পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৬
সিলেবাস
“Award Mania: Season - 6” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- বিষয় - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি অধ্যায়: আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক টপিকসমূহ: i) কূটনৈতিক ও নিরাপত্তাসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি, সনদ ও সম্মেলন, কূটনৈতিক পরিভাষা।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৬ প্রশ্ন

.
কত সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভায় New International Economic Order (NIEO) গৃহীত হয়?
  1. ১৯৭৪
  2. ১৯৭৫
  3. ১৯৮১
  4. ১৯৮৫
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪
ব্যাখ্যা
New International Economic Order (NIEO):
- ১৯৭৪ সালে New International Economic Order (NIEO) নামে একটি প্রস্তাব জাতিসংঘের সাধারণ সভায় গৃহীত হয়। 
- মূলত স্বল্পোন্নত বা অনুন্নত দেশসমূহের আর্থ- সামাজিক উন্নয়ন এবং ধনী দরিদ্রের ব্যবধান কমিয়ে আনার জন্য এই প্রস্তাব পাশ হয়। 
- “বাণিজ্য নয় সাহায্য" এই চেতনায় New International Economic Order (NIEO) আহ্বান জানায়। 
- NIEO বা নব্য আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা পালনকারী গুরত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান গুলো হল: 
• বিশ্বব্যাংক
• IMF
• WTO
• European Union
• ASEAN
• BRICS

তথ্যসূত্র: United Nations_ Economic and Social Commission for Western Asia ওয়েবসাইট ও জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
.
“সানশাইন পলিসি” দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক কোন প্রেসিডেন্ট গ্রহন করেন?
  1. কিম ইয়ং-স্যাম
  2. কিম দায়ে-জং
  3. রোহ মু-হিউন
  4. লি মিউং-বাক
সঠিক উত্তর:
কিম দায়ে-জং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিম দায়ে-জং
ব্যাখ্যা
সানশাইন পলিসি (Sunshine Policy):
- সানশাইন পলিসি (Sunshine Policy) হল উত্তর কোরিয়ার সাথে দক্ষিণ কোরিয়ার বৈদেশিক নীতি। 
- ১৯৯৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট কিম দায়ে জং এক নীতি গ্রহণ করেন।
- ২০০০ সালে এ নীতি বাস্তবায়নের ফলস্বরূপ  কিম দায়ে জং নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন। 
- এই নীতির ফলশ্রুতিতে ২০০১ সালের ১৩ জুন দু দেশের প্রেসিডেন্টের মধ্যে শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। 
- ২০০৮ সাল অবধি এই নীতিটি টিকে ছিল।
- কিম দায়ে-জং ১৯৯৮ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ কোরিয়ার অষ্টম রাষ্ট্রপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
- কিম ইয়ং-স্যাম 1993 থেকে 1998 সাল পর্যন্ত দক্ষিণ কোরিয়ার 7 তম রাষ্ট্রপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
- রোহ মু-হিউন দক্ষিণ কোরিয়ায় 2003 থেকে 2008 সালের নবম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
- লি মিউং-বাককে 2008 থেকে 2013 সাল পর্যন্ত দক্ষিণ কোরিয়ার 10 তম রাষ্ট্রপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। 

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও দক্ষিণ কোরিয়ার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
.
যুক্তরাষ্ট্র কবে এককভাবে ABM (Anti-Ballistic Missile) চুক্তি থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে?
  1. জুন ২০০১
  2. জুন ২০০০
  3. জুন ২০০২
  4. জুন ২০০৩
সঠিক উত্তর:
জুন ২০০২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুন ২০০২
ব্যাখ্যা
Anti-Ballistic Missile (ABM) চুক্তি: 

- ABM (Anti - Ballistic Missile ) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়- ২৬ মে, ১৯৭২।
- এ চুক্তির দুটি পক্ষ ছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন (বর্তমান রাশিয়া) ও যুক্তরাষ্ট্র 
- রিচার্ড নিক্সন এবং লিওনিড ব্রেজনেভ এটি অনুমোদন করে।
- চুক্তিটি Treaty on the Limitation of Anti-Ballistic Missile Systems নামেও পরিচিত। 
- চুক্তিটি কার্যকর হয়: ৩ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে। 
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান মস্কো, রাশিয়া। 
- ABM চুক্তি থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে প্রত্যাহার করে ১৩ জুন ২০০২।

