পরীক্ষা আর্কাইভ

ব্যাংক নিয়োগ বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি

পরীক্ষাব্যাংক নিয়োগ বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন২৪
সিলেবাস
Exam - 23 Subject: ICT Topic Computer Peripherals, Computer Architecture, Computer Performance, Computer in Practical Fields, Number Systems of Computer, Operating Systems, Embedded Computer, History of Computer, Types of Computers, Computer Program, Database System, MS Office, Digital Device, Computer & IT Related Abbreviations.
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ব্যাংক নিয়োগ বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি

ব্যাংক নিয়োগ বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৪ প্রশ্ন

.
Which component is installed directly into the CPU socket on a motherboard?
  1. Processor
  2. RAM
  3. Hard drive
  4. Graphics card
ব্যাখ্যা

• Motherboard-এর CPU socket-এ সরাসরি যে componentটি ইনস্টল করা হয়, তা হলো Processor বা CPU। Processor হলো কম্পিউটারের মস্তিষ্ক, যা সমস্ত হিসাব, প্রক্রিয়াকরণ এবং নির্দেশনা সম্পাদন করে। CPU socket এমনভাবে ডিজাইন করা হয় যাতে processor-কে নিরাপদভাবে বসানো যায় এবং তা motherboard-এর অন্যান্য component-এর সাথে সঠিকভাবে সংযুক্ত থাকে। অন্য component যেমন RAM, hard drive বা graphics card আলাদা আলাদা স্লট বা সংযোগের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়। উদাহরণস্বরূপ, RAM মাদারবোর্ডের DIMM স্লটে বসানো হয়, hard drive SATA বা NVMe পোর্টের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়, এবং graphics card PCIe স্লটে বসানো হয়। তাই CPU হলো একমাত্র component যা সরাসরি CPU socket-এ ইনস্টল হয়।

উত্তর: ক) Processor.

• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ড বা মেইনবোর্ড হলো কম্পিউটারের ভেতরে অবস্থিত সার্কিট বোর্ড যাতে সিস্টেম এর প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ডিভাইস পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং নতুন ডিভাইস সংযুক্ত করার ব্যাবস্থা থাকে।
- মাদারবোর্ড এর জন্য ভালো ব্র্যান্ডগুলো হলো: Gigabyte, Intel, Foxcon, Asus ইত্যাদি।
- মাদারবোর্ডকে প্রায়ই কম্পিউটার এর “মেরুদণ্ড” বা “ব্যাকবোন” বলা হয়, কারণ এটি সবকিছুকে একত্রে ধরে রাখে ও সংযোগ দেয়।

• গঠন ও উপাদান:
- ভিত্তি (Base): শক্ত, non-conductive (বিদ্যুৎ না পরিবাহিত) প্লাস্টিকের শীট।
- ট্রেস (Traces): পাতলা কপার বা অ্যালুমিনিয়ামের রেখা, যা সার্কিট গঠন করে।

- স্লট ও সকেট:
- CPU (Central Processing Unit),
- RAM (Random Access Memory),
- Expansion Cards (যেমন: গ্রাফিক্স কার্ড)।
- পোর্ট ও সংযোগ: হার্ডড্রাইভ, ডিস্কড্রাইভ, ফ্রন্ট প্যানেল, মনিটর, কীবোর্ড, মাউসের সঙ্গে সংযোগ।

উৎস: 
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, ভোকেশনাল।
২। ব্রিটানিকা।

.
Cache memory is typically made of which type of memory?
  1. ROM
  2. Flash
  3. DRAM
  4. SRAM
ব্যাখ্যা

• Cache memory সাধারণত SRAM (Static Random Access Memory) দিয়ে তৈরি করা হয়। SRAM হলো একটি উচ্চগতির, স্বয়ংসম্পূর্ণ র‍্যাম যা ডেটা ধরে রাখার জন্য ধারাবাহিক রিফ্রেশিং প্রয়োজন হয় না, যা DRAM-এর তুলনায় দ্রুত এবং স্থিতিশীল। কম্পিউটার প্রসেসরের সঙ্গে সোজাসুজি কাজ করার জন্য cache memory দ্রুত ডেটা অ্যাক্সেস করতে সাহায্য করে, ফলে প্রসেসরের পারফরম্যান্স বৃদ্ধি পায়। অন্যদিকে DRAM ধীরে ধীরে কাজ করে এবং রিফ্রেশ করতে হয়, ROM স্থির তথ্য রাখে এবং Flash মেমোরি সাধারণত স্টোরেজ ডিভাইসে ব্যবহৃত হয়। তাই processor cache-এর জন্য SRAM সবচেয়ে উপযুক্ত।

উত্তর: ঘ) SRAM.

ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- Cache Memory - SRAM দিয়ে গঠিত। 
- যখন CPU কোনো ডেটা প্রয়োজন করে, তখন এটি প্রথমে ক্যাশ মেমোরিতে খোঁজে। যদি সেখানে ডেটা পাওয়া যায় (যাকে ক্যাশ হিট বলে), CPU-কে ধীরগতির RAM বা অন্যান্য স্টোরেজ থেকে ডেটা আনতে হয় না, ফলে সামগ্রিক প্রসেসিং গতি বৃদ্ধি পায়।
- ক্যাশ মেমোরি CPU-এর কাছাকাছি অবস্থান করে এবং এটি RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুতগতির হওয়ায় ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে যায়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

.
Which of the following is considered a primary storage device?
  1. Hard Disk Drive (HDD)
  2. Random Access Memory (RAM)
  3. Compact Disc (CD)
  4. USB Flash Drive
ব্যাখ্যা

• প্রাথমিক স্টোরেজ ডিভাইস হলো সেই ধরণের মেমোরি যেখানে কম্পিউটার সরাসরি তথ্য পড়তে এবং লিখতে পারে এবং যা কাজ করার সময় প্রসেসরের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত থাকে। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে, Random Access Memory (RAM) হল প্রধান বা প্রাথমিক স্টোরেজ ডিভাইস। RAM অস্থায়ী মেমোরি যা কম্পিউটার চালু থাকাকালীন ডেটা এবং প্রোগ্রাম ধারণ করে, যাতে CPU দ্রুত তথ্য অ্যাক্সেস করতে পারে। অন্যদিকে, Hard Disk Drive (HDD), Compact Disc (CD), এবং USB Flash Drive প্রধানত সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস, যেগুলো তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে কিন্তু CPU-র সাথে সরাসরি দ্রুত সংযোগ রাখে না। তাই RAM-ই মূল প্রাথমিক স্টোরেজ হিসেবে বিবেচিত হয়।
 
• প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস:
- প্রোগ্রাম চলাকালীন সময়ে কম্পিউটারে প্রোগ্রামের বিভিন্ন তথ্য ও ফলাফলকে অস্থায়ীভাবে সংগ্রহের জন্য ব্যবহৃত ডিভাইসসমূহকে প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস বলা হয়।
- প্রাইমারি স্টোরেজ হলো মাইক্রোপ্রসেসরের কর্মক্ষেত্র বা ওয়ার্কপ্লেস। 
যেমন- র‍্যাম। 

