ব্যাখ্যা
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী
Unlisted · ৭ অক্টোবর, ২০২০ · ১০০ প্রশ্ন
শহীদ মুনির চৌধুরী বাংলা ভাষার অর্জন সম্পর্কে বলতে গিয়ে লিখেছেন, 'আমার মাতৃভাষা কী? বাংলা ভাষা। সমগ্র বাংলা ভাষা। বিচিত্র রূপিণী বাংলা ভাষা। অভিধানে আছে ষোড়শ রমণী মাতৃ সম্বোধনীযোগ্যা। শ্মশ্রু থেকে তনয়া, গর্ভধারিণী থেকে পিতৃরমণী। ষোল নয়, আমার মাতৃভাষার ষোলশত রূপ। তার সব পদ্মিনীর সহচরী। আমার মাতৃভাষা তিব্বতের গুহাচারী, মনসার দর্পচূর্ণকারী, আরাকানের রাজসভার মণিময় অলঙ্কার, বরেন্দ্রভূমির বাউলের উদাস আহ্বান, মাইকেল-রবীন্দ্রনাথ-নজরুল ইসলাম আমার মাতৃভাষা। আমার মাতৃভাষা বাংলা ভাষা।'
উৎসঃ দৈনিক সমকাল
Charles Robert Darwin (1809-82) is a writer of The Victorian Period. His major works are:
The origin of Species (1859)
The Descent of Man (1871)
Source: An ABC of English Literature - Dr. M Mofizar Rahman
যে Sentence দ্বারা মনের ইচ্ছা বা প্রার্থনা করা বুঝায় তাকে Optative Sentence বা প্রার্থনাসূচক বাক্য বলে।
যেমন:
1. স্রষ্টা তোমার সহায় হোন - May God Help you.
2. বাংলাদেশ দীর্ঘজীবী হউক - Live long Bangladesh.
3√8
= 3√(23)
= (23)1/3
= 2; যা একটি মুলদ সংখ্যা
যমুনা গোয়ালন্দের কাছে পদ্মা নদীর সাথে মিশেছে। ১৭৮২ থেকে ১৭৮৭ সালের মধ্যে সংঘটিত ভূমিকম্প ও ভয়াবহ বন্যার ফলে ব্রহ্মপুত্রের তৎকালীন গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে বর্তমান কালের যমুনা নদীর সৃষ্টি হয়।।
সূত্রঃ বাংলাদেশের মানচিত্র, সরকারী ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।
যমুনা নদী মূলত ব্রহ্মপুত্রের শাখা। তিস্তা ব্রহ্মপুত্রের মিলিত স্রোতধারাটি যমুনা নামে দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে গোয়ালন্দের কাছে এসে পদ্মার সাথে মিলিত হয়েছে। যমুনা বাংলাদেশের প্রশস্ততম নদী। যমুনা নদীর পূর্ব নাম ছিল জোনাই নদী। যমুনার শাখানদী হলো- ধলেশ্বরী, বুড়িগঙ্গা এবং উপনদীগুলো হলো- তিস্তা, ধরলা, করতোয়া, আত্রাই, বাঙ্গালী, কালজানি, ডোরসা, যমুনেশ্বরী, দুধকুমারত, গঙ্গা, তুলসী গঙ্গা, বড়াল, নারদ ইত্যাদি।
উৎসঃ ভূগোল, এইস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উল্লেখ্য, এই উৎসে যমুনা নদীকে বাংলাদেশের প্রশস্ত নদী বলা হয়েছে। কিন্তু অন্যান্য নির্ভরযোগ্য উৎস অনুযায়ী, মেঘনা বাংলাদেশের গভীর ও প্রশস্ততম নদী এবং অন্যতম বৃহৎ ও প্রধান নদী। বিষয়টা বিতর্কিত তাই এখানে উল্লেখ করা হলো।
দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ৭টি জেলা নিয়ে বাংলাদেশের হাওর বেসিন বা হাওরাঞ্চল গঠিত। এতে মোট ৩৭৩টি হাওর রয়েছে যার মোট আয়তন ৮,৫৮,৪৬০ হেক্টর। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি হাওর রয়েছে সিলেটে ১০৫টি।
