পরীক্ষা আর্কাইভ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

পরীক্ষানতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাসতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়18 minutes
মোট প্রশ্ন১৯
সিলেবাস
বাংলাদেশ বিষয়াবলি: টপিকসমূহ: ১. বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা: রাজনৈতিক দলসমূহের গঠন, ভূমিকা ও কার্যক্রম, ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলের পারস্পরিক সম্পর্কাদি, সুশীল সমাজ ও চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীসমূহ এবং এদের ভূমিকা। ২. বাংলাদেশ ও উপমহাদেশের বিখ্যাত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সমাজ সংস্কারক। উৎস: পৌরনীতি ও সমাজবিজ্ঞান বিষয়ক বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া ও যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস · তারিখ অনির্ধারিত · ১৯ প্রশ্ন

.
গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় কত ধরনের নির্বাচন বিদ্যমান?
  1. ক) দুই ধরনের
  2. খ) তিন ধরনের
  3. গ) চার ধরনের
  4. ঘ) পাঁচ ধরনের
ব্যাখ্যা
নির্বাচনের প্রকারভেদ:
- গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় দুই ধরনের নির্বাচন বিদ্যমান। যেমন- প্রত্যক্ষ নির্বাচন ও পরোক্ষ নির্বাচন।

প্রত্যক্ষ নির্বাচন:
- যখন জনগণ সরাসরি ভোটাধিকার প্রয়োগ করে প্রতিনিধি নির্বাচন করে তখন তাকে প্রত্যক্ষ নির্বাচন বলে । যেমন- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ সদস্যগণ জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন।

পরোক্ষ নির্বাচন:
- জনগণ ভোট প্রয়োগের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধি বা একটি মধ্যবর্তী সংস্থা নির্বাচিত করেন।
- জনপ্রতিনিধিগণ ভোট দিয়ে রাষ্ট্রপতি বা সংসদের সংরক্ষিত আসনের (৫০ জন মহিলা) সদস্য নির্বাচিত করেন।
- এভাবে নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়াকে পরোক্ষ নির্বাচন বলে। যেমন- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতিকে সংসদ সদস্যরা ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেন। আবার ইলেক্টরাল কলেজ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতিকে নির্বাচিত করেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
পাকিস্তান সৃষ্টির সময় পূর্ব বাংলায় প্রধানত কতটি রাজনৈতিক দল ছিল?
  1. ক) চারটি
  2. খ) দুইটি
  3. গ) তিনটি
  4. ঘ) পাঁচটি 
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির সময় পূর্ব বাংলায় প্রধানত তিনটি রাজনৈতিক দল বা ধারা বিদ্যমান ছিল। যথা- 
১। ধর্মীয় আদর্শ ভিত্তিক রাজনৈতিক ধারার প্রতিনিধিত্বকারী মুসলিম লীগ
২। অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও গণতান্ত্রিক ধারার দল জাতীয় কংগ্রেস এবং 
৩। বিপ্লবী সাম্যবাদী ধারার কমিউনিস্ট পার্টি। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
.
সাংবিধানিকভাবে বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্রের সূচনা ঘটে কোন সালে?
  1. ক) ১৯৮৯ সালে
  2. খ) ১৯৯১ সালে
  3. গ) ১৯৭২ সালে
  4. ঘ) ১৯৯২ সালে
ব্যাখ্যা
নিয়মতান্ত্রিকতার শিক্ষা:
- নিয়মতান্ত্রিক পন্থায় ক্ষমতার পালা বদলের শিক্ষা গণতন্ত্রেই পাওয়া যায়।
- তবে রাজনৈতিক দলগুলোর আন্তরিকতা ছাড়া তা সম্ভব নয়। তাই রাজনৈতিক দলের মধ্যে গণতন্ত্রের চর্চা থাকা উচিত। 
- বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ইতিহাস অতি দীর্ঘ নয়।
- ১৯৭১ সালে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার স্বপ্ন নিয়ে একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হলেও বিভিন্ন সময়ে গণতান্ত্রিক চর্চা বাধাগ্রস্থ হয়েছে।
- সাংবিধানিকভাবে ১৯৯১ সালে সংসদীয় গণতন্ত্রের সূচনা ঘটে।
- যার ফলে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল অধিক সক্রিয় হয়।
- ইতোপূর্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল স্বৈরাচারী শাসকের বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলে।
- বর্তমানে গণতন্ত্র সুসংহতকরণের লক্ষ্যে সরকারি ও বিরোধী সব রাজনৈতিক দল প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
- তবে নিম্ন রাজনৈতিক সংস্কৃতির প্রভাব থাকায় রাজনৈতিক দলগুলো কাঙ্খিত ভূমিকা পালনে ব্যর্থ হচ্ছে। 

