পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি ডেইলি কুইজ

পরীক্ষাপ্রাইমারি ডেইলি কুইজতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন২০
সিলেবাস
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান (আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি) ট পিক: নিরাপত্তা বিষয়ক ইস্যু ও সংস্থা (যেমন - ন্যাটো, কোয়াড, ওয়ারশ্‌ প্যাক্ট, গোয়েন্দা ও গেরিলা সংস্থা, ইত্যাদি) উৎস: সংশ্লিষ্ট সংস্থার ওয়েবসাইট, ব্রিটানিকা, যেকোনো ভালো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি ডেইলি কুইজ

প্রাইমারি ডেইলি কুইজ · তারিখ অনির্ধারিত · ২০ প্রশ্ন

.
ন্যাটো (NATO) এর পূর্ণরূপ কী?
  1. North Atlantic Treaty Organization
  2. National Allied Treaty Organization
  3. Northern Alliance of Treaty Officials
  4. Neutral Atlantic Treaty Organization
সঠিক উত্তর:
North Atlantic Treaty Organization
উত্তর
সঠিক উত্তর:
North Atlantic Treaty Organization
ব্যাখ্যা

ন্যাটো:
- ন্যাটো (NATO) এর পূর্ণরূপ- North Atlantic Treaty Organization.
- এটি ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে উত্তর আটলান্টিক চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে গঠিত হয়।
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের সম্ভাব্য আগ্রাসন থেকে পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলোর নিরাপত্তা রক্ষা করা।
- ন্যাটোর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- বর্তমানে ন্যাটোর সদস্য দেশ ৩২টি।
- ন্যাটোর প্রধান কাজ হলো সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সামরিক সহযোগিতা বাড়ানো ।
- ন্যাটো সংস্থার মূল ভিত্তি উত্তর আটলান্টিক চুক্তি বা ওয়াশিংটন চুক্তির আর্টিকেল ৫–এ প্রকাশিত হয়েছে।
- যা প্রতিটি সদস্য দেশের প্রতি সম্মিলিত প্রতিরক্ষার প্রতিশ্রুতি নিশ্চিত করে।
- কোল্ড ওয়ারের পরে ন্যাটো “cooperative-security” সংস্থা হিসেবে পুনর্গঠিত করা হয়েছে যা সদস্য দেশগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করে। 

উৎস: Britannica. 

.
ULFA ভারতের কোন রাজ্যের বিদ্রোহী সংগঠন?
  1. নাগাল্যান্ড
  2. মেঘালয়
  3. আসাম
  4. মণিপুর
সঠিক উত্তর:
আসাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসাম
ব্যাখ্যা

• উলফা (ULFA) – আসামের বিদ্রোহী সংগঠন:

ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অব আসাম (ULFA) হল ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের আসামের একটি বিদ্রোহী সংগঠন।
- এই “সংযুক্ত মুক্তি বাহিনী” আসামের স্বাধীনতা ও ভারতীয় প্রজাতন্ত্র থেকে সার্বভৌমত্ব দাবি করে সশস্ত্র লড়াই পরিচালনা করে।
- আসামের শিবসাগরের রঙঘর এলাকায় ১৯৭৯ সালে কয়েকজন যুবনেতা এই সংগঠনটি গঠন করেন।
- উলফা তাদের কার্যক্রম জোরদার করার জন্য ১৯৮৪ সালে অর্থ সংগ্রহ করা এবং নিজস্ব সশস্ত্র ইউনিট তৈরি করা শুরু করে।
- তারা ভারতের নাগাল্যান্ডের ন্যাশনাল সোশ্যালিস্ট কাউন্সিল (NSCN) এবং মায়ানমারের কাচিন ইন্ডিপেন্ডেন্ট আর্মি (KIA) থেকে সামরিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে।
- উলফার প্রভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় ভারত সরকার ১৯৮৬ সালের ৭ নভেম্বর এটি বেআইনী ঘোষণা করে।
- এবং ১৯৯০ সালে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে এই “সংযুক্ত মুক্তি বাহিনীকে" চিহ্নিত করে।
- আসামে সংহত নিরাপত্তা ও শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ভারত সরকার বিভিন্ন সামরিক অভিযান পরিচালনা করে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
- ১৯৯০ সালের অপারেশন বজরঙ;
- ১৯৯১ সালের অপারেশন রাইনো;
- এবং ২০০৩ সালের অপারেশন অল ক্লিয়ার।
- এই অভিযানের ফলে উলফার অনেক সদস্য আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়।
- ১৯৯২ সালে উচ্চস্তরের কয়েকজন নেতা তাদের অনুসারীদের নিয়ে ভারত সরকারের কাছে আত্মসমর্পণ করেন।