কিশোরগঞ্জে হাওরের সংখ্যা ৯৭টি এবং সুনামগঞ্জে ৯৫টি। সবচেয়ে বড় হাওর হলো সিলেট ও মৌলভীবাজার জেলা জুড়ে বিস্তৃত হাকালুকি হাওর।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
জাতীয় স্মৃতিসৌধ ঢাকা থেকে ৩৫ কিমি উত্তর-পশ্চিমে সাভারে অবস্থিত। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের মহান শহীদদের অসামান্য ত্যাগ ও শৌর্যের স্মৃতি হিসেবে সৌধটি দাঁড়িয়ে আছে।
১৯৭৮ সালে সৌধ নির্মাণের উদ্দেশ্যে নকশার জন্য একটি জাতীয় প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। সাতান্ন জন প্রতিযোগীর মধ্য থেকে স্থপতি মঈনুল হোসেনের নকশাটি নির্বাচিত হয়।
অসমান উচ্চতা ও স্বতন্ত্র ভিত্তির ওপর সাতটি ত্রিভুজাকৃতির প্রাচীর নিয়ে মূল সৌধটি গঠিত। সর্বোচ্চ স্তম্ভটি সর্বনিম্ন দৈর্ঘ্যের ভিত্তির ওপর, আর সর্বদীর্ঘ ভিত্তির ওপর স্থাপিত স্তম্ভটি সবচেয়ে কম উচ্চতার। প্রাচীরগুলি মাঝখানে একটি ভাঁজ দ্বারা কোণাকৃতির এবং একটির পর একটি সারিবদ্ধভাবে বসানো। কাঠামোটির সর্বোচ্চ বিন্দু বা শীর্ষ ৪৫.৭২ মিটার উঁচু।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
মূসককে তিনটি প্রধান শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে - স্থূল জাতীয় উৎপাদন ধরন, আয় ধরন এবং ভোগ ধরন। ভোগ ধরনের মূসক একটি পরোক্ষ কর, কিন্তু আয় বা উৎপাদন ধরনের মূসককে প্রত্যক্ষ কর মনে করা যেতে পারে, যদিও পণ্যের ওপর কর হিসেবে তা বিবেচনা করা যৌক্তিক নয়। ভোগ-ধরনের মূসককে প্রায়শ বিক্রয় করের একটি বিকল্প প্রকার হিসেবে ধরা হয়।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কামরুল হাসান। ১৯৭২ সালে কামরুল হাসান সবুজের মাঝে লাল বৃত্তের জাতীয় পতাকার নকশা করেন।
এর পূর্বে ব্যবহৃত মানচিত্র খচিত পতাকাটি ১৯৭০ সালের ৬ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান জহুরুল হক হলের ১১৬ নং কক্ষে শিবনারায়ণ দাস ও আরো কয়েকজন মিলে চূড়ান্ত করেন যা ১৯৭১ সালের ২রা মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় তৎকালীন ডাকসু ভিপি আ স ম রব প্রথম উত্তোলন করেন। ১৯৭১ সালের ২৩ শে মার্চ বাংলাদেশের সর্বত্র পাকিস্তানের পতাকা’র পরিবর্তে লাল-সবুজের পতাকা উড়ানো হয়।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
সেলসিয়াস স্কেলকে সেন্টিগ্রেড স্কেলও বলে। সেলসিয়াস, ফারেনহাইট ও কেলভিন স্কেলের সম্পর্ক - C/5 = F-32/9 = k-273/100। এ সম্পর্ক থেকে এটা স্পষ্ট যে সেলসিয়াস স্কেলের ০ ডিগ্রির মানই সবচেয়ে বেশি। 0°C = 32°F = 273°k।