পরীক্ষা আর্কাইভ

ICT Expert

পরীক্ষাICT Expertতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়08 minutes
মোট প্রশ্ন১১
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৮ ইন্টারনেট, WWW, সেলুলার ডাটা নেটওয়ার্ক [Live Class - 15 & 16]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ICT Expert

ICT Expert · তারিখ অনির্ধারিত · ১১ প্রশ্ন

.
চলমান অবস্থায় তারবিহীন যে ফোন ব্যবহার করা যায় তাকে কী বলে?
  1. ক) ল্যান্ডফোন
  2. খ) গ্রামোফোন
  3. গ) সেক্সোফোন
  4. ঘ) মোবাইলফোন
ব্যাখ্যা
ইংরেজী শব্দ থেকে মোবাইল ফোন শব্দটি এসেছে। শব্দটির বাংলা অর্থ সরানো, নাড়ানো, চলমান।
চলমান অবস্থায় তারবিহীন যে সকল ফোন ব্যবহার করা হয় তাকে মোবাইল ফোন বলে।

মোবাইল ফোন হলো এক ধরণের ইলেকট্রনিক ডিভাইস যার সাহায্যে সেলুলার নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি ব্যবহার করে উভয়মুখী বা দ্বিমুখী টেলিযোগাযোগ করা যায়।
মোবাইল ফোনকে অনেক সময় সেলুলার ফোন, সেলফোন বা হ্যান্ড ফোনও বলা হয়।

উৎস: Live MCQ Lecture.
.
সার্ভার থেকে তথ্য পাবার জন্য ব্যবহারকারীকে কী অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহার করতে হয়?
  1. ক) ওয়েবসাইট
  2. খ) ক্লাইন্ট অপটিমাইজার
  3. গ) ডাটাবেজ
  4. ঘ) ওয়েব ব্রাউজার
ব্যাখ্যা
WWW⇒ (World Wide Web) 
ওয়েব এমন একটি সিস্টেম, যা অনেকগুলো ওয়েব সার্ভারের মধ্যকার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
সারা বিশ্বের ওয়েব পেইজগুলো এই ওয়েব সার্ভারগুলোতে সংরক্ষিত থাকে।
সার্ভারগুলো ইন্টারনেট ব্যবহারকারীকে তথ্য (টেক্সট, ছবি, শব্দ ইত্যাদি) সরবরাহ করতে পারে।

এসব তথ্য পাবার জন্য ব্যবহারকারীকে বিশেষ ধরনের অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহার করতে হয় যাকে ওয়েব ব্রাউজার বলে

বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত ওয়েব ব্রাউজার হলো:
ইন্টারনেট এক্সপ্লোয়ার
মজিলা ফায়ারফক্স
নেটস্কেপ নেভিগেটর, ইত্যাদি।

ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের সূচনা হয়েছে ১৯৮৯ সালে।

ওয়েবসাইট: সার্ভারে রাখা পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ওয়েবপেজ গুলোকে ওয়েবসাইট বলে। ওয়েবসাইট ব্যবহার করতেও ওয়েব ব্রাউজার প্রয়োজন।

ডাটাবেজ: কোন কম্পিউটার সিস্টেমে সঞ্চিত উপাত্ত বা রেকর্ডসমূহের একটি কাঠামোবদ্ধ সংগ্রহকে ডাটাবেজ বলে।

উৎস: BBA (মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা)
.
GSM পদ্ধতিতে সেল কভারেজ এরিয়া সর্বোচ্চ কত?
  1. ক) ৩৫ কি.মি.
  2. খ) ১০ কি.মি.
  3. গ) ১০০ কি.মি.
  4. ঘ) ৪৭ কি.মি.
ব্যাখ্যা
জিএসএম (GSM) এর বৈশিষ্ট্য -

