পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন২৬
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৩০: আইন বিষয়াবলী - ১২ Subject: The Penal Code,1860 Topic: Section 1-140 (Introduction, General Explanations, Punishments, General Exceptions, Abetment, Criminal Conspiracy, Offences Against the State, Offences Relating to the Army, Navy, and Air Force).
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৬ প্রশ্ন

.
The Penal Code is a/an _______________ law.
  1. Adjective Law
  2. Substantive Law
  3. Preventive Law
  4. None of above
সঠিক উত্তর:
Substantive Law
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Substantive Law
ব্যাখ্যা
তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন [Substantive Law]:
যে আইন কোন অধিকারকে সংজ্ঞায়িত করে, সৃষ্টি করে এবং অর্পণ করে বা কোন শাস্তিকে সংজ্ঞায়িত করে এবং দায় আরোপ করে সেই আইনকে তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন [Substantive Law] বলে। যেমন: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি। দণ্ডবিধিতে বিভিন্ন অপরাধকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, উক্ত অপরাধের শাস্তি উল্লেখ করা হয়েছে। এই কারণে এটা তত্ত্বগত আইন। কিন্তু এই অপরাধের বিচার পদ্ধতি দণ্ডবিধিতে উল্লেখ করা হয়নি। দণ্ডবিধিতে উল্লেখিত অপরাধের বিচার করার পদ্ধতি উল্লেখ করা হয়েছে ফৌজদারী কার্যবিধিতে। এই কারণে ফৌজদারী কার্যবিধি হলো পদ্ধতিগত আইন।

অন্যদিকে,
যে আইনে কোন মোকদ্দমা বা মামলার বিচার করার পদ্ধতি অর্থাৎ মামলা দায়ের থেকে শুরু করে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা পর্যন্ত যে সকল আইনী প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি অনুসরণ করে বিচার করতে হয়, সেই প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি বা নিয়ম যে আইনে উল্লেখ থাকে সেই নিয়ম সংশ্লিষ্ট আইনকে পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law or Adjective Law) বলে। যেমন- ফৌজদারী কার্যবিধি, দেওয়ানী কার্যবিধি, তামাদি আইন ইত্যাদি। Procedural Law এবং Adjective Law উভয় পদ্ধতিগত আইন বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
.
'দণ্ডবিধি' ১৮৬০ সালের কত নং আইন?
  1. ১ নং আইন
  2. ৫ নং আইন
  3. ৩৫ নং আইন
  4. ৪৫ নং আইন
সঠিক উত্তর:
৪৫ নং আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৫ নং আইন
ব্যাখ্যা
⇒ ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম আইন কমিশন গঠন করা হয় ১৮৩৪ সালে। প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Lord Macaulay)। প্রথম আইন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন G.W. Anderson, F. Millet, এবং J.M. Macleod। ১৮৩৭ সালে এই কমিশন দণ্ডবিধি প্রণয়নের জন্য খসড়া জমা দেয় এবং ৬ অক্টোবর ১৮৬০ সালে বিলটি পাস হয় এবং দণ্ডবিধি ১লা জানুয়ারী ১৮৬২ সালে আইনটি কার্যকর হয়।

⇒ এই আইন সামান্য কিছু পরিবর্তন সাপেক্ষে বর্তমানে ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশে প্রচলিত আছে।
⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০ সালের ৪৫ নং আইন।
⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০ আইনে মোট অধ্যায় ২৩ টি এবং দণ্ডবিধির মোট ধারা ৫১১ টি (মূল দণ্ডবিধিতে ৪৮৮টি ধারা ছিল)।
.
মূল দণ্ডবিধিতে কয়টি ধারা ছিল?
  1. ৩৮০টি
  2. ৪০৮টি
  3. ৪৮৮টি
  4. ৫৮৮টি
সঠিক উত্তর:
৪৮৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৮৮টি
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ১৮৬০ আইনে মোট অধ্যায় ২৩ টি এবং দণ্ডবিধির মোট ধারা ৫১১ টি (মূল দণ্ডবিধিতে ৪৮৮টি ধারা ছিল)।

• ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম আইন কমিশন গঠন করা হয় ১৮৩৪ সালে। প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Lord Macaulay)। প্রথম আইন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন G.W. Anderson, F. Millet, এবং J.M. Macleod। ১৮৩৭ সালে এই কমিশন দন্তবিধি প্রণয়নের জন্য খসড়া জমা দেয় এবং ৬ অক্টোবর ১৮৬০ সালে বিলটি পাস হয় এবং দণ্ডবিধি ১লা জানুয়ারী ১৮৬২ সালে আইনটি কার্যকর হয়। দণ্ডবিধি ১৮৬০ সালের ৪৫ নং আইন।
.
দণ্ডবিধি ৭০ ধারার বিধান অনুসারে, কোন ক্ষেত্রে অর্থদণ্ড আদায়ের সময়সীমা ৬ বছরেরও বেশি হতে পারে?
  1. কারাদণ্ড ৩ বছরের বেশি হলে
  2. কারাদণ্ড ২ বছরের কম হলে
  3. কারাদণ্ড ৬ বছরের বেশি হলে
  4. আসামির সম্পত্তি না থাকলে
সঠিক উত্তর:
কারাদণ্ড ৬ বছরের বেশি হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারাদণ্ড ৬ বছরের বেশি হলে
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৭০ ধারায় অর্থদণ্ড আদায়ের সময়সীমা সম্পর্কে ৩টি বিধানের উল্লেখ আছে-
(i) দণ্ডাদেশ প্রদানের পরবর্তী ৬ বছরের মধ্যে যেকোনো সময়।
(ii) ৬ বছরের অধিক কারাদণ্ড হলে- কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ/উত্তীর্ণ হওয়ার আগে।
(iii) অর্থদণ্ড অনাদায়ে আসামির মৃত্যু হলে- আসামির সম্পত্তি থেকে আদায় করা হবে। অর্থাৎ আসামির মৃত্যু হলেও অর্থদণ্ড/জরিমানা মওকুফ হবে না।

