পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৭
সিলেবাস
বিষয় - কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি টপিক - কম্পিউটার ১. কম্পিউটারের ইতিহাস ও বিবর্তন। ২. কম্পিউটারের প্রকারভেদ ও এমবেডেড (Ambeded) কম্পিউটার। উৎস: অষ্টম, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]। ------------- নির্দেশিকা: ১. এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে। ২. এই পরীক্ষাটি "Award Mania: Season - 10” এর জন্য প্রযোজ্য।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৭ প্রশ্ন

.
মানুষ এবং কম্পিউটারের মধ্যে মৌলিক পার্থক্যের ভিত্তিতে, কম্পিউটারের কোন বৈশিষ্ট্যটি উল্লেখ করা হয়?
  1. কম্পিউটার প্রাকৃতিক চিন্তা প্রক্রিয়া অনুসরণ করে
  2. মানুষের চিন্তা করার ক্ষমতা আছে, কিন্তু কম্পিউটারের নেই
  3. কম্পিউটার নিজস্ব মতামত তৈরি করতে সক্ষম
  4. কম্পিউটার মানবিক অনুভূতি অনুভব করে
সঠিক উত্তর:
মানুষের চিন্তা করার ক্ষমতা আছে, কিন্তু কম্পিউটারের নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানুষের চিন্তা করার ক্ষমতা আছে, কিন্তু কম্পিউটারের নেই
ব্যাখ্যা
- কম্পিউট (Compute) শব্দের অর্থ হচ্ছে গণনা করা এবং কম্পিউটার (Computer) শব্দের অর্থ হচ্ছে গণনাকারী।
- সুতরাং অভিধানিক দিক থেকে কম্পিউটারকে গণনাকারী যন্ত্র হিসাবে অভিহিত করা হয়।
- কম্পিউটার হল বিভিন্ন গাণিতিক ও যুক্তিমূলক সমস্যা সমাধানের জন্য তৈরি একটি ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র।
- কম্পিউটারের সাহায্যে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ প্রভৃতি গাণিতিক কাজ অতি দ্রুত ও নির্ভুলভাবে করা যায়।
- কম্পিউটারের সাথে মানুষের মৌলিক পার্থক্য হল মানুষের মত কম্পিউটারের নিজস্ব কোন বুদ্ধি বা চিন্তা করার ক্ষমতা নেই।
- কম্পিউটারের নিজস্ব স্মৃতি থাকে। কম্পিউটার বিভিন্ন তথ্যকে স্মৃতিতে ধারণ করে রাখে এবং প্রয়োজনে নির্দেশ অনুযায়ী ধারণকৃত তথ্য নির্ভলভাবে এবং তড়িৎ গতিতে উপস্থাপন করতে পারে।
- কম্পিউটারের প্রধান তিনটি বৈশিষ্ট্য হল- বিপুল পরিমাণ তথ্য স্মৃতিতে সংরক্ষণ করে রাখা, নির্ভুলভাবে কাজ করা এবং অতি দ্রুত গতিতে কাজ সম্পন্ন করা।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
এনালগ কম্পিউটার কীভাবে প্রয়োজনীয় ফলাফল প্রদর্শন করে?
  1. ক্রম পরিবর্তনশীল বৈদ্যুতিক সংকেতের মাধ্যমে
  2. ডিজিটাল সংকেতের মাধ্যমে
  3. কোডেড ডেটা ব্যবহার করে
  4. মেমোরি ডিভাইসের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
ক্রম পরিবর্তনশীল বৈদ্যুতিক সংকেতের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রম পরিবর্তনশীল বৈদ্যুতিক সংকেতের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
• কাজের প্রক্রিয়া অনুযায়ী কম্পিউটারের শ্রেণীবিভাগ:
- কাজ করার প্রক্রিয়া অনুযায়ী কম্পিউটারকে সাধারণত তিনভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। এনালগ কম্পিউটার (Analog computer),
২। ডিজিটাল কম্পিউটার (Digital Computer),
৩। হাইব্রিড কম্পিউটার (Hybrid Computer)।

