পরীক্ষা আর্কাইভ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

পরীক্ষানতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাসতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন১৬
সিলেবাস
বিষয় - কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি টপিক - কম্পিউটার ১. কম্পিউটার পেরিফেরালস: ইনপুট, আউটপুট ও স্টোরেজ ডিভাইস সমূহ - কি-বোর্ড, মাউস, ওসিআর (OCR) ইত্যাদি। ২. কম্পিউটারের অঙ্গ-সংগঠন: সিপিইউ, হার্ড ডিস্ক, ALU, BIOS, পাওয়ার সিস্টেম ইত্যাদি। ৩. কম্পিউটারের পারঙ্গমতা ও দৈনন্দিন জীবনে কম্পিউটারের ব্যবহার: কৃষি, যোগাযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খেলাধুলা ইত্যাদি। ৪. কম্পিউটারের সংখ্যা পদ্ধতি ও কোড, ডিজিটাল লজিক ইত্যাদি। উৎস: অষ্টম, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, যে কোনো গাইড বই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস · তারিখ অনির্ধারিত · ১৬ প্রশ্ন

.
তথ্য প্রবাহের দিক বিবেচনা করে কম্পিউটার পেরিফেরালসকে সাধারণত কয় ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. দুই ভাগে
  2. তিন ভাগে
  3. চার ভাগে
  4. পাঁচ ভাগে
সঠিক উত্তর:
তিন ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন ভাগে
ব্যাখ্যা
• পেরিফেরাল ডিভাইস (Peripheral Device):
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে কম্পিউটার পেরিফেরালস বলা হয়।
- তথ্য প্রবাহের দিক বিবেচনা করে কম্পিউটার পেরিফেরালসকে সাধারণত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. ইনপুট পেরিফেরালস,
২. আউটপুট পেরিফেরালস এবং
৩. ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরালস।

১. ইনপুট পেরিফেরাল:
- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট পেরিফেরাল। যেমন: কী-বোর্ড, ওএমআর, মাউস, স্ক্যানার, জয়স্টিক, ডিজিটাইজার, লাইটপেন, বার কোড রিডার ইত্যাদি।

২. আউটপুট পেরিফেরাল:
- কম্পিউটারের ইনপুট হার্ডওয়্যার সমূহের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটাসমূহ প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রক্রিয়াজাত হয়ে যে সকল হার্ডওয়্যারের সাহায্যে ফলাফল প্রদান বা প্রর্দশন করে সেগুলোকে আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়। যেমন: মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, স্পিকার, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ইত্যাদি।

৩. ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে সকল ডিভাইসগুলো ইনপুট ও আউটপুট যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় তাদেরকে ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়। যেমন: হার্ডডিস্ক, সিডি বা ডিভিডি, পেনড্রাইভ ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
মেমরি হতে ডেটা রিড বা রাইট অপারেশনে যে সময় লাগে তাকে কী বলে?
  1. সিক টাইম
  2. অ্যাকসেস টাইম
  3. ল্যাটেন্সি টাইম
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
অ্যাকসেস টাইম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাকসেস টাইম
ব্যাখ্যা
• অ্যাকসেস টাইম (Access Time):
- মেমরি হতে ডেটা রিড বা রাইট অপারেশনে যে সময় লাগে তাকে অ্যাকসেস টাইম বলে
- প্রধান মেমরির টাইম (সময়) বলতে বুঝায় মেমরির নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অ্যাকসেস করা এবং তা থেকে একটি শব্দ পড়া বা লেখার মোট সময়।
- অ্যাকসেস সময় যত কম হয়, কম্পিউটার তত দ্রুতগতিতে কাজ করে।
- সাধারণত মানুষের চোখের পলক পড়তে সময় লাগে এক সেকেন্ডের দশ ভাগের এক ভাগ, যা ১০ মিলিয়ন ন্যানোসেকেন্ডের সমান।
- কম্পিউটার উক্ত সময়ে তাহলে ১০ মিলিয়ন নির্দেশ নির্বাহ করতে পারে।

• পঠনক্রিয়া (Read Operation):
- মেমরির কোনো নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অবস্থিত বাইনারি ওয়ার্ডকে খুঁজে নেওয়া হলে তাকে রিড অপারেশন বলে।

• লিখন অপারেশন (Write Operation):
- মেমরির একটি নির্দিষ্ট সেলে নতুন ওয়ার্ড সংরক্ষণ করাকে লিখন বা Write Operation বলা হয়।

