পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

পরীক্ষাপ্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়18 minutes
মোট প্রশ্ন১৫
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৪৮: বিগত ৫টি পরীক্ষার উপর রিভিশন পরীক্ষা [পরীক্ষা – ৩৫, ৩৮, ৪১, ৪৪, ৪৭]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫ প্রশ্ন

.
'মুক্তি লাভের ইচ্ছা' এর বাক্য কথায় প্রকাশ -
  1. মুমুক্ষু
  2. বুভুক্ষা
  3. মুমুক্ষা
  4. বিবিক্ষা
সঠিক উত্তর:
মুমুক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুমুক্ষা
ব্যাখ্যা
• 'মুক্তি লাভের ইচ্ছা' এর বাক্য কথায় প্রকাশ - মুমুক্ষা

অন্যদিকে,
- 'মুক্তি পেতে ইচ্ছুক' এর বাক্য কথায় প্রকাশ - মুমুক্ষু।
- 'ভোজন করার ইচ্ছা' এর বাক্য সংকোচন - বুভুক্ষা।
- 'দেখবার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - দিদৃক্ষা।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
প্রাদি সমাসের উদাহরণ কোনটি?
  1. প্রবচন
  2. উপবন
  3. অনুগমন
  4. অনুধাবন
সঠিক উত্তর:
প্রবচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রবচন
ব্যাখ্যা
প্রাদি সমাস:
প্র, প্রতি, অনু প্রভৃতি অব্যয়ের সঙ্গে যদি কৃৎ প্রত্যয় সাধিত বিশেষ্যের সমাস হয়, তবে তাকে বলে প্রাদি সমাস।
যথা:
- প্র (প্রকৃষ্ট) যে বচন = প্রবচন,
- পরি (চতুর্দিকে) যে ভ্রমণ = পরিভ্রমণ,
- অনুতে (পশ্চাতে) যে তাপ = অনুতাপ,
- প্র (প্রকৃষ্ট রূপে) ভাত (আলোকিত) = প্রভাত,
- প্র (প্রকৃষ্ট রূপে) গতি = প্রগতি ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- পশ্চাৎ অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস = অনুগমন, অনুধাবন।
- সাদৃশ্য অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস = উপবন। 

অভিসম্বন্ধ: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
নিচের কোনটি তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত শব্দ নয়?
  1. সর্বজনীন
  2. মিশাল
  3. তেজস্বী
  4. নীলিমা
সঠিক উত্তর:
মিশাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিশাল
ব্যাখ্যা
- 'মিশাল' হচ্ছে আল-প্রত্যয় যোগে কৃৎ-প্রত্যয় সাধিত শব্দ।
- √মিশ্ + আল = মিশাল।

অন্যদিকে,
সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়ে গঠিত কিছু প্রকৃতি ও প্রত্যয়:
- তেজঃ + বিন = তেজস্বী,
- পঞ্চভূত + ষ্ণিক = পাঞ্চভৌতিক,
- কুসুম + ইত = কুসুমিত,
- সর্বজন + নীন = সর্বজনীন,
- নীল + ইমন = নীলিমা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
কর্মধারয় সমাসে উপমানের সঙ্গে গুণবাচক শব্দের যে সমাস হয়, তাকে কী বলে?
  1. উপমিত কর্মধারয় সমাস
  2. রূপক কর্মধারয় সমাস
  3. উপমান কর্মধারয় সমাস
  4. কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
উপমান কর্মধারয় সমাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপমান কর্মধারয় সমাস
ব্যাখ্যা
উপমান কর্মধারয় সমাস:
- যার সঙ্গে তুলনা করা হয়, তা উপমান।
- কিছু কর্মধারয় সমাসে উপমানের সঙ্গে গুণবাচক শব্দের সমাস হয়। এগুলােকে উপমান কর্মধারয় বলে।
- এই সমাসে পরপদ সাধারণত বিশেষণ হয়।
যেমন:
- কাজলের মতাে কালাে = কাজলকালাে,
- শশের মতাে ব্যস্ত = শশব্যস্ত,
- মিশির মত কালো = মিশকালো ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
উপমিত কর্মধারয় সমাস:
- পূর্বপদে উপমেয় পদের সঙ্গে পরপদে উপমান পদের যে সমাস হয় তাকে, উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন:
- মুখ চন্দ্রের ন্যায় = মুখচন্দ্র,
- চরণ কমলের ন্যায় = চরণকমল।

