারিখে শহীদ হয়েছিলেন।
- রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলা বাবনপুর গ্রামের মোঃ মকবুল হোসেন এর ঘরে জন্ম নেয় আবু সাঈদ।
- ২৫ বছর বয়সী আবু সাঈদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন।
- তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন।
এছাড়াও
- ২০২৪ সালে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনে ১৬ জুলাই দুপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে গুলিবিদ্ধ হন আবু সাঈদ।
- ১৬ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের কর্মসূচি চলাকালে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের সড়কে পুলিশ আবু সাঈদকে খুব কাছ থেকে গুলি করে।
- আবু সাঈদ এক হাতে লাঠি নিয়ে দুই হাত প্রসারিত করে বুক পেতে দেন।
উৎস: দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা এবং বাংলা সাহিত্য, নবম-দশম শ্রেণি।
- বাংলাদেশের সংবিধানে তৃতীয় অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, 'প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা'।
- সংবিধানের এই বিধান যথাযথভাবে কার্যকর করতে ১৯৮৭ সালের ৮ মার্চ 'বাংলা ভাষা প্রচলন আইন' কার্যকর করা হয়।
- এই আইনের ৩(১) ধারায় বলা হয়েছে, ‘এ আইন প্রবর্তনের পর বাংলাদেশের সর্বত্র তথা সরকারি অফিস-আদালত, আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বিদেশিদের সঙ্গে যোগাযোগ ছাড়া অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে নথি ও চিঠিপত্র, আইন আদালতের সোয়াল- জওয়াব এবং অন্যান্য আইনানুগত কার্যাবলী অবশ্যই বাংলায় লিখিতে হবে।
- ' ৩(২) ধারায় আরও বলা হয়েছে, উল্লেখিত কোনো কর্মস্থলে যদি কোনো ব্যক্তি বাংলা ভাষা ব্যতীত অন্য কোনো ভাষায় আবেদন বা আপিল করেন, তাহলে তা বেআইনি ও অকার্যকর বলে গণ্য হবে।'
- ধারা ৩ ( বলছে, ‘যদি কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী এই আইন অমান্য করেন তাহলে উক্ত কার্যের জন্য তিনি সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপিল বিধির অধীনে অসদাচরণ করেছেন বলে গণ্য হবে এবং তার বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপিল বিধি অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।'
উৎস:পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোজাম্মেল হক। এবং প্রথম আলো পত্রিকা।[লিঙ্ক]
- সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদে সাংবিধানিক পদ সমূহের শপথ বাক্যর ঘোষণার কথা উল্লেখ করা হয়েছে
বাংলাদেশ সংবিধান:
• অনুচ্ছেদ-১৪৮: পদের শপথ।
- ১৪৮(১) তৃতীয় তফসিলে উল্লিখিত যে কোন পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তি কার্যভারগ্রহণের পূর্বে উক্ত তফসিল-অনুযায়ী শপথগ্রহণ বা ঘোষণা (এই অনুচ্ছেদে "শপথ" বলিয়া অভিহিত) করিবেন এবং অনুরূপ শপথপত্রে বা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরদান করিবেন
- ২ক (১২৩) অনুচ্ছেদের (৩) দফার অধীন অনুষ্ঠিত সংসদ সদস্যদের সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপিত হইবার তারিখ হইতে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে এই সংবিধানের অধীন এতদুদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা তদুদ্দেশ্যে অনুরূপ ব্যক্তি কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোন ব্যক্তি যে কোন কারণে নির্বাচিত সদস্যদের শপথ পাঠ পরিচালনা করিতে ব্যর্থ হইলে বা না করিলে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার উহার পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে উক্ত শপথ পাঠ পরিচালনা করিবেন, যেন এই সংবিধানের অধীন তিনিই ইহার জন্য নির্দিষ্ট ব্যক্তি।
অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ-১৪১ক। জরুরী-অবস্থা ঘোষণা;
- অনুচ্ছেদ- ১৪২। সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা;
- অনুচ্ছেদ- ১৪৬। বাংলাদেশের নামে মামলা।
উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
২০২৫-২৬ অর্থবছরে রপ্তানি আয়:
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বিশ্ববাজারে পণ্য ও সেবা রপ্তানি করে ৬৩.৫ বিলিয়ন ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।
- এর মধ্যে পণ্য থেকে ৫৫ বিলিয়ন ডলার।
- আর সেবা থেকে ৮.৫ বিলিয়ন ডলার আয় হবে বলে সরকার আশা করছে।
অন্যদিকে,
- দেশে কৃষি উৎপাদন বাড়িয়ে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কৃষকদের মধ্যে ৩৯ হাজার কোটি টাকা ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
উৎস: বাংলাদেশ রাজস্ববোর্ড ও বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকা। লিঙ্ক]
আইন ও সালিশ কেন্দ্র:
- আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) বাংলাদেশের মানবাধিকার এবং আইন সহায়তাকারী বেসরকারি সংস্থা।
- এ সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮৬ সালে ।
- এই সংস্থাটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ৯ জন।
- প্রাথমিক পর্যায়ে আসক ঢাকা শহরের সুবিধাবঞ্চিত ও দরিদ্র নারী, কর্মজীবী শিশু এবং শ্রমিকদের বিনামূল্যে আইনি সহায়তা প্রদান করে।
• এর মূল লক্ষ্য:
- সমানাধিকার,
- গণতন্ত্র,
- মানবাধিকার,
- ন্যায়বিচার এবং
- লিঙ্গভিত্তিক সমতার ভিত্তিতে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা।
উৎস: আইন ও সালিশ কেন্দ্র ওয়েবসাইট।
- মওলানা ভাসানী সেতু চিলমারী এবং সুন্দরগঞ্জ উপজেলাকে সংযুক্ত করেছে।
• মওলানা ভাসানী সেতু:
- সংযোগ জেলা : গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রাম
- তিস্তা নদীর ওপর নির্মিত হয় 'মওলানা ভাসানী সেতু'।
- ২০ আগস্ট ২০২৫ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
- সেতুটির দৈর্ঘ্য ১৪৯০ মিটার
- এবং প্রস্থ ৯.৬০ মিটার, লেন সংখ্যা ২, মোট স্প্যান সংখ্যা ৩১টি।
- এটি গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার হরিপুর ঘাট থেকে কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী পর্যন্ত বিস্তৃত।
উৎস: বিবিসি বাংলা নিউজ।
সাইমন ড্রিং:
- ১৯৪৫ সালে ইংল্যান্ডে জন্ম সাইমন ড্রিংয়ের।
- মাত্র ১৮ বছর বয়স থেকে তিনি সংবাদপত্র ও টেলিভিশনে সাংবাদিক হিসেবে কাজ শুরু করেন।
সাংবাদিক হিসেবে প্রত্যক্ষ করেছেন ২২টি যুদ্ধ, অভ্যুত্থান ও বিপ্লব।
- আমাদের মুক্তিযুদ্ধে তাঁর ভূমিকা ছিল প্রকৃত বন্ধু এবং সহযোদ্ধার।
• দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ-এর প্রতিবেদক হিসেবে কাজ করার সময় ১৯৭১ সালের ৬ মার্চ কম্বোডিয়া থেকে ঢাকায় আসেন সাইমন ড্রিং।
১৯৭১ সালের ২৫মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী গণহত্যা শুরু করার আগে ঢাকায় অবস্থানরত প্রায় অর্ধশত বিদেশি সাংবাদিককে আটকে ফেলে তখনকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে।
- তাদের হোটেল থেকে সরাসরি বিমানে তুলে ঢাকা ছাড়তে বাধ্য করা হয় যাতে গণহত্যার কোনো খবর সংগ্রহ করতে না পারে বিশ্ব গণমাধ্যম। তাদের মধ্যে ছিলেন ব্রিটিশ সাংবাদিক সায়মন ড্রিং।
কলকাতা থেকে মুক্তিযুদ্ধের খবর সংগ্রহ করে পাঠিয়ে দিতেন লণ্ডনের টেলিগ্রাফ পত্রিকায়।
- ওই প্রতিবেদন প্রকাশের পর লন্ডনে ফিরে গেলেও ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত জেনে আবার তিনি ঢাকায় আসেন।
- একাত্তরে বাংলাদেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানো এই ব্রিটিশ সাংবাদিককে ২০১২ সালে মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননায় ভূষিত করে বাংলাদেশ সরকার।
উৎস: দৈনিক সমকাল, প্রথম আলো, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি, দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকা ও সংগ্রামের নোটবুক।
বাংলাদেশ জেলের নাম পরিবর্তন:
- বাংলাদেশ জেলকে নতুনভাবে পরিচিত করতে নাম পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
- কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন।
- এ প্রতিষ্ঠানের নাম হবে "কারেকশন সার্ভিসেস বাংলাদেশ"।
- ২৬ আগস্ট ২০২৬ তারিখে রাখা হয়।
- কারাগারকে সংশোধনমূলক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের লক্ষ্যে 'বাংলাদেশ জেল'-এর নাম পরিবর্তন করে 'কারেকশন সার্ভিসেস বাংলাদেশ' করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
উৎস: বাংলাদেশ জেল কারগার এবং বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। [লিঙ্ক]
রাখাইন জনগোষ্ঠী:
- রাখাইন বাংলাদেশ ও মায়ানমারের একটি জনগোষ্ঠীর নাম।
- এরা মগ নামেও পরিচিত।
- আঠারো শতকের শেষে এরা আরাকান থেকে বাংলাদেশে এসে উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার ও পটুয়াখালীতে বসতি স্থাপন করে।
- বর্তমানে রাখাইন সম্প্রদায়ের বসবাস মূলত কক্সবাজার, পটুয়াখালি ও বরগুনা জেলায়।
এছাড়াও
- রাঙামাটি, বান্দরবান এবং খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায়ও ছড়িয়ে-ছিটিয়ে কিছু রখাইন বসতি দেখা যায়।
- চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলায়ও রাখাইন সম্প্রদায়ের বসতি রয়েছে।
- রাখাইন শব্দটির উৎস পলি ভাষা।
- ঐতিহাসিক তথ্যানুসারে, ১৭৮৪ সালে উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার ও পটুয়াখালীতে রাখাইনদের আগমন ঘটে।
উৎস: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সনদ।
পঞ্চদশ সংশোধনী আইন:
- সময়: জুলাই, ২০১১ সালে।
• বিষয়বস্তু:
- তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্ত করা হয়।
- ১৯৭২ মূল সংবিধানের রাষ্ট্রীয় চার মূলনীতি যথা: জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমাজতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন করা হয়।
- রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম রাখার পাশাপাশি সকল ধর্মচর্চার স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়।
- জাতীয় সংসদে নারীদের জন্য ৫০টি আসন সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়।
উল্লেখ্য,
- পঞ্চদশ সংশোধনীর সংশোধনীর কিছু আইন সুপ্রিম কোট অবৈধ ঘোষণা করেছে।
উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।
- ’করতলব খান’ কে মুর্শিদকুলী খান উপাধি প্রদান করেন সম্রাট আওরঙ্গজেব।
• সম্রাট আওরঙ্গজেব:
- সম্রাট আওরঙ্গজেব ১৭০০ সালে মুহাম্মদ হাদিকে সম্মানসূচক 'করতলব খান' উপাধি দেন।
- নতুন দায়িত্ব পেয়ে নিজস্ব সৈন্যের বহর নিয়ে ঢাকায় আসেন তিনি।
- রাজকীয় স্বার্থ রক্ষা করতে বাংলার নাজিম ও সম্রাটের দৌহিত্র আজিম-উস-শান এর সঙ্গে তাঁর বিবাদ বেধেছিল।
- ১৭০২ সালে সম্রাট তাঁকে গঙ্গার তীরবর্তী (ভাগীরথী শাখা) মকসুদাবাদে দফতর স্থানান্তরের অনুমতি দেয়া হয়।
উপাধি লাভ:
- কলতলব খানের সঙ্গে বিরোধের কারণে সম্রাট আওরঙ্গজেব আজিম উস শানকে পাটনায় প্রেরণ করেন।
- তিনি তাকে নায়েবের মাধ্যমে প্রদেশ শাসনের আদেশ দিয়েছিলেন।
- করতলব খানের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় রাজ্যের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পায় তখন।
- এরপর ১৭০৩ সালে তিনি সম্রাটের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে দাক্ষিণাত্য গিয়েছিলেন।
- নবাবের সঙ্গে দেখা হওয়ার পর তিনি 'মুর্শিদকুলী খান' উপাধি লাভ করেন।
- তাঁর কর্মদক্ষতায় মুগ্ধ হয়ে সম্রাট তাঁকে উড়িষ্যার সুবাদার হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিলেন।
- অন্যদিকে বাংলা বিহার ও উড়িষ্যার দিওয়ানিও লাভ করেছিলেন তিনি। এদিকে প্রায় ৫টি জেলার ফৌজদার পদের দায়িত্বও অর্পিত হয় তার উপর।
- এরপর সম্রাট তাকে "মুর্শিদ কুলি খান" উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন।
- পরে তাঁর নামানুসারে মুকসুদাবাদের নাম পরিবর্তন করে 'মুর্শিদাবাদ' রাখার অনুমতি মেলে।
- ১৭০৪ সালের দিকে সেখানে প্রতিষ্ঠা করা হয় একটি রাজকীয় টাকশাল।
- প্রায় ১৩ বছর পর ১৭১৭ সালের আগস্ট মাসে তাঁকে বাংলার পূর্ণ সুবাদারের মর্যাদা দেয়া হয়।
উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র, কক্সবাজার।
• বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই):
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) বাংলাদেশের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দেশের মৎস্য খাতে বৈজ্ঞানিক গবেষণা এবং প্রযুক্তিগত অগ্রগতির জন্য ক্রমবর্ধমান প্রয়োজনীয়তা মোকাবেলা করার লক্ষ্যে এটি তৈরি করা হয়েছে।
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট এর প্যাঁচটি কেন্দ্র রয়েছে।
• কেন্দ্রসমুহ:
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট স্বাদুপানি কেন্দ্র, ময়মনসিংহ।
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট নদী কেন্দ্র, চাঁদপুর।
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র, বাগেরহাট
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট লোনাপানি কেন্দ্র, পাইকগাছা, খুলনা
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র, কক্সবাজার।
উৎস: বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট।
ওয়ানডে ক্রিকেট:
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে।
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে বিপক্ষে ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ।
- বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস পায় ১৯৯৭ সালে।
- বাংলাদেশ আইসিসি ট্রফি জয় করে ১৯৯৭ সালে।
- একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে বাংলাদেশ তাদের প্রথম জয়টা পায় ২২ ম্যাচ পর।
- কেনিয়ার বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে প্রথম জয় পায়।
এছাড়াও,
- ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ জয় পায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
- প্রথম সেঞ্চুরি করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি: মুশফিকুর রহিম।
- প্রথম ৫ উইকেট শিকার করেন নাইমুর রহমান।
- একমাত্র ১০ উইকেট' শিকার করেন এনামুল হক জুনিয়র।
উৎস: বিসিবি ওয়েবসাইট।
- বাংলােদেশ অর্থনৈতিক সেক্টরগুলোর মধ্যে বেশি কর্মসংস্থান হয় কৃষি খাতে ।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- খাত ভিত্তিক শ্রমশক্তি নিয়োজিত:
- কৃষি: ৪৪.৬৭%.
- শিল্প: ১৭.৩৭%.
- সেবা: ৩৭.৯৬%.
- কৃষি খাতে শ্রমশক্তি সবচেয়ে বেশি নিয়োজিত।
অপরদিকে,
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১০.৯৪%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৪৪%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান = ৫১.৬২%।
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।
সংবিধান সংস্কার কমিশন:
- উচ্চকক্ষ মোট ১০৫ (একশো পাঁচ) জন সদস্য সমন্বয়ে গঠিত হবে;
- এর মধ্যে ১০০ জন সদস্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রদত্ত মোট ভোটের সংখ্যানুপাতে নির্ধারিত হবেন।
- রাজনৈতিক দলগুলো সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (Proportional Representation-PR) পদ্ধতির ভিত্তিতে উচ্চকক্ষের মনোনয়ের জন্য সর্বোচ্চ ১০০ (একশো) জন প্রার্থী মনোনয়ন দিতে পারবে।
- এই ১০০ (একশো) জন প্রার্থীর মধ্যে কমপক্ষে ৫ জন আইন দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে অনগ্রসর সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব করবে।
- অবশিষ্ট ৫টি আসন পূরণের জন্য রাষ্ট্রপতি নাগরিকদের মধ্য থেকে (যারা কোনো কক্ষেরই সদস্য ও রাজনৈতিক দলের সদস্য নন) প্রার্থী মনোনীত করবেন।
- কোনো রাজনৈতিক দলকে সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতির ভিত্তিতে উচ্চকক্ষে প্রতিনিধিত্বের যোগ্য হতে হলে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের অন্তত ১% নিশ্চিত করতে হবে।
এছাড়াও,
- উচ্চকক্ষের স্পিকার সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে উচ্চকক্ষের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচিত হবেন।
- উচ্চকক্ষের একজন ডেপুটি স্পিকার থাকবেন যিনি সরকার দলীয় সদস্য ব্যতিত উচ্চকক্ষের অন্য সকল সদস্যের মধ্য থেকে নির্বাচিত হবেন।
উৎস: সংবিধান সংস্কার কমিশন।
জাতীয় চা দিবস পরিবর্তন:
- জাতীয় চা দিবস এত দিন ৪ জুন পালিত হতো।
- এখন থেকে আন্তর্জাতিক চা দিবসের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে জাতীয় দিবসটি ২১ মে পালন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
- বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জাতীয় চা পুরস্কার নীতিমালা, ২০২২ সংশোধনের মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত নেয়।
উল্লেখ্য,
- ৪ জুনকে দিবস হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছিল, কারণ ওই দিনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশ চা বোর্ডের প্রথম বাঙালি চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন।
উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা নিউজ। [লিঙ্ক]
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১০.৯৪%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৪৪%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান = ৫১.৬২%।
অন্যদিকে,
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৪৪.৬৭%।
-অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ ১৭.৩৭%। -
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৭.৯৬%।
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।
ভাষা আন্দোলন:
• ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর:
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন তমদ্দুন মজলিস প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি আন্দোলনের ভিত্তি স্থাপন করে।
• ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর:
- তমদ্দুন মজলিসের উদ্যোগে গঠিত প্রথম রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ-এর আহ্বায়ক হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নুরুল হক ভূঞা।
- এটি আন্দোলনের প্রথম সংগঠিত পদক্ষেপ।
• ১৯৪৮ সালের ফেব্রুয়ারি:
- রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের পুনর্গঠন (দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ) হলে এর আহ্বায়ক মনোনীত হন শামসুল আলম।
- এই পুনর্গঠন আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী করে।
• ১৯৫২ সালের ৩১ জানুয়ারি:
- (স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র অনুসারে) মাওলানা ভাসানীর সভাপতিত্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়, যা আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ের সূচনা করে।
• ১৯৫২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি:
- বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক দলের সর্বদলীয় সভায় কাজী গোলাম মাহবুবকে আহ্বায়ক করে সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। আওয়ামী মুসলিম লীগের কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়, যাতে আবদুল মতিন, অলি আহাদ, গোলাম মাহবুব প্রমুখের জোরালো ভূমিকা ছিল।
• ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি:
- আমতলার ছাত্রসভায় সভাপতিত্ব করেন গাজীউল হক। এই সভায় সরকারের ঘোষিত ১৪৪ ধারা ভঙ্গের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, যা ভাষা শহীদদের রক্তাক্ত সংগ্রামের সূচনা করে।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা , নবম-দশম শ্রেণী, বাংলাপিডিয়া।
সংবিধানের মূলনীতি:
- কমিশন সুপারিশ করছে যে, সংবিধানের মূলনীতি হিসেবে সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, বহুত্ববাদ এবং গণতন্ত্রকে অন্তর্ভুক্ত করা হোক।
• রাষ্ট্রের মূলনীতি
- কমিশন সংবিধানের মূলনীতি ও রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে ধর্মনিরপেক্ষতা, সমাজতন্ত্র এবং জাতীযতাবাদ এবং এ সংশ্লিষ্ট সংবিধানের ৮, ৯, ১০ ও ১২ অনুচ্ছেদগুলি বাদ দেয়ার সুপারিশ করছে।
- জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী ১১টি সংস্কার কমিশন গঠিত হয়েছে।
• সংস্কার কমিশন:
১. নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন,
২. বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন,
৩. দুর্নীতি দমন কমিশন সংস্কার ,
৪. পুলিশ সংস্কার কমিশন,
৫. জনপ্রশাসন সংস্কার,
৬. সংবিধান সংস্কার কমিশন,
৭. নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশন,
১০. স্বাস্থ্যখাত সংস্কার কমিশন,
১১. স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশন।
উৎস: প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় ওয়েবসাইট।
এ কে খন্দকার:
- এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আবদুল করিম খন্দকার যিনি এ. কে. খন্দকার নামে পরিচিত
- তার জন্ম: জানুয়ারি ১, ১৯৩০ সাল।
- তিনি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রথম প্রধান ছিলেন।
- মুক্তিবাহিনীর ডেপুটি চিফ অব স্টাফ হিসেবে তিনি কঠোর মুক্তিসংগ্রামের মাধ্যমে বিজয়ের দিকে পরিচালিত প্রচেষ্টাগুলোর সমন্বয়সাধনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।
- স্বাধীনতার পর তিনি প্রথম বিমান বাহিনী প্রধান নিযুক্ত হন এবং তাঁর যোগ্যতম পরিচালনায় যুদ্ধ বিধ্বস্ত বিমান বাহিনী পুনর্গঠনে সক্ষম হন।
- বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে দেশাত্মবোধ ও সাহসিকতাপূর্ণ অবদানের জন্য এয়ার ভাইস মার্শাল এ কে খন্দকারকে 'বীর উত্তম' খেতাবে ভূষিত করা হয়।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
Green Cross International:
- পরিবেশবাদী সংগঠন Green Cross International-এর প্রতিষ্ঠাতা হলেন সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট এবং নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী মিখাইল গর্বাচেভ।
- প্রেক্ষাপট: ১৯৯২ সালের আর্থ সামিট থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে গঠিত।
উল্লেখ্য,
- Green Cross International একটি পরিবেশবাদী সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৯৩ সালে।
- আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে: ১৮ এপ্রিল, ১৯৯৩।
- প্রতিষ্ঠাতা: প্রাক্তন সোভিয়েত নেতা মিখাইল গর্বাচেভ।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমানে ৩০টি দেশে সদস্য সংস্থা রয়েছে।
⇒ এটি ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে ১৯৯২ সালের আর্থ সামিটের মাধ্যমে শুরু করা কাজের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছিল।
- ৬ জুন, ১৯৯২ তারিখে, রিও সামিটে প্রতিনিধিরা গর্বাচেভকে GCI প্রতিষ্ঠা করার আহ্বান জানান।
- একই সময়ে সুইস ন্যাশনাল কাউন্সিলের এমপি রোল্যান্ড উইডারকেহর 'ওয়ার্ল্ড গ্রিন ক্রস' প্রতিষ্ঠা করেন।
- পরবর্তীতে দুইটি সংস্থা একীভূত হয়ে ১৯৯৩ সালে গ্রিন ক্রস ইন্টারন্যাশনাল নামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি আনুষ্ঠানিকভাবে ১৮ এপ্রিল, ১৯৯৩ সালে জাপানের কিয়োটোতে চালু হয়।
অন্যদিকে,
- পরিবেশ উন্নয়ন বিষয়ক বেসরকারি সংস্থা Green Belt Movement প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭৭ সালে।এর প্রতিষ্ঠাতা ওয়াঙ্গেরি মাথাই যিনি ২০০৪ সালে শান্তিতে নোবেল পান।
উৎস: Green Cross International ওয়েবসাইট।
ECOWAS:
- ECOWAS (Economic Community of West African States) হলো পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলোর একটি আঞ্চলিক অর্থনৈতিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৮ মে, ১৯৭৫ (লাগোস চুক্তির মাধ্যমে)।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: লাগোস, নাইজেরিয়া।
- সদরদপ্তর: আবুজা, নাইজেরিয়া।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৫টি (বেনিন প্রজাতন্ত্র, বুরকিনা ফাসো, কেপ ভার্দে, আইভরি কোস্ট, গাম্বিয়া, ঘানা, গিনি, গিনি-বিসাউ, লাইবেরিয়া, মালি, নাইজার, নাইজেরিয়া, সেনেগাল, সিয়েরা লিওন এবং টোগো)।
- এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা: ১২টি।
⇒ লক্ষ্য: অর্থনৈতিক সংহতি, পণ্য ও মানুষের চলাচল সহজ করা, আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সদস্য দেশগুলোর জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করা।
- প্রধান কার্যক্রম: বাণিজ্য, পরিবহন, যোগাযোগ, কৃষি, শক্তি, এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত।
⇒ প্রধান প্রতিষ্ঠান:
- ECOWAS কমিশন,
- কমিউনিটি পার্লামেন্ট,
- কমিউনিটি কোর্ট অফ জাস্টিস,
- ECOWAS ব্যাংক ফর ইনভেস্টমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (EBID)।
উল্লেখ্য,
- ২০২৫ সালের ২৯ জানুয়ারি বুরকিনা ফাসো, মালি এবং নাইজার আনুষ্ঠানিকভাবে ECOWAS থেকে বেরিয়ে আসে।
উৎস: i) African Union ওয়েবসাইট।
ii) Britannica.