দণ্ডবিধির ৭০ ধারার বিধান- অর্থদও ছয় বৎসরের মধ্যে বা কারাদণ্ড চলতে থাকাকালে আদায়যোগ্য:
মৃত্যুর ফলে সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না:- অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ দণ্ডাদেশ দানের পরবর্তী ছয় বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়ে আদায় করা যাবে, এবং উক্ত দণ্ডাদেশবলে অপরাধী যদি ছয় বৎসর হতেও দীর্ঘতর মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়, তবে অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ উক্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যে কোন সময়ে আদায় করা হবে; অপরাধীর মৃত্যুর পর তার যে সম্পত্তি তার দায় পরিশোধ আইনতঃ দায়গ্রস্ত হতে পারে, অপরাধীর মৃত্যুর ফলে অনুরূপ সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না।
.
Which of the following is included in the definition of "injury" under Section 44?
  1. Damage to property
  2. Harm to someone’s reputation or mind
  3. Harm to someone's body
  4. All of the above
সঠিক উত্তর:
All of the above
উত্তর
সঠিক উত্তর:
All of the above
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৪৪ ধারা- ক্ষতি:
যদি কোনো ব্যক্তির দেহ, মন, সুনাম বা সম্পত্তিতে অবৈধভাবে কোনরূপ ক্ষতিসাধন করা হয়, তবে তাকে 'ক্ষতি' বলে।

Section 44-“Injury”:
The word "injury" denotes any harm whatever illegally caused to any person, in body, mind, reputation or property.
.
দণ্ডবিধি ৮৪ ধারা কোন ধরনের অপরাধীর জন্য প্রযোজ্য?
  1. শিশু
  2. সকল ব্যক্তির জন্য
  3. মানসিকভাবে অপ্রকৃতিস্থ ব্যক্তি
  4. কিশোরদের ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
মানসিকভাবে অপ্রকৃতিস্থ ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানসিকভাবে অপ্রকৃতিস্থ ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি ৮৪ ধারা মতে,
অপরাধ করার সময় অপরাধী ব্যক্তি অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল থাকলে সে কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে না। তবে অপরাধ করার সময় উক্ত পাগল ব্যক্তির মানসিক অবস্থা এমন থাকতে হবে, যে সে তার কাজের প্রকৃতি ও পরিণতি উপলব্ধি করতে পারে না।

Section 84- Act of a person of unsound mind:
Nothing is an offence which is done by a person who, at the time of doing it, by reason of unsoundness of mind, is incapable of knowing the nature of the act, or that he is doing what is either wrong or contrary to law.
.
'ক' ও 'খ' আনন্দ উপভোগের উদ্দেশ্যে পরস্পরের সঙ্গে তরবারি খেলা খেলতে সম্মতি হয়। তরবারি খেলার সময় 'ক' খেলার স্বাভাবিক নিয়ম মেনে এবং অনিচ্ছাকৃতভাবে 'খ' আহত করে। এখানে 'ক' কোন ধরনের অপরাধ করেছে?
  1. আঘাত
  2. গুরুতর আঘাত
  3. আঘাতের চেষ্টা
  4. কোন অপরাধ করেনি
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ করেনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ করেনি
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৮৭ ধারা মতে মৃত্যু বা গুরুতর জখম ঘটানোর অভিপ্রায় ব্যতীত কোন কাজ মৃত্যু বা গুরুতর জখম ঘটাতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও ১৮ বছরের বেশি বয়স্ক ব্যক্তির ক্ষতির ঝুঁকি গ্রহণের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সম্মতি দিয়ে কাজটি করা হলে তা অপরাধ নয়।

• দণ্ডবিধির ৮৭ ধারা- মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত ঘটাইবার জন্য অভিপ্রেত নহে, এবং অনুরূপ সম্ভাবনাপূর্ণ বলিয়া অজ্ঞাত কার্য সম্মতি সহকারে সম্পাদন করা:
মৃত্যু ঘটাবার অথবা গুরুতর আঘাত করার উদ্দেশ্যে সম্পাদিত নয়, অথবা মৃত্যু ঘটাতে পারে বা গুরুতর আঘাত করতে পারে এইরূপ না জেনে সম্পাদিত কোন কাজ করার পর উহাতে কোন ক্ষতি হওয়ার ফলে অপরাধ হবে না; অথবা ১৮ বৎসরের অধিক বয়স্ক কোন ব্যক্তি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অনুরূপ কাজের ফল হতে উদ্ভূত ক্ষতি স্বীকার করার সম্মতিদানের পর, তার সম্মতি নিয়ে উক্তরূপ ক্ষতি সাধনের ইচ্ছা করে কাজটি করার পর তাতে কোনরূপ ক্ষতি হওয়ার ফলে কাজটি অপরাধ হবে না; অথবা যে ব্যক্তি কাজটি করছে, সে ব্যক্তি কাজটি করার ফলে ক্ষতি অনুষ্ঠিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও যে ব্যক্তির ক্ষতি হতে পারে, সে ব্যক্তির ক্ষতির ঝুঁকি স্বীকারে সম্মতিক্রমে কাজটি করার পর তাতে কোনরূপ ক্ষতি হওয়ার ফলে কাজটি অপরাধ হবে না।
.
দণ্ডবিধির ৫৪ ধারায় সরকারের কী ক্ষমতা রয়েছে?
  1. অপরাধীকে ক্ষমা করার ক্ষমতা
  2. অপরাধীর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার ক্ষমতা
  3. মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে অন্য শাস্তি নির্ধারণের ক্ষমতা
  4. মৃত্যুদণ্ড ছাড়া অন্য শাস্তি কমানোর ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে অন্য শাস্তি নির্ধারণের ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে অন্য শাস্তি নির্ধারণের ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৫৪ ধারা- মৃত্যুদণ্ড হ্রাসকরণ:
প্রতিটি ক্ষেত্রে যেখানে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ প্রদান করা হয়েছে, সেখানে সরকার অপরাধীর সম্মতি ব্যতীত উক্ত শাস্তি এই বিধিতে নির্ধারিত অন্য কোনো শাস্তিতে রূপান্তর করতে পারে।