উৎস:
১. উলফা ওয়েবসাইট; [লিঙ্ক]
২. জি নিউজ ওয়েবসাইট;
৩. গ্লোবাল সিকিউরিটি ওয়েবসাইট

.
'M-19' কোন দেশের গেরিলা সংগঠন?
  1. ভারত
  2. জাপান
  3. কলম্বিয়া
  4. মালয়েশিয়া
সঠিক উত্তর:
কলম্বিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কলম্বিয়া
ব্যাখ্যা

• এম-১৯:
- এম-১৯ ছিল কলম্বিয়ার একটি শহুরে গেরিলা সংগঠন।
- এই সংগঠনটি ১৯৭০ এবং ১৯৮০-এর দশকে সক্রিয় ছিল।
- দলটি কলম্বিয়ার বামপন্থী রাজনৈতিক দলের মধ্যেও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- দলটি মূলত শহরভিত্তিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করত এবং সমাজতান্ত্রিক মতাদর্শ প্রচার করত।
- এম-১৯ কলম্বিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম গেরিলা দল হিসেবে পরিচিত।
- দলটি প্রথমবার জাতীয়ভাবে নজর কেড়েছিল যখন এর সদস্যরা সিমন বলিভারের তরবারি চুরি করেছিল।
- এছাড়াও, এটি প্রায়ই দুঃসাহসিক জঙ্গি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সুপরিচিত ছিল।

উৎস: Britannica.

.
পি.এল.ও (PLO) কখন গঠিত হয়?
  1. ১৯৫০ সাল
  2. ১৯৬৪ সাল
  3. ১৯৭২ সাল
  4. ১৯২৯ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৬৪ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৪ সাল
ব্যাখ্যা

• পি.এল.ও: 
- পি.এল.ও (Palestine Liberation Organization) হলো ফিলিস্তিনের একটি রাজনৈতিক দল এবং গেরিলা সংগঠন।
- এর সদর দপ্তর রামাল্লাহ, ফিলিস্তিনে অবস্থিত।
- এটি ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- এর প্রথম চেয়ারম্যান ছিলেন আহমদ শুকিরি, আর
- তৃতীয় চেয়ারম্যান ছিলেন ইয়াসির আরাফাত।
 - বর্তমান চেয়ারম্যান: মাহমুদ আব্বাস [ জানুয়ারি, ২০২৬]। 
- PLO প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল মূলত ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে।

তথ্যসূত্র: Britannica.

.
পাকিস্তানের প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা কোনটি?
  1. ISI
  2. RAW
  3. CIA
  4. MI6
সঠিক উত্তর:
ISI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ISI
ব্যাখ্যা

• ISI:
-
ISI- এর পূর্ণরূপ- Inter-Services Intelligence.
- পাকিস্তানের সবচেয়ে পরিচিত গুপ্তচর সংস্থা হলো ইন্টার-সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স।
- এটি সংক্ষেপে আইএসআই (ISI) নামে পরিচিত।
- এটি পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর একটি প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা।
- এই সংস্থা দেশের জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের কাজ করে।
- সংস্থাটি ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর মুখ্য কার্যালয় ইসলামাবাদ, পাকিস্তান-এ অবস্থিত।

অন্যদিকে,
- RAW- ভারতের প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা।
- CIA- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
- MI6- যুক্তরাজ্যের বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থা।

উৎস: Britannica. 