• প্রাইমারি স্টোরেজের বৈশিষ্ট্য:
-  এ ধরনের স্টোরেজ সাধারণত সিপিইউয়ের সাথে সরাসরি সংযোগ থাকে।
- প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা এবং কম্পিউটারের নিজস্ব নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত কিছু প্রোগ্রাম প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস ধারণ করে।
-  অ্যাকসেস সময় কম।
-  ধারণক্ষমতা তুলনামূলকভাবে কম থাকে।
-  ডেটা স্থানান্তরের গতি বেশি।
-  বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে এ ধরনের স্টোরেজে সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
The main function of the Control Unit is to:
  1. Display output
  2. Store programs and data
  3. Perform mathematical calculations
  4. Fetch, decode, and control instruction execution
ব্যাখ্যা

• Control Unit (CU) কম্পিউটারের প্রধান উপাদানগুলোর একটি, যা প্রোগ্রাম নির্দেশাবলী কার্যকর করার জন্য সমস্ত কাজ সমন্বয় করে। এর মূল কাজ হলো নির্দেশাবলী গ্রহণ করা, সেগুলোকে ডিকোড করা এবং প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য অন্যান্য ইউনিটকে নিয়ন্ত্রণ করা। CU সরাসরি গণনা বা তথ্য সংরক্ষণ করে না, বরং Arithmetic Logic Unit (ALU) এবং মেমোরি ইউনিটের কার্যক্রমকে নির্দেশনা দেয়। এটি নিশ্চিত করে যে প্রতিটি নির্দেশ সঠিক ক্রমে এবং সঠিক সময়ে কার্যকর হচ্ছে। তাই Control Unit-এর মূল কাজ হলো instruction fetch, decode, এবং instruction execution নিয়ন্ত্রণ করা, যা কম্পিউটারের কার্যকারিতা স্বচ্ছন্দ এবং সঠিকভাবে পরিচালনা নিশ্চিত করে।

উত্তর: ঘ) Fetch, decode, and control instruction execution.

প্রসেসর বা CPU এর সংগঠন এর প্রধানত তিনটি অংশ থাকে -
১) নিয়ন্ত্রণ অংশ,
২) অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট (গাণিতিক যুক্তি অংশ,
৩) রেজিস্টার বা মেমোরি (স্মৃতি)।

• নিয়ন্ত্রণ অংশ:
- কম্পিউটারে সম্পাদিত সমস্ত কাজের নিয়ন্ত্রণ করে এ নিয়ন্ত্রণ অংশ।
- এ অংশ সিপিইউ, মেমোরি, এবং ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের মাধ্যমে ডাটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।
- কন্ট্রোল ইউনিট ROM ও RAM-এ সঞ্চিত নির্দেশ অনুসারে কাজ করে এবং কম্পিউটারের অন্য সব অংশকে আদেশ দেয়।
- তাছাড়া বাইনারি কোডের ইন্সট্রাকশনকে স্মৃতি থেকে গ্রহণ করে এবং এগুলোকে ডিকোড করে।

• অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট/গাণিতিক যুক্তি অংশ:
- এটা CPU এর সেই অংশ যেখানে বিভিন্ন ধরনের অপারেশন যেমন- যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ, OR, AND, NOR, XOR ইত্যাদি ডাটার উপর সম্পাদিত হয়।
- এতে একটি প্রোগ্রাম কাউন্টার আছে যাতে পূর্বের ইন্সট্রাকশনের ঠিকানা থাকে।
- কোন ইন্সট্রাকশন কখন সম্পাদিত হবে তা এ ঠিকানা থেকে স্মৃতি হিসেবে পাঠ করা যায়।

• রেজিস্টার বা মেমোরি/স্মৃতি:
- রেজিস্টার হচ্ছে CPU এর একটি অংশ।
- এসব রেজিস্টারে দ্রুত লিখন ও পঠন সম্ভব।
- গাণিতিক যুক্তি অংশে তথ্য প্রক্রিয়াকরণে এসব রেজিস্টার সাহায্য করে।
- কোনো একটি কাজ সম্পাদনের সময় এ সমস্ত রেজিস্টার সাময়িকভাবে ডাটা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- অপারেশনের ফল এখানে সাময়িকভাবে সঞ্চিত থাকে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

.
Which of the following is not an arithmetic operation?
  1. Multiplication
  2. Comparison 
  3. Subtraction
  4. Addition
ব্যাখ্যা

• অ্যারিথমেটিক অপারেশন হলো সংখ্যা নিয়ে গাণিতিক হিসাব করার প্রক্রিয়া, যেমন যোগ (Addition), বিয়োগ (Subtraction), গুণ (Multiplication), ভাগ (Division)। এগুলো সরাসরি সংখ্যাকে পরিবর্তন করে এবং ফলাফল দেয়। কিন্তু Comparison বা তুলনা অপারেশন সংখ্যা বা মানকে পরীক্ষা করে কোনটি বড়, ছোট বা সমান তা নির্ধারণ করে; এটি নতুন সংখ্যা তৈরি করে না, বরং একটি বুলিয়ান ফলাফল (true বা false) প্রদান করে। তাই Multiplication, Subtraction, এবং Addition অ্যারিথমেটিক, কিন্তু Comparison অ্যারিথমেটিক অপারেশন নয়।

অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট/গাণিতিক যুক্তি অংশ:
- এটা CPU এর সেই অংশ যেখানে বিভিন্ন ধরনের অপারেশন যেমন- যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ, OR, AND, NOR, XOR ইত্যাদি ডাটার উপর সম্পাদিত হয়।
- এতে একটি প্রোগ্রাম কাউন্টার আছে যাতে পূর্বের ইন্সট্রাকশনের ঠিকানা থাকে।
- কোন ইন্সট্রাকশন কখন সম্পাদিত হবে তা এ ঠিকানা থেকে স্মৃতি হিসেবে পাঠ করা যায়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

.
Which of the following is not a peripheral device?
  1. Printer
  2. Keyboard
  3. Mouse
  4. CPU 
ব্যাখ্যা

• Peripheral devices হলো কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত এমন যন্ত্র যা ডেটা ইনপুট বা আউটপুটের কাজ করে, কিন্তু কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রসেসিং ইউনিটের (CPU) অংশ নয়। যেমন, কীবোর্ড এবং মাউস ইনপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে, এবং প্রিন্টার আউটপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এই সকল যন্ত্র কম্পিউটারের মূল অংশ নয়, বরং CPU-এর সাথে সংযোগ স্থাপন করে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে, CPU হলো কম্পিউটারের মস্তিষ্ক, যা সকল কম্পিউটেশন এবং প্রোগ্রাম পরিচালনা করে। সুতরাং, প্রদত্ত অপশন গুলির মধ্যে CPU peripheral device নয়। এটি কম্পিউটারের অন্তর্নিহিত প্রধান অংশ।

• পেরিফেরাল ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে কম্পিউটার পেরিফেরালস বলে।
- কম্পিউটার পেরিফেরাল ডিভাইসগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।

• উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ:
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

২. আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।

• উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ:
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

৩. ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।

• উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ:
Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive ইত্যাদি।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
MIPS is primarily used as a measure of:
  1. CPU performance
  2. Network throughput
  3. Disk I/O rate
  4. Memory speed
ব্যাখ্যা

• MIPS (Million Instructions Per Second) মূলত CPU-এর কার্যক্ষমতা বা পারফরম্যান্স পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি নির্দেশ করে একটি সিপিইউ এক সেকেন্ডে কত মিলিয়ন নির্দেশনা সম্পাদন করতে পারে। সুতরাং, MIPS সরাসরি প্রসেসরের কার্যক্ষমতার সঙ্গে সম্পর্কিত এবং এটি নির্ধারণে সাহায্য করে যে কোন সিপিইউ কত দ্রুত কম্পিউটেশনাল কাজ সম্পন্ন করতে সক্ষম। MIPS দ্বারা নেটওয়ার্কের ডাটা ট্রান্সফার হার, ডিস্কের ইনপুট-আউটপুট রেট বা মেমোরির গতি বোঝানো হয় না। এই কারণে, MIPS মূলত CPU performance পরিমাপের একটি সূচক হিসেবে গণ্য হয় এবং কম্পিউটার আর্কিটেকচার ও প্রসেসর তুলনা করার সময় এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ক) CPU performance.

