• বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে, নিকুঞ্জ (বিশেষ্য) - সংস্কৃত শব্দ - প্রকৃতি-প্রত্যয়: নি +√গুন্জ্+অ (ঘঞ্)। অর্থ: - বাগান, - বনে বা উদ্যানে লতাদি দ্বারা আবৃত যায়গা, - লতাগৃহ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
২.
'উন্নতি' এর সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
ক
ক) উৎ + নতি
খ
খ) উত + নতি
গ
গ) উন্ন + তি
ঘ
ঘ) উন্ + তি
ব্যাখ্যা
• ব্যঞ্জনে ব্যঞ্জনে সন্ধির নিয়ম অনুসারে, - আগে ৎ বা দ্ এবং পরে ন্/ম্ থাকলে ৎ বা দ্ স্থানে ন্ হয়, এবং পরের ন- এর সঙ্গে মিলে ন্ন কিংবা ম - এর সঙ্গে মিল ন্ম হয়। কিন্তু, ৎ/দ - এর পর ল্ থাকলে ত/দ সন্ধিতে ল্ হয় এবং ল্ পরের ল-এর সঙ্গে মিলে ল্ল হয়। যেমন:
উপসর্গ যুক্ত হলে শব্দের পরিবর্তনের ক্ষেত্রে কোনটি মিথ্যা?
ক
ক) নতুন অর্থবোধক শব্দের সৃষ্টি হয়।
খ
খ) শব্দের অর্থ পরিপুর্ণ হয়ে উঠে না।
গ
গ) শব্দের অর্থ সম্প্রসারিত হয়।
ঘ
ঘ) শব্দের অর্থের পরিবর্তন ঘটে।
ব্যাখ্যা
• শব্দগঠনের অর্থের দিক থেকে বৈচিত্র্য আনাই উপসর্গের কাজ । উপসর্গ যুক্ত হলে শব্দের পাঁচ ধরনের পরিবর্তন ঘটে। যেমন: • নতুন অর্থবোধক শব্দের সৃষ্টি হয়। যেমন: ছায়া থেকে প্রচ্ছায়া । • শব্দের অর্থ সম্প্রসারিত হয়। যেমন: তাপ থেকে প্রতাপ, পরিতাপ । • শব্দের অর্থ পরিপুর্ণ হয়ে উঠে। যেমন: পুষ্টি থেকে পরিপুষ্টি । • শব্দের অর্থের সীমা সংকুচিত হয়। যেমন: রাজি থেকে নিমরাজি। • শব্দের অর্থের পরিবর্তন ঘটে। যেমন: কথা থেকে উপকথা।
উৎস: ভাষা - শিক্ষা, বাংলা ব্যকরণ ও নির্মিতি - ড. হায়াৎ মামুদ।
৪.
'অনুকরণ করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ-
ক
ক) অপচিকীর্ষা
খ
খ) অনুচিকীর্ষা
গ
গ) আত্মকেন্দ্রিক
ঘ
ঘ) অনন্যকর্মা
ব্যাখ্যা
• 'অনুকরণ করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ- 'অনুচিকীর্ষা'।
তাছাড়া, 'অন্য কোনো কর্ম নেই যার' এর এক কথায় প্রকাশ - 'অনন্যকর্মা'। 'আপনাকে কেন্দ্র করে যার চিন্তা' এর এক কথায় প্রকাশ - 'আত্মকেন্দ্রিক'। 'অপকার করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - অপচিকীর্ষা।
• আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ এর এক কথায় প্রকাশ: - 'অনুসন্ধান করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ--অনুসন্ধিৎসা। - 'প্রতিকার করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - প্রতিচিকীর্ষা। - ‘লাভ করার ইচ্ছ‘ এর এক কথায় প্রকাশ - লিপ্সা। - ‘ভোজন করার ইচ্ছা’ এর এক কথায় প্রকাশ - বুভুক্ষা। - 'প্রবেশ করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - বিবিক্ষা।
উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি - ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
৫.
'তুরগ' কোন শব্দের প্রতিশব্দ?