.
হামাস কোন দেশের সশস্ত্র সংগঠন? 
  1. ফিলিস্তিন 
  2. আলজেরিয়া 
  3. ইজরায়েল 
  4. ইরাক 
সঠিক উত্তর:
ফিলিস্তিন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিলিস্তিন 
ব্যাখ্যা

• হামাস: 
- হামাস হলো ফিলিস্তিনের একটি সশস্ত্র সংগঠন।
- এটি একটি ফিলিস্তিনি সুন্নি-ইসলামবাদী মৌলবাদী দল হিসেবেও পরিচিত এবং
- এই দলটি অসংখ্য সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য দায়ী।
- এটি ১৯৮৭ সালে মুসলিম ব্রাদারহুডের সদস্য এবং প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশনের (PLO) ধর্মীয় দলগুলোর দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- হামাসের রাজনৈতিক শাখার প্রধান খালেদ মিশাল [ জানুয়ারি, ২০২৬]
- উপ-প্রধান খলিল আল হাইয়া এবং
- সামরিক বাহিনী প্রধান মুহাম্মদ দেইফ।

তথ্যসূত্র: Britannica.

.
Mossad- এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Ministry of Secret Operations
  2. Ministry of Intelligence Directorate
  3. Ministry of Intelligence and Security
  4. The Institute for Intelligence and Special Operations
সঠিক উত্তর:
The Institute for Intelligence and Special Operations
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Institute for Intelligence and Special Operations
ব্যাখ্যা

• মোসাদ:
- মোসাদ হলো ইসরায়েলের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা। 
- এর প্রধান কাজ হলো- তথ্য সংগ্রহ করা, গোপন অভিযান পরিচালনা এবং সন্ত্রাসবাদ দমন করা।
- মোসাদ (Mossad) এর পূর্ণরূপ: The Institute for Intelligence and Special Operations.
- এটি সরাসরি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কাছে জবাবদিহি করে।
- আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মোসাদ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও সংস্থার উপর নজরদারি করে এবং
- বিশেষ কার্যক্রম হিসেবে সিরিয়া, ইরান ও ইথিওপিয়ার মতো দেশ থেকে ইহুদি শরণার্থীদের গোপনে ইসরায়েলে নিয়ে আসার কাজ সম্পন্ন করেছে। 

উৎস: Britannica. 

.
“বন্ধুত্ব, সহযোগিতা ও পারস্পরিক সহায়তার চুক্তি” নামে পরিচিত ছিল কোন চুক্তি? 
  1. ন্যাটো
  2. ওয়ারশ চুক্তি
  3. মার্শাল পরিকল্পনা
  4. ব্রেটন উডস চুক্তি
সঠিক উত্তর:
ওয়ারশ চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়ারশ চুক্তি
ব্যাখ্যা

• ওয়ারশ চুক্তি: 
- ওয়ারশ চুক্তি ছিল স্নায়ুযুদ্ধকালীন একটি সামরিক জোট।
- এই জোট সোভিয়েত ইউনিয়ন ও পূর্ব ও মধ্য ইউরোপের সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোকে একত্র করেছিল।
- আনুষ্ঠানিকভাবে এটি “বন্ধুত্ব, সহযোগিতা ও পারস্পরিক সহায়তার চুক্তি” নামে পরিচিত ছিল। 
- এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল- ন্যাটো–এর মোকাবিলায় একটি সমন্বিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
-  ১৯৫৫ সালে পশ্চিম জার্মানি ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার পরই সোভিয়েত ইউনিয়ন এর প্রতিক্রিয়া হিসেবে ওয়ারশ চুক্তি প্রতিষ্ঠা করে।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন, আলবেনিয়া, বুলগেরিয়া, চেকোস্লোভাকিয়া, পূর্ব জার্মানি, হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড ও রোমানিয়া প্রথমে এতে যুক্ত ছিল।   -পরে আলবেনিয়া ও পূর্ব জার্মানি জোট থেকে সরে যায়।