- এনালগ কম্পিউটার ক্রম পরিবর্তনশীল বৈদ্যুতিক সংকতের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ফল প্রদর্শিত করে।
- সাধারণত চাপ, তাপ, রোধ, উপাত্তের জন্য সৃষ্ট বৈদ্যুতিক তরঙ্গকে এনালগ কম্পিউটার ইনপুট হিসাবে ব্যবহার করে এবং তথ্য প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল সাধারণত প্রদর্শনের কাটা (Indicator) দিয়ে দেখানো হয় অথবা প্লটার (Plotter) যন্ত্রের সাহায্যে কাগজে গ্রাফ আকারেও পাওয়া যেতে পারে।
- মোটর গাড়ির গতিবেগ প্রদর্শনের মিটার এনালগ কম্পিউটারের একটি উদাহরণ।
- বিভিন্ন শিল্প কারখানায় উৎপাদন, মান নিয়ন্ত্রণ, চাপ, তাপ পরিমাপনের জন্য এনালগ কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কার তত্ত্বাবধানে 'মার্ক-১' কম্পিউটারটি নির্মিত হয়?
  1. চার্লস ব্যাবেজ
  2. হাওয়ার্ড এইকিন
  3. অ্যালান টিউরিং
  4. ভন নিউম্যান
সঠিক উত্তর:
হাওয়ার্ড এইকিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাওয়ার্ড এইকিন
ব্যাখ্যা
- যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত বেল ল্যাবরেটরিতে রিলে কম্পিউটার নিয়ে অনেক গবেষণা হয়।
- মার্ক-১ নামে পরিচিত ইলেক্ট্রোমেকানিক্যাল কম্পিউটারটি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিন (International Business Machine) কোম্পানীর যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হয়।
- হাওয়ার্ড এইকিনের তত্ত্বাবধানে ১৯৪৪ সালে এটি নির্মিত হয়।
- মার্ক-১ কম্পিউটারের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো-
ক) মার্ক-১ ছিল পৃথিবীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় হিসাবকারী যন্ত্র।
খ) কম্পিউটারটির মাধ্যমে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং ত্রিকোণমিতিক ফাংশন ছাড়াও অনেক জটিল গাণিতিক কাজ করা যেত।
গ) কম্পিউটারটির দৈর্ঘ্য ছিল ৫১ ফুট ও উচ্চতা ৮ ফুট। বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
 ঘ) এর ওজন ছিল প্রায় ৫ টন।
এ কম্পিউটারটিতে সাত লক্ষেরও অধিক যন্ত্রাংশ সংযোগের জন্য প্রায় ৫০০ মাইল দীর্ঘ তারের প্রয়োজন হয়েছিল। মার্ক-১ কম্পিউটারটি প্রদর্শনের জন্য বর্তমানে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সযত্নে সংরক্ষিত আছে।

উৎস: কম্পিউটারের ইতিহাস ও শ্রেণিবিভাগ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর তৈরি করেছিল কোন প্রতিষ্ঠান এবং কত সালে?
  1. IBM, 1969
  2. Microsoft, 1970
  3. Intel, 1971
  4. Apple, 1973
সঠিক উত্তর:
Intel, 1971
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Intel, 1971
ব্যাখ্যা
• ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer):
- পূর্বে কম্পিউটার তৈরি করতে অসংখ্য ট্রানজিস্ট্রর, রেজিষ্ট্যান্স, ডায়োড ইত্যাদি ব্যবহার করা হতো।
- ১৯৭১ সালের নভেম্বর মাসে ইনটেল নামক একটি প্রতিষ্ঠান ইনটেল-৪০০৪ (Intel 4004) নামক প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর বা ক্ষুদ্র প্রক্রিয়াকারক (Microprocessor) তৈরি করে।
- এই ক্ষুদ্রাকৃতি মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে তৈরি ক্ষুদ্রকারের কম্পিউটারকে মাইক্রোকম্পিউটার নামে অভিহিত করা হয়।
- ক্ষুদ্র প্রক্রিয়াকারকের সাথে স্মৃতি অংশ এবং ইনপুট-আউটপুট অংশের সংযোগ সাধন করা হয়।
- এই কম্পিউটার সহজেই এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তর করা যায় এবং একজন ব্যবহারকারী একাই একটি কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারেন।
- এজন্য এই কম্পিউটারকে পার্সোনাল কম্পিউটার (Personal Computer) বা সংক্ষেপে পিসি (PC) বলা হয়।
- IBM 486, IBM Pentium প্রভৃতি মাইক্রোকম্পিউটারের উদাহরণ।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
আকার, আকৃতি, দক্ষতা, ক্ষমতা ও কার্যকারিতার ভিত্তিতে ডিজিটাল কম্পিউটারকে সাধারণত কয় ভাগে ভাগ করা হয়?
  1. দুই ভাগে
  2. তিন ভাগে
  3. চার ভাগে
  4. পাঁচ ভাগে
সঠিক উত্তর:
চার ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চার ভাগে
ব্যাখ্যা
আকার, আকৃতি, দক্ষতা, ক্ষমতা ও কার্যকারিতা প্রভৃতির ভিত্তিতে ডিজিটাল কম্পিউটারকে সাধারণত চার ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer): এই ধরনের কম্পিউটার আকার ও আকৃতিতে বেশ বড় এবং একই সংগে অসংখ্য কাজ সম্পন্ন করতে পারে। এই কম্পিউটারকে সুপার কম্পিউটার বলে।

২। বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer): সুপার কম্পিউটারের তুলনায় ছোট কম্পিউটারকে বৃহৎ কম্পিউটার বা মেইনফ্রেম কম্পিউটার বলে।

৩। ছোট কম্পিউটার (Mini Computer): মেইনফ্রেম কম্পিউটারের তুলনায় ছোট এবং কম ক্ষমতা সম্পন্ন কম্পিউটারকে বলা হয় মিনি কম্পিউটার।

৪। ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer): এই ক্ষুদ্রাকৃতি মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে তৈরি ক্ষুদ্রকারের কম্পিউটারকে মাইক্রোকম্পিউটার নামে অভিহিত করা হয়।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার নয় কোনটি?
  1. ABC
  2. IBM 1600
  3. ENIAC
  4. UNIVAC
সঠিক উত্তর:
IBM 1600
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IBM 1600
ব্যাখ্যা
• প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার:
- প্রথম প্রজন্মের ব্যপ্তিকাল ১৯৪২ হতে ১৯৫৯ পর্যন্ত।
- এই প্রজন্মের কম্পিউটারের সার্কিটে বায়ুশুন্য টিউব ব্যবহৃত হতো।
- ভারী, সীমিত তথ্যধারণ ক্ষমতা, উত্তাপ সমস্যা ইত্যাদি ছিল এই বায়ুশুন্য টিউবগুলোর বৈশিষ্ট্য।
- এরপর ধীরে ধীরে তথ্যধারণ করার ক্ষেত্রে বায়ুশুন্য টিউব এর পরিবর্তে চৌম্বকধর্মী বস্তু আসতে লাগলো।
- উদাহরণস্বরূপ এবিসি (ABC), এনিয়াক (ENIAC), ইউনিভ্যাক (UNIVAC) ইত্যাদি এই পর্যায়ভুক্ত।

- IBM 1600 দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার।

উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি পার্সোনাল কম্পিউটারের কারিগরি নাম?
  1. মাইক্রোকম্পিউটার
  2. মেইনফ্রেমকম্পিউটার
  3. পিডিপি কম্পিউটার
  4. আরপানেট কম্পিউটার
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোকম্পিউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোকম্পিউটার
ব্যাখ্যা
- মাইক্রোকম্পিউটার হলো পার্সোনাল কম্পিউটার (PC) বা বিজনেস কম্পিউটার (BC)-এর কারিগরি নাম।
- ১৯৭১ সালের নভেম্বরে ইনটেল (Intel) কোম্পানি প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর "ইনটেল-৪০০৪ (Intel 4004)" তৈরি করে।
- মাইক্রোপ্রসেসরের সাহায্যে তৈরি ক্ষুদ্রাকৃতির কম্পিউটারকে মাইক্রোকম্পিউটার বলা হয়।
- এই কম্পিউটার সহজে স্থানান্তরযোগ্য এবং একজন ব্যবহারকারী একাই এটি ব্যবহার করতে পারেন।
- IBM 486 এবং IBM Pentium মাইক্রোকম্পিউটারের উদাহরণ।
- পার্সোনাল কম্পিউটারের জনক হেনরি এডওয়ার্ড রবার্ট, যিনি বাণিজ্যিকভাবে প্রথম পার্সোনাল কম্পিউটার "Altair 8800" আবিষ্কার করেন।