তথ্যসূত্রঃ ব্রিটানিকা ও Arms Control Association Website.[link]
.
কূটনৈতিক পরিভাষায় 'Fifth Column' কী অর্থে ব্যবহৃত হয়?
  1. পঞ্চম কলাম হিসেবে
  2. পঞ্চম ব্যক্তি হিসেবে
  3. বিশ্বাসভাজন হিসেবে
  4. বিশ্বাসঘাতক হিসেবে
সঠিক উত্তর:
বিশ্বাসঘাতক হিসেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশ্বাসঘাতক হিসেবে
ব্যাখ্যা
Fifth Column:
- কূটনৈতিক পরিভাষায় Fifth Column হল এমন একটি বৃহত্তর গোষ্ঠী যা কোনো এক জাতিকে ভেতর থেকে দুর্বল করে অর্থাৎ এটি বিশ্বাসঘাতক জনগোষ্ঠীকে নির্দেশ করে।  
- Fifth Column এর কার্যক্রম প্রকাশ্য বা গোপন হতে পারে। 
- কূটনৈতিক পরিভাষায় বলা যায় যে জাতি গোপনে নিজ সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে এবং শত্রুকে সাহায্য করে।
- এই শব্দটি সামরিক কর্মীদের দ্বারা সংগঠিত কাজের ক্ষেত্রেও ব্যবহৃত হতে পারে। 
- "পঞ্চম কলাম" বা Fifth Column শব্দটির উদ্ভব হয়েছিল স্পেনে। 
- পঞ্চম স্তম্ভের একটি প্রধান কৌশল হল আক্রমণে গ্রহনের ক্ষেত্রে নীতিগত সিদ্ধান্ত এবং জাতীয় প্রতিরক্ষার অবস্থানে সহানুভূতিশীল হওয়া। 

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা এবং cambridge Dictionary.
.
২০২২ সালে জাতিসংঘ কোন দেশকে "Commission on the Status of Women (CSW)" থেকে বাদ দিয়েছে?
  1. ইরাক
  2. সিরিয়া
  3. ইরান
  4. তুরস্ক
সঠিক উত্তর:
ইরান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান
ব্যাখ্যা
Commission on the Status of Women (CSW):

- জাতিসংঘের ৫৪ টি সদস্যদেশ অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাউন্সিল (ECOSOC) এর অধিবেশনে ২০২২ সাল থেকে ২০২৬ পর্যন্ত (CSW) থেকে ইরানকে অপসারণের একটি প্রস্তাব গ্রহণ করেছিল ।
- নারী ও মেয়েদের মানবাধিকার ক্রমাগত হ্রাস এবং ক্রমবর্ধমানভাবে দমন করার জন্য মুলত এই অপসারন করা হয়। 
- CSW হল একটি  বিশ্বব্যাপী আন্তঃসরকারি সংস্থা যা ১৯৪৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। 
- এর সদস্য ৪৫ যারা ECOSOC দ্বারা নির্বাচিত হয় যারা চার বছর মেয়াদে কাজ করে।
- CSW নারীর অধিকারের প্রচার, লিঙ্গ সমতা এবং নারীর ক্ষমতায়নের জন্য কাজ করে থাকে। 
- প্রতি বছর এদের দুই সপ্তাহের জন্য অধিবেশন চলে। 
- জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্র, সুশীল সমাজ সংস্থা এবং জাতিসংঘের সংস্থার প্রতিনিধিরা অধিবেশনে অংশগ্রহন করে এবং আলোচনা করে।  
- অধিবেশনের ফলাফল ফলো-আপের জন্য কমিশনের মূল সংস্থা অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাউন্সিল (ECOSOC) এর কাছে পাঠানো হয়।

তথ্যসূত্র:UN Women website & UN News.
.
ইসরায়েল এবং পিএলও এর মধ্যে কত সালে শান্তি চুক্তি হয়েছিল?
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৯২ সালে
  3. ১৯৯৩ সালে
  4. ১৯৯৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
ইসরায়েল এবং পিএলও এর মধ্যে শান্তি চুক্তি: 