উল্লেখ্য,
- এই জোটের অন্যতম প্রধান শর্ত ছিল যে কোনো সদস্য রাষ্ট্র আক্রান্ত হলে অন্য সদস্যরা সম্মিলিতভাবে তার নিরাপত্তায় এগিয়ে আসবে।
- জোটের একমাত্র যৌথ সামরিক পদক্ষেপ ছিল ১৯৬৮ সালের “প্রাগ স্প্রিং” দমন অভিযান, যেখানে সোভিয়েত ইউনিয়নসহ পোল্যান্ড, হাঙ্গেরি, বুলগেরিয়া ও পূর্ব জার্মানির বাহিনী অংশগ্রহণ করে।
- রাজনৈতিক পরিবর্তন ও সোভিয়েতের প্রভাব কমে যাওয়ার ফলে, ১৯৯১ সালের ৩১ মার্চ ওয়ারশ চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত হয়।
উৎস:  Britannica.

.
ইন্টারপোলের সর্বশেষ সদস্য দেশ কোনটি?[জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. মালদ্বীপ
  2. পালাউ
  3. লিকটেনস্টাইন
  4. বাহামা
সঠিক উত্তর:
পালাউ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পালাউ
ব্যাখ্যা

• ইন্টারপোল:
- ইন্টারপোল হলো একটি আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা।
- এর  সদর দপ্তর ফ্রান্সের লিয়ঁ শহরে অবস্থিত।
- এটি বিশ্বব্যাপী পুলিশি সহযোগিতা এবং অপরাধ প্রতিরোধে কাজ করে।
- সংস্থাটি ১৯২৩ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিমিনাল পুলিশ কমিশন (International Criminal Police Commission) নামে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং
- ১৯৫৬ সাল থেকে ইন্টারপোল নামে পরিচিতি লাভ করে।
- বর্তমানে ইন্টারপোলের সদস্য সংখ্যা ১৯৬টি দেশ।
- এর মধ্যে সর্বশেষ সদস্য দেশ হলো পালাউ (Palau), যা ২৮ নভেম্বর, ২০২৩-এ ১৯৬তম সদস্যপদ লাভ করে। 
- সংস্থাটি বিশ্বের বৃহত্তম পুলিশ সংস্থা হিসেবে পরিচিত এবং
- আন্তর্জাতিক অপরাধ প্রতিরোধ, তথ্য বিনিময় এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সমন্বয় সাধনে সক্রিয়।

উৎস: Britannica.

১০.
আফ্রিকান ইউনিয়ন (AU)-এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা কত?[ জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. ৬৫টি
  2. ৩৫টি
  3. ৫৫টি
  4. ৪৫টি
সঠিক উত্তর:
৫৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৫টি
ব্যাখ্যা

• আফ্রিকান ইউনিয়ন: 
- আফ্রিকান ইউনিয়ন একটি গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা কেন্দ্রিক সংস্থা।
- আফ্রিকান ইউনিয়ন (AU)-এর সদর দপ্তর ইথিওপিয়ার আদ্দিস আবাবায় অবস্থিত।
- আফ্রিকান ইউনিয়ন (AU)-এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৫টি। 
- এর মূল দায়িত্ব- শান্তি প্রতিষ্ঠা, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং সংঘাত প্রতিরোধ ও সমাধান করা।
- সংস্থাটির অধীনে একটি শান্তি ও নিরাপত্তা পরিষদ এবং "আফ্রিকান স্ট্যান্ডবাই ফোর্স" রয়েছে, যা শান্তিরক্ষা ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যবহৃত হয়।

