• বাইনারি যোগ: দুটি বাইনারি অংক যোগের জন্য চারটি নিম্নরূপ অবস্থা পাওয়া যায়: 0 + 0 = 0 0 + 1 = 1 1 + 0 = 1 1 + 1 = 0 এবং এর সাথে হাতে 1 থাকবে (হাতে থাকাকে ক্যারি (Carry) বলে)।
সুতরাং, 00111+10101 = 11100.
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২.
(48)10 এর BCD কোড কোনটি?
ক
ক) 01011000
খ
খ) 11001000
গ
গ) 01001001
ঘ
ঘ) 01001000
ব্যাখ্যা
• বিসিডি কোড: - বিসিডি (BCD) শব্দের পূর্ণরূপ হলো Binary Coded Decimal. - দশমিক (Decimal) সংখ্যার বাইনারি রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড। - এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়। - 4 বিট দ্বারা 24 অর্থাৎ 16 ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। - তাই 16টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব। - এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত।
সুতরাং, (48)10 এর BCD কোড = 01001000.
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩.
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা (2D6)16 এর দশমিক সংখ্যা কত?
ক
ক) 512
খ
খ) 520
গ
গ) 720
ঘ
ঘ) 726
ব্যাখ্যা
• হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর: - হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ১৬ দ্বারা গুণ করতে হবে। - গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ১৬ এর ঘাত ০ হতে বাড়তে থাকবে। - যেমন: একক স্থানীয় অংকটিকে ১৬০ দ্বারা, দশক স্থানীয় অংকটিকে ১৬১ দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে ১৬২ দ্বারা এভাবে গুণ করতে হবে। - হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির A,B,C,D,E ও F হলো যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪ ও ১৫ দিয়ে গুণ করতে হবে। - প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়ার যাবে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪.
বাইনারি সংখ্যা 1011 থেকে 0101 এর বিয়োগফল কত?
ক
ক) 0111
খ
খ) 1110
গ
গ) 0010
ঘ
ঘ) 0110
ব্যাখ্যা
• বাইনারি বিয়োগ: - দু'টি বাইনারি সংখ্যা বিয়োগের জন্য নিম্নোক্ত চারটি অবস্থার সৃষ্টি হয়: 0 - 0 = 0 1 - 1 = 0 1 - 0 = 1 0 - 1 = 1 এবং ক্যারি 1.
এখানে, 1011 - 0101 = 0110
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫.
নিচের কোনটি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি?
ক
ক) বাইনারি
খ
খ) দশমিক
গ
গ) অক্টাল
ঘ
ঘ) ট্যালি
ব্যাখ্যা
• সংখ্যা পদ্ধতি (Number System): - প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ গণনার কাজের জন্য বিভিন্ন সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক ইত্যাদি ব্যবহার করেছে। এ ধরনের সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক পাশাপাশি রেখে তা প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো সংখ্যা পদ্ধতি। - সংখ্যা পদ্ধতিকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা: ১. নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি (Non-Positional Number System) ও ২. পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি (Positional Number System)।
• নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি (Non- positional Number System): - নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো এমন এক ধরনের পদ্ধতি, যেখানে সংখ্যাগুলোর কোনো স্থানীয় মান থাকে না। শুধুমাত্র সংখ্যার নিজস্ব মান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। - নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতিতে হাতিয়ার, পশুপাখি, জীবজন্তুর ছবি, গাছ, ফুল ফল ইত্যাদি প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হতো। - তবে এ ধরনের সংখ্যা পদ্ধতিতে গাণিতিক কাজ করা খুবই জটিল। - প্রাচীনকালে ব্যবহৃত হায়ারোগ্লিফিক্স, মেয়ান, ট্যালি সংখ্যা পদ্ধতি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ।
• পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি (Positional Number System): - কোনো সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার জন্য যে সকল সাংকেতিক চিহ্ন বা মৌলিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তা অংক বা ডিজিট (Digit) নামে পরিচিত। যেমন: বাইনারি সংখ্যাকে প্রকাশ করার জন্য দুটি অংক ০ এবং ১ ব্যবহার করা হয়। - ডিজিট ব্যবহার করে সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬.
12 এর 2's Complement কোনটি?
ক
ক) 11110100
খ
খ) 11110101
গ
গ) 11110000
ঘ
ঘ) 11111100
ব্যাখ্যা
• ২-এর পরিপূরক (2's Complement): - কোনো বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি বিটকে পূরক করে বা উল্টিয়ে (0 এর জায়গায় 1 এবং 1 এর জায়গায় 0) যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ১-এর পরিপূরক বলে। - বাইনারি সংখ্যাকে ১-এর পরিপূরক বা উল্টিয়ে লিখে তার সাথে ১ যোগ করে যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ২-এর পরিপূরক বলা হয়।
• 12 এর 2's Complement: 12 এর বাইনারি মান = 1100 12 এর বিট রেজিস্টার বাইনারি মান = 00001100 1 এর পরিপূরক মান = 11110011 1 এর পরিপূরক মান + 1 = 11110100
সুতরাং, 12 এর 2's Complement 11110100.
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৭.
সংখ্যা পদ্ধতি মোট কত প্রকার?
ক
ক) ২ প্রকার
খ
খ) ৩ প্রকার
গ
গ) ৪ প্রকার
ঘ
ঘ) ৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
• সংখ্যা পদ্ধতির প্রকারভেদ: - সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়। যেমন: ১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System), ২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System), ৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) এবং ৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System)।
• দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি: - মানুষ দৈনন্দিন জীবনে গণনা কিংবা হিসাব-নিকাশের জন্য যে সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করে তাই দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি। - এ পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে 10. - (101)10, (98.73)10 ইত্যাদি হলো দশমিক সংখ্যার উদাহরণ।
• বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: - যে সংখ্যা পদ্ধতিতে 0 এবং 1 এই দু'টিমাত্র সংখ্যা বা অংক ব্যবহার করা হয় তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে। - মোট দু'টি অংক ব্যবহারের কারণেই এই সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে 2. - (110)2, (1101)2 ইত্যাদি হলো বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ।
• অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি: - অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ৮। - এই পদ্ধতিতে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 এবং 7 এই ৮টি মৌলিক অংক ব্যবহৃত হয়। - (101)8, (731)8 ইত্যাদি হলো অক্টাল সংখ্যার উদাহরণ।
• হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি: - এই পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে 16. - অর্থাৎ এই পদ্ধতিতে 16 টি মৌলিক অংক রয়েছে। এই সংখ্যাসমূহ 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9 এবং অতঃপর A, B, C, D, E ও F। - (151)16, (1B)16 ইত্যাদি হলো হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার উদাহরণ।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।