উৎস:
১. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন, নবম-দশম শ্রেণি (ভােকেশনাল)।
.
ডিজিটাল কম্পিউটারের মূল ভিত্তি কী?
  1. Decimal Digit
  2. Binary Digit
  3. Octal Digit
  4. Hexadecimal Digit
সঠিক উত্তর:
Binary Digit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Binary Digit
ব্যাখ্যা
• ডিজিটাল কম্পিউটার:
- এই ধরনের কম্পিউটারে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য বর্ণ ও অংক ব্যবহার করা হয় এবং প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল লিখিত আকারে প্রস্তুত করা হয়।
- ডিজিটাল কম্পিউটারের মূল ভিত্তি হল বাইনারী সংখ্যা (০ এবং ১)।
- এই কম্পিউটার যাবতীয় গাণিতিক ও যুক্তিমূলক কাজ বাইনারী ডিজিটের মাধ্যমে প্রক্রিয়াকরণ করে এবং প্রক্রিয়াকৃত ফলাফল বর্ণ ও অংকের মাধ্যমে লিখিত আকারে প্রকাশ করে।
- এনালগ কম্পিউটারের চেয়ে ডিজিটাল কম্পিউটার প্রদত্ত ফলাফল অনেক বেশি নির্ভুল ও নির্ভরশীল।
- আমাদের চারপাশে আমরা যে সমস্ত কম্পিউটার দেখি সেগুলো ডিজিটাল কম্পিউটার।
- ডিজিটাল কম্পিউটারে লেখালেখি, হিসাব নিকাশ, তথ্য সংরক্ষণ, তথ্য ও উপাত্ত বিশ্লেষণ প্রভৃতি কাজ একইসংগে করা যায়।
- কাজের ধরন অনুযায়ী ব্যবহারিক কর্মসূচি ব্যবহার করতে হয়।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
আধুনিক কম্পিউটার প্রযুক্তির বিকাশে কোনটি প্রধান ভূমিকা পালন করেছে?
  1. আইসি
  2. পাঞ্চ কার্ড
  3. এনআইসি কার্ড
  4. ট্রানজিস্টর
সঠিক উত্তর:
আইসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসি
ব্যাখ্যা
• ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (আইসি):
- ১৯৫৮ সালে জ্যাক কেলবি ও রবার্ট নইসি আইসি (Integrated Circuit) আবিষ্কার করেন, যা ইলেকট্রনিক্সে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনেন।
- আইসিতে অনেকগুলো ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ও অন্যান্য উপকরণ একত্রে একটি সিলিকন পাতের ওপর স্থাপন করা হয়।
- আইসি ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার আকার ছোট হয়ে যায়, দাম কমে যায়, বিদ্যুৎ খরচ কমে যায়, এবং কাজের গতি ও নির্ভরশীলতা বৃদ্ধি পায়।
- তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো আইসি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছিল, যেমন IBM 360, 370, PDP 8, PDP II।
- আইসি ব্যবহার কম্পিউটার মেমরিব্যবস্থার উন্নতিতে সাহায্য করে এবং হিসাব নিকাশের সময় কমিয়ে আনে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
হাইব্রিড কম্পিউটার সাধারণত কোথায় ব্যবহৃত হয়?
  1. দৈনন্দিন ব্যক্তিগত কাজ
  2. অফিস ম্যানেজমেন্ট
  3. মিসাইল ও সমরাস্ত্র
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
মিসাইল ও সমরাস্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিসাইল ও সমরাস্ত্র
ব্যাখ্যা
• হাইব্রিড কম্পিউটার:
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়।
- একে সংকর কম্পিউটারও বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটারে সাধারণত উপাত্ত সংগৃহীত হয় অ্যানালগ প্রক্রিয়ায় এবং সংগৃহীত উপাত্ত সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
- ডিজিটাল অংশ প্রাপ্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল প্রদান করে।
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি। তাই কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়; যেমন- মিসাইল, সমরাস্ত্র, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃত্যন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
গণিতবিদরা পৃথিবীর প্রথম অংক-ভিত্তিক গণনাযন্ত্র হিসেবে চিহ্নিত করেছেন কোনটিকে?
  1. এক্সট্রানেট
  2. অ্যাবাকাস
  3. ইউনিভ্যাক
  4. আরপানেট
সঠিক উত্তর:
অ্যাবাকাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাবাকাস
ব্যাখ্যা
- খ্রিষ্টপূর্ব প্রায় পাঁচশত অব্দে অ্যাবাকাস (Abacus) নামক গণনা যন্ত্র উদ্ভাবিত হয়।
- গণিতবিদরা এটিকে পৃথিবীর প্রথম অংক-ভিত্তিক গণনাযন্ত্র হিসেবে চিহ্নিত করেছেন
- সংখ্যা নির্দিষ্ট করার জন্য এবাকাসের সরু দন্ডে কতগুলো গুটি গাঁথা থাকে। এইসব গুটি সঞ্চালন করে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ প্রভৃতি গাণিতিক কাজ করা যায়।
- অ্যাবাকাস শব্দটির অর্থ গণনাকারী বোর্ড।
- দ্বাদশ শতাব্দী পর্যন্ত ইউরোপ ও এশিয়ায় অ্যাবাকাস ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
- পঞ্চদশ শতাব্দীতে অ্যাবাকাস জাপানে প্রবর্তিত হয়।
- চীনে অ্যাবাবাসকে বলা হয় সুয়ানপান (Suanpan), জাপানে সরোবান (Soroban) এবং রাশিয়াতে বলা হয় স্কেটিয়া ( Sketia)।