উল্লেখ্য,
- আফ্রিকান ইউনিয়ন মহাদেশজুড়ে মানবাধিকার লঙ্ঘন, গণহত্যা ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ প্রতিরোধে কাজ করে এবং প্রয়োজনে সদস্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ সংকটেও হস্তক্ষেপ করতে পারে।
- সংগঠনের প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা বিভাগ দীর্ঘমেয়াদী নিরাপত্তা পরিকল্পনা তৈরি, সাধারণ আফ্রিকান প্রতিরক্ষা নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- শাসনব্যবস্থা, শান্তি ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত আইনি কাঠামো উন্নয়ন, সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রশিক্ষণ এবং মহাদেশব্যাপী স্থিতিশীলতা জোরদারে বিভিন্ন নীতি বাস্তবায়নও AU–এর কার্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত।


উৎস: Britannica

১১.
'NATO'- এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ওয়াশিংটন
  2. ভেনিজুয়েলা
  3. বেলজিয়াম
  4. লাওস 
সঠিক উত্তর:
বেলজিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেলজিয়াম
ব্যাখ্যা

• ন্যাটো (NATO):
- ন্যাটো (NATO) ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে উত্তর আটলান্টিক চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর মূল লক্ষ্য ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের সম্ভাব্য আগ্রাসন থেকে পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। 
- ন্যাটোর পূর্ণরূপ হলো- North Atlantic Treaty Organization.
- সংস্থাটির সদর দপ্তর বর্তমানে বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত। 
- বর্তমানে ন্যাটোর সদস্য দেশের সংখ্যা ৩২টি এবং 
- সর্বশেষ সদস্য দেশ হলো সুইডেন, যা ২০২৪ সালের মার্চে যোগ দেয়।

উল্লেখ্য, 
- সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সামরিক সহযোগিতা জোরদার করা এবং সম্মিলিত প্রতিরক্ষার নীতি অনুসারে যৌথভাবে তাদের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা রক্ষা করাই ন্যাটোর প্রধান কাজ।
- ২০২৫ সালের ২৪–২৫ জুন নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে প্রথমবারের মতো ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে নেদারল্যান্ডসের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুটে নতুন মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

উৎস:
১. Britannica;
২. প্রথম আলো। 

১২.
'নাইচো' কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা? 
  1. জাপান
  2. চীন 
  3. দক্ষিন কোরিয়া
  4. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র 
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা

• “নাইচো”:
- “নাইচো” বা পাবলিক সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি (PSIA) হলো জাপানের একটি গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা সংস্থা।
- এই সংস্থা বিচার মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়।
- সংস্থাটি অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধ, রাজনৈতিক চরমপন্থা পর্যবেক্ষণ এবং জাতীয় নিরাপত্তাবিষয়ক তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে সরকারকে সহায়তা করে।
- এটিকে জাপানের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা কাঠামোর একটি মূল স্তম্ভ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

অন্যদিকে, 
• মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি (CIA) বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ও প্রভাবশালী গোয়েন্দা সংস্থা হিসেবে পরিচিত। 
- এটি জাতীয় নিরাপত্তা সম্পর্কিত গোপন তথ্য সংগ্রহ এবং অধ্যয়ন করে মার্কিন সরকারকে বিদেশী দেশ এবং প্রতিরক্ষা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করে।
• দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা হলো- NIS (National Intelligence Service).
• চীনের গোয়েন্দা সংস্থা হলো- MSS (Ministry of State Security).

উৎস: Britannica.

১৩.
ওয়ারশ চুক্তি কত সালে বিলুপ্ত হয়েছে? 
  1. ১৯৯০ সাল
  2. ১৯৯১ সাল
  3. ১৯৯২ সাল
  4. ১৯৯৩ সাল 
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সাল
ব্যাখ্যা