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিম্নের কোন দেশে রাজনৈতিক দলের অস্থিত্ব নেই?
  1. ক) যুক্তরাজ্য
  2. খ) সৌদি আরব
  3. গ) লিবিয়া
  4. ঘ) রাশিয়া
ব্যাখ্যা
- রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে রাজনৈতিক দল অন্যতম।
- এটি মূলত এক দল জনসমষ্টি যারা নির্দিষ্ট নীতি ও আদর্শ এবং লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ।
- রাজনৈতিক দল মূলত জনগণের দাবি দাওয়া প্রকাশের প্লাটফর্ম ।
- জাতি ধর্ম- বর্ণ লিঙ্গ, শ্রেণি পেশা নির্বিশেষে সকল জনগোষ্ঠী কোন রাজনৈতিক দলে অন্তর্ভূক্ত হতে পারে।
- রাজনৈতিক দলের প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে নিয়মতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক পন্থায় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়া।
- অর্থাৎ নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করা এবং নির্বাচনি ইশতেহার প্রকাশের মধ্য দিয়ে জনগণকে আকর্ষণ করা।
- বর্তমানে পৃথিবীর অধিকাংশ রাষ্ট্রেই একাধিক রাজনৈতিক দল রয়েছে।
- গণতন্ত্রের জন্য রাজনৈতিক দল অপরিহার্য।
- তবে যে সব রাষ্ট্রে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা নেই সে সব রাষ্ট্রে রাজনৈতিক দলও নেই। যেমন সৌদি আরব, বাহরাইন, ওমান, কাতার এ রাজতন্ত্র বিদ্যমান
- তাই এসব দেশে রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ।
- রাজপরিবার ও পরিষদই রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
- তাছাড়া সামরিক সরকার ক্ষমতায় থাকলেও রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ থাকে।
- তবে শিক্ষা, জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিকাশের ফলে রাজনৈতিক দল সৃষ্টির প্রবণতা দিন-দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হচ্ছে।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কোন পদ্ধতিতে হয়ে থাকে?
  1. ক) গণভোটের মাধ্যমে
  2. খ) প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক নির্ধারিত
  3. গ) প্রত্যক্ষ পদ্ধতিতে
  4. ঘ) পরোক্ষ পদ্ধতিতে
ব্যাখ্যা
নির্বাচনের প্রকারভেদ:
- গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় দুই ধরনের নির্বাচন বিদ্যমান। যেমন- প্রত্যক্ষ নির্বাচন ও পরোক্ষ নির্বাচন।

প্রত্যক্ষ নির্বাচন:
- যখন জনগণ সরাসরি ভোটাধিকার প্রয়োগ করে প্রতিনিধি নির্বাচন করে তখন তাকে প্রত্যক্ষ নির্বাচন বলে । যেমন- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ সদস্যগণ জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন।