উৎস:
১। কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
বর্তমানে IBM 1620 কম্পিউটারটি কোথায় সংরক্ষিত আছে?
  1. পরিসংখ্যান ব্যুরোতে
  2. বাংলাদেশ পরমাণু গবেষণা কেন্দ্রে
  3. হাবিব ব্যাংকে
  4. ঢাকার আগারগাঁও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যাদুঘরে
সঠিক উত্তর:
ঢাকার আগারগাঁও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যাদুঘরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকার আগারগাঁও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যাদুঘরে
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৪ সালে বাংলাদেশে প্রথম IBM 1620 মেইনফ্রেইম কম্পিউটারের আগমন ঘটে।
- কম্পিউটারটি স্থাপিত হয় তৎকালীন পাকিস্তান পরমাণু গবেষণা কেন্দ্রে।
- যন্ত্রটির মুখ্য কাজ ছিল জটিল গবেষণায় গাণিতিক হিসাব সম্পাদন।
- বর্তমানে কম্পিউটারটি ঢাকার আগারগাঁও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যাদুঘরে সংরক্ষিত।
- ১৯৬০-এর দশকের শেষ দিকে হাবিব ব্যাংক ও ইউনাইটেড ব্যাংক কম্পিউটার ব্যবহার শুরু করে।
- ১৯৬৯ সালে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো তার প্রথম মেইনফ্রেইম কম্পিউটার চালু করে।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল, ভোকেশনাল।
১৩.
১৭৮৬ সালে কে 'ডিফারেন্স ইঞ্জিন' নামে পরিচিত একটি ক্যালকুলেটর বা গণনা যন্ত্র তৈরির পরিকল্পনা করেন?
  1. জন নেপিয়ার
  2. উইলিয়াম অডরেট
  3. মুলার
  4. ব্লেইজ প্যাসকেল
সঠিক উত্তর:
মুলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুলার
ব্যাখ্যা
• ডিফারেন্স ইঞ্জিন:
- ১৭৮৬ সালে জার্মানির মুলার ‘ডিফারেন্স ইঞ্জিন' নামে পরিচিত একটি ক্যালকুলেটর বা গণনা যন্ত্র তৈরির পরিকল্পনা করেন।
- এর প্রায় দুই যুগ পর ১৮১২ সালে ইংল্যান্ডের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক চার্লস ব্যাবেজ আরো উন্নত ডিফারেন্স ইঞ্জিন বা বিয়োগ ফলভিত্তিক গণনার যন্ত্র উদ্ভাবনের পরিকল্পনা করেন।
- ১৬১৪ সালে স্কটল্যান্ডের গণিতবিদ জন নেপিয়ার লগারিদমের সারণি আবিষ্কার করেন যার ফলে অনেক জটিল গাণিতিক হিসাব সহজ হয়।
- ১৬৩২ সালে উইলিয়াম অডরেট নামের একজন ইংরেজ গণিতবিদ নেপিয়ারের লগারিদম ব্যবহার করে স্লাইড রুল আবিষ্কার করেন।
- ১৬৪২ সালে ১৯ বছর বয়সে ফরাসি গণিতবিদ ব্লেইজ প্যাসকেল গিয়ার ও চাকতি ব্যবহার করে সর্বপ্রথম যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর বা যান্ত্রিক গণনা যন্ত্র আবিষ্কার করেন যার নাম প্যাসকেলেন।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
ENIAC কম্পিউটারে দশ অংকের দুটি সংখ্যা গুণ করতে কত সময় লাগতো?
  1. ৩ মিলি সেকেন্ড
  2. ৫ ন্যানো সেকেন্ড
  3. ১০ মিলি সেকেন্ড
  4. ১০ ন্যানো সেকেন্ড
সঠিক উত্তর:
৩ মিলি সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মিলি সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
• ENIAC:
- ENIAC-এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Numerical Integrator And Computer
- ১৯৪৬ সালে ড. জন মউসলি এবং তার ছাত্র প্রেসপার একার্ট যৌথভাবে ENIAC (Electronic Numerical Integrator And Calculator) নামক কম্পিউটারটি তৈরি করেছিলেন।
- ENIAC ছিল প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।
- ENIAC কম্পিউটারের প্রোগ্রামের জন্য তারযুক্ত প্লাগবোর্ড ব্যবহার করা হতো।