• ওয়ারশ চুক্তি:
- ওয়ারশ চুক্তি ছিল স্নায়ুযুদ্ধকালীন সময়ে সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের সাতটি সমাজতান্ত্রিক দেশের মধ্যে গঠিত একটি সামরিক জোট।
- ১৯৫৫ সালে পোল্যান্ডের রাজধানী ওয়ারশতে এই যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মূল সদর দপ্তর ছিল পোল্যান্ডের ওয়ারশতে; কিন্তু 
- এর সামরিক দপ্তর ছিল মস্কোতে।
- এতে সোভিয়েত ইউনিয়ন ছাড়াও আলবেনিয়া, বুলগেরিয়া, চেকোস্লোভাকিয়া, পূর্ব জার্মানি, হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড এবং রোমানিয়া অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- এর মূল লক্ষ্য ছিল সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সামরিক সহযোগিতা প্রতিষ্ঠা করা।
- এটি ছিল একটি সামরিক মৈত্রী যা মূলত উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা (ন্যাটো)-এর প্রতিক্রিয়ায় গঠিত হয়েছিল।
- ওয়ারশ চুক্তিটি ১৯৯১ সালের ১ জুলাই বিলুপ্ত হয়।

উৎস: Britannica. 

১৪.
স্ক্যান্ডিনেভীয় অঞ্চলের জলদস্যুরা কোন নামে পরিচিত ছিল?
  1. স্পার্টান
  2. ভাইকিং
  3. সামুরাই
  4. হুন
সঠিক উত্তর:
ভাইকিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাইকিং
ব্যাখ্যা

• ভাইকিং: 
- স্ক্যান্ডিনেভীয় অঞ্চলের জলদস্যুরা ভাইকিং নামে পরিচিত ছিল।
- ভাইকিং ছিল ৮ম থেকে ১১শ শতকের স্ক্যান্ডিনেভিয়ার (বর্তমান ডেনমার্ক, নরওয়ে এবং সুইডেন) সমুদ্রচারী, ব্যবসায়ী এবং জলদস্যু
- এরা ইউরোপের বিশাল অংশ জুড়ে লুটতরাজ এবং উপনিবেশ স্থাপন করেছিল। 
- এই জলদস্যুরা ইউরোপ, সমুদ্র এবং নদীপথে বাণিজ্য পথ গড়ে তোলে এবং কখনও স্থায়ী বসতি স্থাপন করে।
- এমনকি উত্তর আটলান্টিক অতিক্রম করে তারা আমেরিকায় পৌঁছানোর কৃতিত্বও অর্জন করেছিল।

অন্যদিকে,
• স্পার্টান: স্পার্টানরা ছিল প্রাচীন গ্রিসের স্পার্টা নগর–রাষ্ট্রের অত্যন্ত শৃঙ্খলাবদ্ধ ও সামরিক-কেন্দ্রিক যোদ্ধা সমাজ।
• সামুরাই: সামুরাইরা ছিল জাপানের মধ্যযুগীয় যুগের অভিজাত বুশিদোযোদ্ধা শ্রেণি। 
• হুন: হুনরা ছিল মধ্য এশিয়ার যাযাবর ও ভয়ংকর যুদ্ধকৌশলী গোষ্ঠী, যারা দ্রুতগামী অশ্বারোহী বাহিনী নিয়ে আক্রমণ চালানোর জন্য কুখ্যাত।

উৎস: Britannica.

১৫.
নিম্নের কোন দেশটি কোয়াড (Quad)–এর অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  2. অস্ট্রেলিয়া
  3. চীন
  4. জাপান
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা

কোয়াড (Quad)–এর অন্তর্ভুক্ত নয় চীন।

• কোয়াড (Quad): 
-  কোয়াড (Quad) হলো- যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, অস্ট্রেলিয়া ও জাপানকে নিয়ে গঠিত একটি অনানুষ্ঠানিক কৌশলগত নিরাপত্তা ফোরাম।
- ২০০৪ সালের ভারত মহাসাগরের সুনামির পর এই চার দেশের মধ্যে সমন্বয়মূলক আলোচনার সূত্রপাত ঘটে।
- এই আলোচনা পরবর্তীতে কৌশলগত অংশীদারিত্বে রূপ নেয়।
- ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং পরে জো বাইডেনের নেতৃত্বাধীন যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন - ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীনের আগ্রাসী বা শক্ত অবস্থানের জবাব দিতে এবং নজরদারি চালাতে কোয়াডকে মূল চাবিকাঠি হিসেবে ব্যবহার করছেন।
- কোয়াড মূলত সদস্য দেশের মধ্যে রাজনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়ে থাকে।
- পাশাপাশি আঞ্চলিক শান্তি রক্ষা, দুর্যোগ মোকাবিলা, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা ও বৈশ্বিক সংকট যেমন কোভিড–১৯ প্রতিরোধে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণ করে থাকে।

উৎস:
১. দেশ রূপান্তর;
২. Britannica. 