রূপক কর্মধারয় সমাস:
- কিছু কর্মধারয় নমাসে উপমেয় পদের সাথে উপমান পদের অভেদ কল্পনা করা হয় । এগুলোকে রূপক কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন:
- বিষাদ রূপ সিন্ধু = বিষাদসিন্ধু;
- মন রূপ মাঝি = মনমাঝি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ ও ২০১৯ সংস্করণ) ও ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
‘মহাভারতের কথা অমৃত সমান।’ - বাক্যে কোন কালের ক্রিয়া আছে?
  1. নিত্যবৃত্ত অতীত
  2. সাধারণ অতীত
  3. পুরাঘটিত বর্তমান
  4. নিত্যবৃত্ত বর্তমান
সঠিক উত্তর:
নিত্যবৃত্ত বর্তমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিত্যবৃত্ত বর্তমান
ব্যাখ্যা
নিত্যবৃত্ত বর্তমান কাল:
- বস্বাভাবিক বা অভ্যস্ততা বোঝালে সাধারণ বর্তমান কালের ক্রিয়াকে নিত্যবৃত্ত বর্তমান কাল বলে।
যথা -
- সন্ধ্যায় সূর্য অস্ত যায়। (স্বাভাবিকতা)।
- আমি রোজ সকালে বেড়াতে যাই। (অভ্যস্ততা)।

নিত্যবৃত্ত বর্তমান কালের বিশিষ্ট প্রয়োগ:
(১) স্থায়ী সত্য প্রকাশে: চার আর তিনে সাত হয়।

(২) ঐতিহাসিক বর্তমান:
- অতীতের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনায় যদি নিত্যবৃত্ত বর্তমান কালের প্রয়োগ হয়, তাহলে তাকে ঐতিহাসিক বর্তমান কাল বলে।
যেমন -
- বাবরের মৃত্যুর পর হুমায়ুন দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন।

(৩) কাব্যের ভণিতায়:
- মহাভারতের কথা অমৃত সমান।
- কাশীরাম দাস ভনে শুনে পুণ্যবান।

(৪) অনিশ্চয়তা প্রকাশে: কে জানে দেশে আবার সুদিন আসবে কি না।

(৫) 'যদি', 'যখন', 'যেন' প্রভৃতি শব্দের প্রয়োগে অতীত ও ভবিষ্যৎ কাল জ্ঞাপনের জন্য সাধারণ বর্তমান কালের ব্যবহার হয়।
যেমন -
- বৃষ্টি যদি আসে, আমি বাড়ি চলে যাব।
- সকলেই যেন সভায় হাজির থাকে।
- বিপদ যখন আসে, তখন এমনি করেই আসে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
নিচের কোনটি নঞ্‌ বহুব্রীহি সমাস?
  1. নাচার
  2. নাছোড়
  3. বেতাল
  4. অকাতর
সঠিক উত্তর:
নাচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাচার
ব্যাখ্যা
নঞ্‌ বহুব্রীহি:
- বিশেষ্য পূর্বপদের আগে নঞ্‌ (না অর্থবোধক) অব্যয় যোগ করে বহুব্রীহি সমাস করা হলে তাকে নঞ্‌ বহুব্রীহি বলে।
- নঞ্‌ বহুব্রীহি সমাসে সাধিত পদটি বিশেষণ হয়।
যেমন -
- ন (নাই) জ্ঞান যার = অজ্ঞান,
- বে (নাই) হেড যার = বেহেড,
- না (নাই) চারা (উপায়) যার = নাচার,
- নি (নাই) ভুল যার = নির্ভুল,
এরকম - নাহক, নিরুপায়, নির্ঝঞ্ঝাট, অবুঝ, বেপরোয়া, বেহুঁশ, অনন্ত, বেতার ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- নাছোড়, বেতাল, এবং অকাতর নঞ্‌ তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ।   