MIPS: 
- MIPS (Million Instructions Per Second) হল কম্পিউটারের প্রসেসিং গতি পরিমাপের একটি একক, যা প্রতি সেকেন্ডে সম্পাদিত মিলিয়ন সংখ্যক নির্দেশনার সংখ্যা বোঝায়।
- এটি সাধারণত CPU পারফরম্যান্স নির্ধারণের জন্য ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে RISC (Reduced Instruction Set Computing) প্রসেসরগুলোর ক্ষেত্রে।
- যদিও MIPS সাধারণ কম্পিউটার পারফরম্যান্স নির্দেশ করে, এটি সবসময় নির্ভুল উপায় নয়, কারণ প্রসেসরের কার্যক্ষমতা নির্ভর করে নির্দেশনার ধরন, ক্যাশ মেমোরি, ও সফটওয়্যার অপ্টিমাইজেশনের ওপর।

উৎস: IEEE & ACM Digital Library.

.
Which device is essential for experiencing VR?
  1. Mouse
  2. Printer
  3. Headset
  4. Keyboard
ব্যাখ্যা

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) অভিজ্ঞতা গ্রহণের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ডিভাইস হলো হেডসেট। VR হেডসেট একটি বিশেষ ধরনের চশমার মতো ডিভাইস, যা ব্যবহারকারীর চোখের সামনে ভার্চুয়াল পরিবেশের ৩ডি ছবি প্রদর্শন করে। এটি কেবল ভিজ্যুয়াল ইমার্সন দেয় না, বরং অনেক হেডসেটে হেড ট্র্যাকিং প্রযুক্তি থাকে, যা ব্যবহারকারীর মাথার চলাফেরার সঙ্গে ভার্চুয়াল জগতের দৃষ্টিকোণ পরিবর্তন করে। মাউস, কিবোর্ড বা প্রিন্টারের মতো ডিভাইস VR অভিজ্ঞতার জন্য অপরিহার্য নয়, কারণ সেগুলো শুধুমাত্র নিয়ন্ত্রণ বা আউটপুটের কাজ করে।
- তাই VR-এর সম্পূর্ণ ইমারসিভ অভিজ্ঞতা পেতে হেডসেট ছাড়া সম্ভব নয়।

- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে তৈরি।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR):
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) হলো কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত একটি কল্পনাপ্রসূত পরিবেশ, যা ব্যবহারকারীর কাছে বাস্তব মনে হয়।

• প্রযুক্তির ব্যবহার:
- ত্রিমাত্রিক (3D) ইমেজ তৈরি করে।
- ব্যবহারকারী যেন সেই পরিবেশে আছেন এমন অনুভূতি দেয়।

• ব্যবহৃত সফটওয়্যার:
- Vizard,
- VRToolKit,
- 3D Studio Max,
- Maya.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।

.
Which of the following is an example of an IoT device?
  1. Desktop computer
  2. Smart thermostat 
  3. USB drive
  4. DVD player
ব্যাখ্যা

• উত্তর: খ) Smart thermostat.

IoT বা ইন্টারনেট অফ থিংস হলো এমন ডিভাইস যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে বা দূর থেকে নিয়ন্ত্রণযোগ্য। Smart thermostat হলো একটি IoT ডিভাইসের উদাহরণ, কারণ এটি ইন্টারনেটের মাধ্যমে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, ব্যবহারকারীর পছন্দ অনুযায়ী ঘরের তাপমাত্রা সামঞ্জস্য করে এবং শক্তি সাশ্রয় করতে সাহায্য করে। অন্যদিকে Desktop computer, USB drive বা DVD player সাধারণত ইন্টারনেটের সঙ্গে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংযুক্ত হয় না এবং IoT ডিভাইসের মতো স্বয়ংক্রিয় তথ্য বিনিময় বা নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা রাখে না। তাই Smart thermostat হল প্রকৃত IoT ডিভাইস।

• IoT (Internet of Things):
- IoT (Internet of Things) এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে নানা ধরণের বস্তু (যন্ত্র, সেন্সর, ডিভাইস) ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং তথ্য আদান-প্রদান করে তাকে ইন্টানেট অব থিংস বা আইওটি (Internet of Things-IOT) বলে।
- আমাদের চারপাশে প্রতিদিনকার জীবনে আমরা যেসব যন্ত্রপাতির ব্যবহার যেমন গাড়ির গ্যারেজের দরজা, গাড়ি, কন্ট্রোল, ফ্যান, টিভি, দরজার ইলেট্রিক লক ইত্যাদি বিভিন্ন প্রয়োজনে যন্ত্র বা জিনিসপত্রকে অটোমেটিক করার জন্য এসবের সাথে কম্পিউটার সিস্টেম সংযুক্ত থাকে।
- এই প্রযুক্তিতে আমাদের ঘরের বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতি যেমন: টিভি, ফ্রিজ, লাইট প্রভৃতি ইন্টারনেট-এর সাথে সংযুক্ত করে এগুলোকে দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

১০.
Which technology is used in AI for recognizing patterns in data?
  1. Deep Learning
  2. Email Protocols
  3. HTTP
  4. Virtual Reality
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর: ক) Deep Learning.

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় (AI) ডেটার মধ্যে নিদিষ্ট প্যাটার্ন বা ধরণ চিনতে ডীপ লার্নিং (Deep Learning) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। এটি একটি মেশিন লার্নিং-এর উপশাখা যা নিউরাল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কাজ করে। ডীপ লার্নিং মডেল বড় বড় ডেটাসেট থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বৈশিষ্ট্য বা প্যাটার্ন শিখতে পারে, যেমন ছবি, শব্দ, লেখা বা অন্যান্য তথ্যের মধ্যে লুকানো সম্পর্ক। এর ফলে AI সিস্টেম ছবি চিনতে, ভাষা বোঝা বা পূর্বাভাস দিতে সক্ষম হয়। অন্য অপশন গুলো যেমন ইমেল প্রোটোকল, HTTP বা ভার্চুয়াল রিয়ালিটি সরাসরি ডেটার প্যাটার্ন চিনতে ব্যবহার হয় না, তাই সেগুলো এই ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence)
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) হলো এমন একটি কম্পিউটার বিজ্ঞান শাখা যেখানে কম্পিউটারকে মানুষের মত চিন্তা ও সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম করা হয়।
- AI সিস্টেম বা এজেন্ট তার পরিবেশ বুঝে সর্বোচ্চ সাফল্যের জন্য কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- AI-এর জনক বৃটিশ বিজ্ঞানী অ্যালান ম্যাথিসন টুরিং।
- ১৯৫০ সালে তিনি টুরিং টেস্ট আবিষ্কার করেন, যা মেশিনের বুদ্ধিমত্তা পরিমাপের একটি পদ্ধতি।
- ১৯৫৫ সালে জন ম্যাককার্থি “Artificial Intelligence” শব্দটি প্রবর্তন করেন।
- AI প্রয়োগের জন্য LISP প্রোগ্রামিং ভাষা তৈরি করেন।