২০২৫ সালের কান চলচ্চিত্র উৎসবে স্বর্ণপাম (Palme d’Or) জিতেছে ইরানি পরিচালক জাফর পানাহির রাজনৈতিক থ্রিলারধর্মী সিনেমা 'It Was Just an Accident'।
৭৮তম কান চলচ্চিত্র উৎসবে বিজয়ীদের তালিকা:
- পাম ডি’অর: It Was Just an Accident (জাফর পানাহি, ইরান)
- গ্র্যাঁ প্রিঁ: Sentimental Value (ইওয়াকিম ত্রিয়ার, নরওয়ে/ডেনমার্ক),
- জুরি প্রাইজ: Sirât (অলিভার লুক্সে, স্পেন), Sound of Falling (মাশা শিলিনস্কি, জার্মানি),
- স্পেশাল জুরি প্রাইজ: রেজারেকশন (বাই গান, চীন),
- সেরা অভিনেতা: ওয়াগনার মোরা (দ্য সিক্রেট এজেন্ট, ব্রাজিল),
- সেরা অভিনেত্রী: নাদিয়া মেলিতি (দ্য লিটল সিস্টার, ফ্রান্স),
- সেরা পরিচালক: ক্লেবার মেনদোঙ্কা ফিলো (দ্য সিক্রেট এজেন্ট, ব্রাজিল),
- সেরা চিত্রনাট্যকার: জ্যঁ-পিয়ের ও লুক দারদেন (ইয়াং মাদার'স, বেলজিয়াম),
এছাড়াও,
• স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র:
- স্বর্ণপাম: আই অ্যাম গ্ল্যাড ইউ আর ডেড নাউ (তৌফিক বারহোম, ইসরাইল),
- স্পেশাল মেনশন: আলী (আদনান আল রাজীব, বাংলাদেশ)।
উল্লেখ্য,
- দক্ষিণ ফ্রান্সের সমুদ্র তীরবর্তী কান শহরে অনুষ্ঠিত হয় বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ চলচ্চিত্র উৎসব ‘ফেস্টিভ্যাল দে কানস’।
- এটি বিশ্বের চলচ্চিত্র পরিচালক, অভিনয়শিল্পী ও প্রযোজকদের অন্যতম একটি মিলনমেলা।
- ১৯৪৬ সালে প্রথম কান চলচ্চিত্র উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
- আসরের সেরা পুরস্কার ‘পাম দি’অর’ বা ‘স্বর্ণপাম’ প্রথম প্রদান করা হয় ১৯৫৫ সালে।
- প্রতিবছরের মে মাসে ১২ দিনের জন্য এ আসর অনুষ্ঠিত হয়।
- ২০২৫ সালে ৭৮তম কান চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান করা হয়।
উৎস: Festival de Cannes ওয়েবসাইট।
আলাস্কা অঙ্গরাজ্য:
- আলাস্কা যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি অঙ্গরাজ্য।
- ৩ জানুয়ারি, ১৯৫৯ সালে আলাস্কা যুক্তরাষ্ট্রের ৪৯তম রাজ্য হিসেবে যোগ হয়।
- এটি রাশিয়ার সবচেয়ে কাছের আমেরিকান অঙ্গরাজ্য।
⇒ যুক্তরাষ্ট্র ১৮৬৭ সালে রাশিয়ার কাছ থেকে আলাস্কা ভূখণ্ড ক্রয় করে যা 'আলাস্কা ক্রয়' (Purchase of Alaska) নামে পরিচিত।
- এটি মার্চ ৩০, ১৮৬৭ তারিখে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- মাত্র ৭.২ মিলিয়ন ডলারে আমেরিকার কাছে আলাস্কা বিক্রি করে দেয় রাশিয়া।
- আমেরিকার তৎকালীন সেক্রেটারি অব স্টেট উইলিয়াম সিওয়ার্ড আলাস্কা ক্রয়ের পুরো ব্যাপারটি দেখভাল করেছিলেন। তবে অনেকে এ ভূখণ্ড কেনাকে ‘সিওয়ার্ডের বোকামি’ বা ‘সিওয়ার্ডের বরফবক্স’ বলে উপহাস করেছিলেন।
উল্লেখ্য,
- ১৭২৫ সালে রুশ সম্রাট পিটার দ্য গ্রেট ডেনিশ নাবিক ভিটাস বেরিংকে অনুসন্ধানের জন্য আলাস্কার উপকূল পাঠান।
- ১৭৯৯ সালে সম্রাট পল প্রথম ‘রাশিয়ান-আমেরিকান কোম্পানিকে’ আলাস্কার শাসনের একচেটিয়া অধিকার দেন।
- ১৮৬০-এর দশকের শুরুতে জার আলেকসান্দার দ্বিতীয় সিদ্ধান্ত নেন, আলাস্কা বিক্রি করলে টাকা পাওয়া যাবে এবং ব্রিটেনের হাত থেকে রক্ষা পাবে। যুক্তরাষ্ট্র তখন মহাদেশজুড়ে প্রসারিত হচ্ছিল। যুক্তরাষ্ট্রও তখন আলাস্কা কিনতে রাজি ছিল।
- ১৮৬৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে গৃহযুদ্ধ শেষে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইলিয়াম সিওয়ার্ড রাশিয়ার প্রস্তাব গ্রহণ করেন। ১৮৬৭ সালের ৩০ মার্চ যুক্তরাষ্ট্র ৭২ লাখ ডলারে আলাস্কা কিনে নেয়। যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ১৫ লাখ বর্গকিলোমিটার জমি পায়। আলাস্কা ভূখণ্ড কেনার ফলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশান্ত মহাসাগরের উত্তর প্রান্তে প্রবেশাধিকার সহজ ও নিশ্চিত হয়।
উৎস: i) BBC.
ii) Britannica.
টনি ব্লেয়ার:
- যুক্তরাজ্যের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন টনি ব্লেয়ার।
- লেবার পার্টির সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন টনি ব্লেয়ার।
- তিনি ১৯৯৭ সাল থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- তিনিই ২০০৩ সালে যুক্তরাজ্যকে ইরাক যুদ্ধে জড়িত করেছিলেন।
- পরে আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোর (যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, রাশিয়া ও জাতিসঙ্ঘ) পক্ষে মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক দূত হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি উত্তর আয়ারল্যান্ডের শান্তি প্রক্রিয়া, সরকারি খাতের সংস্কার এবং ৯/১১ এবং ৭/৭ সন্ত্রাসী হামলার প্রতিক্রিয়া তদারকি করেছিলেন।
⇒ ২০০৬ সালের ইসরায়েল-লেবানন যুদ্ধ চলাকালীন টনি ব্লেয়ার ইসরায়েলের সামরিক পদক্ষেপকে সমর্থন করেছিলেন যা লেবার পার্টির অনেক সদস্য, বিশেষ করে যুদ্ধবিরোধী মনোভাব পোষণকারীদের কাছে গ্রহণযোগ্য ছিল না।
- এছাড়াও, প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ. বুশের প্রতি তার সমর্থন অব্যাহত রাখায় অনেক লেবার এমপি এবং দলের মধ্যে ব্লেয়ারের প্রতি ক্ষোভ এবং অন্যান্য কারণের ফলে টনি ব্লেয়ার ২০০৭ সালের ২৭শে জুন প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেন।
উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনায় গাজায় যুদ্ধপরবর্তী 'শান্তি বোর্ডে’ সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারকে নেতৃস্থানীয় ভূমিকায় রাখার প্রস্তাব করা হয়েছিল।
- কিন্তু ইরাক যুদ্ধের ইতিহাসের কারণে সেই অবস্থান থেকে এবার বাদ পড়লেন ব্লেয়ার। ২০০৩ সালে ইরাক যুদ্ধে যুক্তরাজ্যকে জড়িয়েছিলেন টনি ব্লেয়ার। ওই যুদ্ধে ব্লেয়ারের ভূমিকার কারণে আরব ও মুসলিম দেশগুলো গাজা ‘শান্তি বোর্ড’- এ তাকে নেতৃস্থানীয় ভূমিকায় রাখার বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে।
উৎস: i) GOV.UK
ii) BBC.
আর্টিকেল ১৯ (ARTICLE 19):
- আর্টিকেল ১৯ হলো যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা।
- সদরদপ্তর: লন্ডন, যুক্তরাজ্য।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৮৭ সালে।
- এটি বিশ্বব্যাপী মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং তথ্যের স্বাধীনতা রক্ষা ও প্রচারের জন্য কাজ করে।
⇒ জাতিসংঘ কর্তৃক ঘোষিত "মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্রের ১৯ নম্বর ধারা" (Article 19 of the Universal Declaration of Human Rights) থেকে এর নামকরণ করা হয়েছে।
- কার্যক্রম: বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে এর আঞ্চলিক কার্যালয় ও টিম রয়েছে যেমন ঢাকা, নিউ ইয়র্ক, নাইরোবি, তিউনিস, এবং দক্ষিণ এশিয়া, পূর্ব আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকায় তাদের কার্যক্রম বিস্তৃত।
উৎস: i) ARTICLE 19 ওয়েবসাইট।
ii) UNESCO ওয়েবসাইট।
সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG):
- সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আদলে ২০১৫ সালের ২৫-২৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭০তম অধিবেশনে Sustainable Development Goals (এসডিজি) গৃহীত হয়।
- সারা বিশ্বের মানুষের শান্তি, সমৃদ্ধি ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিতকরণে ‘২০৩০ এজেন্ডা’ এমন একটি কর্ম-পরিকল্পনা যা বিশ্ব শান্তি জোরদার করবে এবং ক্ষুধা ও দারিদ্র্যসহ সকল প্রকার বৈষম্যের অবসান ঘটাবে। অতি দারিদ্র্যসহ সব ধরনের দারিদ্র্যের অবসান ঘটানোই এখন বিশ্বের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ, আর এটাই হলো টেকসই উন্নয়নের পূর্বশর্ত।
- এসডিজি-এর মূলনীতি: Leaving no one behind.
- এসডিজিতে ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা এবং ১৬৯টি টার্গেট নির্ধারণ করা হয়।
- মেয়াদকাল: ২০১৬-২০৩০ সাল।
⇒ এসডিজির ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা হলো:
১. দারিদ্র্য বিলোপ;
২. ক্ষুধা মুক্তি;
৩. সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ;
৪. মানসম্মত শিক্ষা;
৫. লিঙ্গ সমতা;
৬. নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন;
৭. সাশ্রয়ী ও দূষণমুক্ত জ্বালানি;
৮. শোভন কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি;
৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো;
১০.অসমতার হ্রাস;
১১. টেকসই নগর ও জনপদ;
১২. পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন;
১৩. জলবায়ু কার্যক্রম;
১৪. জলজ জীবন;
১৫. স্থলজ জীবন;
১৬. শান্তি, ন্যায়বিচার ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান;
১৭. অভীষ্ট অর্জনে অংশীদারিত্ব৷
উৎস: UNDP ওয়েবসাইট।
The Moro National Liberation Front (MNLF):
- The Moro National Liberation Front (MNLF) ফিলিপাইনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী।
- এটি ফিলিপাইনের সুলু, পালাওয়ান এবং মিন্দানাও অংশ নিয়ে স্বাধীন মুসলিম দেশ প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রামরত একটি গ্রুপ।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭২ সালে।
- এই দলটি মুসলিম স্বাধীনতা আন্দোলনের একটি অংশ হিসেবে কাজ করে এবং ফিলিপাইন সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রামে লিপ্ত ছিল, যা পরবর্তীতে শান্তি চুক্তির মাধ্যমে কিছুটা স্থিতিশীল হয়।
অন্যদিকে -
- লেবাননের গেরিলা সংগঠন হিজবুল্লাহ।
উৎস: Britannica.
ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬:
- আয়োজক দেশ: ৩টি (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকো)।
- এটি বিশ্বকাপ ফুটবলের ২৩তম আসর।
- সময়কাল: ১১ জুন, ২০২৬ - ১৯ জুলাই, ২০২৬।
- অংশগ্রহণকারী দেশ: ৪৮টি।
- গ্রুপ: ১২টি।
- অনুষ্ঠিত হবে ১০৪টি ম্যাচ।
- তিন দেশের ১৬টি ভেন্যুতে এই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
- ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬-এর অফিশিয়াল বলের নাম ট্রায়োন্ডা।
⇒ ২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের তিন মাসকট:
- ২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের তিনটি মাসকট উন্মোচন করেছে ফিফা।
- তিনটি মাসকট যৌথভাবে আয়োজক তিন দেশের প্রতিনিধিত্ব করবে।
- তিনটি মাসকট হলো ‘ক্লাচ’ নামের টাক ঈগল, ‘মেপল’ নামের মুজ আর মেক্সিকোর জঙ্গল থেকে আসা ‘জায়ু’ নামের জাগুয়ার।
- ‘মেপল, জায়ু ও ক্লাচ—আনন্দ, উদ্যম আর একতার প্রতীক।
- এই তিন মাসকট আবার ফুটবলারও। মেপল গোলকিপার, জায়ু স্ট্রাইকার এবং মাঝমাঠে সবকিছু গুছিয়ে রাখে ক্লাচ, অর্থাৎ মিডফিল্ডার। ফিফার মতে, এই মাসকটগুলো একসঙ্গে ‘একতা, বৈচিত্র্য আর ফুটবল নিয়ে ছড়িয়ে পড়া আবেগের প্রতীক।’
উৎস: i) FIFA ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
International Stabilization Force (ISF):
- গাজায় মোতায়েনের জন্য জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ কর্তৃক অনুমোদিত আন্তর্জাতিক বাহিনী হলো ‘ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স (আইএসএফ)'।
⇒ International Stabilization Force (ISF) একটি বহুজাতিক বাহিনী।
- গাজায় পুলিশকে প্রশিক্ষণ দেওয়া, সীমান্তের সুরক্ষা দেওয়া, উপত্যকাটিকে অস্ত্রমুক্ত করে নিরাপত্তা বজায় রাখা, বেসামরিক লোকজনকে সুরক্ষা দেওয়া, মানবিক কার্যক্রম চালানোসহ নানা দায়িত্ব পালন করবে তারা।
- এ ছাড়া সমন্বিত পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রয়োজন অনুযায়ী পদক্ষেপ নিতে পারবে এই বাহিনী।
- গাজার নিরাপত্তাসংক্রান্ত অনেক দায়িত্বও নিজেদের হাতে তুলে নেবে আইএসএফ।
উল্লেখ্য,
- ফিলিস্তিনের গাজায় সংঘাত বন্ধে ২০ দফা শান্তি প্রস্তাব করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
- ১৭ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে সেই প্রস্তাব জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে অনুমোদন পেয়েছে। প্রস্তাবে গাজাকে নিরাপদ করার জন্য ‘ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স’ (আইএসএফ) নামে একটি আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েনের কথা বলা হয়েছে।
- ট্রাম্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী, গাজার নিরাপত্তায় সহায়তার পাশাপাশি যুদ্ধবিরতি চুক্তি ঠিকঠাক বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না, তার ওপর নজর রাখবে আন্তর্জাতিক এই বাহিনী।
- তবে তাত্ত্বিকভাবে বলতে গেলে, এই বাহিনী কাজ করবে ইসরায়েল ও মিসরের সঙ্গে। তাদের লক্ষ্য গাজাকে অস্ত্রমুক্ত করা। একই সঙ্গে একটি ফিলিস্তিনি পুলিশ বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া।
উৎস: i) UN News.
ii) প্রথম আলো।
বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস:
- প্রতি বছর ৩ মে তারিখে বিশ্বজুড়ে 'বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস' (World Press Freedom Day) পালিত হয়।
⇒ ১৯৯১ সালে ইউনেস্কোর ২৬তম সাধারণ অধিবেশনের সুপারিশ মোতাবেক ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘের সাধারণ সভায় ৩ মে তারিখটিকে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসের স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- এরপর থেকেই বিশ্বব্যাপী গণমাধ্যম কর্মীরা এ দিবসটি পালন করে আসছে।
- এই দিবসটিতে সাংবাদিকতার স্বাধীনতা ও মুক্ত গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠার মৌলিক নীতিমালা অনুসরণ, বিশ্বব্যাপী গণমাধ্যমের স্বাধীনতার মূল্যায়ন, স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ প্রতিহত করার শপথ নেওয়ার পাশাপাশি ত্যাগী সাংবাদিকদের স্মরণ ও তাদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানানো হয়।
উৎস: UN ওয়েবসাইট।
বায়রাকতার কিজিলেলমা:
- আকাশ থেকে আকাশে যুদ্ধের সক্ষমতা অর্জনকারী বিশ্বে প্রথম ও একমাত্র মনুষ্যবিহীন আকাশযান বায়রাকতার কিজিলেলমা।
- এর নির্মাতা দেশ তুরস্ক।
- নির্মাতা: বেয়কার (Baykar)।
- এটি আকাশ থেকে আকাশে এবং আকাশ থেকে মাটিতে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করতে পারে।
- এটি দৃষ্টিসীমার বাইরে থেকে (বিভিআর) একটি জেটচালিত লক্ষ্যবিমানকে আকাশ থেকে আকাশে হামলার জন্য ব্যবহৃত ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সফলভাবে আঘাত করেছে।
⇒ জেট ইঞ্জিনচালিত একটি চলন্ত লক্ষ্যবস্তুকে দৃষ্টিসীমার বাইরের দূরত্বে (বিভিআর বা ৪০ কিলোমিটারের বেশি দূরে) আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রের সাহায্যে আঘাত করে নতুন মাইলফলক গড়েছে এই যুদ্ধবিমান।
- কম রাডার সিগনেচার ও উন্নত সেন্সর প্রযুক্তির কারণে এটি দূর থেকে শত্রু উড়োজাহাজ শনাক্ত করতে সক্ষম, অথচ রাডারে ধরা পড়ে না।
উৎস: Baykar ওয়েবসাইট।
The European Green Deal:
- European Green Deal হলো ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU) কর্তৃক গৃহীত একটি সমন্বিত জলবায়ু ও পরিবেশগত কর্মপরিকল্পনা।
- এর মূল লক্ষ্য ২০৫০ সালের মধ্যে ইউরোপকে বিশ্বের প্রথম জলবায়ু-নিরপেক্ষ (Climate Neutral) মহাদেশে পরিণত করা।
- এটি ২০১৯ সালে ইউরোপীয় কমিশনের রাষ্ট্রপতি ভন ডের লেইন-এর উদ্যোগে চালু হয়।
⇒ মূল লক্ষ্য:
- ২০৫০ সালের মধ্যে কার্বন নির্গমন শূন্যে নামানো (Net Zero Emission),
- ২০৩০ সালের মধ্যে ১৯৯০ সালের তুলনায় ৫৫% কার্বন নির্গমন হ্রাস,
- ২০৩০ সালের মধ্যে ৩ বিলিয়ন নতুন গাছ রোপণ,
- টেকসই, পরিবেশবান্ধব ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি গড়ে তোলা,
- জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলার পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি।
উৎস: European Commission ওয়েবসাইট।
জাতিসংঘের উদ্যোগে ২০০৩ সালের ৩১ অক্টোবর ‘আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী সনদ’ United Nations Convention Against Corruption (UNCAC) গৃহীত হয়।
জাতিসংঘের দুর্নীতি বিরোধী কনভেনশন (UNCAC):
- UNCAC-এর পূর্ণরূপ: United Nations Convention Against Corruption.
- এটি হলো আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী বহুপাক্ষিক চুক্তি।
- এজেন্ডার নাম: মেরিডা কনভেনশন (Merida Convention)।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ দ্বারা গৃহীত হয়: ৩১ অক্টোবর, ২০০৩।
- কার্যকর হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ২০০৫।
- স্বাক্ষরস্থল: মেরিডা, মেক্সিকো।
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে: ২০০৭ সালে।
⇒ প্রধান পাঁচ কার্যক্রম:
- অপরাধ প্রতিরোধ,
- আইন প্রয়োগমূলক পদক্ষে্
- আন্তর্জাতিক সহযোগিতা,
- সম্পত্তি উদ্ধা্
- কারিগরি সহায়তা ও তথ্য বিনিময়।
উল্লেখ্য,
- দুর্নীতি বিরোধী জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ৩১ অক্টোবর ২০০৩ তারিখে জাতিসংঘের দুর্নীতির বিরুদ্ধে কনভেনশন পাস হওয়ার পর থেকে প্রতি বছর ৯ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস পালন করা হয়।
উৎস: i) UN ওয়েবসাইট।
ii) UNTC ওয়েবসাইট।
বাগরাম বিমানঘাঁটি:
- বাগরাম বিমানঘাঁটির অবস্থান আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার উত্তরে। আফগানিস্তানের পারওয়ান প্রদেশে বাগরাম বিমানঘাঁটি অবস্থিত।
- গত শতকের পঞ্চাশের দশকে বাগরাম ঘাঁটি প্রথম নির্মাণ করে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন।
- আশির দশকে আফগান যুদ্ধের সময় আফগানিস্তানে সোভিয়েত সেনাদের প্রধান ঘাঁটি ছিল বাগরাম।
⇒ ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা হয়। এই হামলার পর সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে নামে যুক্তরাষ্ট্র। এই যুদ্ধের অংশ হিসেবে তারা আফগানিস্তানে সামরিক অভিযান শুরু করে। মার্কিন অভিযানে তালেবানের পতনের পর বাগরাম চলে যায় যুক্তরাষ্ট্রের দখলে। মার্কিন বাহিনী ঘাঁটিটি নতুন করে গড়ে তোলে। বাগরামকে এক সুবিশাল সামরিক কমপ্লেক্সে রূপ দেয় যুক্তরাষ্ট্র।
- ২০২১ সালে আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার করে যুক্তরাষ্ট্র। এ সময় তালেবান যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত কাবুল সরকারকে উৎখাত করে এবং মার্কিন ঘাঁটিগুলো দখলে নেয়।
- তালেবানের ত্বরিত অগ্রযাত্রার মুখে ২০২১ সালের ১৫ আগস্ট তড়িঘড়ি করে আফগানিস্তান ছাড়তে বাধ্য হয় মার্কিন বাহিনী। তখন থেকে বাগরাম ঘাঁটি আফগানিস্তানের ক্ষমতাসীন তালেবান সরকারের নিয়ন্ত্রণে।
- বাগরামে একটি কারাগারও স্থাপন করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। কারাগারটি আফগানিস্তানের ‘গুয়ানতানামো বে’ নামে কুখ্যাতি পেয়েছিল।
উল্লেখ্য,
- কৌশলগত অবস্থান ও মূল্যবান খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ দেশ হওয়ার কারণে সম্প্রতি (অক্টোবর, ২০২৫) আফগানিস্তানের বাগরাম বিমানঘাঁটি পুনর্দখলের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
উৎস: i) U.S. AIR FORCES CENTRAL (.mil).