• ENIAC এর উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- এটি ৩০ টন এবং ১৯ হাজার ইলেকট্রনিক টিউব দিয়ে নির্মিত।
- এটি চালানোর জন্য ১৩০ হতে ১৪০ কিলোওয়াট বিদ্যুতের প্রয়োজন হতো।
- প্রতি সেকেন্ডে ৫ হাজারটি যোগ এবং ৫ শতটি গুণ করতে পারত।
- দশ অংকের দুটি সংখ্যা গুণ করতে তিন মিলি সেকেন্ড সময় লাগত।
- প্রোগ্রামের জন্য এ কম্পিউটারের তারযুক্ত প্লাগবোর্ড ব্যবহার করা হয়েছিল।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
EDSAC-এ ইনপুট যন্ত্র হিসেবে কী ব্যবহার করা হয়েছিল?
  1. কীবোর্ড
  2. পাঞ্চড টেপ
  3. মাউস
  4. কার্ড রিডার
সঠিক উত্তর:
পাঞ্চড টেপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঞ্চড টেপ
ব্যাখ্যা
- EDSAC-এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Delay Storage Automatic Calculator।
- ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের অধ্যাপক মরিস উইলকসের (Maurice Wilkes) নেতৃত্বে ১৯৪৭ সালে EDSAC কম্পিউটার নির্মাণের কাজ শুরু হয়।
- ১৯৪৯ সালে এই কম্পিউটারে প্রথম প্রোগ্রাম চালানো হয়।
- এতে ইনপুট দেওয়ার জন্য পাঞ্চড টেপ (punched tape) ব্যবহার করা হতো।
- মেমরি হিসেবে মার্কারি ডিলে লাইন টিউব (Mercury Delay Line Tubes) ব্যবহার করা হয়েছিল।
- EDSAC একটি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৬.
মাইক্রোপ্রসেসর হলো _________ তৈরি এক ধরনের VLSI চিপ।
  1. সিলিকনের
  2. গ্রাফাইটের
  3. কার্বনের
  4. সিলেনিয়ামের
সঠিক উত্তর:
সিলিকনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলিকনের
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটারের চতুর্থ প্রজন্ম:
- ১৯৭০ সালের প্রথম দিকে IC (Integrated Circuit)-এর দ্রুত উন্নয়নের ফলে LSI (Large Scale Integration) এবং VLSI (Very Large Scale Integration) চিপের আবির্ভাব ঘটে।
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের VLSI চিপ।
- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করে তৈরি করা হতো।
- Windows, DOS অপারেটিং সিস্টেম দুটির ব্যবহার এ প্রজন্ম থেকেই শুরু হয়েছিল।
- ১৯৮১ সালে IBM কোম্পানি ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে প্রথম মাইক্রোকম্পিউটার তৈরি করা শুরু করে।
- IBM -3033, IBM -4341, TRS 40, Pentium Series, IBM পিসি ইত্যাদি এ প্রজন্মের কম্পিউটার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
কম্পিউটারের তৃতীয় প্রজন্মের ব্যপ্তিকাল কত?
  1. ১৯২১ থেকে ১৯৬৪ সাল
  2. ১৯৬৫ থেকে ১৯৭০ সাল
  3. ১৯৭১ থেকে ১৯৯৫ সাল
  4. ১৯৯৬ থেকে ২০০৫ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৬৫ থেকে ১৯৭০ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৫ থেকে ১৯৭০ সাল
ব্যাখ্যা
• তৃতীয় প্ৰজন্ম কম্পিউটার:
- তৃতীয় প্রজন্মের ব্যাপ্তিকাল ১৯৬৫ থেকে  ১৯৭০ সাল পর্যন্ত।
- ১৯৫৮ সালে রবার্ট নইসি (Robert Noyce) এবং জ্যাক কিলবি (Jack Kilby) IC (Integrated Circuit) আবিষ্কার করে ইলেকট্রনিক জগতে যুগান্তকারী পরিবর্তনের সূচনা করেন।
- তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো IC ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছিল।
- একটি মাত্র IC-তে অনেকগুলো ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর এবং অন্যান্য উপকরণ মিশিয়ে একটি ক্ষুদ্র সিলিকন পাতের ওপর স্থাপন করা থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।