Section  54: Commutation of sentence of death:
In every case in which sentence of death shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for any other punishment provided by this Code.
.
The Penal Code, 1860 এর সংজ্ঞানুসারে, একজন ব্যক্তিকে কখন "আইনত বাধ্য" বলা হয়?
  1. যখন সে ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো কাজ করে
  2. যখন সে তার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে
  3. যখন সে আইন মেনে চলে
  4. যখন কোনো কাজ না করা তার জন্য অবৈধ বলে গণ্য হয়
সঠিক উত্তর:
যখন কোনো কাজ না করা তার জন্য অবৈধ বলে গণ্য হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন কোনো কাজ না করা তার জন্য অবৈধ বলে গণ্য হয়
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৩ অনুযায়ী,
"অবৈধ" শব্দটি এমন সবকিছুর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যা অপরাধ, আইন দ্বারা নিষিদ্ধ, অথবা যা কোনো দেওয়ানি কার্যক্রমের ভিত্তি তৈরি করে।
এবং একজন ব্যক্তিকে তখনই "আইনত বাধ্য" বলা হয় যখন কোনো কাজ না করা তার জন্য অবৈধ বলে বিবেচিত হয়

Section 43- “Illegal” and “Legally bound to do”
The word “illegal” is applicable to everything which is an offence or which is prohibited by law, or which furnishes ground for a civil action: and a person is said to be "legally bound to do" whatever it is illegal in him to omit.
১০.
"Wrongful loss" এর উদাহরণ কী হতে পারে?
  1. কোনো ব্যক্তি সম্পত্তি ভুলভাবে হারানো
  2. কোনো ব্যক্তির অন্যের সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল করা
  3. কোনো ব্যক্তির অনুমতি ছাড়া অন্যের সম্পত্তি ব্যবহার করা
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
কোনো ব্যক্তির অন্যের সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো ব্যক্তির অন্যের সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল করা
ব্যাখ্যা
• Section 23- Wrongful loss:
"Wrongful loss" is the loss by unlawful means of property to which the person losing it is legally entitled.
"অন্যায্য ক্ষতি" হল অবৈধ উপায়ে এমন সম্পত্তির ক্ষতি যার উপর ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আইনগত অধিকার রয়েছে।

"Wrongful loss" বা অবৈধ ক্ষতি বলতে এমন ক্ষতিকে বোঝানো হয়, যেখানে কোনো ব্যক্তি তার আইনগত অধিকার থাকা সত্ত্বেও অবৈধ উপায়ে তার সম্পত্তি হারায়। এর একটি উদাহরণ হল যখন কোনো ব্যক্তি অন্যের সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল করে নেয়। এটি "Wrongful loss" এর একটি  উদাহরণ, কারণ:
- অধিকারী ব্যক্তি তার সম্পত্তির উপর আইনগত অধিকার রাখে।
- অন্য ব্যক্তি অবৈধভাবে (যেমন চুরি বা দখল করে) সেই সম্পত্তি থেকে তাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে, অর্থাৎ সম্পত্তি হারানো হয়।

এটি একটি অবৈধ ক্ষতি কারণ এখানে সম্পত্তির অধিকারী ব্যক্তির অনুমতি ছাড়াই তার সম্পত্তি দখল করা হচ্ছে, যা আইনসিদ্ধ নয়।
১১.
অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ডের ধরন কেমন হবে?
  1. শুধু বিনাশ্রম কারাদণ্ড হবে
  2. শুধু সশ্রম কারাদণ্ড হবে
  3. আদালতের ইচ্ছানুযায়ী
  4. অপরাধটির জন্য যে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যায়
সঠিক উত্তর:
অপরাধটির জন্য যে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধটির জন্য যে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যায়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৬৬ ধারা- অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ডের ধরন:
অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ডের ধরন, অপরাধটির জন্য অপরাধীকে যে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যেত সেরূপ হবে।

Section 66- Description of imprisonment for non-payment of fine:
The imprisonment which the Court imposes in default of payment of a fine may be of any description to which the offender might have been sentenced for the offence.
১২.
দণ্ডবিধির ৭৪ ধারা অনুযায়ী, নির্জন কারাবাসের সর্বাধিক মেয়াদ কতদিন?
  1. ৭ দিন
  2. ১৪ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৩ মাস
সঠিক উত্তর:
১৪ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৭৪ ধারা- নির্জন কারাবাসে সাজার সীমা:-
নির্জন কারাবাস আদেশ কার্যকরীকরণে অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদ কোন ক্ষেত্রেই একাদিক্রমে ১৪ দিনের বেশি হবে না এবং কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদও কারাবাসের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না; প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ তিন মাসের বেশি হলে প্রদত্ত কারাদণ্ডের সমগ্র মেয়াদের মধ্যে কোন এক মাসে নির্জন কারাবাসের মেয়াদ সাত দিনের বেশি হবে না এবং অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না।