ii) প্রথম আলো।
Tropical Forest Forever Facility (TFFF):
- Tropical Forest Forever Facility (TFFF)-এর প্রধান প্রস্তাবক দেশ হলো ব্রাজিল।
- এটি ব্রাজিলের নেতৃত্বে গঠিত এবং ২০২৫ সালের নভেম্বরে ব্রাজিলের বেলেমে অনুষ্ঠিত COP-30 সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে লঞ্চ করা হয়েছে।
- এর লক্ষ্য হলো গ্রীষ্মমন্ডলীয় বনভূমি সংরক্ষণ এবং এর মূল্য বৃদ্ধি করা।
- সহযোগী দেশ: ব্রাজিল ছাড়াও ইন্দোনেশিয়া, নরওয়ে, ফ্রান্স, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাজ্য, কঙ্গো (DRC), ঘানা, মালয়েশিয়া, কলম্বিয়া এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো দেশগুলো এর সাথে যুক্ত রয়েছে।
- উদ্দেশ্য: এই সুবিধাটি গ্রীষ্মমন্ডলীয় বনভূমিকে সংরক্ষিত রাখতে দেশগুলোকে দীর্ঘমেয়াদী অর্থায়ন প্রদান করবে, যা বন কেটে ফেলার চেয়ে সংরক্ষণকে বেশি লাভজনক করে তুলবে।
⇒ এটি বন রক্ষায় এক দীর্ঘস্থায়ী ‘প্যাঁয় ফর পেরফরমান্স’ ফান্ড হিসেবে কাজ করবে, যেখানে দেশগুলো বন সংরক্ষণ করলে সরাসরি অর্থ সহায়তা পাবে।
- এই ফ্যাসিলিটিটি ১২৫ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।
উৎস: i) UNFCCC ওয়েবসাইট।
ii) Tropical Forest Forever Facility (TFFF) ওয়েবসাইট।
পোর্ট্রেট অব এলিজাবেথ লেডেরার:
- ‘পোর্ট্রেট অব এলিজাবেথ লেডেরার’ চিত্রকর্মটি গুস্তাফ ক্লিমট-এর আঁকা।
⇒ পোর্ট্রেট অব এলিজাবেথ লেডেরার আঁকা হয় ১৯১৪ থেকে ১৯১৬ সালের মধ্যে।
- অস্ট্রিয়ার প্রভাবশালী ইহুদি পরিবারের মেয়ে এলিজাবেথ লেডেরারের বাবা অগাস্ট লেডেরার ছিলেন ক্লিমটের বড় পৃষ্ঠপোষক।
- ১৯৩৮ সালে অস্ট্রিয়া দখলের সময় চিত্রকর্মটি জব্দ করে নাৎসি বাহিনী।
- আশির দশকে সেটি আবার চিত্রকর্মের বাজারে আসে। তখন থেকেই এটি ব্যক্তিগত সংগ্রহশালায় ছিল।
⇒ দীর্ঘদিন চোখের আড়ালে থাকায় চিত্রকর্মটি নিয়ে বড় আগ্রহ ছিল। এ ছাড়া ক্লিমটের জীবনের শেষ দিকের আঁকা এ চিত্রকর্ম তাঁর ‘স্বর্ণযুগে’ আঁকা চিত্রকর্মগুলোর চেয়ে আলাদা। ওই যুগে তাঁর ‘পোর্ট্রেট অব আডেল ব্লক-বাউয়ার ১’ এবং ‘দ্য কিস’-এর মতো চিত্রকর্মগুলোয় সোনালি রঙের কাজ থাকলেও পোর্ট্রেট অব এলিজাবেথ লেডেরারে নেই।
উৎস: i) Britannica.
ii) প্রথম আলো।
গ্রিনল্যান্ড:
- ডেনমার্কের স্বশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ড বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ।
- এটি উত্তর আমেরিকা মহাদেশের অংশ।
- এর অবস্থান উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে উত্তর আমেরিকা এবং ইউরোপ মহাদেশের মধ্যে অবস্থিত।
- রাজধানী: নুউক।
- মুদ্রা: ডেনিশ ক্রোনা।
- গ্রিনল্যান্ডের অধিবাসীরা এস্কিমো হিসেবে পরিচিত।
- গ্রীনল্যান্ডের ৮০ শতাংশ এলাকা বরফে ঢাকা।
- জনসংখ্যার ৯০ শতাংশ হচ্ছে আদিবাসী ইনুইট সম্প্রদায়ের।
উল্লেখ্য,
- ৯৮২ খ্রিস্টাব্দে নরওয়েজিয়ান অভিযাত্রী এরিক দ্য রেড (Erik the Red) গ্রিনল্যান্ড আবিষ্কার করেন।
- ১৭২১ খ্রিস্টাব্দে ড্যানিশ-নরওয়েজিয়ান মিশনারি হ্যান্স এগেডে (Hans Egede)-এর নেতৃত্বে গ্রিনল্যান্ডে ড্যানিশ উপনিবেশ শুরু হয়।
- ১৮১৪ সালে নেপোলিয়নের যুদ্ধের পর ‘কিল চুক্তি’র মাধ্যমে ডেনমার্ক-নরওয়ে রাজ্য বিভক্ত হয়। নরওয়ে সুইডেনের অংশ হলেও গ্রিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড এবং ফারো দ্বীপপুঞ্জ ডেনমার্কের অধীনে থেকে যায়।
- ১৯৫৩ সালে ডেনমার্ক সংবিধান পরিবর্তন করে গ্রিনল্যান্ডকে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রদেশ হিসেবে ঘোষণা করে। ফলে এটি উপনিবেশের মর্যাদা হারায় এবং অবিচ্ছেদ্য অংশ (কাউন্টি) হয়।
- ১৯৭৯ সালে গণভোটের মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডকে স্বায়ত্তশাসিত মর্যাদা দেওয়া হয়।
- ২০০৯ সালে দ্বীপটি আরও বিস্তৃত স্বায়ত্তশাসনের অনুমোদন পায়। এর ফলে তারা নিজেদের আইন ও প্রশাসনের ওপর অধিক নিয়ন্ত্রণ লাভ করে।
উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.
লস অ্যান্ড ড্যামেজ তহবিল (Loss and Damage Fund):
- লস অ্যান্ড ড্যামেজ তহবিল (Loss and Damage Fund) হলো জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত দরিদ্র দেশগুলোকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার জন্য উন্নত দেশগুলোর উদ্যোগে গঠিত একটি তহবিল।
- এই তহবিল ২৭তম জলবায়ু বিষয়ক সম্মেলনে (COP-27) সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
- এর ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল বিশ্বব্যাংককে।
- এর মূল উদ্দেশ্য হল জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে যে ক্ষয়ক্ষতি এবং ক্ষতি হয়, তার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করা।
⇒ জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী বিশ্বের উন্নত দেশগুলো।
- ২০০৯ সালে উন্নত দেশগুলো ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে প্রতিবছর ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।
- শেষ পর্যন্ত এ-সংক্রান্ত তহবিল প্রতিষ্ঠার বিষয়ে ২০২২ সালে মিশরের শার্ম এল-শেখ-এ অনুষ্ঠিত কপ-২৭ শীর্ষ সম্মেলনে একটি চুক্তি হয়।
- আর এটিই হচ্ছে Loss and Damage Fund (লস অ্যান্ড ড্যামেজ তহবিল)।
উল্লেখ্য,
- কপ-৩০ সম্মেলনে সিদ্ধান্ত হয় যে লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ড ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে, প্রথম ব্যাচে ২৫০ মিলিয়ন ডলার ছাড় দেওয়া হবে।
উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
ওয়ার্ল্ড বুক ক্যাপিটাল:
- ২০২৬ সালের 'ওয়ার্ল্ড বুক ক্যাপিটাল' (World Book Capital) হলো মরক্কোর রাজধানী রাবাত।
⇒ ইউনেস্কোর ডিরেক্টর-জেনারেল অড্রে আজুলে ২০২৪ সালের অক্টোবরে এই ঘোষণা করেন।
- এর আগে ২০২৫ সালের জন্য রিও ডি জেনেইরো (ব্রাজিল) নির্বাচিত হয়েছে।
- ২০২৬ সালের ২৩শে এপ্রিল বিশ্ব বই ও কপিরাইট দিবস থেকে তাদের কার্যক্রম শুরু করবে।
- ইউনেস্কো এই শহরকে নির্বাচিত করেছে কারণ রাবাতের বই ও প্রকাশনা শিল্পের প্রতি অঙ্গীকার, লাইব্রেরির একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক এবং আফ্রিকান বই মেলা আয়োজনের অভিজ্ঞতা।
উল্লেখ্য,
- ওয়ার্ল্ড বুক ক্যাপিটাল ইউনেস্কো আয়োজিত একটি বার্ষিক অনুষ্ঠান।
- এর মাধ্যমে সকল সংস্কৃতি ও সকল ভাষায় বই পড়ার গুরুত্ব প্রচার করা হয়।
- ২০০১ সাল থেকে এই খেতাব দেওয়া হচ্ছে।
- এর আগে এই স্বীকৃতি পেয়েছিল, মাদ্রিদ (২০০১), আলেকজান্দ্রিয়া (২০০২), নয়াদিল্লি (২০০৩), অ্যান্টওয়ার্প (২০০৪), মন্ট্রিল (২০০৫), তুরিন (২০০৬), বোগোতা (২০০৭), আমস্টারডাম (২০০৮), বৈরুত (২০০৯), লুব্লিয়ানা (২০১০), বুয়েনস আইরেস (২০১১), এরেভান (২০১২), ব্যাংকক (২০১৩), পোর্ট হারকোর্ট (২০১৪), ইনচিওন (২০১৫), রোকলা (২০১৬), কোনাক্রি (২০১৭), অ্যাথেন্স (২০১৮), শারজাহ, (২০১৯), কুয়ালালামপুর (২০২০), তিবিলিসি (২০২১), গুয়াদালাজারা (২০২২), আক্রা (২০২৩), স্ট্রাসবার্গ (২০২৪), রিও ডি জেনিরো (২০২৫)।
উৎস: i) UNESCO ওয়েবসাইট। [link]
ii) Times of India.
২০২৬ সালে ন্যাটোর শীর্ষ সম্মেলন:
- ২০২৬ সালের জুলাইতে তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় ন্যাটোর শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
- তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দিয়েছেন।
- তিনি বলেন, তুরস্ক, ন্যাটো জোটের কাঠামোর মধ্যে প্রতিরক্ষা শিল্প পণ্যের বাণিজ্য বিধিনিষেধ অপসারণের আহ্বান জানিয়েছে।
- এই সম্মেলনে জোটের নেতারা প্রতিরক্ষা শিল্প সহযোগিতা, নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ এবং কৌশলগত দিকনির্দেশনা নিয়ে আলোচনা করবেন।
উল্লেখ্য,
- NATO (North Atlantic Treaty Organisation) উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট মূলত সামরিক সহযোগিতার জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- দাপ্তরিকভাবে ন্যাটো গঠনের উদ্দেশ্য হচ্ছে "উত্তর আটল্যান্টিক অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ও কল্যাণ" নিশ্চিত করে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর 'স্বাধীনতা, অভিন্ন ঐতিহ্য এবং সভ্যতার' রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করা। চুক্তি অনুযায়ী, ন্যাটো ভুক্ত যে কোনো দেশের উপর সশস্ত্র হামলা হলে সেটি জোটভুক্ত সব দেশের উপর হামলা বলেই গণ্য হবে এবং সব দেশ একে অন্যের সহায়তায় এগিয়ে আসবে।
এছাড়াও,
- ২০২৫ সালের ২৪-২৫ জুন নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- সম্মেলনে ন্যাটো সদস্য রাষ্ট্রগুলো ২০৩৫ সালের মধ্যে প্রতিরক্ষা ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা দ্বিগুণেরও বেশি বাড়িয়ে তাদের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশ নির্ধারণের ব্যাপারে একমত হয়েছে।
- ন্যাটোর গাইডলাইন অনুযায়ী, প্রতিটি দেশকে জিডিপির ৫ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করা উচিত।
- এই ৫ শতাংশের মধ্যে অন্তত ৩.৫ শতাংশ ব্যয় করা হবে সরাসরি প্রতিরক্ষার জন্য, বাকি অর্থ ব্যয় করা হবে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত "গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো," নাগরিক প্রস্তুতি, উদ্ভাবন এবং প্রতিরক্ষা শিল্প খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য।
উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ:
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ছিল ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘাতের একটি।
- এ যুদ্ধের ফলে পরবর্তী সময়ে এর সঙ্গে যুক্ত থাকা দেশগুলোর রাজনীতিতে বিরাট পরিবর্তন আসে।
- যুদ্ধ শুরু হয়: ২৮ জুলাই, ১৯১৪ সালে।
- শেষ হয়: ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ সালে।
- কেন্দ্রীয়শক্তি: জার্মানি, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, অটোমান সাম্রাজ্য ও বুলগেরিয়া।
- মিত্রশক্তি: সার্বিয়া, রাশিয়া, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, জাপান প্রভৃতি দেশ।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯১৯ সালে ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
⇒ যুদ্ধের সূচনা:
- ১৯১৪ সালে অস্ট্রো-হাঙ্গেরিয়ান সাম্রাজ্যের হবু সম্রাট ডিউক ফার্দিনান্দ সিংহাসনে আরোহণের কিছুদিন আগে সারায়েভো শহরে স্ত্রীসহ সার্বিয়ান বিচ্ছিন্নতাবাদী আততায়ীর গুলিতে নিহত হন।
- অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি সার্বিয়ার ওপর প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হয় এবং ওই বছরের ২৮ জুলাই যুদ্ধ ঘোষণা করে। এ যুদ্ধে দুই দেশের বন্ধু রাষ্ট্রগুলো ধীরে ধীরে জড়িয়ে পড়ে। এতে যোগ দেয় সে সময়ের অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী প্রায় সব দেশ। এভাবে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূচনা হয়।
⇒ যুদ্ধের ফলাফল: কেন্দ্রীয় শক্তির পতন ও মিত্র শক্তির বিজয়।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ফলে ৪টি সাম্রাজ্যের পতন ঘটেছিল। এগুলো হলো: রুশ, জার্মান, অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয় ও অটোমান।
- ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লবের ফলে জারতন্ত্রের পতন ঘটে।
- যুদ্ধের শেষে জার্মানি পরাজিত হলে এই সাম্রাজ্যেরও অবসান ঘটে।
- অস্ট্রো-হাঙ্গেরিয়ান সাম্রাজ্য ভেঙে একাধিক ছোট ছোট রাষ্ট্রে পরিণত হয়।
- ১৯২২ সাল নাগাদ অটোমান সাম্রাজ্য সম্পূর্ণরূপে বিলুপ্ত হয়ে যায় যা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন রাজনৈতিক বিন্যাসের জন্ম দেয়।
উৎস: i) History.com
ii) Britannica.
কোয়ালিশন অব দ্য উইলিং (Coalition of the willing):
- কোয়ালিশন অব উইলিং হলো একটি অস্থায়ী আন্তর্জাতিক গোষ্ঠী যার সাধারণ লক্ষ্য হলো ইউক্রেনকে নিরাপত্তা নিশ্চয়তা প্রদান করা।
- কোয়ালিশন অব দ্য উইলিংয়ের মূল লক্ষ্য হলো কিয়েভের টেকসই শান্তি নিশ্চিত করা।
- এটি মূলত ইউরোপীয় দেশগুলোর উদ্যোগ।
- ২ মার্চ, ২০২৫ তারিখে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ও ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ‘Coalition of the Willing’ এটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন।
- এর লক্ষ্য যুদ্ধবিরতি বা শান্তিচুক্তির পর ইউক্রেনে শান্তি বজায় রাখা এবং রাশিয়ার ভবিষ্যৎ আক্রমণ প্রতিরোধ করা।
- সদস্য: ৩৫টি দেশ (ইউরোপীয় দেশগুলো ছাড়াও কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, জাপান, তুরস্ক ইত্যাদি)।
⇒ ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে কোয়ালিশন অব দ্য উইলিং-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলন ফ্রান্সের প্যারিসে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- NATO মহাসচিব মার্ক রুটে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) শীর্ষ কর্মকর্তারা, এবং জোটভুক্ত ৩৫টি দেশের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
- উদ্দেশ্য: ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে সম্ভাব্য শান্তিচুক্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চয়তা নিয়ে আলোচনা।
উৎস: i) The Guardian.
ii) NATO ওয়েবসাইট।
ইরাক যুদ্ধ:
- ২০০৩ সালে ইরাকে মার্কিন-ব্রিটিশ যৌথ সামরিক অভিযান পরিচালিত হয়েছিল।
- যুক্তরাষ্ট্র ২০০৩ সালের ১৯ মার্চ ইরাকে বিমান হামলা এবং ২০ মার্চ থেকে স্থল হামলা শুরু করেছিল।
- ইরাক যুদ্ধ ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র দেশগুলোর (যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, পোল্যান্ডসহ) দ্বারা সাদ্দাম হোসেনের ইরাক শাসনের বিরুদ্ধে একটি সামরিক অভিযান। মাসখানেকের বেশি চলে সর্বাত্মক যুদ্ধ।
- ইরাকের সাদ্দাম হোসেনের কাছে ‘গণবিধ্বংসী অস্ত্র (উইপনস অব মাস ডেস্ট্রাকশন)’ আছে অভিযোগে দেশটিতে আগ্রাসন চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটো।
- এটি 'অপারেশন ইরাকি ফ্রিডম' নামেও পরিচিত।
- ইরাক যুদ্ধের সময় যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন টনি ব্লেয়ার।
উল্লেখ্য,
- তখন ইরাকের নেতা ছিলেন সাদ্দাম হোসেন। যুক্তরাষ্ট্র আর যুক্তরাজ্য অভিযোগ করে, প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম ইরাকে গণবিধ্বংসী অস্ত্রের (ডব্লিউএমডি) মজুত গড়ে তুলেছেন। সেই সঙ্গে আল–কায়েদার মতো সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছেন। তাই সাদ্দামের বিরুদ্ধে শুরু হয় ইঙ্গ–মার্কিন বাহিনীর যুদ্ধ।
- ২০০৩ সালের ১ মে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ ইরাক যুদ্ধ শেষ হওয়ার ঘোষণা দেন।
⇒ ইরাক যুদ্ধের ফলাফল ছিল সাদ্দাম হোসেনের পতন, ব্যাপক মানবিক ও অর্থনৈতিক ধ্বংসযজ্ঞ, দীর্ঘস্থায়ী অস্থিতিশীলতা, সাম্প্রদায়িক সংঘাত বৃদ্ধি এবং মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তন।
- এরপর দীর্ঘ আট বছর ধরে বিদ্রোহ ও দখলদারিত্বের দ্বিতীয় পর্ব চলে এবং ২০১১ সালে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহার করে।
উৎস: United States Navy (.mil) ওয়েবসাইট।
প্রশ্ন: যদি U = {1, 2, 3, 4, 5, 6, 7} এবং B = {2, 4, 6} হয়, তবে (B')' = ?
সমাধান:
দেওয়া আছে, U = {1, 2, 3, 4, 5, 6, 7} এবং B = {2, 4, 6}
B' = U - B = {1, 2, 3, 4, 5, 6, 7} - {2, 4, 6} = {1, 3, 5, 7}
এখন,
(B')' = U - B'
= {1, 2, 3, 4, 5, 6, 7} - {1, 3, 5, 7}
= {2, 4, 6}
∴ (B')' = {2, 4, 6} = B
বি: দ্র: (B')' = B, অর্থাৎ কোনো সেটের ডাবল পরিপূরক সেই সেট নিজেই হয়।
প্রশ্ন: কোনো সংখ্যার শতকরা ৪০ ভাগ ঐ সংখ্যার দুই তৃতীয়াংশ অপেক্ষা ২৪ কম। সংখ্যাটি কত?
সমাধান:
ধরি, সংখ্যাটি ক
প্রশ্নমতে,
(২ক/৩) - ক এর ৪০% = ২৪
⇒ (২ক/৩) - (৪০ক/১০০) = ২৪
⇒ (২০০ক - ১২০ক)/৩০০ = ২৪
⇒ ৮০ক/৩০০ = ২৪
⇒ ৮০ক = ২৪ × ৩০০
⇒ ৮০ক = ৭২০০
⇒ ক = ৭২০০/৮০
∴ ক = ৯০
∴ সংখ্যাটি হলো ৯০
প্রশ্ন: যদি x > 0, y > 0 এবং log(x2/y) + log(y2/x) = log(x + y) হয়, তবে নিচের কোনটি সঠিক?
সমাধান:
দেওয়া আছে,
log(x2/y) + log(y2/x) = log(x + y)
⇒ log{(x2/y) × (y2/x)} = log(x + y) [লগের যোগফলের সূত্র অনুযায়ী]
⇒ log(xy) = log(x + y)
⇒ xy = x + y [উভয় পক্ষ থেকে log বর্জন করে]
প্রশ্ন: পিথাগোরাস ত্রয়ীর একটি সদস্য ২৪ হলে অন্য সদস্যজোড় নিচের কোনটি?
সমাধান:
পিথাগোরাস ত্রয়ী:
পিথাগোরাস ত্রয়ী হলো তিনটি ধনাত্মক পূর্ণসংখ্যার একটি সেট, যা পিথাগোরাসের উপপাদ্যকে সিদ্ধ করে।
তিনটি ধনাত্মক পূর্ণসংখ্যা a, b, c (যেখানে c > a, b) যদি c2 = a2 + b2
শর্ত মানে, তাহলে তাদেরকে (a, b, c) পিথাগোরাস ত্রয়ী বলা হয়।
উদাহরণ:
(৩, ৪, ৫)
(৫, ১২, ১৩)
(৭, ২৪, ২৫)
(৮, ১৫, ১৭)
(২০, ২১, ২৯)
এখানে,
৭২ + ২৪২ = ২৫২
⇒ ৪৯ + ৫৭৬ = ৬২৫
⇒ ৬২৫ = ৬২৫
∴ পিথাগোরাস ত্রয়ীর একটি সদস্য ২৪ হলে অন্য সদস্যজোড় হলো (৭, ২৫)।
প্রশ্ন: 13 + 23 + 33 + …......... + 213 = কত?
সমাধান:
এখানে, শেষ পদ n = 21
আমরা জানি, প্রথম n সংখ্যক স্বাভাবিক সংখ্যার ঘনের সমষ্টির সূত্র,
Sn = {n(n + 1)/2}2
⇒ S21 = {21(21 + 1)/2}2
⇒ S21 = {21 × 22/2}2
⇒ S21 = (21 × 11)2
⇒ S21 = (231)2
∴ S21 = 53361
প্রশ্ন: x + (1/x) = 3 হলে {x2 + (1/x2)}{x4 + (1/x4)} এর মান কত?
সমাধান:
দেওয়া আছে,
x + 1/x= 3
⇒ (x + 1/x)2 = 32
⇒ x2 + 2 . x . (1/x) + 1/x2 = 9
⇒ x2 + 1/x2 = 9 - 2
∴ x2 + 1/x2 = 7
আবার,
x2 + 1/x2 = 7
⇒ {x2 + (1/x2)}2 = 72
⇒ (x2)2 + 2 . x2 . (1/x2) + (1/x2)2 = 49
⇒ x4 + 1/x4 = 49 - 2
∴ x4 + 1/x4 = 47
সুতরাং,
{x2 + (1/x2)}{x4 + (1/x4)} = 7 × 47 = 329
প্রশ্ন: বার্ষিক ৮% হারে ১০,০০০ টাকার ২ বছর পর সরল ও চক্রবৃদ্ধি মুনাফার পার্থক্য কত?
সমাধান:
মূলধন, P = ১০,০০০ টাকা
সুদের হার, r = ৮%
সময়, n = ২ বছর
আমরা জানি,
সরল মুনাফার ক্ষেত্রে,
SI = (P × r × n)/১০০
= (১০,০০০ × ৮ × ২)/১০০
= ১,৬০০ টাকা
আবার,
চক্রবৃদ্ধি মুনাফায়, C = P(1 + r/১০০)n
= ১০,০০০ × (১ + ৮/১০০)২
= ১০,০০০ × (১০৮/১০০)২
= ১০,০০০ × (১০৮/১০০) × (১০৮/১০০)
= ১১,৬৬৪ টাকা
∴ চক্রবৃদ্ধি মুনাফা = C - P = ১১,৬৬৪ - ১০,০০০ টাকা
= ১৬৬৪ টাকা
∴ পার্থক্য = ১৬৬৪ - ১,৬০০ = ৬৪ টাকা
প্রশ্ন:
সমাধান:
প্রশ্ন: sec(2π + x) = কত?
সমাধান:
দেওয়া আছে, sec(2π + x)
আমরা জানি, 2π = 360° একটি সম্পূর্ণ চক্র
এখানে,
sec(2π + x)
= sec(360° + x) [যার অবস্থান প্রথম চতুর্ভাগে]
= secx
প্রশ্ন: 4, 9, 48 এর গুণোত্তর গড় কত?
সমাধান:
আমরা জানি,
n সংখ্যক সংখ্যার জ্যামিতিক বা গুণোত্তর গড় (GM) = (x1 . x2 . x3.........xn)1/n
সুতরাং, 4, 9, 48 এর গুণোত্তর গড় = (4 × 9 × 48)1/3
= (1728)1/3
= (123)1/3
= 12
প্রশ্ন: একটি দ্রব্যের বিক্রয়মূল্য এবং ক্রয়মূল্যের পার্থক্য ১৮০ টাকা। একজন যদি ৩০% হারে লাভ করতে চান তবে দ্রব্যটির বিক্রয়মূল্য কত হবে?
সমাধান:
মনে করি,
দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা
৩০% লাভে বিক্রয়মূল্য = (১০০ + ৩০) টাকা = ১৩০ টাকা
∴ লাভ = (১৩০ - ১০০) = ৩০ টাকা
এখন,
৩০ টাকা লাভ হলে বিক্রয়মূল্য = ১৩০ টাকা
∴ ১ টাকা লাভ হলে বিক্রয়মূল্য = ১৩০/৩০ = ১৩/৩ টাকা
∴ ১৮০ টাকা লাভ হলে বিক্রয়মূল্য = (১৮০ × ১৩/৩) টাকা
= (৬০ × ১৩) টাকা = ৭৮০ টাকা
প্রশ্ন: কোনো ধারার n তম পদ (- 2)n - 1 × 3 হলে ধারাটির প্রথম তিনটি পদের যোগফল কত?