ক
ক) ঘোড়া
খ
খ) অবকাশ
গ
গ) অতিথি
ঘ
ঘ) আগুন
ব্যাখ্যা
• 'ঘোড়া' শব্দের প্রতিশব্দ: ঘোটক, হয়, তুরগ, তুরঙ্গম।
• 'আগুন' শব্দের প্রতিশব্দ: - অগ্নি, অনল, বহ্নি, পাবক, হুতাশন।
• 'অবকাশ' শব্দের প্রতিশব্দ: - সময়, ফুরসত, অবসর, ছুটি, সুযোগ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম - দশম শ্রেণি, ২০২১ সংস্করণ।
৬.
’Terrorism’- এর বাংলা পরিভাষা কোনটি?
ক
ক) সন্ত্রাসবাদ
খ
খ) উগ্র
গ
গ) সন্ত্রাসবাদী
ঘ
ঘ) সন্ত্রাসী
ব্যাখ্যা
• Terrorism অর্থ - সন্ত্রাসবাদ। Terrorist - সন্ত্রাসবাদী।
• আরো কিছু পারিভাষিক শব্দ- Syntax - বাক্যপ্রকরণ, Progress-প্রগতি, Progressive - প্রগতিশীল, Illiterate - নিরক্ষর, Illiteracy - নিরক্ষরতা।
উৎস: প্রশাসনিক পরিভাষা, বাংলা একাডেমি।
৭.
নিচের কোন শব্দে একাধিক উপসর্গ রয়েছে?
ক
ক) সম্প্রদান
খ
খ) বিবাদ
গ
গ) সংবাদ
ঘ
ঘ) সম্পূর্ণ
ব্যাখ্যা
• ‘সম্প্রদান’ শব্দটিতে একাধিক উপসর্গ রয়েছে ।
উপসর্গ: যেসব অর্থহীন শব্দাংশ অন্য শব্দের শুরুতে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে উপসর্গ বলে । যেমন: - অজানা = অ + জানা; - বেতার = বে + তার।
• অনেক সময় শব্দের শুরুতে একসঙ্গে একাধিক উপসর্গ বসতে পারে। যেমন: ‘সম্প্রদান’ শব্দে ‘দান’ এর আগে ‘সম্’ এবং ‘প্র’ - এই দুটি উপসর্গ যুক্ত হয়েছে ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি ২০২২ সংস্করণ।
৮.
'কবুতর' শব্দটি কোন ভাষা থেকে আগত?
ক
ক) আরবি
খ
খ) বাংলা
গ
গ) ফারসি
ঘ
ঘ) সংস্কৃত
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে, কবুতর (বিশেষ্য) - ফারসি শব্দ। অর্থ: - পৃথিবীর প্রায় সর্বত্র বিচরণ করে এবং দূরদূরান্তে বার্তাবাহনের জন্য প্রশিক্ষিত করা যায় এমন শস্যভোজী ডিম্বজ ছোট পাখিবিশেষ। - কপোত, - পায়রা, - পারাবত।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৯.
ছেলেরা ক্রিকেট খেলে- বাক্যে 'ক্রিকেট' কোন কারকে কোন বিভক্তি?
ক
ক) করণে শূন্য
খ
খ) অপাদানে শূন্য
গ
গ) কর্মে শূন্য
ঘ
ঘ) অধিকরণে শূন্য
ব্যাখ্যা
কর্ম কারক: যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকে কর্ম কারক বলে। বাক্যের মুখ্য কর্ম ও গৌণ কর্ম - উভয় ধরনের কর্মই কর্ম কারক হিসেবে গণ্য হয়। সাধারণত মুখ্য কর্ম কারকে বিভক্তি হয় না, তবে গৌণ কর্ম কারকে ‘কে’ বিভক্তি হয়। যেমন: সে রােজ সকালে এক প্লেট ভাত খায়। শিক্ষককে জানাও।
"ছেলেরা ক্রিকেট খেলে" এখানে 'ক্রিকেট'-কে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পাদিত হয়েছে। - এবং এতে কোনো বিভক্তি ব্যবহৃত হয় নি। - তাই এটি কর্মে শূন্য।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, ২০১৯ সংস্করণ।
১০.