• AI-এর গবেষণার মূল বিষয়সমূহ:
- মানুষের মতো চিন্তা করা।
- অসম্পূর্ণ তথ্য থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া।
- সমস্যা সমাধান।
- পরিকল্পনা করা।
- খেলাধুলায় সফলতা অর্জন।

• AI-এর বিশেষ প্রয়োগ:
- রোবটিক্স (রোবট উপলব্ধি),
- প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ,
- এক্সপার্ট সিস্টেম,
- নিউরাল নেটওয়ার্ক,
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি,
- ফাজি লজিক।

• AI-এর প্রধান শাখাসমূহ:
- সূত্রের প্রতিপাদন ও সমস্যা সমাধান,
- জ্ঞানের উপস্থাপন,
- পরিকল্পনা,
- যন্ত্রের শিক্ষা,
- স্পিচ ও প্যাটার্ন সনাক্তকরণ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১১.
The NOR gate is considered a universal gate because it can be used to implement:
  1. Only NAND gate
  2. Only XOR gate
  3. Only AND and OR gates
  4. Any other logic gate
ব্যাখ্যা

• NOR গেটকে একটি বিশ্বজনীন (universal) গেট বলা হয় কারণ এটি এককভাবে যেকোনো ধরনের লজিক গেট বাস্তবায়ন করতে সক্ষম। অর্থাৎ, শুধুমাত্র NOR গেট ব্যবহার করেই আমরা AND, OR, NOT, XOR ইত্যাদি সকল লজিক গেট তৈরি করতে পারি। এটি মূলত ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ কমপ্লেক্স সার্কিট ডিজাইন করার সময় আলাদা আলাদা গেটের প্রয়োজন কমে যায়। উদাহরণস্বরূপ, একটি NOR গেটের আউটপুটকে পুনরায় NOR গেটের ইনপুট হিসেবে ব্যবহার করলে NOT, AND বা OR ফাংশনগুলোকে সহজে বাস্তবায়ন করা সম্ভব। তাই NOR গেটকে “Any other logic gate” তৈরি করার ক্ষমতাসম্পন্ন গেট হিসেবে ধরা হয়। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ঘ) Any other logic gate.

• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

• মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা-
১. অর গেইট (OR Gate),
২. অ্যান্ড গেইট (AND Gate) ও
৩. নট গেইট (NOT Gate).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১২.
What is Unicode primarily used for?
  1. Network security
  2. Video streaming
  3. Image compression
  4. Text encoding
ব্যাখ্যা

• Unicode মূলত ঘ) Text encoding এর জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি একটি আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড যা বিশ্বের সমস্ত ভাষার অক্ষর, সংখ্যা ও প্রতীককে কম্পিউটারে এককভাবে সনাক্ত এবং প্রদর্শন করতে সাহায্য করে। আগে বিভিন্ন ভাষার জন্য আলাদা অক্ষর কোড ব্যবহৃত হত, যা ডেটা বিনিময় এবং সফটওয়্যার সংযোগে জটিলতা সৃষ্টি করত। Unicode ব্যবহার করলে একক সিস্টেমে বাংলাসহ যে কোনো ভাষার লেখা সঠিকভাবে প্রদর্শন ও বিনিময় করা সম্ভব হয়। এটি ওয়েব, মোবাইল, ডকুমেন্ট এবং সফটওয়্যারে সমন্বিতভাবে ব্যবহৃত হয়, ফলে ভাষার স্বাধীনতা ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগ সহজ হয়। Unicode এর মাধ্যমে লিপি এবং প্রতীকগুলির স্থায়ী ও সার্বজনীন মান নিশ্চিত করা যায়।

• ইউনিকোড:
• উদ্ভাবন ও উন্নয়ন:
- ১৯৯১ সালে Apple Computer Corporation এবং Xerox Corporation-এর একদল প্রকৌশলী যৌথভাবে ইউনিকোড উদ্ভাবন করেন।
- শুরু থেকেই ইউনিকোডকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে Unicode Consortium কাজ করে যাচ্ছে।

• ব্যবহার ও বৈশিষ্ট্য:
- বিশ্বের ছোট-বড় সকল ভাষাকে কম্পিউটারে কোডভুক্ত করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
-  ইউনিকোড মূলত ২ বাইট বা ১৬ বিটের কোড।
- এই কোডের মাধ্যমে ৬৫,৫৩৬টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
- যে ভাষাগুলোর জন্য ৮ বিট অপর্যাপ্ত ছিল (যেমন: চায়নিজ, কোরিয়ান, জাপানিজ), সেগুলোর সকল চিহ্ন সহজেই কোডভুক্ত করা সম্ভব হয়।

• অ্যাসকির (ASCII) সাথে সম্পর্ক:
- ইউনিকোড অ্যাসকি কোডের সাথে কম্প্যাটিবল।
- অর্থাৎ, ইউনিকোডের প্রথম ২৫৬টি কোড অ্যাসকির প্রথম ২৫৬টি কোডের অনুরূপ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৩.
What is the main function of a flip-flop?
  1. Store 1 bit of data
  2. Perform arithmetic operations
  3. Amplify signals
  4. Filter noise
ব্যাখ্যা

• ফ্লিপ-ফ্লপের প্রধান কাজ হলো ১ বিট ডেটা সংরক্ষণ করা। এটি একটি মৌলিক ডিজিটাল মেমরি ইউনিট, যা দুটি স্থিতির মধ্যে থাকতে পারে: সেট বা রিসেট। প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ একটি নির্দিষ্ট সময়ে একটি বিট তথ্য ধরে রাখতে সক্ষম, যা পরে প্রসেসিং বা অন্যান্য লজিক সার্কিটে ব্যবহার করা যায়। এটি ক্লক সিগন্যালের মাধ্যমে পরিচালিত হয়, যার মাধ্যমে ডেটা সঠিক সময়ে সংরক্ষিত এবং আপডেট হয়। ফ্লিপ-ফ্লপের মাধ্যমে রেজিস্টার, কাউন্টার এবং মেমরি ডিভাইস তৈরি করা যায়। তাই ফ্লিপ-ফ্লপের মূল উদ্দেশ্য হলো ডেটা সংরক্ষণ করা, না যে অঙ্কন, সংকেত বৃদ্ধি বা নয়েজ ফিল্টার করা।

সঠিক উত্তর: ক) Store 1 bit of data.