সমাধান:
দেওয়া আছে, n তম পদ = (- 2)n - 1 × 3
১ম পদ (n = 1): (- 2)1 - 1 × 3 = (- 2)0 × 3 = 1 × 3 = 3
২য় পদ (n = 2): (- 2)2 - 1 × 3 = (- 2)1 × 3 = - 2 × 3 = - 6
৩য় পদ (n = 3): (- 2)3 - 1 × 3 = (- 2)2 × 3 = 4 × 3 = 12
∴ ধারাটির প্রথম তিনটি পদের যোগফল = 3 + (- 6) + 12
= 3 - 6 + 12
= 9
প্রশ্ন: একটি সেমিনার কক্ষে প্রতি সারিতে ৯ জন করে বসলে ৫টি সারি খালি থাকে। কিন্তু প্রতি সারিতে ৭ জন করে বসলে ৯ জন দর্শককে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। ঐ সেমিনার কক্ষে মোট দর্শক সংখ্যা কত?
সমাধান:
ধরি,
সারির সংখ্যা = ক
প্রতি সারিতে ৯ জন করে বসলে ৫টি সারি খালি থাকে।
∴ দর্শক সংখ্যা = (ক - ৫) × ৯ জন
প্রতি সারিতে ৭ জন করে বসলে ৯ জন দাঁড়িয়ে থাকে।
∴ দর্শক সংখ্যা = ৭ক + ৯ জন
প্রশ্নমতে,
(ক - ৫) × ৯ = ৭ক + ৯
⇒ ৯ক - ৪৫ = ৭ক + ৯
⇒ ৯ক - ৭ক = ৯ + ৪৫
⇒ ২ক = ৫৪
⇒ ক = ২৭
অতএব, সেমিনার কক্ষে সারির সংখ্যা = ২৭টি
∴ দর্শক সংখ্যা = (ক - ৫) × ৯
= (২৭ - ৫) × ৯
= ২২ × ৯
= ১৯৮ জন
∴ ঐ সেমিনার কক্ষে মোট দর্শক সংখ্যা হলো ১৯৮ জন।
প্রশ্ন: 24 সে.মি. পরিসীমা বিশিষ্ট একটি বর্গক্ষেত্র একটি বৃত্তে অন্তর্লিখিত হয়েছে। বৃত্তটির ক্ষেত্রফল কত?
সমাধান:
ABCD বর্গের পরিসীমা = 24 সে.মি.
∴ ABCD বর্গের এক বাহুর দৈর্ঘ্য, a = 24/4
= 6 সে.মি.
আমরা জানি, কোনো বৃত্তে বর্গ অন্তর্লিখিত থাকলে বর্গের কর্ণই হয় বৃত্তের ব্যাস।
∴ বৃত্তের ব্যাস = বর্গের কর্ণ = বাহু√2
= 6√2 সে.মি.
∴ বৃত্তের ব্যাসার্ধ, r = (6√2) / 2 = 3√2 সে.মি.
∴ বৃত্তটির ক্ষেত্রফল = πr2
= π × (3√2)2
= π × 9 × 2
= 18π বর্গ সে.মি.
প্রশ্ন: 12 - 4x ≥ 3x + 26 অসমতার সমাধান কোনটি?
সমাধান:
12 - 4x ≥ 3x + 26
⇒ - 4x - 3x ≥ 26 - 12
⇒ - 7x ≥ 14
⇒ x ≤ 14/(- 7) [ঋণাত্মক সংখ্যা দ্বারা গুণ বা ভাগ করলে অসমতার চিহ্নটি উল্টে যায়]
⇒ x ≤ - 2
ব্যবধি আকারে লিখলে হয়: (- ∞, - 2]
(- ∞, - 2] বলতে বোঝায় যে, - 2 এর সমান বা তার চেয়ে ছোট সকল বাস্তব সংখ্যা এই অসমতার অন্তর্ভুক্ত।
প্রশ্ন: রিফাত ৬০০০ টাকা দিয়ে একটি ব্যবসা শুরু করে। ৮ মাস পর নাহিয়ান কিছু টাকা নিয়ে ওই ব্যবসায় যোগ দেয়। এক বছর পর ৩ : ২ অনুপাতে ব্যবসার লভ্যাংশ ভাগ করা হয়। নাহিয়ানের বিনিয়োগ কত টাকা ছিলো?
সমাধান:
দেওয়া আছে, লভ্যাংশের অনুপাত = ৩ : ২
ধরি, নাহিয়ানের বিনিয়োগ = ক টাকা
রিফাতের বিনিয়োগ নিয়োজিত ছিলো = ১২ মাস
এবং নাহিয়ানের বিনিয়োগ নিয়োজিত ছিলো = (১২ - ৮) মাস = ৪ মাস
প্রশ্নমতে,
(৬০০০ × ১২)/(ক × ৪) = ৩/২
⇒ ৭২০০০/(৪ক) = ৩/২
⇒ ১৮০০০/ক = ৩/২
⇒ ৩ক = ১৮০০০ × ২
⇒ ৩ক = ৩৬০০০
⇒ ক = ৩৬০০০/৩
⇒ ক = ১২০০০
∴ নাহিয়ানের বিনিয়োগ = ১২০০০ টাকা
প্রশ্ন: একটি আয়তাকার ঘনবস্তুর দৈর্ঘ্য 12 মিটার, প্রস্থ 9 মিটার ও উচ্চতা 8 মিটার হলে এর কর্ণের দৈর্ঘ্য কত?
সমাধান:
দেওয়া আছে,
আয়তাকার ঘনবস্তুর দৈর্ঘ্য, a = 12 মিটার
প্রস্থ, b = 9 মিটার
উচ্চতা, c = 8 মিটার
আমরা জানি,
আয়তাকার ঘনবস্তুর কর্ণের দৈর্ঘ্য = √(a2 + b2 + c2)
= √(122 + 92 + 82) মিটার
= √(144 + 81 + 64) মিটার
= √289 মিটার
= 17 মিটার
প্রশ্ন: 2x3 + 3x2 - 3x - 2 রাশিটির একটি উৎপাদক নিচের কোনটি?
সমাধান:
ধরি, f(x) = 2x3 + 3x2 - 3x - 2
এখন, x এর মান এমনভাবে বসাতে হবে যেন f(x) = 0 হয়।
যদি x = 1 বসাই,
f(1) = 2(1)3 + 3(1)2 - 3(1) - 2
= 2(1) + 3(1) - 3 - 2
= 2 + 3 - 3 - 2
= 0
যেহেতু f(1) = 0, সুতরাং উৎপাদক উপপাদ্য অনুযায়ী, (x - 1) হলো প্রদত্ত রাশিটির একটি উৎপাদক।
প্রশ্ন: 6 টি পোস্ট বাক্সে 4 টি চিঠি কতভাবে ফেলা যায়?
সমাধান:
দেওয়া আছে,
পোস্ট বাক্সের সংখ্যা, n = 6 টি
চিঠির সংখ্যা, r = 4 টি
∴ চিঠি ফেলা যায় = (পোস্ট বক্স)চিঠি
= nr
= 64
= 1296 টি উপায়ে
প্রশ্ন: P(A) = 1/4, P(B) = 1/3, A ও B স্বাধীন হলে, P(A ∪ B) = ?
সমাধান:
দেওয়া আছে,
P(A) = 1/4
P(B) = 1/3
যেহেতু A ও B স্বাধীন ঘটনা,
∴ P(A ∩ B) = P(A) × P(B)
= 1/4 × 1/3
= 1/12
আমরা জানি,
P(A ∪ B) = P(A) + P(B) - P(A ∩ B)
= 1/4 + 1/3 - 1/12
= (3 + 4 - 1)/12
= 6/12
= 1/2
∴ P(A ∪ B) = 1/2
প্রশ্ন: আগামী পরশুর পরের দিন যদি শুক্রবার হয়, তবে গত পরশুর আগের দিনের পরের দিন কী বার ছিল?
সমাধান:
আগামী পরশুর পরের দিন যদি শুক্রবার হয়, তাহলে:
আগামী পরশুর পরের দিন = শুক্রবার
আগামী পরশু = বৃহস্পতিবার
আগামীকাল = বুধবার
আজ = মঙ্গলবার
গতকাল = সোমবার
গত পরশু = রবিবার
গত পরশুর আগের দিন = শনিবার
গত পরশুর আগের দিনের পরের দিন = রবিবার
প্রশ্ন: প্রদত্ত চিত্রে কতটি ত্রিভুজ আছে তা গণনা করুন।
সমাধান:
চিত্রটি নিম্নরূপ চিহ্নিত করা যেতে পারে।
সবচেয়ে সহজ ত্রিভুজগুলো হলো AHG, AIG, AIB, JFE, CJE এবং CED অর্থাৎ ৬টি।
দুটি উপাদান বিশিষ্ট ত্রিভুজগুলো হলো ABG, CFE, ACJ এবং EGI অর্থাৎ ৪টি।
তিনটি উপাদান বিশিষ্ট ত্রিভুজগুলো হলো ACE, AGE এবং CFD অর্থাৎ ৩টি।
কেবল একটি ত্রিভুজ রয়েছে, অর্থাৎ AHE, যা চারটি উপাদান দিয়ে গঠিত।
অতএব, দেওয়া চিত্রে মোট ৬ + ৪ + ৩ + ১ = ১৪টি ত্রিভুজ রয়েছে।
প্রশ্ন: F-35 বিমানটির কোন বৈশিষ্ট্য এর স্টেলথের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ?
সমাধান:
• F-35 বিমানের স্টেলথ বৈশিষ্ট্য (Stealth Feature):
- স্টেলথ প্রযুক্তি বিমানের রাডার বা সনাক্তকরণ ব্যবস্থার চোখে কম দৃশ্যমান বা অদৃশ্য হওয়ার ক্ষমতা।
- F-35 এর স্টেলথে মূল অবদান আসে এমন কিছু বৈশিষ্ট্য থেকে যা রাডার তরঙ্গ শোষণ ও প্রতিফলন কমায়।
- স্টেলথ বৃদ্ধির জন্য শুধুমাত্র বড় উইংসপ্যান বা শক্ত বর্ম যথেষ্ট নয়।
- অত্যধিক গতিশীলতা সাহায্য করে যুদ্ধক্ষেত্রে সুবিধা দিতে, কিন্তু রাডারের চোখে অদৃশ্য হওয়ার সাথে সরাসরি সম্পর্ক নেই।
- F-35 বিমানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্টেলথ বৈশিষ্ট্য হলো রাডার শোষণকারী উপকরণ, যা রাডার সিগন্যালকে শোষণ করে প্রতিফলিত হওয়া কমায় এবং সনাক্তকরণ কঠিন করে।
সুতরাং, F-35 এর স্টেলথের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো - ঘ) রাডার শোষণকারী উপকরণ।
প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক চিহ্নের পরিবর্তে D চিত্রটি কোনটি হবে?
সমাধান:
A চিত্রটিকে ঘড়ির কাঁটার দিকে ৯০° ঘুরিয়ে এবং উপরের অনুভূমিক ছোট রেখাটি মুছে ফেলে B চিত্রটি পাওয়া যায়।
অনুরূপভাবে, C চিত্রটিকে ৯০° ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘোরিয়ে উপরের ছোট রেখাটি মুছে দিলে অপশন (4) চিত্রটি পাওয়া যায়।
সুতরাং D চিত্র হবে (4)।
প্রশ্ন: যদি যোগ অর্থ গুণ, বিয়োগ অর্থ যোগ, ভাগ অর্থ বিয়োগ এবং গুণ অর্থ ভাগ হয় তবে, [৪ + ৯৬ × ৮ - ২ ÷ ৬]২ ÷ [৪ + ৯৬ × ৮ - ২ ÷ ৬] = ?
সমাধান:
[৪ + ৯৬ × ৮ - ২ ÷ ৬]২ ÷ [৪ + ৯৬ × ৮ - ২ ÷ ৬]
প্রদত্তশর্তে,
[৪ × ৯৬ ÷ ৮ + ২ - ৬]২ - [৪ × ৯৬ ÷ ৮ + ২ - ৬]
= [৪ × ১২ + ২ - ৬]২ - [৪ × ১২ + ২ - ৬]
= [৪৮ + ২ - ৬]২ - [৪৮ + ২ - ৬]
= [৪৪]২ - ৪৪
= ১৯৩৬ - ৪৪
= ১৮৯২
প্রশ্ন: "OMMRAACD" শব্দের বর্ণগুলোকে নতুন করে সাজালে নিচের কোনটি পাওয়া যাবে?
সমাধান:
- "OMMRAACD" শব্দের বর্ণগুলোকে নতুন করে সাজালে যে শব্দ পাওয়া যায় তা হলো CARDAMOM.
- CARDAMOM (এলাচ) হলো একটি মশলা যা রান্নার স্বাদ ও সুগন্ধ বাড়াতে ব্যবহৃত হয়।
প্রশ্ন: রুবেল সাহেব তার নিজ বাড়ি থেকে শ্বশুরবাড়ির উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করলেন। তিনি তার ভ্রমণে প্রথমে ৪ মাইল উত্তরে, এরপরে ১২ মাইল পূর্বে, তারপর আবার ১২ মাইল উত্তরে তার শ্বশুরবাড়ি পৌছান। তার নিজ বাড়ি থেকে শ্বশুরবাড়ি কত মাইল দূরে অবস্থিত?
সমাধান:
সমাধান:
উত্তরে মোট দূরত্ব = ১৬ মাইল এবং পূর্বে দূরত্ব = ৪ মাইল
দূরত্ব = √(১৬২+১২২) মাইল
= √(২৫৬ + ১৪৪) মাইল
= ২০ মাইল
রুবেল সাহেবের নিজ বাড়ি থেকে শ্বশুরবাড়ি ২০ মাইল দূরে অবস্থিত।
প্রশ্ন: একটি ট্রেনের গতি সেকেন্ডে ৩০ মিটার হলে, গাড়িটির ঘন্টার গতি বেগ কত?
সমাধান:
দেওয়া আছে,
গাড়ির গতি = ৩০ মিটার/সেকেন্ড
= ৩০ × (১৮/৫) কিমি/ঘণ্টা
= (৩০ × ১৮)/৫
= ১০৮ কি.মি./ঘণ্টা
সুতরাং, গাড়িটির ঘন্টায় গতিবেগ ১০৮ কি.মি. প্রতি ঘণ্টা।
প্রশ্ন: “AI slop” শব্দের অর্থ কী?
সমাধান:
- “AI slop” শব্দের অর্থ হলো নিম্নমানের AI কনটেন্ট।
- এটি এমন কনটেন্টকে বোঝায় যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তৈরি হলেও মান বা গুণগত দিক থেকে খারাপ, অসঙ্গতিপূর্ণ বা অপ্রয়োজনীয় হতে পারে।
- উদাহরণস্বরূপ, একটি AI লেখা আর্টিকেল বা ছবি যা তথ্যগতভাবে ভুল বা অসম্পূর্ণ, বা ভাষাগতভাবে অস্বাভাবিক হয়, সেটি “AI slop” হিসেবে বিবেচিত হয়।
- এটি সাধারণত তখন ঘটে যখন AI মডেল যথাযথভাবে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নয়, বা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহৃত ডেটা মানসম্মত নয়।
- তাই “AI slop” মানে কেবল AI-তে ত্রুটি নয়, বরং মানহীন বা নিম্নমানের আউটপুট নির্দেশ করে।
- সঠিক উত্তর: গ) নিম্নমানের AI কনটেন্ট।
প্রশ্ন: একটি ফ্রন্ট ইঞ্জিনযুক্ত থাকা গাড়ি মৃদুভাবে এই ঢাল দিয়ে নিচে গড়িয়ে যায়। গাড়িটির শেষ পর্যন্ত অবস্থান কোথায় থাকবে?
সমাধান:
একটি ফ্রন্ট ইঞ্জিনযুক্ত থাকা গাড়ি মৃদুভাবে প্রশ্নে চিত্রে উল্লিখিত ঢাল দিয়ে নিচে গড়িয়ে যায়।
ঢাল বরাবর ঠিক নিচে গাড়িটির অবস্থান হবে B
এবং শেষ পর্যন্ত গাড়িটির অবস্থান কোথায় থাকবে - D অবস্থায়। (অপশন - ক)
বিস্তারিত "Physics" এর আলোকে ব্যাখ্যা -
১. ভরবণ্টন ও ভরকেন্দ্র (Center of Gravity):
সামনের দিকে ইঞ্জিনযুক্ত গাড়িতে ইঞ্জিনের অতিরিক্ত ওজনের কারণে ভরকেন্দ্র স্বাভাবিকের তুলনায় সামনের দিকে সরে থাকে। ফলে গাড়িটির ভারসাম্য সামনের দিকে বেশি ঝুঁকে থাকে।
২. ঢালু পথ ও গতিশক্তি (Momentum):
গাড়িটি ঢালু র্যাম্প বেয়ে নামার সময় মহাকর্ষজ বলের প্রভাবে গতি লাভ করে। এই গতি গাড়িটিকে একটি উল্লেখযোগ্য গতিশক্তি (Momentum) প্রদান করে, যা নিচে পড়ার সময়ও বজায় থাকে।
৩. মাটিতে আঘাত ও ঘূর্ণন বল (Torque):
গাড়িটি যখন নিচে পড়ে মাটিতে আঘাত করে, তখন সামনের অংশ আগে আঘাত পায়। এই অসম আঘাতের ফলে সামনের চাকাকে কেন্দ্র করে একটি ঘূর্ণন বল (Torque) সৃষ্টি হয়, যা গাড়িটিকে সামনে দিকে ঘোরাতে শুরু করে।
৪. কৌণিক ভরবেগ (Angular Momentum):
মাটিতে আঘাতের সময় গাড়ির কৌণিক ভরবেগ হঠাৎ পরিবর্তিত হয়। সামনের দিকে ভরকেন্দ্র থাকার কারণে এই কৌণিক ভরবেগ গাড়িটিকে সামনের দিকে উল্টে যেতে সাহায্য করে।
৫. চূড়ান্ত অবস্থা:
এই সকল বল ও গতির সম্মিলিত প্রভাবে গাড়িটি সম্পূর্ণভাবে সামনে দিকে উল্টে গিয়ে ছাদের ওপর উল্টো অবস্থায় স্থির হয়।
- পদার্থবিজ্ঞানের নিয়ম অনুযায়ী, সামনের দিকে বেশি ভরযুক্ত কোনো বস্তু যদি গতি নিয়ে অল্প উচ্চতা থেকে পড়ে, তবে তার সামনের দিকে উল্টে যাওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। তাই এই অবস্থায় অপশন D-ই সবচেয়ে যুক্তিসঙ্গত ফলাফল।
প্রশ্ন: যদি কোনো কোড COMPUTER || DPNQVUFS হয়, তাহলে নিচের কোন কোডটি সঠিক হবে?
সমাধান:
C → D → +1
O → P → +1
M → N → +1
P → Q → +1
U → V → +1
T → U → +1
E → F → +1
R → S → +1
নিয়ম: প্রতিটি অক্ষরকে +1 করা হয়।
মূল শব্দ: K E Y B O A R D
+1 প্রতিটি অক্ষরে:
K → L
E → F
Y → Z
B → C
O → P
A → B
R → S
D → E
তাহলে কোড: LFZCPBSE
যদি কোনো কোড COMPUTER || DPNQVUFS হয়, তাহলে KEYBOARD || LFZCPBSE সঠিক।
প্রশ্ন: দুই নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চল এবং দুই নদীযুক্ত বা দুই নদী-বিধৌত দেশকে কী বলা হয়?
সমাধান:
সঠিক উত্তর - উপরের সবগুলো।
দুই নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চল এবং দুই নদীযুক্ত বা দুই নদী-বিধৌত দেশকে - "দোয়াব, দোআব, দুআব" বলা হয়।
প্রশ্ন: ধারাটির পরবর্তী ছবি কোনটি?
সমাধান:
S → N → L → Y → ২-এর উপরে লাইন → ?
লক্ষ্য হলো প্রশ্নবোধক চিহ্নের জন্য কোন প্রতীকটি হবে।
প্রদত্ত অপশন গুলো হচ্ছে:
উল্টো Z
X
O
C
ধারার প্রতীকগুলো ঘুরানো অক্ষর/সংখ্যা এর মতো।
প্রতিটি প্রতীক ৯০° ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরানো হয় পরবর্তী প্রতীক পেতে।
উদাহরণ:
S ঘুরালে N হয়ে যায়
N ঘুরালে L হয়ে যায়
L ঘুরালে Y হয়ে যায়
Y ঘুরালে 2-এর মতো কিছু তৈরি হয়
এবার 2-এর উপরের লাইনসহ প্রতীকটি আরও ৯০° ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরালে C-এর মতো প্রতীক পাওয়া যায়।
তাই সঠিক উত্তর:
(3) C-এর মতো প্রতীক।
প্রশ্ন: যদি "জেট ইঞ্জিন" উড়োজাহাজের সাথে যুক্ত হয়, তাহলে "সার্চ ইঞ্জিন" কোন ক্ষেত্রের সাথে যুক্ত?
সমাধান:
- যে যন্ত্র দ্বারা তাপশক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করা যায় তাকে তাপীয় ইঞ্জিন বলে।
- যেমন বাষ্পীয় ইঞ্জিন, পেট্রোল ইঞ্জিন, ডিজেল ইঞ্জিন ইত্যাদি।
- সার্চ ইঞ্জিন হচ্ছে এমন এক ধরনের টুল যার সাহায্যে ইন্টারনেটে থাকা অনেক ধরনের তথ্য থেকে সহজেই যেকোনো তথ্য খুঁজে বের করা যায়।
- সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ দিয়ে আমরা বিভিন্ন তথ্য জানতে পারি।
• যদি "জেট ইঞ্জিন" উড়োজাহাজের সাথে যুক্ত হয়, তাহলে "সার্চ ইঞ্জিন" - "ইন্টারনেটের" সাথে যুক্ত।
প্রশ্ন: N, M, D, B ও J এর মধ্যে N, M থেকে বয়সে বড়। D, J থেকে বয়সে ছোট। N, B থেকে বয়সে ছোট। M, J থেকে বয়সে বড়। বয়সে সবচেয়ে ছোট কে?
সমাধান:
সম্পর্কগুলো:
N > M
j > D
B > N
M > J
∴ B > N > M > J > D
অতএব, বয়সে সবচেয়ে ছোট D.