- ১৯৯৩ সালে পিএলও এবং ইসরায়েলের মধ্যে একটি শান্তি চুক্তি হয়েছিল। 
- এটি ছিল দুপক্ষের মধ্যে প্রথম শান্তি চুক্তি।
- ওয়াশিংটন ডিসিতে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। 
- ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী ইতজাক রাবিন এবং পিএলও-এর চেয়ারম্যান ইয়াসির আরাফাত এ চুক্তি স্বাক্ষর করেন। 
- এটি অসলো অ্যাকর্ডস নামে পরিচিত। 
- এ চুক্তির ধারাবাহিকতায় মিশরের তাবায় ১৯৯৫ সালে অসলো চুক্তি ২ স্বাক্ষরিত হয়।
- এ চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল ১৯৯৯ সালের মে মাসের মধ্যে ইসরায়েল-ফিলিস্তিনি সংঘাতের সমাধান করা। 
- ১৯৬৭ সালের যুদ্ধ শুরু হওয়ার কিছু আগে প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গেনাইজেশন (পিএলও) গঠিত হয়েছিল। 
- ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী ফাতাহ এর মধ্যে সবচেয়ে বড় দল ছিল।  
- পিএলও সহিংসতা এবং সন্ত্রাসবাদের পথ পরিহার করে ইসরায়েলের অস্তিত্ব স্বীকার করে এবং শান্তির অঙ্গীকার করে এ চুক্তির মাধ্যমে। 
- হামাস কখনোই এই চুক্তি মানেনি।
- এই চুক্তির অধীনেই গঠিত হয়েছিল 'প্যালেস্টিনিয়ান ন্যাশনাল অথরিটি' বা ফিলিস্তিনি জাতীয় কর্তৃপক্ষ।
- ২০১৫ সালের ৩০শে সেপ্টেম্বর ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭০তম অধিবেশনে এই শান্তি চুক্তি মেনে চলতে অপারাগতা জানান। 

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা এবং বিবিসি নিউজ- ২২ অগাস্ট, ২০১৮।
.
COMECON চুক্তির মূল উদ্দেশ্য কী ছিল?
  1. রাজনৈতিক অস্থিরতা নিরসন করা
  2. সাংস্কৃতিক বিনিময় বৃদ্ধি করা
  3. অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সমন্বয় করা
  4. সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা
সঠিক উত্তর:
অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সমন্বয় করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সমন্বয় করা
ব্যাখ্যা
• দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পূর্ব- পশ্চিম দ্বন্ধের ফলে সৃষ্ট পূর্বের অর্থনৈতিক জোট - কমেকন (COMECON)।
'COMECON' চুক্তির মূল উদ্দেশ্য — অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সমন্বয় করা। 

• COMECON:
- COMECON এর পূর্ণরূপ Council for Mutual Economic Assistance.
- সোভিয়েত ব্লকের অন্তর্গত পূর্ব ইউরোপীয় দেশগুলির অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুবিধার্থে এবং সমন্বয় করার জন্য ১৯৪৯ সালের জানুয়ারিতে প্রতিষ্ঠিত সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠাতা দেশ -পোল্যান্ড এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন।
- পরবর্তীতে পূর্ব জার্মানি , আলবেনিয়া, উত্তর কোরিয়া, উত্তর ভিয়েতনাম সদস্য হিসেবে যোগদান করে।
- সংগঠনটি ১৯৪৯ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত টিকে ছিল।

উৎস: ব্রিটানিকা।
.
ফার্ক ও কলম্বিয়া সরকারের সাথে ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তিতে মধ্যস্থতা করে-
  1. কিউবা ও নরওয়ে
  2. ফিনল্যান্ড ও কিউবা
  3. পেরু ও আর্জেন্টিনা
  4. সুইডেন ও নরওয়ে
সঠিক উত্তর:
কিউবা ও নরওয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিউবা ও নরওয়ে
ব্যাখ্যা
ফার্ক ও কলম্বিয়া সরকার:
- ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়া ফার্ক (রেভ্যুলেশনারী আর্মড ফোর্সেস অব কলম্বিয়া) দীর্ঘ ২০১৬ সালের ২৪ নভেম্বর কলম্বিয়া সরকারের সাথে ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি সম্পাদন করে।
- এ প্রক্রিয়ায় মধ্যস্থতা করে কিউবা এবং নরওয়ে।
- শান্তি চুক্তি সম্পাদনের জন্যে কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট হুয়ান ম্যানুয়াল সান্তোষ ২০১৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: বিবিসি ওয়ার্ল্ড।
.
SALT-2 চুক্তি কবে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৮ জুন, ১৯৭৮
  2. ১৮ জুন, ১৯৭৯
  3. ১৮ জুলাই ১৯৮৯
  4. ১৮ জুলাই ১৯৯০
সঠিক উত্তর:
১৮ জুন, ১৯৭৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ জুন, ১৯৭৯
ব্যাখ্যা
SALT 2
- Strategic Arms Limitations Talks/Treaty (SALT) II এটি কৌশলগত অস্র সীমিতকরণ চুক্তি ২ নামে পরিচিত। 
- স্বাক্ষর: ১৮ জুন, ১৯৭৯,
- স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া,
- আলোচনা: ১৯৭২ থেকে ১৯৭৯, 
- শর্ত: চুক্তিতে নতুন ক্ষেপনাস্র কার্যক্রম নিষিদ্ধ ,
- স্বাক্ষরকারী: যুক্তরাষ্ট্রের জিমি কার্টার এবং সোভিয়েত নেতা লিউনিদ ব্রেজনেভ ,