• ফ্লিপ-ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে।
- প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত সিঙ্গেল বিট নিয়ে কাজ করে।

- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত মাল্টিপল বিট নিয়ে কাজ করতে পারেনা।
- এটি এক বিট 0 অথবা 1 হতে পারে।
- এজন্য ফ্লিপ-ফ্লপকে বাই স্ট্যাবল মাল্টি ভাইব্রেটর বলা হয়।

• ফ্লিপ-ফ্লপের প্রকারভেদ ফ্লিপ-ফ্লপ সাধারণত ৫ প্রকার।
যথা-
১. SR ফ্লিপ-ফ্লপ,
২. D ফ্লিপ-ফ্লপ,
৩. JK ফ্লিপ-ফ্লপ,
৪ . T ফ্লিপ-ফ্লপ ও 
৫. মাস্টার-স্লেভ ফ্লিপ-ফুপ।

• ফ্লিপ ফ্লপের ব্যবহার:
১. বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২. সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
৩. ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।

১৪.
Which of the following is a valid hexadecimal number?
  1. 78Z
  2. 2F9 
  3. 1G5
  4. None 
ব্যাখ্যা

• একটি valid হেক্সাডেসিমাল (hexadecimal) সংখ্যা হল এমন একটি সংখ্যা যা কেবল ০ থেকে ৯ এবং A থেকে F পর্যন্ত অক্ষর ব্যবহার করে লেখা হয়। এখানে দেওয়া অপশন গুলোর মধ্যে, প্রথমটি 78Z, “Z” অক্ষরটি হেক্সাডেসিমালে নেই, তাই এটি valid নয়। তৃতীয়টি 1G5 তে “G” অক্ষর রয়েছে, যা হেক্সাডেসিমালে নেই, তাই এটি valid নয়। দ্বিতীয়টি 2F9, যেখানে 2 এবং 9 সংখ্যার সাথে F অক্ষর আছে, যা হেক্সাডেসিমালের সীমার মধ্যে। তাই, valid হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা হলো 2F9 
 
• সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোন সংখ্যা লেখা বা প্রকাশ করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়।

যথা-
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) ও
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System )।

- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১০।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ২।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১৬।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫.
Who is considered the pioneer of GUI?
  1. Douglas Engelbart
  2. Steve Jobs
  3. Bill Gates
  4. Tim Berners-Lee
ব্যাখ্যা

• GUI বা Graphical User Interface-এর পথপ্রদর্শক হিসেবে সাধারণত Douglas Engelbart-কে ধরা হয়। তিনি ১৯৬০-এর দশকে কম্পিউটার ব্যবহারের ধারণাকে সম্পূর্ণরূপে বদলে দেন। Engelbart-এর উদ্ভাবন “ডিসপ্লে স্ক্রীন”, “মাউস” এবং “উইন্ডো-ভিত্তিক ইন্টারফেস”-এর মূল ভিত্তি গড়ে তোলে। তার কাজের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা কেবল টেক্সট কমান্ড নয়, গ্রাফিক্স ও মাউস ব্যবহার করে কম্পিউটার পরিচালনা করতে পারতেন। Engelbart-এর এই উদ্ভাবন পরে Xerox PARC-এর গবেষণায় আরও উন্নত GUI-তে রূপান্তরিত হয় এবং পরবর্তীতে Apple ও Microsoft-এর কম্পিউটারগুলোতে GUI-এর ব্যবহার নিশ্চিত করে। তাই কম্পিউটার ইন্টারফেসের দিক থেকে তিনি সত্যিকারের পথপ্রদর্শক।

উত্তর: ক) Douglas Engelbart.

• চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
- গ্রাফিক্সের বা চিত্রের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করে কম্পিউটার পরিচালনা করা গেলে তাকে চিত্রভিত্তিক বা গ্র্যাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন এবং পুলডাউন মেন্যু ব্যবহার করে।
- প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের আইকনের ওপর মাউস দিয়ে ডবল ক্লিক করলে প্রোগ্রামটি চালু হয়।
- Windows 95/98/Xp/2000/7, Mac OS ইত্যাদি চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।

• এই অপারেটিং সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো:
১. চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কম্পিউটার চালু করার পর ডেস্কটপে বিভিন্ন প্রোগ্রামের আইকন বা প্রতীক থাকে।
২. বিভিন্ন প্রকার আইকন এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড ব্যবহার করে কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করা হয়।
৩. কমান্ডের জন্য মেন্যু এবং প্রতিটি মেন্যুর আওতায় অনেক পুল ডাউন মেনু কমান্ড থাকে।
৪. মাউসের সাহায্যে Icon এবং পুল ডাউন মেনু কমান্ড কার্যকরী করা যায়।
৫. নতুন কোনো হার্ডওয়‍্যার বা সফটওয়্যার সংযোগ করা হলে কম্পিউটার নিজে থেকে বুঝতে পারে কোথায় সংযোগ করা হয়েছে।
৬. নেটওয়ার্কিং, শেয়ারিং ও ইন্টারনেটব্যবস্থা অত্যন্ত কার্যকর।
৭. এ ধরনের সিস্টেমের জন্য ব্যবহারকারীকে কোনো ধরনের কমান্ড মুখস্থ রাখতে হয় না।
৮. মাল্টিমিডিয়া সিস্টেম কার্যকর।
৯. এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমের জন্য কম্পিউটারে বেশি মেমরির প্রয়োজন হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬.
Multitasking operating systems are mainly used in
  1. Mobile phones
  2. Desktop computers
  3. Servers
  4. All of the above
ব্যাখ্যা

• মাল্টিটাস্কিং অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন একটি সিস্টেম যা একই সময়ে একাধিক প্রোগ্রাম বা কাজ পরিচালনা করতে সক্ষম। এটি ব্যবহারকারীর কাজের সময় কমায় এবং হার্ডওয়্যারের সম্পদ আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে সাহায্য করে। মাল্টিটাস্কিং অপারেটিং সিস্টেম শুধুমাত্র ডেস্কটপ কম্পিউটারেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং মোবাইল ফোন এবং সার্ভারেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মোবাইল ফোনে একসাথে অ্যাপ চালানো, নোটিফিকেশন দেখানো এবং ব্যাকগ্রাউন্ডে আপডেট চালানো যায়। সার্ভারে এটি একাধিক ক্লায়েন্টের অনুরোধ একসাথে পরিচালনা করতে সক্ষম। তাই মাল্টিটাস্কিং অপারেটিং সিস্টেম মূলত সব ধরণের ডিভাইসে ব্যবহৃত হয়।
- সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ঘ) All of the above.