• SRAM (Static RAM) এবং DRAM (Dynamic RAM) হলো দুই ধরনের র্যাম, কিন্তু তাদের কাজের ধরন ভিন্ন। SRAM ফ্লিপ-ফ্লপ সার্কিট ব্যবহার করে ডেটা সংরক্ষণ করে, তাই এটি DRAM-এর তুলনায় দ্রুততর অ্যাক্সেস সময় প্রদান করে। DRAM প্রতিটি সেলে ক্যাপাসিটার ব্যবহার করে, যা সময়ে সময়ে রিফ্রেশ করতে হয়। সেজন্য DRAM ধীর এবং অতিরিক্ত রিফ্রেশ চক্রের প্রয়োজন হয়। SRAM-এর প্রধান সুবিধা হলো ডেটা দ্রুত পড়া বা লেখা যায় এবং রিফ্রেশের প্রয়োজন নেই, যদিও এটি দামি এবং কম ঘনত্বের। সুতরাং, SRAM-এর DRAM-এর তুলনায় সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো দ্রুততর অ্যাক্সেস সময়।
- সঠিক উত্তর: গ) দ্রুততর অ্যাক্সেস সময়।
স্ট্যাটিক র্যাম (Static RAM):
- স্ট্যাটিক র্যাম ফ্লিপ-ফ্লপ দ্বারা গঠিত যা বাইনারি বিট ০ ও ১ ধারণ করে।
- এ ধারণকৃত ডাটা ততক্ষণ পর্যন্ত মেমোরিতে থাকে যতক্ষণ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকে।
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে মেমোরিতে রক্ষিত ডাটা মুছে যায়।
- স্ট্যাটিক র্যাম অত্যন্ত দ্রুতগতিসম্পন্ন হয় বলে এটা ভিডিও র্যাম, ক্যাশ মেমোরি ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
• মাদারবোর্ডে সরাসরি ইনস্টল হওয়া প্রধান কম্পোনেন্ট যা প্রোগ্রাম নির্দেশনা প্রক্রিয়ার জন্য কাজ করে তা হলো CPU (Central Processing Unit)। এটি কম্পিউটারের “মস্তিষ্ক” হিসেবে পরিচিত, কারণ এটি সমস্ত নির্দেশনা গ্রহণ, ব্যাখ্যা ও কার্যকর করার ক্ষমতা রাখে। যখন কোনো প্রোগ্রাম চালানো হয়, তখন CPU মেমরি থেকে নির্দেশনা নিয়ে তা প্রসেস করে ফলাফল তৈরি করে। অন্যদিকে, RAM হলো অস্থায়ী ডেটা সংরক্ষণকারী, GPU গ্রাফিক্স প্রক্রিয়ার জন্য বিশেষায়িত, এবং Hard Drive হলো স্থায়ী ডেটা সংরক্ষণ করার জন্য। তাই সরাসরি প্রোগ্রাম প্রক্রিয়াকরণের জন্য মাদারবোর্ডে CPU ইনস্টল করা অপরিহার্য।
• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ড বা মেইনবোর্ড হলো কম্পিউটারের ভেতরে অবস্থিত সার্কিট বোর্ড যাতে সিস্টেম এর প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ডিভাইস পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং নতুন ডিভাইস সংযুক্ত করার ব্যাবস্থা থাকে।
- মাদারবোর্ড এর জন্য ভালো ব্র্যান্ডগুলো হলো: Gigabyte, Intel, Foxcon, Asus ইত্যাদি।
- মাদারবোর্ডকে প্রায়ই কম্পিউটার এর “মেরুদণ্ড” বা “ব্যাকবোন” বলা হয়, কারণ এটি সবকিছুকে একত্রে ধরে রাখে ও সংযোগ দেয়।
• গঠন ও উপাদান:
- ভিত্তি (Base): শক্ত, non-conductive (বিদ্যুৎ না পরিবাহিত) প্লাস্টিকের শীট।
- ট্রেস (Traces): পাতলা কপার বা অ্যালুমিনিয়ামের রেখা, যা সার্কিট গঠন করে।
- স্লট ও সকেট:
CPU (Central Processing Unit),
RAM (Random Access Memory),
Expansion Cards (যেমন: গ্রাফিক্স কার্ড)।
- পোর্ট ও সংযোগ: হার্ডড্রাইভ, ডিস্কড্রাইভ, ফ্রন্ট প্যানেল, মনিটর, কীবোর্ড, মাউসের সঙ্গে সংযোগ।
উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, ভোকেশনাল।
২। ব্রিটানিকা।
• “Write once, run anywhere” ধারণাটি Java প্রোগ্রামিং ভাষার সাথে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। Java ১৯৯৫ সালে Sun Microsystems দ্বারা উদ্ভাবিত হয়েছিল। এর মূল শক্তি হলো Java Virtual Machine (JVM), যা কোডকে প্ল্যাটফর্ম-নিরপেক্ষভাবে চালাতে সক্ষম করে। অর্থাৎ, একবার প্রোগ্রাম লেখা হলে তা যেকোনো অপারেটিং সিস্টেমে পুনরায় কম্পাইল না করেও চলতে পারে। Java এর এই বৈশিষ্ট্য সফটওয়্যার ডেভেলপারদের জন্য সময় এবং শ্রম বাঁচায়, কারণ আলাদা-আলাদা প্ল্যাটফর্মের জন্য আলাদা কোড লিখতে হয় না। এর কারণে Java ওয়েব, মোবাইল এবং এন্টারপ্রাইজ অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে খুব জনপ্রিয়। তাই “Write once, run anywhere” ধারণার উদ্ভাবক হলো Java।
- উত্তর: ক) Java.
• প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ:
- কম্পিউটার সিস্টেমে প্রোগ্রাম রচনার জন্য ব্যবহৃত শব্দ, বর্ণ, অঙ্ক, সংকেত এবং এগুলো বিন্যাসের নিয়মগুলোকে একত্রে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বলা হয়।
- বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
1. Machine Language,
2. Assembly Language,
3. High Level Language,
4. Very High Level Language and
5. Natural Language
• জাভা (Java):
- জাভা (Java) একটি হাই লেভেল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।
- ১৯৯১ সালে সান মাইক্রো সিস্টেম জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের সূচনা করে।
- ১৯৯৫ সালে জেমস গসলিং জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ উদ্ভাবন করে।
• পাইথন (Python):
- পাইথন(Python) একটি হাই লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।
- ১৯৮৯ সালে ভ্যান রোসাম পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ উদ্ভাবন করে।
• C#:
- C# একটি অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড, কম্পোনেন্ট-ভিত্তিক প্রোগ্রামিং ভাষা।
• Ruby:
- Ruby একটি ডাইনামিক এবং ওপেন সোর্স প্রোগ্রামিং ভাষা, যা ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়।
উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২) সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
• উক্ত ঘটনাটি সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং আক্রমণ। এখানে সাইবার অপরাধী নিজেকে আইটি সাপোর্ট কর্মী হিসেবে পরিচয় দিয়ে কর্মচারীর বিশ্বাস অর্জন করে এবং সেই বিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে লগইন ক্রেডেনশিয়াল সংগ্রহ করে। এই ধরনের আক্রমণে প্রযুক্তিগত দুর্বলতার চেয়ে মানুষের মনস্তত্ত্বকে টার্গেট করা হয়। কর্মচারী মনে করে সে বৈধ সহায়তা পাচ্ছে, তাই নিজের সংবেদনশীল তথ্য স্বেচ্ছায় দিয়ে দেয়। এটি ডিডস বা কী-লগিং নয়, কারণ এখানে কোনো সিস্টেমে ট্রাফিক আক্রমণ বা কিবোর্ড ইনপুট রেকর্ড করা হচ্ছে না। যদিও ফিশিংয়ের সাথে মিল আছে, তবে সরাসরি মানবিক প্রতারণার কারণে এটি সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং। সঠিক উত্তর: ঘ) সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং।
• সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং (Social Engineering):
- সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং হলো এমন একটি সাইবার আক্রমণ যেখানে অপরাধী মানুষের বিশ্বাস, ভয় বা অসতর্কতাকে কাজে লাগায়।
- এই আক্রমণে সরাসরি প্রযুক্তিগত দুর্বলতা নয়, বরং মানবিক দুর্বলতাকে টার্গেট করা হয়।
- অপরাধী নিজেকে আইটি সাপোর্ট, ব্যাংক কর্মকর্তা বা বিশ্বস্ত কোনো ব্যক্তি হিসেবে পরিচয় দেয়।
- এর মাধ্যমে সে ভুক্তভোগীর কাছ থেকে লগইন আইডি, পাসওয়ার্ড বা সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করে।
- এখানে ব্যবহারকারী নিজেই অজান্তে তার তথ্য অপরাধীর হাতে তুলে দেয়।
- প্রশ্নে উল্লেখিত ঘটনায় অপরাধী নিজেকে আইটি সাপোর্ট পরিচয় দিয়ে ক্রেডেনশিয়াল নিয়েছে, যা সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের স্পষ্ট উদাহরণ।
• ফিশিং (Phishing):
- ফিশিং হলো সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের একটি উপধরন।
- সাধারণত ভুয়া ইমেইল, এসএমএস বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তথ্য চুরি করা হয়।
- তবে প্রশ্নে সরাসরি ব্যক্তিগতভাবে নিজেকে আইটি সাপোর্ট পরিচয় দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, যা সাধারণ ফিশিংয়ের চেয়ে সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সাথে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ।
• কী-লগিং (Key Logging):
- কী-লগিং হলো একটি প্রযুক্তিগত আক্রমণ যেখানে সফটওয়্যার বা হার্ডওয়্যার ব্যবহার করে কিবোর্ডে টাইপ করা তথ্য রেকর্ড করা হয়।
- এখানে ব্যবহারকারীর সাথে সরাসরি প্রতারণা করে তথ্য নেওয়া হয় না।
- তাই প্রশ্নের ঘটনার সাথে এটি সম্পর্কিত নয়।
• ডিডস (DDoS):
- ডিডস আক্রমণে একসাথে অনেক ডিভাইস থেকে সার্ভারে অতিরিক্ত অনুরোধ পাঠানো হয়।
- এর উদ্দেশ্য হলো সিস্টেম অচল করে দেওয়া।
- এটি কোনোভাবেই লগইন তথ্য চুরির সাথে সম্পর্কিত নয়।
সুতরাং, একজন সাইবার অপরাধী নিজেকে আইটি সাপোর্ট পরিচয় দিয়ে কর্মচারীর কাছ থেকে লগইন ক্রেডেনশিয়াল নেওয়ার আক্রমণের ধরন হলো
সঠিক উত্তর: ঘ) সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং।
উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
- IBM. [link]
• বড় ডেটা দ্রুত সারসংক্ষেপ করার জন্য এক্সেলে সবচেয়ে কার্যকর ফিচার হলো Pivot Table। Pivot Table ব্যবহার করে আমরা বিভিন্ন কালের, বিভাগের বা মানের ভিত্তিতে ডেটাকে সংক্ষিপ্তভাবে উপস্থাপন করতে পারি। এটি আমাদের সংখ্যা, যোগফল, গড়, কাউন্ট ইত্যাদি সহজভাবে বিশ্লেষণ করতে সাহায্য করে। এছাড়া Pivot Table ব্যবহার করে একাধিক স্তরে ডেটা সাজানো, ফিল্টার করা এবং গ্রুপ করা যায়, যা বড় ডেটাসেটের মধ্যে প্যাটার্ন বা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দ্রুত চিহ্নিত করতে সহায়ক। অন্য ফিচার যেমন Conditional Formatting, AutoFill বা Chart Wizard মূলত ভিজ্যুয়ালাইজেশন বা ডেটা পূরণের কাজে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু ডেটার সারসংক্ষেপ বা বিশ্লেষণে Pivot Table সবচেয়ে কার্যকর।
• Application Software:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।
যেমন-
• Spreadsheet Package Program :
- Lotus 1-2-3,
- MS Excel,
- Quattro Pro.
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• কিউআর কোড স্ক্যান করার জন্য প্রধানত ক্যামেরা (Camera) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। কিউআর কোড হলো একটি দুই-মাত্রিক বারকোড যা বিভিন্ন তথ্য যেমন লিঙ্ক, টেক্সট বা যোগাযোগের তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে। স্ক্যান করার সময়, স্মার্টফোন বা ডিভাইসের ক্যামেরা কিউআর কোডের প্যাটার্নটি ক্যাপচার করে এবং সফটওয়্যার সেই প্যাটার্নকে ডিজিটাল তথ্য হিসেবে ডিকোড করে। Wi-Fi, Bluetooth বা NFC কিউআর কোডের তথ্য প্রাপ্তিতে সরাসরি কাজ করে না; তারা মূলত ডেটা ট্রান্সফার বা সংযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই, কিউআর কোড শনাক্তকরণ এবং ডিকোড করার মূল প্রযুক্তি হলো ক্যামেরা।
[- NFC (নিয়ার ফিল্ড কমিউনিকেশন) হলো একটি শর্ট-রেঞ্জ ওয়্যারলেস প্রযুক্তি, যা খুব কাছের দূরত্বে (সাধারণত কয়েক সেন্টিমিটার) ডিভাইসের মধ্যে তথ্য বিনিময় করতে ব্যবহৃত হয়। এটি মূলত কন্ট্যাক্টলেস পেমেন্ট বা ফোনের মধ্যে ফাইল শেয়ার করার জন্য উপযোগী।
কিন্তু NFC কোনো ভিজ্যুয়াল প্যাটার্ন পড়তে পারে না। কিউআর কোড হলো দুই-মাত্রিক গ্রাফিক্যাল কোড, যা কালো-সাদা স্কোয়ার দিয়ে তৈরি। এটি পড়ার জন্য ডিভাইসকে ক্যামেরা দিয়ে কোডটি “দেখতে” এবং সফটওয়্যারের মাধ্যমে ডিকোড করতে হয়। NFC শুধু রেডিও সিগন্যালের মাধ্যমে ডেটা ট্রান্সফার করে, ছবি বা প্যাটার্ন ডিকোড করতে পারে না।
সুতরাং, কিউআর কোড স্ক্যান করার জন্য মূল প্রযুক্তি হলো ক্যামেরা, NFC নয়।]
QR কোড:
- QR কোড হলো এক ধরনের বারকোড, যা ছোট কালো ও সাদা বর্গক্ষেত্র দিয়ে তৈরি।
- এই বর্গক্ষেত্রগুলিতে তথ্য সংরক্ষিত থাকে, যা সহজে কম্পিউটার বা স্মার্টফোন স্ক্যানার দিয়ে পড়া যায়।
- কালো-সাদা স্কোয়ারগুলোতে সংখ্যা, ইংরেজি অক্ষর বা এমনকি জাপানি কানজি ও অন্যান্য অ-ল্যাটিন অক্ষরও রাখা যেতে পারে।
• QR কোডের ব্যবহার:
- মূলত QR কোড তৈরি করা হয়েছিল অটোমোবাইল যন্ত্রাংশ ট্র্যাক করার জন্য।
- এখন এটি বিজ্ঞাপন, টিকিট, পণ্য ট্র্যাকিং এবং আরও নানা কাজে ব্যবহার করা হয়।
- QR কোডে ব্যবহৃত হয়- অপটিক্যাল রিডিং।
• QR কোড স্ক্যান ও বৈশিষ্ট্য:
- QR কোড স্ক্যান করতে ব্যবহারকারীদের ফোন বা লেজার স্ক্যানার প্রয়োজন হয়।
- বিশেষ সফটওয়্যার তথ্যটি ডিকোড করে দেখায়।
- সবচেয়ে বড় QR কোড (Version 40) 177 177 পিক্সেলের হয় এবং সবচেয়ে ছোট (Version 1) 21 × 21 পিক্সেলের হয়।
- Version 40 QR কোডে প্রায় 7,089টি সংখ্যা বা 4,296টি আলফানিউমেরিক অক্ষর সংরক্ষণ করা যায়।
উৎস: ব্রিটানিকা।
• ই-কমার্সে ব্যবহারকারীদের পণ্য সুপারিশ করার জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence, AI) প্রায়ই ব্যবহৃত হয়। AI পছন্দ, কেনাকাটার ইতিহাস, ব্রাউজিং আচরণ এবং অন্যান্য ব্যবহারকারীর ডেটা বিশ্লেষণ করে ব্যক্তিগতকৃত সুপারিশ তৈরি করতে সক্ষম। মেশিন লার্নিং অ্যালগরিদম ব্যবহার করে এটি ব্যবহারকারীর আগ্রহ অনুমান করে এবং তাদের সম্ভাব্য পছন্দের পণ্য দেখায়, যা বিক্রয় বাড়াতে এবং ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা উন্নত করতে সাহায্য করে। অন্য প্রযুক্তিগুলি যেমন 3D প্রিন্টিং, ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা ব্লকচেইন ই-কমার্সে সুপারিশের কাজের জন্য সাধারণত ব্যবহৃত হয় না। তাই ব্যবহারকারীদের লক্ষ্যভিত্তিক প্রস্তাব দেওয়ার ক্ষেত্রে AI সবচেয়ে কার্যকর।
• ই-কমার্স (E-Commerce):
- ইলেকট্রনিক কমার্সকেই সাধারণ অর্থে ই-কমার্স (e-commerce or eCommerce) বলা হয়।
- ইন্টারনেট বা অন্য কোনে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে কোনো পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয়, সরবরাহ, ব্যবসায় সংক্রান্ত লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিতভাবে ই-কমার্স বলে।
- পণ্য বা সেবার উপাদান, মার্কেটিং, ডেলিভারি, সার্ভিসিং, মূল্য লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিত ভাবে ই-কমার্স বলে।
• জনপ্রিয় ই-কমার্স সাইট গুলো হলো-
- www.alibaba.com,
- www.amazon.com,
- www.daraz.com,
- www.bikroy.com,
- www.ebay.com.
• ই-কমার্স এর ধরণঃ পণ্য বিক্রয়ক্ষেত্র ও লেনদেনের প্রকৃতি অনুযায়ী ই-কমার্সকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায়।
১। Business to Consumer (B2C),
২। Business to Business (B2B),
৩। Consumer to Business (C2B),
8। Consumer to Consumer (C2C).
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
• iOS ডিভাইসের জন্য অ্যাপ ডিস্ট্রিবিউশনের প্রধান প্ল্যাটফর্ম হলো App Store। এটি Apple দ্বারা পরিচালিত একটি ডিজিটাল মার্কেটপ্লেস যেখানে ব্যবহারকারীরা iPhone, iPad এবং iPod Touch-এর জন্য অ্যাপ্লিকেশন খুঁজে ডাউনলোড করতে পারে। App Store ব্যবহারকারীদের জন্য নিরাপদ এবং নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ নিশ্চিত করে, যেখানে প্রতিটি অ্যাপ Apple-এর মান ও নিরাপত্তা পরীক্ষা অতিক্রম করতে হয়। অন্য প্ল্যাটফর্ম যেমন Play Store মূলত Android ডিভাইসের জন্য, এবং iOS Store বা Apple Store নামে কোনো অফিসিয়াল অ্যাপ ডিস্ট্রিবিউশন প্ল্যাটফর্ম নেই। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) App Store.
• কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন অপারেটিং সিস্টেম, যা সিস্টেম সফটওয়্যার নামে পরিচিত কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপরেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- উদাহরণসমূহ:
- Microsoft Windows,
- Linux,
- UNIX,
- SUN SOLARIS,
- MacOS,
- Ubuntu ইত্যাদি।
• মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম:
- মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম হলো একটি OS যা শুধুমাত্র একটি মোবাইল ডিভাইসের জন্য তৈরি করা হয়, যেমন একটি স্মার্টফোন, ব্যক্তিগত ডিজিটাল সহকারী (PDA), ট্যাবলেট বা অন্যান্য এম্বেডেড মোবাইল OS।
- উদাহরণসমূহ:
- iOS,
- Symbian,
- Windows Phone OS,
- Android,
- Blackberry OS ইত্যাদি।
• অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড:
- অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড একটি বিখ্যাত আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- এটি কনজুমার ইলেকট্রিক, কম্পিউটার সফটওয়্যার, এবং অনলাইন সেবা ডিজাইন, ডেভলপ ও বিক্রি করে।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৬ সালের ১ এপ্রিল।
- প্রতিষ্ঠাতা: স্টিভ জবস, স্টিভ ওজনিয়াক এবং রোনাল্ড ওয়েন।
- স্লোগান: Think Different.
- সদর দপ্তর: কিউপারটিনো, ক্যালিফোর্নিয়ায়, যুক্তরাষ্ট্র।
- অ্যাপলের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম অ্যাপল পার্ক।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
• স্ট্যান্ডার্ড EBCDIC (Extended Binary Coded Decimal Interchange Code) একটি চর (character) এনকোডিং সিস্টেম যা IBM তৈরি করেছে। এটি মূলত কম্পিউটার এবং মেইনফ্রেম সিস্টেমে অক্ষর এবং সংখ্যা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়। EBCDIC এ প্রতিটি অক্ষরকে একটি নির্দিষ্ট বাইনারি কোড দিয়ে উপস্থাপন করা হয়। স্ট্যান্ডার্ড EBCDIC অক্ষরের জন্য সাধারণত ৮ বিট ব্যবহার করা হয়, যা একটি বাইটের সমান। এটি ০ থেকে ২৫৫ পর্যন্ত মোট ২৫৬টি ভিন্ন মান উপস্থাপন করতে সক্ষম, যা বিভিন্ন অক্ষর, সংখ্যা এবং নিয়ন্ত্রণ সংকেত সংরক্ষণে যথেষ্ট। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) 8.
• ইবিসিডিক (EBCDIC) কোড:
- EBCDIC এর পূর্ণরূপ হলো Extended Binary Coded Decimal Interchange Code.
- এটি একটি 8 বিটের কোড।
- এই কোড দ্বারা 28 বা 256টি অংক, অক্ষর বা চিহ্ন প্রকাশ করা যায়।
- এই কোডে জোন বিট হিসেবে 0 থেকে 9 পর্যন্ত, সংখ্যার জন্য 1111, A থেকে Z পর্যন্ত বর্ণের জন্য 1100, 1101, 1110 এবং বিশেষ চিহ্নের জন্য 0100, 0101, 0110 ও 0111 ব্যবহৃত হয়।
- দশমিক সংখ্যাগুলোকে BCD 8421 কোডের মাধ্যমে প্রকাশ করে প্রত্যেক সংখ্যার সাথে 1111 যোগ করে EBCDIC কোড প্রকাশ করা হয়।
- যেমন: 5 কে EBCDIC এ প্রকাশ করতে হলে 5 কে প্রথমে BCD 8421 অর্থাৎ 0101 এ প্রকাশ করে এর সাথে 1111 যোগ করতে হবে। কাজেই 5 এর EBCDIC হবে 11110101.
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত - বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
• ডকুমেন্ট-অরিয়েন্টেড NoSQL ডাটাবেজ হলো এমন একটি ডাটাবেজ যা ডেটাকে ডকুমেন্ট আকারে সংরক্ষণ করে, সাধারণত JSON বা BSON ফরম্যাটে। এই ধরনের ডাটাবেজে প্রতিটি ডকুমেন্ট একটি স্বতন্ত্র ইউনিট হিসেবে থাকে এবং বিভিন্ন ধরনের ডেটা একটি ডকুমেন্টে সহজে রাখা যায়। তালিকাভুক্ত অপশনগুলোর মধ্যে, MongoDB একটি ডকুমেন্ট-অরিয়েন্টেড ডাটাবেজ। এটি ফ্লেক্সিবল স্কিমা সমর্থন করে এবং ডকুমেন্টগুলোকে সংগ্রহ (collection) আকারে সংরক্ষণ করে। অন্যদিকে Neo4j হলো গ্রাফ-ডাটাবেজ, Cassandra হলো কলাম-অরিয়েন্টেড ডাটাবেজ, আর Redis হলো কী-ভ্যালু স্টোর। তাই MongoDB একমাত্র ডকুমেন্ট-অরিয়েন্টেড।
ডাটাবেজ প্রোগ্রাম:
- ডাটা বা তথ্য ব্যবস্থপনার জন্য সর্বোকৃষ্ট প্রোগ্রাম হল ডাটাবেজ। বড় বড় কোম্পানি, শিল্প-কারখানা, অফিস আদালত ইত্যাদিতে কর্মচারীদের নাম, ঠিকানা, পদবী, বেতন ইত্যাদি বিস্তারিত বিবরণ, আমদানী, রপ্তানী ইত্যাদি তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজ ডাটাবেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে করা হয়।
- অর্থাৎ যে কোন বড় ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজ ডাটাবেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে অতি সহজে, সুষ্ঠুভাবে এবং নির্ভুলভাবে করা যায়।
- ডিবেজ থ্রি (Debase III), ডিবেজ থ্রি প্লাস (Debase III+), ডিবেজ ফোর (Debase IV), ফক্সবেজ (Foxbase), ফক্সপ্রো (Fox Pro) ইত্যাদি ডাটাবেজ সংক্রান্ত বহুল ব্যবহুত প্যাকেজ সফট্ওয়্যার।
- মাইক্রোসফট ভিত্তিক ডাটাবেজ প্রোগ্রাম হল মাইক্রোসফট একসিস (Microsoft Access)।
NoSQL ডাটাবেজ:
- NoSQL ডাটাবেজগুলি নন-রিলেশনাল ডাটাবেজ, যা রিলেশনাল ডাটাবেজ (যেমন: MySQL, Oracle, SQL Server) থেকে ভিন্ন।
- এগুলি স্কিমা-লেস ডিজাইন এবং স্কেলেবিলিটির জন্য উপযোগী।
- NoSQL ডাটাবেজের উদাহরণগুলির মধ্যে রয়েছে MongoDB, Cassandra, Redis, Amazon DynamoDB, Couchbase ইত্যাদি।
উৎস:
১। কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Amazon ওয়েবসাইট।
• ISDN (Integrated Services Digital Network) হলো একটি ডিজিটাল ট্রান্সমিশন পদ্ধতি যা ভয়েস, ডেটা, ভিডিও এবং অন্যান্য সার্ভিস একই লাইন ব্যবহার করে প্রেরণ করতে সক্ষম। এটি মূলত ডিজিটাল ট্রান্সমিশন ব্যবহার করে, যা সিগন্যালকে বাইনারি ফর্মে (০ এবং ১) প্রেরণ করে। ISDN-এর প্রধান সুবিধা হলো এটি অ্যানালগ লাইন ব্যবহারের পরিবর্তে পুরোপুরি ডিজিটাল লিংক ব্যবহার করে, ফলে ডেটা ট্রান্সমিশনের গতি ও মান উন্নত হয়। এটি দ্রুত সংযোগ স্থাপন, নির্ভরযোগ্য যোগাযোগ এবং একাধিক সার্ভিস একসাথে ব্যবহারের সুযোগ দেয়। সুতরাং, ISDN এর ট্রান্সমিশন পদ্ধতি হলো শুধু ডিজিটাল।
- উত্তর: খ) শুধু ডিজিটাল।
• ইন্টারনেটের সংযোগ পদ্ধতি:
- বর্তমানে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে অনেক ধরনের পদ্ধতি আছে। বহুল প্রচলিত পদ্ধতিগুলো হলো-
১. ডায়াল আপ সিস্টেম (Dial-Up System)
২. আইএসডিএন (ISDN)
৩. ব্রডব্যান্ড (Broadband)
৪. ওয়াই-ফাই (Wi-Fi)
৫. ওয়াইম্যাক্স (WiMax)
• ISDN:
- ISDN-এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Integrated Service Digital Network.