• সিক টাইম (Seek Time):
- চৌম্বক ডিস্কের ক্ষেত্রে রিড-রাইট হেডকে সঠিক ট্র্যাকে নিয়ে যেতে যে সময় লাগে তাকে সিক টাইম বলে। 

• ল্যাটেন্সি টাইম (Latency time):
- রিড-রাইট হেডকে ট্র্যাকে নিয়ে যাওয়া পরে সঠিক শব্দে পৌঁছতে যে সময় লাগে তাকে ল্যাটেন্সি টাইম বলে।
.
উদ্বায়ী মেমরির উদাহরণ কোনটি?
  1. র‍্যাম
  2. রম
  3. চৌম্বক কোর মেমরি
  4. ক ও গ
সঠিক উত্তর:
র‍্যাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
র‍্যাম
ব্যাখ্যা
• ভোলাটাইল বা উদ্বায়ী মেমরি:
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমরির তথ্য মুছে যায় তাকে উদ্বায়ী স্মৃতি বা ভোলাটাইল মেমরি বলে। যেমন- RAM

• নন-ভোলাটাইল মেমরি বা অনুদ্বায়ী:
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমরির তথ্য মুছে যায় না তাকে অনুদ্বায়ী স্মৃতি বা নন-ভোলাটাইল মেমরি বলে। যেমন- ROM।

• ধ্বংসাত্মক মেমরি:
- যদি কোনো মেমরি পঠনের পর সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় তাহলে তাকে ধ্বংসাত্মক মেমরি বলা হয়। যেমন- চৌম্বক কোর মেমরি।

• অধ্বংসাত্মক মেমরি:
- যদি পঠনের পর সংরক্ষিত তথ্য মুছে না যায় তাহলে তাকে অধ্বংসাত্মক মেমরি বলে। যেমন- চৌম্বক টেপ।

উৎস : মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত?
  1. আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স
  2. ভার্চুয়াল রিয়েলিটি
  3. রোবটিক্স
  4. ক্রায়োসার্জারি
সঠিক উত্তর:
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি
ব্যাখ্যা
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি শব্দের আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে কৃত্রিম বাস্তবতা।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয়, কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্রেককারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা কৃত্রিম বাস্তবতা কিংবা কল্পবাস্তবতা বলে।
- একে সংক্ষেপে VR বলা হয়ে থাকে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- এতে ব্যবহৃত সফটওয়্যারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- Vizard, VRToolkit, 3d Studio Max, Maya ইত্যাদি।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটির উপাদানসমূহ:
- হেড মাউন্টেড ডিসপ্লে (Head Mounted Display HMD)
- ডেটা গ্লোভ (Data Glove)
- একটি পূর্ণাঙ্গ বডি স্যুইট (Body Suit)
- উচ্চ মানের অডিও ব্যবস্থা
- রিয়েলিটি ইঞ্জিন
- বিভিন্ন ধরনের সেন্সর
- বিভিন্ন সিমুলেশন, মডেলিং ও গ্রাফিক্স সফটওয়্যার ইত্যাদি
.
নিচের কোনটি ১০২৪ টেরাবাইটের সমতুল্য?
  1. ১ গিগাবাইট
  2. ১ পেটাবাইট
  3. ১ মেগাবাইট
  4. ১ ইয়োট্রাবাইট
সঠিক উত্তর:
১ পেটাবাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ পেটাবাইট
ব্যাখ্যা

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
(928)10 সংখ্যাটির সমতুল্য অক্টাল মান কোনটি?
  1. 1520
  2. 1640
  3. 1680
  4. 1720
সঠিক উত্তর:
1640
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1640
ব্যাখ্যা

এখানে, (928)10 =(1640)8
.
একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে কোন ডিভাইসটি?
  1. Point-of-sale
  2. Pendrive
  3. Mouse
  4. Plotter
সঠিক উত্তর:
Pendrive
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Pendrive
ব্যাখ্যা
• ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে। 
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো- 
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে  তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive ইত্যাদি।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস নয়?
  1. পেনড্রাইভ
  2. ম্যাগনেটিক টেপ
  3. র‍্যাম
  4. হার্ডডিস্ক
সঠিক উত্তর:
র‍্যাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
র‍্যাম
ব্যাখ্যা
• সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস:
- কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণে তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারসমূহকে বলা হয় সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস।
- হার্ডডিস্ক, সিডি, ডিভিডি, পেনড্রাইভ, জিপ ড্রাইভ, ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইসের উদাহরণ

