পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৫
সিলেবাস
বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি: টপিকসমূহ: [বাংলাদেশের ইতিহাস, কৃষ্টি ও সংস্কৃতি সম্পর্কিত] i) প্রাচীন যুগ - প্রাচীন জনপদ বিভিন্ন রাজবংশের শাসন, কৃষ্টি ও সংস্কৃতি; ii) মধ্যযুগ - মুসলিম শাসন, মুঘল, সুলতানি ও নবাবী আমলে বাংলা ও উপমহাদেশ। উৎস: বোর্ড বই (বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা সংশ্লিষ্ট NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বই), বাংলাপিডিয়া অথবা যেকোনো ভালো গাইড বই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫ প্রশ্ন

.
ধর্মপালের রাজত্বের সময়সীমা কত?
  1. ক) ৭৫০-৮২১ খ্রিষ্টাব্দ
  2. খ) ৮২১-৮৬১ খ্রিষ্টাব্দ
  3. গ) ৭৮১-৮২১ খ্রিষ্টাব্দ
  4. ঘ) ৮৬৬-৯২০ খ্রিষ্টাব্দ
ব্যাখ্যা
• গোপালের মৃত্যুর পর ধর্মপাল  (৭৮১-৮২১ খ্রিষ্টাব্দ) বাংলার সিংহাসনে বসেন। পাল রাজাদের মধ্যে তিনিই ছিলেন সর্বশ্রেষ্ঠ। বাংলা ও বিহারব্যাপী তার শাসন প্রতিষ্ঠিত ছিল।
• পরবর্তীতে তিনি বারাণসী ও প্রয়োগ জয় করে গঙ্গা-যমুনার মধ্যবর্তী অঞ্চল পর্যন্ত রাজ্য বিস্তার করেন। ধর্মপাল প্রায় ৪০ বছর (৭৮১-৮২১ খ্রিষ্টাব্দ) অব্দি রাজত্ব করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
.
গুপ্ত সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয় কত খ্রিষ্টাব্দে?
  1. ক) ৩২৭ খ্রিষ্টাব্দ
  2. খ) ৩২৬ খ্রিষ্টাব্দ
  3. গ) ৩১২ খ্রিষ্টাব্দ
  4. ঘ) ৩২০ খ্রিষ্টাব্দ
ব্যাখ্যা
• ভারতে গুপ্ত সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয় ৩২০ খ্রিষ্টাব্দে। তখন বাংলায় কিছু স্বাধীন রাজ্যের উত্থান ঘটে। এগুলোর মধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় সমতট রাজ্য ও পশ্চিম বাংলার পুষ্করণ রাজ্য উল্লেখযোগ্য।
• গুপ্ত সম্রাট প্রথম চন্দ্রগুপ্তের রাজত্বকালেই উত্তর বঙ্গের কিছু অংশ গুপ্ত সাম্রাজ্যের অধীনে আসে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
.
কে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন?
  1. ক) দেবপাল
  2. খ) ইন্দ্রগুপ্ত
  3. গ) নারায়ণগুপ্ত
  4. ঘ) বিগ্রহ পাল
ব্যাখ্যা
- দেবপাল বিদ্যা ও বিদ্বানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলেন। বিভিন্ন দেশের বৌদ্ধ পণ্ডিতগণ  তাঁর রাজসভা অলঙ্কৃত করতেন। দেবপালের পৃষ্ঠপোষকতায় নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় তখন সমগ্র এশিয়ায় বৌদ্ধ সংস্কৃতির প্রধান প্রাণকেন্দ্র হয়ে উঠেছিল। 

-  বৌদ্ধশাস্ত্রে পারদর্শী ইন্দ্রগুপ্ত নামক ব্রাহ্মণকে তিনি নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য বা অধ্যক্ষ নিযুক্ত করেছিলেন। এ নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করেই তার শাসন আমলে উত্তর-ভারতে প্রায় হারিয়ে যাওয়া বৌদ্ধধর্ম পুনরায় সজীব হয়ে ওঠে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
.
কৈবর্ত্য বিদ্রোহের সময় সেন বংশের কোন রাজা রামপালকে সাহায্য করেন?
  1. ক) সমান্ত সেন
  2. খ) বল্লাল সেন
  3. গ) হেমন্ত সেন
  4. ঘ) বিজয় সেন
ব্যাখ্যা
• হেমন্ত সেনের মৃত্যুর পর তার পুত্র বিজয় সেন (১০৯৮-১১৬০ খ্রিষ্টাব্দে) সিংহাসনে আরোহণ করেন। তার সুদীর্ঘ রাজত্বকালই সেন বংশের শাসনের শক্তিশালী ভিত্তি সুপ্রতিষ্ঠিত করেছিল।