মাল্টিপ্রোগ্রামিং বা মাল্টিটাস্কিং অপারেটিং সিস্টেম (Multiprogramming or Multitasking): 
- মাল্টিপ্রোগ্রামিং বা মাল্টিটাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমে একটি কম্পিউটার একসাথে অনেকগুলো প্রোগ্রাম চালাতে পারে বা ডেটা প্রসেসিং করতে পারে।
- ব্যাচ প্রসেসিং অপারেটিং সিস্টেমে একটি প্রোগ্রাম প্রসেসিং-এর পর আরেকটি প্রোগ্রাম প্রসেসিং করে। এ ক্ষেত্রে দেখা যায়, কম গতিসম্পন্ন ইনপুট-আউটপুট পেরিফেরাল ডিভাইসসমূহ যখন ডেটা আদান-প্রদানে ব্যস্ত থাকে তখন অপেক্ষাকৃত উচ্চতর গতিসম্পন্ন সিপিইউ অলস হয়ে বসে থাকে।
- কিন্তু মাল্টিপ্রোগ্রামিং-এর ক্ষেত্রে র‍্যাম (RAM)-এ একাধিক প্রোগ্রাম সঞ্চিত থাকে।
- সিপিইউ যখন কোনো একটা প্রোগ্রাম প্রসেসিং করে তখন ইনপুট-আউটপুট পেরিফেরাল ডিভাইসসমূহ একই প্রোগ্রাম বা অন্য আরেকটি প্রোগ্রামের ইনপুট নেওয়া কিংবা আউটপুট দেওয়ার কাজে হাত দেয়।
- আর এই সময়ে সিপিইউ অন্য আরেকটি প্রোগ্রামের প্রসেসিং শুরু করে। সুতরাং সিপিইউ এমনকি ইনপুট-আউটপুট পেরিফেরাল ব্যবস্থাও কখনও অলস অবস্থায় থাকে না।
- মাল্টিটাস্কিং সিস্টেম বিভিন্ন ধরনের কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়, যেমন ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, মোবাইল ডিভাইস ইত্যাদি।
- IBM/VM, VM/SPCMS, Mac OS, UNIX, LINUX ইত্যাদি মাল্টিপ্রোগ্রামিং অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল)

১৭.
Which RTOS component handles multiple tasks and their priorities?
  1. Scheduler
  2. Device drivers
  3. Memory manager
  4. File system
ব্যাখ্যা

• RTOS বা রিয়েল-টাইম অপারেটিং সিস্টেম-এর মধ্যে Scheduler হলো সেই গুরুত্বপূর্ণ উপাদান যা একাধিক টাস্ক বা কাজের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে এবং তাদের প্রাধান্য (priority) অনুযায়ী কার্যকরভাবে চালনা নিশ্চিত করে। RTOS-এ অনেকগুলো টাস্ক একসাথে চলতে পারে, কিন্তু সব টাস্ক সমান গুরুত্বের নয়। Scheduler ঠিক করে কোন টাস্ক কখন এবং কতক্ষণ CPU ব্যবহার করবে। এটি টাস্ক সুইচিং, টাইম-স্লাইসিং এবং প্রাধান্য ভিত্তিক পরিচালনার মাধ্যমে সিস্টেমের কার্যকারিতা ও প্রতিক্রিয়াশীলতা নিশ্চিত করে। অন্যদিকে, Device drivers হার্ডওয়্যার নিয়ন্ত্রণ করে, Memory manager মেমোরি পরিচালনা করে এবং File system ডেটা সংরক্ষণ ও অ্যাক্সেসের কাজ করে। তাই সঠিক উত্তর: Scheduler (ক)।

• রিয়েলটাইম অপারেটিং সিস্টেম (Realtime Operating System): 
- রিয়েল টাইম সিস্টেমে কম্পিউটারকে ভালভাবে সংজ্ঞায়িত ও সুনির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রসেসিং-এর কাজ সমাধান করে ফলাফল দিতে হয় যাতে ব্যবহারকারীর কোনো ক্ষতি না হয়।
- এটি সাধারণত এমন পরিবেশে ব্যবহৃত হয় যেখানে সময়সীমা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যেমন এমবেডেড সিস্টেম, রোবোটিক্স, অটোমোটিভ সিস্টেম এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল কন্ট্রোল সিস্টেম।
- এই পদ্ধতিটিও একপ্রকার অনলাইন প্রসেসিং।
- তবে অনলাইন প্রসেসিং-এর ক্ষেত্রে ফলাফল বা আউটপুট দিতে সামান্য দেরি হলেও ব্যবহারকারীর তেমন অসুবিধা হয় না।
- কিন্তু রিয়েল টাইমের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অবশ্যই ফলাফল দিতে হবে নতুবা ব্যবহারকারীর বিরাট ক্ষতি হয়।
- উদাহরণ: টিকেট বুকিং সিস্টেম, প্লেন পরিচালনার অপারেটিং সিস্টেম।

আরো কিছু রিয়েলটাইম অপারেটিং সিস্টেম: 
- FreeRTOS, 
- QNX, 
- ThreadX, ইত্যাদি।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি (ভোকেশনাল)। 

১৮.
What was the main input method for first-generation computers?
  1. Punch cards and paper tape
  2. Keyboard and mouse
  3. Touchscreen
  4. Voice recognition
ব্যাখ্যা

• প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের মূল ইনপুট পদ্ধতি ছিল পাঞ্চ কার্ড এবং কাগজের টেপ। এই কম্পিউটারগুলো সাধারণত ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করত এবং ব্যবহারকারীরা সরাসরি কম্পিউটারের সঙ্গে ইন্টারঅ্যাক্ট করতে পারত না। তাই ডেটা ও প্রোগ্রাম ইনপুটের জন্য পাঞ্চ কার্ডে ছিদ্র করে তথ্য সরবরাহ করা হতো। পাঞ্চ কার্ডে প্রতিটি ছিদ্র একটি বিটের মান নির্দেশ করত এবং এইভাবে বড় বড় তথ্য ও কমান্ড কম্পিউটারে প্রবেশ করানো হতো। কাগজের টেপও একই কাজ করত, যেখানে তথ্য ধারাবাহিকভাবে ছিদ্রের মাধ্যমে লেখা থাকত। সেই সময়ে কীবোর্ড, মাউস, টাচস্ক্রিন বা ভয়েস রিকগনিশন ব্যবহার করা যেত না।

সঠিক উত্তর: ক) Punch cards and paper tape.

• প্রথম প্রজন্ম কম্পিউটার:
- ১৯৪২ থেকে ১৯৫৯ সাল পর্যন্ত সময়কালকে কম্পিউটারের প্রথম প্রজন্ম বলে ধরা হয়।
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারের সার্কিটে ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করা হতো।
- অসংখ্য ডায়োড, ট্রায়োড, ভালভ, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি দিয়ে তৈরি হতো বলে প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার ছিল আকৃতিতে বড় এবং স্বল্প গতিসম্পন্ন।
- আকৃতিতে বড় থাকার কারণে সহজে বহনযোগ্য ছিল না।
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে পাঞ্চ কার্ডের মাধ্যমে ইনপুট দেওয়ার ব্যবস্থা ছিল। 
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারে প্রোগ্রামের জন্য মেশিন ও অ্যাসেম্বলি ভাষা ব্যবহার করা হতো।
- UNIVAC, ENIAC, EDSAC, IBM 650, IBM 704, Mark I, Mark IV ইত্যাদি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ। 

• দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৫৯-১৯৬৫):
- ট্রানজিস্টার ব্যবহার।
- আকার ছোট ও হালকা।
- দ্রুত গতি।
- কম উত্তাপ।
- চুম্বকীয় কোর মেমোরি ব্যবহৃত।
- অ্যাসেম্বলি ভাষার প্রচলন।
- যেমন: IBM 1600, CDC 1604, NCR 300 সিরিজ।

উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৯.
In a hybrid computer, which device converts real-world analog signals into digital form?
  1. CPU
  2. Digital-to-Analog Converter (DAC)
  3. Analog-to-Digital Converter (ADC)
  4. Hard Drive
ব্যাখ্যা