• সেকেন্ডারি স্টোরেজের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো:
১। এ ধরনের স্টোরেজ সিপিইউয়ের সাথে সরাসরি সংযোগ থাকে না।
২। ধারণক্ষমতা তুলনামূলভাবে অনেক বেশি।
৩। দাম তুলনামূলকভাবে অনেক কম ।
৪। অ্যাকসেস সময় প্রাইমারি স্টোরেজের চেয়ে অনেক বেশি।
৫। বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে এ ধরনের স্টোরেজে সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় না ইত্যাদি।

- র‍্যাম প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইসের উদাহরণ।
 
উৎস : মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
(.1101)2 এর সমতুল্য দশমিক মান কত?
  1. .8751
  2. .4652
  3. .8125
  4. .6733
সঠিক উত্তর:
.8125
উত্তর
সঠিক উত্তর:
.8125
১০.
জিন ফাইন্ডিং গবেষণায় কী ব্যবহৃত হয়?
  1. বায়োইনফরমেটিক্স
  2. বায়োমেট্রিক্স
  3. ন্যানোটেকনোলজি
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বায়োইনফরমেটিক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়োইনফরমেটিক্স
ব্যাখ্যা
• বায়োইনফরমেটিক্স:
 - বায়োইনফরমেটিক্স জীববিজ্ঞান, কম্পিউটার সায়েন্স, ইনফরমেশন ইঞ্জিনিয়ারিং, গণিত ও পরিসংখ্যানের সমন্বয়ে গঠিত একটি বিষয়।
 - মূলত এই বিষয়টির জন্ম হয়েছে জীববিজ্ঞানের বিশাল পরিমাণ ডেটা সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং সঠিকভাবে প্রক্রিয়া করে সেগুলো ব্যাখ্যা করার জন্য। 
 - অর্থাৎ জীববিজ্ঞানে তথ্য প্রযুক্তির প্রয়োগ হলো বায়োইনফরমেটিক্স।
 - জীববিজ্ঞানের সমস্যাগুলো যখন কম্পিউটার প্রযুক্তি কৌশল ব্যবহার করে সমাধান করা হয়, তখন সেটাকে বলা হয় বায়োইনফরমেটিক্স।
- জিন ফাইন্ডিং গবেষণায় বায়োইনফরমেটিক্স ব্যবহৃত হয়।

 উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১১.
বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে কত ধরনের সংখ্যা পদ্ধতি আছে?
  1. ২ ধরনের
  2. ৩ ধরনের
  3. ৪ ধরনের
  4. ৫ ধরনের
সঠিক উত্তর:
৪ ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ ধরনের
ব্যাখ্যা
• সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোন সংখ্যা লেখা বা প্রকাশ করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়। যথা-
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) ও
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System )।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
37 এর বিসিডি কোড কত?
  1. 11001000
  2. 00110111
  3. 11001100
  4. 00011010
সঠিক উত্তর:
00110111
উত্তর
সঠিক উত্তর:
00110111
ব্যাখ্যা
• বিসিডি কোড:
- বিসিডি (BCD) শব্দের পূর্ণরূপ হলো বাইনারি কোডেড ডেসিমেল (Binary Coded Decimal)।
- দশমিক (Decimal) সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে বাইনারিতে রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড।
- এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
- 4 বিট দ্বারা 24 অর্থাৎ 16 ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। তাই 16টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব।
- এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত। 