তথ্যসূত্র: ব্রিটিনিকা এবং US department of state
১০.
ANZUS গঠনের লক্ষ্যে কবে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১ জুন, ১৯৫১
  2. ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫১
  3. ১ আগস্ট, ১৯৫১
  4. ১ জুলাই, ১৯৫১
সঠিক উত্তর:
১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫১
ব্যাখ্যা
ANZUS:
- ANZUS একটি সামরিক জোট।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫১।
- কার্যকর হয়: ১৯৫২ সালে।
- সদস্য দেশ: অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- স্বাক্ষরের স্থান: সান ফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া।
- ধরন: ANZUS চুক্তি, আনুষ্ঠানিকভাবে ‘প্রশান্ত মহাসাগরীয় নিরাপত্তা চুক্তি’ হচ্ছে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নিরাপত্তা চুক্তি।
- উদ্দেশ্য: আগ্রাসনের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহায়তা প্রদানের উদ্দেশ্যে এবং শান্তিপূর্ণ উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে এটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
১১.
যখন দুটি রাষ্ট্রের কূটনীতিবিদরা সমঝােতা প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ হয়, তখন বিবাদ মীমাংসায় সুশীল সমাজের উদ্যোগকে কোন ধরনের কুটনীতি বলা হয়?
  1. ট্র্যাক ওয়ান কূটনীতি
  2. ট্র্যাক টু কূটনীতি
  3. ট্র্যাক থ্রি কূটনীতি
  4. মাল্টি ট্র্যাক কূটনীতি
সঠিক উত্তর:
ট্র্যাক টু কূটনীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্র্যাক টু কূটনীতি
ব্যাখ্যা
Second Track Diplomacy: 
- যখন দুটি রাষ্ট্রের কূটনীতিবিদরা সমঝােতা প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ হয়, তখন বিবাদ মীমাংসায় সুশীল সমাজের উদ্যোগকে ট্র্যাক টু কূটনীতি বলা হয়। 
- ট্র্যাক টু কূটনীতির ধারণাটি ১৯৭০ দশকে উদ্ভব হয়। 
- ১৯৮১ সালে ফরেন পলিসির সহ-লেখক ইউলিয়াম ডি ডেভিডসন এবং জোসেফ ভি মন্টভিল সর্ব প্রথম এই শব্দটি ব্যবহার করেন। 
- এটিকে ব্যাকচ্যানেল কূটনীতি ও বলা হয়।
- ট্র্যাক টু কূটনীতি হল অনানুষ্ঠানিক এবং অ-কাঠামোগত  
- যেমন:
- ইসরায়েল এবং প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (পিএলও) এর মধ্যে ১৯৯৩ সালের অসলো চুক্তি।
- রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশ সরকারের ট্র্যাক টু কূটনীতি গ্রহন। 

তথ্যসূত্র: mecouncil.org, ব্রিটিনিকা এবং Daily Star Report
১২.
নিচের কোনটির সাথে 'নুনসিও' (Nuncio) সম্পর্কিত?
  1. মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রতিনিধি
  2. রানির প্রতিনিধি
  3. পোপের প্রতিনিধি
  4. রাষ্ট্রদূতের প্রতিনিধি
সঠিক উত্তর:
পোপের প্রতিনিধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পোপের প্রতিনিধি
ব্যাখ্যা
 নুনসিও (Nuncio)
- নুনসিও হলো ভ্যাটিকানের পোপের প্রতিনিধি হিসাবে স্বীকৃত। 
- উনি হলি সি-এর সাথে অফিসিয়াল কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখে । 
- তিনি সরকার এবং হলি সি-এর মধ্যে সুসম্পর্কের প্রচার করেন এবং রোমান ক্যাথলিক চার্চের অবস্থার উপর পোপকে পর্যবেক্ষণ ও রিপোর্ট করেন।
- ১৯৬৫ সালে জ্যেষ্ঠতার উপর নির্ভর করে রাষ্ট্রদূতদের এই পদমর্যাদা দেওয়া হয়। 