Section 74: Limit of solitary confinement:
In executing a sentence of solitary confinement, such confinement shall in no case exceed fourteen days at a time, with intervals between the periods of solitary confinement of not less duration than such periods, and when the imprisonment awarded shall exceed three months, the solitary confinement shall not exceed seven days in any one month of the whole imprisonment awarded, with intervals between the periods of solitary confinement of not less duration than such periods.
১৩.
দণ্ডবিধির ৩৮ ধারা অনুযায়ী, অপরাধ সংঘটনে জড়িত ব্যক্তিগণ কীভাবে দোষী সাব্যস্ত হতে পারেন?
  1. শুধুমাত্র একজনই দোষী হবেন
  2. সবাই একই অপরাধে দোষী হবেন
  3. বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হতে পারেন
  4. কোনো অপরাধে দোষী হবেন না
সঠিক উত্তর:
বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হতে পারেন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৮ ধারার বিধান- অপরাধমূলক কার্যে জড়িত ব্যক্তিগণ বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হন:
 কোন অপরাধমূলক কাজ সংঘটনে কতিপয় ব্যক্তি ব্যাপৃত থাকলে অথবা উহা সংঘটনের সাথে তারা জড়িত থাকলে, উক্ত কাজের জন্য তারা বিভিন্ন অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হতে পারে।

উদাহরণ-
ক এমন উগ্র প্ররোচনায় ক্ষিপ্ত হয়ে চ-কে আক্রমণ করে যে, তার এই আক্রমণে চ নিহত হলে তা কেবল অপরাধমূলক প্রাণনাশ হবে, যা খুন বলে পরিগণিত হবে না। চ-এর প্রতি খ-এর বিদ্বেষ থাকায় এবং চ-কে হত্যা করার জন্য খ-এর অভিপ্রায় থাকায়, খ বিনা প্ররোচনায় চ-কে হত্যার কার্যে ক কে সহায়তা করে। এই দৃষ্টান্তে ক ও খ উভয়েই চ-কে হত্যার কার্যে ব্যাপৃত থাকলেও, খ খুনের অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হবে এবং ক শুধু অপরাধমূলক প্রাণনাশের অপরাধে অপরাধী হবে।

Section 38- Persons concerned in criminal act may be guilty of different offences:
Where several persons are engaged or concerned in the commission of a criminal act, they may be guilty of different offences by means of that act. 
 
Illustration-
A attacks Z under such circumstances of grave provocation that his killing of Z would be only culpable homicide not amounting to murder. B having ill-will towards Z and intending to kill him, and not having been subject to the provocation, assists A in killing Z. Here, though A and B are both engaged in causing Z's death, B is guilty of murder, and A is guilty only of culpable homicide.
১৪.
'ক' একজন সৈনিক। সে তার উর্ধ্বতন অফিসারের নির্দেশক্রমে আইনের বিধানমতে কোন জনতার উপর গুলিবর্ষণ করে। 'ক'- এর গুলিবর্ষণের কাজ-
  1. ৭৬ ধারায় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে
  2. ৭৬ ধারায় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না
  3. ৭৭ ধারায় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে
  4. ৭৭ ধারায় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না
সঠিক উত্তর:
৭৬ ধারায় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৬ ধারায় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৭৬ ধারার বিধান- আইনবলে বাধ্য বা ভুল ধারণাবশত নিজেকে আইনবলে বাধ্য বলিয়া বিশ্বাসকারী ব্যক্তি বিশেষে কর্তৃক সম্পাদিত কার্য:
যে ব্যক্তি কোন কাজ করতে আইনত বাধ্য বলে কোন কাজ সম্পাদন করলে, অথবা আইনের কাজটি ভুল না করে ঘটনা সম্পর্কে ভুলবশতঃ কাজটি করতে আইনত বাধ্য বলে সরল মনে বিশ্বাস করে সে ব্যক্তি কোন কাজ সম্পাদন করলে তা অপরাধ হবে না।

উদাহরণসমূহ:
ক) ক একজন সৈনিক। সে তার উর্ধ্বতন অফিসারের নির্দেশক্রমে আইনের বিধানমতে কোন জনতার উপর গুলিবর্ষণ করে। ক-এর গুলিবর্ষণ কাজ অপরাধ হবে না।

খ) বিচারালয়ের জনৈক কর্মকর্তা 'ক' উক্ত বিচারালয় কর্তৃক ম-কে গ্রেফতার করার জন্য আদিষ্ট হয়ে এবং যথাযথ তদন্তের পর; 'খ'- কে 'ম' মনে করে 'খ'-কে গ্রেফতার করেন। 'ক' কোন অপরাধ সংঘটন করেন নাই।
১৫.
According to Section 82, what is the legal status of an act done by a child under nine years of age?
  1. It is not considered an offence.
  2. It is considered an offence unless proven otherwise.
  3. It is considered an offence if it harms someone.
  4. It can be an offence, but only under extreme circumstances.
সঠিক উত্তর:
It is not considered an offence.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
It is not considered an offence.
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৮২ ধারা- নয় বৎসরের কম বয়সের শিশু দ্বারা সম্পাদিত কাজ:
নয় বৎসরের কম বয়স্ক শিশুর কোন কার্যই অপরাধ নয়।

Section 82- Act of a child under nine years of age:
Nothing is an offence which is done by a child under nine years of age.