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
Antonym of 'Lucid' -
  1. Limpid
  2. Abstruse
  3. Chaste
  4. Innocent
সঠিক উত্তর:
Abstruse
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Abstruse
ব্যাখ্যা
• Lucid:
English meaning: clearly expressed and easy to understand, or (of a person) thinking or speaking clearly.
Bangla meaning: স্পষ্ট; সহজবোধ্য

Options,
ক) Limpid: (সাহিত্যিক লাক্ষণিক আলংকারিক অর্থ) (তরল পদার্থ, বায়ুমণ্ডল, চোখ) নির্মল; স্বচ্ছ।

খ) Abstruse: দুর্বোধ্য; গূঢ়; নিগূঢ়।

গ) Chaste: (১) কথায়, চিন্তায় ও কাজে সদ্‌গুণসম্পন্ন; ধর্মপরায়ণ; নিষ্পাপ; (বিশেষত যৌনজীবনে) বহুচারিতা থেকে মুক্ত বা যৌনসংশ্রব থেকে সম্পূর্ণরূপে মুক্ত; কুমার/কুমারী। (২) (রীতি, রুচি) সহজ, সরল, নিরলংকার; শুদ্ধ।

ঘ) Innocent: নিরপরাধ; নির্দোষ।

অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, Antonym of 'Lucid' - Abstruse.

Source: Cambridge & Accessible Dictionary.
.
পিতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি ৬৮ বছর। এক বছর পূর্বে তাদের বয়সের অনুপাত ছিলো ৫ : ১ বছর। পিতার বর্তমান বয়স কত?
  1. ৩০ বছর
  2. ৩৭ বছর
  3. ৪৮ বছর
  4. ৫৬ বছর
সঠিক উত্তর:
৫৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৬ বছর
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: পিতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি ৬৮ বছর। এক বছর পূর্বে তাদের বয়সের অনুপাত ছিলো ৫ : ১ বছর। পিতার বর্তমান বয়স কত?

সমাধান:
ধরি,
এক বছর পূর্বে পিতা ও পুত্রের বয়স যথাক্রমে = ৫ক ও ক বছর
∴ পিতার বর্তমান বয়স = (৫ক + ১) বছর
পুত্রের বর্তমান বয়স = (ক + ১) বছর

প্রশ্নমতে,
(ক + ১) + (৫ক + ১) = ৬৮
⇒ ৬ক + ২ = ৬৮
⇒ ৬ক = ৬৮ - ২
⇒ ৬ক = ৬৬
∴ ক = ১১

সুতরাং, পিতার বর্তমান বয়স = (৫ × ১১ + ১) = ৫৬ বছর

.
একটি ট্রেন ঘণ্টায় ৬০ কি.মি. বেগে চলে। ২০০ মিটার দূরত্ব যেতে ট্রেনটির কত সময় লাগবে?
  1. ৯ সেকেন্ড
  2. ১২ সেকেন্ড
  3. ১৪সেকেন্ড
  4. ২৪ সেকেন্ড
সঠিক উত্তর:
১২ সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ট্রেন ঘণ্টায় ৬০ কি.মি. বেগে চলে। ২০০ মিটার দূরত্ব যেতে ট্রেনটির কত সময় লাগবে?