- এটি নিয়মিত টেলিফোনের বিকল্প এক ধরনের টেলিফোন সার্ভিস।
- ISDN-এর সুবিধা হচ্ছে এটি নিয়মিত টেলিফোন লাইনের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি দ্রুত ডেটা ট্রান্সমিশন বা আদান-প্রদান করতে পারে।
- তবে এটি সাধারণ টেলিফোন লাইনের তুলনায় অনেক বেশি ব্যয়বহুল।
- বড় বড় প্রতিষ্ঠান যেখানে প্রতিনিয়ত বিপুল পরিমাণ ডেটা আদান-প্রদান করেতে হয়, সেখানে এ ধরনের সার্ভিস ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• “Bluetooth” মূলত রেডিও ওয়েভের মাধ্যমে ডিভাইসগুলোকে সংযুক্ত করে। এটি একটি ওয়্যারলেস প্রযুক্তি যা কম শক্তি ব্যবহার করে শর্ট-রেঞ্জে তথ্য আদান-প্রদান করতে সক্ষম। Bluetooth ডিভাইসগুলো সাধারণত ২.৪ গিগাহার্টজ ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড ব্যবহার করে, যা ফোন, হেডফোন, ল্যাপটপ, স্মার্টওয়াচ ইত্যাদি ডিভাইসকে একে অপরের সাথে সংযুক্ত করে। এটি সংযোগ স্থাপনের জন্য কেবল বা তারের প্রয়োজন হয় না এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডিভাইসগুলোকে পেয়ার করতে পারে। Bluetooth এর মাধ্যমে ডেটা স্থানান্তর, অডিও স্ট্রিমিং, এবং বিভিন্ন ডিভাইসের মধ্যে কমান্ড আদান-প্রদান করা যায়, যা দৈনন্দিন জীবনে প্রযুক্তিকে আরও সুবিধাজনক করে তোলে।
- সঠিক উত্তর: ক) রেডিও ওয়েভ।
ব্লুটুথ (Bluetooth):
- ব্লুটুথ Radio technology ব্যবহার করে। ১৯৮৯ সালে ‘Bluetooth’ প্রবর্তন করা হয়।
- ব্লুটুথ হচ্ছে তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক প্রটোকল যা স্বল্প দূরত্বে ডেটা আদান প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এর দূরত্ব সাধারণত ১০ থেকে ১০০ মিটার হয়ে থাকে।
- RS-232 ডেটা ক্যাবলের বিকল্প হিসেবে সুইডিশ এর এরিকসন কোম্পানি ১৯৯৪ সালে ব্লুটুথ উদ্ভাবন করে।
- ডেনমার্কের রাজা Harald Bluetooth-এর নাম অনুসারে ব্লুটুথের নামকরণ করা হয়।
- ব্লুটুথ নেটওয়ার্ককে পিকোনেটও বলা হয়।
- এর আওতায় সর্বোচ্চ ৮ (আট) টি যন্ত্রের সাথে সিগন্যাল আদান-প্রদান করতে পারে।
- এর মধ্যে একটি মাস্টার ডিভাইস এবং বাকিগুলাে স্লেভ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
- কতকগুলাে পিকোনেট মিলে আবার একটি স্ক্যান্টারনেট গঠিত হতে পারে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
• IoT (Internet of Things) বাস্তবায়নে প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো ডেটা সিকিউরিটি এবং প্রাইভেসি। যেহেতু IoT ডিভাইসগুলি সংযুক্ত থাকে এবং প্রতিনিয়ত ব্যবহারকারীর তথ্য সংগ্রহ ও আদানপ্রদান করে, তাই ডেটা লিক, হ্যাকিং বা অননুমোদিত অ্যাক্সেসের ঝুঁকি খুব বেশি থাকে। এছাড়াও, ব্যক্তিগত তথ্য যেমন স্বাস্থ্য, অবস্থান বা আর্থিক ডেটা সুরক্ষার অভাব ব্যবহারকারীর বিশ্বাস ক্ষুণ্ন করতে পারে। অন্যান্য অপশন যেমন কীবোর্ড লেআউট, ডিসপ্লে রেজোলিউশন বা উচ্চ-স্পিড কম্পিউটেশন প্রযুক্তিগত সমস্যা হলেও IoT বাস্তবায়নের সুরক্ষা ও প্রাইভেসি সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জের তুলনায় এদের গুরুত্ব কম। তাই নিরাপদ এবং বিশ্বাসযোগ্য IoT ব্যবস্থার জন্য ডেটা সিকিউরিটি ও প্রাইভেসি নিশ্চিত করা অপরিহার্য।
ইন্টারনেট অফ থিংস (Internal of things - IoT):
- ইন্টারনেট অফ থিংস (IOT) হলো পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত এমন একটি সনাক্তকারী কম্পিউটিং ডিভাইস, যা একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মানুষের সাথে মানুষের বা মানুষের সাথে কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করতে সাহায্য করে।
- এটি ইন্টারনেটের সাথে শারীরিক ডিভাইস এবং দৈনন্দিন বস্তুকে সংযুক্ত করার ধারণাকে বোঝায়, তাদের ডেটা সংগ্রহ এবং বিনিময় করার অনুমতি দেয়।
- এই সংযুক্ত ডিভাইসগুলি স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট এবং রেফ্রিজারেটরের মতো গৃহস্থালীর যন্ত্রপাতি থেকে শুরু করে শিল্প মেশিন, পরিধানযোগ্য এবং যানবাহন পর্যন্ত হতে পারে।
- IoT-এর প্রাথমিক লক্ষ্য হল এই ডিভাইসগুলিকে একে অপরের সাথে এবং কেন্দ্রীভূত সিস্টেম বা ক্লাউড প্ল্যাটফর্মের সাথে যোগাযোগ করতে সক্ষম করা।
IoT এর উদাহরণ:
- স্মার্ট হোম ডিভাইস (যেমন স্মার্ট লাইট, স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট)।
- ওয়্যারেবল ডিভাইস (যেমন ফিটনেস ট্র্যাকার)।
- শিল্পক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রপাতি (Industrial IoT)।
উৎস: ব্রিটানিকা।
• ক্লাউড কম্পিউটিং-এ “ইলাস্টিসিটি” বলতে বোঝায় যে সিস্টেম বা পরিষেবা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যবহারকারীর চাহিদা অনুযায়ী কম্পিউটিং রিসোর্স (যেমন CPU, মেমোরি, স্টোরেজ) বাড়াতে বা কমাতে পারে। এটি মূলত লোডের ওঠা-নামার সঙ্গে খাপ খাইয়ে দ্রুত স্কেলিং করার ক্ষমতা নির্দেশ করে। উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো ওয়েবসাইটে হঠাৎ প্রচুর ট্রাফিক আসে, ইলাস্টিসিটি রিসোর্স বাড়িয়ে সাইটের পারফরম্যান্স বজায় রাখে, আর ট্রাফিক কমলে অপ্রয়োজনীয় রিসোর্স কমিয়ে খরচও কমায়। তাই ইলাস্টিসিটি ক্লাউডের অন্যতম মূল সুবিধা, যা ব্যবহারকারীকে কার্যকর, নমনীয় ও খরচ-সাশ্রয়ী সমাধান দেয়।
- সঠিক উত্তর: খ) স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিসোর্স বাড়ানো বা কমানোর ক্ষমতা।
ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড অর্থ হচ্ছে মেঘ। আসলে ক্লাউড শব্দটি ইন্টারনেটের রূপক হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
- আকাশে সর্বত্র যেভাবে মেঘ ছড়িয়ে আছে, ইন্টারনেটও ঠিক তেমনিভাবে সর্বত্র জালের মত ছড়িয়ে আছে।
- ইন্টারনেটের মেঘ থেকে সর্বনিম্ন খরচে সর্বোচ্চ সুবিধা পাওয়ার উপায় বের করতে গিয়েই ক্লাউড কম্পিউটিং এর জন্ম হয়।
- অর্থনৈতিক এবং প্রযুক্তিগত দিক থেকে কম্পিউটারের জগতে ক্লাউড কম্পিউটিং এক নতুন বিপ্লবের সূচনা করেছে।
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়্যার ভাড়া নেওয়া।
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশকে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত অ্যামাজোন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
- ২০১০ সালে The Rackspace Cloud এবং NASA মুক্ত অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস শুরু করে। এভাবেই ক্লাউড কম্পিউটিং জন সাধারণের হাতের মুঠোয় আসে।
- যুক্তরাষ্ট্রের "ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব স্ট্যন্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST)" এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিম্নোক্ত ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে-
১. রিসোর্স স্কেলেবিলিটি:
- ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে সেবা দাতা ততোই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।
২. অন-ডিমান্ড:
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।
৩. পে-অ্যাজ-ইউ-গো:
- এটা একটি পেমেন্ট মডেল। ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না। ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• A5A একটি হেক্সাডেসিমাল (Hex) সংখ্যা, যেখানে A এর মান ১০ এবং 5 এর মান ৫ ধরা হয়। হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতিতে ভিত্তি হলো ১৬। তাই A5A সংখ্যাটিকে দশমিকে রূপান্তর করতে হলে প্রতিটি অঙ্ককে ১৬-এর ঘাত দিয়ে গুণ করতে হয়। সুতরাং A5A (Hex) সংখ্যার সমতুল্য Decimal মান হলো 2650 এবং সঠিক উত্তর খ) 2650.
হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য সংখ্যাটির প্রত্যেক অংককে নিজ নিজ স্থানীয় মান দ্বারা গুণ করে প্রাপ্ত গুণফলসমূহকে যোগ করতে হবে। এভাবে প্রাপ্ত যোগফলই হবে উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার সমতুল্য দশমিক সংখ্যা।
- হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ১৬ দ্বারা গুণ করতে হবে।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ১৬ এর ঘাত ০ হতে বাড়তে থাকবে। যেমন- একক স্থানীয় অংকটিকে ১৬০ দ্বারা, দশক স্থানীয় অংকটিকে ১৬১ দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে ১৬২ দ্বারা,.....গুণ করতে হবে।
- এক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে যে, হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির কোন অংক A, B, C, D, E ও F হলে যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪ ও ১৫ দিয়ে গুণ করতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়া যাবে।
এখানে,
A5A = (A × 162) + (5 × 161) + (A × 160)
= (10 × 256) + (5 × 16) + (10 × 1)
= 2560 + 80 + 10
= 2650
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- গ্লিসারিন একটি অ-উদ্বায়ী (non-volatile) পদার্থ। এর স্ফুটনাঙ্ক বেশি এবং বাষ্পের চাপ কম, তাই এটি সহজেই গ্যাসের আকারে বাষ্পীভূত হয় না। গ্লিসারিন হচ্ছে সাবান তৈরির সময় উপজাত হিসেবে পাওয়া যায়।
উদ্বায়ী পদার্থ:
- যে প্রক্রিয়ায় কোনো কঠিন পদার্থে তাপ প্রয়োগ করা হলে কঠিন পদার্থটি তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়, সেই প্রক্রিয়াকে ঊর্ধ্বপাতন বলে।
যেমন- নিশাদল (NH4Cl), কর্পূর (C10H16O), ন্যাপথলিন (C10H8), কঠিন কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2), আয়োডিন (I2), অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড (AlCl3) ইত্যাদি পদার্থগুলোতে তাপ প্রয়োগ করা হলে এগুলো তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়।
- এই উল্লিখিত পদার্থগুলোকে উদ্বায়ী পদার্থ বলা হয়।
উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
- ফোটন হলো আলোর মৌলিক কণা এবং এটি তড়িৎ নিরপেক্ষ, অর্থাৎ এর কোনো বৈদ্যুতিক চার্জ নেই। এই কারণে এটি তড়িৎ ক্ষেত্র বা চৌম্বক ক্ষেত্র দ্বারা প্রভাবিত বা বিচ্যুত হয় না।
ফোটন কণা:
- ফোটন কণা তাড়িতচৌম্বক বল বহন করে।
- ফোটন কণার নিশ্চল ভর শূন্য (০)।
- প্রতিটি কোয়ান্টাম আকার তার বা শক্তি তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গের কম্পাংকের উপর নির্ভরশীল।
- কোয়ান্টাম তত্ত্বের মূল কথা হলো, তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ তরঙ্গধর্মী নয়, বরং এক ধরণের কণার স্রোত, এই কণার নাম ফোটন (Photon)।
ফোটন কণার ধর্মসমূহ:
১। প্রতিটি ফোটন কণাই তড়িৎ নিরপেক্ষ।
২। শূন্য মাধ্যমে প্রতিটি ফোটন কণাই আলোর বেগে (C = 3×108 ms-1) চলাচল করে। কোনো ঘটনাতেই ফোটনের বেগের কোনো হ্রাস বৃদ্ধি ঘটে না। ৩। প্রতি ফোটন দ্বারা বাহিত শক্তির পরিমান E = hf (যেখানে f = বিবিরণের কম্পাঙ্ক, h = প্লাংকের ধ্রুবক)। ফোটনের স্রোতে ফোটন কণার সংখ্যা যত বেশি হয়, বাহিত শক্তির পরিমাণও তত বেশি হয়, ফলে বিকিরণের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়।
৪ । নিউটনীয় বলবিদ্যায় ফোটনের ভর ব্যাখ্যা করা যায় না। ফোটনের যে ভর আছে এই ধারণা বর্জনীয়। সহজে বলা যায়, ফোটনের স্থির ভর শূন্য।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- তড়িৎ রাসায়নিক কোষে রাসায়নিক শক্তি তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয় জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া বা রেডক্স (Redox) বিক্রিয়ার মাধ্যমে। এই প্রক্রিয়ায় ইলেকট্রনের স্থানান্তর ঘটে, যা বৈদ্যুতিক প্রবাহ তৈরি করে।
তড়িৎ রাসায়নিক কোষ:
- যে কোষে রাসায়নিক জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার ফলে রাসায়নিক শক্তি তড়িৎ শক্তিতে পরিণত হয়, তাকে তড়িৎ রাসায়নিক কোষ বলে।
- তড়িৎ রাসায়নিক কোষকে স্বতঃস্ফূর্ততার ভিত্তিতে দুই শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।
যেমন-
১। প্রাথমিক কোষ বা প্রাইমারি কোষ:
- যে তড়িৎ রাসায়নিক কোষ নিজের রাসায়নিক শক্তি থেকে সরাসরি তড়িৎ উৎপন্ন করে তড়িৎ প্রবাহ বজায় রাখে, তাকে প্রাথমিক কোষ বলে।
যেমন- ড্যানিয়েল কোষ, শুষ্ক কোষ বা ড্রাই সেল ইত্যাদি হলো প্রাথমিক কোষ।
২। সেকেন্ডারি কোষ বা সঞ্চয়ী কোষ:
- যে তড়িৎ রাসায়নিক কোষে বাইরে থেকে বিদ্যুত প্রবাহিত করে বিদ্যুত শক্তিকে রাসায়নিক শক্তি রূপে সঞ্চিত করা হয় এবং পরে ঐ রাসায়নিক শক্তিকে পুনরায় বিদ্যুত শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়, তাকে সেকেন্ডারি কোষ বলে।
যেমন- লেড-এসিড স্টোরেজ কোষ, নিকেল অক্সাইড সঞ্চয়ী কোষ, লেড সঞ্চয়ী কোষ ইত্যাদি হলো সেকেন্ডারি কোষ।
উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
- বেগ হলো একটি লব্ধ রাশি, যা সরাসরি মাপা যায় না, কিন্তু মৌলিক রাশি দৈর্ঘ্য এবং সময় থেকে নির্ণয় করা যায়। বেগকে দূরত্ব (দৈর্ঘ্য) এবং সময় দ্বারা ভাগ করে (বেগ = দূরত্ব / সময়) হিসাব করা হয়।
রাশি:
- বিশ্ব প্রকৃতির যা কিছু পরিামাপ করা যায় তাকে রাশি বলা হয়।
যেমন- একটি লোহার বলের ভর পরিমাপের করা যায়, ভর একটি রাশি। আবার কাপড়ের দৈর্ঘ্য পরিমাপ করা যায় যেখানে দৈর্ঘ্য একটি রাশি।
মৌলিক রাশি:
- যে সকল রাশি পরিমাপ করার জন্য অন্য কোন রাশির উপর নির্ভর করার প্রয়োজন হয় না, এ রাশিগুলোকে মৌলিক রাশি বলা হয়।
যেমন- সময় মাপতে অন্য কোন রাশির উপর নির্ভর করতে হয় না। সুতরাং সময় একটি মৌলিক রাশি।
- জ্ঞান বিজ্ঞানের সকল শাখায় বিজ্ঞানীরা পরিমাপের ক্ষেত্রে সাতটি রাশিকে মৌলিক রাশি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
যেমন- দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, তাপমাত্রা, তড়িৎপ্রবাহ, দীপন তীব্রতা এবং পদার্থের পরিমাণ।
লব্ধ বা যৌগিক রাশি:
- যে সকল রাশি মৌলিক রাশির উপর নির্ভরশীল অর্থাৎ মৌলিক রাশি থেকে পাওয়া যায়, তাদেরকে লব্ধ বা যৌগিক রাশি বলা হয়।
- এমন অনেক রাশি আছে যেগুলো মাপার জন্য অন্য রাশির দরকার হয়।
যেমন- বেগ পরিমাপের জন্য দূরত্ব এবং সময় এই রাশি দুটি জানার প্রয়োজন হয়। অতঃপর দূরত্বকে সময় দিয়ে ভাগ করে বেগের মান বের করতে হয়। এর থেকে বুঝা যায় যে, বেগ একটি লব্ধ বা যৌগিক রাশি।
- বেগ, ত্বরণ, কাজ, বল, তাপ, বিভব ইত্যাদি লব্ধ রাশির উদাহারণ।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- ভূমিকম্প হলো দুটি টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে সবচেয়ে বেশি ঘটা একটি দুর্যোগ। যখন এই প্লেটগুলো একে অপরের সাথে ধাক্কা খায়, একে অপরের নিচ দিয়ে চলে যায় বা পাশ কাটিয়ে যায়, তখন তাদের মধ্যে চাপ তৈরি হয়। যখন এই সঞ্চিত চাপ হঠাৎ মুক্ত হয়, তখন কেঁপে ওঠে এবং ভূমিকম্প হয়।
প্লেট টেকটোনিক তত্ত্ব:
- প্লেট টেকটোনিক তত্ত্বের মূল ধারণা হলো ভূ-পৃষ্ঠের নিচে পৃথিবীর শিলামণ্ডল কতগুলো অংশে বা খণ্ডে বিভক্ত যাদেরকে প্লেট বলা হয়। এই প্লেটগুলো গুরুমণ্ডলের আংশিক তরল অংশের উপরে ভাসমান অবস্থায় আছে।
- টেকটোনিক প্লেটগুলো প্রতি বছরে কয়েক সেন্টিমিটার কোনো একদিকে সরে যায়। প্লেটগুলো কখনও একটি থেকে আরেকটি দূরে সরে যায়, আবার কখনো কখনো একে অন্যের দিকে আসে। প্লেটগুলো কখনো কখনো বছরে কয়েক মিলিমিটার উপরে ওঠে আবার নিচে নামে।
- প্লেট টেকটোনিক তত্ত্ব দ্বারা ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির উদগীরণ ব্যাখ্যা করা যায়।
- দুটি টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে বেশি ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির উদগীরণের ঘটনা ঘটে।
- প্লেটগুলোর সংযোগস্থলে উঁচু পর্বত থাকলে ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির উদগীরণের ঘটনা আরও বাড়ে। ধারণা করা হয়, প্লেটগুলো একটি আরেকটির সাথে ঘষা বা ধাক্কা খেলে সেখানে প্রচুর তাপ সৃষ্টি হয়। তাপে ভূ-অভ্যন্তরের পদার্থ গলে যায়, এ গলিত পদার্থ চাপের ফলে নিচ থেকে ভূ-পৃষ্ঠ ভেদ করে বেরিয়ে আসে, একেই আগ্নেয়গিরির উদগীরণ বলে।
- বেরিয়ে আসা গলিত তরল পদার্থ ম্যাগমা নামে পরিচিত।
- একইভাবে প্লেটগুলো একটি অন্যটির সাথে ধাক্কা খেলে পৃথিবী কেঁপে ওঠে যা ভূমিকম্প নামে পরিচিত।
উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
- শৈবাল হলো ক্লোরোফিলযুক্ত সরল, থ্যালাস (সমাঙ্গদেহী) জাতীয় গঠনবিশিষ্ট স্বভোজী এবং প্রধানত জলজ জীবগোষ্ঠী। এদের দেহকে মূল, কাণ্ড, পাতা বা শাখাপ্রশাখায় বিভক্ত করা যায় না, তাই এদের সমাঙ্গদেহী উদ্ভিদ বলা হয়।
অপুষ্পক উদ্ভিদ:
- যেসব উদ্ভিদে ফুল, ফল ও বীজ উৎপন্ন হয় না তাদেরকে অপুষ্পক উদ্ভিদ বলে।
যেমন: মস, ফার্ন ইত্যাদি।
- এরা স্পোর বা রেনুর মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি করে থাকে।
- অপুষ্পক উদ্ভিদকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যেমন-
১। মসবর্গীয় উদ্ভিদ:
- এদের দেহ কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায়। কিন্তু মসবর্গীয় উদ্ভিদের মূল নেই, মূলের পরিবর্তে রাইজয়েড নামক সূত্রাকার অঙ্গ থাকে।
- সাধারণত এরা পুরানো ভেজা দেয়ালে কার্পেটের মতো নরম আস্তরণ করে জন্মায়।
যেমন: ব্রায়াম।
২। সমাঙ্গবর্গীয় উদ্ভিদ:
- এসব উদ্ভিদের দেহ মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায় না। এদের মধ্যে যাদের ক্লোরোফিল আছে, ফলে নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে, তারা শৈবাল।
যেমন: স্পাইরোগাইরা।
- আর যাদের দেহে ক্লোরোফিল নেই, ফলে নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে না, তারা ছত্রাক।
যেমন: এগারিকাস।
৩। ফার্নবর্গীয় উদ্ভিদ:
- ফার্নবর্গীয় উদ্ভিদের দেহ মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত। এদের দেহে পরিবহণ টিস্যু রয়েছে ও কচি পাতাগুলো কুণ্ডলীত থাকে।
- বাড়ির পাশে স্যাতস্যাতে ছায়াযুক্ত স্থানে এবং পুরানো দালানের প্রাচীরে এদের জন্মাতে দেখা যায়।
যেমন: টেরিস।
সপুষ্পক উদ্ভিদ:
- যেসব উদ্ভিদে ফুল উৎপন্ন হয় তাদেরকে সপুষ্পক উদ্ভিদ বলে।
যেমন: আম, কাঁঠাল, ধান, নারিকেল ইত্যাদি।
- এদের দেহ সুস্পষ্টভাবে মূল, কাণ্ড এবং পাতা বিভক্ত।
উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
- বাড়ি ও শিল্পকারখানায় অতিরিক্ত তড়িৎ প্রবাহজনিত দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ফিউজ বা সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার করা হয়, যা অতিরিক্ত কারেন্ট বা শর্ট সার্কিটের কারণে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে আগুন লাগা বা যন্ত্রপাতির ক্ষতি হওয়া থেকে রক্ষা করে।
ফিউজ ও সার্কিট ব্রেকার:
- যান্ত্রিক কারণে কোনো তড়িৎ যন্ত্রের মধ্য দিয়ে হঠাৎ তড়িৎ প্রবাহ বেড়ে গেলে যন্ত্রটি গরম হয়ে আগুন ধরে যেতে পারে। বাড়িতে, হাসপাতালে, বিদ্যালয়ে, ছোট বড় শিল্প কারখানায় এই কারণেই তড়িৎ প্রবাহে দুর্ঘটনা হয়।
- হঠাৎ করে মাত্রার অতিরিক্ত তড়িৎ প্রবাহ বন্ধ করার জন্য সরবরাহ লাইনে সার্কিট ব্রেকার কিংবা ফিউজ ব্যবহার করা হয়।
- সার্কিট ব্রেকার এমনভাবে তৈরি করা হয় যে এর ভেতর থেকে নিরাপদ সীমার বেশি তড়িৎ প্রবাহিত হলেই বর্তনীকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়।
- ফিউজ সে তুলনায় খুবই সরল একটা পদ্ধতি, একটি যন্ত্রে যে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয় সেটি যন্ত্রে ঢোকানোর আগে সরু ও নিম্ন গলনাংকের একটা তারের ভেতর দিয়ে নেয়া হয়।