এছাড়া, দণ্ডবিধির ৮৩ ধারায় বলা আছে-
নয় বৎসর অপেক্ষা বেশি কিন্তু বার বৎসর অপেক্ষা কম বয়সের এমন কোন শিশুর কোন কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে না, যে শিশু সংশ্লিষ্ট কাজটি করার সময় উহার প্রকৃতি ও ফলাফল বিচার করার পক্ষে পর্যাপ্ত বুদ্ধির পরিপক্কতা লাভ করে নাই।
১৬.
দণ্ডবিধির ১২১ ধারায় কোন কাজটি দণ্ডনীয়?
  1. রাষ্ট্রের আইন অমান্য করা
  2. দেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা
  3. সন্ত্রাসী কার্যকলাপে অংশ নেওয়া
  4. জনগণের অধিকার হরণ করা
সঠিক উত্তর:
দেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১২১ ধারায় বলা হয়েছে,
বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা বা যুদ্ধ ঘোষণার উদ্যোগ বা যুদ্ধ ঘোষণায় সহায়তা করলে সেই ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 121- Waging or attempting to wage war, or abeting waging of war, against Bangladesh:
Whoever wages war against Bangladesh, or attempts to wage such war, or abets the waging of such war, shall be punished with death, or imprisonment for life, and shall also be liable to fine.
১৭.
A, B এবং C-কে মধ্যরাতে একটি বাসযোগ্য বাড়িতে ডাকাতির উদ্দেশ্যে প্রবেশ করতে প্ররোচিত করে এবং এই উদ্দেশ্যে তাদের অস্ত্র সরবরাহ করে। B এবং C বাড়িতে প্রবেশ করে, এবং বাড়ির একজন বাসিন্দা Z বাধা দিলে তাকে হত্যা করে। এখানে-
  1. A কোনো ভাবেই হত্যার জন্য দায়ী হবে না
  2. A শুধু ডাকাতির প্ররোচনার জন্য দায়ী হবে
  3. ক এবং খ
  4. প্ররোচনার স্বাভাবিক ফল হিসেবে হত্যাটি হলে, A হত্যার জন্য দায়ী হবে
সঠিক উত্তর:
প্ররোচনার স্বাভাবিক ফল হিসেবে হত্যাটি হলে, A হত্যার জন্য দায়ী হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্ররোচনার স্বাভাবিক ফল হিসেবে হত্যাটি হলে, A হত্যার জন্য দায়ী হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ১১১- যখন একটি কাজ প্ররোচিত করা হয় এবং একটি ভিন্ন কাজ সংঘটিত হয়, তখন প্ররোচনাকারীর দায়িত্ব:
যখন কোনো একটি কাজ প্ররোচিত করা হয় এবং একটি ভিন্ন কাজ সংঘটিত হয়, তখন প্ররোচনাকারী সেই সংঘটিত কাজের জন্য ঠিক সেইভাবেই দায়ী থাকবে, যেমনটি সে সরাসরি সেই কাজটি প্ররোচিত করলে হতো।

শর্ত: যদি সংঘটিত কাজটি প্ররোচনার একটি সম্ভাব্য ফলাফল হয় এবং তা প্ররোচনার প্রভাবে, বা প্ররোচনার অংশ হিসেবে সম্পাদিত হয়, অথবা কোনো ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে সংঘটিত হয় যা প্ররোচনার অংশ ছিল।

উদাহরণ:
A, B এবং C-কে মধ্যরাতে একটি বাসযোগ্য বাড়িতে ডাকাতির উদ্দেশ্যে প্রবেশ করতে প্ররোচিত করে এবং এই উদ্দেশ্যে তাদের অস্ত্র সরবরাহ করে। B এবং C বাড়িতে প্রবেশ করে, এবং বাড়ির একজন বাসিন্দা Z বাধা দিলে তাকে হত্যা করে। এখানে, যদি ওই হত্যা A-এর প্ররোচনার স্বাভাবিক ফল হিসেবে ঘটে, তবে A হত্যার জন্য নির্ধারিত শাস্তির জন্য দায়ী থাকবে।
১৮.
According to Section 53, if an offender is sentenced to life imprisonment, it is considered to be:
  1. Without labor
  2. Rigorous imprisonment
  3. Simple imprisonment
  4. Conditional imprisonment
সঠিক উত্তর:
Rigorous imprisonment
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Rigorous imprisonment
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি মূলত দণ্ড সম্পর্কিত আইন, দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় শাস্তির প্রকারভেদ রয়েছে। দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে।
যথা:
(i) মৃত্যুদণ্ড (Death penalty);
(ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life);
(iii) কারাদণ্ড(Imprisonment) দুই প্রকার:
ক) সশ্রম( Rigorous, that is, with hard labour) এবং
খ) বিনাশ্রম (Simple);

(iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property);
(v) অর্থদণ্ড (fine).

ব্যাখ্যা: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে।

Section 53: The punishments to which offenders are liable under the provisions of this Code are,-
Firstly,- Death;
Secondly,- Imprisonment for life;
Thirdly,-[Omitted]
Fourthly,- Imprisonment, which is of two descriptions, namely:
(1) Rigorous, that is, with hard labour;
(2) Simple;

Fifthly,- Forfeiture of property;
Sixthly,- Fine.