১৬.
খেমাররুজ কোন দেশের গেরিলা সংগঠন?
  1. কম্বোডিয়া
  2. লাওস
  3. ভিয়েতনাম
  4. মিয়ানমার
সঠিক উত্তর:
কম্বোডিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কম্বোডিয়া
ব্যাখ্যা

• খেমাররুজ:
- খেমাররুজ ছিল কম্বোডিয়ার একটি চরমপন্থী কমিউনিস্ট মতাদর্শভিত্তিক গেরিলা সংগঠন।

- ১৯৬৭ সালে কম্পুচিয়ার কমিউনিস্ট পার্টির সশস্ত্র শাখা হিসেবে খেমাররুজের উদ্ভব ঘটে। 
- ১৯৬৮ সালে, তারা একটি সংগঠিত গেরিলা বাহিনীতে রূপ নেয়। 
- পল পটের নেতৃত্বে এ গোষ্ঠী ধীরে ধীরে শক্তিশালী হয়ে ওঠে এবং
- ১৯৭৫ সালের ১৭ এপ্রিল রাজধানী নম পেন দখল করে ক্ষমতা গ্রহণ করে।
- ১৯৭৫ থেকে ১৯৭৯ পর্যন্ত এই শাসনামলে কম্বোডিয়া চরম নিপীড়ন ও নির্মমতার মুখোমুখি হয়; এ সময় সংঘটিত গণহত্যায় আনুমানিক ২০ থেকে ৩০ লক্ষ মানুষের মৃত্যু ঘটে।
- ক্ষমতা দখলের পর দেশটির নাম পরিবর্তন করে “গণতান্ত্রিক কম্পুচিয়া” রাখা হয়, যা খেমাররুজ শাসনের প্রতীক হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠে।

উৎস:
১. প্রথম আলো; 
২. Britannica.

১৭.
নিচের কোনটি নিরাপত্তা-বিষয়ক সংস্থা? 
  1. ওপেক 
  2. আশিয়ান 
  3. ইউরোপীয় ইউনিয়ন 
  4. সার্ক 
সঠিক উত্তর:
ইউরোপীয় ইউনিয়ন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরোপীয় ইউনিয়ন 
ব্যাখ্যা

• ইউরোপীয় ইউনিয়ন (European Union): 
-  ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইউরোপের ২৭টি দেশের সমন্বয়ে গঠিত একটি অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক জোট।
- এর লক্ষ্য হচ্ছে- সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে স্থিতিশীলতা, সহযোগিতা ও সমন্বিত উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
- ১৯৯৩ সালের ১ নভেম্বর মাস্ট্রিচ চুক্তির মাধ্যমে এই জোট আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠা পায়। 
- সংস্থাটির সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- ইউরোপীয় ইউনিয়ন নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা, সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। 
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা নীতির উপকমিটি (SEDE) ইউরোপীয় নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা কৌশল প্রণয়নে মূল দায়িত্ব পালন করে।

উৎস:
1. Britannica;
2. European Union Official Website.