- কোনো কারণে নির্ধারিত মানের অধিক তড়িৎ প্রবাহ হলে ফিউজের সরু তার উত্তপ্ত হয়ে পুড়ে তড়িৎ প্রবাহ বন্ধ করে দেয়।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- মৌমাছি চাষ বা এপিকালচার (Apiculture) একোয়াকালচারের (জলজ চাষ) উদাহরণ নয়। এটি হলো মৌমাছি প্রতিপালন এবং তাদের থেকে মধু, মোম ও অন্যান্য পণ্য সংগ্রহের পদ্ধতি। এটি একটি ভূমি-ভিত্তিক কৃষি কার্যক্রম।
অন্যদিকে,
- ওয়েস্টার চাষ, চিংড়ি চাষ, এবং শামুক চাষ- এই সবই হলো একোয়াকালচারের উদাহরণ, কারণ এই প্রাণীগুলোকে জলজ পরিবেশে (সমুদ্রের পানি, স্বাদু পানি বা লবণাক্ত পানির মিশ্রণে) চাষ করা হয়।
মৎস্যবিজ্ঞান:
- জীববিজ্ঞানের যে শাখায় মাছের বিভিন্ন দিক যেমন- শ্রেনীবিন্যাস, মাছ চাষ ও ব্যবস্থাপনা, মাছের প্রজনন, প্রতিপালন, সংরক্ষণ, পরিবহন, বিপণন, রোগতত্ত্ব তথা মাছ সংশ্লিষ্ট সকল বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে মৎস্যবিজ্ঞান বলে।
- বর্তমানে মাছ চাষের সাথে অন্যান্য অর্থনৈতিক গুরুত্ব সম্পন্ন জলজ প্রাণি যেমন- চিংড়ি, কাঁকড়া, শামুক, ঝিনুক, কচ্ছপ, ব্যাঙ ইত্যাদি চাষ করা হয়।
- বিজ্ঞানের ভাষায় মাছ চাষকে একোয়াকালচার (Aquaculture) বলা হয়।
- Aquaculture শব্দটি Latin শব্দ 'Aqua' যার অর্থ “পানি” এবং English শব্দ 'Culture' যার অর্থ "চাষ” নামক দু'টি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে। অর্থাৎ, Aquaculture অর্থ পানিতে চাষ অথবা মাছ চাষকে বুঝায়।
- অন্যভাবে, নিয়ন্ত্রিত বা অনিয়ন্ত্রিতভাবে অর্থনৈতিক গুরুত্বসম্পন্ন জলজ জীবের চাষকে একোয়াকালচার বলে। একে আবার Aquafarming বলা হয়। যেমন- মাছ চাষ (Fish farming/culture), চিংড়ি চাষ (Shrimp farming/culture), ওয়েস্টার চাষ (Oyster farming/culture), সীউঈড চাষ (Seaweed farming/culture) ইত্যাদি।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ আধুনিক চাষ পদ্ধতি:
- চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় প্রণকালচার।
- সামদ্রিক মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় মেরিকালচার।
- মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় পিসিকালচার।
- মৌমাছি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এপিকালচার।
- রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় সেরিকালচার।
- পাখি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এভিকালচার।
উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
- হিমোগ্লোবিন অক্সিজেন পরিবহন করে অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে, কারণ হিমোগ্লোবিন নামক প্রোটিন অক্সিজেনকে লোহিত রক্তকণিকায় ধরে রাখে এবং অক্সিহিমোগ্লোবিন নামক একটি যৌগ তৈরি করে, যা শরীরের বিভিন্ন অংশে অক্সিজেন পরিবহন করে এবং কোষে ছেড়ে দেয়।
রক্ত:
- মানবদেহে রক্তের প্রধান উপাদান হলো রক্তরস এবং রক্তকণিকা।
- রক্তে শতকরা ৫৫% হলো রক্তরস আর ৪৫% হলো রক্তকণিকা।
- মানুষের শরীরের রক্তরসের ৯১ - ৯২% পানি এবং ৮ -৯% অংশ জৈব ও অজৈব পদার্থ।
- প্রাণীদেহের রক্ত এক ধরনের লাল বর্ণের অস্বচ্ছ, আন্তঃকোষীয় লবণাক্ত এবং খানিকটা ক্ষারধর্মী তরল যোজক টিস্যু।
- একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের দেহে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, যা মানুষের দেহের মোট ওজনের প্রায় ৮%।
- মানুষ এবং অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণীদেহের রক্ত লাল রঙের।
- রক্তের রসে লাল রঙের হিমোগ্লোবিন নামে লৌহ-ঘটিত প্রোটিন জাতীয় পদার্থ থাকায় রক্তের রঙ লাল হয়।
- হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে অক্সিজেন পরিবহন করে।
- তবে কিছু পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড হিমোগ্লোবিনের সাথে যুক্ত হয়ে ফুসফুসে পরিবাহিত হয়, তবে কার্বন ডাই-অক্সাইডের সিংহভাগ বাইকার্বনেট আয়ন হিসেবে রক্ত দ্বারা ফুসফুসে পরিবাহিত হয়।
উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
- আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতার তত্ত্ব মহাকর্ষের একটি জ্যামিতিক তত্ত্ব, যা স্থান-কালের বক্রতাকে কাজে লাগিয়ে মহাকর্ষ বলকে ব্যাখ্যা করে। এই তত্ত্বের ভিত্তিতে মহাবিশ্বের নাক্ষত্রিক গতিপ্রকৃতি এবং সম্প্রসারণশীলতার ধারণা ব্যাখ্যা করা যায়।
অন্যদিকে,
- শব্দের বিস্তারের জন্য একটি মাধ্যমের প্রয়োজন হয়; শূন্য মাধ্যমে শব্দ চলাচল করতে পারে না। এটি আপেক্ষিক তত্ত্বের বিষয় নয়।
- শক্তির সংরক্ষণশীলতা পদার্থবিজ্ঞানের একটি মৌলিক নীতি, যা আপেক্ষিক তত্ত্বের আবিষ্কারের অনেক আগে থেকেই পরিচিত ছিল। আপেক্ষিক তত্ত্ব এই নীতিকে সমর্থন করে, কিন্তু এটি আপেক্ষিক তত্ত্বের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করার মতো কোনো নতুন বিষয় নয়। বরং, ভর-শক্তি সমতা (E = mc2) এই দুটি ধারণাকে একত্রিত করে।
আপেক্ষিক তত্ত্ব:
- ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন আপেক্ষিক তত্ত্ব প্রকাশ করেন।
- তার তত্ত্ব অনুসারে স্থান, ভর ও সময় ধ্রুব রাশি নয়, এগুলো সকলই আপেক্ষিক।
- বেগের পরিবর্তনের সাথে সাথে স্থান, ভর ও সময় পরিবর্তন হয়। কেবল মাত্র শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগই পরম বেগ। উচ্চ গতিশীল বস্তুর ক্ষেত্রে এই ধারণা পরীক্ষালব্ধমানের সাথে সম্পূর্ণভাবে মিলে যায়। আইনস্টইনের এই তত্ত্বকে আপেক্ষিক তত্ত্ব বলা হয়।
- ১৯১৬ সালে আইনস্টাইন আপেক্ষিকতার আরো একটি তত্ত্ব উপস্থাপন করেন।
- মহাকর্ষ, নাক্ষত্রিক গতিপ্রকৃতি, সম্প্রসারণশীল মহাবিশ্বের ধারণা ইত্যাদি এই তত্ত্বের ভিত্তিতে ব্যাখ্যা প্রদান করা যায়।
- আইনস্টাইন তার আপেক্ষিক তত্ত্বকে দু'ভাগে ভাগ করেন। যথা- বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব এবং সার্বিক আপেক্ষিক তত্ত্ব।
বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের স্বীকার্য:
- আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব দুটি মৌলিক স্বীকার্যের উপর প্রতিষ্ঠিত।
- ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন এই দুটি স্বীকার্য প্রদান করেন।
যথা-
• প্রথম স্বীকার্য: স্থির বা গতিশীল সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোতে পদার্থবিজ্ঞানের মৌলিক সূত্রসমূহ অপরিবর্তিত থাকে।
• দ্বিতীয় স্বীকার্য: শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর পর্যবেক্ষকের জন্য একই এবং তা আলোর উৎস বা পর্যবেক্ষকের গতির উপর নির্ভরশীল নয়।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- শিশুকে বুকের দুধ পান করানোর সময় মায়ের শরীরে অক্সিটোসিন হরমোন নিঃসৃত হয়। এই হরমোনটি স্তনের পেশি সংকুচিত করে দুধ বের হতে সাহায্য করে এবং মায়ের সাথে শিশুর মানসিক বন্ধন দৃঢ় করে। এছাড়াও এই সময় প্রোল্যাকটিন নামক আরেকটি হরমোন নিঃসৃত হয় যা দুধ উৎপাদনে সহায়তা করে।
শিশুকে মায়ের দুধ দেয়ার প্রয়োজনীয়তা:
- জন্মের পরপরই সুস্থ নবজাতককে উষ্ণ রাখার জন্য মায়ের পেট ও বুকে রাখা হয়।
- প্রকৃতির নিয়ম অনুযায়ী শিশুর জন্য মায়ের দুধ সর্বোৎকৃষ্ট খাদ্য।
১। শিশুর প্রথম খাবার হিসেবে শালদুধ বা কলোস্ট্রাম শিশুর প্রথম টিকা হিসাবে কাজ করে। শালদুধ এন্টিবডি ও প্রতিরক্ষামূলক প্রোটিনসমৃদ্ধ হওয়ায় শিশুর বহু রোগ সংক্রমণ প্রতিরোধ করে।
২। শিশু জন্মের প্রথম ৩-৫ দিন শালদুধ অল্প মাত্রায় আসে। তবে এ পরিমাণই নবজাতকের শারীরিক সুরক্ষার জন্য যথেষ্ট। শালদুধ শিশুর পরিপাচক অন্ত্রসমূহকে উদ্দীপিত করে, যার ফলে অন্ত্র থেকে দ্রুত মিকোনিয়াম (শিশুর প্রথম মল) পরিষ্কার হয়। এ অবস্থা জন্ডিস সৃষ্টিকারী জীবাণু শরীর থেকে বের হয়ে যেতে সাহায্য করে।
৩। শিশু মায়ের স্তন মুখে নেয়া ও চোষার ফলে মায়ের শরীরে অক্সিটোসিন নামক হরমোন নির্গত হয়। এতে মা শান্ত, অবসাদমুক্ত বোধ করেন এবং শিশুর সাথে মায়ের ভালোবাসার বন্ধন দৃঢ় হয়।
৪। শিশু জীবনের প্রথম ছয় মাস শুধুমাত্র মায়ের দুধ এবং ছয় মাস পর থেকে ২ বছর পর্যন্ত বাড়তি খাবারের সাথে মায়ের দুধ দেয়া চলতে থাকে।
৫। মায়ের দুধে রোগ জীবাণু প্রবেশের ভয় থাকে না, এ দুধের উত্তাপ শরীরের তাপমাত্রা অনুযায়ী থাকে বলে একে ঠান্ডা বা গরম করতে হয় না।
৬। শিশুকে বুকের দুধ দিতে হলে ধৈর্য ও মানসিক প্রস্তুতির প্রয়োজন। কারণ, মানসিক অশান্তি, স্বাস্থ্যহীনতা, রোগাক্রান্ত অবস্থা বা উত্তেজিত পরিস্থিতিতে শিশুকে দুধ দিলে মায়ের দুধ কমে যাবে, শিশুর মধ্যেও অতৃপ্তি আসবে।
উৎস: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- সঠিক তথ্যটি হচ্ছে- মেরু অঞ্চলে g সর্বাধিক।
- পৃথিবীর আকৃতি এবং ঘূর্ণনের কারণে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে অভিকর্ষজ ত্বরণের (g) মান বিভিন্ন হয়।
যেমন-
• মেরু অঞ্চল: পৃথিবী সম্পূর্ণ গোলাকার নয়, এটি মেরু অঞ্চলে কিছুটা চ্যাপ্টা। এর ফলে মেরু অঞ্চল পৃথিবীর কেন্দ্রের সবচেয়ে কাছে অবস্থিত। অভিকর্ষজ বল দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক হওয়ায়, দূরত্ব কম হলে g-এর মান সর্বাধিক হয়।
• বিষুবীয় অঞ্চল: বিষুবীয় অঞ্চলে পৃথিবী স্ফীত, তাই এটি কেন্দ্র থেকে সবচেয়ে দূরে অবস্থিত। এই কারণে এখানে g-এর মান সবচেয়ে কম হয়।
পৃথিবীর আকৃতির কারণে বিভিন্ন স্থানে বস্তুর ওজনের পার্থক্য:
- পৃথিবীর আকৃতি সম্পূর্ণ গোলক না হওয়ায়, পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে বিভিন্ন স্থানের দূরত্ব সমান নয়।
- যেহেতু অভিকর্ষজ ত্বরণের (g) মান পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে দূরত্বের ওপর নির্ভরশীল, তাই পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে g-এর মান ভিন্ন হয়।
- পৃথিবীর বিষুবীয় অঞ্চলে কেন্দ্র থেকে ভূপৃষ্ঠের দূরত্ব সবচেয়ে বেশি হওয়ায় এখানে g-এর মান সর্বনিম্ন (প্রায় ৯.৭৮ মি/সেকেন্ড২), তাই বিষুবীয় অঞ্চলে কোনো বস্তুর ওজন সবচেয়ে কম হয়।
- বিষুবীয় অঞ্চল থেকে মেরু অঞ্চলের দিকে যত এগিয়ে যাওয়া হয়, ততই কেন্দ্র থেকে দূরত্ব কমে এবং g-এর মান বৃদ্ধি পায় (প্রায় ৯.৮৩ মি/সেকেন্ড২), ফলে বস্তুর ওজনও বাড়ে।
- মেরু অঞ্চলে পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে দূরত্ব সর্বনিম্ন হওয়ায় g-এর মান সর্বোচ্চ এবং তাই বস্তুর ওজনও সর্বোচ্চ হয়।
- এছাড়াও পৃথিবীর কেন্দ্রের মধ্যভাগে অভিকর্ষজ ত্বরণ শূন্য হওয়ায় সেখানে বস্তুর ওজন শূন্য হয়।
উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
- নীহারিকা (nebula) হলো ধূলিকণা, হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস এবং প্লাজমা দ্বারা গঠিত এক ধরনের বিশাল আন্তঃনাক্ষত্রিক মেঘ। দূরবীক্ষণ যন্ত্রের মাধ্যমে এদেরকে মহাকাশে অসংখ্য স্বল্পালোকিত তারকার আস্তরণ বা মেঘের মতো দেখায়।
নীহারিকা (Nebula):
- নীহারিকা হলো মহাকাশে অসংখ্য স্বল্পালোকিত তারকার আস্তরণ।
- এদের আকার বিচিত্র। কিছু নীহারিকার দেহ গ্যাসীয় পদার্থে পূর্ণ, তাই এদেরকে গ্যাসীয় নীহারিকা বলে।
- এক একটি নীহারিকার মধ্যবর্তী দূরত্ব ব্যাপক।
- এক একটি নীহারিকার মাঝে কোটি কোটি নক্ষত্র থাকতে পারে।
- এরা যেহেতু পৃথিবী থেকে কোটি কোটি আলোক বর্ষ দূরে রয়েছে, তাই এদের মাঝে যেসব নক্ষত্র রয়েছে তাদের পৃথকভাবে শনাক্ত করা যায় না।
ছায়াপথ (Milky Way):
- কোনো একটি গ্যালাক্সির ক্ষুদ্র অংশকে ছায়াপথ বা আকাশ গঙ্গা বলে।
- অন্ধকার আকাশে এদের উজ্জ্বল দীপ্তি দীর্ঘপথের মতো দেখায়। একটি ছায়াপথ লক্ষ কোটি নক্ষত্রের সমষ্টি।
- শীতকালে রাত্রিবেলা পরিষ্কার আকাশে লক্ষ্য করলে উত্তর-দক্ষিণে বেশ বড় পরিসরযুক্ত তেজোদ্দীপ্ত স্বচ্ছ দীর্ঘ আলোর রেখা দেখা যায়, তারকা খচিত এই আলোর পথই হলো ছায়াপথ।
- বিজ্ঞানীরা একে বিরাট চক্রাকার মণ্ডল বলে অনুমান করেন।
- সৌরজগৎ এরকম একটি ছায়াপথের অন্তর্গত।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
- ব্রিটিশ চিকিৎসক এবং বিজ্ঞানী ড. এডওয়ার্ড জেনার ১৭৯৬ সালে গুটিবসন্ত রোগের প্রথম সফল টিকা আবিষ্কার করেন।
প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় টিকার ভূমিকা:
- ভ্যাকসিন শব্দটি ল্যাটিন শব্দ ভ্যাকসিনাস (vaccinus) থেকে এসেছে যার আক্ষরিক অর্থ হলো from cow বা 'গরু থেকে প্রাপ্ত'।
- ড. এডওয়ার্ড জেনার (Dr. Edward Janner) ১৭৭৬ খ্রিস্টাব্দে প্রথম গুটি বসন্তের টিকা আবিষ্কার করেন।
- গুটি বসন্তের টিকা আবিষ্কারের অনেক বছর পর লুই পাস্তুর জলাতঙ্ক রোগের টিকা আবিষ্কার করেন।
- টিকা হলো প্রাণিদেহে রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীবের নিষ্ক্রিয় পরিদ্রুত সাসপেনশন। টিকায় বিদ্যমান অণুজীবগুলো (ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া) জীবিত, অর্ধমৃত বা মৃতও হতে পারে। এদের এমনভাবে নিষ্ক্রিয় করা হয় যাতে এরা জীবকোষে কোনো রোগ সৃষ্টি করতে না পারে, কিন্তু রোগের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি সৃষ্টি করে।
- অ্যান্টিবডি রোগের জীবাণুর বৃদ্ধি প্রতিহত করে এবং স্থায়ী কার্যক্ষমতা নষ্ট করে।
- অধিকাংশ ক্ষেত্রে টিকা ভাইরাস থেকে তৈরি করা হয়। সাধারণত কোনো রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীব দিয়েই ওই রোগের টিকা তৈরি করা হয়।
- টিকা প্রবেশ করালে প্রাণিদেহে ওই একই জীবাণু বা নিকট সম্পর্কিত রোগ জীবাণুর আক্রমণ প্রতিরোধক্ষম হয়ে ওঠে।
- দেহে টিকা দেওয়া মানে হলো ওই রোগের জীবাণু দেহে প্রবেশে করানো। কিন্তু যেহেতু এ জীবাণুগুলো বিশেষ পদ্ধতিতে নিষ্ক্রিয় থাকে সেহেতু এরা জীবদেহে কোনো রোগ সৃষ্টি না করে রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলে।
- আধুনিক জৈবপ্রযুক্তি প্রয়োগ করে বর্তমানে পোলিও, টিটেনাস, হাম্পস, ডিপথেরিয়া, যক্ষ্মা, হুপিংকাশি, টাইফয়েড, হেপাাইটিস ইত্যাদি রোগের টিকা আবিষ্কৃত হয়েছে।
- কিন্তু মরণব্যাধি এইডস (AIDS) এর ভাইরাস HIV কিংবা হেপাইটিস-সি ভাইরাসের প্রতিষেধক কোনো টিকা আজও আবিষ্কার হয়নি।
উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
প্রাথমিক তরঙ্গ (Primary Wave):
- সংক্ষেপে প্রাথমিক তরঙ্গকে P Wave বা P তরঙ্গ বলে। সর্বপ্রথম P তরঙ্গ ভূমিকম্প কেন্দ্র হতে ভূ-কম্পলেখ যন্ত্রে অর্থাৎ উপকেন্দ্রে এসে পৌঁছে বলে একে প্রাথমিক তরঙ্গ বলে।
- এটি মাটির মধ্য দিয়ে সোজা পথে গমন করে এবং তরঙ্গের গতিবেগ ঘনত্বের সাথে সমানুপাতিক।
- মহাদেশীয় ভূ-ত্বকের উপরিভাগে এর গতিবেগ ৬.১ কি.মি/সেকেন্ড, মহাদেশীয় ভূ-ত্বকের নিম্নভাগে এর গতিবেগ ৬.৯ কি.মি/সেকেন্ড এবং - সামুদ্রিক ভূ-ত্বকে এর গতিবেগ ৮ কি.মি/সেকেন্ড।
- অপরদিকে পৃথিবীর কেন্দ্রে অর্থাৎ ম্যান্টল এ এর গতিবেগ ১১ কি.মি/সেকেন্ড। প্রাথমিক তরঙ্গ সংকোচন ও প্রসারণের মাধ্যমে বস্তুকে আন্দোলিত করে এবং শিলায় সামান্য পরিমাণে স্থান পরিবর্তন হয়।
গৌণ তরঙ্গ (Secondary Wave):
- গৌণ তরঙ্গকে S Wave বা দ্বিতীয় পর্যায়ের তরঙ্গ বলে। প্রাথমিক তরঙ্গের পরে দ্বিতীয় পর্যায়ের তরঙ্গ ভূমিকম্প তরঙ্গ কেন্দ্র হতে ভূ-কম্পলেখ যন্ত্রে এসে পৌঁছে।
- প্রাথমিক তরঙ্গ হতে এর পার্থক্য হলো এটি প্রাথমিক তরঙ্গের তুলনায় ধীরগতি সম্পন্ন এবং এটি তরল মাধ্যমের মধ্য দিয়ে যেতে পারে না।
S তরঙ্গ বস্তুকে সামনে পিছনে সমকোণে দোলাতে থাকে এবং দালানের কাঠামোর জন্য সবচেয়ে বেশি ক্ষতির কারণ হয়।
পৃষ্ঠ তরঙ্গ (Surface Wave):
- পৃষ্ঠ তরঙ্গকে দীর্ঘ তরঙ্গ বা Long Wave বলে।
- এই তরঙ্গ সবচেয়ে কম গতিবেগ সম্পন্ন।
- Long Wave বা পৃষ্ঠ তরঙ্গের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে পৃষ্ঠ তরঙ্গ শুধুমাত্র পৃথিবীর উপরিভাগ বা বহিরাবরণ দিয়ে চলতে পারে।
- এর গতিবেগ অত্যন্ত কম মাত্র ৪.৮-৬.২ কি.মি/সেকেন্ড।
- এই তরঙ্গও গৌণ তরঙ্গ বা S তরঙ্গের ন্যায় তরল মাধ্যমে চলাচল করতে পারে না।
উল্লেখ্য,
কেন্দ্র থেকে সোজা উপরের দিকে ভূ-পৃষ্ঠস্থ বিন্দুকে উপকেন্দ্র (Epicentre) বলে
উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• লাব্রাডার স্রোত:
- সুমেরু মহাসাগর হতে অপর একটি স্রোত ডেভিস প্রণালির মধ্য দিয়ে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়ে উত্তর আমেরিকায় লাব্রাডার উপদ্বীপের উত্তর পাশে গ্রীনল্যান্ড স্রোতের সাথে মিলিত হয়।এই মিলিত স্রোত লাব্রাডার স্রোত নামে পরিচিত।
- লাব্রাডার স্রোত নিউফাউন্ডল্যান্ডের নিকট দুটি শাখায় বিভক্ত হয়।
- উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোতের নীল পানি উত্তর-পূর্ব দিকে এবং এই স্রোতের পাশ দিয়ে শীতল লাব্রাডার স্রোতের সবুজ পানি দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়।
- এই উভয় স্রোতের মধ্যবর্তী সীমা রেখাকে হিমপ্রাচীর বলে।
- উষ্ণ ও শীতল স্রোত পাশাপাশি প্রবাহিত হওয়ার কারণে সেখানে প্রায়ই কুয়াশা এবং ঘূর্ণিবাতের সৃষ্টি হয়।
দক্ষিন আটলান্টিক মহাসাগরীয় স্রোত:
- কুমেরু স্রোত বা পশ্চিমা।
- বেঙ্গুয়েলা স্রোত।
- দক্ষিণ নিরক্ষীয় স্রোত।
- ব্রাজিল স্রোত।
- ফকল্যান্ড স্রোত।
উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরীয় স্রোত:
- উপসাগরীয় স্রোত।
- ক্যানারি স্রোত।
- উত্তর নিরক্ষীয় স্রোত।
- উত্তর আটলান্টিক স্রোত।
- সুমের স্রোত।
- লাব্রাডার স্রোত।
- গ্রীনল্যান্ড স্রোত।
- গিনি স্রোত।
উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ নদী সুরমা ভারতের আসাম রাজ্যে প্রবাহিত হওয়ার সময় বরাক (Barak) নামে পরিচিত।
- ভারতের আসাম রাজ্যের বরাক উপত্যকা দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার পর এই নদী বাংলাদেশে প্রবেশ করে সুরমা ও কুশিয়ারা—এই দুই শাখায় বিভক্ত হয়।
- পরবর্তীতে এই দুই নদী আবার মিলিত হয়ে মেঘনা নদীর অংশ গঠন করে।
অতএব,
- বরাক = নদীটির ভারতীয় অংশ।
- সুরমা = নদীটির বাংলাদেশের অংশের একটি প্রধান শাখা।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
• সেন্ট মার্টিনস দ্বীপ:
- বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণ অংশে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বে কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলা থেকে ৯ কিমি দক্ষিণে গড়ে ওঠা একটি ছোট দ্বীপ।
- মায়ানমারের উত্তর-পশ্চিম উপকূল থেকে ৮ কিমি পশ্চিমে নাফ নদীর মুখে দ্বীপটি অবস্থিত।
- ৯২°১৮´ ও ৯২°২১´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ এবং ২০°৩৪´ ও ২০°৩৯´ উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে দ্বীপটির অবস্থান।
- স্থানীয় জনসাধারণ এটিকে নারিকেল জিনজিরা নামে চেনে। সর্বতোভাবে দ্বীপটি সমতল এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের গড় উচ্চতা থেকে ৩.৬ মিটার উপরে।
- মূল ভূখন্ড এবং দ্বীপের মধ্যবর্তী ৯.৬৬ কিমি প্রশস্ত প্রণালী দ্বীপের দক্ষিণ-পশ্চিমের উন্মুক্ত সাগরের তুলনায় অনেক অগভীর।
- এখানে পশ্চিম-উত্তর পশ্চিম দিক জুড়ে রয়েছে ১০-১৫ কিমি প্রবাল প্রাচীর।
- দ্বীপটি ৭.৩১৫ কিমি দীর্ঘ এবং উত্তর-উত্তরপশ্চিম এবং দক্ষিণ-দক্ষিণপূর্ব দিক জুড়ে বিন্যস্ত।
- ভৌগোলিকভাবে এটি তিনটি অংশে বিভক্ত। উত্তরাঞ্চলীয় অংশকে বলা হয় নারিকেল জিনজিরা বা উত্তর পাড়া এবং এ অংশ ২,১৩৪ মিটার দীর্ঘ ও ১,৪০২ মিটার প্রশস্ত।
- দক্ষিণাঞ্চলীয় অংশটি দক্ষিণ পাড়া হিসেবে পরিচিত, যা ১৯২৯ মিটার দীর্ঘ এবং এর সাথে সংযুক্ত রয়েছে দক্ষিণ পূর্ব দিকে বিস্তৃত একটি সংকীর্ণ লেজের মতো এলাকা, যার সর্বোচ্চ প্রশস্ততা ৯৭৫ মিটার।