Explanation.- In the punishment of imprisonment for life, the imprisonment shall be rigorous.
১৯.
A দেখল Z এমন একটি কাজ করছে যা A-এর কাছে একটি হত্যাকাণ্ড বলে মনে হয়। A সৎ বিশ্বাসে এবং আইন অনুযায়ী হত্যাকারীকে ধরার ক্ষমতার সঠিক প্রয়োগে Z-কে ধরে ফেলে, যাতে Z-কে যথাযথ কর্তৃপক্ষের সামনে হাজির করা যায়। যদিও পরে জানা গেল Z আত্মরক্ষার্থে কাজটি করেছিল। এক্ষেত্রে A এর কাজ দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুযায়ী অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. ধারা ৭৭
  2. ধারা ৭৮
  3. ধারা ৭৯
  4. ধারা ৮০
সঠিক উত্তর:
ধারা ৭৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৭৯
ব্যাখ্যা
ধারা ৭৯: আইন দ্বারা ন্যায্যতাপ্রাপ্ত, অথবা বাস্তব ঘটনার ভুলের কারণে নিজেকে আইনগতভাবে ন্যায্য মনে করে কোনো ব্যক্তি কর্তৃক সংঘটিত কার্য:
যে কোনো ব্যক্তি আইন দ্বারা ন্যায়সঙ্গতভাবে কিছু করে, অথবা বাস্তব ঘটনার ভুলের কারণে (কিন্তু আইনের ভুলের কারণে নয়) সৎ বিশ্বাসে নিজেকে আইনগতভাবে ন্যায়সঙ্গত মনে করে যে কাজ করে, তা কোনো অপরাধ নয়।

উদাহরণ:
ধরা যাক, A দেখল Z এমন একটি কাজ করছে যা A-এর কাছে একটি হত্যাকাণ্ড বলে মনে হয়। A সৎ বিশ্বাসে এবং আইন অনুযায়ী হত্যাকারীকে ধরার ক্ষমতার সঠিক প্রয়োগে Z-কে ধরে ফেলে, যাতে Z-কে যথাযথ কর্তৃপক্ষের সামনে হাজির করা যায়। যদিও পরে জানা গেল Z আত্মরক্ষার্থে কাজটি করেছিল, তবুও A কোনো অপরাধ করেনি, কারণ A সৎ বিশ্বাসে নিজের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাজটি করেছে।

Section 79- Act done by a person justified, or by mistake of fact believing himself justified, by law:
Nothing is an offence which is done by any person who is justified by law, or who by reason of a mistake of fact and not by reason of a mistake of law in good faith, believes himself to be justified by law, in doing it.

Illustration-
A sees Z commit what appears to A to be a murder. A, in the exercise, to the best of his judgment, exerted in good faith of the power which the law gives to all persons of apprehending murderers in the act, seizes Z, in order to bring Z before the proper authorities. A has committed no offence, though it may turn out that Z was acting in self-defence.
২০.
'ক'- কে খুন করার জন্য একদল লোক তাড়া করে। 'ক' আক্রমণকারী লোকদের প্রতি গুলিবর্ষণ না করলে 'ক' -এর মৃত্যু এড়ানো সম্ভব না; অন্যদিকে গুলিবর্ষণ করলে আক্রমণকারীদের পাশাপাশি কয়েকটি নির্দোষ শিশুও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে যারা ঐ আক্রমণকারী লোকদের সাথে মিশে আছে। এই পরিস্থিতিতে 'ক' যদি গুলিবর্ষণ করে, তা-
  1. সকল ক্ষেত্রে অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে
  2. কোনো ক্ষেত্রেই অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না
  3. নির্দোষ শিশু মারা গেলে অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে
  4. আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ হিসেবে গণ্য হবে না
সঠিক উত্তর:
কোনো ক্ষেত্রেই অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো ক্ষেত্রেই অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না
ব্যাখ্যা
ধারা-১০৬: আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে নিরপরাধ ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো (Right of private defence against deadly assault when there is risk of harm to innocent person)-
যদি কোনো আক্রমণের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে, যা যুক্তিসঙ্গতভাবে মৃত্যুর আশঙ্কা সৃষ্টি করে, আত্মরক্ষাকারী এমন পরিস্থিতিতে থাকে যেখানে সে নিরপরাধ ব্যক্তির ক্ষতির ঝুঁকি ছাড়া কার্যকরভাবে সেই অধিকার প্রয়োগ করতে পারে না, তবে তার আত্মরক্ষার অধিকার সেই ঝুঁকি নেওয়া পর্যন্ত প্রসারিত হয়।

যেমন- ক-কে খুন করার জন্য একদল লোক তাড়া করে। ক আক্রমণকারী লোকদের প্রতি গুলিবর্ষণ না করলে ক-এর মৃত্যু এড়ানো সম্ভব না; অন্যদিকে গুলিবর্ষণ করলে আক্রমণকারীদের পাশাপাশি কয়েকটি নির্দোষ শিশুও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে যারা ঐ আক্রমণকারী লোকদের সাথে মিশে আছে।

এই পরিস্থিতিতে ক যদি গুলিবর্ষণ করে এবং তার ফলে কোন শিশু ক্ষতিগ্রস্তও হয়, তবুও ক-এর অপরাধ হবে না। কেননা ১০৬ ধারামতে মারাত্মক আক্রমনের বিরূদ্ধে আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে নিরপরাধ ব্যক্তির ক্ষতি বা মৃত্যু হলে তা অপরাধ নয়।
২১.
দেহের আত্মরক্ষার অধিকার কতক্ষন পর্যন্ত বজায় থাকে?
  1. যতক্ষণ আঘাতের আশঙ্কা থাকে
  2. পুলিশ আসা পর্যন্ত
  3. আঘাত বা আক্রমণ শেষ হওয়ার পরেও
  4. অপরাধীকে শনাক্ত করা পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
যতক্ষণ আঘাতের আশঙ্কা থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যতক্ষণ আঘাতের আশঙ্কা থাকে
ব্যাখ্যা
ধারা-১০২: দেহ বা শরীর সম্পর্কিত আত্মরক্ষার অধিকারের স্থায়িত্ব-
শরীরের ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার তখনই শুরু হয়, যখন শরীরে আঘাতের আশঙ্কা যুক্তিসঙ্গতভাবে সৃষ্টি হয় এবং কোনো অপরাধের চেষ্টা বা হুমকি থেকে আসে, যদিও সেই অপরাধটি সম্পূর্ণভাবে সংঘটিত না-ও হতে পারে; এবং এই অধিকার তখন পর্যন্ত বজায় থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত সেই আঘাতের আশঙ্কা অব্যাহত থাকে