পরোক্ষ নির্বাচন:
- জনগণ ভোট প্রয়োগের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধি বা একটি মধ্যবর্তী সংস্থা নির্বাচিত করেন।
- জনপ্রতিনিধিগণ ভোট দিয়ে রাষ্ট্রপতি বা সংসদের সংরক্ষিত আসনের (৫০ জন মহিলা) সদস্য নির্বাচিত করেন
- এভাবে নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়াকে পরোক্ষ নির্বাচন বলে। যেমন- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতিকে সংসদ সদস্যরা ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেন। আবার ইলেক্টরাল কলেজ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতিকে নির্বাচিত করেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
জনপ্রতিনিধি বাছাইয়ের উত্তম ক্ষেত্র কোনটি?
  1. ক) সমাজ
  2. খ) রাজনৈতিক দল
  3. গ) পরিবার ব্যবস্থা
  4. ঘ) নির্বাচন
ব্যাখ্যা
- নির্বাচন অতি পরিচিত একটি প্রত্যয়।
- গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় নির্বাচন অনুষ্ঠান করা অপরিহার্য।
- নির্বাচন হল যেকোন স্তরে প্রতিনিধি বাছাইয়ের সর্বোত্তম পদ্ধতি। 
- নির্বাচনের প্রাণ হল নির্বাচক বা ভোটার।
- সাংবিধানিকভাবে নির্ধারিত নাগরিকগণ নির্বাচনে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
- বাংলাদেশেও গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা বিদ্যমান।
- নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও তাদের প্রার্থীগণ ইশতেহার ঘোষণা করে। তার প্রেক্ষিতে জনগণ তাদের মতামত প্রকাশ করে।
- ভোটারগণ প্রার্থীর যোগ্যতা ও সক্ষমতা দেখে ভোট প্রদান করে থাকে।
- নির্বাচন অনুষ্ঠান যেকোন সরকারের জন্য একটি বিশাল কর্মকান্ড।
- সাধারণত নির্দিষ্ট মেয়াদ অন্তর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। যেমন:  বাংলাদেশে ৫ বছর, আমেরিকায় ৪ বছর পর পর সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় কিসের গুরুত্ব অপরিসীম?
  1. ক) স্থানীয় প্রশাসনের
  2. খ) ক্ষমতা দখলের
  3. গ) নির্বাচনের
  4. ঘ) প্রচারণার
ব্যাখ্যা
- গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় নির্বাচনের গুরুত্ব অপরিসীম। 
- নির্বাচনের মাধ্যমেই জনমত প্রকাশ পায়। 
- নির্বাচনের মাধ্যমেই ভোটারগণ একাধিক প্রতিনিধিদের মধ্য থেকে যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করে। 
- নির্বাচকমণ্ডলী সরকার ও জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধ হিসেবে কাজ করে। 
- গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় নির্বাচন সরকারকে জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য করে। 

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।
.
জনগণের মধ্যে রাজনৈতিক চেতনার বিকাশ ঘটায় কোনটি?
  1. ক) রাজনৈতিক দল
  2. খ) সামাজিক সংগঠন
  3. গ) অর্থনৈতিক সংস্থা
  4. ঘ) পারিবারিক শিক্ষা
ব্যাখ্যা
- গণতন্ত্র মানেই হচ্ছে রাজনৈতিক দলের উপস্থিতি ।
- গণতন্ত্রের সফলতার জন্য রাজনৈতিক দলের গুরুত্ব অপরিসীম ।
- কেননা রাজনৈতিক দলই জনগণের মতামতকে সুসংগঠিত করে এবং জনগণের মধ্যে রাজনৈতিক চেতনার বিকাশ ঘটায়
- রাজনৈতিক দল এর সদস্য ও নেতাদেরকে গণতান্ত্রিক আচার-আচরণে অভ্যস্ত হতে শেখায়। যেমন- দলীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় দলের নেতা ও কর্মীদেরকে মত প্রকাশের সুযোগ দেওয়া হয় এবং অন্যের মতের প্রতি সহনশীল হতে শেখায় ।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।
.
জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন কতটি?
  1. ক) ৫০টি
  2. খ) ৪৫টি
  3. গ) ৩০০টি
  4. ঘ) ৩৫০টি
ব্যাখ্যা
- নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাছাইকরণ, দল সম্পর্কিত নীতিমালা ও নির্বাচন পরিচালনাসংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়ন করা নির্বাচন কমিশনের কাজ। 
- এছাড়া নির্বাচন কমিশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে নির্বাচনি এলাকার সীমানা নির্ধারণ করা।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০টি নির্বাচনি এলাকা রয়েছে।
- সেখান থেকে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে সংসদ সদস্যগণ নির্বাচিত হন। 
- ভৌগোলিক আয়তন ও ভোটার সংখ্যার ভিত্তিতে নির্বাচনি এলাকা নির্ধারিত হয়। 
- ভৌগোলিক এলাকাভিত্তিক ৩০০ আসন ছাড়াও বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে আরো ৫০টি সংরক্ষিত আসন রয়েছে । এগুলো মহিলাদের জন্য নির্দিষ্ট। 
- তাঁরা জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০ সংসদ সদস্য কর্তৃক পরোক্ষভাবে নির্বাচিত হন। 