সমাধান:
১ ঘণ্টা = ৬০ মিনিট
= (৬০ × ৬০) সেকেন্ড
= ৩৬০০ সেকেন্ড

৬০ কি.মি = (৬০ × ১০০০) মিটার
= ৬০০০০ মিটার

৬০০০০ মিটার যেতে সময় লাগে = ৩৬০০ সেকেন্ড
১ মিটার যেতে সময় লাগে = ৩৬০০/৬০০০০ সেকেন্ড
২০০ মিটার যেতে সময় লাগে = (৩৬০০ × ২০০)/৬০০০০ সেকেন্ডে
= ১২ সেকেন্ড
১০.
২৪ গ্যালন অকটেন মিশ্রিত পেট্রোলে, পেট্রোল ও অকটেনের অনুপাত ৫ : ৩। এতে আর কত অকটেন মিশালে পেট্রোল ও অকটেনের অনুপাত ৩ : ৫ হবে?
  1. ৯ গ্যালন 
  2. ১২ গ্যালন 
  3. ১৬ গ্যালন 
  4. ১৮ গ্যালন 
সঠিক উত্তর:
১৬ গ্যালন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ গ্যালন 
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ২৪ গ্যালন অকটেন মিশ্রিত পেট্রোলে, পেট্রোল ও অকটেনের অনুপাত ৫ : ৩। এতে আর কত অকটেন মিশালে পেট্রোল ও অকটেনের অনুপাত ৩ : ৫ হবে?

সমাধান:
পেট্রোলের পরিমাণ = (৫ × ২৪)/৮ = ১৫ গ্যালন
অকটেনের পরিমাণ = (৩ × ২৪)/৮ = ৯ গ্যালন

ধরি,
ক গ্যালন অকটেন মেশাতে হবে।
তাহলে, ১৫ : (৯ + ক) = ৩ : ৫
⇒ ১৫/ (৯ + ক) = ৩/৫
⇒ ২৭ + ৩ক = ৭৫
⇒ ৩ক = ৭৫ - ২৭
⇒ ৩ক = ৪৮
∴ ক = ১৬ গ্যালন 
১১.
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 

সমাধান: 
১২.
ঘণ্টায় ৫ কি.মি. বেগে চললে কোন স্থানে পৌঁছাতে যে সময় লাগে, ঘণ্টায় ৬ কি.মি. বেগে চললে তার চেয়ে ১/২ ঘণ্টা কম লাগে। স্থানটির দূরত্ব কত?
  1. ১০ কি.মি.
  2. ১৫ কি.মি.
  3. ১৬ কি.মি.
  4. ২০ কি.মি.
সঠিক উত্তর:
১৫ কি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ কি.মি.
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ঘণ্টায় ৫ কি.মি. বেগে চললে কোন স্থানে পৌঁছাতে যে সময় লাগে, ঘণ্টায় ৬ কি.মি. বেগে চললে তার চেয়ে ১/২ ঘণ্টা কম লাগে। স্থানটির দূরত্ব কত?

সমাধান:
ধরি,
স্থানটির দূরত্ব = ক কি.মি.
এখন,
৪ কি.মি. বেগে সময় লাগে = ক/৫ ঘণ্টা
আবার, ৫ কি.মি. বেগে সময় লাগে = ক/৬ ঘণ্টা

প্রশ্নমতে,
(ক/৫) - (ক/৬) = ১/২
⇒ (৬ক - ৫ক)/৩০ = ১/২
⇒ ক/৩০ = ১/২
⇒ ২ক = ৩০
∴ ক = ১৫ কি.মি.
১৩.
একটি ট্রেন ২৫৪ মিটার দীর্ঘ একটি সেতুকে ২০ সেকেন্ডে এবং ১০০ মিটার দীর্ঘ একটি সেতুকে ১৩ সেকেন্ডে অতিক্রম করলো। ট্রেনটির দৈর্ঘ্য কত?
  1. ১৬৮ মিটার
  2. ১৭৪ মিটার
  3. ১৮৬ মিটার
  4. ১৯২ মিটার
সঠিক উত্তর:
১৮৬ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৬ মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ট্রেন ২৫৪ মিটার দীর্ঘ একটি সেতুকে ২০ সেকেন্ডে এবং ১০০ মিটার দীর্ঘ একটি সেতুকে ১৩ সেকেন্ডে অতিক্রম করলো। ট্রেনটির দৈর্ঘ্য কত?