- একটি সংকীর্ণ কেন্দ্রীয় অঞ্চল বা মধ্য পাড়া দুইটি অংশকে সংযুক্ত করেছে। বেল্ট বা ফিতার মতো এই অঞ্চলটির দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থ যথাক্রমে ১৫২৪ মিটার ও ৫১৮ মিটার এবং সংকীর্ণতম অংশটি গলাচিপা নামে পরিচিত।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
নিরক্ষীয় জলবায়ু:
পৃথিবীর জলবায়ুর পাথর্য্যের জন্য সূর্যের অবস্থান একটি বড় নিয়ামক হিসেবে কাজ করে।
কারণ তাপমাত্রা প্রাপ্তির ধরনের উপর আবহাওয়া ও জলবায়ুর প্রকৃতির পার্থক্য তৈরি হয়।
নিরক্ষরেখায় অবস্থানকারী দেশসমূহ এবং এই নিরক্ষরেখার কাছাকাছি অবস্থানরত দেশসমূহে নিরক্ষীয় জলবায়ু বিরাজমান বলে একে বলা হয় নিরক্ষীয় জলবায়ু।
অবস্থান ও দেশসমূহ : নিরক্ষরেখার উভয় পাশে ৫০ অক্ষাংশের মধ্যে নিরক্ষীয় অঞ্চল অবস্থিত।
- সূর্যের উত্তরায়ন ও দক্ষিণায়নের ফলে এ অঞ্চলে দুইবার মাত্রাতিরিক্ত তাপমাত্রা দেখা যায়।
- কোনো কোনো স্থানে নিরক্ষরেখার উত্তর ও দক্ষিণে ১০০ অক্ষাংশের সীমা পর্যন্ত নিরক্ষরেখা বিস্তৃত।
- বিষুবরেখার পার্শ্ববর্তী ৯৬৫ কি. মি. এলাকাজুড়ে এই জলবায়ুর প্রভাব বিস্তৃত।
- আফ্রিকার কঙ্গো নদী অববাহিকা ও গিনি উপকূলীয় এলাকা, মধ্য আমেরিকার পূর্ব উপকূলের পানামা, হন্ডুরাস, কোস্টারিকা, নিকারাগুয়া এবং দক্ষিণ আমেরিকার পূর্ব উপকূল এই জলবায়ু অঞ্চলের অর্ন্তগত। এছাড়াও নিরক্ষরেখার কাছাকাছি অবস্থিত দেশগুলো যেমন- মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই, ফিলিপাইন, আমাজান নদীর অববাহিকা, পেরু, ইকুয়েডর ও কলম্বিয়ার দক্ষিণাঞ্চল জুড়েও এই জলবায়ু প্রভাব বিস্তার করে।
উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• চিকেন নেক:
- চিকেন নেক বলতে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোর সঙ্গে বাকি ভারতের একমাত্র স্থল যোগাযোগ পথ বোঝানো হয়, যেটি একটি সংকীর্ণ ভৌগোলিক করিডোর।
- এর প্রকৃত নাম সিলিগুড়ি করিডোর।
- এটি পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দার্জিলিং জেলার সিলিগুড়ি শহরের কাছে অবস্থিত।
- প্রস্থ: মাত্র ১৭-২৪ কিলোমিটার (সবচেয়ে সরু স্থানে)
- এই সরু পথই ভারতের মূল ভূখণ্ডকে ৭টি উত্তর-পূর্ব রাজ্যের (যাকে একত্রে "সেভেন সিস্টার্স" বলা হয়) সাথে যুক্ত করে রেখেছে।
- এটি ভূ-রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত স্পর্শকাতর অঞ্চল।
- যদি এই পথ কোনো কারণে বন্ধ হয়ে যায়, তবে উত্তর-পূর্বাঞ্চল ভারতের মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে।
উৎস: এটলাস রিপোর্ট।
• বঙ্গ অববাহিকার জন্ম ও সমুদ্র গ্রাস:
- ইয়োসিন যুগে অর্থাৎ ৫-৬ কোটি বছর পূর্বে পলল সঞ্চয়নের মাধ্যমে আসাম ও বার্মিজ অববাহিকার মধ্যে কিছু ছোট ছোট দ্বীপ জন্মলাভ করে।
- এ সময়ের শেষভাগে 'ইষ্ট বেঙ্গল রিজ' নামক একটি বালুকাময় উচ্চ ভূমি দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর পূর্ব লাইন বরাবর আসাম ওবঙ্গ অববাহিকার মাঝে সমুদ্রে জমা হতে থাকে।
- অলিগোসিন (প্রায় ৪ কোটি বছর) সময় পর্যন্ত সমগ্র বঙ্গ অববাহিকা সমুদ্রের নীচেই ছিলো।
- দ্রুত ভরাট হওয়ার ফলে অববাহিকার গুলোর গভীরতা ক্রমশঃ হ্রাস পেতে থাকে।
- এ সময়ে অসংখ্য নদী সমুদ্রে এসে মিলিত হয়।
- নদী বাহিত পলি অববাহিকায় পলল পাখার মত ছড়িয়ে যায়।
উৎস: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান:
- ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ বা ব-দ্বীপ পরিকল্পনা দেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন পরিকল্পনা।
- বাংলাদেশের ডেল্টা প্ল্যান ১০০ বছরের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে।
- এই পরিকল্পনা প্রণয়নে ও বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ডস সরকার বাংলাদেশকে সহায়তা করছে।
- ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে এই পরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয়।
• দুর্যোগ ঝুঁকিপ্রবণ ৬টি হটস্পট:
১. উপকূলীয় অঞ্চল: সাইক্লোনপ্রবণ অঞ্চল- ১৩ টি উপকূলীয় ও ৬ টি নদী বাহিত জেলা।
২. বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ অঞ্চল: খরা (মূলত কৃষি)।
৩. হাওর এবং আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল: ৭ টি জেলা।
৪. পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল: পাহাড় ধস ও আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল।
৫. নদী অঞ্চল এবং মোহনা: বন্যাপ্রবণ অঞ্চল।
৬. নগরাঞ্চল: ভূমিকম্প, জলাবদ্ধতা ইত্যাদি।
উৎস: পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
• সুন্দরবন:
- সুন্দরবন বিশ্বের একক বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন।
- সুন্দরবন দুটি বন বিভাগে বিভক্ত: সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগ ও সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগ।
- বাংলাদেশ অংশে সুন্দরবনের মোট আয়তন ৬০১৭ বর্গ কি.মি.।
- ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে UNESCO সুন্দরবনের ৩টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যকে ৭৯৮তম World Heritage Site হিসেবে ঘোষণা করে।
- সুন্দরবনের জলভাগ জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ হওয়ায় ১৯৯২ সনের ২১ মে থেকে এটি Ramsar Site হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
- টাঙ্গুয়ার হাওর ১০ জুলাই, ২০০০ সালে রামসার সাইটের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
উৎস: বন সংরক্ষণ দপ্তর ও রামসার সাইট।
তিতাস গ্যাসক্ষেত্র:
- গ্যাসক্ষেত্রটিতে উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের পরিমাণ ৭.৫৮২ ট্রিলিয়ন ঘনফুট।
- ১৯৬২ সালে পাকিস্তান শেলওয়েল কোম্পানি তিতাস গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। ১৯৬৮ সাল থেকে ক্ষেত্রটি থেকে বাণিজ্যিকভাবে গ্যাস উত্তোলিত হচ্ছে।
- এটি দেশের সবচেয়ে বড় গ্যাসক্ষেত্র যা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদরে অবস্থিত।
- তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেডের মাধ্যমে তিতাস ক্ষেত্রের গ্যাস ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, গাজীপুর, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর, নরসিংদী, নেত্রকোনা, ও কিশোরগঞ্জ জেলায় গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য,
- বর্তমানে সবচেয়ে বেশি গ্যাস উত্তোলিত হচ্ছে সিলেটের বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্র থেকে।
উৎস: বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি এবং পেট্রোবাংলা ওয়েবসাইট।
⇒ একটি অপরটির পথে অন্তরায় তো নয়ই বরং উভয়ে পরস্পর সহায়ক ও সম্পূরক।
সাম্য ও স্বাধীনতা:
- সাম্য ও স্বাধীনতা পরস্পর সম্পর্কযুক্ত।
- সাম্য ছাড়া স্বাধীনতা হয়ে পড়ে অর্থহীন।
- প্রকৃতপক্ষে জনগণের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণের ক্ষেত্রে স্বাধীনতা ও সাম্য পাশাপাশি অবস্থান গ্রহণ করে।
- সাম্য ও স্বধীনতা পরস্পর বিরোধী নয়।
- স্বাধীনতার প্রকৃত অর্থ অনুধাবন করলে দেখা যায় যে, অন্যের অনুরূপ স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ না করে স্বীয় ইচ্ছানুসারে সবকিছু করার যে ক্ষমতা সেটিই স্বাধীনতা ।
- কাজেই এটি স্পষ্ট যে, সাম্য ব্যতীত স্বাধীনতা কার্যকর হতে পারে না ৷
- অসাম্য স্বাধীনতার অন্তরায় এবং এর বিনষ্টকারী।
তথ্যসূত্র - রাষ্ট্রবিজ্ঞান: রাষ্ট্রতত্ত্ব, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
⇒ সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারকে একাধিক রাজনৈতিক দলের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে।
সুশাসন:
- একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে অধিকার ভোগের বিনিময়ে নাগরিককে বেশ কিছু দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করতে হয় ।
- সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে শুধু সরকারকেই সচেষ্ট হতে হবে তা নয়। এজন্য নাগরিকেরও অনেক দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে।
⇒ সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সরকারের সরকারের করণীয়:
• সংবিধানের মৌলিক অধিকারের সন্নিবেশ।
• মত প্রকাশের স্বাধীনতা।
• শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমস্যার সমাধান।
• দায়িত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠা।
• জবাবদিহিমূলক জনপ্রশাসন।
• দক্ষ ও কার্যকর সরকার।
• জনসম্মতি।
• সঠিক সময়ে সিদ্ধান্ত গ্ৰহণ৷
• স্পষ্টতা ও স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠা।
• একাধিক রাজনৈতিক দলের উপস্থিতি।
তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
নৈতিকতা:
- ‘নৈতিকতা’ শব্দটির উৎস ল্যাটিন শব্দ ‘Moralitas’ থেকে এসেছে, যার মূল অর্থ দাঁড়ায় মানুষের চরিত্রগত গুণাবলি ও সঠিক আচরণের ধারণা।
- নৈতিকতা হলো মানুষের ভেতরে লুকিয়ে থাকা সেইসব মূল্যবোধ ও বিশ্বাসের সমষ্টি, যা তাকে সুন্দর, মার্জিত ও মানবিক আচরণ করতে উৎসাহিত করে।
- সঠিক নৈতিক অনুভূতি ও বিবেকের কারণে মানুষ আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়, শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে না এবং সমাজ ও রাষ্ট্রের নিয়ম-কানুন মেনে চলে।
- বিবেক, চিন্তা, বুদ্ধি ও ন্যায়পরায়ণতা হচ্ছে নৈতিকতার উৎস।
- নৈতিকতা বিকাশের লালন ক্ষেত্র সমাজ।
- নৈতিকতার মানকে আদর্শ করে উপযুক্ত শিক্ষা।
- নৈতিক শক্তির প্রধান উপাদান হলো সততা ও নিষ্ঠা।
- নৈতিকতা বলতে আমরা বুঝি মানুষের সদাচরণ, সচ্চরিত্র, সততা ও নিষ্ঠার বহিঃপ্রকাশ।
তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক ও নীতিবিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
⇒ নাগরিকতা:
- সাধারণভাবে নগরের অধিবাসীকে নাগরিক বলে ।
- নাগরিকতা বলতে, যে ব্যক্তি রাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাস করে, রাষ্ট্রের প্রতি
- আনুগত্য প্রদর্শন করে, রাষ্ট্রের নিয়মকানুন মেনে চলে সেই রাষ্ট্রের নাগরিক ।
⇒ আধুনিক নাগরিকতার ধারণায় নাগরিকের সংজ্ঞা থেকে নাগরিকতার চারটি বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয়।
• রাষ্ট্রের সদস্য হতে হয়,
• রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন করতে হয়,
• রাষ্ট্রের প্রতি কর্তব্য পালন করতে হয়,
• সামাজিক ও রাজনৈতিক অধিকার ভোগ করতে হয়।
তথ্যসূত্র - রাষ্ট্রবিজ্ঞান: রাষ্ট্রতত্ত্ব, এস এস এইচ এল প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
শুদ্ধাচার:
- শুদ্ধাচার হলো এমন একটি জীবনদর্শন ও আচরণের ধরন, যেখানে সততা, নৈতিকতা এবং কর্তব্যনিষ্ঠা একসঙ্গে মিলেমিশে একটি উৎকৃষ্ট চরিত্র গড়ে তোলে।
- শুদ্ধাচার বলতে সাধারণভাবে নৈতিকতা ও সততার দ্বারা প্রভাবিত আচরণগত উৎকর্ষতাকে বোঝায়৷
- শুদ্ধাচার যখন ব্যক্তি থেকে পরিবার, সমাজ ও প্রতিষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ছড়িয়ে পড়ে, তখনই সত্যিকারের সুশাসনের পরিবেশ তৈরি হয়।
- ব্যক্তি পর্যায়ে শুদ্ধাচারের অর্থ হলো কর্তব্যনিষ্ঠা ও সততা তথা চরিত্রনিষ্ঠা।
- রাষ্ট্রের মূল চালিকাশক্তি হলো নাগরিক।
- নাগরিকগণ রাষ্ট্রের সকল কাজের অংশীদার।
- তাই সুশাসন প্রতিষ্ঠিত করতে চাইলে নাগরিকদের শুদ্ধাচারের চর্চা করতে হবে।
- শুদ্ধাচার প্রতিষ্ঠা পেলে দুর্নীতি হ্রাস, জনগণ অন্যায় কর্ম থেকে বিরত থাকবে এবং সামাজিক ও রাষ্ট্রিক অনাচার দূর হবে।
⇒ শুদ্ধাচার প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান:
• নির্বাহী বিভাগ ও জনপ্রশাসন,
• জাতীয় সংসদ,
• বিচার বিভাগ,
• নির্বাচন কমিশন,
• অ্যাটর্নি জেনারেল।
⇒ অরাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান:
• রাজনৈতিক দল,
• বেসরকারি খাতের শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান,
• এনজিও ও সুশীলসমাজ,
• পরিবার,
• শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
তথ্যসূত্র - মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট ও তথ্য অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
মৌলিক মূল্যবোধ:
- একজন প্রশাসকের প্রধান মূল্যবোধ জনকল্যাণ ৷
- এটি নির্দেশ করে যে প্রশাসক তার সিদ্ধান্ত ও কার্যক্রমের মাধ্যমে জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করতে কাজ করেন।
⇒ জনকল্যাণের উদ্দেশ্য হলো:
• জনগণের উন্নতি,
• সামাজিক ন্যায়বিচার,
• সুষম উন্নয়ন সাধন করা।
⇒ উল্লেখ্য:
- ক্ষমতা প্রশাসকের কাজ পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয়, কিন্তু যদি জনকল্যাণের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত না হয়, তবে এটি অপ্রয়োজনীয় হতে পারে।
- স্বাধীনতা গুরুত্বপূর্ণ তবে এটি প্রশাসকের কাজে জনকল্যাণের সাথে সম্পর্কিত নয়। স্বাধীনতা প্রশাসকের কার্যক্রমের স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করে।
- কর্মদক্ষতা একটি প্রশাসকের প্রয়োজনীয় গুণ, তবে এটি মূল মূল্যবোধ নয়; এটি জনকল্যাণ সাধনের জন্য একটি সহায়ক গুণ।
তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, এইস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
বার্ট্রান্ড রাসেলের লেখা গ্রন্থ:
- Human Society in Ethics and Politics,
- Power: A New Social Analysis,
- The Problem of Philosophy,
- Religion and Science,
- The Analysis of Mind,
- Marriage and Morals,
- Political Ideals,
- Logic and knowledge.
তথ্যসূত্র - Britannica.com
রাজনৈতিক মূল্যবোধ:
- রাজনৈতিক মূল্যবোধ হলো সেই গভীর চিন্তাধারা, বিশ্বাস, আদর্শ ও সংকল্পের সমষ্টি যা একজন মানুষের রাজনৈতিক আচরণ, সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং কর্মকাণ্ডকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং দিকনির্দেশনা দেয়।
- এটি কোনো বাহ্যিক নিয়ম বা আইন নয়।
⇒ রাজনৈতিক মূল্যবোধ:
- রাজনৈতিক সততা,
- শিষ্টাচার ও সৌজন্যবোধ,
- রাজনৈতিক সহনশীলতা,
- রাজনৈতিক জবাবদিহিতার মানসিকতা,
- সংখ্যাগরিষ্ঠের মতের প্রতি সংখ্যালঘিষ্ঠের শ্রদ্ধাজ্ঞাপন এবং তা বাস্তবায়নে সহযোগিতা প্ৰদান,
- সংখ্যালঘিষ্ঠের মতের প্রতি সংখ্যাগরিষ্ঠের সহিষ্ণু আচরণ,
- বিরোধী মতকে প্রচার ও প্রসারের সুযোগ প্রদান,
তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
⇒ UNDP-এর মতে সুশাসনের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে দুর্নীতিমুক্ত আমলাতন্ত্র অন্তর্ভুক্ত নয়।
UNDP ও সুশাসন:
- জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP) উন্নয়নশীল দেশগুলোর শাসনতান্ত্রিক পলিসির উপর গুরুত্ব আরোপ করতে গিয়ে সুশাসনের সংজ্ঞা প্রদান করে।
- UNDP ১৯৯৭ সালে সুশাসনের সংজ্ঞা প্রদান করে।
- UNDP-এর মতে, 'একটি দেশের সার্বিক স্তরের কার্যাবলি পরিচালনার জন্য অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক কর্তৃত্বের চর্চার বা
প্রয়োগের পদ্ধতিই হলো সুশাসন'|
⇒ UNDP-এর মতে সুশাসনের উপাদান ৯টি। যথা :
• স্বচ্ছতা,
• আইনের শাসন,
• সকলের অংশগ্রহণ,
• সংবেদনশীলতা,
• সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের প্রাধান্য,
• সমতা,
• ন্যায্যতা,
• জবাবদিহিতা
• কৌশলগত লক্ষ্য।
তথ্যসূত্র - UNDP ওয়েবসাইট।
⇒ World Justice Project প্রতিবছর Rule of Law Index প্রকাশ করে থাকে।
World Justice Project:
- World Justice Project একটি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ।
- World Justice Project বিশ্বব্যাপী দুইটি বিষয় নিয়ে কাজ করে।
• আইন ব্যবস্থা,
• সুশাসন।
- 'World Justice Project' আইনের শাসনের সূচক প্রকাশ করে ।
- সংস্থাটি ২০০৯ সাল থেকে প্রতিবছর বিভিন্ন দেশের আইন ব্যবস্থা এবং সুশাসনের অবস্থা পরিমাপ ও মূল্যায়ন করে বার্ষিক প্রতিবেদন
প্রকাশ করে আসছে।
- 'WJP Rule of Law Index' শিরোনামে প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়।
⇒ ৮টি বিষয় বিবেচনায় নিয়ে আইনের শাসনের এই সূচক তৈরি করা হয়:
• রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা,
• নিয়ন্ত্রণমূলক ক্ষমতার প্রয়োগ,
• জননিরাপত্তা,
• মৌলিক অধিকার,
• দুর্নীতি,
• সরকারি তথ্য প্রকাশ,
• দেওয়ানি বিচার,
• ফৌজদারি বিচার।
তথ্যসূত্র - World Justice Project ওয়েবসাইট।
আইনের প্রকারভেদ:
- আইনের প্রয়োগ ও অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষের উপর ভিত্তি করে আইনকে প্রধানত ৩ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
• সরকারি আইন,
• বেসরকারি আইন,
• আন্তর্জাতিক আইন ৷
⇒ সরকারি আইন:
- সরকার কর্তৃক প্রণীত ও বলবৎকৃত নিয়মকানুনই হল সরকারি আইন।
- রাষ্ট্র পরিচালনা করতে নানা ধরনের আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগ করতে হয়।
• সরকারি আইন সাধারণত জাতীয় সংসদ বা পার্লামেন্টে প্রণীত হয়ে থাকে ।
- সকল পর্যায়েই সাধারণত সংখ্যা গরিষ্ঠ সদস্যগণের সম্মতির প্রয়োজন পড়ে।
- সরকারি আইনের মধ্যে রয়েছে-
• ফৌজদারি আইন,
• প্রশাসনিক আইন,
• সাংবিধানিক আইন।
তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
গণতন্ত্ৰ:
- ৩টি আদর্শের উপর ভিত্তি করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। যথা:
• সাম্য,
• মৈত্রী ও
• স্বাধীনতা।
- গণতন্ত্রে সকলেই সমান; সমঅধিকারের নীতিটি শুধু তত্ত্বগতভাবে নয়, বাস্তবেও গৃহীত হতে দেখা যায় ৷
- জাতি, ধর্ম, বর্ণ, ধনী-গরীব, স্ত্রী-পুরুষ নির্বিশেষে সবাই আইনের চোখে সমান।
- গণতন্ত্রে সবাই আইন দ্বারা সমভাবে সংরক্ষিত হবার সুযোগ পায়।
- গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় প্রত্যেকে স্বাধীনভাবে রাজনৈতিক ও সামাজিক অধিকার ভোগ করতে পারে।
তথ্যসূত্র - রাষ্ট্রবিজ্ঞান: রাজনৈতিক সংগঠন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG):
- সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আদলে ২০১৫ সালের ২৫-২৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন সম্মেলনে সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্টস গোল (এসডিজি) গ্রহণ করে।
- সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায় (SDG) লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৭টি এবং টার্গেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬৯টি।
- বাস্তবায়নের জন্যে লক্ষ্যস্থির করা হয় ২০৩০ সালের মধ্যে।
- মেয়াদকাল: ২০১৬-২০৩০ সাল।
- বাস্তবায়ন শুরু: ১ জানুয়ারি, ২০১৬ সাল।
- মেয়াদ শেষ: ৩১ ডিসেম্বর, ২০৩০ সাল।
⇒ লক্ষ্যমাত্রাসমূহ হলো:
১) দারিদ্র্য নির্মূল।
২) ক্ষুধামুক্তি।
৩) সুস্বাস্থ্য।
৪) মানসম্মত শিক্ষা।
৫) লিঙ্গ সমতা।
৬) বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন।
৭) সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি।
৮) উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি।
৯) শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো।
১০) বৈষম্য হ্রাস।
১১) টেকসই শহর ও জনগণ।
১২) পরিমিত ভোগ ও উৎপান।
১৩) জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ।
১৪) সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান।
১৫) স্থলভাগের জীবন।
১৬) শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান।
১৭) অভিষ্টের জন্যে অংশীদারিত্ব।
তথ্যসূত্র - SDG অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।