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১০.
“যেখানে বিরোধী দল নেই, সেখানে গণতন্ত্র নেই” উক্তিটি কে করেছেন?
  1. ক) অ্যালান বল
  2. খ) জন স্টুয়ার্ট মিল
  3. গ) স্যামুয়েল ফাইনার
  4. ঘ) হ্যারল্ড লাসওয়েল
ব্যাখ্যা
- আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দল ছাড়া গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না।
- গণতন্ত্র মানেই বিভিন্ন মতামতের সংমিশ্রণ।
- এক্ষেত্রে বিভিন্ন দলের সহাবস্থান অবশ্যই থাকতে হয়।
- শক্তিশালী বিরোধী দলের অভাবে সরকার স্বৈরাচারী হয়ে যেতে পারে।
- জন স্টুয়ার্ট মিল তাই বলেন, “যেখানে বিরোধী দল নেই, সেখানে গণতন্ত্র নেই”।  

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
গণতান্ত্রিক শাসন পদ্ধতির অন্যতম শর্ত কোনটি?
  1. ক) সুষ্ঠু নির্বাচন
  2. খ) ক্ষমতা দখল
  3. গ) দলীয় নির্বাচন
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
নির্বাচন:
- নির্বাচন হচ্ছে জনপ্রতিনিধি বাছাইয়ের পদ্ধতি। 
- স্থানীয় পর্যায় থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত ভোটাধিকার প্রাপ্ত সকল নাগরিক ভোট দিয়ে জনপ্রতিনিধি বাছাই করে।
- প্রতিনিধি বাছাইয়ের প্রক্রিয়াকে নির্বাচন বলে।
- যারা ভোট দেয়, তাদের নির্বাচক বা ভোটার বলে।
- নির্বাচকের সমষ্টিকে নির্বাচকমণ্ডলী বলা হয়।
- সুষ্ঠু নির্বাচন গণতান্ত্রিক শাসন পদ্ধতির অন্যতম শর্ত। 
- এ ছাড়া সামরিক শাসন ও এক ব্যক্তিকেন্দ্রিক শাসনব্যবস্থায়ও কখনো কখনো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে দেখা যায়। 

