১.
প্রোটিন জাতীয় খাদ্য কোন উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত হয়?
সঠিক উত্তর: গ
কার্বন, হাইড্রোজন, অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
কার্বন, হাইড্রোজন, অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা
খাদ্য উপাদান:
- খাদ্য অনেকগুলো রাসায়নিক বস্তুর সমন্বয়ে গঠিত, এই রাসায়নিক বস্তুগুলোকে খাদ্য উপাদান বলে। এই উপাদানগুলোর মধ্যে পুষ্টি থাকে, তাই খাদ্য উপাদানকে পুষ্টি উপাদানও বলা হয়।
- উপাদান অনুযায়ী খাদ্যবস্তুকে প্রধাণত তিন ভাগে ভাগ করা হয়।
যথা: আমিষ, শর্করা ও স্নেহ।
আমিষ:
- আমিষ বা প্রোটিন জাতীয় খাদ্য কার্বন, হাইড্রোজন, অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেন দিয়ে গঠিত।
- আমিষে শতকরা ১৬ ভাগ নাইট্রোজেন থাকে।
- আমিষে সামান্য পরিমাণে সালফার, ফসফরাস এবং আয়রন থাকে।
- শুধু আমিষ জাতীয় খাদ্যই শরীরে নাইট্রোজেন সরবরাহ করে বলে পুষ্টিবিজ্ঞানে আমিষকে একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- উৎস অনুযায়ী আমিষ দুই ধরনের। যথা-
১। প্রাণিজ আমিষ:
- মাছ, মাংস, ডিম, পনির, ছানা, কলিজা বা যকৃত ইত্যাদি প্রাণিজ আমিষ।
- এসব খাদ্যে দেহের প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো এসিড পাওয়া যায়।
২। উদ্ভিজ্জ আমিষ:
- ডাল, চিনাবাদাম, শিমের বীচি ইত্যাদি উদ্ভিজ্জ আমিষ।
- অনেক সময় দুই বা ততোধিক উদ্ভিজ্জ আমিষ একত্রে রান্না করা যায়। কিন্তু এতে অ্যামাইনো এসিডের অনুপাতের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয় না।
উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
- খাদ্য অনেকগুলো রাসায়নিক বস্তুর সমন্বয়ে গঠিত, এই রাসায়নিক বস্তুগুলোকে খাদ্য উপাদান বলে। এই উপাদানগুলোর মধ্যে পুষ্টি থাকে, তাই খাদ্য উপাদানকে পুষ্টি উপাদানও বলা হয়।
- উপাদান অনুযায়ী খাদ্যবস্তুকে প্রধাণত তিন ভাগে ভাগ করা হয়।
যথা: আমিষ, শর্করা ও স্নেহ।
আমিষ:
- আমিষ বা প্রোটিন জাতীয় খাদ্য কার্বন, হাইড্রোজন, অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেন দিয়ে গঠিত।
- আমিষে শতকরা ১৬ ভাগ নাইট্রোজেন থাকে।
- আমিষে সামান্য পরিমাণে সালফার, ফসফরাস এবং আয়রন থাকে।
- শুধু আমিষ জাতীয় খাদ্যই শরীরে নাইট্রোজেন সরবরাহ করে বলে পুষ্টিবিজ্ঞানে আমিষকে একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- উৎস অনুযায়ী আমিষ দুই ধরনের। যথা-
১। প্রাণিজ আমিষ:
- মাছ, মাংস, ডিম, পনির, ছানা, কলিজা বা যকৃত ইত্যাদি প্রাণিজ আমিষ।
- এসব খাদ্যে দেহের প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো এসিড পাওয়া যায়।
২। উদ্ভিজ্জ আমিষ:
- ডাল, চিনাবাদাম, শিমের বীচি ইত্যাদি উদ্ভিজ্জ আমিষ।
- অনেক সময় দুই বা ততোধিক উদ্ভিজ্জ আমিষ একত্রে রান্না করা যায়। কিন্তু এতে অ্যামাইনো এসিডের অনুপাতের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয় না।
উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।