১) সেল কভারেজ এরিয়া সর্বোচ্চ ৩৫ কি.মি.
২) বিদ্যুৎ খরচ তুলনামূলকভাবে বেশি (২ ওয়াট)।
৩) ডেটা ট্রান্সফার রেট তুলনামূলক কম (56kbps)।
৪) আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা আছে।
৫) ব্যবহৃত SIM কার্ড সহজলভ্য এবং যেকোন হ্যান্ডসেটে ব্যবহারের করা যায়।
.
এনালগ পদ্ধতির রেডিও সিগন্যাল ব্যবহৃত হয় কোন প্রজন্মের মোবাইল ফোনে?
  1. ক) প্রথম প্রজন্ম
  2. খ) দ্বিতীয় প্রজন্ম
  3. গ) তৃতীয় প্রজন্ম
  4. ঘ) চতুর্থ প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
প্রথম প্রজন্ম (১৯৫০-১৯৮৯) :
১। এই প্রজন্মে এনালগ পদ্ধতির রেডিও সিগন্যাল ব্যবহৃত হয়
২। সেল সিগন্যাল এনকোডিং হলো FDMA
৩। কথোপকথন চলা অবস্থায় ব্যবহারকারীর অবস্থানের পরিবর্তন হলে ট্রান্সমিশন বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
৪। আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা চালু ছিলো না ।

উৎস: Live MCQ Lecture.
.
কয়টি প্রযুক্তির সমন্বয়ে ওয়েব গড়ে উঠেছে?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৫টি
ব্যাখ্যা
তিনটি প্রযুক্তির সমন্বয়ে ওয়েব গড়ে উঠেছে। যথা:

প্রথমত, HTML (Hyper Text Markup Language) যার দ্বারা ওয়েবপেজ তৈরি করা হয়।

দ্বিতীয়ত, HTTP (Hyper Text Transfer Protocol) 

তৃতীয়ত, Web Browser. যে প্রোগ্রাম সার্ভার থেকে ডাটা রিসিভ ও অনুবাদ করে ক্লায়েন্টকে তার ফলাফল প্রদর্শন করে। 

উৎস: Live MCQ lecture
.
চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোনের যাত্রা শুরু হয় কত সাল থেকে?
  1. ক) ১৯৯০ সাল
  2. খ) ২০০১ সাল
  3. গ) ২০০৯ সাল
  4. ঘ) ২০১০ সাল
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন প্রজন্মের মোবাইল ফোন
মোবাইল ফোন প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান উন্নতি ও ব্যবহারের উপর ভিত্তি করে মোবাইল ফোনের আবিষ্কারের শুরু থেকে বর্তমান সময় পর্যন্তকে পাঁচ প্রজন্মে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১। প্রথম প্রজন্ম (১৯৫০ - ১৯৮৯) (First Generation -1G)
২। দ্বিতীয় প্রজন্ম (১৯৯০ - ২০০০) (Second Generation -2G)
৩। তৃতীয় প্রজন্ম (২০০১ - ২০০৮) (Third Generation -3G)

৪। চতুর্থ প্রজন্ম (২০০৯ - বর্তমান) (Forth Generation - 4G)

৫। পঞ্চম প্রজন্ম (Fifth Generation -5G) ২০১৮ সাল থেকে আলোচনা শুরু হয়।

উৎস: Live MCQ Lecture. এবং (BBC News বাংলা, ২৯ জুলাই ২০১৮)
.
ব্যাপক মাত্রায় আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা শুরু হয় কোন প্রজন্ম থেকে?
  1. ক) ১ম প্রজন্ম
  2. খ) ৩য় প্রজন্ম
  3. গ) ৪র্থ প্রজন্ম
  4. ঘ) ৫ম প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
3G মোবাইল প্রযুক্তি থেকে ব্যাপক মাত্রায় আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা শুরু হয়।

তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্যসমূহ-
১. ডেটা রূপান্তরের কাজে Packet Switching 3 Circuit Switching উভয় পদ্ধতিই ব্যবহৃত হয়।
২. উচ্চগতি সম্পন্ন ডেটা স্থানান্তর। ব্যান্ডউইডথ ২ mbps এর অধিক।
৩. চ্যানেল একসেস TD-SCDMA, TD-CDMA পদ্ধতির।
৪. ব্যাপক আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা।
৫. ভিডিও কলের ব্যবহার শুরু।
৬. নেটওয়ার্কে GPRS ও EDGE পদ্ধতির ব্যবহার।
৭. মডেম সংযোজনের মাধ্যমে মোবাইল ফোনেই ইন্টারনেট ব্যবহার।
৮. মোবাইল ফোনেই ইন্টারনেট ব্রাউজিং, টিভি দেখা, গান শোনা প্রভৃতি করা যায় ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
.
কোনটি CDMA এর বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. ক) সেল কভারেজ এরিয়া ১১০ কি.মি.।
  2. খ) বিদ্যুৎ খরচ তুলনামূলকভাবে কম।
  3. গ) ডেটা ট্রান্সফার রেট তুলনামূলক বেশি।
  4. ঘ) আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা বিদ্যমান।
ব্যাখ্যা
সিডিএমএ (CDMA) এর বৈশিষ্ট্য