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১২.
আজাদ হিন্দ সরকার কার নেতৃত্বে গঠিত হয়?
  1. ক) নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু
  2. খ) মহাত্মা গান্ধী
  3. গ) এ. কে. ফজলুল হক
  4. ঘ) আবুল কালাম আজাদ
ব্যাখ্যা
সুভাষচন্দ্র বসুর সশস্ত্র স্বাধীনতা যুদ্ধ:
- যখন দেশের অভ্যন্তরে চরম হতাশা বিরাজ করছে, ব্যর্থ হয়েছে ইংরেজ তাড়ানোর প্রাণপণ প্রচেষ্টা, তখন যুদ্ধ করে ইংরেজ বিতাড়নের জন্য বাঙালিদের নেতৃত্বে দেশের বাইরে গঠিত হয় ‘আজাদ হিন্দ ফৌজ' বা Indian National Army (INA)।
- এই বাহিনী গড়তে সাহায্য করেন আরেক বাঙালি প্রবাসী বিপ্লবী রাসবিহারী বসু।
- কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি, ফরওয়ার্ড ব্লকের প্রতিষ্ঠাতা সুভাষ বসু ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দে সবার অলক্ষ্যে দেশত্যাগ করেন।
- প্রথমে তিনি ইংরেজদের শত্রু ভূমি জার্মানিতে যান এবং ভারতের স্বাধীনতার জন্য একটি সেনাবাহিনী গঠনে জার্মান সরকারের সহযোগিতা লাভের চেষ্টা করেন।
- তিনিই প্রথম ভারতীয় রাজনীতিবিদ, যিনি বিদেশী শক্তির সাহায্য নিয়ে যুদ্ধ করে মাতৃভূমি স্বাধীন করতে চেয়েছিলেন।
- ১৯৪৩ খ্রিস্টাব্দে তিনি ভারতীয় ভূখণ্ডের আন্দামান দ্বীপে গঠন করেন আজাদ হিন্দ সরকার বা স্বাধীন ভারত সরকার
- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত এই সরকারে সেনাবাহিনী বিভিন্ন রণাঙ্গনে ইংরেজদের বিরুদ্ধে বীরত্বের সঙ্গে লড়াই করে।
- আজাদ হিন্দ ফৌজ এবং সুভাষ বসু তখন ছিল ইংরেজদের কাছে আতঙ্ক।
- এই দুঃসাহসী বাঙালি নেতার নেতৃত্বে আজাদ হিন্দ ফৌজ ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দে বার্মা হয়ে ভারত ভূমিতে পদার্পন করে।
- কোহিমা ইম্ফলের রণাঙ্গনে বীরত্ব ও সাফল্যের সঙ্গে লড়াই করে এসব অঞ্চল দখল করে নেয়।
- দুর্ভাগ্যক্রমে এই রণাঙ্গনে জাপানি বাহিনী ইংরেজ বাহিনীর তীব্র আক্রমণের মুখে পিছু হটলে আজাদ হিন্দ নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু ফৌজকেও পিছু হটতে হয়।
- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দে জাপানের রেঙ্গুন ত্যাগ, মিত্রবাহিনীর বিজয়, আজাদ হিন্দ ফৌজের অগ্রযাত্রা ব্যহত করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
মন্ত্রী মিশন পরিকল্পনায় কোন অঞ্চলকে 'গ' গ্রুপে রাখা হয়?
  1. ক) পাঞ্জাব
  2. খ) সিন্ধু
  3. গ) বাংলা
  4. ঘ) উরিষ্যা
ব্যাখ্যা
মন্ত্রী মিশনের প্রস্তাবসমূহ:
- মূলত ভারত উপমাহদেশকে একটি যুক্তরাষ্ট্রে পরিণত করার প্রস্তাব ছিল মন্ত্রী মিশন পরিকল্পনায়।
- তিন স্তর বিশিষ্ট ছিল এই যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা। এগুলো হচ্ছে-
ক. প্রস্তাব অনুযায়ী কেন্দ্রে একটি অন্তবর্তী কালীন সরকার গঠন করা হবে
খ. একটি স্বায়ত্তশাসিত ভারত ইউনিয়ন গঠন করা হবে সেখানে অন্তর্ভুক্ত থাকবে ব্রিটিশ ভারত ও দেশীয় রাজ্যগুলো এবং
গ. ভারতীয় প্রদেশগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা হবে- 
১। ‘ক’ গ্রুপে থাকবে, মাদ্রাজ, বোম্বে, যুক্তপ্রদেশ, বিহার, মধ্যপ্রদেশ ও উড়িষ্যা,
২। ‘খ’ গ্রুপে, উত্তর পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ, পাঞ্জাব ও সিন্ধু এবং
৩। ‘গ’ গ্রুপে থাকবে বাংলা ও আসাম
- সিদ্ধান্ত হয় প্রত্যেক গ্রুপের জন্য একটি গণপরিষদ গঠন করা হবে।
- মন্ত্রী মিশন প্রস্তাব পেশের পাশাপাশি শর্ত জুড়ে দিয়েছিল যে পরিকল্পনার পুরোটিই গ্রহণ করতে হবে- অংশবিশেষ নয়। 
- ভারতীয় ইউনিয়নের হাতে থাকবে দেশরক্ষা, পররাষ্ট্র, যোগাযোগ এবং মুদ্রা বিভাগের দায়িত্ব।
- অন্যান্য বিষয়ের দায়িত্ব ন্যাস্ত থাকবে প্রদেশগুলোর হাতে।
- এছাড়াও বলা হয় কেন্দ্রীয় সংসদে মোট ৩৮৫টি আসনের মধ্যে ৭৮টি মুসলমানদের জন্য নির্ধারিত করা হয়।
- পরিকল্পনায় এই সুযোগ রাখা হয় যে, কোনো গ্রুপ ইচ্ছা করলে দশ বছর পর কেন্দ্র থেকে বিচ্ছিন্ন হতে পারবে। 