Section 102- Commencement and continuance of the right of private defence of the body:
The right of private defence of the body commences as soon as a reasonable apprehension of danger to the body arises from an attempt or threat to commit the offence though the offence may not have been committed; and it continues as long as such, apprehension of danger to the body continues.
২২.
দণ্ডবিধির ১১৪ ধারা অনুসারে, প্ররোচনাকারী যখন অপরাধ সংঘটনের সময় উপস্থিত থাকে, তখন তাকে কী শাস্তি প্রদান করা হতে পারে?
  1. কোনো শাস্তি নয়
  2. সাক্ষী হিসেবে শাস্তি
  3. অপরাধী হিসেবে শাস্তি
  4. প্ররোচনাকারী হিসেবে শাস্তি
সঠিক উত্তর:
অপরাধী হিসেবে শাস্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধী হিসেবে শাস্তি
ব্যাখ্যা
ধারা ১১৪: অপরাধ সংঘটনের সময় উপস্থিত প্ররোচনাকারী:
যখন কোনো ব্যক্তি, যে অনুপস্থিত থাকলে প্ররোচনাকারী হিসেবে শাস্তি পাওয়ার যোগ্য হতো, সেই ব্যক্তি যদি সেই কাজ বা অপরাধ সংঘটনের সময় উপস্থিত থাকে, যার জন্য সে প্ররোচনার কারণে শাস্তিযোগ্য হতো, তখন তাকে সেই কাজ বা অপরাধ সংঘটিত করেছে বলে গণ্য করা হবে।

Section 114- Abettor present when offence is committed:
Whenever any person, who if absent would be liable to be punished as an abettor, is present when the act or offence for which he would be punishable in consequence of the abetment is committed, he shall be deemed to have committed such act or offence.
২৩.
দণ্ডবিধির ৮০ ধারায় কোন ধরনের কাজকে "অপরাধ নয়" বলে গণ্য করা হয়েছে?
  1. সতর্কতা ছাড়া করা কাজ
  2. আইন ভঙ্গকারী কাজ
  3. অপরাধমূলক উদ্দেশ্য সহ কাজ
  4. সতর্কতা ও যত্নসহকারে দুর্ঘটনাজনিত কাজ
সঠিক উত্তর:
সতর্কতা ও যত্নসহকারে দুর্ঘটনাজনিত কাজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সতর্কতা ও যত্নসহকারে দুর্ঘটনাজনিত কাজ
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৮০ ধারার বিধান- আইনানুগ কাজ সম্পাদনকালে বিপত্তি বা দুর্ঘটনা:
কোন আইনানুগ কাজ আইনানুগ পদ্ধতিতে আইনানুগ উপায়ে যথোপযুক্ত সতর্কতা ও যত্নসহকারে সম্পাদন করাকালে কোন অপরাধমূলক উদ্দেশ্য বা অবগতি ছাড়া দুর্ঘটনা বা দুর্ভাগ্যক্রমে অনুষ্ঠিত কোন কিছুই অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না।

উদাহরণ: ‘ক’ একটি কুঠার নিয়ে কাজ করছে, হঠাৎ তা কুঠারের মাথাটি খুলে গিয়ে উড়ে যায় এবং সন্নিকটে দণ্ডায়মান এক ব্যক্তিকে নিহত করে। এক্ষেত্রে যদি ‘ক’ এর পক্ষে যথাযথ সতর্কতার অভাব না থেকে থাকে, তাহলে তার কাজ মার্জনীয় হবে এবং অপরাধ হবে না।

Section 80- Accident in doing a lawful act:
Nothing is an offence which is done by accident or misfortune, and without any criminal intention or knowledge in the doing of a lawful act in a lawful manner by lawful means and with proper care and caution.

Illustration: A is at work with a hatchet; the head flies off and kills a man who is standing by. Here if there was no want of proper caution on the part of A, his act is excusable and not an offence.
২৪.
দণ্ডবিধির ১২০ক ধারায়, যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি একটি অবৈধ কাজ করতে একমত হন, তবে এটি কী বলে গণ্য হবে?
  1. সাধারণ ষড়যন্ত্র
  2. অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র
  3. অবৈধ চুক্তি
  4. রাষ্ট্রদ্রোহিতা
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র
ব্যাখ্যা
অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র [Criminal Conspiracy]:
দণ্ডবিধির ১২০ক ধারায় অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রকে [criminal conspiracy] কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন অবৈধ কাজ করতে [To do an illegal act] বা কোন বৈধ কাজ অবৈধ উপায়ে করতে [to do a legal act by illegal means] সম্মত হয়, তখন উক্ত ব্যক্তিরা 'অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র' করেছে বলে গণ্য হবে।

ধারা ১২০ক: অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের সংজ্ঞা:
যখন দুইজন বা তার বেশি ব্যক্তি নিম্নলিখিত কোন কাজ করতে বা করানোর জন্য একমত হন:
- একটি অবৈধ কাজ করা, অথবা
- এমন কোনো কাজ করা যা আইনত অবৈধ নয় কিন্তু অবৈধ উপায়ে করা হয়, তবে এই ধরনের একমত হওয়াকে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র বলা হয়।