• হাইব্রিড কম্পিউটারে বাস্তব বিশ্বের অ্যানালগ সিগন্যালকে ডিজিটাল ফর্মে রূপান্তর করার জন্য Analog-to-Digital Converter (ADC) ব্যবহার করা হয়। অ্যানালগ সিগন্যাল যেমন তাপমাত্রা, চাপ, আলো বা শব্দ প্রায়শই ধারাবাহিক মানের হয়ে থাকে, যা সরাসরি কম্পিউটারের দ্বারা প্রক্রিয়াকৃত করা যায় না। ADC এই ধারাবাহিক মানগুলিকে ডিজিটাল সংখ্যা বা বিটে রূপান্তর করে, যাতে CPU বা অন্যান্য ডিজিটাল প্রসেসিং ইউনিট সহজেই তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে। অন্যদিকে Digital-to-Analog Converter (DAC) ঠিক উল্টো কাজ করে, অর্থাৎ ডিজিটাল ডেটাকে অ্যানালগ আকারে রূপান্তর করে। তাই হাইব্রিড কম্পিউটারের ক্ষেত্রে বাস্তব তথ্যকে ডিজিটাল আকারে আনার জন্য ADC অপরিহার্য।

হাইব্রিড কম্পিউটার:
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়।
- একে সংকর কম্পিউটারও বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটারে সাধারণত উপাত্ত সংগৃহীত হয় অ্যানালগ প্রক্রিয়ায় এবং সংগৃহীত উপাত্ত সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
- ডিজিটাল অংশ প্রাপ্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল প্রদান করে।
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি। তাই কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়; যেমন- মিসাইল, সমরাস্ত্র, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃত্যন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২০.
Which principle allows qubits to be in multiple states simultaneously?
  1. Interference
  2. Entanglement
  3. Superposition
  4. Tunneling
ব্যাখ্যা

• কোয়ান্টাম কম্পিউটিং-এর অন্যতম মূলে রয়েছে Superposition বা “সুপারপজিশন” নীতি। এই নীতি অনুযায়ী, একটি কিউবিট একসাথে একাধিক অবস্থায় থাকতে পারে, অর্থাৎ শুধু 0 বা 1 অবস্থায় নয়, বরং 0 এবং 1-এর কোনো সংমিশ্রণে থাকতে পারে। এটি ক্লাসিক্যাল বিটের চেয়ে কিউবিটকে অনেক বেশি তথ্য ধারণক্ষম করে তোলে। সুপারপজিশনের ফলে কোয়ান্টাম কম্পিউটার সমান্তরালভাবে বিভিন্ন গণনা করতে পারে, যা জটিল সমস্যা সমাধানে বিপুল শক্তি প্রদান করে। উদাহরণস্বরূপ, একটি কিউবিট যদি সুপারপজিশনে থাকে, তবে এটি একসাথে 0 এবং 1 অবস্থায় থাকতে পারে, এবং পরিমাপের সময় এর ফলাফল সম্ভাব্যতার ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়। তাই, গ) Superposition হল সেই নীতি যা কিউবিটকে একাধিক অবস্থায় একই সময়ে থাকতে সক্ষম করে।

কোয়ান্টাম কম্পিউটিং:
- কোয়ান্টাম কম্পিউটিং আধুনিক কম্পিউটার বিজ্ঞান এবং গাণিতিক সমস্যাগুলির সমাধানে একটি বিপ্লবী ধারণা।
- এটি কোয়ান্টাম মেকানিক্স এর ধারণা ব্যবহার করে, যেখানে কোয়ান্টাম বিট (Qubit) একাধিক অবস্থানে থাকতে পারে, এবং তার ফলে এটি নির্দিষ্ট কাজগুলো খুব দ্রুত এবং দক্ষভাবে সম্পাদন করতে সক্ষম হয়।
- কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের জন্য যে অ্যালগরিদমগুলি তৈরি হয়েছে, সেগুলি সাধারণত ক্লাসিক্যাল কম্পিউটারের তুলনায় কিছু সমস্যা সমাধানে অনেক দ্রুত কাজ করে।
- এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ কোয়ান্টাম অ্যালগরিদমের মধ্যে একটি হল Shor’s Algorithm, যা বড় সংখ্যার গুণফল বের করা (Integer Factorization) এর জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

২১.
Which of these is not considered utility software?
  1. Disk defragmenter
  2. Antivirus
  3. Disk cleanup
  4. File explorer 
ব্যাখ্যা

• যে চারটি অপশন দেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে File Explorer হল utility software-এর অন্তর্ভুক্ত নয়। Utility software মূলত কম্পিউটার সিস্টেমের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি, ডাটা রক্ষা ও মেইনটেন্যান্সের জন্য ব্যবহৃত হয়। যেমন, Disk Defragmenter হার্ড ড্রাইভের ফাইলগুলোকে পুনর্বিন্যস্ত করে দ্রুত প্রবেশযোগ্য করে, Antivirus ভাইরাস ও ম্যালওয়্যার থেকে সিস্টেমকে রক্ষা করে, এবং Disk Cleanup অপ্রয়োজনীয় ফাইল মুছে কম্পিউটারকে দ্রুত ও কার্যকর রাখে। অন্যদিকে File Explorer মূলত ফাইল ও ফোল্ডার ব্যবস্থাপনার জন্য ব্যবহৃত একটি প্রোগ্রাম, যা অপারেটিং সিস্টেমের অংশ এবং সরাসরি সিস্টেম মেইনটেন্যান্স বা পারফরম্যান্স উন্নয়নে কাজ করে না। তাই এটি utility software-এর মধ্যে গণ্য হয় না।

• ইউটিলিটি সফটওয়্যার:
- সিস্টেম সফটওয়্যারে ইউটিলিটি প্রোগ্রাম অন্তর্ভুক্ত থাকে মূলত কাজ বের করা (যেমন- অনুলিপি তৈরি, প্রাইমারি স্টোরেজ পরিষ্কার রাখা ইত্যাদি) এবং রুটিন কাজের জন্য।
- কম্পিউটারে নতুন ফাইল তৈরি করা অথবা পুরানো ফাইল মুছে ফেলা অথবা ডিস্ককে ফরম্যাট করা এ ধরনের কাজগুলো ইউটিলিটি প্রোগ্রামের দ্বারা করা হয়ে থাকে।

• ইউটিলিটি সফটওয়্যার এর উদাহরণ:
- Antivirus Software – Protects against viruses and malware (e.g., Norton Antivirus, McAfee, Avast).
- File Management Tools – Helps organize, manage, and search files (e.g., Windows File Explorer, Total Commander).
- Disk Cleanup and Defragmentation Tools – Frees up space and improves performance (e.g., Windows Disk Cleanup, Defraggler).
- Backup Software – Creates copies of data for recovery (e.g., Acronis True Image, Google Drive Backup).

- Compression Tools – Reduces file sizes for storage and transfer (e.g., WinRAR, 7-Zip).
- Firewall Software – Monitors and controls network traffic for security (e.g., Windows Defender Firewall, ZoneAlarm).
- System Monitoring Tools – Tracks system performance and resources (e.g., Task Manager, CPU-Z).
- Driver Update Tools – Ensures hardware drivers are up to date (e.g., Driver Booster, Snappy Driver Installer).

- Registry Cleaners – Optimizes and repairs the Windows registry (e.g., CCleaner, Wise Registry Cleaner).
- Clipboard Managers – Enhances clipboard functionality (e.g., Ditto, ClipMate).