কৈবর্ত্য বিদ্রোহের সময় বিজয় সেন রামপালকে সাহায্য করেন। বরেন্দ্র উদ্ধারে রামপালকে সাহায্য করার বিনিময়ে বিজয় সেন স্বাধীনতার স্বীকৃতি পান। 

• রাঢ় শূর বংশের রাজকন্যা বিলাসদেবীকে তিনি বিয়ে করেন এবং বৈবাহিক আত্মীয়তার সূত্র ধরে রাঢ় বিজয় সেনের অধিকারে আসে।


উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
.
‘রামরচিত’ গ্রন্থে পাল বংশের কোন রাজার জীবনকথা উল্লেখ আছে?
  1. ক) মহীপাল
  2. খ) ধর্মপাল
  3. গ) দেবপাল
  4. ঘ) রামপাল
ব্যাখ্যা
• রামপাল পাল বংশের সর্বশেষ সফল শাসক ছিলেন। তিনি (১০৮২-১১২৪ খ্রিষ্টাব্দ) পর্যন্ত তার শাসনকাল পরিচালনা করেন।
• প্রাচীন বাংলার কবি সন্ধ্যাকর নন্দী রচিত ‘রামরচিত’ থেকে রামপালের জীবনকথা জানা যায়।
• রামপাল রাজ্যগ্রহণ করেই বরেন্দ্র উদ্ধার করতে সচেষ্ট হন এবং রাষ্ট্রকূট, মগধ, রাঢ় দেশসহ  চৌদ্দটি অঞ্চলের রাজাদের সহযোগীতায় যুদ্ধে কৈবর্তরাজ ভীমকে পরাজিত ও নিহত করেন। এরপর তিনি বর্তমান মালদাহের কাছাকাছি ‘রামাবতী’ নামে নতুন রাজধানী স্থাপন করেন।


উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
.
সেন বংশের কোন শাসক সুপণ্ডিত হিসেবে পরিচিত?
  1. ক) লক্ষণ সেন
  2. খ) বল্লাল সেন
  3. গ) বিজয় সেন
  4. ঘ) হেমন্ত সেন
ব্যাখ্যা
• সেন বংশে বল্লাল সেন ছিলেন অত্যন্ত সুপণ্ডিত। বিদ্যা ও বিদ্বানের প্রতি তাঁর যথেষ্ট অনুরাগ ছিল। তিনি বেদ, স্মৃতি, পুরাণ প্রভৃতি শাস্ত্র অধ্যয়ন করেছিলেন।

• কবি বা লেখক হিসেবে সংস্কৃত সাহিত্যে তাঁর দান অপরিসীম। তিনি ‘দানসাগর’ ও ‘অদ্ভুতসাগর’ নামে দুটি গ্রন্থ রচনা করেন। অবশ্য ‘অদ্ভুতসাগর’ গ্রন্থের অসমাপ্ত অংশ তাঁর পুত্র লক্ষণ সেন সম্পূর্ণ করেছিলেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
.
উত্তর বঙ্গের বরেন্দ্র অঞ্চলের সামন্তবর্গ প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করে কোন রাজবংশের শাসন আমলে?
  1. ক) পালবংশ
  2. খ) সেনবংশ
  3. গ) মৌর্যবংশ
  4. ঘ) গুপ্তবংশ
ব্যাখ্যা
•পাল বংশের শাসন আমলে সমান্তবর্গ উত্তর বঙ্গের বরেন্দ্র অঞ্চলে বিদ্রোহ ঘেষণা করেন।