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত কত খ্রিষ্টাব্দে উঠিয়ে দেয়া হয়?
  1. ক) ১৯৪৭ সালে
  2. খ) ১৯৫০ সালে
  3. গ) ১৯৫২ সালে
  4. ঘ) ১৯৫৪ সালে
ব্যাখ্যা
- চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের ফলে বাংলার মুসলমানগণ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল।
- উইলিয়াম হান্টারের মতে, “গত পঁচাত্তর বছরের মধ্যে বাংলার মুসলমান পরিবারগুলোর অস্তিত্ব হয় পৃথিবীর বুক থেকে মুছে গেছে, না হয় ইংরেজদের সৃষ্ট নতুন ধনী সমাজের নীচে এ সময় ঢাকা পড়েছে।”
- এ সময় নায়েব গোমস্তাদের অত্যাচার সীমা ছাড়িয়ে যায়।
- ফলে লর্ড ক্যানিং ১৮৫৯ খ্রিস্টাব্দে রাজস্ব আইন দ্বারা খাজনা বৃদ্ধি বন্ধ করেন এবং ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দে প্রজাস্বত্ব আইন দ্বারা জমি থেকে উচ্ছেদ নিষিদ্ধ করে দেন।
- পাকিস্তান অর্জনের পর ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত উঠিয়ে দিয়ে প্রজাদের সঙ্গে সরাসরি জমির বন্দোবস্ত দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়
- জমিদার পুত্র লর্ড কর্ণওয়ালিস যে আশায় এ প্রথা চালু করেছিলেন তাঁর সে আশা সম্পূর্ণ বিফল হয়েছিল।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
ব্যারাকপুরে প্রথম প্রকাশ্যে বিদ্রোহ করেন কে?
  1. ক) নানা সাহেব
  2. খ) বাজীয়াও
  3. গ) লক্ষ্মী বাঈ
  4. ঘ) মঙ্গল পান্ডে
ব্যাখ্যা
- বিপ্লবের প্রত্যক্ষ কারণ হল চর্বি মিশ্রিত কার্তুজের প্রবর্তন।
- ১৮৫৬ খ্রিস্টাব্দে সেনাবাহিনীতে এনফিল্ড রাইফেল নামে এক ধরনের বন্দুকের ব্যবহার শুরু হয়।
- ব্যবহারের পূর্বে এর কার্তুজ দাঁত দিয়ে কাটতে হতো।
- গুজব রটে যে, উক্ত রাইফেলে গরু ও শুকরের চর্বি মিশ্রিত কার্তুজের প্রচলন করে বৃটিশ সরকার হিন্দু ও মুসলমান উভয় সম্প্রদায়ের ধর্ম নাশ করার ষড়যন্ত্র করছে। ফলে দেশীয় সিপাহীদের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।
- ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দের ২৯ মার্চ ব্যারাকপুর সেনানিবাসে মঙ্গল পান্ডে নামে এক সিপাহী প্রকাশ্যভাবে বিদ্রোহ করে।
- বৃটিশ কর্তৃপক্ষ মঙ্গল পাণ্ডে এবং তার একজন সমর্থককে প্রাণদণ্ডে দণ্ডিত করে বিদ্রোহের আগুন নেভাবার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন।
- এরপর মে মাসে বড় আকারের বিদ্রোহ দেখা দেয় মীরাটের সেনা ছাউনিতে। 
- সিপাহীরা সরকারী নির্দেশ অমান্য করে এবং কর্নেল ফিনিসকে গুলি করে হত্যা করার পর প্রকৃত বিদ্রোহের সূত্রপাত ঘটে।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
সতীদাহ প্রথার বিরুদ্ধে জনমত গঠন করেন কে?
  1. ক) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  2. খ) নওয়াব আবদুল লতিফ
  3. গ) রাজা রামমোহন রায়
  4. ঘ) দুধু মিয়া
ব্যাখ্যা
- বহুকাল আগে থেকেই হিন্দু সমাজে অনেক কুপ্রথা প্রচলিত হয়েছিল। এর অন্যতম হচ্ছে সতী।
- সতীদাহ প্রথা অনুসারে স্বামী মারা গেলে স্ত্রীকে স্বামীর চিতায় জীবন্ত পেড়ানো হতো।
- গোঁড়া হিন্দুদের প্রবল প্রতিরোধের মধ্যেও রামমোহন রায় সতীদাহের বিরুদ্ধে জনমত গঠন করতে থাকেন
- তিনি প্রভাবিত করতে থাকেন কোম্পানির শাসকদের।
- এই সূত্রে ১৮২৯ সালে গভর্নর জেনারেল উইলিয়াম বেন্টিঙ্কের অনুমোদনে সতীদাহ প্রথা বিলুপ্ত ঘোষণা করে আইন পাশ হয়।
- রামমোহন রায়কে সাধারণভাবে রাজা রামমোহন রায় বলা হয়।
- তিনি রাজা উপধিটি পেয়েছিলেন সেসময়ের নামেমাত্র মোগল সম্রাট দ্বিতীয় আকবরের (১৮০৬-১৮৩৭) কাছ থেকে।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৭.
ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস কত সালে প্রতিষ্ঠা করা হয়?
  1. ক) ১৮৮৩ সালের ২৮ ডিসেম্বর
  2. খ) ১৮৮৫ সালের ২০ ডিসেম্বর
  3. গ) ১৮৮৫ সালের ২৮ ডিসেম্বর
  4. ঘ) ১৮৮৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
- ইউরোপীয়ানদের বিক্ষোভ ভারতীয়দের মর্যাদা ও জাতীয় চেতনায় আঘাত করে।
- শিক্ষিত হিন্দুরা সুরেন্দ্রনাথ ও আনন্দ মোহন বসুর নেতৃত্বে ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দে কলিকাতায় এলবার্ট হলে এক সম্মেলনে মিলিত হয়।
- ভারতের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত প্রতিনিধিরা একটি সর্বভারতীয় সংগঠনের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেন।
- এ দিকে ভারতীয়দের মধ্যে বিক্ষোভ এবং অধিকার আদায়ের জন্য সচেতন শিক্ষিত মধ্যবিত্তের আন্দোলনের চাপে বৃটিশ সরকার কিছুটা ভীত হয়।
- ভারতীয়দের দাবি ও আন্দোলনকে নিয়মতান্ত্রিক পথে পরিচালিত করার এবং তাদের মধ্যে সৃষ্ট উত্তেজনা প্রশমিত করার জন্য সরকার মনোযোগী হয়।
- এ অবস্থার প্রেক্ষিতে ভারতীয় সিভিল সার্ভিসের জনৈক অবসরপ্রাপ্ত অফিসার এলান অক্টেভিয়ান হিউম ভারতের ভাইসরয় লর্ড ডাফরিনের সহযোগিতায় ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দের ২৮ ডিসেম্বর বোম্বে শহরে ‘ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস' (ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস) প্রতিষ্ঠা করেন।
- দুজন মুসলমানসহ সত্তর জন প্রতিনিধি কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশনে যোগ দেয় এবং এর সভাপতি নির্বাচিত হন বাঙালি ব্যারিস্টার উমেশ চন্দ্র ব্যানার্জী।
- বক্তৃতায় তিনি কংগ্রেসের চারটি উদ্দেশ্যের কথা ব্যক্ত করেন:
১. ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে যাঁরা দেশ সেবায় ব্রতী হয়েছেন তাঁদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা ও বন্ধুত্ব স্থাপন করা;
২. জাতি ধর্ম আঞ্চলিকতার সংকীর্ণতা দূর করে জাতীয় ঐক্যের পথ সুগম করা;
৩. শিক্ষিত ব্যক্তিদের মধ্যে আলাপ আলোচনার মাধ্যেমে বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের পথে বের করা এবং
৪. রাজনৈতিক অগ্রগতির জন্য পরবর্তী বছরের কর্মসূচী নির্ধারণ করা। 