তথ্যসূত্র:ব্রিটানিকা।
১৩.
বাংলাদেশ CTBT চুক্তি স্বাক্ষর করে কবে?
  1. ২৪ অক্টোবর, ১৯৯৬
  2. ৭ মার্চ, ২০০০
  3. ৮ মে, ১৯৯৯
  4. ১২ নভেম্বর, ১৯৯৮
সঠিক উত্তর:
২৪ অক্টোবর, ১৯৯৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ অক্টোবর, ১৯৯৬
ব্যাখ্যা
CTBT: 
- The Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty
- বহুপাক্ষিক চুক্তি যার উদ্দেশ্য হলো সামরিক ও বেসামরিক সকল পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ। 
- ১০ ​​সেপ্টেম্বর ১৯৯৬ তারিখে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ দ্বারা এটি গৃহীত হয়েছিল। 
- বাংলাদেশ ২৪ অক্টোবর, ১৯৯৬ CTBT চুক্তি স্বাক্ষর করে। 
- বাংলাদেশ CTBT অনুমোদন করে ৮ মার্চ ২০০০ (৫৪ তম দেশ হিসেবে)।
এর সদর দপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া। 

তথ্যসূত্র: CTBTO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১৪.
আলজিয়ার্স চুক্তির বিষয়বস্তু কী ছিল?
  1. গোলান মালভূমি সংকট সমাধান
  2. আলজেরিয়া কর্তৃক ইসরায়েলকে স্বীকৃতি প্রদান
  3. শাত-ইল-আরব সহ বিরোধপূর্ণ সীমানা সমাধান
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
শাত-ইল-আরব সহ বিরোধপূর্ণ সীমানা সমাধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাত-ইল-আরব সহ বিরোধপূর্ণ সীমানা সমাধান
ব্যাখ্যা
আলজিয়ার্স চুক্তি:
- ইরাক এবং ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৩ই জুন, ১৯৭৫ সালে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি অনুমোদন করে ১৯৭৬ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান- আলজির্য়াস, আলজেরিয়া।
- চুক্তির বিষয় হলো শাত-ইল-আরব সহ বিরোধপূর্ণ সীমানা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মীমাংসা।

সুত্র: Britannica.com
১৫.
কোন দেশের মধ্যস্থতায় আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. জার্মানি
  3. রাশিয়া
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
ব্যাখ্যা
• আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান:
- স্বাক্ষর: ৯ নভেম্বর, ২০২০।
- স্থান: মস্কো, রাশিয়া।
- মধ্যস্থতাকারী: রাশিয়া। 
- যুদ্ধবিরতি কার্যকর: ১০ নভেম্বর, ২০২০।
- 'নাগার্নো কারাবাখ' আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান এর বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।
- পূর্ব ইউরোপে অবস্থিত নাগোর্নো-কারাবাখ নিয়ে দীর্ঘ তিন দশক ধরে বিরোধ চলে আসছে সাবেক সোভিয়েত রিপাবলিকের অংশ এই দেশ দুটির মধ্যে।

উৎস: Britannica এবং বিবিসি বাংলা পত্রিকা রিপোর্ট।
১৬.
নিচের কোন দেশটি রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ সংস্থা (OPCW) এর সদস্যপদে স্বাক্ষর করেনি?
  1. তুরস্ক
  2. মিশর
  3. সিরিয়া
  4. জার্মানি
সঠিক উত্তর:
মিশর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিশর
ব্যাখ্যা
OPCW (Organisation for the Prohibition of Chemical Weapons):

- OPCW হলো আন্তর্জাতিক রাসায়নিক অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণ সংস্থা
- এর সদর দপ্তর- হেগ, নেদারল্যান্ডস এ অবস্থিত। 
- এটি প্রতিষ্ঠা হয় ১৯৯৭ সালে। 
- এর সদস্য দেশ- ১৯৩টি। 
- লক্ষ্য: রাসায়নিক অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণ ও রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ।
- স্বাক্ষর করেনি বা সদস্য নয়- দক্ষিণ সুদান, মিশর ও উত্তর কোরিয়া। 
- ইসরায়েল স্বাক্ষর করলেও চূড়ান্ত অনুমোদন করেনি। 
- বাংলাদেশ ১৯৯৩ সালে প্যারিস প্রস্তাবে স্বাক্ষর করে। ১৯৯৭ সালে চূড়ান্তভাবে অনুমোদন করে। সে বছরই সংস্থাটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- OPCW ২০১৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার লাভ করে। 

তথ্যসূত্র: OPCW Website.