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২২.
Which of the following is an example of application software?
  1. Microsoft Word
  2. Windows 10
  3. BIOS
  4. Linux Kernel
ব্যাখ্যা

• অপশন গুলোর মধ্যে Microsoft Word একটি উদাহরণ অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার। অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার হলো সেই ধরনের প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীর নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনে সাহায্য করে, যেমন লেখা তৈরি করা, হিসাব রাখা, ছবি সম্পাদনা ইত্যাদি। Microsoft Word একটি ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার, যা ব্যবহারকারীদের ডকুমেন্ট তৈরি, সম্পাদনা এবং ফরম্যাট করার সুযোগ দেয়। অন্যদিকে, Windows 10 এবং Linux Kernel হলো সিস্টেম সফটওয়্যার, যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও অন্যান্য সফটওয়্যারের সঙ্গে কাজ করে। BIOS হলো একটি ফার্মওয়্যার, যা কম্পিউটার চালু করার সময় মৌলিক হার্ডওয়্যার পরীক্ষা ও সেটআপ করে। তাই, অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারের উদাহরণ হলো Microsoft Word.

অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়‍্যার:
- যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। যেমন-
১। Word Processing Package Program: Word Star, Word Perfect, Ms-Word, Word Note, Mac write, ইত্যাদি।
২। Spreadsheet Package Program: Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Qrater Pro,ইত্যাদি।
৩। Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access, ইত্যাদি।
৪। Internet browser: Google chrome, Firefox, Opera mini, ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
Utility Software → সিস্টেমের রক্ষণাবেক্ষণ (যেমন Antivirus, Disk Cleanup) এর জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম।

২৩.
What type of database is MongoDB?
  1. NoSQL Document Database
  2. Relational Database
  3. Key-Value Store
  4. Graph Database
ব্যাখ্যা

• MongoDB হলো একটি NoSQL Document Database। এটি সম্পর্কযুক্ত ডাটাবেসের মতো টেবিল এবং রো ব্যবহার করে না, বরং ডেটা ডকুমেন্ট আকারে সংরক্ষণ করে, যা JSON-এর মতো BSON ফরম্যাটে থাকে। MongoDB-তে প্রতিটি ডকুমেন্ট স্বাধীনভাবে স্টোর হয় এবং ডাইনামিক স্কিমা সমর্থন করে, অর্থাৎ একই কালেকশনে থাকা ডকুমেন্টগুলোর ফিল্ড একরকম না-ও হতে পারে। এটি বড় ডেটা এবং স্কেলেবল অ্যাপ্লিকেশনের জন্য উপযুক্ত। SQL ভিত্তিক রিলেশনাল ডাটাবেসের মতো জয়েনের সীমাবদ্ধতা নেই, এবং ডেটা দ্রুত রিড ও রাইট করা যায়। তাই MongoDB NoSQL Document Database হিসেবে পরিচিত।

সঠিক উত্তর: ক) NoSQL Document Database.

ডাটাবেজ প্রোগ্রাম: 
- ডাটা বা তথ্য ব্যবস্থপনার জন্য সর্বোকৃষ্ট প্রোগ্রাম হল ডাটাবেজ। বড় বড় কোম্পানি, শিল্প-কারখানা, অফিস আদালত ইত্যাদিতে কর্মচারীদের নাম, ঠিকানা, পদবী, বেতন ইত্যাদি বিস্তারিত বিবরণ, আমদানী, রপ্তানী ইত্যাদি তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজ ডাটাবেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে করা হয়।
- অর্থাৎ যে কোন বড় ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজ ডাটাবেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে অতি সহজে, সুষ্ঠুভাবে এবং নির্ভুলভাবে করা যায়।
- ডিবেজ থ্রি (Debase III), ডিবেজ থ্রি প্লাস (Debase III+), ডিবেজ ফোর (Debase IV), ফক্সবেজ (Foxbase), ফক্সপ্রো (Fox Pro) ইত্যাদি ডাটাবেজ সংক্রান্ত বহুল ব্যবহুত প্যাকেজ সফট্ওয়্যার।
- মাইক্রোসফট ভিত্তিক ডাটাবেজ প্রোগ্রাম হল মাইক্রোসফট একসিস (Microsoft Access)।

NoSQL ডাটাবেজ:
- NoSQL ডাটাবেজগুলি নন-রিলেশনাল ডাটাবেজ, যা রিলেশনাল ডাটাবেজ (যেমন: MySQL, Oracle, SQL Server) থেকে ভিন্ন।
- এগুলি স্কিমা-লেস ডিজাইন এবং স্কেলেবিলিটির জন্য উপযোগী।
- NoSQL ডাটাবেজের উদাহরণগুলির মধ্যে রয়েছে MongoDB, Cassandra, Redis, Amazon DynamoDB, Couchbase ইত্যাদি। 

উৎস: 
১। কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২। Amazon ওয়েবসাইট। 

২৪.
Which technology is commonly used in mobile digital wallets for contactless payments?
  1. Near Field Communication (NFC)
  2. Bluetooth only
  3. Magnetic stripe reading
  4. QR code scanning
ব্যাখ্যা

• মোবাইল ডিজিটাল ওয়ালেটে যোগাযোগবিহীন (contactless) পেমেন্টের জন্য সাধারণত Near Field Communication (NFC) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। NFC একটি শর্ট-রেঞ্জ ওয়্যারলেস যোগাযোগ প্রযুক্তি, যা দুটি ডিভাইসকে একে অপরের খুব কাছাকাছি থাকলে তথ্য আদানপ্রদান করতে সক্ষম করে। মোবাইল ফোন এবং পেমেন্ট টার্মিনাল একে অপরের সংস্পর্শে এলে এই প্রযুক্তি তাত্ক্ষণিকভাবে লেনদেন সম্পন্ন করতে সাহায্য করে। অন্যদিকে, ব্লুটুথ শুধুমাত্র ডাটা ট্রান্সফারের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং তা পেমেন্টের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপদ নয়। ম্যাগনেটিক স্ট্রাইপ এবং QR কোডও ব্যবহার করা হয়, কিন্তু তারা NFC-এর মতো দ্রুত, নিরাপদ ও সুবিধাজনক নয়। তাই আজকাল মোবাইল ওয়ালেটে NFC সবচেয়ে জনপ্রিয় পদ্ধতি।

ডিজিটাল ওয়ালেট: 
- ডিজিটাল ওয়ালেট (E-wallet) হলো একটি সফটওয়্যার বা অনলাইন সেবা, যা ব্যক্তি বা ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানকে ইলেকট্রনিক লেনদেন করার সুযোগ দেয়।
- সাধারণত স্মার্টফোন অ্যাপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তবে ডেস্কটপ সংস্করণও থাকতে পারে।
- বিভিন্ন ওয়েবসাইটে লেনদেনের জন্য ব্যবহারকারীর পেমেন্ট তথ্য সংরক্ষণ করে। 
- কিছু ক্ষেত্রে এটি প্রচলিত ওয়ালেটের চেয়ে নিরাপদ, কারণ এতে ডেটা এনক্রিপশন ও পাসওয়ার্ড/বায়োমেট্রিক সিকিউরিটি থাকে।
- উদাহরণ: PayPal, Google Pay, বিকাশ ইত্যাদি। 

উৎস: কর্পোরেট ফিন্যান্স ইন্সটিটিউশন।