‘একুশের গান' কবিতার রচয়িতা-
ক
ক) জসীম উদ্দীন
খ
খ) আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী
গ
গ) সুকান্ত ভট্টাচার্য্য
ঘ
ঘ) সুফিয়া কামাল
ব্যাখ্যা
• 'একুশের গান' কবিতার রচয়িতা- আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী। - আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি'। - গানটির রচয়িতা আব্দুল গাফফার চৌধুরী। - ভাষা আন্দোলনের প্রথম প্রকাশিত লিফলেটে এটি 'একুশের গান' শিরোনামে প্রকাশিত হয়। - ১৯৫৩ সালে হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত 'একুশে ফেব্রুয়ারি' সংকলনেও এটি প্রকাশিত হয়।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর।
১১.
কোনটি কৃৎ প্রত্যয় এর উদাহরণ?
ক
ক) পঙ্কিল
খ
খ) মাঝি
গ
গ) ডাকাত
ঘ
ঘ) নীলিমা
ব্যাখ্যা
কৃৎ প্রত্যয়: যে-প্রত্যয় ধাতুর সঙ্গে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে তাকে কৃৎ-প্রত্যয় বলে। আর কৃৎ প্রত্যয়ান্ত শব্দকে বলে কৃদন্ত শব্দ। (অর্থাৎ যার অন্তে বা শেষে কৃৎ প্রত্যয় আছে) । যেমনঃ পডু + আ = পড়া। এখানে পড়া’ শব্দটি কৃদন্ত শব্দ। কৃৎ প্রত্যয়ে ধাতুর আগে ক্রিয়ামূল বা ধাতুমূল চিহ্ন √ বসে।
• কৃৎ প্রত্রয়ের প্রদত্ত শব্দ দ্বারা কাজ বোঝাবে [ কারণ কৃৎ প্রত্যয়ের শব্দটি গঠিত হয় ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যোগে, আর ধাতু হলো ক্রিয়ার মূল। ‘ক্রিয়া’ দ্বারা কোন কাজ করাকে বোঝায়। যেমন: ‘করা’, চলা, দিয়ে।
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ২০২২ সংস্করণ।
১৪.
'হিসাব' শব্দটি কোন ভাষা থেকে আগত?
ক
ক) আরবি
খ
খ) ফারসি
গ
গ) ফরাসি
ঘ
ঘ) তুর্কি
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে, হিসাব (বিশেষ্য) : শব্দটি আরবি ভাষা থেকে আগত। যার অর্থ: - গণনা, সংখ্যাকরণ, - জমাখরচের বিবরণ, - দর, - কৈফিয়ত, - বিচারবিবেচনা।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৫.
কোনটি তালব্য ধ্বনি?
ক
ক) প
খ
খ) ণ
গ
গ) জ
ঘ
ঘ) ত
ব্যাখ্যা
• উচ্চারণ স্থান অনুসারে ব্যঞ্জনধ্বনি সাত প্রকার। যথা:
জিহ্বামূলীয় ধ্বনি: জিভের মূল বা গোড়ালি উঁচু করে কোমল তালুর সামনের বা মাঝের সঙ্গে লাগিয়ে যেসব ধ্বনি উচ্চারণ করা জিহ্বামূলীয় ধ্বনি বলা হয়। যেমন- ক, খ, গ, ঘ ঙ/ং।