সমাধান:
ধরি,
ট্রেনটির দৈর্ঘ্য = ক মিটার

প্রশ্নমতে,
(২৫৪ + ক)/২০ = (১০০ + ক)/১৩
⇒ ২০০০ + ২০ক = ৩৩০২ + ১৩ক
⇒ ২০ক - ১৩ক = ৩৩০২ - ২০০০
⇒ ৭ক = ১৩০২
⇒ ক = ১৩০২/৭
⇒ ক = ১৮৬

∴ ট্রেনটির দৈর্ঘ্য ১৮৬ মিটার
১৪.
সৈয়দ রেফাত আহমেদ বাংলাদেশের কততম প্রধান বিচারপতি?
  1. ২৪ তম
  2. ২৫ তম
  3. ২৬ তম
  4. ২৭ তম
সঠিক উত্তর:
২৫ তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ তম
ব্যাখ্যা
প্রধান বিচারপতি:
- বর্তমানে (আগস্ট, ২০২৪) বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ।
- তিনি বাংলাদেশের ২৫ তম প্রধান বিচারপতি।
- সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দিয়েছেন।
- সৈয়দ রেফাত আহমেদের জন্ম ১৯৫৮ সালের ২৮ ডিসেম্বর।
- তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হয়ে এএলবি(অনার্স) উত্তীর্ণ হন। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি থেকে এমএ পাস করার পর যুক্তরাষ্ট্রের টাফ্‌ট ইউনিভার্সিটির ফ্লেচার স্কুল অব ল এন্ড ডিপ্লোমেসি থেকে ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেন।
- ১৯৮৪ সালে জেলা জজ আদালত, ১৯৮৬ সালে সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ এবং ২০০২ সালে সুপ্রীম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ছিলেন।
- তিনি 'গ্লোবাল জুডিশিয়াল ইনস্টিটিউট অন এনভাইরনমেন্ট, ব্রাজিল' এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।

তথ্যসূত্র - ডেইলী স্টার, ১০ আগস্ট, ২০২৪।
১৫.
বাংলাদেশের নিজস্ব মুদ্রা চালু হয় কবে?
  1. ১ মার্চ, ১৯৭২
  2. ২ মার্চ, ১৯৭২
  3. ৩ মার্চ, ১৯৭২
  4. ৪ মার্চ, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
৪ মার্চ, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ মার্চ, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের নিজস্ব মুদ্রা:
- ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ প্রথমবারের মতো স্বাধীন বাংলাদেশের নিজস্ব ১ ও ১০০ টাকার ব্যাংক নোটের প্রচলন হয়।
- স্বাধীন বাংলাদেশের মুদ্রার নাম রাখা হয় টাকা। বিশ্বের কয়েকটি দেশের মুদ্রার নাম একই ধরনের। তবে বাংলাদেশের মুদ্রা হিসেবে টাকা নামটি স্বতন্ত্র।
- ৪ মার্চ ১৯৭২ তারিখে প্রকাশিত দুটি ব্যাংক নোট ভারতের সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস থেকে ছাপানো হয়। ১ টাকার ও ১০০ টাকার নোট।
- ১ টাকার নকশায় বাংলাদেশের মানচিত্র ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ কথাটি স্থান পায় এবং তাতে স্বাক্ষর করেছিলেন সে সময়ের অর্থসচিব কে এ জামান।
- ১০০ টাকার নকশায় দেখা যায় বাংলাদেশের মানচিত্র ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি এবং তাতে লেখা থাকে বাংলাদেশ ব্যাংক। ১০০ টাকার ব্যাংক নোটটি বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রথম গভর্নর এ এন হামিদ উল্ল্যাহ্ স্বাক্ষরিত।
- ৪ মার্চ ২০২১ সালে প্রথমবারের মতো পালিত হয়েছে 'টাকা দিবস'।

তথ্যসুত্র - বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো, ০৪ মার্চ, ২০২১।