7 এর বিসিডি 0111
3 এর বিসিডি 0011
∴ 37 এর বিসিডি 00110111

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
আণবিক স্কেলে অতি ক্ষুদ্র ডিভাইস তৈরির প্রযুক্তিকে কী বলে?
  1. ক্রায়োসার্জারি
  2. আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স
  3. ডিএনএ ম্যাপিং
  4. ন্যানোটেকনোলজি
সঠিক উত্তর:
ন্যানোটেকনোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যানোটেকনোলজি
ব্যাখ্যা
• ন্যানোটেকনোলজি:
- গ্রিক শব্দ "Nanos" অথবা ল্যাটিন শব্দ "nanus' থেকে ন্যানো (Nano) শব্দটি উৎপত্তি হয়েছে যার আভিধানিক অর্থ Dwarf (বামন বা জাদুকরী ক্ষমতাসম্পন্ন ক্ষুদ্রাকৃতির মানব বা পশু)।
- তবে ন্যানোপ্রযুক্তি হচ্ছে পারমাণবিক বা আণবিকমাত্রার কার্যক্রমের প্রকৌশল শাস্ত্র যা কোন ডিভাইস বা সিস্টেমের কাজ এবং এর আরও অধিক উন্নয়নের সাথে সম্পৃক্ত।
- Merriam Webster অনলাইন ডিকশনারী অনুসারে ন্যানোটেকনোলজি হলো- “The science of manipulating materials on an atomic or molecular scale especially to build microscopic devices (as robots).”
- অর্থাৎ, ন্যানোপ্রযুক্তি হলো পারমাণবিক বা আণবিক স্কেলে অতিক্ষুদ্র ডিভাইস তৈরি করার জন্য ধাতব ও বস্তুকে সুনিপুণভাবে কাজে লাগানোর বিজ্ঞান।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৪.
AND গেইটে A ও B দুটি ইনপুটি 0 হলে আউটপুট কত হবে?
  1. 0
  2. 1
  3. 10
  4. 11
সঠিক উত্তর:
0
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0
ব্যাখ্যা
• AND গেইট:
- বুলিয়ান আলজেবরার গুণনের কাজ সম্পাদনের জন্য যে লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়, তাকে AND গেইট বলে।
- এ গেইটে দুই বা দুই এর অধিক ইনপুট এবং একটিমাত্র আউটপুট থাকে।
- যে কোনো একটি ইনপুট মিথ্যা (0) হলে আউটপুট মিথ্যা (0) হবে।
- সবগুলো ইনপুট সত্য (1) হলে আউটপুট সত্য (1) হবে।
- যদি দুটি ইনপুট A ও B হয়, তাহলে এর আউটপুট হবে, Y= A.B
- এক্ষেত্রে ইনপুট A=1 এবং B=1 হলে কেবল আউটপুট X=1 হবে।


উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (মাহবুবুর রহমান)।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
মাইক্রোপ্রসেসরের কর্মক্ষেত্র কোনটি?
  1. প্রধান মেমোরি
  2. সহায়ক মেমোরি
  3. কোর মেমোরি
  4. ম্যাগনেটিক মেমোরি
সঠিক উত্তর:
প্রধান মেমোরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান মেমোরি
ব্যাখ্যা
• স্টোরেজ ডিভাইস:
- স্টোরেজ ডিভাইসকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস (Primary Storage Device) ও 
২। সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস (Secondary Storage Device)।

• প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস:
- প্রাইমারি স্টোরেজ হলো মাইক্রোপ্রসেসরের কর্মক্ষেত্র বা ওয়ার্কপ্লেস।
- প্রোগ্রাম চলাকালীন সময়ে কম্পিউটারে প্রোগ্রামের বিভিন্ন তথ্য ও ফলাফলকে অস্থায়ীভাবে সংগ্রহের জন্য ব্যবহৃত ডিভাইসসমূহকে প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস বলা হয়। যেমন- র‍্যাম। 
 
উৎস : মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
নিচের কোনটি আউটপুট ডিভাইস নয়?
  1. ইমেজ সেটার
  2. হেড ফোন
  3. অপটিকাল রিডার
  4. ফিল্ম রেকর্ডার
সঠিক উত্তর:
অপটিকাল রিডার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপটিকাল রিডার
ব্যাখ্যা
• আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ইনপুট হার্ডওয়্যারসমূহের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটাসমূহ প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রক্রিয়াজাত হয়ে যে সকল হার্ডওয়্যারের সাহায্যে ফলাফল প্রদান বা প্রদর্শন করায় সেগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলা হয়।
- উল্লেখযোগ্য আউটপুট হার্ডওয়‍্যারসমূহ হলো:
১। মনিটর (Monitor)
২। প্রিন্টার (Printer)
৩। প্লটার (Ploter)
৪। স্পিকার (Speaker)
৫। মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর (Multimedia Projector)
৬। ইমেজ সেটার (Image Setter)
৭। ফিল্ম রেকর্ডার (Flim Recoder)
৮। হেড ফোন (Headphone); ইত্যাদি।

- অপটিকাল রিডার একটি ইনপুট ডিভাইস।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।