১৮.
রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং (RAW) কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. পাকিস্তান
  2. ভারত
  3. মালদ্বীপ 
  4. নেপাল
সঠিক উত্তর:
ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত
ব্যাখ্যা

RAW:
- ভারতের প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা হলো- রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং (RAW).
- এই সংস্থা ভারতের বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা হিসেবে দেশের বাইরে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করে।
- RAW ১৯৬৮ সালের সেপ্টেম্বরে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন পরিচালক ছিলেন রামেশ্বর নাথ কাও।
- সংস্থাটি প্রধানত বিদেশি সরকার, প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিবর্গের তথ্য ভারতের নীতিনির্ধারকদের কাছে সরবরাহ করে।
- এছাড়া এটি ভারতের পরমাণু কর্মসূচির নিরাপত্তাজনিত ক্ষেত্রেও নিযুক্ত।
- RAW সরাসরি ভারতের প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের কাছে দায়বদ্ধ।
- এর সদর দপ্তর ভারতের নয়াদিল্লিতে অবস্থিত।

উৎস: 
1. Britannica;
2. The Daily Ittefaq.

১৯.
“কোয়াড” (QUAD) কী হিসেবে পরিচিত?
  1. চতুর্ভুজীয় সামরিক নিরাপত্তা সংলাপ
  2. চতুর্ভুজীয় সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংলাপ
  3. চতুর্ভুজীয় নিরাপত্তা সংলাপ
  4. চতুর্ভুজীয় স্থল নিরাপত্তা সংলাপ
সঠিক উত্তর:
চতুর্ভুজীয় নিরাপত্তা সংলাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্ভুজীয় নিরাপত্তা সংলাপ
ব্যাখ্যা

• কোয়াড:
- কোয়াড হলো-  চতুর্পক্ষীয় নিরাপত্তা সংলাপ (Quadrilateral Security Dialogue)।
- সংক্ষেপে QUAD, হলো যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, জাপান ও অস্ট্রেলিয়াকে নিয়ে গঠিত একটি অনানুষ্ঠানিক নিরাপত্তা সহযোগিতা প্ল্যাটফর্ম। 
- বাংলায় একে চতুর্ভুজীয় নিরাপত্তা কথোপকথন বলা হয়।
- কোয়াডের সদস্য দেশ মোট চারটি, যথা- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, অস্ট্রেলিয়া এবং জাপান।
- কোয়াডের প্রাথমিক উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে অন্যতম হল: 
- একটি উন্মুক্ত, সমৃদ্ধ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ইন্দো- প্যাসিফিক অঞ্চলের জন্য কাজ করা এবং
- চীনের নয়া প্রভাবকে প্রতিহত করা ।

উৎস : Britannica. 

২০.
ন্যাটোর সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে কোনটি মুসলিম-অধ্যুষিত দেশ?  
  1. অ্যান্ডোরা
  2. অস্ট্রিয়া 
  3. আলবেনিয়া
  4. আর্মেনিয়া
সঠিক উত্তর:
আলবেনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলবেনিয়া
ব্যাখ্যা

• ন্যাটো (NATO): 
- ন্যাটো (NATO) ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে উত্তর আটলান্টিক চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ন্যাটোর পূর্ণরূপ হলো- North Atlantic Treaty Organization.
- সংস্থাটির সদর দপ্তর বর্তমানে বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত, যা ১৯৬৭ সালে প্যারিস থেকে স্থানান্তরিত করা হয়।
 - বর্তমানে ন্যাটোর সদস্য দেশের সংখ্যা ৩২টি।
- ন্যাটোর সদস্য দেশগুলোর মধ্যে দুটি মুসলিম-অধ্যুষিত দেশ হলো তুরস্ক এবং আলবেনিয়া।
- তুরস্ক ১৯৫২ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি ন্যাটোর সদস্যপদ লাভ করে।
- এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালের ১ এপ্রিল ন্যাটোর সদস্য হয়।

উল্লেখ্য,
- ন্যাটোর মূল লক্ষ্য ছিল:
• সোভিয়েত ইউনিয়নের সম্ভাব্য আগ্রাসন থেকে পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। 
• সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সামরিক সহযোগিতা জোরদার করা।
• সম্মিলিত প্রতিরক্ষার নীতি অনুসারে যৌথভাবে সদস্য দেশগুলোর স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা রক্ষা করাই ন্যাটোর প্রধান কাজ।

তথ্যসূত্র:
1. NATO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট;
2. Britannica.