তালব্য ধ্বনি: জিভের পাতা উঁচু করে অর্থতালুর সঙ্গে লাগিয়ে যেসব ধ্বনি উচ্চারণ করা হয় তাদের তালব্য ধ্বনি বলা হয়। যেমন - চ, ছ, জ, ঝ ঞ, শ। দন্তমূলীয় মূর্ধন্য ধ্বনি: সমূলীয় মূর্ধন্য ধ্বনি উপর পাটি দাঁতের গোড়ার সঙ্গে জিভের ডগা একটু উল্টো করে লাগিয়ে যেসব ধ্বনি উচ্চারণ করা হ তাদের দন্তমূলায় মূর্ধন্য ধ্বনি বলা হয়। যেমন- ট ঠ ড ঢ ণ ড় ঢ়। দন্ত ধ্বনি: উপর পাটি দাঁতের সঙ্গে জিভের ডগা লাগিয়ে যেসব ধ্বনি উচ্চারণ করা হয় তাদের দন্ত ধ্বনি বলে। যেমন- ত, থ, দ, ধ। ওষ্ঠ্য ধ্বনি: উপরের ঠোঁটের সঙ্গে নিচের ঠোঁট লাগিয়ে যেসব ধ্বনি উচ্চারিত হয় তাদের ওষ্ঠ্য ধ্বনি বলে। যেমন— প, ফ, ব, ভ, ম। দন্তমূলীয় ধ্বনি: উপর পাটির দাঁতের গোড়ার সঙ্গে জিভের ডগা লাগিয়ে যেসব ধ্বনি উচ্চারিত হয় তাদের দন্তমূলীয় ধ্বনি বলে। যেমন - ন, য, র, ল, স। কন্ঠ্য ধ্বনি: স্বরযন্ত্রের ভেতরে যে দুট স্বরতন্ত্রী আছে তাদের সংকোচনের সাহায্যে বায়ুপথ সংকীর্ণ করে, কিন্তু একেবারে বন্ধ না করে যে ধ্বনি উচ্চারণ করা হয় তাকে কন্ঠ্য ধ্বনি বলে। যেমন- হ।
উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
১৬.
'বস্তা বস্তা সার' - এখানে 'বস্তা বস্তা' দ্বিরুক্তি কি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
ক
ক) বহুত্ব
খ
খ) সামান্য
গ
গ) তীব্রতা
ঘ
ঘ) আধিক্য
ব্যাখ্যা
• এখানে 'পাকা পাকা' দ্বিরুক্তি আধিক্য অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
• বিভিন্নঅর্থে শব্দদ্বিত বা অনুকার শব্দের প্রয়োগ: - আধিক্য অর্থে: পাকা পাকা আম, লাল লাল গোলাপ, বস্তা বস্তা সার, রাশি রাশি ধান। - সামান্য অর্থে: কবি কবি ভাব, শীত শীত লাগে, কাদা কাদা মাঠ। - তীব্রতা অর্থে: হিম হিম ঠান্ডা, গরম গরম দুধ, নরম নরম বালিশ। - বহুত্ব অর্থে: কে কে যাবে।
উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
১৭.
‘অকালপক্ব’ - অর্থে নিচের কোন বাগ্ধারাটি সঠিক?
ক
ক) আমড়া কাঠের ঢেঁকি
খ
খ) ইঁচড়ে পাকা
গ
গ) উড়নচণ্ডী
ঘ
ঘ) ইতর বিশেষ
ব্যাখ্যা
• 'ইঁচড়ে পাকা' বাগ্ধারাটির অর্থ - অকালপক্ব।
এছাড়া, ⇒ আমড়া কাঠের ঢেঁকি - অপদার্থ। ⇒ 'ইতর বিশেষ' বাগ্ধারাটির অর্থ - পার্থক্য। ⇒ 'উড়নচণ্ডী' বাগ্ধারাটির অর্থ - বেহিসেবি। ⇒ 'অক্ষরে অক্ষরে' বাগ্ধারাটির অর্থ - যথাযথ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নমব-দশম শ্রেণি, ২০২২ সংস্করণ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি ২০২২ সংস্করণ,।
১৯.
'সুড়ঙ্গ' - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর একটি -
ক
ক) ছোটগল্প
খ
খ) কাব্য
গ
গ) উপন্যাস
ঘ
ঘ) নাটক
ব্যাখ্যা
• সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ - ১৯২২ খ্রিষ্টাব্দের ১৫ই আগস্ট চট্টগ্রামের ষোলশহরে জন্মগ্রহণ করেন। - ছাত্রাবস্থায় তিনি 'ভরের আলো' নামের হাটে লেখা পত্রিকা সম্পাদন করেন।
• তাঁর রচনা সমূহ: উপন্যাস: - লালসালু, - চাঁদের আমাবস্যা, - কাঁদো নদী কাঁদো, - দি আগলি এশিয়ান।