শর্ত: যে কোনো একমত হওয়া শুধুমাত্র অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে হলে তা অপরাধী ষড়যন্ত্র হিসেবে গণ্য হবে, তবে এর জন্য এই চুক্তির সাথে সম্পর্কিত এক বা একাধিক পক্ষের দ্বারা এমন কিছু কার্যক্রম সম্পাদিত হতে হবে, যা এই চুক্তির উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য করা হয়।

ব্যাখ্যা: এটি গুরুত্বপূর্ণ নয় যে ওই অবৈধ কাজটি চুক্তির মূল উদ্দেশ্য ছিল, অথবা তা চুক্তির উদ্দেশ্য থেকে এক প্রকার অনুষঙ্গী ছিল।
২৫.
According to Section 95, harm must be so slight that:
  1. No one is affected by it
  2. Only the person who suffers the harm will complain
  3. It results in no consequence whatsoever
  4. No person of ordinary sense and temper would complain about it
সঠিক উত্তর:
No person of ordinary sense and temper would complain about it
উত্তর
সঠিক উত্তর:
No person of ordinary sense and temper would complain about it
ব্যাখ্যা
Section 95- Act causing slight harm:
Nothing is an offence by reason that it causes, or that it is intended to cause, or that it is known to be likely to cause, any harm, if that harm is so slight that no person of ordinary sense and temper would complain of such harm.

দণ্ডবিধির ৯৫ ধারা- সামান্য ক্ষতিকারক কার্য:
"যে কোনো কাজ অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না যদি তা কোনো ক্ষতি সৃষ্টি করে, বা সেই ক্ষতি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে করা হয়, বা এটি যে ক্ষতি সৃষ্টি করতে পারে তা জানা যায়, যদি সেই ক্ষতি এতই সামান্য হয় যে সাধারণ বুদ্ধি ও ভালো চরিত্রসম্পন্ন কেউ সে ক্ষতির জন্য অভিযোগ করবেন না।"
২৬.
ধারা ৯৪ অনুযায়ী কোন ক্ষেত্রে হুমকির মাধ্যমে বাধ্য করা হলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. হালকা আঘাতের ভয়ে
  2. সামাজিক সম্মানহানির ভয়ে
  3. অর্থনৈতিক ক্ষতির ভয়ে
  4. তাৎক্ষণিক মৃত্যুর আশঙ্কা সৃষ্টি হলে
সঠিক উত্তর:
তাৎক্ষণিক মৃত্যুর আশঙ্কা সৃষ্টি হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাৎক্ষণিক মৃত্যুর আশঙ্কা সৃষ্টি হলে
ব্যাখ্যা
ধারা ৯৪: হুমকির মাধ্যমে বাধ্য করা হলে যে কাজ অপরাধ নয়:
হত্যা এবং রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ ব্যতীত, কোনো ব্যক্তি যদি হুমকির কারণে এমন কোনো কাজ করতে বাধ্য হয়, যা তার কাছে তখন এমনভাবে উপলব্ধি হয় যে তাৎক্ষণিকভাবে মৃত্যুর আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে, তবে সেটি অপরাধ বলে গণ্য হবে না।

শর্ত: যদি কাজটি করা ব্যক্তি তার ইচ্ছায় বা তাৎক্ষণিক মৃত্যুর আশঙ্কা ছাড়া অন্য ক্ষতির কারণে এমন অবস্থানে নিজেকে না নিয়ে থাকে, যে কারণে তাকে এমন হুমকির অধীন হতে হয়েছে।

ব্যাখ্যা ১: কোনো ব্যক্তি যদি তার নিজের ইচ্ছায় বা মার খাওয়ার ভয়ে দস্যুদের একটি গ্যাং-এ যোগ দেয় এবং গ্যাংয়ের প্রকৃতি সম্পর্কে জানে, তাহলে তার সহযোগীদের দ্বারা তাকে বাধ্য করা হলে, আইনত যা অপরাধ, সেই কাজ করার ক্ষেত্রে এই বিধির সুবিধা পাওয়ার অধিকার তার থাকবে না।

ব্যাখ্যা ২: কোনো ব্যক্তি যদি দস্যুদের একটি গ্যাং-এর দ্বারা ধরে নিয়ে গিয়ে তাৎক্ষণিক মৃত্যুর হুমকির মাধ্যমে বাধ্য হয় কোনো অপরাধমূলক কাজ করতে, যেমন একজন লৌহশিল্পীকে তার সরঞ্জাম ব্যবহার করে বাড়ির দরজা খুলতে বাধ্য করা হয় যাতে দস্যুরা বাড়িতে প্রবেশ করে লুটপাট করতে পারে, তাহলে সেই ব্যক্তি এই বিধির সুবিধা পাওয়ার অধিকারী হবে।

Section 94- Act to which a person is compelled by threats:
Except murder, and offences against the State punishable with death, nothing is an offence which is done by a person who is compelled to do it by threats, which, at the time of doing it, reasonably cause the apprehension that instant death to that person will otherwise be the consequence: Provided the person doing the act did not of his own accord, or from a reasonable apprehension of harm to himself short of instant death, place himself in the situation by which he became subject to such constraint. 
 
Explanation 1.-A person who, of his own accord, or by reason of a threat of being beaten, joins a gang of dacoits, knowing their character, is not entitled to the benefit of this exception on the ground of his having been compelled by his associates to do anything that is an offence by law. 
 
Explanation 2.-A person seized by a gang of dacoits, and forced by threat of instant death, to do a thing which is an offence by law; for example, a smith compelled to take his tools and to force the door of a house for the dacoits to enter and plunder it, is entitled to the benefit of this exception.