সেল কভারেজ এরিয়া ১১০ কি.মি.।
বিদ্যুৎ খরচ তুলনামূলকভাবে কম।
ডেটা ট্রান্সফার রেট তুলনামূলক বেশি (154kbps-614 kbps)।
আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা নেই।
ব্যবহৃত RUIM কার্ড যেকোন হ্যান্ডসেটে ব্যবহারের করা যায়।

উৎস:  Live MCQ Lecture.
.
4G মোবাইল 3G মোবাইল অপেক্ষা কতগুণ বেশি গতি সম্পন্ন?
  1. ক) ২ গুণ
  2. খ) ৪ গুণ
  3. গ) ৩২ গুণ
  4. ঘ) ৫০ গুণ
ব্যাখ্যা
চতুর্থ প্রজন্ম (২০০৯-বর্তমান ):

১। 4G এর গতি 3G এর চেয়ে প্রায় 50 গুণ বেশী। এর প্রকৃত ব্যান্ড উইথ 10 Mbps আশা করা হচ্ছে।

২। টেলিভিশনের অপেক্ষাকৃত উন্নতমানের ছবি এবং ভিডিও লিংক প্রদান করে।
৩। আইপি নির্ভর ওয়ারলেস নেটওয়ার্ক সিস্টেম কাজ করবে।

উৎস:  Live MCQ Lecture. 
১০.
বিভিন্ন ট্রান্সমিটার থেকে প্রেরিত সিগন্যালগুলো আলাদা করার জন্য ব্যবহৃত পদ্ধতিকে কী বলে?
  1. ক) সিগন্যাল ডিভাইডিং
  2. খ) সেল সিগন্যাল ডিকোডিং
  3. গ) সেল সিগন্যাল এনকোডিং
  4. ঘ) ট্রান্সমিটেড সিগন্যাল ডিভাইডিং
ব্যাখ্যা
সেল সিগন্যাল এনকোডিং: 
বিভিন্ন ট্রান্সমিটার থেকে প্রেরিত সিগন্যালগুলো আলাদা করার জন্য ব্যবহৃত পদ্ধতিকে সেল সিগন্যাল এনকোডিং বলে।

সেল সিগন্যাল এনকোডিং এর জন্য CDMA, FDMA, TDMA এবং GSM প্রযুক্তি উন্নয়ন করা হয়৷ 
CDMA: Code Division Multiple Access
FDMA: Frequency Division Multiple Access
TDMA: Time Division Multiple Access 
GSM: Global System for Mobile Communication

উৎস: Live MCQ Lecture.
১১.
তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন ব্যবহার প্রথম শুরু হয় কোন দেশে?
  1. ক) জাপান
  2. খ) চীন
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) রাশিয়া
ব্যাখ্যা
২০০১ সালে জাপানের টোকিওতে NTT DoCoMo সর্বপ্রথম পরীক্ষামূলকভাবে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন অ-বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার শুরু হয়

তৃতীয় প্রজন্ম (২০০১-২০০৮):
১। মডেম সংযোজনের মাধ্যমে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেটের ব্যবহার এবং ডেটা আদান প্রদানের নতুন এক মাত্রা যোগ হয়।
২। ডেটা স্থানান্তরের গতি 2 Mbps এর অধিক।
৩। মোবাইল ব্যাংকিং, ই-কমার্স ইত্যাদি সেবা কার্যক্রম চালু হয়।
৪। আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা চালু হয়।

উৎস: Live MCQ Lecture. এবং বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (এইচ এস সি প্রোগ্রাম)