- তৃতীয় বিগ্রহপালের পুত্র দ্বিতীয় মহীপাল পাল সিংহাসনে আহরণের পর পাল রাজ্যে দুর্যোগ আরও ঘনীভূত হয়। এ সময় উত্তর বঙ্গের বরেন্দ্র অঞ্চলের সামন্তবর্গ প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করে। ইতিহাসে এ বিদ্রোহ কৈবর্ত বিদ্রোহ’ নামে পরিচিত।
- এ বিদ্রোহের নেতা ছিলেন কৈবর্ত নায়ক দিব্যোক বা দিব্য। তিনি দ্বিতীয় মহীপালকে হত্যা করে বরেন্দ্র দখল করে নেন এবং নিজ শাসন প্রতিষ্ঠা করেন।
- পরবর্তীতে রামপাল যুদ্ধে কৈবর্তরাজ ভীমকে পরাজিত ও নিহত করে উত্তর বঙ্গের বরেন্দ্র অঞ্চল পুনরায় দখল করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
.
বাংলায় মুসলমান শাসনের স্থায়ীত্বকাল কত বছর ছিল?
  1. ক) সাড়ে ছয়শ বছর
  2. খ) সাড়ে সাতশ বছর
  3. গ) সাড়ে পাঁচশ বছর
  4. ঘ) সাড়ে চারশ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ-বিন-বখতিয়ার খলজির প্রচেষ্টার ফলেই এদেশে প্রথম মুসলমানদের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। এ শাসন প্রায় সাড়ে পাঁচশ বছরের অধিক স্থায়ী হয়েছিল (১২০৪-১৭৬৫ খ্রিষ্টাব্দ)।
⇒ ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খলজি ১২০৪ সালে বাংলার সেন বংশের রাজা লক্ষণ সেনকে বিনা বাঁধায় পরাজিত করে নদীয়া জয় করার মাধ্যমে বাংলায় মুসলমান/তুর্কি শাসনের সূত্রপাত ঘটে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
.
বাংলার কোন স্বাধীন সুলতান সর্বপ্রথম চট্টগ্রাম জয় করেন?
  1. ক) আলাউদ্দিন আলি শাহ
  2. খ) ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
  3. গ) ইলিয়াস শাহ
  4. ঘ) শিহাব উদ্দিন বায়াজিদ শাহ
ব্যাখ্যা
- সোনারগাঁয়ের শাসনকর্তা বাহরাম খানের মৃত্যুর পর তার বর্মরক্ষক ‘ফখরা’ নামের একজন রাজকর্মচারী স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং ‘ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ’ নাম নিয়ে সোনারগাঁয়ের সিংহাসনে বসেন। এভাবেই সূচনা হয় বাংলার স্বাধীন সুলতানি যুগের।
- তাঁর মুদ্রায় খোদিত তারিখ দেখে ধারণা করা যায়, তিনি ১৩৩৮ থেকে ১৩৪৯ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত সোনারগাঁয়ে রাজত্ব করেন।
- তিনিই সর্বপ্রথম চট্টগ্রাম জয় করেন এবং চাঁদপুর থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত একটি রাজপথ তৈরি করেছিলেন বলে জানা যায়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১০.
ইলিয়াস শাহি বংশের শেষ সুলতান কে ছিলেন?
  1. ক) গিয়াসউদ্দিন আযম শাহ
  2. খ) শামসুদ্দিন ইলিয়াস
  3. গ) সুলতান সিকান্দার শাহ
  4. ঘ) ইলিয়াস উদ্দিন গাজি
ব্যাখ্যা
- গিয়াসউদ্দিন আযম শাহ ছিলেন বঙ্গের শ্রেষ্ঠ সুলতানদের অন্যতম এবং ইলিয়াস শাহি বংশের শেষ সুলতান।
- তিনি তার  প্রজারঞ্জক ব্যক্তিতের জন্য খ্যাতি অর্জন করেছেন। তিনি মুসলমান শিক্ষা ও সংস্কৃতির বিকাশ এবং বাংলা সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষকতার জন্য বঙ্গের ইতিহাসে এক বিশিষ্ট স্থান অধিকার করে আছেন। 
- তাঁর রাজত্বকালেই বাঙালি কবি শাহ্ মুহাম্মদ সগীর ‘ইউছুফ-জুলেখা’ কাব্য রচনা করেন এবং আযম শাহের রাজত্বকালেই বিখ্যাত সুফি সাধক নূর কুতুব-উল-আলম ইসলাম শিক্ষা ও সংস্কৃতির কেন্দ্রে হিসেবে পাণ্ডুয়ার আস্তানা গড়ে তোলেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রণি।
১১.
বাংলায় হাবসি শাসনের স্থায়িত্বকাল কত বছর ছিল?
  1. ক) দশ বছর
  2. খ) নয় বছর
  3. গ) ছয় বছর
  4. ঘ) আট বছর
ব্যাখ্যা
- বাংলায় হাবসি শাসন মাত্র ছয় বছর (১৪৮৭-১৪৯৩ খ্রিষ্টাব্দ) স্থায়ী ছিল। এ সময়ে চারজন হাবসি সুলতান ক্ষমতায় আসেন, তাদের মধ্যে তিনজনকেই হত্যা করা হয়।
- হাবসি নেতা সুলতান শাহাজাদা ‘বরকত শাহ’ উপাধি নিয়ে প্রথম বাংলার ক্ষমতায় বসেন। কিন্তু ছয় মাসের মধ্যেই তিনি সেনাপতি মালিক আন্দিলের হাতে নিহত হন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১২.
গৌড়ের সুবিখ্যাত ‘বড় মসজিদ’ কোন শাসকের স্থাপত্য-কীর্তি?
  1. ক) আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
  2. খ) গিয়াস উদ্দিন বাহাদুর শাহ
  3. গ) ঈসা খান
  4. ঘ) সুলতান নুসরত শাহ
ব্যাখ্যা
- সুলতান নুসরত শাহ ‘নাসিরউদ্দিন আবুল মুজাফফর নুসরত শাহ’ উপাধি নিয়ে (১৫১৯-১৫৩২ খ্রিষ্টাব্দ) বাংলার সিংহাসনে বসেন।
- সুলতান নুসরত শাহ তাঁর শাসনকালে বহু স্থাপত্য-কীর্তি শিল্প ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে উৎসহ ও পৃষ্ঠপোষকতার পরিচয় রেখেছেন।
- গৌড়ের সুবিখ্যাত ‘বড় সোনামসজিদ’ বা ‘বারোদুয়ারি মসজিদ’ তাঁর আমলের কীর্তি। 
- এছাড়াও তিনি গৌড়েরর বিখ্যাত ‘কদম রসুল’ ভবনের প্রকোষ্ঠে একটি মঞ্চ নির্মাণ করেন। বর্ধমান জেলার মঙ্গলকোট নগর এবং রাজশাহী জেলার বাঘা নামক স্থানে তিনি দুইটি মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন।


উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩.
কোন শাসককে পরাজিত করে শের খান ‘শের শাহ’ উপাধি লাভ করেন?
  1. ক) সম্রাট বাবর
  2. খ) আদিল শাহ শূর
  3. গ) গিয়াসউদ্দিন বাহাদুর শাহ
  4. ঘ) সম্রাট হুমায়ুন
ব্যাখ্যা
- ১৫৩৯ খ্রিষ্টাব্দে শের খান অপ্রস্তুত মুঘল সম্রাট হুমায়ুনকে পরাজিত করে ‘শের শাহ’ উপাধি নেন এবং নিজেকে স্বাধীন সুলতান হিসেবে ঘোষণা করেন।
- ১৫৪০ খ্রিষ্টাব্দে মুঘল শাসনকর্তা আলী কুলিকে পরাজিত করে তিনি বাংলা দখল করেন এবং এ বছরই তিনি হুমায়ুনকে কনৌজের নিকট বিলগ্রামের যুদ্ধে চূড়ান্তভাবে পরাজিত করে দিল্লির সিংহাসন অধিকার করেন।                                                                                                                                                   
- চট্টগ্রাম ও সিলেট পর্যন্ত সমগ্র বাংলাদেশ শের শাহের সম্রাজ্যভুক্ত ছিল। শের শাহ শূর বংশের বলে এ সময়ের বাংলার শাসন ছিল শূর আফগান বংশের শাসন। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৪.
বাংলার ইতিহাসে বারোভূঁইয়াদের আবির্ভাব কত শতকে ঘটে?
  1. ক) ষোল-সতেরো শতকে
  2. খ) চৌদ্দ-পনেরো শতকে
  3. গ) আঠারো-উনিশ শতকে
  4. ঘ) তের-চৌদ্দ শতকে
ব্যাখ্যা
- বাংলার ইতিহাসে বারোভূঁইয়াদের আর্বিভাব ষোলো শতকের মাঝামাঝি থেকে সতেরো শতকের মধ্যবর্তী সময়ে ঘটে।
- আলোচ্য সময়ে মুঘলদের বিরুদ্ধে য়াঁরা নিজেদের স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম করেছেন, ঐতিহাসিক দৃষ্টিতে তাঁরাই বারোভূঁইয়া।
- প্রথম দিকে বারোভূঁইয়াদের নেতা ছিলেন ঈসা খান।
- ১৫৯৯ খ্রিষ্টাব্দে ঈসা খানের মৃত্যু হলে বারোভূঁইয়াদের নেতা হন তার পুত্র মুসা খান।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৫.
১৬৬৪ খ্রিষ্টাব্দে বাংলার সুবাদার হিসেবে কে নিযুক্ত হন?
  1. ক) মীর জুমলা
  2. খ) শাহ সুজা
  3. গ) শায়েস্তা খান
  4. ঘ) ইসলাম খান
ব্যাখ্যা
• শায়েস্তা খানকে ১৬৬৪ খ্রিষ্টাব্দে বাংলার সুবাদার নিয়োগ দেয়া হয়। তিনি (১৬৬৪-১৬৮৮ খ্রিষ্টাব্দ) পর্যন্ত সফলভাবে বাংলার সুবাদারের দায়িত্ব পালন করেন।
• তিনি মগদের উৎপাত থেকে বাংলার জনগণের জান-মাল রক্ষা করেন এবং সন্দ্বীপ ও চট্টগ্রাম অধিকার করে আরাকানি জলদস্যুদের সম্পূর্ণরূপে উৎখাত করেন।
• সুবাদারির শেষ দিকে শায়েস্তা খানের সাথে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বিরোধ বাধে এবং দীর্ঘদিনের চেষ্টার পর শায়েস্তা খান বাংলা থেকে ইংরেজদের বিতাড়িত করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।