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮.
বঙ্গভঙ্গের ফলে নতুন প্রদেশের রাজধানী স্থাপিত হয় কোথায়?
  1. ক) কলকাতা
  2. খ) ঢাকা
  3. গ) আসাম
  4. ঘ) দিল্লী
ব্যাখ্যা
- বঙ্গভঙ্গ বিশ শতকের গোড়ার দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
- বাংলা প্রেসিডেন্সির আয়তন অনেক বড় হওয়ায় ১৮৫৩ থেকে ১৯০৩ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত এর সীমানা পুনর্বিন্যাসের জন্য বৃটিশ সরকারী মহলে অনেক প্রস্তাব আসে।
- শেষ পর্যন্ত মূলত প্রশাসনিক কারণে লর্ড কার্জন ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দের অক্টোবরে পূর্ববঙ্গ ও আসাম নামে নতুন একটা প্রদেশ সৃষ্টি করেন।
- পূর্ববঙ্গ ও আসাম নতুন প্রদেশের রাজধানী ছিল ঢাকা। 
- পূর্ববঙ্গের মুসলমানরা এতে খুশী হলেও বাংলার বর্ণ হিন্দুরা এর বিরুদ্ধে প্রবল আন্দোলন গড়ে তোলে।
- তাদের চাপে শেষ পর্যন্ত ১৯১১ খ্রিস্টাব্দে রাজা পঞ্চম জর্জ বঙ্গভঙ্গ বাতিল ঘোষণা করতে বাধ্য হয়।


উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯.
ব্রিটিশ শাসনামলে প্রথম গোল টেবিল বৈঠক কত খ্রিস্টাব্দে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৯২৯ সালে
  2. খ) ১৯৩০ সালে
  3. গ) ১৯৩১ সালে
  4. ঘ) ১৯৩২ সালে
ব্যাখ্যা
প্রথম গোলটেবিল বৈঠক:
- গোল টেবিল বৈঠকের প্রথম অধিবেশন বসে ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দের ১২ নভেম্বর
- অধিবেশনে বৃটেনের রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষে ১৬, ভারতীয় রাজন্যবর্গের পক্ষে ১৩ এবং বৃটিশ শাসিত ভারত থেকে ৫৭ জন সহ সর্বমোট ৮৯ জন সদস্য যোগ দেন।
- কংগ্রেস এ অধিবেশনে যোগ দেয় নি।
- উপস্থিত ভারতীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে অনুন্নত সম্প্রদায়ের নেতা ড. আম্বেদকার, মুসলিম লীগ নেতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ্ এবং তেজ বাহাদুর সাপ্রু বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী রামজে মেকডোনাল্ড এ বৈঠকে কতগুলো সংবিধানিক প্রস্তাব দেন; তার মধ্যে
১. ভারতে যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার গঠন,
২ - প্রদেশগুলোতে দায়িত্বশীল সরকার এবং
৩. কেন্দ্রে আংশিক দায়িত্বশীল সরকার গঠন সংক্রান্ত প্রস্তাবগুলো অন্যতম। 

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।